USOOL-E-TAKFIR_NEW.pdf
2.6 MB
তাকফির ও উসুলিত তাকফির সম্পর্কে আমার ছোট দৃষ্টিতে এখন পর্যন্ত পড়া সেরা কিতাব এটি। বর্তমান পৃথিবীতে আমার অত্যন্ত পছন্দের একজন আলেম মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের লেখা। কিতাবটি কিছুদিন আগে মুফতি তাকী উসমানি হাফিজাহুল্লাহের দৃষ্টিগোচর হয় এবং তিনি তার উল্লেখযোগ্য একটি অংশ পড়ে অত্যন্ত খুশি হন এবং একটি প্রশংসাবানী লেখে দেন। কিতাবটির দ্বিতীয় এডিশনে সে প্রশংসাবানীটি যুক্ত করে ছাপানো হয়। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি প্রত্যেক তালেবে ইলমের কাছে এই কিতাবটি এক কপি থাকা উচিত ও নিয়মিত মোতালায়াতে তা থাকা দরকার।
🔥22❤5
হারামকে হালাল মনে করা- এই ব্যাপারটি অন্তরের বিষয়। আর অন্তরের কোন বিষয় কারো বুক চিরে জানা সম্ভব না। ইস্তিহলালের ইতিকাদ বা হালাল মনে করার বিশ্বাস দুভাবে প্রকাশিত হয়। ১। মুখের স্বীকৃতি ২। বিশ্বাসের প্রমাণবহনকারী আমল। এটা কোন নজদি উসুল নয়। পাকিস্তানের বিজ্ঞ হানাফি মুফতি উবায়দুর রহমান হাফিজাহুল্লাহ তাঁর লিখিত গ্রন্থ "উসুলে তাকফির" গ্রন্থে ইস্তিহলালে আমালি বা আমলগতভাবে হারামকে হালাল মনে করা বিষয়ে আলোচনা করেছে। ( ৩৪০-৩৪২ পৃষ্ঠা)
এখন কেউ যদি কোন হারামকে নৈতিক, অধিকার, প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক হিসেবে মুখে স্বীকৃতি দেয় এবং বিষয়টাকে আইনিভাবে লিগ্যাল বানানোর জন্য প্রকাশ্য দাবিমূলক তৎপরতা চালায়, তবে এটা ব্যক্তির অন্তরের ইতিকাদ বা বিশ্বাসের স্বীকৃতির একটি অবস্থান। কোন ব্যক্তির এরকম অবস্থান তার ইস্তিহলালের ইতিকাদ বা বিশ্বাসের মৌখিক স্বীকৃতিরই নামান্তর।
তথাপি কোন হারাম বিষয়কে মুখে বুক ফুলিয়ে অধিকার, নৈতিক ও স্বাভাবিক হিসেবে সুস্পষ্ট স্বীকারোক্তি দেয়ার পরও যদি কেউ এই অবস্থানকে মৌখিক স্বীকৃতি মানতে নারাজ হয়, তবে তার জন্য দ্বিতীয় অপশন আছে। আর সেটা হল, ইস্তিহলালে আমালি। ব্যক্তি উল্লেখিত আচরণের মাধ্যমে বিষয়টিকে বৈধ মনে করার বিশ্বাসকে জানান দিচ্ছে। ব্যক্তির এরকম ঔদ্ধত্য কর্মকাণ্ড যদি ইতিকাদের প্রমাণবহনকারী আমল না হয়, তাহলে ইতিকাদ বা বিশ্বাসের প্রমাণবহনকারী আমল কিংবা অবস্থা আর কি হতে পারে? এর উপর তো আমলের আর কোন সুরত হতে পারে না।
সুতরাং কোন মতবাদ যদি, ইসলামের হারাম কিছু বিষয়কে নিয়ে গড়ে উঠে এবং সেটাকে বৈধ, স্বাভাবিক, নৈতিক ও অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার উভর ভিত্তি করেই যদি সেই মতবাদের আন্দোলনের ভীত নির্মাণ করা হয়, তবে সেই মতবাদ ও আন্দোলন একটি কুফুরি আন্দোলন ও মতবাদ হিসেবেই চিহ্নিত হবে। এর ব্যাপারে সাধারণ হুকুম কুফুরেরই হবে। তবে ব্যক্তিবিশেষের অজ্ঞতা, তাবিল ইত্যাদি মাওয়ানিয়ে তাকফির বা কাফের আখ্যাদানের প্রতিবন্ধকতা ব্যক্তিবিশেষের সাথেই খাস হবে। কিন্তু মৌলিকভাবে উক্ত আন্দোলনের ব্যাপারে হুকুম কুফুরেরই হবে।
এজন্য ইলমি ও দাওয়াতি উভয় দায়িত্বের জায়গা থেকেই এরকম আন্দোলনকে ঈমানবিধ্বংসী হিসেবে চিহ্নিত করা জরুরী। তবে ব্যক্তিবিশেষের ব্যাপারে হুকুম প্রয়োগ করা থেকে দায়ী ও সাধারণ আলেম সকলকেই বিরত থাকতে হবে। এটি কেবল বিজ্ঞ মুফতিয়ানে কেরামের দায়িত্ব। আমাদের কাজ হবে আন্দোলনের ব্যাপারে ইসলামের সাধারণ হুকুম প্রচার করা এবং মানুষকে দাওয়াহ প্রদান করা। নির্দিষ্টভাবে মানুষের উপর বিধান প্রয়োগ করা নয়।
©ইফতেখার সিফাত ভাই।
এখন কেউ যদি কোন হারামকে নৈতিক, অধিকার, প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক হিসেবে মুখে স্বীকৃতি দেয় এবং বিষয়টাকে আইনিভাবে লিগ্যাল বানানোর জন্য প্রকাশ্য দাবিমূলক তৎপরতা চালায়, তবে এটা ব্যক্তির অন্তরের ইতিকাদ বা বিশ্বাসের স্বীকৃতির একটি অবস্থান। কোন ব্যক্তির এরকম অবস্থান তার ইস্তিহলালের ইতিকাদ বা বিশ্বাসের মৌখিক স্বীকৃতিরই নামান্তর।
তথাপি কোন হারাম বিষয়কে মুখে বুক ফুলিয়ে অধিকার, নৈতিক ও স্বাভাবিক হিসেবে সুস্পষ্ট স্বীকারোক্তি দেয়ার পরও যদি কেউ এই অবস্থানকে মৌখিক স্বীকৃতি মানতে নারাজ হয়, তবে তার জন্য দ্বিতীয় অপশন আছে। আর সেটা হল, ইস্তিহলালে আমালি। ব্যক্তি উল্লেখিত আচরণের মাধ্যমে বিষয়টিকে বৈধ মনে করার বিশ্বাসকে জানান দিচ্ছে। ব্যক্তির এরকম ঔদ্ধত্য কর্মকাণ্ড যদি ইতিকাদের প্রমাণবহনকারী আমল না হয়, তাহলে ইতিকাদ বা বিশ্বাসের প্রমাণবহনকারী আমল কিংবা অবস্থা আর কি হতে পারে? এর উপর তো আমলের আর কোন সুরত হতে পারে না।
সুতরাং কোন মতবাদ যদি, ইসলামের হারাম কিছু বিষয়কে নিয়ে গড়ে উঠে এবং সেটাকে বৈধ, স্বাভাবিক, নৈতিক ও অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার উভর ভিত্তি করেই যদি সেই মতবাদের আন্দোলনের ভীত নির্মাণ করা হয়, তবে সেই মতবাদ ও আন্দোলন একটি কুফুরি আন্দোলন ও মতবাদ হিসেবেই চিহ্নিত হবে। এর ব্যাপারে সাধারণ হুকুম কুফুরেরই হবে। তবে ব্যক্তিবিশেষের অজ্ঞতা, তাবিল ইত্যাদি মাওয়ানিয়ে তাকফির বা কাফের আখ্যাদানের প্রতিবন্ধকতা ব্যক্তিবিশেষের সাথেই খাস হবে। কিন্তু মৌলিকভাবে উক্ত আন্দোলনের ব্যাপারে হুকুম কুফুরেরই হবে।
এজন্য ইলমি ও দাওয়াতি উভয় দায়িত্বের জায়গা থেকেই এরকম আন্দোলনকে ঈমানবিধ্বংসী হিসেবে চিহ্নিত করা জরুরী। তবে ব্যক্তিবিশেষের ব্যাপারে হুকুম প্রয়োগ করা থেকে দায়ী ও সাধারণ আলেম সকলকেই বিরত থাকতে হবে। এটি কেবল বিজ্ঞ মুফতিয়ানে কেরামের দায়িত্ব। আমাদের কাজ হবে আন্দোলনের ব্যাপারে ইসলামের সাধারণ হুকুম প্রচার করা এবং মানুষকে দাওয়াহ প্রদান করা। নির্দিষ্টভাবে মানুষের উপর বিধান প্রয়োগ করা নয়।
©ইফতেখার সিফাত ভাই।
❤27
নববর্ষ উদযাপন এখানে কি শুধু অনুষ্ঠান? নাকি তাদের কৃষ্টি কালচারের প্রতি ভালবাসাও আছে?
তাদের অনুষ্ঠানের প্রতি আন্তরিকতা , এই খ্রিস্টানদের বর্ষ উদযাপন এবং এটার জন্য হইহুল্লোড় এবং তাদের প্রতি ভালবাসার প্রকাশ এগুলো কিছু কিছু ক্ষেত্রে হারামের সীমানা পেরিয়ে কুফর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তাদের প্রতি ভালোবাসা ,তাদের সাথে বন্ধুত্ব, তাদের প্রতি আন্তরিকতা, তাদের জন্য হৃদয়ের কোনে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করা এগুলো শুধু হারাম নয় বরং কুফর পর্যন্ত পৌঁছায়।
একটি জিনিস জেনে রাখার মত যখন তাদের কৃষ্টি কালচার অনুসরণ হয় না জেনে না বুঝে অথবা প্রবৃত্তির মোহে পড়ে তখন তো হারামাই থাকে।
কিন্তু যখন তাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বললে জ্বালাপোড়া শুরু হয় কোন মুমিনের, অথবা তাদের কৃষ্টি কালচার কে প্রমোট করা হয়, তাদের কৃষ্টি কালচারের জন্য মুসলিমদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাওয়া হয় তখন তা স্বাভাবিক সৌজন্যতা থাকে না বরং আন্তরিকতা এবং বন্ধুত্ব ভালোবাসার পর্যায়ে পৌঁছে যা ক্ষেত্র বিশেষে কুফর পর্যন্ত পৌঁছে।
এজন্য আজকের এই দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন হারামের সমন্বয়ে যা চলছে তা থেকে পরিপূর্ণরূপে বেরিয়ে আসা, পরিহার করা এবং হৃদয়ের গভীর থেকে ঘৃণা করা উম্মতের প্রত্যেকটি সদস্যের কর্তব্য।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা বোঝার তৌফিক দান করেন। আমীন।
©শায়খ জাকারিয়া আমীন হাফিজাহুল্লাহ
তাদের অনুষ্ঠানের প্রতি আন্তরিকতা , এই খ্রিস্টানদের বর্ষ উদযাপন এবং এটার জন্য হইহুল্লোড় এবং তাদের প্রতি ভালবাসার প্রকাশ এগুলো কিছু কিছু ক্ষেত্রে হারামের সীমানা পেরিয়ে কুফর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তাদের প্রতি ভালোবাসা ,তাদের সাথে বন্ধুত্ব, তাদের প্রতি আন্তরিকতা, তাদের জন্য হৃদয়ের কোনে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করা এগুলো শুধু হারাম নয় বরং কুফর পর্যন্ত পৌঁছায়।
একটি জিনিস জেনে রাখার মত যখন তাদের কৃষ্টি কালচার অনুসরণ হয় না জেনে না বুঝে অথবা প্রবৃত্তির মোহে পড়ে তখন তো হারামাই থাকে।
কিন্তু যখন তাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বললে জ্বালাপোড়া শুরু হয় কোন মুমিনের, অথবা তাদের কৃষ্টি কালচার কে প্রমোট করা হয়, তাদের কৃষ্টি কালচারের জন্য মুসলিমদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাওয়া হয় তখন তা স্বাভাবিক সৌজন্যতা থাকে না বরং আন্তরিকতা এবং বন্ধুত্ব ভালোবাসার পর্যায়ে পৌঁছে যা ক্ষেত্র বিশেষে কুফর পর্যন্ত পৌঁছে।
এজন্য আজকের এই দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন হারামের সমন্বয়ে যা চলছে তা থেকে পরিপূর্ণরূপে বেরিয়ে আসা, পরিহার করা এবং হৃদয়ের গভীর থেকে ঘৃণা করা উম্মতের প্রত্যেকটি সদস্যের কর্তব্য।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা বোঝার তৌফিক দান করেন। আমীন।
©শায়খ জাকারিয়া আমীন হাফিজাহুল্লাহ
❤14👍1
ابن تيمية والمغول، تاريخ لم يقرأ.pdf
8.8 MB
রমজানে কিতাবটির মূল নুসখা দেখেছিলাম, ভালো লেগেছিলো সূচি দেখে, কিন্তু তেমন প্রয়োজন নেই আরো বড় কথা সংগ্রহের মত টাকা ছিলো না দেখে সংগ্রহ করতে পারিনি। আজ পিডিএফ পেলাম। মোঘল ও ইবনে তাইমিয়া নিয়েই ৩৫০+ পৃষ্ঠার এই গবেষণা! আশা করি আগ্রহী ভাইদের কাজে লাগবে। আমি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এখানে রেখে দিলাম।
❤17🔥2👍1
বুরহান উদ্দীন রাব্বানী একজন আলেম - একজন মুজাহিদ নেতা। বলা যায় মোল্লা ওমরের চাইতে অনেক বড় আলেম, অভিজ্ঞ। কওমীরা তাকে ক্লেইম করতে পারবে, ইখওয়ানীরাও পারবে। আলী মিয়া নদভীর সফর সঙ্গী, সায়্যিদ কুতুবের রচনা সব তো তার নখদর্পনে ছিল। চোস্ত আরবী, ফার্সী, উর্দু পারতেন। আফগানে কওমীতে পড়ার পর, কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছিলেন, আবার সেখানে প্রফেসরও হয়েছিলেন ইসলামী শাস্ত্রে। আল-আজহারে গিয়েও পড়েছেন। রাশিয়ার বিরুদ্ধে জি-হাদে মু-জাহিদ নেতাও ছিলেন। এত বিপ্লবী আসবাব তো মোল্লা ওমরেরও ছিল না, যতটা তার ছিল।
কিন্তু তাকে হত্যা করলো কারা? তালিবরা! বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়? কারণ তিনি তালিবদের বিরুদ্ধে কা-ফিরদের পক্ষে হাত মিলিয়েছিলেন। না, তিনি শরীয়াহ শাসন অস্বীকার করেন নি, তিনি তো তালিবদের চেয়েও ভালো করে আলী মিয়া নদভীকে চিনতেন, সায়্যিদ কুতুবকে জানতেন।
কিন্তু তালিবরা প্রথমবার ইমারাহ গঠনের আগে, আফগানকে যে ইসলামী রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছিল, তাকে সে রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বানানো হয়েছিল। টেকনিক্যালি তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেই তালিবদের প্রথম ইমারাহ তৈরী। তিনি তালিবদের মেনে নিলেন না। তিনি আমরিকানদের পাতানো গণতান্ত্রিক সিস্টেমের অংশ হলেন। মু-জাহিদদের বিরুদ্ধে ওয়ার অন টেররের অংশ হলেন।
আপনারা একটু অনুধাবন করুন। তার নামটা নেয়ার জন্য তার পক্ষেরও কোন লোক নেই। কওমীরা বলবে না, তিনি আমাদের হিরো, অথচ তিনি কওমীর সন্তান। ইখওয়ানী, জামাতি, চরমোনাই কেউ তার পক্ষে বলবে না, অথচ তিনি তাদের চিন্তাধারার রাজনীতি করতে চেয়েছিলেন। অথচ মাপলে দেখা যাবে যে, তার ক্যালিবারের আলেম আবার মু-জাহিদ নেতা কোন কালে জা'মাত কিংবা চরমোনাইতে এসেছিলো কিনা আমার জানা নেই৷ ইখওয়ানে থাকতে পারে।
কিন্তু কেনো এমন হল? আফগানের সেকুলাঙ্গাররাও তার নাম নেয় না। কিন্তু কেউ যদি নাম নেয়, এই যে আমার মত, তার দোষ তুলে ধরতেই নেয়। ইতিহাসে তার নাম বিশ্বাসঘাতকার খাতায় লেখা থাকবে। আমার নিজেরই ভাবলে কষ্ট হয় এত ক্যালিবারের একটা লোকের এই পরিণতি হলো। তার থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। যেই মাসলাকি-মানহাজি বড়াই করি, আল্লাহই ভালো জানেন, কাদের সাথে হাত মিলাই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পড়ে। আল্লাহ মাফ করুক!
©
কিন্তু তাকে হত্যা করলো কারা? তালিবরা! বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়? কারণ তিনি তালিবদের বিরুদ্ধে কা-ফিরদের পক্ষে হাত মিলিয়েছিলেন। না, তিনি শরীয়াহ শাসন অস্বীকার করেন নি, তিনি তো তালিবদের চেয়েও ভালো করে আলী মিয়া নদভীকে চিনতেন, সায়্যিদ কুতুবকে জানতেন।
কিন্তু তালিবরা প্রথমবার ইমারাহ গঠনের আগে, আফগানকে যে ইসলামী রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছিল, তাকে সে রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বানানো হয়েছিল। টেকনিক্যালি তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেই তালিবদের প্রথম ইমারাহ তৈরী। তিনি তালিবদের মেনে নিলেন না। তিনি আমরিকানদের পাতানো গণতান্ত্রিক সিস্টেমের অংশ হলেন। মু-জাহিদদের বিরুদ্ধে ওয়ার অন টেররের অংশ হলেন।
আপনারা একটু অনুধাবন করুন। তার নামটা নেয়ার জন্য তার পক্ষেরও কোন লোক নেই। কওমীরা বলবে না, তিনি আমাদের হিরো, অথচ তিনি কওমীর সন্তান। ইখওয়ানী, জামাতি, চরমোনাই কেউ তার পক্ষে বলবে না, অথচ তিনি তাদের চিন্তাধারার রাজনীতি করতে চেয়েছিলেন। অথচ মাপলে দেখা যাবে যে, তার ক্যালিবারের আলেম আবার মু-জাহিদ নেতা কোন কালে জা'মাত কিংবা চরমোনাইতে এসেছিলো কিনা আমার জানা নেই৷ ইখওয়ানে থাকতে পারে।
কিন্তু কেনো এমন হল? আফগানের সেকুলাঙ্গাররাও তার নাম নেয় না। কিন্তু কেউ যদি নাম নেয়, এই যে আমার মত, তার দোষ তুলে ধরতেই নেয়। ইতিহাসে তার নাম বিশ্বাসঘাতকার খাতায় লেখা থাকবে। আমার নিজেরই ভাবলে কষ্ট হয় এত ক্যালিবারের একটা লোকের এই পরিণতি হলো। তার থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। যেই মাসলাকি-মানহাজি বড়াই করি, আল্লাহই ভালো জানেন, কাদের সাথে হাত মিলাই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পড়ে। আল্লাহ মাফ করুক!
©
❤30👍6❤🔥2
Noor_Book_com_الإمامة_العظمى_عند_أهل_السنة_والجماعة.pdf
9.6 MB
এই বছর ইসলামি খিলাফাহ নিয়ে পড়া সবচেয়ে চমৎকার বইয়ের একটি এই বইটি। এই বিষয়ে যারা পড়তে আগ্রহি তালেবে ইলমগণ এই বইটি সংগ্রহ রাখতে পারেন। বইটি নিয়ে আমার একটা পর্যালোচনা আছে তা দেখে নিতে পারেন।
❤6👍3
Abdullah bin bashir
Noor_Book_com_الإمامة_العظمى_عند_أهل_السنة_والجماعة.pdf
ইসলামি সিয়াসাত বইপত্র (২)
.
ইসলামি সিয়াসাত নিয়ে সমকালীন যতজনের লেখা নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তারমাঝে ‘ইমামাতুল উজমা’ বইটি বেশ চমৎকার ও অনন্য লেগেছে। একদিকে পশ্চিমের গণতন্ত্রের মাদকতা আর প্রাচ্যবিদদের অপপ্রচার অন্যদিকে ইখওয়ানি হিজবুত তাহরির ধারার কিছু মডারেট চিন্তার মুসলিমের বিকৃতি—এতসবকিছুর মধ্য দিয়ে ইসলামি সিয়াসাতকে আহলুস সুন্নাহের মানহাজ ও পরিভাষা দিয়ে বুঝা ও সম্পূর্ণ নির্ভয়ে লেখে যাওয়া, এই লেখকের এক অনন্য কীর্তি ঠেকেছে আমার কাছে। আল্লাহ লেখককে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন।
.
বইটিতে শুধু ইসলামি খে*লা*ফ*তের প্রধান খ*লি*ফা বা আমিরুল মুমিমিনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একটি ইসলামি ভূখণ্ডে খ*লি*ফা নিয়োগ দেওয়ার বিধান, কাকে নির্ধারণ করবে এবং কারা নির্ধারণ করবে এবং তার পদ্ধতি কী হবে? একজন মুসলিম শাসকের দায়িত্ব কী? খ*লিফাকে কখন তার পদ থেকে বহিষ্কার করা যাবে। আসবাবুল আজল কী কী এই সংক্রান্ত আলোচনাই পুরো ছয়শত পৃষ্ঠা জুড়ে।
.
বইটির কিছু বৈশিষ্ট্য :
১. বইটিতে পূর্ণভাবে ইসলামি ফিকহকেই লেখক মূল ভিত্তি বানিয়েছেন। এবং ইসলামি ফিকহের নামে যারা পশিচমা রাষ্ট্রনীতিকে ইসলামিকরণের ঘৃণ্যকাজে লিপ্ত তাদেরকে প্রতিটি স্থানে সংক্ষেপে তবে জোড়ালো খণ্ডন করেছেন। নারীর পার্লামেন্টে সদস্য, শুরার সাথে যারা গ*ণত*ন্ত্রকে মিলিয়ে দ্বীনের তাহরিফে লিপ্ত তাদেরকে গোড়া থেকে খণ্ডন করেছেন। লেখকের ইসলামি ফিকহের আলোকেই আধুনিক বিষয়গুলোর মূল্যায়ন করেছেন, ইসলামিকরনের ঘৃণ্য মানসিকতার শিকার হননি। আলহামদুলিল্লাহ।
২. লেখক প্রাচীন বা আধুনিক যেকোনো ইখতিলাফি মাসআলাতে উভয় দলের মত, দলিল ও দলিলের মুনাকাশা করেছেন বড় চমৎকার ভঙ্গিতে ও এত ভেঙ্গে ভেঙ্গে যে, এরপর যখন ‘আলকওলুর রাজেহ’ বলে নিজের সিন্ধান্ত বলেন তখন পাঠকের পুরো আলোচনার সবদিক স্পষ্ট হয়ে যায়। লেখকের সিন্ধান্ত বুঝতে আর কোনো অস্পষ্টতা থাকে না। হাঁ তার কিছু সিন্ধান্তে অবশ্যই দ্বিমত করার জায়গা আছে, তবে লেখকের দলিল সমৃদ্ধ মতটির দ্বিমত করতে অবশ্যই দলিলের প্রয়োজন হবে। কারন নিজের মতকে লেখক যেভাবে দলিল সমৃদ্ধ করে ও অন্য দলিলগুলোকে উসুলের আলোকে খণ্ডন দেখবেন তখন দলিল ছাড়া দ্বিমত করতে পারবেন না৷
৩. ইসলামি খেয়াফতের কিছু পরিভাষা সমকালীন রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতিতে আলোচিত। সে পরিভাষাগুলো এত বেশি তাহরিফের শিকার যে, যা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা করা ছাড়া ধারনা করাও সম্ভব না। তার মাঝে একটি হলো, ইসলামি শুরা ব্যবস্থা। লেখক ইসলামি শুরা ব্যবস্থা ও তার মূল বিধান বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। দেখিয়েছেন গ*ণ*ত*ন্ত্র আর ইসলামি শুরা ব্যবস্থাকে কস্মিনকালেও এক করে দেখার সুযোগ আছে কি না। লেখক বেশ দালালিকভাবে গ*ন*তন্ত্রের প্রেমিক, পুজারি আর ঝাকঝিক্ক দেখে ধোকা খাওয়া ব্যক্তিদের এই বিশাল তাহরিফ—ইসলামি শুরাই হলো আধুনিক গ*ন*ত*ন্ত্র—কে একদম তাদের দলিলসহ দেখিয়েছেন। কীভাবে তাহরিফ করা হয়েছে এই অধ্যায়টিকে।
.
একজন বড় সত্যই বলেছেন ‘আধুনিক সময়ে ইসলামি রাজনীতি নিয়ে যতজন লেখেছেন তাদের সবাই কমবেশি আধুনিক চিন্তাধারা প্রভাবিত হয়েছে ইমামাতুল উজমার লেখক দুমাইজি আর... ছাড়া।’ কথাটাতে কিছুটা অতিরঞ্জন থাকলেও ভুল বলেননি তিনি।
.
ইসলামি সিয়াসাত নিয়ে সমকালীন যতজনের লেখা নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তারমাঝে ‘ইমামাতুল উজমা’ বইটি বেশ চমৎকার ও অনন্য লেগেছে। একদিকে পশ্চিমের গণতন্ত্রের মাদকতা আর প্রাচ্যবিদদের অপপ্রচার অন্যদিকে ইখওয়ানি হিজবুত তাহরির ধারার কিছু মডারেট চিন্তার মুসলিমের বিকৃতি—এতসবকিছুর মধ্য দিয়ে ইসলামি সিয়াসাতকে আহলুস সুন্নাহের মানহাজ ও পরিভাষা দিয়ে বুঝা ও সম্পূর্ণ নির্ভয়ে লেখে যাওয়া, এই লেখকের এক অনন্য কীর্তি ঠেকেছে আমার কাছে। আল্লাহ লেখককে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন।
.
বইটিতে শুধু ইসলামি খে*লা*ফ*তের প্রধান খ*লি*ফা বা আমিরুল মুমিমিনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একটি ইসলামি ভূখণ্ডে খ*লি*ফা নিয়োগ দেওয়ার বিধান, কাকে নির্ধারণ করবে এবং কারা নির্ধারণ করবে এবং তার পদ্ধতি কী হবে? একজন মুসলিম শাসকের দায়িত্ব কী? খ*লিফাকে কখন তার পদ থেকে বহিষ্কার করা যাবে। আসবাবুল আজল কী কী এই সংক্রান্ত আলোচনাই পুরো ছয়শত পৃষ্ঠা জুড়ে।
.
বইটির কিছু বৈশিষ্ট্য :
১. বইটিতে পূর্ণভাবে ইসলামি ফিকহকেই লেখক মূল ভিত্তি বানিয়েছেন। এবং ইসলামি ফিকহের নামে যারা পশিচমা রাষ্ট্রনীতিকে ইসলামিকরণের ঘৃণ্যকাজে লিপ্ত তাদেরকে প্রতিটি স্থানে সংক্ষেপে তবে জোড়ালো খণ্ডন করেছেন। নারীর পার্লামেন্টে সদস্য, শুরার সাথে যারা গ*ণত*ন্ত্রকে মিলিয়ে দ্বীনের তাহরিফে লিপ্ত তাদেরকে গোড়া থেকে খণ্ডন করেছেন। লেখকের ইসলামি ফিকহের আলোকেই আধুনিক বিষয়গুলোর মূল্যায়ন করেছেন, ইসলামিকরনের ঘৃণ্য মানসিকতার শিকার হননি। আলহামদুলিল্লাহ।
২. লেখক প্রাচীন বা আধুনিক যেকোনো ইখতিলাফি মাসআলাতে উভয় দলের মত, দলিল ও দলিলের মুনাকাশা করেছেন বড় চমৎকার ভঙ্গিতে ও এত ভেঙ্গে ভেঙ্গে যে, এরপর যখন ‘আলকওলুর রাজেহ’ বলে নিজের সিন্ধান্ত বলেন তখন পাঠকের পুরো আলোচনার সবদিক স্পষ্ট হয়ে যায়। লেখকের সিন্ধান্ত বুঝতে আর কোনো অস্পষ্টতা থাকে না। হাঁ তার কিছু সিন্ধান্তে অবশ্যই দ্বিমত করার জায়গা আছে, তবে লেখকের দলিল সমৃদ্ধ মতটির দ্বিমত করতে অবশ্যই দলিলের প্রয়োজন হবে। কারন নিজের মতকে লেখক যেভাবে দলিল সমৃদ্ধ করে ও অন্য দলিলগুলোকে উসুলের আলোকে খণ্ডন দেখবেন তখন দলিল ছাড়া দ্বিমত করতে পারবেন না৷
৩. ইসলামি খেয়াফতের কিছু পরিভাষা সমকালীন রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতিতে আলোচিত। সে পরিভাষাগুলো এত বেশি তাহরিফের শিকার যে, যা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা করা ছাড়া ধারনা করাও সম্ভব না। তার মাঝে একটি হলো, ইসলামি শুরা ব্যবস্থা। লেখক ইসলামি শুরা ব্যবস্থা ও তার মূল বিধান বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। দেখিয়েছেন গ*ণ*ত*ন্ত্র আর ইসলামি শুরা ব্যবস্থাকে কস্মিনকালেও এক করে দেখার সুযোগ আছে কি না। লেখক বেশ দালালিকভাবে গ*ন*তন্ত্রের প্রেমিক, পুজারি আর ঝাকঝিক্ক দেখে ধোকা খাওয়া ব্যক্তিদের এই বিশাল তাহরিফ—ইসলামি শুরাই হলো আধুনিক গ*ন*ত*ন্ত্র—কে একদম তাদের দলিলসহ দেখিয়েছেন। কীভাবে তাহরিফ করা হয়েছে এই অধ্যায়টিকে।
.
একজন বড় সত্যই বলেছেন ‘আধুনিক সময়ে ইসলামি রাজনীতি নিয়ে যতজন লেখেছেন তাদের সবাই কমবেশি আধুনিক চিন্তাধারা প্রভাবিত হয়েছে ইমামাতুল উজমার লেখক দুমাইজি আর... ছাড়া।’ কথাটাতে কিছুটা অতিরঞ্জন থাকলেও ভুল বলেননি তিনি।
👍18🔥4
4 masail updated 3-1-2022.pdf
5.1 MB
মুফতি আহমদ মুমতাজ সাহেব পাকিস্তানের অন্যতম প্রসিদ্ধ একজন আলেম। মুফতি রশিদ আহমদ লুধিয়ানবির খাস শাগরেদ ও হাকিম আখতার সাহেবের খলিফা। যিনি ইসলামি ব্যাংকগুলোকে মানুশকে গিলানোর জন্য বর্তমান বিশ্বব্যাপী যে কাজ করা হচ্ছে এটার খণ্ডনে বেশ শক্তভাবে কাজ করছেন পাকিস্তানে। বেশকিছু মূল্যবান বই লেখেছেন, তারমাঝে একটি হলো ‘চার মাসায়েল’। সেখানে ব্যাংকের যে প্রসিদ্ধ কিছু পদ্ধতি, যেগুলো দিয়ে ব্যাংককে ইসলামি বলার ও ইসলামি করার চেষ্টা করা হয় সেগুলোর মুদাল্লাল খন্ডন করে দেখিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে ইসলামি ব্যাংকের সমর্থকগণ জোড়াতালি দিয়ে ব্যাংককে ইসলামি করে যাচ্ছে!
❤24👍2🔥2
Gher Soodi Bankiari Aik Munsifana Ilmi Jaiza pdf (Nitro).pdf
106.5 MB
মুফতি তাকি উসমানি হাফিজাহুল্লাহের ব্যাংকিং বিষয়ে মতামতের খণ্ডন করে পাকিস্তানের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বানুরিটাউনসহ চার প্রদেশের সকল মুফতির সম্মেলিত একটি ফতোয়া দেন, এরপর সে ফতোয়ার দলিল হিসেবে মুরাওয়াজা ইসলামি ব্যাংকারি নামক একটি কিতাব লেখেন। মুফতি সাহেব সেটার খণ্ডণ করে গাইরে সুদি ব্যাংকারি নামক একটি কিতাব লেখে। পরবর্তীতে মুফতি তাকি উসমানি সাহেবের গাইরে সুদি ব্যাংকারির খণ্ডণ করে মুফতি আহমদ মুমতাজ সাহেব বই লেখেন, ‘গাইরে সুদি ব্যাংকারি এক মুনসিফানা জায়িযা’। বইটির শুরুতে পাকিস্তানের শীর্ষ আলেমগন প্রশংসাবানী লেখে দিয়েছেন।
🤔15🔥8👍3
ووٹ کا تحقیقی و تنقیدی جائزہ.pdf
20 MB
ভোটের সময় চলতেছে। মৌসুম ভিত্তিক পড়াশোনা হিসেবে ভোটের শরয়ী অবস্থান সম্পর্কে উর্দুতে সংক্ষিপ্ত এই লেখাটা পড়া যেতে পারে। বইটি সামগ্রিক দিক থেকে বেশ ভালোই লেগেছে।
❤27🔥3
#শেকওয়া
ভোট বনাম পরিভাষা
প্রচলিত ভোট দেওয়ার বিধান নির্ভর করে ভোটের শরয়ী অবস্হা বিবেচনা করে।ভোটের শরয়ী পরিভাষা কি হতে পারে নির্নয় করা দূরহ।তবে নির্নয় করেছেন অনেকে।যেমন ভোটের শরয়ী পরিভাষা হচ্ছে ১.শাহাদাত-সাক্ষ্য।২.শাফায়াত-সুপারিশ।৩.আমানত
৪.ওকালত।
পর্যালোচনা করে দেখা যাক কোনটা অধিকতর উপযুগী।
#প্রথমত....
১.শাহাদাত:শাহাদাত বলা হয় ’’الشھادۃ اخبار صادق فی مجلس الحکم بلفظ الشھادۃ‘‘ (حاشیۃ ھدایۃ للعلامۃ اللکھنویؒ)
সত্যবাদী ব্যক্তি বিচারালয়ে 'শাহাদাত'শব্দ উচ্চারন করে সাক্ষ্য-খবর দেয়া।
এখানে চারটা বিষয়।
এক.খবর দেয়া।
দুই.বিচারালয় হওয়া।
তিন.যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছে সে উপস্হিত থাকা।চার.শাহাদাত শব্দ উচ্চারন করা।
অথচ ভোটের মধ্যে এসব পাওয়া যায় না।কারন ভোট প্রদান করা হয় ব্যালটের মাধ্যমে।নির্ধারিত লোকের নামের পাশে অঙ্কিত প্রতিকে সিল মেরে ভোট পপ্রদান করা হয়।আর এর মাধ্যমে মনোনীত প্রার্থীর আইন প্রনয়নসহ যাবতীয় ক্ষমতা অর্জিত হয়।আর এটাকে শরয়ী পরিভাষায় ইখবার বলেনা বরং ইনশা বলে।আর আমাদের জানা আছে যে ইখবার আর ইনশা এক নয়।
অতএব শাহাদাতের উল্লেখিত চার রুকনের কোনো রুকনই এখানে পরিলক্ষিত হচ্ছেনা।
#দ্বিতীয়ত....
এখানে সাক্ষ্য দানের জন্য সাক্ষীর যেসব গুনাগুন বা শর্ত প্রযোজ্য তা সবার ক্ষেত্রে পাওয়া যায়না।যেমন ভোটের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ,পাগল,ডাকাত,চোর, দন্ডিত ব্যক্তি সবাই সমান।অথচ শাহাদাত-সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে সবাই সমান নয়।
#তৃতীয়ত....
শাহাদাত হচ্ছে...دلالت لفظیہ কিন্তু ভোট হচ্ছে... دلالت غیر لفظیہ অথচ উকালা-মান্তেকীদের নিকট ’والشیٔ لایحتمل ضدہ এটা জায়েজ নেই।
#ভোটের দ্বিতীয় পরিভাষা :শাফায়াত-সুপারিশ।
১.সুপারিশ অর্থ হল ভোটার তার ভোটের মাধ্যমে কোন অথরেটিকে তার মনোনীত প্রার্থীকে সাংসদ ইত্যাদি বানাতে সুপারিশ করবে।অথচ এখানে স্বয়ং ভোটারই তার মনোনীত প্রার্থী নির্ধারনের ক্ষেত্রে রায় দিচ্ছে এবং নির্বাচিত করছে।
২.মেনে নিলাম ভোটের মাধ্যমে কোন সংস্হাকে সুপারিশ করা হয়।কিন্তু প্রশ্ন হল কাকে?তারা তো এখনো অস্তিত্বে আসেনি।বরং তাদের অস্তিত্বে আসাটা নির্ভর করছে স্বয়ং ভোটারের ভোটের উপর।সাংসদ নির্ভর করছে ভোটের উপর আবার অথরেটিও নির্ভর করছে ভোটের উপর।যাকে توقف الشیٔ علی نفسہ যা নিষিদ্ধ।
#ভোটের তৃতীয় পরিভাষা ওকালত।
কিছু কথা:
১.ওকালত কিন্তু এক ধরনের চুক্তি।আর উকুদ একাকী একদিকে থেকে হয় না।বরং দ্বিপাক্ষিক হয়।এখানে কিন্তু এক পক্ষিয়।
২.ভোট গননার সময় জানা যায় না কার ভোট কোনটি।তাহলে ওকিল তার মোয়াক্কেল কিভাবে নির্ণয় করবে?আর যদি মোয়াক্কেল জানা না থাকে তাহলে ওকালত চুক্তি হবে কি করে!
৩.যদি ভোট মানে ওকালত মেনে নিই তাহলে পরাজিত প্রার্থীও তার ভোটার কর্তৃক ওকিল হবে অথচ ভোটের ক্ষেত্রে এমন না।আর শরিয়তে এর কোন নজির নেই যে ওকালতের সমস্ত শর্ত পাওয়া যাওয়া সত্ত্বেও পরাজিত প্রার্থী ওকিল হতে পারেনা।
৪.ওকালতের ক্ষেত্র ওকিল কর্তৃক মোয়াক্কেলকে অপসারনের সুযোগ বা ক্ষমতা থাকে।কিন্তু ভোটের ক্ষেত্রে থাকেনা।
৫.প্রার্থী /এম পি ইস্তফা দেওয়ার পর পুনরায় ফিরিয়ে নিতে পারে।কিন্তু ওকিল তার ওকালত থেকে ইস্তফা দিলে ফিরিয়ে নিতে পারেনা।
৬.শরিয়তে এমন কোন নজির নেই যে কিছু মানুষ একজনকে ওকিল বানাল আর কিছু মানুষ অন্যজনকে। দিন শেষে সবাইকে তার নিযুক্ত ওকিল ব্যতিত অন্যজনের ওকিলকে ওকিল মানতে হচ্ছে।
#ভোটের চতুর্থ পরিভাষা :আমানত
আমানত একটি শরয়ী পরিভাষা।প্রয়োগ হবে শরিয়তের কল্যানকর জায়গাতে।কিন্তু গনতন্ত্র সর্বসম্মত একটি কুফরি মতবাদ।আর ভোটের মাধ্যমে মূলত গনতন্ত্র বা গনতান্ত্রীক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।আর গনতন্ত্র হচ্ছে আল্লাহর জমিনে মানব রচিত আইন প্রয়োগ করা।তাহলে আমানত-ভোট প্রদান করে কি মানব রচিত আইন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা হচ্ছে না?কিভাবে ভোট আমানতের সংজ্ঞায় পড়ে?
#প্রশ্ন:যদি বিনা ভোটে নির্বাচিত হন তাহলে পরিভাষা কোনটা ব্যবহার করা হবে?
বিনা ভোটে নির্বাচিত প্রার্থী কি আইন প্রনয়নের ক্ষমতা রাখে না?
মাওলানা মাহমুদ মাসরুর হাফিজাহুল্লাহ।
ভোট বনাম পরিভাষা
প্রচলিত ভোট দেওয়ার বিধান নির্ভর করে ভোটের শরয়ী অবস্হা বিবেচনা করে।ভোটের শরয়ী পরিভাষা কি হতে পারে নির্নয় করা দূরহ।তবে নির্নয় করেছেন অনেকে।যেমন ভোটের শরয়ী পরিভাষা হচ্ছে ১.শাহাদাত-সাক্ষ্য।২.শাফায়াত-সুপারিশ।৩.আমানত
৪.ওকালত।
পর্যালোচনা করে দেখা যাক কোনটা অধিকতর উপযুগী।
#প্রথমত....
১.শাহাদাত:শাহাদাত বলা হয় ’’الشھادۃ اخبار صادق فی مجلس الحکم بلفظ الشھادۃ‘‘ (حاشیۃ ھدایۃ للعلامۃ اللکھنویؒ)
সত্যবাদী ব্যক্তি বিচারালয়ে 'শাহাদাত'শব্দ উচ্চারন করে সাক্ষ্য-খবর দেয়া।
এখানে চারটা বিষয়।
এক.খবর দেয়া।
দুই.বিচারালয় হওয়া।
তিন.যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছে সে উপস্হিত থাকা।চার.শাহাদাত শব্দ উচ্চারন করা।
অথচ ভোটের মধ্যে এসব পাওয়া যায় না।কারন ভোট প্রদান করা হয় ব্যালটের মাধ্যমে।নির্ধারিত লোকের নামের পাশে অঙ্কিত প্রতিকে সিল মেরে ভোট পপ্রদান করা হয়।আর এর মাধ্যমে মনোনীত প্রার্থীর আইন প্রনয়নসহ যাবতীয় ক্ষমতা অর্জিত হয়।আর এটাকে শরয়ী পরিভাষায় ইখবার বলেনা বরং ইনশা বলে।আর আমাদের জানা আছে যে ইখবার আর ইনশা এক নয়।
অতএব শাহাদাতের উল্লেখিত চার রুকনের কোনো রুকনই এখানে পরিলক্ষিত হচ্ছেনা।
#দ্বিতীয়ত....
এখানে সাক্ষ্য দানের জন্য সাক্ষীর যেসব গুনাগুন বা শর্ত প্রযোজ্য তা সবার ক্ষেত্রে পাওয়া যায়না।যেমন ভোটের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ,পাগল,ডাকাত,চোর, দন্ডিত ব্যক্তি সবাই সমান।অথচ শাহাদাত-সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে সবাই সমান নয়।
#তৃতীয়ত....
শাহাদাত হচ্ছে...دلالت لفظیہ কিন্তু ভোট হচ্ছে... دلالت غیر لفظیہ অথচ উকালা-মান্তেকীদের নিকট ’والشیٔ لایحتمل ضدہ এটা জায়েজ নেই।
#ভোটের দ্বিতীয় পরিভাষা :শাফায়াত-সুপারিশ।
১.সুপারিশ অর্থ হল ভোটার তার ভোটের মাধ্যমে কোন অথরেটিকে তার মনোনীত প্রার্থীকে সাংসদ ইত্যাদি বানাতে সুপারিশ করবে।অথচ এখানে স্বয়ং ভোটারই তার মনোনীত প্রার্থী নির্ধারনের ক্ষেত্রে রায় দিচ্ছে এবং নির্বাচিত করছে।
২.মেনে নিলাম ভোটের মাধ্যমে কোন সংস্হাকে সুপারিশ করা হয়।কিন্তু প্রশ্ন হল কাকে?তারা তো এখনো অস্তিত্বে আসেনি।বরং তাদের অস্তিত্বে আসাটা নির্ভর করছে স্বয়ং ভোটারের ভোটের উপর।সাংসদ নির্ভর করছে ভোটের উপর আবার অথরেটিও নির্ভর করছে ভোটের উপর।যাকে توقف الشیٔ علی نفسہ যা নিষিদ্ধ।
#ভোটের তৃতীয় পরিভাষা ওকালত।
কিছু কথা:
১.ওকালত কিন্তু এক ধরনের চুক্তি।আর উকুদ একাকী একদিকে থেকে হয় না।বরং দ্বিপাক্ষিক হয়।এখানে কিন্তু এক পক্ষিয়।
২.ভোট গননার সময় জানা যায় না কার ভোট কোনটি।তাহলে ওকিল তার মোয়াক্কেল কিভাবে নির্ণয় করবে?আর যদি মোয়াক্কেল জানা না থাকে তাহলে ওকালত চুক্তি হবে কি করে!
৩.যদি ভোট মানে ওকালত মেনে নিই তাহলে পরাজিত প্রার্থীও তার ভোটার কর্তৃক ওকিল হবে অথচ ভোটের ক্ষেত্রে এমন না।আর শরিয়তে এর কোন নজির নেই যে ওকালতের সমস্ত শর্ত পাওয়া যাওয়া সত্ত্বেও পরাজিত প্রার্থী ওকিল হতে পারেনা।
৪.ওকালতের ক্ষেত্র ওকিল কর্তৃক মোয়াক্কেলকে অপসারনের সুযোগ বা ক্ষমতা থাকে।কিন্তু ভোটের ক্ষেত্রে থাকেনা।
৫.প্রার্থী /এম পি ইস্তফা দেওয়ার পর পুনরায় ফিরিয়ে নিতে পারে।কিন্তু ওকিল তার ওকালত থেকে ইস্তফা দিলে ফিরিয়ে নিতে পারেনা।
৬.শরিয়তে এমন কোন নজির নেই যে কিছু মানুষ একজনকে ওকিল বানাল আর কিছু মানুষ অন্যজনকে। দিন শেষে সবাইকে তার নিযুক্ত ওকিল ব্যতিত অন্যজনের ওকিলকে ওকিল মানতে হচ্ছে।
#ভোটের চতুর্থ পরিভাষা :আমানত
আমানত একটি শরয়ী পরিভাষা।প্রয়োগ হবে শরিয়তের কল্যানকর জায়গাতে।কিন্তু গনতন্ত্র সর্বসম্মত একটি কুফরি মতবাদ।আর ভোটের মাধ্যমে মূলত গনতন্ত্র বা গনতান্ত্রীক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।আর গনতন্ত্র হচ্ছে আল্লাহর জমিনে মানব রচিত আইন প্রয়োগ করা।তাহলে আমানত-ভোট প্রদান করে কি মানব রচিত আইন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা হচ্ছে না?কিভাবে ভোট আমানতের সংজ্ঞায় পড়ে?
#প্রশ্ন:যদি বিনা ভোটে নির্বাচিত হন তাহলে পরিভাষা কোনটা ব্যবহার করা হবে?
বিনা ভোটে নির্বাচিত প্রার্থী কি আইন প্রনয়নের ক্ষমতা রাখে না?
মাওলানা মাহমুদ মাসরুর হাফিজাহুল্লাহ।
❤31👍5🔥1
Abdullah bin bashir
#শেকওয়া ভোট বনাম পরিভাষা প্রচলিত ভোট দেওয়ার বিধান নির্ভর করে ভোটের শরয়ী অবস্হা বিবেচনা করে।ভোটের শরয়ী পরিভাষা কি হতে পারে নির্নয় করা দূরহ।তবে নির্নয় করেছেন অনেকে।যেমন ভোটের শরয়ী পরিভাষা হচ্ছে ১.শাহাদাত-সাক্ষ্য।২.শাফায়াত-সুপারিশ।৩.আমানত ৪.ওকালত। পর্যালোচনা…
লেখাটি আহলে ইলম ও তালেবে ইলমের জন্য বিশাল খোরাক!
👍9❤5
جہاد کی ضرورت - فضل محمد.pdf
6.3 MB
বানুরীটাউন মাদরাসার প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস মাওলানা ফজল মুজাম্মদ দা.বা.-এর লেখা বই, ‘মাওজুদা দাওর ম্যে জিহাদ কি জরুরত’। একজন গাইরাতবান আলেমের লেখা পড়ার স্বাদই আলাদা। লেখার পরতে পরতে আপনাকে দ্বীনের সঠিক মেজাজ, দাওয়াতের সঠিক উসলুব ও দ্বীনি গাইরাত সবই শিখাবে। দাওয়াতি মেজাজ, নরম কথার শিরোনামে গাইরাত হীনতা শিখাবে না।
❤28🔥2👍1
হযরত আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইয়ের ব্যাপারে আমার সর্বশেষ পোষ্ট:
.
ধারাবাহিক বিভিন্ন মানুষ, যাদের মাঝে বেশকিছু ও সিনিয়র ও মুরুব্বি আলেমও আছেন, জিজ্ঞাসা করেছেন, এছাড়া অনেকের সাথে দেখা হলেই প্রথমেই জানতে চান, আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইটির আর কোনো পর্যালোচনা পর্ব লেখবো কি না?
অনেকে এভাবেও জানতে চান, আমার আপত্তির জায়গা শুধু যা বলেছি সেগুলো? না, আরো আছে?
অনেককে বলি, আবার অনেকে জিজ্ঞাসা করলে চুপ থাকি, যাইহোক, এত মানুষকে একসাথে বলা সম্ভব না। তাই এখানে পোষ্টের মাধ্যমে এবিষয়ে সর্বশেষ আমার অবস্থান বলে দেই।
.
১. বইটি যতগুলো বিষয় আপত্তি করিছি, তার সমপরিমাণ আরো বেশকিছু জায়গায় আমার আপত্তি, খটকা ও মতানৈক্য আছে। কিছু আছে বেশ শক্ত, যেগুলোকে আমি একদমই ভুল মনে করি, যেমন দারের মাসআলায় যা লেখা হয়েছে, আর কিছু আছে যেগুলো দ্বিমত আছে তবে অস্পষ্টতার কারনে মুহতারাম লেখকের অবস্থান সামনে না থাকার কারণে খটকা আছে, যেমন অধিকাংশের রায় ইসলামে গ্রহণযোগ্য প্রমানের জন্য যে বিষয়ের অবতারনা করেছেন সেটা কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে করেছেন ইত্যাদি।
২. এতদাসত্ত্বেও বইটি নিয়ে আমি আর কোনো পর্ব লেখবো না। কারণ, আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উস্তাদ, মাওলানা সাইফুল সাহেব এই বই নিয়ে আর কিছু লেখতে নিষেধ করেছেন। উস্তাদজির ভাষ্য ছিলো এরকম, “তুমি দলিলের আলোকে লেখেছো, সুন্দর হয়েছে, বাকি এখন তোমার এগুলোর সময় হয়নি। এখন নিজেকে গড়ার সময়। মৌলিক কাজ করো, এগুলো নিয়ে পরেও কাজ করতে পারবে।”
হুজুরের এই নিষেধ শত মানুষের আবেদনের সামনে আমার কাছে কিছুই না। বাস, এই বিষয়ে আমি আর কিছুই লেখবো না। অনেক উস্তাদ পর্যায়ের সিনিয়র আলেমগণ অনুরোধ করেছিলেন যেন পুরো পর্যালোচনা শেষ করি, তাদের অনুরোধ রাখতে পারিনি তাই ক্ষমা চাই।
.
ধারাবাহিক বিভিন্ন মানুষ, যাদের মাঝে বেশকিছু ও সিনিয়র ও মুরুব্বি আলেমও আছেন, জিজ্ঞাসা করেছেন, এছাড়া অনেকের সাথে দেখা হলেই প্রথমেই জানতে চান, আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইটির আর কোনো পর্যালোচনা পর্ব লেখবো কি না?
অনেকে এভাবেও জানতে চান, আমার আপত্তির জায়গা শুধু যা বলেছি সেগুলো? না, আরো আছে?
অনেককে বলি, আবার অনেকে জিজ্ঞাসা করলে চুপ থাকি, যাইহোক, এত মানুষকে একসাথে বলা সম্ভব না। তাই এখানে পোষ্টের মাধ্যমে এবিষয়ে সর্বশেষ আমার অবস্থান বলে দেই।
.
১. বইটি যতগুলো বিষয় আপত্তি করিছি, তার সমপরিমাণ আরো বেশকিছু জায়গায় আমার আপত্তি, খটকা ও মতানৈক্য আছে। কিছু আছে বেশ শক্ত, যেগুলোকে আমি একদমই ভুল মনে করি, যেমন দারের মাসআলায় যা লেখা হয়েছে, আর কিছু আছে যেগুলো দ্বিমত আছে তবে অস্পষ্টতার কারনে মুহতারাম লেখকের অবস্থান সামনে না থাকার কারণে খটকা আছে, যেমন অধিকাংশের রায় ইসলামে গ্রহণযোগ্য প্রমানের জন্য যে বিষয়ের অবতারনা করেছেন সেটা কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে করেছেন ইত্যাদি।
২. এতদাসত্ত্বেও বইটি নিয়ে আমি আর কোনো পর্ব লেখবো না। কারণ, আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উস্তাদ, মাওলানা সাইফুল সাহেব এই বই নিয়ে আর কিছু লেখতে নিষেধ করেছেন। উস্তাদজির ভাষ্য ছিলো এরকম, “তুমি দলিলের আলোকে লেখেছো, সুন্দর হয়েছে, বাকি এখন তোমার এগুলোর সময় হয়নি। এখন নিজেকে গড়ার সময়। মৌলিক কাজ করো, এগুলো নিয়ে পরেও কাজ করতে পারবে।”
হুজুরের এই নিষেধ শত মানুষের আবেদনের সামনে আমার কাছে কিছুই না। বাস, এই বিষয়ে আমি আর কিছুই লেখবো না। অনেক উস্তাদ পর্যায়ের সিনিয়র আলেমগণ অনুরোধ করেছিলেন যেন পুরো পর্যালোচনা শেষ করি, তাদের অনুরোধ রাখতে পারিনি তাই ক্ষমা চাই।
❤35👍5🤔1
Abdullah bin bashir
“আমিরুল মুমিনীন শাইখ হিব্বাতুল্লাহ আখুন্দজাদার পরিবারের কেউ সরকারী চাকুরী করেন না এবং বাইতুল মাল থেকে কোনো বেতনভাতাও পান না, এমনকি আমির নিজেও কোনো ভাতা পান না।” . আল্লাহ এই মহান মানুষটির ছায়া আমাদের উপর দীর্ঘায়িত করুক ও পুরো দুনিয়ার জন্য কবুল করে নিক।
গ ণ তন্ত্রের নাপাকির এই একশো বছরে এমন কোনো উদাহরণ তৈরি হয়েছে কি? আল্লাহ গ ণ তন্ত্রের কাছে পরাজয় বরণ করা আলেমদের সঠিক বুঝ দান করুক। তারা সঠিক পথে চলে আসলে উম্মাহকে সঠিক পথে আনা সময়ের ব্যাপার মাত্র ইনশাআল্লাহ।
❤28👍6
Abdullah bin bashir
“আমিরুল মুমিনীন শাইখ হিব্বাতুল্লাহ আখুন্দজাদার পরিবারের কেউ সরকারী চাকুরী করেন না এবং বাইতুল মাল থেকে কোনো বেতনভাতাও পান না, এমনকি আমির নিজেও কোনো ভাতা পান না।” . আল্লাহ এই মহান মানুষটির ছায়া আমাদের উপর দীর্ঘায়িত করুক ও পুরো দুনিয়ার জন্য কবুল করে নিক।
১. ওনার সন্তানকে ফিদায়ী আক্রমণে পাঠিয়েছিলেন। যাতে অংশ নিয়ে সন্তান শাহাদাত বরণ করেছেন (কামা নাহসাবুহ)। আমাদের নেতাদের মত নয় সাধারণকে উস্কে দিয়ে নিজেরা ......।
২. কিছুদিন আগে একটা কমিশন গঠন করা হয়েছে, যাদের কাজ হল সরকারি আমলাদের নজরদারি করা, কোন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ঘোষ ইত্যাদি হয় কিনা তার নজরদারি করতে। তাদের সাথে স্পেশাল পুলিশ ফোর্স থাকবে।
আর তারা সরাসরি আমিরুল মুমিনিন এর দপ্তর বরাবর রিপোর্ট করবেন।
এ যেন উমর আউয়ালের শাসনের নমুনা।
২. কিছুদিন আগে একটা কমিশন গঠন করা হয়েছে, যাদের কাজ হল সরকারি আমলাদের নজরদারি করা, কোন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ঘোষ ইত্যাদি হয় কিনা তার নজরদারি করতে। তাদের সাথে স্পেশাল পুলিশ ফোর্স থাকবে।
আর তারা সরাসরি আমিরুল মুমিনিন এর দপ্তর বরাবর রিপোর্ট করবেন।
এ যেন উমর আউয়ালের শাসনের নমুনা।
❤58👍6
যারা বলেন, মাদানী জিন্দেগী পালন না করে মাক্কী জিন্দেগী পালন করবেন তারা কি আসলে কথাটা বুঝে বলেন? মাক্কী জিন্দেগী কি আসলেই সহজ ছিলো? সম্পূর্ণ মুশরিকদের অধীনে থেকে তাদের মূর্তিদের বিরুদ্ধে বলে, প্রচলিত শিরকের বিরুদ্ধে বলে তাদের হাতে মার খেতে হবে তবুও কোনো ধরণের প্রতিবাদ করা যাবে না, সংঘর্ষে বা যুদ্ধে যাওয়া যাবে না! এটা কি খুব সহজ বিষয়?! মাক্কী জিন্দেগী পালন করতে হলে তো বর্তমান যুগের গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ইত্যাদি রাষ্ট্রীয় কুফর, শাসকদের কুফরী, জুলুম, নির্যাতন ইত্যাদি সম্পর্কে প্রকাশ্যে সরাসরি কোনো ধরনের লুকোচুরি বাদ দিয়ে আলোচনা করতে হবে, এসব কিছু জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। ইসলামের পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রকাশ করতে হবে। এরপরে যতোই জেল-জুলুম হোক না কেন কোন ধরনের প্রতিবাদ করা বা সংঘর্ষ বা যুদ্ধে জড়ানো যাবে না। সবর করতে হবে।এটা কি আসলেই খুবই সহজ?! মাক্কী জিন্দেগীর হালত এই একটি আয়াতের মধ্যে নিহিত রয়েছে,
فاصدع بما تؤمر و أعرض عن المشركين
তোমাকে যা আদেশ করা হয় তার সবকিছু প্রকাশ্যে বলো এবং মুশরিকদের (সাথে সংঘর্ষ) থেকে বিরত থাকো!
যা কিছু আদেশ করা হয় তার সব বলতে হবে, প্রকাশ্যে বলতে হবে এবং জুলুম নির্যাতন আসলেও সবর করে থাকতে হবে। এটাই হলো মাক্কী জিন্দেগী। এটা কি খুব সহজ?!
©উস্তাদ আবু উসামা জাফর হাফিজাহুল্লাহ
فاصدع بما تؤمر و أعرض عن المشركين
তোমাকে যা আদেশ করা হয় তার সবকিছু প্রকাশ্যে বলো এবং মুশরিকদের (সাথে সংঘর্ষ) থেকে বিরত থাকো!
যা কিছু আদেশ করা হয় তার সব বলতে হবে, প্রকাশ্যে বলতে হবে এবং জুলুম নির্যাতন আসলেও সবর করে থাকতে হবে। এটাই হলো মাক্কী জিন্দেগী। এটা কি খুব সহজ?!
©উস্তাদ আবু উসামা জাফর হাফিজাহুল্লাহ
👍41🔥10❤2
ডা. দীপুমনি সমাজকল্যাণমন্ত্রী। খুব সম্ভব এটা আমেরিকারই শর্ত। সমকামিতা আইন, ট্রান্সজেন্ডার আইন এই মন্ত্রণালয়ই করবে।
নওফেল শিক্ষামন্ত্রী। এটা ভারতের শর্ত। একজন কট্টর হিন্দুত্ববাদী ইসকনী শিক্ষামন্ত্রী পেল বাংলাদেশ। পাঠ্যপুস্তক ও ভার্সিটিগুলোয় আরও ইসলামবিদ্বেষ, মুসলিমবিদ্বেষ।
খুব সম্ভব এ বছর আমরা অনলাইন এক্টিভিস্টরা অধিকাংশই এবার জেলে থাকবো।
: শামসুল আরেফিন শক্তি
(আপনাদের প্রতি আমাদের দাবি! আমরা যারা অনলাইনে কাজ করে যাচ্ছি ইসলাম বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে, তাদেরকে আপনারা তো অনলাইনে খুব বাহবা দিয়ে থাকেন। আপনাদের প্রতি আশা থাকবে যাদের সামর্থ্য আছে তারা আমাদের জন্য মাঠপর্যায়েও পাশে থাকবেন।
আপনি আইনজীবী হলে আইনি লড়াই করবেন। শিক্ষার্থী হলে ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলবেন। শিক্ষক হলে শিক্ষকদের নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াবেন।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় আমরা কেবল অনলাইনে সাপোর্ট দিয়ে যাই। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে অধিকাংশ এগিয়ে আসি না।)
নওফেল শিক্ষামন্ত্রী। এটা ভারতের শর্ত। একজন কট্টর হিন্দুত্ববাদী ইসকনী শিক্ষামন্ত্রী পেল বাংলাদেশ। পাঠ্যপুস্তক ও ভার্সিটিগুলোয় আরও ইসলামবিদ্বেষ, মুসলিমবিদ্বেষ।
খুব সম্ভব এ বছর আমরা অনলাইন এক্টিভিস্টরা অধিকাংশই এবার জেলে থাকবো।
: শামসুল আরেফিন শক্তি
(আপনাদের প্রতি আমাদের দাবি! আমরা যারা অনলাইনে কাজ করে যাচ্ছি ইসলাম বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে, তাদেরকে আপনারা তো অনলাইনে খুব বাহবা দিয়ে থাকেন। আপনাদের প্রতি আশা থাকবে যাদের সামর্থ্য আছে তারা আমাদের জন্য মাঠপর্যায়েও পাশে থাকবেন।
আপনি আইনজীবী হলে আইনি লড়াই করবেন। শিক্ষার্থী হলে ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলবেন। শিক্ষক হলে শিক্ষকদের নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াবেন।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় আমরা কেবল অনলাইনে সাপোর্ট দিয়ে যাই। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে অধিকাংশ এগিয়ে আসি না।)
😢84❤🔥7👍6❤3
Forwarded from Nazmul Haque Sakib official 🎗
পাঠ্যপুস্তক_পর্যালোচনা_২০২৪.pdf
2.1 MB
প্রাক প্রাথমিক (প্রথম শ্রেণী) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক (নবম-দশম শ্রেণী) পর্যন্ত।পাঠ্যপুস্তক ২০২৪ এর পর্যালোচনা।
❤9