বরিশাল মহানগরের দক্ষিনা রঞ্জন চক্রবর্তী স্মৃতি দুর্গা মন্দির এবার তাদের দুর্গোৎসবের একটা বড় অংশ টাকা বন্যার্তদের জন্য দান করেছে ইসলামি স্কলার আহমাদুল্লাহর আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে।
কিছুদিন আগেই ভারতের গোদি মিডিয়া বাংলাদেশে সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা ও গুজব চালিয়েছিলো কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে।
দিল্লির আধিপত্যের বিরুদ্ধে আমাদের সকলের আওয়াজ জারি রাখতে হবে। দিল্লি ডিমারকেশন থিওরি দিয়ে আমাদেরকে আলাদা করে রাখতে চায় কিন্তু তারা সফল হয়নি আর হবেও না। জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও জাতীয় সংকট নিরসনে আমরা এক ও অভিন্ন।
হাসিব আল ইসলাম।
কিছুদিন আগেই ভারতের গোদি মিডিয়া বাংলাদেশে সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা ও গুজব চালিয়েছিলো কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে।
দিল্লির আধিপত্যের বিরুদ্ধে আমাদের সকলের আওয়াজ জারি রাখতে হবে। দিল্লি ডিমারকেশন থিওরি দিয়ে আমাদেরকে আলাদা করে রাখতে চায় কিন্তু তারা সফল হয়নি আর হবেও না। জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও জাতীয় সংকট নিরসনে আমরা এক ও অভিন্ন।
হাসিব আল ইসলাম।
❤847👍76❤🔥16🫡13🥰12
সবার কাছে জরুরী সহায়তা কামনা করছি।
দয়া করে নিচে দেওয়া মহিলা মাদ্রাসাটির জন্য কোনো একটা ব্যবস্থা করা যায় কিনা সবাই একটু দেখুন। মহিলা মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৪০০ শো এর উপরে মহিলা ছাত্রী-শিক্ষিকা রয়েছে। সবাই পানি-বন্দি। পর্দানশীন এই মা-বোনরা খুব কঠিন পরিস্থিতিতে আছেন। কারেন্ট নেই। বাহির থেকে কোনো কিছু আনার মতো পরিস্থিতিও নেই। প্রচুর খাদ্য সংকট; বিশেষ করে শুকনো খাবার আর মোমবাতি ইত্যাদি।
নিচে পরিচালকের মোবাইল নাম্বার দিয়েছি, এখন পর্যন্ত মোবাইলে তাঁকে পাবেন। তবে মোবাইলের চার্জ শেষ হলে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
মাদ্রাসার নাম:
জামেয়া আমেনা মহিলা মাদ্রাসা,
ফেনী মহিপাল, হোসাইনিয়া মাদ্রাসা রোড।
মাদ্রাসার পরিচালকের মোবাইল নাম্বার:
01818400512
দয়া করে নিচে দেওয়া মহিলা মাদ্রাসাটির জন্য কোনো একটা ব্যবস্থা করা যায় কিনা সবাই একটু দেখুন। মহিলা মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৪০০ শো এর উপরে মহিলা ছাত্রী-শিক্ষিকা রয়েছে। সবাই পানি-বন্দি। পর্দানশীন এই মা-বোনরা খুব কঠিন পরিস্থিতিতে আছেন। কারেন্ট নেই। বাহির থেকে কোনো কিছু আনার মতো পরিস্থিতিও নেই। প্রচুর খাদ্য সংকট; বিশেষ করে শুকনো খাবার আর মোমবাতি ইত্যাদি।
নিচে পরিচালকের মোবাইল নাম্বার দিয়েছি, এখন পর্যন্ত মোবাইলে তাঁকে পাবেন। তবে মোবাইলের চার্জ শেষ হলে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
মাদ্রাসার নাম:
জামেয়া আমেনা মহিলা মাদ্রাসা,
ফেনী মহিপাল, হোসাইনিয়া মাদ্রাসা রোড।
মাদ্রাসার পরিচালকের মোবাইল নাম্বার:
01818400512
😢798😭175❤54👍54💔32
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এখনও বিপ্লবের গ্লোরি নস্যাৎ করতে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আনসার সদস্যদের আন্দোলনের মধ্যে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ঢুকে ফ্যাসিস্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়েছে।
আনসার বাহিনী সচিবালয় ঘেরাও করলে তাদের প্রতিনিধি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সাথে কয়েক দফায় আলোচনা হয়। সেখানে তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক সাপ্তাহ সময় নেওয়া হয় কারণ দেশে দিল্লির আধিপত্যবাদী আচরণের কারণে আকস্মিক রাজনৈতিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং এই জাতীয় সংকট নিরসনে দেশের সকল বাহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কিন্তু আনসার বাহিনীর মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এই সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে থাকে, সমন্বয়কদের জিম্মি করে এবং তারা বন্যায় মানুষের মৃত্যুর সাথে মশকরা করে ত্রানের গাড়ি আটকে দেয়।
সেসময় আমরা সচিবালয়ে তাদের আন্দোলনের মাঝে উপস্থিত ছিলাম। আমরা তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করি রাস্তা আটকে জনদূর্ভোগ তৈরি না করে প্রয়োজনে আবারও আলোচনা করুন এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুন এর প্রমাণ যমুনা টেলিভিশনের নিউজে স্পষ্ট ডকুমেন্টশন রয়েছে যার লিংক কমেন্টে দিয়ে দিবো। কিন্তু আনসারদের মধ্যে কয়েকজনের আচরণ সন্দেহজনক ছিলো। তারা ঝামেলা করার চেষ্টা বারবার করছিলো। আমাদের থেকে কয়েকবার মাইক কেড়ে নিয়ে ঝামেলা করার চেষ্টা করে কিন্তু আমরা তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি। হটাৎ কিছু আনসারলীগ ফ্যাসিবাদের দোসর আমাদের শিক্ষার্থী ভাইদের উপর নৃশংস হামলা চালায়, আমাদেরও মারতে থাকে এবং এক পর্যায়ে গুলিও করে,কতোটা ভয়ানক ছিলো চিন্তা করুন!
এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সমর্থ হয়। শিক্ষার্থীরা সচিবালয় ত্যাগ করে রাজু ভাস্কর্যে এসে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানায়।
অনতিবিলম্বে আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসর গুন্ডা আনসারলীগের সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। বন্যায় মানুষ মরছে, জাতীয় সংকট নিরসনে ছাত্র শ্রমিক জনতা দিনরাত পরিশ্রম করছে আর আনসারলীগ দাবি মেনে নেওয়ার পরও দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে সচিবালয়ে ঘেরাও ও আক্রমণ করে এরা তো স্পষ্ট জনশত্রু।
শেয়ারেবল লিংক :
https://www.facebook.com/share/p/7kGsMJHRhFw8uCSm/?mibextid=qi2Omg
আনসার বাহিনী সচিবালয় ঘেরাও করলে তাদের প্রতিনিধি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সাথে কয়েক দফায় আলোচনা হয়। সেখানে তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক সাপ্তাহ সময় নেওয়া হয় কারণ দেশে দিল্লির আধিপত্যবাদী আচরণের কারণে আকস্মিক রাজনৈতিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং এই জাতীয় সংকট নিরসনে দেশের সকল বাহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কিন্তু আনসার বাহিনীর মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এই সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে থাকে, সমন্বয়কদের জিম্মি করে এবং তারা বন্যায় মানুষের মৃত্যুর সাথে মশকরা করে ত্রানের গাড়ি আটকে দেয়।
সেসময় আমরা সচিবালয়ে তাদের আন্দোলনের মাঝে উপস্থিত ছিলাম। আমরা তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করি রাস্তা আটকে জনদূর্ভোগ তৈরি না করে প্রয়োজনে আবারও আলোচনা করুন এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুন এর প্রমাণ যমুনা টেলিভিশনের নিউজে স্পষ্ট ডকুমেন্টশন রয়েছে যার লিংক কমেন্টে দিয়ে দিবো। কিন্তু আনসারদের মধ্যে কয়েকজনের আচরণ সন্দেহজনক ছিলো। তারা ঝামেলা করার চেষ্টা বারবার করছিলো। আমাদের থেকে কয়েকবার মাইক কেড়ে নিয়ে ঝামেলা করার চেষ্টা করে কিন্তু আমরা তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি। হটাৎ কিছু আনসারলীগ ফ্যাসিবাদের দোসর আমাদের শিক্ষার্থী ভাইদের উপর নৃশংস হামলা চালায়, আমাদেরও মারতে থাকে এবং এক পর্যায়ে গুলিও করে,কতোটা ভয়ানক ছিলো চিন্তা করুন!
এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সমর্থ হয়। শিক্ষার্থীরা সচিবালয় ত্যাগ করে রাজু ভাস্কর্যে এসে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানায়।
অনতিবিলম্বে আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসর গুন্ডা আনসারলীগের সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। বন্যায় মানুষ মরছে, জাতীয় সংকট নিরসনে ছাত্র শ্রমিক জনতা দিনরাত পরিশ্রম করছে আর আনসারলীগ দাবি মেনে নেওয়ার পরও দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে সচিবালয়ে ঘেরাও ও আক্রমণ করে এরা তো স্পষ্ট জনশত্রু।
শেয়ারেবল লিংক :
https://www.facebook.com/share/p/7kGsMJHRhFw8uCSm/?mibextid=qi2Omg
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
👍423❤118🔥22😁14👏5
দিল্লিতে বসে ফ্যাসিস্ট হাসিনা তার দোসরদের দিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উপর তারা নৃশংস হা'মলার ও গুলি চালিয়েছে। এদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় অনতিবিলম্বে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এবং দিল্লিকেও ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে অতিদ্রুত বাংলাদেশের জনগণের নিকট হস্তান্তর করতে হবে।
আনসার বিশৃঙ্খলার নেতৃত্ব দেন যুবলীগ নেতা কাদের। আওয়ামী সন্ত্রাস রুখে দিতে আজ সন্ধ্যা ছয়টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে চলে আসুন...
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/3QC7TNqq1GUJpjsx/?mibextid=qi2Omg
আনসার বিশৃঙ্খলার নেতৃত্ব দেন যুবলীগ নেতা কাদের। আওয়ামী সন্ত্রাস রুখে দিতে আজ সন্ধ্যা ছয়টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে চলে আসুন...
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/3QC7TNqq1GUJpjsx/?mibextid=qi2Omg
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤504👍114🔥35💋16❤🔥15
টিএসসির ত্রান সংগ্রহ সম্পর্কিত বিশদ বিশ্লেষণ
https://www.facebook.com/share/efeU613WReoTzrZf/?mibextid=xfxF2i
https://www.facebook.com/share/efeU613WReoTzrZf/?mibextid=xfxF2i
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤194👍45🤬12👏4😁1
আজকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উপজেলায় ভারী খাবার পৌঁছেছে। আড়াই টন চালের সাথে সংগতি রেখে সেই অনুপাতে ডাল-তেল, আলু-পেয়াজ, মশলা পাঠানো হয়েছে।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে।
আজকে নিম্নোক্ত জায়গায় ত্রাণ পৌঁছেছে-
১. কমলনগর, লক্ষ্মীপুর
২. সদর, লক্ষ্মীপুর
৩. মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা
৪. মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি
৫. সদর, নোয়াখালী
৬. নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা
৭. ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর
৮. ব্রাক্ষ্মণপাড়া, কুমিল্লা
৯. চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
১০. চাটখিল, নোয়াখালী
১১. ছাগলনাইয়া, ফেনী
১২. দাগনভূঁইয়া, ফেনী
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে।
আজকে নিম্নোক্ত জায়গায় ত্রাণ পৌঁছেছে-
১. কমলনগর, লক্ষ্মীপুর
২. সদর, লক্ষ্মীপুর
৩. মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা
৪. মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি
৫. সদর, নোয়াখালী
৬. নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা
৭. ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর
৮. ব্রাক্ষ্মণপাড়া, কুমিল্লা
৯. চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
১০. চাটখিল, নোয়াখালী
১১. ছাগলনাইয়া, ফেনী
১২. দাগনভূঁইয়া, ফেনী
❤578👍117🔥19👏10🍌9
এই সরকার কতোদিন ক্ষমতায় থাকবে কি থাকবে না এবং জাতীয় নির্বাচন কবে হবে সেটা ঠিক করবে দেশের জনগণ। ছাত্র জনতার রক্তের পূর্ণ মর্যাদা নিশ্চিতে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপে অন্তবর্তীকালীন সরকারকে রাষ্ট্র সংস্কারে অনতিবিলম্বে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
লিংক : https://www.facebook.com/share/v/XnUiD9WsUANQi978/?mibextid=qi2Omg
লিংক : https://www.facebook.com/share/v/XnUiD9WsUANQi978/?mibextid=qi2Omg
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
👍218❤93💯16😁7👏5
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপটি যেকোনো সময় ইনভিজিবল হয়ে যেতে পারে।
আমাদের সকল আপডেট পেতে ব্যাকআপ গ্রুপে যুক্ত থাকার অনুরোধ রইলো :
https://www.facebook.com/share/g/Eo54JhuQeQCxN8Le/?mibextid=A7sQZp
আমাদের সকল আপডেট পেতে ব্যাকআপ গ্রুপে যুক্ত থাকার অনুরোধ রইলো :
https://www.facebook.com/share/g/Eo54JhuQeQCxN8Le/?mibextid=A7sQZp
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
😢137👍55❤31😁18🫡11
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (অফিসিয়াল) pinned «বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপটি যেকোনো সময় ইনভিজিবল হয়ে যেতে পারে। আমাদের সকল আপডেট পেতে ব্যাকআপ গ্রুপে যুক্ত থাকার অনুরোধ রইলো : https://www.facebook.com/share/g/Eo54JhuQeQCxN8Le/?mibextid=A7sQZp»
মোবাইল ইন্টারনেটে অপারেটরদের প্রতি গিগাবাইটে প্রাথমিক গড় ব্যয় প্রায় ৪ টাকা মাত্র কিন্তু গ্রাহকদের প্রতি গিগাবাইট ইন্টারনেট ক্রয়ে দিতে হয় ২৫-৩০ টাকা। এই বিষয়গুলোকে অনতিবিলম্বে জনতা ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা জরুরি।
মোবাইল ইন্টারনেট সরবরাহে অপারেটররা তাদের ব্যয়ের সাথে সংগতি ও লাভ রেখে গ্রাহকদের কাছে ডাটা পৌঁছে দিবেন এবং সেটা অবশ্যই যৌক্তিক মাত্রায় হতে হবে। কিন্তু এই রিপোর্টে বিষয়টা খুবই স্পষ্ট যে, এখানে ব্যয়ের সাথে বিক্রির আকাশ-পাতাল পার্থক্য। বিনিয়োগকারীরা অবশ্যই ব্যবসা করবেন কিন্তু তাই বলে পুকুরচুরি নয়। আপারেটরদের জনতার কাছে এসব তথ্য প্রকাশ করতে হবে ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
জনতা, অপারেটর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাঝে আলোচনার ভিত্তিতে যৌক্তিক মাত্রায় দাম নির্ধারন করতে হবে। এই ব্যাপারে আওয়াজ তুলুন ও জারি রাখুন....
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/BEiDEjf1yVKz8CMF/?mibextid=qi2Omg
মোবাইল ইন্টারনেট সরবরাহে অপারেটররা তাদের ব্যয়ের সাথে সংগতি ও লাভ রেখে গ্রাহকদের কাছে ডাটা পৌঁছে দিবেন এবং সেটা অবশ্যই যৌক্তিক মাত্রায় হতে হবে। কিন্তু এই রিপোর্টে বিষয়টা খুবই স্পষ্ট যে, এখানে ব্যয়ের সাথে বিক্রির আকাশ-পাতাল পার্থক্য। বিনিয়োগকারীরা অবশ্যই ব্যবসা করবেন কিন্তু তাই বলে পুকুরচুরি নয়। আপারেটরদের জনতার কাছে এসব তথ্য প্রকাশ করতে হবে ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
জনতা, অপারেটর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাঝে আলোচনার ভিত্তিতে যৌক্তিক মাত্রায় দাম নির্ধারন করতে হবে। এই ব্যাপারে আওয়াজ তুলুন ও জারি রাখুন....
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/BEiDEjf1yVKz8CMF/?mibextid=qi2Omg
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤614👍95🔥58🥰7🐳6
আকস্মিক রাজনৈতিক বন্যা পরিস্থিতির মতো জাতীয় সংকট মোকাবিলায় আমরা আমাদের ঐক্য ও সম্প্রীতির নজির গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছি এটা ফ্যা'সিস্ট ও পাশ্ববর্তী অনেকের সহ্য হচ্ছে না।
ফ্যা'সিস্ট শক্তি আবারও আমাদের ঐক্য ও সম্প্রীতি ভাঙতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে কিন্তু তারা সফল হবে না। গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের পূর্ণ মর্যাদা নিশ্চিতে আমরা ফ্যা'সিস্টদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলবো।
এদেশের মানুষ ঐক্য ও সম্প্রীতির চেতনায় বিশ্বাসী কিন্তু দেশি বিদেশি ফ্যাসিস্ট মহল আমাদের মাঝে বিভেদ তৈরি করে এতোদিন আমাদের উপর নির্যাতনের স্ট্রিম রোলার চালিয়েছে, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানবিক মর্যাদা কেড়ে নিয়েছিলো। কিন্তু আমারা যখন এক হয়ে যখন আমরা ফ্যা'সিস্টদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছি তখন তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
বার্তা স্পষ্ট, এদেশে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা, মূর্তি, ভাস্কর্য, মাজার, হিজাব, টুপি, টিকলি সব সম্প্রীতির সহিত থাকবে। কোনো ফ্যা'সিস্টের দোসর উগ্র'বাদীর জায়গা হবে না। সবাই সতর্ক থাকুন, ফ্যাসিস্টরা এখনও তৎপর...
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/XDEANKaiaMgMLLVQ/?mibextid=qi2Omg
ফ্যা'সিস্ট শক্তি আবারও আমাদের ঐক্য ও সম্প্রীতি ভাঙতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে কিন্তু তারা সফল হবে না। গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের পূর্ণ মর্যাদা নিশ্চিতে আমরা ফ্যা'সিস্টদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলবো।
এদেশের মানুষ ঐক্য ও সম্প্রীতির চেতনায় বিশ্বাসী কিন্তু দেশি বিদেশি ফ্যাসিস্ট মহল আমাদের মাঝে বিভেদ তৈরি করে এতোদিন আমাদের উপর নির্যাতনের স্ট্রিম রোলার চালিয়েছে, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানবিক মর্যাদা কেড়ে নিয়েছিলো। কিন্তু আমারা যখন এক হয়ে যখন আমরা ফ্যা'সিস্টদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছি তখন তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
বার্তা স্পষ্ট, এদেশে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা, মূর্তি, ভাস্কর্য, মাজার, হিজাব, টুপি, টিকলি সব সম্প্রীতির সহিত থাকবে। কোনো ফ্যা'সিস্টের দোসর উগ্র'বাদীর জায়গা হবে না। সবাই সতর্ক থাকুন, ফ্যাসিস্টরা এখনও তৎপর...
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/XDEANKaiaMgMLLVQ/?mibextid=qi2Omg
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤297👍60🔥16😁13🤝6
গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণায় শহীদ পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ছাত্র-নাগরিক মতবিনিময় সভায় সিলেট বিভাগের প্রতিটি জেলায় যাবেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম।
আগামীকাল সুনামগঞ্জে ছাত্র জনতার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
স্থান: হাসানরাজা অডিটোরিয়াম, সুনামগঞ্জ
সময়: বিকেল ৩:৩০ টা (৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং)
আয়োজনে: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আগামীকাল সুনামগঞ্জে ছাত্র জনতার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
স্থান: হাসানরাজা অডিটোরিয়াম, সুনামগঞ্জ
সময়: বিকেল ৩:৩০ টা (৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং)
আয়োজনে: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
❤367👍51👎9🖕8🔥3
গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের পূর্ণ মর্যাদা নিশ্চিতে তাদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন বাংলাদেশ তৈরি ও ফ্যা'সিবাদী ব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিলোপের লক্ষ্যে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জের পথে রওনা হলাম। সুনামগঞ্জের ছাত্র-জনতার সাথে সাক্ষাতে আলাপ হবে।
দেখা হবে ৯ ই সেপ্টেম্বর বিকেল তিনটায় সুনামগঞ্জ শহরের হাসানরাজা অডিটোরিয়ামে....
দেখা হবে ৯ ই সেপ্টেম্বর বিকেল তিনটায় সুনামগঞ্জ শহরের হাসানরাজা অডিটোরিয়ামে....
❤379👍45🖕16👏10🔥6
গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণায় শহীদ পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেন্ট্রাল টিমের সাথে ছাত্র-নাগরিক মতবিনিময় সভা।
স্থান: জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সিলেট।
সময়: বিকেল ৩:৩০ টা (১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং)
আয়োজনে: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
সিলেটের যারা আছেন সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ একান্ত জরুরি।
স্থান: জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সিলেট।
সময়: বিকেল ৩:৩০ টা (১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং)
আয়োজনে: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
সিলেটের যারা আছেন সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ একান্ত জরুরি।
❤314👍50🔥21🤣13😁3
ওইদিন রাতে কি স্লোগান দেয়া হইসিলো, এটা নিয়ে দেখলাম পোনাপুনি শুরু হইসে। আমার কান মিথ্যা না বললে, মনে পড়ে, আমি সব ভার্শনই শুনতে পাইসি। আর এইটা আমার ফোনের ভিডিও, রাজুতে ক্যাপচার করা, ভয়েস বাকেরের। এখানে একটা ভার্শন আছে। এরকম:
'কে রাজাকার? কে রাজাকার?
তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।'
এছাড়াও শুনতে পাইছি,
'চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেছি রাজাকার'
'আমি কে, তুমি কে?
রাজাকার, রাজাকার
কে বলেছে কে বলেছে?
স্বৈরাচার স্বৈরাচার!'
এটাও শুনতে পাইছি,
'আমি কে তুমি কে?
রাজাকার রাজাকার!'
এগুলা কোন টাই মিথ্যা না।
যার যেটা ভাল্লাগতেছে শেয়ার দিতেছে।
সব কিছু নিয়ে পোনাপুনির মানে নাই।
লিংক : https://www.facebook.com/share/v/zx6pHoy2i8AXaeMV/?mibextid=21zICX
'কে রাজাকার? কে রাজাকার?
তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।'
এছাড়াও শুনতে পাইছি,
'চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেছি রাজাকার'
'আমি কে, তুমি কে?
রাজাকার, রাজাকার
কে বলেছে কে বলেছে?
স্বৈরাচার স্বৈরাচার!'
এটাও শুনতে পাইছি,
'আমি কে তুমি কে?
রাজাকার রাজাকার!'
এগুলা কোন টাই মিথ্যা না।
যার যেটা ভাল্লাগতেছে শেয়ার দিতেছে।
সব কিছু নিয়ে পোনাপুনির মানে নাই।
লিংক : https://www.facebook.com/share/v/zx6pHoy2i8AXaeMV/?mibextid=21zICX
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
👎431👍196❤60🔥8😴3
ঐতিহাসিক নয় দফা নিয়ে কিছু কথা:
কোটা সংস্কারকে উদ্দেশ্য করে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল; কিন্তু সরকার পরিস্থিতি ঘোলাটে করলে আন্দোলন ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় নয় দফার অবতারণা হয়।
আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছিলাম; কিন্তু ১৬ তারিখ মঙ্গলবার আবু সাঈদ সহ ৬ জন যখন শহীদ হয়, ঐদিন রাত ১২ টায় সামনের সারির সমন্বয়করা মিলে আমরা একটা অনলাইন মিটিং করি। মিটিং-এ প্রথম এজেন্ডা-ই ছিল, আজকে যে ছয়জন শহীদ হইলো, এই ছয়টা লাশের বিনিময়ে শুধু কোটা সংস্কার কি না? তখন সবাই হই হই করে বলে উঠে, ছয়টা লাশের বিনিময়ে শুধু কোটা সংস্কার হতে পারে না। পরবর্তীতে দীর্ঘক্ষণ আলাপ আলোচনা করা হয়। এই আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসহ আরো কিছু দাবি দাওয়া উঠে আসে। বলে রাখা ভালো, আমরা এতোদিন "বাংলা ব্লকেড" থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি পেশ সহ নানান সফট এবং হার্ড কর্মসূচী নিয়ে মাঠে অবস্থান করেছিলাম; কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে একেবারে নির্বিকার-নির্লিপ্ত মনোভাব পরিলক্ষিত হয়েছিল। আলাপ-আলোচনার দ্বারধারে নাই সরকার, কেবল হাইকোর্টে কাঁধে বন্দুক রেখে চুপচাপ দেখে যাচ্ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি যখন বেগতিক হয়ে যায়, ৬ জন শহীদ হয়, ঐদিনই সরকার আলোচনার জন্য তোড়জোড় শুরু করে দেয়, আমাদেরকে বিভিন্ন মাধ্যমে চাপ দিতে থাকে আলোচনায় বসার জন্য। কিন্ত আমরা আলোচনার আহ্বানকে বারাবরের মতোই প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান প্রকাশ করি। যদিও ভিতর বাহির থেকে আলোচনায় বসার নানারকম চাপ আসছিল।
সরকার সংলাপের আহবান ফরমালি জানিয়েছিল কিন্ত সেটার প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের অবস্থান ফরমালি ক্লিয়ার করি নাই। ক্লিয়ার করার সুযোগও পাই নাই। বুধবার গায়েবানা জানাযায় ঢাবি ক্যাম্পাসে পুলিশ আমাদের উপর গুলি চালায়, আমি সহ কয়েকজন আহত হই। হান্নান মাসউদ গুলিবিদ্ধ হয়। তখন থেকেই আমরা আন্দোলন পরিচালনা করে যাবার স্বার্থে কৌশলী অবস্থান নিয়ে গ্রেফতার এড়ানোর সিদ্ধান্ত নেই। যদিও সরকারের সংলাপকে প্রত্যাখ্যান করে মঙ্গলবার রাতে আমরা কিছু দাবি দাওয়া ঠিক করেছিলাম কিন্তু পরবর্তীতে সবাই মিলে আলাপ-আলোচনা করে যে সেই দাবিগুলো ফাইনাল করবো সে সময় পাইনি। তবে আমরা বৃহস্পতিবার মাঠের কর্মসূচি ( কমপ্লিট শাটডাউন) দিয়ে নিজেদের অবস্থান ক্লিয়ার করেছিলাম।
বৃহস্পতিবার আমি আর আসিফ ভাই এক বাসা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্যে চলে যাই। ঐদিন ১৮ তারিখ রাতেই ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় সরকার। আমরাও কর্মসূচি চলমান রাখতে, গ্রেফতার এড়াতে বার বার জায়গা পরিবর্তন করে বেড়াচ্ছি। কারো সাথে তেমন কোনো যোগাযোগ করতে পারতেছি না।
আন্দোলনের শুরুতেই নাহিদ ভাই আমাকে ডেকে নিয়ে এক লোকের সাথে মিট করায় এবং পরবর্তীতে আন্দোলনের পারপাসে একাধিকবার ঐ লোকের সাথে যোগাযোগ হয়; পরবর্তীতে জানতে পারি তিনি ঢাবি শিবিরের ছাত্র আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। কিন্ত তখনও শিবিরের সভাপতি এবং সেক্রেটারির সাথে ঐভাবে যোগাযোগ হয় নাই।
শুক্রবার যাত্রাবাড়ি এলাকায় যখন আন্দোলন করছিলাম তখন শিবিরের ঢাবি সেক্রেটারি ফরহাদ ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলল- "আন্দোলনরত কয়েকজন সমন্বয়ক সরকারের মন্ত্রীদের সাথে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে, এতো এতো শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী করতেছে তারা। আন্দোলন শেষ হয়ে যাবে। কিছু দাবি-দাওয়া দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে, মানুষের সাথে বেইমানি করা যাবে না।"
আমি সম্মতি জানাই। আমাদের তো আগেই অবস্থান ছিল আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার। তাছাড়া মঙ্গলবার রাতের মিটিংয়ে ঠিক করা কিছু দাবি দাওয়া আমার মাথায় আছে।
আন্দোলন চালিয়ে নেয়ার মতো মাঠে কোনো সিনিয়র নাই। আসিফ-নাহিদ ভাইকে গুম করে রেখেছে। আমি সাত-পাঁচ না ভেবে রিস্ক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ঐদিন জুমার নামাজের পর পরই যাত্রাবাড়ীতে কয়কজন শহীদ হয়, সবগুলা আমার চোখের সামনেই ঘটতেছে। মানুষকে পাখির মতো গুলি করে মেরে ফেলতেছে, এটা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারতেছিলাম না। তাছাড়া দীর্ঘদিন জেল-জুলুম, হামলা-মামলার শিকার হয়ে হাসিনার এমন অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলে গেছি; মাথা নত করি নাই। আমার পরিণতি কি হবে, সেটা ঘুনাক্ষরেও কল্পনা করি নাই। চোখের সামনে মানুষ মেরে ফেলতেছে, মানুষের কথা চিন্তা করে নিজের জীবনের কথা ভাবার সময় পাই নাই। গত ৪/৫ বছর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই আমাদেরকে দৃঢ়তা ধরে রাখার শিক্ষাই দিয়েছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে হাল ধরার সিদ্ধান্ত নিই।
যাইহোক, কিছুক্ষণ বাদে শিবিরের সেক্রেটারি আমাকে আবারও ফোন দিল। বলতেছে, “কিছু দাবি দাওয়া খসড়া আকারে করছি, তোমার সাথে আলোচনা করি”৷ আমাদেরও যেহেতু আগেই আলোচনা হয়েছিল অনেকগুলো দাবির ব্যাপারে সেগুলো তখন উনার সাথে আলোচনা করে সমন্বিত ভাবে তৈরী হয় ৯ দফা।
কোটা সংস্কারকে উদ্দেশ্য করে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল; কিন্তু সরকার পরিস্থিতি ঘোলাটে করলে আন্দোলন ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় নয় দফার অবতারণা হয়।
আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছিলাম; কিন্তু ১৬ তারিখ মঙ্গলবার আবু সাঈদ সহ ৬ জন যখন শহীদ হয়, ঐদিন রাত ১২ টায় সামনের সারির সমন্বয়করা মিলে আমরা একটা অনলাইন মিটিং করি। মিটিং-এ প্রথম এজেন্ডা-ই ছিল, আজকে যে ছয়জন শহীদ হইলো, এই ছয়টা লাশের বিনিময়ে শুধু কোটা সংস্কার কি না? তখন সবাই হই হই করে বলে উঠে, ছয়টা লাশের বিনিময়ে শুধু কোটা সংস্কার হতে পারে না। পরবর্তীতে দীর্ঘক্ষণ আলাপ আলোচনা করা হয়। এই আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসহ আরো কিছু দাবি দাওয়া উঠে আসে। বলে রাখা ভালো, আমরা এতোদিন "বাংলা ব্লকেড" থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি পেশ সহ নানান সফট এবং হার্ড কর্মসূচী নিয়ে মাঠে অবস্থান করেছিলাম; কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে একেবারে নির্বিকার-নির্লিপ্ত মনোভাব পরিলক্ষিত হয়েছিল। আলাপ-আলোচনার দ্বারধারে নাই সরকার, কেবল হাইকোর্টে কাঁধে বন্দুক রেখে চুপচাপ দেখে যাচ্ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি যখন বেগতিক হয়ে যায়, ৬ জন শহীদ হয়, ঐদিনই সরকার আলোচনার জন্য তোড়জোড় শুরু করে দেয়, আমাদেরকে বিভিন্ন মাধ্যমে চাপ দিতে থাকে আলোচনায় বসার জন্য। কিন্ত আমরা আলোচনার আহ্বানকে বারাবরের মতোই প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান প্রকাশ করি। যদিও ভিতর বাহির থেকে আলোচনায় বসার নানারকম চাপ আসছিল।
সরকার সংলাপের আহবান ফরমালি জানিয়েছিল কিন্ত সেটার প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের অবস্থান ফরমালি ক্লিয়ার করি নাই। ক্লিয়ার করার সুযোগও পাই নাই। বুধবার গায়েবানা জানাযায় ঢাবি ক্যাম্পাসে পুলিশ আমাদের উপর গুলি চালায়, আমি সহ কয়েকজন আহত হই। হান্নান মাসউদ গুলিবিদ্ধ হয়। তখন থেকেই আমরা আন্দোলন পরিচালনা করে যাবার স্বার্থে কৌশলী অবস্থান নিয়ে গ্রেফতার এড়ানোর সিদ্ধান্ত নেই। যদিও সরকারের সংলাপকে প্রত্যাখ্যান করে মঙ্গলবার রাতে আমরা কিছু দাবি দাওয়া ঠিক করেছিলাম কিন্তু পরবর্তীতে সবাই মিলে আলাপ-আলোচনা করে যে সেই দাবিগুলো ফাইনাল করবো সে সময় পাইনি। তবে আমরা বৃহস্পতিবার মাঠের কর্মসূচি ( কমপ্লিট শাটডাউন) দিয়ে নিজেদের অবস্থান ক্লিয়ার করেছিলাম।
বৃহস্পতিবার আমি আর আসিফ ভাই এক বাসা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্যে চলে যাই। ঐদিন ১৮ তারিখ রাতেই ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় সরকার। আমরাও কর্মসূচি চলমান রাখতে, গ্রেফতার এড়াতে বার বার জায়গা পরিবর্তন করে বেড়াচ্ছি। কারো সাথে তেমন কোনো যোগাযোগ করতে পারতেছি না।
আন্দোলনের শুরুতেই নাহিদ ভাই আমাকে ডেকে নিয়ে এক লোকের সাথে মিট করায় এবং পরবর্তীতে আন্দোলনের পারপাসে একাধিকবার ঐ লোকের সাথে যোগাযোগ হয়; পরবর্তীতে জানতে পারি তিনি ঢাবি শিবিরের ছাত্র আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। কিন্ত তখনও শিবিরের সভাপতি এবং সেক্রেটারির সাথে ঐভাবে যোগাযোগ হয় নাই।
শুক্রবার যাত্রাবাড়ি এলাকায় যখন আন্দোলন করছিলাম তখন শিবিরের ঢাবি সেক্রেটারি ফরহাদ ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলল- "আন্দোলনরত কয়েকজন সমন্বয়ক সরকারের মন্ত্রীদের সাথে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে, এতো এতো শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী করতেছে তারা। আন্দোলন শেষ হয়ে যাবে। কিছু দাবি-দাওয়া দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে, মানুষের সাথে বেইমানি করা যাবে না।"
আমি সম্মতি জানাই। আমাদের তো আগেই অবস্থান ছিল আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার। তাছাড়া মঙ্গলবার রাতের মিটিংয়ে ঠিক করা কিছু দাবি দাওয়া আমার মাথায় আছে।
আন্দোলন চালিয়ে নেয়ার মতো মাঠে কোনো সিনিয়র নাই। আসিফ-নাহিদ ভাইকে গুম করে রেখেছে। আমি সাত-পাঁচ না ভেবে রিস্ক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ঐদিন জুমার নামাজের পর পরই যাত্রাবাড়ীতে কয়কজন শহীদ হয়, সবগুলা আমার চোখের সামনেই ঘটতেছে। মানুষকে পাখির মতো গুলি করে মেরে ফেলতেছে, এটা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারতেছিলাম না। তাছাড়া দীর্ঘদিন জেল-জুলুম, হামলা-মামলার শিকার হয়ে হাসিনার এমন অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলে গেছি; মাথা নত করি নাই। আমার পরিণতি কি হবে, সেটা ঘুনাক্ষরেও কল্পনা করি নাই। চোখের সামনে মানুষ মেরে ফেলতেছে, মানুষের কথা চিন্তা করে নিজের জীবনের কথা ভাবার সময় পাই নাই। গত ৪/৫ বছর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই আমাদেরকে দৃঢ়তা ধরে রাখার শিক্ষাই দিয়েছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে হাল ধরার সিদ্ধান্ত নিই।
যাইহোক, কিছুক্ষণ বাদে শিবিরের সেক্রেটারি আমাকে আবারও ফোন দিল। বলতেছে, “কিছু দাবি দাওয়া খসড়া আকারে করছি, তোমার সাথে আলোচনা করি”৷ আমাদেরও যেহেতু আগেই আলোচনা হয়েছিল অনেকগুলো দাবির ব্যাপারে সেগুলো তখন উনার সাথে আলোচনা করে সমন্বিত ভাবে তৈরী হয় ৯ দফা।
❤269👍76👏2🤣2👎1
তিনি একে একে কিছু দাবি বললেন। যেগুলা খুব কমন দাবিদাওয়া- যেমন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ, ছাত্র হত্যার সাথে জড়িত পুলিশ প্রশাসনকে বরখাস্ত, সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় আনা, ভিসি'র পদত্যাগ। যেগুলা ৬ জন শহীদ হওয়ার পরে মঙ্গলবার রাতের বৈঠকের আলোচনাতেই আমরা ভেবেছিলাম। এছাড়া মানুষজনও সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কিছু দাবিদাওয়া জানিয়ে আসছিল। শেষের দিকে গিয়ে শিবিরের সেক্রেটারি একটা দাবি এড করল- “ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে” এটা আমি মানি নাই, দীর্ঘক্ষণ আলাপ আলোচনা হইলো। পরে আমি বললাম, ঢালাওভাবে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা যাবে না, এক্ষেত্রে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের কথা বলতে পারেন। পরে সেটাই ঠিক হইলো- “লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে”
এই হইলো নয় দফা তৈরির পেছনের গল্প। তবে নয় দফা প্রচার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল শিবির। যেহেতু নেট নাই, গোলাগুলি-কারফিউ'র মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সশরীরে হাউজে হাউজে পৌঁছে দিয়েছে, বিদেশি সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা তারাই করেছে।
আমাকে নতুন একটা সীম এবং মোবাইল কালেক্ট করার পরামর্শ দিল তারা। আমি স্টুডেন্ট এর বাসা থেকে সীম নিয়ে ঐ নাম্বারটা নয় দফা সংবলিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির সাথে দিয়ে দিলাম। ঐদিন সন্ধ্যায় বাসা থেকে ৪-৫ কিলো দূরে হেটে গিয়ে পরিচিত সাংবাদিকদেরকে ফোন দিয়ে নয় দফার বিষয়টা জানাইলাম। টুকটাক ছাত্র রাজনীতি করার সুবাদে ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের সাথে আমার পরিচয় ছিল। তো ঐ রাতে তাদের অনেককে একটা একটা করে দফা বাটন ফোন দিয়ে ম্যাসেজের মাধ্যমে দাবিগুলা লিখে পাঠাইছি। পুরা নয়টা দাবী একসাথে ম্যাসেজে পাঠানো যায় না। কাউকে আবার মুখে বলে দিছি, সে লিখে নিছে। কেউ আবার রেকর্ড করে নিছে। কনফার্ম হওয়ার জন্য অনেকেই ফোন দিছে, এটা আসলেই আমি দিছি কি না। বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলাকেও ফোন দিয়ে কনফার্ম করা লাগছে, 'আমার পক্ষ থেকে এটা যাচ্ছে, আপনাকে একজন পেনড্রাইভের মাধ্যমে পৌঁছে দিবে।' এইভাবে চলল রাতের ১১ টা পর্যন্ত।
প্রতিদিন রাতের বেলায় বাসা থেকে দূরে চলে যেতাম। ফোন অন করে সাংবাদিকদের সাথে ২-৩ ঘন্টা কথাবার্তা বলে, তাদেরকে কনফার্ম করে, ফোন বন্ধ করে আবার বাসায় ফিরতাম। সিনিয়ররা গুম অবস্থায় ছিল, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যাচ্ছিলো না বাকিদের সাথেও। এইভাবেই চলতে থাকলো। আমার বাসা ছিল যাত্রাবাড়ী থানার পাশেই। গ্রেপ্তারের আতঙ্ক, তারপরও বাসায় থাকতে হতো। শুরুতেই যাওয়ার
কোনো জায়গা ছিল না। কোনো রাত মসজিদে কাটাইছি, কোন রাত অর্ধেকটা বাহিরে কিংবা বাসার ছাদে কাটিয়ে শেষ রাতে বাসায় ফিরেছি।
এইতো ঐতিহাসিক নয় দফা, আমাদের নয় দফা,
ফ্যাসিস্ট হাসিনা থেকে মুক্তি লাভের সনদ!
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
এই হইলো নয় দফা তৈরির পেছনের গল্প। তবে নয় দফা প্রচার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল শিবির। যেহেতু নেট নাই, গোলাগুলি-কারফিউ'র মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সশরীরে হাউজে হাউজে পৌঁছে দিয়েছে, বিদেশি সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা তারাই করেছে।
আমাকে নতুন একটা সীম এবং মোবাইল কালেক্ট করার পরামর্শ দিল তারা। আমি স্টুডেন্ট এর বাসা থেকে সীম নিয়ে ঐ নাম্বারটা নয় দফা সংবলিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির সাথে দিয়ে দিলাম। ঐদিন সন্ধ্যায় বাসা থেকে ৪-৫ কিলো দূরে হেটে গিয়ে পরিচিত সাংবাদিকদেরকে ফোন দিয়ে নয় দফার বিষয়টা জানাইলাম। টুকটাক ছাত্র রাজনীতি করার সুবাদে ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের সাথে আমার পরিচয় ছিল। তো ঐ রাতে তাদের অনেককে একটা একটা করে দফা বাটন ফোন দিয়ে ম্যাসেজের মাধ্যমে দাবিগুলা লিখে পাঠাইছি। পুরা নয়টা দাবী একসাথে ম্যাসেজে পাঠানো যায় না। কাউকে আবার মুখে বলে দিছি, সে লিখে নিছে। কেউ আবার রেকর্ড করে নিছে। কনফার্ম হওয়ার জন্য অনেকেই ফোন দিছে, এটা আসলেই আমি দিছি কি না। বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলাকেও ফোন দিয়ে কনফার্ম করা লাগছে, 'আমার পক্ষ থেকে এটা যাচ্ছে, আপনাকে একজন পেনড্রাইভের মাধ্যমে পৌঁছে দিবে।' এইভাবে চলল রাতের ১১ টা পর্যন্ত।
প্রতিদিন রাতের বেলায় বাসা থেকে দূরে চলে যেতাম। ফোন অন করে সাংবাদিকদের সাথে ২-৩ ঘন্টা কথাবার্তা বলে, তাদেরকে কনফার্ম করে, ফোন বন্ধ করে আবার বাসায় ফিরতাম। সিনিয়ররা গুম অবস্থায় ছিল, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যাচ্ছিলো না বাকিদের সাথেও। এইভাবেই চলতে থাকলো। আমার বাসা ছিল যাত্রাবাড়ী থানার পাশেই। গ্রেপ্তারের আতঙ্ক, তারপরও বাসায় থাকতে হতো। শুরুতেই যাওয়ার
কোনো জায়গা ছিল না। কোনো রাত মসজিদে কাটাইছি, কোন রাত অর্ধেকটা বাহিরে কিংবা বাসার ছাদে কাটিয়ে শেষ রাতে বাসায় ফিরেছি।
এইতো ঐতিহাসিক নয় দফা, আমাদের নয় দফা,
ফ্যাসিস্ট হাসিনা থেকে মুক্তি লাভের সনদ!
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤701👍91🤣48👎7👏6
DGFI এবং রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় হাসিবকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কাহিনি
ফেসবুক পোস্ট লিংক :
https://www.facebook.com/share/p/wS4ZSEBCqA9e5yj6/?mibextid=qi2Omg
ফেসবুক পোস্ট লিংক :
https://www.facebook.com/share/p/wS4ZSEBCqA9e5yj6/?mibextid=qi2Omg
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
😢85😁28❤14👍14🫡2
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপ কিছু কারিগরি জটিলতায় ও ফেসবুক রুলস ভায়োলেশনের কারণে সাসপেন্ড করে দিয়েছে ফেসবুক কতৃপক্ষ।
সকল আপডেট পেতে এই গ্রুপে যুক্ত থাকুন এবং আপনার পরিচিতজনদের এড দিতে পারেন...
গ্রুপের লিংক :
https://www.facebook.com/share/p/2D1i9CMNS3AAGk9e/?mibextid=xfxF2i
সকল আপডেট পেতে এই গ্রুপে যুক্ত থাকুন এবং আপনার পরিচিতজনদের এড দিতে পারেন...
গ্রুপের লিংক :
https://www.facebook.com/share/p/2D1i9CMNS3AAGk9e/?mibextid=xfxF2i
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
👍101🤡31😁18🖕10🫡4
বিভিন্ন কুচক্রী মহল জুলাই অভ্যুত্থান এর প্রমাণাদি মুছে দেওয়ার জন্য বার বার আমাদের গ্রুপে এটাক করে এখন পর্যন্ত আমাদের ২ টি গ্রুপ নষ্ট করে দিয়েছে।
আমাদের নতুন গ্রুপ লিংক:
https://www.facebook.com/share/g/AfRqMZeFco5sH7za/?mibextid=A7sQZp
আমাদের নতুন গ্রুপ লিংক:
https://www.facebook.com/share/g/AfRqMZeFco5sH7za/?mibextid=A7sQZp
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤84😢77👍18🖕15🤔6