ফেসবুকে যে পোস্ট দেওয়ার কারণে গ্রেপ্তার হলেন মহিলা জামায়াত নেত্রী সাওদা সুমি
🤬96😁6❤4😭3🥰1
পুলিশ লিখলো, সাওদা আপাকে গ্রেপ্তারের কারণ রাষ্ট্র ও সরকারের সমালোচনা করা। আরো স্পষ্ট করে সামনে লিখেছে, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে বিভিন্ন পোস্ট করেছেন তিনি।
এইসব কারণগুলোকে তো জাস্টিফাই করা যায় না। তাই ছাত্রদলের ভাইয়েরা খোঁজা শুরু করলো, কোন গ্রাউন্ডে এই অন্যায়কে জাস্টিফাই করা যায়!
এবং একটা ফটোকার্ড পেল। যেখানে রুহুল কবির রিজভির নামে একটা উক্তি চালিয়ে দেয়া হয়েছে। সাওদা আপা ফ্যাক্ট চেক না করে উক্তিটি পোস্ট দিয়ে দিয়েছেন।
যদিও পুলিশ তাদের লেখায় এই ফটোকার্ডের উল্লেখ করেনি। স্পষ্ট বলেছে, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে পোস্ট দিয়েছেন উনি, তাই গ্রেপ্তার।
এবার আসি, কারো নামে এ ধরনের গুজব ছড়ানো গ্রেপ্তারযোগ্য অপরাধ কিনা?
উত্তর হলো, না।
শুধু গুজব ছড়ানোর জন্য গ্রেপ্তার করা যেতে পারে, এমন কোনো আইন বাংলাদেশে নাই। ছিল একসময়, সবাই প্রতিবাদ জানিয়ে এবং মির্জা ফখরুলরা কেঁদে কেঁদে এই আইন বাতিল করিয়েছিল। আইনের নাম ছিল ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট। মির্জা ফখরুল কেঁদে কেঁদে বলে বলেছিল, কথা বলতে পারি না। কথা বলতে গেলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা জরিমানা।
তো রুহুল কবির রিজভির নামে যে গুজব ছড়ানো হলো, সেটার প্রতিকার কী? রিজভি চাইলে মানহানির মামলা করতে পারেন। কিন্তু মানহানির মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায় না। আর মানহানির মামলা সাধারণত ব্যক্তি নিজেই করতে হয়।
কিন্তু এই রিজভি সাহেবও তো ভিপি সাদিক কায়েমের নামে গুজব ছড়িয়েছিলেন। AI Generated ছবি দেখে হাদীর হত্যাকারীর সাদিক কায়েম ভাইয়ের সাথে সেলফি তুলেছিল, এমন দাবি করেছিলেন। পরে কিন্তু তিনি ক্ষমাও চেয়েছিলেন।
যদি সাওদা আপাকে গ্রেপ্তার করতে হয়, সবার আগে গ্রেপ্তার করতে হবে রুহুল কবির রিজভিকে।
~রাফিদ হাসান সাফওয়ান
জিএস, মুহসীন হল সংসদ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
এইসব কারণগুলোকে তো জাস্টিফাই করা যায় না। তাই ছাত্রদলের ভাইয়েরা খোঁজা শুরু করলো, কোন গ্রাউন্ডে এই অন্যায়কে জাস্টিফাই করা যায়!
এবং একটা ফটোকার্ড পেল। যেখানে রুহুল কবির রিজভির নামে একটা উক্তি চালিয়ে দেয়া হয়েছে। সাওদা আপা ফ্যাক্ট চেক না করে উক্তিটি পোস্ট দিয়ে দিয়েছেন।
যদিও পুলিশ তাদের লেখায় এই ফটোকার্ডের উল্লেখ করেনি। স্পষ্ট বলেছে, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে পোস্ট দিয়েছেন উনি, তাই গ্রেপ্তার।
এবার আসি, কারো নামে এ ধরনের গুজব ছড়ানো গ্রেপ্তারযোগ্য অপরাধ কিনা?
উত্তর হলো, না।
শুধু গুজব ছড়ানোর জন্য গ্রেপ্তার করা যেতে পারে, এমন কোনো আইন বাংলাদেশে নাই। ছিল একসময়, সবাই প্রতিবাদ জানিয়ে এবং মির্জা ফখরুলরা কেঁদে কেঁদে এই আইন বাতিল করিয়েছিল। আইনের নাম ছিল ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট। মির্জা ফখরুল কেঁদে কেঁদে বলে বলেছিল, কথা বলতে পারি না। কথা বলতে গেলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা জরিমানা।
তো রুহুল কবির রিজভির নামে যে গুজব ছড়ানো হলো, সেটার প্রতিকার কী? রিজভি চাইলে মানহানির মামলা করতে পারেন। কিন্তু মানহানির মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায় না। আর মানহানির মামলা সাধারণত ব্যক্তি নিজেই করতে হয়।
কিন্তু এই রিজভি সাহেবও তো ভিপি সাদিক কায়েমের নামে গুজব ছড়িয়েছিলেন। AI Generated ছবি দেখে হাদীর হত্যাকারীর সাদিক কায়েম ভাইয়ের সাথে সেলফি তুলেছিল, এমন দাবি করেছিলেন। পরে কিন্তু তিনি ক্ষমাও চেয়েছিলেন।
যদি সাওদা আপাকে গ্রেপ্তার করতে হয়, সবার আগে গ্রেপ্তার করতে হবে রুহুল কবির রিজভিকে।
~রাফিদ হাসান সাফওয়ান
জিএস, মুহসীন হল সংসদ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
👍67❤8
ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টটা সম্পর্কিত সাক্ষাৎকার একই দিনে ১৭ বার পোস্ট ও শেয়ার করেছে ডেইলি স্টার নামক একটি গণমাধ্যম।
😁109🤮20❤4
১০ বছর আগে স্বামী মারা গিয়েছিল মহিলাটার। তার একটা সন্তান আছে। সেই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়েই কষ্ট করে অন্যের বাড়িতে কাজ করত সে। খেয়ে না খেয়ে কোনরকম চলতো তার সংসার।
বিধবা হওয়া সত্ত্বেও এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে। এলাকার নেতারাই সব টাকা মেরে দিতো।
মহিলাটা বাড়িতে একা একা থাকে বিধায় মহিলার দিকে নজর যায় ফরিদপুর পৌর এলাকার বিএনপি নেতা সুজন শেখের। সে বারবার সুযোগ খুঁজতে থাকে কিভাবে মহিলার সম্ভ্রমহানি করা যায়।
কিছুদিন আগে সুজন শেখ মহিলার বাড়িতে এসে তাকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার আশ্বাস দেয়। মহিলাটা তার কথা বিশ্বাস করে না কেননা এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে।
মহিলাটা তেমন একটা পড়াশোনা জানে না, কাগজপত্রের ঝামেলাও বুঝে না। সুজন শেখ মহিলার এই সরলতার সুযোগটাকেই কাজে লাগায়। ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে মহিলাটার সাথে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে।
এরপর গত ২ তারিখ বৃহস্পতিবার সুজন শেখ মহিলাটার বাড়িতে এসে বলে- ফ্যামিলি কার্ড নিতে হলে উপজেলা পরিষদে যেতে হবে, আমার সাথে আসো।
মহিলাটাও বিশ্বাস করে যায়। সুজন শেখ মহিলাটাকে প্রথমে রিক্সা করে বাস টার্মিনালে নিয়ে যায়। তারপর সেখান থেকে পায়ে হেঁটে একটা আবাসিক হোটেলের সামনে নিয়ে যায়।
মহিলাটা তখন জিজ্ঞেস করে- এটা কি উপজেলা পরিষদ?
সুজন শেখ তখন উত্তরে বলে- এখানেই নতুন অফিস করা হয়েছে, আসো।
তারপর মহিলাটাকে সেই আবাসিক হোটেলের একটা রুমে নিয়ে যায় সুজন শেখ। রুমে নেয়ার পর মহিলাটা বুঝতে পারে সুজন শেখের মতলব ভালো না। সে সেখান থেকে চলে আসতে চায় এমনকি জোরে চিৎকার দেয়ার চেষ্টাও করে।
চিৎকার দিতে চাইলে সুজন শেখ মহিলাটার চোখমুখ চেপে ধরে এবং বলে তার কথামতো কাজ না করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবে না। মহিলাটা কার্ড লাগবে না বলে চলে আসার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সুজন শেখ জোরজবরদস্তি করে টানা ধ*র্ষণ করতে থাকে।
এরপর মহিলাটাকে সেখানে ফেলেই সুজন শেখ চলে আসে এবং আসার সময় হুমকি দিয়ে আসে এ ঘটনা যাতে ভুলেও কেউ জানতে না পারে, এমনকি তার কাছের কেউও না।
এর ঘন্টা দুয়েক পর মহিলাটা রিকশায় করে কোনরকম বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসেই জোরপূর্বক ধ*র্ষণের নির্মমতায় অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। অসুস্থ হয়ে পড়ায় সে আর বিষয়টা লুকিয়ে রাখতে পারে না। পুরো ঘটনাটা তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে খুলে বলে।
তারপর অবস্থা সিরিয়াস দেখে তারাই মহিলাটাকে ফরিদপুর মেডিকেলের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করায়। টানা ধ*র্ষণে অবস্থা ক্রিটিকাল হয়ে যাওয়ায় সেখানে ৪ দিন যাবত মহিলাটার চিকিৎসা চলে।
তারপর ভাইয়ের স্ত্রী এবং ডাক্তারদের সহায়তায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করে দায়ের সে। উপজেলা পুলিশ ডাক্তারদের সাথে কথা বলে এবং মেডিকেল রিপোর্ট দেখে ধ*র্ষণের সত্যতা খুঁজে পায়।
কিন্তু ধ*র্ষণের সত্যতা পাওয়া গেলেও পুলিশ এখনো সুজন শেখকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কারণ সুজন শেখ এলাকাতে বিএনপি করে এবং বিএনপির উর্ধ্বতন নেতাদের সাথেও তার দহরমমহরম সম্পর্ক আছে।
মামলার এজাহার নেয়ার সময় মহিলাটা কেঁদে কেঁদে বলছিল- আমারতো স্বামী নাই, একটা সন্তান নিয়া মাইনষের বাড়িত কাজ কইরা খাই, অভাব অনটনের সংসার। সুজন শেখ রাজনীতি করে ,ভাবছি উনায় কার্ড কইরা দিতে পারব কিন্তু এহনতো আমার জীবনডারে শেষ কইর্যা দিলো।
কথাগুলো বলেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল মহিলাটা। তার ছোট সন্তানটাও ছিল তার সাথে।
মহিলাটা অসহায় ,তেমন একটা পড়াশোনা জানে না। কাগজপত্র ,মামলা মোকদ্দমা বুঝে না। এই সুযোগেই বিএনপি দলের প্রভাব খাটিয়ে সুজন শেখ গ্রেফতার হওয়া থেকে বেঁচে যাচ্ছে। প্রশাসনের সাথে একটা সমঝোতাও করে ফেলতে চাচ্ছে সে কারণ মহিলাটার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নাই।
মহিলাটা এতটাই গরবি আর অসহায় যে তার বাড়ির টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে, বৃষ্টি এলে কোনরকম পলিথিনের কাগজ দিয়ে ঘরটাকে বাঁচিয়ে রাখে, একটা সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট ঘরটাতেই অনাহারে কাটে তার জীবন।
অন্যদিকে সুজন শেখের টাকাপয়সা আছে ,দলের ক্ষমতা আছে, আইন আদালত হাত করা আছে।
মহিলাটা গত দুইদিন যাবত থানার ঘুরতেছে বিচারের আশায়। এই অসহায় মহিলাটা টাকাপয়সা চায় না, ক্ষতিপূরণ চায় না, তার উপর অমানবিক ধ*র্ষণের বিচারটুকু চায় শুধু
- Ibrahim Khalil Shawon
বিধবা হওয়া সত্ত্বেও এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে। এলাকার নেতারাই সব টাকা মেরে দিতো।
মহিলাটা বাড়িতে একা একা থাকে বিধায় মহিলার দিকে নজর যায় ফরিদপুর পৌর এলাকার বিএনপি নেতা সুজন শেখের। সে বারবার সুযোগ খুঁজতে থাকে কিভাবে মহিলার সম্ভ্রমহানি করা যায়।
কিছুদিন আগে সুজন শেখ মহিলার বাড়িতে এসে তাকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার আশ্বাস দেয়। মহিলাটা তার কথা বিশ্বাস করে না কেননা এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে।
মহিলাটা তেমন একটা পড়াশোনা জানে না, কাগজপত্রের ঝামেলাও বুঝে না। সুজন শেখ মহিলার এই সরলতার সুযোগটাকেই কাজে লাগায়। ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে মহিলাটার সাথে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে।
এরপর গত ২ তারিখ বৃহস্পতিবার সুজন শেখ মহিলাটার বাড়িতে এসে বলে- ফ্যামিলি কার্ড নিতে হলে উপজেলা পরিষদে যেতে হবে, আমার সাথে আসো।
মহিলাটাও বিশ্বাস করে যায়। সুজন শেখ মহিলাটাকে প্রথমে রিক্সা করে বাস টার্মিনালে নিয়ে যায়। তারপর সেখান থেকে পায়ে হেঁটে একটা আবাসিক হোটেলের সামনে নিয়ে যায়।
মহিলাটা তখন জিজ্ঞেস করে- এটা কি উপজেলা পরিষদ?
সুজন শেখ তখন উত্তরে বলে- এখানেই নতুন অফিস করা হয়েছে, আসো।
তারপর মহিলাটাকে সেই আবাসিক হোটেলের একটা রুমে নিয়ে যায় সুজন শেখ। রুমে নেয়ার পর মহিলাটা বুঝতে পারে সুজন শেখের মতলব ভালো না। সে সেখান থেকে চলে আসতে চায় এমনকি জোরে চিৎকার দেয়ার চেষ্টাও করে।
চিৎকার দিতে চাইলে সুজন শেখ মহিলাটার চোখমুখ চেপে ধরে এবং বলে তার কথামতো কাজ না করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবে না। মহিলাটা কার্ড লাগবে না বলে চলে আসার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সুজন শেখ জোরজবরদস্তি করে টানা ধ*র্ষণ করতে থাকে।
এরপর মহিলাটাকে সেখানে ফেলেই সুজন শেখ চলে আসে এবং আসার সময় হুমকি দিয়ে আসে এ ঘটনা যাতে ভুলেও কেউ জানতে না পারে, এমনকি তার কাছের কেউও না।
এর ঘন্টা দুয়েক পর মহিলাটা রিকশায় করে কোনরকম বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসেই জোরপূর্বক ধ*র্ষণের নির্মমতায় অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। অসুস্থ হয়ে পড়ায় সে আর বিষয়টা লুকিয়ে রাখতে পারে না। পুরো ঘটনাটা তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে খুলে বলে।
তারপর অবস্থা সিরিয়াস দেখে তারাই মহিলাটাকে ফরিদপুর মেডিকেলের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করায়। টানা ধ*র্ষণে অবস্থা ক্রিটিকাল হয়ে যাওয়ায় সেখানে ৪ দিন যাবত মহিলাটার চিকিৎসা চলে।
তারপর ভাইয়ের স্ত্রী এবং ডাক্তারদের সহায়তায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করে দায়ের সে। উপজেলা পুলিশ ডাক্তারদের সাথে কথা বলে এবং মেডিকেল রিপোর্ট দেখে ধ*র্ষণের সত্যতা খুঁজে পায়।
কিন্তু ধ*র্ষণের সত্যতা পাওয়া গেলেও পুলিশ এখনো সুজন শেখকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কারণ সুজন শেখ এলাকাতে বিএনপি করে এবং বিএনপির উর্ধ্বতন নেতাদের সাথেও তার দহরমমহরম সম্পর্ক আছে।
মামলার এজাহার নেয়ার সময় মহিলাটা কেঁদে কেঁদে বলছিল- আমারতো স্বামী নাই, একটা সন্তান নিয়া মাইনষের বাড়িত কাজ কইরা খাই, অভাব অনটনের সংসার। সুজন শেখ রাজনীতি করে ,ভাবছি উনায় কার্ড কইরা দিতে পারব কিন্তু এহনতো আমার জীবনডারে শেষ কইর্যা দিলো।
কথাগুলো বলেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল মহিলাটা। তার ছোট সন্তানটাও ছিল তার সাথে।
মহিলাটা অসহায় ,তেমন একটা পড়াশোনা জানে না। কাগজপত্র ,মামলা মোকদ্দমা বুঝে না। এই সুযোগেই বিএনপি দলের প্রভাব খাটিয়ে সুজন শেখ গ্রেফতার হওয়া থেকে বেঁচে যাচ্ছে। প্রশাসনের সাথে একটা সমঝোতাও করে ফেলতে চাচ্ছে সে কারণ মহিলাটার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নাই।
মহিলাটা এতটাই গরবি আর অসহায় যে তার বাড়ির টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে, বৃষ্টি এলে কোনরকম পলিথিনের কাগজ দিয়ে ঘরটাকে বাঁচিয়ে রাখে, একটা সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট ঘরটাতেই অনাহারে কাটে তার জীবন।
অন্যদিকে সুজন শেখের টাকাপয়সা আছে ,দলের ক্ষমতা আছে, আইন আদালত হাত করা আছে।
মহিলাটা গত দুইদিন যাবত থানার ঘুরতেছে বিচারের আশায়। এই অসহায় মহিলাটা টাকাপয়সা চায় না, ক্ষতিপূরণ চায় না, তার উপর অমানবিক ধ*র্ষণের বিচারটুকু চায় শুধু
- Ibrahim Khalil Shawon
😢119❤8
'লাশের ছবিগুলায় দেখবেন আমার ছেলের ওই পুইড়া থাকা হাতে মোবাইল দেখা যায়।
সে তো জীবিত ছিল! নিশ্চয়ই আগুন দেয়ার ওই মুহূর্তে ফোনটা হাতে নিছিল! সে হয়তো আমারেই কল দিচ্ছিল 'আম্মু আমাদেরকে জ্বালায়ে ফেলতেছে' বলার জন্য!'
সে বাঁচতে চেষ্টা করছিল! কিন্তু আমার ছেলেটাকে ওরা জীবন্তই পুড়ায়ে ফেলছে! আমার ছেলে ছিল ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, তার লাশটা আমি বুঝে পাইছি ৪ ফুট!'
- জুলাই রেকর্ডসকে দেয়া ইন্টারভিউতে শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহীনা আক্তার
৫ আগস্ট আশুলিয়ায় বিভৎস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজল। ছবিতে শাহীনা আক্তার ও তার সন্তান শহীদ সজল।
সে তো জীবিত ছিল! নিশ্চয়ই আগুন দেয়ার ওই মুহূর্তে ফোনটা হাতে নিছিল! সে হয়তো আমারেই কল দিচ্ছিল 'আম্মু আমাদেরকে জ্বালায়ে ফেলতেছে' বলার জন্য!'
সে বাঁচতে চেষ্টা করছিল! কিন্তু আমার ছেলেটাকে ওরা জীবন্তই পুড়ায়ে ফেলছে! আমার ছেলে ছিল ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, তার লাশটা আমি বুঝে পাইছি ৪ ফুট!'
- জুলাই রেকর্ডসকে দেয়া ইন্টারভিউতে শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহীনা আক্তার
৫ আগস্ট আশুলিয়ায় বিভৎস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজল। ছবিতে শাহীনা আক্তার ও তার সন্তান শহীদ সজল।
😢215😭34❤4👍2😁2