১০ বছর আগে স্বামী মারা গিয়েছিল মহিলাটার। তার একটা সন্তান আছে। সেই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়েই কষ্ট করে অন্যের বাড়িতে কাজ করত সে। খেয়ে না খেয়ে কোনরকম চলতো তার সংসার।
বিধবা হওয়া সত্ত্বেও এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে। এলাকার নেতারাই সব টাকা মেরে দিতো।
মহিলাটা বাড়িতে একা একা থাকে বিধায় মহিলার দিকে নজর যায় ফরিদপুর পৌর এলাকার বিএনপি নেতা সুজন শেখের। সে বারবার সুযোগ খুঁজতে থাকে কিভাবে মহিলার সম্ভ্রমহানি করা যায়।
কিছুদিন আগে সুজন শেখ মহিলার বাড়িতে এসে তাকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার আশ্বাস দেয়। মহিলাটা তার কথা বিশ্বাস করে না কেননা এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে।
মহিলাটা তেমন একটা পড়াশোনা জানে না, কাগজপত্রের ঝামেলাও বুঝে না। সুজন শেখ মহিলার এই সরলতার সুযোগটাকেই কাজে লাগায়। ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে মহিলাটার সাথে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে।
এরপর গত ২ তারিখ বৃহস্পতিবার সুজন শেখ মহিলাটার বাড়িতে এসে বলে- ফ্যামিলি কার্ড নিতে হলে উপজেলা পরিষদে যেতে হবে, আমার সাথে আসো।
মহিলাটাও বিশ্বাস করে যায়। সুজন শেখ মহিলাটাকে প্রথমে রিক্সা করে বাস টার্মিনালে নিয়ে যায়। তারপর সেখান থেকে পায়ে হেঁটে একটা আবাসিক হোটেলের সামনে নিয়ে যায়।
মহিলাটা তখন জিজ্ঞেস করে- এটা কি উপজেলা পরিষদ?
সুজন শেখ তখন উত্তরে বলে- এখানেই নতুন অফিস করা হয়েছে, আসো।
তারপর মহিলাটাকে সেই আবাসিক হোটেলের একটা রুমে নিয়ে যায় সুজন শেখ। রুমে নেয়ার পর মহিলাটা বুঝতে পারে সুজন শেখের মতলব ভালো না। সে সেখান থেকে চলে আসতে চায় এমনকি জোরে চিৎকার দেয়ার চেষ্টাও করে।
চিৎকার দিতে চাইলে সুজন শেখ মহিলাটার চোখমুখ চেপে ধরে এবং বলে তার কথামতো কাজ না করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবে না। মহিলাটা কার্ড লাগবে না বলে চলে আসার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সুজন শেখ জোরজবরদস্তি করে টানা ধ*র্ষণ করতে থাকে।
এরপর মহিলাটাকে সেখানে ফেলেই সুজন শেখ চলে আসে এবং আসার সময় হুমকি দিয়ে আসে এ ঘটনা যাতে ভুলেও কেউ জানতে না পারে, এমনকি তার কাছের কেউও না।
এর ঘন্টা দুয়েক পর মহিলাটা রিকশায় করে কোনরকম বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসেই জোরপূর্বক ধ*র্ষণের নির্মমতায় অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। অসুস্থ হয়ে পড়ায় সে আর বিষয়টা লুকিয়ে রাখতে পারে না। পুরো ঘটনাটা তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে খুলে বলে।
তারপর অবস্থা সিরিয়াস দেখে তারাই মহিলাটাকে ফরিদপুর মেডিকেলের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করায়। টানা ধ*র্ষণে অবস্থা ক্রিটিকাল হয়ে যাওয়ায় সেখানে ৪ দিন যাবত মহিলাটার চিকিৎসা চলে।
তারপর ভাইয়ের স্ত্রী এবং ডাক্তারদের সহায়তায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করে দায়ের সে। উপজেলা পুলিশ ডাক্তারদের সাথে কথা বলে এবং মেডিকেল রিপোর্ট দেখে ধ*র্ষণের সত্যতা খুঁজে পায়।
কিন্তু ধ*র্ষণের সত্যতা পাওয়া গেলেও পুলিশ এখনো সুজন শেখকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কারণ সুজন শেখ এলাকাতে বিএনপি করে এবং বিএনপির উর্ধ্বতন নেতাদের সাথেও তার দহরমমহরম সম্পর্ক আছে।
মামলার এজাহার নেয়ার সময় মহিলাটা কেঁদে কেঁদে বলছিল- আমারতো স্বামী নাই, একটা সন্তান নিয়া মাইনষের বাড়িত কাজ কইরা খাই, অভাব অনটনের সংসার। সুজন শেখ রাজনীতি করে ,ভাবছি উনায় কার্ড কইরা দিতে পারব কিন্তু এহনতো আমার জীবনডারে শেষ কইর্যা দিলো।
কথাগুলো বলেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল মহিলাটা। তার ছোট সন্তানটাও ছিল তার সাথে।
মহিলাটা অসহায় ,তেমন একটা পড়াশোনা জানে না। কাগজপত্র ,মামলা মোকদ্দমা বুঝে না। এই সুযোগেই বিএনপি দলের প্রভাব খাটিয়ে সুজন শেখ গ্রেফতার হওয়া থেকে বেঁচে যাচ্ছে। প্রশাসনের সাথে একটা সমঝোতাও করে ফেলতে চাচ্ছে সে কারণ মহিলাটার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নাই।
মহিলাটা এতটাই গরবি আর অসহায় যে তার বাড়ির টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে, বৃষ্টি এলে কোনরকম পলিথিনের কাগজ দিয়ে ঘরটাকে বাঁচিয়ে রাখে, একটা সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট ঘরটাতেই অনাহারে কাটে তার জীবন।
অন্যদিকে সুজন শেখের টাকাপয়সা আছে ,দলের ক্ষমতা আছে, আইন আদালত হাত করা আছে।
মহিলাটা গত দুইদিন যাবত থানার ঘুরতেছে বিচারের আশায়। এই অসহায় মহিলাটা টাকাপয়সা চায় না, ক্ষতিপূরণ চায় না, তার উপর অমানবিক ধ*র্ষণের বিচারটুকু চায় শুধু
- Ibrahim Khalil Shawon
বিধবা হওয়া সত্ত্বেও এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে। এলাকার নেতারাই সব টাকা মেরে দিতো।
মহিলাটা বাড়িতে একা একা থাকে বিধায় মহিলার দিকে নজর যায় ফরিদপুর পৌর এলাকার বিএনপি নেতা সুজন শেখের। সে বারবার সুযোগ খুঁজতে থাকে কিভাবে মহিলার সম্ভ্রমহানি করা যায়।
কিছুদিন আগে সুজন শেখ মহিলার বাড়িতে এসে তাকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার আশ্বাস দেয়। মহিলাটা তার কথা বিশ্বাস করে না কেননা এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে।
মহিলাটা তেমন একটা পড়াশোনা জানে না, কাগজপত্রের ঝামেলাও বুঝে না। সুজন শেখ মহিলার এই সরলতার সুযোগটাকেই কাজে লাগায়। ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে মহিলাটার সাথে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে।
এরপর গত ২ তারিখ বৃহস্পতিবার সুজন শেখ মহিলাটার বাড়িতে এসে বলে- ফ্যামিলি কার্ড নিতে হলে উপজেলা পরিষদে যেতে হবে, আমার সাথে আসো।
মহিলাটাও বিশ্বাস করে যায়। সুজন শেখ মহিলাটাকে প্রথমে রিক্সা করে বাস টার্মিনালে নিয়ে যায়। তারপর সেখান থেকে পায়ে হেঁটে একটা আবাসিক হোটেলের সামনে নিয়ে যায়।
মহিলাটা তখন জিজ্ঞেস করে- এটা কি উপজেলা পরিষদ?
সুজন শেখ তখন উত্তরে বলে- এখানেই নতুন অফিস করা হয়েছে, আসো।
তারপর মহিলাটাকে সেই আবাসিক হোটেলের একটা রুমে নিয়ে যায় সুজন শেখ। রুমে নেয়ার পর মহিলাটা বুঝতে পারে সুজন শেখের মতলব ভালো না। সে সেখান থেকে চলে আসতে চায় এমনকি জোরে চিৎকার দেয়ার চেষ্টাও করে।
চিৎকার দিতে চাইলে সুজন শেখ মহিলাটার চোখমুখ চেপে ধরে এবং বলে তার কথামতো কাজ না করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবে না। মহিলাটা কার্ড লাগবে না বলে চলে আসার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সুজন শেখ জোরজবরদস্তি করে টানা ধ*র্ষণ করতে থাকে।
এরপর মহিলাটাকে সেখানে ফেলেই সুজন শেখ চলে আসে এবং আসার সময় হুমকি দিয়ে আসে এ ঘটনা যাতে ভুলেও কেউ জানতে না পারে, এমনকি তার কাছের কেউও না।
এর ঘন্টা দুয়েক পর মহিলাটা রিকশায় করে কোনরকম বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসেই জোরপূর্বক ধ*র্ষণের নির্মমতায় অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। অসুস্থ হয়ে পড়ায় সে আর বিষয়টা লুকিয়ে রাখতে পারে না। পুরো ঘটনাটা তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে খুলে বলে।
তারপর অবস্থা সিরিয়াস দেখে তারাই মহিলাটাকে ফরিদপুর মেডিকেলের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করায়। টানা ধ*র্ষণে অবস্থা ক্রিটিকাল হয়ে যাওয়ায় সেখানে ৪ দিন যাবত মহিলাটার চিকিৎসা চলে।
তারপর ভাইয়ের স্ত্রী এবং ডাক্তারদের সহায়তায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করে দায়ের সে। উপজেলা পুলিশ ডাক্তারদের সাথে কথা বলে এবং মেডিকেল রিপোর্ট দেখে ধ*র্ষণের সত্যতা খুঁজে পায়।
কিন্তু ধ*র্ষণের সত্যতা পাওয়া গেলেও পুলিশ এখনো সুজন শেখকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কারণ সুজন শেখ এলাকাতে বিএনপি করে এবং বিএনপির উর্ধ্বতন নেতাদের সাথেও তার দহরমমহরম সম্পর্ক আছে।
মামলার এজাহার নেয়ার সময় মহিলাটা কেঁদে কেঁদে বলছিল- আমারতো স্বামী নাই, একটা সন্তান নিয়া মাইনষের বাড়িত কাজ কইরা খাই, অভাব অনটনের সংসার। সুজন শেখ রাজনীতি করে ,ভাবছি উনায় কার্ড কইরা দিতে পারব কিন্তু এহনতো আমার জীবনডারে শেষ কইর্যা দিলো।
কথাগুলো বলেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল মহিলাটা। তার ছোট সন্তানটাও ছিল তার সাথে।
মহিলাটা অসহায় ,তেমন একটা পড়াশোনা জানে না। কাগজপত্র ,মামলা মোকদ্দমা বুঝে না। এই সুযোগেই বিএনপি দলের প্রভাব খাটিয়ে সুজন শেখ গ্রেফতার হওয়া থেকে বেঁচে যাচ্ছে। প্রশাসনের সাথে একটা সমঝোতাও করে ফেলতে চাচ্ছে সে কারণ মহিলাটার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নাই।
মহিলাটা এতটাই গরবি আর অসহায় যে তার বাড়ির টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে, বৃষ্টি এলে কোনরকম পলিথিনের কাগজ দিয়ে ঘরটাকে বাঁচিয়ে রাখে, একটা সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট ঘরটাতেই অনাহারে কাটে তার জীবন।
অন্যদিকে সুজন শেখের টাকাপয়সা আছে ,দলের ক্ষমতা আছে, আইন আদালত হাত করা আছে।
মহিলাটা গত দুইদিন যাবত থানার ঘুরতেছে বিচারের আশায়। এই অসহায় মহিলাটা টাকাপয়সা চায় না, ক্ষতিপূরণ চায় না, তার উপর অমানবিক ধ*র্ষণের বিচারটুকু চায় শুধু
- Ibrahim Khalil Shawon
😢119❤8
'লাশের ছবিগুলায় দেখবেন আমার ছেলের ওই পুইড়া থাকা হাতে মোবাইল দেখা যায়।
সে তো জীবিত ছিল! নিশ্চয়ই আগুন দেয়ার ওই মুহূর্তে ফোনটা হাতে নিছিল! সে হয়তো আমারেই কল দিচ্ছিল 'আম্মু আমাদেরকে জ্বালায়ে ফেলতেছে' বলার জন্য!'
সে বাঁচতে চেষ্টা করছিল! কিন্তু আমার ছেলেটাকে ওরা জীবন্তই পুড়ায়ে ফেলছে! আমার ছেলে ছিল ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, তার লাশটা আমি বুঝে পাইছি ৪ ফুট!'
- জুলাই রেকর্ডসকে দেয়া ইন্টারভিউতে শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহীনা আক্তার
৫ আগস্ট আশুলিয়ায় বিভৎস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজল। ছবিতে শাহীনা আক্তার ও তার সন্তান শহীদ সজল।
সে তো জীবিত ছিল! নিশ্চয়ই আগুন দেয়ার ওই মুহূর্তে ফোনটা হাতে নিছিল! সে হয়তো আমারেই কল দিচ্ছিল 'আম্মু আমাদেরকে জ্বালায়ে ফেলতেছে' বলার জন্য!'
সে বাঁচতে চেষ্টা করছিল! কিন্তু আমার ছেলেটাকে ওরা জীবন্তই পুড়ায়ে ফেলছে! আমার ছেলে ছিল ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, তার লাশটা আমি বুঝে পাইছি ৪ ফুট!'
- জুলাই রেকর্ডসকে দেয়া ইন্টারভিউতে শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহীনা আক্তার
৫ আগস্ট আশুলিয়ায় বিভৎস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজল। ছবিতে শাহীনা আক্তার ও তার সন্তান শহীদ সজল।
😢215😭34❤4👍2😁2
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাইমা রহমানের ছবি এআই দিয়ে আপত্তিকর বানিয়ে তৈরি করে পোস্ট দেওয়া হয় Eshan Chowdhury নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে।
তবে, Eshan Chowdhury আইডির সেই ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট এডিট করে পোস্টটি ডাকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেল ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের হয়ে নির্বাচন করা Abdullah Al Mahmud এর ফেসবুক থেকে করা হয়েছে বানিয়ে প্রচার করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে Abdullah Al Mahmud এর কোনো পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে এডিট করে ওই পোস্টের ওপর বসানো হয়েছে। লীগপন্থী কিছু আইডি থেকে এডিটেড এই স্ক্রিনশটটি প্রথম প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রদলের তানভীর আল হাদী মায়েদও এডিটেড স্ক্রিনশটটি পোস্ট করে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের পরিচয় উল্লেখ করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
প্রচারিত স্ক্রিনশটটিতে দেখা যায়, পোস্টের ১৮তম মিনিটে স্ক্রিনশটটি নেয়া হয়েছে এবং সেখানে ৬তম মিনিটে Ahmed Habib নামের একটি আইডির কমেন্ট রয়েছে।
বিষয়টি অনুসন্ধানে Eshan Chowdhury নামের আইডিতে ওই পোস্টটি খুঁজে পাওয়া যায়, যেখানে Ahmed Habib নামের আইডি থেকে করা সেই কমেন্টটি রয়েছে।
এডিটেড স্ক্রিনশটে পোস্ট ও কমেন্ট এর সময়ের পার্থক্য ১২ মিনিট। Eshan আইডির সেই post এবং comment এর সময় আলাদা করে চেক করে একই রকম পার্থক্য পাওয়া গেছে।
অর্থাৎ, জাইমা রহমানকে জড়িয়ে Eshan Chowdhury নামের একটি আইডি থেকে দেওয়া আপত্তিকর পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে সেটি এডিট করে Abdullah Al Mahmud এর ফেসবুক আইডি বসিয়ে প্রচার করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেক: রিউমার স্ক্যানার
তবে, Eshan Chowdhury আইডির সেই ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট এডিট করে পোস্টটি ডাকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেল ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের হয়ে নির্বাচন করা Abdullah Al Mahmud এর ফেসবুক থেকে করা হয়েছে বানিয়ে প্রচার করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে Abdullah Al Mahmud এর কোনো পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে এডিট করে ওই পোস্টের ওপর বসানো হয়েছে। লীগপন্থী কিছু আইডি থেকে এডিটেড এই স্ক্রিনশটটি প্রথম প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রদলের তানভীর আল হাদী মায়েদও এডিটেড স্ক্রিনশটটি পোস্ট করে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের পরিচয় উল্লেখ করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
প্রচারিত স্ক্রিনশটটিতে দেখা যায়, পোস্টের ১৮তম মিনিটে স্ক্রিনশটটি নেয়া হয়েছে এবং সেখানে ৬তম মিনিটে Ahmed Habib নামের একটি আইডির কমেন্ট রয়েছে।
বিষয়টি অনুসন্ধানে Eshan Chowdhury নামের আইডিতে ওই পোস্টটি খুঁজে পাওয়া যায়, যেখানে Ahmed Habib নামের আইডি থেকে করা সেই কমেন্টটি রয়েছে।
এডিটেড স্ক্রিনশটে পোস্ট ও কমেন্ট এর সময়ের পার্থক্য ১২ মিনিট। Eshan আইডির সেই post এবং comment এর সময় আলাদা করে চেক করে একই রকম পার্থক্য পাওয়া গেছে।
অর্থাৎ, জাইমা রহমানকে জড়িয়ে Eshan Chowdhury নামের একটি আইডি থেকে দেওয়া আপত্তিকর পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে সেটি এডিট করে Abdullah Al Mahmud এর ফেসবুক আইডি বসিয়ে প্রচার করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেক: রিউমার স্ক্যানার
❤40👍2
শাহবাগ থানায় সাংবাদিক এবং ডাকসু নেতাদের উপর হামলা করা সন্ত্রাসীরা
👍51🤬43❤6😁4😡2