রমাদানে আত্মশুদ্ধি
🎙️মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী (হাফি.)
পুরো ভিডিও
https://youtu.be/ZfeIkbaSK4o?si=_NSc_xVTjJvjkJkG
#TarikhLab_seminar_1
🎙️মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী (হাফি.)
পুরো ভিডিও
https://youtu.be/ZfeIkbaSK4o?si=_NSc_xVTjJvjkJkG
#TarikhLab_seminar_1
❤4
মক্কা বিজয়: ইতিহাস ও তাৎপর্য
🎙️ইমরান রাইহান
পুরো ভিডিও
https://youtu.be/mJIGUDGOS4g?si=Lm7RL3n-Bfg35Mj9
🎙️ইমরান রাইহান
পুরো ভিডিও
https://youtu.be/mJIGUDGOS4g?si=Lm7RL3n-Bfg35Mj9
❤5
রমাদান ও আহলে বাইত
🎙️ফারিজুল বারী তালুকদার
Full video https://youtu.be/OK3vfWB5Or0?si=HkbN5H_rRudWvNFO
🎙️ফারিজুল বারী তালুকদার
Full video https://youtu.be/OK3vfWB5Or0?si=HkbN5H_rRudWvNFO
❤2
কনস্টান্টিনোপল জয়ের ৫৭৩ বছর: ইতিহাসে ফিরে দেখা
১৪৫৩ সালের ২৯ মে, বিশ্ব ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেওয়া এক দিন। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অজেয় বলে বিবেচিত কনস্টান্টিনোপল অবশেষে বিজিত হয় সুলতান মুহাম্মাদ আল ফাতিহের হাতে। পূর্ণতা পায় নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সেই ঐতিহাসিক সুসংবাদ৷
কীভাবে মাত্র ২১ বছর বয়সী এক যুবক অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন? কী ছিল তার প্রেরণা?
কেন তিনি জাহাজ পাহাড়ের ওপর দিয়ে টেনে স্থলপথ পার হন? কী ছিল তার কৌশল?
কী ছিল বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতনের পেছনের কারণ?
এবং এই বিজয় কীভাবে মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগে উত্তরণের সূচনা করেছিল?
কনস্টান্টিনোপল জয়ের ছাড়াও মুহাম্মদ আল ফাতিহর উল্লেখযোগ্য অবদান কী কী?
এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন লেখক ও অনুবাদক ইমরান রাইহান।
📅 তারিখ: ২৯ মে ২০২৬
🕙 সময়: রাত ১০:০০টা (বাংলাদেশ সময়)
📍 মাধ্যম: গুগল মিট
আমাদের ঈদ আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে ইতিহাসে চুমুক দিতে যারা আগ্রহী তাদের আমন্ত্রণ রইলো।
সবাইকে আমন্ত্রণ।
১৪৫৩ সালের ২৯ মে, বিশ্ব ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেওয়া এক দিন। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অজেয় বলে বিবেচিত কনস্টান্টিনোপল অবশেষে বিজিত হয় সুলতান মুহাম্মাদ আল ফাতিহের হাতে। পূর্ণতা পায় নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সেই ঐতিহাসিক সুসংবাদ৷
কীভাবে মাত্র ২১ বছর বয়সী এক যুবক অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন? কী ছিল তার প্রেরণা?
কেন তিনি জাহাজ পাহাড়ের ওপর দিয়ে টেনে স্থলপথ পার হন? কী ছিল তার কৌশল?
কী ছিল বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতনের পেছনের কারণ?
এবং এই বিজয় কীভাবে মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগে উত্তরণের সূচনা করেছিল?
কনস্টান্টিনোপল জয়ের ছাড়াও মুহাম্মদ আল ফাতিহর উল্লেখযোগ্য অবদান কী কী?
এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন লেখক ও অনুবাদক ইমরান রাইহান।
📅 তারিখ: ২৯ মে ২০২৬
🕙 সময়: রাত ১০:০০টা (বাংলাদেশ সময়)
📍 মাধ্যম: গুগল মিট
আমাদের ঈদ আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে ইতিহাসে চুমুক দিতে যারা আগ্রহী তাদের আমন্ত্রণ রইলো।
সবাইকে আমন্ত্রণ।
❤19
তারিখল্যাবের গতকালের আয়োজন আপনাদের কেমন লেগেছে? মতামত জানাতে পারেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরো আয়োজনে আপনারা আগ্রহী কিনা তাও জানাতে পারেন।
❤16🔥1
মুসলমানদের জ্ঞানচর্চায় গ্রন্থাগারের ছিল এক বিশেষ ভূমিকা। মুসলিম শাসনামলে প্রতিটি অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল ছোট-বড় অসংখ্য গ্রন্থাগার। বহু আলেম তাঁদের লেখালেখির কাজে সাহায্য নিয়েছেন এসব গ্রন্থাগার থেকে। সুলতানি ও মুঘল আমলে ভারতবর্ষে প্রতিষ্ঠিত গ্রন্থাগারসমূহের ভূমিকাও ব্যতিক্রম ছিল না। কিন্তু বর্তমানে গ্রন্থাগারের প্রাসঙ্গিকতা কী? এআইয়ের যুগে কাগুজে বই কতটা দরকার—এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের সামনে খুব একটা স্পষ্ট নয়।
এই বিষয়টি স্পষ্ট করতেই তারিখল্যাব আয়োজন করছে একটি অনলাইন সেশন। এতে যুক্ত হবেন পাকিস্তানের বরেণ্য আলেম মুফতি সাইদ খান। তিনি সাইয়েদ আবুল হাসান আলি নদভীর বিশিষ্ট খলিফা এবং ইসলামাবাদের বিখ্যাত আন-নদওয়া লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি আলোচনা করবেন গ্রন্থাগারের গুরুত্ব ও ইতিহাস, এবং আধুনিক সময়ে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।
মুহতারাম আলোচক দীর্ঘদিন ধরে পাণ্ডুলিপি নিয়ে কাজ করছেন। দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপির সন্ধানে চষে বেড়িয়েছেন এশিয়া ও ইউরোপের প্রাচীন গ্রন্থাগারগুলো। সেসব অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিও শেয়ার করবেন আমাদের সঙ্গে। সঙ্গে থাকবে তাঁর প্রতিষ্ঠিত আন-নদওয়া এডুকেশনাল ট্রাস্টের পরিচিতি, বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মনোজ্ঞ আলোচনা।
📅 তারিখ: ৩০ মে ২০২৬
🕙 সময়: রাত ৯:১৫ (বাংলাদেশ সময়)
📍 মাধ্যম: জুম অ্যাপ
আমাদের ঈদ আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে ইতিহাসে চুমুক দিতে যারা আগ্রহী, তাঁদের আমন্ত্রণ রইল।
সবাইকে আমন্ত্রণ।
এই বিষয়টি স্পষ্ট করতেই তারিখল্যাব আয়োজন করছে একটি অনলাইন সেশন। এতে যুক্ত হবেন পাকিস্তানের বরেণ্য আলেম মুফতি সাইদ খান। তিনি সাইয়েদ আবুল হাসান আলি নদভীর বিশিষ্ট খলিফা এবং ইসলামাবাদের বিখ্যাত আন-নদওয়া লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি আলোচনা করবেন গ্রন্থাগারের গুরুত্ব ও ইতিহাস, এবং আধুনিক সময়ে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।
মুহতারাম আলোচক দীর্ঘদিন ধরে পাণ্ডুলিপি নিয়ে কাজ করছেন। দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপির সন্ধানে চষে বেড়িয়েছেন এশিয়া ও ইউরোপের প্রাচীন গ্রন্থাগারগুলো। সেসব অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিও শেয়ার করবেন আমাদের সঙ্গে। সঙ্গে থাকবে তাঁর প্রতিষ্ঠিত আন-নদওয়া এডুকেশনাল ট্রাস্টের পরিচিতি, বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মনোজ্ঞ আলোচনা।
📅 তারিখ: ৩০ মে ২০২৬
🕙 সময়: রাত ৯:১৫ (বাংলাদেশ সময়)
📍 মাধ্যম: জুম অ্যাপ
আমাদের ঈদ আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে ইতিহাসে চুমুক দিতে যারা আগ্রহী, তাঁদের আমন্ত্রণ রইল।
সবাইকে আমন্ত্রণ।
❤16🥰2
দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার ১৬০ বছর পূর্ন হলো আজ। দেওবন্দ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এক বিশেষ মুহুর্তে যখন মুসলমানরা তাদের সবকিছু হারিয়েছিলেন উপনিবেশের আগ্রাসনে।
১৮৫৭ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক পতনের মধ্য দিয়ে দিল্লিরও পতন ঘটে এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা ইসলামি সভ্যতার এই কেন্দ্র তার জৌলুস হারায়। দিল্লির রাস্তায় মুসলিম আলেম ও সেনাদের ফাঁসি দেওয়া হলো। জামে মসজিদ পরিনত হলো ব্রিটিশ সেনাদের ঘাঁটিতে । মুসলমানদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হলো। মাদরাসা ও মসজিদগুলো সরকারি নিয়ন্ত্রণে চলে গেল বা বন্ধ হয়ে গেল। বস্তুগত ক্ষতির চেয়েও গভীর ছিল মানসিক ক্ষতি। মুসলমানরা হঠাত লক্ষ্য করলেন, যে বিশ্ব তারা চিনতেন, তা আর আগের মতো নেই। যে রাষ্ট্রব্যবস্থার ছায়ায় তারা ধর্ম ও জ্ঞানচর্চা করতেন, সেই ছায়া সরে গেছে। ব্রিটিশ শাসন শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করেনি, শিক্ষাব্যবস্থা, আইন ও সংস্কৃতিতেও তাদের আধিপত্য বিস্তার করছিল।
এই পরিস্থিতিতে মুসলিম জ্ঞানের উত্তরাধিকার কোথায় যাবে? কুরআনের তফসির, হাদিসের ইলম, ফিকহের গভীরতা, এই বিশাল জ্ঞানভাণ্ডার কে বহন করবে? এই প্রশ্নটি ভাবাচ্ছিল মুসলিম সমাজের সচেতন অংশকে। এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতেই কাসিম নানুতুবি, হাজি আবেদ হুসাইন, ফজলুর রহমান উসমানি ও রশিদ আহমদ গাংগুহির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় দারুল উলুম দেওবন্দ। এরপর গত দেড়শো বছর ধরে দেওবন্দ এই অঞ্চলের মুসলমানদের ঈমান আকিদা সংরক্ষণ করেছে। উপনিবেশ বিরোধি লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিয়েছে। এটি নিছক একটি প্রতিষ্ঠান থাকেনি এটি হয়ে উঠেছে একটি চিন্তাধারার কেন্দ্র, একটি শিক্ষাধারা। দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার এই দিনে আজ আমাদেরকে দেওবন্দের ইতিহাস ঐতিহ্য ও অবদান সম্পর্কে জানাবেন বিশিষ্ট লেখক ও অনুবাদক মাওলানা মাহমুদ সিদ্দিকী হাফিজাহুল্লাহ।
📅 তারিখ: ৩০ মে ২০২৬
🕙 সময়: রাত ১০:১৫ (বাংলাদেশ সময়)
📍 মাধ্যম: জুম অ্যাপ
আমাদের ঈদ আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে ইতিহাসে চুমুক দিতে যারা আগ্রহী, তাঁদের আমন্ত্রণ রইল।
১৮৫৭ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক পতনের মধ্য দিয়ে দিল্লিরও পতন ঘটে এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা ইসলামি সভ্যতার এই কেন্দ্র তার জৌলুস হারায়। দিল্লির রাস্তায় মুসলিম আলেম ও সেনাদের ফাঁসি দেওয়া হলো। জামে মসজিদ পরিনত হলো ব্রিটিশ সেনাদের ঘাঁটিতে । মুসলমানদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হলো। মাদরাসা ও মসজিদগুলো সরকারি নিয়ন্ত্রণে চলে গেল বা বন্ধ হয়ে গেল। বস্তুগত ক্ষতির চেয়েও গভীর ছিল মানসিক ক্ষতি। মুসলমানরা হঠাত লক্ষ্য করলেন, যে বিশ্ব তারা চিনতেন, তা আর আগের মতো নেই। যে রাষ্ট্রব্যবস্থার ছায়ায় তারা ধর্ম ও জ্ঞানচর্চা করতেন, সেই ছায়া সরে গেছে। ব্রিটিশ শাসন শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করেনি, শিক্ষাব্যবস্থা, আইন ও সংস্কৃতিতেও তাদের আধিপত্য বিস্তার করছিল।
এই পরিস্থিতিতে মুসলিম জ্ঞানের উত্তরাধিকার কোথায় যাবে? কুরআনের তফসির, হাদিসের ইলম, ফিকহের গভীরতা, এই বিশাল জ্ঞানভাণ্ডার কে বহন করবে? এই প্রশ্নটি ভাবাচ্ছিল মুসলিম সমাজের সচেতন অংশকে। এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতেই কাসিম নানুতুবি, হাজি আবেদ হুসাইন, ফজলুর রহমান উসমানি ও রশিদ আহমদ গাংগুহির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় দারুল উলুম দেওবন্দ। এরপর গত দেড়শো বছর ধরে দেওবন্দ এই অঞ্চলের মুসলমানদের ঈমান আকিদা সংরক্ষণ করেছে। উপনিবেশ বিরোধি লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিয়েছে। এটি নিছক একটি প্রতিষ্ঠান থাকেনি এটি হয়ে উঠেছে একটি চিন্তাধারার কেন্দ্র, একটি শিক্ষাধারা। দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার এই দিনে আজ আমাদেরকে দেওবন্দের ইতিহাস ঐতিহ্য ও অবদান সম্পর্কে জানাবেন বিশিষ্ট লেখক ও অনুবাদক মাওলানা মাহমুদ সিদ্দিকী হাফিজাহুল্লাহ।
📅 তারিখ: ৩০ মে ২০২৬
🕙 সময়: রাত ১০:১৫ (বাংলাদেশ সময়)
📍 মাধ্যম: জুম অ্যাপ
আমাদের ঈদ আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে ইতিহাসে চুমুক দিতে যারা আগ্রহী, তাঁদের আমন্ত্রণ রইল।
❤20
১৯২০ সালের জুলাইয়ে উপমহাদেশের মুসলমানরা এক অভূতপূর্ব আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, তেহরিকে হিজরত। হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি, জমিজমা, জীবিকা ও স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে আফগানিস্তানের উদ্দেশে হিজরতের পথে বেরিয়ে পড়েছিলেন। তাদের বিশ্বাস ছিল, ঈমান ও মর্যাদা রক্ষার জন্য এই কোরবানি তাদের জন্য আবশ্যক। তবে যতই সময় গড়ালো নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হলো তাদের। এরপরের ইতিহাস স্বপ্নভংগের ইতিহাস।
বড় একটি ঘটনা হওয়া সত্ত্বেও তেহরিকে হিজরত নিয়ে খুব কম আলোচনা হয়। ইতিহাসের পাতায় এর নায়করা প্রায় বিস্মৃত। এর ট্র্যাজেডি, আত্মত্যাগ, সাফল্য ও ব্যর্থতা এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাব, সবই যেন ধীরে ধীরে আমাদের স্মৃতি থেকে মুছে গেছে। অথচ উপমহাদেশের মুসলমানদের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাস বোঝার জন্য এই আন্দোলন একটি অপরিহার্য অধ্যায়।
এই আন্দোলনের পরিণতি কী হয়েছিল? কেন এত বিপুল আত্মত্যাগ শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনতে পারেনি? আন্দোলনের পেছনের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপট কী ছিল? আলেমদের মধ্যে মতভেদ কেন সৃষ্টি হয়েছিল? কোথায় ছিল আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা, আর ইতিহাস আমাদের কী শিক্ষা দেয়? এই প্রশ্নগুলো বারবার ইতিহাস পাঠককে ভাবায়।
এই বছরের জুলাই মাসে তেহরিকে হিজরত আন্দোলনের ১০৬ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এই উপলক্ষে আমরা আয়োজন করছি একটি বিশেষ ওয়েবিনার। আবেগ বা পূর্বধারণা নয়, বরং সমসাময়িক দলিল, স্মৃতিকথা ও ঐতিহাসিক গবেষণার আলোকে আন্দোলনটির উৎপত্তি, বিকাশ, ব্যর্থতার কারণ, ভুলত্রুটি এবং এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
আপনি যদি উপমহাদেশের ইতিহাস, খেলাফত আন্দোলন ও ঔপনিবেশিক রাজনীতি নিয়ে আগ্রহী হন, তাহলে এই ওয়েবিনারে আপনাকে স্বাগতম।
১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টায় এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
বড় একটি ঘটনা হওয়া সত্ত্বেও তেহরিকে হিজরত নিয়ে খুব কম আলোচনা হয়। ইতিহাসের পাতায় এর নায়করা প্রায় বিস্মৃত। এর ট্র্যাজেডি, আত্মত্যাগ, সাফল্য ও ব্যর্থতা এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাব, সবই যেন ধীরে ধীরে আমাদের স্মৃতি থেকে মুছে গেছে। অথচ উপমহাদেশের মুসলমানদের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাস বোঝার জন্য এই আন্দোলন একটি অপরিহার্য অধ্যায়।
এই আন্দোলনের পরিণতি কী হয়েছিল? কেন এত বিপুল আত্মত্যাগ শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনতে পারেনি? আন্দোলনের পেছনের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপট কী ছিল? আলেমদের মধ্যে মতভেদ কেন সৃষ্টি হয়েছিল? কোথায় ছিল আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা, আর ইতিহাস আমাদের কী শিক্ষা দেয়? এই প্রশ্নগুলো বারবার ইতিহাস পাঠককে ভাবায়।
এই বছরের জুলাই মাসে তেহরিকে হিজরত আন্দোলনের ১০৬ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এই উপলক্ষে আমরা আয়োজন করছি একটি বিশেষ ওয়েবিনার। আবেগ বা পূর্বধারণা নয়, বরং সমসাময়িক দলিল, স্মৃতিকথা ও ঐতিহাসিক গবেষণার আলোকে আন্দোলনটির উৎপত্তি, বিকাশ, ব্যর্থতার কারণ, ভুলত্রুটি এবং এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
আপনি যদি উপমহাদেশের ইতিহাস, খেলাফত আন্দোলন ও ঔপনিবেশিক রাজনীতি নিয়ে আগ্রহী হন, তাহলে এই ওয়েবিনারে আপনাকে স্বাগতম।
১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টায় এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
❤13🎉1
রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন ও কর্মের ইতিহাস শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় আবেগের বিষয় নয়, বরং ইসলামের ইতিহাস ও সভ্যতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। নবিজীবনকে জানার জন্য রচিত হয়েছে বিপুল পরিমাণ সীরাত-সাহিত্য। কিন্তু এই বিশাল সাহিত্যভাণ্ডারের উৎস কী? এর ঐতিহাসিক ভিত্তি কতটা শক্তিশালী? কোন কোন সূত্র ও উপাদানের ওপর দাঁড়িয়ে সীরাতের বর্ণনাগুলো গড়ে উঠেছে? আর বর্তমান সময়ে সীরাত পাঠের প্রয়োজনই বা কতটা?
সীরাত পাঠ নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও পাঠপদ্ধতি নিয়ে আমাদের মাঝে খুব বেশি সুসংগঠিত আলোচনা দেখা যায় না। একইভাবে, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন থেকে ব্যক্তি ও সমাজের জন্য কীভাবে দিকনির্দেশনা গ্রহণ করা যায়, সে প্রশ্নটিও নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।
এই বিষয়গুলোকে সামনে রেখে রবিউল আউয়াল মাসের এই সীরাত আবহে তারিখল্যাব আয়োজন করছে অফলাইন ‘সীরাত হালাকাহ’। আলোচক হিসেবে থাকছেন জামিআতুত দুওয়ালিল আরাবিয়্যাহ, মিসর এ মাস্টার্স অধ্যায়নরত ফয়েজ আহমাদ ও বিজ্ঞ লেখক,অনুবাদক ইমরান রাইহান।
ফয়েজ আহমাদ আলোচনা করবেন সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা নিয়ে। সীরাতের প্রাথমিক উৎস, এর বিকাশ এবং সীরাত পাঠের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ঐতিহাসিক ও পদ্ধতিগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে থাকবে তাঁর আলোচনা।
অন্যদিকে ইমরান রাইহান আলোচনা করবেন সীরাত পাঠের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। আজকের সময়ে কেন আমাদের সীরাত চর্চা জরুরি, এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে কীভাবে আমাদের চিন্তা, চরিত্র ও জীবনবোধের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, আলাপ হবে সে বিষয়েও।
সীরাতের প্রতি আগ্রহী পাঠক, ইতিহাসপ্রেমী এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে আরও গভীরভাবে জানতে আগ্রহী সবাইকে এই আয়োজনে আমন্ত্রণ।
তারিখল্যাবের এই সেশনটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এর জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা আমাদের স্পন্সর পারফিউমেন্স কর্তৃপক্ষের।
📅 তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
🕰️ সময়: বাদ আসর থেকে এশা
📍 স্থান: এমইসি কনভেনশন হল, শেওড়াপাড়া। শেওড়াপাড়া মেট্রোর পাশেই মাহফিল কনভেনশন সেন্টারের ভবন৷ ৬ তলা
সীরাতের মাসে ইতিহাসের আলোকে নবিজীবনকে নতুন করে জানার এই মুবারক আয়োজনে আপনাদের সবাইকে স্বাগত।
সীরাত পাঠ নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও পাঠপদ্ধতি নিয়ে আমাদের মাঝে খুব বেশি সুসংগঠিত আলোচনা দেখা যায় না। একইভাবে, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন থেকে ব্যক্তি ও সমাজের জন্য কীভাবে দিকনির্দেশনা গ্রহণ করা যায়, সে প্রশ্নটিও নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।
এই বিষয়গুলোকে সামনে রেখে রবিউল আউয়াল মাসের এই সীরাত আবহে তারিখল্যাব আয়োজন করছে অফলাইন ‘সীরাত হালাকাহ’। আলোচক হিসেবে থাকছেন জামিআতুত দুওয়ালিল আরাবিয়্যাহ, মিসর এ মাস্টার্স অধ্যায়নরত ফয়েজ আহমাদ ও বিজ্ঞ লেখক,অনুবাদক ইমরান রাইহান।
ফয়েজ আহমাদ আলোচনা করবেন সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা নিয়ে। সীরাতের প্রাথমিক উৎস, এর বিকাশ এবং সীরাত পাঠের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ঐতিহাসিক ও পদ্ধতিগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে থাকবে তাঁর আলোচনা।
অন্যদিকে ইমরান রাইহান আলোচনা করবেন সীরাত পাঠের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। আজকের সময়ে কেন আমাদের সীরাত চর্চা জরুরি, এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে কীভাবে আমাদের চিন্তা, চরিত্র ও জীবনবোধের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, আলাপ হবে সে বিষয়েও।
সীরাতের প্রতি আগ্রহী পাঠক, ইতিহাসপ্রেমী এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে আরও গভীরভাবে জানতে আগ্রহী সবাইকে এই আয়োজনে আমন্ত্রণ।
তারিখল্যাবের এই সেশনটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এর জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা আমাদের স্পন্সর পারফিউমেন্স কর্তৃপক্ষের।
📅 তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
🕰️ সময়: বাদ আসর থেকে এশা
📍 স্থান: এমইসি কনভেনশন হল, শেওড়াপাড়া। শেওড়াপাড়া মেট্রোর পাশেই মাহফিল কনভেনশন সেন্টারের ভবন৷ ৬ তলা
সীরাতের মাসে ইতিহাসের আলোকে নবিজীবনকে নতুন করে জানার এই মুবারক আয়োজনে আপনাদের সবাইকে স্বাগত।
❤7
তারিখল্যাবের এবারের অফলাইন 'সীরাত হালাকাহ'য় আলোচক হিসেবে থাকছেন মা'হাদুল মাখতুত্বাত আল আরাবিয়্যাহ, মিসর এ মাস্টার্স অধ্যায়নরত ফয়েজ আহমাদ।
ফয়েজ আহমাদ আলোচনা করবেন সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা নিয়ে।
তারিখল্যাবের এই সেশনটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এর জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা আমাদের স্পন্সর পারফিউমেন্স কর্তৃপক্ষের।
মন্তব্যঘরে থাকা লিংকে ক্লিক করে চটজলদি নিশ্চিত করুন আপনার আসনটি।
📅 তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
🕰️ সময়: বাদ আসর থেকে এশা
📍 স্থান: এমইসি কনফারেন্স রুম, শেওড়াপাড়া
ফয়েজ আহমাদ আলোচনা করবেন সীরাতশাস্ত্রের উৎস, প্রকৃতি ও প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা নিয়ে।
তারিখল্যাবের এই সেশনটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এর জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা আমাদের স্পন্সর পারফিউমেন্স কর্তৃপক্ষের।
মন্তব্যঘরে থাকা লিংকে ক্লিক করে চটজলদি নিশ্চিত করুন আপনার আসনটি।
📅 তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
🕰️ সময়: বাদ আসর থেকে এশা
📍 স্থান: এমইসি কনফারেন্স রুম, শেওড়াপাড়া
তারিখল্যাব আয়োজিত সীরাত হালাকাহ-এ অংশগ্রহণকারী প্রথম ১০০ জন দর্শক-শ্রোতার জন্য থাকছে শায়েখ আতিকুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহর সদ্য প্রকাশিত ‘আমার নবীজি’ বইটি সৌজন্য হাদিয়া।
আমাদের মেহমানদের সম্মানে এমন চমৎকার হাদিয়ার ব্যবস্থা করায় মাকতাবাতুল আজহার-এর প্রতি আমরা অশেষ কৃতজ্ঞ। আল্লাহ তাআলা সংশ্লিষ্ট সকলকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। আমীন!
📅 তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
🕰️ সময়: বাদ আসর থেকে এশা
📍 ভেন্যু: এমইসি কনফারেন্স রুম, শেওড়াপাড়া
রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিগগিরই।
তাই মন্তব্যঘরে দেওয়া লিংক থেকে দ্রুত আপনার ফ্রি আসনটি নিশ্চিত করে নিন। শুকরিয়া!
Registration link—
https://surveyheart.com/form/6a82fb1ea00a75349cd7e540
আমাদের মেহমানদের সম্মানে এমন চমৎকার হাদিয়ার ব্যবস্থা করায় মাকতাবাতুল আজহার-এর প্রতি আমরা অশেষ কৃতজ্ঞ। আল্লাহ তাআলা সংশ্লিষ্ট সকলকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। আমীন!
📅 তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
🕰️ সময়: বাদ আসর থেকে এশা
📍 ভেন্যু: এমইসি কনফারেন্স রুম, শেওড়াপাড়া
রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিগগিরই।
তাই মন্তব্যঘরে দেওয়া লিংক থেকে দ্রুত আপনার ফ্রি আসনটি নিশ্চিত করে নিন। শুকরিয়া!
Registration link—
https://surveyheart.com/form/6a82fb1ea00a75349cd7e540
❤2
