বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (অফিসিয়াল)
55.3K subscribers
1.48K photos
12 videos
3 files
101 links
Download Telegram
আজকেও সেরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়!

আজ ২৯ জুলাই ২০২৪ তারিখ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১১ টায় রাবির মেইন গেটের সামনে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। এরপর ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক দখলে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিনোদপুর অভিমুখে যায়।

আজকের মিছিলে উল্লেখযোগ্য শ্লোগান ছিল -
*আমার ভাই মরলো কেন, জবাব চাই জবাব চাই!
*দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ!
*রাবি ভিসির পদত্যাগ, করতে হবে করতে হবে!
*অবিলম্বে ক্যাম্পাস খুলে দাও, দিতে হবে।
*শিক্ষার্থীদের ৯ দফা, মানতে হবে মানতে হবে!
934🔥87👍47🫡34👏7
মূল বিষয় থেকে আমাদের ফোকাস কমানোর জন্য এই মূহুর্তে ওরা নানান ইস্যু মাঠে হাজির করবে। অতএব সাধু সাবধান, কোনোভাবেই কূটচালকারীদের পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। আমাদের ভাইদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। অহেতুক বিষয়কে হাসি-তামাশার খোরাক বানিয়ে, সেটা নিয়ে মশগুল থাকলে চলবে না। শহীদ ভাইরা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাওয়া, চোখ হারানো সহযোদ্ধারা ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় আছে। ভুলে গেলে চলবে না, আমাদের কাঁধে অনেক দায়িত্ব। ন্যায় বিচার আদায়ের আগ পর্যন্ত আমাদের ভিন্নদিকে মনোনিবেশের কোনো সুযোগ নেই।

আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
809👍76🔥26🥰1
সেতুভবনে যেদিন হামলা হয় তখন আরিফ সোহেল ভাই জাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।উনি কিভাবে সেতু ভবনে হামলা করে? কিসের ভিত্তিতে এই মামলায় তাকে আসামী বানাইলো তার উপর ৬ দিনের গ্রেপ্তার মঞ্জুর করলো?

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর কূটনীতিক যারা আছেন তারা সকলেই এই ব্যপারটা আমলে নিন। এভাবেই অজ্ঞাতনামা মামলা করে যারে-তারে হামলাকারী বানিয়ে রিমান্ড নিচ্ছে। এর আগে ৩৬ ঘন্টারও বেশি সময় গুম ছিলেন আরিফ সোহেল।
🤬830😭167👍51🤣1511
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আরিফ সোহেল ও ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব রিমান্ডে কেন?!
😭748😢229👍22🤣6👎2
যারা আহত অবস্থায় বসে আছেন, ফোন দিয়ে পুলিশি হামলার ভিডিওগুলো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন লোকেশনসহ।
BBC, CNN, Al-Jazeera, AFP, Amnesty, UN সহ আরও যত যত মিডিয়া এবং মানবাধিকার সংস্থা আছে, সবার কাছে এগুলো পৌছে দিন। দেখিয়ে দিন নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের উপর কীভাবে হামলা করে আমাদেরকে খুন করা হচ্ছে। কীভাবে একটা প্রজন্মকে পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে।
561👍73😢52🔥12
আজকে সারাদেশের ছাত্র-শিক্ষক-আইনজীবী-শ্রমিক-নাগরিক প্রমাণ করে দিল যে এই আন্দোলন এখন আর শুধু ছাত্রদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্দোলন পৌছে গিয়েছে প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেকটি অলিতে গলিতে।

প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিলে, আন্দোলন আরও দ্বিগুণ তেজে রাজপথ প্রকম্পিত করবে।

প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে বাংলার ছাত্রসমাজের সাথে সাথে বাংলার নাগরিকসমাজও জেগে উঠেছে!

শহীদ ভাই-বোনদের রক্তের বিচার হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
1.12K🔥96👍85🤣5
গণতদন্ত কমিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৯ জুলাই ২০২৪

গত ১৬ই জুলাই ২০২৪, সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক পিটিয়ে সহিংসতার সুত্রপাত হয়। এই সহিংসতার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ পথে নেমে এলে রংপুরে আবু সাইদকে সরাসরি বুকে গুলি করা হয়। কিন্তু পুলিশ যখন মামলা দায়ের করে তখন সাধারণ ছাত্র এবং জনগণকে দায়ী করা হয়। এতে গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, এবং এইসব ঘটনায় সত্য উদঘাটনের দাবী উঠেছে। এ ঘটনায় পত্রিকার হিসেবে অন্তত ২০৯ জনের মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশ হলেও, সরকারী হিসেবে তা ১৪৭ জন। 
উক্ত আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, গুলি ও গণগ্রেফতারসহ নানা সহিংস উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছে, এবং তাতে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
তাই এসব ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আবশ্যকতা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, দেশের শিক্ষক, আইনজীবী, সংস্কৃতি কর্মী ও সাধারণ অভিভাবকেদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কয়েকজন প্রথিতযশা ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি “জাতীয় গণতদন্ত কমিশন” গঠন করা হয়েছে। কমিশনের সদস্যবৃন্দ হলেন
১. বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন, সাবেক বিচারপতি, আপীল বিভাগ, সুপ্রীম কোর্ট
২. সুলতানা কামাল, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী
৩. জেড আই খান, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী 
৪. আবু সাইয়িদ খান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৫. অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন, শিক্ষক
৬. আশরাফ কায়সার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৭. অনীক আর হক, আইনজীবী 
৮. অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
৯. মাহা মির্জা, লেখক ও গবেষক
বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন ও সুলতানা কামাল কমিশনের যুগ্ম সভাপতি হবেন। কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে যুগ্মভাবে কাজ করবেন অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান ও মাহা মির্জা।
এছাড়াও এই গণতদন্ত কমিশনে উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন:
১. তোবারক হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
২. সারা হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৩. ড. শাহদীন মালিক, আইনজীবী ও শিক্ষক
৪. অধ্যপক সলিমুল্লাহ্ খান, লেখক ও শিক্ষাবিদ
৫. কাজী মাহফুজুল হক সুপন, শিক্ষক 
৬. রাশনা ইমাম, আইনজীবী
৭. জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী
৮. সাইমুম রেজা তালুকদার, শিক্ষক
তাই জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে সকল সচেতন ব্যক্তিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ০১ জুলাই, ২০২৪ থেকে সংগঠিত বিভিন্ন সহিংস নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, গুলিবর্ষণ, হুমকি, মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাবতীয় তথ্য কমিশনের কাছে প্রেরণের জন্য অনুরোধ শীঘ্রই আহ্ববান জানানো হবে। অডিও, ভিডিও, ফটোগ্রাফ ও লেখাসহ যেকোনো ধরনের তথ্য প্রেরণ করা যাবে।

অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন

মাহা মির্জা
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
785👍120👎11🥰6🤝3
এখন পর্যন্ত আমাদের যেসব সমন্বয়কবৃন্দ ডিবির কাছে জিম্মি রয়েছে বলে আমরা খোজ পেয়েছিঃ

১. নাহিদ ইসলাম
২. আসিফ মাহমুদ
৩. আবু বাকের মজুমদার
৪. সারজিস আলম
৫. হাসনাত আব্দুল্লাহ
৬. নুসরাত তাবাসসুম

ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ৩৬ ঘন্টা নিখোজ থাকার পর, ২৯শে জুলাই তারিখে ৬ দিনের রিমান্ডে যে সমন্বয়ক এবং আমাদের আন্দোলনের শুভাকাঙ্ক্ষী কে নেওয়া হয়েছেঃ
১. আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)
২. আসিফ মাহতাব (শিক্ষক, ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়)

২৯শে জুলাই পল্টনে পুলিশ কথা বলার জন্য ডেকে নিয়ে যাদেরকে গ্রেফতার করে
১. মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ (সহ-সমন্বয়ক)
২. রাফি (ঢাবি শিক্ষার্থী)
এবং আরও দুইজন (অজ্ঞাত)

আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে গ্রেফতার হওয়ার পর আমাদের যে শুভাকাঙ্ক্ষীর এখনো কোনো খোজ পাওয়া যায় নিঃ
১. আখতার হোসেন (সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক, ডাকসু)
😢760👍55🤬4610😭9
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
গোলাম রাব্বানী স্যার
অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
866❤‍🔥53👍18🥰12😇4
একটা মানুষ মারতে কয়টা গুলি লাগে স্যার?

- একজন মানবিক পুলিশ
😢619😁22👍13🤬1310
ছবিটির ক্যাপশন দিতে ব্যর্থ হলাম
😢580😭55👍2812🎅3
একটা মানুষ মারা গেছে তার পরিচয় সবাই-ই জানে

প্রিয় নাম, সাংবাদিক ছিলেন, সাংবাদিকতাই করতেন।

তার মৃত্যু যথেষ্ট হয়নাই। তার বাড়িতে গিয়ে আক্রমণ করেছে প্রশাসনের লোক।
😢580🤬208😭21👍8👎4
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৪

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

প্রিয় দেশবাসী ও ছাত্রসমাজ,
আমাদের আহবানে সাড়া দিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, নোয়াখালী, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, ঠাকুরগাঁও সহ সারাদেশব্যপী আজকের কর্মসূচি বিক্ষোভ ও ছাত্রসমাবেশ সফল করার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবিসমূহের সাথে সংহতি প্রকাশ করার জন্য শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবি, শ্রমজীবী ও গণমানুষের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

প্রিয় সুধী,
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশজুড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবীকে কেন্দ্র করে নির্বিচারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে শত শত শিক্ষার্থীর মৃত্যু ও হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত হয়ে যখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে তখনও শিক্ষার্থীদের  দাবী মেনে না নিয়ে একাত্তরের হানাদার বাহিনীর মতো মধ্য রাতে বাসা বাড়িতে রেইড ব্লকের মাধ্যমে নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে রিমান্ডের নামে মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বর নির্যাতন চালানো হচ্ছে।

এমতাবস্থায় বর্তমান সরকারের কর্তাব্যক্তিরা সংকট নিরসনে শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে না নিয়ে প্রতিদিনই নির্মমভাবে শিক্ষার্থীদের দমন নিপীড়ন ও মানুষের জীবন থেকে রাষ্ট্রীয় সম্পদকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় প্রচার করছে এবং মিডিয়ার সামনে দেওয়া সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মায়া কান্না প্রচার করছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের বিচার না করে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রতিদিন যে নির্মম উপহাস করা হচ্ছে। তার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় শোককে প্রত্যাখান করে আগামীকাল লাল কাপড় মুখে ও চোখে বেঁধে ছবি তুলা এবং অনলাইনে ব্যাপক প্রচার কর্মসূচি করার জন্য অনুরোধ করছি।

বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল, মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আপনারা আগামীকালের কর্মসূচি সফলে সহযোগিতা করুন।

কর্মসূচি: সকলেই একক বা ঐক্যবদ্ধভাবে লাল কাপড় মুখে ও চোখে বেঁধে ছবি তোলা এবং অনলাইনে প্রচার কর্মসূচি পালন করুন।

আমরা সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ছাত্রসমাজের বুকে গুলি চালিয়ে বাংলার ইতিহাসে কোনো আন্দোলন দমন করা যায়নি। অবিলম্বে ছাত্রসমাজের নয় দফা দাবি মেনে নিয়ে দেশকে স্থিতিশীল করুন।

দাবি সমূহ-
১। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ছাত্র-নাগরিক হত্যার দায় নিয়ে জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

২। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার এবং সন্ত্রাসী কর্তৃক ছাত্র-নাগরিক হত্যার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। ইন্টারনেট শাটডাউন করে দেশে ডিজিটাল ক্র‍্যাকডাউন করায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে পদত্যাগ করতে হবে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শহীদ শিক্ষার্থী এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদেরকে ড্রাগ এডিক্ট বলে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে এবং আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতকে পদত্যাগ করতে হবে।

৩। ঢাকাসহ যত জায়গায় ছাত্র-নাগরিক শহীদ হয়েছে সেখানকার ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে।

৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে ক্যাম্পাসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা হয়েছে, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এবং প্রক্টরদেরকে পদত্যাগ করতে হবে।

৫। যে পুলিশ-বিজিবি-র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা শিক্ষার্থীদের উপর গুলি করেছে, ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ যে সকল সন্ত্রাসীরা শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা পরিচালনা করেছে এবং যেসকল নির্বাহী মেজিস্ট্রেট পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাদেরকে নিরস্ত্র ছাত্র-নাগরিকদের উপর গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে তাদেরকে আটক করে হত্যা মামলা দায়ের করতে হবে ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে।

৬। দেশব্যাপী যেসকল ছাত্র-নাগরিক শহীদ এবং আহত হয়েছে তাদের পরিবারকে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।

৭। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ নামক সন্ত্রাসী সংগঠনসহ সকল দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে দ্রুততম সময়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ছাত্র সংসদ কার্যকর করতে হবে
716👍98🔥31🗿18🫡17
৮। অবিলম্বে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হলগুলো খুলে দিতে হবে। কারফিউ তুলে নিয়ে সারাদেশের সমস্ত ক্যাম্পাসে মোতায়েনকৃত পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, সোয়াট এবং আর্মি তুলে নিতে হবে।

৯। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কোনো ধরনের হয়রানি করা হবে না এই মর্মে অঙ্গীকার করতে হবে। ইতিমধ্যে গণগ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানির শিকার সমন্বয়কবৃন্দ ও ছাত্র-নাগরিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে ও সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

আমরা সারাদেশের শিক্ষক, পেশাজীবি, শ্রমজীবী ও সকল নাগরিককে আমাদের কর্মসূচি পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও আমাদের দাবী আদায়ের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। 

বার্তা প্রেরক
মো: মাহিন সরকার
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
1.04K👍86🔥35💯13🤔6