غلبۂ_دین_کا_راستہ_ـ_مولانا_محمد_مثنیٰ_حسّان_ـ_نوائے_غزوۂ_ہند.pdf
2.5 MB
পরাজিত অবস্থায় কেনো আমরা ইজতিহাদের রাস্তা খুলবো না, এটার ফিলোসোফি জানতে এই ছোট্ট রিসালাটি পড়ুন। মুসান্না হাসসান হাফিজাহুল্লাহের এই ছোট্ট রিসালাটি পড়ুন। দয়া করে পড়ুন।
❤45
ওয়ায়েল হাল্লাক অনুবাদ হচ্ছে, এটা বেশ সুখের কথা। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এটা বাংলাভাষায় অনুবাদ হোক, এমনটা খুব চাইতাম। কয়েক প্রকাশককে বলেছিও। কিন্তু সিয়াসাত বিষয়ে কিছু কিতাব উল্টানো ও পূর্বে ওয়ায়েল হাল্লাকের এই বইটা উর্দু ও আরবী থেকে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ যেহেতু পড়েছি, সেই উপলব্ধি থেকে কয়েকটা কথা বলা জরুরি মনে করছি।
.
যাদের ইসলামি সিয়াসাত এবং মডার্ন রাষ্ট্রের ব্যাপারে সাধারণ ধারণাও নাই তারা ওয়ায়েল হাল্লাকের বইয়ের কয়েকশ হাত কাছেও যাবেন না। এটা জনসাধারণের জন্য লেখা কোনো বই না। এটা সম্পূর্ণ একাডেমিক লেখা বই, শুধুই একাডেমিক না বহু একাডেমিকের জন্যও এই বই পড়ে মর্ম উদ্ধার করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। অন্যের বিষয় জানি না, আমি নিজে যে কয়েকটি অধ্যায় পড়েছি, বেশ কষ্ট করে একটি বিষয় উদ্ধার করেছি।
.
ওয়েক হাল্লাক বেশ ভালো আলোচনা করেছ্বন, জাতীরাষ্ট্রের অনেক বাস্তবতা চোখে আঙ্গুল দিয়্ব দেখিয়েছেন কিন্তু সবকিছুর পরেও সে একজন অমুসলিম। তার ব্যাপারে ব্যাপারে যেনো আমাদের মুগ্ধতা লেভেল ছাড়িয়ে না যায়। একটি পর্যায় থাকে। আমি কী বলতে চাচ্ছি, বুঝতে পেরেছেন আশা করি। পশ্চিমা একাডেমিশিয়ানদের কাছে স্বীকৃত সকলের ব্যাপারেই আমি এই পরামর্শ দিবো সাধারণ ভাইদের।
.
ওয়ায়েল হাল্লাকের পুরাতন পাঠক যারা আছেন, তাদের পরামর্শ দিবো ইসলামি সিয়াসাতকে তার তুরাছের জায়গা থেকে আরো মজবুতির সাথে পড়ুন। অন্যথায় এধরণের একাডেমিশিয়ানদের ফিতনায় পড়া আপনাদের জন্য পানি ভাত হয়ে যাবে।
.
হাল্লাকের বইটি দুটো প্রকাশনী থেকে আসতেছে—কালান্তর ও সিয়ান। যার যে প্রকাশনীর উপর আস্থা আছে, সে ওই প্রকাশনীরটাই সংগ্রহ করবেন। উভয় প্রকাশনীই বাংলাভাষী উম্মাহের সামগ্রিক কল্যাণকামী হয়েই এই কঠিন ও কাটখোট্টা একাডেমিক বইটি আনার রিক্স নিয়েছেন। তাই এটা নিয়ে বিশেষ বিতর্কে না গিয়ে যার যেটা ভালো লাগে সেটা সংগ্রহ করে পড়বেন। একেক প্রকাশনীর একেকে বৈশিষ্ট্য অবশ্যই রয়েছে।
.
যাদের ইসলামি সিয়াসাত এবং মডার্ন রাষ্ট্রের ব্যাপারে সাধারণ ধারণাও নাই তারা ওয়ায়েল হাল্লাকের বইয়ের কয়েকশ হাত কাছেও যাবেন না। এটা জনসাধারণের জন্য লেখা কোনো বই না। এটা সম্পূর্ণ একাডেমিক লেখা বই, শুধুই একাডেমিক না বহু একাডেমিকের জন্যও এই বই পড়ে মর্ম উদ্ধার করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। অন্যের বিষয় জানি না, আমি নিজে যে কয়েকটি অধ্যায় পড়েছি, বেশ কষ্ট করে একটি বিষয় উদ্ধার করেছি।
.
ওয়েক হাল্লাক বেশ ভালো আলোচনা করেছ্বন, জাতীরাষ্ট্রের অনেক বাস্তবতা চোখে আঙ্গুল দিয়্ব দেখিয়েছেন কিন্তু সবকিছুর পরেও সে একজন অমুসলিম। তার ব্যাপারে ব্যাপারে যেনো আমাদের মুগ্ধতা লেভেল ছাড়িয়ে না যায়। একটি পর্যায় থাকে। আমি কী বলতে চাচ্ছি, বুঝতে পেরেছেন আশা করি। পশ্চিমা একাডেমিশিয়ানদের কাছে স্বীকৃত সকলের ব্যাপারেই আমি এই পরামর্শ দিবো সাধারণ ভাইদের।
.
ওয়ায়েল হাল্লাকের পুরাতন পাঠক যারা আছেন, তাদের পরামর্শ দিবো ইসলামি সিয়াসাতকে তার তুরাছের জায়গা থেকে আরো মজবুতির সাথে পড়ুন। অন্যথায় এধরণের একাডেমিশিয়ানদের ফিতনায় পড়া আপনাদের জন্য পানি ভাত হয়ে যাবে।
.
হাল্লাকের বইটি দুটো প্রকাশনী থেকে আসতেছে—কালান্তর ও সিয়ান। যার যে প্রকাশনীর উপর আস্থা আছে, সে ওই প্রকাশনীরটাই সংগ্রহ করবেন। উভয় প্রকাশনীই বাংলাভাষী উম্মাহের সামগ্রিক কল্যাণকামী হয়েই এই কঠিন ও কাটখোট্টা একাডেমিক বইটি আনার রিক্স নিয়েছেন। তাই এটা নিয়ে বিশেষ বিতর্কে না গিয়ে যার যেটা ভালো লাগে সেটা সংগ্রহ করে পড়বেন। একেক প্রকাশনীর একেকে বৈশিষ্ট্য অবশ্যই রয়েছে।
👍26❤9😢1
প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও আখেরাতকে বাদ দিয়ে জীবনকে দেখার যে এক নতুন ধারা, সেটাই হলো মডার্নিজম বা আধুনিকতাবাদ। নওমুসলিম মরিয়ম জামিলা বড় সুন্দর বলেছেন, ‘কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই আধুনিক মতাদর্শ অতীন্দ্রিয় মূল্যবোধকে অস্বীকার করে। অপর কথায়, সত্য নির্ণয়নের কোনো চূড়ান্ত মাপকাঠি নেই; বরং সততা, নৈতিক মূল্যবোধ আপেক্ষিক বিষয়। সময়, স্থান ও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের যথার্থতা সীমিত। “ওহী”-ভিত্তিক সমাজব্যবস্থাকে মডার্নিষ্টরা গতিহীন এবং অসার বলে অভিহিত করে।’
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত ( প্রকাশিতব্য )
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত ( প্রকাশিতব্য )
❤45
আহমদ রাইসুনি অনুবাদ হচ্ছে। বেশ ভালো কথা। কিন্তু অনুবাদটা এমনভাবে হচ্ছে যেনো, আহমদ রাইসুনিকে এর আগ কেউ পাঠ করেনি। ইসলামের শুরা ব্যবস্থাকে জগাখুচিরি বানিয়ে গণতন্ত্রকে ইসলামি বানানোর তার প্রস্তাবিত বিষয়গুলো কেউই জানে না! অথচ বাস্তবতা হলো এগুলো অনেকটা পচা মাল। যে থিউরী রাইসুনিরা দিতে চাইতেছে এগুলো আরবে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে।
রাইসুনি হলো আরবের বিশিষ্ট মাকাসেদি, যারা মাকাসেদে শরয়ীয়্যাহকে একটা ফিতনাহের পর্যায়ে নিয়ে গিছে। কীভাবে, তাদের কাছে মাকাসেদে শরয়ীয়্যাহ মানিই হলো এর নাম করে ফকিহদের স্পষ্ট সমাধানকে পাশ কেটে গিয়ে স্টাবলিষ্ট জীবনব্যবস্থাকে ধরে রাখা। তাদের জীবনের সব সমাধানই পশ্চিমের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যেই থাকে।
তো, এমন একজন মানুষের বই অনুবাদ করা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যার যা ইচ্ছে সে অনুবাদ করতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সাথে এগুলোও উম্মাহের জেনে রাখা দরকার রাইসুনি হলো ঐ ব্যক্তি যে, ইজরাইলের সাথে ফিলিস্তিনের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের প্রবক্তা! যার বিরুদ্ধে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও আলেম আলী মুহিউদ্দি আল কারদাগীসহ বেশ কিছু আলেম খণ্ডনও করেছেন!
এই রাইসুনি হলো সেই যার মত, যেহেতু আধুনিক জাতী রাষ্ট্রে শরীয়া বাস্তবায়ন অসম্ভব তাই শরীয়া বাস্তবায়ন মুসলিমদের জন্য আর আবশ্যক থাকে না। কারণ অসম্ভব বিষয় তো আবশ্যক নয়!
.
তার যে বই অনুবাদ করা হয়েছে সেটা নিয়ে আলাপ করি আসেন।
তার পুরো বইয়ের খোলাসা হলো, এই যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আর তার যে নেজাম আছে ভোট, পার্লামেন্ট, নারীদের পার্লামেন্টে যাওয়া, নারীদের ভোট দেওয়া ইত্যাদি যা যা আছে এই সবকিছুই ইসলামে আছে। শুধু আছেই নয়, বরং ইসলাম মূলত এটাই চায় এবং এভাবেই রাষ্ট্র চালাতে চায়!
একটা বলি শুধু, নারীদের শুরার সদস্য হওয়া অর্থাৎ, আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদ হওয়া। এখন সালাফদের অসংখ্য বক্তব্য তো পাওয়া যায়, নারীরা শুরার সদস্য হতে পারবে না। তাই রাইসুনি এটাকে কী করবে, সে মত আমাদের সালাফরা আসলে এই মাসআলাগুলো ঠিক মতো বুঝে নাই, এগুলো সঠিকভাবে মুনাকাশা করে নাই। তাই এখন আর ফকিহদের বক্তব্য নেওয়া যাবে না, আমরা সরাসরি সিরাত আর সাহাবাদের থেকে নিজেই নিয়ে নিবো। দুনিয়ার সমস্ত শয়তানী এভাবেই শুরু হয়। সালাফদের ইবারত ও সমাধানকে সামনে রাখলে তো আর পশ্চিমের জীবনব্যবস্থা মেনে নেওয়া সম্ভব না। তাই তাদেরকেই সাইট করে দেও।
শুরার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান এটার দলিল সে কী দিছে জানেন? যে সমস্ত আয়াতে আল্লাহ নারী-পুরুষকে সমানভাবে সৃষ্টি করেছেন, তাই নারী পুরুষ সমান।
মুসা আ.কে ভাড়ায় রাখার জন্য শুয়াইব আ.-এর মেয়েরা যে পরামর্শ দিয়েছে, এখান থেকে প্রমাণিত হয় নারীরাও রাষ্ট্রের মূল কর্তৃত্বে অর্থাৎ, পার্লামেন্টে যেতে পারবে। শুধুই কী পারবে! বাকীটা আর না বললাম!
গণতন্ত্রকে ইসলামিকরনে পুরো বইতে এইধরনের দলিলই পাবেন ইনশাআল্লাহ। আর এগুলো পড়ে ভাববেন, আহা! আমাদের হুজুররা কত মূর্খ! গণতন্ত্রকে এভাবে কু*ফ*র বলে! আর জি*হা*দের কথা যারা বলে সেগুলোতো নষ্ট!
পড়তে থাকেন ইনশাআল্লাহ, চমৎকার ইলম!
রাইসুনি হলো আরবের বিশিষ্ট মাকাসেদি, যারা মাকাসেদে শরয়ীয়্যাহকে একটা ফিতনাহের পর্যায়ে নিয়ে গিছে। কীভাবে, তাদের কাছে মাকাসেদে শরয়ীয়্যাহ মানিই হলো এর নাম করে ফকিহদের স্পষ্ট সমাধানকে পাশ কেটে গিয়ে স্টাবলিষ্ট জীবনব্যবস্থাকে ধরে রাখা। তাদের জীবনের সব সমাধানই পশ্চিমের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যেই থাকে।
তো, এমন একজন মানুষের বই অনুবাদ করা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যার যা ইচ্ছে সে অনুবাদ করতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সাথে এগুলোও উম্মাহের জেনে রাখা দরকার রাইসুনি হলো ঐ ব্যক্তি যে, ইজরাইলের সাথে ফিলিস্তিনের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের প্রবক্তা! যার বিরুদ্ধে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও আলেম আলী মুহিউদ্দি আল কারদাগীসহ বেশ কিছু আলেম খণ্ডনও করেছেন!
এই রাইসুনি হলো সেই যার মত, যেহেতু আধুনিক জাতী রাষ্ট্রে শরীয়া বাস্তবায়ন অসম্ভব তাই শরীয়া বাস্তবায়ন মুসলিমদের জন্য আর আবশ্যক থাকে না। কারণ অসম্ভব বিষয় তো আবশ্যক নয়!
.
তার যে বই অনুবাদ করা হয়েছে সেটা নিয়ে আলাপ করি আসেন।
তার পুরো বইয়ের খোলাসা হলো, এই যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আর তার যে নেজাম আছে ভোট, পার্লামেন্ট, নারীদের পার্লামেন্টে যাওয়া, নারীদের ভোট দেওয়া ইত্যাদি যা যা আছে এই সবকিছুই ইসলামে আছে। শুধু আছেই নয়, বরং ইসলাম মূলত এটাই চায় এবং এভাবেই রাষ্ট্র চালাতে চায়!
একটা বলি শুধু, নারীদের শুরার সদস্য হওয়া অর্থাৎ, আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদ হওয়া। এখন সালাফদের অসংখ্য বক্তব্য তো পাওয়া যায়, নারীরা শুরার সদস্য হতে পারবে না। তাই রাইসুনি এটাকে কী করবে, সে মত আমাদের সালাফরা আসলে এই মাসআলাগুলো ঠিক মতো বুঝে নাই, এগুলো সঠিকভাবে মুনাকাশা করে নাই। তাই এখন আর ফকিহদের বক্তব্য নেওয়া যাবে না, আমরা সরাসরি সিরাত আর সাহাবাদের থেকে নিজেই নিয়ে নিবো। দুনিয়ার সমস্ত শয়তানী এভাবেই শুরু হয়। সালাফদের ইবারত ও সমাধানকে সামনে রাখলে তো আর পশ্চিমের জীবনব্যবস্থা মেনে নেওয়া সম্ভব না। তাই তাদেরকেই সাইট করে দেও।
শুরার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান এটার দলিল সে কী দিছে জানেন? যে সমস্ত আয়াতে আল্লাহ নারী-পুরুষকে সমানভাবে সৃষ্টি করেছেন, তাই নারী পুরুষ সমান।
মুসা আ.কে ভাড়ায় রাখার জন্য শুয়াইব আ.-এর মেয়েরা যে পরামর্শ দিয়েছে, এখান থেকে প্রমাণিত হয় নারীরাও রাষ্ট্রের মূল কর্তৃত্বে অর্থাৎ, পার্লামেন্টে যেতে পারবে। শুধুই কী পারবে! বাকীটা আর না বললাম!
গণতন্ত্রকে ইসলামিকরনে পুরো বইতে এইধরনের দলিলই পাবেন ইনশাআল্লাহ। আর এগুলো পড়ে ভাববেন, আহা! আমাদের হুজুররা কত মূর্খ! গণতন্ত্রকে এভাবে কু*ফ*র বলে! আর জি*হা*দের কথা যারা বলে সেগুলোতো নষ্ট!
পড়তে থাকেন ইনশাআল্লাহ, চমৎকার ইলম!
❤30😢12
আমাদের প্রচলিত নাশিদের সুর না। একটু ভিন্ন! খালি গলার নাশিদও কতটা সুন্দর হতে পারে তার জন্য এটা শুনতে পারেন।
https://www.youtube.com/watch?v=0MEUbWIz_hM
https://www.youtube.com/watch?v=0MEUbWIz_hM
YouTube
আর কত দিন | Ragib Al Mahmud | The Normative
স্বল্প মূল্যে বেঁচে দেওয়া সুখ,
হৃদয় বিগলিত না হওয়ার অসুখ ;
এ সময় জুড়ে শুধু অস্থিরতায় খুজে যায়।
বল কি হবে হায়? এই নির্বোধ সময়;
নিষ্ঠুর হাহাকার, বর্বর পিছুটান।
তবু মৃত্যুর মিছিলে, রক্তের স্রোতে।
তোমার ভাইয়েরা ভাসে, তুমি মেতে আছো উল্লাসে।
বল কি হবে আর…
হৃদয় বিগলিত না হওয়ার অসুখ ;
এ সময় জুড়ে শুধু অস্থিরতায় খুজে যায়।
বল কি হবে হায়? এই নির্বোধ সময়;
নিষ্ঠুর হাহাকার, বর্বর পিছুটান।
তবু মৃত্যুর মিছিলে, রক্তের স্রোতে।
তোমার ভাইয়েরা ভাসে, তুমি মেতে আছো উল্লাসে।
বল কি হবে আর…
❤25👍3
ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্যের আলোকে মডার্নিজমের যে পরিচয় আমাদের সামনে ফুটে উঠে তা সংক্ষিপ্ত শব্দে উঠে এসেছে পাকিস্তানি গবেষক ড. আহমদ নাদিমের লেখায়। তিনি লেখেন, ‘মডার্নিজম বা আধুনিকতা হলো এমন আলোকায়ন ও মানবতাবাদ, যা ঐশি যেকোনো সত্তা ও ঐতিহ্যের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে। এটি কেবল আকল ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকেই চূড়ান্ত কর্তৃত্ব হিসেবে মেনে নেয়। আর তা এই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত যে, মানুষই হলো স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং তার আকলই হলো সত্যের একমাত্র উৎস।’
.
বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা
প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫
.
বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা
প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫
❤19👍1
মিস দিয়েন না এই জিনিষ।
প্রি-অর্ডার লিংক :
https://docs.google.com/forms/d/1HrTp8RRfW0TrZy0o-3WBGh483_L9kszPu4L7ypBJkp8/viewform?edit_requested=true&pli=1
প্রি-অর্ডার লিংক :
https://docs.google.com/forms/d/1HrTp8RRfW0TrZy0o-3WBGh483_L9kszPu4L7ypBJkp8/viewform?edit_requested=true&pli=1
❤41
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কথাগুলো এভাবে আর কতজন বলতে পারে!?
.
আল্লাহ ভাইকে অবিচল রাখুক, যেমনটা তার অসংখ্য নেক বান্দাদের রেখেছেন।
.
আল্লাহ ভাইকে অবিচল রাখুক, যেমনটা তার অসংখ্য নেক বান্দাদের রেখেছেন।
🔥79❤26
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আল্লাহু আকবর!
প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা! দীনটাকে বিকৃত কইরেন না, কোথা থেকে যে আওয়াজ উঠবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।
.
কত সহজ এই দীন, যে রব আমার জীবনের যাবতীয় বিধান দিয়েছে, তিনি আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিধান দিতে পারবেন না?
প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা! দীনটাকে বিকৃত কইরেন না, কোথা থেকে যে আওয়াজ উঠবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।
.
কত সহজ এই দীন, যে রব আমার জীবনের যাবতীয় বিধান দিয়েছে, তিনি আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিধান দিতে পারবেন না?
❤135
scaintism.pdf
28 MB
মুফতি ইয়াসির নাদিম আলওয়াজেদি হাফিজাহুল্লাহের দরসর সংকলন 'সাইন্টিজম।
পিডিএফ ফাইলের প্রথম পৃষ্ঠায় 'সিনের' পর একটা 'ইয়া' অতিরিক্ত যুক্ত হয়ে গেছে যা ভুল। কোনোভাবেই এটা কাটতে পারতেছি না।
পিডিএফ ফাইলের প্রথম পৃষ্ঠায় 'সিনের' পর একটা 'ইয়া' অতিরিক্ত যুক্ত হয়ে গেছে যা ভুল। কোনোভাবেই এটা কাটতে পারতেছি না।
👍16
প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও আখেরাতকে বাদ দিয়ে জীবনকে দেখার যে এক নতুন ধারা, সেটাই হলো মডার্নিজম বা আধুনিকতাবাদ। নওমুসলিম মরিয়ম জামিলা বড় সুন্দর বলেছেন, ‘কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই আধুনিক মতাদর্শ অতীন্দ্রিয় মূল্যবোধকে অস্বীকার করে। অপর কথায়, সত্য নির্ণয়নের কোনো চূড়ান্ত মাপকাঠি নেই; বরং সততা, নৈতিক মূল্যবোধ আপেক্ষিক বিষয়। সময়, স্থান ও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের যথার্থতা সীমিত। “ওহী”-ভিত্তিক সমাজব্যবস্থাকে মডার্নিষ্টরা গতিহীন এবং অসার বলে অভিহিত করে।
বই: ইসলাম ও পশ্চিম সভ্যতা
লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির
প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫
বই: ইসলাম ও পশ্চিম সভ্যতা
লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির
প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫
❤39
ওলামায়ে দেওবন্দের ইংরেজদের বিরুদ্ধে দারুল হরবের ফতুয়া নিয়ে আমার বন্ধু মফিজের ভালোলাগার শেষ নাই। দেওবন্দি আকাবীরদের অমর কীর্তি নামায় এটাকে সে বেশ উচ্ছাসের সাথেই পেশ করে।
কিন্তু যখনই জি হা দিরা এই ফতোয়ার কথা বলে, তখনই বন্ধু আমার নগদ হাবিবুর রহমান আজমি আর লখনবীর ফতোয়া—ভারত ইংরেজ আমলেও দারুল ইসলাম ছিলো, সেদিকে নগদ পল্টি মারে।
বন্ধুরে নিয়ে আর পারি না৷
কিন্তু যখনই জি হা দিরা এই ফতোয়ার কথা বলে, তখনই বন্ধু আমার নগদ হাবিবুর রহমান আজমি আর লখনবীর ফতোয়া—ভারত ইংরেজ আমলেও দারুল ইসলাম ছিলো, সেদিকে নগদ পল্টি মারে।
বন্ধুরে নিয়ে আর পারি না৷
😁64❤5🤡2
সৌদি পাকিস্তানের চুক্তি হইছে—একদেশ আক্রান্ত হলে অন্যদেশ আক্রান্ত হিসেবে ধর্তব্য হবে।
এক পাকিস্তানি এটা নিয়ে মন্তব্য করেছে—আজ থেকে পাকিস্তানের ঋণ সৌদির ঋণ বলে বিবেচিত হবে।
.
হাসতেই আছি। উভয় দেশের চুক্তি এমন ট্রলের বাহিরে আর বিশেষ আমাদের কোনো ফায়দাই দিবে না।
এক পাকিস্তানি এটা নিয়ে মন্তব্য করেছে—আজ থেকে পাকিস্তানের ঋণ সৌদির ঋণ বলে বিবেচিত হবে।
.
হাসতেই আছি। উভয় দেশের চুক্তি এমন ট্রলের বাহিরে আর বিশেষ আমাদের কোনো ফায়দাই দিবে না।
😁70🤣8
আল-মাওসুয়াতুল মুফাসসালা ফিল ফিরাকি ওয়াল আদইয়ান গ্রন্থে প্রাচ্যবাদ সম্পর্কে বলা হয়,
‘প্রাচ্যবাদ হলো ইসলাম ও মুসলিম নিয়ে একদল অমুসলিম পশ্চিমা গবেষকদের—বিশেষত ইহুদি খ্রিষ্টানদের—অ্যাকাডেমিক গবেষণা। তারা ইসলামের বিভিন্ন দিক, তথা : আকীদা, শরিয়তের বিধি-বিধান, মুসলিমদের ইতিহাস, সভ্যতা-সংস্কৃতি, ভাষা-সাহিত্য এবং তাদের সম্পদ ও সক্ষমতা ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করে। তাদের গবেষণার একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে ইসলামকে বিকৃত করে মুসলমানদের মধ্যে ইসলামের ব্যাপারে সংশয় তৈরি করা এবং তাদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে পশ্চিমের অধীনস্থ করা। সাথে সাথে জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক গবেষণা ও আলোচনার মাধ্যমে সেই অধীনস্থতার যৌক্তিকতা প্রমাণ করা এবং মুসলিমদের মাঝে ইসলামি সভ্যতার তুলনায় পশ্চিমের সাংস্কৃতিক ও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা প্রতিষ্ঠা করা।
বই: ইসলাম ও পশ্চিম সভ্যতা
লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির
প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫
‘প্রাচ্যবাদ হলো ইসলাম ও মুসলিম নিয়ে একদল অমুসলিম পশ্চিমা গবেষকদের—বিশেষত ইহুদি খ্রিষ্টানদের—অ্যাকাডেমিক গবেষণা। তারা ইসলামের বিভিন্ন দিক, তথা : আকীদা, শরিয়তের বিধি-বিধান, মুসলিমদের ইতিহাস, সভ্যতা-সংস্কৃতি, ভাষা-সাহিত্য এবং তাদের সম্পদ ও সক্ষমতা ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করে। তাদের গবেষণার একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে ইসলামকে বিকৃত করে মুসলমানদের মধ্যে ইসলামের ব্যাপারে সংশয় তৈরি করা এবং তাদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে পশ্চিমের অধীনস্থ করা। সাথে সাথে জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক গবেষণা ও আলোচনার মাধ্যমে সেই অধীনস্থতার যৌক্তিকতা প্রমাণ করা এবং মুসলিমদের মাঝে ইসলামি সভ্যতার তুলনায় পশ্চিমের সাংস্কৃতিক ও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা প্রতিষ্ঠা করা।
বই: ইসলাম ও পশ্চিম সভ্যতা
লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির
প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫
❤45💯3
যে যাই কউক, আমার ভিতরে কদ্দুর মালপত্র আছে আমি জানি। আত্মমুগ্ধতায় ভুগি না, এমনও না, তবে সেটার লিমিট আমার জানা আছে। সেই হিসেবে জীবনে অনেক অনেক বড় বড় ইলমি খিদমত করার ইচ্ছে বা পরিকল্পনা কোনোটাই করি নাই। জীবনী দুইটা মৌলিক কাজের স্বপ্ন ছিলো, এরমধ্যে একটা পশ্চিমা সভ্যতা, সেটা এবার বইমেলায় আসবে আশা করি। আরেকটা হলো ইসলামি শাসনব্যবস্থা। এখনো চার ভাগের এক ভাগও কাজ হয় নাই বইটার। আদৌ হবে কি না, সেটাও নিশ্চিত না৷
আজকে Ibrahim Khalil Fahim নিজে থেকে একটা প্রচ্ছদ করে পাঠাইলো। ভালো খারাপ জানি না। ভিতরের স্বপ্নটা আবার উকি দিয়ে উঠলো।
আজকে Ibrahim Khalil Fahim নিজে থেকে একটা প্রচ্ছদ করে পাঠাইলো। ভালো খারাপ জানি না। ভিতরের স্বপ্নটা আবার উকি দিয়ে উঠলো।
❤55👍6🔥1
পূর্বেকার জামানায় যারা মু*র*তাদ হতো, তারা পুরোনো কোনো মিথ্যা ধর্ম গ্রহণপূর্বক মন্দির, গির্জা ইত্যাদিতে গিয়ে ইবাদত করত। মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মুসলিমদের থেকে সামাজিক, আর্থিক, রাজনৈতিক—সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করত। জীবনযাপন, আহার-খাদ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে পূর্ণ বৈপরীত্য ধারণ করত। ফলে বুঝা যেত যে, এর সাথে এখন থেকে মুসলিম সমাজ, কুরআন, ইসলাম বিশেষভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো সম্পর্ক নেই।
বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা (প্রকাশিতব্য)
লেখক: Abdullah Bin Bashir
বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা (প্রকাশিতব্য)
লেখক: Abdullah Bin Bashir
👍23❤7
এটা অনস্বীকার্য সত্য যে, বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে ঘৃ*ণিত ও নিন্দিত শব্দগুলোর একটি হলো জি*হাদ; আর সবচেয়ে বেশি কলঙ্কের ভার চাপানো হয়েছে মু*জা* হিদদের ওপর। অথচ এই কলঙ্কিতকরণের পেছনে বাইরের শক্তির চেয়ে ভেতরের আপনজনদের ‘মেহেরবানি’ই বেশি ভূমিকা রেখেছে। নিঃসন্দেহে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিম্নোক্ত বাণী আমাদের এ যুগের জন্যই যেন ইঙ্গিতবাহী ও বাস্তবরূপ ধারণ করেছে।
আবদুর রাহমান ইবনু জায়েদ ইবনু আসলাম তাঁর পিতার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
জি*হাদ সর্বদাই সতেজ ও সজীব থাকবে, যতদিন আকাশ থেকে বৃষ্টির ফোঁটা ঝরে। কিন্তু এমন এক সময় আসবে, যখন মানুষদের থেকে কিছু কুরআন পাঠকারী বলবে, ‘এটা তো জি* হাদের যুগ নয়।’
কিন্তু যারা সেই যুগে থাকবে, তাদের জন্য সেটাই হবে জি* হাদের প্রকৃত ও উত্তম যুগ। সাহাবিরা বললেন, ‘ হে আল্লাহর রাসুল, কেউ কি সত্যিই এমন কথা বলবে?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, বলবে। এমন ব্যক্তিই বলবে, যার ওপর আল্লাহ, ফেরেশগণ এবং সমস্ত মানুষের লানত বর্ষিত হবে।’
(আস-সুনানুল ওয়ারিদাতু ফিল ফিতান, হাদীস নং: ৩৭১)
বই: আধুনিক যুগে জি*হাদ
শীঘ্রই আসছে ইনশাআল্লাহ।
আবদুর রাহমান ইবনু জায়েদ ইবনু আসলাম তাঁর পিতার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
জি*হাদ সর্বদাই সতেজ ও সজীব থাকবে, যতদিন আকাশ থেকে বৃষ্টির ফোঁটা ঝরে। কিন্তু এমন এক সময় আসবে, যখন মানুষদের থেকে কিছু কুরআন পাঠকারী বলবে, ‘এটা তো জি* হাদের যুগ নয়।’
কিন্তু যারা সেই যুগে থাকবে, তাদের জন্য সেটাই হবে জি* হাদের প্রকৃত ও উত্তম যুগ। সাহাবিরা বললেন, ‘ হে আল্লাহর রাসুল, কেউ কি সত্যিই এমন কথা বলবে?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, বলবে। এমন ব্যক্তিই বলবে, যার ওপর আল্লাহ, ফেরেশগণ এবং সমস্ত মানুষের লানত বর্ষিত হবে।’
(আস-সুনানুল ওয়ারিদাতু ফিল ফিতান, হাদীস নং: ৩৭১)
বই: আধুনিক যুগে জি*হাদ
শীঘ্রই আসছে ইনশাআল্লাহ।
❤58👎1