Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মানুষের সাথে নিজের গায়ের রুমাল বিছিয়ে মাঠিতেই বসে যাচ্ছে!
❤30🔥1
Abdullah bin bashir
Photo
আব্বাসী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা সাফ্ফাহর চাচা ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আলী। সে ছিল অত্যন্ত কঠোর, নিষ্ঠুর এবং রক্তপাতপ্রবণ এক শাসক।
শাম থেকে বনু উমাইয়াকে উৎখাত করে সেখানে সেই আব্বাসীদের শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে।
শামে প্রবেশের পর সেখানকার প্রসিদ্ধ আলেম ইমাম আওযায়ী রহিমাহুল্লাহকে তিনি নিজের দরবারে হাজির হওয়ার জন্য বার্তা পাঠালেন।
আওয়াযী রহিমহুল্লাহ বুঝে যান আব্দুল্লাহ বিন আলীর উদ্দেশ্য। তাই তার আবেদনে সাড়া না দিয়ে তিনদিন পর্যন্ত আত্মগোপনে থাকেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর এড়িয়ে থাকা সম্ভব হলো না। তিনি আবদুল্লাহ ইবন আলীর দরবারে গিয়ে উপস্থিত হন।
আওযায়ী রহিমাহুল্লাহ পরে সেই ভয়ংকর সাক্ষাতের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন,
আমি তার সামনে প্রবেশ করলাম। দেখলাম, সে একটি খাটের ওপর বসে আছে। হাতে একটি বাঁশের ছড়ি। তার ডান পাশে ও বাঁ পাশে কালো পোশাক পরা সৈন্যরা দাঁড়িয়ে আছে। তাদের হাতে খোলা তরবারি, কোমরে লোহার খাপ।
আমি তাকে সালাম দিলাম।
সে আমার সালামের কোনো জবাব দিল না। বরং হাতে থাকা বাঁশের ছড়িটি দিয়ে মাটিতে টোকা দিতে লাগল। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘হে আওযায়ী! আমরা যা করেছি, অর্থাৎ উমাইয়া জালিমদের হাত থেকে মানুষ ও দেশকে মুক্ত করেছি, এটা কি জিহাদ ও সীমান্ত পাহারা দেওয়ার কাজ হিসেবে গণ্য হবে বলে তুমি মনে করো?’
আওযায়ী রহিমাহুল্লাহ জবাবে বললেন,
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে।”’
আমার কথা শেষ হতেই সে আগের চেয়ে আরও জোরে বাঁশের ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল। তার চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৈন্যরাও একে একে নিজেদের তরবারির হাতল শক্ত করে মুঠোয় চেপে ধরল।
তারপর সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘হে আওযায়ী! বনু উমাইয়ার লোকদের রক্ত সম্পর্কে তুমি কী বল?’
আমি বললাম,
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
‘তিন কারণ ছাড়া মুসলমানের রক্ত ঝড়ানো বৈধ নয়। কেউ কোনো মুসলমানকে অন্যায়ভাবে হ*ত্যা করলে, বিবাহিত কেউ যিনা করলে এবং ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে।’
আমার উত্তর শুনে আব্দুল্লাহ বিন আলী আরও জোরে বাঁশের ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল। তারপর বলল,
‘তাহলে তাদের সম্পদ সম্পর্কে তুমি কী বল?’
আমি বললাম,
‘যদি তাদের হাতে থাকা সম্পদ হারামভাবে অর্জিত হয়ে থাকে, তবে আপনার জন্যও তা হারাম। আর যদি তা বৈধভাবে অর্জিত হয়ে থাকে, তাহলে শরিয়তসম্মত কোনো উপায় ছাড়া তা আপনার জন্য বৈধ হবে না।’
এবার সে আগের চেয়েও প্রবলভাবে ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল।
কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বলল,
‘তাহলে কি তোমাকে বিচারকের পদে নিয়োগ দেব?’
আমি বললাম,
‘আপনার পূর্বসূরিরা আমাকে এ বিষয়ে কখনো কষ্ট দেননি। আর আমি চাই, তারা আমার প্রতি যে অনুগ্রহের রীতি শুরু করে গেছেন, সেটিই যেনো অব্যাহত থাকে।’
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘মনে হচ্ছে, তুমি এখান থেকে চলে যেতে চাইছ?’
আমি বললাম,
‘আমার ঘরে কিছু নারী-স্বজন রয়েছেন। তারা অসহায় এবং তাদের দেখাশোনা ও নিরাপত্তার প্রয়োজন। আমার কারণে তাদের মনও এখন উদ্বেগে ভারাক্রান্ত।’
কথাগুলো বলার পর আমি মনে মনে অপেক্ষা করতে লাগলাম—এই বুঝি আমার মাথা আমার সামনে মাটিতে গড়িয়ে পড়বে!
কিন্তু কিছুক্ষণ পর সে আমাকে বলল,
‘তুমি চলে যাও।’
আমি তখন সেখান থেকে বেরিয়ে এলাম।
কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ দেখলাম, পেছন থেকে আমিরের একজন দূত আমার কাছে ছুটে আসছে। তার হাতে ছিল দুইশ দিনার। সে এসে বলল, ‘আমির আপনাকে বলেছেন, এগুলো নিজের প্রয়োজনে খরচ করুন।’
আমি কিছুটা ভয় পেলাম, যদি এই অর্থও এখন গ্রহণ না করি তাহলে আব্দুল্লাহ বিন আলী আমার হয়তো ক্ষতি করবেন। তাই নিরুপায় হয়ে তা গ্রহণ করে নিলাম এবং সাথে সাথে পুরো দুশো দিনারই সদকা করে দিলাম।
যে তিনদিন আত্মগোপনে ছিলাম, সে তিনদিনই আমি রোজা রেখেছিলাম। আমির যখন বিষয়টি জানতে পারলেন আমাকে একদিন তার সাথে ইফতারের জন্য দাওয়াত করলেন। একজন জালেমের সাথে ইফতার করতে আমি সরাসরি অস্বীকৃতি জানালাম।
.
এইধরনের ব্যক্তিত্বের কারণে শামে ইমাম আওযায়ী রহিমাহুল্লাহের প্রভাব ছিলো অনেক বেশি। সেখানে তার প্রভাব ও কর্তৃত্ব ছিল এতটাই প্রবল যে, সাধারণ মানুষের কাছে তার নির্দেশ শাসকের নির্দেশের চেয়েও বেশি গুরুত্ব বহন করত।
একবার শামের এক গভর্নর তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেন। তখন তার সঙ্গীরা তাকে বলল, ‘তাকে ছেড়ে দিন। আল্লাহর কসম! উনি যদি মানুষকে আদেশ করেন আপনাকে হত্যা করে ফেলতে তাহলে শামবাসী নির্দ্ধিধায় তাই করবে’
ইমাম আওযায়ী ইন্তেকাল করার পর একবার সেই গভর্নর তার কবরের পাশে বসে বললেন, ‘আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন। আল্লাহর কসম! যে খলিফা আমাকে গভর্নর করে এখানে পাঠিয়েছেন তার থেকেও আমি আপনাকে বেশি ভয় করতাম!’
.
সূত্র : আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১০/১১৮, ১৫৭ হিজরীর আলোচনা দ্র.
শাম থেকে বনু উমাইয়াকে উৎখাত করে সেখানে সেই আব্বাসীদের শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে।
শামে প্রবেশের পর সেখানকার প্রসিদ্ধ আলেম ইমাম আওযায়ী রহিমাহুল্লাহকে তিনি নিজের দরবারে হাজির হওয়ার জন্য বার্তা পাঠালেন।
আওয়াযী রহিমহুল্লাহ বুঝে যান আব্দুল্লাহ বিন আলীর উদ্দেশ্য। তাই তার আবেদনে সাড়া না দিয়ে তিনদিন পর্যন্ত আত্মগোপনে থাকেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর এড়িয়ে থাকা সম্ভব হলো না। তিনি আবদুল্লাহ ইবন আলীর দরবারে গিয়ে উপস্থিত হন।
আওযায়ী রহিমাহুল্লাহ পরে সেই ভয়ংকর সাক্ষাতের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন,
আমি তার সামনে প্রবেশ করলাম। দেখলাম, সে একটি খাটের ওপর বসে আছে। হাতে একটি বাঁশের ছড়ি। তার ডান পাশে ও বাঁ পাশে কালো পোশাক পরা সৈন্যরা দাঁড়িয়ে আছে। তাদের হাতে খোলা তরবারি, কোমরে লোহার খাপ।
আমি তাকে সালাম দিলাম।
সে আমার সালামের কোনো জবাব দিল না। বরং হাতে থাকা বাঁশের ছড়িটি দিয়ে মাটিতে টোকা দিতে লাগল। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘হে আওযায়ী! আমরা যা করেছি, অর্থাৎ উমাইয়া জালিমদের হাত থেকে মানুষ ও দেশকে মুক্ত করেছি, এটা কি জিহাদ ও সীমান্ত পাহারা দেওয়ার কাজ হিসেবে গণ্য হবে বলে তুমি মনে করো?’
আওযায়ী রহিমাহুল্লাহ জবাবে বললেন,
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে।”’
আমার কথা শেষ হতেই সে আগের চেয়ে আরও জোরে বাঁশের ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল। তার চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৈন্যরাও একে একে নিজেদের তরবারির হাতল শক্ত করে মুঠোয় চেপে ধরল।
তারপর সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘হে আওযায়ী! বনু উমাইয়ার লোকদের রক্ত সম্পর্কে তুমি কী বল?’
আমি বললাম,
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
‘তিন কারণ ছাড়া মুসলমানের রক্ত ঝড়ানো বৈধ নয়। কেউ কোনো মুসলমানকে অন্যায়ভাবে হ*ত্যা করলে, বিবাহিত কেউ যিনা করলে এবং ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে।’
আমার উত্তর শুনে আব্দুল্লাহ বিন আলী আরও জোরে বাঁশের ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল। তারপর বলল,
‘তাহলে তাদের সম্পদ সম্পর্কে তুমি কী বল?’
আমি বললাম,
‘যদি তাদের হাতে থাকা সম্পদ হারামভাবে অর্জিত হয়ে থাকে, তবে আপনার জন্যও তা হারাম। আর যদি তা বৈধভাবে অর্জিত হয়ে থাকে, তাহলে শরিয়তসম্মত কোনো উপায় ছাড়া তা আপনার জন্য বৈধ হবে না।’
এবার সে আগের চেয়েও প্রবলভাবে ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল।
কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বলল,
‘তাহলে কি তোমাকে বিচারকের পদে নিয়োগ দেব?’
আমি বললাম,
‘আপনার পূর্বসূরিরা আমাকে এ বিষয়ে কখনো কষ্ট দেননি। আর আমি চাই, তারা আমার প্রতি যে অনুগ্রহের রীতি শুরু করে গেছেন, সেটিই যেনো অব্যাহত থাকে।’
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘মনে হচ্ছে, তুমি এখান থেকে চলে যেতে চাইছ?’
আমি বললাম,
‘আমার ঘরে কিছু নারী-স্বজন রয়েছেন। তারা অসহায় এবং তাদের দেখাশোনা ও নিরাপত্তার প্রয়োজন। আমার কারণে তাদের মনও এখন উদ্বেগে ভারাক্রান্ত।’
কথাগুলো বলার পর আমি মনে মনে অপেক্ষা করতে লাগলাম—এই বুঝি আমার মাথা আমার সামনে মাটিতে গড়িয়ে পড়বে!
কিন্তু কিছুক্ষণ পর সে আমাকে বলল,
‘তুমি চলে যাও।’
আমি তখন সেখান থেকে বেরিয়ে এলাম।
কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ দেখলাম, পেছন থেকে আমিরের একজন দূত আমার কাছে ছুটে আসছে। তার হাতে ছিল দুইশ দিনার। সে এসে বলল, ‘আমির আপনাকে বলেছেন, এগুলো নিজের প্রয়োজনে খরচ করুন।’
আমি কিছুটা ভয় পেলাম, যদি এই অর্থও এখন গ্রহণ না করি তাহলে আব্দুল্লাহ বিন আলী আমার হয়তো ক্ষতি করবেন। তাই নিরুপায় হয়ে তা গ্রহণ করে নিলাম এবং সাথে সাথে পুরো দুশো দিনারই সদকা করে দিলাম।
যে তিনদিন আত্মগোপনে ছিলাম, সে তিনদিনই আমি রোজা রেখেছিলাম। আমির যখন বিষয়টি জানতে পারলেন আমাকে একদিন তার সাথে ইফতারের জন্য দাওয়াত করলেন। একজন জালেমের সাথে ইফতার করতে আমি সরাসরি অস্বীকৃতি জানালাম।
.
এইধরনের ব্যক্তিত্বের কারণে শামে ইমাম আওযায়ী রহিমাহুল্লাহের প্রভাব ছিলো অনেক বেশি। সেখানে তার প্রভাব ও কর্তৃত্ব ছিল এতটাই প্রবল যে, সাধারণ মানুষের কাছে তার নির্দেশ শাসকের নির্দেশের চেয়েও বেশি গুরুত্ব বহন করত।
একবার শামের এক গভর্নর তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেন। তখন তার সঙ্গীরা তাকে বলল, ‘তাকে ছেড়ে দিন। আল্লাহর কসম! উনি যদি মানুষকে আদেশ করেন আপনাকে হত্যা করে ফেলতে তাহলে শামবাসী নির্দ্ধিধায় তাই করবে’
ইমাম আওযায়ী ইন্তেকাল করার পর একবার সেই গভর্নর তার কবরের পাশে বসে বললেন, ‘আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন। আল্লাহর কসম! যে খলিফা আমাকে গভর্নর করে এখানে পাঠিয়েছেন তার থেকেও আমি আপনাকে বেশি ভয় করতাম!’
.
সূত্র : আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১০/১১৮, ১৫৭ হিজরীর আলোচনা দ্র.
❤41🔥4
# শাসক নিজে যদি আলিমের গৃহে আসেন, তবে তাকে স্বাগত জানাতে, সাক্ষাৎ দিতে অসুবিধা নেই। এমন সাক্ষাৎকে যদি সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করার সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো হয়, শাসককে দীন ও উম্মাহর কল্যাণে কাজ করতে নসীহত করা হয়, তবে তা খুবই মুবারক কাজ। এমন আলিমের নামে বদনাম করা অন্যায়, এই প্রকৃতির সাক্ষাৎকে দরবারী আখ্যা দেয়া জুলুম। যাদের এটুকু শরঈ জ্ঞান নেই, আলিমদের প্রতি যাদের এটুকু শ্রদ্ধা ও আস্থা নেই, তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে দীন কায়েম করবেন কী করে?
# একই সঙ্গে বর্তমান সময়ের সেক্যুলার শাসকদের ব্যাপারে উলামায়ে কিরামকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। তাদের কারও কারও বংশীয় শারাফত ও সদাচার, ব্যক্তিগত ইসলাম ও উলামাপ্রীতির যাহের দেখে তাদের আদর্শিক বিচ্যুতি, শরীয়াহর সঙ্গে সেক্যুলার ও জাতীয়তাবাদী সিস্টেমের চিরন্তন সংঘাতের কথা এক মুহূর্তের জন্য নযরান্দায করা যাবে না। তারা ব্যক্তি জীবনে যতোই সৎ হোন, যেই সিস্টেমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তা যে সবচেয়ে বড়ো আদর্শিক অসততা, উলামাদের সামনে তারা যতোই বিনয়ী হোন, রাজনীতিতে তারা যে মহান আল্লাহর সামনে চরম দুর্বিনীত, তারা যতোই উলামাদের কাছে আসুন, আদর্শিকভাবে উলামারা যে তাদের সবচেয়ে বড়ো প্রতিপক্ষ এটা ভোলা যাবে না। ফলে উচ্ছ্বাস নয়, এই প্রকৃতির সাক্ষাৎ ঘিরে উলামাদের সতর্ক পাঠ ও পর্যবেক্ষণ থাকা দরকার।
©মাওলানা মিজান হারুন হাফি.
# একই সঙ্গে বর্তমান সময়ের সেক্যুলার শাসকদের ব্যাপারে উলামায়ে কিরামকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। তাদের কারও কারও বংশীয় শারাফত ও সদাচার, ব্যক্তিগত ইসলাম ও উলামাপ্রীতির যাহের দেখে তাদের আদর্শিক বিচ্যুতি, শরীয়াহর সঙ্গে সেক্যুলার ও জাতীয়তাবাদী সিস্টেমের চিরন্তন সংঘাতের কথা এক মুহূর্তের জন্য নযরান্দায করা যাবে না। তারা ব্যক্তি জীবনে যতোই সৎ হোন, যেই সিস্টেমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তা যে সবচেয়ে বড়ো আদর্শিক অসততা, উলামাদের সামনে তারা যতোই বিনয়ী হোন, রাজনীতিতে তারা যে মহান আল্লাহর সামনে চরম দুর্বিনীত, তারা যতোই উলামাদের কাছে আসুন, আদর্শিকভাবে উলামারা যে তাদের সবচেয়ে বড়ো প্রতিপক্ষ এটা ভোলা যাবে না। ফলে উচ্ছ্বাস নয়, এই প্রকৃতির সাক্ষাৎ ঘিরে উলামাদের সতর্ক পাঠ ও পর্যবেক্ষণ থাকা দরকার।
©মাওলানা মিজান হারুন হাফি.
❤33👍10🔥2
বর্তমান যুগে মুসলমান-অমুসলিমদের মধ্যকার সম্পর্কের পার্থক্যরেখা মুছে যাচ্ছে। একই দেশ ও সমাজে একসাথে বসবাসের সুবাদে অতীতের তুলনায় বর্তমানে পারস্পরিক যোগাযোগ ও লেনদেনের প্রয়োজনীয়তা বেশি দেখা দিচ্ছে। তাই এই বিষয়টি বর্তমান জামানার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ব্যক্তি থেকে সামাজিক জীবনের প্রতিটি কদমে এর প্রয়োজনীয়তার সম্মুখীন হচ্ছি।
এসব কারণে জরুরি হয়ে পড়েছে মুসলমান ও কাফেরদের মধ্যে সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং তার শরয়ি বিধিবিধান ও মাসআলাগুলোকে ইলমি-আমলি দিক থেকে স্পষ্ট করা। বক্ষ্যমাণ বইটিতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সে বিষয়টিই আলোকপাত করা হয়েছে।
মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান,
অনুবাদ: শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বশির
মূল্য: ১৭০৳ (২৫% ছাড়ে!)
এসব কারণে জরুরি হয়ে পড়েছে মুসলমান ও কাফেরদের মধ্যে সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং তার শরয়ি বিধিবিধান ও মাসআলাগুলোকে ইলমি-আমলি দিক থেকে স্পষ্ট করা। বক্ষ্যমাণ বইটিতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সে বিষয়টিই আলোকপাত করা হয়েছে।
মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান,
অনুবাদ: শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বশির
মূল্য: ১৭০৳ (২৫% ছাড়ে!)
❤24⚡1
প্রতিদিনই আমার এই বিশ্বাস আরও দৃঢ় হচ্ছে যে, মুসলমান বর্তমানে যে সংকটে রয়েছে তা সংশয়ের সংকট নয়। যেগুলো দূর করার জন্য সংশয়ের খণ্ডন, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ইত্যাদি করার খুব বেশি প্রয়োজন রয়েছে। বরং এ
সংকটটি দূর্বলতা ও ব্যর্থতার। যা মোকাবিলায় প্রয়োজন কর্মদক্ষতা, কাজ সম্পাদনের সামর্থ্য, এবং যোগ্য মানুষ ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সক্ষমতা।
কারণ, কোনো সংশয় যতই দুর্বল ও ভিত্তিহীন হোক, তা যদি কোনো শক্তিশালী, বিজয়ী ও ক্ষমতাবান ব্যক্তি বলে, মানুষ তার কথাকে গুরুত্ব দেয়। আবার কোনো সত্য যতই সঠিক ও শক্তিশালী হোক, তা যদি কোনো দুর্বল ও বঞ্চিত মানুষের মুখে উচ্চারিত হয়, মানুষ সেটিকেও ত্রুটিপূর্ণ ও তুচ্ছ মনে করে। এটাই মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা।
কিন্তু শক্তির ভারসাম্য যখন বদলে যায়, তখন দৃশ্যপটও বদলে যায়। যে সংশয় একসময় শক্তিশালী পক্ষের প্রভাবে মানুষের চিন্তায় আধিপত্য বিস্তার করেছিল, তা তখন গ্রীষ্মের মেঘের মতো মিলিয়ে যায়। আর যে সত্য এতদিন দুর্বল ও বঞ্চিত মানুষের মুখে থাকায় তুচ্ছজ্ঞান করা হয়েছিল, তার প্রবক্তা যখন বিজয়ী হয়, তখন সেই চিন্তাই মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। মানুষও তখন অনায়াসে তার দিকে ফিরে আসে।
-মুহাম্মদ ইলহামি
সাবিলুর রশাদ: মাআলিমু তরিকিত তাহাররুরিল ইসলামি, পৃ. ১৩, তৃতীয় মূদ্রণ
সংকটটি দূর্বলতা ও ব্যর্থতার। যা মোকাবিলায় প্রয়োজন কর্মদক্ষতা, কাজ সম্পাদনের সামর্থ্য, এবং যোগ্য মানুষ ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সক্ষমতা।
কারণ, কোনো সংশয় যতই দুর্বল ও ভিত্তিহীন হোক, তা যদি কোনো শক্তিশালী, বিজয়ী ও ক্ষমতাবান ব্যক্তি বলে, মানুষ তার কথাকে গুরুত্ব দেয়। আবার কোনো সত্য যতই সঠিক ও শক্তিশালী হোক, তা যদি কোনো দুর্বল ও বঞ্চিত মানুষের মুখে উচ্চারিত হয়, মানুষ সেটিকেও ত্রুটিপূর্ণ ও তুচ্ছ মনে করে। এটাই মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা।
কিন্তু শক্তির ভারসাম্য যখন বদলে যায়, তখন দৃশ্যপটও বদলে যায়। যে সংশয় একসময় শক্তিশালী পক্ষের প্রভাবে মানুষের চিন্তায় আধিপত্য বিস্তার করেছিল, তা তখন গ্রীষ্মের মেঘের মতো মিলিয়ে যায়। আর যে সত্য এতদিন দুর্বল ও বঞ্চিত মানুষের মুখে থাকায় তুচ্ছজ্ঞান করা হয়েছিল, তার প্রবক্তা যখন বিজয়ী হয়, তখন সেই চিন্তাই মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। মানুষও তখন অনায়াসে তার দিকে ফিরে আসে।
-মুহাম্মদ ইলহামি
সাবিলুর রশাদ: মাআলিমু তরিকিত তাহাররুরিল ইসলামি, পৃ. ১৩, তৃতীয় মূদ্রণ
❤35
Abdullah bin bashir
Photo
যেকোনো শাস্ত্র নিয়ে বিস্তর পড়াশোনা করা কারো লেখা পড়ার একটা ফায়দা হলো, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আপনার অল্প-বিস্তর যাই পড়াশোনা থাকুক, তারপরও উক্ত বই থেকে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন। এবং এমন অনেক নোট করার মত বিষয় পাবেন যা হয়তো আপনার পড়াশোনার পরিধিতে ছিলো না।
ইমাম মাহদি, দাজ্জাল এই সকল বিষয়ে লিখিত বইয়ের প্রতি সবসময় একটা আগ্রহ কাজ করে। সে হিসেবে বিজ্ঞ উস্তাদদের তত্ত্বাবধানে উলুমুল হাদিস বিষয়ক বিস্তর পড়াশোনা করা মাওলানা ইবরাহিম সাহেবের লেখা এই বইটির সংবাদ যখন পাই, তখন থেকেই বইটি পড়ার ইচ্ছে ছিলো। আলহামদুলিল্লাহ, কিছুদিন আগে সংগ্রহ হলে দ্রুতই বইটি পড়ে ফেলি এবং গুরুত্বপূর্ণ এমন অনেক নোট পাই, যা এই বিষয়ে আমার জ্ঞানকে আরো সমৃদ্ধ করেছে।
.
* বইটি মূলত তিনটি অধ্যায়ে লিখিত। ১. ইমাম মাহদি। ২. দাজ্জাল। ৩. হযরত ঈসা আ.।
কেয়ামতের পূর্বের এই তিনজন ব্যক্তিকে নিয়ে সমাজে নানারকম বিভ্রান্তি রয়েছে। সেগুলোর ইলমি ও দালিলিক আলাপ সংক্ষেপে বইটিতে রয়েছে। আলোচনা সংক্ষিপ্ত হলেও তৃপ্তিদায়ক।
*লেখক উলুমুল হাদিস বিষয়ক বিজ্ঞ মানুষ হলেও ফেরাকে বাতেলা বিষয়কও লেখকের প্রচুর পড়াশোনা রয়েছে, তা বইটি পড়লে আন্দাজ করা যায়। ইমাম মাহদি বিষয়ক, কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহিদ, শিয়াদের যে ভান্তি সেগুলো ফিরকাগুলোর একদম মূল উৎস থেকে লেখম দেখিয়েছেন এবং সংক্ষিপ্ত তবে জোড়ালো খণ্ডন করেছেন।
* বইটিতে ইমাম মাহদি বিষয়ক আলোচনায় বেশ উপকৃত হয়েছে। বিশেষত ইমাম মাহদি বিষয়ক নেতিবাচক ও ইতিবাচক উভয় ধরনের ভ্রান্তিগুলো নিয়েই লেখক আলোচনা করেছেন এবং সকল দিকের ভ্রান্তিগুলোর তৃপ্তিদায়ক জবাব দিয়েছে।
*সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে ইমাম মাহদি কেন্দ্রিক ইবনে খালদুন যে ভ্রান্তির স্বীকার হয়েছেন এবং কেনো হয়েছেন তা লেখক একদম গোড়া থেকে দেখিয়েছেন এবং সেগুলোর চমৎকার ও দালিলিক খণ্ডন করেছেন।
.
আল্লাহ লেখককে উত্তম প্রতিদান দান করুন। উম্মাহের জন্য এমন আরো উপকারী কাজ করার তাওফিক দান করুন।
ইমাম মাহদি, দাজ্জাল এই সকল বিষয়ে লিখিত বইয়ের প্রতি সবসময় একটা আগ্রহ কাজ করে। সে হিসেবে বিজ্ঞ উস্তাদদের তত্ত্বাবধানে উলুমুল হাদিস বিষয়ক বিস্তর পড়াশোনা করা মাওলানা ইবরাহিম সাহেবের লেখা এই বইটির সংবাদ যখন পাই, তখন থেকেই বইটি পড়ার ইচ্ছে ছিলো। আলহামদুলিল্লাহ, কিছুদিন আগে সংগ্রহ হলে দ্রুতই বইটি পড়ে ফেলি এবং গুরুত্বপূর্ণ এমন অনেক নোট পাই, যা এই বিষয়ে আমার জ্ঞানকে আরো সমৃদ্ধ করেছে।
.
* বইটি মূলত তিনটি অধ্যায়ে লিখিত। ১. ইমাম মাহদি। ২. দাজ্জাল। ৩. হযরত ঈসা আ.।
কেয়ামতের পূর্বের এই তিনজন ব্যক্তিকে নিয়ে সমাজে নানারকম বিভ্রান্তি রয়েছে। সেগুলোর ইলমি ও দালিলিক আলাপ সংক্ষেপে বইটিতে রয়েছে। আলোচনা সংক্ষিপ্ত হলেও তৃপ্তিদায়ক।
*লেখক উলুমুল হাদিস বিষয়ক বিজ্ঞ মানুষ হলেও ফেরাকে বাতেলা বিষয়কও লেখকের প্রচুর পড়াশোনা রয়েছে, তা বইটি পড়লে আন্দাজ করা যায়। ইমাম মাহদি বিষয়ক, কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহিদ, শিয়াদের যে ভান্তি সেগুলো ফিরকাগুলোর একদম মূল উৎস থেকে লেখম দেখিয়েছেন এবং সংক্ষিপ্ত তবে জোড়ালো খণ্ডন করেছেন।
* বইটিতে ইমাম মাহদি বিষয়ক আলোচনায় বেশ উপকৃত হয়েছে। বিশেষত ইমাম মাহদি বিষয়ক নেতিবাচক ও ইতিবাচক উভয় ধরনের ভ্রান্তিগুলো নিয়েই লেখক আলোচনা করেছেন এবং সকল দিকের ভ্রান্তিগুলোর তৃপ্তিদায়ক জবাব দিয়েছে।
*সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে ইমাম মাহদি কেন্দ্রিক ইবনে খালদুন যে ভ্রান্তির স্বীকার হয়েছেন এবং কেনো হয়েছেন তা লেখক একদম গোড়া থেকে দেখিয়েছেন এবং সেগুলোর চমৎকার ও দালিলিক খণ্ডন করেছেন।
.
আল্লাহ লেখককে উত্তম প্রতিদান দান করুন। উম্মাহের জন্য এমন আরো উপকারী কাজ করার তাওফিক দান করুন।
❤37
বাদাখশানে তালেবরা কেনো মানুষ মারতেছে?
.
কেউ কোনো অধিকারের জন্য—চাই তা ন্যায্য হোক বা অন্যায্য—নিরস্ত্রভাবে যদি আন্দোলন করে, সেই আন্দোলনকারীদের গু*লি করে হ*ত্যা করা একটা অন্যায়। চাই এটা তালেবান করুক বা এরদোয়ান।
.
তালেবদের ব্যাপারে একটা অভিযোগ উঠেছে, তালেবরা নাকি মে মাস থেকে বাদাখশানে আন্দোলনকারীদের নিয়মিত গু*লি করে হ*ত্যা করতেছে৷ স্বাভাবিক এমন অভিযোগ শুনে খারাপ লাগলো।
কিন্তু অভিযোগগুলো একটু যাচাই করে যেটা বুঝলাম, বিষয়টিকে যতটা সরল করে উপস্থাপন করা হচ্ছে তা এত সরল নয়।
অভিযোগ থেকে মনে হচ্ছে বাদাখশানে তালেবরা শত শত না হলেও ৫০/৬০ বা ৭০/৮০ জনের মত নিরস্ত্র মানুষকে গ*লি করে মে*ছে। অথচ বিবিসি বহু কৌশল করেও এখন পর্যন্ত মে থেকে আগষ্টের আজকের দিন পর্যন্ত আন্দোলনে তালেবদের গুলিতে নিহিতের সংখ্যা উল্লেখ করতেছে মাত্র ৪ থেকে ৮ জন।
এই হলো একদিক। এবার এই ৪ থেকে ৮ জনও নিরস্ত্র অসহায় আন্দোলকারী নয়। বরং ঘটনা হলো, বাদাখশানে এক স্বামী-স্ত্রী হুন্ডায় করে মাদক চোরাচালানের কাজ করতেছিলো। তালেবরা সন্দেহের ভিত্তিতে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করলে স্বামী কোনোভাবে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ছড়িয়ে দেয়, তালেবরা নারীর গায়ে হাত দিয়ে তল্লাশি করতেছে! বাস, নারীর ইজ্জতের বিষয়ক সেন্সেটিভ আফগান জাতি পুরো বিষয় যাচাই না করেই ক্ষেপে উঠে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তালেব বিরোধী স্থানীয়রা লোকদের নিয়ে পুলিশ চৌকিতে সশস্ত্র আক্রমণ করে বসে। তালেবরা পালটা আক্রমণ চালায়।
এই হলো ঘটনা। বাকি তালেবদের দাবী হলো, গুলিতে আহত হলেও কোনো নিহিত হয়নি।
স্থানীয়দের কিছু কেনো ক্ষেপে উঠলো, যাচাই না করে? মূলত বাদাখশানে আফিম, চোরাকারবারির কাজ ছিলো তুঙ্গে। তালেবরা এগুলো বন্ধ করে সকলকে বৈধ পথে ইনকামের জন্য বলছে এবং বিভিন্ন বৈধ ইনকামের পথও দ্রুত ব্যবস্থা করছে। ঐ যে কিছু খবিসের কাজই হলো অন্যায়ভাবে টাকা কামিয়ে বড়লোক হওয়া! একটি ইসলামি শাসন তো কখনোই কর্মসংস্থানের নামে অবৈধ কাজের রাস্তা খোলা রাখতে পারে না। এগুলো ইসলামি গণতন্ত্রের স্লোগান তোলা ভণ্ডগুলোর পক্ষেই সম্ভব।
.
মে থেকে আগষ্টের যে আন্দোলনে ৪ থেকে ৮ জনের নি*হিতের খবর বিবিসি করতেছে তার মধ্যে একটি বড় ঘটনা হলো জুলাইতে। বাদাখশানের এক সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হলো সেপাহ-ই মিহান ফ্রন্ট। তারা বাদাখশানের একটি জেলায় আক্রমণ করে তালেবদের হটিয়ে দেয়। তালেবরা এরপর পালটা আক্রমণ চালিয়ে জেলাটি পুনরূদ্ধার করে। একটি সশস্ত্র বিদ্রোহীদের তো ফুল ছিটিয়ে ছড়ানো সম্ভব নয়!
.
এই হলো মোটামুটি চিত্র যা কিছু ঘাটাঘাটি করে পেলাম। তালেবদের অবশ্যই স্থানীয়দের সাথে আরো সতর্কতা ও আন্তরিকতার সাথে বিষয়গুলো ডিল করা উচিত। কিন্তু দুইটা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে এই দীর্ঘ সময় করে আটজন মানুষ (যদি ধরে নেই) নিহিত হওয়া কী খুবই বড় ঘটনা?
.
তালেবরা সাহাবাদের জামাত না৷ তাদের পলিসিতে ভুল থাকতে পারে। তাদের কারো ব্যক্তিগত ত্রুটিও থাকতে পারে। তাদের কিছু কৌশল হয়তো সময়ের সাথে অনুপযুক্ত ও শরীয়াহ বিরোধীও হয়তো হয়ে যেতে পারে৷ আর যেটা ভুল সেটা অবশ্যই ভুল। কিন্তু এই সবকিছুর পরও সামগ্রিকভাবে বর্তমান পৃথিবীর মুসলিম উম্মাহের জন্য এই দল আল্লাহর রহমত এবং উম্মাহের জন্য আদর্শস্বরূপ।
.
সোর্স:
১। আগষ্টের ঘটনা সম্পর্কে “কাবুল নাউ” এর নিউজ।
https://kabulnow.com/2026/08/taliban-confirm-injuries-during-badakhshan-protest-as-reports-allege-deadly-crackdown/?utm_source=chatgpt.com
২। জুলাইতে হওয়া ঘটনা সম্পর্কে আফগান ইন্টারন্যাশনাল সাইটের নিউজ
https://www.afintl.com/en/202608018810
.
কেউ কোনো অধিকারের জন্য—চাই তা ন্যায্য হোক বা অন্যায্য—নিরস্ত্রভাবে যদি আন্দোলন করে, সেই আন্দোলনকারীদের গু*লি করে হ*ত্যা করা একটা অন্যায়। চাই এটা তালেবান করুক বা এরদোয়ান।
.
তালেবদের ব্যাপারে একটা অভিযোগ উঠেছে, তালেবরা নাকি মে মাস থেকে বাদাখশানে আন্দোলনকারীদের নিয়মিত গু*লি করে হ*ত্যা করতেছে৷ স্বাভাবিক এমন অভিযোগ শুনে খারাপ লাগলো।
কিন্তু অভিযোগগুলো একটু যাচাই করে যেটা বুঝলাম, বিষয়টিকে যতটা সরল করে উপস্থাপন করা হচ্ছে তা এত সরল নয়।
অভিযোগ থেকে মনে হচ্ছে বাদাখশানে তালেবরা শত শত না হলেও ৫০/৬০ বা ৭০/৮০ জনের মত নিরস্ত্র মানুষকে গ*লি করে মে*ছে। অথচ বিবিসি বহু কৌশল করেও এখন পর্যন্ত মে থেকে আগষ্টের আজকের দিন পর্যন্ত আন্দোলনে তালেবদের গুলিতে নিহিতের সংখ্যা উল্লেখ করতেছে মাত্র ৪ থেকে ৮ জন।
এই হলো একদিক। এবার এই ৪ থেকে ৮ জনও নিরস্ত্র অসহায় আন্দোলকারী নয়। বরং ঘটনা হলো, বাদাখশানে এক স্বামী-স্ত্রী হুন্ডায় করে মাদক চোরাচালানের কাজ করতেছিলো। তালেবরা সন্দেহের ভিত্তিতে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করলে স্বামী কোনোভাবে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ছড়িয়ে দেয়, তালেবরা নারীর গায়ে হাত দিয়ে তল্লাশি করতেছে! বাস, নারীর ইজ্জতের বিষয়ক সেন্সেটিভ আফগান জাতি পুরো বিষয় যাচাই না করেই ক্ষেপে উঠে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তালেব বিরোধী স্থানীয়রা লোকদের নিয়ে পুলিশ চৌকিতে সশস্ত্র আক্রমণ করে বসে। তালেবরা পালটা আক্রমণ চালায়।
এই হলো ঘটনা। বাকি তালেবদের দাবী হলো, গুলিতে আহত হলেও কোনো নিহিত হয়নি।
স্থানীয়দের কিছু কেনো ক্ষেপে উঠলো, যাচাই না করে? মূলত বাদাখশানে আফিম, চোরাকারবারির কাজ ছিলো তুঙ্গে। তালেবরা এগুলো বন্ধ করে সকলকে বৈধ পথে ইনকামের জন্য বলছে এবং বিভিন্ন বৈধ ইনকামের পথও দ্রুত ব্যবস্থা করছে। ঐ যে কিছু খবিসের কাজই হলো অন্যায়ভাবে টাকা কামিয়ে বড়লোক হওয়া! একটি ইসলামি শাসন তো কখনোই কর্মসংস্থানের নামে অবৈধ কাজের রাস্তা খোলা রাখতে পারে না। এগুলো ইসলামি গণতন্ত্রের স্লোগান তোলা ভণ্ডগুলোর পক্ষেই সম্ভব।
.
মে থেকে আগষ্টের যে আন্দোলনে ৪ থেকে ৮ জনের নি*হিতের খবর বিবিসি করতেছে তার মধ্যে একটি বড় ঘটনা হলো জুলাইতে। বাদাখশানের এক সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হলো সেপাহ-ই মিহান ফ্রন্ট। তারা বাদাখশানের একটি জেলায় আক্রমণ করে তালেবদের হটিয়ে দেয়। তালেবরা এরপর পালটা আক্রমণ চালিয়ে জেলাটি পুনরূদ্ধার করে। একটি সশস্ত্র বিদ্রোহীদের তো ফুল ছিটিয়ে ছড়ানো সম্ভব নয়!
.
এই হলো মোটামুটি চিত্র যা কিছু ঘাটাঘাটি করে পেলাম। তালেবদের অবশ্যই স্থানীয়দের সাথে আরো সতর্কতা ও আন্তরিকতার সাথে বিষয়গুলো ডিল করা উচিত। কিন্তু দুইটা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে এই দীর্ঘ সময় করে আটজন মানুষ (যদি ধরে নেই) নিহিত হওয়া কী খুবই বড় ঘটনা?
.
তালেবরা সাহাবাদের জামাত না৷ তাদের পলিসিতে ভুল থাকতে পারে। তাদের কারো ব্যক্তিগত ত্রুটিও থাকতে পারে। তাদের কিছু কৌশল হয়তো সময়ের সাথে অনুপযুক্ত ও শরীয়াহ বিরোধীও হয়তো হয়ে যেতে পারে৷ আর যেটা ভুল সেটা অবশ্যই ভুল। কিন্তু এই সবকিছুর পরও সামগ্রিকভাবে বর্তমান পৃথিবীর মুসলিম উম্মাহের জন্য এই দল আল্লাহর রহমত এবং উম্মাহের জন্য আদর্শস্বরূপ।
.
সোর্স:
১। আগষ্টের ঘটনা সম্পর্কে “কাবুল নাউ” এর নিউজ।
https://kabulnow.com/2026/08/taliban-confirm-injuries-during-badakhshan-protest-as-reports-allege-deadly-crackdown/?utm_source=chatgpt.com
২। জুলাইতে হওয়া ঘটনা সম্পর্কে আফগান ইন্টারন্যাশনাল সাইটের নিউজ
https://www.afintl.com/en/202608018810
❤34👍7
ইলহামির সাবিলুর রাশাদ বইটা শেষ করলাম। ইনশাআল্লাহ, বইটি নিয়ে আলাপ করার ইচ্ছে আছে।
একদম শেষের দিকে এই লাইনগুলো বলেছেন ইলহামি।
একদম শেষের দিকে এই লাইনগুলো বলেছেন ইলহামি।
❤20
Sabil Ar-rashad - The Path of Guidance.pdf
1 MB
ইলহামির এই আরবী বইটা জেনারেল ভাইরাও পড়তে পারেন ইনশাআল্লাহ। বইটির ইংরেজি অনুবাদ।
❤13
উশর; একটি বিস্মৃত ফরয.pdf
5.8 MB
উশর সংক্রান্ত এই সংক্ষিপ্ত রিসালাটি পড়ে অনেক অনেক বেশি উপকৃত হয়েছি।
এই মাসআলাগুলো আমাদের মাঝে প্রায়োগিক চর্চা না থাকার কারণে যতবারই পড়ি কিছু খটকা থেকেই যায়৷ কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এই বইটি এতটাই চমৎকার ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা হয়েছে যে, সহজেই বিষয়ের সকল দিকগুলো স্পষ্ট হয়ে যায়।
এই মাসআলাগুলো আমাদের মাঝে প্রায়োগিক চর্চা না থাকার কারণে যতবারই পড়ি কিছু খটকা থেকেই যায়৷ কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এই বইটি এতটাই চমৎকার ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা হয়েছে যে, সহজেই বিষয়ের সকল দিকগুলো স্পষ্ট হয়ে যায়।
❤29
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন এমন একজন শাসক ও নেতা, যিনি সামনে থাকা ব্যক্তিদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারতেন। তিনি তাদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতেন। তাদের দক্ষতা কিংবা দূর্বলতার দিক ছিল তাঁর কাছে স্পষ্ট। হুদাইবিয়ার সন্ধির সময় সুহাইল বিন আমরকে দেখেই নবিজি বলেছিলেন, তোমাদের জন্য তোমাদের কাজ সহজ হয়ে গেল। কুরাইশরা সন্ধি করতে চায় তাই তারা তাকে পাঠিয়েছে।
নবিজি সুহাইল বিন আমরের ভূমিকা সম্পর্কে জানতেন, কুরাইশদের মাঝে তার অবস্থান সম্পর্কেও তিনি ছিলেন অবগত। এই ঘটনার আলোকে আমরা নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে পারি, আজকের সমাজে দাঈ ও সংস্কারকদের কতজন তার এলাকার পুলিশ অফিসার, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক কিংবা অন্য গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের স্বভাব চরিত্র ও কর্মকান্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন? কতজন এমন আছেন যারা এসব ব্যক্তির মনোভাব বুঝতে পেরে তার সাথে সঠিক আচরণ করতে পারেন? আমরা কোনো সমঝোতার কথা বলছি না, বরং আমরা সেই প্রজ্ঞার কথা বলছি, যা নবিজি দাওয়াতের ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়েছেন।
বহুবার এমন হয়েছে সঠিক ব্যক্তিকে ভুল পদ্ধতিতে দাওয়াত দেয়ার কারণে তিনি দাওয়াত থেকে দুরে সরে গিয়েছেন এমনকি দাওয়াতের শত্রু হয়ে উঠেছেন। ফলে দাঈদের উচিত নবিজির সিরাত থেকে এই দক্ষতাগুলো অর্জনের গুরুত্ব অনুধাবন করা যা তাদের দাওয়াতকে বেগবান করবে।
হাযিম সলাহ আবু ইসমাইল
*ইমরান রাইহান ভাইয়ের পোষ্ট থেকে
নবিজি সুহাইল বিন আমরের ভূমিকা সম্পর্কে জানতেন, কুরাইশদের মাঝে তার অবস্থান সম্পর্কেও তিনি ছিলেন অবগত। এই ঘটনার আলোকে আমরা নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে পারি, আজকের সমাজে দাঈ ও সংস্কারকদের কতজন তার এলাকার পুলিশ অফিসার, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক কিংবা অন্য গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের স্বভাব চরিত্র ও কর্মকান্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন? কতজন এমন আছেন যারা এসব ব্যক্তির মনোভাব বুঝতে পেরে তার সাথে সঠিক আচরণ করতে পারেন? আমরা কোনো সমঝোতার কথা বলছি না, বরং আমরা সেই প্রজ্ঞার কথা বলছি, যা নবিজি দাওয়াতের ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়েছেন।
বহুবার এমন হয়েছে সঠিক ব্যক্তিকে ভুল পদ্ধতিতে দাওয়াত দেয়ার কারণে তিনি দাওয়াত থেকে দুরে সরে গিয়েছেন এমনকি দাওয়াতের শত্রু হয়ে উঠেছেন। ফলে দাঈদের উচিত নবিজির সিরাত থেকে এই দক্ষতাগুলো অর্জনের গুরুত্ব অনুধাবন করা যা তাদের দাওয়াতকে বেগবান করবে।
হাযিম সলাহ আবু ইসমাইল
*ইমরান রাইহান ভাইয়ের পোষ্ট থেকে
❤34😢1
আহলে ইলম ও তালেবে ইলম ভাইদের জন্য সুখবর!
.
মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ইংরেজি মাসের প্রথম শুক্রবার বাদ দিয়ে বাকি শুক্রবারগুলোতে উসুলুল বাজদাবীর "বাহসুস সুন্নাহ" থেকে নিয়মিত দরস দিবেন।
.
স্থান : মিরপুর পল্লবীর মারকাযুদ দাওয়াহ ভবন।
সময় : সকাল ৭টা থেকে
.
যাদের অন্তরের দীর্ঘ এমন তামান্না ছিলো, তাদের জন্য এটা অনেক বড় রহমত ইনশাআল্লাহ।
.
মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ইংরেজি মাসের প্রথম শুক্রবার বাদ দিয়ে বাকি শুক্রবারগুলোতে উসুলুল বাজদাবীর "বাহসুস সুন্নাহ" থেকে নিয়মিত দরস দিবেন।
.
স্থান : মিরপুর পল্লবীর মারকাযুদ দাওয়াহ ভবন।
সময় : সকাল ৭টা থেকে
.
যাদের অন্তরের দীর্ঘ এমন তামান্না ছিলো, তাদের জন্য এটা অনেক বড় রহমত ইনশাআল্লাহ।
❤55
দারুল ইসলাম ও দারুল হারব সংক্রান্ত প্রকাশিতব্য বই থেকে একটি টিকা
লেখক এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের অবতারণা করেছেন। অতীতে মুসলিম শাসকদের হাতে যে ধরনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব ছিলো, তার বলে তারা চাইলে ইসলামি আইন রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন করতে পারতেন। এ ক্ষেত্রে তাদের সামনে বর্তমান সময়ের মতো কোনো আইনি বা সাংবিধানিক জটিলতা ছিলো না। বরং সমাজ, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং প্রচলিত আইনি বাস্তবতাও সাধারণত তাদের এই ক্ষমতা প্রয়োগের অনুকূলে ছিলো। এ কারণে সে সময় কোনো ভূখণ্ড “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম”—মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা, সেটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি ছিলো।
কিন্তু বর্তমানের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একজন মুসলিম শাসকের হাতে অতীতের শাসকদের মতো নিরঙ্কুশ রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব নেই। ফলে তিনি যতই মুখলিস ও দ্বীনের ব্যাপারে আন্তরিক হোন না কেন, শুধু নিজের ক্ষমতাবলে চাইলেই পুরো রাষ্ট্রীয় আইন ও সাংবিধানিক কাঠামো পরিবর্তন করে ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠা করতে পারেন না। অতএব, বর্তমান বাস্তবতায় পূর্ববর্তী ফকিহদের “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম” (মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা) কথাটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করা যথার্থ নয়। (আব্দুল্লাহ)
.
ইনশাআল্লাহ এবারের বাইতুল মুকাররম বইমেলাতেই আসবে।
লেখক এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের অবতারণা করেছেন। অতীতে মুসলিম শাসকদের হাতে যে ধরনের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব ছিলো, তার বলে তারা চাইলে ইসলামি আইন রাষ্ট্রে বাস্তবায়ন করতে পারতেন। এ ক্ষেত্রে তাদের সামনে বর্তমান সময়ের মতো কোনো আইনি বা সাংবিধানিক জটিলতা ছিলো না। বরং সমাজ, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং প্রচলিত আইনি বাস্তবতাও সাধারণত তাদের এই ক্ষমতা প্রয়োগের অনুকূলে ছিলো। এ কারণে সে সময় কোনো ভূখণ্ড “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম”—মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা, সেটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি ছিলো।
কিন্তু বর্তমানের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একজন মুসলিম শাসকের হাতে অতীতের শাসকদের মতো নিরঙ্কুশ রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব নেই। ফলে তিনি যতই মুখলিস ও দ্বীনের ব্যাপারে আন্তরিক হোন না কেন, শুধু নিজের ক্ষমতাবলে চাইলেই পুরো রাষ্ট্রীয় আইন ও সাংবিধানিক কাঠামো পরিবর্তন করে ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠা করতে পারেন না। অতএব, বর্তমান বাস্তবতায় পূর্ববর্তী ফকিহদের “তাহতা ইয়াদিল মুসলিম” (মুসলিম শাসকের অধীনে থাকা) কথাটিকে দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পার্থক্য নির্ণয়ের মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করা যথার্থ নয়। (আব্দুল্লাহ)
.
ইনশাআল্লাহ এবারের বাইতুল মুকাররম বইমেলাতেই আসবে।
❤25
প্রকাশিতব্য বই থেকে
কোনো মাসআলায় সকল ফকিহ একমত না হলেই এটা কীভাবে আবশ্যক হয়ে যায় যে, সংখ্যগরিষ্ঠের মতকে বাদ দিয়ে অন্যমত গ্রহণ করতে হবে?
সমকালীন অনেক গবেষক মতানৈক্যপূর্ণ মাসআলাগুলোতে ফকিহদের বিভিন্ন মতামত এমনভাবে উপস্থাপন করেন যে, সংশ্লিষ্ট মাসআলার শরয়ী গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়। ফলে সাধারণভাবে এ ধারণা সৃষ্টি হয় যে, এই মাসআলায় যেকোনো একজন ফকিহের মত গ্রহণ করলেই যথেষ্ট। অথচ বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই ধরনের কাজ শরয়ী মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। সকল ইখতিলাফই মাসআলার গুরুত্ব কমিয়ে দেয় না, আবার সকল ইখতিলাফ সকলের জন্য ইচ্ছেমতো যেকোনো মত গ্রহণের সুযোগও তৈরি করে না। বরং এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, ব্যক্তি মুজতাহিদ হলে তার ইজতিহাদি যোগ্যতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিবে আর মাজহাবের অনুসারী হলে নিজ মাজহাবের ইমামের মতটি গ্রহণ করবে।
.
আসন্ন বাইতুল মুকাররম বই মেলায় ইনশাআল্লাহ
কোনো মাসআলায় সকল ফকিহ একমত না হলেই এটা কীভাবে আবশ্যক হয়ে যায় যে, সংখ্যগরিষ্ঠের মতকে বাদ দিয়ে অন্যমত গ্রহণ করতে হবে?
সমকালীন অনেক গবেষক মতানৈক্যপূর্ণ মাসআলাগুলোতে ফকিহদের বিভিন্ন মতামত এমনভাবে উপস্থাপন করেন যে, সংশ্লিষ্ট মাসআলার শরয়ী গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়। ফলে সাধারণভাবে এ ধারণা সৃষ্টি হয় যে, এই মাসআলায় যেকোনো একজন ফকিহের মত গ্রহণ করলেই যথেষ্ট। অথচ বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই ধরনের কাজ শরয়ী মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। সকল ইখতিলাফই মাসআলার গুরুত্ব কমিয়ে দেয় না, আবার সকল ইখতিলাফ সকলের জন্য ইচ্ছেমতো যেকোনো মত গ্রহণের সুযোগও তৈরি করে না। বরং এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, ব্যক্তি মুজতাহিদ হলে তার ইজতিহাদি যোগ্যতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিবে আর মাজহাবের অনুসারী হলে নিজ মাজহাবের ইমামের মতটি গ্রহণ করবে।
.
আসন্ন বাইতুল মুকাররম বই মেলায় ইনশাআল্লাহ
❤15👍2