শহীদের জীবন যারা নিয়েছে তাদের শাস্তি যে-দিন হবে, সেদিন আমরা শহীদদের স্মরণে শোকার্ত হবো। এখন প্রতিটি শহীদ আমাদের জন্য শোক নয়, তারা আমাদের শক্তি। আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। আমাদের দাবী আদায়ের পথপ্রদর্শক এই শহীদেরা।
শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে হত্যাকারীদের বিচার হলে, তারা শাস্তি পেলে, যেই দাবী আদায়ের লক্ষ্যে তারা জীবন দিয়েছে সেই দাবী আদায় হলে। রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে হত্যাকারীদের বুকে লাগানো কালো ব্যাজগুলো বুলেট দিয়ে বুক ফুটো করা শহীদের রক্তকে ঢেকে ফেলতে পারবে না।
রিফাত রশিদ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে হত্যাকারীদের বিচার হলে, তারা শাস্তি পেলে, যেই দাবী আদায়ের লক্ষ্যে তারা জীবন দিয়েছে সেই দাবী আদায় হলে। রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে হত্যাকারীদের বুকে লাগানো কালো ব্যাজগুলো বুলেট দিয়ে বুক ফুটো করা শহীদের রক্তকে ঢেকে ফেলতে পারবে না।
রিফাত রশিদ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤847🔥72👍37💯10🥰7
শহীদদের প্রতি ফোটা রক্তের বিচার না হওয়া পর্যন্ত, খুনিদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত, কোনো রাষ্ট্রীয় শোক মানা হবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤653👍53🔥34💯5
আজকেও সেরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়!
আজ ২৯ জুলাই ২০২৪ তারিখ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১১ টায় রাবির মেইন গেটের সামনে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। এরপর ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক দখলে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিনোদপুর অভিমুখে যায়।
আজকের মিছিলে উল্লেখযোগ্য শ্লোগান ছিল -
*আমার ভাই মরলো কেন, জবাব চাই জবাব চাই!
*দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ!
*রাবি ভিসির পদত্যাগ, করতে হবে করতে হবে!
*অবিলম্বে ক্যাম্পাস খুলে দাও, দিতে হবে।
*শিক্ষার্থীদের ৯ দফা, মানতে হবে মানতে হবে!
আজ ২৯ জুলাই ২০২৪ তারিখ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১১ টায় রাবির মেইন গেটের সামনে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। এরপর ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক দখলে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিনোদপুর অভিমুখে যায়।
আজকের মিছিলে উল্লেখযোগ্য শ্লোগান ছিল -
*আমার ভাই মরলো কেন, জবাব চাই জবাব চাই!
*দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ!
*রাবি ভিসির পদত্যাগ, করতে হবে করতে হবে!
*অবিলম্বে ক্যাম্পাস খুলে দাও, দিতে হবে।
*শিক্ষার্থীদের ৯ দফা, মানতে হবে মানতে হবে!
❤934🔥87👍47🫡34👏7
মূল বিষয় থেকে আমাদের ফোকাস কমানোর জন্য এই মূহুর্তে ওরা নানান ইস্যু মাঠে হাজির করবে। অতএব সাধু সাবধান, কোনোভাবেই কূটচালকারীদের পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। আমাদের ভাইদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। অহেতুক বিষয়কে হাসি-তামাশার খোরাক বানিয়ে, সেটা নিয়ে মশগুল থাকলে চলবে না। শহীদ ভাইরা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাওয়া, চোখ হারানো সহযোদ্ধারা ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় আছে। ভুলে গেলে চলবে না, আমাদের কাঁধে অনেক দায়িত্ব। ন্যায় বিচার আদায়ের আগ পর্যন্ত আমাদের ভিন্নদিকে মনোনিবেশের কোনো সুযোগ নেই।
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤809👍76🔥26🥰1
সেতুভবনে যেদিন হামলা হয় তখন আরিফ সোহেল ভাই জাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।উনি কিভাবে সেতু ভবনে হামলা করে? কিসের ভিত্তিতে এই মামলায় তাকে আসামী বানাইলো তার উপর ৬ দিনের গ্রেপ্তার মঞ্জুর করলো?
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর কূটনীতিক যারা আছেন তারা সকলেই এই ব্যপারটা আমলে নিন। এভাবেই অজ্ঞাতনামা মামলা করে যারে-তারে হামলাকারী বানিয়ে রিমান্ড নিচ্ছে। এর আগে ৩৬ ঘন্টারও বেশি সময় গুম ছিলেন আরিফ সোহেল।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর কূটনীতিক যারা আছেন তারা সকলেই এই ব্যপারটা আমলে নিন। এভাবেই অজ্ঞাতনামা মামলা করে যারে-তারে হামলাকারী বানিয়ে রিমান্ড নিচ্ছে। এর আগে ৩৬ ঘন্টারও বেশি সময় গুম ছিলেন আরিফ সোহেল।
🤬830😭167👍51🤣15❤11
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আরিফ সোহেল ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব রিমান্ডে কেন?!
😭748😢229👍22🤣6👎2
যারা আহত অবস্থায় বসে আছেন, ফোন দিয়ে পুলিশি হামলার ভিডিওগুলো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন লোকেশনসহ।
BBC, CNN, Al-Jazeera, AFP, Amnesty, UN সহ আরও যত যত মিডিয়া এবং মানবাধিকার সংস্থা আছে, সবার কাছে এগুলো পৌছে দিন। দেখিয়ে দিন নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের উপর কীভাবে হামলা করে আমাদেরকে খুন করা হচ্ছে। কীভাবে একটা প্রজন্মকে পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে।
BBC, CNN, Al-Jazeera, AFP, Amnesty, UN সহ আরও যত যত মিডিয়া এবং মানবাধিকার সংস্থা আছে, সবার কাছে এগুলো পৌছে দিন। দেখিয়ে দিন নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের উপর কীভাবে হামলা করে আমাদেরকে খুন করা হচ্ছে। কীভাবে একটা প্রজন্মকে পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে।
❤561👍73😢52🔥12
আজকে সারাদেশের ছাত্র-শিক্ষক-আইনজীবী-শ্রমিক-নাগরিক প্রমাণ করে দিল যে এই আন্দোলন এখন আর শুধু ছাত্রদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্দোলন পৌছে গিয়েছে প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেকটি অলিতে গলিতে।
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিলে, আন্দোলন আরও দ্বিগুণ তেজে রাজপথ প্রকম্পিত করবে।
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে বাংলার ছাত্রসমাজের সাথে সাথে বাংলার নাগরিকসমাজও জেগে উঠেছে!
শহীদ ভাই-বোনদের রক্তের বিচার হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিলে, আন্দোলন আরও দ্বিগুণ তেজে রাজপথ প্রকম্পিত করবে।
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে বাংলার ছাত্রসমাজের সাথে সাথে বাংলার নাগরিকসমাজও জেগে উঠেছে!
শহীদ ভাই-বোনদের রক্তের বিচার হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤1.12K🔥96👍85🤣5
গণতদন্ত কমিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৯ জুলাই ২০২৪
গত ১৬ই জুলাই ২০২৪, সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক পিটিয়ে সহিংসতার সুত্রপাত হয়। এই সহিংসতার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ পথে নেমে এলে রংপুরে আবু সাইদকে সরাসরি বুকে গুলি করা হয়। কিন্তু পুলিশ যখন মামলা দায়ের করে তখন সাধারণ ছাত্র এবং জনগণকে দায়ী করা হয়। এতে গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, এবং এইসব ঘটনায় সত্য উদঘাটনের দাবী উঠেছে। এ ঘটনায় পত্রিকার হিসেবে অন্তত ২০৯ জনের মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশ হলেও, সরকারী হিসেবে তা ১৪৭ জন।
উক্ত আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, গুলি ও গণগ্রেফতারসহ নানা সহিংস উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছে, এবং তাতে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
তাই এসব ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আবশ্যকতা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, দেশের শিক্ষক, আইনজীবী, সংস্কৃতি কর্মী ও সাধারণ অভিভাবকেদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কয়েকজন প্রথিতযশা ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি “জাতীয় গণতদন্ত কমিশন” গঠন করা হয়েছে। কমিশনের সদস্যবৃন্দ হলেন
১. বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন, সাবেক বিচারপতি, আপীল বিভাগ, সুপ্রীম কোর্ট
২. সুলতানা কামাল, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী
৩. জেড আই খান, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৪. আবু সাইয়িদ খান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৫. অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন, শিক্ষক
৬. আশরাফ কায়সার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৭. অনীক আর হক, আইনজীবী
৮. অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
৯. মাহা মির্জা, লেখক ও গবেষক
বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন ও সুলতানা কামাল কমিশনের যুগ্ম সভাপতি হবেন। কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে যুগ্মভাবে কাজ করবেন অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান ও মাহা মির্জা।
এছাড়াও এই গণতদন্ত কমিশনে উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন:
১. তোবারক হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
২. সারা হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৩. ড. শাহদীন মালিক, আইনজীবী ও শিক্ষক
৪. অধ্যপক সলিমুল্লাহ্ খান, লেখক ও শিক্ষাবিদ
৫. কাজী মাহফুজুল হক সুপন, শিক্ষক
৬. রাশনা ইমাম, আইনজীবী
৭. জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী
৮. সাইমুম রেজা তালুকদার, শিক্ষক
তাই জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে সকল সচেতন ব্যক্তিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ০১ জুলাই, ২০২৪ থেকে সংগঠিত বিভিন্ন সহিংস নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, গুলিবর্ষণ, হুমকি, মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাবতীয় তথ্য কমিশনের কাছে প্রেরণের জন্য অনুরোধ শীঘ্রই আহ্ববান জানানো হবে। অডিও, ভিডিও, ফটোগ্রাফ ও লেখাসহ যেকোনো ধরনের তথ্য প্রেরণ করা যাবে।
অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
মাহা মির্জা
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
২৯ জুলাই ২০২৪
গত ১৬ই জুলাই ২০২৪, সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক পিটিয়ে সহিংসতার সুত্রপাত হয়। এই সহিংসতার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ পথে নেমে এলে রংপুরে আবু সাইদকে সরাসরি বুকে গুলি করা হয়। কিন্তু পুলিশ যখন মামলা দায়ের করে তখন সাধারণ ছাত্র এবং জনগণকে দায়ী করা হয়। এতে গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, এবং এইসব ঘটনায় সত্য উদঘাটনের দাবী উঠেছে। এ ঘটনায় পত্রিকার হিসেবে অন্তত ২০৯ জনের মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশ হলেও, সরকারী হিসেবে তা ১৪৭ জন।
উক্ত আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, গুলি ও গণগ্রেফতারসহ নানা সহিংস উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছে, এবং তাতে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
তাই এসব ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আবশ্যকতা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, দেশের শিক্ষক, আইনজীবী, সংস্কৃতি কর্মী ও সাধারণ অভিভাবকেদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কয়েকজন প্রথিতযশা ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি “জাতীয় গণতদন্ত কমিশন” গঠন করা হয়েছে। কমিশনের সদস্যবৃন্দ হলেন
১. বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন, সাবেক বিচারপতি, আপীল বিভাগ, সুপ্রীম কোর্ট
২. সুলতানা কামাল, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী
৩. জেড আই খান, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৪. আবু সাইয়িদ খান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৫. অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন, শিক্ষক
৬. আশরাফ কায়সার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৭. অনীক আর হক, আইনজীবী
৮. অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
৯. মাহা মির্জা, লেখক ও গবেষক
বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন ও সুলতানা কামাল কমিশনের যুগ্ম সভাপতি হবেন। কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে যুগ্মভাবে কাজ করবেন অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান ও মাহা মির্জা।
এছাড়াও এই গণতদন্ত কমিশনে উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন:
১. তোবারক হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
২. সারা হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৩. ড. শাহদীন মালিক, আইনজীবী ও শিক্ষক
৪. অধ্যপক সলিমুল্লাহ্ খান, লেখক ও শিক্ষাবিদ
৫. কাজী মাহফুজুল হক সুপন, শিক্ষক
৬. রাশনা ইমাম, আইনজীবী
৭. জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী
৮. সাইমুম রেজা তালুকদার, শিক্ষক
তাই জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে সকল সচেতন ব্যক্তিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ০১ জুলাই, ২০২৪ থেকে সংগঠিত বিভিন্ন সহিংস নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, গুলিবর্ষণ, হুমকি, মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাবতীয় তথ্য কমিশনের কাছে প্রেরণের জন্য অনুরোধ শীঘ্রই আহ্ববান জানানো হবে। অডিও, ভিডিও, ফটোগ্রাফ ও লেখাসহ যেকোনো ধরনের তথ্য প্রেরণ করা যাবে।
অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
মাহা মির্জা
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
❤785👍120👎11🥰6🤝3
এখন পর্যন্ত আমাদের যেসব সমন্বয়কবৃন্দ ডিবির কাছে জিম্মি রয়েছে বলে আমরা খোজ পেয়েছিঃ
১. নাহিদ ইসলাম
২. আসিফ মাহমুদ
৩. আবু বাকের মজুমদার
৪. সারজিস আলম
৫. হাসনাত আব্দুল্লাহ
৬. নুসরাত তাবাসসুম
ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ৩৬ ঘন্টা নিখোজ থাকার পর, ২৯শে জুলাই তারিখে ৬ দিনের রিমান্ডে যে সমন্বয়ক এবং আমাদের আন্দোলনের শুভাকাঙ্ক্ষী কে নেওয়া হয়েছেঃ
১. আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)
২. আসিফ মাহতাব (শিক্ষক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়)
২৯শে জুলাই পল্টনে পুলিশ কথা বলার জন্য ডেকে নিয়ে যাদেরকে গ্রেফতার করে
১. মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ (সহ-সমন্বয়ক)
২. রাফি (ঢাবি শিক্ষার্থী)
এবং আরও দুইজন (অজ্ঞাত)
আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে গ্রেফতার হওয়ার পর আমাদের যে শুভাকাঙ্ক্ষীর এখনো কোনো খোজ পাওয়া যায় নিঃ
১. আখতার হোসেন (সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক, ডাকসু)
১. নাহিদ ইসলাম
২. আসিফ মাহমুদ
৩. আবু বাকের মজুমদার
৪. সারজিস আলম
৫. হাসনাত আব্দুল্লাহ
৬. নুসরাত তাবাসসুম
ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ৩৬ ঘন্টা নিখোজ থাকার পর, ২৯শে জুলাই তারিখে ৬ দিনের রিমান্ডে যে সমন্বয়ক এবং আমাদের আন্দোলনের শুভাকাঙ্ক্ষী কে নেওয়া হয়েছেঃ
১. আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)
২. আসিফ মাহতাব (শিক্ষক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়)
২৯শে জুলাই পল্টনে পুলিশ কথা বলার জন্য ডেকে নিয়ে যাদেরকে গ্রেফতার করে
১. মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ (সহ-সমন্বয়ক)
২. রাফি (ঢাবি শিক্ষার্থী)
এবং আরও দুইজন (অজ্ঞাত)
আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে গ্রেফতার হওয়ার পর আমাদের যে শুভাকাঙ্ক্ষীর এখনো কোনো খোজ পাওয়া যায় নিঃ
১. আখতার হোসেন (সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক, ডাকসু)
😢760👍55🤬46❤10😭9
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
গোলাম রাব্বানী স্যার
অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
❤866❤🔥53👍18🥰12😇4