আজকে পুলিশ ও ছাত্রলীগের যৌথ হামলা ও গুলিবর্ষণে শহীদ ভাইদের জন্য আগামীকাল ১৭ জুলাই দুপুর ২:০০ টায় রাজু ভাষ্কর্যের পাদদেশে "গায়েবানা জানাযা ও কফিন মিছিল" অনুষ্ঠিত হবে।
আপনারা সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জেলায় জেলায় গায়েবানা জানাযা ও কফিন মিছিল পালন করুন। ঢাকায় অবস্থানরত সকলে রাজু ভাষ্কর্যের পাদদেশে সময়মতো চলে আসুন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আপনারা সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জেলায় জেলায় গায়েবানা জানাযা ও কফিন মিছিল পালন করুন। ঢাকায় অবস্থানরত সকলে রাজু ভাষ্কর্যের পাদদেশে সময়মতো চলে আসুন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
❤579😢70👍55🔥10❤🔥9
পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সোয়াটের সাথে লড়াই করছি আমরা। দেশবাসীর প্রতি আহ্বান, আমাদের পাশে দাঁড়ান। সারাদেশে প্রতিবাদ করুন। শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত লড়াই চলবে।
❤486😭128👍46😢40🔥37
শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে উপর পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, সোয়াটের ন্যাক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও এক দফা দাবিতে আগামীকাল ১৮ই জুলাই সারাদেশে "কমপ্লিট শাটডাউন" ঘোষণা করছি।
শুধুমাত্র হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ব্যতীত কোন প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলবে না, এ্যাম্বুলেন্স ব্যতীত সড়কে কোন গাড়ি চলবে না। সারাদেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাচ্ছি আগামীকালকের কর্মসূচি সফল করুন।
আমাদের অভিভাবকদের বলছি, আমরা আপনাদেরই সন্তান। আমাদের পাশে দাঁড়ান, রক্ষা করুন। এই লড়াইটা শুধু ছাত্রদের না, দলমত নির্বিশেষে এদেশের আপামর জনসাধারণের।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
শুধুমাত্র হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ব্যতীত কোন প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলবে না, এ্যাম্বুলেন্স ব্যতীত সড়কে কোন গাড়ি চলবে না। সারাদেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাচ্ছি আগামীকালকের কর্মসূচি সফল করুন।
আমাদের অভিভাবকদের বলছি, আমরা আপনাদেরই সন্তান। আমাদের পাশে দাঁড়ান, রক্ষা করুন। এই লড়াইটা শুধু ছাত্রদের না, দলমত নির্বিশেষে এদেশের আপামর জনসাধারণের।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
❤1.42K👍184🫡67🔥47👏13
শাটডাউন বাস্তবায়নের নির্দেশনা:
হাসপাতাল, গণমাধ্যম, জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত সরকারি-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
যদি খোলা থাকে এবং এর ফলে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তার জন্য আন্দোলনকারীরা দায়ী থাকবে না। আগামীকাল যারাই আন্দোলনে নামবেন, সাথে তালা রাখবেন। প্রয়োজন হতে পারে।
রেলপথ কমপ্লিট শাটডাউনের আওতাভুক্ত থাকবে। সড়কপথে এ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমের বাহন, জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহন ছাড়া আর কোন গাড়ি চলবে না।
হাসপাতাল, গণমাধ্যম, জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত সরকারি-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
যদি খোলা থাকে এবং এর ফলে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তার জন্য আন্দোলনকারীরা দায়ী থাকবে না। আগামীকাল যারাই আন্দোলনে নামবেন, সাথে তালা রাখবেন। প্রয়োজন হতে পারে।
রেলপথ কমপ্লিট শাটডাউনের আওতাভুক্ত থাকবে। সড়কপথে এ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমের বাহন, জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহন ছাড়া আর কোন গাড়ি চলবে না।
❤2.28K👍179🔥121🤣21👏17
কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশী স্টুডেন্ট কমিউনিটি বাংলাদেশে চলমান শিক্ষার্থীদের উপর সহিংসতার প্রতিবাদে এবং ১ দফা দাবীর সাথে একাত্মতা জানিয়ে মানববন্ধন করেছে।
(এভাবেই পৃথিবীর প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের পক্ষে আওয়াজ উঠুক)
(এভাবেই পৃথিবীর প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের পক্ষে আওয়াজ উঠুক)
❤1.51K👍140🔥82🥰36👏6
উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরীর দায় একমাত্র এবং শুধুমাত্র সরকারের৷ ছাত্ররা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনই করে যাচ্ছিলো।
শর্তহীনভাবে এক দফা দাবি আদায়, হল ক্যাম্পাস খোলা, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস, ক্যাম্পাস থেকে সকল বাহিনী প্রত্যাহার, খুনি ও হামলাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে।
প্রতিদিন আন্দোলনের শক্তি দ্বিগুন হবে। এবিষয়ে কোন প্রকার সন্দেহের অবকাশ নেই। শীঘ্রই আরো কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসছে।
যারা আমাদেরকে ঘিরে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল এদেশের জনগন তাদেরকে ঘিরে ফেলেছে। কোন ষড়যন্ত্রেই আন্দোলন নস্যাৎ করতে দেওয়া হবে না।
শর্তহীনভাবে এক দফা দাবি আদায়, হল ক্যাম্পাস খোলা, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস, ক্যাম্পাস থেকে সকল বাহিনী প্রত্যাহার, খুনি ও হামলাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে।
প্রতিদিন আন্দোলনের শক্তি দ্বিগুন হবে। এবিষয়ে কোন প্রকার সন্দেহের অবকাশ নেই। শীঘ্রই আরো কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসছে।
যারা আমাদেরকে ঘিরে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল এদেশের জনগন তাদেরকে ঘিরে ফেলেছে। কোন ষড়যন্ত্রেই আন্দোলন নস্যাৎ করতে দেওয়া হবে না।
❤786🔥183👍60❤🔥53
উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরীর দায় একমাত্র এবং শুধুমাত্র সরকারের৷ ছাত্ররা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনই করে যাচ্ছিলো।
শর্তহীনভাবে এক দফা দাবি আদায়, হল ক্যাম্পাস খোলা, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস, ক্যাম্পাস থেকে সকল বাহিনী প্রত্যাহার, খুনি ও হামলাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে।
প্রতিদিন আন্দোলনের শক্তি দ্বিগুন হবে। এবিষয়ে কোন প্রকার সন্দেহের অবকাশ নেই। শীঘ্রই আরো কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসছে।
যারা আমাদেরকে ঘিরে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল এদেশের জনগন তাদেরকে ঘিরে ফেলেছে। কোন ষড়যন্ত্রেই আন্দোলন নস্যাৎ করতে দেওয়া হবে না।
শর্তহীনভাবে এক দফা দাবি আদায়, হল ক্যাম্পাস খোলা, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস, ক্যাম্পাস থেকে সকল বাহিনী প্রত্যাহার, খুনি ও হামলাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে।
প্রতিদিন আন্দোলনের শক্তি দ্বিগুন হবে। এবিষয়ে কোন প্রকার সন্দেহের অবকাশ নেই। শীঘ্রই আরো কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসছে।
যারা আমাদেরকে ঘিরে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল এদেশের জনগন তাদেরকে ঘিরে ফেলেছে। কোন ষড়যন্ত্রেই আন্দোলন নস্যাৎ করতে দেওয়া হবে না।
❤1.11K🔥131👍68💯22👌17
আজকের দেশব্যাপী আন্দোলন চিত্র (আংশিক)
AIUB এর ৩ জন শহীদ
IUB এর ৫ জন শহীদ
IUT এর ১ জন শহীদ
Northern এর ৩ জন শহীদ
East West এর ১ জন শহীদ
মাদারীপুরে ২ জন শহীদ
সারাদেশে প্রায় ২৭০০ জন আহত
গুরুতর অবস্থায় আছে প্রায় ৪৬৬ জন
আরো অনেক হতাহতের খবর আসছে....
আমাদের আন্দোলন চলবেই
AIUB এর ৩ জন শহীদ
IUB এর ৫ জন শহীদ
IUT এর ১ জন শহীদ
Northern এর ৩ জন শহীদ
East West এর ১ জন শহীদ
মাদারীপুরে ২ জন শহীদ
সারাদেশে প্রায় ২৭০০ জন আহত
গুরুতর অবস্থায় আছে প্রায় ৪৬৬ জন
আরো অনেক হতাহতের খবর আসছে....
আমাদের আন্দোলন চলবেই
😢953😭305👍78❤56🗿20
আমাদের ভাই বোনদের রক্তের উপর পাড়া দিয়ে কোনো সংলাপ হবে না!!!
❤1.19K🔥177👍89🫡58🗿43
AIUB এর ৩জন শহীদ
IUB এর ৫ জন শহীদ
BRAC এর ১জন শহীদ
BUFT এর ১জন শহীদ
শান্ত মরিয়ম ইউনিভার্সিটির ১জন শহীদ
IUT এর ১ জন শহীদ
MIST এর ১জন শহীদ
Northern এর ৩ জন শহীদ
East West এর ১ জন শহীদ
Madaripur Govt College এর ১ জন শহীদ
মাদারীপুর এরিয়ার স্কুল ছাত্র ৩ জন
সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ=১জন
সরকারি মহিলা কলেজ=১জন
টঙ্গী কলেজের ১জন শহীদ
কুমিল্লা বিশ্বরোডে ৭জন শহীদ
টাঙ্গাইলে ২ জন শহীদ
উত্তরা হাইস্কুলের ২জন শহীদ
নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজের ১জন শহীদ
বগুড়া আজিজুল হক কলেজের ২ জন শহীদ
মোট: ৩৯ জন
This is not about Quota anymore!
IUB এর ৫ জন শহীদ
BRAC এর ১জন শহীদ
BUFT এর ১জন শহীদ
শান্ত মরিয়ম ইউনিভার্সিটির ১জন শহীদ
IUT এর ১ জন শহীদ
MIST এর ১জন শহীদ
Northern এর ৩ জন শহীদ
East West এর ১ জন শহীদ
Madaripur Govt College এর ১ জন শহীদ
মাদারীপুর এরিয়ার স্কুল ছাত্র ৩ জন
সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ=১জন
সরকারি মহিলা কলেজ=১জন
টঙ্গী কলেজের ১জন শহীদ
কুমিল্লা বিশ্বরোডে ৭জন শহীদ
টাঙ্গাইলে ২ জন শহীদ
উত্তরা হাইস্কুলের ২জন শহীদ
নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজের ১জন শহীদ
বগুড়া আজিজুল হক কলেজের ২ জন শহীদ
মোট: ৩৯ জন
This is not about Quota anymore!
😢760😭292❤47👍39🤬31
শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সহিংসতা চালিয়ে সরকার উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর দায় সরকারেরই। সরকার আলোচনার কোনো পরিস্থিতি রাখেনি।
যদি এখনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজপথ থেকে সরানো না হয়; যদি হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়া হয়, যদি এখনো গুলি অব্যাহত থাকে তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।
কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার দাবি কর্ণপাত করেনি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে, দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে।
সকল ছাত্র হত্যার বিচার করতে হবে। ক্যাম্পাগুলোকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিরস্ত্র করে রাজপথ থেকে অপসারণ করতে হবে। শহীদের রক্তের উপর কোনো সংলাপ হবে না। সরকারকেই সমাধানের পথ বের করতে হবে৷
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্রদের পাশে থাকুন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান থাকবে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে।
আমাদেরকে আজকে রাতের মধ্যেই গ্রেফতার অথবা গুম করে ফেলতে পারে। আপনারা কর্মসূচী অব্যাহত রাখবেন। সবাই জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করুন।
মো. নাহিদ ইসলাম
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
যদি এখনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজপথ থেকে সরানো না হয়; যদি হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়া হয়, যদি এখনো গুলি অব্যাহত থাকে তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।
কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার দাবি কর্ণপাত করেনি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে, দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে।
সকল ছাত্র হত্যার বিচার করতে হবে। ক্যাম্পাগুলোকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিরস্ত্র করে রাজপথ থেকে অপসারণ করতে হবে। শহীদের রক্তের উপর কোনো সংলাপ হবে না। সরকারকেই সমাধানের পথ বের করতে হবে৷
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্রদের পাশে থাকুন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান থাকবে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে।
আমাদেরকে আজকে রাতের মধ্যেই গ্রেফতার অথবা গুম করে ফেলতে পারে। আপনারা কর্মসূচী অব্যাহত রাখবেন। সবাই জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করুন।
মো. নাহিদ ইসলাম
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤1.27K👍186🔥63💔36😐9
চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ, পুলিশ, বিজিবি, সোয়াট দ্বারা আহত-নিহতদের তালিকা তৈরির জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে শুধু আহত-নিহতদের নাম, প্রতিষ্ঠান, জেলা, ছবি এগুলা থাকবে।
ফর্ম্যাট
নাম:
প্রতিষ্ঠান:
জেলা:
কীভাবে আহত/নিহত:
ছবি:
তারিখ:
একই নাম এবং ছবি বার বার না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
গ্রুপ লিংক: https://t.me/+CRehCBPQb5szZDM1
ফর্ম্যাট
নাম:
প্রতিষ্ঠান:
জেলা:
কীভাবে আহত/নিহত:
ছবি:
তারিখ:
একই নাম এবং ছবি বার বার না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
গ্রুপ লিংক: https://t.me/+CRehCBPQb5szZDM1
Telegram
Anti Awami Cell
আওয়ামী লীগ প্রমোট করে এমন পেইজ, গ্রুপ, পোস্ট আইডিন্টিফিকেশন এবং সেগুলো নষ্ট করার লক্ষ্যে গ্রুপ।
❤365👍92😭75😢30😁2
কমপ্লিট শাটডাউনের মেয়াদ আগামীকাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো ও জুম্মার নামাজের পর সকল মসজিদে শহীদদের গায়েবানা জানাযা পড়ার আহ্বান করা হচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤1.51K👍117🔥42😁23👏14
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন,
গত ৮ জুন মহামান্য হাইকোর্ট কোটার ব্যাপারে ২০১৮ সালের পরিপত্র বাতিল করে যে রায় দেন সেই রায়ের বিরুদ্ধে আমার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু করি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে যাদুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনে সহায়ক হবে। এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উসকানিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ দমনপীড়ন চালিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা চালায়। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তখন আমরা অভিভাবক, স্কুল-কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে আমাদের নিরাপত্তার আহ্বান জানাই। পরে আমরা দেখতে পাই, সারা দেশে একটি ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করে শিক্ষার্থীদের হল থেকে বিতারিত করা হয়, যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন। পরে সেনাবাহিনী নামিয়ে কারফিউ জারি করা হয়। এই পরিস্থিতির সুযোগে পরিকল্পিতভাবে আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য দুর্বৃত্তরা নাশকতা করে রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আগুন লাগায় এবং যানমালের ক্ষতি করে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে এই ধরনের সহিংস ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা স্পষ্ট সরকারের দায়িত্বহীন আচরণ ও দমনপীড়নের জন্য এই অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই দায় সম্পূর্ণভাবে সরকারকে নিতে হবে। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পরিস্থিতির দায় প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর চাপিয়ে সরকার পুরোপুরি দায় এড়াচ্ছে। আমরা প্রথম থেকেই সরকারের সাথে আলোচনার কথা বলেছি। কিন্তু সরকার ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করে ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীদের বিতাড়িত করে আমাদের আলোচনার আহবান জানিয়েছে। আমরা সেই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করিনি। ফলে প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক আমি নাহিদ ইসলাম আমাকে গুম করে ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়। একই সাথে তাদের কাছে কিছু দাবি পেশ করতে গেলে সেটা সংলাপ বলে মিডিয়ায় প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়। গুম, গ্রেফতার, প্রপাগান্ডা, ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন, কারফিউ রাষ্ট্রযন্ত্রের সকলকিছু ব্যবহার করে সরকার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও প্রতিবাদী ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। রক্ত লাশের ওপর দাঁড়িয়ে সরকার এখন ছাত্র ও নাগরিকদের প্রতি আরেকটি নির্মমতার ইতিহাস হয়ে থাকল। কোটা সংস্কার আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক ও ()শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে, রাজাকারদের পক্ষে বলে এই আন্দোলনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এত কিছুর পরেও আমরা মনে করি মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলেছেন। সেই অনুযায়ী সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই- স্টেকহোল্ডাদের সাথে আলোচনা ব্যতিরেকে এই প্রজ্ঞাপন সমীচীন নয়। আমরা চেয়েছিলাম সব পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এই প্রজ্ঞাপন হবে, যাতে নতুন করে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয়। আমরা অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। এ দু'টো প্রজ্ঞাপনে প্রতিফলিত হয়েছে। কিন্তু অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার। এ বিষয়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে নীতিনির্ধারকদের সংলাপ প্রয়োজন। তবে সরকার চাইলে যেকোনো মুহূর্তে কোটা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারে। তাই কোটা ব্যবস্থার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে। যেখানে প্রাসঙ্গিক অংশীদারদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কোটা সম্পর্কে আরো বক্তব্য আছে। কিন্তু তার আগে সংলাপের যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। গত কয়েক দিনে সহিংসতায় সারা দেশে কয়েক শ' ছাত্র শহীদ হয়েছেন এবং কয়েক হাজার লোক আহত হয়েছেন। হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। নিখোঁজদের লাশ খুঁজে বেড়াচ্ছেন বাবারা। এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা কোটা সংস্কার চাইনি। আমরা হত্যার বিচার চাই। আমাদের আহ্বানে সব শিক্ষার্থীও নাগরিকরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। আমরা জনগণকে বলতে চাই- আমরা জনগণের সাথে আছি। আমাদের দাবি ক্যাম্পাসগুলো খুলে দেয়া হোক। আমরা সবার সাথে আলোচনা করে আমাদের জাতির সামনে তুলে ধরতে চাই। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমাদের বাসায় পুলিশ, ডিবি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোক যাচ্ছে। সারা দেশে নির্বিচারে মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমরা এই পরিস্থিতির অবসান চাই। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে ছাত্র- জনতার মুখোমুখি আর দাঁড়াবেন না। আর একটি গুলিও যাতে কাউকে হত্যার উদ্দেশ্যে না ছোড়া হয়। সারা দেশে যেসব মানুষ শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন আমরা তাদের পাশে আছি। শেষ পর্যন্ত থাকব। এখন যেহেতু ইন্টারনেট নেই। আমাদের সমন্বয়কদের অনেকের খোঁজ এখনো পাচ্ছি না, এই অবস্থার দ্রুত পরিত্রাণ করতে হবে। আমরা সমন্বয়কদের নিয়ে এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এবং জনমতের ভিত্তিতে আমাদের আরো কিছু দাবি-দাওয়া আছে। এই দাবি-দাওয়া নিয়ে অনেকে বিভ্রান্ত
গত ৮ জুন মহামান্য হাইকোর্ট কোটার ব্যাপারে ২০১৮ সালের পরিপত্র বাতিল করে যে রায় দেন সেই রায়ের বিরুদ্ধে আমার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু করি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে যাদুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনে সহায়ক হবে। এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উসকানিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ দমনপীড়ন চালিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা চালায়। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তখন আমরা অভিভাবক, স্কুল-কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে আমাদের নিরাপত্তার আহ্বান জানাই। পরে আমরা দেখতে পাই, সারা দেশে একটি ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করে শিক্ষার্থীদের হল থেকে বিতারিত করা হয়, যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন। পরে সেনাবাহিনী নামিয়ে কারফিউ জারি করা হয়। এই পরিস্থিতির সুযোগে পরিকল্পিতভাবে আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য দুর্বৃত্তরা নাশকতা করে রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আগুন লাগায় এবং যানমালের ক্ষতি করে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে এই ধরনের সহিংস ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা স্পষ্ট সরকারের দায়িত্বহীন আচরণ ও দমনপীড়নের জন্য এই অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই দায় সম্পূর্ণভাবে সরকারকে নিতে হবে। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পরিস্থিতির দায় প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর চাপিয়ে সরকার পুরোপুরি দায় এড়াচ্ছে। আমরা প্রথম থেকেই সরকারের সাথে আলোচনার কথা বলেছি। কিন্তু সরকার ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন করে ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীদের বিতাড়িত করে আমাদের আলোচনার আহবান জানিয়েছে। আমরা সেই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করিনি। ফলে প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক আমি নাহিদ ইসলাম আমাকে গুম করে ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়। একই সাথে তাদের কাছে কিছু দাবি পেশ করতে গেলে সেটা সংলাপ বলে মিডিয়ায় প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়। গুম, গ্রেফতার, প্রপাগান্ডা, ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন, কারফিউ রাষ্ট্রযন্ত্রের সকলকিছু ব্যবহার করে সরকার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও প্রতিবাদী ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। রক্ত লাশের ওপর দাঁড়িয়ে সরকার এখন ছাত্র ও নাগরিকদের প্রতি আরেকটি নির্মমতার ইতিহাস হয়ে থাকল। কোটা সংস্কার আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক ও ()শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে, রাজাকারদের পক্ষে বলে এই আন্দোলনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এত কিছুর পরেও আমরা মনে করি মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলেছেন। সেই অনুযায়ী সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই- স্টেকহোল্ডাদের সাথে আলোচনা ব্যতিরেকে এই প্রজ্ঞাপন সমীচীন নয়। আমরা চেয়েছিলাম সব পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এই প্রজ্ঞাপন হবে, যাতে নতুন করে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয়। আমরা অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। এ দু'টো প্রজ্ঞাপনে প্রতিফলিত হয়েছে। কিন্তু অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার। এ বিষয়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে নীতিনির্ধারকদের সংলাপ প্রয়োজন। তবে সরকার চাইলে যেকোনো মুহূর্তে কোটা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারে। তাই কোটা ব্যবস্থার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে। যেখানে প্রাসঙ্গিক অংশীদারদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কোটা সম্পর্কে আরো বক্তব্য আছে। কিন্তু তার আগে সংলাপের যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। গত কয়েক দিনে সহিংসতায় সারা দেশে কয়েক শ' ছাত্র শহীদ হয়েছেন এবং কয়েক হাজার লোক আহত হয়েছেন। হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। নিখোঁজদের লাশ খুঁজে বেড়াচ্ছেন বাবারা। এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা কোটা সংস্কার চাইনি। আমরা হত্যার বিচার চাই। আমাদের আহ্বানে সব শিক্ষার্থীও নাগরিকরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। আমরা জনগণকে বলতে চাই- আমরা জনগণের সাথে আছি। আমাদের দাবি ক্যাম্পাসগুলো খুলে দেয়া হোক। আমরা সবার সাথে আলোচনা করে আমাদের জাতির সামনে তুলে ধরতে চাই। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমাদের বাসায় পুলিশ, ডিবি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোক যাচ্ছে। সারা দেশে নির্বিচারে মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমরা এই পরিস্থিতির অবসান চাই। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে ছাত্র- জনতার মুখোমুখি আর দাঁড়াবেন না। আর একটি গুলিও যাতে কাউকে হত্যার উদ্দেশ্যে না ছোড়া হয়। সারা দেশে যেসব মানুষ শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন আমরা তাদের পাশে আছি। শেষ পর্যন্ত থাকব। এখন যেহেতু ইন্টারনেট নেই। আমাদের সমন্বয়কদের অনেকের খোঁজ এখনো পাচ্ছি না, এই অবস্থার দ্রুত পরিত্রাণ করতে হবে। আমরা সমন্বয়কদের নিয়ে এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এবং জনমতের ভিত্তিতে আমাদের আরো কিছু দাবি-দাওয়া আছে। এই দাবি-দাওয়া নিয়ে অনেকে বিভ্রান্ত
❤810👍179🔥25👏9💯5
হয়েছে। আমরা শুনতে পেয়েছি সেটা যোগাযোগ বিঘ্নতার কারণে হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে সেই দাবিগুলো আমরা সুস্পষ্টভাবে পেশ করব। তার আগে আমাদের নিরাপত্তা দিতে হবে, গুম, হত্যা গ্রেফতার বন্ধ করতে হবে, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
বার্তা প্রেরক
আবু বাকের মজুমদার
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বার্তা প্রেরক
আবু বাকের মজুমদার
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤728👍93🔥25❤🔥10👎1