Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
432 photos
90 videos
95 files
194 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
কথাগুলো অন্তর দিয়ে শুনেন আর পরিবেশের বাস্তবতা বুঝার চেষ্টা করেন। অজ্ঞতা দিয়ে প্রলয় ঠেকানো যায় না।
.
আল্লাহ উনাকে কবুল করে নিক।
👍32😢6
পুজিবাদের একমাত্র খোদা হলো টাকা। এই খোদাকে পেতে ওরা মানুষের গু খেতেও রাজি, আবার গু খাওয়াতেও রাজি। ব্রাক এনজিও নামে হলেও এরা একটা পুজিবাদি সংস্থান। তাই তাদের টাকার খোদাকে আপনি নাড়া দিন তাদের সমস্ত সত্তা নেড়ে উঠবে।
.
ব্রাকের বিকাশকে অবশ্যই হয়তো অনেকের সারাজীবনের জন্য বয়কট সম্ভব না। হয়তো আপনার অনেক ব্যবসা এটার মাধ্যমে হয়। কিন্তু আপনি একদিন, দুইদিন, তিনদিন বা আপনার যতদিনের সাধ্য আছে সে কয়দিনের জন্যই করুন। আপনি একদিনের জন্য হলেও আপনার সমস্ত টাকা বিকাশ থেকে উঠিয়ে নিন। পরে আবার রাখেন। কিন্তু মনে রাখবেন এই সামান্য সময়ে ওদের মনে যেমন ভয় ঢুকবে তেমনি মুসলমানরা একটা সাময়িক শক্তি পাবে। বিশ্বাস করেন, রাজপথের আন্দোলন আর মিছিল-মিটিংয়ের চেয়ে ওদের সম্পদ কামানোর উৎসগুলোতে আঘাত ওদেরকে আপনার পায়ের কাছে আরো বেশি মাথানুয়াতে বাধ্য করবে।
37👍7
বিকাশের বিকল্প ইজি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অপশন আমাদের সামনে আছে। বেশি না, কেবল আজকের দিনের ভিতরই লাখের মত গ্রাহক যদি বিকাশ থেকে তাদের সকল টাকা উত্তোলন করে ফেলে এবং হাজার খানেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের লেনদেন মাধ্যম থেকে বিকাশকে সরিয়ে দেয়, তবে এই ঘটনাই বিকাশের মত প্রতিষ্ঠানকে বিরাট একটা ধাক্কা দিবে।

আর ধারাবাহিকভাবে যদি এই বয়কট প্রক্রিয়া চলতেই থাকে, তবে আশা করি তারা প্রকাশ্য ক্ষমা চাইতে কিংবা গোজামিল দিয়ে হলেও কোন স্টেটমেন্ট দিতে বাধ্য হবে। তাদের জমিদারি স্বভাবে কিছুটা হলেও নতি স্বীকারের আচরণ দেখা যাবে।

তাই আসুন! বয়কটের আওয়াজ ও আহবানকে আরো জোরদার করি, ছড়িয়ে দিই এবং নিজেরা বাস্তবায়ন করি।

©ইফতেখার সিফাত হাফিজাহুল্লাহ
52👍12🔥2
ট্রান্স বিল পাস হওয়ার পর উলিল আমরের কু*ফ*রকে আমরা কি বলে বাঁচাবো আমি মনে করি এটা নিয়ে আমাদের এখন থেকেই গবেষণা করা উচিত, অন্যথায় পানি অনেক দূর গড়িয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আমার প্রস্তাবনা হলো ‘মুকরাহ’। অর্থাৎ, আমাদের শাসকরা বাধ্য হয়ে এই বিল সংসদের পাস করেছেন। এবং সংসদে যারা হাঁ ভোট দিবেন তারাও বাধ্য হয়েই হা ভোট দিবেন। কারণ তারা ক্ষমতাচ্যুত হলে দেশের বর্ডার অনিরাপদ হয়ে যাবে, মসজিদ মাদরাসাগুলোতে এখন যে হক কথা বলা যায় তা বলা যাবে না, কারণ ভারত বা আমেরিকা দেশ দখল করে ফেলবে ইত্যাদি।

বিভিন্ন মুসলিম (?) নায়ক নায়িক ও সোশ্যাল এক্টিভিস্ট যারা আছে তারাও মূলত অপারগ। তারা যদি সেগুলো না করে তাহলে নাটক-সিনামায় বেশিদূর আগাতে পারবে না, আর তা করতে না পারলে তারা না খেয়ে মরবে।

যারা ট্রান্সের ইস্যুটা বইতে লেখছে, যে মন্ত্রণালয় এটা পাশ করেছে তাদের তো কাফের বলা স্পষ্ট খারেজি, কারণ যখন লেখেছে এটা যে ইসলামের সাথে সাঙ্গর্ঘষিক এটা তারা জানতোই না, তারা জাহেল। আবার তাদের তাবিলও আছে, তারা মূলত ট্রান্সকে হিজড়া মনে করে! সাতহি ইলমের অধিকারীরা এগুলো কী বুঝবে। এখানে স্পষ্ট জাহালাত রয়েছে।

ট্রান্স খারাপ এটা নিয়ে আমরা অবশ্যই বলবো, কিন্তু আমাদের আকাবীররা কখনোই যেহেতু শাসকদের তাকফির করেনি তাই আমরা তাকফির করবো না৷ আকাবির ডেঙ্গিয়ে তোমরা যে দ্বীন বুঝো সেটা কিসের দ্বীন!

আশা করি অন্যরাও দলিল ভিত্তিক পরামর্শ দিবেন। আমাদের উলুল আমরের ব্যাপারে আমরাই যদি সতর্ক না হই, তাহলে খারেজি পোলাপান, জ হা দি পোলাপান সমাজকে শেষ করে দিবে। দ্বীনের যা টুটাফাটা কাজ হচ্ছে সব শেষ হয়ে যাবে! ইন্না-লিল্লাহ!!
🔥16👍8🤣7
হিন্দুস্তানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছিলো একটা। এখন এমন কোম্পানি শত শত। এবং এখন এগুলো চালাতে পশ্চি মাদের আসতে হয় না, তাদের স্থানীয়
রাজাকাররাই এগুলো পরিচালনা করে।

অনেক ক্ষেত্রেই বয় কটগুলো হয় আন্তর্জাতিক শয় তান থেকে স্থানীয় শয় তানের দিকে; কিংবা এক শয় তান থেকে আরেক শয় তানের দিকে যাত্রা। এই সব শয় তানদেকে যে এশটাবলিশমেন্ট সুবিধা দিয়ে টিকিয়ে রাখে সেটা হলো পশ্চিমা পুঁজিবাদী সেক্যু লার গন তান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা।

এসব ছোট শয় তানগুলোকে বয়কট করতে হবে ঠিক আছে, এটা কেবল দুনিয়ার ফলাফলের জন্য না, বরং ঈমানের দাবী পূরণের জন্যই করতে হবে; কিন্তু এটা কোনো আল্টিমেট সল্যুশন নিয়ে আসবে না। আল্টিমেট সল্যুশন হলো শরি য়া শাসন ব্যবস্থা কায়েম।

পশ্চিমা শয় তানী গণ তান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বয় কট করে যতক্ষণ পর্যন্ত শরি 'আহ ব্যবস্থা দ্বারা রিপ্লেস না করতে পারবেন ততক্ষণ পর্যন্ত এই জাতির কোনো মুক্তি নাই।

নিচের জরিপের দিকে তাকান। এরা সংখ্যায় বেশি না। শুধু সাহস করে ধাওয়া দেওয়াটা প্রয়োজন।

©
👍225
লিবারেলরা জনাব আসিফ মাহতাব এর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তার সম্ভাব্য লিবারেল লাইফস্টাইলের স্ক্রিনশট ভাইরাল করে প্রমাণ করতে চাচ্ছে যে উনার চরিত্র খারাপ৷

সেকু-লিবারলদের এই একটি জায়গায় ধন্যবাদ দেওয়া যেতে পারে। চমৎকার একটি পয়েন্ট নোট করেছে, লিবারেল জীবন কতটা খারাপ!
😁30
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ওলামায়ে ও তালেবে ইলম ভাইরা শুনুন! উম্মতের আসল দায়িত্ব তো আপনাদের।
24🔥1
ব্যথিত মনে আরজি -------

মা ন হা জি / উগ্র ইত্যাদি ট্যাগ দিতে আল্লাহকে ভয় করি, ইকটু বিবেকের সাথে বুঝাপড়া করি।

আমাদের অনেককেই নিজ মাসলাক বিরোধীদের কথায় কথায় ট্যাগ দিতে বেশ অভ্যস্হ। উম্মাহ দরদী এসব উলামাদের তথ্য প্রমান ছাড়া ট্যাগ দিয়ে জালিমের রোষনলে ঠেলে দিয়ে দ্বীনের কি ফায়দা? বরং অনেক সময় একজন আলেমের জীবন ধ্বংশ করে দিতে যথেষ্ট।
কয়েক বছর আগে মুশতাকুন্নবী ভাই যখন গুম হয়েছিলন, ওনার খোঁজে সর্বমহলে যোগাযোগ করে প্রশাসন ওনার ব্যাপারে যে তথ্য পেশ করেছিলো,রীতিমত গা শিহরে উঠার মত।
শাইখুল হাদীস আল্লামা আশরাফ আলী সা রহ এর মাধ্যমে সরকারের সর্বোচ্চ মহলে কথা হয়। আশরাফ আলী সা রহ এর কাছে তিনি বলেন,

" হুজুর, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে গোয়েন্দাদের কাছে কিছুদিন থাকা হতে পারে, তবে প্রশাসনকে আমি বলে দিয়েছি, বড় বড় সব উলামারা উনার ব্যাপারে আমাকে ফোন দিয়েছে, উনি যেন জীবিত ফিরত আসেন।"

এই কথা শুনে সেদিন আমরা অঝোরে কেঁদেছিলাম। হয়তো মুশতাকুন্নবী ভাইকে আর ফিরত পাবোনা। আলহামদুলিল্লাহ সারাদেশের উলামা- আওয়ামের দুআয় তিনি আমাদের মাঝে ফেরত এসেছেন। জামিন পেয়ে প্রথমদিনই অশ্রুকন্ঠে আমাকে বলেছিলেন, ভাই ধারনাও ছিলনা, আপনাদের সাথে আবার কোনদিন দেখা হবে।
কল্পনা করতে পারি? প্রশাসন কি মনে করেছিলো?উনার ব্যাপারে প্রশাসনে জঘন্য ভুল তথ্যগুলো কারা দিয়েছিলো?
তিনি হয়তো আল্লাহর মেহেরবানীতে খালাসী পেয়েছেন, কিন্তু আরো অসংখ্য উলামা?? সন্দীপের হযরত রহ এর জামাতা মাদানীনগর মাদরাসার আকবর সা যিনি রমনা বটমুলের মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত, অথচ এর আগে তিনি নাকি রমনা বটমুলের নামও শুনেননি।
এর দায় কি এড়াতে পারবো?

আবু রেজা নদভী প্রতিশোধের আগুনে ক্ষমতার দাপটে বাবুনগরী রহ. সহ হেফাযতের অনেক নেতৃবৃন্দ নিয়ে কি না করেছে? সংসদে তার বক্তব্য ষড়যন্ত্রের গভীরতার ইংগিত পাওয়া যায়।
সেই সময় " হেফাযতে মানহাজি গ্রুপ"৷ শিরোনামে কয়েকটি বাম টিভি মুফতী মুশতাকিন্নবী সা, হাসান জামিল সা সহ কয়েকজনকে মান হা জি দের লিডার দাবী করে কি জঘন্য ষড়যন্ত্রমুলক সংবাদ প্রচার করেছিলো।
প্রশ্ন হলো এই পরিভাষা ও মিথ্যা তথ্য কারা সাপ্লাই করেছিলো ঘৃন্য স্বার্থে!

এই ঝুঝুর ভয়ে কত আলেম প্রশাসনের কঠিন রোষানলে পড়েছেন, কত আলেম ও তাদের পরিবারের জীবন শেষ, এর জবাব আল্লাহর কাছে দিতে হবেনা?
সন্ত্রাস দমন অন্তরালে তা/লে/বা/ন দের বিশ বছর পাহাড়ের গুহায় কি কুরবানীর জীবন দিতে হয়েছিলো। এর সাথে মিডিয়ার অপপ্রচারে কত কিছুর ট্যাগ নিয়ে কত অপমানজনক! সময় কাটিয়েছেন। অথচ আজ বিশ্বে তারাই ইসলামের পতাকা উঁচু করে দেখিয়েছে।

আর আমাদের অনেকে আতংকে আছি, না জানি এ দেশ আ ফ গা ন ফিলিস্হিন হয়ে যায়!

কে না জানে, আন্তার্জাতিক পরিমন্ডলে তথাকথিত টেরোরিষ্ট দমনের নামে কিছু পদক্ষেপ সরকারকে দেখাতে হয়। আমরা নিজ মাসলাক বিরোধীদের নাম মা /ন/ হা /জি বলছি, আর প্রশাসন তা লুফে নিচ্ছে। আহ!
অথচ যারা এই ট্যাগ দিচ্ছে, তারা কোন তথ্যই পেশ করতে পারবেনা। এমনকি মা ন হা জি র সংজ্ঞাটাও ভালভাবে জানেননা!
প্রশাসনের রোষানলে যারা পড়ে গেছেন, তাদেরকে রক্ষা করা ছিলো আমাদের মানবতা, ইমানী দায়িত্ব।সেখানে তথ্য প্রমান ছাড়া ট্যাগ দেওয়া কতবড় অমানবিক ও আদর্শহীনতার পরিচয় দিচ্ছি, তা ভেবে দেখা দরকার।
কাহারো কোন বিষয়ে অভিযোগ থাকলে দালিলিক আলোচনা হতে পারে, কিন্তু মাজলুমীনদের আরো মাজলুমিয়্যাতের অভিশাপ বহন করতে পারবো তো?

মুফতী হারুন ইযহারকে রিমান্ডে প্রশ্নোত্তরের পর খোদ প্রশাসনই আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞাসা করতেছিলো -
" অনেক বিষয় তো আপনার সাথে আলাপের পর পরিস্কার হচ্ছে। তাহলে আপনাদের লোকেরাই আপনাদের মানহাজি বলছে কেন? ""
জেলের ভিতরেই হারুন ভাই শীর্ষ একজন আলেমকে বলেছিলেন, আপনিও নাকি গোয়েন্দাদের কাছে আমাকে মা ন হা জি বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন? কেন ভাই? জবাবে তিনি বললেন, ভাই লেক মুখে শুনে বলেছি। বাস্তবতা জানিনা।
হারুন ভাই এর ব্যাপারে প্রশাসন পরিস্কার হওয়ার কারনে অনেক কারাবন্দীদের ব্যাপারে তিনি কার্যকর সুপারিশ এবং সহযোগীতা করতে পেরেছেন।
এমন অসংখ্য উম্মাহ দরদী যোগ্য উলামাদের আমরা অভিযুক্ত বানাচ্ছি, জাতির সামনে তাদেরকে হেয় করার অপচেষ্টায় করছি । অথচ ইলম তাকওয়া আর দ্বীনি চেতনা ও কুরবানীতে তাদের কাছেও পৌঁছতে পারবেনা।
আল্লাহ তাআলা আকাবিরও আসলাফের আদর্শ ও চেতনা নিয়ে চলার তাওফীক দিন। আমীন।

©মুফতি জিলানি সাহেব
29👍12😢6
হযরত মাওলামা ইলিয়াস সাহেব শেষ জীবনে বেশ অসুস্থ, কান্দালা থেকে পরিবারের কিছু আত্মীয় অসুস্থতার খোজ নিতে দিল্লিতে আসলেন। হযরত আগতদের জিজ্ঞাসা করলেন,

“তোমরা কেন এসেছো?”

“আপনার খবর নেওয়ার জন্য এসেছি” উত্তরে তারা জানালো।

হযরত বললেন,

“যার সর্বশেষ পরিনতি হলো মরে যাবে, নিঃশেষ হয়ে যাবে, তার খবরাখবর নেওয়ার জন্য এত দূর থেকে এসেছো। আর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনিত প্রিয় দ্বীন আজ মিটে যাচ্ছে তার খবর নেওয়ার কোনো চিন্তা নেই?”

সূত্র: আমার জীবনকথা, মাওলানা মঞ্জুর নোমানী রহ. পৃ. ১৭২
24😢8👍2
ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ে সমস্ত লেখা ও ভিডিও একসাথে এই সাইটটি ভিজিট করতে পারেন ও সাইটের লোকদের সহযোগিতা করতে পারেন।

https://transgender.abdullahbinbashir.me/?fbclid=IwAR3X_w8Udcd9P0ACHD6IEqjabiOFZzByToHEGMtFoNnFlwMCgLJwLkmVOv0
12
হযরত হোসাইন আহমেদ মাদানী রহ. খাদেম নিয়ে ট্রেনে কোথাও যাচ্ছিলেন। খাদেমের বাথরুমের প্রয়োজন দেখা দিলো। গিয়ে দেখে ট্রেনের বাথরুম এত ময়লা হয়ে আছে যে—ব্যবহারের অযোগ্য। প্রয়োজন না সেড়েই সে নিজ জায়গায় ফিরে আসে। মাদানী রহ. বুঝতে পারলেন। দ্রুত উঠে গিয়ে বাথরুমে ঢুকে দরজা আটকে দেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে খাদেমকে বললেন, এখন যাও। খাদেম বাথরুমে এসে পুরো ‘থ’ হয়ে গেলো! পুরো বাথরুম একদম পরিষ্কার! বুঝতে বাকি রইলো না, তার বাথরুম করতে না পারার কষ্ট মাদানী রহ. বুঝতে পেরেছেন এবং নিজে এসে খাদেমের জন্য ট্রেনের বাথরুম পরিষ্কার করে দিয়েছেন!

এবিনয়ের কোনো উদাহরণ কি এই দুনিয়ায় খুজে পাওয়া যাবে?

সূত্র: আমরা জীবনকথা, মাওলানা মঞ্জুর নোমানী পৃ. ১৯৯
38🥰4👍3😢1
শায়েখ হওয়ার গল্প

২০০৭ সাল। প্রফেসর হযরতের একটি গাড়ি আছে। নাইন্টি মডেল। এমনিতেই অনেক পুরোনো। ব্যবহৃত হতে হতে সেটি আরও পুরোনো হয়ে গেছে। পুরোনোরও মাত্রা থাকে। এর মাত্রা নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। এজন্য কেউ কেনার আগ্রহ দেখায় না। হযরতের চলতে-ফিরতে খুব কষ্ট। এটি নিয়ে আর পারা যাচ্ছে না। এর মধ্যে হযরতের প্রবাসী ছোট ভাই কিছু টাকা পাঠিয়েছে। সেটি দিয়ে আরেকটি গাড়ি কেনা হয়েছে। নাভানা মাইক্রো। সেটিও পুরোনো। তিনি এগুলো নিয়েই সারা বাংলাদেশে মক্তব-মাহফিল করে বেড়াচ্ছেন। দিন-রাত গাড়ি চলছেই। একজন ড্রাইভারে কুলোচ্ছে না। নতুন একজন ড্রাইভার দরকার। খোঁজ নিতেই একজন এসে হাজির হলো।

ড্রাইভারের নাম আব্দুল আলীম। অদ্ভুত রঙয়ের প্যান্ট-সার্ট পরে হাজির হয়েছে। গায়ের রং ঘন কালো অন্ধকারের মতো। থুতনির নিচে দাড়ি বড় হতে পারেনি কখনো। মাথার চুলেরও কোনো শ্রী নেই। বড় বড় চুল এলোমেলা হয়ে আছে। একজন উঁচু মাপের বুযুর্গের গাড়ি চালাবে, এ ব্যাপারে তার কোনো বিকার নেই। মানুষ তো মানুষই। বুযুর্গরা কি মানুষ নয়? তাদের আলাদা করে দেখতে হবে কেন? সে আলাদা করে না দেখে পারল না। হযরতকে দেখে জড়সড় হয়ে গেল। কথা শুনে স্যার স্যার বলে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকল।

আব্দুল আলীমের চাকুরীটা খুব দরকার। বাগেরহাটে বাড়ি। সেখানে একটা ঝামেলা পাকিয়ে এসেছে। গ্রামে ফেরা যাচ্ছে না। চাচাদের সঙ্গে গণ্ডগোল। খুনাখুনির পর্যায়ে চলে গেছে। তার ধারণা, সে ফিরে গেলে তাকে মেরেই ফেলবে। ঢাকা শহরে থাকার মতো জায়গাও নেই। এজন্য বেতন-ভাতা নিয়ে কথা বাড়ায়নি। চাকুরীটা হয়ে গেল।

প্রথম ডিউটি। হযরতকে নিয়ে আইইউটি এসেছে। আব্দুল আলীম ভালোই গাড়ি চালাল। পথে কোনো অসুবিধা হয়নি। প্রফেসর হযরতকে তার ভালো লেগেছে। হুযুর হয়েও তার প্যান্ট-সার্ট দেখে কিছু বলেননি। দাড়ির কথাও কিছু জিজ্ঞেস করেননি। কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা, বার বার এই একই খবর নিয়েছেন। এতক্ষণ কোনো অসুবিধা হয়নি। আইইউটিতে ঢুকেই একটা মারাত্মক বিপদ দেখা দিল। তার বাথরুম চেপেছে। এটুকু পথ এসেই এরকম চাপ আসার কথা না। নতুন জায়গা। কোথায় কি আছে, জানা নেই। মুখে কিছু বলতে সাহস হচ্ছে না। চাকুরীটা থাকবে তো! একাডেমিক বিল্ডিং-এর সামনে গাড়ি পার্ক করা হলো। হযরত নামলেন। তখন আব্দুল আলীমের অবস্থা কাহিল। সাহস করে কথাটা বলেই ফেলল, ‘স্যার, আমাকে বাথরুমে যেতে হবে।’
‘ঠিক আছে। আমার সঙ্গে আস।’

হযরত তাকে আইইউটির নিচ তলায় বাথরুমে নিয়ে গেলেন। টিচারদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা। হযরত তাকে একটু দাঁড়াতে বললেন। আব্দুল আলীম দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে হযরতকে দেখা যাচ্ছে। তিনি একটা বাথরুমে ঢুকে কমোডে বার কয়েক ফ্লাস করলেন। টিস্যু পেপার দিয়ে কমোডের সীটটা খুব ভালো করে মুছলেন। বদনায় পানি ভরলেন। তারপর ফিরে এসে ড্রাইভারকে বললেন, ‘এবার যাও।’

আব্দুল আলীম পুরো দৃশ্য দেখে অবাক। তার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে। এটা স্বপ্ন না বাস্তব বুঝতে পারছে না। একটা ঘোর লাগা অবস্থায় সে বাথরুমের দিকে এগিয়ে গেল। তারপর এগারো বছর চলে গেছে। তার সেই ঘোর এখানো কাটেনি। বরং বেড়েই চলছে।

লেখক: আদম আলী ভাই
27👍4
'বাংলাদেশ মু জা হি দ কমিটি' ও 'আমিরুল মু জা হি দি ন' নামের ব্যবহার এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ভোটাভুটিকে 'জি হা দ' বলে চালিয়ে দেওয়া আর 'আমরা নির্বাচন করি না; জি হা দ করি' টাইপের ডায়লগ মারার ব্যাপারে দারুল উলুম করাচীর সুস্পষ্ট ফাতওয়া। বাংলাদেশ থেকে ফাতওয়াটি জিজ্ঞেস করা হয়েছে মাওলানা লুৎফুর রহমান ফরায়েজির আহলে হক মিডিয়ার মেইল থেকে; যার প্রমাণ মন্তব্যের ঘরে দেওয়া রয়েছে। আকাবিরের এই ফাতওয়া গ্রহণ করার উদারতা কি এবার বামুক দেখাবে? তারা কি নিজেদের নাম পরিবর্তন করে আদর্শিক দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করবে?
17👍5
হযরত থানভি রহ. বলেন, 'আমি কানপুরের পটকাপুর মহল্লাতেই সর্বদা থাকতাম। কারণ, সেখানেই মাদরাসা অবস্থিত ছিল। যদিও সেখানকার লোক প্রায়ই স্বাধীন মনোভাবের ও নির্লজ্জ বলে খ্যাত ছিল, কিন্তু অপরাপর মহল্লার লোকদের তুলনায় বিবেক-বুদ্ধি সম্পন্নও ছিল। আমি সর্বদা তাদের মধ্যে রয়েছি, কিন্তু আমার সঙ্গে তো তাদের অশেষ মহব্বতের সম্পর্কই সদা বিদ্যমান ছিল। এর কারণ এই ছিল যে, আমি কোন বিষয়েই তাদের সঙ্গে কঠোরতা করিনি এবং কখনো তাদের কাছে লোভ-লালসা করিনি। বরং আমি নিজে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে সেখানকার গরীবদের প্রতি সাহায্য-সাহানুভূতি করতাম। একদা দুর্ভিক্ষ হলে প্রতিবেশীদের প্রতি করণীয় হিসাবে আমি একাধিক বার চাঁদা উঠিয়ে গরীবদের মধ্যে খাদ্যশস্য ও কাপড় বিতরণ করেছিলাম।

সূত্র: আশরাফ চরিত পৃ. ৭০
#থানবির_পরশে ১
17👍4🔥1
#থানবির_পরশে ২

“আলেমদের অস্তিত্বের উপর দীন নির্ভরশীল”

হযরত থানবি বলেন, ‘সূফিদের চেয়ে আলেমদের প্রয়োজন অধিক। কারণ, তাঁদেরই বদৌলতে দীনের ব্যবস্থাপনা টিকে রয়েছে। তাঁরা না হলে দীনের আহকাম ও সীমাসমূহের পাত্তাও কারো কাছে থাকত না, দরবেশী তো এর পরবর্তী জিনিস।'

হযরত অপরস্থানে সূফী ও আলেমদের বিষয়টি এভাবে বুঝিয়ে বলেন, ‘আল্লাহ তাআলার মুআমালাও সূফীদের সঙ্গে ছোট বাচ্চার মত, আর ফকীহদের সঙ্গে বড় ছেলের মত। বাচ্চার হৈচৈ তো ভালই লাগে এবং অনেক কাজেই তার দোষ ধরা হয় না; কিন্তু কাজ বড় ছেলের দ্বারাই সম্পাদিত হয়ে থাকে। আল্লাহ তাআলা হযরাতে ফুকাহাদেরকে জাযায়ে খাইর দান করুন, তাঁরা দীনের বিরাট খেদমত করেছেন এবং উম্মতের জন্য দীনের রাস্তা একেবারে পরিষ্কার করে দিয়ে গেছেন, অন্যথায় অন্ধকার বিদ্যমান থাকত। কুরআন হাদীছের আলোকে এমন এমন উসূল নির্ধারণ করে গিয়েছেন, যেগুলিদ্বারা কিয়ামত পর্যন্ত কাজ চলবে এবং যত নয়া সমস্যাই উদ্ভব হোক না কেন, তার হুকুম (বা সমাধান) ঐ উসূলসমূহ দ্বারাই জানা যাবে।’

সূত্র: আশরাফ চরিত পৃ. ৭৩
18👍5🔥1
فقہ حنفی اور جمہوریت (1).pdf
9.8 MB
খুবই সংক্ষিপ্ত ও ফুকাহাদের বক্তব্য ও বিশ্লেষণের আলোকে গণতন্ত্র ও নির্বাচন বিষয়ে এত চমৎকার বই আগে নজরে পড়েনি। বইটি আহলে ইলম ও তালেবে ইলম ভাইদের জন্য একটি বিশাল তোহফাহ।

ইনশাআল্লাহ, সময় নিয়ে খুব দ্রুতই পড়ে ফেলুন।
46👍4
Abdullah bin bashir
فقہ حنفی اور جمہوریت (1).pdf
এত সংক্ষিপ্ত একটি বই থেকে এতটা মুস্তাফিদ হবো ভাবিনি!
.
আমাদের দেশে একদলকে দেখা যায়, গণ*ত*ন্ত্র, নির্বাচন, হাকিমিয়াত ইত্যাদির আলোচনা উঠলে প্রায় মুর্খের মত চিল্লিয়ে উঠে—এগুলো তো সালাফিদের বলা মাসআলা, ফিকহের সাথে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নাই, যারা সালাফি প্রভাবিত তারাই এগুলো বলে বেড়ায়! সম্ভবত এমন কিছু মূর্খের জামাত পাকিস্তানেও আছে। এদের খণ্ডনেও বোধহয় ওজারিস্তানের এই লেখক বইটির নামই দিয়েছেন, ‘ফিকহে হানাফি আউর জমহুরিয়াত’।
.
বইটিকে সম্মানিত লেখক ওলামায়ে আহনাফ ও ওয়ালামায়ে দেওবন্দের স্বীকৃত ব্যক্তিদের উদ্ধৃতির আলোকে সাজিয়েছেন। এমন অনেক উদ্ধৃতি এনেছেন এই সংক্রান্ত বইয়ে এর আগে আমি কখনোই দেখিনি, এতে ধারণা হয় লেখকের দীর্ঘদিনের নিজস্ব মুতালায়ার সারসংক্ষেপ এই বইতে তুলেধরেছেন। আল্লাহ তাকে জাযায়ে খায়ের দান করুক।
.
বইটির প্রতিটি অধ্যায় ইলমি উদ্ধৃতি ও খাজানায় ভরপুর, তবে শুরু হাকিমিয়াতের অধ্যায়, এরপর গণ*তন্ত্রের শাব্দিক অর্থের অংশে মানতেকের আলোকে যেভাবে পুরো বিষয়টি সংক্্ষেপে তুলে ধরেছেন, মনের অজান্তেই লেখকের জন্য দোয়া বের হয়ে এসেছে মুখ থেকে। আল্লাহ তাকে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন।
.
নির্বাচনের অধ্যায়টি তো আমি উর্দু জানা সমল ভাইদের পড়ার পরামর্শ দিবো, বিশেষত, গন*ত*ন্ত্রের নির্বাচনকে বিভিন্ন ফিকহি তাকয়িফ দিয়ে জায়েয বলেছেন, এমন আলেমদের লেখা পড়ে যারা এটাকেই সর্বশেষ সিন্ধান্ত ভেবে বসে আসেন তাদের। ইনশাআল্লাহ, মাসআলা ফিকহের আলোকে যারা হল্ল করতে চান তাদের জন্য খোরাক রয়েছে, আর যারা যেহেতু অমুকের কলমে উঠে এসেছে তাই সেটাই সঠিক তাদের আলোচনা ভিন্ন!
.
যাইহোক, বইটি পড়ার সময় সিন্ধান্ত নিয়েছিলাম সময় নিয়ে অনুবাদ করে ফেলবো, কিন্তু আমার এক ছাত্র বইটি পড়ে মুগ্ধতা জানায় ও অনুবাদের পরামর্শ চায়। শুনে খুশি হলাম ও তাকেই কাজটি দিলাম। ইনশাআল্লাহ, দ্রুতই সে কাজটি শুরু করবে। সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো আমাকে ও সে তালেবে ইলম ভাইকে কবুল করে নেয়। আমীন।
34👍7
হযরত থানবি রহ. দেওবন্দি পড়াকালীন প্রসিদ্ধ আহলে হাদিস আলেম নজির হোসাইন দেহলবির সাথে দুবার সাক্ষাত করেন। একবার দিল্লিতে সাক্ষাত করলে নজির হোসাইন রহ. হযরত থানবির কাছে শেকায়াত করেন, দারুল উলুম দেওবন্দে এক গাইরে মুকাল্লিদ ছাত্রকে হানাফি মাজহাবের ছেলেরা পিটিয়েছে। এটা শুনে থানবি রহ. আদবের সাথে বলেন, ‘আপনি ঘটনা শুনেছেন, কারন জানা আছে কি?’

‘না কারন জানা নেই’ বলে জানালেন নজির হোসাইন সাহেব।

‘সে গাইরে মুকাল্লিদ ছাত্র হযরত ইমাম মুহাম্মদের শানে বেয়াদবি মূলক শব্দাবলী ব্যবহার করেছে, বলে গেলেন হযরত থানবি, ‘এতে কতক ছাত্রদের রাগ উঠে ও তারা পিটিয়ে দেয়।’

কারণ শুনে নজির হোসাইন রহ. বলেন, তবে তো এ অবশ্যই সে ছাত্রের অন্যায় ছিলো।’
.
আহলে হাদিস সম্পর্কে হযরত থানবি বলতেন, 'যদি বদ-গুমানী ও বদ-যবানী থেকেমুক্ত হয়, তবে যাই হোক এও সলফে সালেহীনের তরীকাসমূহের অন্যতম, যদিও সলফ বা পূর্ববর্তীদের সঙ্গে পরবর্তীদের কিয়াস এক্ষেত্রে সামঞ্জস্যহীন।' তদুপরি বলেন, 'কতিপয় গাইর-মুকাল্লেদ আমার নিকট বাইআতপ্রাপ্ত। আমি এ ব্যাপারে কঠোর নই, তাদেরও বাইআত করে নেই। তবে শর্ত হল, তাকলীদ (বা মাযহাবের অনুসরণ) কে ওয়াজিব না জানলেও তাকে গুনাহ না বলে জায়েয মনে করতে হবে। কিন্তু মনের মিল যাকে বলা হয়, দিলের তাওয়াজ্জুহ সত্ত্বেও তা হয় না। তাঁদের এধ্যে সাধারণত আদবের অভাব থাকে, ভয়-ভীতি থাকে না এবং তাওয়াহ, পরহেযগারী ও সতর্কতা খুবই কম হয়। ফলে তাদের সঙ্গে মন এক রকম সংকুচিত থাকে।'

সূত্র: আশরাফ চরিত পৃ.১২৪
#থানবির_পরশে ৩
33👍8