বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আগামীকাল মঙ্গলবার শহীদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। সেইসাথে শিক্ষার্থীদের হ'ত্যাকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানাচ্ছি।
শহীদের রক্তের পূর্ণ মর্যাদা রক্ষায় আমাদের সংগ্রাম চলছে এবং চলবে.....
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/uG2mdnxJKDdSZ3V3/?mibextid=oFDknk
শহীদের রক্তের পূর্ণ মর্যাদা রক্ষায় আমাদের সংগ্রাম চলছে এবং চলবে.....
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/uG2mdnxJKDdSZ3V3/?mibextid=oFDknk
❤268🤣218👍39😁20😢7
দা মিরর এশিয়ার প্রতিবেদনঃ
মেট্রো স্টেশন ও সেতু ভবনে আগুন:
গোয়েন্দাদের সন্দেহ মিরপুরের বাস ব্যবসায়ী এক এমপি ও সরকারি কর্মকর্তাদের
ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের সন্দেহ মিরপুরের আওয়ামী লীগের এক এমপিকে। পরিবহন ব্যবসায়ী এই আওয়ামী লীগ নেতার লোকজনই মেট্রোস্টেশনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে। পরে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে টিকতে না পেরে নিজেরাই ভাঙচুর করে পিছু হটে যায়।
সূত্রমতে, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের পরবর্তী সহিংসতায় মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে প্রথম অগ্নিসংযোগ করা হয় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চলন্ত বাসে। আন্দোলনকারীরা প্রেসক্লাবের মেট্রো স্টেশনে কোনো প্রকার ক্ষতি করার চেষ্টা করেনি। এছাড়াও মেট্রো রেলের পল্লবী, উত্তরা, আগারগাঁও, মতিঝিল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে। সেখানকার মেট্রো স্টেশনে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শুধু মিরপুর-১০ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চারটি স্টেশনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো হলো মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া। এতে কারা লাভবান হবে এবং আসলে কি ঘটেছিল সে প্রশ্ন মাথায় রেখে তথ্য উদঘাটন করছে গোয়েন্দারা।
স্থানীয় এক ব্যাক্তি দাবি করেন, মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বাস মালিকদের লোকজন জড়িত ছিল। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের মুখে পিছু হটতে গিয়ে তারা আগুন লাগিয়ে দেয়।
গোয়েন্দাসূত্রগুলো বলছে, এমন সব দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন লাগানো হয়েছে যা শিক্ষার্থীদের কাছে থাকার কথা না। বরং এ ধরনের দাহ্য পদার্থ বাস মালিক বা এ ধরনের যারা ব্যবসা করেন তাদের কাছেই থাকে যা জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
ওই গোয়েন্দা সূত্র মতে, মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর মিরপুর-মতিঝিল রুটে বাসের ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে। কোনো কোনো বাস সারাদিন চালানোর পরও দিনের খরচ উঠে না। যাত্রী সংখ্যা একদমই কমে গেছে। স্বল্প সময়ে যাতায়তের জন্য মিরপুরে সব যাত্রীই মেট্রোরেলকে বেছে নিয়েছেন। এ অবস্থায় মেট্রোরেল বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া বাসমালিকদের কোনো বিকল্প নেই। তাই সুযোগ বুঝেই তারা মেট্রোরেল বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে।
জানা গেছে, মেট্রোরেলের এমন কোনো ক্ষতি হয়নি যে চালু করতে এক বছর সময় লাগবে। লাইন বা কোচের কোনো ক্ষতি হয়নি। কারিগরি কিছু ক্ষতি হয়েছে। সরকার চাইলেই এটা দ্রুত চালু করতে পারে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে একবছর সময় লাগবে। মেট্রোরেল বন্ধ রেখে সরকার জনমত নিজের দিকে টানার চেষ্টা করছে বলেও ওই গোয়েন্দা সূত্রটি জানায়।
মেট্রোরেলের পাশাপাশি সেতু ভবনের আগুন নিয়ে গোয়েন্দাদের সন্দেহের তালিকায় আছে সরকারি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও সরকার সমর্থক ঠিকাদাররা। তাদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, বিক্ষোভাকারীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা করলেও কেবল মাত্র নিচতলায় দ্রুত হামলা করে সরে পড়েছে। বিটিভি বা বিটিআরসি ভবনে নিচতলায় আগুন দিয়েচে। ভাঙচুর করেছে। কেবল মাত্র সেতু ভবনে ১২ তলা পর্যন্ত আগুন দিয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রিত বিভিন্ন সরকারি অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের নথি ফাঁস হতে শুরু করায় সেতু ভবনের দুর্নীতির আলামত নষ্ট করতেই আগুন দেওয়া হয়েছে বলে গোয়েন্দারা সন্দেহ করছেন।
মেট্রো স্টেশন ও সেতু ভবনে আগুন:
গোয়েন্দাদের সন্দেহ মিরপুরের বাস ব্যবসায়ী এক এমপি ও সরকারি কর্মকর্তাদের
ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের সন্দেহ মিরপুরের আওয়ামী লীগের এক এমপিকে। পরিবহন ব্যবসায়ী এই আওয়ামী লীগ নেতার লোকজনই মেট্রোস্টেশনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে। পরে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে টিকতে না পেরে নিজেরাই ভাঙচুর করে পিছু হটে যায়।
সূত্রমতে, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের পরবর্তী সহিংসতায় মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে প্রথম অগ্নিসংযোগ করা হয় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চলন্ত বাসে। আন্দোলনকারীরা প্রেসক্লাবের মেট্রো স্টেশনে কোনো প্রকার ক্ষতি করার চেষ্টা করেনি। এছাড়াও মেট্রো রেলের পল্লবী, উত্তরা, আগারগাঁও, মতিঝিল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে। সেখানকার মেট্রো স্টেশনে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শুধু মিরপুর-১০ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চারটি স্টেশনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো হলো মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া। এতে কারা লাভবান হবে এবং আসলে কি ঘটেছিল সে প্রশ্ন মাথায় রেখে তথ্য উদঘাটন করছে গোয়েন্দারা।
স্থানীয় এক ব্যাক্তি দাবি করেন, মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বাস মালিকদের লোকজন জড়িত ছিল। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের মুখে পিছু হটতে গিয়ে তারা আগুন লাগিয়ে দেয়।
গোয়েন্দাসূত্রগুলো বলছে, এমন সব দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন লাগানো হয়েছে যা শিক্ষার্থীদের কাছে থাকার কথা না। বরং এ ধরনের দাহ্য পদার্থ বাস মালিক বা এ ধরনের যারা ব্যবসা করেন তাদের কাছেই থাকে যা জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
ওই গোয়েন্দা সূত্র মতে, মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর মিরপুর-মতিঝিল রুটে বাসের ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে। কোনো কোনো বাস সারাদিন চালানোর পরও দিনের খরচ উঠে না। যাত্রী সংখ্যা একদমই কমে গেছে। স্বল্প সময়ে যাতায়তের জন্য মিরপুরে সব যাত্রীই মেট্রোরেলকে বেছে নিয়েছেন। এ অবস্থায় মেট্রোরেল বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া বাসমালিকদের কোনো বিকল্প নেই। তাই সুযোগ বুঝেই তারা মেট্রোরেল বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে।
জানা গেছে, মেট্রোরেলের এমন কোনো ক্ষতি হয়নি যে চালু করতে এক বছর সময় লাগবে। লাইন বা কোচের কোনো ক্ষতি হয়নি। কারিগরি কিছু ক্ষতি হয়েছে। সরকার চাইলেই এটা দ্রুত চালু করতে পারে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে একবছর সময় লাগবে। মেট্রোরেল বন্ধ রেখে সরকার জনমত নিজের দিকে টানার চেষ্টা করছে বলেও ওই গোয়েন্দা সূত্রটি জানায়।
মেট্রোরেলের পাশাপাশি সেতু ভবনের আগুন নিয়ে গোয়েন্দাদের সন্দেহের তালিকায় আছে সরকারি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও সরকার সমর্থক ঠিকাদাররা। তাদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, বিক্ষোভাকারীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা করলেও কেবল মাত্র নিচতলায় দ্রুত হামলা করে সরে পড়েছে। বিটিভি বা বিটিআরসি ভবনে নিচতলায় আগুন দিয়েচে। ভাঙচুর করেছে। কেবল মাত্র সেতু ভবনে ১২ তলা পর্যন্ত আগুন দিয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রিত বিভিন্ন সরকারি অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের নথি ফাঁস হতে শুরু করায় সেতু ভবনের দুর্নীতির আলামত নষ্ট করতেই আগুন দেওয়া হয়েছে বলে গোয়েন্দারা সন্দেহ করছেন।
🔥545👍79❤69👏10🤝5
Police have detained at least 34 people from the capital's Science Lab and Mirpur areas today (29 July) during protests against the Detective Branch (DB) "coercing" the quota reform leaders to withdraw the programme.
Read more:
https://www.tbsnews.net/bangladesh/police-detain-34-protesters-science-lab-mirpur-905631
Read more:
https://www.tbsnews.net/bangladesh/police-detain-34-protesters-science-lab-mirpur-905631
The Business Standard
Police detain 34 protesters from Science Lab, Mirpur
When asked about the matter, the police did not provide any justification for the detention
😢328🤬98👍20👎3😐2
শহীদের জীবন যারা নিয়েছে তাদের শাস্তি যে-দিন হবে, সেদিন আমরা শহীদদের স্মরণে শোকার্ত হবো। এখন প্রতিটি শহীদ আমাদের জন্য শোক নয়, তারা আমাদের শক্তি। আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। আমাদের দাবী আদায়ের পথপ্রদর্শক এই শহীদেরা।
শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে হত্যাকারীদের বিচার হলে, তারা শাস্তি পেলে, যেই দাবী আদায়ের লক্ষ্যে তারা জীবন দিয়েছে সেই দাবী আদায় হলে। রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে হত্যাকারীদের বুকে লাগানো কালো ব্যাজগুলো বুলেট দিয়ে বুক ফুটো করা শহীদের রক্তকে ঢেকে ফেলতে পারবে না।
রিফাত রশিদ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে হত্যাকারীদের বিচার হলে, তারা শাস্তি পেলে, যেই দাবী আদায়ের লক্ষ্যে তারা জীবন দিয়েছে সেই দাবী আদায় হলে। রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে হত্যাকারীদের বুকে লাগানো কালো ব্যাজগুলো বুলেট দিয়ে বুক ফুটো করা শহীদের রক্তকে ঢেকে ফেলতে পারবে না।
রিফাত রশিদ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤847🔥72👍37💯10🥰7
শহীদদের প্রতি ফোটা রক্তের বিচার না হওয়া পর্যন্ত, খুনিদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত, কোনো রাষ্ট্রীয় শোক মানা হবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤653👍53🔥34💯5
আজকেও সেরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়!
আজ ২৯ জুলাই ২০২৪ তারিখ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১১ টায় রাবির মেইন গেটের সামনে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। এরপর ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক দখলে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিনোদপুর অভিমুখে যায়।
আজকের মিছিলে উল্লেখযোগ্য শ্লোগান ছিল -
*আমার ভাই মরলো কেন, জবাব চাই জবাব চাই!
*দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ!
*রাবি ভিসির পদত্যাগ, করতে হবে করতে হবে!
*অবিলম্বে ক্যাম্পাস খুলে দাও, দিতে হবে।
*শিক্ষার্থীদের ৯ দফা, মানতে হবে মানতে হবে!
আজ ২৯ জুলাই ২০২৪ তারিখ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১১ টায় রাবির মেইন গেটের সামনে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। এরপর ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক দখলে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিনোদপুর অভিমুখে যায়।
আজকের মিছিলে উল্লেখযোগ্য শ্লোগান ছিল -
*আমার ভাই মরলো কেন, জবাব চাই জবাব চাই!
*দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ!
*রাবি ভিসির পদত্যাগ, করতে হবে করতে হবে!
*অবিলম্বে ক্যাম্পাস খুলে দাও, দিতে হবে।
*শিক্ষার্থীদের ৯ দফা, মানতে হবে মানতে হবে!
❤934🔥87👍47🫡34👏7
মূল বিষয় থেকে আমাদের ফোকাস কমানোর জন্য এই মূহুর্তে ওরা নানান ইস্যু মাঠে হাজির করবে। অতএব সাধু সাবধান, কোনোভাবেই কূটচালকারীদের পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। আমাদের ভাইদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। অহেতুক বিষয়কে হাসি-তামাশার খোরাক বানিয়ে, সেটা নিয়ে মশগুল থাকলে চলবে না। শহীদ ভাইরা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাওয়া, চোখ হারানো সহযোদ্ধারা ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় আছে। ভুলে গেলে চলবে না, আমাদের কাঁধে অনেক দায়িত্ব। ন্যায় বিচার আদায়ের আগ পর্যন্ত আমাদের ভিন্নদিকে মনোনিবেশের কোনো সুযোগ নেই।
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤809👍76🔥26🥰1
সেতুভবনে যেদিন হামলা হয় তখন আরিফ সোহেল ভাই জাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।উনি কিভাবে সেতু ভবনে হামলা করে? কিসের ভিত্তিতে এই মামলায় তাকে আসামী বানাইলো তার উপর ৬ দিনের গ্রেপ্তার মঞ্জুর করলো?
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর কূটনীতিক যারা আছেন তারা সকলেই এই ব্যপারটা আমলে নিন। এভাবেই অজ্ঞাতনামা মামলা করে যারে-তারে হামলাকারী বানিয়ে রিমান্ড নিচ্ছে। এর আগে ৩৬ ঘন্টারও বেশি সময় গুম ছিলেন আরিফ সোহেল।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর কূটনীতিক যারা আছেন তারা সকলেই এই ব্যপারটা আমলে নিন। এভাবেই অজ্ঞাতনামা মামলা করে যারে-তারে হামলাকারী বানিয়ে রিমান্ড নিচ্ছে। এর আগে ৩৬ ঘন্টারও বেশি সময় গুম ছিলেন আরিফ সোহেল।
🤬830😭167👍51🤣15❤11
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আরিফ সোহেল ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব রিমান্ডে কেন?!
😭748😢229👍22🤣6👎2
যারা আহত অবস্থায় বসে আছেন, ফোন দিয়ে পুলিশি হামলার ভিডিওগুলো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন লোকেশনসহ।
BBC, CNN, Al-Jazeera, AFP, Amnesty, UN সহ আরও যত যত মিডিয়া এবং মানবাধিকার সংস্থা আছে, সবার কাছে এগুলো পৌছে দিন। দেখিয়ে দিন নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের উপর কীভাবে হামলা করে আমাদেরকে খুন করা হচ্ছে। কীভাবে একটা প্রজন্মকে পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে।
BBC, CNN, Al-Jazeera, AFP, Amnesty, UN সহ আরও যত যত মিডিয়া এবং মানবাধিকার সংস্থা আছে, সবার কাছে এগুলো পৌছে দিন। দেখিয়ে দিন নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের উপর কীভাবে হামলা করে আমাদেরকে খুন করা হচ্ছে। কীভাবে একটা প্রজন্মকে পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে।
❤561👍73😢52🔥12
আজকে সারাদেশের ছাত্র-শিক্ষক-আইনজীবী-শ্রমিক-নাগরিক প্রমাণ করে দিল যে এই আন্দোলন এখন আর শুধু ছাত্রদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্দোলন পৌছে গিয়েছে প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেকটি অলিতে গলিতে।
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিলে, আন্দোলন আরও দ্বিগুণ তেজে রাজপথ প্রকম্পিত করবে।
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে বাংলার ছাত্রসমাজের সাথে সাথে বাংলার নাগরিকসমাজও জেগে উঠেছে!
শহীদ ভাই-বোনদের রক্তের বিচার হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিলে, আন্দোলন আরও দ্বিগুণ তেজে রাজপথ প্রকম্পিত করবে।
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে বাংলার ছাত্রসমাজের সাথে সাথে বাংলার নাগরিকসমাজও জেগে উঠেছে!
শহীদ ভাই-বোনদের রক্তের বিচার হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤1.12K🔥96👍85🤣5
গণতদন্ত কমিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৯ জুলাই ২০২৪
গত ১৬ই জুলাই ২০২৪, সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক পিটিয়ে সহিংসতার সুত্রপাত হয়। এই সহিংসতার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ পথে নেমে এলে রংপুরে আবু সাইদকে সরাসরি বুকে গুলি করা হয়। কিন্তু পুলিশ যখন মামলা দায়ের করে তখন সাধারণ ছাত্র এবং জনগণকে দায়ী করা হয়। এতে গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, এবং এইসব ঘটনায় সত্য উদঘাটনের দাবী উঠেছে। এ ঘটনায় পত্রিকার হিসেবে অন্তত ২০৯ জনের মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশ হলেও, সরকারী হিসেবে তা ১৪৭ জন।
উক্ত আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, গুলি ও গণগ্রেফতারসহ নানা সহিংস উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছে, এবং তাতে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
তাই এসব ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আবশ্যকতা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, দেশের শিক্ষক, আইনজীবী, সংস্কৃতি কর্মী ও সাধারণ অভিভাবকেদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কয়েকজন প্রথিতযশা ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি “জাতীয় গণতদন্ত কমিশন” গঠন করা হয়েছে। কমিশনের সদস্যবৃন্দ হলেন
১. বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন, সাবেক বিচারপতি, আপীল বিভাগ, সুপ্রীম কোর্ট
২. সুলতানা কামাল, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী
৩. জেড আই খান, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৪. আবু সাইয়িদ খান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৫. অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন, শিক্ষক
৬. আশরাফ কায়সার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৭. অনীক আর হক, আইনজীবী
৮. অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
৯. মাহা মির্জা, লেখক ও গবেষক
বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন ও সুলতানা কামাল কমিশনের যুগ্ম সভাপতি হবেন। কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে যুগ্মভাবে কাজ করবেন অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান ও মাহা মির্জা।
এছাড়াও এই গণতদন্ত কমিশনে উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন:
১. তোবারক হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
২. সারা হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৩. ড. শাহদীন মালিক, আইনজীবী ও শিক্ষক
৪. অধ্যপক সলিমুল্লাহ্ খান, লেখক ও শিক্ষাবিদ
৫. কাজী মাহফুজুল হক সুপন, শিক্ষক
৬. রাশনা ইমাম, আইনজীবী
৭. জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী
৮. সাইমুম রেজা তালুকদার, শিক্ষক
তাই জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে সকল সচেতন ব্যক্তিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ০১ জুলাই, ২০২৪ থেকে সংগঠিত বিভিন্ন সহিংস নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, গুলিবর্ষণ, হুমকি, মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাবতীয় তথ্য কমিশনের কাছে প্রেরণের জন্য অনুরোধ শীঘ্রই আহ্ববান জানানো হবে। অডিও, ভিডিও, ফটোগ্রাফ ও লেখাসহ যেকোনো ধরনের তথ্য প্রেরণ করা যাবে।
অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
মাহা মির্জা
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
২৯ জুলাই ২০২৪
গত ১৬ই জুলাই ২০২৪, সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক পিটিয়ে সহিংসতার সুত্রপাত হয়। এই সহিংসতার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ পথে নেমে এলে রংপুরে আবু সাইদকে সরাসরি বুকে গুলি করা হয়। কিন্তু পুলিশ যখন মামলা দায়ের করে তখন সাধারণ ছাত্র এবং জনগণকে দায়ী করা হয়। এতে গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, এবং এইসব ঘটনায় সত্য উদঘাটনের দাবী উঠেছে। এ ঘটনায় পত্রিকার হিসেবে অন্তত ২০৯ জনের মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশ হলেও, সরকারী হিসেবে তা ১৪৭ জন।
উক্ত আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, গুলি ও গণগ্রেফতারসহ নানা সহিংস উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছে, এবং তাতে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
তাই এসব ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আবশ্যকতা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, দেশের শিক্ষক, আইনজীবী, সংস্কৃতি কর্মী ও সাধারণ অভিভাবকেদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কয়েকজন প্রথিতযশা ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি “জাতীয় গণতদন্ত কমিশন” গঠন করা হয়েছে। কমিশনের সদস্যবৃন্দ হলেন
১. বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন, সাবেক বিচারপতি, আপীল বিভাগ, সুপ্রীম কোর্ট
২. সুলতানা কামাল, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী
৩. জেড আই খান, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৪. আবু সাইয়িদ খান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৫. অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন, শিক্ষক
৬. আশরাফ কায়সার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
৭. অনীক আর হক, আইনজীবী
৮. অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
৯. মাহা মির্জা, লেখক ও গবেষক
বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন ও সুলতানা কামাল কমিশনের যুগ্ম সভাপতি হবেন। কমিশনের সদস্য সচিব হিসেবে যুগ্মভাবে কাজ করবেন অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান ও মাহা মির্জা।
এছাড়াও এই গণতদন্ত কমিশনে উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন:
১. তোবারক হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
২. সারা হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
৩. ড. শাহদীন মালিক, আইনজীবী ও শিক্ষক
৪. অধ্যপক সলিমুল্লাহ্ খান, লেখক ও শিক্ষাবিদ
৫. কাজী মাহফুজুল হক সুপন, শিক্ষক
৬. রাশনা ইমাম, আইনজীবী
৭. জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী
৮. সাইমুম রেজা তালুকদার, শিক্ষক
তাই জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে সকল সচেতন ব্যক্তিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ০১ জুলাই, ২০২৪ থেকে সংগঠিত বিভিন্ন সহিংস নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, গুলিবর্ষণ, হুমকি, মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাবতীয় তথ্য কমিশনের কাছে প্রেরণের জন্য অনুরোধ শীঘ্রই আহ্ববান জানানো হবে। অডিও, ভিডিও, ফটোগ্রাফ ও লেখাসহ যেকোনো ধরনের তথ্য প্রেরণ করা যাবে।
অধ্যাপক তানজিমুদ্দিন খান
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
মাহা মির্জা
যুগ্ম সদস্য সচিব
গণতদন্ত কমিশন
❤785👍120👎11🥰6🤝3