SABAS Study Materials
22.8K subscribers
5.94K photos
62 videos
436 files
2.27K links
প্রস্তুতি হোক সেরা গাইডলাইনে, Welcome to SABAS.

📌 সাবাশের সকল গ্রুপ ও চ্যানেলঃ
https://t.me/SABASAdmission/4966

টপিক এনালাইসিস, সাজেশন, স্টাডি পোল, পিডিএফ পেতে চ্যানেলে জয়েন করো।
Download Telegram
🇧🇩 SABAS MEDI GK (Part-13)
5
আলহামদুলিল্লাহ!

এতো এতো প্রেশারের মাঝেও, তোমাদের এই অল্প একটু ফিডব্যাক নতুন করে কাজ করার উৎসাহ দেয়, আরো ডেডিকেশন নিয়ে ক্লাস করানোর অনুপ্রেরণা দেয়🖤

চান্স পাও তোমরা ইনশাল্লাহ, নিজের - পরিবারের এরপর আমার মুখ উজ্জ্বল করো
30🔥1
🇧🇩 SABAS MEDI GK Part (14-18)
6
আলহামদুলিল্লাহ!

এই অনুপ্রেরণা আমাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। সুস্থ থেকে যেন সময়মতো তোমাদেরকে দেওয়া সকল কথা রাখতে পারি
11
SABAS Study Materials
Photo
🇧🇩 মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা

প্রশ্নঃ বীর উত্তম কতজন ?

(ক) ৬৭ (খ) ৬৮ (গ) ৬৯ (ঘ) ৭৩

এর উত্তর হবে ৭৩ জন। কিভাবে?

যদি বলা হয় মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম খেতাব দেওয়া হয় ?

উত্তর হবে ৬৮ জন।

এই ৬৮ জন বীরউত্তমের মধ্যে বঙ্গবন্ধর খুনী মেজর শরীফুল হক ডালিমের খেতাব বাতিল করা হয়েছে। তাহলে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা বর্তমানে আছেন ৬৭ জন।

আবার যদি বলা হয়, বাংলাদেশের কতজন লোক বীরউত্তম খেতাব পেয়েছেন ?

উত্তর হবে ৬৭+১+৫=৭৩ জন।

এবার আসো ক্লিয়ার করি,

মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জন কে-

বীরশ্রেষ্ঠ (৭),
বীরউত্তম (৬৮),
বীর বিক্রম (১৭৫) এবং
বীর প্রতীক (৪২৬) খেতাব দেওয়া হয়।

৬ জুন ২০২১ তারিখে সরকার বঙ্গবন্ধুর ৪ খুনীর খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তারা হলেন লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।

সুতরাং বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন। এর মধ্যে-

বীরশ্রেষ্ঠ (৭),
বীরউত্তম (৬৭),
বীর বিক্রম (১৭৪) এবং
বীর প্রতীক (৪২৪) জন।


মুক্তিযুদ্ধের পরও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই খেতাব গুলো দেওয়া হয়।

এর মধ্যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ ই অগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার রাতে হত্যা প্রতিরোধ করতে আসার পথে নিহত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জামিলকে সে রাতের বীরত্বের জন্য "২০১০ সালে" ‘বীর উত্তম’ খেতাব দেওয়া হয়।

এছাড়া, পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সংঘাতের সময় দায়িত্ব পালনকালে বীরত্বের জন্য ৫ জনকে বীর উত্তম, ২০ জনকে বীর বিক্রম ও ৮২ জনকে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হয়।

তাহলে বাংলাদেশে মোট বীর উত্তম হলো ৬৭+১+৫=৭৩ জন।

আর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর উত্তম হলো ৬৭ জন।

[বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম, বীর প্রতীক খেতাবগুলো আর কাউকে দেওয়া হবে না। এখন থেকে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নিচের খেতাবগুলো দেওয়া হবে-

১. বীর সর্বোত্তম
২. বীর মৃত্যুঞ্জয়ী
৩. বীর চিরঞ্জীব
৪. বীর দুর্জয়]

© SABAS
10🥰1
🇧🇩 SABAS MEDI GK Part (19-21)
আমার ফ্রি কন্টেন্ট + পেইড ব্যাচে যারা ক্লাস করছো, তোমাদের কাছ থেকে ২ লাইনের রিভিউ চাচ্ছি🖤

" আমার অভারঅল পড়ানোর স্টাইল কেমন লাগে তোমার কাছে? "

তোমাদের রিভিউ আমরা ভাইয়া-টিচারদের অনুপ্রেরণা
47👏3🏆3❤‍🔥2
SABAS_প্রাণীর_বিভিন্নতা_ও_শ্রেণিবিন্যাস_দাগানো_বই.pdf
11.1 MB
ZOOLOGY - MEDICAL ADMISSION TEST

নতুন এডিশন (২০২৩) দাগানো বই with "Important Topics" 📊

🐅 প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস

© Shaon Vaiya
© PDF House by SABAS
মানুষ দুই ক্ষেত্রে আত্মহত্যা করার সাহস পায়

এক. যখন সে সবকিছু পায়, কোনো অভাব নেই। এমন অবস্থায় চুন থেকে পান খসলেই জীবনটাকে ব্যর্থ মনে করে, অল্প দুঃখেও জীবন হননের পথ খুঁজে নেয়।

দুই. যখন একজন মানুষের কিছুই থাকে না। না কোনো আশা, না কোনো ভরসা। সামনে পুরো সমুদ্র, অথচ পাড় হওয়ার জন্য না আছে নৌকা, জাহাজ, অথবা নিজে সাঁতরানোর ক্ষমতা। এমন অবস্থায় দুঃখ পেলে মানুষ শেষ চায় এটার।


আর মাঝখানে আছি আমরা মধ্যবিত্ত, গরীব বা যাই বলা হোক। আমরা এমনি মরবো না, নিজে মরবো না, কাজ করে মরবো। মরবো তো সবাই-ই, নিজে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টায় মরবো। আমাদের কাছে দুঃখ মানে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার অনুপ্রেরণা, এক্ষেত্রে আমাদের সামনে কোনো দরজা খোলা না থাকলেও আমরা তাকিয়ে থাকি কোন দরজা খুলবে।

একটা কথা তো সত্যি, এমন অবস্থায় মরা সহজ না, আবার বাঁচাও সহজ না।

আরেকটা বিষয়, শিক্ষার্থীরা কেন এমন পথ বেছে নিচ্ছে? কারন এদের মাথায় কোনো দায়িত্ব নেই, এরা নিজের পায়ে নিজে দাঁড়ায়নি, তাই মৃত্যুটা সহজ লাগে।

এদের কাঁধে ২-৩ জনের দায়িত্ব দিয়ে দেন, ঠিকই আত্মহত্যা তো দূরে থাক, নিজের স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও পরিবারের কি হবে এই চিন্তায় মগ্ন থাকবে।

আমাদের দেশে যেটা বেশি হয়, অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের আর্থিক বিষয়ে মানসিক চাপে রাখতে চান না, পড়াশোনা খারাপ হবে বা মেন্টাল প্রেশারে থাকবে এই ভেবে। ভুল! সন্তানকে অভাব শিক্ষা দেওয়া উচিৎ, তাহলে সে নিজেরটা নিজে ভাববে, নিজের কিছু করতে হবে এটা ভাববে। নাহলে নিজে তো কিছুই করবেই না, বাবার টাকার উপর ডিপেন্ডেবল হবে, পাশাপাশি বাবা টাকা না দিলে মরতেও যাবে। অভাব ছেলে-মেয়েকে ২ ধাপ সামনে ভাবতে শিখায়, স্বচ্ছলতা না।

© সারোয়ার জাহান শাওন
19😢4🔥2❤‍🔥1
22🕊1
আমাদের বন্ধু প্লাটফর্ম Study On Telegram 🖤

আর মাত্র ১২ জন সাবস্ক্রাইবার হলেই ১২কে হয়ে যাবে আলহামদুলিল্লাহ 🔥

এডমিশন রিলেটেড যেকোনো আপডেট সবার আগে পাবার জন্য, জয়েন করো এই চ্যানেলে 😊
🥰10🔥2🎉2