BD Breaking News
আমাদের মানসুরা খালা 😁 সময়ের সাথে সাথে ওনার লিঙ্গ পরিবর্তন হয় 🙊
আমার কোনভাবেই বুঝে আসলোনা যে একটা কো-এড প্রতিষ্ঠানের ক্যাফেটেরিয়ায় কেন ফিমেইল জোন থাকবে।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন: ঢাকায় চালু হচ্ছে নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’
আজকে এইটা নিয়ে না বললে কালকে দেখবো ক্লাসরুমের মাঝখানে ফিমেইল জোন, স্বপন মামার দোকানেও ফিমেইল জোন তুলছে। জামাতি বুদ্ধি যতটুকু দেখাইলে মানুষকে বীতশ্রদ্ধ করে তোলা যায়, এরা ততটুকুই করছে।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন: ঢাকায় চালু হচ্ছে নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’
আগামীকাল ১৮ আগস্ট থেকে নারীদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও মর্যাদাপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে বিশেষায়িত বাস; চালক-সহকারীও থাকবেন নারী।
ঢাকা শহরে নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে নির্বাচনী ইশতেহারের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ডাকসুর উদ্যোগে যাদের চাকরি হয়েছে সবাই শিবিরের : বিন ইয়ামিন মোল্লা (জামায়াত নেতার জামাতা 😁)
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রবাসীর স্ত্রীর বাসায় ঢুকে দরজা ভেঙে মা'র'ধ'র, ভিডিওতে ধরা কৃষক দল নেতা!
এদিকে শিশু প্রধানমন্ত্রী দেখলাম জুলুমের ওয়াজ করতেছে!
এদিকে শিশু প্রধানমন্ত্রী দেখলাম জুলুমের ওয়াজ করতেছে!
সন্ধ্যা ৬টা বাজতেছে, সকাল থেকে পেটে কিছু পড়ে নাই। সকাল সকাল গেছিলাম পাসপোর্টের কাগজপত্র জমা দিতে। আল্লাহর ঘর আর প্রিয় নবীর কবরের সামনে গিয়ে উজাড় করে কান্না করার ইচ্ছা অনেক।
অনলাইনেই সব ঠিক করে, কাগজ ১০০/১০০ করে নিয়ে যাওয়ার পরও তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর কাগজ জমা দেওয়ার সুযোগ হয়েছে। কাগজ কোনোমতে ঘেঁটে ৫০২ নম্বর মহাপরিচালকের রুমে পাঠালো, উপরে লেখা খাগড়াছড়ি। বুঝলাম, খাগড়াছড়ির ঠিকানার কেউ এখানে পাসপোর্ট করতে পারবে কিনা, এটা তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি লাগবে।
যাবার পর যখন আমি আমার খাগড়াছড়ির বাসিন্দা হওয়ার সমস্ত কাগজপত্র দেখালাম, বাড়ির কাগজের দলিলসহ দেখালাম, তখন খাগড়াছড়ি ওকে হলো। কিন্তু মহাপরিচালকের ব্যবহার আল্লাহ দিলে কি আর বলবো! এবার নতুন ক্ষুধ ধরা শুরু করলো। আবার পুরো ফাইল ঘেঁটে আমাকে বলতেছে, আপনি কী করেন? যে কাজ করেন সেই কাজের ডকুমেন্ট কই?
আমি তারে দেখাইলাম, আমি একজন লেখক, আমার বইয়ের সরকারি লাইসেন্স আছে। মহাপরিচালক বলতেছে, এটা যে বইয়ের সরকারি লাইসেন্স আমি কিভাবে বুঝব? মানে চিন্তা করেন, কত বড় গর্দভ! সে সরকারি এত বড় একটা কর্মকর্তা, কিন্তু সরকারি লাইসেন্স চিনে না। আমি বললাম, এখানে স্ক্যানার আছে, স্ক্যান করেন, পেয়ে যাবেন। স্ক্যান করার পরে সরকারি অধিদপ্তরে লাইসেন্সকৃত আমার ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ বইটা আসলো।
এরপরে বলে, এটা তো বুঝলাম, কিন্তু আপনি যে চাকরি করেন, চাকরির ক্লিয়ারেন্স কই? আমি বললাম, আমি লেখক, চাকরি করি না। আমার থেকে বই কিনে নেয় সবাই। রকমারি বই কিনেছে, সেই রিসিটগুলো দেখালাম। গর্দভ আমারে বলে, রকমারি থেকে প্রত্যয়নপত্র দিতাম। কিন্তু তারে, আমি অলরেডি রকমারি যে আমার থেকে বই নিয়েছে সেই রিসিট দিয়েছি।
হাতে-পায়ে ধরে বুঝিয়ে বলার পর যখন দেখল এটাও ওকে, এরপর ফাইল আবার শুরু থেকে ঘাঁটা শুরু করলো। বলতেছে, মা-বাবার আইডি কার্ড কই? আমি ফাইলে থাকা আইডি কার্ডগুলো দেখাইলাম। এখন বলতেছে, অরিজিনালগুলো কোথায়?
ভাই কন, মা-বাবার অরিজিনিয়াল আইডি কার্ড নিয়ে আমি ঘুরব? মানে এটাও একটা কথা? এটা বলার পর বলতেছে, না, নিয়ে আসতে হবে। আমি বললাম, আমার মা-বাবা খাগড়াছড়ি থাকে। আবার বুঝিয়ে বলার পর আইডি কার্ড ঠিক আছে দেখে এটাও ওকে হলো। এরপর ফাইল আবার ঘাঁটা শুরু করলো। এবার বলতেছে, কাবিননামা আসল কপি কেন আনি নাই, ফটোকপি কেন এনেছি? মানে আমার আসল কাবিননামা আমি জমা দিয়ে দিব পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে?
আমি বললাম, এটাতো অরিজিনিয়ালটার ফটোকপি। কথাই শুনলো না। বলতেছে, না, অরিজিনালটা লাগবে। বাইর হন। মহাপরিচালক রুম থেকে বের করে দিলো। জমা দেওয়ার রুমে আবার এসে তিন ঘণ্টা সিরিয়ালে দাঁড়ালাম। দ্বিতীয়বার ৩ ঘন্টা দাঁড়ানোর পরে সিরিয়াল আসলে তারে বললাম, আপনি খাগড়াছড়ি লিখে দিয়েছেন, এটাতে সমস্যা নাই, মহাপরিচালক কাগজপত্র দেখেছে।
সে বলতেছে, তাহলে এখানে উনি লিখে দেওয়ার কথা, লিখে দেয় নাই কেন? বললাম, কাবিননামাটা ফটোকপি, তাই উনি আমাকে বের করে দিল।
আশেপাশে সবার থেকে জিজ্ঞেস করছিলাম, উনারা কাবিননামা কিভাবে দিচ্ছে? সবাই ফটোকপিই দিচ্ছে। অনেকে বিবাহিত হয়েও ঝামেলা এড়াতে সিঙ্গেল অপশন চুস করেছে। আমি আল্লাহর বান্দা সৎ থাকতে গিয়ে ধরাটা পড়লাম। কিন্তু সবার কোনো না কোনো ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ধরে বারবার এরকম ঘুরাচ্ছে।
জমা নেওয়ার দায়িত্ব যিনি আছেন, তিনি জমা নিলেন না। সময়ও শেষ হয়ে গেল দিনের কার্যক্রমের। এতক্ষণ দাঁড়ানোর ফলে পা ব্যথা করতেছে। খিদায় পেটের মধ্যে আওয়াজ শুরু করেছে। মন থেকে এতটা বদদোয়া আসতেছিল, আর কী বলবো!
যাক, এতটুকু বলতে চাই, জুলাই হয়েছিল এই অবকাঠামোগত পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। আপনারা যে বলেন, গণতন্ত্র ফিরানোর জন্য জুলাই হয়েছে, এটার জন্য হয়েছে ওটার জন্য হয়েছে, এগুলো সব ফাও কথা ভাই। মানুষ রাষ্ট্রের প্রতিটা যন্ত্রের মাধ্যমে হয়রানির শিকার ছিল। এগুলোর বিরুদ্ধে মানুষের আক্রোশ থেকেই মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল।
স্বাভাবিকভাবেই আমি যখন এখানে এরকম হয়রানির শিকার হইলাম, তখন সরকারের প্রতি আমার খারাপ ধারণা তৈরি হচ্ছে। তারেক রহমানের সরকারকে খুব করে আহ্বান করব, দয়া করে যান্ত্রিক হয়রানি বন্ধের জন্য খুব বেশি উদ্যোগ নেন। লাইসেন্স করতে, পাসপোর্ট করতে, এনআইডি কার্ড করতে, সরকারি হাসপাতালে, সরকারি অধিদপ্তরগুলোতে, প্রতিটা সেক্টরে, সেক্টরে, প্রতিটা যন্ত্রে মানুষ খুব হয়রানির শিকার, খুব বিরক্ত। শুধু চাইছি আল্লাহর ঘরে যাইতে। কিন্তু একটা মানুষ এত হয়রানির শিকার হইলে কিভাবে কী?
আমার আশেপাশের অনেকজনের সাথে কথা বললাম, তারা তিন-চার দিন ধরে এভাবে ঘুরতেছে। যাক, আল্লাহ ভরসা। আবার অরিজিনিয়াল কাবিননামা দিয়ে চেষ্টা করে দেখি। নসিবে থাকলে আল্লাহর ঘরের সামনে হাজিরা দিব।
আকিফ আব্দুল্লাহ, ভুক্তভোগী
অনলাইনেই সব ঠিক করে, কাগজ ১০০/১০০ করে নিয়ে যাওয়ার পরও তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর কাগজ জমা দেওয়ার সুযোগ হয়েছে। কাগজ কোনোমতে ঘেঁটে ৫০২ নম্বর মহাপরিচালকের রুমে পাঠালো, উপরে লেখা খাগড়াছড়ি। বুঝলাম, খাগড়াছড়ির ঠিকানার কেউ এখানে পাসপোর্ট করতে পারবে কিনা, এটা তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি লাগবে।
যাবার পর যখন আমি আমার খাগড়াছড়ির বাসিন্দা হওয়ার সমস্ত কাগজপত্র দেখালাম, বাড়ির কাগজের দলিলসহ দেখালাম, তখন খাগড়াছড়ি ওকে হলো। কিন্তু মহাপরিচালকের ব্যবহার আল্লাহ দিলে কি আর বলবো! এবার নতুন ক্ষুধ ধরা শুরু করলো। আবার পুরো ফাইল ঘেঁটে আমাকে বলতেছে, আপনি কী করেন? যে কাজ করেন সেই কাজের ডকুমেন্ট কই?
আমি তারে দেখাইলাম, আমি একজন লেখক, আমার বইয়ের সরকারি লাইসেন্স আছে। মহাপরিচালক বলতেছে, এটা যে বইয়ের সরকারি লাইসেন্স আমি কিভাবে বুঝব? মানে চিন্তা করেন, কত বড় গর্দভ! সে সরকারি এত বড় একটা কর্মকর্তা, কিন্তু সরকারি লাইসেন্স চিনে না। আমি বললাম, এখানে স্ক্যানার আছে, স্ক্যান করেন, পেয়ে যাবেন। স্ক্যান করার পরে সরকারি অধিদপ্তরে লাইসেন্সকৃত আমার ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ বইটা আসলো।
এরপরে বলে, এটা তো বুঝলাম, কিন্তু আপনি যে চাকরি করেন, চাকরির ক্লিয়ারেন্স কই? আমি বললাম, আমি লেখক, চাকরি করি না। আমার থেকে বই কিনে নেয় সবাই। রকমারি বই কিনেছে, সেই রিসিটগুলো দেখালাম। গর্দভ আমারে বলে, রকমারি থেকে প্রত্যয়নপত্র দিতাম। কিন্তু তারে, আমি অলরেডি রকমারি যে আমার থেকে বই নিয়েছে সেই রিসিট দিয়েছি।
হাতে-পায়ে ধরে বুঝিয়ে বলার পর যখন দেখল এটাও ওকে, এরপর ফাইল আবার শুরু থেকে ঘাঁটা শুরু করলো। বলতেছে, মা-বাবার আইডি কার্ড কই? আমি ফাইলে থাকা আইডি কার্ডগুলো দেখাইলাম। এখন বলতেছে, অরিজিনালগুলো কোথায়?
ভাই কন, মা-বাবার অরিজিনিয়াল আইডি কার্ড নিয়ে আমি ঘুরব? মানে এটাও একটা কথা? এটা বলার পর বলতেছে, না, নিয়ে আসতে হবে। আমি বললাম, আমার মা-বাবা খাগড়াছড়ি থাকে। আবার বুঝিয়ে বলার পর আইডি কার্ড ঠিক আছে দেখে এটাও ওকে হলো। এরপর ফাইল আবার ঘাঁটা শুরু করলো। এবার বলতেছে, কাবিননামা আসল কপি কেন আনি নাই, ফটোকপি কেন এনেছি? মানে আমার আসল কাবিননামা আমি জমা দিয়ে দিব পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে?
আমি বললাম, এটাতো অরিজিনিয়ালটার ফটোকপি। কথাই শুনলো না। বলতেছে, না, অরিজিনালটা লাগবে। বাইর হন। মহাপরিচালক রুম থেকে বের করে দিলো। জমা দেওয়ার রুমে আবার এসে তিন ঘণ্টা সিরিয়ালে দাঁড়ালাম। দ্বিতীয়বার ৩ ঘন্টা দাঁড়ানোর পরে সিরিয়াল আসলে তারে বললাম, আপনি খাগড়াছড়ি লিখে দিয়েছেন, এটাতে সমস্যা নাই, মহাপরিচালক কাগজপত্র দেখেছে।
সে বলতেছে, তাহলে এখানে উনি লিখে দেওয়ার কথা, লিখে দেয় নাই কেন? বললাম, কাবিননামাটা ফটোকপি, তাই উনি আমাকে বের করে দিল।
আশেপাশে সবার থেকে জিজ্ঞেস করছিলাম, উনারা কাবিননামা কিভাবে দিচ্ছে? সবাই ফটোকপিই দিচ্ছে। অনেকে বিবাহিত হয়েও ঝামেলা এড়াতে সিঙ্গেল অপশন চুস করেছে। আমি আল্লাহর বান্দা সৎ থাকতে গিয়ে ধরাটা পড়লাম। কিন্তু সবার কোনো না কোনো ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ধরে বারবার এরকম ঘুরাচ্ছে।
জমা নেওয়ার দায়িত্ব যিনি আছেন, তিনি জমা নিলেন না। সময়ও শেষ হয়ে গেল দিনের কার্যক্রমের। এতক্ষণ দাঁড়ানোর ফলে পা ব্যথা করতেছে। খিদায় পেটের মধ্যে আওয়াজ শুরু করেছে। মন থেকে এতটা বদদোয়া আসতেছিল, আর কী বলবো!
যাক, এতটুকু বলতে চাই, জুলাই হয়েছিল এই অবকাঠামোগত পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। আপনারা যে বলেন, গণতন্ত্র ফিরানোর জন্য জুলাই হয়েছে, এটার জন্য হয়েছে ওটার জন্য হয়েছে, এগুলো সব ফাও কথা ভাই। মানুষ রাষ্ট্রের প্রতিটা যন্ত্রের মাধ্যমে হয়রানির শিকার ছিল। এগুলোর বিরুদ্ধে মানুষের আক্রোশ থেকেই মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল।
স্বাভাবিকভাবেই আমি যখন এখানে এরকম হয়রানির শিকার হইলাম, তখন সরকারের প্রতি আমার খারাপ ধারণা তৈরি হচ্ছে। তারেক রহমানের সরকারকে খুব করে আহ্বান করব, দয়া করে যান্ত্রিক হয়রানি বন্ধের জন্য খুব বেশি উদ্যোগ নেন। লাইসেন্স করতে, পাসপোর্ট করতে, এনআইডি কার্ড করতে, সরকারি হাসপাতালে, সরকারি অধিদপ্তরগুলোতে, প্রতিটা সেক্টরে, সেক্টরে, প্রতিটা যন্ত্রে মানুষ খুব হয়রানির শিকার, খুব বিরক্ত। শুধু চাইছি আল্লাহর ঘরে যাইতে। কিন্তু একটা মানুষ এত হয়রানির শিকার হইলে কিভাবে কী?
আমার আশেপাশের অনেকজনের সাথে কথা বললাম, তারা তিন-চার দিন ধরে এভাবে ঘুরতেছে। যাক, আল্লাহ ভরসা। আবার অরিজিনিয়াল কাবিননামা দিয়ে চেষ্টা করে দেখি। নসিবে থাকলে আল্লাহর ঘরের সামনে হাজিরা দিব।
আকিফ আব্দুল্লাহ, ভুক্তভোগী
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রসঙ্গ: শিবির
নূরুল হক নূরের একাল-সেকাল
নূরুল হক নূরের একাল-সেকাল
BD Breaking News
নিজের উপর পড়লে আগেই এআই 😁
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আম তারেকের কথা গুলা ভাল্লাগছে 😁