কাতার ইউনিভার্সিটির শরিয়া বিষয়ক অধ্যাপক ড. ফজল বিন আব্দুল্লাহ মুরাদ হাফিজাহুল্লাহ একটি ঐতিহাসিক ফতোয়া লেখেছেন,
“গাজার না খেয়ে মানুষকে হত্যার দায়ে ঐ সকল ব্যক্তিরাও অভিযুক্ত হবে, যারা বাধ্য হয়ে বা জবরদস্তির মুখে গা*জার সীমান্তগুলো বন্ধ করেছে, অথবা যাদেরকে দখলদার ই*হু*দিবাদী শত্রু ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে, আর তারা সে আদে আদেশ মেনে নিয়েছে, তার নিষেধ মান্য করেছে এবং তাতে আনুগত্য প্রকাশ করেছে।
কিংবা যারা পূর্বে বা পরে কোনো চুক্তি বা সমঝোতার মাধ্যমে তার সঙ্গে একমত হয়েছে, অথবা গোপনে বা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সহযোগিতা করেছে—তাহলে এদের সকলের ক্ষেত্রেই আগ্রাসী হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিধান প্রযোজ্য হবে, সরাসরি বা পরোক্ষভাবে, সন্তুষ্টির মাধ্যমে, জবরদস্তির মাধ্যমে, ষড়যন্ত্র বা সহযোগিতার মাধ্যমে—এই সবই এতে অন্তর্ভুক্ত। এভাবে তারা সকলেই গোনাহে অংশীদার হয়ে যায়।
সুতরাং যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছ থেকে খাবার ও পানি আটকে রাখার ফলে কোনো মুসলমান মারা যায় তাহলে অধিকাংশ ফকিহের মতে (মালেকি, শাফেঈ ও হাম্বলি) এতে কিসাস (প্রতিশোধমূলক শাস্তি) ওয়াজিব হয়। আর হানাফি মাজহাব মতে এতে দিয়াত দিয়াহ (রক্তপণ) ওয়াজিব হয়।"
“গাজার না খেয়ে মানুষকে হত্যার দায়ে ঐ সকল ব্যক্তিরাও অভিযুক্ত হবে, যারা বাধ্য হয়ে বা জবরদস্তির মুখে গা*জার সীমান্তগুলো বন্ধ করেছে, অথবা যাদেরকে দখলদার ই*হু*দিবাদী শত্রু ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে, আর তারা সে আদে আদেশ মেনে নিয়েছে, তার নিষেধ মান্য করেছে এবং তাতে আনুগত্য প্রকাশ করেছে।
কিংবা যারা পূর্বে বা পরে কোনো চুক্তি বা সমঝোতার মাধ্যমে তার সঙ্গে একমত হয়েছে, অথবা গোপনে বা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সহযোগিতা করেছে—তাহলে এদের সকলের ক্ষেত্রেই আগ্রাসী হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিধান প্রযোজ্য হবে, সরাসরি বা পরোক্ষভাবে, সন্তুষ্টির মাধ্যমে, জবরদস্তির মাধ্যমে, ষড়যন্ত্র বা সহযোগিতার মাধ্যমে—এই সবই এতে অন্তর্ভুক্ত। এভাবে তারা সকলেই গোনাহে অংশীদার হয়ে যায়।
সুতরাং যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছ থেকে খাবার ও পানি আটকে রাখার ফলে কোনো মুসলমান মারা যায় তাহলে অধিকাংশ ফকিহের মতে (মালেকি, শাফেঈ ও হাম্বলি) এতে কিসাস (প্রতিশোধমূলক শাস্তি) ওয়াজিব হয়। আর হানাফি মাজহাব মতে এতে দিয়াত দিয়াহ (রক্তপণ) ওয়াজিব হয়।"
❤68👍10❤🔥7
ইসলাম ও গণতন্ত্র.pdf
548.5 KB
বাস্তবতা হলো, যদি গণতন্ত্রের স্বরূপ, এর ইতিহাস ও প্রভাবসমূহের উপর প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে ও আলোকিত মন নিয়ে চিন্তা-ফিকির করা হয়, তাহলে এটা স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, এই শাসনব্যবস্থা “তীহ মরুভুমি”-এর বাস্তব নমুনা এবং তারই নতুন সংস্করণ। যাকে সেসব লোকেরাই পৃথিবীতে প্রচলন ঘটিয়েছে, যারা স্বয়ং “তীহ মরুভুমিতে” জীবণযাপনের তিক্ত অবিজ্ঞতার শিকার হয়েছিলো। ইসলামি বিশ্বের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অবস্থাসমূহের ব্যাপারে অবগত ব্যক্তিদের নিকট এটা অস্পষ্ট নয় যে, সমতা, স্বাধীনতা ইত্যাদি যেসব গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ডাক-ঢোল পেটানো হয়, সেগুলো ততক্ষণই ধর্তব্য হয়, যতক্ষণ তা ইসলাম ও ইসলামি আইনের বিপক্ষে থাকে। যেখানে এসব দর্শনের ভিত্তিতে বাস্তবেই কোনো ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়, সেখানে গণতান্ত্রিক শক্তির প্রয়োগ ও কূটকৌশলের জোরেই ধর্মীয় শক্তিকে উৎখাত করা হয়।
❤55🫡3
অভুক্ত_গাজাবাসীদের_মৃত্যু;_আমাদের_অপরাধ_ও_তার_শরয়ি_বিধান.pdf
533.4 KB
গাজায় মুসলিম ভাইদের উপর যে জুলুম চালানো হচ্ছে,এর চেয়ে ভয়ংকর জুলুম আর হতে পারে না। তাদেরকে অভুক্ত রাখা এবং জায়নবাদী শত্রুদের অবরোধে ফেলে রাখা,গুরুতর কবিরা গুনাহ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ, যার জন্য কিসাস অথবা দিয়্যাত আবশ্যক হয়। এব্যাপারে সকল মাযহাব একমত।
যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছে খাবারপানীয় পৌঁছতে বাধা দেয় এবং এর ফলে সে মৃত্যুবরণ করে,তার ব্যাপারে কেসাসের বিধান প্রযোজ্য হবে। এটা মালেকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি ফকিহদের মত। আর ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহর দুই শিষ্য আবু ইউসুফ ও মুহাম্মদ রাহিমাহুমাল্লাহর মতে তার উপর দিয়্যাত ওয়াজিব হবে।
এক্ষেত্রে সরাসরি হত্যাকারী আর পরোক্ষভাবে হত্যায় অংশগ্রহণকারীর মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। অতএব যে ব্যক্তি সীমান্ত বন্ধ করে দিবে, এতে সহায়তা করবে, শত্রুর সাথে একমত পোষণ করবে কিংবা চুক্তির ভিত্তিতে বা বাধ্য হয়ে তাদের আদেশের অনুসরণ করবে—তারা সকলে ইচ্ছাকৃত ও আগ্রাসী হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে গণ্য হবে। কেননা এক্ষেত্রে সরাসরি হত্যাকারী আর পরোক্ষভাবে হত্যায় অংশগ্রহণকারী এবং স্বেচ্ছায় হত্যাকারী আর বাধ্য হয়ে হত্যাকারীর মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। এটাই মালেকি শাফেয়ি, হাম্বলি, জাহেরি ও অন্যান্য মাযহাবের মত।
যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছে খাবারপানীয় পৌঁছতে বাধা দেয় এবং এর ফলে সে মৃত্যুবরণ করে,তার ব্যাপারে কেসাসের বিধান প্রযোজ্য হবে। এটা মালেকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি ফকিহদের মত। আর ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহর দুই শিষ্য আবু ইউসুফ ও মুহাম্মদ রাহিমাহুমাল্লাহর মতে তার উপর দিয়্যাত ওয়াজিব হবে।
এক্ষেত্রে সরাসরি হত্যাকারী আর পরোক্ষভাবে হত্যায় অংশগ্রহণকারীর মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। অতএব যে ব্যক্তি সীমান্ত বন্ধ করে দিবে, এতে সহায়তা করবে, শত্রুর সাথে একমত পোষণ করবে কিংবা চুক্তির ভিত্তিতে বা বাধ্য হয়ে তাদের আদেশের অনুসরণ করবে—তারা সকলে ইচ্ছাকৃত ও আগ্রাসী হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে গণ্য হবে। কেননা এক্ষেত্রে সরাসরি হত্যাকারী আর পরোক্ষভাবে হত্যায় অংশগ্রহণকারী এবং স্বেচ্ছায় হত্যাকারী আর বাধ্য হয়ে হত্যাকারীর মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। এটাই মালেকি শাফেয়ি, হাম্বলি, জাহেরি ও অন্যান্য মাযহাবের মত।
❤54😁2
দারুল_ইসলাম_ও_দারুল_হারব.pdf
311 KB
আলোচ্য বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়েছে যে, কোনো একটি ভূখণ্ড দারুল ইসলাম হওয়ার জন্য মুসলমান কর্তৃক তা বিজয়ী করা ও দখলে রাখাই যথেষ্ঠ, নাকি সাথে এটাও জরুরি যে, প্রায়োগিকভাবে সেখানে ইসলামের বিধিবিধান ও ইসলামি শিক্ষা বাস্তবায়ন হওয়া। অর্থাৎ, দারুল ইসলামের জন্য শুধু মুসলমানদের বিজয় যথেষ্ঠ, না ইসলামের বিধান বাস্তবায়ন জরুরি?
এই প্রশ্ন বর্তমান সময়ে আরো অনেক বেশী গুরুত্ববহণ করে। কেননা এই সময়ে এমন অসংখ্য ভূখণ্ড রয়েছে যেগুলোর দখল মুসলমানদের হাতে এবং সেখানের শাসনক্ষমতাও মুসলিমদের আয়ত্বে। কিন্তু তাদের অন্যায় হেঁয়ালি এবং দূর্ভাগ্যের কারনে অবস্থা এমন হয়ে আছে, ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান ছাড়া এমন একটি দেশও পাওয়া যাবে না, যেখানে ইসলামের বিধিবিধান ও শিক্ষা অনুযায়ী সকল আইন তৈরি করা হয় এবং সে মতে সবকিছু পরিচালিত হয়। এখন এই ধরনের রাষ্ট্রগুলোকে কী দারুল ইসলাম বলা হবে, না দারুল হারব বলা হবে?
এই প্রশ্ন বর্তমান সময়ে আরো অনেক বেশী গুরুত্ববহণ করে। কেননা এই সময়ে এমন অসংখ্য ভূখণ্ড রয়েছে যেগুলোর দখল মুসলমানদের হাতে এবং সেখানের শাসনক্ষমতাও মুসলিমদের আয়ত্বে। কিন্তু তাদের অন্যায় হেঁয়ালি এবং দূর্ভাগ্যের কারনে অবস্থা এমন হয়ে আছে, ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান ছাড়া এমন একটি দেশও পাওয়া যাবে না, যেখানে ইসলামের বিধিবিধান ও শিক্ষা অনুযায়ী সকল আইন তৈরি করা হয় এবং সে মতে সবকিছু পরিচালিত হয়। এখন এই ধরনের রাষ্ট্রগুলোকে কী দারুল ইসলাম বলা হবে, না দারুল হারব বলা হবে?
❤40🔥11
Jamhoriat_AqaloNaqal_Kay_Ainay_Main.pdf
66.7 MB
পাকিস্তানের অন্যতম শ্রদ্ধেয় আলেম মুফতি মূর মুহাম্মদ ওয়াজিরিস্তানি। একজীবন গণতান্ত্রিক রাজনীতি করলেও গণতন্ত্রকে কোন দৃষ্টিতে উনি দেখেছেন, এবং গণতন্ত্রের ব্যাপারে কী মনে করতেন, তা জানতে আপনার বইটি দেখা লাগবে। আমি উনার কয়েকটি মাওকিফ এখানে স্পষ্ট দিয়ে দিবো। তার আগে এই বই সম্পর্কে মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের মাওকিফটি বলি, মুফতি সাহেব এক প্রবন্ধে এই বইয়ের উদ্ধৃতিতে একটি কথা উল্লেখ করার পর লেখেন,
//এই কিতাবটি অত্যান্ত উপকারী ও উক্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ লিখিত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। মুহতারাম লেখক তার ঐতিহ্যবাহী জাওক ও মেজাজ অনুযায়ী বিস্তারিত গণতন্ত্র ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট সবগুলো বিষয়কে তুলে ধরেছেন। এবং নিজের মজবুত ইলমের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সমালোচনা করেছেন। হায়! কোনো আহলে ইলম যদি উক্ত বইটি তাহকিক করে নতুন ছাপাতো!!//
//এই কিতাবটি অত্যান্ত উপকারী ও উক্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ লিখিত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। মুহতারাম লেখক তার ঐতিহ্যবাহী জাওক ও মেজাজ অনুযায়ী বিস্তারিত গণতন্ত্র ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট সবগুলো বিষয়কে তুলে ধরেছেন। এবং নিজের মজবুত ইলমের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সমালোচনা করেছেন। হায়! কোনো আহলে ইলম যদি উক্ত বইটি তাহকিক করে নতুন ছাপাতো!!//
❤21
Abdullah bin bashir
Photo
যেহেতু গণতন্ত্র বিষয়ক আকাবীরদের নাম উঠেই এসেছে, তাহলে আসুন একজন আকাবীরকে চিনি। যিনি গণতান্ত্রিক রাজনীতি করে পার্লামেন্টের সদস্যও ছিলেন, আবার আফগান মুজা হিদও ছিলেন। আফগান জি হাদের পক্ষে উর্দু ভাষায় সর্বপ্রথম লিখিত কিতাব যিনি লেখেছেন, তিনি হলেন শহীদ মুফতি নূর মুহাম্মদ ওয়াজিরিস্তানি রহিমাহুল্লাহ। পাকিস্তানের কাবায়েলী অঞ্চলের অন্যতম সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম। (হযরতের পরিচয় বিস্তারিত জানতে বানুরীটাউনের একটি লেখা ও আবু আম্মার যাহেদ খান রাশেদি সাহেবের একটি লেখা কমেন্টে দিবো, সেখান থেকে বুঝে নিবেন পাকিস্তানের কতটা বড় ও নির্ভরযোগ্য আলেম তিনি ছিলেন।)
যেই আকাবীরদের কর্মপন্থা দিয়ে গণতন্ত্রকে বৈধ বানানো হচ্ছে সেই আকাবীরদের গণতন্ত্র ও তার রাজনীতি সম্পর্কে কী দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো, গণতন্ত্রকে তারা কী মনে করতো তা দেখার আমাদের সময় হবে না৷
.
একজীবন গণতান্ত্রিক রাজনীতি করলেও গণতন্ত্রকে কোন দৃষ্টিতে উনি দেখেছেন, এবং গণতন্ত্রের ব্যাপারে কী মনে করতেন, তা জানতে আপনার বইটি দেখা লাগবে। আমি উনার কয়েকটি মাওকিফ এখানে স্পষ্ট দিয়ে দিবো। তার আগে এই বই সম্পর্কে মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের মাওকিফটি বলি, মুফতি সাহেব এক প্রবন্ধে এই বইয়ের উদ্ধৃতিতে একটি কথা উল্লেখ করার পর লেখেন,
//এই কিতাবটি অত্যান্ত উপকারী ও উক্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ লিখিত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। মুহতারাম লেখক তার ঐতিহ্যবাহী জাওক ও মেজাজ অনুযায়ী বিস্তারিত গণতন্ত্র ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট সবগুলো বিষয়কে তুলে ধরেছেন। এবং নিজের মজবুত ইলমের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সমালোচনা করেছেন। হায়! কোনো আহলে ইলম যদি উক্ত বইটি তাহকিক করে নতুন ছাপাতো!!//
.
লেখক বইয়ের শুরুতে উক্ত বই লেখার কারণ হিসেবে লেখেন, ‘যে সকল গোমরাহির সূচনা ইবলিস শুরু করেছিলো, আজ সেটাকে তা*গু*তি শক্তিরা একটি শাস্ত্রীয় রূপ দিয়েছেন। সেই শাস্ত্রের ব্যক্তিদের কথা হলো আজ কোনো বিষয়কে গ্রহণযোগ্য ও গ্রহণীয় করে তুলতে হলে আগে অধিকাংশের নিকট তা গ্রহণীয় করিয়ে তুলতে হবে... তা*গু*তি শক্তি এই বিষয়টির (গণতন্ত্রের) সফলতা এই যে, আজ নিরেট ইসলামি ভূখণ্ডগুলোতেও যদি কেউ জনসমর্থন আদায় করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই গণতন্ত্রের প্রশংসা করতে হবে। শুধু তাই নয়, কেউ কেউ তো ইসলামের পরিচয় ও ভালোদিকগুলোকে পশ্চিমের কাছে এমনভাবে প্রচার করে যে, ইসলামের মধ্যেও গণতন্ত্র রয়েছে!
মুসলমানদের হীনমন্যতার সীমা তো দেখুন! এরা সমস্ত সমস্যার মূল গণতন্ত্রকে যাবতীয় ভালোর উৎস ও চূড়ান্ত কল্যাণ মনে করে যে, এতে কোনো সন্দেহ বা প্রশ্নের অবকাশই রাখে না। ফলে ইসলামকে একটি গুণসম্পন্ন ও সুন্দর ধর্ম প্রমাণ করার সহজ উপায় হিসেবে তারা এটিই খুঁজে পেয়েছে—ইসলামকে গণতান্ত্রিক বলে দাবি করা হোক, কিংবা অন্তত গণতন্ত্রের সাথে তার মিল খোঁজা হোক। আজকাল কিছু লোক ‘ইসলামী গণতন্ত্র’ নামক স্লোগান তুলে ধরছে। বোঝা যাচ্ছে না, এরা কি ইসলামকে উত্তম ও পরিপূর্ণ প্রমাণ করার জন্য এমন প্রচারণা চালাচ্ছে, নাকি গণতন্ত্রকে ইসলাম বানানোর একটা অযৌক্তিক চেষ্টা করছে!//
.
বইয়ের সামনের এক জায়গায় লেখক লেখেন, //প্রত্যেক বস্তু যে উদ্দেশ্য অস্তিত্ব আসে তা থেকে সেই বিষয়েরই ফলাফল আসবে। গণতন্ত্রকে অস্তিত্বে আনাই হয়েছে গীর্জা থেকে ধর্মকে মুছে ফেলার জন্য। সুতরাং গণতন্ত্রের আবশ্যকীয় ফলাফলই হলো ধর্মের বাধামুক্ত একটি স্বাধীন সমাজ প্রতিষ্ঠা।// -পৃ. ৬৩
.
মূল বইতে লেখকের কিছু শিরোনাম দেখি,
১. ইবলিসের উপদেশ গণতন্ত্র। পৃ. ৬২
২। গণতন্ত্র একট স্বতন্ত্র দীন ও জীবনব্যবস্থা। পৃ. ৬৬
৩। গণতন্ত্র ধর্মের ঈমানে মুফাসসাল। পৃ. ৭২ (এরপর যে লম্বা আলোচনা করেছে তা একটু দেইখেন আল্লাহর ওয়াস্তে...!)
৪। কুরআন সুন্নাহের আলোকে গণতান্ত্রীক ধর্ম। পৃ. ১১৮
৫। গণতান্ত্রিক ধর্ম একটি শিরকি ধর্ম। পৃ. ১২৭
এই অধ্যায়ের পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক রাজনীতির পুরোধা আলেম ও আলেম সমাজের মধ্যে সর্বোপ্রথম মন্ত্রী মুফতি মাহমুদ রহিমাহুল্লাহের একটি বক্তব্য লেখক এনেছেন, //যদি কেউ এটা বলে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব নয় সার্বভৌমত্ব তাহলে সে আল্লাহর সাথে শিরিক করলো আল্লাহকে ছাড়া গাইরুল্লাহকে আল্লাহর শরিক হিসেবে মেনে নিলো।//
৬। গণতান্ত্রিক ধর্ম ও ইসলাম ধর্মের মৌলিক পার্থক্য। পৃ. ১৩৩
৭। গনতান্ত্রিক ধর্মের ধোকাবাজি। পৃ.১৫২
৮। গণতান্ত্রিক ধর্মে আধিকাংশের মতের আইন। পৃ.১৫৮
.
এই হলো প্রথম মাত্র দেরশো পৃষ্ঠায় লেখকের কিছু শিরোনাম আর অবস্থান। কিন্তু আকাবীরদের অনুসরণের দাবীদারদের এগুলো পড়ার সময় কোই...!
যেই আকাবীরদের কর্মপন্থা দিয়ে গণতন্ত্রকে বৈধ বানানো হচ্ছে সেই আকাবীরদের গণতন্ত্র ও তার রাজনীতি সম্পর্কে কী দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো, গণতন্ত্রকে তারা কী মনে করতো তা দেখার আমাদের সময় হবে না৷
.
একজীবন গণতান্ত্রিক রাজনীতি করলেও গণতন্ত্রকে কোন দৃষ্টিতে উনি দেখেছেন, এবং গণতন্ত্রের ব্যাপারে কী মনে করতেন, তা জানতে আপনার বইটি দেখা লাগবে। আমি উনার কয়েকটি মাওকিফ এখানে স্পষ্ট দিয়ে দিবো। তার আগে এই বই সম্পর্কে মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের মাওকিফটি বলি, মুফতি সাহেব এক প্রবন্ধে এই বইয়ের উদ্ধৃতিতে একটি কথা উল্লেখ করার পর লেখেন,
//এই কিতাবটি অত্যান্ত উপকারী ও উক্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ লিখিত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। মুহতারাম লেখক তার ঐতিহ্যবাহী জাওক ও মেজাজ অনুযায়ী বিস্তারিত গণতন্ত্র ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট সবগুলো বিষয়কে তুলে ধরেছেন। এবং নিজের মজবুত ইলমের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সমালোচনা করেছেন। হায়! কোনো আহলে ইলম যদি উক্ত বইটি তাহকিক করে নতুন ছাপাতো!!//
.
লেখক বইয়ের শুরুতে উক্ত বই লেখার কারণ হিসেবে লেখেন, ‘যে সকল গোমরাহির সূচনা ইবলিস শুরু করেছিলো, আজ সেটাকে তা*গু*তি শক্তিরা একটি শাস্ত্রীয় রূপ দিয়েছেন। সেই শাস্ত্রের ব্যক্তিদের কথা হলো আজ কোনো বিষয়কে গ্রহণযোগ্য ও গ্রহণীয় করে তুলতে হলে আগে অধিকাংশের নিকট তা গ্রহণীয় করিয়ে তুলতে হবে... তা*গু*তি শক্তি এই বিষয়টির (গণতন্ত্রের) সফলতা এই যে, আজ নিরেট ইসলামি ভূখণ্ডগুলোতেও যদি কেউ জনসমর্থন আদায় করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই গণতন্ত্রের প্রশংসা করতে হবে। শুধু তাই নয়, কেউ কেউ তো ইসলামের পরিচয় ও ভালোদিকগুলোকে পশ্চিমের কাছে এমনভাবে প্রচার করে যে, ইসলামের মধ্যেও গণতন্ত্র রয়েছে!
মুসলমানদের হীনমন্যতার সীমা তো দেখুন! এরা সমস্ত সমস্যার মূল গণতন্ত্রকে যাবতীয় ভালোর উৎস ও চূড়ান্ত কল্যাণ মনে করে যে, এতে কোনো সন্দেহ বা প্রশ্নের অবকাশই রাখে না। ফলে ইসলামকে একটি গুণসম্পন্ন ও সুন্দর ধর্ম প্রমাণ করার সহজ উপায় হিসেবে তারা এটিই খুঁজে পেয়েছে—ইসলামকে গণতান্ত্রিক বলে দাবি করা হোক, কিংবা অন্তত গণতন্ত্রের সাথে তার মিল খোঁজা হোক। আজকাল কিছু লোক ‘ইসলামী গণতন্ত্র’ নামক স্লোগান তুলে ধরছে। বোঝা যাচ্ছে না, এরা কি ইসলামকে উত্তম ও পরিপূর্ণ প্রমাণ করার জন্য এমন প্রচারণা চালাচ্ছে, নাকি গণতন্ত্রকে ইসলাম বানানোর একটা অযৌক্তিক চেষ্টা করছে!//
.
বইয়ের সামনের এক জায়গায় লেখক লেখেন, //প্রত্যেক বস্তু যে উদ্দেশ্য অস্তিত্ব আসে তা থেকে সেই বিষয়েরই ফলাফল আসবে। গণতন্ত্রকে অস্তিত্বে আনাই হয়েছে গীর্জা থেকে ধর্মকে মুছে ফেলার জন্য। সুতরাং গণতন্ত্রের আবশ্যকীয় ফলাফলই হলো ধর্মের বাধামুক্ত একটি স্বাধীন সমাজ প্রতিষ্ঠা।// -পৃ. ৬৩
.
মূল বইতে লেখকের কিছু শিরোনাম দেখি,
১. ইবলিসের উপদেশ গণতন্ত্র। পৃ. ৬২
২। গণতন্ত্র একট স্বতন্ত্র দীন ও জীবনব্যবস্থা। পৃ. ৬৬
৩। গণতন্ত্র ধর্মের ঈমানে মুফাসসাল। পৃ. ৭২ (এরপর যে লম্বা আলোচনা করেছে তা একটু দেইখেন আল্লাহর ওয়াস্তে...!)
৪। কুরআন সুন্নাহের আলোকে গণতান্ত্রীক ধর্ম। পৃ. ১১৮
৫। গণতান্ত্রিক ধর্ম একটি শিরকি ধর্ম। পৃ. ১২৭
এই অধ্যায়ের পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক রাজনীতির পুরোধা আলেম ও আলেম সমাজের মধ্যে সর্বোপ্রথম মন্ত্রী মুফতি মাহমুদ রহিমাহুল্লাহের একটি বক্তব্য লেখক এনেছেন, //যদি কেউ এটা বলে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব নয় সার্বভৌমত্ব তাহলে সে আল্লাহর সাথে শিরিক করলো আল্লাহকে ছাড়া গাইরুল্লাহকে আল্লাহর শরিক হিসেবে মেনে নিলো।//
৬। গণতান্ত্রিক ধর্ম ও ইসলাম ধর্মের মৌলিক পার্থক্য। পৃ. ১৩৩
৭। গনতান্ত্রিক ধর্মের ধোকাবাজি। পৃ.১৫২
৮। গণতান্ত্রিক ধর্মে আধিকাংশের মতের আইন। পৃ.১৫৮
.
এই হলো প্রথম মাত্র দেরশো পৃষ্ঠায় লেখকের কিছু শিরোনাম আর অবস্থান। কিন্তু আকাবীরদের অনুসরণের দাবীদারদের এগুলো পড়ার সময় কোই...!
❤54🔥4👏2
আমাদের সকলের প্রিয় ও পরিচিত মাওলানা ইমরান রাইহান ভাই এখন থেকে টেলিগ্রামে নিয়মিত হবেন। আমরা সকলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারি ইনশাআল্লাহ।
https://t.me/imranraihan
https://t.me/imranraihan
❤34🫡1
আমি মুতাদিল আলেম।
.
টিটিকে আমি সন্ত্রাসী মনে করি না। যারা মনে করে আমি তাদের সন্ত্রাসী মনে করি তাদের উপর আল্লাহর লানত। তবে তাদের বিরুদ্ধে ও পাক আর্মির পক্ষে পাকিস্তানি আলেমদের ফতোয়াকে সঠিক মনে করি। এদিকে আবার আমি পাক আর্মিকে পছন্দও করি না।
.
আলহামদুলিল্লাহ।
.
টিটিকে আমি সন্ত্রাসী মনে করি না। যারা মনে করে আমি তাদের সন্ত্রাসী মনে করি তাদের উপর আল্লাহর লানত। তবে তাদের বিরুদ্ধে ও পাক আর্মির পক্ষে পাকিস্তানি আলেমদের ফতোয়াকে সঠিক মনে করি। এদিকে আবার আমি পাক আর্মিকে পছন্দও করি না।
.
আলহামদুলিল্লাহ।
🤣52😁14❤6
সোমালিয়ায় শাবাব আর আফগানে তালেবদের যুদ্ধের প্যাটার্নটা অনেকটা একই মনে হচ্ছে। খুলে বলি।
.
তালেবদের আমেরিকার সাথে যুদ্ধে দুইটা কমন বিষয় দেখেছি। এক. শহর অঞ্চলগুলোর আগে গ্রামাঞ্চলগুলোকে প্রথমে পূর্ণ দখলে নিয়ে এসে সেখানে শক্তিশালী হওয়া। দুই. আর এই শক্তিশালী হওয়ার জন্য শক্তিনুপাতে পূণর্দখল করা গ্রামগুলোতে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করা। আর এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী যে কাজটা তালেবরা করতো, তা হলো শরীয়া আদালত। তালেবদের শরীয়া আদলতগুলো এত কার্যকরী ছিলো যে, তাদের দখলে না থাকা গ্রামগুলোর মানুষজনরাও ন্যায় বিচারের আশায় তালেবদের আদালতে আসতো বিচারের জন্য। তালেবরা দিনে বেলা বিচার শুনতো, যেগুলো তৎক্ষনাৎ কার্যকর করা সম্ভব করে ফেলতো। আর যেগুলোর জন্য অস্ত্রের।প্রয়োজন হতো, সেগুলো রাত্রে গুপ্ত হামলা করে করে ফেলতো।
এত অল্প সময়ে বিচার পাওয়ার ফলে মানুষরা তালেবদের সাথে সহজে কানেক্ট হয়ে যেতো।, বিপরীত দিকে ব্রিটিশ আইনের গোলকধাঁধায় পড়ে অন্যরা ছিলো বিরক্ত। সাধারণ থেকে সাধারণ বিচারের জন্যও মাসের পর মাস কোর্টে চক্কর লাগানো লাগতো।
.
সোমালিয়ায় শাবাবদের পুরো কার্যক্রমও সেম একই আন্দাজে চলছে।
.
শাবাবরা সোমালিয়ার প্রায় ৭৫% গ্রামাঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে।
সেখান থেকে প্রয়োজনীয় যোদ্ধাসহ ট্যাক্স আদায় করে। রিপোর্ট মতে শাবাব যে পরিমান বাৎসরিক রেভিনিউ আদায় করে তা সোমালি সরকার থেকেও বেশি। ২০২৩ এর মার্চ মাসে হার্ভার্ড ইন্টারন্যাশনাল রিভিউ (HIR) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে No Justice, No Peace: Al-Shabaab's Court System। সেখানে অসংখ্য মিথ্যার মাঝে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। প্রতিবেদনে দেখানো হয় শাবাব কীভাবে তাদের দখল করা অঞ্চলগুলোতে শরিয়ানুযায়ী আদলত পরিচালনা করে এবং কত দ্রুত বিচার কার্যকর করে।
.
প্রতিবেদনটির শুরুতেই একটি চমৎকার ঘটনা উল্লেখ করা হয়। ৫৬ বছর বয়সী হুসেন নামক এক লোক উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু জমি পান। পরে জমির ঝামেলা হলে তিনি কোর্টে মামলা করেন। কিন্তু ২৭ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করার পরও সে উক্ত মামলাটি জিততে পারেনি। উলটো, যাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তারা তার বাড়িয়ে আক্রমণ করে এবং পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। দুই বছর এভাবে সে নিজের মামলা লড়ে হতাশ হয়ে অত:পর এক ব্যতিক্রমী কাজ করে বসেন। শাবাবদের শরীয়া আদালতের দারস্ত হয় ৫৬ বছর বয়সী হুসেন। এরপর....
প্রতিবেদনের একটি জায়গা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,
//আল শাবাব দক্ষিণ ও মধ্য সোমালিয়ার প্রায় ৭০% নিয়ন্ত্রণ করে । তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায়, আল শাবাব একটি সাধারণ সরকারের সমস্ত মৌলিক কার্য সম্পাদন করে: এটি বাসিন্দাদের উপর কর আরোপ করে, নিরাপত্তা প্রদান করে এবং এমনকি অভাবী জনগোষ্ঠীর কল্যাণও প্রদান করে। করের মাধ্যমে, আল শাবাব মাসে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে - প্রায় বৈধ সোমালি সরকারের সমান।//
আরেকটি অংশ দেখুন,
//আল শাবাব দেশজুড়ে আদালতের একটি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেছে। এই "ছায়া আদালত" বিভিন্ন ধরণের বিরোধ পরিচালনা করে। সোমালি গবেষক হুসেন ইউসুফ আলী উল্লেখ করেছেন যে আল শাবাব ন্যায়বিচারের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করে , বিশেষ করে প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে তর্ক, বাণিজ্যিক মতবিরোধ এবং গোষ্ঠী বৈষম্যের অভিযোগ। ভূমি বিরোধগুলিও প্রায়শই আল শাবাব দ্বারা পরিচালিত হয়: বাইদোর একজন বাসিন্দা অনুমান করেছেন যে "৮০% জমি বিরোধ আল শাবাবে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সম্ভবত ২০% আনুষ্ঠানিক আদালতে যায়।" আল শাবাব আদালত এমনকি চাঁদাবাজি, গোষ্ঠী বৈষম্য, দুর্নীতি এবং বেআইনি গ্রেপ্তারের বিষয়গুলিও পরিচালনা করে , যার অর্থ আল শাবাব সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী এজেন্টদের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকদেরও বিচার করতে পারে।//
প্রতিবেদনের আরেকটি মজার অংশ হলো, সোমালি সরকারের পুলিশ ও সেনা সদস্যরাও ন্যায়বিচার না পেয়ে শাবাবদের আদলতে নিচার চাইতে হাজির হয়। (পিও গণতন্ত্র🤣)
//হাজার হাজার মানুষ এখন তাদের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আল শাবাবের দিকে ঝুঁকছেন - এমনকি যারা সরকার নিয়ন্ত্রণে বাস করে -। সরকার নিয়ন্ত্রিত রাজধানী মোগাদিশুর বাসিন্দারা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নিকটবর্তী আল শাবাব এলাকায় ভ্রমণ করেন। কিছু কাহিনী অনুসারে, এমনকি পুলিশ এবং সামরিক কর্মকর্তারাও সরকারের পরিবর্তে আল শাবাবের কাছ থেকে ন্যায়বিচার চান বলে জানা যায় ।//
.
যাক, মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা ইসলামি বিচারকার্য নিয়ে নিজেদের পড়াশোনা বাড়ান। ধরেন আজকে যদি বাংলাদেশে শরীয়া আদালতের দাবী উঠে তাহলে আমরা পুরো দেশ জুড়ে কতজন কাজি দিতে পারবো? তাই, এই বিষয়ে এখন থেকেই পর্যাপ্ত পড়াশোনা বাড়ান।
.
তালেবদের আমেরিকার সাথে যুদ্ধে দুইটা কমন বিষয় দেখেছি। এক. শহর অঞ্চলগুলোর আগে গ্রামাঞ্চলগুলোকে প্রথমে পূর্ণ দখলে নিয়ে এসে সেখানে শক্তিশালী হওয়া। দুই. আর এই শক্তিশালী হওয়ার জন্য শক্তিনুপাতে পূণর্দখল করা গ্রামগুলোতে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করা। আর এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী যে কাজটা তালেবরা করতো, তা হলো শরীয়া আদালত। তালেবদের শরীয়া আদলতগুলো এত কার্যকরী ছিলো যে, তাদের দখলে না থাকা গ্রামগুলোর মানুষজনরাও ন্যায় বিচারের আশায় তালেবদের আদালতে আসতো বিচারের জন্য। তালেবরা দিনে বেলা বিচার শুনতো, যেগুলো তৎক্ষনাৎ কার্যকর করা সম্ভব করে ফেলতো। আর যেগুলোর জন্য অস্ত্রের।প্রয়োজন হতো, সেগুলো রাত্রে গুপ্ত হামলা করে করে ফেলতো।
এত অল্প সময়ে বিচার পাওয়ার ফলে মানুষরা তালেবদের সাথে সহজে কানেক্ট হয়ে যেতো।, বিপরীত দিকে ব্রিটিশ আইনের গোলকধাঁধায় পড়ে অন্যরা ছিলো বিরক্ত। সাধারণ থেকে সাধারণ বিচারের জন্যও মাসের পর মাস কোর্টে চক্কর লাগানো লাগতো।
.
সোমালিয়ায় শাবাবদের পুরো কার্যক্রমও সেম একই আন্দাজে চলছে।
.
শাবাবরা সোমালিয়ার প্রায় ৭৫% গ্রামাঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে।
সেখান থেকে প্রয়োজনীয় যোদ্ধাসহ ট্যাক্স আদায় করে। রিপোর্ট মতে শাবাব যে পরিমান বাৎসরিক রেভিনিউ আদায় করে তা সোমালি সরকার থেকেও বেশি। ২০২৩ এর মার্চ মাসে হার্ভার্ড ইন্টারন্যাশনাল রিভিউ (HIR) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে No Justice, No Peace: Al-Shabaab's Court System। সেখানে অসংখ্য মিথ্যার মাঝে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। প্রতিবেদনে দেখানো হয় শাবাব কীভাবে তাদের দখল করা অঞ্চলগুলোতে শরিয়ানুযায়ী আদলত পরিচালনা করে এবং কত দ্রুত বিচার কার্যকর করে।
.
প্রতিবেদনটির শুরুতেই একটি চমৎকার ঘটনা উল্লেখ করা হয়। ৫৬ বছর বয়সী হুসেন নামক এক লোক উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু জমি পান। পরে জমির ঝামেলা হলে তিনি কোর্টে মামলা করেন। কিন্তু ২৭ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করার পরও সে উক্ত মামলাটি জিততে পারেনি। উলটো, যাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তারা তার বাড়িয়ে আক্রমণ করে এবং পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। দুই বছর এভাবে সে নিজের মামলা লড়ে হতাশ হয়ে অত:পর এক ব্যতিক্রমী কাজ করে বসেন। শাবাবদের শরীয়া আদালতের দারস্ত হয় ৫৬ বছর বয়সী হুসেন। এরপর....
প্রতিবেদনের একটি জায়গা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,
//আল শাবাব দক্ষিণ ও মধ্য সোমালিয়ার প্রায় ৭০% নিয়ন্ত্রণ করে । তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায়, আল শাবাব একটি সাধারণ সরকারের সমস্ত মৌলিক কার্য সম্পাদন করে: এটি বাসিন্দাদের উপর কর আরোপ করে, নিরাপত্তা প্রদান করে এবং এমনকি অভাবী জনগোষ্ঠীর কল্যাণও প্রদান করে। করের মাধ্যমে, আল শাবাব মাসে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে - প্রায় বৈধ সোমালি সরকারের সমান।//
আরেকটি অংশ দেখুন,
//আল শাবাব দেশজুড়ে আদালতের একটি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেছে। এই "ছায়া আদালত" বিভিন্ন ধরণের বিরোধ পরিচালনা করে। সোমালি গবেষক হুসেন ইউসুফ আলী উল্লেখ করেছেন যে আল শাবাব ন্যায়বিচারের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করে , বিশেষ করে প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে তর্ক, বাণিজ্যিক মতবিরোধ এবং গোষ্ঠী বৈষম্যের অভিযোগ। ভূমি বিরোধগুলিও প্রায়শই আল শাবাব দ্বারা পরিচালিত হয়: বাইদোর একজন বাসিন্দা অনুমান করেছেন যে "৮০% জমি বিরোধ আল শাবাবে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সম্ভবত ২০% আনুষ্ঠানিক আদালতে যায়।" আল শাবাব আদালত এমনকি চাঁদাবাজি, গোষ্ঠী বৈষম্য, দুর্নীতি এবং বেআইনি গ্রেপ্তারের বিষয়গুলিও পরিচালনা করে , যার অর্থ আল শাবাব সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী এজেন্টদের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকদেরও বিচার করতে পারে।//
প্রতিবেদনের আরেকটি মজার অংশ হলো, সোমালি সরকারের পুলিশ ও সেনা সদস্যরাও ন্যায়বিচার না পেয়ে শাবাবদের আদলতে নিচার চাইতে হাজির হয়। (পিও গণতন্ত্র🤣)
//হাজার হাজার মানুষ এখন তাদের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আল শাবাবের দিকে ঝুঁকছেন - এমনকি যারা সরকার নিয়ন্ত্রণে বাস করে -। সরকার নিয়ন্ত্রিত রাজধানী মোগাদিশুর বাসিন্দারা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নিকটবর্তী আল শাবাব এলাকায় ভ্রমণ করেন। কিছু কাহিনী অনুসারে, এমনকি পুলিশ এবং সামরিক কর্মকর্তারাও সরকারের পরিবর্তে আল শাবাবের কাছ থেকে ন্যায়বিচার চান বলে জানা যায় ।//
.
যাক, মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা ইসলামি বিচারকার্য নিয়ে নিজেদের পড়াশোনা বাড়ান। ধরেন আজকে যদি বাংলাদেশে শরীয়া আদালতের দাবী উঠে তাহলে আমরা পুরো দেশ জুড়ে কতজন কাজি দিতে পারবো? তাই, এই বিষয়ে এখন থেকেই পর্যাপ্ত পড়াশোনা বাড়ান।
❤107👍12🥰7🤣1
ইসলামি খিলাফত নিয়ে পড়ছি বেশকিছু দিন হয়েছে। কিন্তু এখনো এই বিষয়ে বহু বিষয় পড়ার বাকি আছে। তাই অনেকের আহবান সত্ত্বেও কিছু বলা হয় না। কিন্তু বাজারে যারা খিলাফত নিয়ে আলোচনা করে তাদের আলোচনার স্তর দেখলে মনে হয়, যতটুকু পড়েছি, বাস্তবতার বিবেচনায় তা পর্যাপ্ত না হলেও এগুলোর থেকে বহুগুণ বেশি ও ফলাফলের বিবেচনায় সঠিক, এই বিষয় কিছু আলোচনা করি। অতপর নিজেকে সংবরণ করি।
যাইহোক, গত বছর সম্ভবত উস্তাদের পরামর্শে অনলাইনে কিছু ভাইদের জোরাজোরিতে খিলাফত নিয়ে একটা আলোচনা করেছিলাম। শুনে দেখতে পারেন। আশা করি ফায়দা হবে।
.
সামনে কেউ নাই, শুধু মোবাইলের দিকে তাকিয়ে কথা বলাটা প্রচুর বিরক্ত লাগে এবং কথাও আসে না মুখ দিয়ে। আবার সেটা ছিলো জীবনে প্রথম। তাই খুবই খারাপ হয়েছে। তাই বিষয়টা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
.
আলোচনার অডিও:
https://youtu.be/UxpHB8FMO8A?feature=shared
যাইহোক, গত বছর সম্ভবত উস্তাদের পরামর্শে অনলাইনে কিছু ভাইদের জোরাজোরিতে খিলাফত নিয়ে একটা আলোচনা করেছিলাম। শুনে দেখতে পারেন। আশা করি ফায়দা হবে।
.
সামনে কেউ নাই, শুধু মোবাইলের দিকে তাকিয়ে কথা বলাটা প্রচুর বিরক্ত লাগে এবং কথাও আসে না মুখ দিয়ে। আবার সেটা ছিলো জীবনে প্রথম। তাই খুবই খারাপ হয়েছে। তাই বিষয়টা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
.
আলোচনার অডিও:
https://youtu.be/UxpHB8FMO8A?feature=shared
YouTube
সেশন: ১২ || টপিক: ইসলামি খিলাফত ও ইমারত; প্রাথমিক পরিচিতি || আলোচক: উস্তাদ আব্দুল্লাহ বিন বশীর হাফিঃ
Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.
❤44🔥1🫡1
পাকিস্তানের বেশ জনপ্রিয় আলেম যিনি আওয়ামদের নিয়ে প্রচুর কাজ করেন, মাওলানা সৈয়দ আদনান কাকাখিল হাফিজাহুল্লাহ। উনার একটি বয়ান ‘লিবারেল ও সেকুলার শিক্ষা আমাদের কী ক্ষতি করেছে’ -এর বাংলা সাবটাইটেল যুক্ত করেছে রিসালাহ ইউটিউব চ্যানেল। আলোচনাটি শুনতে পারেন৷
https://youtu.be/t-fHYsRPx-w?si=eXPohPkCr4zX5ezC
https://youtu.be/t-fHYsRPx-w?si=eXPohPkCr4zX5ezC
YouTube
সেকুলার আর লিবারেল শিক্ষা আমাদের জীবনে কী ক্ষতি করেছে? ।। সৈয়দ আদনান কাকাখিল হাফিজাহুল্লাহ।
সেকুলার আর লিবারেল শিক্ষা আমাদের জীবনে কী ক্ষতি করেছে? ।। সৈয়দ আদনান কাকাখিল হাফিজাহুল্লাহ।
❤47🔥2
জাতীয় পর্যায়ে গিয়েও মাওলানা আব্দুল মালেক সাহ্বব এমন কথাগুলো বলতে পারলে সাধারণ খতিবরা কেনো পারছে না? চিন্তা করলে এতটুকুর মধ্যে আমাদের অনেক শিক্ষা রয়েছে।
https://youtu.be/i_28lRBROjM?si=Bz0QahI_dZbOBizI
https://youtu.be/i_28lRBROjM?si=Bz0QahI_dZbOBizI
YouTube
ধর্মীর স্বাধীনতা। আব্দুল মালেক হাফি.
❤62👍3
ফারাবীর জামিনের পরে এই দেশের মিডিয়াগুলো যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়লো, তাতে এখানে ইসলামী রাজনীতির ভবিষ্যৎ পরিণতি কিছুটা হলেও পড়া সম্ভব। একটি মুসলিমপ্রধান দেশের মিডিয়াগুলো প্রকাশ্যে এক শাতিমের পক্ষ নিচ্ছে, এক নিরপরাধ মুসলিম যুবককে কেবল কয়েকটি ফেসবুক পোস্টের দায়ে পারলে 'খুনী' বানিয়ে ফাঁসিতে ঝুলাচ্ছে। সেখানে ইসলামপন্থীরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে তারা কী করতে পারে তা আপনি কল্পনা করতে পারেন?
আজ যেসব ইসলামী রাজনীতিকরা কথিত 'আন্তর্জাতিক চাপের মুখে', হিকমত ও কৌশলের দোহাই দিয়ে প্রকাশ্যে পশ্চিমাদের বিরোধিতা করতে পারছেন না, স্পষ্ট ভাষায় কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠার ইশতিহার ঘোষণা করতে পারছেন না, তারা ক্ষমতায় গিয়ে আন্তর্জাতিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করবেন, ইকামতে দীনের ঘোষণা দিবেন- এটা অলীক কল্পনা। সেক্যুমিডিয়ার আক্রমণ, পশ্চিমাদের ক্ষোভের ভয় যাদেরকে এতোটা ভীত করে, সর্বোচ্চ নির্বাচনে ক্ষতিগ্রস্ত হবার আতংক যাদের হাত-পা এতোটা বেঁধে ফেলে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও গদি হারানোর ভয় তাদেরকে কতোটা ত্রস্ত করবে, আন্তর্জাতিক চাপ কিংবা নিষেধাজ্ঞার আতংক তাদেরকে কোন্ পর্যায়ে নামাবে - তা অনুমান করা কঠিন নয়। তাহলে এই সুদীর্ঘ সংগ্রামের সার্থকতা কী?
প্রচলিত রাজনীতিতে প্রবেশ মানেই আযীমতের পথ ছেড়ে রুখসতের পথ গ্রহণ। মুখে এটাকে যতোই মাধ্যম, উপলক্ষ, উসীলা, কৌশল, সাময়িক প্রতিরোধের পথ বলা হোক, কার্যত তারা এটাকেই লক্ষ্য ও গন্তব্য বানিয়ে নেন। দীর্ঘ সময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ততার দরুন কখন যে নিজেরাই লক্ষ্যভ্রষ্ট হন, খিলাফত ও ইকামতে দীনের ব্যাপারে নির্ভার ও নির্লিপ্ত পয়ে পড়েন, নিজেরাও অনুভব করেন না। ফলশ্রুতিতে গণতন্ত্রকে একসময় কুফর কিংবা কৌশল বলা মানুষগুলোই গণতন্ত্রের সিপাহীতে রূপান্তরিত হন, রাজতন্ত্রকে ঢাল বানিয়ে খিলাফতের সঙ্গে গণতন্ত্রকে তুলনা করার দুঃসাহস করেন। তাই এ পথ আমার নয়। এ পথ কেবলই হারার, হারাবার।
©মাওলানা মীজান হারুন হাফিজাহুল্লাহ
আজ যেসব ইসলামী রাজনীতিকরা কথিত 'আন্তর্জাতিক চাপের মুখে', হিকমত ও কৌশলের দোহাই দিয়ে প্রকাশ্যে পশ্চিমাদের বিরোধিতা করতে পারছেন না, স্পষ্ট ভাষায় কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠার ইশতিহার ঘোষণা করতে পারছেন না, তারা ক্ষমতায় গিয়ে আন্তর্জাতিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করবেন, ইকামতে দীনের ঘোষণা দিবেন- এটা অলীক কল্পনা। সেক্যুমিডিয়ার আক্রমণ, পশ্চিমাদের ক্ষোভের ভয় যাদেরকে এতোটা ভীত করে, সর্বোচ্চ নির্বাচনে ক্ষতিগ্রস্ত হবার আতংক যাদের হাত-পা এতোটা বেঁধে ফেলে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও গদি হারানোর ভয় তাদেরকে কতোটা ত্রস্ত করবে, আন্তর্জাতিক চাপ কিংবা নিষেধাজ্ঞার আতংক তাদেরকে কোন্ পর্যায়ে নামাবে - তা অনুমান করা কঠিন নয়। তাহলে এই সুদীর্ঘ সংগ্রামের সার্থকতা কী?
প্রচলিত রাজনীতিতে প্রবেশ মানেই আযীমতের পথ ছেড়ে রুখসতের পথ গ্রহণ। মুখে এটাকে যতোই মাধ্যম, উপলক্ষ, উসীলা, কৌশল, সাময়িক প্রতিরোধের পথ বলা হোক, কার্যত তারা এটাকেই লক্ষ্য ও গন্তব্য বানিয়ে নেন। দীর্ঘ সময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ততার দরুন কখন যে নিজেরাই লক্ষ্যভ্রষ্ট হন, খিলাফত ও ইকামতে দীনের ব্যাপারে নির্ভার ও নির্লিপ্ত পয়ে পড়েন, নিজেরাও অনুভব করেন না। ফলশ্রুতিতে গণতন্ত্রকে একসময় কুফর কিংবা কৌশল বলা মানুষগুলোই গণতন্ত্রের সিপাহীতে রূপান্তরিত হন, রাজতন্ত্রকে ঢাল বানিয়ে খিলাফতের সঙ্গে গণতন্ত্রকে তুলনা করার দুঃসাহস করেন। তাই এ পথ আমার নয়। এ পথ কেবলই হারার, হারাবার।
©মাওলানা মীজান হারুন হাফিজাহুল্লাহ
❤77💯6🔥3
মিশরের জামিয়া আযহার সম্পর্কে শায়খ মুহাম্মদ আওয়ামার মন্তব্য...
https://youtu.be/6xTkxPh24mc?si=he7cEiv7oemyKpaL
https://youtu.be/6xTkxPh24mc?si=he7cEiv7oemyKpaL
YouTube
জামিয়াতুল আযহার সম্পর্কে শায়খ আওয়ামার মূল্যায়ন
জামিয়াতুল আযহার সম্পর্কে শায়খ আওয়ামার মূল্যায়ন
#risalah #video #iclamic #risalah #Risalha
#risalah #video #iclamic #risalah #Risalha
❤29
পাক সেনাবাহিনী হলো পাক-পবিত্র। তাদের পবিত্রতার ব্যাপারে পাক আলেমদের এক অংশের ইজমা আছে। আর কাবায়েলি অঞ্চলের মানুষের রক্ত হলো নাপাক। আর নাপাকি পবিত্র করা হলো ফরজ। সে হিসেবে পাক ফৌজের হাতে নাপাক কাবেয়েলি রক্ত ঝড়লে কোনো সমস্যা হয় না। আলেম শ্রেণীর প্রতিবাদ আসে না।
কাবায়েলিদের রক্ত কবে থেকে নাপাক জানেন? সেই ইংরেজদের আমল থেকে। যেদিন থেকে এই কাবেয়েলিরা ইংরেজদের দাসত্ব মেনে না নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করেছিলো এবং কচুকাটা করেছিলো পুরো ইংরেজ দলকে, সেদিন থেকে। মনিব হত্যার প্রতিশোধ কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করছে তার কর্মচারী ‘পাক ফৌজ জিন্দাবাদ’।
.
আল্লাহ মুফতি শফী ও শিব্বির আহমদ উসমামীর কবরকে নূর দিয়ে ভরে দিক এবং তাদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন, উনাদের অনুরোধেই স্বাধীন কাবেয়েলি অঞ্চলগুলো পাকিস্তানের পরাধীনতা মেনে নিয়েছিলো। বড় আশা ছিলো ও ওয়াদা করা হয়েছিলো সরল-সোজা এই কাবায়েলিদের—পুরো পাকিস্তানে আমভাবে ও কাবায়েলি অঞ্চলে খাসভাবে শরীয়া বাস্তবায়ন করা হবে। এরপর মুফতি শফী সাহেবরা ধোকা খেয়ে কবরে চলে গেছেন, কিন্তু স্বাধীন কাবায়েলিরা চিরজীবনের জন্য হয়ে গেছে নাপাক সরকারের একটি গোলাম। প্রজন্মের পর প্রজন্ম সেই গোলামি করে যাচ্ছে এই কাবায়েলিরা!
.
সন্ত্রাসী হত্যার নামে লক্ষ লক্ষ্য কাবায়েলিদের আহত করলে, হত্যা করলে, ঘরবাড়ি বোম্বিং করে উড়িয়ে দিলে সেটা হয়ে যায় সম্পূর্ণ বৈধ, বা সর্বোচ্চ ‘সেনাবাহিনীর উচিত আরো সতর্কতার সাথে কাজ করা’ নীচু ও দাওয়াতি স্বরে এমন কিছু নির্লজ্জ বিবৃতি দেওয়া। আর নিজেদের অধিকার আদায়ে, অথবা শরীয়া বাস্তবায়নের জন্য অনেক চেষ্টা প্রচেষ্টার পরও যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটে তখন বেহায়ার মত সংবাদ সম্মেলন করে ‘ইসলাম এমন জি হা দের সমর্থন করে না’ বলে জোর গলায় বিবৃতি, এটাই হলো কাবায়েলিদের প্রতি একদল আলেমের সহমর্মিতা। সকল আপত্তি আল্লাহর কাছেই তোলা রইলো।
কাবায়েলিদের রক্ত কবে থেকে নাপাক জানেন? সেই ইংরেজদের আমল থেকে। যেদিন থেকে এই কাবেয়েলিরা ইংরেজদের দাসত্ব মেনে না নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করেছিলো এবং কচুকাটা করেছিলো পুরো ইংরেজ দলকে, সেদিন থেকে। মনিব হত্যার প্রতিশোধ কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করছে তার কর্মচারী ‘পাক ফৌজ জিন্দাবাদ’।
.
আল্লাহ মুফতি শফী ও শিব্বির আহমদ উসমামীর কবরকে নূর দিয়ে ভরে দিক এবং তাদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন, উনাদের অনুরোধেই স্বাধীন কাবেয়েলি অঞ্চলগুলো পাকিস্তানের পরাধীনতা মেনে নিয়েছিলো। বড় আশা ছিলো ও ওয়াদা করা হয়েছিলো সরল-সোজা এই কাবায়েলিদের—পুরো পাকিস্তানে আমভাবে ও কাবায়েলি অঞ্চলে খাসভাবে শরীয়া বাস্তবায়ন করা হবে। এরপর মুফতি শফী সাহেবরা ধোকা খেয়ে কবরে চলে গেছেন, কিন্তু স্বাধীন কাবায়েলিরা চিরজীবনের জন্য হয়ে গেছে নাপাক সরকারের একটি গোলাম। প্রজন্মের পর প্রজন্ম সেই গোলামি করে যাচ্ছে এই কাবায়েলিরা!
.
সন্ত্রাসী হত্যার নামে লক্ষ লক্ষ্য কাবায়েলিদের আহত করলে, হত্যা করলে, ঘরবাড়ি বোম্বিং করে উড়িয়ে দিলে সেটা হয়ে যায় সম্পূর্ণ বৈধ, বা সর্বোচ্চ ‘সেনাবাহিনীর উচিত আরো সতর্কতার সাথে কাজ করা’ নীচু ও দাওয়াতি স্বরে এমন কিছু নির্লজ্জ বিবৃতি দেওয়া। আর নিজেদের অধিকার আদায়ে, অথবা শরীয়া বাস্তবায়নের জন্য অনেক চেষ্টা প্রচেষ্টার পরও যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটে তখন বেহায়ার মত সংবাদ সম্মেলন করে ‘ইসলাম এমন জি হা দের সমর্থন করে না’ বলে জোর গলায় বিবৃতি, এটাই হলো কাবায়েলিদের প্রতি একদল আলেমের সহমর্মিতা। সকল আপত্তি আল্লাহর কাছেই তোলা রইলো।
❤38😢34👍8
নিজ খরচে অস্ট্রেলিয়ায় কিছু জিওপলিটিশিয়ান পাঠাতে চাই বাংলাদেশ থেকে। কারণ কালিমার পতাকা উড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ান মুসলমানরা যে জিও-পলিটিকাল ভুল করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য। তাদের সঠিক দীনের বুঝ ও জিও-পলিটিক্স বুঝানোর জন্য এখনই নিজ খরচে কিছু ... ভাইকে পাঠানো দরকার। এখন আপনাদের থেকে দুটো সাহায্য চাই।
১। অস্ট্রেলিয়ার মুসলমানদের বাচানোর এই মহতি কাজে আমাদের কিছু ফান্ডিং লাগবে। যারা দিতে চান তারা দ্রুত জমির মাসরূর ভাইয়ের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। তার টাইমলাইনে গেলেই বিস্তারিত জানতে পারবেন।
২। আর কাকে কাকে পাঠানো যায় সেটার একটা তালিকা দিন। তাদের পাসপোর্ট সাইজের দুটো ছবি, কারেন্ট বিলের ফটোকপি চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং কালিমার পতাকা নিয়ে জিওপলিটিক্সের উপর লেখা কিছু পোষ্টের কালার প্রিন্ট কপি।
১। অস্ট্রেলিয়ার মুসলমানদের বাচানোর এই মহতি কাজে আমাদের কিছু ফান্ডিং লাগবে। যারা দিতে চান তারা দ্রুত জমির মাসরূর ভাইয়ের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। তার টাইমলাইনে গেলেই বিস্তারিত জানতে পারবেন।
২। আর কাকে কাকে পাঠানো যায় সেটার একটা তালিকা দিন। তাদের পাসপোর্ট সাইজের দুটো ছবি, কারেন্ট বিলের ফটোকপি চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং কালিমার পতাকা নিয়ে জিওপলিটিক্সের উপর লেখা কিছু পোষ্টের কালার প্রিন্ট কপি।
😁88❤8🙏2😱1
৩০জুলাইয়ের কঠিন সময়ে কথাগুলো বললেও কথাগুলো শুধু হাসিনার সাথেই খাস না। যেকোনো জালেমের দালাল হওয়ার বিধান একই।...
https://www.facebook.com/share/p/14Lf77yCZVn/
https://www.facebook.com/share/p/14Lf77yCZVn/
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤18