মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের বই “দারুল ইসলাম আউর দারুল হারব” সম্পর্কে বানুরীটাউনের প্রধান মুফতি ইনআম সাহেবের মূল্যায়ন :
‘আল্লাহ তাআলা জনাব মাওলানা মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব (রঈস, দারুল ইফতা ওয়াল ইরশাদ, মারদান)-কে উত্তম প্রতিদান দান করুন। তিনি এই মূল্যবান রচনার মাধ্যমে এ প্রয়োজন পূরণের চেষ্টা করেছেন এবং অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ ও গবেষণামূলক শৈলীতে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের প্রকৃত অবস্থা, একটি অন্যটিতে রূপান্তরিত হওয়ার শর্তাবলি এবং সংশ্লিষ্ট ফিকহি বিধানসমূহকে ফিকহি নস ও দলিলের আলোকে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে সমুদ্রকে কলসের মধ্যে আবদ্ধ করে দিয়েছেন (অর্থাৎ বিশাল বিষয়কে সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপন করেছেন)।
এছাড়াও, এ বিষয়ে উত্থাপিত সন্দেহ ও আপত্তিগুলোর জ্ঞানভিত্তিক পর্যালোচনা করেছেন। আল্লাহ রব্বুল ইজ্জতের নিকট দোয়া, তিনি যেন গ্রন্থকারের এ নিষ্ঠাপূর্ণ প্রচেষ্টাকে কবুলিয়াতের মর্যাদা দান করেন এবং জ্ঞানান্বেষীদের জন্য উপকারী করে তোলেন।’
.
(মুফতি) মুহাম্মদ ইনআমুল হক কাসেমী
মুহাদ্দিস ও প্রধান মুফতি
জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া, বানুরীটাউন, করাচি
‘আল্লাহ তাআলা জনাব মাওলানা মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব (রঈস, দারুল ইফতা ওয়াল ইরশাদ, মারদান)-কে উত্তম প্রতিদান দান করুন। তিনি এই মূল্যবান রচনার মাধ্যমে এ প্রয়োজন পূরণের চেষ্টা করেছেন এবং অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ ও গবেষণামূলক শৈলীতে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের প্রকৃত অবস্থা, একটি অন্যটিতে রূপান্তরিত হওয়ার শর্তাবলি এবং সংশ্লিষ্ট ফিকহি বিধানসমূহকে ফিকহি নস ও দলিলের আলোকে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে সমুদ্রকে কলসের মধ্যে আবদ্ধ করে দিয়েছেন (অর্থাৎ বিশাল বিষয়কে সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপন করেছেন)।
এছাড়াও, এ বিষয়ে উত্থাপিত সন্দেহ ও আপত্তিগুলোর জ্ঞানভিত্তিক পর্যালোচনা করেছেন। আল্লাহ রব্বুল ইজ্জতের নিকট দোয়া, তিনি যেন গ্রন্থকারের এ নিষ্ঠাপূর্ণ প্রচেষ্টাকে কবুলিয়াতের মর্যাদা দান করেন এবং জ্ঞানান্বেষীদের জন্য উপকারী করে তোলেন।’
.
(মুফতি) মুহাম্মদ ইনআমুল হক কাসেমী
মুহাদ্দিস ও প্রধান মুফতি
জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া, বানুরীটাউন, করাচি
❤28👍2
‘আফগানি মোল্লারা রাষ্ট্র চালায় আর আমাগো মোল্লারা কী করে’
ভাই দেখেন অবশ্যই আমাদের মোল্লারা বিভিন্ন জায়গায় অযোগ্য। এটা সরল স্বীকারোক্তি।
কিন্তু একটা ছোট্ট বিষয় কেনো চিন্তা করেন না?
আফগানি মোল্লারা দরসে যা পড়ে ও পড়ায় সেটা দিয়েই তাদের রাষ্ট্র চালানো লাগে। তারা তাদের রাষ্ট্রকে সেভাবে আগে গড়ে তুলছে।
আর আমাদের মোল্লারা যা দরসে পড়ায় ও পড়ে তার সাথে রাষ্ট্রের কোনো সম্পর্কই নাই। রাষ্ট্রের ভাষা-পরিভাষা, রাষ্ট্রের কোনো পলিসি মেকিংয়ের এগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই; বরং রাষ্ট্র নামক সত্তার কাজ হলো পলিসি করে মোল্লারা যা পড়ে ও পড়ায়, সেটাকে কেমনে ধ্বংস করবে, তার পুরো বন্দোবস্ত করা।
তো, দুইদেশের মোল্লাদের এমন উদাহরণ টানাটা আসলে ভুল।
.
নিজের পড়ার উপযুক্ত দেশ, ভুখণ্ড আর রাষ্ট্র, যাই বলেন না কেনো, সেই শক্তি যদি অর্জন না করতে পারেন তাহলে এভাবেই মোল্লাদের অপদস্ত হতেই হবে। হয়ে যেতেই হবে।
ভাই দেখেন অবশ্যই আমাদের মোল্লারা বিভিন্ন জায়গায় অযোগ্য। এটা সরল স্বীকারোক্তি।
কিন্তু একটা ছোট্ট বিষয় কেনো চিন্তা করেন না?
আফগানি মোল্লারা দরসে যা পড়ে ও পড়ায় সেটা দিয়েই তাদের রাষ্ট্র চালানো লাগে। তারা তাদের রাষ্ট্রকে সেভাবে আগে গড়ে তুলছে।
আর আমাদের মোল্লারা যা দরসে পড়ায় ও পড়ে তার সাথে রাষ্ট্রের কোনো সম্পর্কই নাই। রাষ্ট্রের ভাষা-পরিভাষা, রাষ্ট্রের কোনো পলিসি মেকিংয়ের এগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই; বরং রাষ্ট্র নামক সত্তার কাজ হলো পলিসি করে মোল্লারা যা পড়ে ও পড়ায়, সেটাকে কেমনে ধ্বংস করবে, তার পুরো বন্দোবস্ত করা।
তো, দুইদেশের মোল্লাদের এমন উদাহরণ টানাটা আসলে ভুল।
.
নিজের পড়ার উপযুক্ত দেশ, ভুখণ্ড আর রাষ্ট্র, যাই বলেন না কেনো, সেই শক্তি যদি অর্জন না করতে পারেন তাহলে এভাবেই মোল্লাদের অপদস্ত হতেই হবে। হয়ে যেতেই হবে।
❤39💯15👍3
পুরান পাগল : তাবলিগের এই এক সালে আমি যে ইলম অর্জন করেছি তা মাদরাসায় বারো বছর পড়েও পাইনি।
পুরান অতিরিক্ত পাগল: পীর সাহেব হুজুরের মাহফিলে/দরবারে এসে...
নতুন পাগল : মাওলানা মওদুদির বই পড়ে আমি যে জ্ঞান পেয়েছি, কওমী মাদরাসায় দাওরা পড়েও তা পাইনি।
.
এখন শুধু এটাই মাথায় ঘুরতেছে, পুরান পাগলের ভাত নাই নতুন পাগলের আমদানি।
পুরান অতিরিক্ত পাগল: পীর সাহেব হুজুরের মাহফিলে/দরবারে এসে...
নতুন পাগল : মাওলানা মওদুদির বই পড়ে আমি যে জ্ঞান পেয়েছি, কওমী মাদরাসায় দাওরা পড়েও তা পাইনি।
.
এখন শুধু এটাই মাথায় ঘুরতেছে, পুরান পাগলের ভাত নাই নতুন পাগলের আমদানি।
😁45❤4🤣4👍1
ফ্রান্সের উপনিবেশ থেকে স্বাধীন পরবর্তী সিরিয়ার শাসক ও রাষ্ট্রীয় সুবিধা পাওয়া আলেমদের নিয়ে আজ আল জাযিরার একটা লেখা পড়লাম। লেখাটা আসলেই সবার পড়া উচিত বলে মনে করি। যারা ভালো আরবী পারেন না, তারা এআইর সাহায্য নিয়ে হলেও লেখাটা পড়েন৷
সেই লেখায় লম্বা ইতিহাস টানার পর শায়খ সাইদ রমাজান বুতির বিষয়ে লেখতেছে,
ولم يكن هناك أفضل من "أكبر حراس معبد الأسد" الشيخ محمد سعيد رمضان البوطي، الرجل الذي وقف خلف حافظ الأسد ثم خلف ابنه حتى آخر لحظات
আসাদ মন্দিরের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পাহারাদার (পূজারী) ছিলেন বুতি...
.
হাহা!
.
যাক, কথা সেটা না। লেখাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি আমার নজর কেড়েছে, তা হলো, আসাদ পরিবার এই যে এত এত গনহ* আর অত্যাচার চালালো, এসব ক্ষেত্রে সেখানের আলেমরা সবাই যে শাসকের অত্যাচারের ভয়ের কারণে যে চুপ ছিলো বিষয়টি তা নয়। বরং, কিছু তো ছিলো রাষ্ট্রীয় বড় পদ পাওয়ার লোভে।
কিন্তু একটা উল্লেখযোগ্য অংশই ছিল, যারা মূলত এই জালেম হত্যাকারীদের সাথে আদর্শিকভাবে একমত হওয়ার কারণে চুপ করে থাকতো। আর ইনিয়েবিনিয়ে শাসকদের পক্ষে বলতো। লেখকের লাইনটা দেখেন,
وكان منهم من يدعم حافظ الأسد عقيدة واختيارا فكريا كاملا، وإيمانا بأن الثورة ليست إلا فِتنة في وجه دولة صبغت نفسها بصبغة شبه إلهية.
তাদের কেউ কেউ আকিদাগত বিশ্বাস ও পূর্ণ চিন্তাগত অবস্থান থেকেই হাফেজ আলআসাদকে সমর্থন করতেন। তাদের বিশ্বাস ছিলো, এই বিপ্লব আসলে এমন এক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সৃষ্ট নিছক একটি ফিতনা, যে রাষ্ট্র নিজেকে প্রায় ঐশ্বরিক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলো।
.
মজার বিষয় কী জানেন, এই লেখাটা পাইছে এমন একজন বুদ্ধিজীবীর মাধ্যমে যে নিজে বুতির পক্ষ নিয়ে জীবনভর সিরিয়ার এখনের শাসক, যারা আগে বিদ্রোহী ছিলো, তাদের বিরুদ্ধে ইনিয়েবিনিয়ে আজাইরা বিষয় লেখতো। এবং বুতির অবস্থানই সঠিক সেটা নিয়ে অন্যকে বহু কিছু শুনাইতো। আজকে সেও বুতির বিরুদ্ধে লেখা এত চমৎকার লেখা পড়ার জন্য অন্যকে আহবান করতেছে!
.
শেষ জামানার ফিতনা বোধহয় এমনই!
সেই লেখায় লম্বা ইতিহাস টানার পর শায়খ সাইদ রমাজান বুতির বিষয়ে লেখতেছে,
ولم يكن هناك أفضل من "أكبر حراس معبد الأسد" الشيخ محمد سعيد رمضان البوطي، الرجل الذي وقف خلف حافظ الأسد ثم خلف ابنه حتى آخر لحظات
আসাদ মন্দিরের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পাহারাদার (পূজারী) ছিলেন বুতি...
.
হাহা!
.
যাক, কথা সেটা না। লেখাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি আমার নজর কেড়েছে, তা হলো, আসাদ পরিবার এই যে এত এত গনহ* আর অত্যাচার চালালো, এসব ক্ষেত্রে সেখানের আলেমরা সবাই যে শাসকের অত্যাচারের ভয়ের কারণে যে চুপ ছিলো বিষয়টি তা নয়। বরং, কিছু তো ছিলো রাষ্ট্রীয় বড় পদ পাওয়ার লোভে।
কিন্তু একটা উল্লেখযোগ্য অংশই ছিল, যারা মূলত এই জালেম হত্যাকারীদের সাথে আদর্শিকভাবে একমত হওয়ার কারণে চুপ করে থাকতো। আর ইনিয়েবিনিয়ে শাসকদের পক্ষে বলতো। লেখকের লাইনটা দেখেন,
وكان منهم من يدعم حافظ الأسد عقيدة واختيارا فكريا كاملا، وإيمانا بأن الثورة ليست إلا فِتنة في وجه دولة صبغت نفسها بصبغة شبه إلهية.
তাদের কেউ কেউ আকিদাগত বিশ্বাস ও পূর্ণ চিন্তাগত অবস্থান থেকেই হাফেজ আলআসাদকে সমর্থন করতেন। তাদের বিশ্বাস ছিলো, এই বিপ্লব আসলে এমন এক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সৃষ্ট নিছক একটি ফিতনা, যে রাষ্ট্র নিজেকে প্রায় ঐশ্বরিক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলো।
.
মজার বিষয় কী জানেন, এই লেখাটা পাইছে এমন একজন বুদ্ধিজীবীর মাধ্যমে যে নিজে বুতির পক্ষ নিয়ে জীবনভর সিরিয়ার এখনের শাসক, যারা আগে বিদ্রোহী ছিলো, তাদের বিরুদ্ধে ইনিয়েবিনিয়ে আজাইরা বিষয় লেখতো। এবং বুতির অবস্থানই সঠিক সেটা নিয়ে অন্যকে বহু কিছু শুনাইতো। আজকে সেও বুতির বিরুদ্ধে লেখা এত চমৎকার লেখা পড়ার জন্য অন্যকে আহবান করতেছে!
.
শেষ জামানার ফিতনা বোধহয় এমনই!
👍12❤4💩2💊1
মদিনার ইহুদিরা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সুযোগ পেলে টিটকারি মারতো। সবার সামনে তো করতে পারতো না। কিন্তু বিভিন্ন সাহাবায়ে কেরামকে একা পেলে তারা নোংরামিগুলো শুরু করতো। বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়েই তারা এগুলো করতো। এর মধ্যে অন্যতম হলো ইসলাম সম্পর্কে সাহাবায়ে কেরামের মনে সংশয় ও অনাস্থা তৈরি করা। কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম কী করতেন?
একবারের ঘটনা দেখি আসুন।
হযরত সালমান ফারসি রা.কে একবার কিছুটা ব্যঙ্গ করে একদল মুশরিক বললো, তোমাদের নবি নাকি তোমাদের বাথরুম কীভাবে ব্যবহার করবে সেটাও শিখায়?
প্রশ্নটা দেখুন, তাদের ঢঙটা ছিলো অনেকটা এমন যে, তোমরা যার অনুসরণ করো সে নাকি নবি, রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাপতি আরো কত কি! তো, সে তোমাদের এগুলো শিখায়?! হাহা!
যা ইসলামে আছে তা দেখতে আপত যতই ছোট মনে হোক, শত্রুদের প্রোপাগাণ্ডায় সেটাকে পাশ কাটানোর মানে হলো হীনমন্যতায় ভোগা। এতে মূলত শত্রু আরো সুযোগ পেয়ে যায়। আরো চেপে বসতে চায়। হযরত সালমান ফারসি বিষয়টি ধরতে পারলেন। তিনি প্রপাগাণ্ডায় ঘাবড়ালেন না৷ উলটো এমন একটা বিষয় বললেন যেটাতে তাদের প্রশ্নর গোড়াই বন্ধ হয়ে গেলো। প্রোপাগাণ্ডিস্টরা তো অস্পষ্ট করে একটা বিষয়ের অবতারণা করল। হযরত সালমান রা. সেটাকে আরো খুলে বলে দিলেন,
আরে অবশ্যই, আমাদের নবী তো এই বিষয়ে খুটিনাটি সবই শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি আমাদেরকে ডান হাত দিয়ে দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন, ইস্তিঞ্জার সময় তিন পাথরের কম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন৷ গোবর বা হাড্ডি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন।’
.
যেটাকে কাফেররা প্রোপাগাণ্ডার সুযোগ বানালো সালমান ফারসি সেটাকে স্বীকারই করে নিলো। শুধু স্বীকার! উলটো আরো পুরো বিষয়টি খুলে খুলে ভিতরে যা আছে তা সহ বললেন।
.
আল্লাহ দ্বীনের ব্যাপারে আমাদের হীনমন্য হওয়া থেকে হেফাজত করুক। আমীন৷
একবারের ঘটনা দেখি আসুন।
হযরত সালমান ফারসি রা.কে একবার কিছুটা ব্যঙ্গ করে একদল মুশরিক বললো, তোমাদের নবি নাকি তোমাদের বাথরুম কীভাবে ব্যবহার করবে সেটাও শিখায়?
প্রশ্নটা দেখুন, তাদের ঢঙটা ছিলো অনেকটা এমন যে, তোমরা যার অনুসরণ করো সে নাকি নবি, রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাপতি আরো কত কি! তো, সে তোমাদের এগুলো শিখায়?! হাহা!
যা ইসলামে আছে তা দেখতে আপত যতই ছোট মনে হোক, শত্রুদের প্রোপাগাণ্ডায় সেটাকে পাশ কাটানোর মানে হলো হীনমন্যতায় ভোগা। এতে মূলত শত্রু আরো সুযোগ পেয়ে যায়। আরো চেপে বসতে চায়। হযরত সালমান ফারসি বিষয়টি ধরতে পারলেন। তিনি প্রপাগাণ্ডায় ঘাবড়ালেন না৷ উলটো এমন একটা বিষয় বললেন যেটাতে তাদের প্রশ্নর গোড়াই বন্ধ হয়ে গেলো। প্রোপাগাণ্ডিস্টরা তো অস্পষ্ট করে একটা বিষয়ের অবতারণা করল। হযরত সালমান রা. সেটাকে আরো খুলে বলে দিলেন,
আরে অবশ্যই, আমাদের নবী তো এই বিষয়ে খুটিনাটি সবই শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি আমাদেরকে ডান হাত দিয়ে দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন, ইস্তিঞ্জার সময় তিন পাথরের কম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন৷ গোবর বা হাড্ডি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন।’
.
যেটাকে কাফেররা প্রোপাগাণ্ডার সুযোগ বানালো সালমান ফারসি সেটাকে স্বীকারই করে নিলো। শুধু স্বীকার! উলটো আরো পুরো বিষয়টি খুলে খুলে ভিতরে যা আছে তা সহ বললেন।
.
আল্লাহ দ্বীনের ব্যাপারে আমাদের হীনমন্য হওয়া থেকে হেফাজত করুক। আমীন৷
❤42🔥3
লেখাটা মিস দিয়েন না। যারা আরবী পারেন না, এআই দিয়ে হলেও পইড়েন ও চিন্তা কইরেন।
https://www.facebook.com/share/p/1CMuK8mBVz/
https://www.facebook.com/share/p/1CMuK8mBVz/
❤13
মাওলানা যুবায়ের সাহেবকে একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কওমী মাদরাসার এই যে নিকৃষ্ট কিছু সমস্যা চলছে, এটার থেকে উত্তরণের পথ কী?
হুজুরের সহজ উত্তর ছিলো, পুরো সিস্টেমকে অনাবাসিক বানিয়ে ফেলতে হবে। এতে কিছু পেরেশানি আর কিছু ঝামেলা হয়তো পোহাতে হবে। কিন্তু এর বিকল্প নেই।
হুজুর আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেছিলেন, পুরো পৃথিবীর শিক্ষাকাঠামোর এই মারহালাগুলো অনাবাসিকের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আর এটাই ফিতরি তরিকা। আমরা ফিতরি তরিকার বাহিরে কিছু বাস্তব সমস্যা আর বেশীরভাগ অবাস্তব সমস্যার ভয়ে ফিতরি তরিকার বাহিরে কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছি। যার কারণে আমরা ফল থেকেও ক্ষতি বেশি পাচ্ছি।
.
আপনি ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন, বাচ্চাদের আবাসিকের পুরো সিস্টেমটাই সমস্যাজনক। এবং এই সিস্টেমটাই এই নিকৃষ্ট গুনাহের পিছনে ৯৯% দায়ী। এই সমস্যাটা এভাবে চালিয়ে নিয়ে পুরো দ্বীনি মহলকে ধ্বংস করে দেওয়ার মানে হয় না।
.
আমাকে যারা বিশ্বাস করেন এবং পরামর্শ চান, আমি এখন সবাইকেই স্পষ্ট বলি, অনাবাসিক পড়ান। আপনার সন্তান মানুষ হয়, না অমানুষ হয়, এটা আপনার চোখের সামনে হোক।
হুজুরের সহজ উত্তর ছিলো, পুরো সিস্টেমকে অনাবাসিক বানিয়ে ফেলতে হবে। এতে কিছু পেরেশানি আর কিছু ঝামেলা হয়তো পোহাতে হবে। কিন্তু এর বিকল্প নেই।
হুজুর আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেছিলেন, পুরো পৃথিবীর শিক্ষাকাঠামোর এই মারহালাগুলো অনাবাসিকের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আর এটাই ফিতরি তরিকা। আমরা ফিতরি তরিকার বাহিরে কিছু বাস্তব সমস্যা আর বেশীরভাগ অবাস্তব সমস্যার ভয়ে ফিতরি তরিকার বাহিরে কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছি। যার কারণে আমরা ফল থেকেও ক্ষতি বেশি পাচ্ছি।
.
আপনি ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন, বাচ্চাদের আবাসিকের পুরো সিস্টেমটাই সমস্যাজনক। এবং এই সিস্টেমটাই এই নিকৃষ্ট গুনাহের পিছনে ৯৯% দায়ী। এই সমস্যাটা এভাবে চালিয়ে নিয়ে পুরো দ্বীনি মহলকে ধ্বংস করে দেওয়ার মানে হয় না।
.
আমাকে যারা বিশ্বাস করেন এবং পরামর্শ চান, আমি এখন সবাইকেই স্পষ্ট বলি, অনাবাসিক পড়ান। আপনার সন্তান মানুষ হয়, না অমানুষ হয়, এটা আপনার চোখের সামনে হোক।
👍27❤17
নেন, গালী খাবো জেনেও আরবী আর বাংলা অনুবাদ দিলাম।
فيه رد على بعض الفِرقِ مِن مُنكري الجهاد. فَمِنْهُم مَن يقولُ: إِنَّ الجهاد إنَّما يكون بالأمير، وبدون وجوده لا يجوز، وهذا قول فاسد لا دليل عليه مِنَ القرآنِ والسُّنَّةِ والفقه، وحديث أبي بصير صريح في عدم اشتراط وجود الأمير في الجهاد الدفاعي. وَمِنْهُم مَن يقولُ: إِنَّ الجهاد يتوقف على التزكية، وهذا أيضًا كلام سخيف لا دليل عليه، ويكون مثل أن تقول: إِنَّ الَّذي لا يُعطي الزَّكَاةَ؛ لا يفترض عليه الصلاة، فإنَّ الجهاد فريضةً مُستقلةٌ كالصلاة، بل الجهاد نفسه من أعظم وسائل التزكية.
জিহাদ অস্বীকারকারী কিছু দলের বক্তব্যের খণ্ডন :
তাদের একদল মনে করে, আমিরের নেতৃত্ব ছাড়া জিহাদ হতে পারে না; আমির না থাকলে জিহাদ করাও জায়েজ নয়।
এ বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কুরআন, সুন্নাহ কিংবা ফিকহ—কোনো ক্ষেত্রেই এর পক্ষে কোনো দলিল নেই। বরং আবু বাসির (রা.)-এর ঘটনা-সংক্রান্ত হাদিসটি স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, প্রতিরক্ষামূলক জিহাদের জন্য আমিরের উপস্থিতি শর্ত নয়।
আবার তাদের কেউ কেউ মনে করে, তাযকিয়া বা আত্মশুদ্ধি অর্জন না করা পর্যন্ত জিহাদ করা যাবে না। এটিও নিছক অমূলক ও ভিত্তিহীন কথা; শরিয়তের কোনো দলিল এর সমর্থনে নেই। এ বক্তব্যের অসারতা বোঝাতে বলা যায়—কেউ যদি এমন দাবি করে যে, ‘যে ব্যক্তি জাকাত আদায় করে না, তার ওপর নামাজও ফরজ নয়!’ অথচ নামাজ যেমন একটি স্বতন্ত্র ফরজ, জিহাদও তেমনি একটি স্বতন্ত্র ফরজ বিধান। বরং জিহাদ নিজেই আত্মশুদ্ধি ও তাযকিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
فيه رد على بعض الفِرقِ مِن مُنكري الجهاد. فَمِنْهُم مَن يقولُ: إِنَّ الجهاد إنَّما يكون بالأمير، وبدون وجوده لا يجوز، وهذا قول فاسد لا دليل عليه مِنَ القرآنِ والسُّنَّةِ والفقه، وحديث أبي بصير صريح في عدم اشتراط وجود الأمير في الجهاد الدفاعي. وَمِنْهُم مَن يقولُ: إِنَّ الجهاد يتوقف على التزكية، وهذا أيضًا كلام سخيف لا دليل عليه، ويكون مثل أن تقول: إِنَّ الَّذي لا يُعطي الزَّكَاةَ؛ لا يفترض عليه الصلاة، فإنَّ الجهاد فريضةً مُستقلةٌ كالصلاة، بل الجهاد نفسه من أعظم وسائل التزكية.
জিহাদ অস্বীকারকারী কিছু দলের বক্তব্যের খণ্ডন :
তাদের একদল মনে করে, আমিরের নেতৃত্ব ছাড়া জিহাদ হতে পারে না; আমির না থাকলে জিহাদ করাও জায়েজ নয়।
এ বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কুরআন, সুন্নাহ কিংবা ফিকহ—কোনো ক্ষেত্রেই এর পক্ষে কোনো দলিল নেই। বরং আবু বাসির (রা.)-এর ঘটনা-সংক্রান্ত হাদিসটি স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, প্রতিরক্ষামূলক জিহাদের জন্য আমিরের উপস্থিতি শর্ত নয়।
আবার তাদের কেউ কেউ মনে করে, তাযকিয়া বা আত্মশুদ্ধি অর্জন না করা পর্যন্ত জিহাদ করা যাবে না। এটিও নিছক অমূলক ও ভিত্তিহীন কথা; শরিয়তের কোনো দলিল এর সমর্থনে নেই। এ বক্তব্যের অসারতা বোঝাতে বলা যায়—কেউ যদি এমন দাবি করে যে, ‘যে ব্যক্তি জাকাত আদায় করে না, তার ওপর নামাজও ফরজ নয়!’ অথচ নামাজ যেমন একটি স্বতন্ত্র ফরজ, জিহাদও তেমনি একটি স্বতন্ত্র ফরজ বিধান। বরং জিহাদ নিজেই আত্মশুদ্ধি ও তাযকিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
❤59👍16🔥10
মেধাবী : কওমীর হুজুররা হইলো কওমে লুতের জাতি। কওমীর হুজুররা হিংসুক। কওমীর হুজুররা সারাদিন শুধু শিশু...। কওমীর হুজুররা...
উরকিস মেধাবী : আলহামদুলিল্লাহ, আজ শত শত কওমীর আলেমরা জামাতে যোগ দিচ্ছে।....
উরকিস মেধাবী : আলহামদুলিল্লাহ, আজ শত শত কওমীর আলেমরা জামাতে যোগ দিচ্ছে।....
😁52
ইমারতে ইসালামিয়া আফগান সরকারি সমস্ত জায়গা থেকে “জাতীয়” বা “ন্যাশনাল” শব্দটিকে বাদদিয়ে দিয়েছে।
যেমন ধরেন আগে লেখা হতো, ন্যাশনাল আর্মি, জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয় পরিক্ষা ইত্যাদি। এর স্থানে “সাধারণ” ও “জনসাধারণ” (العام/العامة) শব্দকে যুক্ত করা হয়েছে। যেমন ধরেন আগে লেখা হতো, জাতীয় পরিক্ষা অধিদপ্তর। আর এখন লেখা হচ্ছে, সাধারণ পরিক্ষা অধিদপ্তর।
.
কু*ফ*র ও কু*ফ*রের গন্ধ থেকে নিজ কর্তৃত্বে থাকা মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করা একটি ইসলামি ইমারার প্রথম ও অন্যতম বড় দায়িত্ব।
.
এছাড়া সমস্ত ধরনের গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ নিষেধ করেছে তালেব সরকার। যেটা ছিলো আরো বড় মাস্টার স্ট্রোক। ইনশাআল্লাহ, সেটা নিয়ে বিস্তারিত সামনে লেখবো ইনশাআল্লাহ।
.
আল্লাহ গণতন্ত্রের পূজারি, HT-র বেকুব ও দাওলার খারেজিদের অনিষ্ঠ থেকে মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করুন। আমীন।
যেমন ধরেন আগে লেখা হতো, ন্যাশনাল আর্মি, জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয় পরিক্ষা ইত্যাদি। এর স্থানে “সাধারণ” ও “জনসাধারণ” (العام/العامة) শব্দকে যুক্ত করা হয়েছে। যেমন ধরেন আগে লেখা হতো, জাতীয় পরিক্ষা অধিদপ্তর। আর এখন লেখা হচ্ছে, সাধারণ পরিক্ষা অধিদপ্তর।
.
কু*ফ*র ও কু*ফ*রের গন্ধ থেকে নিজ কর্তৃত্বে থাকা মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করা একটি ইসলামি ইমারার প্রথম ও অন্যতম বড় দায়িত্ব।
.
এছাড়া সমস্ত ধরনের গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ নিষেধ করেছে তালেব সরকার। যেটা ছিলো আরো বড় মাস্টার স্ট্রোক। ইনশাআল্লাহ, সেটা নিয়ে বিস্তারিত সামনে লেখবো ইনশাআল্লাহ।
.
আল্লাহ গণতন্ত্রের পূজারি, HT-র বেকুব ও দাওলার খারেজিদের অনিষ্ঠ থেকে মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করুন। আমীন।
❤64🔥9👍5😁2
বর্তমানে আমরা এমন কিছু শাসকগোষ্ঠীর অধীনে বাস করছি, যাদের দেখতে গায়ে-গতরে-বেশভূষায় আমাদেরই একজন মনে হলেও মূলত তারাই আমাদের চূড়ান্ত শত্রু। মিসরের মুহাম্মাদ আলি পাশার আমল থেকেই এই শাসনব্যবস্থাগুলো সবসময় পশ্চিমাদের প্রতিনিধি ও তাদের স্বার্থরক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই একই মডেল পুরো আরব বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, স্থানীয় কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে মুসলিম সমাজের স্বাভাবিক প্রতিচ্ছবি কিংবা মুসলিম উম্মাহর প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নিত করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
গত এক শতাব্দীর বাস্তবতা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সরাসরি ঔপনিবেশিক আগ্রাসনের চেয়েও এই দেশীয় শাসকেরা অনেক কম খরচের পাশাপাশি অনেক বেশি দক্ষতার সাথে মুসলিম সমাজকে ভেতর থেকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে এবং জোরপূর্বক আধুনিকায়ন চাপিয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে আমি এত কথা বলেছি যে, মানুষ হয়তো আমার প্রতি বিরক্ত হয়ে গেছে। তাই ঠিক করেছি, এবার আমি আর নিজে কিছু বলব না; বরং চুপ থাকব। এই প্রবন্ধে আমি কেবল এই অপশক্তিগুলোর নিজেদের মুখে বলা কিছু স্বীকারোক্তি হুবহু তুলে ধরব। কথাগুলো তাদের নিজেদের বই এবং প্রতিবেদন থেকেই সেগুলোর সংস্করণ ও পৃষ্ঠাসহ রেফারেন্সের মাধ্যমে উদ্ধৃত করব, যাতে আমার ওপর কোনো দায় না থাকে; আর যার ধ্বংস হওয়ার সে যেন সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরই ধ্বংস হয়ে যায়!
.
পুরো লেখাটি অবশ্যই পড়ুন,
https://themuslimminds.org/ami-borong-chup-thaki-apnara-tader-mukh-thekei-shunun/?fbclid=Iwb21leAUH4rFjbGNrBQfiMHBkb2YFZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEe5ud9F_U0D1q7baBPD9UQVep7gTLr-z6oUQWCvOXrA9Vs45XaEFn-uq4DJpY_aem_xKM9b8jQAYJbo2A5q62aYQ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই একই মডেল পুরো আরব বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, স্থানীয় কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে মুসলিম সমাজের স্বাভাবিক প্রতিচ্ছবি কিংবা মুসলিম উম্মাহর প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নিত করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
গত এক শতাব্দীর বাস্তবতা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সরাসরি ঔপনিবেশিক আগ্রাসনের চেয়েও এই দেশীয় শাসকেরা অনেক কম খরচের পাশাপাশি অনেক বেশি দক্ষতার সাথে মুসলিম সমাজকে ভেতর থেকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে এবং জোরপূর্বক আধুনিকায়ন চাপিয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে আমি এত কথা বলেছি যে, মানুষ হয়তো আমার প্রতি বিরক্ত হয়ে গেছে। তাই ঠিক করেছি, এবার আমি আর নিজে কিছু বলব না; বরং চুপ থাকব। এই প্রবন্ধে আমি কেবল এই অপশক্তিগুলোর নিজেদের মুখে বলা কিছু স্বীকারোক্তি হুবহু তুলে ধরব। কথাগুলো তাদের নিজেদের বই এবং প্রতিবেদন থেকেই সেগুলোর সংস্করণ ও পৃষ্ঠাসহ রেফারেন্সের মাধ্যমে উদ্ধৃত করব, যাতে আমার ওপর কোনো দায় না থাকে; আর যার ধ্বংস হওয়ার সে যেন সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরই ধ্বংস হয়ে যায়!
.
পুরো লেখাটি অবশ্যই পড়ুন,
https://themuslimminds.org/ami-borong-chup-thaki-apnara-tader-mukh-thekei-shunun/?fbclid=Iwb21leAUH4rFjbGNrBQfiMHBkb2YFZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEe5ud9F_U0D1q7baBPD9UQVep7gTLr-z6oUQWCvOXrA9Vs45XaEFn-uq4DJpY_aem_xKM9b8jQAYJbo2A5q62aYQ
❤21
মাদরাসার ভবন নির্মাণ ও নির্মাণের পর সৌন্দর্য বর্ধনমূলক কাজ করা—একধরনের মাসলাহাত। অপরদিকে মাদরাসার স্টাফদের বেতন দেওয়াও মাসলাহাত। এখন মুহতামিমকে ভাবতে হবে যে, এগুলোর কোনটাতে কত পরিমাণ ও কিভাবে খরচ করা হবে।
নিঃসন্দহে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মাসলাহাত বা উপকারিতাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সুতরাং সমাজে যে দেখা যায়, মাদরাসার স্টাফদের বেতন ধরা হয় অল্প। ফলে তাদের যোগ্যতাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে মাদরাসার কাজে ব্যবহার না হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। অপরদিকে মুহতামিম সাহেব ভবন নির্মাণ ও এরকম কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে উদার হাতে খরচ করে যান—এগুলো কোনোভাবেই ঠিক নয়।
-
আহকামে মাদারেস, প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ
নিঃসন্দহে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মাসলাহাত বা উপকারিতাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সুতরাং সমাজে যে দেখা যায়, মাদরাসার স্টাফদের বেতন ধরা হয় অল্প। ফলে তাদের যোগ্যতাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে মাদরাসার কাজে ব্যবহার না হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে। অপরদিকে মুহতামিম সাহেব ভবন নির্মাণ ও এরকম কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে উদার হাতে খরচ করে যান—এগুলো কোনোভাবেই ঠিক নয়।
-
আহকামে মাদারেস, প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ
❤29
ইমরান রাইহান ভাইয়ের এই বইটার জন্য লম্বা সময় ধরে অপেক্ষায় ছিলাম। প্রায় দেখা হলে কাজটার খোজ নিতাম। যাক, অবশেষে আসছে, এটাই আমার জন্য খুশির।
.
প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে। তাই এখনও সংগ্রহ করতে পারেন বা সামনে মেলায় এসেও সংগ্রহ করতে পারে। বাকি, অবশ্যই সংগ্রহ করবেন। মাদরাসার শরহে বেকায় জালালাইনের ছাত্রদের জন্য তো বিশেষভাবে সংগ্রহের দরকার।
.
প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে। তাই এখনও সংগ্রহ করতে পারেন বা সামনে মেলায় এসেও সংগ্রহ করতে পারে। বাকি, অবশ্যই সংগ্রহ করবেন। মাদরাসার শরহে বেকায় জালালাইনের ছাত্রদের জন্য তো বিশেষভাবে সংগ্রহের দরকার।
❤40
করাচির বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান জামিয়া উলুমে ইসলামিয়া আল্লামা ইউসুফ বানুরি টাউন। জেহাদ ফি সাবিলিল্লাহর জন্য এ মাদরাসার প্রথম সারির আলেমগণ জীবন পর্যন্ত দিয়েছেন। বাংলাদেশের মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী রহ. এখানে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। তিনি লিখেছেন,
“মুফতি নিজামুদ্দিন শামজাইকে শহিদ করা হয় খুবই ঠান্ডা মাথায়। আমি তখন সেখানে ছিলাম। মুজাহিদদের উনি জানপ্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করতেন। তাদের পাশে থেকে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলেন...।
মুফতি নিজাম সাহেব নিউটাউনের পাশেই মাত্র একশ ফুট দূরে একটি ভবনে থাকতেন। গাড়িতে করে যাতায়াত করতেন। জিহাদি কার্যক্রমে অনেক সময় দিতেন। প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিধায় মুজাহিদীন তাকে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী গ্রহণ করতে বলেছিল গাড়িতে করে মাদরাসায় আসা পর্যন্ত। এজন্য তার সাথে সশস্ত্র দেহরক্ষী থাকত। একদিন এভাবেই আসছিলেন মাদরাসায়। নিউটাউনের মোড়ে আসতেই একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁর গাড়ি লক্ষ করে ব্রাশফায়ার চালায়। এতে তিনি দেহরক্ষীসহ শহিদ হয়ে যান। রহিমাহুমুল্লাহ।
বিজ্ঞ আলিমদের জিহাদে সম্পৃক্ত হওয়াকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুব একটা ভালো চোখে দেখছিল না। যেহেতু তখন আমেরিকার সাথে নতুন যুদ্ধে নামতে যাচ্ছিল তালিবগণ, তাই মনে করা হয় এই হত্যাকাণ্ড আমেরিকার ইশারাতেই হয়েছিল। শুধু মুফতি নিজাম একাই নন, ধারাবাহিকভাবে একের পর এক বিজ্ঞ আলিমগণ পাকিস্তানে শাহাদাত বরণ করেই যাচ্ছিলেন। এর পূর্বেও শিয়া জালিমরা সিপাহে সাহাবার নেতৃবৃন্দকে শহিদ করেছিল ধারাবাহিক নিষ্ঠুরতার সাথে। আর নতুন যুগের ক্রুসেডযুদ্ধ শুরু হবার পর এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বিশেষত নিউটাউনের আলিমগণ জিহাদি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা বেশি করায় এখানকার আলিমদের উপর বাতিলের ছিল আলাদা শ্যেনদৃষ্টি। শক্ত ও বস্তুনিষ্ঠ ফতোয়াদানে কোনোরকম শৈথিল্য না দেখিয়ে অনমনীয় মনোভাব ধরে রাখা নিউটাউনের দারুল ইফতার অনন্য বৈশিষ্ট্য। সুবিধাবাদী ইসলামের ধার ধারতেন না তারা। দেশীয় অনেক ইস্যুতেই নিউটাউন তার এই বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। ফলে দেশে ও বিদেশে সর্বত্র নিউটাউনের দারুল ইফতার একটা বিশেষ চাহিদা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একইসাথে দারুল ইফতা তৈরি করেছে তার অসংখ্য শত্রু ও প্রাণের দুশমন। তখন এবং এখনো, পাকিস্তানে বিশেষত করাচিতে নিউটাউনের মুয়াফিক ফতোয়া হলে তা গৃহীত হতো, অন্যথা জনগণ তা গ্রহণে দ্বিধা করত।
--
মুজাহিদীনও জটিল জটিল ফতোয়ার জন্য নিউটাউনে আসতেন। এজন্য বাতিল তাগুতি শক্তি মুফতি নিজামের পর আরো অনেককেই রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করতে থাকে...।
ড. হাবিবুল্লাহ মুখতার ও মুফতি ইউসুফ লুধিয়ানবিও এভাবে শহিদ হন...।
এভাবেই একে একে পরবর্তীতে মুফতি আবদুল মজিদ, মাওলানা মুহাম্মদ সালেহ ওকাড়বি, যাকে আমিই সুপারিশ করে দারুল ইফতায় নিয়োগ দিয়েছিলাম, সেও শহিদ হয়ে যায়। মুফতি আবদুর রহমান সাহেবও শহিদ হন এদের হাতে। মুহাম্মদ বানুরি-আল্লামা বানুরির সন্তান ছিলেন-শহিদ হন দুর্বৃত্তের হাতে। নিউটাউনে শাহাদাতের সিলসিলা এখনো চালু আছে। আলিমদের সাথে মুজাহিদরা মাঝেমধ্যে মজা করে বলত যে, ‘আমরা শাহাদাতের জন্য এত কষ্ট করে হিজরত করি। বছরের পর বছর শাহাদাতের জন্য অপেক্ষা করি। আর আপনাদের ইলমের কী শান! ইলমের সঠিক ব্যবহারের কারণে আল্লাহ তায়ালা শত্রু পাঠিয়ে আপনাদের নিজ নিজ বাসায় এসে শাহাদাত হাদিয়া দিয়ে যায়! কেয়ামত দিবসে নিউটাউনের এই দারুল ইফতা ও এখানকার মুফতিগণ ইলম ও জিহাদের সমন্বিত কাফেলায় থাকবেন, ইনশাআল্লাহ’।”
(আত্মজীবনী: পৃষ্ঠা ১৩৭-১৪০)
“মুফতি নিজামুদ্দিন শামজাইকে শহিদ করা হয় খুবই ঠান্ডা মাথায়। আমি তখন সেখানে ছিলাম। মুজাহিদদের উনি জানপ্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করতেন। তাদের পাশে থেকে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলেন...।
মুফতি নিজাম সাহেব নিউটাউনের পাশেই মাত্র একশ ফুট দূরে একটি ভবনে থাকতেন। গাড়িতে করে যাতায়াত করতেন। জিহাদি কার্যক্রমে অনেক সময় দিতেন। প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিধায় মুজাহিদীন তাকে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী গ্রহণ করতে বলেছিল গাড়িতে করে মাদরাসায় আসা পর্যন্ত। এজন্য তার সাথে সশস্ত্র দেহরক্ষী থাকত। একদিন এভাবেই আসছিলেন মাদরাসায়। নিউটাউনের মোড়ে আসতেই একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁর গাড়ি লক্ষ করে ব্রাশফায়ার চালায়। এতে তিনি দেহরক্ষীসহ শহিদ হয়ে যান। রহিমাহুমুল্লাহ।
বিজ্ঞ আলিমদের জিহাদে সম্পৃক্ত হওয়াকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুব একটা ভালো চোখে দেখছিল না। যেহেতু তখন আমেরিকার সাথে নতুন যুদ্ধে নামতে যাচ্ছিল তালিবগণ, তাই মনে করা হয় এই হত্যাকাণ্ড আমেরিকার ইশারাতেই হয়েছিল। শুধু মুফতি নিজাম একাই নন, ধারাবাহিকভাবে একের পর এক বিজ্ঞ আলিমগণ পাকিস্তানে শাহাদাত বরণ করেই যাচ্ছিলেন। এর পূর্বেও শিয়া জালিমরা সিপাহে সাহাবার নেতৃবৃন্দকে শহিদ করেছিল ধারাবাহিক নিষ্ঠুরতার সাথে। আর নতুন যুগের ক্রুসেডযুদ্ধ শুরু হবার পর এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বিশেষত নিউটাউনের আলিমগণ জিহাদি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা বেশি করায় এখানকার আলিমদের উপর বাতিলের ছিল আলাদা শ্যেনদৃষ্টি। শক্ত ও বস্তুনিষ্ঠ ফতোয়াদানে কোনোরকম শৈথিল্য না দেখিয়ে অনমনীয় মনোভাব ধরে রাখা নিউটাউনের দারুল ইফতার অনন্য বৈশিষ্ট্য। সুবিধাবাদী ইসলামের ধার ধারতেন না তারা। দেশীয় অনেক ইস্যুতেই নিউটাউন তার এই বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। ফলে দেশে ও বিদেশে সর্বত্র নিউটাউনের দারুল ইফতার একটা বিশেষ চাহিদা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একইসাথে দারুল ইফতা তৈরি করেছে তার অসংখ্য শত্রু ও প্রাণের দুশমন। তখন এবং এখনো, পাকিস্তানে বিশেষত করাচিতে নিউটাউনের মুয়াফিক ফতোয়া হলে তা গৃহীত হতো, অন্যথা জনগণ তা গ্রহণে দ্বিধা করত।
--
মুজাহিদীনও জটিল জটিল ফতোয়ার জন্য নিউটাউনে আসতেন। এজন্য বাতিল তাগুতি শক্তি মুফতি নিজামের পর আরো অনেককেই রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করতে থাকে...।
ড. হাবিবুল্লাহ মুখতার ও মুফতি ইউসুফ লুধিয়ানবিও এভাবে শহিদ হন...।
এভাবেই একে একে পরবর্তীতে মুফতি আবদুল মজিদ, মাওলানা মুহাম্মদ সালেহ ওকাড়বি, যাকে আমিই সুপারিশ করে দারুল ইফতায় নিয়োগ দিয়েছিলাম, সেও শহিদ হয়ে যায়। মুফতি আবদুর রহমান সাহেবও শহিদ হন এদের হাতে। মুহাম্মদ বানুরি-আল্লামা বানুরির সন্তান ছিলেন-শহিদ হন দুর্বৃত্তের হাতে। নিউটাউনে শাহাদাতের সিলসিলা এখনো চালু আছে। আলিমদের সাথে মুজাহিদরা মাঝেমধ্যে মজা করে বলত যে, ‘আমরা শাহাদাতের জন্য এত কষ্ট করে হিজরত করি। বছরের পর বছর শাহাদাতের জন্য অপেক্ষা করি। আর আপনাদের ইলমের কী শান! ইলমের সঠিক ব্যবহারের কারণে আল্লাহ তায়ালা শত্রু পাঠিয়ে আপনাদের নিজ নিজ বাসায় এসে শাহাদাত হাদিয়া দিয়ে যায়! কেয়ামত দিবসে নিউটাউনের এই দারুল ইফতা ও এখানকার মুফতিগণ ইলম ও জিহাদের সমন্বিত কাফেলায় থাকবেন, ইনশাআল্লাহ’।”
(আত্মজীবনী: পৃষ্ঠা ১৩৭-১৪০)
❤41🔥1
অনেক আলেম ও তালেবে ইলম ভাইরা বিস্তৃত আঙ্গিকে সিরাত পড়তে চান, তাদের জন্য এই ভিডিওটা একটি উত্তম রাহনুমায়ী হতে পারে।
https://youtu.be/4K3mX2olI5Q?si=I0-yScdXfgsw2pzf
https://youtu.be/4K3mX2olI5Q?si=I0-yScdXfgsw2pzf
YouTube
আরবি ভাষায় রচিত ও অনূদিত কয়েকটি সীরাত গ্রন্থের পরিচিতি
আরবি ভাষায় অনেক গুরুতপূর্ন সীরাতগ্রন্থ রচিত ও অনূদিত হয়েছে। সেখান থেকেই কয়েকটি বই নিয়ে আজকের আলোচনা।
❤11🔥1
হুজাইফা আজ্জম হলেন আব্দুল্লাহ আজ্জম রহিমাহুল্লাহের ছেলে। তিনি আজ এক্সে একটি পোষ্ট করেছেন,
‘একজন নেককার ব্যক্তি একটি নেক স্বপ্ন দেখেছেন। যিনি সফরে-আবাসে এবং জিহাদের সময় আমার পিতার সঙ্গী ছিলেন। তিনি আমাকে জানালেন, প্রিয় হুযাইফা, তোমার প্রতি সালাম। আল্লাহর কসম, (স্বপ্নে দেখলাম) রাতের অধিকাংশ সময় আমি শাইখ আবদুল্লাহর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তখন যুদ্ধের পোশাক পরিহিত ছিলেন, আর আমি তার পেছনে হাঁটছিলাম। তিনি যুবকদের প্রস্তুত করছিলেন।’
আল্লাহই ভালো জানেন, ইহুদিদের পরিণতি ঘনিয়ে এসেছে।
‘একজন নেককার ব্যক্তি একটি নেক স্বপ্ন দেখেছেন। যিনি সফরে-আবাসে এবং জিহাদের সময় আমার পিতার সঙ্গী ছিলেন। তিনি আমাকে জানালেন, প্রিয় হুযাইফা, তোমার প্রতি সালাম। আল্লাহর কসম, (স্বপ্নে দেখলাম) রাতের অধিকাংশ সময় আমি শাইখ আবদুল্লাহর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তখন যুদ্ধের পোশাক পরিহিত ছিলেন, আর আমি তার পেছনে হাঁটছিলাম। তিনি যুবকদের প্রস্তুত করছিলেন।’
আল্লাহই ভালো জানেন, ইহুদিদের পরিণতি ঘনিয়ে এসেছে।
❤60