ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পণ্ড হয়ে গেছে জেলা পুলিশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
পুলিশ, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন জানান, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমনে রাতে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল।
এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজনা হওয়ায় মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সাউন্ড কমাতে বলেন। এ নিয়ে পুলিশ ও মাদরাসা ছাত্রদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়।
পরে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ঢুকলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে লাঠিচার্জ করে। এ সময় মাদরাসা ছাত্ররাও ঢিল ছুড়তে শুরু করে। এ ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষার্থী পুলিশসহ ৩০ জন আহত হন।
পুলিশ, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন জানান, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমনে রাতে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল।
এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজনা হওয়ায় মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সাউন্ড কমাতে বলেন। এ নিয়ে পুলিশ ও মাদরাসা ছাত্রদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়।
পরে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ঢুকলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে লাঠিচার্জ করে। এ সময় মাদরাসা ছাত্ররাও ঢিল ছুড়তে শুরু করে। এ ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষার্থী পুলিশসহ ৩০ জন আহত হন।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে প্রকাশ্য দিবালোকে তেল চুরি!
দাবায়ে রাখতে পারবি না 😁
দাবায়ে রাখতে পারবি না 😁
ঢাবির এফএইচ হলের ঘটনায় প্রশাসন চাইলেই দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হতো। কিন্তু তারা ইগো দেখিয়ে ছাত্রদলকে শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। ফলে সমস্যা আরো বড় হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল জাস্ট সিসিটিভি ফুটেজ হল প্রকাশ করা। যদি প্রভোস্ট কর্তৃক ভিক্টিম দাবি করা ছাত্রটি নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে তাহলে তাকে অপসারণ করা।
প্রশাসন তা না করে উল্টো আজ প্রক্টরিয়াল বডি গেছিল সিসিটিভি ফুটেজ মুছে দিতে। তবে হল ভিপি খন্দকার আবু নাঈমের বাধার মুখে সফল হতে না পেরে তারা শিক্ষার্থীদের উপর শিক্ষার্থীদের উপর এভাবে তেড়ে যায়।
হল ভিপি খন্দকার আবু নাঈম বলেনঃ "পুলিশ দিয়ে, ছাত্রদল দিয়ে, যারে দিয়ে মা'রবেন মা'রেন, আমি এখানে দাঁড়ায়ে আছি যদি আমারে মা'ইরা নিয়া যাইতে পারেন তাহলে নেন।
আমার জিএস আহত হয়ে হাসপাতালে আছে, লাগলে আমিও হাসপাতালে যাবো। কিন্তু সিসিটিভির ফুটেজ আমাদেরকে দিয়ে তারপরই যেতে হবে।"
-Sazzad Hossen
শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল জাস্ট সিসিটিভি ফুটেজ হল প্রকাশ করা। যদি প্রভোস্ট কর্তৃক ভিক্টিম দাবি করা ছাত্রটি নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে তাহলে তাকে অপসারণ করা।
প্রশাসন তা না করে উল্টো আজ প্রক্টরিয়াল বডি গেছিল সিসিটিভি ফুটেজ মুছে দিতে। তবে হল ভিপি খন্দকার আবু নাঈমের বাধার মুখে সফল হতে না পেরে তারা শিক্ষার্থীদের উপর শিক্ষার্থীদের উপর এভাবে তেড়ে যায়।
হল ভিপি খন্দকার আবু নাঈম বলেনঃ "পুলিশ দিয়ে, ছাত্রদল দিয়ে, যারে দিয়ে মা'রবেন মা'রেন, আমি এখানে দাঁড়ায়ে আছি যদি আমারে মা'ইরা নিয়া যাইতে পারেন তাহলে নেন।
আমার জিএস আহত হয়ে হাসপাতালে আছে, লাগলে আমিও হাসপাতালে যাবো। কিন্তু সিসিটিভির ফুটেজ আমাদেরকে দিয়ে তারপরই যেতে হবে।"
-Sazzad Hossen
অধ্যাপক ইউনূস সরকার অনেকটা ধ্বংশস্তুপ থেকে সরকার শুরু করেছিল, তখন তো এত হাহাকার ছিল না, যদিও ১৭ বছরের ক্ষুধার্ত হায়েনা বিএনপি প্রতিদিন বিভিন্ন নামে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল।
বর্তমান সংকট মিস্টার টেন পার্সেন্ট তারেক রহমান সরকারের তৈরি করা, ১৭ বছরের লোকসান তুলে নিচ্ছে জনগনের পিঠ থেকে।
বর্তমান সংকট মিস্টার টেন পার্সেন্ট তারেক রহমান সরকারের তৈরি করা, ১৭ বছরের লোকসান তুলে নিচ্ছে জনগনের পিঠ থেকে।
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
পরকীয়া, বিয়ে, তালাক, ও মামলা বানিজ্য; মাওলানা মিসবাহকে নিয়ে যত প্রশ্ন!
স্বামীর মৃ'ত্যুতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে মুন্সীগঞ্জ কারাগারে দীপু মনির স্বজনরা!
আহা খেমতা 😢
আহা খেমতা 😢
ভিপি নূর ও ইসরাইলী এজেন্টের মধ্যকার আলোচিত বৈঠক...
জাতি হিসেবে আমাদের দুটো দুর্বলতা আমার কাছে প্রকটভাবে অনুভূত হয়। প্রথমত, আমাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল এবং আমরা খুব বেশিদিন একটি বিষয় নিয়ে পড়ে থাকি না। আর দ্বিতীয়ত আমরা মুক্তোর মালার মতো পেছনের ঘটনাগুলোকে একসাথে বুনতে পারি না। ফলে চিন্তাগুলো হালকা জায়গায় আঁটকা থাকে আর অনেকেই এর সুযোগ নেন। সম্ভবত এ কারণেই বিতর্কিত ব্যক্তিরা একটু সময় গ্যাপ দিয়ে আবার আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসতে পারেন।
২০২২-২৩ সালের কথা। ভিপি নূর তখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমীরাত সফর করেছিলেন। সেই সফরে তিনি অনেকের সাথে বৈঠক করেছিলেন যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ইসরাইলী নাগরিক ও মোসাদ এজেন্ট মেন্দি এন সাফাদি। তাদের দুজনের একটি ছবিও সে সময় মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। নূর সাথে সাথে এই বৈঠকের কথা অস্বীকার করেন এবং প্রকাশিত ছবিকে কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে দাবি করেন।
কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টে যেতে শুরু করে দ্রুতই। নূরের নিজের দলের লোকেরাই সত্য প্রকাশ করতে শুরু করেন। গণ অধিকার পরিষদের তৎকালীন যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান ২০২৩ সালের ৬ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনে জানান, গণমাধ্যমে বিষয়টি স্বীকার না করলেও দলের একাধিক অভ্যন্তরীণ বৈঠকে নুরুল হক নুর স্বীকার করেছিলেন যে তিনি ইসরায়েলি নাগরিক মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি কী ছিল, তা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের তিনি জানাননি।” ফারুকের এই দাবি তাৎক্ষনিকভাবে প্রত্যাখান করেছিলেন নুর। তিনি এই বয়াণকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রোপাগান্ডা হিসেবে দাবি করেন।
পরবর্তীতে সময় নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও নুর জোরালোভাবে এই মিটিংয়ের কথা অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত ছবিগুলো কারসাজি করে তৈরি করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পরিকল্পিত “রাজনৈতিক অপপ্রচার” হিসেবে ব্যবহার করছে। এরপরও সময় নিউজ ২০২৩ সালের ৮ জুলাই একটি সংবাদ প্রকাশ করে যার শিরোনাম ছিল সাফাদির সঙ্গে বৈঠক: কুকি-চিন ও ইসরায়েলের সমর্থন নিয়ে নুর কী রাজনৈতিক খেলা খেলতে চান? https://en.somoynews.tv/news/2023-07-05/meeting-safadi-what-political-game-nur-wants-to-play-with-israel-s-backing
এই প্রতিবেদনে জানা যায়, মেন্দি এন সাফাদি নিজেই সময় নিউজকে জানিয়েছেন, গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুরের সঙ্গে তার দীর্ঘ সময় বৈঠক হয়েছিল। নুর ওই একান্ত বৈঠকের কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করলেও সাফাদির বক্তব্য অনুযায়ী, এতে নুরের বক্তব্যের অসঙ্গতি এবং তার “ভণ্ড রাজনৈতিক চরিত্র” প্রকাশ পেয়েছে।
সাফাদি সময় নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আরো বলেন, “গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর আমরা দুবাইয়ে সাক্ষাৎ করি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নির্বাচন-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। পরবর্তী নির্বাচনে তার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচারণায় আমার সমর্থন চেয়েছিলেন তিনি।” সাফাদির ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া ওই তিন ঘণ্টার বৈঠকটি একটি স্টারবাকসের শাখায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নুর দাবি করেন যে তরুণদের মধ্যে তার বিপুল সমর্থক রয়েছে এবং দেশে ও বিদেশে তার অর্থদাতাদের বিষয়েও গর্ব করে কথা বলেন। সাফাদি বলেন, তিনি নুরের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হয়েছিলেন কারণ “তার আদর্শ আমার আদর্শের কাছাকাছি।” তিনি আরও বলেন, “আমি তার দৃষ্টিভঙ্গি পছন্দ করেছিলাম, কারণ তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তির বিষয়ে অনেক কথা বলেছিলেন।”
অন্যদিকে ২০২৩ সালের ১৮ জুন গণ অধিকার পরিষদের তৎকালীন প্রধান রেজা কিবরিয়ার বাসভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় কমিটির একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে নেতৃত্ব নুরকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দলীয় নথি অনুযায়ী, নুর ওই বৈঠকে সাফাদির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি কোনো আর্থিক পারিশ্রমিক নেওয়া কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চুক্তিতে সম্পৃক্ত হওয়ার কথা অস্বীকার করেন। ( https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/politics/news/gono-odhikar-parishad-joint-secy-says-nur-admitted-meeting-safadi-3362546
এই অভিযোগে আরো তথ্য যুক্ত করেন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রমাদান। তিনি ২০২৩ সালের ২৩ জুন বলেছেন, গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর কাতার, দুবাই ও ভারতে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে তিনটি গোপন বৈঠক করেছেন। ঢাকায় ফিলিস্তিনি দূতাবাসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত এ দাবি করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, কাতার, দুবাই ও ভারতে নুরের সঙ্গে মোসাদের তিন দফা বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এসব বৈঠকের ভিডিও ফুটেজ পেয়েছে। গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সময় বিষয়টি আমাদের নজরে আসে।” ( https://bangladeshpost.net/posts/nur-had-three-secret-meeting-with-mossad-114803 )
জাতি হিসেবে আমাদের দুটো দুর্বলতা আমার কাছে প্রকটভাবে অনুভূত হয়। প্রথমত, আমাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল এবং আমরা খুব বেশিদিন একটি বিষয় নিয়ে পড়ে থাকি না। আর দ্বিতীয়ত আমরা মুক্তোর মালার মতো পেছনের ঘটনাগুলোকে একসাথে বুনতে পারি না। ফলে চিন্তাগুলো হালকা জায়গায় আঁটকা থাকে আর অনেকেই এর সুযোগ নেন। সম্ভবত এ কারণেই বিতর্কিত ব্যক্তিরা একটু সময় গ্যাপ দিয়ে আবার আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসতে পারেন।
২০২২-২৩ সালের কথা। ভিপি নূর তখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমীরাত সফর করেছিলেন। সেই সফরে তিনি অনেকের সাথে বৈঠক করেছিলেন যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ইসরাইলী নাগরিক ও মোসাদ এজেন্ট মেন্দি এন সাফাদি। তাদের দুজনের একটি ছবিও সে সময় মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। নূর সাথে সাথে এই বৈঠকের কথা অস্বীকার করেন এবং প্রকাশিত ছবিকে কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে দাবি করেন।
কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টে যেতে শুরু করে দ্রুতই। নূরের নিজের দলের লোকেরাই সত্য প্রকাশ করতে শুরু করেন। গণ অধিকার পরিষদের তৎকালীন যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান ২০২৩ সালের ৬ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনে জানান, গণমাধ্যমে বিষয়টি স্বীকার না করলেও দলের একাধিক অভ্যন্তরীণ বৈঠকে নুরুল হক নুর স্বীকার করেছিলেন যে তিনি ইসরায়েলি নাগরিক মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি কী ছিল, তা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের তিনি জানাননি।” ফারুকের এই দাবি তাৎক্ষনিকভাবে প্রত্যাখান করেছিলেন নুর। তিনি এই বয়াণকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রোপাগান্ডা হিসেবে দাবি করেন।
পরবর্তীতে সময় নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও নুর জোরালোভাবে এই মিটিংয়ের কথা অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত ছবিগুলো কারসাজি করে তৈরি করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পরিকল্পিত “রাজনৈতিক অপপ্রচার” হিসেবে ব্যবহার করছে। এরপরও সময় নিউজ ২০২৩ সালের ৮ জুলাই একটি সংবাদ প্রকাশ করে যার শিরোনাম ছিল সাফাদির সঙ্গে বৈঠক: কুকি-চিন ও ইসরায়েলের সমর্থন নিয়ে নুর কী রাজনৈতিক খেলা খেলতে চান? https://en.somoynews.tv/news/2023-07-05/meeting-safadi-what-political-game-nur-wants-to-play-with-israel-s-backing
এই প্রতিবেদনে জানা যায়, মেন্দি এন সাফাদি নিজেই সময় নিউজকে জানিয়েছেন, গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুরের সঙ্গে তার দীর্ঘ সময় বৈঠক হয়েছিল। নুর ওই একান্ত বৈঠকের কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করলেও সাফাদির বক্তব্য অনুযায়ী, এতে নুরের বক্তব্যের অসঙ্গতি এবং তার “ভণ্ড রাজনৈতিক চরিত্র” প্রকাশ পেয়েছে।
সাফাদি সময় নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আরো বলেন, “গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর আমরা দুবাইয়ে সাক্ষাৎ করি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নির্বাচন-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। পরবর্তী নির্বাচনে তার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচারণায় আমার সমর্থন চেয়েছিলেন তিনি।” সাফাদির ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া ওই তিন ঘণ্টার বৈঠকটি একটি স্টারবাকসের শাখায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নুর দাবি করেন যে তরুণদের মধ্যে তার বিপুল সমর্থক রয়েছে এবং দেশে ও বিদেশে তার অর্থদাতাদের বিষয়েও গর্ব করে কথা বলেন। সাফাদি বলেন, তিনি নুরের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হয়েছিলেন কারণ “তার আদর্শ আমার আদর্শের কাছাকাছি।” তিনি আরও বলেন, “আমি তার দৃষ্টিভঙ্গি পছন্দ করেছিলাম, কারণ তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তির বিষয়ে অনেক কথা বলেছিলেন।”
অন্যদিকে ২০২৩ সালের ১৮ জুন গণ অধিকার পরিষদের তৎকালীন প্রধান রেজা কিবরিয়ার বাসভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় কমিটির একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে নেতৃত্ব নুরকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দলীয় নথি অনুযায়ী, নুর ওই বৈঠকে সাফাদির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি কোনো আর্থিক পারিশ্রমিক নেওয়া কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চুক্তিতে সম্পৃক্ত হওয়ার কথা অস্বীকার করেন। ( https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/politics/news/gono-odhikar-parishad-joint-secy-says-nur-admitted-meeting-safadi-3362546
এই অভিযোগে আরো তথ্য যুক্ত করেন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রমাদান। তিনি ২০২৩ সালের ২৩ জুন বলেছেন, গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর কাতার, দুবাই ও ভারতে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে তিনটি গোপন বৈঠক করেছেন। ঢাকায় ফিলিস্তিনি দূতাবাসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত এ দাবি করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, কাতার, দুবাই ও ভারতে নুরের সঙ্গে মোসাদের তিন দফা বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এসব বৈঠকের ভিডিও ফুটেজ পেয়েছে। গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সময় বিষয়টি আমাদের নজরে আসে।” ( https://bangladeshpost.net/posts/nur-had-three-secret-meeting-with-mossad-114803 )
২০২৩ সালের ২৬ জুন দৈনিক প্রথম আলো এই বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের ২৬ জুন মেন্দি এন সাফাদি সরাসরি প্রথম আলোর এক প্রতিবেদককে খুদে বার্তা পাঠিয়ে নুরের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেন। এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পরও নুর তার প্রকাশ্য অস্বীকারের অবস্থানে অটল থাকেন।
যাই হোক, গোমর ফাঁস করে দেয়া ফারুক হাসানের সেই সংবাদ সম্মেলনের পরপরই নুরের ঘনিষ্ঠ অনুসারীরা, বিশেষ করে তারেক এবং রাশেদ খান নুরের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। তারা ফারুক হাসানকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দেন এবং ফারুক ও কিবরিয়া নেতৃত্বাধীন অংশকে “সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট” হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যারা দলকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়।
কিন্তু একটি পর্যায়ে সাফাদির টেক্সট মেসেজ, প্রমাণিত ছবি এবং দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য প্রকাশ্যে চলে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নুরের পক্ষে এই বৈঠকের কথা অস্বীকার করার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। এরপর নুর তার প্রকাশ্য বক্তব্যে “সম্পূর্ণ বানোয়াট” বলার অবস্থান থেকে সরে এসে ঘটনাটিকে একটি সংক্ষিপ্ত ও সম্পূর্ণ আকস্মিক সাক্ষাৎ হিসেবে উপস্থাপন করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি সাধারণ কফিশপে অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে ঘটনাটি ঘটে এবং এটি কোনো পরিকল্পিত বৈঠক ছিল না। https://www.jagonews24.com/national/news/1040680?utm_source=chatgpt.com
আজকের সময়ের নুরের অবস্থানকে তাই অতীত থেকে বিচ্ছিন্ন করে পর্যালোচনা করার সুযোগ নেই।
যাই হোক, গোমর ফাঁস করে দেয়া ফারুক হাসানের সেই সংবাদ সম্মেলনের পরপরই নুরের ঘনিষ্ঠ অনুসারীরা, বিশেষ করে তারেক এবং রাশেদ খান নুরের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। তারা ফারুক হাসানকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দেন এবং ফারুক ও কিবরিয়া নেতৃত্বাধীন অংশকে “সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট” হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যারা দলকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়।
কিন্তু একটি পর্যায়ে সাফাদির টেক্সট মেসেজ, প্রমাণিত ছবি এবং দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য প্রকাশ্যে চলে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নুরের পক্ষে এই বৈঠকের কথা অস্বীকার করার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। এরপর নুর তার প্রকাশ্য বক্তব্যে “সম্পূর্ণ বানোয়াট” বলার অবস্থান থেকে সরে এসে ঘটনাটিকে একটি সংক্ষিপ্ত ও সম্পূর্ণ আকস্মিক সাক্ষাৎ হিসেবে উপস্থাপন করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি সাধারণ কফিশপে অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে ঘটনাটি ঘটে এবং এটি কোনো পরিকল্পিত বৈঠক ছিল না। https://www.jagonews24.com/national/news/1040680?utm_source=chatgpt.com
আজকের সময়ের নুরের অবস্থানকে তাই অতীত থেকে বিচ্ছিন্ন করে পর্যালোচনা করার সুযোগ নেই।
Jagonews24
মেন্দি সাফাদির সঙ্গে দেখা করার কথা স্বীকার করলেন নুর
ইসরায়েলি নাগরিক মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর...
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যারা ক্লিকবেইট ফটোকার্ড দেখে অযথা চিল্লাপাল্লা করে ডা. তাহের তাদের জন্য নয়। ভিডিও দেখার পরেও যদি কেউ মিডিয়াকে গালি না দিয়ে ডা. তাহেরকেই গালি দেয়, সে নিতান্তই ষন্ডা।