প্রকাশিতব্য বই থেকে
কোনো মাসআলায় সকল ফকিহ একমত না হলেই এটা কীভাবে আবশ্যক হয়ে যায় যে, সংখ্যগরিষ্ঠের মতকে বাদ দিয়ে অন্যমত গ্রহণ করতে হবে?
সমকালীন অনেক গবেষক মতানৈক্যপূর্ণ মাসআলাগুলোতে ফকিহদের বিভিন্ন মতামত এমনভাবে উপস্থাপন করেন যে, সংশ্লিষ্ট মাসআলার শরয়ী গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়। ফলে সাধারণভাবে এ ধারণা সৃষ্টি হয় যে, এই মাসআলায় যেকোনো একজন ফকিহের মত গ্রহণ করলেই যথেষ্ট। অথচ বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই ধরনের কাজ শরয়ী মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। সকল ইখতিলাফই মাসআলার গুরুত্ব কমিয়ে দেয় না, আবার সকল ইখতিলাফ সকলের জন্য ইচ্ছেমতো যেকোনো মত গ্রহণের সুযোগও তৈরি করে না। বরং এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, ব্যক্তি মুজতাহিদ হলে তার ইজতিহাদি যোগ্যতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিবে আর মাজহাবের অনুসারী হলে নিজ মাজহাবের ইমামের মতটি গ্রহণ করবে।
.
আসন্ন বাইতুল মুকাররম বই মেলায় ইনশাআল্লাহ
কোনো মাসআলায় সকল ফকিহ একমত না হলেই এটা কীভাবে আবশ্যক হয়ে যায় যে, সংখ্যগরিষ্ঠের মতকে বাদ দিয়ে অন্যমত গ্রহণ করতে হবে?
সমকালীন অনেক গবেষক মতানৈক্যপূর্ণ মাসআলাগুলোতে ফকিহদের বিভিন্ন মতামত এমনভাবে উপস্থাপন করেন যে, সংশ্লিষ্ট মাসআলার শরয়ী গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়। ফলে সাধারণভাবে এ ধারণা সৃষ্টি হয় যে, এই মাসআলায় যেকোনো একজন ফকিহের মত গ্রহণ করলেই যথেষ্ট। অথচ বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই ধরনের কাজ শরয়ী মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। সকল ইখতিলাফই মাসআলার গুরুত্ব কমিয়ে দেয় না, আবার সকল ইখতিলাফ সকলের জন্য ইচ্ছেমতো যেকোনো মত গ্রহণের সুযোগও তৈরি করে না। বরং এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, ব্যক্তি মুজতাহিদ হলে তার ইজতিহাদি যোগ্যতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিবে আর মাজহাবের অনুসারী হলে নিজ মাজহাবের ইমামের মতটি গ্রহণ করবে।
.
আসন্ন বাইতুল মুকাররম বই মেলায় ইনশাআল্লাহ
❤27👍4
“এসব আরাম প্রিয় বিলাসী অপদার্থ মানুষগুলো বিলাসী জীবনের সকল আয়োজন উপাদান ঘরে এনে জড়ো করার পরও এ ঘর ছেড়ে এবং এ ভূমি ছেড়ে পৃথিবীর আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়াতে থাকে। বিশ/বাইশ তাপমাত্রার খোঁজে তারা পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্ত দৌড়াতে থাকে।
বাস্তবতা হচ্ছে, তারা আরামের মূল উপাদান ঈমান ও আমলের জীবনকে জবাই করে শুধু বস্তুসামগ্রী দিয়ে আরাম আয়েশ করতে চেয়েছে। ফলে তাদের আরাম আয়েশের সকল উপায় উপকরণের ব্যবস্থা হয়েছে। শুধু আরামটা হাতছাড়া হয়ে গেছে। কারণ আরামের মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মনের আরাম। আর সে আরাম থেকে আল্লাহ তাদেরকে বঞ্চিত করে দিয়েছেন।
অতএব কোন ঈমানদার মুসলিমের জন্য কোনভাবেই শোভা পায় না যে, সে শুধু আরামের তালাশে দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়াবে। এ সফর কখনো শরীয়তের বৈধ সফরগুলোর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। কোন মুসলিম যে শিরনামেই সফর করবে, তার পেছনে দ্বীন-ঈমান-ইলম-দাওয়া-জিহাদ ইত্যাদি মৌলিক উদ্দেশ্যগুলোর কোন একটি থাকতে হবে।
আর বিলাসী এ মৌসুমী সফরগুলো যদি কোন কাফেরদের দেশে হয়, তখন এর বৈধতার গণ্ডি আরো ছোট হয়ে যাবে। কোন মুসলিম চাইলেই কাফেরদের দেশে সফর করতে পারে না। তাছাড়া কোন মুসলিম কাফের ঘেরা দেশে গিয়ে আরাম বোধ করা, প্রশান্তি অনুভব করা, তার ঈমানী দুর্বলতা ও নেফাকের আলামত বহন করে। কুফরে ঘেরা এ পৃথিবীর প্রতিটি ভূখণ্ডই কুফরের বাজার। এরপরও যে ভূখণ্ডে কুফরের চর্চা, কুফরের শিক্ষা, অনুশীলন ও প্রকাশ তুলনামূলক কম, একজন মুসলিম সেখানেই তার শান্তি ও প্রশান্তি অনুভব করা তার ঈমানের দাবি।”
বই: মুকিম ও মুসাফির
বাস্তবতা হচ্ছে, তারা আরামের মূল উপাদান ঈমান ও আমলের জীবনকে জবাই করে শুধু বস্তুসামগ্রী দিয়ে আরাম আয়েশ করতে চেয়েছে। ফলে তাদের আরাম আয়েশের সকল উপায় উপকরণের ব্যবস্থা হয়েছে। শুধু আরামটা হাতছাড়া হয়ে গেছে। কারণ আরামের মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মনের আরাম। আর সে আরাম থেকে আল্লাহ তাদেরকে বঞ্চিত করে দিয়েছেন।
অতএব কোন ঈমানদার মুসলিমের জন্য কোনভাবেই শোভা পায় না যে, সে শুধু আরামের তালাশে দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়াবে। এ সফর কখনো শরীয়তের বৈধ সফরগুলোর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। কোন মুসলিম যে শিরনামেই সফর করবে, তার পেছনে দ্বীন-ঈমান-ইলম-দাওয়া-জিহাদ ইত্যাদি মৌলিক উদ্দেশ্যগুলোর কোন একটি থাকতে হবে।
আর বিলাসী এ মৌসুমী সফরগুলো যদি কোন কাফেরদের দেশে হয়, তখন এর বৈধতার গণ্ডি আরো ছোট হয়ে যাবে। কোন মুসলিম চাইলেই কাফেরদের দেশে সফর করতে পারে না। তাছাড়া কোন মুসলিম কাফের ঘেরা দেশে গিয়ে আরাম বোধ করা, প্রশান্তি অনুভব করা, তার ঈমানী দুর্বলতা ও নেফাকের আলামত বহন করে। কুফরে ঘেরা এ পৃথিবীর প্রতিটি ভূখণ্ডই কুফরের বাজার। এরপরও যে ভূখণ্ডে কুফরের চর্চা, কুফরের শিক্ষা, অনুশীলন ও প্রকাশ তুলনামূলক কম, একজন মুসলিম সেখানেই তার শান্তি ও প্রশান্তি অনুভব করা তার ঈমানের দাবি।”
বই: মুকিম ও মুসাফির
❤25
মদিনায় কথিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগেই যুদ্ধের বাইয়াত হয়েছিলো
.
[প্রথমেই স্পষ্ট করে নেই, রাষ্ট্র বলতে এই সময়ে আমরা যা বুঝি, মদিনা সেই অর্থে কোনো রাষ্ট্র ছিলো না। বরং রাষ্ট্রের একটা অংশ বলা যায়। যারা ইসলাম গ্রহণ করে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যার কারণে, রাজধানী তথা মক্কা থেকে বারবার তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। যাইহোক, এখানে আপনার দ্বিমত থাকতেই পারে।]
.
মদিনায় হিজরতের পূর্বে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনার মুসলমানদের থেকে দুইবার বাইয়াত নেন। এই দুই বাইয়াতেই উপস্থিত ছিলেন সাহাবী হযরত উবাদা ইবনে সামেত রা.। তো, হযরত উবাদাহ রা. এই দুই বাইয়াতের নামকরণ করছেন, একটিকে বাইয়াতুন নিসা বলে, আর অপরটিকে বাইয়াতুল হারব বলে। (দেখুন, মুসনাদে আহমদ, বর্ণনা নং ২২৭০০)
সিরাত বিশেষজ্ঞ ইবনে হিশাম রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ২২২ হি.) বাইয়াতে আকাবায়ে সানিয়ার আলোচনা কালে শিরোনকম দেন,
شُرُوطُ الْبَيْعَةِ فِي الْعَقَبَةِ الْأَخِيرَةِ
সর্বশেষ আকাবার বাইয়াতের শর্তবলি।
এরপর লেখেন,
قَالَ ابْنُ إسْحَاقَ: وَكَانَتْ بَيْعَةَ الْحَرْبِ، حِينَ أَذِنَ اللَّهُ لِرَسُولِهِ (ﷺ) فِي الْقِتَالِ شُرُوطًا سِوَى شَرْطِهِ عَلَيْهِمْ فِي الْعَقَبَةِ الْأُولَى، كَانَتْ الْأُولَى عَلَى بَيْعَةِ النِّسَاءِ، وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَعَالَى لَمْ يَكُنْ أَذِنَ لِرَسُولِهِ ﷺ فِي الْحَرْبِ، فَلَمَّا أَذِنَ اللَّهُ لَهُ فِيهَا، وَبَايَعَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فِي الْعَقَبَةِ الْأَخِيرَةِ عَلَى حَرْبِ الْأَحْمَرِ وَالْأَسْوَدِ، أَخَذَ لِنَفْسِهِ وَاشْتَرَطَ عَلَى الْقَوْمِ لِرَبِّهِ، وَجَعَلَ لَهُمْ عَلَى الْوَفَاءِ بِذَلِكَ الْجَنَّةَ.
ইবনে ইসহাক বলেন, এটি ছিল যুদ্ধের বায়আত। আল্লাহ যখন তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যুদ্ধের অনুমতি দিলেন, তখন এই বায়আতের শর্তগুলো আকাবার প্রথম বায়আতের শর্ত থেকে ভিন্ন ছিল। প্রথম বায়আতটি ছিল ‘“বায়আতুন নিসা”—অর্থাৎ নারীদের বায়আতের অনুরূপ। কারণ তখনও আল্লাহ তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যুদ্ধের অনুমতি দেননি।
অতঃপর যখন আল্লাহ তাঁকে যুদ্ধের অনুমতি দিলেন এবং শেষ আকাবায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সঙ্গে সাদা-কালো—অর্থাৎ সর্বপ্রকার মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অঙ্গীকারে বায়আত করলেন, তখন তিনি নিজের জন্য কিছু শর্ত গ্রহণ করলেন এবং তাদের ওপর তাদের রবের পক্ষ থেকে কিছু শর্ত আরোপ করলেন। আর এসব শর্ত যথাযথভাবে পালন করার বিনিময়ে তাদের জন্য জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিলেন। (দেখুন, সিরাত ইবনে হিশাম, ১/৪৫৪)
.
ইবনে রজব হাম্বলি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ৭৯৫ হি.) এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। তার পুরো কথার সারমর্ম হলো, এই দ্বিতীয় আকবার বাইয়াতে যে শর্তগুলো ছিলো, তাতেই এই বাইয়াতের নাম যে যুদ্ধের বাইয়াত তা যথাযথ বুঝে আসে। কেউ কেউ যুদ্ধের আলোচনা থাকার কারণে এই বাইয়াত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় যাওয়ার পর সংঘটিত হয়েছে বলে মত দিয়েছেন, যা সঠিক নয়।
তিনি লেখেন,
وهذه الرواية تدل على أن هذه البيعة هي بيعة الحرب وأن بيعة النساء كانت في العقبة الأولى قبل أن يفرض الحرب، فهذا قد يشعر بأن هذه البيعة كانت بالمدينة بعد فرض الحرب. وفي هذا نظر...
এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, এই বাইআত ছিল যুদ্ধের বাইআত। আর নারীদের বাইআত হয়েছিল প্রথম আকাবায়—অর্থাৎ যুদ্ধের বিধান ফরজ হওয়ার আগেই। সুতরাং এ থেকে এমনটা মনে হতে পারে যে, এই (দ্বিতীয় আকাবার) বাইআতটি মদিনায় যুদ্ধ ফরজ হওয়ার পর সংঘটিত হয়েছিল। তবে এমনটি মতটা পর্যালোচনাযোগ্য।
এই মতের পর্যালোচনা করে লেখেন,
وخرج الإمام أحمد من وجه آخر، عن عبادة أنهم بايعوا النبي ﷺ هذه البيعة على السمع والطاعة، الحديث وقال فيه: وعلى أن ننصر النبي ﷺ إذا قدم علينا يثرب، فنمنعه مما نمنع منه أنفسنا . وهذا يدل على أن هذه البيعة كانت قبل الهجرة وذلك ليلة العقبة....
ইমাম আহমদ অন্য একটি সূত্রে উবাদাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তারা এই বাইআতে নবী ﷺ-এর কাছে শ্রবণ ও আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছিলেন। হাদিসের বর্ণনায় আরও রয়েছে,
“এবং আমরা এই অঙ্গীকারও করেছিলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদের কাছে ইয়াসরিবে আগমন করবেন, তখন আমরা তাঁকে সাহায্য করব এবং যে বিষয় থেকে নিজেদের রক্ষা করি, সে বিষয় থেকেই তাঁকেও রক্ষা করব।”
এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, এই বাইআত হিজরতের পূর্বেই, আকাবার সেই রাতেই সংঘটিত হয়েছিল।’
.
[প্রথমেই স্পষ্ট করে নেই, রাষ্ট্র বলতে এই সময়ে আমরা যা বুঝি, মদিনা সেই অর্থে কোনো রাষ্ট্র ছিলো না। বরং রাষ্ট্রের একটা অংশ বলা যায়। যারা ইসলাম গ্রহণ করে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যার কারণে, রাজধানী তথা মক্কা থেকে বারবার তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। যাইহোক, এখানে আপনার দ্বিমত থাকতেই পারে।]
.
মদিনায় হিজরতের পূর্বে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনার মুসলমানদের থেকে দুইবার বাইয়াত নেন। এই দুই বাইয়াতেই উপস্থিত ছিলেন সাহাবী হযরত উবাদা ইবনে সামেত রা.। তো, হযরত উবাদাহ রা. এই দুই বাইয়াতের নামকরণ করছেন, একটিকে বাইয়াতুন নিসা বলে, আর অপরটিকে বাইয়াতুল হারব বলে। (দেখুন, মুসনাদে আহমদ, বর্ণনা নং ২২৭০০)
সিরাত বিশেষজ্ঞ ইবনে হিশাম রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ২২২ হি.) বাইয়াতে আকাবায়ে সানিয়ার আলোচনা কালে শিরোনকম দেন,
شُرُوطُ الْبَيْعَةِ فِي الْعَقَبَةِ الْأَخِيرَةِ
সর্বশেষ আকাবার বাইয়াতের শর্তবলি।
এরপর লেখেন,
قَالَ ابْنُ إسْحَاقَ: وَكَانَتْ بَيْعَةَ الْحَرْبِ، حِينَ أَذِنَ اللَّهُ لِرَسُولِهِ (ﷺ) فِي الْقِتَالِ شُرُوطًا سِوَى شَرْطِهِ عَلَيْهِمْ فِي الْعَقَبَةِ الْأُولَى، كَانَتْ الْأُولَى عَلَى بَيْعَةِ النِّسَاءِ، وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَعَالَى لَمْ يَكُنْ أَذِنَ لِرَسُولِهِ ﷺ فِي الْحَرْبِ، فَلَمَّا أَذِنَ اللَّهُ لَهُ فِيهَا، وَبَايَعَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فِي الْعَقَبَةِ الْأَخِيرَةِ عَلَى حَرْبِ الْأَحْمَرِ وَالْأَسْوَدِ، أَخَذَ لِنَفْسِهِ وَاشْتَرَطَ عَلَى الْقَوْمِ لِرَبِّهِ، وَجَعَلَ لَهُمْ عَلَى الْوَفَاءِ بِذَلِكَ الْجَنَّةَ.
ইবনে ইসহাক বলেন, এটি ছিল যুদ্ধের বায়আত। আল্লাহ যখন তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যুদ্ধের অনুমতি দিলেন, তখন এই বায়আতের শর্তগুলো আকাবার প্রথম বায়আতের শর্ত থেকে ভিন্ন ছিল। প্রথম বায়আতটি ছিল ‘“বায়আতুন নিসা”—অর্থাৎ নারীদের বায়আতের অনুরূপ। কারণ তখনও আল্লাহ তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যুদ্ধের অনুমতি দেননি।
অতঃপর যখন আল্লাহ তাঁকে যুদ্ধের অনুমতি দিলেন এবং শেষ আকাবায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সঙ্গে সাদা-কালো—অর্থাৎ সর্বপ্রকার মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অঙ্গীকারে বায়আত করলেন, তখন তিনি নিজের জন্য কিছু শর্ত গ্রহণ করলেন এবং তাদের ওপর তাদের রবের পক্ষ থেকে কিছু শর্ত আরোপ করলেন। আর এসব শর্ত যথাযথভাবে পালন করার বিনিময়ে তাদের জন্য জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিলেন। (দেখুন, সিরাত ইবনে হিশাম, ১/৪৫৪)
.
ইবনে রজব হাম্বলি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ৭৯৫ হি.) এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। তার পুরো কথার সারমর্ম হলো, এই দ্বিতীয় আকবার বাইয়াতে যে শর্তগুলো ছিলো, তাতেই এই বাইয়াতের নাম যে যুদ্ধের বাইয়াত তা যথাযথ বুঝে আসে। কেউ কেউ যুদ্ধের আলোচনা থাকার কারণে এই বাইয়াত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় যাওয়ার পর সংঘটিত হয়েছে বলে মত দিয়েছেন, যা সঠিক নয়।
তিনি লেখেন,
وهذه الرواية تدل على أن هذه البيعة هي بيعة الحرب وأن بيعة النساء كانت في العقبة الأولى قبل أن يفرض الحرب، فهذا قد يشعر بأن هذه البيعة كانت بالمدينة بعد فرض الحرب. وفي هذا نظر...
এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, এই বাইআত ছিল যুদ্ধের বাইআত। আর নারীদের বাইআত হয়েছিল প্রথম আকাবায়—অর্থাৎ যুদ্ধের বিধান ফরজ হওয়ার আগেই। সুতরাং এ থেকে এমনটা মনে হতে পারে যে, এই (দ্বিতীয় আকাবার) বাইআতটি মদিনায় যুদ্ধ ফরজ হওয়ার পর সংঘটিত হয়েছিল। তবে এমনটি মতটা পর্যালোচনাযোগ্য।
এই মতের পর্যালোচনা করে লেখেন,
وخرج الإمام أحمد من وجه آخر، عن عبادة أنهم بايعوا النبي ﷺ هذه البيعة على السمع والطاعة، الحديث وقال فيه: وعلى أن ننصر النبي ﷺ إذا قدم علينا يثرب، فنمنعه مما نمنع منه أنفسنا . وهذا يدل على أن هذه البيعة كانت قبل الهجرة وذلك ليلة العقبة....
ইমাম আহমদ অন্য একটি সূত্রে উবাদাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তারা এই বাইআতে নবী ﷺ-এর কাছে শ্রবণ ও আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছিলেন। হাদিসের বর্ণনায় আরও রয়েছে,
“এবং আমরা এই অঙ্গীকারও করেছিলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদের কাছে ইয়াসরিবে আগমন করবেন, তখন আমরা তাঁকে সাহায্য করব এবং যে বিষয় থেকে নিজেদের রক্ষা করি, সে বিষয় থেকেই তাঁকেও রক্ষা করব।”
এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, এই বাইআত হিজরতের পূর্বেই, আকাবার সেই রাতেই সংঘটিত হয়েছিল।’
❤16
কেনো এই বাইয়াতকে যুদ্ধের বাইয়াত বলাটা যথাযথ সে সম্পর্কে লেখেন,
هذا المعنى من حديث جابر بن عبد الله أن هذه البيعة كانت للسبعين بشعب العقبة وهي البيعة الثانية، وتكون سميت هذه البيعة الثانية، بيعة الحرب، لأن فيها البيعة على منع النبي ﷺ وذلك يقتضي القتال دونه، فهذا هو المراد بالحرب وقد شهد عبادة البيعتين معا.
‘জাবির ইবন আবদুল্লাহ রা.-এর হাদিস থেকেও এ অর্থই প্রতীয়মান হয় যে, এই বাইআতটি ছিল আকাবার গিরিপথে সংঘটিত সত্তরজনের বাইআত—অর্থাৎ দ্বিতীয় আকাবার বাইআত। এটিকে “যুদ্ধের বাইআত” বলা হয়েছে এ কারণে যে, এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার অঙ্গীকার করা হয়েছিল; আর তাঁকে রক্ষা করার এই অঙ্গীকারের মধ্যে তাঁর পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করার বিষয়টিও নিহিত ছিল।
সুতরাং এখানে “যুদ্ধ” বলতে এ অর্থই বোঝানো হয়েছে। আর উবাদাহ রা. উভয়টি বাইআতেই উপস্থিত ছিলেন।’ (দেখুন, ফাতফুল বারি ইবনে রজব, ১/৭১, অধ্যায়: কিতাবুল ঈমান, ফাসলুন ফি উমুরিল ঈমান)
.
বাইয়াত থেকে উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম কী বুঝেছেন?
বাইয়াতের পরপরই একটা ঘটনা ঘটে যেটার পরিপ্রেক্ষিতে তখনই আব্বাস ইবনে উবাদাহ রা. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
والذي بعثك بالحق إنْ شئتَ لنميلَنَّ على أهلِ منًى غدًا بأسيافنا.
‘যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম! আপনি চাইলে আগামীকালই আমরা মিনা প্রান্তরের লোকদের ওপর তরবারি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি।’
এটা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে শান্ত করে
বলেন,
«لم نُؤْمَرْ بذلك، ولكن ارجعوا إلى رحالكم»
আমাকে এখনো এই বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়নি। তাই তোমরা তোমাদের তাবুতে ফিরে যাও। (দেখুন আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ, ৩/৪২২, অধ্যায়: কিসসাতু বাইয়াতিল উকবাতিস সানিয়াহ)
.
বাইয়াতের খবর শুনে মক্কার কুরাইশরা কী বুঝেছে?
আকাবায়ে সানিয়ার এই বাইয়াত যে মক্কার মুশরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বাইয়াত ছিলো, এটা মক্কার মুশরিকদের পরবর্তী আচরণ থেকেও একদম স্পষ্ট বুঝে আসে। তারা এই বাইয়াতকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন।
ইবনে কাসির রহিমাহুল্লাহ এই বাইয়াত পরবর্তী ঘটনা লেখেন এভাবে,
فلما أصبحنا غدَتْ علينا جِلَّةُ قريش حتى جاؤونا في منازلنا فقالوا: يا معشر الخزرج، إنه قد بلغنا أنكم قد جئتم إلى صاحبنا هذا تستخرجونه من بين أظهرنا، وتبايعونه على حَرْبنا. وإنه واللَّه ما مِنْ حي من العرب أبغض إلينا من أن تنشبَ الحربُ بيننا وبينهم منكم. قال: فانبعث مَنْ هناك من مشركي قومنا يحلفون ما كان من هذا شيءٌ وما علمناه. قال: وصدقوا لم يعلموا.
(আব্বাস ইবনে উবাদা রা. বলেন) সকালে কুরাইশের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা আমাদের তাবুতে এসে বললো, “হে খাযরাজ সম্প্রদায়! আমরা জানতে পেরেছি, তোমরা আমাদের এই লোকটিকে আমাদের মাঝখান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার জন্য এখানে এসেছ এবং আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অঙ্গীকার করে তার কাছে বাইআত করেছো। আল্লাহর কসম! আরবের আর কোনো গোত্রের সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যাওয়া আমাদের কাছে যতটা অপছন্দনীয়, তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যাওয়া তার চেয়েও বেশি অপছন্দনীয়।”
হযরত আব্বাস ইবনে উবাদা রা. বলেন, তখন সেখানে উপস্থিত আমাদের সম্প্রদায়ের মুশরিকরা উঠে শপথ করে বলতে লাগলো, “এমন কিছুই হয়নি। আমরা এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।”
আসলেই তারা সত্যিই বলেছিলো। কারণ, তারা এ বিষয়ে কিছুই জানতো না।’ (দেখুন আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ, ৩/৪২২, অধ্যায়: কিসসাতু বাইয়াতিল উকবাতিস সানিয়াহ)
هذا المعنى من حديث جابر بن عبد الله أن هذه البيعة كانت للسبعين بشعب العقبة وهي البيعة الثانية، وتكون سميت هذه البيعة الثانية، بيعة الحرب، لأن فيها البيعة على منع النبي ﷺ وذلك يقتضي القتال دونه، فهذا هو المراد بالحرب وقد شهد عبادة البيعتين معا.
‘জাবির ইবন আবদুল্লাহ রা.-এর হাদিস থেকেও এ অর্থই প্রতীয়মান হয় যে, এই বাইআতটি ছিল আকাবার গিরিপথে সংঘটিত সত্তরজনের বাইআত—অর্থাৎ দ্বিতীয় আকাবার বাইআত। এটিকে “যুদ্ধের বাইআত” বলা হয়েছে এ কারণে যে, এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার অঙ্গীকার করা হয়েছিল; আর তাঁকে রক্ষা করার এই অঙ্গীকারের মধ্যে তাঁর পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করার বিষয়টিও নিহিত ছিল।
সুতরাং এখানে “যুদ্ধ” বলতে এ অর্থই বোঝানো হয়েছে। আর উবাদাহ রা. উভয়টি বাইআতেই উপস্থিত ছিলেন।’ (দেখুন, ফাতফুল বারি ইবনে রজব, ১/৭১, অধ্যায়: কিতাবুল ঈমান, ফাসলুন ফি উমুরিল ঈমান)
.
বাইয়াত থেকে উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম কী বুঝেছেন?
বাইয়াতের পরপরই একটা ঘটনা ঘটে যেটার পরিপ্রেক্ষিতে তখনই আব্বাস ইবনে উবাদাহ রা. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
والذي بعثك بالحق إنْ شئتَ لنميلَنَّ على أهلِ منًى غدًا بأسيافنا.
‘যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম! আপনি চাইলে আগামীকালই আমরা মিনা প্রান্তরের লোকদের ওপর তরবারি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি।’
এটা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে শান্ত করে
বলেন,
«لم نُؤْمَرْ بذلك، ولكن ارجعوا إلى رحالكم»
আমাকে এখনো এই বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়নি। তাই তোমরা তোমাদের তাবুতে ফিরে যাও। (দেখুন আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ, ৩/৪২২, অধ্যায়: কিসসাতু বাইয়াতিল উকবাতিস সানিয়াহ)
.
বাইয়াতের খবর শুনে মক্কার কুরাইশরা কী বুঝেছে?
আকাবায়ে সানিয়ার এই বাইয়াত যে মক্কার মুশরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বাইয়াত ছিলো, এটা মক্কার মুশরিকদের পরবর্তী আচরণ থেকেও একদম স্পষ্ট বুঝে আসে। তারা এই বাইয়াতকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন।
ইবনে কাসির রহিমাহুল্লাহ এই বাইয়াত পরবর্তী ঘটনা লেখেন এভাবে,
فلما أصبحنا غدَتْ علينا جِلَّةُ قريش حتى جاؤونا في منازلنا فقالوا: يا معشر الخزرج، إنه قد بلغنا أنكم قد جئتم إلى صاحبنا هذا تستخرجونه من بين أظهرنا، وتبايعونه على حَرْبنا. وإنه واللَّه ما مِنْ حي من العرب أبغض إلينا من أن تنشبَ الحربُ بيننا وبينهم منكم. قال: فانبعث مَنْ هناك من مشركي قومنا يحلفون ما كان من هذا شيءٌ وما علمناه. قال: وصدقوا لم يعلموا.
(আব্বাস ইবনে উবাদা রা. বলেন) সকালে কুরাইশের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা আমাদের তাবুতে এসে বললো, “হে খাযরাজ সম্প্রদায়! আমরা জানতে পেরেছি, তোমরা আমাদের এই লোকটিকে আমাদের মাঝখান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার জন্য এখানে এসেছ এবং আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অঙ্গীকার করে তার কাছে বাইআত করেছো। আল্লাহর কসম! আরবের আর কোনো গোত্রের সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যাওয়া আমাদের কাছে যতটা অপছন্দনীয়, তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যাওয়া তার চেয়েও বেশি অপছন্দনীয়।”
হযরত আব্বাস ইবনে উবাদা রা. বলেন, তখন সেখানে উপস্থিত আমাদের সম্প্রদায়ের মুশরিকরা উঠে শপথ করে বলতে লাগলো, “এমন কিছুই হয়নি। আমরা এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।”
আসলেই তারা সত্যিই বলেছিলো। কারণ, তারা এ বিষয়ে কিছুই জানতো না।’ (দেখুন আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ, ৩/৪২২, অধ্যায়: কিসসাতু বাইয়াতিল উকবাতিস সানিয়াহ)
❤13👍2
Abdullah bin bashir
Photo
হিযবুত তাহরিরের ভাইরা আমার “মদিনার কথিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে জিহাদের বাইয়াত” এই লেখা পড়ে আপত্তি শুরু করেছে। তাদের আপত্তি দেখে মনে হচ্ছে তারা আমার কথা বুঝেইনি বা বুঝার চেষ্টাও করেনি।
১। পুরো পোষ্টে কোথায় বলা হইছে “জি হা দ করেছে”? আমি তো শুধু এতটুকু বললাম, জি*হা*দের বাইয়াত হয়েছে।
২। আমি কী মদিনাকে কোনো কর্তৃত্ববাদী শক্তি অস্বীকার করেছি? কী লেখা আছে সেটা তো একটু পড়েন ভাইয়ের! আমি শুধু এতটুকু বলেছি, আধুনিক রাষ্ট্র বলতে আমাদের মাথায় যা আসে, মদিনা সেটা ছিলো না৷
৩। ব্রেকেটের লেখাটুকু ঠাণ্ডা মাথায় পড়লে এটা তো স্বাভাবিক বুঝে আসার কথা মক্কাকে রাজধানী বলা এটা শুধুই আধুনিক সময়ের সাথে একটা তুলনা। যখন তুলনা করা হয়, তখন কী উভয়টির মধ্যে শতভাগ মিল থাকা জরুরি? রাশেদ সিংহ পুরুষ, এই কথা সহিহ হওয়ার জন্য কী সিংহের সমস্ত কিছু রাশের মধ্যে আসা জরুরি?
সে সময় পুরো আরব ভূখণ্ডে কিছু অলিখিত নিয়ম ছিলো, যেটা অধিকাংশ আরবরা মেনে নিতো, সেটা কাদের নিয়ন্ত্রণে ছিলো? মক্কার কুরাইশদের নয় কী? পুরো আরব তখন ইসলামের সাথে মক্কার দ্বন্দ্বে কী ফল হয়, সেটার দিকে তাকিয়ে ছিলো না? বিভিন্ন বিষয়ে মক্কার প্রভাব পুরো আরবে স্বীকৃত ছিলো না? বিভিন্ন মুসলিম গবেষকের লেখায় মক্কাকে কী আরবের রাজধানী তুল্য বলা হয়নি? এটা কী অনেক আনকা কোনো কথা? আমি ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি সাহেবের একটা লেখার স্ক্রিনশট দিচ্ছি, যারা আরবী পারেন একটু দেখে নিয়েন৷ (এটা শুধুই উদাহরণ হিসেবে। সালাফদের লেখাতেও এমন উদাহরণ পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ)
তারপরও এখানে আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মূলক হিসেবেও বলেনি, সেখানে আপনার দ্বিমতের সুযোগ আছে, এতটুকু বলেছি৷
৪। ইত্যাদি আরো কিছু।
কারো কথা খণ্ডন করতে হলে তার কথাটা ভাল করে আগে বুঝতে হয় ভাইয়েরা। হুট করে মাথা গরম করে ফেললে শুধু ভুলই হয় এবং হক গ্রহণ করাটা কষ্টকর হয়ে যায়৷
.
আল্লাহ আমাদের হক বুঝার তাওফিক দান করুন৷ আমীন।
১। পুরো পোষ্টে কোথায় বলা হইছে “জি হা দ করেছে”? আমি তো শুধু এতটুকু বললাম, জি*হা*দের বাইয়াত হয়েছে।
২। আমি কী মদিনাকে কোনো কর্তৃত্ববাদী শক্তি অস্বীকার করেছি? কী লেখা আছে সেটা তো একটু পড়েন ভাইয়ের! আমি শুধু এতটুকু বলেছি, আধুনিক রাষ্ট্র বলতে আমাদের মাথায় যা আসে, মদিনা সেটা ছিলো না৷
৩। ব্রেকেটের লেখাটুকু ঠাণ্ডা মাথায় পড়লে এটা তো স্বাভাবিক বুঝে আসার কথা মক্কাকে রাজধানী বলা এটা শুধুই আধুনিক সময়ের সাথে একটা তুলনা। যখন তুলনা করা হয়, তখন কী উভয়টির মধ্যে শতভাগ মিল থাকা জরুরি? রাশেদ সিংহ পুরুষ, এই কথা সহিহ হওয়ার জন্য কী সিংহের সমস্ত কিছু রাশের মধ্যে আসা জরুরি?
সে সময় পুরো আরব ভূখণ্ডে কিছু অলিখিত নিয়ম ছিলো, যেটা অধিকাংশ আরবরা মেনে নিতো, সেটা কাদের নিয়ন্ত্রণে ছিলো? মক্কার কুরাইশদের নয় কী? পুরো আরব তখন ইসলামের সাথে মক্কার দ্বন্দ্বে কী ফল হয়, সেটার দিকে তাকিয়ে ছিলো না? বিভিন্ন বিষয়ে মক্কার প্রভাব পুরো আরবে স্বীকৃত ছিলো না? বিভিন্ন মুসলিম গবেষকের লেখায় মক্কাকে কী আরবের রাজধানী তুল্য বলা হয়নি? এটা কী অনেক আনকা কোনো কথা? আমি ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি সাহেবের একটা লেখার স্ক্রিনশট দিচ্ছি, যারা আরবী পারেন একটু দেখে নিয়েন৷ (এটা শুধুই উদাহরণ হিসেবে। সালাফদের লেখাতেও এমন উদাহরণ পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ)
তারপরও এখানে আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মূলক হিসেবেও বলেনি, সেখানে আপনার দ্বিমতের সুযোগ আছে, এতটুকু বলেছি৷
৪। ইত্যাদি আরো কিছু।
কারো কথা খণ্ডন করতে হলে তার কথাটা ভাল করে আগে বুঝতে হয় ভাইয়েরা। হুট করে মাথা গরম করে ফেললে শুধু ভুলই হয় এবং হক গ্রহণ করাটা কষ্টকর হয়ে যায়৷
.
আল্লাহ আমাদের হক বুঝার তাওফিক দান করুন৷ আমীন।
❤6👍5🔥1👏1
Abdullah bin bashir
Photo
তিনটা আজিব রিসালার একসাথে সন্ধান পেলাম!
আহমদ বেলুচ নামের এক ফেসবুক আইডির মাধ্যমে আজ গুরুত্বপূর্ণ তিনটি রিসালার সন্ধান পেলাম। তালেবে ইলম ভাইরা তো রিসালার নামগুলো থেকে বুঝতে পারতেছেন বিষয়বস্তু। তবে আমাকে বইয়ের বিষয়বস্তু থেকেও বেশি আকর্ষণ করেছে লেখকদের পরিচয় ও তাদের সময়কাল!
প্রথম দুই রিসালার লেখকরা হলেন উসমানি খেলাফতের একদম শেষ সময়ের মানুষ। যখন মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর ইংরেজ-ফ্রান্সের দখল চূড়ান্ত চলছিলো এভং মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় মানব রচিত আইন দিয়ে শাসন চলছিলো, তখন এই আলেম দুজন এই রিসালা দুটো লেখেন। তৃতীয় রিসালাটির লেখকের নির্দিষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে তিনি ইয়ামানি হাম্বলি আলেম সেটা নিশ্চিত করেছেন কিতাবের মুহাক্কিক।
বাংলাদেশের অত্যন্ত সম্মানিত একজন আহলে ইলম একবার কিছু মাসআলার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, এই মাসআলাগুলো তো কিছু ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারের আবিষ্কার। কোনো মুসতানাদ আলেম এগুলো বলেনি। কখনো যদি উনি রিসালাটি দেখেন, তাহলে সম্ভবত নিজের সেই মতের ব্যাপারে নজরে সানী করবেন হয়তো।
যাইহোক, কিতাব তিনটি নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। তবে কিতাবের লেখকদের সম্পর্কে কিছু বলি।
প্রথম রিসালা :
এই রিসালাটির লেখক হলেন আলাবি বিন আহমদ আসসাক্কাফ। শাফেয়ী মাজহাবের একজন আলেম। ১২৫৫ হিজরিতে জন্ম আর ওফাত হলো ১৩৩৫ হিজরি। তিনি উসমানি খেলাফতের পক্ষ থেকে মসজিদে হারামে শিক্ষকতার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। শাফেয়ী মাজহাবের উপর তার বিখ্যাত কিতাব হলো “আলফাওয়ায়িদুল মাক্কিইয়া ফিমা ইয়াহতাজুহু তলাবাতুস সাদাতিশ শাফেয়িয়্যাহ”।
তিনি জুলুমের বিরুদ্ধে বেশ সোচ্চার ছিলেন। সে সময়ের মক্কার শাসক জালেম হয়ে উঠলে কয়েকজন বড় আলেম তার নামে উসমানি খলিফার কাছে লিখিত নালিশ করেন। সেই লিখিত নালিশে দস্তখতকারীর একজন ছিলেন শায়খ সাক্কাফ রহিমাহুল্লাহ। পরে উসমানি খলিফা এই জুলুমের বিরুদ্ধে কার্যকত কোনো পদক্ষেপ না নিলে জালেম শাসক সাক্ষরকারী আলেমকদের বিরুদ্ধে কঠোর হন এবং শায়খ সাক্কাফকে সরকারি পদ থেকে বহিষ্কার করেন৷ যদিও পরবর্তীতে উনাকে আবারো উক্ত পদে ফিরিয়ে আনা হয়।
উক্ত রিসালায় শায়খের একটি ইবারত দেখুন,
وإياك أخي من مدحهم، فإن مدح الكفار لكفرهم ارتداد عن الإسلام، ومنحهم مجرداً عن هذا القصد كبيرة يعزر مرتكبها بما يكون زاجراً له، وأما من يقول أنهم أهل عدل فإن أراد أن الأمور الكفرية التي منها أحكامهم القانونية عدل فقد كفر، والله له ذمها، وشنع عليها، وسماها عتواً وعناداً وطغياناً وإفكاً وإثماً مبيناً وخسرانا مبيناً وبهتاناً، والعدل إنما هو شريعة الله التي حواها كتابه، وسنة نبيه، إن الله يأمر بالعدل.
দ্বিতীয় রিসালা :
দ্বিতীয় রিসালাটির লেখক হলেন, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল বারী আলআহদাল। তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় না। তবে এতটুকু পাওয়া যায়, তিনি ত্রাদশ শতাব্দির একজন ইয়ামানি আলেম৷ ইয়ামানের যাবিদ অঞ্চলে উনার জন্ম। মৃত্যুবরণ করেন ১২৭২ হিজরিতে।
উসমানি খলিফা দ্বিতীয় আব্দুল হামিদের সময়ে ইস্তাম্বুলের এক মন্ত্রী ছিলেন ফজল পাশা নামক। পুরো খেলাফত অঞ্চলে ভিতরে বাহিরে ইংরেজদের বিভিন্ন চক্রান্ত দেখে এই মন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল বারীর নিকট সে সময়ের রাজনীতি সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন লেখে পাঠান। সেই প্রশ্নের উত্তরেই শায়খ এই রিসাটি তৈরি করেন। ফজল পাশার সে সময় করা প্রতিটি প্রশ্ন আজও আমাদের সময়ে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নমুনা হিসেবে একটি প্রশ্ন এখানে উল্লেখ করছি,
وكذا في قوم في بلاد الإسلام من المسلمين يدعون بأنهم من رعية النصارى ويرضون بذلك ويفرحون به، فما تقولون في إيمانهم؟ ومن الجملة (يتخذون) لسفنهم بيارق وهي التي تسمى الرايات مثل رايات النصارى إعلاماً بأنهم من رعيتهم.
অনুরূপভাবে, ইসলামের ভূখণ্ডে এমন কিছু মুসলিমও আছে, যারা নিজেদেরকে খ্রিস্টানদের প্রজা বলে দাবি করে এবং এতে তারা সন্তুষ্ট ও আনন্দিতও হয়। তাদের ঈমান সম্পর্কে আপনি কী বলেন? এর মধ্যে এটিও রয়েছে যে, তারা নিজেদের নৌযানে খ্রিস্টানদের পতাকার অনুরূপ পতাকা—যেগুলোকে ‘রায়াত’ (رايات) বলা হয়—ব্যবহার করে, যাতে বোঝানো যায় যে তারা খ্রিস্টানদের প্রজা।”
*তৃতীয় রিসালা :
এই পুস্তিকার লেখকে কে? মুহাক্কিক বহু অনুসন্ধান করেও এর কোনো হদিস বের করতে পারেননি। রিসালাটি সম্পর্কে মুহাক্কিক যা বলেছেন তার সারসংক্ষেপ হলো,
‘পাণ্ডুলিপিটি হাদরামাউতের দাওআন উপত্যকার আল-আমূদী পরিবারের সংরক্ষিত প্রাচীন জ্ঞান-ঐতিহ্যের একটি মূল্যবান নিদর্শন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও এর রচয়িতার পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টির গুরুত্ব এবং এতে কুরআন-সুন্নাহ, ইমামদের বক্তব্য, আব্বাসীয় খলিফাদের কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সংশয়ের জবাব সন্নিবেশিত হওয়ায় পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষত, এতে এমন কিছু দুর্লভ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি রয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলো এখনো মুদ্রিত হয়নি—যা একে নিঃসন্দেহে একটি মূল্যবান ও দুর্লভ রচনায় পরিণত করেছে।’
.
আহমদ বেলুচ নামের এক ফেসবুক আইডির মাধ্যমে আজ গুরুত্বপূর্ণ তিনটি রিসালার সন্ধান পেলাম। তালেবে ইলম ভাইরা তো রিসালার নামগুলো থেকে বুঝতে পারতেছেন বিষয়বস্তু। তবে আমাকে বইয়ের বিষয়বস্তু থেকেও বেশি আকর্ষণ করেছে লেখকদের পরিচয় ও তাদের সময়কাল!
প্রথম দুই রিসালার লেখকরা হলেন উসমানি খেলাফতের একদম শেষ সময়ের মানুষ। যখন মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর ইংরেজ-ফ্রান্সের দখল চূড়ান্ত চলছিলো এভং মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় মানব রচিত আইন দিয়ে শাসন চলছিলো, তখন এই আলেম দুজন এই রিসালা দুটো লেখেন। তৃতীয় রিসালাটির লেখকের নির্দিষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে তিনি ইয়ামানি হাম্বলি আলেম সেটা নিশ্চিত করেছেন কিতাবের মুহাক্কিক।
বাংলাদেশের অত্যন্ত সম্মানিত একজন আহলে ইলম একবার কিছু মাসআলার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, এই মাসআলাগুলো তো কিছু ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারের আবিষ্কার। কোনো মুসতানাদ আলেম এগুলো বলেনি। কখনো যদি উনি রিসালাটি দেখেন, তাহলে সম্ভবত নিজের সেই মতের ব্যাপারে নজরে সানী করবেন হয়তো।
যাইহোক, কিতাব তিনটি নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। তবে কিতাবের লেখকদের সম্পর্কে কিছু বলি।
প্রথম রিসালা :
এই রিসালাটির লেখক হলেন আলাবি বিন আহমদ আসসাক্কাফ। শাফেয়ী মাজহাবের একজন আলেম। ১২৫৫ হিজরিতে জন্ম আর ওফাত হলো ১৩৩৫ হিজরি। তিনি উসমানি খেলাফতের পক্ষ থেকে মসজিদে হারামে শিক্ষকতার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। শাফেয়ী মাজহাবের উপর তার বিখ্যাত কিতাব হলো “আলফাওয়ায়িদুল মাক্কিইয়া ফিমা ইয়াহতাজুহু তলাবাতুস সাদাতিশ শাফেয়িয়্যাহ”।
তিনি জুলুমের বিরুদ্ধে বেশ সোচ্চার ছিলেন। সে সময়ের মক্কার শাসক জালেম হয়ে উঠলে কয়েকজন বড় আলেম তার নামে উসমানি খলিফার কাছে লিখিত নালিশ করেন। সেই লিখিত নালিশে দস্তখতকারীর একজন ছিলেন শায়খ সাক্কাফ রহিমাহুল্লাহ। পরে উসমানি খলিফা এই জুলুমের বিরুদ্ধে কার্যকত কোনো পদক্ষেপ না নিলে জালেম শাসক সাক্ষরকারী আলেমকদের বিরুদ্ধে কঠোর হন এবং শায়খ সাক্কাফকে সরকারি পদ থেকে বহিষ্কার করেন৷ যদিও পরবর্তীতে উনাকে আবারো উক্ত পদে ফিরিয়ে আনা হয়।
উক্ত রিসালায় শায়খের একটি ইবারত দেখুন,
وإياك أخي من مدحهم، فإن مدح الكفار لكفرهم ارتداد عن الإسلام، ومنحهم مجرداً عن هذا القصد كبيرة يعزر مرتكبها بما يكون زاجراً له، وأما من يقول أنهم أهل عدل فإن أراد أن الأمور الكفرية التي منها أحكامهم القانونية عدل فقد كفر، والله له ذمها، وشنع عليها، وسماها عتواً وعناداً وطغياناً وإفكاً وإثماً مبيناً وخسرانا مبيناً وبهتاناً، والعدل إنما هو شريعة الله التي حواها كتابه، وسنة نبيه، إن الله يأمر بالعدل.
দ্বিতীয় রিসালা :
দ্বিতীয় রিসালাটির লেখক হলেন, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল বারী আলআহদাল। তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় না। তবে এতটুকু পাওয়া যায়, তিনি ত্রাদশ শতাব্দির একজন ইয়ামানি আলেম৷ ইয়ামানের যাবিদ অঞ্চলে উনার জন্ম। মৃত্যুবরণ করেন ১২৭২ হিজরিতে।
উসমানি খলিফা দ্বিতীয় আব্দুল হামিদের সময়ে ইস্তাম্বুলের এক মন্ত্রী ছিলেন ফজল পাশা নামক। পুরো খেলাফত অঞ্চলে ভিতরে বাহিরে ইংরেজদের বিভিন্ন চক্রান্ত দেখে এই মন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল বারীর নিকট সে সময়ের রাজনীতি সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন লেখে পাঠান। সেই প্রশ্নের উত্তরেই শায়খ এই রিসাটি তৈরি করেন। ফজল পাশার সে সময় করা প্রতিটি প্রশ্ন আজও আমাদের সময়ে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নমুনা হিসেবে একটি প্রশ্ন এখানে উল্লেখ করছি,
وكذا في قوم في بلاد الإسلام من المسلمين يدعون بأنهم من رعية النصارى ويرضون بذلك ويفرحون به، فما تقولون في إيمانهم؟ ومن الجملة (يتخذون) لسفنهم بيارق وهي التي تسمى الرايات مثل رايات النصارى إعلاماً بأنهم من رعيتهم.
অনুরূপভাবে, ইসলামের ভূখণ্ডে এমন কিছু মুসলিমও আছে, যারা নিজেদেরকে খ্রিস্টানদের প্রজা বলে দাবি করে এবং এতে তারা সন্তুষ্ট ও আনন্দিতও হয়। তাদের ঈমান সম্পর্কে আপনি কী বলেন? এর মধ্যে এটিও রয়েছে যে, তারা নিজেদের নৌযানে খ্রিস্টানদের পতাকার অনুরূপ পতাকা—যেগুলোকে ‘রায়াত’ (رايات) বলা হয়—ব্যবহার করে, যাতে বোঝানো যায় যে তারা খ্রিস্টানদের প্রজা।”
*তৃতীয় রিসালা :
এই পুস্তিকার লেখকে কে? মুহাক্কিক বহু অনুসন্ধান করেও এর কোনো হদিস বের করতে পারেননি। রিসালাটি সম্পর্কে মুহাক্কিক যা বলেছেন তার সারসংক্ষেপ হলো,
‘পাণ্ডুলিপিটি হাদরামাউতের দাওআন উপত্যকার আল-আমূদী পরিবারের সংরক্ষিত প্রাচীন জ্ঞান-ঐতিহ্যের একটি মূল্যবান নিদর্শন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও এর রচয়িতার পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টির গুরুত্ব এবং এতে কুরআন-সুন্নাহ, ইমামদের বক্তব্য, আব্বাসীয় খলিফাদের কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সংশয়ের জবাব সন্নিবেশিত হওয়ায় পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষত, এতে এমন কিছু দুর্লভ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি রয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলো এখনো মুদ্রিত হয়নি—যা একে নিঃসন্দেহে একটি মূল্যবান ও দুর্লভ রচনায় পরিণত করেছে।’
.
❤17
Noor_Book_com_2467_تحذير_من_ينتمي_إلى_الإسلام_عن_الاحتماء_بأعداء.pdf
24.4 MB
রিসালা তিনটির পিডিএফ।
❤9
‘ধর্ম- রাজনীতি ও মানবিক অধিকারকে মিলিয়ে ফেলা যাবে না। বিএনপি সরকার টেরান্সগেন্ডারেরও অধিকার আছে, এই আদর্শে বিশ্বাসী।’
-শামা ওবায়েদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বিএনপি সরকার
.
এগুলো স্পষ্ট কুফরি বক্তব্য। যা ব্যক্তিকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়। কোনো ব্যক্তি যদি এমন আকিদা বিশ্বাস করে তাহলে ব্যক্তি কা*ফে*র বলে বিবেচিত হবে। কোনো দল যদি বিশ্বাস করে তাহলে পুরো দলেরও একই বিধান হবে। এই ধরনের বক্তব্য বিশ্বাস করা ও বলা থেকে বিরত থাকা প্রতিটি মুসলিমের কাম্য।
আলেমদের উচিত, এই ধরনের আধুনিক কুফরগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট করে সরকারকে বলা। এটা একজন আলেমের প্রধানতম দায়িত্ব।
.
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বই থেকে একটি চয়ন:
‘হালালকে হারান বা হারামকে হালাল করার আধুনিক শব্দ হলো ‘অধিকার’
লিবারেলিজমে 'হারামকে হালাল করণের' স্পষ্ট বহু নীতিমালা থাকলেও কিছু শব্দের আড়ালে তারা মানুষকে এই কুফর গিলিয়েছে খুবই সুন্দরভাবে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো 'অধিকার'। এই অধিকার শব্দটি লিবারেলিজমের একটি অন্যতম আধুনিক অস্ত্র। যেহেতু শব্দটির অনেক ভালো ব্যবহার আছে, তাই খুব সহজেই লিবারেলরা এই শব্দের আড়ালে হালাল ও হারামকরণের বিষয়টি সমাজে পুশ করতে পেরেছে। ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলন মানুষের অধিকার, সমকামী আন্দোলন মানুষের অধিকার, নারীবাদী আন্দোলন মানুষের অধিকার, যৌনকর্মী আন্দোলন মানুষের অধিকার। এভাবে ইসলামের স্পষ্ট অসংখ্য হারামকে মানুষের জন্য হালাল করা হচ্ছে 'অধিকার'-এর কথা বলে। শব্দের মারপ্যাঁচে ধোঁকায় পড়ে, না বুঝে অসংখ্য মুসলমান নিজের ঈমানকে হুমকির মুখে ফেলছে। আর দায়িত্বশীলরা বিষয়গুলো গভীরভাবে খতিয়ে না দেখার কারণে উম্মাহকে সতর্ক করতে পারছেন না।
ট্রান্সজেন্ডার, সমকামিতা ইত্যাদি অকাট্য হারামের মাঝে অসংখ্য শিক্ষিত মানুষ নিজে যুক্ত না হলেও, তারা উক্ত কাজের সাথে যুক্তদের বিষয়গুলো সমর্থন করে। আর এই সমর্থনে তাদের বহুল প্রচলিত যুক্তি হলো এই 'অধিকার' শব্দটি 'প্রত্যেকের তো নিজ কর্মের স্বাধীনতা আছে, এটা তো প্রত্যেকের নাগরিক অধিকার', 'তার অধিকার আছে, নিজের জন্য উপযোগী কর্ম নির্বাচনের' ইত্যাদি।
নাগরিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবিক অধিকার ইত্যাদির নামে হাজারো নাজায়েয ও হারামকে মানুষ হালাল করে চলছে প্রতিনিয়ত। আর হারামকে হালালকরণের জ্ঞানগত ভিত্তিকে প্রতিষ্ঠিত করছে লিবারেলিজম মতবাদ।’
-শামা ওবায়েদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বিএনপি সরকার
.
এগুলো স্পষ্ট কুফরি বক্তব্য। যা ব্যক্তিকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়। কোনো ব্যক্তি যদি এমন আকিদা বিশ্বাস করে তাহলে ব্যক্তি কা*ফে*র বলে বিবেচিত হবে। কোনো দল যদি বিশ্বাস করে তাহলে পুরো দলেরও একই বিধান হবে। এই ধরনের বক্তব্য বিশ্বাস করা ও বলা থেকে বিরত থাকা প্রতিটি মুসলিমের কাম্য।
আলেমদের উচিত, এই ধরনের আধুনিক কুফরগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট করে সরকারকে বলা। এটা একজন আলেমের প্রধানতম দায়িত্ব।
.
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বই থেকে একটি চয়ন:
‘হালালকে হারান বা হারামকে হালাল করার আধুনিক শব্দ হলো ‘অধিকার’
লিবারেলিজমে 'হারামকে হালাল করণের' স্পষ্ট বহু নীতিমালা থাকলেও কিছু শব্দের আড়ালে তারা মানুষকে এই কুফর গিলিয়েছে খুবই সুন্দরভাবে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো 'অধিকার'। এই অধিকার শব্দটি লিবারেলিজমের একটি অন্যতম আধুনিক অস্ত্র। যেহেতু শব্দটির অনেক ভালো ব্যবহার আছে, তাই খুব সহজেই লিবারেলরা এই শব্দের আড়ালে হালাল ও হারামকরণের বিষয়টি সমাজে পুশ করতে পেরেছে। ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলন মানুষের অধিকার, সমকামী আন্দোলন মানুষের অধিকার, নারীবাদী আন্দোলন মানুষের অধিকার, যৌনকর্মী আন্দোলন মানুষের অধিকার। এভাবে ইসলামের স্পষ্ট অসংখ্য হারামকে মানুষের জন্য হালাল করা হচ্ছে 'অধিকার'-এর কথা বলে। শব্দের মারপ্যাঁচে ধোঁকায় পড়ে, না বুঝে অসংখ্য মুসলমান নিজের ঈমানকে হুমকির মুখে ফেলছে। আর দায়িত্বশীলরা বিষয়গুলো গভীরভাবে খতিয়ে না দেখার কারণে উম্মাহকে সতর্ক করতে পারছেন না।
ট্রান্সজেন্ডার, সমকামিতা ইত্যাদি অকাট্য হারামের মাঝে অসংখ্য শিক্ষিত মানুষ নিজে যুক্ত না হলেও, তারা উক্ত কাজের সাথে যুক্তদের বিষয়গুলো সমর্থন করে। আর এই সমর্থনে তাদের বহুল প্রচলিত যুক্তি হলো এই 'অধিকার' শব্দটি 'প্রত্যেকের তো নিজ কর্মের স্বাধীনতা আছে, এটা তো প্রত্যেকের নাগরিক অধিকার', 'তার অধিকার আছে, নিজের জন্য উপযোগী কর্ম নির্বাচনের' ইত্যাদি।
নাগরিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবিক অধিকার ইত্যাদির নামে হাজারো নাজায়েয ও হারামকে মানুষ হালাল করে চলছে প্রতিনিয়ত। আর হারামকে হালালকরণের জ্ঞানগত ভিত্তিকে প্রতিষ্ঠিত করছে লিবারেলিজম মতবাদ।’
❤19
হাসানাত আব্দুল্লাহরা সেকুলার কি না, এখানে দ্বিমত করার সুযোগ আছে। কিন্তু হাসানাত আব্দুল্লাহরা দেশ, সমাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের যাবতীয় অনুষঙ্গকে সেকুলার মূল্যবোধ, সেকুলার মানদণ্ডে এবং সেকুলার জ্ঞানতত্ত্ব দিয়েই যাচাই করে, বিচার করে এবং সমাজকে সে দিকে আহবান করে, এই বিষয়ে তো দ্বিমতের সুযোগ নেই।
.
জুলাইয়ের সবচে বড় ক্ষতি হলো, সেকুলাররা তাদের শাসন টিকিয়ে রাখার জন্য কিছু রিজাল পেয়েছে।
আওয়ামীলীগের অত্যাচারের কারণে, সেকুলার কুফরের প্রতি মানুষের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছিলো, এই ব্যবস্থা দেশে যে রিজাল শূন্যতায় ভুগছিলো, জুলাই এসে তা মোটামুটি পূরণ করে দিয়েছে!
.
কিন্তু কিছু পদবী, কিছু স্বীকৃতি আর কিছু মূর্খতার কারণে একদল লোক—যাদের মধ্যে টুপি দাঁড়িওয়ালা দাওরা ফারেগ আলেমও আছে—এই সেকুলার মাইণ্ডের লোকগুলোকে মুসলিম বিশ্বে নরমাল করে গেছে। এবং এখনো করছে।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিনের সিফাত বলে গেছে, এক গর্তে দুবার দংশিত না হওয়া। আর আমরা আমাদের মানহাজ বানিয়ে নিয়েছি, আমরা গর্ত থেকেই বের হবো না!
.
হায় আল্লাহ, এই মুসলিম উম্মাহের উপর তুমি রহম করো।
.
জুলাইয়ের সবচে বড় ক্ষতি হলো, সেকুলাররা তাদের শাসন টিকিয়ে রাখার জন্য কিছু রিজাল পেয়েছে।
আওয়ামীলীগের অত্যাচারের কারণে, সেকুলার কুফরের প্রতি মানুষের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছিলো, এই ব্যবস্থা দেশে যে রিজাল শূন্যতায় ভুগছিলো, জুলাই এসে তা মোটামুটি পূরণ করে দিয়েছে!
.
কিন্তু কিছু পদবী, কিছু স্বীকৃতি আর কিছু মূর্খতার কারণে একদল লোক—যাদের মধ্যে টুপি দাঁড়িওয়ালা দাওরা ফারেগ আলেমও আছে—এই সেকুলার মাইণ্ডের লোকগুলোকে মুসলিম বিশ্বে নরমাল করে গেছে। এবং এখনো করছে।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিনের সিফাত বলে গেছে, এক গর্তে দুবার দংশিত না হওয়া। আর আমরা আমাদের মানহাজ বানিয়ে নিয়েছি, আমরা গর্ত থেকেই বের হবো না!
.
হায় আল্লাহ, এই মুসলিম উম্মাহের উপর তুমি রহম করো।
❤24😢11👍8
নারায়ণগঞ্জ যেখানে থাকি, তারপাশেই এক মহিলা মাদরাসা আছে। সেখানের দায়িত্বশীল মাওলানা আব্দুর রহমান (AR Bin Hussain) ভাই মহব্বত করেন এবং সময়ে সময়ে বিভিন্ন পরামর্শ চান। মহিলা মাদরাসা কেন্দ্রিক আমার ব্যক্তিগত কিছু স্বপ্ন ও দর্শন আছে। সেগুলো কিছু কিছু ভাইকে বলি। ভাইও বিষয়েরগুলোর সাথে একমত হন। কিন্তু বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে যায়।
.
মহিলা মাদরাসা কেন্দ্রিক আমার একটি দর্শন হলো, একজন ছাত্রীকে গোড়া তোলা হবে একজন আদর্শ স্ত্রী ও মা হিসেবে। আর এটার উপরই মূল ফোকাস রেখে নেসাব ও নেজাম সাজানো হবে। যোগ্য আলেমা তৈরি করা দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্তরের ফোকাস। যেটা হলে ভালো না হলে বিশেষ কোনো সমস্যা নাই। আর বেফাক কেন্দ্রীক ভালো রেজাল্ট, সেটা কমছে কম দশের নীচে আরকি।
.
এই স্বপ্নের কথাটা আব্দুর রহমান ভাইকে বললাম। তিনিও একমত হলেন।
‘এই দর্শনকে সামনে রেখে আমাদের কার্যক্রমে কী পরিবর্তন আনলে ফায়দা হবে বলে আপনি মনে করেন আব্দুল্লাহ ভাই?’ জানতে চাইলেন তিনি।
‘ধরেই তো সব পরিবর্তন করা যায় না’ বললাম আমি। ‘আবার সব একসাথে বাস্তবায়ন করাও যায় না। তবে একজন আদর্শ মায়ের জন্য প্রাথমিক মেডিকেল শিক্ষাটাকে আমি খুব জরুরি মনে করি। সেই হিসেবে আপনার পক্ষে সম্ভব হলে উপরের জামাতের ছাত্রীদের নিয়ে সাপ্তাহিক একটা প্যারামেডিকেল কোর্স করাতে পারেন’
আমার পরামর্শটা উনি বেশ পছন্দ করলেন। বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন পরামর্শের এক ফাকে বললাম,
‘আপাতত যদি আপনার পরিচিত কোনো অভিজ্ঞ নার্স বা ডাক্তার মহিলা থাকে তাকে দিয়েই শুরু করতে পারেন।'
‘আমার তো পরিচিত একজন বয়স্ক সিনিয়র নার্স আছে’ তিনি উচ্ছাসের সাথে বললেন। ‘উনাকে বললে উনি অবশ্যই সানন্দে রাজি হবেন।’
.
এভাবেই ছোট্ট একটি পরিকল্পনা শুরু হয়েছিলো। আজকে আব্দুর রহমান ভাইয়ের মেসেজ পেলাম সকালে। প্যারামেডিকেল কোর্সের লিখিত পরিক্ষার ফলাফল আসছে। নার্স আপা নাকি ছাত্রীদের ফলাফল বেশ অবাক হয়েছেন। মাদরাসার ছাত্রীরা বিষয়গুলো এত ভালো লেখবে এটা নাকি উনি কল্পনাও করেননি!
উনার মেসেজ শুনে কত খুশি হয়েছি তা ভাষায় প্রকাশে আমি অক্ষম।
আব্দুর রহমান ভাই ছোট্ট করে আমার অনেক শুকরিয়া জ্ঞাপন করলেন। কিন্তু আমার খুব মনে চাইলো, আমিই তার শুকরিয়া জ্ঞাপন করি। আমার মত এক নালায়েকের এমন একটি চিন্তা উনি গ্রহণও করলেন আবার বাস্তবায়নও করলেন! এটাই তো আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।
.
আদর্শ স্ত্রী ও মায়েদের জন্য আরেকটি জরুরি যে বিষয়টি শিখা প্রয়োজন তা হলো, প্রাথমিক টেইলারিংয়ের কাজ। আলহামদুলিল্লাহ, ঐ মাদরাসায় এখন দ্বিতীয় ফাতরায় ছাত্রীদের টেইলারিংয়ের কাজ শিখানো হবে।
শেষ ভাগে যেহেতু পরিক্ষার চাপ থাকে তাই শেষভাগে পরিক্ষার প্রস্তুতির উপরই ফোকাস দেওয়া হবে।
বেফাকের শিক্ষার্থীদের যেহেতু আগেই পরিক্ষা শেষ হয়ে যায়, তাদেরকে কিছুদিনের জন্য ছুটি দেওয়া হবে। পরবর্তীতে রমাজান কেন্দ্রিক তাদেরকে নিয়ে আমাদের আরো কিছু পরিকল্পনা আছে।
দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো সহজ করেন এবং ইখলাসের সাথে বাস্তবায়নের তাওফিক দান করেন।
.
মহিলা মাদরাসা কেন্দ্রিক আমার একটি দর্শন হলো, একজন ছাত্রীকে গোড়া তোলা হবে একজন আদর্শ স্ত্রী ও মা হিসেবে। আর এটার উপরই মূল ফোকাস রেখে নেসাব ও নেজাম সাজানো হবে। যোগ্য আলেমা তৈরি করা দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্তরের ফোকাস। যেটা হলে ভালো না হলে বিশেষ কোনো সমস্যা নাই। আর বেফাক কেন্দ্রীক ভালো রেজাল্ট, সেটা কমছে কম দশের নীচে আরকি।
.
এই স্বপ্নের কথাটা আব্দুর রহমান ভাইকে বললাম। তিনিও একমত হলেন।
‘এই দর্শনকে সামনে রেখে আমাদের কার্যক্রমে কী পরিবর্তন আনলে ফায়দা হবে বলে আপনি মনে করেন আব্দুল্লাহ ভাই?’ জানতে চাইলেন তিনি।
‘ধরেই তো সব পরিবর্তন করা যায় না’ বললাম আমি। ‘আবার সব একসাথে বাস্তবায়ন করাও যায় না। তবে একজন আদর্শ মায়ের জন্য প্রাথমিক মেডিকেল শিক্ষাটাকে আমি খুব জরুরি মনে করি। সেই হিসেবে আপনার পক্ষে সম্ভব হলে উপরের জামাতের ছাত্রীদের নিয়ে সাপ্তাহিক একটা প্যারামেডিকেল কোর্স করাতে পারেন’
আমার পরামর্শটা উনি বেশ পছন্দ করলেন। বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন পরামর্শের এক ফাকে বললাম,
‘আপাতত যদি আপনার পরিচিত কোনো অভিজ্ঞ নার্স বা ডাক্তার মহিলা থাকে তাকে দিয়েই শুরু করতে পারেন।'
‘আমার তো পরিচিত একজন বয়স্ক সিনিয়র নার্স আছে’ তিনি উচ্ছাসের সাথে বললেন। ‘উনাকে বললে উনি অবশ্যই সানন্দে রাজি হবেন।’
.
এভাবেই ছোট্ট একটি পরিকল্পনা শুরু হয়েছিলো। আজকে আব্দুর রহমান ভাইয়ের মেসেজ পেলাম সকালে। প্যারামেডিকেল কোর্সের লিখিত পরিক্ষার ফলাফল আসছে। নার্স আপা নাকি ছাত্রীদের ফলাফল বেশ অবাক হয়েছেন। মাদরাসার ছাত্রীরা বিষয়গুলো এত ভালো লেখবে এটা নাকি উনি কল্পনাও করেননি!
উনার মেসেজ শুনে কত খুশি হয়েছি তা ভাষায় প্রকাশে আমি অক্ষম।
আব্দুর রহমান ভাই ছোট্ট করে আমার অনেক শুকরিয়া জ্ঞাপন করলেন। কিন্তু আমার খুব মনে চাইলো, আমিই তার শুকরিয়া জ্ঞাপন করি। আমার মত এক নালায়েকের এমন একটি চিন্তা উনি গ্রহণও করলেন আবার বাস্তবায়নও করলেন! এটাই তো আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।
.
আদর্শ স্ত্রী ও মায়েদের জন্য আরেকটি জরুরি যে বিষয়টি শিখা প্রয়োজন তা হলো, প্রাথমিক টেইলারিংয়ের কাজ। আলহামদুলিল্লাহ, ঐ মাদরাসায় এখন দ্বিতীয় ফাতরায় ছাত্রীদের টেইলারিংয়ের কাজ শিখানো হবে।
শেষ ভাগে যেহেতু পরিক্ষার চাপ থাকে তাই শেষভাগে পরিক্ষার প্রস্তুতির উপরই ফোকাস দেওয়া হবে।
বেফাকের শিক্ষার্থীদের যেহেতু আগেই পরিক্ষা শেষ হয়ে যায়, তাদেরকে কিছুদিনের জন্য ছুটি দেওয়া হবে। পরবর্তীতে রমাজান কেন্দ্রিক তাদেরকে নিয়ে আমাদের আরো কিছু পরিকল্পনা আছে।
দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো সহজ করেন এবং ইখলাসের সাথে বাস্তবায়নের তাওফিক দান করেন।
❤46👍3
তুর্কি ভিত্তিক টিআরটি ওয়ার্ল্ড তো খেলে দিলো মোদিকে!
ভারতের ইসলামক বিদ্বেষ নিয়ে কড়া ডকুমেন্টারি করেছে!
https://youtu.be/0DjhGgqM3DY?si=qWiPfWIaF1VsNgOL
ভারতের ইসলামক বিদ্বেষ নিয়ে কড়া ডকুমেন্টারি করেছে!
https://youtu.be/0DjhGgqM3DY?si=qWiPfWIaF1VsNgOL
YouTube
Inside the machinery of anti-Muslim hate in Narendra Modi’s India | Documentary
Mob attacks. Demolitions. Hate speech.
Through the stories of victims, witnesses, lawyers, and journalists, this documentary examines the rise of anti-Muslim hate in India.
Subscribe: http://trt.world/subscribe
Livestream: http://trt.world/ytlive
Facebook:…
Through the stories of victims, witnesses, lawyers, and journalists, this documentary examines the rise of anti-Muslim hate in India.
Subscribe: http://trt.world/subscribe
Livestream: http://trt.world/ytlive
Facebook:…
❤19👍4
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ইশকে নবির এক...
এমন নাশিদের সবচেয়ে মধুর বিরক্তি হলো, টানা কয়েকদিন সারাদিন এগুলো শুনা ছাড়া আর অন্য কাজ করা সম্ভব হয় না।
কী এক মায়া কথাগুলোতে। কী এক ঘোর কণ্ঠটার মধ্যে!
.
জাযাকাল্লাহ Muhammad Noor তোমাকে। ইশকে নবি দিয়ে তোমার অন্তরকে মালামাল করে দিক। আমীন।
এমন নাশিদের সবচেয়ে মধুর বিরক্তি হলো, টানা কয়েকদিন সারাদিন এগুলো শুনা ছাড়া আর অন্য কাজ করা সম্ভব হয় না।
কী এক মায়া কথাগুলোতে। কী এক ঘোর কণ্ঠটার মধ্যে!
.
জাযাকাল্লাহ Muhammad Noor তোমাকে। ইশকে নবি দিয়ে তোমার অন্তরকে মালামাল করে দিক। আমীন।
❤29
Forwarded from TarikhLab
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসা লালন করা মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব। এই ভালোবাসা প্রত্যেক মুসলমান তার অন্তরে লালন করে। কখনো এটি বিরহের অশ্রু হয়ে প্রকাশ পায়, কখনো এই ভালোবাসা থেকে উচ্চারিত হয় নবিজীর শানে দরুদ, কখনো সীরাতচর্চার মাধ্যমে এই ভালোবাসা হয়ে উঠে জীবন্ত। যুগে যুগে মুসলমানরা নানাভাবে নবিজীর প্রতি তাদের আবেগ প্রকাশ করেছেন। সব যুগেই আবেগ প্রকাশের শক্তিশালী মাধ্যম ছিল কবিতা। স্বয়ং নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবদ্দশাতেই হাসসান ইবনু সাবিত, আবু সুফিয়ান ইবনুল হারিস, কাব ইবনু যুহাইর, কাব ইবনু মালিক ও আবদুল্লাহ ইবনু রওয়াহা প্রমুখ সাহাবি অসংখ্য কবিতা রচনা করেন। এরপর মুসলমানরা বিশ্বের যেখানেই গিয়েছে, যে ভাষাতেই ভাব বিনিময় করেছে সেই ভাষাতেই নবিজীর শানে নাত রচনা করেছে। নিজেদের অব্যক্ত অনুভূতিকে কাব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেছে।
উর্দু ফার্সি ভাষাও এর ব্যতিক্রম নয়। কবিরা এই দুই ভাষায় অসংখ্য কালজয়ী নাত রচনা করে ভাষা দুটিকে সমৃদ্ধ করেন। ফারসি সুফি কবিতার বৃহৎ ঐতিহ্যের সঙ্গে নবীপ্রেমের সাহিত্যিক প্রকাশের একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। সানা’ঈ, আত্তার, আবু সাইদ আবুল খাইর, খাকানি, নিজামি গঞ্জভি, ইরাকি, রুমি, সাদি, জামী, আমীর খসরু, মির্জা বেদিল, জান মুহাম্মদ কুদসি সহ ফারসি সাহিত্যের বহু বড় কবির রচনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ পাওয়া যায়। উর্দু কবিরাও পিছিয়ে ছিলেন না। পাঞ্জাব কিংবা দক্ষিনাত্য থেকে দিল্লির পথে উর্দুর যে ঐশ্বর্যমন্ডিত যাত্রা, সে পথে যুক্ত হয়েছেন কুলি কুতুব শাহ, ওয়ালি দক্ষিনি, মীর তকি মীর, মির্জা রফি সওদা, মীর দরদ, মুমিন খা মুমিন, মুস্তফা খান শেফতা, দাগ দেহলভি, গালিব, হালি, আকবরাবাদি, দাগ দেহলবি, আহম্মদ রেজা খান বেরেলভি, হাস্যরত মোহানি, ডক্টর ইকবাল, মাহিরুল কাদরি, মওলানা জফর আলি খান, জিগর মুরাদাবাদিসহ এক বিশাল কাফেলা। সকল উর্দু কবিরাই চেষ্টা করেছেন নবিজীর প্রেমে কিছু নাত রচনা করতে। এমনকি জগন্নাথ আজাদ, হরিচন্দ আখতার কিংবা কালিকাপ্রসাদের মত হিন্দু কবিরাও তাদের কাব্যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন।
এই বিশাল সাহিত্যভাণ্ডারের অনেক কিছুই আজ আমাদের কাছে অপরিচিত। অথচ এসব কবিতার প্রতিটি পঙক্তির পেছনে রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। সেই বিস্মৃত ও মুগ্ধকর জগতে আপনাকে নিয়ে যেতে TarikhLab আয়োজন করেছে বিশেষ একটি অনলাইন অনুষ্ঠান
'রাসূলের ﷺ শানে উর্দু ও ফারসি কবিতার ভূবন: নির্বাচিত কালাম পাঠ ও তাশরিহ।'
পাকিস্তান থেকে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন ফযলুল্লাহ ফানি।
ফানি একাধারে একজন তুখোড় সাহিত্যসমালোচক, সুদক্ষ তর্জমাকার ও শক্তিমান উর্দু-ফারসি কবি। এই আলেম ও সাহিত্যসাধক হাল আমলে পাকিস্তানে ধ্রুপদী ফারসি সাহিত্যচর্চার পুনর্জাগরণে রেখে চলেছেন স্বতন্ত্র ভূমিকা।
দুরূহ, দুর্বোধ্য ও রহস্যময় বলে পরিচিত মির্জা আবদুল কাদির বেদিলের দেড় শতাধিক শের তিনি উর্দুতে কাব্যানুবাদ করেছেন।
তাঁর বহুল আলোচিত ‘চাহারে আকস’ (چہار عکس) গ্রন্থে ফারসি কবিতার ‘সাবকে হিন্দি’ ধারার চার মহারথী, মির্জা গালিব, বেদিল, সায়েব তাবরিজি ও গনি কাশ্মীরির নির্বাচিত কবিতাকে উর্দু অনুবাদ ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে পাঠকের সামনে হাজির করেছেন সম্পূর্ণ এক নয়া অভিধায়। তাঁর এই যুগান্তকারী সাহিত্যকর্মের সূত্রে বর্তমানে পাকিস্তান, ভারত ও ইরানের সাহিত্যাঙ্গনে তিনি বেশ পঠিত ও চর্চিত এক নাম।
এই আয়োজনে থাকবে উর্দু ও ফারসি সাহিত্যের নির্বাচিত কিছু কালাম। শুধু পাঠ নয়, প্রতিটি কালামের ভাব, ভাষা, সৌন্দর্য ও অন্তর্নিহিত অর্থ নিয়েও হবে আলোচনা। পাশাপাশি জানার সুযোগ থাকবে এসব কবিতার ঐতিহাসিক পটভূমি এবং মুসলিম সাহিত্য-ঐতিহ্যে এগুলোর অবস্থান সম্পর্কে।
যারা উর্দু ও ফারসি সাহিত্য ভালোবাসেন, যারা নাতে রাসূল ﷺ এর সাহিত্যিক ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চান, যারা মুসলিম কবিতার ইতিহাস নিয়ে আগ্রহী এবং সর্বোপরি যারা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শান ও ভালোবাসাকে কবিতার ভাষায় অনুভব করতে চান, তাদের জন্য এই আয়োজন।
📅 তারিখ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
🕘 সময়: বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা
💻 প্ল্যাটফর্ম: Google Meet
আসুন, হৃদয়ে প্রেমের প্রদিপ জ্বেলে মিলিত হই রসূলপ্রেমের এই অনুপম আসরে।
উর্দু ফার্সি ভাষাও এর ব্যতিক্রম নয়। কবিরা এই দুই ভাষায় অসংখ্য কালজয়ী নাত রচনা করে ভাষা দুটিকে সমৃদ্ধ করেন। ফারসি সুফি কবিতার বৃহৎ ঐতিহ্যের সঙ্গে নবীপ্রেমের সাহিত্যিক প্রকাশের একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। সানা’ঈ, আত্তার, আবু সাইদ আবুল খাইর, খাকানি, নিজামি গঞ্জভি, ইরাকি, রুমি, সাদি, জামী, আমীর খসরু, মির্জা বেদিল, জান মুহাম্মদ কুদসি সহ ফারসি সাহিত্যের বহু বড় কবির রচনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ পাওয়া যায়। উর্দু কবিরাও পিছিয়ে ছিলেন না। পাঞ্জাব কিংবা দক্ষিনাত্য থেকে দিল্লির পথে উর্দুর যে ঐশ্বর্যমন্ডিত যাত্রা, সে পথে যুক্ত হয়েছেন কুলি কুতুব শাহ, ওয়ালি দক্ষিনি, মীর তকি মীর, মির্জা রফি সওদা, মীর দরদ, মুমিন খা মুমিন, মুস্তফা খান শেফতা, দাগ দেহলভি, গালিব, হালি, আকবরাবাদি, দাগ দেহলবি, আহম্মদ রেজা খান বেরেলভি, হাস্যরত মোহানি, ডক্টর ইকবাল, মাহিরুল কাদরি, মওলানা জফর আলি খান, জিগর মুরাদাবাদিসহ এক বিশাল কাফেলা। সকল উর্দু কবিরাই চেষ্টা করেছেন নবিজীর প্রেমে কিছু নাত রচনা করতে। এমনকি জগন্নাথ আজাদ, হরিচন্দ আখতার কিংবা কালিকাপ্রসাদের মত হিন্দু কবিরাও তাদের কাব্যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন।
এই বিশাল সাহিত্যভাণ্ডারের অনেক কিছুই আজ আমাদের কাছে অপরিচিত। অথচ এসব কবিতার প্রতিটি পঙক্তির পেছনে রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। সেই বিস্মৃত ও মুগ্ধকর জগতে আপনাকে নিয়ে যেতে TarikhLab আয়োজন করেছে বিশেষ একটি অনলাইন অনুষ্ঠান
'রাসূলের ﷺ শানে উর্দু ও ফারসি কবিতার ভূবন: নির্বাচিত কালাম পাঠ ও তাশরিহ।'
পাকিস্তান থেকে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন ফযলুল্লাহ ফানি।
ফানি একাধারে একজন তুখোড় সাহিত্যসমালোচক, সুদক্ষ তর্জমাকার ও শক্তিমান উর্দু-ফারসি কবি। এই আলেম ও সাহিত্যসাধক হাল আমলে পাকিস্তানে ধ্রুপদী ফারসি সাহিত্যচর্চার পুনর্জাগরণে রেখে চলেছেন স্বতন্ত্র ভূমিকা।
দুরূহ, দুর্বোধ্য ও রহস্যময় বলে পরিচিত মির্জা আবদুল কাদির বেদিলের দেড় শতাধিক শের তিনি উর্দুতে কাব্যানুবাদ করেছেন।
তাঁর বহুল আলোচিত ‘চাহারে আকস’ (چہار عکس) গ্রন্থে ফারসি কবিতার ‘সাবকে হিন্দি’ ধারার চার মহারথী, মির্জা গালিব, বেদিল, সায়েব তাবরিজি ও গনি কাশ্মীরির নির্বাচিত কবিতাকে উর্দু অনুবাদ ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে পাঠকের সামনে হাজির করেছেন সম্পূর্ণ এক নয়া অভিধায়। তাঁর এই যুগান্তকারী সাহিত্যকর্মের সূত্রে বর্তমানে পাকিস্তান, ভারত ও ইরানের সাহিত্যাঙ্গনে তিনি বেশ পঠিত ও চর্চিত এক নাম।
এই আয়োজনে থাকবে উর্দু ও ফারসি সাহিত্যের নির্বাচিত কিছু কালাম। শুধু পাঠ নয়, প্রতিটি কালামের ভাব, ভাষা, সৌন্দর্য ও অন্তর্নিহিত অর্থ নিয়েও হবে আলোচনা। পাশাপাশি জানার সুযোগ থাকবে এসব কবিতার ঐতিহাসিক পটভূমি এবং মুসলিম সাহিত্য-ঐতিহ্যে এগুলোর অবস্থান সম্পর্কে।
যারা উর্দু ও ফারসি সাহিত্য ভালোবাসেন, যারা নাতে রাসূল ﷺ এর সাহিত্যিক ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চান, যারা মুসলিম কবিতার ইতিহাস নিয়ে আগ্রহী এবং সর্বোপরি যারা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শান ও ভালোবাসাকে কবিতার ভাষায় অনুভব করতে চান, তাদের জন্য এই আয়োজন।
📅 তারিখ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
🕘 সময়: বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা
💻 প্ল্যাটফর্ম: Google Meet
আসুন, হৃদয়ে প্রেমের প্রদিপ জ্বেলে মিলিত হই রসূলপ্রেমের এই অনুপম আসরে।
❤5
ইমরান রাইহান ভাইয়ের টেলিগ্রামে সিরাত নিয়ে টুকরো টুকরো লেখাগুলো মিস দিলে সিরাত বিষয়ক অনেক কিছুই মিস করবেন। অনেক কিছুই।
https://t.me/imranraihan
https://t.me/imranraihan
❤10💯4👍1🔥1
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের বই “দারুল ইসলাম আউর দারুল হারব” সম্পর্কে বানুরীটাউনের প্রধান মুফতি ইনআম সাহেবের মূল্যায়ন :
‘আল্লাহ তাআলা জনাব মাওলানা মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব (রঈস, দারুল ইফতা ওয়াল ইরশাদ, মারদান)-কে উত্তম প্রতিদান দান করুন। তিনি এই মূল্যবান রচনার মাধ্যমে এ প্রয়োজন পূরণের চেষ্টা করেছেন এবং অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ ও গবেষণামূলক শৈলীতে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের প্রকৃত অবস্থা, একটি অন্যটিতে রূপান্তরিত হওয়ার শর্তাবলি এবং সংশ্লিষ্ট ফিকহি বিধানসমূহকে ফিকহি নস ও দলিলের আলোকে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে সমুদ্রকে কলসের মধ্যে আবদ্ধ করে দিয়েছেন (অর্থাৎ বিশাল বিষয়কে সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপন করেছেন)।
এছাড়াও, এ বিষয়ে উত্থাপিত সন্দেহ ও আপত্তিগুলোর জ্ঞানভিত্তিক পর্যালোচনা করেছেন। আল্লাহ রব্বুল ইজ্জতের নিকট দোয়া, তিনি যেন গ্রন্থকারের এ নিষ্ঠাপূর্ণ প্রচেষ্টাকে কবুলিয়াতের মর্যাদা দান করেন এবং জ্ঞানান্বেষীদের জন্য উপকারী করে তোলেন।’
.
(মুফতি) মুহাম্মদ ইনআমুল হক কাসেমী
মুহাদ্দিস ও প্রধান মুফতি
জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া, বানুরীটাউন, করাচি
‘আল্লাহ তাআলা জনাব মাওলানা মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব (রঈস, দারুল ইফতা ওয়াল ইরশাদ, মারদান)-কে উত্তম প্রতিদান দান করুন। তিনি এই মূল্যবান রচনার মাধ্যমে এ প্রয়োজন পূরণের চেষ্টা করেছেন এবং অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ ও গবেষণামূলক শৈলীতে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের প্রকৃত অবস্থা, একটি অন্যটিতে রূপান্তরিত হওয়ার শর্তাবলি এবং সংশ্লিষ্ট ফিকহি বিধানসমূহকে ফিকহি নস ও দলিলের আলোকে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে সমুদ্রকে কলসের মধ্যে আবদ্ধ করে দিয়েছেন (অর্থাৎ বিশাল বিষয়কে সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপন করেছেন)।
এছাড়াও, এ বিষয়ে উত্থাপিত সন্দেহ ও আপত্তিগুলোর জ্ঞানভিত্তিক পর্যালোচনা করেছেন। আল্লাহ রব্বুল ইজ্জতের নিকট দোয়া, তিনি যেন গ্রন্থকারের এ নিষ্ঠাপূর্ণ প্রচেষ্টাকে কবুলিয়াতের মর্যাদা দান করেন এবং জ্ঞানান্বেষীদের জন্য উপকারী করে তোলেন।’
.
(মুফতি) মুহাম্মদ ইনআমুল হক কাসেমী
মুহাদ্দিস ও প্রধান মুফতি
জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া, বানুরীটাউন, করাচি
❤15