শায়খ উসামা বিন লাদেন বেনজির ভুট্টোকে ক্ষমতাচ্যূত করে পাকিস্তানের ক্ষমতায় নওয়াজ শরিফকে বসানোর জন্য শত শত কোটি টাকা ফান্ডিং করেছিলো। ফান্ডিংয়ের পূর্বে শর্ত দিয়েছিলো, পাকিস্তান সরকার শায়খকে কাশ্মীরে জিহাদের জন্য সুযোগ করে দিবে!
.
একটা মানুষ নিজের জীবনের সবটা কীভাবে বিলীন করে দিয়েছে জি হা দের জন্য!
.
একটা মানুষ নিজের জীবনের সবটা কীভাবে বিলীন করে দিয়েছে জি হা দের জন্য!
❤83🔥19👎1🥰1
কিছুদিন আগে পাকিস্তানের জামিয়াতুর রশিদের মুহতামিম মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবের শায়খ উসামা ও মোল্লা ওমর সংক্রান্ত একটি পডকাস্ট হয়তো অনেকেই শুনেছেন। ঐ পডকাস্টের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের একজন সাংবাদিকও মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবকে নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করেন৷ দেখতে পারেন এটাও।
.
https://youtu.be/upXNOJcEJuk?si=lLIy9OjotFY6wwbh
.
https://youtu.be/upXNOJcEJuk?si=lLIy9OjotFY6wwbh
YouTube
Mufti Raheem & Usama
Mufti Abdul Raheem, the Rector of Jamia Tur Rasheed, is known for his deep religious knowledge and respected leadership. In this video, we explore a surprising and thought-provoking incident between Mufti Sahib and Osama. During their conversation, Osama…
❤19👍2
এই শতাব্দী বিজয়ের শতাব্দী
.
আজকে পুরো পৃথিবীর দিকে লক্ষ্য করে দেখুন, চতুর্দিকে শুধুই এবং শুধু ইসলাম ও মুসলমানেরই আলোচনা। পশ্চিমের হাজারো কোটি ডলারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ভেঙ্গে খানখান হয়ে যাচ্ছে। এই বিজয় যে শুধু সামরিকভাবেই ভেঙ্গে যাচ্ছে এমন নয়, বরং আদর্শিকভাবেও। লক্ষ্য করলে দেখবেন, মুসলিমদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশই পশ্চিমা কর্তৃত্ব, তাদের তৈরি বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে আওয়াজ তুলছে। কোয়ালিটির দিক থেকে হয়তো মুসলমানদের নামাজ-রোজার কমতি হয়েছে প্রচুর, কিন্তু সং্খ্যার বিবেচনায় এটা বাড়ছে। এটা পুরো পৃথিবীব্যাপিই হচ্ছে।
.
এই সবকিছু আমরা এখন দেখে হয়তো বুঝতে পারছি ও বলতে পারছি। কিন্তু ২০০১-এর আগে কল্পনা করে দেখুন, পুরো দুনিয়ার এক খোদার আসনে বসা আমেরিকা, যেখানেই একমাত্র সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি, যার সামনে মাথানত করা পুরো পৃথিবী, যার ভয়ে থর থর করে কাপছে সকল শক্তি, আমেরিকা ও তার জীবনব্যবস্থা, এটাই একমাত্র জীবন ও জীবনের মাপকাঠি, এর বিপরীত ভাবাটাও অন্যায়, ঠিক সেই সময় শায়খ উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, এই শতাব্দী বিজয়ের শতাব্দী!
.
জি, এটাই একজন আল্লাহর ওলী ও মুজাদ্দিদের ফিরাসাত। এটাই ঈমানি নূর, যার আলোকে বান্দা কুফরের অন্ধকারের মধ্যেও ঈমানের আলো দিয়ে পৃথিবীর বাস্তবতা ধরে ফেলতে পারে।
.
আজকে পুরো পৃথিবীর দিকে লক্ষ্য করে দেখুন, চতুর্দিকে শুধুই এবং শুধু ইসলাম ও মুসলমানেরই আলোচনা। পশ্চিমের হাজারো কোটি ডলারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ভেঙ্গে খানখান হয়ে যাচ্ছে। এই বিজয় যে শুধু সামরিকভাবেই ভেঙ্গে যাচ্ছে এমন নয়, বরং আদর্শিকভাবেও। লক্ষ্য করলে দেখবেন, মুসলিমদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশই পশ্চিমা কর্তৃত্ব, তাদের তৈরি বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে আওয়াজ তুলছে। কোয়ালিটির দিক থেকে হয়তো মুসলমানদের নামাজ-রোজার কমতি হয়েছে প্রচুর, কিন্তু সং্খ্যার বিবেচনায় এটা বাড়ছে। এটা পুরো পৃথিবীব্যাপিই হচ্ছে।
.
এই সবকিছু আমরা এখন দেখে হয়তো বুঝতে পারছি ও বলতে পারছি। কিন্তু ২০০১-এর আগে কল্পনা করে দেখুন, পুরো দুনিয়ার এক খোদার আসনে বসা আমেরিকা, যেখানেই একমাত্র সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি, যার সামনে মাথানত করা পুরো পৃথিবী, যার ভয়ে থর থর করে কাপছে সকল শক্তি, আমেরিকা ও তার জীবনব্যবস্থা, এটাই একমাত্র জীবন ও জীবনের মাপকাঠি, এর বিপরীত ভাবাটাও অন্যায়, ঠিক সেই সময় শায়খ উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, এই শতাব্দী বিজয়ের শতাব্দী!
.
জি, এটাই একজন আল্লাহর ওলী ও মুজাদ্দিদের ফিরাসাত। এটাই ঈমানি নূর, যার আলোকে বান্দা কুফরের অন্ধকারের মধ্যেও ঈমানের আলো দিয়ে পৃথিবীর বাস্তবতা ধরে ফেলতে পারে।
❤108🔥8🥰4
Abdullah bin bashir
Photo
ঘৃণা কাফেরের প্রতি, না কুফরের প্রতি
কাফেরদের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক রাখার যে বিধান এখানে বলা হয়েছে, এর ওপর একটি আপত্তি এই উত্থাপিত হয়, 'ঘৃণা ও বিদ্বেষ কাফেরের প্রতি নয়, বরং কুফরের প্রতি। কারণ কাফেররাও তো মানুষ। মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা না রাখাই উচিত। ঘৃণা তো হবে তার কর্মের প্রতি।'
এই আপত্তিটি কখনো বিভিন্ন ধর্মীয় ঢঙে উল্লেখ করা হয়, আবার কখনো এমন নিষ্পাপ ভঙ্গিতে উল্লেখ করা হয় যে, সাধারণ মুসলমান ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো না জানা থাকার কারণে এতে বেশ পেরেশান হয় এবং ধোঁকায়ও পতিত হয়ে যায়।
বাস্তবতা হলো, এই আপত্তিটির কয়েকটি দিক হতে পারে-
ক. ওপরের কথা দ্বারা যদি উদ্দেশ্য এটা হয় যে, কোনো মানুষের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষের মূল ভিত্তি কারও ব্যক্তিত্ব বা সত্তা নয়, বরং ব্যক্তির ঘৃণিত ও নিন্দিত চিন্তা ও কর্মই হলো তাকে ঘৃণা করার মূল ভিত্তি, যেগুলো সে স্বেচ্ছায় করেছে। এই হিসাবে উপরিউক্ত কথাটি ভুল নয়। বরং ইসলামের মূলনীতির সাথেও এটা সামঞ্জস্যশীল।
কেননা ইসলাম সকল মানুষকেই 'আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি' হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং তার প্রচার ও প্রসার করে। জাতপাতের কোনো ধারণা ইসলামে নেই। ইসলাম কোনো বংশ বা দলকে সম্মান ও অসম্মানের মাপকাঠি নির্ধারণ করেনি। কুফর ও জুলুমের মতো ঘৃণিত অপরাধ করে কোনো ব্যক্তি নিজের অযোগ্যতার পরিচয় দিলে তার এই পদক্ষেপ নিন্দা ও ঘৃণার যোগ্য হবে, কিন্তু যখনই সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে নিজেকে সংশোধন করে নেবে, তখনই সে পূর্বের ইজ্জত ও সম্মান ফিরে পাবে। কিন্তু কোনো কাফেরের ব্যক্তিত্বকেই যদি ঘৃণার মাপকাঠি বানিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে সে ইসলাম কবুল করার পরও ঘৃণিতই থেকে যেত, কিন্তু বিষয়টা বাস্তবে তেমন নয়।
খ. আর এই বাহ্যত নিষ্পাপ স্লোগানের উদ্দেশ্য যদি এটা হয় যে, আমাদের ঘৃণা শুধু 'কুফর' গুণটির সাথে। কিন্তু এই গুণের ধারক কাফেরের সাথে আমাদের কোনো ঘৃণা নেই, বরং তার এই গুণকে ঘৃণা করে তাকে ভালোবাসাই উচিত, তাহলে এটা ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ভুল ও একটি অবাস্তব দাবি। এটা শুধু মানুষের কল্পনাতেই সম্ভব, বাস্তব জীবনে এটার প্রয়োগ অসম্ভব। কেননা 'ব্যক্তি' ও 'তার অর্জিত গুণ' এ দুটিকে পৃথক করার কোনো মাপকাঠি তৈরি কি আদৌ সম্ভব? এটার কল্পনাও কি কেউ করতে পারবে? কেননা ব্যক্তিই তো ঘৃণিত 'গুণটি' নিজের মাঝে ধারণ করে, সেই 'গুণের' কারণে শাস্তি ব্যক্তিকেই পেতে হয়, ব্যক্তির সে 'গুণ'-কে শাস্তি দেওয়া হয় না। এই দাবি ও চিন্তাও কি আদৌ সম্ভব, চুরিকে শাস্তি দেওয়া হোক, চোরকে নয়!
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
কাফেরদের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক রাখার যে বিধান এখানে বলা হয়েছে, এর ওপর একটি আপত্তি এই উত্থাপিত হয়, 'ঘৃণা ও বিদ্বেষ কাফেরের প্রতি নয়, বরং কুফরের প্রতি। কারণ কাফেররাও তো মানুষ। মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা না রাখাই উচিত। ঘৃণা তো হবে তার কর্মের প্রতি।'
এই আপত্তিটি কখনো বিভিন্ন ধর্মীয় ঢঙে উল্লেখ করা হয়, আবার কখনো এমন নিষ্পাপ ভঙ্গিতে উল্লেখ করা হয় যে, সাধারণ মুসলমান ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো না জানা থাকার কারণে এতে বেশ পেরেশান হয় এবং ধোঁকায়ও পতিত হয়ে যায়।
বাস্তবতা হলো, এই আপত্তিটির কয়েকটি দিক হতে পারে-
ক. ওপরের কথা দ্বারা যদি উদ্দেশ্য এটা হয় যে, কোনো মানুষের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষের মূল ভিত্তি কারও ব্যক্তিত্ব বা সত্তা নয়, বরং ব্যক্তির ঘৃণিত ও নিন্দিত চিন্তা ও কর্মই হলো তাকে ঘৃণা করার মূল ভিত্তি, যেগুলো সে স্বেচ্ছায় করেছে। এই হিসাবে উপরিউক্ত কথাটি ভুল নয়। বরং ইসলামের মূলনীতির সাথেও এটা সামঞ্জস্যশীল।
কেননা ইসলাম সকল মানুষকেই 'আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি' হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং তার প্রচার ও প্রসার করে। জাতপাতের কোনো ধারণা ইসলামে নেই। ইসলাম কোনো বংশ বা দলকে সম্মান ও অসম্মানের মাপকাঠি নির্ধারণ করেনি। কুফর ও জুলুমের মতো ঘৃণিত অপরাধ করে কোনো ব্যক্তি নিজের অযোগ্যতার পরিচয় দিলে তার এই পদক্ষেপ নিন্দা ও ঘৃণার যোগ্য হবে, কিন্তু যখনই সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে নিজেকে সংশোধন করে নেবে, তখনই সে পূর্বের ইজ্জত ও সম্মান ফিরে পাবে। কিন্তু কোনো কাফেরের ব্যক্তিত্বকেই যদি ঘৃণার মাপকাঠি বানিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে সে ইসলাম কবুল করার পরও ঘৃণিতই থেকে যেত, কিন্তু বিষয়টা বাস্তবে তেমন নয়।
খ. আর এই বাহ্যত নিষ্পাপ স্লোগানের উদ্দেশ্য যদি এটা হয় যে, আমাদের ঘৃণা শুধু 'কুফর' গুণটির সাথে। কিন্তু এই গুণের ধারক কাফেরের সাথে আমাদের কোনো ঘৃণা নেই, বরং তার এই গুণকে ঘৃণা করে তাকে ভালোবাসাই উচিত, তাহলে এটা ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ভুল ও একটি অবাস্তব দাবি। এটা শুধু মানুষের কল্পনাতেই সম্ভব, বাস্তব জীবনে এটার প্রয়োগ অসম্ভব। কেননা 'ব্যক্তি' ও 'তার অর্জিত গুণ' এ দুটিকে পৃথক করার কোনো মাপকাঠি তৈরি কি আদৌ সম্ভব? এটার কল্পনাও কি কেউ করতে পারবে? কেননা ব্যক্তিই তো ঘৃণিত 'গুণটি' নিজের মাঝে ধারণ করে, সেই 'গুণের' কারণে শাস্তি ব্যক্তিকেই পেতে হয়, ব্যক্তির সে 'গুণ'-কে শাস্তি দেওয়া হয় না। এই দাবি ও চিন্তাও কি আদৌ সম্ভব, চুরিকে শাস্তি দেওয়া হোক, চোরকে নয়!
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
❤33🔥4👍2
কয়েকদিন আগে ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ বিষয় একটি প্রবন্ধ অনুবাদ প্রচার করি। প্রবন্ধটি উস্তাদে মুহতারাম মাওলানা সফিউল্লাহ ফুয়াদ সাহেবের দৃষ্টিগোচর হয়। উস্তাদজি প্রবন্ধটি পাঠ শেষে নিম্নোক্ত বার্তাটি পাঠান।
//আপনার 'ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ' শীর্ষক লেখাটি দু-একদিন আগে সম্ভবত দুপুরের খাবারের সময় একজনকে দিয়ে পড়িয়ে শুনেছি।
এ ধরনের লেখা প্রচার হওয়া দরকার।
এর সর্বনিম্ন ফায়দা হলো, এর দ্বারা হুজ্জত কায়েম হবে। তাছাড়া লেখার দাবির অনুকূলে সাড়া দেওয়ার মতো লোকজনও সর্বযুগেই থাকে।//
.
আল্লাহ উস্তাদজিকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।
.
প্রবন্ধটি যারা পড়েননি পড়ার আহবান রইলো।
.
https://t.me/abdullahbinbashir/1055
//আপনার 'ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ' শীর্ষক লেখাটি দু-একদিন আগে সম্ভবত দুপুরের খাবারের সময় একজনকে দিয়ে পড়িয়ে শুনেছি।
এ ধরনের লেখা প্রচার হওয়া দরকার।
এর সর্বনিম্ন ফায়দা হলো, এর দ্বারা হুজ্জত কায়েম হবে। তাছাড়া লেখার দাবির অনুকূলে সাড়া দেওয়ার মতো লোকজনও সর্বযুগেই থাকে।//
.
আল্লাহ উস্তাদজিকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।
.
প্রবন্ধটি যারা পড়েননি পড়ার আহবান রইলো।
.
https://t.me/abdullahbinbashir/1055
❤55👍4🔥2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
সেকুলার আর লিবারেল শিক্ষা আমাদের জীবনে কী ক্ষতি করেছে।
.
যারা উর্দু বুঝেন অবশ্যই শুনেন।
.
(সম্ভব হলে বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে প্রচার করতে পারে।)
.
যারা উর্দু বুঝেন অবশ্যই শুনেন।
.
(সম্ভব হলে বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে প্রচার করতে পারে।)
❤39❤🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
তিনি যত বড় শাইখুল হাদিসই হোক, তার মর্যাদা দীন থেকে বেশি না। এগুলো স্পষ্ট দীনের তাহরিফ। এই তাহরিফ এই মামুষটির থেকে এবারই প্রথম নয়। আল্লাহ তাকে হেদায়েত দান করুন।
👍33😢19😡7❤2
ইউটিউবের বড় বড় দীনি প্লাটফর্ম থেকে কী উবাইদুল্লাহ ফারুক সাহেবের রদ আসবে? যেমনটা রফিফুল ইসলাম নেত্রকোনার জন্য এসেছিলো?
.
উনাদের রদের অপেক্ষায় আছি। এবং অপেক্ষা করতেই থাকবো।
.
উনাদের রদের অপেক্ষায় আছি। এবং অপেক্ষা করতেই থাকবো।
😢28👍13❤1
উবাইদুল্লাহ ফারুক সাহেব আজ যে তাহরিফগুলো করেছে এগুলো আজকের নতুন না। তার তাহরিফ নিয়ে ইতিপূর্বেও লেখেছিলাম। পড়ে নিতে পারেন।
https://t.me/abdullahbinbashir/523
https://t.me/abdullahbinbashir/523
Telegram
Abdullah bin bashir
"খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা মাওউদ না মামুর" এই শিরোনামে উপরের লেখাটি যারা পিডিএফে পড়তে চান। তারা এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
❤22
সশ/স্ত্র জি/হা/দের বিধান অস্বীকার করা কিংবা রাসূলের যুগে জিহাদ থাকলেও এখন আর জি/হা/দের বিধান নেই মনে করা অথবা কুরআন-হাদীসে বর্ণিত জি/হা/দকে জ/ঙ্গীবা/দ, বর্বর’তা, মা’রামারি, উ’গ্রতা ও সন্ত্রা’স ইত্যাদি বলা ঈমান ভঙ্গের কারণ।
বলাবাহুল্য, জি/হা/দের উদ্দেশ্য কাউকে হত্যা বা ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা নয়; বরং সন্ত্রাস দমন করা এবং দুনিয়াতে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আইন-কানুন মেনে নিতে বাধ্য করা। এ জন্যই তো কোনো কাফের ইসলামী রাষ্ট্রে থাকতে চাইলে সামান্য কর দিয়ে থাকতে পারে। এবং কাফেরদের নারী, বৃদ্ধ ও অক্ষম ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জি/হা/দের বিধান নেই।
বই: ঈমান ও কুফর
লেখক: সাঈদ আহমাদ
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
বলাবাহুল্য, জি/হা/দের উদ্দেশ্য কাউকে হত্যা বা ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা নয়; বরং সন্ত্রাস দমন করা এবং দুনিয়াতে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আইন-কানুন মেনে নিতে বাধ্য করা। এ জন্যই তো কোনো কাফের ইসলামী রাষ্ট্রে থাকতে চাইলে সামান্য কর দিয়ে থাকতে পারে। এবং কাফেরদের নারী, বৃদ্ধ ও অক্ষম ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জি/হা/দের বিধান নেই।
বই: ঈমান ও কুফর
লেখক: সাঈদ আহমাদ
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
❤95🔥4👍1
জাতীয় মসজিদের খতিব হজরত মাওলানা আবদুল মালেক হাফি. লেখেন,
//উস্তাযের প্রতি সম্মান প্রদর্শন তিনি যেমনই হোন বাঞ্ছনীয়। কিন্তু উস্তায হওয়ার কারণে কারো ভুলকে সঠিক বলা এবং তার গোমরাহীকে তাবীল করতে থাকা নিকৃষ্টতম আসাবিয়্যাত। যা অনেক বড় ও অনেক মারাত্মক কবিরা গোনাহ। আল্লাহ তাআলা উম্মতকে, বিশেষভাবে উলামায়ে কেরামকে, আরো বিশেষভাবে দারুল উলূম দেওবন্দের সাথে সম্পৃক্ত উলামায়ে কেরামকে এই ব্যাধি থেকে সবসময় নিরাপদ রাখুন। আমীন!//
সূত্র: আল্লামা আবুল ফাতাহ মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া রহ. স্মারকগ্রন্থ, পৃ. ৭০
//উস্তাযের প্রতি সম্মান প্রদর্শন তিনি যেমনই হোন বাঞ্ছনীয়। কিন্তু উস্তায হওয়ার কারণে কারো ভুলকে সঠিক বলা এবং তার গোমরাহীকে তাবীল করতে থাকা নিকৃষ্টতম আসাবিয়্যাত। যা অনেক বড় ও অনেক মারাত্মক কবিরা গোনাহ। আল্লাহ তাআলা উম্মতকে, বিশেষভাবে উলামায়ে কেরামকে, আরো বিশেষভাবে দারুল উলূম দেওবন্দের সাথে সম্পৃক্ত উলামায়ে কেরামকে এই ব্যাধি থেকে সবসময় নিরাপদ রাখুন। আমীন!//
সূত্র: আল্লামা আবুল ফাতাহ মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া রহ. স্মারকগ্রন্থ, পৃ. ৭০
❤88👍4
ইন্টারফেইথ.pdf
445.2 KB
লেখক মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেব এখানে শুধু ইন্টারফেইথ সম্পর্কে মৌলিক বিষয় নিয়েই আলোচনা করেছে। ইন্টারফেইথ, তার ইতিহাস ও দুনিয়াব্যাপি তার কার্যক্রম ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন, "ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুটি জীবনব্যবস্থার সংঘাত" বইয়ের ইন্টারফেইথ অধ্যায়টি। প্রকাশনা: চেতনা প্রকাশন। এছাড়া ইন্টারফেইথে বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে সিজদাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত "ইন্টারফেইথ" বইটি দেখতে পারেন
❤37🔥6
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আফগানের আমিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমীরের আজকের কথাগুলো ছিলো ঈমানের ঝলক।
//
আপনারা সতর্ক থাকুন! জিহাদকে কখনোই পরিত্যাগ করবেন না।
আপনারা সতর্ক থাকুন! মুজাহিদদের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক কখনোই বিচ্ছিন্ন করবেন না।
এই কাফিরদের ভয় করবেন না।
কারণ এরা কখনোই—
আপনাদের বৈশিষ্ট্য, আপনাদের চেহারা-চরিত্র, এমনকি আপনাদের ঈমান ও আকিদা—
কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবে না।
আপনারা যদি সত্যিই ইসলামকে আঁকড়ে ধরে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দৃঢ় ও অটল থাকার প্রতিজ্ঞা করেন,
তবে আপনাদের এসব পরীক্ষার ওপর ধৈর্য ধরতে হবে।
শহিদ হওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে।
বন্দিত্ব ও নির্যাতন সহ্য করার প্রস্তুতি নিতে হবে।
স্মরণ করুন!
সাহাবায়ে কেরাম শহিদ হতেন,
তাদের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হতো, তবুও তারা পিছু হটেননি।
আর আমরা?
আমরা তো এমন কী কষ্ট ভোগ করেছি?
আমাদের কাছে ইসলাম এসেছে একেবারেই সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে—
কোনো মেহনত ছাড়াই, কোনো আত্মত্যাগ ছাড়াই।
আপনারা চিন্তা করুন!
ইসলামের সূচনালগ্নে কী অবস্থা ছিল!
কে তখন ইসলামকে সাহায্য করেছিল?
কে ইসলামের পতাকা উঁচু করেছিল?
সে সময় ইসলামের ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল—
সবচেয়ে পবিত্র রক্ত দিয়ে,
সবচেয়ে উত্তম আত্মত্যাগ দিয়ে।
আজ আমরা যে অবস্থানে আছি—
তা তাদের সেই আত্মত্যাগেরই ফল।
আর আমরা?
আমাদের কাছে তো ইসলাম এসেছে কোনো রকম কষ্ট ছাড়াই!
তাহলে আমরা ইসলামের জন্য কী করেছি?
কী শ্রম দিয়েছি ইসলামের জন্য?
তবুও, আলহামদুলিল্লাহ!
আমরা দৃঢ় থাকব, ইনশাআল্লাহ।
আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস—
পূর্বের কিংবা পশ্চিমের কোনো শক্তিই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না।
এটাই আমাদের আকিদা।
এটাই আমাদের ঈমান।
আমরা কি আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখি না?
তাহলে কেন আমরা আজ এই কাফিরদের হুমকিতে ভীত হব?
কেন আমরা তাদের কথায় প্রভাবিত হব?
আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
//
অনুবাদ করেছেন মাওলানা মীজানুর রহমান
//
আপনারা সতর্ক থাকুন! জিহাদকে কখনোই পরিত্যাগ করবেন না।
আপনারা সতর্ক থাকুন! মুজাহিদদের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক কখনোই বিচ্ছিন্ন করবেন না।
এই কাফিরদের ভয় করবেন না।
কারণ এরা কখনোই—
আপনাদের বৈশিষ্ট্য, আপনাদের চেহারা-চরিত্র, এমনকি আপনাদের ঈমান ও আকিদা—
কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবে না।
আপনারা যদি সত্যিই ইসলামকে আঁকড়ে ধরে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দৃঢ় ও অটল থাকার প্রতিজ্ঞা করেন,
তবে আপনাদের এসব পরীক্ষার ওপর ধৈর্য ধরতে হবে।
শহিদ হওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে।
বন্দিত্ব ও নির্যাতন সহ্য করার প্রস্তুতি নিতে হবে।
স্মরণ করুন!
সাহাবায়ে কেরাম শহিদ হতেন,
তাদের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হতো, তবুও তারা পিছু হটেননি।
আর আমরা?
আমরা তো এমন কী কষ্ট ভোগ করেছি?
আমাদের কাছে ইসলাম এসেছে একেবারেই সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে—
কোনো মেহনত ছাড়াই, কোনো আত্মত্যাগ ছাড়াই।
আপনারা চিন্তা করুন!
ইসলামের সূচনালগ্নে কী অবস্থা ছিল!
কে তখন ইসলামকে সাহায্য করেছিল?
কে ইসলামের পতাকা উঁচু করেছিল?
সে সময় ইসলামের ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল—
সবচেয়ে পবিত্র রক্ত দিয়ে,
সবচেয়ে উত্তম আত্মত্যাগ দিয়ে।
আজ আমরা যে অবস্থানে আছি—
তা তাদের সেই আত্মত্যাগেরই ফল।
আর আমরা?
আমাদের কাছে তো ইসলাম এসেছে কোনো রকম কষ্ট ছাড়াই!
তাহলে আমরা ইসলামের জন্য কী করেছি?
কী শ্রম দিয়েছি ইসলামের জন্য?
তবুও, আলহামদুলিল্লাহ!
আমরা দৃঢ় থাকব, ইনশাআল্লাহ।
আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস—
পূর্বের কিংবা পশ্চিমের কোনো শক্তিই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না।
এটাই আমাদের আকিদা।
এটাই আমাদের ঈমান।
আমরা কি আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখি না?
তাহলে কেন আমরা আজ এই কাফিরদের হুমকিতে ভীত হব?
কেন আমরা তাদের কথায় প্রভাবিত হব?
আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
//
অনুবাদ করেছেন মাওলানা মীজানুর রহমান
❤110🔥8👍3🕊2😭2💊2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আমীরুল মুমিনিনের কথাগুলো গভিরভাবে অনুধাবন করার চেষ্টা করেন।
.
.
❤78🔥4
শহীম মুফতি নিযামুদ্দিন শামযায়ী রহ. বলেন:
اسلامی نظام کا عملی نمونہ اب صرف امارت اسلامی افغانستان میں ہے، لیکن ( دنیا کے اندر تین نظام ).. دنیا کے کسی اور اسلامی ملک میں اسکا نمونہ نہیں۔ عجیب تعجب کی بات یہ ہے کہ دنیا کے اکثر ممالک میں جو سیاسی نظام چل رہے ہیں یہ دونوں سیاسی نظام بھی یہودیوں کے ہیں، جمہوری نظام ہے یہ بھی یہودیوں کا ہے، یہودی ہی اس کے خالق اور یہودی ہی اس کو دنیا کے سامنے پیش کرنے والے ہیں، اور اس طریقے سے یہ جو کیمونسٹ نظام
تھا اس کو بھی دنیا کے سامنے پیش کرنے والے یہودی تھے۔
(خطبات شامری، دینی مدارس کے خلاف عالمی سازشیں،
۱۷۲/۱-۱۷۳)
"(বিশ্বের তিন রাষ্ট্রব্যবস্থা)..... ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যত নমুনা এখন (তালেবানদের ক্ষমতাকালে) শুধু 'ইমারতে ইসলামি' আফগানিস্তানে রয়েছে। কিন্তু বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম রাষ্ট্রে সেটির নমুনা নেই। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে যে রাষ্ট্রব্যবস্থা চলছে; এ দু'টি রাষ্ট্রব্যবস্থাই ইহুদিদের তৈরি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এটিও ইহুদিদের আবিষ্কার, ইহুদিরাই তার স্রষ্টা এবং ইহুদিরাই সেটিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। তেমনিভাবে এই যে সাম্যবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিলো, সেটিকেও বিশ্বের সামনে ইহুদিরাই পেশ করেছে।" (খুতবাতে শামেযি, ১/১৭২-১৭৩)
©মাহফুজুর রহমান
اسلامی نظام کا عملی نمونہ اب صرف امارت اسلامی افغانستان میں ہے، لیکن ( دنیا کے اندر تین نظام ).. دنیا کے کسی اور اسلامی ملک میں اسکا نمونہ نہیں۔ عجیب تعجب کی بات یہ ہے کہ دنیا کے اکثر ممالک میں جو سیاسی نظام چل رہے ہیں یہ دونوں سیاسی نظام بھی یہودیوں کے ہیں، جمہوری نظام ہے یہ بھی یہودیوں کا ہے، یہودی ہی اس کے خالق اور یہودی ہی اس کو دنیا کے سامنے پیش کرنے والے ہیں، اور اس طریقے سے یہ جو کیمونسٹ نظام
تھا اس کو بھی دنیا کے سامنے پیش کرنے والے یہودی تھے۔
(خطبات شامری، دینی مدارس کے خلاف عالمی سازشیں،
۱۷۲/۱-۱۷۳)
"(বিশ্বের তিন রাষ্ট্রব্যবস্থা)..... ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যত নমুনা এখন (তালেবানদের ক্ষমতাকালে) শুধু 'ইমারতে ইসলামি' আফগানিস্তানে রয়েছে। কিন্তু বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম রাষ্ট্রে সেটির নমুনা নেই। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে যে রাষ্ট্রব্যবস্থা চলছে; এ দু'টি রাষ্ট্রব্যবস্থাই ইহুদিদের তৈরি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এটিও ইহুদিদের আবিষ্কার, ইহুদিরাই তার স্রষ্টা এবং ইহুদিরাই সেটিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। তেমনিভাবে এই যে সাম্যবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিলো, সেটিকেও বিশ্বের সামনে ইহুদিরাই পেশ করেছে।" (খুতবাতে শামেযি, ১/১৭২-১৭৩)
©মাহফুজুর রহমান
❤55👍2
দেশ প্রেমের শরয়ী বিধান.pdf
233.1 KB
বর্তমান পৃথীবীর প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রই নিজ নাগরিকদের দেশপ্রেমের গুরুত্ব বুঝায় ও শিখায়। বিভিন্ন পদ্ধতিতে নাগরিকদের অন্তরে দেশপ্রেমের জযবাকে মজবুত ও দৃঢ় করার চেষ্টা করে থাকে। সে পদ্ধতিগুলোর একটি হলো দেশপ্রেমের দায়িত্বকে ইসলামের আলোকে তুলে ধরা। মুসলিম পরিচয় দেওয়া রাষ্ট্রগুলো নিজেদের মুসলিম নাগরিকদের এটা বুঝানোর চেষ্টা করে যে, ‘দেশপ্রেম হলো ঈমানের একটি অংশ ও ইসলামেরই একটি বিধান। তাই একজন নাগরিক হিসেবেই শুধু নয় বরং দীনি ও শরয়ী দায়িত্ব থেকে প্রতিটি মুসলমানের করনীয় হলো নিজ দেশের সাথে ভালোবাসা ও মহব্বতের সম্পর্ক জুড়ে রাখা।
অথচ বাস্তবতা হলো দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরেও কুরআন ও হাদিসে এই কথার সপক্ষে কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি, যেখানে একজন মুমিনকে নিজ দেশের প্রতি ভালোবাসা ও মহব্বত রাখার আদেশ করা হয়েছে। আর এটা এমন বিষয়ও নয়, যেখানে শরীয়ত মানুষকে শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছে, অথবা মুসলমানকে এ বিষয়ে খোলা ছাড় দিয়েছে যে, সে যার প্রতি এবং যে ভিত্তিতে ইচ্ছা ভালোবাসা ও ঘৃণা প্রকাশ করবে।
অথচ বাস্তবতা হলো দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরেও কুরআন ও হাদিসে এই কথার সপক্ষে কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি, যেখানে একজন মুমিনকে নিজ দেশের প্রতি ভালোবাসা ও মহব্বত রাখার আদেশ করা হয়েছে। আর এটা এমন বিষয়ও নয়, যেখানে শরীয়ত মানুষকে শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছে, অথবা মুসলমানকে এ বিষয়ে খোলা ছাড় দিয়েছে যে, সে যার প্রতি এবং যে ভিত্তিতে ইচ্ছা ভালোবাসা ও ঘৃণা প্রকাশ করবে।
👍29❤8
السيف يعين على الحق
কেউ যখন কারো অধিনে এসে যায়, তখন যার অধিনে আসছে তার আখলাক থেকে প্রভাবিত হয়ে যায়। আদ কেউ যদি অধিনে না আসে, তাহলে তুমি যতই আখলাকি হও, তোমার আখলাকে সে প্রভাবিত হবে না, তার নিজের কাছে থাকা ক্ষমতার দম্ভে।
এটাই হলো মানহাজে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কারো যদি এই বিষয়টি বুঝে না আসে, তাহলে কসম করে বলা যাবে তার সিরাতের অনেক কিছুই বুঝে আসবে না।
.
এই যে একটা কথা ছড়ানো হয় ইসলাম তলোয়ারের জোরে ছড়াইনি আখলাকের জোরে ছড়াইছে, এর মানি কী আখলাক আর তলোয়ার ভিন্ন জিনিষ? এটা ভুল কথা, বরং সহিহ কথা হলো, ইসলাম তলোয়ারওয়ালা আখলাকের মাধ্যমে দুনিয়াতে ছড়িয়েছে।
.
মাওলানা নাঈম সাহেব হাফিজাহুল্লাহ
দরসে জালালাইন, সূরা আলে ইমরান তৃতীয় দরস
কেউ যখন কারো অধিনে এসে যায়, তখন যার অধিনে আসছে তার আখলাক থেকে প্রভাবিত হয়ে যায়। আদ কেউ যদি অধিনে না আসে, তাহলে তুমি যতই আখলাকি হও, তোমার আখলাকে সে প্রভাবিত হবে না, তার নিজের কাছে থাকা ক্ষমতার দম্ভে।
এটাই হলো মানহাজে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কারো যদি এই বিষয়টি বুঝে না আসে, তাহলে কসম করে বলা যাবে তার সিরাতের অনেক কিছুই বুঝে আসবে না।
.
এই যে একটা কথা ছড়ানো হয় ইসলাম তলোয়ারের জোরে ছড়াইনি আখলাকের জোরে ছড়াইছে, এর মানি কী আখলাক আর তলোয়ার ভিন্ন জিনিষ? এটা ভুল কথা, বরং সহিহ কথা হলো, ইসলাম তলোয়ারওয়ালা আখলাকের মাধ্যমে দুনিয়াতে ছড়িয়েছে।
.
মাওলানা নাঈম সাহেব হাফিজাহুল্লাহ
দরসে জালালাইন, সূরা আলে ইমরান তৃতীয় দরস
❤72👍6💯2🫡1