মাওলানা যুবায়ের সাহেবকে একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কওমী মাদরাসার এই যে নিকৃষ্ট কিছু সমস্যা চলছে, এটার থেকে উত্তরণের পথ কী?
হুজুরের সহজ উত্তর ছিলো, পুরো সিস্টেমকে অনাবাসিক বানিয়ে ফেলতে হবে। এতে কিছু পেরেশানি আর কিছু ঝামেলা হয়তো পোহাতে হবে। কিন্তু এর বিকল্প নেই।
হুজুর আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেছিলেন, পুরো পৃথিবীর শিক্ষাকাঠামোর এই মারহালাগুলো অনাবাসিকের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আর এটাই ফিতরি তরিকা। আমরা ফিতরি তরিকার বাহিরে কিছু বাস্তব সমস্যা আর বেশীরভাগ অবাস্তব সমস্যার ভয়ে ফিতরি তরিকার বাহিরে কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছি। যার কারণে আমরা ফল থেকেও ক্ষতি বেশি পাচ্ছি।
.
আপনি ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন, বাচ্চাদের আবাসিকের পুরো সিস্টেমটাই সমস্যাজনক। এবং এই সিস্টেমটাই এই নিকৃষ্ট গুনাহের পিছনে ৯৯% দায়ী। এই সমস্যাটা এভাবে চালিয়ে নিয়ে পুরো দ্বীনি মহলকে ধ্বংস করে দেওয়ার মানে হয় না।
.
আমাকে যারা বিশ্বাস করেন এবং পরামর্শ চান, আমি এখন সবাইকেই স্পষ্ট বলি, অনাবাসিক পড়ান। আপনার সন্তান মানুষ হয়, না অমানুষ হয়, এটা আপনার চোখের সামনে হোক।
হুজুরের সহজ উত্তর ছিলো, পুরো সিস্টেমকে অনাবাসিক বানিয়ে ফেলতে হবে। এতে কিছু পেরেশানি আর কিছু ঝামেলা হয়তো পোহাতে হবে। কিন্তু এর বিকল্প নেই।
হুজুর আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেছিলেন, পুরো পৃথিবীর শিক্ষাকাঠামোর এই মারহালাগুলো অনাবাসিকের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আর এটাই ফিতরি তরিকা। আমরা ফিতরি তরিকার বাহিরে কিছু বাস্তব সমস্যা আর বেশীরভাগ অবাস্তব সমস্যার ভয়ে ফিতরি তরিকার বাহিরে কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছি। যার কারণে আমরা ফল থেকেও ক্ষতি বেশি পাচ্ছি।
.
আপনি ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন, বাচ্চাদের আবাসিকের পুরো সিস্টেমটাই সমস্যাজনক। এবং এই সিস্টেমটাই এই নিকৃষ্ট গুনাহের পিছনে ৯৯% দায়ী। এই সমস্যাটা এভাবে চালিয়ে নিয়ে পুরো দ্বীনি মহলকে ধ্বংস করে দেওয়ার মানে হয় না।
.
আমাকে যারা বিশ্বাস করেন এবং পরামর্শ চান, আমি এখন সবাইকেই স্পষ্ট বলি, অনাবাসিক পড়ান। আপনার সন্তান মানুষ হয়, না অমানুষ হয়, এটা আপনার চোখের সামনে হোক।
👍28❤17
নেন, গালী খাবো জেনেও আরবী আর বাংলা অনুবাদ দিলাম।
فيه رد على بعض الفِرقِ مِن مُنكري الجهاد. فَمِنْهُم مَن يقولُ: إِنَّ الجهاد إنَّما يكون بالأمير، وبدون وجوده لا يجوز، وهذا قول فاسد لا دليل عليه مِنَ القرآنِ والسُّنَّةِ والفقه، وحديث أبي بصير صريح في عدم اشتراط وجود الأمير في الجهاد الدفاعي. وَمِنْهُم مَن يقولُ: إِنَّ الجهاد يتوقف على التزكية، وهذا أيضًا كلام سخيف لا دليل عليه، ويكون مثل أن تقول: إِنَّ الَّذي لا يُعطي الزَّكَاةَ؛ لا يفترض عليه الصلاة، فإنَّ الجهاد فريضةً مُستقلةٌ كالصلاة، بل الجهاد نفسه من أعظم وسائل التزكية.
জিহাদ অস্বীকারকারী কিছু দলের বক্তব্যের খণ্ডন :
তাদের একদল মনে করে, আমিরের নেতৃত্ব ছাড়া জিহাদ হতে পারে না; আমির না থাকলে জিহাদ করাও জায়েজ নয়।
এ বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কুরআন, সুন্নাহ কিংবা ফিকহ—কোনো ক্ষেত্রেই এর পক্ষে কোনো দলিল নেই। বরং আবু বাসির (রা.)-এর ঘটনা-সংক্রান্ত হাদিসটি স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, প্রতিরক্ষামূলক জিহাদের জন্য আমিরের উপস্থিতি শর্ত নয়।
আবার তাদের কেউ কেউ মনে করে, তাযকিয়া বা আত্মশুদ্ধি অর্জন না করা পর্যন্ত জিহাদ করা যাবে না। এটিও নিছক অমূলক ও ভিত্তিহীন কথা; শরিয়তের কোনো দলিল এর সমর্থনে নেই। এ বক্তব্যের অসারতা বোঝাতে বলা যায়—কেউ যদি এমন দাবি করে যে, ‘যে ব্যক্তি জাকাত আদায় করে না, তার ওপর নামাজও ফরজ নয়!’ অথচ নামাজ যেমন একটি স্বতন্ত্র ফরজ, জিহাদও তেমনি একটি স্বতন্ত্র ফরজ বিধান। বরং জিহাদ নিজেই আত্মশুদ্ধি ও তাযকিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
فيه رد على بعض الفِرقِ مِن مُنكري الجهاد. فَمِنْهُم مَن يقولُ: إِنَّ الجهاد إنَّما يكون بالأمير، وبدون وجوده لا يجوز، وهذا قول فاسد لا دليل عليه مِنَ القرآنِ والسُّنَّةِ والفقه، وحديث أبي بصير صريح في عدم اشتراط وجود الأمير في الجهاد الدفاعي. وَمِنْهُم مَن يقولُ: إِنَّ الجهاد يتوقف على التزكية، وهذا أيضًا كلام سخيف لا دليل عليه، ويكون مثل أن تقول: إِنَّ الَّذي لا يُعطي الزَّكَاةَ؛ لا يفترض عليه الصلاة، فإنَّ الجهاد فريضةً مُستقلةٌ كالصلاة، بل الجهاد نفسه من أعظم وسائل التزكية.
জিহাদ অস্বীকারকারী কিছু দলের বক্তব্যের খণ্ডন :
তাদের একদল মনে করে, আমিরের নেতৃত্ব ছাড়া জিহাদ হতে পারে না; আমির না থাকলে জিহাদ করাও জায়েজ নয়।
এ বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কুরআন, সুন্নাহ কিংবা ফিকহ—কোনো ক্ষেত্রেই এর পক্ষে কোনো দলিল নেই। বরং আবু বাসির (রা.)-এর ঘটনা-সংক্রান্ত হাদিসটি স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, প্রতিরক্ষামূলক জিহাদের জন্য আমিরের উপস্থিতি শর্ত নয়।
আবার তাদের কেউ কেউ মনে করে, তাযকিয়া বা আত্মশুদ্ধি অর্জন না করা পর্যন্ত জিহাদ করা যাবে না। এটিও নিছক অমূলক ও ভিত্তিহীন কথা; শরিয়তের কোনো দলিল এর সমর্থনে নেই। এ বক্তব্যের অসারতা বোঝাতে বলা যায়—কেউ যদি এমন দাবি করে যে, ‘যে ব্যক্তি জাকাত আদায় করে না, তার ওপর নামাজও ফরজ নয়!’ অথচ নামাজ যেমন একটি স্বতন্ত্র ফরজ, জিহাদও তেমনি একটি স্বতন্ত্র ফরজ বিধান। বরং জিহাদ নিজেই আত্মশুদ্ধি ও তাযকিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
❤60👍16🔥10
মেধাবী : কওমীর হুজুররা হইলো কওমে লুতের জাতি। কওমীর হুজুররা হিংসুক। কওমীর হুজুররা সারাদিন শুধু শিশু...। কওমীর হুজুররা...
উরকিস মেধাবী : আলহামদুলিল্লাহ, আজ শত শত কওমীর আলেমরা জামাতে যোগ দিচ্ছে।....
উরকিস মেধাবী : আলহামদুলিল্লাহ, আজ শত শত কওমীর আলেমরা জামাতে যোগ দিচ্ছে।....
😁53
ইমারতে ইসালামিয়া আফগান সরকারি সমস্ত জায়গা থেকে “জাতীয়” বা “ন্যাশনাল” শব্দটিকে বাদদিয়ে দিয়েছে।
যেমন ধরেন আগে লেখা হতো, ন্যাশনাল আর্মি, জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয় পরিক্ষা ইত্যাদি। এর স্থানে “সাধারণ” ও “জনসাধারণ” (العام/العامة) শব্দকে যুক্ত করা হয়েছে। যেমন ধরেন আগে লেখা হতো, জাতীয় পরিক্ষা অধিদপ্তর। আর এখন লেখা হচ্ছে, সাধারণ পরিক্ষা অধিদপ্তর।
.
কু*ফ*র ও কু*ফ*রের গন্ধ থেকে নিজ কর্তৃত্বে থাকা মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করা একটি ইসলামি ইমারার প্রথম ও অন্যতম বড় দায়িত্ব।
.
এছাড়া সমস্ত ধরনের গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ নিষেধ করেছে তালেব সরকার। যেটা ছিলো আরো বড় মাস্টার স্ট্রোক। ইনশাআল্লাহ, সেটা নিয়ে বিস্তারিত সামনে লেখবো ইনশাআল্লাহ।
.
আল্লাহ গণতন্ত্রের পূজারি, HT-র বেকুব ও দাওলার খারেজিদের অনিষ্ঠ থেকে মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করুন। আমীন।
যেমন ধরেন আগে লেখা হতো, ন্যাশনাল আর্মি, জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয় পরিক্ষা ইত্যাদি। এর স্থানে “সাধারণ” ও “জনসাধারণ” (العام/العامة) শব্দকে যুক্ত করা হয়েছে। যেমন ধরেন আগে লেখা হতো, জাতীয় পরিক্ষা অধিদপ্তর। আর এখন লেখা হচ্ছে, সাধারণ পরিক্ষা অধিদপ্তর।
.
কু*ফ*র ও কু*ফ*রের গন্ধ থেকে নিজ কর্তৃত্বে থাকা মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করা একটি ইসলামি ইমারার প্রথম ও অন্যতম বড় দায়িত্ব।
.
এছাড়া সমস্ত ধরনের গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ নিষেধ করেছে তালেব সরকার। যেটা ছিলো আরো বড় মাস্টার স্ট্রোক। ইনশাআল্লাহ, সেটা নিয়ে বিস্তারিত সামনে লেখবো ইনশাআল্লাহ।
.
আল্লাহ গণতন্ত্রের পূজারি, HT-র বেকুব ও দাওলার খারেজিদের অনিষ্ঠ থেকে মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করুন। আমীন।
❤64🔥10👍5😁2
বর্তমানে আমরা এমন কিছু শাসকগোষ্ঠীর অধীনে বাস করছি, যাদের দেখতে গায়ে-গতরে-বেশভূষায় আমাদেরই একজন মনে হলেও মূলত তারাই আমাদের চূড়ান্ত শত্রু। মিসরের মুহাম্মাদ আলি পাশার আমল থেকেই এই শাসনব্যবস্থাগুলো সবসময় পশ্চিমাদের প্রতিনিধি ও তাদের স্বার্থরক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই একই মডেল পুরো আরব বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, স্থানীয় কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে মুসলিম সমাজের স্বাভাবিক প্রতিচ্ছবি কিংবা মুসলিম উম্মাহর প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নিত করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
গত এক শতাব্দীর বাস্তবতা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সরাসরি ঔপনিবেশিক আগ্রাসনের চেয়েও এই দেশীয় শাসকেরা অনেক কম খরচের পাশাপাশি অনেক বেশি দক্ষতার সাথে মুসলিম সমাজকে ভেতর থেকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে এবং জোরপূর্বক আধুনিকায়ন চাপিয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে আমি এত কথা বলেছি যে, মানুষ হয়তো আমার প্রতি বিরক্ত হয়ে গেছে। তাই ঠিক করেছি, এবার আমি আর নিজে কিছু বলব না; বরং চুপ থাকব। এই প্রবন্ধে আমি কেবল এই অপশক্তিগুলোর নিজেদের মুখে বলা কিছু স্বীকারোক্তি হুবহু তুলে ধরব। কথাগুলো তাদের নিজেদের বই এবং প্রতিবেদন থেকেই সেগুলোর সংস্করণ ও পৃষ্ঠাসহ রেফারেন্সের মাধ্যমে উদ্ধৃত করব, যাতে আমার ওপর কোনো দায় না থাকে; আর যার ধ্বংস হওয়ার সে যেন সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরই ধ্বংস হয়ে যায়!
.
পুরো লেখাটি অবশ্যই পড়ুন,
https://themuslimminds.org/ami-borong-chup-thaki-apnara-tader-mukh-thekei-shunun/?fbclid=Iwb21leAUH4rFjbGNrBQfiMHBkb2YFZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEe5ud9F_U0D1q7baBPD9UQVep7gTLr-z6oUQWCvOXrA9Vs45XaEFn-uq4DJpY_aem_xKM9b8jQAYJbo2A5q62aYQ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই একই মডেল পুরো আরব বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, স্থানীয় কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে মুসলিম সমাজের স্বাভাবিক প্রতিচ্ছবি কিংবা মুসলিম উম্মাহর প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নিত করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
গত এক শতাব্দীর বাস্তবতা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সরাসরি ঔপনিবেশিক আগ্রাসনের চেয়েও এই দেশীয় শাসকেরা অনেক কম খরচের পাশাপাশি অনেক বেশি দক্ষতার সাথে মুসলিম সমাজকে ভেতর থেকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে এবং জোরপূর্বক আধুনিকায়ন চাপিয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে আমি এত কথা বলেছি যে, মানুষ হয়তো আমার প্রতি বিরক্ত হয়ে গেছে। তাই ঠিক করেছি, এবার আমি আর নিজে কিছু বলব না; বরং চুপ থাকব। এই প্রবন্ধে আমি কেবল এই অপশক্তিগুলোর নিজেদের মুখে বলা কিছু স্বীকারোক্তি হুবহু তুলে ধরব। কথাগুলো তাদের নিজেদের বই এবং প্রতিবেদন থেকেই সেগুলোর সংস্করণ ও পৃষ্ঠাসহ রেফারেন্সের মাধ্যমে উদ্ধৃত করব, যাতে আমার ওপর কোনো দায় না থাকে; আর যার ধ্বংস হওয়ার সে যেন সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরই ধ্বংস হয়ে যায়!
.
পুরো লেখাটি অবশ্যই পড়ুন,
https://themuslimminds.org/ami-borong-chup-thaki-apnara-tader-mukh-thekei-shunun/?fbclid=Iwb21leAUH4rFjbGNrBQfiMHBkb2YFZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEe5ud9F_U0D1q7baBPD9UQVep7gTLr-z6oUQWCvOXrA9Vs45XaEFn-uq4DJpY_aem_xKM9b8jQAYJbo2A5q62aYQ
❤21
মাদরাসার ভবন নির্মাণ ও নির্মাণের পর সৌন্দর্য বর্ধনমূলক কাজ করা—একধরনের মাসলাহাত। অপরদিকে মাদরাসার স্টাফদের বেতন দেওয়াও মাসলাহাত। এখন মুহতামিমকে ভাবতে হবে যে, এগুলোর কোনটাতে কত পরিমাণ ও কিভাবে খরচ করা হবে।
নিঃসন্দহে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মাসলাহাত বা উপকারিতাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সুতরাং সমাজে যে দেখা যায়, মাদরাসার স্টাফদের বেতন ধরা হয় অল্প। ফলে তাদের যোগ্যতাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে মাদরাসার কাজে ব্যবহার না হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। অপরদিকে মুহতামিম সাহেব ভবন নির্মাণ ও এরকম কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে উদার হাতে খরচ করে যান—এগুলো কোনোভাবেই ঠিক নয়।
-
আহকামে মাদারেস, প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ
নিঃসন্দহে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মাসলাহাত বা উপকারিতাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সুতরাং সমাজে যে দেখা যায়, মাদরাসার স্টাফদের বেতন ধরা হয় অল্প। ফলে তাদের যোগ্যতাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে মাদরাসার কাজে ব্যবহার না হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। অপরদিকে মুহতামিম সাহেব ভবন নির্মাণ ও এরকম কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে উদার হাতে খরচ করে যান—এগুলো কোনোভাবেই ঠিক নয়।
-
আহকামে মাদারেস, প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ
❤29
ইমরান রাইহান ভাইয়ের এই বইটার জন্য লম্বা সময় ধরে অপেক্ষায় ছিলাম। প্রায় দেখা হলে কাজটার খোজ নিতাম। যাক, অবশেষে আসছে, এটাই আমার জন্য খুশির।
.
প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে। তাই এখনও সংগ্রহ করতে পারেন বা সামনে মেলায় এসেও সংগ্রহ করতে পারে। বাকি, অবশ্যই সংগ্রহ করবেন। মাদরাসার শরহে বেকায় জালালাইনের ছাত্রদের জন্য তো বিশেষভাবে সংগ্রহের দরকার।
.
প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে। তাই এখনও সংগ্রহ করতে পারেন বা সামনে মেলায় এসেও সংগ্রহ করতে পারে। বাকি, অবশ্যই সংগ্রহ করবেন। মাদরাসার শরহে বেকায় জালালাইনের ছাত্রদের জন্য তো বিশেষভাবে সংগ্রহের দরকার।
❤40
করাচির বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান জামিয়া উলুমে ইসলামিয়া আল্লামা ইউসুফ বানুরি টাউন। জেহাদ ফি সাবিলিল্লাহর জন্য এ মাদরাসার প্রথম সারির আলেমগণ জীবন পর্যন্ত দিয়েছেন। বাংলাদেশের মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী রহ. এখানে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। তিনি লিখেছেন,
“মুফতি নিজামুদ্দিন শামজাইকে শহিদ করা হয় খুবই ঠান্ডা মাথায়। আমি তখন সেখানে ছিলাম। মুজাহিদদের উনি জানপ্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করতেন। তাদের পাশে থেকে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলেন...।
মুফতি নিজাম সাহেব নিউটাউনের পাশেই মাত্র একশ ফুট দূরে একটি ভবনে থাকতেন। গাড়িতে করে যাতায়াত করতেন। জিহাদি কার্যক্রমে অনেক সময় দিতেন। প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিধায় মুজাহিদীন তাকে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী গ্রহণ করতে বলেছিল গাড়িতে করে মাদরাসায় আসা পর্যন্ত। এজন্য তার সাথে সশস্ত্র দেহরক্ষী থাকত। একদিন এভাবেই আসছিলেন মাদরাসায়। নিউটাউনের মোড়ে আসতেই একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁর গাড়ি লক্ষ করে ব্রাশফায়ার চালায়। এতে তিনি দেহরক্ষীসহ শহিদ হয়ে যান। রহিমাহুমুল্লাহ।
বিজ্ঞ আলিমদের জিহাদে সম্পৃক্ত হওয়াকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুব একটা ভালো চোখে দেখছিল না। যেহেতু তখন আমেরিকার সাথে নতুন যুদ্ধে নামতে যাচ্ছিল তালিবগণ, তাই মনে করা হয় এই হত্যাকাণ্ড আমেরিকার ইশারাতেই হয়েছিল। শুধু মুফতি নিজাম একাই নন, ধারাবাহিকভাবে একের পর এক বিজ্ঞ আলিমগণ পাকিস্তানে শাহাদাত বরণ করেই যাচ্ছিলেন। এর পূর্বেও শিয়া জালিমরা সিপাহে সাহাবার নেতৃবৃন্দকে শহিদ করেছিল ধারাবাহিক নিষ্ঠুরতার সাথে। আর নতুন যুগের ক্রুসেডযুদ্ধ শুরু হবার পর এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বিশেষত নিউটাউনের আলিমগণ জিহাদি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা বেশি করায় এখানকার আলিমদের উপর বাতিলের ছিল আলাদা শ্যেনদৃষ্টি। শক্ত ও বস্তুনিষ্ঠ ফতোয়াদানে কোনোরকম শৈথিল্য না দেখিয়ে অনমনীয় মনোভাব ধরে রাখা নিউটাউনের দারুল ইফতার অনন্য বৈশিষ্ট্য। সুবিধাবাদী ইসলামের ধার ধারতেন না তারা। দেশীয় অনেক ইস্যুতেই নিউটাউন তার এই বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। ফলে দেশে ও বিদেশে সর্বত্র নিউটাউনের দারুল ইফতার একটা বিশেষ চাহিদা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একইসাথে দারুল ইফতা তৈরি করেছে তার অসংখ্য শত্রু ও প্রাণের দুশমন। তখন এবং এখনো, পাকিস্তানে বিশেষত করাচিতে নিউটাউনের মুয়াফিক ফতোয়া হলে তা গৃহীত হতো, অন্যথা জনগণ তা গ্রহণে দ্বিধা করত।
--
মুজাহিদীনও জটিল জটিল ফতোয়ার জন্য নিউটাউনে আসতেন। এজন্য বাতিল তাগুতি শক্তি মুফতি নিজামের পর আরো অনেককেই রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করতে থাকে...।
ড. হাবিবুল্লাহ মুখতার ও মুফতি ইউসুফ লুধিয়ানবিও এভাবে শহিদ হন...।
এভাবেই একে একে পরবর্তীতে মুফতি আবদুল মজিদ, মাওলানা মুহাম্মদ সালেহ ওকাড়বি, যাকে আমিই সুপারিশ করে দারুল ইফতায় নিয়োগ দিয়েছিলাম, সেও শহিদ হয়ে যায়। মুফতি আবদুর রহমান সাহেবও শহিদ হন এদের হাতে। মুহাম্মদ বানুরি-আল্লামা বানুরির সন্তান ছিলেন-শহিদ হন দুর্বৃত্তের হাতে। নিউটাউনে শাহাদাতের সিলসিলা এখনো চালু আছে। আলিমদের সাথে মুজাহিদরা মাঝেমধ্যে মজা করে বলত যে, ‘আমরা শাহাদাতের জন্য এত কষ্ট করে হিজরত করি। বছরের পর বছর শাহাদাতের জন্য অপেক্ষা করি। আর আপনাদের ইলমের কী শান! ইলমের সঠিক ব্যবহারের কারণে আল্লাহ তায়ালা শত্রু পাঠিয়ে আপনাদের নিজ নিজ বাসায় এসে শাহাদাত হাদিয়া দিয়ে যায়! কেয়ামত দিবসে নিউটাউনের এই দারুল ইফতা ও এখানকার মুফতিগণ ইলম ও জিহাদের সমন্বিত কাফেলায় থাকবেন, ইনশাআল্লাহ’।”
(আত্মজীবনী: পৃষ্ঠা ১৩৭-১৪০)
“মুফতি নিজামুদ্দিন শামজাইকে শহিদ করা হয় খুবই ঠান্ডা মাথায়। আমি তখন সেখানে ছিলাম। মুজাহিদদের উনি জানপ্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করতেন। তাদের পাশে থেকে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলেন...।
মুফতি নিজাম সাহেব নিউটাউনের পাশেই মাত্র একশ ফুট দূরে একটি ভবনে থাকতেন। গাড়িতে করে যাতায়াত করতেন। জিহাদি কার্যক্রমে অনেক সময় দিতেন। প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিধায় মুজাহিদীন তাকে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী গ্রহণ করতে বলেছিল গাড়িতে করে মাদরাসায় আসা পর্যন্ত। এজন্য তার সাথে সশস্ত্র দেহরক্ষী থাকত। একদিন এভাবেই আসছিলেন মাদরাসায়। নিউটাউনের মোড়ে আসতেই একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁর গাড়ি লক্ষ করে ব্রাশফায়ার চালায়। এতে তিনি দেহরক্ষীসহ শহিদ হয়ে যান। রহিমাহুমুল্লাহ।
বিজ্ঞ আলিমদের জিহাদে সম্পৃক্ত হওয়াকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুব একটা ভালো চোখে দেখছিল না। যেহেতু তখন আমেরিকার সাথে নতুন যুদ্ধে নামতে যাচ্ছিল তালিবগণ, তাই মনে করা হয় এই হত্যাকাণ্ড আমেরিকার ইশারাতেই হয়েছিল। শুধু মুফতি নিজাম একাই নন, ধারাবাহিকভাবে একের পর এক বিজ্ঞ আলিমগণ পাকিস্তানে শাহাদাত বরণ করেই যাচ্ছিলেন। এর পূর্বেও শিয়া জালিমরা সিপাহে সাহাবার নেতৃবৃন্দকে শহিদ করেছিল ধারাবাহিক নিষ্ঠুরতার সাথে। আর নতুন যুগের ক্রুসেডযুদ্ধ শুরু হবার পর এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বিশেষত নিউটাউনের আলিমগণ জিহাদি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা বেশি করায় এখানকার আলিমদের উপর বাতিলের ছিল আলাদা শ্যেনদৃষ্টি। শক্ত ও বস্তুনিষ্ঠ ফতোয়াদানে কোনোরকম শৈথিল্য না দেখিয়ে অনমনীয় মনোভাব ধরে রাখা নিউটাউনের দারুল ইফতার অনন্য বৈশিষ্ট্য। সুবিধাবাদী ইসলামের ধার ধারতেন না তারা। দেশীয় অনেক ইস্যুতেই নিউটাউন তার এই বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। ফলে দেশে ও বিদেশে সর্বত্র নিউটাউনের দারুল ইফতার একটা বিশেষ চাহিদা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একইসাথে দারুল ইফতা তৈরি করেছে তার অসংখ্য শত্রু ও প্রাণের দুশমন। তখন এবং এখনো, পাকিস্তানে বিশেষত করাচিতে নিউটাউনের মুয়াফিক ফতোয়া হলে তা গৃহীত হতো, অন্যথা জনগণ তা গ্রহণে দ্বিধা করত।
--
মুজাহিদীনও জটিল জটিল ফতোয়ার জন্য নিউটাউনে আসতেন। এজন্য বাতিল তাগুতি শক্তি মুফতি নিজামের পর আরো অনেককেই রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করতে থাকে...।
ড. হাবিবুল্লাহ মুখতার ও মুফতি ইউসুফ লুধিয়ানবিও এভাবে শহিদ হন...।
এভাবেই একে একে পরবর্তীতে মুফতি আবদুল মজিদ, মাওলানা মুহাম্মদ সালেহ ওকাড়বি, যাকে আমিই সুপারিশ করে দারুল ইফতায় নিয়োগ দিয়েছিলাম, সেও শহিদ হয়ে যায়। মুফতি আবদুর রহমান সাহেবও শহিদ হন এদের হাতে। মুহাম্মদ বানুরি-আল্লামা বানুরির সন্তান ছিলেন-শহিদ হন দুর্বৃত্তের হাতে। নিউটাউনে শাহাদাতের সিলসিলা এখনো চালু আছে। আলিমদের সাথে মুজাহিদরা মাঝেমধ্যে মজা করে বলত যে, ‘আমরা শাহাদাতের জন্য এত কষ্ট করে হিজরত করি। বছরের পর বছর শাহাদাতের জন্য অপেক্ষা করি। আর আপনাদের ইলমের কী শান! ইলমের সঠিক ব্যবহারের কারণে আল্লাহ তায়ালা শত্রু পাঠিয়ে আপনাদের নিজ নিজ বাসায় এসে শাহাদাত হাদিয়া দিয়ে যায়! কেয়ামত দিবসে নিউটাউনের এই দারুল ইফতা ও এখানকার মুফতিগণ ইলম ও জিহাদের সমন্বিত কাফেলায় থাকবেন, ইনশাআল্লাহ’।”
(আত্মজীবনী: পৃষ্ঠা ১৩৭-১৪০)
❤42🔥1
অনেক আলেম ও তালেবে ইলম ভাইরা বিস্তৃত আঙ্গিকে সিরাত পড়তে চান, তাদের জন্য এই ভিডিওটা একটি উত্তম রাহনুমায়ী হতে পারে।
https://youtu.be/4K3mX2olI5Q?si=I0-yScdXfgsw2pzf
https://youtu.be/4K3mX2olI5Q?si=I0-yScdXfgsw2pzf
YouTube
আরবি ভাষায় রচিত ও অনূদিত কয়েকটি সীরাত গ্রন্থের পরিচিতি
আরবি ভাষায় অনেক গুরুতপূর্ন সীরাতগ্রন্থ রচিত ও অনূদিত হয়েছে। সেখান থেকেই কয়েকটি বই নিয়ে আজকের আলোচনা।
❤11🔥1
হুজাইফা আজ্জম হলেন আব্দুল্লাহ আজ্জম রহিমাহুল্লাহের ছেলে। তিনি আজ এক্সে একটি পোষ্ট করেছেন,
‘একজন নেককার ব্যক্তি একটি নেক স্বপ্ন দেখেছেন। যিনি সফরে-আবাসে এবং জিহাদের সময় আমার পিতার সঙ্গী ছিলেন। তিনি আমাকে জানালেন, প্রিয় হুযাইফা, তোমার প্রতি সালাম। আল্লাহর কসম, (স্বপ্নে দেখলাম) রাতের অধিকাংশ সময় আমি শাইখ আবদুল্লাহর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তখন যুদ্ধের পোশাক পরিহিত ছিলেন, আর আমি তার পেছনে হাঁটছিলাম। তিনি যুবকদের প্রস্তুত করছিলেন।’
আল্লাহই ভালো জানেন, ইহুদিদের পরিণতি ঘনিয়ে এসেছে।
‘একজন নেককার ব্যক্তি একটি নেক স্বপ্ন দেখেছেন। যিনি সফরে-আবাসে এবং জিহাদের সময় আমার পিতার সঙ্গী ছিলেন। তিনি আমাকে জানালেন, প্রিয় হুযাইফা, তোমার প্রতি সালাম। আল্লাহর কসম, (স্বপ্নে দেখলাম) রাতের অধিকাংশ সময় আমি শাইখ আবদুল্লাহর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তখন যুদ্ধের পোশাক পরিহিত ছিলেন, আর আমি তার পেছনে হাঁটছিলাম। তিনি যুবকদের প্রস্তুত করছিলেন।’
আল্লাহই ভালো জানেন, ইহুদিদের পরিণতি ঘনিয়ে এসেছে।
❤61
১.
লিটলম্যাগকে বাদ দেওয়ার পক্ষে না এটা অনেককেই বলেছি। তবে অবশ্যই একটা শৃঙ্খল নীতির মধ্যে আসতে হবে।
২.
মেলায় যে কেউ আসতে পারবে। মুসলিম পরিচয় ধারণ করে এমন যে কেউ মেলায় আসতে পারবে। এমনকি অমসুসলিম, পিউর সেকুলার, যে কেউ। এতটুকু উদারতা আমাদের থাকা উচিত। কিন্তু এই মেলার সাথে যেহুতু "ইসলাম" নামক একটি শব্দ যুক্ত আছে এবং এই মেলা এঅঞ্চলের মুসলিমদের দীর্ঘদিনের বুদ্ধিবৃদ্ধিক লড়াইয়ের একটি ছোট ফসল, তাই এটার যে কিছু স্বাতন্ত্র থাকবে সেটা আলাদা করে বুঝানোর প্রয়োজন নেই।
এই স্বাতন্ত্রের বিষয়টা লিটলম্যাগের ভাইরা গতবার বিশেষ লক্ষ্য রেখেছেন বলে আমার মনে হয়নি। এই জায়গায়টায় মনে হয় ভাইদের আরো চিন্তা করা দরকার।
৩.
লিটলম্যাগের ভাইদের একটা দাবী বেশ মজা লাগলো। সেটা হলো তারা নাকি মেলা জমিয়েছে। এবং তারা না গেলে নাকি প্রকাশকদের ভালোই লছ হবে। আমি চাইনা, মুসলিম পরিচয়ধারী কেউই এই মেলা থেকে বিমুখ হোক। তাই তারা এই মেলা বয়কট করুক এটা আমি কোনোভাবেই চাইনা।
তবে মজার বিষয় হলো, আমার ক্ষুদ্র নজরে গতমেলায় সবচেয়ে কম ইসলামি বই সংগ্রহ করতে দেখেছি লিটলম্যাগে আসা যাওয়াকারী ভাইদের। এবং শুধু মেলাতেই না, লিটম্যাগের ভাইদের আইডি দেখলেও স্পষ্ট দেখতে পাবেন, তাদের যতটুকু আগ্রহ বাতিঘর আর বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রের বইয়ের প্রতি তার শিখিভাগ আগ্রহও ইসলামে বইয়ে নাই।
তো, মেলার ব্যবসায়ীদের খুব ক্ষতি হবে এটা শুনে হাসিই লাগলো। এবং আরো কয়েকজনের সাথে কথা বলে দেখলাম তারাও বিষয়টা নিয়ে হাসতেছে।
৪.
লিটলম্যাগের প্রায় সবাই কওমীর সন্তান। কওমীর একটা অংশ তাদের যোগ্যতার বলে বিভিন্ন পেশা বেছে নেওয়া এটা তো খারাপ না। কিন্তু নিজেদের আচরণ ও উচ্চারণে যদি নিজেদের স্বতন্ত্রতা না থাকে, অন্য পাড়াদের অনুসরণই বেশি পরিলক্ষিত হয় তাহলে বিষয়টা খারাপ লাগে।
লিটলম্যাগের ভাইদের, বিশেষত যারা ক্বওমীর পরিচয়কে নিজের জন্য ফখরের মনে করেন, তাদের মুখের ভাষা আরো সংযত হওয়া উচিত। ট্যাগবাজিতে না জড়ানোই কাম্য।
কেউ বলবেন, আপনাদের কেউ কেউ শাহবাগি বলেছে। প্রথম কথা হলো, যে শাহবাগি বলেছে সে তো একজন পুস্তক ব্যবসায়ী। যার কাজই হলো শুধু টাকা কামানো। কিন্তু আপনার তো আদর্শ আছে। এজন্যই তো লিটকম্যাগ আন্দোলন করেন নাকি? তাহলে তাদের সাথে আপনার কী মিল!?
দ্বিতীয় কথা আপনাদের শাহবাগি বলার পিছনে যদি সামান্যও কোনো কারণ থাকে, তাহলে সেটা নিয়ে ভাবা উচিত। যেই শাহবাগিদের বিরুদ্ধেই আপনাদের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন, আপনাদেরকে যদি তাদেরই দলভূক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে তো দুঃখজনক। এজন্য ইলজামের গন্ধ থেকেও যথাসম্ভব বেঁচে থাকা জরুরী ভাইয়েরা।
লিটলম্যাগকে বাদ দেওয়ার পক্ষে না এটা অনেককেই বলেছি। তবে অবশ্যই একটা শৃঙ্খল নীতির মধ্যে আসতে হবে।
২.
মেলায় যে কেউ আসতে পারবে। মুসলিম পরিচয় ধারণ করে এমন যে কেউ মেলায় আসতে পারবে। এমনকি অমসুসলিম, পিউর সেকুলার, যে কেউ। এতটুকু উদারতা আমাদের থাকা উচিত। কিন্তু এই মেলার সাথে যেহুতু "ইসলাম" নামক একটি শব্দ যুক্ত আছে এবং এই মেলা এঅঞ্চলের মুসলিমদের দীর্ঘদিনের বুদ্ধিবৃদ্ধিক লড়াইয়ের একটি ছোট ফসল, তাই এটার যে কিছু স্বাতন্ত্র থাকবে সেটা আলাদা করে বুঝানোর প্রয়োজন নেই।
এই স্বাতন্ত্রের বিষয়টা লিটলম্যাগের ভাইরা গতবার বিশেষ লক্ষ্য রেখেছেন বলে আমার মনে হয়নি। এই জায়গায়টায় মনে হয় ভাইদের আরো চিন্তা করা দরকার।
৩.
লিটলম্যাগের ভাইদের একটা দাবী বেশ মজা লাগলো। সেটা হলো তারা নাকি মেলা জমিয়েছে। এবং তারা না গেলে নাকি প্রকাশকদের ভালোই লছ হবে। আমি চাইনা, মুসলিম পরিচয়ধারী কেউই এই মেলা থেকে বিমুখ হোক। তাই তারা এই মেলা বয়কট করুক এটা আমি কোনোভাবেই চাইনা।
তবে মজার বিষয় হলো, আমার ক্ষুদ্র নজরে গতমেলায় সবচেয়ে কম ইসলামি বই সংগ্রহ করতে দেখেছি লিটলম্যাগে আসা যাওয়াকারী ভাইদের। এবং শুধু মেলাতেই না, লিটম্যাগের ভাইদের আইডি দেখলেও স্পষ্ট দেখতে পাবেন, তাদের যতটুকু আগ্রহ বাতিঘর আর বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রের বইয়ের প্রতি তার শিখিভাগ আগ্রহও ইসলামে বইয়ে নাই।
তো, মেলার ব্যবসায়ীদের খুব ক্ষতি হবে এটা শুনে হাসিই লাগলো। এবং আরো কয়েকজনের সাথে কথা বলে দেখলাম তারাও বিষয়টা নিয়ে হাসতেছে।
৪.
লিটলম্যাগের প্রায় সবাই কওমীর সন্তান। কওমীর একটা অংশ তাদের যোগ্যতার বলে বিভিন্ন পেশা বেছে নেওয়া এটা তো খারাপ না। কিন্তু নিজেদের আচরণ ও উচ্চারণে যদি নিজেদের স্বতন্ত্রতা না থাকে, অন্য পাড়াদের অনুসরণই বেশি পরিলক্ষিত হয় তাহলে বিষয়টা খারাপ লাগে।
লিটলম্যাগের ভাইদের, বিশেষত যারা ক্বওমীর পরিচয়কে নিজের জন্য ফখরের মনে করেন, তাদের মুখের ভাষা আরো সংযত হওয়া উচিত। ট্যাগবাজিতে না জড়ানোই কাম্য।
কেউ বলবেন, আপনাদের কেউ কেউ শাহবাগি বলেছে। প্রথম কথা হলো, যে শাহবাগি বলেছে সে তো একজন পুস্তক ব্যবসায়ী। যার কাজই হলো শুধু টাকা কামানো। কিন্তু আপনার তো আদর্শ আছে। এজন্যই তো লিটকম্যাগ আন্দোলন করেন নাকি? তাহলে তাদের সাথে আপনার কী মিল!?
দ্বিতীয় কথা আপনাদের শাহবাগি বলার পিছনে যদি সামান্যও কোনো কারণ থাকে, তাহলে সেটা নিয়ে ভাবা উচিত। যেই শাহবাগিদের বিরুদ্ধেই আপনাদের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন, আপনাদেরকে যদি তাদেরই দলভূক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে তো দুঃখজনক। এজন্য ইলজামের গন্ধ থেকেও যথাসম্ভব বেঁচে থাকা জরুরী ভাইয়েরা।
👍10❤3🤔1
প্রকাশিতব্য দারুল ইসলাম ও দারুল হারব বই থেকে,
রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
মাসআলাটি স্পষ্ট হওয়ার পর, এখন নিজেই ভারতবর্ষের ব্যাপারে চিন্তা করে দেখুন—এখানে কাফের ও খ্রিস্টানদের আইন-কানুন কতটা শক্তি ও কর্তৃত্বের সাথে বিরাজ করছে! একজন সাধারণ ডেপুটি কমিশনারও যদি নির্দেশ জারি করে—মসজিদে জামাতের সাথে নামায আদায় করা যাবে না, তাহলে ধনী-গরিব কারোই হিম্মত নেই যে, নামায আদায় করে দেখাবে। জুমা ও দুই ইদের নামায আদায় করা, ফিকহের আরো কিছু বিধান পালন করা—এগুলো হচ্ছে তাদের বেধে দেওয়া আইনের অধীনে। তারা প্রজাদের জন্য এই বিধান জারি করে রেখেছে যে, প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী আমল করবে, এতে সরকারের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
মাসআলাটি স্পষ্ট হওয়ার পর, এখন নিজেই ভারতবর্ষের ব্যাপারে চিন্তা করে দেখুন—এখানে কাফের ও খ্রিস্টানদের আইন-কানুন কতটা শক্তি ও কর্তৃত্বের সাথে বিরাজ করছে! একজন সাধারণ ডেপুটি কমিশনারও যদি নির্দেশ জারি করে—মসজিদে জামাতের সাথে নামায আদায় করা যাবে না, তাহলে ধনী-গরিব কারোই হিম্মত নেই যে, নামায আদায় করে দেখাবে। জুমা ও দুই ইদের নামায আদায় করা, ফিকহের আরো কিছু বিধান পালন করা—এগুলো হচ্ছে তাদের বেধে দেওয়া আইনের অধীনে। তারা প্রজাদের জন্য এই বিধান জারি করে রেখেছে যে, প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী আমল করবে, এতে সরকারের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
মুসলিম সুলতানগণ যে নিরাপত্তা প্রদান করেছিলেন, তার নাম-নিশানাও এখন অবশিষ্ট নেই। বিবেকবান কে বলতে পারবে, বাদশা আলমগির আমাদের যে নিরাপত্তা দিয়েছিলেন, আজও আমরা ওই নিরাপত্তায় আরামে বসবাস করছি! বরং এই নতুন নিরাপত্তা কাফেরদের থেকে অর্জিত, যার অধীনে প্রজারা ভারতবর্ষে বসবাস করছে।
❤14👍3
আমার বন্ধু মফিজ মনে করে প্রথম আলো এদেশের শত্রু। ইসলামের শত্রু। কওমী আলেমদের শত্রু। এই বিষয়ে তার মনে কোনো খটকা নাই। নিয়মিত বিভিন্ন ফেসবুক পোষ্টে সে এটা অকপটে লেখে।
কিন্তু প্রথম আলোর সম্পাদক পদে চাকরি করা বন্ধুর দুলা ভাই হলো এদেশের শুভকাংখী। ইসলামের কল্যাণকামী ও কওমীর জাগ্রত সন্তান।
.
বন্ধু মফিজরে নিয়ে আমি কী করিতাম!
কিন্তু প্রথম আলোর সম্পাদক পদে চাকরি করা বন্ধুর দুলা ভাই হলো এদেশের শুভকাংখী। ইসলামের কল্যাণকামী ও কওমীর জাগ্রত সন্তান।
.
বন্ধু মফিজরে নিয়ে আমি কী করিতাম!
😁31🤣3👍1
আসন্ন বইমেলায় প্রকাশিতব্য "দারুল ইসলাম ও দারুল হারব" বই থেকে,
সিরিয়ান বিখ্যাত আলেম ও শারজাহ ইউনিভার্সিটির ইসলামি অনুষদের সাবেক অধ্যাপক ড. শায়খ উসমান জুমআ যমিরিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহের অভিমত হলো, তৃতীয় স্বতন্ত্র দারের ধারণাটি সর্বপ্রথম উঠে আসে প্রাচ্যবিদদের আলোচনায়। অতপর সেটাকে প্রসিদ্ধি দেন শায়খ আবু যাহরা। শায়খ উসমান জুমআ লেখেন,
وذهب بعض الكاتبين المعاصرين إلى أن دار العهد دار مستقلة متميزة عن دار الإسلام ودار الحرب ، فهي قسم ثالث . وكان من أول من ألمح إلى استقلال هذه الدار أصحاب "دائرة المعارف الإسلامية" من المستشرقين حيث جاء فيها : إلى جانب دار الحرب ودار الإسلام تعترف بعض المذاهب بوجود قسم ثالث هو دار الصلح، أو دار العهد التي لا تكون تحت الحكم الإسلامي، ولكنها في حال تبعية للإسلام ... والأرجح أن هذه الفكرة بصورة غامضة كانت أيضاً الأساس الذي قبلت فيه العلاقات مع الدول المسيحية والمبنية على معاهدات باعتبار أنها أمر ممكن ، والموقف الشرعي بالنسبة لهذه المسألة وَضَعَه الماوردي من الناحية الرسمية ... وإن هذا الموقف شاذ غامض... ثم ألمح إلى شيء من هذا أيضاً نجيب أرمنازي ، ثم عمق هذا الاتجاه بعد ذلك الشيخ محمد أبو زهرة. (أصول العلاقات الدولية، ص 349)
‘সমকালীন কিছু লেখক মনে করেন, “দারুল আহদ” দারুল ইসলাম ও দারুল হারব থেকে স্বতন্ত্র একটি পৃথক শ্রেণি; অর্থাৎ দারুল আহদ হলো তৃতীয় একটি শ্রেণি। প্রাচ্যবিদদের মধ্যে “দায়িরাতুল মাআরিফিল ইসলামিয়্যাহ”-এর লেখকরাই সর্বপ্রথম দারুল আহদ একটি স্বাতন্ত্র দার এই দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে—
“দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পাশাপাশি কিছু মাযহাব তৃতীয় একটি শ্রেণির দারের অস্তিত্বও স্বীকার করে। সেটি হলো—দারুস সুলহ বা দারুল আহদ। এই ভূখণ্ড ইসলামী শাসনের অধীন নয়; তবে ইসলামের সঙ্গে এক ধরনের অধীনতামূলক সম্পর্কের মধ্যে থাকে।… অস্পষ্টভাবে হলেও, এই ধারণাটিই এমন একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল, যার ওপর খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ককে একটি সম্ভবপর বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে শরয়ি অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করেন ইমাম মাওয়ারদি। তবে তাঁর এই শরয়ি অবস্থান ছিল শায ও অস্পষ্ট।” ... পরবর্তীতে শায়খ মুহাম্মদ আবু যাহরা এই চিন্তাধারাকে আরও গভীরতা ও বিস্তার দান করেন।’—উসুলুল আলাকতিদ দাওয়ালিয়্যাহ, পৃ. ৩৪৯
সিরিয়ান বিখ্যাত আলেম ও শারজাহ ইউনিভার্সিটির ইসলামি অনুষদের সাবেক অধ্যাপক ড. শায়খ উসমান জুমআ যমিরিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহের অভিমত হলো, তৃতীয় স্বতন্ত্র দারের ধারণাটি সর্বপ্রথম উঠে আসে প্রাচ্যবিদদের আলোচনায়। অতপর সেটাকে প্রসিদ্ধি দেন শায়খ আবু যাহরা। শায়খ উসমান জুমআ লেখেন,
وذهب بعض الكاتبين المعاصرين إلى أن دار العهد دار مستقلة متميزة عن دار الإسلام ودار الحرب ، فهي قسم ثالث . وكان من أول من ألمح إلى استقلال هذه الدار أصحاب "دائرة المعارف الإسلامية" من المستشرقين حيث جاء فيها : إلى جانب دار الحرب ودار الإسلام تعترف بعض المذاهب بوجود قسم ثالث هو دار الصلح، أو دار العهد التي لا تكون تحت الحكم الإسلامي، ولكنها في حال تبعية للإسلام ... والأرجح أن هذه الفكرة بصورة غامضة كانت أيضاً الأساس الذي قبلت فيه العلاقات مع الدول المسيحية والمبنية على معاهدات باعتبار أنها أمر ممكن ، والموقف الشرعي بالنسبة لهذه المسألة وَضَعَه الماوردي من الناحية الرسمية ... وإن هذا الموقف شاذ غامض... ثم ألمح إلى شيء من هذا أيضاً نجيب أرمنازي ، ثم عمق هذا الاتجاه بعد ذلك الشيخ محمد أبو زهرة. (أصول العلاقات الدولية، ص 349)
‘সমকালীন কিছু লেখক মনে করেন, “দারুল আহদ” দারুল ইসলাম ও দারুল হারব থেকে স্বতন্ত্র একটি পৃথক শ্রেণি; অর্থাৎ দারুল আহদ হলো তৃতীয় একটি শ্রেণি। প্রাচ্যবিদদের মধ্যে “দায়িরাতুল মাআরিফিল ইসলামিয়্যাহ”-এর লেখকরাই সর্বপ্রথম দারুল আহদ একটি স্বাতন্ত্র দার এই দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে—
“দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পাশাপাশি কিছু মাযহাব তৃতীয় একটি শ্রেণির দারের অস্তিত্বও স্বীকার করে। সেটি হলো—দারুস সুলহ বা দারুল আহদ। এই ভূখণ্ড ইসলামী শাসনের অধীন নয়; তবে ইসলামের সঙ্গে এক ধরনের অধীনতামূলক সম্পর্কের মধ্যে থাকে।… অস্পষ্টভাবে হলেও, এই ধারণাটিই এমন একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল, যার ওপর খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ককে একটি সম্ভবপর বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে শরয়ি অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করেন ইমাম মাওয়ারদি। তবে তাঁর এই শরয়ি অবস্থান ছিল শায ও অস্পষ্ট।” ... পরবর্তীতে শায়খ মুহাম্মদ আবু যাহরা এই চিন্তাধারাকে আরও গভীরতা ও বিস্তার দান করেন।’—উসুলুল আলাকতিদ দাওয়ালিয়্যাহ, পৃ. ৩৪৯
❤8
আসন্ন বইমেলায় প্রকাশিতব্য "দারুল ইসলাম ও দারুল হারব" বই থেকে,
চতুর্থ ত্রুটিটি হলো, যেভাবে এসব দেশকে “দারুল হারব” বলার ক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কা তুলে ধরা হচ্ছে, একইভাবে এগুলোকে “দারুল ইসলাম” বলার মধ্যেও ক্ষতি রয়েছে। বরং এর আরও বেশি ক্ষতি রয়েছে। প্রথমত এতে শরয়ি পরিভাষাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিবর্তনের পথ উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
চতুর্থ ত্রুটিটি হলো, যেভাবে এসব দেশকে “দারুল হারব” বলার ক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কা তুলে ধরা হচ্ছে, একইভাবে এগুলোকে “দারুল ইসলাম” বলার মধ্যেও ক্ষতি রয়েছে। বরং এর আরও বেশি ক্ষতি রয়েছে। প্রথমত এতে শরয়ি পরিভাষাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিবর্তনের পথ উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
দ্বিতীয়ত, এগুলোকে দারুল ইসলাম বলার পর মুসলমানরা তাদের প্রকৃত দায়িত্ব সম্পর্কে গাফেল ও উদাসীন হয়ে পড়বে। তাদের দায়িত্ব ছিল, এই দেশগুলোকে প্রকৃত ও সত্যকারের অর্থে ইসলামি আদর্শের কেন্দ্র ভূমিতে পরিণত করা; কিন্তু আগেভাগেই যদি একে “দারুল ইসলাম” বলা প্রচলিত হয়ে যায়, তবে সাধারণ মানুষ বলবে, যা আগে থেকে “দারুল ইসলাম”, তাকে নতুন করে দারুল ইসলাম বানানোর কী অর্থ? যেহেতু শরয়ি দৃষ্টিকোণ থেকে এর অবস্থান “দারুল ইসলাম” হিসেবেই স্বীকৃত, তাই আমাদের দায়িত্ব তো পালন হয়েই গেছে।
❤8
দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের প্রুফ ও সেটাপের পর ফাইল আমার কাছে পাঠানো হয় শেষবার দেখে দেওয়ার জন্য। কথা ছিলো তারা যে কারেকশনগুলো দিছে সেগুলো ঠিক করে দিবো। কিন্তু ফাইল হাতে পাওয়ার পর অতিরিক্ত আরো প্রায় ৬টা বড় টীকা যুক্ত করেছি কয়েকদিন সময় লাগিয়ে। প্রকাশক বন্ধু ক্ষেপে আছে। বই আরো আগেই চলে আসার কথা আর এদিকে আমার নাকি ঢঙই শেষ হইতেছে না!
ফাইল জমা দেওয়ার সময় সেটাপ ম্যানের চেহারা তো দেখি নাই। ‘কয়েকটা জিনিষ ঠিক করে দিয়েন’ এমন মেসেজের উত্তরে শুধু ‘জি ইনশাআল্লাহ' বলে চুপ মেরে গেছে। মনে মনে কী বলছে তা আল্লাহই জানে। আমিও ভয়ে ভয়ে উত্তরে কিছু বলি নাই।
এতকিছুর পরেও এখন আরো কিছু টীকা যুক্ত করতে মনে চাচ্ছে।
এটা এখন বলা ঠিক হবে কি না, বুঝতেছি না৷ ‘তোমার ফাইল তুমিই নিয়ে যাও, তোমার এই ঢঙের ফাইল আমার পক্ষে ছাপা সম্ভব না’ এমন কিছু যদি বলে দেয়, তাহলে আমার কী হবে? এই মূহুর্তে আমি প্রকাশক পাবো কই?
অথবা ‘বন্ধু কাজের প্রতি তোমার এই আগ্রহ দেখে তোমায় নাস্তা করাতে মনে চাচ্ছে, আসো, একটা রেস্টুরেন্টে বসি’ এটা বলে নিয়ে গিয়ে বিল আমার হাতে ধরিয়ে দেয় তখন আমার কী হবে? বইয়ের পাওয়া টাকা তো নাস্তার বিলেই শেষ হয়ে যাবে? আনার পোলা-মাইয়ার কী হবে? তারা কী খেয়ে বাঁঁচবে?
এমন পরিস্থিতিতে কী এগুলো বলা ঠিক হবে? আপনাদের কী পরামর্শ?
ফাইল জমা দেওয়ার সময় সেটাপ ম্যানের চেহারা তো দেখি নাই। ‘কয়েকটা জিনিষ ঠিক করে দিয়েন’ এমন মেসেজের উত্তরে শুধু ‘জি ইনশাআল্লাহ' বলে চুপ মেরে গেছে। মনে মনে কী বলছে তা আল্লাহই জানে। আমিও ভয়ে ভয়ে উত্তরে কিছু বলি নাই।
এতকিছুর পরেও এখন আরো কিছু টীকা যুক্ত করতে মনে চাচ্ছে।
এটা এখন বলা ঠিক হবে কি না, বুঝতেছি না৷ ‘তোমার ফাইল তুমিই নিয়ে যাও, তোমার এই ঢঙের ফাইল আমার পক্ষে ছাপা সম্ভব না’ এমন কিছু যদি বলে দেয়, তাহলে আমার কী হবে? এই মূহুর্তে আমি প্রকাশক পাবো কই?
অথবা ‘বন্ধু কাজের প্রতি তোমার এই আগ্রহ দেখে তোমায় নাস্তা করাতে মনে চাচ্ছে, আসো, একটা রেস্টুরেন্টে বসি’ এটা বলে নিয়ে গিয়ে বিল আমার হাতে ধরিয়ে দেয় তখন আমার কী হবে? বইয়ের পাওয়া টাকা তো নাস্তার বিলেই শেষ হয়ে যাবে? আনার পোলা-মাইয়ার কী হবে? তারা কী খেয়ে বাঁঁচবে?
এমন পরিস্থিতিতে কী এগুলো বলা ঠিক হবে? আপনাদের কী পরামর্শ?
😁11❤3👎1