২০২৪ সালের ০৪ আগস্ট মাগুরার মোহম্মদপুর থানা থেকে ছোড়া গুলিতে শহীদ হয় আহাদ আলী। সেই আসনের এমপি সাকিব আল হাসান। সেখানে আরো শহীদ হয় শহীদ সুমন মিয়া (২০)।
শহীদ হওয়ার মাসখানেক আগেই তাবলীগ থেকে এসেছিল আহাদ, বাম পাশের ছবিটি তখনের। ০৪ আগস্ট সেই একই পাঞ্জাবী পড়া অবস্থায় শহীদ হয় আহাদ। ডান পাশের রক্তাক্ত পাঞ্জাবির ছবিটি ০৫ আগস্টের।
শুয়োর খুনী সাকিবকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিবেন।
- আকিফ আব্দুল্লাহ
শহীদ হওয়ার মাসখানেক আগেই তাবলীগ থেকে এসেছিল আহাদ, বাম পাশের ছবিটি তখনের। ০৪ আগস্ট সেই একই পাঞ্জাবী পড়া অবস্থায় শহীদ হয় আহাদ। ডান পাশের রক্তাক্ত পাঞ্জাবির ছবিটি ০৫ আগস্টের।
শুয়োর খুনী সাকিবকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিবেন।
- আকিফ আব্দুল্লাহ
😢129❤2🍌1
ময়মনসিংহের গফরগাঁও ছাত্রদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে বালু উত্তোলনের সময় ১১ মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দিয়েছে গ্রামবাসীরা।
❤100🔥28
জেনারেল মামুন খালেদ সাবেক গোয়েন্দা প্রধান গ্রেফতার শুনে ভাল লাগলো।
২০১৪ - ২০১৮ সালে এই প্রধান রাই এক রকম ষ্টিম রোলার চালায় বিরোধী মতের প্রতি -
আমি আমার গল্পটাই বলি -
২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগেই ১৯ তারিখ রাতে গু* এর পর গ্রেফতার দেখানো হয় ০৩ দিন পর।
২০১৯ এর মার্চ মাস আমি তখন জেলে।
আমি অলরেডি ১৬৪ ধারায় জবান বন্দী দিয়ে দিয়েছি সি আই ডির রিমান্ডের পর। শুধু শর্ত ছিলো প্রয়াত দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আমার পরিবার কে ঝামেলা করা যাবে না - কারণ সি আই ডি তখন আমার পরিবার কে গু* করতে গাড়ি পাঠায় - একে হাতে লাইভ মোবাইলে দেখাচ্ছে সি আই ডি আমার বাসার সামনে যদি সাইন না করি তাহলে আমার বৌ বাচ্চাকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে - কাগজে লিখা আমি বেগম জিয়ার আদেশে হাসিনাকে খু- করার পরিকল্পনা করি - আমি দুইবার অপারগতা প্রকাশ করি এর পরে বলি যা লিখার লিখেন তবে অন্য কারো নাম লিখলে আমি জীবন দিব তবুও সাইন করবো না।
এরপর সি আই ডি রাজি হয় - এক গাদা কাহিনি লিখে আমাকে দেয় সব আমার পরিকল্পনা - আমি সাইন করি।
সি আই ডি ০৩দিনের রিমান্ড এখনও আমার ব্রেইনে গেঁথে আছে মাঝে মাঝে ঘুম ভেঙ্গে যায় । ০৩ দিন ইন্টারনাল ব্লিডিং -
যাই হউক - প্রিজন ভ্যান এ জেলে আবার ফেরত যখন যাচ্ছি তখন পুলিশের এক কনস্টেবল কে ২০০ টাকা দিয়ে বাসায় বউ কে এক টা কল দেই - এবং বলি ওরা যেন ইমিডিয়েটলি দেশ ত্যাগ করে তা না হলে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে আমি ১৬৪ উইথড্র করার টাইম পার হয়ে যাবে আর জেল থেকে বের হতে পারবো না।
টাকাটা কাপড়ের ভাঁজে লুকানো ছিলো।
সি আই ডি তখন দাম্ভিকতা করে বলেছিলো - "তোর সারা জীবন জেলেই কাটবে "
এরপর আমার বোউ বাচ্চা সব ফেলে ২০১৯ এর মার্চ মাসেই আমার বড় ছেলের ও লেবেল পরীক্ষার ০৩ মাস আগে ফ্লাইট বুকিং লন্ডনের উদ্দেশ্যে বিমান বন্দরে যায়।
সেইখান থেকে ততকালীন ডি জি ডি জি এফ আই প্রধান ওদের ফ্লাইট বোর্ডিং ডিনাই করে - বলে দেয় আমার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আছে।
আমার স্ত্রী হাই কোর্টে রিট করে।
প্রায় ১৫ দিন লাগে এই ঝামেলায় - হাই কোর্ট আদেশ দেয় আমার পরিবার যেহেতু রাজনৈতিক না তাই দেশের বাহিরে যাওয়ায় কোন বাঁধা নাই -
এর পর আবার প্রায় ০৬লক্ষ টাকা খরছ করে আমার পরিবার টিকিট কাটে - সেইদিন ডি জি এফ আই প্রধান আমার দুই সন্তান কে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ার করে আমার স্ত্রীকে আবার আটকায় - তখন ডি জি কে সতর্ক করেন আমার আইন জীবী ব্যারিস্টার খোকন যে তিনি আদালত অবমাননা করছেন - তখন শেষ মুহুর্তে ছাড় দেন ফ্লাইটের ২০ মিনিট আগে।
সেইদিন ডি জি সাহেব দাম্ভিকতা করে বলেছিলো আমরা নাকি ওনাকে হাইকোর্টের ডর দেখাই তিনি চাইলে আমার স্ত্রীকেও গু* করতে পারেন।
পারেন নাই কারন আমিও কাউন্টার গেইম খেলেছি - DG NএসI VS DG DG এফ আই।
আমার স্ত্রী সন্তানরা মাত্র ০৩ দিনের ভিসা মেয়াদ নিয়ে যুক্তরাজ্য তে প্রবেশ করে। একবার ভাবেন আমার পরিবারের উপর দিয়ে যাওয়া সেই ট্রমাটাইজড দিন গুলো।
২০ বছরে গোছানো সংসার ছেলে দের শিক্ষা - সব ছেড়ে চলে আসছে এক কাপড়ে।
এর পর আমি এক মাস পর জামিন পাই - কারন পরিবার দেশের বাহিরে যাবার পর আমি ১৬৪ ধারা উইথড্র করি আদালতে।
এইবার আমি দেশের বাহিরে যাবার চেষ্টা করি - কারন আমার মিলিটারী শুভাকাঙ্ক্ষী রা আমাকে জানিয়ে দিয়েছিল আমি যেন সাঁতরে হলেও বাংলাদেশ ত্যাগ করি -
জামিন পাবার পর শুনি আরো ০৩মামলা নিয়ে সি আই ডি RAB আমাকে পুনরায় গ্রেফতারের ষড়যন্ত্র করছে -
বিমান বন্দরে যাই কোলকাতা যাবার ধান্দা করে - রোজার মাস - ২৭ রোজা।
আমাকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করলো - এরপর আসলো ডি জি এফ আই এর প্রতিনিধি -
আমাকে জিজ্ঞেস করলো - কেন বিদেশ যাব।
আমি বললাম আমার ইচ্ছা -
সেইদন ইমিগ্রেশন পুলিশের সেই অফিসারকে কে মনে হলো ফেরেশতা - জানি না কেমন আছেন কোথায় আছেন।
আমাকে শুধু বললেন "স্যার আমার রুমে আসেন ইফতার করে নামাজ পড়ে আপনি কিভাবে বের হবেন তা আপনি ভালো জানেন - "
আমি বিমান বন্দরের সব অলি গলি চিনি - যেহেতু এয়ার লাইন্সে মেনেজমেন্ট পোষ্টে ছিলাম।
আমাকে পুলিশ অফিসার শুধু বলে দিলেন - বিমান বন্দরের বাহিরে আমাকে পুনরায় গ্রেফতারের আয়োজন শেষ- সেই গল্প আরেকদিন বলবো।
আমি সীমান্ত দিয়ে পার হবার ০৩ টা অলটারনেটিভ প্লানিং ও করে রেখেছিলাম।
সেইদিন বিমান বন্দর থেকে এক ব্যাগ নিয়ে সেই রাতেই সীমান্ত পার হই ০৩ লক্ষ টাকা দিয়ে -
ততকালীন ডি জি এন এস আই জুবায়ের Sir আমাকে কি পরিমান সহায়তা করেছে তা বলে শেষ করে পারবো না - না হলে আমাকে শেষ করে দিত হাসিনা গং রা।
একদিন ওনার গল্পও লিখবো। আমি উপকারীর কৃতজ্ঞতা অবশ্যই স্বীকার করি।
খালেদ মামুনরা (ডি জি ডিজিএফআই) কি পরিমাণ পৈশাচিক ছিলো আর হাসিনার আদেশ পালন করতো তার ছোট্ট একটা নমুনা দিলাম।
ওনাকে আর ওনার পরিবারকেও জেলে ভরে রাখা হোউক।
পাপের প্রায়শ্চিত্ত অবশ্যই সবাই কে করতে হবে এবং এদের পরিবারকেও।
তাহলে আগামীতে সবাই সতর্ক থাকবে - অন্যায় অবিচার আর কেহ করতে পারবে না।
~Muhammad Wahid Un Nabi
২০১৪ - ২০১৮ সালে এই প্রধান রাই এক রকম ষ্টিম রোলার চালায় বিরোধী মতের প্রতি -
আমি আমার গল্পটাই বলি -
২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগেই ১৯ তারিখ রাতে গু* এর পর গ্রেফতার দেখানো হয় ০৩ দিন পর।
২০১৯ এর মার্চ মাস আমি তখন জেলে।
আমি অলরেডি ১৬৪ ধারায় জবান বন্দী দিয়ে দিয়েছি সি আই ডির রিমান্ডের পর। শুধু শর্ত ছিলো প্রয়াত দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আমার পরিবার কে ঝামেলা করা যাবে না - কারণ সি আই ডি তখন আমার পরিবার কে গু* করতে গাড়ি পাঠায় - একে হাতে লাইভ মোবাইলে দেখাচ্ছে সি আই ডি আমার বাসার সামনে যদি সাইন না করি তাহলে আমার বৌ বাচ্চাকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে - কাগজে লিখা আমি বেগম জিয়ার আদেশে হাসিনাকে খু- করার পরিকল্পনা করি - আমি দুইবার অপারগতা প্রকাশ করি এর পরে বলি যা লিখার লিখেন তবে অন্য কারো নাম লিখলে আমি জীবন দিব তবুও সাইন করবো না।
এরপর সি আই ডি রাজি হয় - এক গাদা কাহিনি লিখে আমাকে দেয় সব আমার পরিকল্পনা - আমি সাইন করি।
সি আই ডি ০৩দিনের রিমান্ড এখনও আমার ব্রেইনে গেঁথে আছে মাঝে মাঝে ঘুম ভেঙ্গে যায় । ০৩ দিন ইন্টারনাল ব্লিডিং -
যাই হউক - প্রিজন ভ্যান এ জেলে আবার ফেরত যখন যাচ্ছি তখন পুলিশের এক কনস্টেবল কে ২০০ টাকা দিয়ে বাসায় বউ কে এক টা কল দেই - এবং বলি ওরা যেন ইমিডিয়েটলি দেশ ত্যাগ করে তা না হলে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে আমি ১৬৪ উইথড্র করার টাইম পার হয়ে যাবে আর জেল থেকে বের হতে পারবো না।
টাকাটা কাপড়ের ভাঁজে লুকানো ছিলো।
সি আই ডি তখন দাম্ভিকতা করে বলেছিলো - "তোর সারা জীবন জেলেই কাটবে "
এরপর আমার বোউ বাচ্চা সব ফেলে ২০১৯ এর মার্চ মাসেই আমার বড় ছেলের ও লেবেল পরীক্ষার ০৩ মাস আগে ফ্লাইট বুকিং লন্ডনের উদ্দেশ্যে বিমান বন্দরে যায়।
সেইখান থেকে ততকালীন ডি জি ডি জি এফ আই প্রধান ওদের ফ্লাইট বোর্ডিং ডিনাই করে - বলে দেয় আমার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আছে।
আমার স্ত্রী হাই কোর্টে রিট করে।
প্রায় ১৫ দিন লাগে এই ঝামেলায় - হাই কোর্ট আদেশ দেয় আমার পরিবার যেহেতু রাজনৈতিক না তাই দেশের বাহিরে যাওয়ায় কোন বাঁধা নাই -
এর পর আবার প্রায় ০৬লক্ষ টাকা খরছ করে আমার পরিবার টিকিট কাটে - সেইদিন ডি জি এফ আই প্রধান আমার দুই সন্তান কে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ার করে আমার স্ত্রীকে আবার আটকায় - তখন ডি জি কে সতর্ক করেন আমার আইন জীবী ব্যারিস্টার খোকন যে তিনি আদালত অবমাননা করছেন - তখন শেষ মুহুর্তে ছাড় দেন ফ্লাইটের ২০ মিনিট আগে।
সেইদিন ডি জি সাহেব দাম্ভিকতা করে বলেছিলো আমরা নাকি ওনাকে হাইকোর্টের ডর দেখাই তিনি চাইলে আমার স্ত্রীকেও গু* করতে পারেন।
পারেন নাই কারন আমিও কাউন্টার গেইম খেলেছি - DG NএসI VS DG DG এফ আই।
আমার স্ত্রী সন্তানরা মাত্র ০৩ দিনের ভিসা মেয়াদ নিয়ে যুক্তরাজ্য তে প্রবেশ করে। একবার ভাবেন আমার পরিবারের উপর দিয়ে যাওয়া সেই ট্রমাটাইজড দিন গুলো।
২০ বছরে গোছানো সংসার ছেলে দের শিক্ষা - সব ছেড়ে চলে আসছে এক কাপড়ে।
এর পর আমি এক মাস পর জামিন পাই - কারন পরিবার দেশের বাহিরে যাবার পর আমি ১৬৪ ধারা উইথড্র করি আদালতে।
এইবার আমি দেশের বাহিরে যাবার চেষ্টা করি - কারন আমার মিলিটারী শুভাকাঙ্ক্ষী রা আমাকে জানিয়ে দিয়েছিল আমি যেন সাঁতরে হলেও বাংলাদেশ ত্যাগ করি -
জামিন পাবার পর শুনি আরো ০৩মামলা নিয়ে সি আই ডি RAB আমাকে পুনরায় গ্রেফতারের ষড়যন্ত্র করছে -
বিমান বন্দরে যাই কোলকাতা যাবার ধান্দা করে - রোজার মাস - ২৭ রোজা।
আমাকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করলো - এরপর আসলো ডি জি এফ আই এর প্রতিনিধি -
আমাকে জিজ্ঞেস করলো - কেন বিদেশ যাব।
আমি বললাম আমার ইচ্ছা -
সেইদন ইমিগ্রেশন পুলিশের সেই অফিসারকে কে মনে হলো ফেরেশতা - জানি না কেমন আছেন কোথায় আছেন।
আমাকে শুধু বললেন "স্যার আমার রুমে আসেন ইফতার করে নামাজ পড়ে আপনি কিভাবে বের হবেন তা আপনি ভালো জানেন - "
আমি বিমান বন্দরের সব অলি গলি চিনি - যেহেতু এয়ার লাইন্সে মেনেজমেন্ট পোষ্টে ছিলাম।
আমাকে পুলিশ অফিসার শুধু বলে দিলেন - বিমান বন্দরের বাহিরে আমাকে পুনরায় গ্রেফতারের আয়োজন শেষ- সেই গল্প আরেকদিন বলবো।
আমি সীমান্ত দিয়ে পার হবার ০৩ টা অলটারনেটিভ প্লানিং ও করে রেখেছিলাম।
সেইদিন বিমান বন্দর থেকে এক ব্যাগ নিয়ে সেই রাতেই সীমান্ত পার হই ০৩ লক্ষ টাকা দিয়ে -
ততকালীন ডি জি এন এস আই জুবায়ের Sir আমাকে কি পরিমান সহায়তা করেছে তা বলে শেষ করে পারবো না - না হলে আমাকে শেষ করে দিত হাসিনা গং রা।
একদিন ওনার গল্পও লিখবো। আমি উপকারীর কৃতজ্ঞতা অবশ্যই স্বীকার করি।
খালেদ মামুনরা (ডি জি ডিজিএফআই) কি পরিমাণ পৈশাচিক ছিলো আর হাসিনার আদেশ পালন করতো তার ছোট্ট একটা নমুনা দিলাম।
ওনাকে আর ওনার পরিবারকেও জেলে ভরে রাখা হোউক।
পাপের প্রায়শ্চিত্ত অবশ্যই সবাই কে করতে হবে এবং এদের পরিবারকেও।
তাহলে আগামীতে সবাই সতর্ক থাকবে - অন্যায় অবিচার আর কেহ করতে পারবে না।
~Muhammad Wahid Un Nabi
👍34😢22❤15😁2
সংবিধান মানতে গিয়ে বদলি হলেন মহেশপুরের UNO
সংবিধানে আছে স্বাধীনতার ঘোষক শেখ মুজিবুর রহমান। আর সরকারিদল বলছে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান। এই গণ্ডগোলের মধ্যে গতকাল স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্যে মহেশপুরের ইউএনও তার বক্তব্যে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে কারো নামই উল্লেখ করেননি।
জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপির লোকেরা স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বয়কট করলে ইউএনও সাংবাদিকদের জানান যেহেতু এখনো সংবিধান পরিবর্তন করা হয়নি তাই তিনি সংবিধানের বাইরে তো কোনো ঘোষণা দিতে পারেননা।
এর পর তাকে বদলি করা হয়েছে। সংবিধান মানার কারণে প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হলো, অপরদিকে নিজের দায়িত্ব বাদ দিয়ে সংবিধান নিয়ে জিগির করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন সংবিধান নিয়ে জাতিকে নানা তালিম দিচ্ছেন।
সংবিধানে আছে স্বাধীনতার ঘোষক শেখ মুজিবুর রহমান। আর সরকারিদল বলছে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান। এই গণ্ডগোলের মধ্যে গতকাল স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্যে মহেশপুরের ইউএনও তার বক্তব্যে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে কারো নামই উল্লেখ করেননি।
জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপির লোকেরা স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বয়কট করলে ইউএনও সাংবাদিকদের জানান যেহেতু এখনো সংবিধান পরিবর্তন করা হয়নি তাই তিনি সংবিধানের বাইরে তো কোনো ঘোষণা দিতে পারেননা।
এর পর তাকে বদলি করা হয়েছে। সংবিধান মানার কারণে প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হলো, অপরদিকে নিজের দায়িত্ব বাদ দিয়ে সংবিধান নিয়ে জিগির করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন সংবিধান নিয়ে জাতিকে নানা তালিম দিচ্ছেন।
😢66😁33❤5👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নিষিদ্ধ লীগ নেতাদের দলে জায়গা দেওয়ায় দীর্ঘদিনের জেলখাটা বিএনপি কর্মী ক্ষোভ ঝাড়লেন বিএনপি নেতাদের প্রতি।
❤117👍12🔥5😁1