মাদরাসার ভবন নির্মাণ ও নির্মাণের পর সৌন্দর্য বর্ধনমূলক কাজ করা—একধরনের মাসলাহাত। অপরদিকে মাদরাসার স্টাফদের বেতন দেওয়াও মাসলাহাত। এখন মুহতামিমকে ভাবতে হবে যে, এগুলোর কোনটাতে কত পরিমাণ ও কিভাবে খরচ করা হবে।
নিঃসন্দহে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মাসলাহাত বা উপকারিতাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সুতরাং সমাজে যে দেখা যায়, মাদরাসার স্টাফদের বেতন ধরা হয় অল্প। ফলে তাদের যোগ্যতাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে মাদরাসার কাজে ব্যবহার না হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। অপরদিকে মুহতামিম সাহেব ভবন নির্মাণ ও এরকম কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে উদার হাতে খরচ করে যান—এগুলো কোনোভাবেই ঠিক নয়।
-
আহকামে মাদারেস, প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ
নিঃসন্দহে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মাসলাহাত বা উপকারিতাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সুতরাং সমাজে যে দেখা যায়, মাদরাসার স্টাফদের বেতন ধরা হয় অল্প। ফলে তাদের যোগ্যতাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে মাদরাসার কাজে ব্যবহার না হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। অপরদিকে মুহতামিম সাহেব ভবন নির্মাণ ও এরকম কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে উদার হাতে খরচ করে যান—এগুলো কোনোভাবেই ঠিক নয়।
-
আহকামে মাদারেস, প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ
❤29
ইমরান রাইহান ভাইয়ের এই বইটার জন্য লম্বা সময় ধরে অপেক্ষায় ছিলাম। প্রায় দেখা হলে কাজটার খোজ নিতাম। যাক, অবশেষে আসছে, এটাই আমার জন্য খুশির।
.
প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে। তাই এখনও সংগ্রহ করতে পারেন বা সামনে মেলায় এসেও সংগ্রহ করতে পারে। বাকি, অবশ্যই সংগ্রহ করবেন। মাদরাসার শরহে বেকায় জালালাইনের ছাত্রদের জন্য তো বিশেষভাবে সংগ্রহের দরকার।
.
প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে। তাই এখনও সংগ্রহ করতে পারেন বা সামনে মেলায় এসেও সংগ্রহ করতে পারে। বাকি, অবশ্যই সংগ্রহ করবেন। মাদরাসার শরহে বেকায় জালালাইনের ছাত্রদের জন্য তো বিশেষভাবে সংগ্রহের দরকার।
❤40
করাচির বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান জামিয়া উলুমে ইসলামিয়া আল্লামা ইউসুফ বানুরি টাউন। জেহাদ ফি সাবিলিল্লাহর জন্য এ মাদরাসার প্রথম সারির আলেমগণ জীবন পর্যন্ত দিয়েছেন। বাংলাদেশের মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী রহ. এখানে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। তিনি লিখেছেন,
“মুফতি নিজামুদ্দিন শামজাইকে শহিদ করা হয় খুবই ঠান্ডা মাথায়। আমি তখন সেখানে ছিলাম। মুজাহিদদের উনি জানপ্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করতেন। তাদের পাশে থেকে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলেন...।
মুফতি নিজাম সাহেব নিউটাউনের পাশেই মাত্র একশ ফুট দূরে একটি ভবনে থাকতেন। গাড়িতে করে যাতায়াত করতেন। জিহাদি কার্যক্রমে অনেক সময় দিতেন। প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিধায় মুজাহিদীন তাকে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী গ্রহণ করতে বলেছিল গাড়িতে করে মাদরাসায় আসা পর্যন্ত। এজন্য তার সাথে সশস্ত্র দেহরক্ষী থাকত। একদিন এভাবেই আসছিলেন মাদরাসায়। নিউটাউনের মোড়ে আসতেই একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁর গাড়ি লক্ষ করে ব্রাশফায়ার চালায়। এতে তিনি দেহরক্ষীসহ শহিদ হয়ে যান। রহিমাহুমুল্লাহ।
বিজ্ঞ আলিমদের জিহাদে সম্পৃক্ত হওয়াকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুব একটা ভালো চোখে দেখছিল না। যেহেতু তখন আমেরিকার সাথে নতুন যুদ্ধে নামতে যাচ্ছিল তালিবগণ, তাই মনে করা হয় এই হত্যাকাণ্ড আমেরিকার ইশারাতেই হয়েছিল। শুধু মুফতি নিজাম একাই নন, ধারাবাহিকভাবে একের পর এক বিজ্ঞ আলিমগণ পাকিস্তানে শাহাদাত বরণ করেই যাচ্ছিলেন। এর পূর্বেও শিয়া জালিমরা সিপাহে সাহাবার নেতৃবৃন্দকে শহিদ করেছিল ধারাবাহিক নিষ্ঠুরতার সাথে। আর নতুন যুগের ক্রুসেডযুদ্ধ শুরু হবার পর এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বিশেষত নিউটাউনের আলিমগণ জিহাদি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা বেশি করায় এখানকার আলিমদের উপর বাতিলের ছিল আলাদা শ্যেনদৃষ্টি। শক্ত ও বস্তুনিষ্ঠ ফতোয়াদানে কোনোরকম শৈথিল্য না দেখিয়ে অনমনীয় মনোভাব ধরে রাখা নিউটাউনের দারুল ইফতার অনন্য বৈশিষ্ট্য। সুবিধাবাদী ইসলামের ধার ধারতেন না তারা। দেশীয় অনেক ইস্যুতেই নিউটাউন তার এই বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। ফলে দেশে ও বিদেশে সর্বত্র নিউটাউনের দারুল ইফতার একটা বিশেষ চাহিদা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একইসাথে দারুল ইফতা তৈরি করেছে তার অসংখ্য শত্রু ও প্রাণের দুশমন। তখন এবং এখনো, পাকিস্তানে বিশেষত করাচিতে নিউটাউনের মুয়াফিক ফতোয়া হলে তা গৃহীত হতো, অন্যথা জনগণ তা গ্রহণে দ্বিধা করত।
--
মুজাহিদীনও জটিল জটিল ফতোয়ার জন্য নিউটাউনে আসতেন। এজন্য বাতিল তাগুতি শক্তি মুফতি নিজামের পর আরো অনেককেই রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করতে থাকে...।
ড. হাবিবুল্লাহ মুখতার ও মুফতি ইউসুফ লুধিয়ানবিও এভাবে শহিদ হন...।
এভাবেই একে একে পরবর্তীতে মুফতি আবদুল মজিদ, মাওলানা মুহাম্মদ সালেহ ওকাড়বি, যাকে আমিই সুপারিশ করে দারুল ইফতায় নিয়োগ দিয়েছিলাম, সেও শহিদ হয়ে যায়। মুফতি আবদুর রহমান সাহেবও শহিদ হন এদের হাতে। মুহাম্মদ বানুরি-আল্লামা বানুরির সন্তান ছিলেন-শহিদ হন দুর্বৃত্তের হাতে। নিউটাউনে শাহাদাতের সিলসিলা এখনো চালু আছে। আলিমদের সাথে মুজাহিদরা মাঝেমধ্যে মজা করে বলত যে, ‘আমরা শাহাদাতের জন্য এত কষ্ট করে হিজরত করি। বছরের পর বছর শাহাদাতের জন্য অপেক্ষা করি। আর আপনাদের ইলমের কী শান! ইলমের সঠিক ব্যবহারের কারণে আল্লাহ তায়ালা শত্রু পাঠিয়ে আপনাদের নিজ নিজ বাসায় এসে শাহাদাত হাদিয়া দিয়ে যায়! কেয়ামত দিবসে নিউটাউনের এই দারুল ইফতা ও এখানকার মুফতিগণ ইলম ও জিহাদের সমন্বিত কাফেলায় থাকবেন, ইনশাআল্লাহ’।”
(আত্মজীবনী: পৃষ্ঠা ১৩৭-১৪০)
“মুফতি নিজামুদ্দিন শামজাইকে শহিদ করা হয় খুবই ঠান্ডা মাথায়। আমি তখন সেখানে ছিলাম। মুজাহিদদের উনি জানপ্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করতেন। তাদের পাশে থেকে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলেন...।
মুফতি নিজাম সাহেব নিউটাউনের পাশেই মাত্র একশ ফুট দূরে একটি ভবনে থাকতেন। গাড়িতে করে যাতায়াত করতেন। জিহাদি কার্যক্রমে অনেক সময় দিতেন। প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিধায় মুজাহিদীন তাকে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী গ্রহণ করতে বলেছিল গাড়িতে করে মাদরাসায় আসা পর্যন্ত। এজন্য তার সাথে সশস্ত্র দেহরক্ষী থাকত। একদিন এভাবেই আসছিলেন মাদরাসায়। নিউটাউনের মোড়ে আসতেই একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁর গাড়ি লক্ষ করে ব্রাশফায়ার চালায়। এতে তিনি দেহরক্ষীসহ শহিদ হয়ে যান। রহিমাহুমুল্লাহ।
বিজ্ঞ আলিমদের জিহাদে সম্পৃক্ত হওয়াকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুব একটা ভালো চোখে দেখছিল না। যেহেতু তখন আমেরিকার সাথে নতুন যুদ্ধে নামতে যাচ্ছিল তালিবগণ, তাই মনে করা হয় এই হত্যাকাণ্ড আমেরিকার ইশারাতেই হয়েছিল। শুধু মুফতি নিজাম একাই নন, ধারাবাহিকভাবে একের পর এক বিজ্ঞ আলিমগণ পাকিস্তানে শাহাদাত বরণ করেই যাচ্ছিলেন। এর পূর্বেও শিয়া জালিমরা সিপাহে সাহাবার নেতৃবৃন্দকে শহিদ করেছিল ধারাবাহিক নিষ্ঠুরতার সাথে। আর নতুন যুগের ক্রুসেডযুদ্ধ শুরু হবার পর এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বিশেষত নিউটাউনের আলিমগণ জিহাদি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা বেশি করায় এখানকার আলিমদের উপর বাতিলের ছিল আলাদা শ্যেনদৃষ্টি। শক্ত ও বস্তুনিষ্ঠ ফতোয়াদানে কোনোরকম শৈথিল্য না দেখিয়ে অনমনীয় মনোভাব ধরে রাখা নিউটাউনের দারুল ইফতার অনন্য বৈশিষ্ট্য। সুবিধাবাদী ইসলামের ধার ধারতেন না তারা। দেশীয় অনেক ইস্যুতেই নিউটাউন তার এই বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। ফলে দেশে ও বিদেশে সর্বত্র নিউটাউনের দারুল ইফতার একটা বিশেষ চাহিদা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একইসাথে দারুল ইফতা তৈরি করেছে তার অসংখ্য শত্রু ও প্রাণের দুশমন। তখন এবং এখনো, পাকিস্তানে বিশেষত করাচিতে নিউটাউনের মুয়াফিক ফতোয়া হলে তা গৃহীত হতো, অন্যথা জনগণ তা গ্রহণে দ্বিধা করত।
--
মুজাহিদীনও জটিল জটিল ফতোয়ার জন্য নিউটাউনে আসতেন। এজন্য বাতিল তাগুতি শক্তি মুফতি নিজামের পর আরো অনেককেই রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করতে থাকে...।
ড. হাবিবুল্লাহ মুখতার ও মুফতি ইউসুফ লুধিয়ানবিও এভাবে শহিদ হন...।
এভাবেই একে একে পরবর্তীতে মুফতি আবদুল মজিদ, মাওলানা মুহাম্মদ সালেহ ওকাড়বি, যাকে আমিই সুপারিশ করে দারুল ইফতায় নিয়োগ দিয়েছিলাম, সেও শহিদ হয়ে যায়। মুফতি আবদুর রহমান সাহেবও শহিদ হন এদের হাতে। মুহাম্মদ বানুরি-আল্লামা বানুরির সন্তান ছিলেন-শহিদ হন দুর্বৃত্তের হাতে। নিউটাউনে শাহাদাতের সিলসিলা এখনো চালু আছে। আলিমদের সাথে মুজাহিদরা মাঝেমধ্যে মজা করে বলত যে, ‘আমরা শাহাদাতের জন্য এত কষ্ট করে হিজরত করি। বছরের পর বছর শাহাদাতের জন্য অপেক্ষা করি। আর আপনাদের ইলমের কী শান! ইলমের সঠিক ব্যবহারের কারণে আল্লাহ তায়ালা শত্রু পাঠিয়ে আপনাদের নিজ নিজ বাসায় এসে শাহাদাত হাদিয়া দিয়ে যায়! কেয়ামত দিবসে নিউটাউনের এই দারুল ইফতা ও এখানকার মুফতিগণ ইলম ও জিহাদের সমন্বিত কাফেলায় থাকবেন, ইনশাআল্লাহ’।”
(আত্মজীবনী: পৃষ্ঠা ১৩৭-১৪০)
❤42🔥1
অনেক আলেম ও তালেবে ইলম ভাইরা বিস্তৃত আঙ্গিকে সিরাত পড়তে চান, তাদের জন্য এই ভিডিওটা একটি উত্তম রাহনুমায়ী হতে পারে।
https://youtu.be/4K3mX2olI5Q?si=I0-yScdXfgsw2pzf
https://youtu.be/4K3mX2olI5Q?si=I0-yScdXfgsw2pzf
YouTube
আরবি ভাষায় রচিত ও অনূদিত কয়েকটি সীরাত গ্রন্থের পরিচিতি
আরবি ভাষায় অনেক গুরুতপূর্ন সীরাতগ্রন্থ রচিত ও অনূদিত হয়েছে। সেখান থেকেই কয়েকটি বই নিয়ে আজকের আলোচনা।
❤11🔥1
হুজাইফা আজ্জম হলেন আব্দুল্লাহ আজ্জম রহিমাহুল্লাহের ছেলে। তিনি আজ এক্সে একটি পোষ্ট করেছেন,
‘একজন নেককার ব্যক্তি একটি নেক স্বপ্ন দেখেছেন। যিনি সফরে-আবাসে এবং জিহাদের সময় আমার পিতার সঙ্গী ছিলেন। তিনি আমাকে জানালেন, প্রিয় হুযাইফা, তোমার প্রতি সালাম। আল্লাহর কসম, (স্বপ্নে দেখলাম) রাতের অধিকাংশ সময় আমি শাইখ আবদুল্লাহর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তখন যুদ্ধের পোশাক পরিহিত ছিলেন, আর আমি তার পেছনে হাঁটছিলাম। তিনি যুবকদের প্রস্তুত করছিলেন।’
আল্লাহই ভালো জানেন, ইহুদিদের পরিণতি ঘনিয়ে এসেছে।
‘একজন নেককার ব্যক্তি একটি নেক স্বপ্ন দেখেছেন। যিনি সফরে-আবাসে এবং জিহাদের সময় আমার পিতার সঙ্গী ছিলেন। তিনি আমাকে জানালেন, প্রিয় হুযাইফা, তোমার প্রতি সালাম। আল্লাহর কসম, (স্বপ্নে দেখলাম) রাতের অধিকাংশ সময় আমি শাইখ আবদুল্লাহর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তখন যুদ্ধের পোশাক পরিহিত ছিলেন, আর আমি তার পেছনে হাঁটছিলাম। তিনি যুবকদের প্রস্তুত করছিলেন।’
আল্লাহই ভালো জানেন, ইহুদিদের পরিণতি ঘনিয়ে এসেছে।
❤61
১.
লিটলম্যাগকে বাদ দেওয়ার পক্ষে না এটা অনেককেই বলেছি। তবে অবশ্যই একটা শৃঙ্খল নীতির মধ্যে আসতে হবে।
২.
মেলায় যে কেউ আসতে পারবে। মুসলিম পরিচয় ধারণ করে এমন যে কেউ মেলায় আসতে পারবে। এমনকি অমসুসলিম, পিউর সেকুলার, যে কেউ। এতটুকু উদারতা আমাদের থাকা উচিত। কিন্তু এই মেলার সাথে যেহুতু "ইসলাম" নামক একটি শব্দ যুক্ত আছে এবং এই মেলা এঅঞ্চলের মুসলিমদের দীর্ঘদিনের বুদ্ধিবৃদ্ধিক লড়াইয়ের একটি ছোট ফসল, তাই এটার যে কিছু স্বাতন্ত্র থাকবে সেটা আলাদা করে বুঝানোর প্রয়োজন নেই।
এই স্বাতন্ত্রের বিষয়টা লিটলম্যাগের ভাইরা গতবার বিশেষ লক্ষ্য রেখেছেন বলে আমার মনে হয়নি। এই জায়গায়টায় মনে হয় ভাইদের আরো চিন্তা করা দরকার।
৩.
লিটলম্যাগের ভাইদের একটা দাবী বেশ মজা লাগলো। সেটা হলো তারা নাকি মেলা জমিয়েছে। এবং তারা না গেলে নাকি প্রকাশকদের ভালোই লছ হবে। আমি চাইনা, মুসলিম পরিচয়ধারী কেউই এই মেলা থেকে বিমুখ হোক। তাই তারা এই মেলা বয়কট করুক এটা আমি কোনোভাবেই চাইনা।
তবে মজার বিষয় হলো, আমার ক্ষুদ্র নজরে গতমেলায় সবচেয়ে কম ইসলামি বই সংগ্রহ করতে দেখেছি লিটলম্যাগে আসা যাওয়াকারী ভাইদের। এবং শুধু মেলাতেই না, লিটম্যাগের ভাইদের আইডি দেখলেও স্পষ্ট দেখতে পাবেন, তাদের যতটুকু আগ্রহ বাতিঘর আর বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রের বইয়ের প্রতি তার শিখিভাগ আগ্রহও ইসলামে বইয়ে নাই।
তো, মেলার ব্যবসায়ীদের খুব ক্ষতি হবে এটা শুনে হাসিই লাগলো। এবং আরো কয়েকজনের সাথে কথা বলে দেখলাম তারাও বিষয়টা নিয়ে হাসতেছে।
৪.
লিটলম্যাগের প্রায় সবাই কওমীর সন্তান। কওমীর একটা অংশ তাদের যোগ্যতার বলে বিভিন্ন পেশা বেছে নেওয়া এটা তো খারাপ না। কিন্তু নিজেদের আচরণ ও উচ্চারণে যদি নিজেদের স্বতন্ত্রতা না থাকে, অন্য পাড়াদের অনুসরণই বেশি পরিলক্ষিত হয় তাহলে বিষয়টা খারাপ লাগে।
লিটলম্যাগের ভাইদের, বিশেষত যারা ক্বওমীর পরিচয়কে নিজের জন্য ফখরের মনে করেন, তাদের মুখের ভাষা আরো সংযত হওয়া উচিত। ট্যাগবাজিতে না জড়ানোই কাম্য।
কেউ বলবেন, আপনাদের কেউ কেউ শাহবাগি বলেছে। প্রথম কথা হলো, যে শাহবাগি বলেছে সে তো একজন পুস্তক ব্যবসায়ী। যার কাজই হলো শুধু টাকা কামানো। কিন্তু আপনার তো আদর্শ আছে। এজন্যই তো লিটকম্যাগ আন্দোলন করেন নাকি? তাহলে তাদের সাথে আপনার কী মিল!?
দ্বিতীয় কথা আপনাদের শাহবাগি বলার পিছনে যদি সামান্যও কোনো কারণ থাকে, তাহলে সেটা নিয়ে ভাবা উচিত। যেই শাহবাগিদের বিরুদ্ধেই আপনাদের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন, আপনাদেরকে যদি তাদেরই দলভূক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে তো দুঃখজনক। এজন্য ইলজামের গন্ধ থেকেও যথাসম্ভব বেঁচে থাকা জরুরী ভাইয়েরা।
লিটলম্যাগকে বাদ দেওয়ার পক্ষে না এটা অনেককেই বলেছি। তবে অবশ্যই একটা শৃঙ্খল নীতির মধ্যে আসতে হবে।
২.
মেলায় যে কেউ আসতে পারবে। মুসলিম পরিচয় ধারণ করে এমন যে কেউ মেলায় আসতে পারবে। এমনকি অমসুসলিম, পিউর সেকুলার, যে কেউ। এতটুকু উদারতা আমাদের থাকা উচিত। কিন্তু এই মেলার সাথে যেহুতু "ইসলাম" নামক একটি শব্দ যুক্ত আছে এবং এই মেলা এঅঞ্চলের মুসলিমদের দীর্ঘদিনের বুদ্ধিবৃদ্ধিক লড়াইয়ের একটি ছোট ফসল, তাই এটার যে কিছু স্বাতন্ত্র থাকবে সেটা আলাদা করে বুঝানোর প্রয়োজন নেই।
এই স্বাতন্ত্রের বিষয়টা লিটলম্যাগের ভাইরা গতবার বিশেষ লক্ষ্য রেখেছেন বলে আমার মনে হয়নি। এই জায়গায়টায় মনে হয় ভাইদের আরো চিন্তা করা দরকার।
৩.
লিটলম্যাগের ভাইদের একটা দাবী বেশ মজা লাগলো। সেটা হলো তারা নাকি মেলা জমিয়েছে। এবং তারা না গেলে নাকি প্রকাশকদের ভালোই লছ হবে। আমি চাইনা, মুসলিম পরিচয়ধারী কেউই এই মেলা থেকে বিমুখ হোক। তাই তারা এই মেলা বয়কট করুক এটা আমি কোনোভাবেই চাইনা।
তবে মজার বিষয় হলো, আমার ক্ষুদ্র নজরে গতমেলায় সবচেয়ে কম ইসলামি বই সংগ্রহ করতে দেখেছি লিটলম্যাগে আসা যাওয়াকারী ভাইদের। এবং শুধু মেলাতেই না, লিটম্যাগের ভাইদের আইডি দেখলেও স্পষ্ট দেখতে পাবেন, তাদের যতটুকু আগ্রহ বাতিঘর আর বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রের বইয়ের প্রতি তার শিখিভাগ আগ্রহও ইসলামে বইয়ে নাই।
তো, মেলার ব্যবসায়ীদের খুব ক্ষতি হবে এটা শুনে হাসিই লাগলো। এবং আরো কয়েকজনের সাথে কথা বলে দেখলাম তারাও বিষয়টা নিয়ে হাসতেছে।
৪.
লিটলম্যাগের প্রায় সবাই কওমীর সন্তান। কওমীর একটা অংশ তাদের যোগ্যতার বলে বিভিন্ন পেশা বেছে নেওয়া এটা তো খারাপ না। কিন্তু নিজেদের আচরণ ও উচ্চারণে যদি নিজেদের স্বতন্ত্রতা না থাকে, অন্য পাড়াদের অনুসরণই বেশি পরিলক্ষিত হয় তাহলে বিষয়টা খারাপ লাগে।
লিটলম্যাগের ভাইদের, বিশেষত যারা ক্বওমীর পরিচয়কে নিজের জন্য ফখরের মনে করেন, তাদের মুখের ভাষা আরো সংযত হওয়া উচিত। ট্যাগবাজিতে না জড়ানোই কাম্য।
কেউ বলবেন, আপনাদের কেউ কেউ শাহবাগি বলেছে। প্রথম কথা হলো, যে শাহবাগি বলেছে সে তো একজন পুস্তক ব্যবসায়ী। যার কাজই হলো শুধু টাকা কামানো। কিন্তু আপনার তো আদর্শ আছে। এজন্যই তো লিটকম্যাগ আন্দোলন করেন নাকি? তাহলে তাদের সাথে আপনার কী মিল!?
দ্বিতীয় কথা আপনাদের শাহবাগি বলার পিছনে যদি সামান্যও কোনো কারণ থাকে, তাহলে সেটা নিয়ে ভাবা উচিত। যেই শাহবাগিদের বিরুদ্ধেই আপনাদের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন, আপনাদেরকে যদি তাদেরই দলভূক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে তো দুঃখজনক। এজন্য ইলজামের গন্ধ থেকেও যথাসম্ভব বেঁচে থাকা জরুরী ভাইয়েরা।
👍10❤3🤔1
প্রকাশিতব্য দারুল ইসলাম ও দারুল হারব বই থেকে,
রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
মাসআলাটি স্পষ্ট হওয়ার পর, এখন নিজেই ভারতবর্ষের ব্যাপারে চিন্তা করে দেখুন—এখানে কাফের ও খ্রিস্টানদের আইন-কানুন কতটা শক্তি ও কর্তৃত্বের সাথে বিরাজ করছে! একজন সাধারণ ডেপুটি কমিশনারও যদি নির্দেশ জারি করে—মসজিদে জামাতের সাথে নামায আদায় করা যাবে না, তাহলে ধনী-গরিব কারোই হিম্মত নেই যে, নামায আদায় করে দেখাবে। জুমা ও দুই ইদের নামায আদায় করা, ফিকহের আরো কিছু বিধান পালন করা—এগুলো হচ্ছে তাদের বেধে দেওয়া আইনের অধীনে। তারা প্রজাদের জন্য এই বিধান জারি করে রেখেছে যে, প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী আমল করবে, এতে সরকারের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
মাসআলাটি স্পষ্ট হওয়ার পর, এখন নিজেই ভারতবর্ষের ব্যাপারে চিন্তা করে দেখুন—এখানে কাফের ও খ্রিস্টানদের আইন-কানুন কতটা শক্তি ও কর্তৃত্বের সাথে বিরাজ করছে! একজন সাধারণ ডেপুটি কমিশনারও যদি নির্দেশ জারি করে—মসজিদে জামাতের সাথে নামায আদায় করা যাবে না, তাহলে ধনী-গরিব কারোই হিম্মত নেই যে, নামায আদায় করে দেখাবে। জুমা ও দুই ইদের নামায আদায় করা, ফিকহের আরো কিছু বিধান পালন করা—এগুলো হচ্ছে তাদের বেধে দেওয়া আইনের অধীনে। তারা প্রজাদের জন্য এই বিধান জারি করে রেখেছে যে, প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী আমল করবে, এতে সরকারের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
মুসলিম সুলতানগণ যে নিরাপত্তা প্রদান করেছিলেন, তার নাম-নিশানাও এখন অবশিষ্ট নেই। বিবেকবান কে বলতে পারবে, বাদশা আলমগির আমাদের যে নিরাপত্তা দিয়েছিলেন, আজও আমরা ওই নিরাপত্তায় আরামে বসবাস করছি! বরং এই নতুন নিরাপত্তা কাফেরদের থেকে অর্জিত, যার অধীনে প্রজারা ভারতবর্ষে বসবাস করছে।
❤14👍3
আমার বন্ধু মফিজ মনে করে প্রথম আলো এদেশের শত্রু। ইসলামের শত্রু। কওমী আলেমদের শত্রু। এই বিষয়ে তার মনে কোনো খটকা নাই। নিয়মিত বিভিন্ন ফেসবুক পোষ্টে সে এটা অকপটে লেখে।
কিন্তু প্রথম আলোর সম্পাদক পদে চাকরি করা বন্ধুর দুলা ভাই হলো এদেশের শুভকাংখী। ইসলামের কল্যাণকামী ও কওমীর জাগ্রত সন্তান।
.
বন্ধু মফিজরে নিয়ে আমি কী করিতাম!
কিন্তু প্রথম আলোর সম্পাদক পদে চাকরি করা বন্ধুর দুলা ভাই হলো এদেশের শুভকাংখী। ইসলামের কল্যাণকামী ও কওমীর জাগ্রত সন্তান।
.
বন্ধু মফিজরে নিয়ে আমি কী করিতাম!
😁31🤣3👍1
আসন্ন বইমেলায় প্রকাশিতব্য "দারুল ইসলাম ও দারুল হারব" বই থেকে,
সিরিয়ান বিখ্যাত আলেম ও শারজাহ ইউনিভার্সিটির ইসলামি অনুষদের সাবেক অধ্যাপক ড. শায়খ উসমান জুমআ যমিরিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহের অভিমত হলো, তৃতীয় স্বতন্ত্র দারের ধারণাটি সর্বপ্রথম উঠে আসে প্রাচ্যবিদদের আলোচনায়। অতপর সেটাকে প্রসিদ্ধি দেন শায়খ আবু যাহরা। শায়খ উসমান জুমআ লেখেন,
وذهب بعض الكاتبين المعاصرين إلى أن دار العهد دار مستقلة متميزة عن دار الإسلام ودار الحرب ، فهي قسم ثالث . وكان من أول من ألمح إلى استقلال هذه الدار أصحاب "دائرة المعارف الإسلامية" من المستشرقين حيث جاء فيها : إلى جانب دار الحرب ودار الإسلام تعترف بعض المذاهب بوجود قسم ثالث هو دار الصلح، أو دار العهد التي لا تكون تحت الحكم الإسلامي، ولكنها في حال تبعية للإسلام ... والأرجح أن هذه الفكرة بصورة غامضة كانت أيضاً الأساس الذي قبلت فيه العلاقات مع الدول المسيحية والمبنية على معاهدات باعتبار أنها أمر ممكن ، والموقف الشرعي بالنسبة لهذه المسألة وَضَعَه الماوردي من الناحية الرسمية ... وإن هذا الموقف شاذ غامض... ثم ألمح إلى شيء من هذا أيضاً نجيب أرمنازي ، ثم عمق هذا الاتجاه بعد ذلك الشيخ محمد أبو زهرة. (أصول العلاقات الدولية، ص 349)
‘সমকালীন কিছু লেখক মনে করেন, “দারুল আহদ” দারুল ইসলাম ও দারুল হারব থেকে স্বতন্ত্র একটি পৃথক শ্রেণি; অর্থাৎ দারুল আহদ হলো তৃতীয় একটি শ্রেণি। প্রাচ্যবিদদের মধ্যে “দায়িরাতুল মাআরিফিল ইসলামিয়্যাহ”-এর লেখকরাই সর্বপ্রথম দারুল আহদ একটি স্বাতন্ত্র দার এই দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে—
“দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পাশাপাশি কিছু মাযহাব তৃতীয় একটি শ্রেণির দারের অস্তিত্বও স্বীকার করে। সেটি হলো—দারুস সুলহ বা দারুল আহদ। এই ভূখণ্ড ইসলামী শাসনের অধীন নয়; তবে ইসলামের সঙ্গে এক ধরনের অধীনতামূলক সম্পর্কের মধ্যে থাকে।… অস্পষ্টভাবে হলেও, এই ধারণাটিই এমন একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল, যার ওপর খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ককে একটি সম্ভবপর বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে শরয়ি অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করেন ইমাম মাওয়ারদি। তবে তাঁর এই শরয়ি অবস্থান ছিল শায ও অস্পষ্ট।” ... পরবর্তীতে শায়খ মুহাম্মদ আবু যাহরা এই চিন্তাধারাকে আরও গভীরতা ও বিস্তার দান করেন।’—উসুলুল আলাকতিদ দাওয়ালিয়্যাহ, পৃ. ৩৪৯
সিরিয়ান বিখ্যাত আলেম ও শারজাহ ইউনিভার্সিটির ইসলামি অনুষদের সাবেক অধ্যাপক ড. শায়খ উসমান জুমআ যমিরিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহের অভিমত হলো, তৃতীয় স্বতন্ত্র দারের ধারণাটি সর্বপ্রথম উঠে আসে প্রাচ্যবিদদের আলোচনায়। অতপর সেটাকে প্রসিদ্ধি দেন শায়খ আবু যাহরা। শায়খ উসমান জুমআ লেখেন,
وذهب بعض الكاتبين المعاصرين إلى أن دار العهد دار مستقلة متميزة عن دار الإسلام ودار الحرب ، فهي قسم ثالث . وكان من أول من ألمح إلى استقلال هذه الدار أصحاب "دائرة المعارف الإسلامية" من المستشرقين حيث جاء فيها : إلى جانب دار الحرب ودار الإسلام تعترف بعض المذاهب بوجود قسم ثالث هو دار الصلح، أو دار العهد التي لا تكون تحت الحكم الإسلامي، ولكنها في حال تبعية للإسلام ... والأرجح أن هذه الفكرة بصورة غامضة كانت أيضاً الأساس الذي قبلت فيه العلاقات مع الدول المسيحية والمبنية على معاهدات باعتبار أنها أمر ممكن ، والموقف الشرعي بالنسبة لهذه المسألة وَضَعَه الماوردي من الناحية الرسمية ... وإن هذا الموقف شاذ غامض... ثم ألمح إلى شيء من هذا أيضاً نجيب أرمنازي ، ثم عمق هذا الاتجاه بعد ذلك الشيخ محمد أبو زهرة. (أصول العلاقات الدولية، ص 349)
‘সমকালীন কিছু লেখক মনে করেন, “দারুল আহদ” দারুল ইসলাম ও দারুল হারব থেকে স্বতন্ত্র একটি পৃথক শ্রেণি; অর্থাৎ দারুল আহদ হলো তৃতীয় একটি শ্রেণি। প্রাচ্যবিদদের মধ্যে “দায়িরাতুল মাআরিফিল ইসলামিয়্যাহ”-এর লেখকরাই সর্বপ্রথম দারুল আহদ একটি স্বাতন্ত্র দার এই দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে—
“দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পাশাপাশি কিছু মাযহাব তৃতীয় একটি শ্রেণির দারের অস্তিত্বও স্বীকার করে। সেটি হলো—দারুস সুলহ বা দারুল আহদ। এই ভূখণ্ড ইসলামী শাসনের অধীন নয়; তবে ইসলামের সঙ্গে এক ধরনের অধীনতামূলক সম্পর্কের মধ্যে থাকে।… অস্পষ্টভাবে হলেও, এই ধারণাটিই এমন একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল, যার ওপর খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ককে একটি সম্ভবপর বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে শরয়ি অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করেন ইমাম মাওয়ারদি। তবে তাঁর এই শরয়ি অবস্থান ছিল শায ও অস্পষ্ট।” ... পরবর্তীতে শায়খ মুহাম্মদ আবু যাহরা এই চিন্তাধারাকে আরও গভীরতা ও বিস্তার দান করেন।’—উসুলুল আলাকতিদ দাওয়ালিয়্যাহ, পৃ. ৩৪৯
❤8
আসন্ন বইমেলায় প্রকাশিতব্য "দারুল ইসলাম ও দারুল হারব" বই থেকে,
চতুর্থ ত্রুটিটি হলো, যেভাবে এসব দেশকে “দারুল হারব” বলার ক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কা তুলে ধরা হচ্ছে, একইভাবে এগুলোকে “দারুল ইসলাম” বলার মধ্যেও ক্ষতি রয়েছে। বরং এর আরও বেশি ক্ষতি রয়েছে। প্রথমত এতে শরয়ি পরিভাষাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিবর্তনের পথ উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
চতুর্থ ত্রুটিটি হলো, যেভাবে এসব দেশকে “দারুল হারব” বলার ক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কা তুলে ধরা হচ্ছে, একইভাবে এগুলোকে “দারুল ইসলাম” বলার মধ্যেও ক্ষতি রয়েছে। বরং এর আরও বেশি ক্ষতি রয়েছে। প্রথমত এতে শরয়ি পরিভাষাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিবর্তনের পথ উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
দ্বিতীয়ত, এগুলোকে দারুল ইসলাম বলার পর মুসলমানরা তাদের প্রকৃত দায়িত্ব সম্পর্কে গাফেল ও উদাসীন হয়ে পড়বে। তাদের দায়িত্ব ছিল, এই দেশগুলোকে প্রকৃত ও সত্যকারের অর্থে ইসলামি আদর্শের কেন্দ্র ভূমিতে পরিণত করা; কিন্তু আগেভাগেই যদি একে “দারুল ইসলাম” বলা প্রচলিত হয়ে যায়, তবে সাধারণ মানুষ বলবে, যা আগে থেকে “দারুল ইসলাম”, তাকে নতুন করে দারুল ইসলাম বানানোর কী অর্থ? যেহেতু শরয়ি দৃষ্টিকোণ থেকে এর অবস্থান “দারুল ইসলাম” হিসেবেই স্বীকৃত, তাই আমাদের দায়িত্ব তো পালন হয়েই গেছে।
❤8
দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের প্রুফ ও সেটাপের পর ফাইল আমার কাছে পাঠানো হয় শেষবার দেখে দেওয়ার জন্য। কথা ছিলো তারা যে কারেকশনগুলো দিছে সেগুলো ঠিক করে দিবো। কিন্তু ফাইল হাতে পাওয়ার পর অতিরিক্ত আরো প্রায় ৬টা বড় টীকা যুক্ত করেছি কয়েকদিন সময় লাগিয়ে। প্রকাশক বন্ধু ক্ষেপে আছে। বই আরো আগেই চলে আসার কথা আর এদিকে আমার নাকি ঢঙই শেষ হইতেছে না!
ফাইল জমা দেওয়ার সময় সেটাপ ম্যানের চেহারা তো দেখি নাই। ‘কয়েকটা জিনিষ ঠিক করে দিয়েন’ এমন মেসেজের উত্তরে শুধু ‘জি ইনশাআল্লাহ' বলে চুপ মেরে গেছে। মনে মনে কী বলছে তা আল্লাহই জানে। আমিও ভয়ে ভয়ে উত্তরে কিছু বলি নাই।
এতকিছুর পরেও এখন আরো কিছু টীকা যুক্ত করতে মনে চাচ্ছে।
এটা এখন বলা ঠিক হবে কি না, বুঝতেছি না৷ ‘তোমার ফাইল তুমিই নিয়ে যাও, তোমার এই ঢঙের ফাইল আমার পক্ষে ছাপা সম্ভব না’ এমন কিছু যদি বলে দেয়, তাহলে আমার কী হবে? এই মূহুর্তে আমি প্রকাশক পাবো কই?
অথবা ‘বন্ধু কাজের প্রতি তোমার এই আগ্রহ দেখে তোমায় নাস্তা করাতে মনে চাচ্ছে, আসো, একটা রেস্টুরেন্টে বসি’ এটা বলে নিয়ে গিয়ে বিল আমার হাতে ধরিয়ে দেয় তখন আমার কী হবে? বইয়ের পাওয়া টাকা তো নাস্তার বিলেই শেষ হয়ে যাবে? আনার পোলা-মাইয়ার কী হবে? তারা কী খেয়ে বাঁঁচবে?
এমন পরিস্থিতিতে কী এগুলো বলা ঠিক হবে? আপনাদের কী পরামর্শ?
ফাইল জমা দেওয়ার সময় সেটাপ ম্যানের চেহারা তো দেখি নাই। ‘কয়েকটা জিনিষ ঠিক করে দিয়েন’ এমন মেসেজের উত্তরে শুধু ‘জি ইনশাআল্লাহ' বলে চুপ মেরে গেছে। মনে মনে কী বলছে তা আল্লাহই জানে। আমিও ভয়ে ভয়ে উত্তরে কিছু বলি নাই।
এতকিছুর পরেও এখন আরো কিছু টীকা যুক্ত করতে মনে চাচ্ছে।
এটা এখন বলা ঠিক হবে কি না, বুঝতেছি না৷ ‘তোমার ফাইল তুমিই নিয়ে যাও, তোমার এই ঢঙের ফাইল আমার পক্ষে ছাপা সম্ভব না’ এমন কিছু যদি বলে দেয়, তাহলে আমার কী হবে? এই মূহুর্তে আমি প্রকাশক পাবো কই?
অথবা ‘বন্ধু কাজের প্রতি তোমার এই আগ্রহ দেখে তোমায় নাস্তা করাতে মনে চাচ্ছে, আসো, একটা রেস্টুরেন্টে বসি’ এটা বলে নিয়ে গিয়ে বিল আমার হাতে ধরিয়ে দেয় তখন আমার কী হবে? বইয়ের পাওয়া টাকা তো নাস্তার বিলেই শেষ হয়ে যাবে? আনার পোলা-মাইয়ার কী হবে? তারা কী খেয়ে বাঁঁচবে?
এমন পরিস্থিতিতে কী এগুলো বলা ঠিক হবে? আপনাদের কী পরামর্শ?
😁11❤3👎1
...এটিও একটি বাস্তব সত্য যে, মাদরাসাগুলোর ভেতরে ঘটে যাওয়া সমস্ত ত্রুটি-বিচ্যুতির দায়ভার কেবল মুহতামিমের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আসল সত্য হলো—মুহতামিম নাজেম মুদাররিস এবং অন্যান্য স্টাফদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষমতা ও এখতিয়ার অনুযায়ী দায়িত্বশীল। বুখারি শরিফসহ অন্যান্য কুতুবে সিহাহ-এর প্রসিদ্ধ হাদিস দ্বারা স্পষ্ট যে, প্রতিটি মানুষই নিজ নিজ ক্ষেত্রে রাখাল বা তত্ত্বাবধায়ক এবং প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। অতএব মুহতামিম হোক বা অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ—মাদরাসার কোনো ত্রুটি দূর করতে কিংবা সেখানে সংস্কার সাধনে যার যতটুকু ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে, তার নিজের সামর্থ্য ও শক্তি অনুযায়ী সেই দায়িত্ব অবশ্যই পালন করা উচিত।
-
আহকামে মাদারেস (প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ)
.
মাদরাসার সাথে সংশ্লিষ্ট কেউ বইটা মিস দিয়েন না।
-
আহকামে মাদারেস (প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ)
.
মাদরাসার সাথে সংশ্লিষ্ট কেউ বইটা মিস দিয়েন না।
❤20👍2
লিটলম্যাগের এক সহযোদ্ধা আমার প্রকাশিতব্য “দারুল ইসলাম...” বইকে “যৌন উত্তেজক” বই বলে গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ণ করেছেন৷ তাও শুধু আমার কাছেই নয়, একাধিক স্থানেই! ভাবা যায়!! সাহিত্য ও সংস্কৃতি মনা সহযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে এমন শুভেচ্ছা আমাকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে।
জরুরি নোট : যারা সুস্থ আছেন। যৌন উত্তেজক এই বইটি শুধু তাদেরই কাজে আসবে। আর নিজেকে অপব্যবহার করে যারা ধ্বজভঙ্গ রোগি হয়ে বসে আছেন তাদের কোনো কাজে আসবে না যৌন উত্তেজক বইটি।
দোয়া করবেন আপনাদের জন্য যেনো আরো হাই ডোজের কোনো যৌন উত্তেজক বই লেখতে পারি।
.
বি.দ্র. ২ : পিও সহযোদ্ধার প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রচ্ছদে কী দিয়ে দিবো “যৌন উত্তেজেক” সিরিজ ১, এরকম কিছু? পরামর্শ দিবেন।
জরুরি নোট : যারা সুস্থ আছেন। যৌন উত্তেজক এই বইটি শুধু তাদেরই কাজে আসবে। আর নিজেকে অপব্যবহার করে যারা ধ্বজভঙ্গ রোগি হয়ে বসে আছেন তাদের কোনো কাজে আসবে না যৌন উত্তেজক বইটি।
দোয়া করবেন আপনাদের জন্য যেনো আরো হাই ডোজের কোনো যৌন উত্তেজক বই লেখতে পারি।
.
বি.দ্র. ২ : পিও সহযোদ্ধার প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রচ্ছদে কী দিয়ে দিবো “যৌন উত্তেজেক” সিরিজ ১, এরকম কিছু? পরামর্শ দিবেন।
🤣18