Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
431 photos
90 videos
95 files
194 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
এবছর এক রমজান থেকে ইফতা বিভাগের নিয়মতান্ত্রিক কার্যকর শুরু হবে তাদরিবের মাধ্যমে। সকলের নিকট দোয়া চাই আল্লাহ যেন কবুল করেন ও আসান করেন। আমীন।
13
জামাতে ইসলামের সমর্থক ও কর্মীরা নিজেদের নেতার জন্য সাহাবায়ে কেরামের শানে যে জঘন্য আচরণ করছে তা আজ নতুন না। এদের অসফলতার জন্য শুধু এতটুকুই দায়ী। এই ইস্যুতে আমাদের উচিত সাহাবায়ে কেরামের শানে লিখিত কিতাবসমূহের ব্যাপক পড়া ও প্রচার করা। আমি এই বইটিকে সকলকে পড়তে উদ্ধুদ্ধ করছি ও যেন তা ব্যাপক প্রচার হয় তা কামনা করি।
41
গোটা হিন্দস্তানের ইতিহাসে আহলুস সুন্নাহর সকল ধারার মাঝে আকাবিরে দেওবন্দ সর্বাপেক্ষা রহমদিল, মুসলমানদের প্রতি সর্বাপেক্ষা অনুগ্রহশীল, উম্মাহর প্রতি সবচেয়ে বড়ো মুহসিন কাফেলা। এমন একটি সময়ে তারা আবির্ভূত হয়েছিলেন যখন গোটা হিন্দস্তান বরং আরব বিশ্বও তাকফীর-তাফসীকের ফাঁদে আটকে ছিল। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও কেউ কাউকে কাফের-মুরতাদ ফাতাওয়া দিচ্ছিল। কিন্তু তারা সতর্কভাবে এই ফাঁদ এড়িয়ে গিয়েছেন।

এক পর্যায়ে খোদ উলামায়ে দেওবন্দও ফাতাওয়ার শিকার হন, আহমদ রেজা খান ব্রেলভী তাদেরকে প্রথমে ওয়াহাহবী এবং পরে সরাসরি কাফের ফাতাওয়া দেন। এমন কোনো গালি-গালাজ নেই যা তিনি তাদের ওপর প্রয়োগ করেননি। এমন কোনো অশ্লীল শব্দ নেই যা তিনি তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেননি। এক্ষেত্রে সভ্যতা-ভব্যতা কোনো কিছুর ধার ধারেননি; বরং তাদের নামগুলো পর্যন্ত বিকৃত করে উচ্চারণ করতেন। তাদের পেছনে নামাজ অবৈধ বলতেন। বরং তিনি তাদেরকে সালাম পর্যন্ত দিতেন না। কাফেরদেরকে যেভাবে সম্বোধন করা হয় সেভাবে (السلام على من اتبع الهدى) বলতেন। আমৃত্যু তিনি তাদেরকে গালি-গালাজ করে গেছেন, কাফের-মুরতাদ বলে গেছেন।

কিন্তু আকাবিরে দেওবন্দ এক বারের জন্যও আহমদ রেজাখানকে কাফের ফাতাওয়া দেননি। তার গালির জবাব গালি দিয়ে দেননি, মিথ্যাচারের জবাবে মিথ্যাচার করেননি। বরং শ্রদ্ধার সঙ্গে 'খান সাহেব', 'জনাব খান' বলতেন। কখনো নাম উল্লেখ না করে 'কারও কারও আকীদা', 'কারও বক্তব্য' এমন বলতেন। আবার কখনো 'মেহেরবান' হিসেবেও উল্লেখ করতেন। বরং হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী বলেন, ‘আমার অন্তরে আহমদ রেজার প্রতি সীমাহীন শ্রদ্ধা রয়েছে। যদিও তিনি আমাদেরক কাফের বলেন সেটা তো ইশকে রাসূলের কারণেই বলেন। অন্য কোনো কারণে তো নয়’! হযরত থানভী (র.) আরো বলেন, ‘যদি আমার মাওলানা আহমদ রেজা খান ব্রেলভীর পেছনে নামাজ পড়ার সুযোগ হতো তবে আমি পড়ে নিতাম’! এই ছিল তাদের উদারতা!

কেবল আহমদ রেজা খান নন; হিন্দস্তানে মুসলমানদের যতোগুলো ধারা ছিল, সবগুলোর প্রতি আকাবিরে দেওবন্দ সর্বোচ্চ ইহসানপূর্ণ আচরণ করেছেন। হ্যাঁ মতপার্থক্য করেছেন, অভিযোগের জবাব দিয়েছেন, ভ্রান্ত আকীদা খণ্ডন করেছেন, কখনো কঠোর ভাষাও প্রয়োগ করেছেন, কিন্তু 'গালি-গালাজ', খিস্তিখেউড়, প্রতিপক্ষকে অশ্লীল শব্দে আঘাত, জবাবের ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন এগুলো তাদের কর্মপন্থা ছিল না। কারও সমালোচনা করতে গিয়ে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে মিথ্যাচার করেননি। বিতর্কে জেতার জন্য কারও ইতিবাচক দিক লুকিয়ে কেবল নেতিবাচক দিক প্রচার করেননি। উদাহরণত তারা ইবনে তাইমিয়্যাহ (র.) এর নানান বক্তব্যের সমালোচনা করলেও তাঁর প্রতিভা ও স্বাতন্ত্র্যের স্বীকৃতি দিতে কুণ্ঠিত হননি। হ্যাঁ তারা মা'সূম ছিলেন না, তাদের নানান জায়গায় শব্দচয়নে ভুল হয়েছে, তথ্যস্বল্পতার ফলে কারও ব্যাপারে মতামত প্রদানের ক্ষেত্রে বিচ্যুতি হয়েছে, কিন্তু সেটা খুবই নগন্য। সম্মিলিতভাবে তারা ছিলেন কুরআনের এই আয়াতের উজ্জ্বল নমুনা: (فبما رحمة من الله لنت لهم ولو كنت فظا غليظ القلب لانفضوا من حولك) অর্থা‌ৎ 'আল্লাহর অনুগ্রহেই আপনি তাদের প্রতি দয়ার্দ্র হয়েছেন। আপনি যদি রূঢ়ভাষী ও কঠোরচিত্তের হতেন তবে তারা আপনার আশপাশ থেকে সরে পড়তো'! [আলে ইমরান: ১৫৯] এটাই তাদের কবূলিয়্যাত, দুনিয়াতে তাদের দাওয়াত প্রচারিত ও প্রতিষ্ঠিত হবার অন্যতম রহস্য।

আজ যারা নিজেদেরকে মহান আকাবিরে দেওবন্দের উত্তরসূরী মনে করেন, তারা যেন প্রতিপক্ষের প্রতি আকাবিরদের মতোই মুহসিন হন। গোটা উম্মাহর প্রতি অনুগ্রহশীল ও রহমদিল হন। মানুষকে সংশোধনের মতো উত্তম উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে উত্তম পদ্ধতি অবলম্বন করেন।

©মীজান হারুন।
28👍16
Abdullah bin bashir
Photo
হেফজখানা থেকে কিতাবখানায় আসবেন এমন তালেবে ইলম ও তাদের অবিভাবকদের সমীপে একটি কথা বলতে চাই।

আপনি বা আপনার সন্তান হেফজ শেষ করে কিতাবখানায় যাবে এটা আনন্দের হলেও, দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের হেফজখানাগুলোর যে নেসাব সেখান থেকে সাধারণত একজন ছেলে কুরআন হিফজ ছাড়া পুরো নিরক্ষর হয়েই বের হয়। এমতবস্থায় রমজানের পরে কিতাব বিভাগে যখন ভর্তি হয়, হঠাৎ করে নতুন ভাষা আর শাস্ত্র পড়ার চাপে দেখা যায় অনেক মেধাবী ছেলেরাও শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে যা আর অনেকের জন্য কখনোই কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয় না। বিশেষত মাদানী নেসাবে যারা ভর্তি হয় তাদের অনেকের অবস্থা হয় খুবই শোচনীয়! আমার ক্ষুদ্র জীবনে এটা বহু মানুষের ক্ষেত্রে দেখেছি, আবার উস্তাদদেরও এটাই তাজরেবা।

তাই কিতাবে আসবেন এমন নতুন তালেবে ইলম ভাই ও তাদের অবিভাবকদের সমীপে আবেদন হলে রমাজানে আপনার সন্তানকে কিতাব বিভাগের জন্য প্রস্তুত করে নিন। এখন থেকেই বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য মাদরাসাগুলোতে যোগাযোগ করুন।
.
নতুন তালেবে ইলম ভাইদের এই সংকটের দিকে লক্ষ্য রেখে আমার প্রাণপ্রিয় উস্তাদ সাইফুল সাহেব প্রথম বর্ষ ভর্তি তাদরিব শুরু করেছেন। উস্তাদজির ঐখানে যোগাযোগ করতে পারেন৷ এছাড়া এমন আয়োজন আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই। আমাদের মাদরাসাতু আলীতে সমর্থ সীমিত হওয়ার কারনে আমরা এই বিষয়টি শুরু করতে পারিনি। তবে কোনো তালেবে ইলম ভাই বা অবিভাবকগণ যদি প্রথম বর্ষের জন্য রমাজানে আসেন তাহলে সল্প পরিসরে ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ।
.
এছাড়া প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গায় ব্যবস্থা করতে পারেন।
6👍3
আগামীকাল থেকে আমাদের রমাজানের তাদরিবের দাখেলা নেওয়া হবে, যারা বিষয়গুলোতে আগ্রহী তারা যোগাযোগ করতে পারেন।
👍72
আধুনিকতার ব্যাপারে একটা বক্তব্য এমন আছে, মডার্নিজম সকল ঐতিহ্য ভেঙ্গে মানুষকে আধুনিক ও আলোকিত করে, মডার্নিজমের মূল কাজই হলো সকল ঐতিহ্যের শিকল ভেঙ্গে দেয়া।

আমি এই বক্তব্যকে পুরোপুরি সঠিক মনে করি না। বরং আধুনিকতা শুধু ঐ সকল ঐতিহ্যকেই ছুড়ে ফেলে, যা মানুষের জীবন থেকে ঐ সকল বিষয়কে বিচ্ছিন্ন করার কাজ করে যার সম্পর্ক ওহির সাথে ও মানুষকে আখিরাতে মুক্তির পথ দেখায়। এছাড়া যেসকল ঐতিহ্য কোনো কু*ফ*রি ও শিরকি বিশ্বাসের সাথে সম্পৃক্ত আধুনিকতা যে সকল ঐতিহ্য রক্ষায় বেশ উদার ও সেগুলো রক্ষার জন্য নিজের জ্ঞানতত্ত্বকে ব্যবহারও করে থাকে।
22👍2
ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ একটি কুফরি মতবাদ। এটা কুরআনের অসংখ্য আয়াতকে অস্বীকার করে।
-মাওলানা আব্দুল মালেক
৩-৩-২০২৪
রবিবার, বাদ মাগরিব
24👍2
ব্রাকের ইস্যুতে দুইটা কথা বলি
.
যেকোনো শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি হয় রাষ্ট্রের উপযোগী নাগরিক তৈরি করার জন্য। আমাদের রাষ্ট্রের যে সিলেবাস, সে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে লি*বা*রেল ও গ*ণ*তান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে তার উপযোগী নাগরিক তৈরি করার জন্য। ইসলামি ই*মা*রার উপযোগী নাগরিক নয়। আর ব্রাকে আজ যা হয়েছে এটাই লি*বা*রেল ও ডেমোক্রেসির আসল চিত্র! এটাই সংবিধানুযায়ী বৈধ ও একজন দেশের বৈধ সম্মানিত নাগরিক হওয়ার জন্য এই কাজ কোনো প্রতিবন্ধক নয়।

এবার যারা গ*ণ*তন্ত্রের ইসলামাইজেশনে নেমেছেন, তারা নিজেদের এই জাহালাতকে যত বুঝবেন ততই এই গভীর সমস্যার সমাধানের পথ খুজা সম্ভব হবে। অন্যাথায় গ*ণ*তন্ত্র ও লিবারেল মূল্যবোধকে ইসলামের আলোকে ব্যাখ্যা করে ইসলামাইজেশন করে ব্রাকের এগুলো দেখে মায়া কান্না করে কোনো লাভ নেই, এগুলো দেখে শুধুই হাসি পায়!
.

ব্রাকসহ এই যে দৈনিক বিভিন্ন সংকট দেখতে পাচ্ছি, হিন্দুত্ববাদের আক্রমন ও ফাহেশার যে তুফান ধেয়ে আসছে আমাদের উপর, এগুলো দেখেও যদি নিজের ইসলাহ করে উম্মাহের জন্য কিছু করার ব্যাপারে আরো বেশি অগ্রসর না হয়ে আসেন প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে, তাহলে বিশ্বাস করেন আমার আপনার এই ফেসবুক পোষ্টগুলো শুধুই নিজেকে হাইলাইটস করা ও কিছু ভক্ত বৃন্দ যুগানো ছাড়া আর কিছুই না!

আসন্ন রমাজান মাস, তরুন আলেম ও দায়ী ভাইরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করি, এই মাসকে নিজের ইসলাহ ও সংশোধনের জন্য নিজেকে পূর্ণ ফারেগ করবো এবং পরবর্তী সময়তে তা ধরে রেখে উম্মাহের সংশোধনের জন্য নিজেকে আরো বেশি উজার করে দিবো৷

আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক।
34👍11😁1
রমাজান উপলক্ষে আমরা প্রচুর পরিমান কুরআন পড়বো ইনশাআল্লাহ। কুরআনের খতম যত বেশি করা যায় ততই শুধু কল্যাণ। কুরআনের প্রতিটি খতমকে আমরা চাইলে বিভিন্ন নিয়তে পড়তে পারি, আল্লাহ আমার এই খতমের উসিলায় তুমি অমুক কাজটি করে দেও, অমুক নিয়ত পুরণ করে দেও ইত্যাদি। এবং প্রতি খতম শেষে নিয়তের বিষয়ের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করবো। কারন কুরআন খতমের পর দোয়া কবুল হয়।

নিজের অন্যান্য অনেক প্রয়োজনীয় নিয়তের সাথে আমরা আরো বিশেষ যে কয়টি দিক সামনে রেখে কুরআন খতম করতে পারি—

*গাজার মুসলমানদের জন্য যেন আল্লাহ একজন সাহায্যকারী পাঠান, তাদের জন্য যেনো আসমান ও যমীনের সমস্ত খাজানা খুলে দেয়।

*উইগুর মুসলমানদের জন্য যেন আল্লাহ একজন সাহায্যকারী পাঠান।

*বাংলাদেশে হিন্দুত্ববাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আল্লাহ যেন এদেশের মুসলমানদের একজন যোগ্য আমিরের অধীন দান করেন।

*ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানকে আল্লাহ যেনো আরো শক্তিশালী করে এবং তাদের যেনো সমস্ত ফিতনা থেকে হিফাজত করে মুসলিম বিশ্বের সাহায্যে এগিয়ে আসার তাকফিক দান করে।

*সোমালিয়া,পাকিস্তানসহ বিশ্বের যেখানেই আমাদের মুসলিম ভাইরা কাফের আর তাগুতের বিরুদ্ধে লড়াইরত আছে আল্লাহ যেন তাদেরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে নেন ও তাদের জন্য দুনিয়ার সকল আসবাব ও উপকরণ সহজ করে দেন এবং তাদের বিজয়কে তরান্বিত করেন।

এছাড়াও আরো বিভিন্ন নেক বিষয় সামনে রেখে আমরা কুরআন খতম করতে পারি।
48🥰4🔥1
রমাজান মাস হলো রূহানিয়াত অর্জনের মাস। ইসলামকে বিজয়ের স্বপ্ন দেখা প্রতিটি দায়ী ও আলেমের জন্য এই মাসকে অন্য সকল কাজ থেকেও নিজের রূহানী শক্তি অর্জনের পিছনেই বেশি সময় ব্যয় করা উচিত। কুরআন তিলাওয়াত, ব্যক্তিগত জিকির, দরুদের আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব, কোনো আল্লাহ ওয়ালার সাথে বিশেষ সম্পর্ক। তবে রমাজানে রুহানিয়াতের সবচেয়ে বড়তম একটি মাধ্যম হলো ইতিকাফের আমল। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মতের সবচেয়ে বড় আলেম, সবচেয়ে বড় দায়ী, উম্মতের ব্যাথায় সবচেয়ে বেশি কাতর, তারপরও প্রতি রমাজানে ইতিকাফ করতেন।

তাই, ইসলামকে বিজয়ী দেখা, হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন থেকে এদেশের মুসলমানদের মুক্ত করতে চাওয়া প্রতিটি মুমিন ও দায়ীদের উচিত রমাজানে নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত না করে রূহানী শক্তি অর্জনের পিছনে বেশি সময় দেয়া ও এটা নিয়েই ফিকর করা। আর নিজের উপর এটা আবশ্যক করে নেয়া যে, আমি অবশ্যই ইতিকাফ করবো ইনশাআল্লাহ।
23
হযরত মাওলানা যাকারিয়া রহ.-র মেয়দের রমাজান মাসের ঘরের আমল!

নিজদের পরিবার নিয়ে একটু ফিকর করি! কীভাবে আমি ও আমার পরিবার রমাজান কাটাচ্ছি!
👍2316
একজন মুমিন এমনি হবে, যত অত্যাচার আসবে তত তার ঈমান বৃদ্ধি পাবে! বহুদিন পর অনলাইনে এত দীর্ঘ বয়ান শুনলাম। আল্লাহ গুনবি সাহেবের ঈমানকে আরো বৃদ্ধি করে দেন। https://youtu.be/Xw_0S_Ux4YY?si=5oaRkAs3CDhCCazB
24
ইবরাহিম আ.-এর এই দোয়ার বরকতে আল্লাহ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মত মহান নবি দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন, যিনি সমস্ত মানবকে শিরক ও তাগুতের অত্যাচার থেকে দুনিয়াকে মুক্তি দিয়েছিলেন। আজ পুরো দুনিয়ায় লিবারেলিজম, সেকুলারিজম ইত্যাদি শিরোনামে পুরো দুনিয়ায় শয়তান আর তার দোশরদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত, প্রতিটি মুসলিম জনপদ আজ বিধ্বস্ত! আমাদের ভুখণ্ডের উপর তুমুল বেগে ধেয়ে আসছে হিন্দুত্ববাদিদের আগ্রাসান, এই মুহুর্তে আমাদেরও দরকার একজন মুহাম্মদের যিনি শেষ নবী মুহাম্মদের হবে যোগ্য উত্তরসূরী ও মুসলিমদের জন্য ত্রাণকর্তা।

তাই এই মুবারক দোয়াটুকু উপরের অনুভূতিসহ খুব পাঠ করু, প্রতি মুনাজাতে পড়ি। আল্লাহ তাওফিক দাতা।

ছবি: তাফসিরে উসমানি, রাহনুমা
20👍1
ইতেকাফের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করি
.
পবিত্র রমাজান মাসের অন্যতম বিশেষ একটি আমল হলো ইতেকাফ করা। সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে রবের সাথে সম্পর্ক গভির করার একটি অন্যতম মাধ্যম হলো ইতেকাফ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলো এই মহান বিধানটি নিয়ে আমাদের গাফলতের কোনো শেষ নেই! সাধারণ মুমিন তো আছেই অনেক দায়ী ও আলেম-তালেবে ইলমদেরও এই বিধানটি পালনে অনাগ্রহী দেখা যায়! এমন বহু দীনদরদি ভাই আছেন যিনি পুরো জীবনে একবারও ইতেকাফ করেননি! হায় আফসোস!!

অথচ উম্মতের সবচেয়ে বড় আলেম, সবচেয়ে বড় দায়ী, দীন রক্ষার সবচেয়ে ভড় জিম্মাদার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে কখনোই ইতেকাফ ছুটেনি!

এজন্য দীনের দায়ী ভাই যারা আছি, যারা দীনের বিজয়ের স্বপ্ন দেখি, চাই তিনি জেনারেল হোন বা তালেবে ইলম বা আলেম, তারা নিজেদের জন্য এই ইতেকাফকে আবশ্যক করে নেই। সকল ব্যস্ততা গুছিয়ে ফেলি সামনের এই সাতআটদিনের মধ্যে। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমীন।
34🥰2
আকসা জ্বলছে, জ্বলছে সেখানের লাখো মানুষ, জ্বলছে সাথে পুরো পৃথিবীর হাজারো মুসলিমদের অন্তর! দূর্বল মুমিন কিছু না করতে পেরে দু হাত তুলে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করছে! কিন্তু আসছে না আল্লাহর দরবার থেকে কোনো নুসরাহ! অন্তর পেরেশান, বিভিষিকাময় মৃত্যুর একেকটি দৃশ্য কলিজা ছিড়ে ফেলছে! কিন্তু আসছে না, আল্লাহর কোনো গায়েবি সাহায্য!

আসলে বাস্তবতা হলো, আল্লাহর নুসরাহ এভাবে আসে না, কারণ আমরা আবরাহার যুগে নেই! আমরা হলাম সর্বশেষ নবির উম্মত, যাদের উপর দীনের দাওয়াত, আমর বিল মারুফ ও জিহাদের বিধানের মত মহান সব দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমেই মূলত আল্লাহ এই উম্মাহকে নুসরাত ও গায়েবি সাহায্যের ওয়াদা করেছে! অথচ আমরা এগুলো ছেড়ে দিয়েই বসে আছি আসমানের দিকে চেয়ে গায়েবি সাহায্যের!

যাইহোক, এগুলো এমন আলাপ যা আমরা অনেকেই প্রতিনিয়ত শুনি, কিন্তু আজ একটি বিষয় বলার ইচ্ছে হলো, একটি চিন্তা দীর্ঘদিন থেকেই মাথায় এলোমেলোভাবে শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে, মনে হলো, মাথার বোঝাটা কোথাও বলে হালকা করি।

ফিলিস্তিনের বিষয়ে একটা নির্মম বাস্তবাত হলো, যেদিন থেকে আমরা আকসার থেকে বেশি সিরিয়ান মুজাহিদ আর সেখানের মানুষের জন্য বেশি চিন্তিত হবো ও সেখানের মুজাহিদের নুসরতের জন্য ফতোয়া সার্বজনীন ফতোয়া দিবো, তাঁদের জন্য সকল সম্পদ উতসর্গ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হবো সেদিন থেকে আকসার আকাশের পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হবে। নির্মম আর তিতা হলেও এটাই সত্য! সিরিয়া আর সিরিয়ার মুজাহিদের হাতেই হবে আকসার মুক্তি, এছাড়া আর কারো হাতেই তা সম্ভব নয়, এই বাস্তবাতা আমাদের স্বীকার করতেই হবে, এবং এই বাস্তবতার উপরেই আমাদের উঠে আসতে হবে। মুসলমানদের চিরশত্রু ইরানের হাত ধরে নয়, নয় ফিলিস্তিনের পাশে থাকা, তুরষ্ক, জর্ডান বা লিবিয়ার মত মুসলিম নামধারী তাগুত, মুনাফিক বা দুনিয়ালোভি শাসকদের হাতে, আকসার মুসলমানদের মুক্তির একটাই পথ সিরিয়ায় মুসলমানদের বিজয়!

আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক,
24👍3
হিউম্যানিজম_এক_মুলহিদানা_আকিদা.pdf
2.6 MB
হিউম্যান রাইটস, মানবধিকার—ইত্যাদি সুন্দর সুন্দর শিরোনামে পশ্চিমা সভ্যতার ধারকবাহকরা মুসলমানদের মাঝে কত ভয়ংকর সব কুফরের প্রচার করছে আর পরিভাষাগুলোর সঠিক মর্ম না বুঝার কারণে কত মুসলমান এমনকি কত আলেমগণ কী ধোকায় না লিপ্ত! কেউ কেউ তো এটাও বলেন হিউম্যানিটির ধারণা তো ইসলামই সর্বপ্রথম পেশ করেছে! বিদায় হজের ভাষন ছিলো মানবিধাকের উৎস! নাউজুবিল্লাহ! হায় মুসলমান শাব্দিক কিছু মিলের কারনে কত বড় কুফরি বলে যাচ্ছি! কত উদাসিন আজ আমরা!

এ কুফরির ভয়াবহতা সম্পর্কে আলহামদুলিল্লাহ স্বল্প হলেও আলেমরা ও বিভিন্ন দায়ী ভাইরা লেখছেন। সম্প্রতী পাকিস্তানের অন্যতম গ্রহণযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া বানুরীটাউনের মুখপাত্র "মাসিক বাইয়িনাতে" মাওলানা মুহাম্মদ আহমদ হাফেজ নামক এক আলেমের দুই পর্বের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় "হিউম্যানিজম আউর হিউম্যান রাইটস; মুলহিদানা আফকার কা তায়েরানা মুতালাআ" নামে। চমৎকার এই প্রবন্ধটি আমি প্রতিটি তালেবে ইলম ও আলেমকে পড়ার জন্য 'পা'ধরা অনুরোধ করবো। আল্লাহর ওয়াস্তে সময়ের এই ভয়ংকর কুফরি সম্পর্কে জানুন ও উম্মতকে জানান।
🔥108🥰1
Abdullah bin bashir
হিউম্যানিজম_এক_মুলহিদানা_আকিদা.pdf
আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাভাষার অন্যান্য পাঠকের প্রতি লক্ষ্য রেখে আমি প্রবন্ধটির দুই পর্বই নিজের মত করে অনুবাদ করেছি। ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই তা প্রকাশ করবো। সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো কাজটি কবুল করে। এই সামান্যকাজটুকু আমার আখিরাতে নাজাতের উসিলা হয়।
33👍51
কায়সার ভাইয়ের লেখাটা সকলে পড়ি ইনশাআল্লাহ।
👍5
Forwarded from Kaisar Ahmad (E+G+E)
ইয়াহুদিদের_লাল_গরু_বৃত্তান্ত_ও_আল_আ_কে_তৃ_্পল_নির্মাণ_এবং_দাজ্জালের.pdf
5.7 MB
ইয়াহুদিদের লাল গরু বৃত্তান্ত ও আল আ...কে তৃ...্পল নির্মাণ এবং দাজ্জালের আগমন- কায়সার আহমেদ.pdf
18
চেতনা প্রকাশন থেকে সদ্য প্রকাশিত প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং বইয়ের শেষে বানুরীটাউনের বর্তমান ইফতা বিভাগের জিম্মাদার মুফতি রফিক আহমেদ বালাকোটি সাহেবের একটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা যুক্ত করা হয়েছে। লেখাটি ইসলামি ব্যাংকের প্রবক্তাদের অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। বিশেষত, ব্যাংক নিয়ে কথা বললেই যারা ‘বিকল্প দেখান’ বলে একটা অজুহাত দাঁড় করিয়ে রেখেছে তাদের জন্য এটা অনেক বড় একটি হাদিয়া।
30