Sabil Ar-rashad - The Path of Guidance.pdf
1 MB
ইলহামির এই আরবী বইটা জেনারেল ভাইরাও পড়তে পারেন ইনশাআল্লাহ। বইটির ইংরেজি অনুবাদ।
❤13
Forwarded from TarikhLab
রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন ও কর্মের ইতিহাস শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় আবেগের বিষয় নয়, বরং ইসলামের ইতিহাস ও সভ্যতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। নবিজীবনকে জানার জন্য রচিত হয়েছে বিপুল পরিমাণ সীরাত-সাহিত্য। কিন্তু এই বিশাল সাহিত্যভাণ্ডারের উৎস কী? এর ঐতিহাসিক ভিত্তি কতটা শক্তিশালী? কোন কোন সূত্র ও উপাদানের ওপর দাঁড়িয়ে সীরাতের বর্ণনাগুলো গড়ে উঠেছে? আর বর্তমান সময়ে সীরাত পাঠের প্রয়োজনই বা কতটা?
সীরাত পাঠ নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও পাঠপদ্ধতি নিয়ে আমাদের মাঝে খুব বেশি সুসংগঠিত আলোচনা দেখা যায় না। একইভাবে, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন থেকে ব্যক্তি ও সমাজের জন্য কীভাবে দিকনির্দেশনা গ্রহণ করা যায়, সে প্রশ্নটিও নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।
এই বিষয়গুলোকে সামনে রেখে রবিউল আউয়াল মাসের এই সীরাত আবহে তারিখল্যাব আয়োজন করছে অফলাইন ‘সীরাত হালাকাহ’। আলোচক হিসেবে থাকছেন জামিআতুত দুওয়ালিল আরাবিয়্যাহ, মিসর এ মাস্টার্স অধ্যায়নরত ফয়েজ আহমাদ ও বিজ্ঞ লেখক,অনুবাদক ইমরান রাইহান।
ফয়েজ আহমাদ আলোচনা করবেন সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা নিয়ে। সীরাতের প্রাথমিক উৎস, এর বিকাশ এবং সীরাত পাঠের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ঐতিহাসিক ও পদ্ধতিগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে থাকবে তাঁর আলোচনা।
অন্যদিকে ইমরান রাইহান আলোচনা করবেন সীরাত পাঠের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। আজকের সময়ে কেন আমাদের সীরাত চর্চা জরুরি, এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে কীভাবে আমাদের চিন্তা, চরিত্র ও জীবনবোধের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, আলাপ হবে সে বিষয়েও।
সীরাতের প্রতি আগ্রহী পাঠক, ইতিহাসপ্রেমী এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে আরও গভীরভাবে জানতে আগ্রহী সবাইকে এই আয়োজনে আমন্ত্রণ।
তারিখল্যাবের এই সেশনটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এর জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা আমাদের স্পন্সর পারফিউমেন্স কর্তৃপক্ষের।
📅 তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
🕰️ সময়: বাদ আসর থেকে এশা
📍 স্থান: এমইসি কনভেনশন হল, শেওড়াপাড়া। শেওড়াপাড়া মেট্রোর পাশেই মাহফিল কনভেনশন সেন্টারের ভবন৷ ৬ তলা
সীরাতের মাসে ইতিহাসের আলোকে নবিজীবনকে নতুন করে জানার এই মুবারক আয়োজনে আপনাদের সবাইকে স্বাগত।
সীরাত পাঠ নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও পাঠপদ্ধতি নিয়ে আমাদের মাঝে খুব বেশি সুসংগঠিত আলোচনা দেখা যায় না। একইভাবে, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন থেকে ব্যক্তি ও সমাজের জন্য কীভাবে দিকনির্দেশনা গ্রহণ করা যায়, সে প্রশ্নটিও নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।
এই বিষয়গুলোকে সামনে রেখে রবিউল আউয়াল মাসের এই সীরাত আবহে তারিখল্যাব আয়োজন করছে অফলাইন ‘সীরাত হালাকাহ’। আলোচক হিসেবে থাকছেন জামিআতুত দুওয়ালিল আরাবিয়্যাহ, মিসর এ মাস্টার্স অধ্যায়নরত ফয়েজ আহমাদ ও বিজ্ঞ লেখক,অনুবাদক ইমরান রাইহান।
ফয়েজ আহমাদ আলোচনা করবেন সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা নিয়ে। সীরাতের প্রাথমিক উৎস, এর বিকাশ এবং সীরাত পাঠের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ঐতিহাসিক ও পদ্ধতিগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে থাকবে তাঁর আলোচনা।
অন্যদিকে ইমরান রাইহান আলোচনা করবেন সীরাত পাঠের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। আজকের সময়ে কেন আমাদের সীরাত চর্চা জরুরি, এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে কীভাবে আমাদের চিন্তা, চরিত্র ও জীবনবোধের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, আলাপ হবে সে বিষয়েও।
সীরাতের প্রতি আগ্রহী পাঠক, ইতিহাসপ্রেমী এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে আরও গভীরভাবে জানতে আগ্রহী সবাইকে এই আয়োজনে আমন্ত্রণ।
তারিখল্যাবের এই সেশনটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এর জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা আমাদের স্পন্সর পারফিউমেন্স কর্তৃপক্ষের।
📅 তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
🕰️ সময়: বাদ আসর থেকে এশা
📍 স্থান: এমইসি কনভেনশন হল, শেওড়াপাড়া। শেওড়াপাড়া মেট্রোর পাশেই মাহফিল কনভেনশন সেন্টারের ভবন৷ ৬ তলা
সীরাতের মাসে ইতিহাসের আলোকে নবিজীবনকে নতুন করে জানার এই মুবারক আয়োজনে আপনাদের সবাইকে স্বাগত।
❤14
উশর; একটি বিস্মৃত ফরয.pdf
5.8 MB
উশর সংক্রান্ত এই সংক্ষিপ্ত রিসালাটি পড়ে অনেক অনেক বেশি উপকৃত হয়েছি।
এই মাসআলাগুলো আমাদের মাঝে প্রায়োগিক চর্চা না থাকার কারণে যতবারই পড়ি কিছু খটকা থেকেই যায়৷ কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এই বইটি এতটাই চমৎকার ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা হয়েছে যে, সহজেই বিষয়ের সকল দিকগুলো স্পষ্ট হয়ে যায়।
এই মাসআলাগুলো আমাদের মাঝে প্রায়োগিক চর্চা না থাকার কারণে যতবারই পড়ি কিছু খটকা থেকেই যায়৷ কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এই বইটি এতটাই চমৎকার ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা হয়েছে যে, সহজেই বিষয়ের সকল দিকগুলো স্পষ্ট হয়ে যায়।
❤29
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন এমন একজন শাসক ও নেতা, যিনি সামনে থাকা ব্যক্তিদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারতেন। তিনি তাদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতেন। তাদের দক্ষতা কিংবা দূর্বলতার দিক ছিল তাঁর কাছে স্পষ্ট। হুদাইবিয়ার সন্ধির সময় সুহাইল বিন আমরকে দেখেই নবিজি বলেছিলেন, তোমাদের জন্য তোমাদের কাজ সহজ হয়ে গেল। কুরাইশরা সন্ধি করতে চায় তাই তারা তাকে পাঠিয়েছে।
নবিজি সুহাইল বিন আমরের ভূমিকা সম্পর্কে জানতেন, কুরাইশদের মাঝে তার অবস্থান সম্পর্কেও তিনি ছিলেন অবগত। এই ঘটনার আলোকে আমরা নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে পারি, আজকের সমাজে দাঈ ও সংস্কারকদের কতজন তার এলাকার পুলিশ অফিসার, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক কিংবা অন্য গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের স্বভাব চরিত্র ও কর্মকান্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন? কতজন এমন আছেন যারা এসব ব্যক্তির মনোভাব বুঝতে পেরে তার সাথে সঠিক আচরণ করতে পারেন? আমরা কোনো সমঝোতার কথা বলছি না, বরং আমরা সেই প্রজ্ঞার কথা বলছি, যা নবিজি দাওয়াতের ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়েছেন।
বহুবার এমন হয়েছে সঠিক ব্যক্তিকে ভুল পদ্ধতিতে দাওয়াত দেয়ার কারণে তিনি দাওয়াত থেকে দুরে সরে গিয়েছেন এমনকি দাওয়াতের শত্রু হয়ে উঠেছেন। ফলে দাঈদের উচিত নবিজির সিরাত থেকে এই দক্ষতাগুলো অর্জনের গুরুত্ব অনুধাবন করা যা তাদের দাওয়াতকে বেগবান করবে।
হাযিম সলাহ আবু ইসমাইল
*ইমরান রাইহান ভাইয়ের পোষ্ট থেকে
নবিজি সুহাইল বিন আমরের ভূমিকা সম্পর্কে জানতেন, কুরাইশদের মাঝে তার অবস্থান সম্পর্কেও তিনি ছিলেন অবগত। এই ঘটনার আলোকে আমরা নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে পারি, আজকের সমাজে দাঈ ও সংস্কারকদের কতজন তার এলাকার পুলিশ অফিসার, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক কিংবা অন্য গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের স্বভাব চরিত্র ও কর্মকান্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন? কতজন এমন আছেন যারা এসব ব্যক্তির মনোভাব বুঝতে পেরে তার সাথে সঠিক আচরণ করতে পারেন? আমরা কোনো সমঝোতার কথা বলছি না, বরং আমরা সেই প্রজ্ঞার কথা বলছি, যা নবিজি দাওয়াতের ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়েছেন।
বহুবার এমন হয়েছে সঠিক ব্যক্তিকে ভুল পদ্ধতিতে দাওয়াত দেয়ার কারণে তিনি দাওয়াত থেকে দুরে সরে গিয়েছেন এমনকি দাওয়াতের শত্রু হয়ে উঠেছেন। ফলে দাঈদের উচিত নবিজির সিরাত থেকে এই দক্ষতাগুলো অর্জনের গুরুত্ব অনুধাবন করা যা তাদের দাওয়াতকে বেগবান করবে।
হাযিম সলাহ আবু ইসমাইল
*ইমরান রাইহান ভাইয়ের পোষ্ট থেকে
❤34😢1
আহলে ইলম ও তালেবে ইলম ভাইদের জন্য সুখবর!
.
মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ইংরেজি মাসের প্রথম শুক্রবার বাদ দিয়ে বাকি শুক্রবারগুলোতে উসুলুল বাজদাবীর "বাহসুস সুন্নাহ" থেকে নিয়মিত দরস দিবেন।
.
স্থান : মিরপুর পল্লবীর মারকাযুদ দাওয়াহ ভবন।
সময় : সকাল ৭টা থেকে
.
যাদের অন্তরের দীর্ঘ এমন তামান্না ছিলো, তাদের জন্য এটা অনেক বড় রহমত ইনশাআল্লাহ।
.
মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ইংরেজি মাসের প্রথম শুক্রবার বাদ দিয়ে বাকি শুক্রবারগুলোতে উসুলুল বাজদাবীর "বাহসুস সুন্নাহ" থেকে নিয়মিত দরস দিবেন।
.
স্থান : মিরপুর পল্লবীর মারকাযুদ দাওয়াহ ভবন।
সময় : সকাল ৭টা থেকে
.
যাদের অন্তরের দীর্ঘ এমন তামান্না ছিলো, তাদের জন্য এটা অনেক বড় রহমত ইনশাআল্লাহ।
❤54
দারুল ইসলাম ও দারুল হারব সংক্রান্ত প্রকাশিতব্য বই থেকে একটি টিকা
লেখক এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের অবতারণা করেছেন। অতীতে মুসলিম শাসকদের হাতে যে ধরনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব ছিলো, তার বলে তারা চাইলে ইসলামি আইন রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন করতে পারতেন। এ ক্ষেত্রে তাদের সামনে বর্তমান সময়ের মতো কোনো আইনি বা সাংবিধানিক জটিলতা ছিলো না। বরং সমাজ, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং প্রচলিত আইনি বাস্তবতাও সাধারণত তাদের এই ক্ষমতা প্রয়োগের অনুকূলে ছিলো। এ কারণে সে সময় কোনো ভূখণ্ড “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম”—মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা, সেটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি ছিলো।
কিন্তু বর্তমানের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একজন মুসলিম শাসকের হাতে অতীতের শাসকদের মতো নিরঙ্কুশ রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব নেই। ফলে তিনি যতই মুখলিস ও দ্বীনের ব্যাপারে আন্তরিক হোন না কেন, শুধু নিজের ক্ষমতাবলে চাইলেই পুরো রাষ্ট্রীয় আইন ও সাংবিধানিক কাঠামো পরিবর্তন করে ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠা করতে পারেন না। অতএব, বর্তমান বাস্তবতায় পূর্ববর্তী ফকিহদের “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম” (মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা) কথাটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করা যথার্থ নয়। (আব্দুল্লাহ)
.
ইনশাআল্লাহ এবারের বাইতুল মুকাররম বইমেলাতেই আসবে।
লেখক এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের অবতারণা করেছেন। অতীতে মুসলিম শাসকদের হাতে যে ধরনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব ছিলো, তার বলে তারা চাইলে ইসলামি আইন রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন করতে পারতেন। এ ক্ষেত্রে তাদের সামনে বর্তমান সময়ের মতো কোনো আইনি বা সাংবিধানিক জটিলতা ছিলো না। বরং সমাজ, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং প্রচলিত আইনি বাস্তবতাও সাধারণত তাদের এই ক্ষমতা প্রয়োগের অনুকূলে ছিলো। এ কারণে সে সময় কোনো ভূখণ্ড “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম”—মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা, সেটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি ছিলো।
কিন্তু বর্তমানের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একজন মুসলিম শাসকের হাতে অতীতের শাসকদের মতো নিরঙ্কুশ রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব নেই। ফলে তিনি যতই মুখলিস ও দ্বীনের ব্যাপারে আন্তরিক হোন না কেন, শুধু নিজের ক্ষমতাবলে চাইলেই পুরো রাষ্ট্রীয় আইন ও সাংবিধানিক কাঠামো পরিবর্তন করে ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠা করতে পারেন না। অতএব, বর্তমান বাস্তবতায় পূর্ববর্তী ফকিহদের “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম” (মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা) কথাটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করা যথার্থ নয়। (আব্দুল্লাহ)
.
ইনশাআল্লাহ এবারের বাইতুল মুকাররম বইমেলাতেই আসবে।
❤25