নাহিদ ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (SAD) নেতা, যে বাছাই করা কিছু টিভি স্টেশনে একটি ভিডিও পাঠিয়েছে, যাতে সে সমস্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে, সেটি কে বিশ্বাস করবে? যদি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং নাহিদ সত্যিই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তাহলে তাদের উন্মুক্তভাবে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলতে দিন যে তারা তাদের প্রতিবাদ স্থগিত করেছে।
ডিবি পুলিশের জানা উচিত যে “বিশ্বাসই” এখানে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। প্রো-সরকারি মিডিয়া ছাড়া কেউই বিশ্বাস করবে না যে নাহিদ কোনো জবরদস্তি ছাড়াই এই বিবৃতি দিয়েছেন। তাকে ইতিমধ্যে এক সপ্তাহ আগে ধরে নিয়ে গিয়েছিল এবং পুলিশ হেফাজতে নৃশংসভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। এর ফলে তার শরীরে রক্ত জমাট পর্যন্ত বেঁধেছিল।
আমরা সাধারণত খুব দ্রুত ভুলে যাই। আমরা ভুলে গেছি যে ২০০৭-২০০৮ সালের সামরিক সরকার আমলে যৌথ বাহিনী আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নেতাদের ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তখনকার সংবাদপত্র ও টিভি স্টেশনগুলি নিয়মিত এই আটক নেতাদের কথিত স্বীকারোক্তির সিডি পেত। যার কিছু ভিডিও ফুটেজ এখনও ইউটিউবে পাওয়া যায়।
সেই সিডিগুলি আমাদের সাংবাদিকতায় একটি বড় নৈতিক প্রশ্ন তুলেছিল। প্রায় প্রতিটি মিডিয়া আউটলেট, যার মধ্যে রয়েছে ডেইলি স্টার, যা ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই সাংবাদিকতা করে, সেই স্বীকারোক্তিগুলির বিষয়বস্তু প্রকাশ করেছিল। তবে নিউ এজ, তার অনুপ্রেরণামূলক সম্পাদক নূরুল কবীরের অধীনে, প্রচণ্ড চাপ থাকা সত্ত্বেও সেগুলি প্রকাশ করেনি। তার গভীর সন্দেহ ছিল যে এই স্বীকারোক্তিগুলি জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছে। এবং এটি সাংবাদিকতার নীতির বিরুদ্ধে যা কিছু জোর করে আদায় করা হয়েছে তা প্রকাশ করা।
নূরুল কবীর তার সাহসী অবস্থানের জন্য একজন কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছিলেন। আর অন্যরা এখনও সেই বিশাল কেলেঙ্কারির প্রভাব কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন।
- Shafiqul Alam, Journalist, AFP News Agency.
(অনূদিত)
ডিবি পুলিশের জানা উচিত যে “বিশ্বাসই” এখানে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। প্রো-সরকারি মিডিয়া ছাড়া কেউই বিশ্বাস করবে না যে নাহিদ কোনো জবরদস্তি ছাড়াই এই বিবৃতি দিয়েছেন। তাকে ইতিমধ্যে এক সপ্তাহ আগে ধরে নিয়ে গিয়েছিল এবং পুলিশ হেফাজতে নৃশংসভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। এর ফলে তার শরীরে রক্ত জমাট পর্যন্ত বেঁধেছিল।
আমরা সাধারণত খুব দ্রুত ভুলে যাই। আমরা ভুলে গেছি যে ২০০৭-২০০৮ সালের সামরিক সরকার আমলে যৌথ বাহিনী আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নেতাদের ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তখনকার সংবাদপত্র ও টিভি স্টেশনগুলি নিয়মিত এই আটক নেতাদের কথিত স্বীকারোক্তির সিডি পেত। যার কিছু ভিডিও ফুটেজ এখনও ইউটিউবে পাওয়া যায়।
সেই সিডিগুলি আমাদের সাংবাদিকতায় একটি বড় নৈতিক প্রশ্ন তুলেছিল। প্রায় প্রতিটি মিডিয়া আউটলেট, যার মধ্যে রয়েছে ডেইলি স্টার, যা ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই সাংবাদিকতা করে, সেই স্বীকারোক্তিগুলির বিষয়বস্তু প্রকাশ করেছিল। তবে নিউ এজ, তার অনুপ্রেরণামূলক সম্পাদক নূরুল কবীরের অধীনে, প্রচণ্ড চাপ থাকা সত্ত্বেও সেগুলি প্রকাশ করেনি। তার গভীর সন্দেহ ছিল যে এই স্বীকারোক্তিগুলি জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছে। এবং এটি সাংবাদিকতার নীতির বিরুদ্ধে যা কিছু জোর করে আদায় করা হয়েছে তা প্রকাশ করা।
নূরুল কবীর তার সাহসী অবস্থানের জন্য একজন কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছিলেন। আর অন্যরা এখনও সেই বিশাল কেলেঙ্কারির প্রভাব কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন।
- Shafiqul Alam, Journalist, AFP News Agency.
(অনূদিত)
❤1.04K👍137🔥20😢17🎃2
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ২৮ জুলাই ২০২৪
সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ও ছাত্রলীগের আক্রমনে নিহত শত শত শহীদের আত্মত্যাগ তিরস্কার করে ডিবি কার্যালয়ে বন্দুকের নলের মুখে জিম্মি করে সমন্বয়কদের মাধ্যমে জোরপূর্বক স্ক্রিপ্টেড বিবৃতি আদায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমাদের দাবী আদায়ে আমরা অবিচল ছিলাম, রয়েছি এবং থাকবো।
প্রিয় দেশবাসী ও ছাত্রসমাজ,
বিগত কয়েকদিন যাবত গণহত্যা, গণগ্রেফতারের পর সরকার এখন এক নতুন নাটকের সৃষ্টি করেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের তুলে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে জিম্মি করে অস্ত্রের মুখে স্ক্রিপ্টেড বিবৃতি দিয়ে, ছাত্রসমাজের দাবিসমূহের প্রতি সরকার চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে। শুধু তাই নয়, সারাদেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত শহীদদের পরিবারকে হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে, আর্মড ফোর্সকে ব্যবহার করে ঢাকায় এনে সরকার তাদের থেকে মিথ্যা জবানবন্দি নেওয়া ও সমস্ত দায় আন্দোলনকারীদের উপর চাপিয়ে শহীদের রক্তের সাথে তামাশা করেছে। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে ভাই, জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ছাত্রসমাজ শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী করতে পারে না।
প্রিয় দেশবাসী,আপনারা জানেন, দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের পর সরকার সারাদেশে রেইড করে গণগ্রেফতার করেছে। হাজার হাজার মামলা ও গ্রেফতার করা হচ্ছে। জানালার পাশে পড়ার সময় কোমলমতি শিশু সামিরকে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। এমনকি স্কুল ও কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে আহত ও শহীদ করা হয়েছে। এই অবস্থায় আমরা কঠোর ভাষায় বলতে চাই, আমাদের দাবী আদায় না হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ছাত্রসমাজের আন্দোলন চলবে।
কর্মসূচি: আগামীকাল (২৯শে জুলাই, ২০২৪) সারাদেশে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ কর্মসূচি এবং প্রতিবাদ সমাবেশ।
আমাদের দাবী আদায়ের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে বাংলাদেশের সকল নাগরিককে অনুরোধ করছি।
বার্তা প্রেরকঃ
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ২৮ জুলাই ২০২৪
সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ও ছাত্রলীগের আক্রমনে নিহত শত শত শহীদের আত্মত্যাগ তিরস্কার করে ডিবি কার্যালয়ে বন্দুকের নলের মুখে জিম্মি করে সমন্বয়কদের মাধ্যমে জোরপূর্বক স্ক্রিপ্টেড বিবৃতি আদায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমাদের দাবী আদায়ে আমরা অবিচল ছিলাম, রয়েছি এবং থাকবো।
প্রিয় দেশবাসী ও ছাত্রসমাজ,
বিগত কয়েকদিন যাবত গণহত্যা, গণগ্রেফতারের পর সরকার এখন এক নতুন নাটকের সৃষ্টি করেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের তুলে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে জিম্মি করে অস্ত্রের মুখে স্ক্রিপ্টেড বিবৃতি দিয়ে, ছাত্রসমাজের দাবিসমূহের প্রতি সরকার চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে। শুধু তাই নয়, সারাদেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত শহীদদের পরিবারকে হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে, আর্মড ফোর্সকে ব্যবহার করে ঢাকায় এনে সরকার তাদের থেকে মিথ্যা জবানবন্দি নেওয়া ও সমস্ত দায় আন্দোলনকারীদের উপর চাপিয়ে শহীদের রক্তের সাথে তামাশা করেছে। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে ভাই, জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ছাত্রসমাজ শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী করতে পারে না।
প্রিয় দেশবাসী,আপনারা জানেন, দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের পর সরকার সারাদেশে রেইড করে গণগ্রেফতার করেছে। হাজার হাজার মামলা ও গ্রেফতার করা হচ্ছে। জানালার পাশে পড়ার সময় কোমলমতি শিশু সামিরকে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। এমনকি স্কুল ও কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে আহত ও শহীদ করা হয়েছে। এই অবস্থায় আমরা কঠোর ভাষায় বলতে চাই, আমাদের দাবী আদায় না হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ছাত্রসমাজের আন্দোলন চলবে।
কর্মসূচি: আগামীকাল (২৯শে জুলাই, ২০২৪) সারাদেশে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ কর্মসূচি এবং প্রতিবাদ সমাবেশ।
আমাদের দাবী আদায়ের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে বাংলাদেশের সকল নাগরিককে অনুরোধ করছি।
বার্তা প্রেরকঃ
আব্দুল কাদের
সমন্বয়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
🔥900❤267👍85❤🔥14👏8
আগামীকালের কর্মসূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট : https://www.facebook.com/share/p/Qp9ZCQ3PJHfezZNq/?mibextid=oFDknk
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
🤣276👎82👍58❤41😢12