যারা চোখে-মুখে লাল কাপড় বেধে ছবি তুলে দিতে পারবেন না, তারা অবশ্যই লাল রঙ প্রোফাইল পিকচারে দিয়ে রাখবেন। এই লড়াইয়ে যেভাবেই হোক অংশ নিয়ে নিজেদের অবস্থান, নিজেদের অস্তিত্ব, নিজেদের সাহসিকতার জানান দিতে হবে!
❤910👍42🔥28❤🔥6
অধিকার চাইলে আমাদের সন্তানকে হত্যা করা হবে কেন?
"অভিভাবকদের মৌন অবস্থান"
৩০শে জুলাই, ২০২৪
সকাল ১০টা
স্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে
আয়োজনে: সন্তানের পাশে অভিভাবক
"অভিভাবকদের মৌন অবস্থান"
৩০শে জুলাই, ২০২৪
সকাল ১০টা
স্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে
আয়োজনে: সন্তানের পাশে অভিভাবক
❤952🔥74👍46👏12
গণহত্যা, ব্লক রেইড, গণগ্রেফতার ও রিমান্ডে নির্যাতনের ঘটনায় সিনিয়র সাংবাদিকদের উদ্বেগ
সাধারণ ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর গণহত্যা, ব্লক রেইড, গণগ্রেফতার, রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের সিনিয়র সাংবাদিকরা।
আজ ২৯ জুলাই ২০২৪, সোমবার এক যুক্ত বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর যেভাবে ছাত্রলীগ, যুবলীগকে লেলিয়ে দিয়েছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। উপরের নির্দেশ পেয়ে সরকার দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনী এবং পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি যৌথভাবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে শত শত ছাত্রজনতা নিহত হয়। যার একটি অংশ দেশী বিদেশী গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করে দেয়ায় বড় অংশই এখনো অপ্রকাশিত। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এপর্যন্ত ২৬৬ জন শহীদের নাম তালিকা প্রকাশ করা হলেও এ সংখ্যা অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৩৬ জনকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে। হতাহতের উল্লেখিত সংখ্যা উল্লেখ করে গণমাধ্যমগুলো বলছে এ সংখ্যা মাত্র কয়েকটি হাসপাতাল থেকে পাওয়া। এর বাইরে আরো অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে, যেখানে হতাহতের অনেক ঘটনা আছে। আবার অনেকে পরিস্থিতির কারণে লাশ হাসপাতালে না এনে নিজেরাই বাড়িতে নিয়ে দাফন করেন। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী চিকিৎসাধীন আছেন ৬ হাজার ৭ শত ১ জন (সূত্রঃ প্রথম আলো)। যাদের অনেকেই চিরতরে অন্ধ হয়ে গেছেন এবং অনেকে হয়েছেন পঙ্গু। এমতাবস্থায় আন্দোলন দমনের জন্য শাসকদের নির্দেশে সাধারণ ছাত্র ও আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে যে ভাবে গণগ্রেফতার চালানো হচ্ছে, সেটা রীতিমতো দেশের সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকারের চরম লংঘন।
এটা দিবালোকের মতো সত্য যে, কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘটিত সহিংসতায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা- কর্মীরাও জড়িত ছিলেন। কিন্তু বেছে বেছে গ্রেফতার করা হচ্ছে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের। আবার যারা ঘটনার সাথে জড়িত নন, তাদেরও গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের ব্লক রেইড দিয়ে নির্বিচারে গ্রেফতার করা হচ্ছে।।থানা গুলোতে মামলায় কে কত কত বেশি আসামি দেখাবেন তার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী প্রথমে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে মামলা করে। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে যাদের ধরা হয়, তাদের নাম আসামি হিসাবে দেখানো হচ্ছে।
আমরা অবিলম্বে সরকারকে এধরণের অমানবিক ও বেআইনি কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকা এবং হত্যাকান্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আহবান জানাচ্ছি। সংবিধান নাগরিকদের যে মৌলিক অধিকার দিয়েছে তা লংঘন না করারও অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি চলমান সমস্যার যৌক্তিক সমাধান না হলে দেশের পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যেতে পারে। যা আমাদের কারো কাম্য নয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সিনিয়র সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন, আলমগীর মহিউদ্দিন, আবুল আসাদ,এরশাদ মজুমদার,কবি আল- মুজাহিদী, মোকাররম হোসেন, মোস্তফা কামাল মজুমদার, সালাহউদ্দিন বাবর, রুহুল আমিন গাজী,কবি আবদুল হাই শিকদার, এম এ আজিজ, এলাহী নেওয়াজ খান,মুন্সি আবদুল মান্নান,কামাল উদ্দিন সবুজ, মোবায়দুর রহমান, ড. মাহবুব হাসান, কাদের গনি চৌধুরী, মোঃ শহিদুল ইসলাম, খুরশীদ আলম, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, বদিউল আলম, বাকের হোসাইন, ইলিয়াস খান, আব্দুল আউয়াল ঠাকুর,আবুল কালাম মানিক,আমিরুল ইসলাম কাগজী, সরদার ফরিদ আহমেদ, ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম আজাদ, বখতিয়ার রানা,মাসুমুর রহমান খলিলি, মমতাজ বিলকিস বানু,সৈয়দ মেজবাহ, কবি মাহমুদ শফিক, রোজী ফেরদৌস, কাজী রওনাক হোসেন, ওবায়দুর রহমান শাহীন, খায়রুল বাশার,একে এম মহসিন, ইলিয়াস হোসেন, শফিউল আলম দোলন, রাশেদুল হক, গোলাম মোস্তফা,জাহেদ চৌধুরী, কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, শাহ আহমদ রেজা,, আজম মীর, রেজাউর রহমান সোহাগ, নুরুদ্দিন আহমেদ, মিজানুর রহমান ভূইয়া, কবি আনোয়ারুল কবির বুলু, আতাহার খান, শামসুদ্দিন হারুন, আনোয়ার আলদীন, কায়কোবাদ মিলন, মাহফুজুর রহমান, শাহাদাত হোসেন খান, এস এস জাহাঙ্গীর, সৈয়দ আলী আসফার, মো. শহীদুজ্জামান, এরফানুল হক নাহিদ,খন্দকার হাসনাত করিম, নির্মল চক্রবর্তী, কামার ফরিদ, শামসুদ্দিন আহমেদ, আবু সাঈদ জুবেরী, আবু রূশদ, শিরিন সুলতানা, লিসা ইসলাম, রফিক মোহাম্মদ,শামসুল হক দুররানি, কবি হাসান হাফিজ, কবি মুস্তাহিদ ফারুকী' মোদাব্বের হোসেন, সদরুল হাসান, জিয়া উদ্দিন সাইমুম৷ জাহিদুল করিম কচি, শামসুল হক হায়দরী, মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, সালেহ নোমান, মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল, ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন, এহতেশামুল হক শাওন, মোঃ আনিসুজ্জামান, আবুল হাসান হিমালয়, আকরামুজ্জামান, এসএম ফরহাদ, মীর্জা সেলিম রেজা, গনেশ দাশ, এসএম আবু সাঈদ, জিএম আশিক উল্লাহ, মস্তোফা সরওয়ার, মো.
সাধারণ ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর গণহত্যা, ব্লক রেইড, গণগ্রেফতার, রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের সিনিয়র সাংবাদিকরা।
আজ ২৯ জুলাই ২০২৪, সোমবার এক যুক্ত বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর যেভাবে ছাত্রলীগ, যুবলীগকে লেলিয়ে দিয়েছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। উপরের নির্দেশ পেয়ে সরকার দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনী এবং পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি যৌথভাবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে শত শত ছাত্রজনতা নিহত হয়। যার একটি অংশ দেশী বিদেশী গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করে দেয়ায় বড় অংশই এখনো অপ্রকাশিত। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এপর্যন্ত ২৬৬ জন শহীদের নাম তালিকা প্রকাশ করা হলেও এ সংখ্যা অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৩৬ জনকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে। হতাহতের উল্লেখিত সংখ্যা উল্লেখ করে গণমাধ্যমগুলো বলছে এ সংখ্যা মাত্র কয়েকটি হাসপাতাল থেকে পাওয়া। এর বাইরে আরো অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে, যেখানে হতাহতের অনেক ঘটনা আছে। আবার অনেকে পরিস্থিতির কারণে লাশ হাসপাতালে না এনে নিজেরাই বাড়িতে নিয়ে দাফন করেন। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী চিকিৎসাধীন আছেন ৬ হাজার ৭ শত ১ জন (সূত্রঃ প্রথম আলো)। যাদের অনেকেই চিরতরে অন্ধ হয়ে গেছেন এবং অনেকে হয়েছেন পঙ্গু। এমতাবস্থায় আন্দোলন দমনের জন্য শাসকদের নির্দেশে সাধারণ ছাত্র ও আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে যে ভাবে গণগ্রেফতার চালানো হচ্ছে, সেটা রীতিমতো দেশের সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকারের চরম লংঘন।
এটা দিবালোকের মতো সত্য যে, কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘটিত সহিংসতায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা- কর্মীরাও জড়িত ছিলেন। কিন্তু বেছে বেছে গ্রেফতার করা হচ্ছে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের। আবার যারা ঘটনার সাথে জড়িত নন, তাদেরও গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের ব্লক রেইড দিয়ে নির্বিচারে গ্রেফতার করা হচ্ছে।।থানা গুলোতে মামলায় কে কত কত বেশি আসামি দেখাবেন তার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী প্রথমে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে মামলা করে। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে যাদের ধরা হয়, তাদের নাম আসামি হিসাবে দেখানো হচ্ছে।
আমরা অবিলম্বে সরকারকে এধরণের অমানবিক ও বেআইনি কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকা এবং হত্যাকান্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আহবান জানাচ্ছি। সংবিধান নাগরিকদের যে মৌলিক অধিকার দিয়েছে তা লংঘন না করারও অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি চলমান সমস্যার যৌক্তিক সমাধান না হলে দেশের পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যেতে পারে। যা আমাদের কারো কাম্য নয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সিনিয়র সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন, আলমগীর মহিউদ্দিন, আবুল আসাদ,এরশাদ মজুমদার,কবি আল- মুজাহিদী, মোকাররম হোসেন, মোস্তফা কামাল মজুমদার, সালাহউদ্দিন বাবর, রুহুল আমিন গাজী,কবি আবদুল হাই শিকদার, এম এ আজিজ, এলাহী নেওয়াজ খান,মুন্সি আবদুল মান্নান,কামাল উদ্দিন সবুজ, মোবায়দুর রহমান, ড. মাহবুব হাসান, কাদের গনি চৌধুরী, মোঃ শহিদুল ইসলাম, খুরশীদ আলম, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, বদিউল আলম, বাকের হোসাইন, ইলিয়াস খান, আব্দুল আউয়াল ঠাকুর,আবুল কালাম মানিক,আমিরুল ইসলাম কাগজী, সরদার ফরিদ আহমেদ, ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম আজাদ, বখতিয়ার রানা,মাসুমুর রহমান খলিলি, মমতাজ বিলকিস বানু,সৈয়দ মেজবাহ, কবি মাহমুদ শফিক, রোজী ফেরদৌস, কাজী রওনাক হোসেন, ওবায়দুর রহমান শাহীন, খায়রুল বাশার,একে এম মহসিন, ইলিয়াস হোসেন, শফিউল আলম দোলন, রাশেদুল হক, গোলাম মোস্তফা,জাহেদ চৌধুরী, কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, শাহ আহমদ রেজা,, আজম মীর, রেজাউর রহমান সোহাগ, নুরুদ্দিন আহমেদ, মিজানুর রহমান ভূইয়া, কবি আনোয়ারুল কবির বুলু, আতাহার খান, শামসুদ্দিন হারুন, আনোয়ার আলদীন, কায়কোবাদ মিলন, মাহফুজুর রহমান, শাহাদাত হোসেন খান, এস এস জাহাঙ্গীর, সৈয়দ আলী আসফার, মো. শহীদুজ্জামান, এরফানুল হক নাহিদ,খন্দকার হাসনাত করিম, নির্মল চক্রবর্তী, কামার ফরিদ, শামসুদ্দিন আহমেদ, আবু সাঈদ জুবেরী, আবু রূশদ, শিরিন সুলতানা, লিসা ইসলাম, রফিক মোহাম্মদ,শামসুল হক দুররানি, কবি হাসান হাফিজ, কবি মুস্তাহিদ ফারুকী' মোদাব্বের হোসেন, সদরুল হাসান, জিয়া উদ্দিন সাইমুম৷ জাহিদুল করিম কচি, শামসুল হক হায়দরী, মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, সালেহ নোমান, মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল, ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন, এহতেশামুল হক শাওন, মোঃ আনিসুজ্জামান, আবুল হাসান হিমালয়, আকরামুজ্জামান, এসএম ফরহাদ, মীর্জা সেলিম রেজা, গনেশ দাশ, এসএম আবু সাঈদ, জিএম আশিক উল্লাহ, মস্তোফা সরওয়ার, মো.
❤476👍47🔥45😁2👏1
আবদুল জলিল ভূইয়া, জিএম মঈনুদ্দিন হিরু, মাহফিজুল ইসলাম রিপন, আবদুর রাজ্জাক বাচ্চু, শামিম উল হাসান অপু, এম আইয়ুব আলী, সাইফুল ইসলাম, এইচ এম দেলোয়ার, মো হেদায়েত উল্লাহ, মুহাম্মদ আমজাদ হোসাইন, খালেদ আহমদ, সিদ্দিক আল মামুন, মিজানুর রহমান, আজাদ আলাউদ্দিন, মো হাফিজুর রহমান হিরা, সালেকুজ্জামান সালেক, সরকার মাজহারুল মান্নান, আবু সাউদ মাসুদ, একেএম মাহফুজুর রহমান, কাজী বিপ্লব হাসান ও মোঃ রুবেল প্রমুখ।
বার্তা প্রেরক
খুরশীদ আলম
সাধারণ সম্পাদক
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন- ডিইউজে
বার্তা প্রেরক
খুরশীদ আলম
সাধারণ সম্পাদক
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন- ডিইউজে
❤541👍26❤🔥14🥰3😍1
বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক সমাজ, সুপ্রীম কোর্টের সচেতন আইনজীবীরা, সচেতন অভিভাবকরা এবং বাংলাদেশের অলিতে গলিতে বেড়ে উঠা পরবর্তী প্রজন্ম রাষ্ট্রীয় শোককে প্রত্যাখ্যান করে চোখে-মুখে লাল কাপড় বেধে শহীদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ছাত্রদের পাশে দাড়িয়েছে। এটাই বাংলাদেশ!
❤1.08K🔥60❤🔥18👍15⚡7
গতকাল গ্রেফতার হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক মোসাদ্দেক আলি ইবনে মোহাম্মদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী আবিদ হাসান রাফি পল্টন থানা থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।
❤1.27K🔥59👍32🤝2😁1
শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষকদের নিকট শিক্ষার্থীদের আবেগঘন খোলা চিঠি-
সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ,
যে শিক্ষকের লেখা পড়ে আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, আজ তাদের নিয়ে কলম ধরতে আমরা বাধ্য হলাম। যে শিক্ষকের লেকচারে আমাদের বিবেকের দুয়ার খুলেছে ,আজ সেই বিবেকের তাড়নায় আমাদের লিখতে হচ্ছে।
একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চার দেওয়ালে ঘেরা ফুলের বাগান। আমাদের সেই চারদেয়াল হল আপনারা শিক্ষকরা। কিন্তু সেই দেয়াল ভেদ করে হানা দিয়েছে হায়নার দল। সেই বাগান থেকে এক একটা ফুল তুলে নেওয়া হচ্ছে, এক একটা ফুলকে ক্ষত-বিক্ষত করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে।
আসলে আমরা ভুল বলেছি আপনাদের শিক্ষকদের দেয়াল ভেদ করে নয়, আপনারা নিজেরাই শত্রুদের প্রবেশ পথ দিয়েছেন।
আপনারা থাকতে আমাদের উপর সশস্র হামলা করে ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করা হলো! মেধাবীরা যদি এভাবে গুলিতে শহিদ হয়ে যায়, তাহলে এসব মেধাবীদের গড়ে তুলে কী লাভ হলো? শুধু শুধু পুলিশের গুলির সামনে নিজের জীবন বিসর্জন দেয়ার জন্য! পুলিশ ও ডিবি মধ্যরাতে হানা দিয়ে হাজার হাজার নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের পরিবারের কাছ থেকে তুলে নির্যাতন করছে।
আপনারা কীভাবে এই শহীদ শিক্ষার্থীদের রোল কল করবেন?! আপনারা কি তাদের শূণ্যতা অনুভব করবেন না?! আমরা কীভাবে সেই ক্লাসে বসবো, যেখানে আমাদের পাশের সিটের সহপাঠী নেই?! কেমন লাগবে যখন আপনাদের শিক্ষার্থীরা ক্রাচ-এ ভর করে, আঘাতপ্রাপ্ত চোখে কালো চশমা পরে ক্লাসে আসবে?! যারা হাতে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে, তারা কি আগের মতো কলম ধরতে পারবে?!
শিক্ষকদের শক্ত প্রাচীর যদি আমাদের ঘেরাও করে রাখত, তাহলে এত শিক্ষার্থীর লাশ কখনোই পড়তো না। আমাদের এই সোনার বাংলা আজ লাল রক্তে ছেয়ে যেত না।
কোন ভবনের ক্ষতি হলে যেমন করে রাজমিস্ত্রিরা ঠিক করে তেমন করে শিক্ষার্থীদের মিস্ত্রি আপনারা শিক্ষকরা। দেখুন না আপনারা! আমাদের কত নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে গেল, আমাদের কত স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনাশ হয়ে গেল। আমাদের শরীরের দিকে তাকিয়ে দেখুন - আমরা আজ ক্ষত-বিক্ষত, রক্তে রঞ্জিত। স্বৈরাচারের বন্দুকের নিশান আজ আমাদের বুকে। কারাগারে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে, রিমান্ডের নির্যাতনে আজ মেধাবীদের ঠিকানা হচ্ছে। এটাই কি তবে আধুনিক শিক্ষা?! এটা কি তবে সভ্যতা?!
মা-বাবার পরেই আমরা শিক্ষকদের স্থান দিয়েছি। আমাদের দুর্দিনে আমাদের মা-বাবা চিৎকার করে কাঁদতে পারলে, আপনারা কি আমাদের পাশে একটু দাঁড়াতে পারেন না? আমাদের ব্যথায় ব্যথিত হতে পারেন না? আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী কত ক্লাস করলাম, একসাথে কত অনুষ্ঠান করলাম, ছবির ফ্রেমে শিক্ষক শিক্ষার্থী কতবার বন্দি হয়েছি। সব কি মিথ্যা ছিল?
ফেসবুকে আপনাদের নাম উল্লেখ করার আগে 'প্রিয়' শব্দটা জুড়ে দিতাম। প্রিয় অমুক স্যার, প্রিয় অমুক ম্যাডাম। আমাদের সেই শ্রদ্ধা, ভক্তিকে আপনারা এইভাবে তুচ্ছ করলেন? এই খারাপ সময়ে আপনারা কেন নীরব দর্শক হয়ে আছেন?! আপনারা কি আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছেন যে খারাপ সময় ছেড়ে যেতে হয়?! তাহলে আমরা কি এতদিন ভুল মানুষদেরকে শিক্ষাগুরু মেনে এসেছি?!
শুনেন, আমাদের থেকে দূরে চলে যাওয়া শিক্ষকরা - আমাদের যদি জীবন বোধ না শিখাতে পারেন, যদি সৎসাহসী, দেশপ্রেমিক হতে না শেখান, তাহলে আমাদের এই পুঁথিগত শিক্ষা লাগবে না। যে বিদ্যা জাতির ক্রান্তিলগ্নে খসে পড়ে, জাতিকে পথ দেখাতে পারেনা, আমরা সেই বিদ্যাকে নর্দমায় ছুড়ে মারলাম।
আপনারা না জাতির কারিগর?! তাহলে জাতির জন্য কি তৈরি করছেন? এ জাতির সর্বাঙ্গে যে পঁচন ধরেছে তার চিকিৎসা কোথায়? তার চিকিৎসক কে? এই উত্তর কি আপনাদের থেকে আমরা পেতে পারি না?
কাজী নজরুল ইসলাম যেমনটা বলে গেছেন
"এদেশের নাড়ীতে-নাড়ীতে, অস্থিমজ্জায় যে পঁচন ধরেছে তাতে এর একেবারে ধ্বংস না হলে নতুন জাত গড়ে উঠবে না। "
এই জাতি ইতিমধ্যেই ভঙ্গুর হয়ে গেছে। তাহলে আর কত ভঙ্গুরতার জন্য অপেক্ষা করবেন? আর কত ভাঙলে আপনারা কথা বলবেন? আর কত পঁচন ধরলে আপনাদের বিবেক নাড়া দিবে?
পতাকার লাল অংশ আজ বৃহৎ সবুজ অংশকে খেয়ে ফেলেছে। আমাদের রক্তে সবুজ বাংলা আজ রক্তিম আভায় চেয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মানুষ মারা গেল। আরও কয়েকশো শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এই কয়েকদিনে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত হয়রানি করা হচ্ছে। আর আপনারা আমাদের অভিভাবক হয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন? কেন? চাকরি বাঁচানোর জন্য? আপনাদের কাছে আমাদের রক্তের চেয়ে চাকরিটা বড় হয়ে গেল, তাই না? আজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে ধ্বংসের প্রান্তে। এটার জন্য কি আপনারা দায় এড়াতে পারবেন? আপনাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাই আর্চবিশপ ডেসমন্ট টুটুর বিখ্যাত উক্তিটি-
"জুলুমের কালে তুমি যদি নিরপেক্ষ থাকো তাহলে তুমি সেই জালিমের পক্ষই নিয়েছো"।
তাহলে কি আমরা আপনাদেরকে তাই ভাববো? সেটা কি আমাদের সমীচীন হবে?
সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ,
যে শিক্ষকের লেখা পড়ে আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, আজ তাদের নিয়ে কলম ধরতে আমরা বাধ্য হলাম। যে শিক্ষকের লেকচারে আমাদের বিবেকের দুয়ার খুলেছে ,আজ সেই বিবেকের তাড়নায় আমাদের লিখতে হচ্ছে।
একেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চার দেওয়ালে ঘেরা ফুলের বাগান। আমাদের সেই চারদেয়াল হল আপনারা শিক্ষকরা। কিন্তু সেই দেয়াল ভেদ করে হানা দিয়েছে হায়নার দল। সেই বাগান থেকে এক একটা ফুল তুলে নেওয়া হচ্ছে, এক একটা ফুলকে ক্ষত-বিক্ষত করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে।
আসলে আমরা ভুল বলেছি আপনাদের শিক্ষকদের দেয়াল ভেদ করে নয়, আপনারা নিজেরাই শত্রুদের প্রবেশ পথ দিয়েছেন।
আপনারা থাকতে আমাদের উপর সশস্র হামলা করে ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করা হলো! মেধাবীরা যদি এভাবে গুলিতে শহিদ হয়ে যায়, তাহলে এসব মেধাবীদের গড়ে তুলে কী লাভ হলো? শুধু শুধু পুলিশের গুলির সামনে নিজের জীবন বিসর্জন দেয়ার জন্য! পুলিশ ও ডিবি মধ্যরাতে হানা দিয়ে হাজার হাজার নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের পরিবারের কাছ থেকে তুলে নির্যাতন করছে।
আপনারা কীভাবে এই শহীদ শিক্ষার্থীদের রোল কল করবেন?! আপনারা কি তাদের শূণ্যতা অনুভব করবেন না?! আমরা কীভাবে সেই ক্লাসে বসবো, যেখানে আমাদের পাশের সিটের সহপাঠী নেই?! কেমন লাগবে যখন আপনাদের শিক্ষার্থীরা ক্রাচ-এ ভর করে, আঘাতপ্রাপ্ত চোখে কালো চশমা পরে ক্লাসে আসবে?! যারা হাতে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে, তারা কি আগের মতো কলম ধরতে পারবে?!
শিক্ষকদের শক্ত প্রাচীর যদি আমাদের ঘেরাও করে রাখত, তাহলে এত শিক্ষার্থীর লাশ কখনোই পড়তো না। আমাদের এই সোনার বাংলা আজ লাল রক্তে ছেয়ে যেত না।
কোন ভবনের ক্ষতি হলে যেমন করে রাজমিস্ত্রিরা ঠিক করে তেমন করে শিক্ষার্থীদের মিস্ত্রি আপনারা শিক্ষকরা। দেখুন না আপনারা! আমাদের কত নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে গেল, আমাদের কত স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনাশ হয়ে গেল। আমাদের শরীরের দিকে তাকিয়ে দেখুন - আমরা আজ ক্ষত-বিক্ষত, রক্তে রঞ্জিত। স্বৈরাচারের বন্দুকের নিশান আজ আমাদের বুকে। কারাগারে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে, রিমান্ডের নির্যাতনে আজ মেধাবীদের ঠিকানা হচ্ছে। এটাই কি তবে আধুনিক শিক্ষা?! এটা কি তবে সভ্যতা?!
মা-বাবার পরেই আমরা শিক্ষকদের স্থান দিয়েছি। আমাদের দুর্দিনে আমাদের মা-বাবা চিৎকার করে কাঁদতে পারলে, আপনারা কি আমাদের পাশে একটু দাঁড়াতে পারেন না? আমাদের ব্যথায় ব্যথিত হতে পারেন না? আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী কত ক্লাস করলাম, একসাথে কত অনুষ্ঠান করলাম, ছবির ফ্রেমে শিক্ষক শিক্ষার্থী কতবার বন্দি হয়েছি। সব কি মিথ্যা ছিল?
ফেসবুকে আপনাদের নাম উল্লেখ করার আগে 'প্রিয়' শব্দটা জুড়ে দিতাম। প্রিয় অমুক স্যার, প্রিয় অমুক ম্যাডাম। আমাদের সেই শ্রদ্ধা, ভক্তিকে আপনারা এইভাবে তুচ্ছ করলেন? এই খারাপ সময়ে আপনারা কেন নীরব দর্শক হয়ে আছেন?! আপনারা কি আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছেন যে খারাপ সময় ছেড়ে যেতে হয়?! তাহলে আমরা কি এতদিন ভুল মানুষদেরকে শিক্ষাগুরু মেনে এসেছি?!
শুনেন, আমাদের থেকে দূরে চলে যাওয়া শিক্ষকরা - আমাদের যদি জীবন বোধ না শিখাতে পারেন, যদি সৎসাহসী, দেশপ্রেমিক হতে না শেখান, তাহলে আমাদের এই পুঁথিগত শিক্ষা লাগবে না। যে বিদ্যা জাতির ক্রান্তিলগ্নে খসে পড়ে, জাতিকে পথ দেখাতে পারেনা, আমরা সেই বিদ্যাকে নর্দমায় ছুড়ে মারলাম।
আপনারা না জাতির কারিগর?! তাহলে জাতির জন্য কি তৈরি করছেন? এ জাতির সর্বাঙ্গে যে পঁচন ধরেছে তার চিকিৎসা কোথায়? তার চিকিৎসক কে? এই উত্তর কি আপনাদের থেকে আমরা পেতে পারি না?
কাজী নজরুল ইসলাম যেমনটা বলে গেছেন
"এদেশের নাড়ীতে-নাড়ীতে, অস্থিমজ্জায় যে পঁচন ধরেছে তাতে এর একেবারে ধ্বংস না হলে নতুন জাত গড়ে উঠবে না। "
এই জাতি ইতিমধ্যেই ভঙ্গুর হয়ে গেছে। তাহলে আর কত ভঙ্গুরতার জন্য অপেক্ষা করবেন? আর কত ভাঙলে আপনারা কথা বলবেন? আর কত পঁচন ধরলে আপনাদের বিবেক নাড়া দিবে?
পতাকার লাল অংশ আজ বৃহৎ সবুজ অংশকে খেয়ে ফেলেছে। আমাদের রক্তে সবুজ বাংলা আজ রক্তিম আভায় চেয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মানুষ মারা গেল। আরও কয়েকশো শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এই কয়েকদিনে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত হয়রানি করা হচ্ছে। আর আপনারা আমাদের অভিভাবক হয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন? কেন? চাকরি বাঁচানোর জন্য? আপনাদের কাছে আমাদের রক্তের চেয়ে চাকরিটা বড় হয়ে গেল, তাই না? আজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে ধ্বংসের প্রান্তে। এটার জন্য কি আপনারা দায় এড়াতে পারবেন? আপনাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাই আর্চবিশপ ডেসমন্ট টুটুর বিখ্যাত উক্তিটি-
"জুলুমের কালে তুমি যদি নিরপেক্ষ থাকো তাহলে তুমি সেই জালিমের পক্ষই নিয়েছো"।
তাহলে কি আমরা আপনাদেরকে তাই ভাববো? সেটা কি আমাদের সমীচীন হবে?
❤532😢65👍55🔥16👎2
প্রিয় শিক্ষকবৃন্দ - জাতির মেরুদন্ডে আঘাত এসেছে। এ সময় ছাত্রসমাজ জাতি পুনর্গঠনে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে। আজ ছাত্রসময়ের সমাজের পাশে আপনাদেরকে ভীষণ প্রয়োজন। সব চাপ উপেক্ষা করে, সকল বাঁধা পেরিয়ে আমাদের সাথে আসুন। আমাদের আন্দোলনকে সফল করুন।
শ্রেণী কক্ষে যেমন আমাদের শিক্ষা দিতেন, গাইডলাইন দিতেন, উপদেশ দিতেন। তেমনি ভাবেই এই আন্দোলনে আমাদের সমর্থন করুন। আমাদের অনুপ্রেরণা দিন। প্রয়োজন হলে আপনারা পদত্যাগ করুন।তারপরেও এই অন্যায়ের সাথে আপোষ করবেন না।
আমরা দেখবো, আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতিতে আমাদের বুকে গুলি চালায় কিভাবে। আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতিতে আমাদের দিকে বন্দুক তাক করে ট্রিগারে চাপ দেওয়ার সাহস আছে কার। আপনারা আমাদের সাথে উপস্থিত হলে আমাদের আন্দোলন সফল হবেই। আপনারা একেকজন শামসুজ্জোহা হোন।
ইতি-
আপনাদের স্নেহের সাহসী শিক্ষার্থীরা
শ্রেণী কক্ষে যেমন আমাদের শিক্ষা দিতেন, গাইডলাইন দিতেন, উপদেশ দিতেন। তেমনি ভাবেই এই আন্দোলনে আমাদের সমর্থন করুন। আমাদের অনুপ্রেরণা দিন। প্রয়োজন হলে আপনারা পদত্যাগ করুন।তারপরেও এই অন্যায়ের সাথে আপোষ করবেন না।
আমরা দেখবো, আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতিতে আমাদের বুকে গুলি চালায় কিভাবে। আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতিতে আমাদের দিকে বন্দুক তাক করে ট্রিগারে চাপ দেওয়ার সাহস আছে কার। আপনারা আমাদের সাথে উপস্থিত হলে আমাদের আন্দোলন সফল হবেই। আপনারা একেকজন শামসুজ্জোহা হোন।
ইতি-
আপনাদের স্নেহের সাহসী শিক্ষার্থীরা
❤945❤🔥64👍40🔥20😢2