SABAS Study Materials
SABAS_প্রাণীর_বিভিন্নতা_ও_শ্রেণিবিন্যাস_দাগানো_বই.pdf
YouTube
#PorteHobe01 || প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস || SABAS
📌 জয়েন করতে পারো আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলেঃ
https://t.me/SABASAdmission/4966
📌 ফেসবুক গ্রুপঃ
https://facebook.com/groups/313661450135815/
ব্যাচে ভর্তি হওয়ার জন্য-
WhatsApp: 016 3045 3754
Telegram: 016 3045 3754
https://t.me/SABASAdmission/4966
📌 ফেসবুক গ্রুপঃ
https://facebook.com/groups/313661450135815/
ব্যাচে ভর্তি হওয়ার জন্য-
WhatsApp: 016 3045 3754
Telegram: 016 3045 3754
মানুষ দুই ক্ষেত্রে আত্মহত্যা করার সাহস পায়
এক. যখন সে সবকিছু পায়, কোনো অভাব নেই। এমন অবস্থায় চুন থেকে পান খসলেই জীবনটাকে ব্যর্থ মনে করে, অল্প দুঃখেও জীবন হননের পথ খুঁজে নেয়।
দুই. যখন একজন মানুষের কিছুই থাকে না। না কোনো আশা, না কোনো ভরসা। সামনে পুরো সমুদ্র, অথচ পাড় হওয়ার জন্য না আছে নৌকা, জাহাজ, অথবা নিজে সাঁতরানোর ক্ষমতা। এমন অবস্থায় দুঃখ পেলে মানুষ শেষ চায় এটার।
আর মাঝখানে আছি আমরা মধ্যবিত্ত, গরীব বা যাই বলা হোক। আমরা এমনি মরবো না, নিজে মরবো না, কাজ করে মরবো। মরবো তো সবাই-ই, নিজে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টায় মরবো। আমাদের কাছে দুঃখ মানে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার অনুপ্রেরণা, এক্ষেত্রে আমাদের সামনে কোনো দরজা খোলা না থাকলেও আমরা তাকিয়ে থাকি কোন দরজা খুলবে।
একটা কথা তো সত্যি, এমন অবস্থায় মরা সহজ না, আবার বাঁচাও সহজ না।
আরেকটা বিষয়, শিক্ষার্থীরা কেন এমন পথ বেছে নিচ্ছে? কারন এদের মাথায় কোনো দায়িত্ব নেই, এরা নিজের পায়ে নিজে দাঁড়ায়নি, তাই মৃত্যুটা সহজ লাগে।
এদের কাঁধে ২-৩ জনের দায়িত্ব দিয়ে দেন, ঠিকই আত্মহত্যা তো দূরে থাক, নিজের স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও পরিবারের কি হবে এই চিন্তায় মগ্ন থাকবে।
আমাদের দেশে যেটা বেশি হয়, অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের আর্থিক বিষয়ে মানসিক চাপে রাখতে চান না, পড়াশোনা খারাপ হবে বা মেন্টাল প্রেশারে থাকবে এই ভেবে। ভুল! সন্তানকে অভাব শিক্ষা দেওয়া উচিৎ, তাহলে সে নিজেরটা নিজে ভাববে, নিজের কিছু করতে হবে এটা ভাববে। নাহলে নিজে তো কিছুই করবেই না, বাবার টাকার উপর ডিপেন্ডেবল হবে, পাশাপাশি বাবা টাকা না দিলে মরতেও যাবে। অভাব ছেলে-মেয়েকে ২ ধাপ সামনে ভাবতে শিখায়, স্বচ্ছলতা না।
© সারোয়ার জাহান শাওন
এক. যখন সে সবকিছু পায়, কোনো অভাব নেই। এমন অবস্থায় চুন থেকে পান খসলেই জীবনটাকে ব্যর্থ মনে করে, অল্প দুঃখেও জীবন হননের পথ খুঁজে নেয়।
দুই. যখন একজন মানুষের কিছুই থাকে না। না কোনো আশা, না কোনো ভরসা। সামনে পুরো সমুদ্র, অথচ পাড় হওয়ার জন্য না আছে নৌকা, জাহাজ, অথবা নিজে সাঁতরানোর ক্ষমতা। এমন অবস্থায় দুঃখ পেলে মানুষ শেষ চায় এটার।
আর মাঝখানে আছি আমরা মধ্যবিত্ত, গরীব বা যাই বলা হোক। আমরা এমনি মরবো না, নিজে মরবো না, কাজ করে মরবো। মরবো তো সবাই-ই, নিজে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টায় মরবো। আমাদের কাছে দুঃখ মানে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার অনুপ্রেরণা, এক্ষেত্রে আমাদের সামনে কোনো দরজা খোলা না থাকলেও আমরা তাকিয়ে থাকি কোন দরজা খুলবে।
একটা কথা তো সত্যি, এমন অবস্থায় মরা সহজ না, আবার বাঁচাও সহজ না।
আরেকটা বিষয়, শিক্ষার্থীরা কেন এমন পথ বেছে নিচ্ছে? কারন এদের মাথায় কোনো দায়িত্ব নেই, এরা নিজের পায়ে নিজে দাঁড়ায়নি, তাই মৃত্যুটা সহজ লাগে।
এদের কাঁধে ২-৩ জনের দায়িত্ব দিয়ে দেন, ঠিকই আত্মহত্যা তো দূরে থাক, নিজের স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও পরিবারের কি হবে এই চিন্তায় মগ্ন থাকবে।
আমাদের দেশে যেটা বেশি হয়, অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের আর্থিক বিষয়ে মানসিক চাপে রাখতে চান না, পড়াশোনা খারাপ হবে বা মেন্টাল প্রেশারে থাকবে এই ভেবে। ভুল! সন্তানকে অভাব শিক্ষা দেওয়া উচিৎ, তাহলে সে নিজেরটা নিজে ভাববে, নিজের কিছু করতে হবে এটা ভাববে। নাহলে নিজে তো কিছুই করবেই না, বাবার টাকার উপর ডিপেন্ডেবল হবে, পাশাপাশি বাবা টাকা না দিলে মরতেও যাবে। অভাব ছেলে-মেয়েকে ২ ধাপ সামনে ভাবতে শিখায়, স্বচ্ছলতা না।
© সারোয়ার জাহান শাওন
❤19😢4🔥2❤🔥1
আমাদের বন্ধু প্লাটফর্ম Study On Telegram 🖤
আর মাত্র ১২ জন সাবস্ক্রাইবার হলেই ১২কে হয়ে যাবে আলহামদুলিল্লাহ 🔥
এডমিশন রিলেটেড যেকোনো আপডেট সবার আগে পাবার জন্য, জয়েন করো এই চ্যানেলে 😊
আর মাত্র ১২ জন সাবস্ক্রাইবার হলেই ১২কে হয়ে যাবে আলহামদুলিল্লাহ 🔥
এডমিশন রিলেটেড যেকোনো আপডেট সবার আগে পাবার জন্য, জয়েন করো এই চ্যানেলে 😊
🥰10🔥2🎉2
💠 মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কবে?!
মেডিকেল ভর্তিচ্ছু প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কবে হবে? তোমরা সারাদিন অনলাইনেই ঘুরাঘুরি করতেছো এই টেনশনে
একটা বিষয় ক্লিয়ার করি প্রথমে,
ঈদের চাঁদ যখন উঠে সবাই-ই দেখে। তোমাকে আলাদা করে খুঁজতে হবে না।
❝ এক্সাম হওয়ার দুইটা পসিবল টাইম মার্চের ১০ আর এপ্রিলের লাস্ট উইক মানে ঈদের পর।
তোমার এখন একটাই টার্গেট মার্চের ১ তারিখে সিলেবাস শেষ করা। এই টার্গেট নিয়ে পড়ো। যদি এক্সাম এপ্রিলেও হয়, তুমি বাকি সময় রিভাইস করবা, ফুল সিলেবাসে একটু বেশি ফোকাস করবা।
কিন্তু, যদি তুমি এপ্রিলে এক্সাম মনে করো পড়া স্লো করে দাও, আর যদি এক্সাম মার্চের ১০ এ হয়, তাহলে কিন্তু আম-ছালা সব যাবে।
এখন করণীয় কি তাহলে?
১) শর্টে বেশি গুরুত্ব দিবো
২) ফুল জাস্ট একবার পড়বো
৩) মার্চের ১ তারিখে সিলেবাস শেষ করার টার্গেটে পড়বো
৪) জিকে-ইংলিশ ডেইলি ২-৩ ঘণ্টা পড়বো
৫) অনুশীলনীর এমসিকিউ সল্ভ করবো
৬) বারবার অনলাইনে এসে চেক করবো না, পড়ার টেবিলে মনোযোগ দিবো।
কোনো কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জিজ্ঞেস করতে পারো
——————————————
👤 সারোয়ার জাহান শাওন
✅ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ (২০-২১)
✅ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (২১-২২)
📢Admin of SABAS
——————————————
🎓 Study on telegram!
মেডিকেল ভর্তিচ্ছু প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কবে হবে? তোমরা সারাদিন অনলাইনেই ঘুরাঘুরি করতেছো এই টেনশনে
একটা বিষয় ক্লিয়ার করি প্রথমে,
ঈদের চাঁদ যখন উঠে সবাই-ই দেখে। তোমাকে আলাদা করে খুঁজতে হবে না।
❝ এক্সাম হওয়ার দুইটা পসিবল টাইম মার্চের ১০ আর এপ্রিলের লাস্ট উইক মানে ঈদের পর।
তোমার এখন একটাই টার্গেট মার্চের ১ তারিখে সিলেবাস শেষ করা। এই টার্গেট নিয়ে পড়ো। যদি এক্সাম এপ্রিলেও হয়, তুমি বাকি সময় রিভাইস করবা, ফুল সিলেবাসে একটু বেশি ফোকাস করবা।
কিন্তু, যদি তুমি এপ্রিলে এক্সাম মনে করো পড়া স্লো করে দাও, আর যদি এক্সাম মার্চের ১০ এ হয়, তাহলে কিন্তু আম-ছালা সব যাবে।
এখন করণীয় কি তাহলে?
১) শর্টে বেশি গুরুত্ব দিবো
২) ফুল জাস্ট একবার পড়বো
৩) মার্চের ১ তারিখে সিলেবাস শেষ করার টার্গেটে পড়বো
৪) জিকে-ইংলিশ ডেইলি ২-৩ ঘণ্টা পড়বো
৫) অনুশীলনীর এমসিকিউ সল্ভ করবো
৬) বারবার অনলাইনে এসে চেক করবো না, পড়ার টেবিলে মনোযোগ দিবো।
কোনো কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জিজ্ঞেস করতে পারো
——————————————
👤 সারোয়ার জাহান শাওন
✅ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ (২০-২১)
✅ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (২১-২২)
📢Admin of SABAS
——————————————
🎓 Study on telegram!
❤24
প্যানিক অ্যাটাক! টেনশন!
ভর্তি পরীক্ষা ১০ মার্চ!
সময় আছে আর মাত্র ৩৮ দিন!
এখন তোমার উচিৎ ১ মাসের একটা প্লান তৈরি করা। তুমি যে এক্সাম ব্যাচে আছো/যে ব্যাচে আছো সেটার সাথে মিল রেখে
যদি টেনশনে পড়ে যাও, পড়াশোনা না হয়, প্রতিযোগিতা থেকে তুমি বাদ!
ভর্তি পরীক্ষার জন্য নার্ভ ধরে রাখা-রেগুলার থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
[আমাদের ফাইনাল মডেল টেস্ট ৫ ফেব্রুয়ারী শুরু হবে, চাইলে এটাতে জয়েন করতে পারো শেষ সময়ের প্রস্তুতির জন্য]
ভর্তি পরীক্ষা ১০ মার্চ!
সময় আছে আর মাত্র ৩৮ দিন!
এখন তোমার উচিৎ ১ মাসের একটা প্লান তৈরি করা। তুমি যে এক্সাম ব্যাচে আছো/যে ব্যাচে আছো সেটার সাথে মিল রেখে
যদি টেনশনে পড়ে যাও, পড়াশোনা না হয়, প্রতিযোগিতা থেকে তুমি বাদ!
ভর্তি পরীক্ষার জন্য নার্ভ ধরে রাখা-রেগুলার থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
[আমাদের ফাইনাল মডেল টেস্ট ৫ ফেব্রুয়ারী শুরু হবে, চাইলে এটাতে জয়েন করতে পারো শেষ সময়ের প্রস্তুতির জন্য]
❤29