শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সহিংসতা চালিয়ে সরকার উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর দায় সরকারেরই। সরকার আলোচনার কোনো পরিস্থিতি রাখেনি।
যদি এখনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজপথ থেকে সরানো না হয়; যদি হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়া হয়, যদি এখনো গুলি অব্যাহত থাকে তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।
কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার দাবি কর্ণপাত করেনি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে, দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে।
সকল ছাত্র হত্যার বিচার করতে হবে। ক্যাম্পাগুলোকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিরস্ত্র করে রাজপথ থেকে অপসারণ করতে হবে। শহীদের রক্তের উপর কোনো সংলাপ হবে না। সরকারকেই সমাধানের পথ বের করতে হবে৷
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্রদের পাশে থাকুন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান থাকবে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে।
আমাদেরকে আজকে রাতের মধ্যেই গ্রেফতার অথবা গুম করে ফেলতে পারে। আপনারা কর্মসূচী অব্যাহত রাখবেন। সবাই জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করুন।
মো. নাহিদ ইসলাম
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
যদি এখনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজপথ থেকে সরানো না হয়; যদি হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়া হয়, যদি এখনো গুলি অব্যাহত থাকে তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।
কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার দাবি কর্ণপাত করেনি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে, দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে।
সকল ছাত্র হত্যার বিচার করতে হবে। ক্যাম্পাগুলোকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিরস্ত্র করে রাজপথ থেকে অপসারণ করতে হবে। শহীদের রক্তের উপর কোনো সংলাপ হবে না। সরকারকেই সমাধানের পথ বের করতে হবে৷
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্রদের পাশে থাকুন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান থাকবে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে।
আমাদেরকে আজকে রাতের মধ্যেই গ্রেফতার অথবা গুম করে ফেলতে পারে। আপনারা কর্মসূচী অব্যাহত রাখবেন। সবাই জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করুন।
মো. নাহিদ ইসলাম
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤1.27K👍186🔥63💔36😐9
চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ, পুলিশ, বিজিবি, সোয়াট দ্বারা আহত-নিহতদের তালিকা তৈরির জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে শুধু আহত-নিহতদের নাম, প্রতিষ্ঠান, জেলা, ছবি এগুলা থাকবে।
ফর্ম্যাট
নাম:
প্রতিষ্ঠান:
জেলা:
কীভাবে আহত/নিহত:
ছবি:
তারিখ:
একই নাম এবং ছবি বার বার না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
গ্রুপ লিংক: https://t.me/+CRehCBPQb5szZDM1
ফর্ম্যাট
নাম:
প্রতিষ্ঠান:
জেলা:
কীভাবে আহত/নিহত:
ছবি:
তারিখ:
একই নাম এবং ছবি বার বার না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
গ্রুপ লিংক: https://t.me/+CRehCBPQb5szZDM1
Telegram
Anti Awami Cell
আওয়ামী লীগ প্রমোট করে এমন পেইজ, গ্রুপ, পোস্ট আইডিন্টিফিকেশন এবং সেগুলো নষ্ট করার লক্ষ্যে গ্রুপ।
❤365👍92😭75😢30😁2
কমপ্লিট শাটডাউনের মেয়াদ আগামীকাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো ও জুম্মার নামাজের পর সকল মসজিদে শহীদদের গায়েবানা জানাযা পড়ার আহ্বান করা হচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤1.51K👍117🔥42😁23👏14
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন,
গত ৮ জুন মহামান্য হাইকোর্ট কোটার ব্যাপারে ২০১৮ সালের পরিপত্র বাতিল করে যে রায় দেন সেই রায়ের বিরুদ্ধে আমার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু করি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে যাদুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনে সহায়ক হবে। এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উসকানিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ দমনপীড়ন চালিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা চালায়। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তখন আমরা অভিভাবক, স্কুল-কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে আমাদের নিরাপত্তার আহ্বান জানাই। পরে আমরা দেখতে পাই, সারা দেশে একটি ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করে শিক্ষার্থীদের হল থেকে বিতারিত করা হয়, যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন। পরে সেনাবাহিনী নামিয়ে কারফিউ জারি করা হয়। এই পরিস্থিতির সুযোগে পরিকল্পিতভাবে আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য দুর্বৃত্তরা নাশকতা করে রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আগুন লাগায় এবং যানমালের ক্ষতি করে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে এই ধরনের সহিংস ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা স্পষ্ট সরকারের দায়িত্বহীন আচরণ ও দমনপীড়নের জন্য এই অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই দায় সম্পূর্ণভাবে সরকারকে নিতে হবে। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পরিস্থিতির দায় প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর চাপিয়ে সরকার পুরোপুরি দায় এড়াচ্ছে। আমরা প্রথম থেকেই সরকারের সাথে আলোচনার কথা বলেছি। কিন্তু সরকার ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করে ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীদের বিতাড়িত করে আমাদের আলোচনার আহবান জানিয়েছে। আমরা সেই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করিনি। ফলে প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক আমি নাহিদ ইসলাম আমাকে গুম করে ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়। একই সাথে তাদের কাছে কিছু দাবি পেশ করতে গেলে সেটা সংলাপ বলে মিডিয়ায় প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়। গুম, গ্রেফতার, প্রপাগান্ডা, ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন, কারফিউ রাষ্ট্রযন্ত্রের সকলকিছু ব্যবহার করে সরকার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও প্রতিবাদী ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। রক্ত লাশের ওপর দাঁড়িয়ে সরকার এখন ছাত্র ও নাগরিকদের প্রতি আরেকটি নির্মমতার ইতিহাস হয়ে থাকল। কোটা সংস্কার আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক ও ()শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে, রাজাকারদের পক্ষে বলে এই আন্দোলনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এত কিছুর পরেও আমরা মনে করি মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলেছেন। সেই অনুযায়ী সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই- স্টেকহোল্ডাদের সাথে আলোচনা ব্যতিরেকে এই প্রজ্ঞাপন সমীচীন নয়। আমরা চেয়েছিলাম সব পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এই প্রজ্ঞাপন হবে, যাতে নতুন করে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয়। আমরা অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। এ দু'টো প্রজ্ঞাপনে প্রতিফলিত হয়েছে। কিন্তু অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার। এ বিষয়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে নীতিনির্ধারকদের সংলাপ প্রয়োজন। তবে সরকার চাইলে যেকোনো মুহূর্তে কোটা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারে। তাই কোটা ব্যবস্থার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে। যেখানে প্রাসঙ্গিক অংশীদারদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কোটা সম্পর্কে আরো বক্তব্য আছে। কিন্তু তার আগে সংলাপের যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। গত কয়েক দিনে সহিংসতায় সারা দেশে কয়েক শ' ছাত্র শহীদ হয়েছেন এবং কয়েক হাজার লোক আহত হয়েছেন। হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। নিখোঁজদের লাশ খুঁজে বেড়াচ্ছেন বাবারা। এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা কোটা সংস্কার চাইনি। আমরা হত্যার বিচার চাই। আমাদের আহ্বানে সব শিক্ষার্থীও নাগরিকরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। আমরা জনগণকে বলতে চাই- আমরা জনগণের সাথে আছি। আমাদের দাবি ক্যাম্পাসগুলো খুলে দেয়া হোক। আমরা সবার সাথে আলোচনা করে আমাদের জাতির সামনে তুলে ধরতে চাই। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমাদের বাসায় পুলিশ, ডিবি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোক যাচ্ছে। সারা দেশে নির্বিচারে মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমরা এই পরিস্থিতির অবসান চাই। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে ছাত্র- জনতার মুখোমুখি আর দাঁড়াবেন না। আর একটি গুলিও যাতে কাউকে হত্যার উদ্দেশ্যে না ছোড়া হয়। সারা দেশে যেসব মানুষ শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন আমরা তাদের পাশে আছি। শেষ পর্যন্ত থাকব। এখন যেহেতু ইন্টারনেট নেই। আমাদের সমন্বয়কদের অনেকের খোঁজ এখনো পাচ্ছি না, এই অবস্থার দ্রুত পরিত্রাণ করতে হবে। আমরা সমন্বয়কদের নিয়ে এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এবং জনমতের ভিত্তিতে আমাদের আরো কিছু দাবি-দাওয়া আছে। এই দাবি-দাওয়া নিয়ে অনেকে বিভ্রান্ত
গত ৮ জুন মহামান্য হাইকোর্ট কোটার ব্যাপারে ২০১৮ সালের পরিপত্র বাতিল করে যে রায় দেন সেই রায়ের বিরুদ্ধে আমার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু করি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে যাদুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনে সহায়ক হবে। এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উসকানিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ দমনপীড়ন চালিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা চালায়। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তখন আমরা অভিভাবক, স্কুল-কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে আমাদের নিরাপত্তার আহ্বান জানাই। পরে আমরা দেখতে পাই, সারা দেশে একটি ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করে শিক্ষার্থীদের হল থেকে বিতারিত করা হয়, যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন। পরে সেনাবাহিনী নামিয়ে কারফিউ জারি করা হয়। এই পরিস্থিতির সুযোগে পরিকল্পিতভাবে আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য দুর্বৃত্তরা নাশকতা করে রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আগুন লাগায় এবং যানমালের ক্ষতি করে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে এই ধরনের সহিংস ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা স্পষ্ট সরকারের দায়িত্বহীন আচরণ ও দমনপীড়নের জন্য এই অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই দায় সম্পূর্ণভাবে সরকারকে নিতে হবে। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পরিস্থিতির দায় প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর চাপিয়ে সরকার পুরোপুরি দায় এড়াচ্ছে। আমরা প্রথম থেকেই সরকারের সাথে আলোচনার কথা বলেছি। কিন্তু সরকার ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করে ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীদের বিতাড়িত করে আমাদের আলোচনার আহবান জানিয়েছে। আমরা সেই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করিনি। ফলে প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক আমি নাহিদ ইসলাম আমাকে গুম করে ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়। একই সাথে তাদের কাছে কিছু দাবি পেশ করতে গেলে সেটা সংলাপ বলে মিডিয়ায় প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়। গুম, গ্রেফতার, প্রপাগান্ডা, ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন, কারফিউ রাষ্ট্রযন্ত্রের সকলকিছু ব্যবহার করে সরকার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও প্রতিবাদী ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। রক্ত লাশের ওপর দাঁড়িয়ে সরকার এখন ছাত্র ও নাগরিকদের প্রতি আরেকটি নির্মমতার ইতিহাস হয়ে থাকল। কোটা সংস্কার আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক ও ()শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে, রাজাকারদের পক্ষে বলে এই আন্দোলনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এত কিছুর পরেও আমরা মনে করি মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলেছেন। সেই অনুযায়ী সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই- স্টেকহোল্ডাদের সাথে আলোচনা ব্যতিরেকে এই প্রজ্ঞাপন সমীচীন নয়। আমরা চেয়েছিলাম সব পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এই প্রজ্ঞাপন হবে, যাতে নতুন করে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয়। আমরা অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। এ দু'টো প্রজ্ঞাপনে প্রতিফলিত হয়েছে। কিন্তু অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার। এ বিষয়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে নীতিনির্ধারকদের সংলাপ প্রয়োজন। তবে সরকার চাইলে যেকোনো মুহূর্তে কোটা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারে। তাই কোটা ব্যবস্থার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে। যেখানে প্রাসঙ্গিক অংশীদারদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কোটা সম্পর্কে আরো বক্তব্য আছে। কিন্তু তার আগে সংলাপের যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। গত কয়েক দিনে সহিংসতায় সারা দেশে কয়েক শ' ছাত্র শহীদ হয়েছেন এবং কয়েক হাজার লোক আহত হয়েছেন। হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। নিখোঁজদের লাশ খুঁজে বেড়াচ্ছেন বাবারা। এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা কোটা সংস্কার চাইনি। আমরা হত্যার বিচার চাই। আমাদের আহ্বানে সব শিক্ষার্থীও নাগরিকরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। আমরা জনগণকে বলতে চাই- আমরা জনগণের সাথে আছি। আমাদের দাবি ক্যাম্পাসগুলো খুলে দেয়া হোক। আমরা সবার সাথে আলোচনা করে আমাদের জাতির সামনে তুলে ধরতে চাই। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমাদের বাসায় পুলিশ, ডিবি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোক যাচ্ছে। সারা দেশে নির্বিচারে মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমরা এই পরিস্থিতির অবসান চাই। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে ছাত্র- জনতার মুখোমুখি আর দাঁড়াবেন না। আর একটি গুলিও যাতে কাউকে হত্যার উদ্দেশ্যে না ছোড়া হয়। সারা দেশে যেসব মানুষ শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন আমরা তাদের পাশে আছি। শেষ পর্যন্ত থাকব। এখন যেহেতু ইন্টারনেট নেই। আমাদের সমন্বয়কদের অনেকের খোঁজ এখনো পাচ্ছি না, এই অবস্থার দ্রুত পরিত্রাণ করতে হবে। আমরা সমন্বয়কদের নিয়ে এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এবং জনমতের ভিত্তিতে আমাদের আরো কিছু দাবি-দাওয়া আছে। এই দাবি-দাওয়া নিয়ে অনেকে বিভ্রান্ত
❤810👍179🔥25👏9💯5
হয়েছে। আমরা শুনতে পেয়েছি সেটা যোগাযোগ বিঘ্নতার কারণে হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে সেই দাবিগুলো আমরা সুস্পষ্টভাবে পেশ করব। তার আগে আমাদের নিরাপত্তা দিতে হবে, গুম, হত্যা গ্রেফতার বন্ধ করতে হবে, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
বার্তা প্রেরক
আবু বাকের মজুমদার
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বার্তা প্রেরক
আবু বাকের মজুমদার
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤728👍93🔥25❤🔥10👎1
গুম করে বার বার প্যাথেডিন ইনজেকশন দিয়ে স্লো পয়জনিং করা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ ভাইকে। এন্টি-প্যাথেডিন দিয়ে ডিটক্সিফিকেশনের ট্রিটমেন্ট চলছে, সবাই দোয়া রাখবেন।
😢1.19K😭236💔46❤27👍27
বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলামের বক্তব্য—
চলমান আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মরণ করছি এবং প্রতিবাদী ছাত্র-নাগরিকদের স্যালুট জানাচ্ছি।
আপনারা জানেন সরকারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে আলোচনার জন্য বলা হচ্ছিল। আমরা বলেছিলাম আমাদের ভাইদের শহীদ করা হয়েছে, আমাদেরকে হল থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে, রাজপথে এখনো গুলি চলছে — এই অবস্থায় আমরা কোনো ধরনের সংলাপে যাবো না। সরকারকে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
শুক্রবার ১৯ জুলাই রাত ৮ থেকে ১০টা পর্যন্ত আমাকে নানা পক্ষ থেকে জোরাজোরি করা হয় সরকারের সাথে আলোচনায় বসার জন্য এবং কর্মসূচী প্রত্যাহারের জন্য। আমি সংলাপের আহ্বানকে বরাবরের মত প্রত্যাখান করি।
পরে কারফিউ এর ভিতরও শাটডাউন কর্মসূচী অব্যাহতের ঘোষণা দিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি লিখি এবং বিভিন্ন সাংবাদিকদের কাছে মেসেজটি পৌঁছাই। কিন্তু কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদটি রাতে প্রচার করা হয়নি।
পরের ঘটনা আপনারা সকলেই জানেন— আমাকে সেই রাতেই তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। সাথে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সমন্বয়ককে সেই রাতে গুম করা হয়। পরের ঘটনাক্রম থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করতে এবং আমাদের নেতৃত্ব ও নির্দেশনা ঠেকাতে এই গুমের পরিকল্পনা।
ইন্টারনেট বন্ধ এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া সম্পূর্ণ সরকারের কব্জায় থাকায় যেসব সমন্বয়ক বাহিরে ছিল তাদের নির্দেশনা প্রচার করা হয়নি অথবা বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। পুরো সময়টায় আমাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিবাদী ছাত্র-নাগরিক শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। শত শত মানুষ শহীদ হয়েছে৷ আমরা তখন তাঁদের পাশে থাকতে পারি নাই। এজন্য আমাদের ক্ষমা করবেন।
আমি বের হয়ে আহত অবস্থায় যথাসম্ভব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছি এবং অন্য সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারীদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি।
গতকাল গুম হওয়া আসিফ মাহমুদ ও বাকেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কোটা সংস্কার প্রজ্ঞাপন ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে কিছু কথা—
★ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারসদের সাথে আলোচনা ব্যতীত জারিকরা কোটা সংস্কারে প্রজ্ঞাপন চূড়ান্ত সমাধান হিসেবে আমরা গ্রহণ করছি না। যথাযথ সংলাপের পরিবেশ তৈরি করে নীতিনির্ধারণী যায়গায় সকলপক্ষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে প্রজ্ঞাপন দিতে হবে।
সরকার চাইলে যেকোনো সময়ই ইচ্ছামত কোটা পরিবর্তন-পরিবর্ধন করতে পারে। তাই অংশীদারদের অংশগ্রহণে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে যা কোটা পদ্ধতির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করবে। কোটার যেকোনো পরিবর্তন এই কমিশনের সুপারিশ সাপেক্ষে হতে হবে। এবং আমাদের একদফায় সংসদে আইন পাশের বিষয়টি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তাই কোটা সমস্যার এখনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।
২০১৮ সালেও আন্দোলনের চাপে পরিপত্র জারি করা হয়েছিল ৬ বছরেই সেটা বাতিল করা হয়৷ আমরা এই পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপনের খেলায় আর বিশ্বাস করি না।
★ দ্বিতীয়ত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আর কেবল কোটা সংস্কারের ইস্যুতে সীমাবদ্ধ নেই। তাই প্রজ্ঞাপন জারির সাথেই এ আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটবে না। ছাত্র-নাগরিক হত্যা ও গুম-খুনের বিচার, রাষ্ট্রীয় ক্ষয়ক্ষতির বিচার, মামলা প্রত্যাহার ও ডাকসু সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনসহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের মুক্তি, আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণ এবং সকল ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী রাজনীতির উৎখাত ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিচারের দাবিতে দফাভিত্তিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
★ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হামলা-নিপীড়ন চালিয়ে রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি করেছে৷ হত্যা, গুম, গ্রেফতার, ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন ও প্রোপাগান্ডা— রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল শক্তিকে ব্যবহার করে সরকার আন্দোলন দমনের চেষ্টা করেছে৷ ফলে বাংলাদেশে গণহত্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে৷ বাংলাদেশের নাগরিকদের মানবাধিকার চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। সরকারের দমন-পীড়ন নীতির কারণেই এই অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই এর দায় সম্পূর্ণভাবে সরকারকেই নিতে হবে।
সরকার এখন এসব দমন-পীড়ন ও হত্যাকে আড়াল করছে এবং মিডিয়াকে ব্যবহার করে কেবল নাশকতার ঘটনা প্রচার করছে যার সাথে আন্দোলনকারীদের কোনো সম্পর্ক নাই। এবং পুরো ঘটনাকে 'সরকার বনাম বিরোধী দলের সংঘাত' হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই আন্দোলন ছিল সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের পাশে অভিভাবকসহ সর্বস্তরের নাগরিকে রাজপথে নেমে এসেছিল। ছাত্র-নাগরিকরাই সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
★ যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে আট দফা ও নয়দফা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আট দফা ও নয় দফার সাথে কোনো নীতিগতবিরোধ নেই। মূল বক্তব্য একই।
যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক হলে সকলের সাথে আলোচনা করে আমরা চূড়ান্ত বক্তব্য ও কর্মপরিকল্পনা সকলের সামনে পেশ করবো।
চলমান আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মরণ করছি এবং প্রতিবাদী ছাত্র-নাগরিকদের স্যালুট জানাচ্ছি।
আপনারা জানেন সরকারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে আলোচনার জন্য বলা হচ্ছিল। আমরা বলেছিলাম আমাদের ভাইদের শহীদ করা হয়েছে, আমাদেরকে হল থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে, রাজপথে এখনো গুলি চলছে — এই অবস্থায় আমরা কোনো ধরনের সংলাপে যাবো না। সরকারকে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
শুক্রবার ১৯ জুলাই রাত ৮ থেকে ১০টা পর্যন্ত আমাকে নানা পক্ষ থেকে জোরাজোরি করা হয় সরকারের সাথে আলোচনায় বসার জন্য এবং কর্মসূচী প্রত্যাহারের জন্য। আমি সংলাপের আহ্বানকে বরাবরের মত প্রত্যাখান করি।
পরে কারফিউ এর ভিতরও শাটডাউন কর্মসূচী অব্যাহতের ঘোষণা দিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি লিখি এবং বিভিন্ন সাংবাদিকদের কাছে মেসেজটি পৌঁছাই। কিন্তু কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদটি রাতে প্রচার করা হয়নি।
পরের ঘটনা আপনারা সকলেই জানেন— আমাকে সেই রাতেই তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। সাথে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সমন্বয়ককে সেই রাতে গুম করা হয়। পরের ঘটনাক্রম থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করতে এবং আমাদের নেতৃত্ব ও নির্দেশনা ঠেকাতে এই গুমের পরিকল্পনা।
ইন্টারনেট বন্ধ এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া সম্পূর্ণ সরকারের কব্জায় থাকায় যেসব সমন্বয়ক বাহিরে ছিল তাদের নির্দেশনা প্রচার করা হয়নি অথবা বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। পুরো সময়টায় আমাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিবাদী ছাত্র-নাগরিক শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। শত শত মানুষ শহীদ হয়েছে৷ আমরা তখন তাঁদের পাশে থাকতে পারি নাই। এজন্য আমাদের ক্ষমা করবেন।
আমি বের হয়ে আহত অবস্থায় যথাসম্ভব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছি এবং অন্য সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারীদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি।
গতকাল গুম হওয়া আসিফ মাহমুদ ও বাকেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কোটা সংস্কার প্রজ্ঞাপন ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে কিছু কথা—
★ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারসদের সাথে আলোচনা ব্যতীত জারিকরা কোটা সংস্কারে প্রজ্ঞাপন চূড়ান্ত সমাধান হিসেবে আমরা গ্রহণ করছি না। যথাযথ সংলাপের পরিবেশ তৈরি করে নীতিনির্ধারণী যায়গায় সকলপক্ষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে প্রজ্ঞাপন দিতে হবে।
সরকার চাইলে যেকোনো সময়ই ইচ্ছামত কোটা পরিবর্তন-পরিবর্ধন করতে পারে। তাই অংশীদারদের অংশগ্রহণে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে যা কোটা পদ্ধতির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করবে। কোটার যেকোনো পরিবর্তন এই কমিশনের সুপারিশ সাপেক্ষে হতে হবে। এবং আমাদের একদফায় সংসদে আইন পাশের বিষয়টি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তাই কোটা সমস্যার এখনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।
২০১৮ সালেও আন্দোলনের চাপে পরিপত্র জারি করা হয়েছিল ৬ বছরেই সেটা বাতিল করা হয়৷ আমরা এই পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপনের খেলায় আর বিশ্বাস করি না।
★ দ্বিতীয়ত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আর কেবল কোটা সংস্কারের ইস্যুতে সীমাবদ্ধ নেই। তাই প্রজ্ঞাপন জারির সাথেই এ আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটবে না। ছাত্র-নাগরিক হত্যা ও গুম-খুনের বিচার, রাষ্ট্রীয় ক্ষয়ক্ষতির বিচার, মামলা প্রত্যাহার ও ডাকসু সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনসহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের মুক্তি, আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণ এবং সকল ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী রাজনীতির উৎখাত ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিচারের দাবিতে দফাভিত্তিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
★ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হামলা-নিপীড়ন চালিয়ে রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি করেছে৷ হত্যা, গুম, গ্রেফতার, ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন ও প্রোপাগান্ডা— রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল শক্তিকে ব্যবহার করে সরকার আন্দোলন দমনের চেষ্টা করেছে৷ ফলে বাংলাদেশে গণহত্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে৷ বাংলাদেশের নাগরিকদের মানবাধিকার চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। সরকারের দমন-পীড়ন নীতির কারণেই এই অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই এর দায় সম্পূর্ণভাবে সরকারকেই নিতে হবে।
সরকার এখন এসব দমন-পীড়ন ও হত্যাকে আড়াল করছে এবং মিডিয়াকে ব্যবহার করে কেবল নাশকতার ঘটনা প্রচার করছে যার সাথে আন্দোলনকারীদের কোনো সম্পর্ক নাই। এবং পুরো ঘটনাকে 'সরকার বনাম বিরোধী দলের সংঘাত' হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই আন্দোলন ছিল সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের পাশে অভিভাবকসহ সর্বস্তরের নাগরিকে রাজপথে নেমে এসেছিল। ছাত্র-নাগরিকরাই সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
★ যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে আট দফা ও নয়দফা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আট দফা ও নয় দফার সাথে কোনো নীতিগতবিরোধ নেই। মূল বক্তব্য একই।
যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক হলে সকলের সাথে আলোচনা করে আমরা চূড়ান্ত বক্তব্য ও কর্মপরিকল্পনা সকলের সামনে পেশ করবো।
❤381👍103🔥12🥰3
এখন আমাদের জরুরি চারটি দাবি হলো— ইন্টারনেট খুলে দেওয়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রত্যাহার করে সকল ক্যাম্পাসের হল খুলে দেওয়া, কারফিউ প্রত্যাহার করা এবং সমন্বয়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
আমাদের দুটি দাবি ইতোমধ্যে আংশিক পূরণ হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাস খুলে দিতে হবে ও কারফিউ প্রত্যাহার করতে হবে।
★ সারাদেশের অনেক সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইছেন, করনীয় জানতে চাইছেন। সকলের প্রতি আহ্বান থাকবে—
১. রংপুরের আবু সাঈদসহ সকল শহীদদের স্মরণ করুন। তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করুন। তাঁদের প্রতিবাদী স্পিরিটকে ধারণ করুন। শহীদদের কবর জিয়ারত করুন। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করুন।
২. হাসপাতালে প্রচুর মানুষ আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছে। হাসপাতালে যান, তাঁদেরকে যথাসম্ভব সহোযোগিতা করার চেষ্টা করুন। আমরা ঢাকা থেকে দ্রুতই একটা ইমার্জেন্সি হেলথ ফোর্স গঠনের উদ্যোগ নিবো।
৩. এখনো অনেক লাশের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায় নি। সক্ষমতা থাকলে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করতে সহায়তা করুন৷ মর্যাদার সাথে তাঁদের দাফন করুন। জানাযায় অংশগ্রহণ করুন।
৪. প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে ও এলাকায় কারা শহীদ হয়েছে ও আহত হয়েছে তাদের তালিকা তৈরি করুন ও পরিবারের সাথে যোগাযোগ করুন৷ আমরা পরবর্তীতে সমন্বয় করবো।
৫. যেসকল সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হত্যা ও হামলায় সরাসরি জড়িত ছিল তাদেক চিহ্নিত করে রাখুন।
৬. যারা যে স্থানে আন্দোলন করেছেন নতুন করে সংগঠিত হন। সকলে নিরাপদে থাকুন, চিকিৎসা নিন এবং গ্রেফতার এড়ান। ফেসবুকে ক্ষোভ না ঝেড়ে মাঠের প্রস্তুতি নিন। ইন্টারনেট নির্ভর না হয়ে বিকল্প কিছু পরিকল্পনা ভাবুন। আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে দ্রুত সকলের সাথে যোগাযোগ করবো।
৭. শিক্ষার্থীরা যার যার ক্যাম্পাস ও হল খোলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চাপ দিন। শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করুন।
৮. যেসকল শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা প্রবাসে আছেন আন্তর্জাতিকভাবে এই ক্র্যাকডাউন ও হত্যা-নিপীড়ন প্রচার করুন। বাংলাদেশের আন্দোলনরত ছাত্র-নাগরিকদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ান।
সকলকে ধৈর্য ধরার ও মনোবল শক্ত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাকে যখন ধরে নিয়ে গিয়েছিল একটা জিনিসই ভাবছিলাম রাজপথে এখনো মানুষ লড়ছে। যত নির্যাতনই করুক আমাকে সরকার মেরে ফেলতে পারবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না। বাংলাদেশে ছাত্রদের কখনই দমন করা যায় নাই এবারও যাবে না।
আমাদের দুটি দাবি ইতোমধ্যে আংশিক পূরণ হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাস খুলে দিতে হবে ও কারফিউ প্রত্যাহার করতে হবে।
★ সারাদেশের অনেক সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইছেন, করনীয় জানতে চাইছেন। সকলের প্রতি আহ্বান থাকবে—
১. রংপুরের আবু সাঈদসহ সকল শহীদদের স্মরণ করুন। তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করুন। তাঁদের প্রতিবাদী স্পিরিটকে ধারণ করুন। শহীদদের কবর জিয়ারত করুন। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করুন।
২. হাসপাতালে প্রচুর মানুষ আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছে। হাসপাতালে যান, তাঁদেরকে যথাসম্ভব সহোযোগিতা করার চেষ্টা করুন। আমরা ঢাকা থেকে দ্রুতই একটা ইমার্জেন্সি হেলথ ফোর্স গঠনের উদ্যোগ নিবো।
৩. এখনো অনেক লাশের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায় নি। সক্ষমতা থাকলে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করতে সহায়তা করুন৷ মর্যাদার সাথে তাঁদের দাফন করুন। জানাযায় অংশগ্রহণ করুন।
৪. প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে ও এলাকায় কারা শহীদ হয়েছে ও আহত হয়েছে তাদের তালিকা তৈরি করুন ও পরিবারের সাথে যোগাযোগ করুন৷ আমরা পরবর্তীতে সমন্বয় করবো।
৫. যেসকল সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হত্যা ও হামলায় সরাসরি জড়িত ছিল তাদেক চিহ্নিত করে রাখুন।
৬. যারা যে স্থানে আন্দোলন করেছেন নতুন করে সংগঠিত হন। সকলে নিরাপদে থাকুন, চিকিৎসা নিন এবং গ্রেফতার এড়ান। ফেসবুকে ক্ষোভ না ঝেড়ে মাঠের প্রস্তুতি নিন। ইন্টারনেট নির্ভর না হয়ে বিকল্প কিছু পরিকল্পনা ভাবুন। আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে দ্রুত সকলের সাথে যোগাযোগ করবো।
৭. শিক্ষার্থীরা যার যার ক্যাম্পাস ও হল খোলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চাপ দিন। শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করুন।
৮. যেসকল শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা প্রবাসে আছেন আন্তর্জাতিকভাবে এই ক্র্যাকডাউন ও হত্যা-নিপীড়ন প্রচার করুন। বাংলাদেশের আন্দোলনরত ছাত্র-নাগরিকদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ান।
সকলকে ধৈর্য ধরার ও মনোবল শক্ত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাকে যখন ধরে নিয়ে গিয়েছিল একটা জিনিসই ভাবছিলাম রাজপথে এখনো মানুষ লড়ছে। যত নির্যাতনই করুক আমাকে সরকার মেরে ফেলতে পারবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না। বাংলাদেশে ছাত্রদের কখনই দমন করা যায় নাই এবারও যাবে না।
❤1.29K👍189🔥34💯27🥰6
আমাদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূল ফেসবুক গ্রুপ যেটাকে কেন্দ্র করে আমাদের আন্দোলন দেশব্যাপী বিস্তৃতি লাভ করেছিলো সেটা হ্যাক হয়েছে। এই গ্রুপের উপর এখন আমাদের সমন্বয়ক প্যানেল সহ আন্দোলনের সাথে জড়িত কারোরই নিয়ন্ত্রণ নেই। এইটা আমাদের আন্দোলন পরিচালনা এবং সারা বাংলাদেশের সাথে কানেক্টিভিটির লাইফলাইন ছিলো।
দেশ-বিদেশের সকল আইটি এক্সপার্টদের কাছে উন্মুক্ত আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা এই গ্রুপটিকে উদ্ধার করতে সহায়তা করুন। এই ফেসবুক গ্রুপ না থাকলে আন্দোলন পরিচালনা ভীষণ কঠিন হয়ে উঠবে। তাই সকলের কাছে উন্মুক্ত আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা গ্রুপটিকে রিকভারি করুন।
(পোস্টটি শেয়ার করে সবখানে ছড়িয়ে দিন, আপনার পরিচিত আইডি এক্সপার্টদের কাছে এই পোস্টটিকে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। সেইসাথে সারা বাংলাদেশের কাছে এই বার্তা ছড়িয়ে দিন যে এই গ্রুপ আর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই যাতে গ্রুপ থেকে ছড়ানো সকল গুজবের বিরুদ্ধে এদেশের ছাত্রজনতা সরব থাকে)
ফেসবুক পোস্টের শেয়ারেবল লিংক: https://www.facebook.com/share/p/NDN3hA9NRPEDJyQ1/?mibextid=oFDknk
দেশ-বিদেশের সকল আইটি এক্সপার্টদের কাছে উন্মুক্ত আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা এই গ্রুপটিকে উদ্ধার করতে সহায়তা করুন। এই ফেসবুক গ্রুপ না থাকলে আন্দোলন পরিচালনা ভীষণ কঠিন হয়ে উঠবে। তাই সকলের কাছে উন্মুক্ত আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা গ্রুপটিকে রিকভারি করুন।
(পোস্টটি শেয়ার করে সবখানে ছড়িয়ে দিন, আপনার পরিচিত আইডি এক্সপার্টদের কাছে এই পোস্টটিকে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। সেইসাথে সারা বাংলাদেশের কাছে এই বার্তা ছড়িয়ে দিন যে এই গ্রুপ আর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই যাতে গ্রুপ থেকে ছড়ানো সকল গুজবের বিরুদ্ধে এদেশের ছাত্রজনতা সরব থাকে)
ফেসবুক পোস্টের শেয়ারেবল লিংক: https://www.facebook.com/share/p/NDN3hA9NRPEDJyQ1/?mibextid=oFDknk
😢1.02K👍131😭90❤18😐9
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ,বিজিবি,র্যাব,সেনাবাহিনী,ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সম্মিলিত হামলা ও গুলিতে ১৫ হাজারের অধিক আন্দোলনরত ছাত্র ও জনতা আহত হয়েছেন।আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন 'ইমার্জেন্সী হেলথ ফোর্স' গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।একই সাথে সারাদেশে প্রতিটি জেলায় মেডিকেল শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের সমন্বয়কদের স্ব-উদ্যোগে 'ইমার্জেন্সী হেলথ ফোর্স' গঠনের আহবান করা যাচ্ছে।
ঢাকায় 'ইমার্জেন্সী হেলথ ফোর্স' এর সমন্বয় করবেন-
*মোঃ মাহিন সরকার(০১৭৩১৮১৪৪৪৯)
*রিফাত রশিদ(০১৮৬৩৪০৩৬৬২- হোয়াটসঅ্যাপ/টেলিগ্রাম)
এবং সারাদেশে 'ইমার্জেন্সী হেলথ ফোর্স'এর সমন্বয় করবেন-
*আব্দুল হান্নান মাসুদ(০১৮৬৮৬১২৪৭৮)
এছাড়াও সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হয়রানির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে।শিক্ষার্থীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে 'লিগ্যাল এইড ফর স্টুডেন্টস' গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। লিগ্যাল এইড ফর স্টুডেন্টস' এর সমন্বয় করবেন-
সোহাগ: (০১৭৫২৩৩১৯৯৮)
*আব্দুল্লাহ সালেহীন অয়ন- (০১৮৬৯১২৬৩০৩)
*মেহেদী হাসান - (০১৩১৭৯৭৮৫৮১)
একই সাথে সারাদেশে প্রতিটি জেলায় আইনজীবী,আইনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও সমন্বয়কদের স্ব-উদ্যোগে 'লিগ্যাল এইড ফর স্টুডেন্টস' গঠনের আহবান করা যাচ্ছে।
আগামী ২৬ ও ২৭ জুলাই সারাদেশে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসা নিশ্চিতে 'ইমার্জেন্সী হেলথ ফোর্স' ও আইনি সহায়তা নিশ্চিতে 'লিগ্যাল এইড ফর স্টুডেন্টস' কে জোরালো কার্যক্রম পরিচালনার আহবান করা যাচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আজকের কর্মসূচিঃ আজ ২৬ জুলাই শহীদদের জন্য সারাদেশে মসজিদগুলোতে দোয়া ও মোনাজাত এবং মন্দিরসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা করার আহবান করা যাচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
ঢাকায় 'ইমার্জেন্সী হেলথ ফোর্স' এর সমন্বয় করবেন-
*মোঃ মাহিন সরকার(০১৭৩১৮১৪৪৪৯)
*রিফাত রশিদ(০১৮৬৩৪০৩৬৬২- হোয়াটসঅ্যাপ/টেলিগ্রাম)
এবং সারাদেশে 'ইমার্জেন্সী হেলথ ফোর্স'এর সমন্বয় করবেন-
*আব্দুল হান্নান মাসুদ(০১৮৬৮৬১২৪৭৮)
এছাড়াও সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হয়রানির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে।শিক্ষার্থীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে 'লিগ্যাল এইড ফর স্টুডেন্টস' গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। লিগ্যাল এইড ফর স্টুডেন্টস' এর সমন্বয় করবেন-
সোহাগ: (০১৭৫২৩৩১৯৯৮)
*আব্দুল্লাহ সালেহীন অয়ন- (০১৮৬৯১২৬৩০৩)
*মেহেদী হাসান - (০১৩১৭৯৭৮৫৮১)
একই সাথে সারাদেশে প্রতিটি জেলায় আইনজীবী,আইনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও সমন্বয়কদের স্ব-উদ্যোগে 'লিগ্যাল এইড ফর স্টুডেন্টস' গঠনের আহবান করা যাচ্ছে।
আগামী ২৬ ও ২৭ জুলাই সারাদেশে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসা নিশ্চিতে 'ইমার্জেন্সী হেলথ ফোর্স' ও আইনি সহায়তা নিশ্চিতে 'লিগ্যাল এইড ফর স্টুডেন্টস' কে জোরালো কার্যক্রম পরিচালনার আহবান করা যাচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আজকের কর্মসূচিঃ আজ ২৬ জুলাই শহীদদের জন্য সারাদেশে মসজিদগুলোতে দোয়া ও মোনাজাত এবং মন্দিরসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা করার আহবান করা যাচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
❤1.23K👍134🔥24🥰10👏7
https://www.facebook.com/share/giNWXVDogTErDNJf/?mibextid=A7sQZp
আমাদের অফিসিয়াল গ্রুপ হ্যাকড হওয়ায় নতুন গ্রুপ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপ। সকল আপডেট পেতে যুক্ত থাকুন এই গ্রুপে এবং আপনার পরিচিতজনদের ইনভাইট করুন।
আমাদের অফিসিয়াল গ্রুপ হ্যাকড হওয়ায় নতুন গ্রুপ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপ। সকল আপডেট পেতে যুক্ত থাকুন এই গ্রুপে এবং আপনার পরিচিতজনদের ইনভাইট করুন।
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤339👍38🔥12😁9👏5
https://www.facebook.com/share/p/c9K84g9cXdFtgbda/?mibextid=oFDknk
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গ্রুপের শেয়ারেবল লিংক। পোস্টটি শেয়ার করে সকলের কাছে পৌঁছে দিন। চুড়ান্ত লক্ষ্য আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হোন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গ্রুপের শেয়ারেবল লিংক। পোস্টটি শেয়ার করে সকলের কাছে পৌঁছে দিন। চুড়ান্ত লক্ষ্য আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হোন।
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤292👍44🔥11😁5
https://www.facebook.com/share/p/rUboodhbpU7LRSBF/?mibextid=oFDknk
নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদসহ জেলবন্দী আমাদের সকল শিক্ষার্থী বন্ধুদের মুক্তি দাবি জোরদার করুন।
নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদসহ জেলবন্দী আমাদের সকল শিক্ষার্থী বন্ধুদের মুক্তি দাবি জোরদার করুন।
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤351😢116👍52😭14😁1
আমাদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের পাঁচ লক্ষাধিক পরিবারের মূল ' কোটা পুনর্বহাল চলবে না' ফেসবুক গ্রুপ দুষ্কৃতকারীরা সাইবার হামলার মাধ্যমে হ্যাক করে নেয়।
কয়েকদিন আগেও ইন্টারনেট বন্ধ করে আমাদের উপর ডিজিটাল ক্রাকডাউন করা হয়েছিলো কিন্তু আমাদের অদম্য তারুণ্যের শক্তিকে দমাতে পারেনি। ফেসবুক গ্রুপ হ্যাক করেও আমাদের মনোবল ভাঙা সম্ভব নয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপ ইতোমধ্যে পঞ্চাশ হাজার মেম্বার অতিক্রম করেছে। আমাদের টার্গেট আজ রাতের মধ্যে এক লক্ষের পরিবারে পৌঁছানো।
পঞ্চাশ হাজার মানুষ যদি একজন করে মেম্বার এড করেন তাহলে অতি দ্রুতই লক্ষাধিক পরিবারে পৌঁছাতে পারবো আমরা। সকলেই এই পোস্ট, গ্রুপের লিংক ও মেম্বার ইনভাইটের মাধ্যমে সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে সামনের আন্দোলন জোরদার করতে সহযোগিতা করবেন।
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/SHKaku5qwVME7pE5/?mibextid=oFDknk
কয়েকদিন আগেও ইন্টারনেট বন্ধ করে আমাদের উপর ডিজিটাল ক্রাকডাউন করা হয়েছিলো কিন্তু আমাদের অদম্য তারুণ্যের শক্তিকে দমাতে পারেনি। ফেসবুক গ্রুপ হ্যাক করেও আমাদের মনোবল ভাঙা সম্ভব নয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপ ইতোমধ্যে পঞ্চাশ হাজার মেম্বার অতিক্রম করেছে। আমাদের টার্গেট আজ রাতের মধ্যে এক লক্ষের পরিবারে পৌঁছানো।
পঞ্চাশ হাজার মানুষ যদি একজন করে মেম্বার এড করেন তাহলে অতি দ্রুতই লক্ষাধিক পরিবারে পৌঁছাতে পারবো আমরা। সকলেই এই পোস্ট, গ্রুপের লিংক ও মেম্বার ইনভাইটের মাধ্যমে সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে সামনের আন্দোলন জোরদার করতে সহযোগিতা করবেন।
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/SHKaku5qwVME7pE5/?mibextid=oFDknk
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤499👍62🔥17🤣11👏4
আমাদের তিনজন সমন্বয়ক ডিবি পুলিশের হেফাজতে বাকি সমন্বয়কেরাও নিরাপত্তাহীনতায় রাত পার করছেন। শহীদদের রক্তের উপযুক্ত মর্যাদা রক্ষায় আমাদের সংগ্রাম চলমান রাখতে হবে।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও শান্তিপ্রিয় সচেতন নাগরিক সমাজ আমাদের আন্দোলনের মূল শক্তি। আমাদের উপর সাইবার এ্যাটার্ক করে আমাদের প্রাণের গ্রুপ আমাদের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমাদের আজকের লক্ষ্য ছিলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপকে এক লক্ষের পরিবারে পৌঁছানো, আমরা ইতিমধ্যে পচাত্তর হাজার পরিবারে পৌঁছেছি। আজ রাতে আমরা কি আমাদের এক লক্ষ পরিবারে পৌঁছানোর আরেকটা চেষ্টা করতে পারবো না!? মৃত্যুর মিছিলও আমাদের আন্দোলন থামাতে পারেনি এবং পারবেও না। আপনারা মনোবল ধরে রাখুন, আমাদের সকল দাবি পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম জারি রাখবো। আমাদের সকল শহীদদের প্রতি দোয়া ও প্রার্থনা ও সমন্বয়ক ভাইদের মুক্তির আন্দোলন যার যার জায়গা থেকে জোরদার করুন। বিজয় আসবেই......
পোস্ট শেয়ার, গ্রুপ লিংক শেয়ার, আপনার পরিচিতদের মেনশন, গ্রুপে মেম্বার এড করে আজ রাতেই অন্তত বৈষম্যবিরোধী এক লক্ষ পরিবারে পৌঁছাতে সহযোগিতা করুন। আপনার আমার সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিজয় আসবে ইনশাআল্লাহ।
শেয়ারেবল লিংক : https://www.facebook.com/share/p/QUK7p8jBLJqF6xbR/?mibextid=A7sQZp
বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও শান্তিপ্রিয় সচেতন নাগরিক সমাজ আমাদের আন্দোলনের মূল শক্তি। আমাদের উপর সাইবার এ্যাটার্ক করে আমাদের প্রাণের গ্রুপ আমাদের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমাদের আজকের লক্ষ্য ছিলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিসিয়াল গ্রুপকে এক লক্ষের পরিবারে পৌঁছানো, আমরা ইতিমধ্যে পচাত্তর হাজার পরিবারে পৌঁছেছি। আজ রাতে আমরা কি আমাদের এক লক্ষ পরিবারে পৌঁছানোর আরেকটা চেষ্টা করতে পারবো না!? মৃত্যুর মিছিলও আমাদের আন্দোলন থামাতে পারেনি এবং পারবেও না। আপনারা মনোবল ধরে রাখুন, আমাদের সকল দাবি পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম জারি রাখবো। আমাদের সকল শহীদদের প্রতি দোয়া ও প্রার্থনা ও সমন্বয়ক ভাইদের মুক্তির আন্দোলন যার যার জায়গা থেকে জোরদার করুন। বিজয় আসবেই......
পোস্ট শেয়ার, গ্রুপ লিংক শেয়ার, আপনার পরিচিতদের মেনশন, গ্রুপে মেম্বার এড করে আজ রাতেই অন্তত বৈষম্যবিরোধী এক লক্ষ পরিবারে পৌঁছাতে সহযোগিতা করুন। আপনার আমার সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিজয় আসবে ইনশাআল্লাহ।
শেয়ারেবল লিংক : https://www.facebook.com/share/p/QUK7p8jBLJqF6xbR/?mibextid=A7sQZp
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤551👍101🔥21🥰2
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পুলিশের নির্বিচারে গুলি, হত্যা, হামলা, মামলা ও গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে নারীদের সমাবেশ এবং শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।
পুরানা পল্টন মোড়, ঢাকা
২৭ জুলাই, ২০২৪
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/5vaVBSMsczaMtrjz/?mibextid=A7sQZp
পুরানা পল্টন মোড়, ঢাকা
২৭ জুলাই, ২০২৪
লিংক : https://www.facebook.com/share/p/5vaVBSMsczaMtrjz/?mibextid=A7sQZp
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤482🔥29👍23❤🔥12🥰5