Forwarded from SABAS Study Materials (সারোয়ার জাহান শাওন)
Name: Tahira Tabassum Eusha.
1st time:
Medical ❌
DU B-116th,
DU C- 195th
BUP - 68th
CU D- 35th
JU IBA- 11th
JU B- 317th
Agri- BAU
⛔ প্রথমবারের ভুলগুলো কি ছিলো?
১) Teacher রা বারবার বলার পরও অনুশীলনী practice না করেই পরীক্ষার হলে যাওয়া।
২) পরীক্ষার হলের অভিজ্ঞতা না থাকা। Exam hall এ nerve control করা তখনই সম্ভব যখন আত্মবিশ্বাস থাকবে নিজের ওপর। আর অনেকেই এতো বেশি stiff হয়ে বসে থাকি আমরা যে ভয়টা আরো বাড়তে থাকে।
৩) শর্ট সিলেবাসের সেই অংশগুলোতে কম ফোকাস দেওয়া, যেখানে আমার কনসেপ্ট এ gap ছিল এবং ভুল বেশি হতো।
৪) ফিজিক্স ও কেমিস্ট্রির math part একদমই practice না করা। সাধারণত মাত্র 3/4 টা Question আসে দেখে আমরা এটাকে অনেকে, আরে medical, কিসের math এমন ভেবে গুরুত্বই দেইনা। এতে দেখা যায়, exam hall এ math মিলিয়ে ফেললেও দিয়ে আসার confidence পাই না। একদমই না দেখে যাওয়া উচিত না।
৫) তাড়াহুড়ো করে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করা।
৬) সকালে কিছু না খেয়ে পরীক্ষার হলে যাওয়া।
৭) পর্যাপ্ত পরিমাণে মডেল টেস্ট না দেওয়া।
৮) ভুলগুলো লিখে রাখলেও পরে আর দেখে সংশোধন না করা।
🎯 প্রথমবার Chance না পেলে আমি কি করবো?
- যাদের প্রথমবার মেডিকেলে চান্স হয়নি, তাদের স্বল্প সময়ের মধ্যেই ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। এই সময়ে পুরো সিলেবাস cover করা সম্ভব নয়, তাই আগে বের করতে হবে আমার skill সবচেয়ে কোন subject গুলোতে ভালো।
যেমন, আমার বাংলা ও ইংরেজি বিষয় দুটোই প্রিয় ছিল, তাই আমি 'বি' ইউনিটের জন্য প্রস্তুতি নিতে চেষ্টা করি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পরীক্ষার প্রতি ভয় না রাখা এবং কোনো প্রত্যাশা ছাড়া হলে প্রবেশ করা।
যদি কেউ শুধুমাত্র পরিবারের চাপে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ব্যর্থ হয়, কিন্তু গণিত তার ভালো লাগে, তবে পরবর্তী প্রস্তুতির ধরন ভিন্ন হতে হবে।
✅ দ্বিতীয়বার প্রস্তুতির সময় যা যা করেছিলাম :
১) দীর্ঘ যাত্রার জন্য মানসিক প্রস্তুতি:
সময় খুব দ্রুত চলে যাবে, তাই মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে হবে।
২) নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করে কাজ করা:
আগের পরীক্ষার ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে, সেগুলো কীভাবে সংশোধন করা যায় তা নিয়ে কাজ করা।
৩) শুরুতে কম নম্বর পেলেও হতাশ না হওয়া:
প্রথম দিকে মার্কস কম আসতে পারে, বিশেষ করে যাদের প্রথমবার প্রস্তুতি ভালো ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে গ্যাপ পূরণ হলে নম্বর বাড়তে থাকবে।
৪) নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা:
ব্যর্থ হলে চারপাশ থেকে নানান কথা শুনতে হয়, কিন্তু অন্যের ১ মিনিটের কথা যেন নিজের বাকি দিনটা নষ্ট না করে।
৫) কোচিংয়ের পরীক্ষায় খারাপ করলেও হতাশ না হওয়া:
অনেকেই কোচিংয়ের পরীক্ষায় ভালো না করেও চান্স পায়, আবার কেউ কোচিংয়ের প্রশ্নে ১০০ পেলেও মূল পরীক্ষায় ভালো করতে পারে না। coaching question pattern খোজা যাবে না। তাই সব সময় মূল বই পড়ে coaching এর exma এ attend করতে হবে। আর আসল লক্ষ্য মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন প্যাটার্ন বোঝা এবং মূল বইতে ফোকাস করা।
৬) সোশ্যাল মিডিয়া ও games থেকে দূরে থাকা:
সোশ্যাল মিডিয়া plus games সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে, যতদিন না পর্যন্ত চান্স হয়।
৭) প্রতিদিন সকাল ১০টায় ৪০ মিনিট সময় ধরে পরীক্ষার মতো পরিবেশ তৈরি করে মডেল টেস্ট দেওয়া:
এতে পরীক্ষার সময় মানসিক চাপ কমবে। medical exam 1 hour এর হবে। কিন্তু 1 hour পাবা না। যারা exam দিয়েছো তারা জানো বিষয়টা।
৮) শেষ সময়ে অনুশীলনী বারবার দেখা এবং শেখা বিষয়গুলো রিভাইস করা। Most important: অনেক বেশি এক্সাম দেয়া।
৯) আত্মবিশ্বাস রাখা ও সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা:
আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে এবং বারবার সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করতে হবে। এটা শুধু একটা পরীক্ষা—এখানে চান্স না পাওয়া মানেই জীবনে ভালো কিছু হবে না, এমনটা নয়। বরং অন্য কোথাও হয়তো তোমার জন্য আরও ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।
১০) নিজের যত্ন নেওয়া:
নিয়মিত খাবার খাওয়া ও ঘুম ঠিক রাখা। একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে প্রতিদিন ঘুমানোর চেষ্টা করা।
2nd time
MAT 2024-2025 (2665th)
Khulna Medical College.
Session 24-25.
[সাবাশের স্টুডেন্ট ❣️]
1st time:
Medical ❌
DU B-116th,
DU C- 195th
BUP - 68th
CU D- 35th
JU IBA- 11th
JU B- 317th
Agri- BAU
⛔ প্রথমবারের ভুলগুলো কি ছিলো?
১) Teacher রা বারবার বলার পরও অনুশীলনী practice না করেই পরীক্ষার হলে যাওয়া।
২) পরীক্ষার হলের অভিজ্ঞতা না থাকা। Exam hall এ nerve control করা তখনই সম্ভব যখন আত্মবিশ্বাস থাকবে নিজের ওপর। আর অনেকেই এতো বেশি stiff হয়ে বসে থাকি আমরা যে ভয়টা আরো বাড়তে থাকে।
৩) শর্ট সিলেবাসের সেই অংশগুলোতে কম ফোকাস দেওয়া, যেখানে আমার কনসেপ্ট এ gap ছিল এবং ভুল বেশি হতো।
৪) ফিজিক্স ও কেমিস্ট্রির math part একদমই practice না করা। সাধারণত মাত্র 3/4 টা Question আসে দেখে আমরা এটাকে অনেকে, আরে medical, কিসের math এমন ভেবে গুরুত্বই দেইনা। এতে দেখা যায়, exam hall এ math মিলিয়ে ফেললেও দিয়ে আসার confidence পাই না। একদমই না দেখে যাওয়া উচিত না।
৫) তাড়াহুড়ো করে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করা।
৬) সকালে কিছু না খেয়ে পরীক্ষার হলে যাওয়া।
৭) পর্যাপ্ত পরিমাণে মডেল টেস্ট না দেওয়া।
৮) ভুলগুলো লিখে রাখলেও পরে আর দেখে সংশোধন না করা।
🎯 প্রথমবার Chance না পেলে আমি কি করবো?
- যাদের প্রথমবার মেডিকেলে চান্স হয়নি, তাদের স্বল্প সময়ের মধ্যেই ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। এই সময়ে পুরো সিলেবাস cover করা সম্ভব নয়, তাই আগে বের করতে হবে আমার skill সবচেয়ে কোন subject গুলোতে ভালো।
যেমন, আমার বাংলা ও ইংরেজি বিষয় দুটোই প্রিয় ছিল, তাই আমি 'বি' ইউনিটের জন্য প্রস্তুতি নিতে চেষ্টা করি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পরীক্ষার প্রতি ভয় না রাখা এবং কোনো প্রত্যাশা ছাড়া হলে প্রবেশ করা।
যদি কেউ শুধুমাত্র পরিবারের চাপে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ব্যর্থ হয়, কিন্তু গণিত তার ভালো লাগে, তবে পরবর্তী প্রস্তুতির ধরন ভিন্ন হতে হবে।
✅ দ্বিতীয়বার প্রস্তুতির সময় যা যা করেছিলাম :
১) দীর্ঘ যাত্রার জন্য মানসিক প্রস্তুতি:
সময় খুব দ্রুত চলে যাবে, তাই মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে হবে।
২) নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করে কাজ করা:
আগের পরীক্ষার ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে, সেগুলো কীভাবে সংশোধন করা যায় তা নিয়ে কাজ করা।
৩) শুরুতে কম নম্বর পেলেও হতাশ না হওয়া:
প্রথম দিকে মার্কস কম আসতে পারে, বিশেষ করে যাদের প্রথমবার প্রস্তুতি ভালো ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে গ্যাপ পূরণ হলে নম্বর বাড়তে থাকবে।
৪) নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা:
ব্যর্থ হলে চারপাশ থেকে নানান কথা শুনতে হয়, কিন্তু অন্যের ১ মিনিটের কথা যেন নিজের বাকি দিনটা নষ্ট না করে।
৫) কোচিংয়ের পরীক্ষায় খারাপ করলেও হতাশ না হওয়া:
অনেকেই কোচিংয়ের পরীক্ষায় ভালো না করেও চান্স পায়, আবার কেউ কোচিংয়ের প্রশ্নে ১০০ পেলেও মূল পরীক্ষায় ভালো করতে পারে না। coaching question pattern খোজা যাবে না। তাই সব সময় মূল বই পড়ে coaching এর exma এ attend করতে হবে। আর আসল লক্ষ্য মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন প্যাটার্ন বোঝা এবং মূল বইতে ফোকাস করা।
৬) সোশ্যাল মিডিয়া ও games থেকে দূরে থাকা:
সোশ্যাল মিডিয়া plus games সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে, যতদিন না পর্যন্ত চান্স হয়।
৭) প্রতিদিন সকাল ১০টায় ৪০ মিনিট সময় ধরে পরীক্ষার মতো পরিবেশ তৈরি করে মডেল টেস্ট দেওয়া:
এতে পরীক্ষার সময় মানসিক চাপ কমবে। medical exam 1 hour এর হবে। কিন্তু 1 hour পাবা না। যারা exam দিয়েছো তারা জানো বিষয়টা।
৮) শেষ সময়ে অনুশীলনী বারবার দেখা এবং শেখা বিষয়গুলো রিভাইস করা। Most important: অনেক বেশি এক্সাম দেয়া।
৯) আত্মবিশ্বাস রাখা ও সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা:
আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে এবং বারবার সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করতে হবে। এটা শুধু একটা পরীক্ষা—এখানে চান্স না পাওয়া মানেই জীবনে ভালো কিছু হবে না, এমনটা নয়। বরং অন্য কোথাও হয়তো তোমার জন্য আরও ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।
১০) নিজের যত্ন নেওয়া:
নিয়মিত খাবার খাওয়া ও ঘুম ঠিক রাখা। একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে প্রতিদিন ঘুমানোর চেষ্টা করা।
2nd time
MAT 2024-2025 (2665th)
Khulna Medical College.
Session 24-25.
[সাবাশের স্টুডেন্ট ❣️]
🔥15❤4
বড় অপশনের প্রশ্ন পড়িয়েছিলাম মেডিকেলের জন্য।
যারা পড়েছিলে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে আসলো। পড়াশোনার বিকল্প নেই ❣️
যারা পড়েছিলে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে আসলো। পড়াশোনার বিকল্প নেই ❣️
😢10🔥2