এডমিশন জার্নির নাম শুনলেই আপনার মনে কোন মেধাবী স্টুডেন্টের বিশাল এক সাফল্যগাথার ছবি ভেসে আসবে। আমি কোন মেধাবী নই। আমার কোন সাফল্যগাথাও নেই। আছে কেবল একরাশ ব্যর্থতা। সফলতার গল্প তো অনেক শুনলেন। আজ আপনাদের ব্যর্থতার গল্প বলি।
সময়টা ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩; খুব সম্ভবত সেদিনই আমার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনের শেষ হাসিটা হেসেছিলাম। আমার এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছিলো। আমি গোল্ডেন জিপিএ-ফাইভ পাই। খুশির সীমানা পেরিয়েছিলাম অপ্রত্যাশিত রেজাল্টে। জ্বি, অপ্রত্যাশিত রেজাল্টই বটে। রেজাল্ট এতটা ভালো হবে চিন্তা করি নাই।
এডমিশনের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিং এ ভর্তি হই। কিছুদিন পরই মনে হলো ইঞ্জিনিয়ারিং হয়তো আমার দ্বারা হবে না। বায়োলজি মোটামুটি ভালো পারতাম বিধায় মেডিকেলেও ট্রাই করি। এরপর ভার্সিটি। একে একে তিন নৌকায় পা দিয়ে সবদিকই হারিয়ে বসি। আমার পরিকল্পনাহীনতা আমার সীমাহীন পরিশ্রমকে জলাঞ্জলি দেয়। আমাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করে। এডমিশনের ট্র্যাক থেকে ছিটকে যাই আমি।
ন্যাশনালে ভর্তি হইনি। এডমিশন ব্যর্থতার পর একটা প্রেশার আসলো প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার। তবুও প্রাইভেটে এডমিশন নিই নাই। ভাবলাম, আরেকবার চেষ্টা করি। Let's do it one more time, the last time.
বেশ প্রতিকূলতার মাঝেই সেকেন্ড টাইমে মেডিকেল প্রিপারেশন নেয়ার সিদ্ধান্ত নিই। হাতে প্রায় ৮/৯ মাস সময় ছিলো। তখন থেকেই নিজের সাথে যুদ্ধ শুরু করি। এডমিশনের সহায়ক হিসেবে ACS Group এর মেডিকেল কোর্সে ভর্তি হই। পাশাপাশি মেন্টরিং এর জন্য সারোয়ার জাহান শাওন ভাই ( Sabas) এর মেডিকেল,ভার্সিটির কোর্সে যুক্ত ছিলাম। আমার সর্বোচ্চ পরিশ্রম দিয়ে চেষ্টা করি। এসময় লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতে টানা ৯মাস বাড়িতেও যাইনি। প্রায় সাড়ে এগারো মাস সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলাম। কেবল হাতে গোনা কয়েকজনের সাথেই যোগাযোগ হতো। মাথার চুল কাটিনাই প্রায় ৮ মাস। ইচ্ছে ছিলো মেডিকেল রেজাল্টের পরেই কাটবো। যদিও আম্মুর পীড়াপীড়িতে সেটা আর সম্ভব হয়নি।
৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪; ২য় বারের মতো মেডিকেল পরীক্ষা দিই। পূর্বের ধারাবাহিকতায় এবারও রেজাল্ট অনুকূলে আসে নি। আমি হেরে যাই সেকেন্ড টাইমার হবার কারণে। আমার খারাপ লাগে নি। শুধু পেছনে তাকিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে আমার দিনরাত এক করা পরিশ্রমকে ধুলিকণায় মিশে যেতে দেখছিলাম।
২৭ এপ্রিল, ২০২৪; বছর ঘুরে আমি আবার GST পরীক্ষার্থী। আগেরবার খুব আশা করেছিলাম এই পরীক্ষা নিয়ে। এবার আর তেমন কোন আশা নেই।কেবলই আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এপ্লাই করেছি বলেই দেওয়া যাকে বলে। ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় GST পরীক্ষার রেজাল্ট বের হয়। ঠিক এইচএসসি তে যেমন অপ্রত্যাশিত কোন রেজাল্টের মধ্য দিয়ে এডমিশন শুরু করি; তেমনই এক অপ্রত্যাশিত রেজাল্টের মধ্য দিয়ে আমার এডমিশন জার্নির সমাপ্তির সূচনা করি। একনজরে দেখে নিতে পারেন আমার এডমিশন জার্নি।
⏳ফার্স্ট টাইম ২০২২-২৩ সেশন
১. মেডিকেলঃ ৩১২৩৬ তম (মার্কঃ ৪৬.২৫) ❌
২. AFMC মেডিকেলঃ NOT Selected❌
৩. ডেন্টালঃ ৯০৯৬ তম (মার্কঃ ৪৫)❌
৪. ঢাবি বি ইউনিটঃ FAIL ❌
৫. ঢাবি এ ইউনিটঃ FAIL ❌
৬. চবি এ ইউনিটঃ ৩৮১০ তম (মার্কঃ ৮৪)❌
৭. চবি সি-২ ইউনিটঃ FAIL❌
৮. চবি ডি ইউনিটঃ ৮০৯৫ তম (মার্কঃ ৬৫.৭৫)❌
৯. রাবি সি ইউনিটঃ (Not attempted) ❌
১০. GST গুচ্ছঃ ৫৪৫৪৩ তম ( মার্কঃ ৩৪) ❌
১১. CKRUET ভর্তি পরীক্ষাঃ FAIL❌
১২. জাবি এ ইউনিটঃ (Not Attempted)❌
১৩. জাবি ডি ইউনিটঃ ৪৮৩৩ তম ( মার্কঃ ৫৫)❌
১৪. কৃষিগুচ্ছঃ NOT Selected (মার্কঃ ৪১)❌
⌛ সেকেন্ড টাইম ২০২৩-২৪ সেশন
১৫. মেডিকেলঃ ১০২৯৪ তম ( মার্কঃ ৬৬.২৫) ❌
১৬. জাবি ডি ইউনিটঃ( Not attempted )❌
১৭. চবি এ ইউনিটঃ ৩১৬৭ তম(মার্কঃ ৯৫.২৫) ❌
১৮. রাবি সি ইউনিটঃ (Not attempted)❌
১৯. ডেন্টালঃ ৩২৭১ তম ( মার্কঃ ৬৯.২৫)❌
২০. GST গুচ্ছঃ ১২২৪ তম(মার্কঃ ৫১.৭৫)✅✅
নোট: সেকেন্ড টাইমারদের ৫ মার্ক কাটা হয়।
সময়টা ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩; খুব সম্ভবত সেদিনই আমার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনের শেষ হাসিটা হেসেছিলাম। আমার এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছিলো। আমি গোল্ডেন জিপিএ-ফাইভ পাই। খুশির সীমানা পেরিয়েছিলাম অপ্রত্যাশিত রেজাল্টে। জ্বি, অপ্রত্যাশিত রেজাল্টই বটে। রেজাল্ট এতটা ভালো হবে চিন্তা করি নাই।
এডমিশনের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিং এ ভর্তি হই। কিছুদিন পরই মনে হলো ইঞ্জিনিয়ারিং হয়তো আমার দ্বারা হবে না। বায়োলজি মোটামুটি ভালো পারতাম বিধায় মেডিকেলেও ট্রাই করি। এরপর ভার্সিটি। একে একে তিন নৌকায় পা দিয়ে সবদিকই হারিয়ে বসি। আমার পরিকল্পনাহীনতা আমার সীমাহীন পরিশ্রমকে জলাঞ্জলি দেয়। আমাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করে। এডমিশনের ট্র্যাক থেকে ছিটকে যাই আমি।
ন্যাশনালে ভর্তি হইনি। এডমিশন ব্যর্থতার পর একটা প্রেশার আসলো প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার। তবুও প্রাইভেটে এডমিশন নিই নাই। ভাবলাম, আরেকবার চেষ্টা করি। Let's do it one more time, the last time.
বেশ প্রতিকূলতার মাঝেই সেকেন্ড টাইমে মেডিকেল প্রিপারেশন নেয়ার সিদ্ধান্ত নিই। হাতে প্রায় ৮/৯ মাস সময় ছিলো। তখন থেকেই নিজের সাথে যুদ্ধ শুরু করি। এডমিশনের সহায়ক হিসেবে ACS Group এর মেডিকেল কোর্সে ভর্তি হই। পাশাপাশি মেন্টরিং এর জন্য সারোয়ার জাহান শাওন ভাই ( Sabas) এর মেডিকেল,ভার্সিটির কোর্সে যুক্ত ছিলাম। আমার সর্বোচ্চ পরিশ্রম দিয়ে চেষ্টা করি। এসময় লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতে টানা ৯মাস বাড়িতেও যাইনি। প্রায় সাড়ে এগারো মাস সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলাম। কেবল হাতে গোনা কয়েকজনের সাথেই যোগাযোগ হতো। মাথার চুল কাটিনাই প্রায় ৮ মাস। ইচ্ছে ছিলো মেডিকেল রেজাল্টের পরেই কাটবো। যদিও আম্মুর পীড়াপীড়িতে সেটা আর সম্ভব হয়নি।
৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪; ২য় বারের মতো মেডিকেল পরীক্ষা দিই। পূর্বের ধারাবাহিকতায় এবারও রেজাল্ট অনুকূলে আসে নি। আমি হেরে যাই সেকেন্ড টাইমার হবার কারণে। আমার খারাপ লাগে নি। শুধু পেছনে তাকিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে আমার দিনরাত এক করা পরিশ্রমকে ধুলিকণায় মিশে যেতে দেখছিলাম।
২৭ এপ্রিল, ২০২৪; বছর ঘুরে আমি আবার GST পরীক্ষার্থী। আগেরবার খুব আশা করেছিলাম এই পরীক্ষা নিয়ে। এবার আর তেমন কোন আশা নেই।কেবলই আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এপ্লাই করেছি বলেই দেওয়া যাকে বলে। ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় GST পরীক্ষার রেজাল্ট বের হয়। ঠিক এইচএসসি তে যেমন অপ্রত্যাশিত কোন রেজাল্টের মধ্য দিয়ে এডমিশন শুরু করি; তেমনই এক অপ্রত্যাশিত রেজাল্টের মধ্য দিয়ে আমার এডমিশন জার্নির সমাপ্তির সূচনা করি। একনজরে দেখে নিতে পারেন আমার এডমিশন জার্নি।
⏳ফার্স্ট টাইম ২০২২-২৩ সেশন
১. মেডিকেলঃ ৩১২৩৬ তম (মার্কঃ ৪৬.২৫) ❌
২. AFMC মেডিকেলঃ NOT Selected❌
৩. ডেন্টালঃ ৯০৯৬ তম (মার্কঃ ৪৫)❌
৪. ঢাবি বি ইউনিটঃ FAIL ❌
৫. ঢাবি এ ইউনিটঃ FAIL ❌
৬. চবি এ ইউনিটঃ ৩৮১০ তম (মার্কঃ ৮৪)❌
৭. চবি সি-২ ইউনিটঃ FAIL❌
৮. চবি ডি ইউনিটঃ ৮০৯৫ তম (মার্কঃ ৬৫.৭৫)❌
৯. রাবি সি ইউনিটঃ (Not attempted) ❌
১০. GST গুচ্ছঃ ৫৪৫৪৩ তম ( মার্কঃ ৩৪) ❌
১১. CKRUET ভর্তি পরীক্ষাঃ FAIL❌
১২. জাবি এ ইউনিটঃ (Not Attempted)❌
১৩. জাবি ডি ইউনিটঃ ৪৮৩৩ তম ( মার্কঃ ৫৫)❌
১৪. কৃষিগুচ্ছঃ NOT Selected (মার্কঃ ৪১)❌
⌛ সেকেন্ড টাইম ২০২৩-২৪ সেশন
১৫. মেডিকেলঃ ১০২৯৪ তম ( মার্কঃ ৬৬.২৫) ❌
১৬. জাবি ডি ইউনিটঃ( Not attempted )❌
১৭. চবি এ ইউনিটঃ ৩১৬৭ তম(মার্কঃ ৯৫.২৫) ❌
১৮. রাবি সি ইউনিটঃ (Not attempted)❌
১৯. ডেন্টালঃ ৩২৭১ তম ( মার্কঃ ৬৯.২৫)❌
২০. GST গুচ্ছঃ ১২২৪ তম(মার্কঃ ৫১.৭৫)✅✅
নোট: সেকেন্ড টাইমারদের ৫ মার্ক কাটা হয়।
❤78
আমাদের এই নশ্বর জীবনে সবকিছুই আপেক্ষিক। সময়ের ব্যবধানে প্রবহমান স্রোতের মতোই সব বিলীন হয়ে যায়। গতবছরের এই সময় আর আজকের এই সময়ের ব্যবধান অনেক। আমি ধন্যবাদ দিতে চাই ২০২৩ সালকে। যে সময়টায় আমার মাঝে হারিয়ে যাওয়া আমিত্ব 'কেই খুঁজে পেয়েছিলাম।
সর্বোপরি, মহান আল্লাহ্ তায়ালার নিয়ামতের প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করি। যিনি আমাকে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবার শক্তি, সাহস, মানসিকতা দিয়েছেন। তিনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাজিল করেন, আমি কেবল তারই মুখাপেক্ষী।
আমি সেকেন্ড টাইমার ছিলাম। কোন প্রকার প্রেশারে না থেকেও একজন সেকেন্ড টাইমার কতটা হতাশায় ভুগে সেটা আমি বুঝি। আর যারা আমার মতো কোথায় ভর্তি না হয়েই সেকেন্ড টাইম প্রিপারেশন নেয় তাদের জন্যে তো এটা আরো টাফ! একজন সেকেন্ড টাইমারের সবচেয়ে শক্তির জায়গাটা হচ্ছে নিজের উপর বিশ্বাস, পরিবারের সাপোর্ট, কৌশলগত পরিশ্রম, সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ।
এখনো যারা সেকেন্ড টাইম প্রিপারেশন নিচ্ছেন তাদের বলবো, নতুন করে হারাবার কিছুই নেই।অন্তরাত্মাকে উপলব্ধি করুন। সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য চান। শেষ পর্যন্ত লড়ে যান। নিজেকে আফসোস করার সুযোগ দিবেন না। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন। আর পরিবারকে বলবো পর্যাপ্ত মানসিক সাপোর্ট দিন। একজন সেকেন্ড টাইমার পরিবার থেকে মেন্টাল সাপোর্ট এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করে না। তবুও দেখা যাবে, সবার পরিশ্রম হয়তো আপাতদৃষ্টিতে স্বার্থক হয় না। হতাশ হবেন না। হয়তো আপনার জন্যে সেটা কল্যাণকর ছিল না। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে নিয়ে উত্তম পরিকল্পনা করছেন। আস্থা রাখুন সবসময়।
যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে
হবেই হবেই দেখা, দেখা হবে বিজয়ে!!
সর্বোপরি, মহান আল্লাহ্ তায়ালার নিয়ামতের প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করি। যিনি আমাকে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবার শক্তি, সাহস, মানসিকতা দিয়েছেন। তিনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাজিল করেন, আমি কেবল তারই মুখাপেক্ষী।
আমি সেকেন্ড টাইমার ছিলাম। কোন প্রকার প্রেশারে না থেকেও একজন সেকেন্ড টাইমার কতটা হতাশায় ভুগে সেটা আমি বুঝি। আর যারা আমার মতো কোথায় ভর্তি না হয়েই সেকেন্ড টাইম প্রিপারেশন নেয় তাদের জন্যে তো এটা আরো টাফ! একজন সেকেন্ড টাইমারের সবচেয়ে শক্তির জায়গাটা হচ্ছে নিজের উপর বিশ্বাস, পরিবারের সাপোর্ট, কৌশলগত পরিশ্রম, সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ।
এখনো যারা সেকেন্ড টাইম প্রিপারেশন নিচ্ছেন তাদের বলবো, নতুন করে হারাবার কিছুই নেই।অন্তরাত্মাকে উপলব্ধি করুন। সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য চান। শেষ পর্যন্ত লড়ে যান। নিজেকে আফসোস করার সুযোগ দিবেন না। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন। আর পরিবারকে বলবো পর্যাপ্ত মানসিক সাপোর্ট দিন। একজন সেকেন্ড টাইমার পরিবার থেকে মেন্টাল সাপোর্ট এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করে না। তবুও দেখা যাবে, সবার পরিশ্রম হয়তো আপাতদৃষ্টিতে স্বার্থক হয় না। হতাশ হবেন না। হয়তো আপনার জন্যে সেটা কল্যাণকর ছিল না। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে নিয়ে উত্তম পরিকল্পনা করছেন। আস্থা রাখুন সবসময়।
যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে
হবেই হবেই দেখা, দেখা হবে বিজয়ে!!
❤47❤🔥6🥰2
SABAS Study Materials
আমাদের এই নশ্বর জীবনে সবকিছুই আপেক্ষিক। সময়ের ব্যবধানে প্রবহমান স্রোতের মতোই সব বিলীন হয়ে যায়। গতবছরের এই সময় আর আজকের এই সময়ের ব্যবধান অনেক। আমি ধন্যবাদ দিতে চাই ২০২৩ সালকে। যে সময়টায় আমার মাঝে হারিয়ে যাওয়া আমিত্ব 'কেই খুঁজে পেয়েছিলাম। সর্বোপরি, মহান আল্লাহ্…
©️ Sadman Hossain
Department of Pharmacy, NSTU
(ছবিটি সেকেন্ড টাইম মেডিকেল পরীক্ষার দিন তোলা। আম্মুর হাতে তোলা আমার প্রথম ছবি)
Department of Pharmacy, NSTU
(ছবিটি সেকেন্ড টাইম মেডিকেল পরীক্ষার দিন তোলা। আম্মুর হাতে তোলা আমার প্রথম ছবি)
❤🔥55❤26🥰6🔥2
SABAS Study Materials
এডমিশন জার্নির নাম শুনলেই আপনার মনে কোন মেধাবী স্টুডেন্টের বিশাল এক সাফল্যগাথার ছবি ভেসে আসবে। আমি কোন মেধাবী নই। আমার কোন সাফল্যগাথাও নেই। আছে কেবল একরাশ ব্যর্থতা। সফলতার গল্প তো অনেক শুনলেন। আজ আপনাদের ব্যর্থতার গল্প বলি। সময়টা ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩; খুব সম্ভবত…
চবিতেও যাদের চান্স হয়নি, আমার স্টুডেন্ট সাদমানের ঘটনাটা একবার পড়তে পারো ❣️
https://t.me/SABASPoll/7563
https://t.me/SABASPoll/7563
❤12
ম্যাথ নিয়ে সবাই চিন্তা করলেও ফিজিক্স নিয়ে চিন্তা করা স্টুডেন্ট খুব বেশি দেখা যায় না।
ভার্সিটিতে চান্স মিস করায় এক হাত যদি ম্যাথের হয়, আরেক হাত অবশ্যই ফিজিক্সের।
কম সময়ে থিওরি বুঝে উত্তর করতে হিমশিম খায় ম্যাক্সিমাম স্টুডেন্ট, যার একমাত্র কারণ টাইপ ভিত্তিক প্র্যাকটিস না থাকা।
ফিজিক্সে ভালো করতে হলে এখন থেকেই, থিওরি ক্লিয়ার >> টাইপভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক সল্ভ >> বারবার প্র্যাকটিস ; এই পদ্ধতিতে আগাও।
রেগুলার পড়লে ফিজিক্স তোমার চান্স পাওয়াতে ট্রাম্পকার্ড হিসেবে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ।
────────────────
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤20🔥3
জানিয়ে রাখি
বর্তমান Medical Full ব্যাচে ভর্তি হলে
২ বার সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ করা হবে,hsc এর আগে একবার,পরে একবার🔥
বর্তমান Medical Full ব্যাচে ভর্তি হলে
২ বার সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ করা হবে,hsc এর আগে একবার,পরে একবার🔥
🔥32👌5
যদি তুমি চাও
শুধুমাত্র একটা কোর্স দিয়েই
তোমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পুরণ করতে then
Welcome to Bijoy 4.0
শুধুমাত্র একটা কোর্স দিয়েই
তোমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পুরণ করতে then
Welcome to Bijoy 4.0
🔥12🥰3
https://drive.google.com/file/d/14MnxadPH61BMv9fBxC710z6AbdBtufvX/view?usp=drivesdk
https://www.facebook.com/groups/1481808312591763/permalink/1874879906617933/
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤3
Agri + RU (C) ব্যাচে আগামীকাল ১ম পরীক্ষা...
গ্রুপে সাজেশন পর্ব চলছে, আগামীকাল গাইডলাইন সেশনও হবে ইনশাআল্লাহ। মেন্টর হিসেবে আমার পাশাপাশি পরিশ্রমী ভাইয়া-আপুরাও আছেন।
গুছানো রুটিনে পড়তে চাইলে কোর্সটি তোমার জন্য ভালো অপশন ❣️
🎓 কৃষিগুচ্ছ + রাবি (গ) কমপ্লিট প্রস্তুতি
────────────────
✉️ কোর্স ডিটেইলসঃ Click here
🗓 রুটিন ও সিলেবাসঃ Click here
গ্রুপে সাজেশন পর্ব চলছে, আগামীকাল গাইডলাইন সেশনও হবে ইনশাআল্লাহ। মেন্টর হিসেবে আমার পাশাপাশি পরিশ্রমী ভাইয়া-আপুরাও আছেন।
গুছানো রুটিনে পড়তে চাইলে কোর্সটি তোমার জন্য ভালো অপশন ❣️
────────────────
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤9🥰1
Forwarded from All Batch Notice-Bijoy 4.0 (Rafi(SOMC))
🎉Bijoy Medical Batch-4th Class||Bijoy 4.0
🟥Biology 1st Paper
⭐Chapter-03(কোষ রসায়ন)
🚀Instructor:
Amir Hamza Rafi
Founder,ATLAS
MBBS(SOMC)
https://www.facebook.com/share/v/1YUkTWNB6w/
🟥Biology 1st Paper
⭐Chapter-03(কোষ রসায়ন)
🚀Instructor:
Amir Hamza Rafi
Founder,ATLAS
MBBS(SOMC)
https://www.facebook.com/share/v/1YUkTWNB6w/
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
Forwarded from All Batch Notice-Bijoy 4.0 (Rafi(SOMC))
All Batch Notice-Bijoy 4.0
🎉Bijoy Medical Batch-4th Class||Bijoy 4.0 🟥Biology 1st Paper ⭐Chapter-03(কোষ রসায়ন) 🚀Instructor: Amir Hamza Rafi Founder,ATLAS MBBS(SOMC) https://www.facebook.com/share/v/1YUkTWNB6w/
ক্লাসে আসো সবাই।
অনলাইন/অফলাইন ক্লাস শেষে সময়ের অভাবে অনেকে নোট করতে চাও না। নোট করলে সময় যায় এটা যেমন সত্য, রিভিশন টাইমে নোটগুলো অনেক সময় বাঁচায় এটাও সত্য।
নোট করার ক্ষেত্রে,
১৷ হুবুহু বই কপিপেস্ট নোট করার প্রয়োজন নেই
২। টিচার ক্লাসে গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন এরকম টপিক
৩। ক্লাসে কোনো শর্ট ট্রিক/সাজেশন
৪। টিচারের তৈরি ছক
৫। ম্যাথ/উদাহরণ
নোট করার চেষ্টা করবে।
দিনের যে অংশে অলস সময় কাটে, তখন নোট করতে পারো। কথায় বলে, "১ বার লিখা ১০ বার পড়ার সমান", পাশাপাশি রিভিশন টাইমে বইয়ের পাশে নোটটা রাখলে পড়া দ্রুত শেষ হবে।
~ রিভিশন ও নোট প্লান (পার্ট-০১)
~ সারোয়ার জাহান শাওন
#guideline
নোট করার ক্ষেত্রে,
১৷ হুবুহু বই কপিপেস্ট নোট করার প্রয়োজন নেই
২। টিচার ক্লাসে গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন এরকম টপিক
৩। ক্লাসে কোনো শর্ট ট্রিক/সাজেশন
৪। টিচারের তৈরি ছক
৫। ম্যাথ/উদাহরণ
নোট করার চেষ্টা করবে।
দিনের যে অংশে অলস সময় কাটে, তখন নোট করতে পারো। কথায় বলে, "১ বার লিখা ১০ বার পড়ার সমান", পাশাপাশি রিভিশন টাইমে বইয়ের পাশে নোটটা রাখলে পড়া দ্রুত শেষ হবে।
~ রিভিশন ও নোট প্লান (পার্ট-০১)
~ সারোয়ার জাহান শাওন
#guideline
❤🔥42❤13👌3🔥1
Forwarded from ATLAS Official
আমাদের ১ মাস ট্রেইনিংপ্রাপ্ত মেন্টর বলে কথা,গাইডলাইনের পয়েন্টগুলো খাতায় লিখে নাও
প্রি-মেডিকেল ও সেকেন্ড টাইমার ব্যাচের স্পেশাল ফিচার "Unlimited Doubt Solve" আর মেন্টরশীপ...🔥
ভর্তি হয়ে স্টুডেন্টসরা খুশি...💙⭐💙
প্রি-মেডিকেল ও সেকেন্ড টাইমার ব্যাচের স্পেশাল ফিচার "Unlimited Doubt Solve" আর মেন্টরশীপ...🔥
ভর্তি হয়ে স্টুডেন্টসরা খুশি...💙⭐💙
❤11👀6🔥1
হাতে সময় কম থাকলে পড়াগুলো প্রিসাইজ করতে হবে। সবচেয়ে বেশি কমন আসে, এমন টপিকগুলো পড়তে হবে।
১। প্রতিটা সাবজেক্ট শুরুতে শুধুমাত্র প্রশ্নব্যাংকের টপিকগুলো পড়বে। বিগত বছরে যে টপিক থেকে প্রশ্ন আসছে, বই/কন্টেন্ট থেকে শুধুমাত্র সেগুলো আগে পড়ে নিবে।
২। এবার, হাতে সময় থাকলে বইয়ের বাকি অংশ চোখ বুলাবে। সময় না থাকলে প্রয়োজন নেই। এক্সাম দিয়ে যদি ভুল পাও, তখন পড়ে নিবে।
এই পদ্ধতিতে বইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো তোমার পড়া হবে, কমন পড়ার সম্ভাবনা থাকবে ৯০%। আমরা টিচারদের সাজেশন গুলো প্রশ্নব্যাংক এনালাইসিস করেই দেয়া হয়, তাই এতো বেশি কমন আসে আলহামদুলিল্লাহ।
────────────────
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17