Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
425 photos
89 videos
95 files
193 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
নাম বললে চাকরি থাকবে না, এমন একটা দলের কী হবে এই দেশে....
91😁18🤬2
৩০জুলাইয়ের কঠিন সময়ে কথাগুলো বললেও কথাগুলো শুধু হাসিনার সাথেই খাস না। যেকোনো জালেমের দালাল হওয়ার বিধান একই।...

https://www.facebook.com/share/p/14Lf77yCZVn/
18
ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো জানতো মানুষ যদি তার সঠিক পরিচয় জানতে পারে তাহলে তাদের উপর আগ্রাসন চালানো সহজ হবে না। তাই তারা আমাদেরকে বিভক্ত করতে নানা পরিচয় চাপিয়ে দিয়েছে। মুসলমানদেরকে এমন সব পরিচয়ের প্রতি আগ্রহী করা হয়েছে যা তাদেরকে ইসলামি ঐতিহ্য থেকে দুরে সরিয়ে দিবে। মিসরে কী হয়েছিল? ব্রিটিশরা যখন সেখানে উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করে তখন তারা মিসরের ইতিহাসকে নতুন করে সাজানোর চেষ্টা করে। ইতিহাসবিদ, প্রত্নতাত্ত্বিক, পর্যটকদের মাধ্যমে ফারাওদের ঐতিহ্যকে নতুন করে মানুষের সামনে আনা হয়। সিরিয়া ও ইরাকেও উপনিবেশিক শক্তি এই কাজ করেছে। এভাবে মুসলমানদের মধ্যেই একটি শ্রেণী গড়ে উঠে যারা নিজেদেরকে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দেয়ার চেয়ে এসব সভ্যতার উত্তরাধিকার হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি গর্ববোধ করতে থাকে। সালামা মুসার মত লেখকরা প্রকাশ্যেই বলতে থাকে, আমি গর্ব করি, আমি একজন ফারাও মিশরীয়। আমার সংস্কৃতি ইসলাম-পূর্ব, আমার ভাষা কেবল আরবি নয়, আমার ইতিহাস মিশরের উপত্যকার হাজার বছরের ইতিহাস। সিরিয়ানদের একাংশ নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্য খুঁজে পায় ফিনিশিয়ান সভ্যতার মাঝে। ইরাকিরাও নিজেদের সম্পৃক্ত করতে থাকে, সুমেরীয় সভ্যতা সাথে। ভারতবর্ষের লোকদের সামনে উপস্থাপন করা হয় কাল্পনিক অখণ্ড ভারতের ধারনা, যেখানে সনাতন ধর্মের অনুসারী হওয়ার মাঝেই ঐতিহ্যের অনুসরণ নিহিত। আধুনিক জাতীয়তাবাদের এই ধারনা মানুষকে তার ইসলামি ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে মিসরে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হওয়ার আগে একজন মিসরির কাছে ফারাওদের ইতিহাস ছিল মূর্তিপূজক একটি সম্প্রদায়ের ইতিহাস। মুসলমানদের বিজয়াভিযানকে তিনি দেখতেন জাহিলিয়াতকে থেকে মুক্তির এক অসাধারণ সুযোগ হিসেবে। কিন্তু জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটার সাথে সাথে তিনি ফারাওদেরকে বিবেচনা করেন প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক বাহক হিসেবে, অপরদিকে মুসলমানরা হয়ে যান আক্রমণকারী ও অনুপ্রবেশকারী।

(প্রকাশিতব্য বই থেকে)
51👍2💯2
মাদখালিজম উম্মাহের জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু ও বিপদজনক
.
যারা মনে করে শাসক জুলুম করার পরও শাসকের জবাবদিহি করা যাবে না, বা জুলুম করলেও হাত ও মুখ দ্বারা জবাবদিহি করা যাবে না, তাদের বিষয়ে ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
وزعموا مع ذلك أن السلطان لا ينكر عليه الظلم والجور وقتل النفس التي حرم الله وإنما ينكر على غير السلطان بالقول أو باليد بغير سلاح فصاروا شرا على الأمة من أعدائها المخالفين لها.
এটা তাদের ভ্রান্ত ধারণ যে, তারা মনে করে শাসকের জুলুম, নির্যাতন, নিপীড়ন ও অন্যায়ভাবে হত্যার কোনো নিন্দা করা হবে না বা বাধা প্রদান করা যাবে না, শাসক ব্যতীত বাকি সবাইকে কোনো ধরনের হাতিয়ার ছাড়া শুধু হাত ও মুখ দ্বারা বাধা প্রদান করা যাবে, নিন্দা করা যাবে। এমন ধারণা পোষণকারী লোকেরা উম্মতের শত্রু ও বিরোধীদের তুলনায় আরও বেশি ক্ষতিকর ও বিপদজনক। -আহকামুল কুরআন...
.
তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি ইসলামের শত্রুদের তুলনায় মাদখালিজম হলো উম্মাহের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর ও বিপদজনক।
.
ইবারতটি নেওয়া হয়েছে, ‘ইসলামি খিলাফত ও আমাদের দায়িত্ব’ বইটি থেকে।
64🤔1
হালাকাহ সেমিনার-০২

বিষয় : উপনিবেশকালে মুসলিম বাংলার সমাজ সংস্কারের ধারা

Registration is open now.

উপনিবেশকাল ছিল বাংলার মুসলিম সমাজের জন্য ক্রান্তিকাল। এই ক্রান্তিকালে নিজেদের আত্মপরিচয় টিকিয়ে রাখতে মুসলিমদের অনেক কিছু করতে হয়েছে। বহু উদ্যোগ গ্রহণ করতে হয়েছে। কখনো তাসাউফ চর্চার মাধ্যমে, কখনো শিক্ষাবিপ্লবের মাধ্যমে, কখনো নিছক ধর্মচর্চার আদলে, কখনোবা সভা-সমিতি-সংগঠনের ব্যানারে--নানাভাবে নিজেদের মধ্যকার বিপ্লবের আগুনকে লালন, চর্চা ও জিইয়ে রাখতে হয়েছে। ২০২৪-২৫ সনের অভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশে নিজেদের করণীয় ঠিক করতে সেই ক্রান্তিকালের ইতিহাস জানা, বোঝা ও চর্চা আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে অনেকক্ষেত্রে সাহায্য করবে।

হালাকাহ সেমিনার-০১ এ আমরা সুলতানি আমলের বাংলা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এবার আমরা বাংলার সংস্কার ধারা নিয়ে কথা বলব। আসুন ও আত্মপরিচয়ের সন্ধান জেনে উপকৃত হোন।
.
ইতিহাস ও বুদ্ধিবৃত্তিক এই সেমিনারে জয়েন করতে রেজিস্ট্রেশন করুন এখনই। রেজিস্ট্রেশন লিংক : https://forms.gle/SNy5vKKDJ7m4nzPf6
42👍4
আজকের মঞ্চে একাধিক আলেমকে সামনে বসিয়েই শাপলাকে অস্বীকার করা হয়েছে, যেমনটা শোকরানার দিন পুরো কওমী সমাজকে সামনে এনে অস্বীকার করানো হয়েছিলো শাপলার হত্যাকাণ্ডকে।
.
দুইটা প্রশ্ন :
এক. সেখানে যারা গিয়েছে তারা কী এখনো কোনো বিবৃতি দিয়েছে?
দুই. যেদেশের মুসলমানরা নিজের রক্তের স্বীকৃতিটুকু পায় না, সেদেশ মাকহুর বি-আহলিল ইসলাম? এটাও এই প্রজন্মক্ব বিশ্বাস করতে বলেন?
40😢28👍10💯1
عصر حاضر اور نظریہ جہاد.pdf
3.8 MB
আজকে একটি বড় ভুল ধারণা ভাঙ্গলো। আমি এতদিন জি হা দ, কুফর ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়ে ভারতে আলেমদের মাজুর মনে করতাম! ভাবতাম, উনারা জিহাদ ও কুফর বিষয়ে মূল বিধান কখনোই বলতে পারবেন না এটাই হলো মূল. এর কারণও আছে। আরশাদ মাদানী সাহেবের মত বিশাল ব্যক্তি যেখানে তাহরিফের তুফান ছুটায়, কুরআনের মুহকাম আয়াতগুলোকে, অকাট্ট প্রমাণিত বিষয়কেও তাহরিফ করতে পারে, খালেদ সাইফুল্লাহ রাহমানি সাহেবের মত বিশাল ইলমি হাস্তিদের থেকে জি হা দ বিষয়ক কাচা কাচা তাসামুহ হয়, সেখানে অন্যদের আর কী বলবেন।

কিন্তু, আজকে ভারতের নদওয়া, হাইদ্রাবাদ এসব জায়গার কিছু আলেমের লেখা পড়ে পুরো অবাক হলাম! কীভাবে সম্ভব ভারতের মত দেশে বসে এত ক্লিয়ার-কাট জি হা দের মাসআলাগুলো বলে যাওয়া!
.
বইটি মূলত আধুনিক সময়ে ভারতে জি হা দ বিষয়ে যে সকল আলেম, বুদ্ধিজীবী কলম ধরেছেন এবং বড়ধরনের বিচ্যুতির শিকার হয়েছেন, তাদের খণ্ডনে বেশ কয়েকজন ব্যক্তির ইলমি কিছু কাজ।
🔥7826
নাইন এলিভেনের পর থেকে কাবায়েলি অঞ্চলগুলোর উপর নাপাক ফৌজের অত্যাচারের সংক্ষিপ্ত চিত্র।
.
ভিডিওতে যিনি কথা বলছেন কেপিকে সাউথের জামাত আমীর, সাবেক সাংসদ প্রফেসর মুহাম্মাদ ইবরাহিম খান। উনার এই বক্তব্যই সত্যান্বেষীদের জন্য আসল পরিস্থিতি বুঝতে যথেষ্ট। তিতিবি অথবা তালেবানের উপর স্থানীয় জনগণের বিলকুল শেকায়াত নেই। বরং উনি বক্তব্যের শেষে স্পষ্ট বলেছেন 'ইস সারহাদ পে আফগানিস্তান সে হামে কোয়ি খাতরা নেহি। ইয়ে সারহাদ ইনশাআল্লাহ মেহফুজ হ্যায়। হামারা মাসআলা হামারি ফৌজ হ্যায়। উনহুনে ইস মুলক কে আমান কো তাবাহ কার কাখখা হ্যায়। ওয়ো আপনি হুদুদ মে আজায়ে। আমান বাহাল হো যায়ে গা।'
.
লিংক :
https://youtu.be/bfoE0Nj0gRU?si=5vss_cLlvdrQPd6o
37👍4
লেখক আতিকুল্লাহ সাহেব কী এগুলো থেকে রুজু করেছে? না, এখনো এগুলোই বিশ্বাস করে?
😱21😢7👍52
ইসলামি ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করে আমি দেখেছি—যে ব্যক্তি তরবারি ছেড়ে কেবল লেখনী ধারণ করে, সে লাঞ্চিত হয়। আর যে ব্যক্তি লেখনী ছেড়ে কেবল তরবারি উত্তোলন করে, সে পথভ্রষ্ট হয়; পদচ্যুতির স্বীকার হয়। আর যে ব্যক্তি একইসাথে উভয়টি ধারণ করে, সে-ই গন্তব্যে পৌঁছতে পারে।

-মুনাযারাতুন বাইনাস সাইফি ওয়াল কলাম, আবু জা*ন*দা*ল আযদি রাহিমাহুল্লাহ

©মাওলানা আরিফুল ইসলাম
শিক্ষক, মাদরাসাতু আলী রা.
83🔥5💯4
মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের এই কথাগুলো খুবই মনোযোগ দিয়ে শুনুন ও প্রচার করুন।


https://youtu.be/nBO0TcRfS-I?si=ST6teYs5cHcm2R3x
65👍1
সভ্যতার উত্থান-পতন নিয়ে মুসলিম মাইন্ডস সেমিনারে আসিফ আদনান ভাইয়ের আলোচনাটি সরাসরি শুনেছিলাম। এবং বেশ মুগ্ধই হয়েছিলাম শুনে।

শুনতে পারেন একটু সময় করে। এগুলো শুনা বর্তমান সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিশেষত মাদরাসার মেধাবী তালেবে ইলমদের জন্য ঠাণ্ডা মাথায় সময় নিয়ে শুনা জরুরি।


https://youtu.be/x-_BtKPygtA?si=3Cmw4_nAKgSLxq74
60🔥11👍4
মাসআলাগুলো মনে রাখবেন।
125🔥21👍2
মাসআলাগুলোকে নিজের বিভিন্ন লেখায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করবেন। তাহলেই এগুলো জীবিত থাকবে।
85👍8🔥2
বইটার বাংলা নামটা সুন্দর না হলেও গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের নির্বাচন নিয়ে বেশ চমৎকার একটি কাজ।
.
বইটি মূলত পাকিস্তানের দুজন দেওবন্দি আলেমের লেখা।
.
নির্বাচন নিয়ে আমাদের আকাবীরে দেওবন্দের যে প্রচলিত তাকয়িফ সেগুলোর ইলমি খণ্ডন করার চেষ্ঠা করেছেন উভয় লেখক।
.
যারা প্রচলিত রাজনীতির ভোটের শরয়ী দিকটি জানতে চান তারা আশা করি এই বই থেকে উপকৃত হবেন।
.
বইয়ের অনুবাদের মান ভালো হলেও ভিতরে সেটাপের মান খুবই খারাপ! এত চমৎকার বইটি আরো সুন্দর করে আসতে পারতো। আর প্রকাশক কর্তৃক বইয়ের যে দুর্দান্ত নাম দিয়েছে, সুবহানাল্লাহ!!
80🔥8
এটাই মুসলমানদের প্রকৃত ইতিহাস, হাতেগণা কিছু মানুষের সামনে ভেড়ার পালের মত পালিয়ে যাচ্ছে শতশত পশ্চিমা প্রশিক্ষিত বাহিনী।

সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশু
154🔥35❤‍🔥5👍4
জামাতে ইসলামি দলের বিকৃতি অনেকটা ঢাকা পড়ে গেছে তাদের দীর্ঘসময়ের মাজলুমিয়াতের কারণে। জামাত ক্ষমতার স্বার্থে কত বেশি পরিমান দীনকে বিকৃত করতে পারে, মুসলমানদের বিপদে ফেলতে পারে তার অনেকটাই সামনের দিনগুলোতে স্পষ্ট হয়ে যাবে।

খুবই দুঃখ লাগে এই জামাতটির জন্য, তরুনদের এত বড় একটি দল পেয়েও রাজনৈতিক পথভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি।
🔥87👍4614💯7👎4🤣1
বইটি এখনো প্রকাশিত হয়নি। এক উসিলায় আমার বইটা পড়ার তাওফিক হয়েছে! আসুক, তারপরেই বুঝবেন কী জিনিষ!
89🔥3
আসন্ন বইমেলায় প্রকাশিতব্য বই থেকে

.... এই আলোচনার সারকথা হলো, জমিনের কোনো অংশে কুফরের প্রভাব ও ক্ষমতা বরদাশত করা হবে না। এবং হিজাজে কুফরের অস্তিত্বও বরদাশতযোগ্য নয়। হিজাজে কুফরের অস্তিত্ব শেষ করা এবং বাকি দুনিয়ার সকল ভূখণ্ড থেকে কুফর এবং কাফেরদের প্রভাব-প্রতিপত্তি খতম করা জিহাদ ও কিতালের উদ্দেশ্য।
রাষ্ট্র বন্টনের প্রক্রিয়া
এটি কুরআনি বাস্তবতা। যদি এর আলোকে দেশ ভাগ করা হয়, তাহলে একটি দেশ এমন ব্যক্তিদের অধীন হবে যারা,
১। আল্লাহ ও আখিরাতের দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে।
২। আইন প্রনয়ণে একচ্ছত্র ক্ষমতা কেবল আল্লাহর বলে স্বীকার করে।
৩। ইসলামকে নিজের দীন অর্থাৎ একমাত্র জীবন বিধান হিসেবে মানে।
এমন রাষ্ট্রকেই ফকিহগণ ‘দারুল ইসলাম’ পরিভাষায় ব্যক্ত করেছেন।
আর অন্য আরেকটি দেশ এমন ব্যক্তিদের অধীন হবে যারা উপরের তিন বৈশিষ্ট্য থেকেই কিংবা যেকোনো একটি বৈশিষ্ট্য থেকে খালি হবে।
এমন রাষ্ট্রকে ফকিহগণ ‘দারুল হরব’ পরিভাষায় ব্যক্ত করা করেছেন।
পৃথিবীর সকল ভূখন্ডকে এই দুই ভাগে বিভক্ত করা যেতে পারে। বরং এটা বলা যথাযথ হবে যে, ভূখন্ডগুলোর এই দুই ভাগই হতে পারে, তৃতীয় কোনো ভাগ নেই।
যেমন সকল মানুষের দুই ভাগই হতে পারে, এক ভাগ যারা আল্লাহর অনুগত ও মুসলিম, এবং অপর ভাগ আল্লাহর অবাধ্য ও কাফের। এ ছাড়া তৃতীয় কোনো প্রকার নেই।
সুতরাং, মুসলিমদের যেমন কোনো ভাগ করা যায় না, তেমনি প্রথম প্রকার দেশ তথা ‘দারুল ইসলাম’-এরও অন্য কোনো ভাগ করা যায় না।
অপরদিকে নাফরমানদের যেমন কয়েক প্রকার হতে পারে -উদাহরণস্বরূপ-কাফির, মুশরিক, মুনাফিক ইত্যাদি -তেমন তাদের দেশগুলোও কয়েক ভাগে বিভক্ত হতে পারে। যেমন, দারুল হরব, দারুল আমান, দারুল মুসালামাহ প্রভৃতি। আর প্রকৃত অর্থে যেমনিভাবে কাফের, মুশরিক, মুনাফিকদেরর নাম ভিন্ন ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও তাদের হাকিকত এক, তেমনি দারুল হরব ও দারুল কুফর, এবং দারুল আমান ও দারুল মুসালামাহ ইত্যাদি নাম ভিন্ন ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও হাকিকত একই।
60
বর্তমান যুগের বিভিন্ন জিহাদি সংগঠন ও তাদের কার্যকলাপ থেকে আপনারা যেরূপ নিজেদের মুক্ত ঘোষণা করছেন, ঠিক তেমনি আমরাও আপনাদের জিহাদি চিন্তা নির্মূলের প্রচেষ্টা থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ মুক্ত ঘোষণা করছি।
-আব্দুল আলিম ইসলাহি রহিমাহুল্লাহ
অনুবাদ : Ariful Islam
(প্রকাশিতব্য বই থেকে)
(কী লাইন এগুলো! ভাইরে ভাই! ভারতের মত জায়গায় বসে এমন কথা বলা! আল্লাহ আল্লাহ!
)
72🔥17👍3
ওলামায়ে দেওবন্দ গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখতেন তা নিয়ে একদল কওমীর বড় ও ছোট মিলে যে অপপ্রচার করছে তা সম্পর্কে হাটহাজারী মাদরাসার উস্তাদ মাওলানা সাঈদ সাহেব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। শুনতে পারেন। এবং অন্যকে শুনাতে পারেন।

https://youtu.be/ie9oc79iOVI?si=tTvSGf_fLXlX0PFj
61