যারা ভর্তি হবি এই তিনটা ডেমো ক্লাস দেখে নিস
🌻 ডেমো ক্লাস:
১) জীববিজ্ঞান - Click here
২) রসায়ন - Click here
৩) পদার্থবিজ্ঞান - Click here
🌻 ডেমো ক্লাস:
১) জীববিজ্ঞান - Click here
২) রসায়ন - Click here
৩) পদার্থবিজ্ঞান - Click here
❤9
রাবি প্রশ্নব্যাংকের এনালাইসিস রানিং
আগামীকাল থেকে কন্টেন্ট আপলোড করা শুরু হবে ইনশাল্লাহ।
Get ready!
আগামীকাল থেকে কন্টেন্ট আপলোড করা শুরু হবে ইনশাল্লাহ।
Get ready!
❤60
⚕ দেখো তো তোমার কলেজের কোন বন্ধু তোমাকে না জানিয়ে চুপিসারে "মেডিকেল এডমিশন ব্যাচে" ভর্তি হয়ে গেছে 🥱
🏆5🔥1
প্রশ্নঃ মেডিকেল এডমিশন ব্যাচে কি কি পড়ানো শেষ হয়েছে?
উত্তরঃ
বোটানি- উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব (প্রস্বেদন পর্যন্ত)
জুলোজি- রক্ত ও সঞ্চালন (হৃৎপিণ্ডের আগে পর্যন্ত)
কেমিস্ট্রি- রাসায়নিক পরিবর্তন (pH এর আগে পর্যন্ত)
ফিজিক্স- কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা
সব ক্লাসের রেকর্ড, সব এক্সামের লিংক গ্রুপে সাজানো থাকবে ✅
🌻 ডেমো ক্লাস:
১) জীববিজ্ঞান - Click here
২) রসায়ন - Click here
৩) পদার্থবিজ্ঞান - Click here
উত্তরঃ
বোটানি- উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব (প্রস্বেদন পর্যন্ত)
জুলোজি- রক্ত ও সঞ্চালন (হৃৎপিণ্ডের আগে পর্যন্ত)
কেমিস্ট্রি- রাসায়নিক পরিবর্তন (pH এর আগে পর্যন্ত)
ফিজিক্স- কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা
সব ক্লাসের রেকর্ড, সব এক্সামের লিংক গ্রুপে সাজানো থাকবে ✅
🌻 ডেমো ক্লাস:
১) জীববিজ্ঞান - Click here
২) রসায়ন - Click here
৩) পদার্থবিজ্ঞান - Click here
❤18🔥2🥰2
২০১৯ সালে যখন কোচিংয়ে ভর্তি হই কোচিং ফি ছিল ১৯০০০/-
কোচিংয়ের ফ্রি এক্সামে ফার্স্ট হওয়ায় + সেন্ট্রাল মেরিটে ৮ম হওয়ায় ভাইয়ারা কোর্স ফি ৫ হাজার মওকুফ করলেন।
১৪০০০/- ও তখন আমার জন্য এক মুঠোতে অনেক বড় এমাউন্ট।
ভাইদের বলে, ধারদেনা করে ৩০০০/- দিয়ে ভর্তি হলাম এই শর্তে যে মাসে মাসে ১/২ হাজার করে দিবো
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম কাটার আগে লাস্ট ২০০০/- শোধ করেছিলাম।
প্রতিটা টাকা ছিল কষ্টের টাকা, তাই পড়াটাও সেভাবেই পড়েছি। টাকা না থাকলে, টাকার অভাবে ভালো কোচিংয়ে ভর্তি হতে না পারলে কেমন ফীল হয় আমি জানি।
তাই আমি কখনো আমার স্টুডেন্টদের ভর্তি টাকার জন্য আটকে রাখিনি। ৪০০০/- কোর্স ১৫০০/- পেমেন্ট নিয়ে বাকি ২৫০০/- মান্থলি ৫০০/১০০০ করে পেমেন্ট করতে বলেছি, তাও যেন পড়া টা হয়!
কারো আর্থিক সমস্যায় নির্দ্বিধায় ভাইয়াকে নক করবা। মনে করবা ভাইয়াও তোমার মতোই ছিল, নামমাত্র পেমেন্টে ভর্তি হয়ে যাবা, বাকিটা পরে একসময় শোধ করে দিয়ো
আমার ক্ষেত্রে আমার কোচিংয়ের ভাইয়া বা তোমার ক্ষেত্রে আমি; সবাই-ই উছিলা, দেওয়ার মালিক আল্লাহ তায়ালা।
কোচিংয়ের ফ্রি এক্সামে ফার্স্ট হওয়ায় + সেন্ট্রাল মেরিটে ৮ম হওয়ায় ভাইয়ারা কোর্স ফি ৫ হাজার মওকুফ করলেন।
১৪০০০/- ও তখন আমার জন্য এক মুঠোতে অনেক বড় এমাউন্ট।
ভাইদের বলে, ধারদেনা করে ৩০০০/- দিয়ে ভর্তি হলাম এই শর্তে যে মাসে মাসে ১/২ হাজার করে দিবো
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম কাটার আগে লাস্ট ২০০০/- শোধ করেছিলাম।
প্রতিটা টাকা ছিল কষ্টের টাকা, তাই পড়াটাও সেভাবেই পড়েছি। টাকা না থাকলে, টাকার অভাবে ভালো কোচিংয়ে ভর্তি হতে না পারলে কেমন ফীল হয় আমি জানি।
তাই আমি কখনো আমার স্টুডেন্টদের ভর্তি টাকার জন্য আটকে রাখিনি। ৪০০০/- কোর্স ১৫০০/- পেমেন্ট নিয়ে বাকি ২৫০০/- মান্থলি ৫০০/১০০০ করে পেমেন্ট করতে বলেছি, তাও যেন পড়া টা হয়!
কারো আর্থিক সমস্যায় নির্দ্বিধায় ভাইয়াকে নক করবা। মনে করবা ভাইয়াও তোমার মতোই ছিল, নামমাত্র পেমেন্টে ভর্তি হয়ে যাবা, বাকিটা পরে একসময় শোধ করে দিয়ো
আমার ক্ষেত্রে আমার কোচিংয়ের ভাইয়া বা তোমার ক্ষেত্রে আমি; সবাই-ই উছিলা, দেওয়ার মালিক আল্লাহ তায়ালা।
❤63💯9❤🔥4😢3🔥2🥰2
Forwarded from Chemistry BEE by SABAS (সারোয়ার জাহান শাওন)
#SABAS_contents
#Chemistry
📝Content-26
টপিকঃ শিখা পরীক্ষা (গুণগত রসায়ন)
📌 শিখা পরীক্ষায় HCl ব্যবহৃত হয়
📌 মৌল - খালি চোখে বর্ণ - ব্লু গ্লাস দিয়ে বর্ণ
১) Na - সোনালী হলুদ - বর্ণহীন
ট্রিকঃ সোনালীর না তে Na
আরেকটা পড়া,
যেহেতু খালি চোখে সোনালী হলুদ বর্ণ ব্লু গ্লাসে বর্ণহীন, তাই বলা যায় ব্লু গ্লাস সোনালী হলুদ বর্ণ সম্পূর্ণ রূপে শোষণ করতে পারে ✅
২) K - হালকা বেগুনী - গোলাপী লাল
৩) Ca - ইটের ন্যায় লাল - হালকা সবুজ
ট্রিটঃ ক্যালসিয়ামের ল তে লাল।
৪) Ba - হলুদাভ সবুজ/আপেলের মতো সবুজ - নীলাভ সবুজ
৫) Cu - নীলাভ সবুজ
ট্রিকঃ বইয়ের যেখানেই কপার পাবা, সেখানেই নীল হবে ✅
৬) Pb - হালকা নীল
ট্রিকঃ Pb এর B তে Blue
৭) Rb - লালচে বেগুনী
ট্রিকঃ Rb এর R তে Red, B তে বেগুনী ✅
৮) Cs - নীল
৯) Be, Mg - কোনো বর্ণ দেয় না ❌
© SABAS
© ShaonVaiya
#Chemistry
📝Content-26
টপিকঃ শিখা পরীক্ষা (গুণগত রসায়ন)
📌 শিখা পরীক্ষায় HCl ব্যবহৃত হয়
📌 মৌল - খালি চোখে বর্ণ - ব্লু গ্লাস দিয়ে বর্ণ
১) Na - সোনালী হলুদ - বর্ণহীন
ট্রিকঃ সোনালীর না তে Na
আরেকটা পড়া,
যেহেতু খালি চোখে সোনালী হলুদ বর্ণ ব্লু গ্লাসে বর্ণহীন, তাই বলা যায় ব্লু গ্লাস সোনালী হলুদ বর্ণ সম্পূর্ণ রূপে শোষণ করতে পারে ✅
২) K - হালকা বেগুনী - গোলাপী লাল
৩) Ca - ইটের ন্যায় লাল - হালকা সবুজ
ট্রিটঃ ক্যালসিয়ামের ল তে লাল।
৪) Ba - হলুদাভ সবুজ/আপেলের মতো সবুজ - নীলাভ সবুজ
৫) Cu - নীলাভ সবুজ
ট্রিকঃ বইয়ের যেখানেই কপার পাবা, সেখানেই নীল হবে ✅
৬) Pb - হালকা নীল
ট্রিকঃ Pb এর B তে Blue
৭) Rb - লালচে বেগুনী
ট্রিকঃ Rb এর R তে Red, B তে বেগুনী ✅
৮) Cs - নীল
৯) Be, Mg - কোনো বর্ণ দেয় না ❌
© SABAS
© ShaonVaiya
🔥9❤4
Forwarded from Chemistry BEE by SABAS (সারোয়ার জাহান শাওন)
#SABAS_contents
#Chemistry
📝Content-27
টপিকঃ প্রভাবক (রাসায়নিক পরিবর্তন)
📌 ধনাত্মক প্রভাবক
- MnO₂ (পটাসিয়াম ক্লোরেট থেকে O₂ গ্যাস প্রস্তুতিতে)
- খনিজ এসিড (চিনির আর্দ্র বিশ্লেষণে)
📌 ঋণাত্মক প্রভাবক
- ফসফোরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, গ্লিসারিন (H₂O₂ এর বিয়োজন হ্রাসে)
- ইথানল (ক্লোরোফর্ম থেকে বিষাক্ত ফসজিন গ্যাস উৎপাদনে)
- অ্যানিসোল (বনস্পতি ঘি ও ভোজ্য তেলের পচন রোধে)
- সোডিয়াম বেনজোয়েট (বীজ সংরক্ষণে)
- গ্লিসারিন (সোডিয়াম সালফাইটের জারণে)
📌 অটো/স্ব প্রভাবক
- Mn²⁺
📌 আবিষ্ট প্রভাবক
- সোডিয়াম সালফাইট
📌 বিভিন্ন বিক্রিয়ায় প্রভাবক
১) লেড প্রকোষ্ঠ পদ্ধতিতে H₂SO₄ উৎপাদন
প্রভাবকঃ NO
২) স্পর্শ পদ্ধতিতে H₂SO₄ উৎপাদন
প্রভাবকঃ Pt, V₂O₅
৩) ডালডা ঘি বা মার্জারিন উৎপাদন
প্রভাবকঃ Ni, Pt
৪) ইথান্যাল বাষ্পের বিয়োজন
প্রভাবকঃ আয়োডিন বাষ্প
৫) অসওয়াল্ড পদ্ধতিতে HNO₃ উৎপাদন
প্রভাবকঃ Pt, Rh
৬) হেবার বস পদ্ধতিতে NH₃ উৎপাদনে
প্রভাবকঃ Fe
প্রভাবক সহায়কঃ Mo, 12,13,14,19 এর অক্সাইড। অর্থাৎ, MgO, Al₂O₃, SiO₂, K₂O
৭) স্টিম অ্যালকেন রিফর্মিং পদ্ধতিতে H₂ সংশ্লেষণ
প্রভাবকঃ Ni
📌 প্রভাবক বিষ
- ধুলাবালি
- সালফার গুঁড়া
- আর্সেনিক অক্সাইড (আর্সেনিক মানেই বিষ। একে প্রাকৃতিক বিষের রাজা বলা হয়)
© SABAS
© ShaonVaiya
#Chemistry
📝Content-27
টপিকঃ প্রভাবক (রাসায়নিক পরিবর্তন)
📌 ধনাত্মক প্রভাবক
- MnO₂ (পটাসিয়াম ক্লোরেট থেকে O₂ গ্যাস প্রস্তুতিতে)
- খনিজ এসিড (চিনির আর্দ্র বিশ্লেষণে)
📌 ঋণাত্মক প্রভাবক
- ফসফোরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, গ্লিসারিন (H₂O₂ এর বিয়োজন হ্রাসে)
- ইথানল (ক্লোরোফর্ম থেকে বিষাক্ত ফসজিন গ্যাস উৎপাদনে)
- অ্যানিসোল (বনস্পতি ঘি ও ভোজ্য তেলের পচন রোধে)
- সোডিয়াম বেনজোয়েট (বীজ সংরক্ষণে)
- গ্লিসারিন (সোডিয়াম সালফাইটের জারণে)
📌 অটো/স্ব প্রভাবক
- Mn²⁺
📌 আবিষ্ট প্রভাবক
- সোডিয়াম সালফাইট
📌 বিভিন্ন বিক্রিয়ায় প্রভাবক
১) লেড প্রকোষ্ঠ পদ্ধতিতে H₂SO₄ উৎপাদন
প্রভাবকঃ NO
২) স্পর্শ পদ্ধতিতে H₂SO₄ উৎপাদন
প্রভাবকঃ Pt, V₂O₅
৩) ডালডা ঘি বা মার্জারিন উৎপাদন
প্রভাবকঃ Ni, Pt
৪) ইথান্যাল বাষ্পের বিয়োজন
প্রভাবকঃ আয়োডিন বাষ্প
৫) অসওয়াল্ড পদ্ধতিতে HNO₃ উৎপাদন
প্রভাবকঃ Pt, Rh
৬) হেবার বস পদ্ধতিতে NH₃ উৎপাদনে
প্রভাবকঃ Fe
প্রভাবক সহায়কঃ Mo, 12,13,14,19 এর অক্সাইড। অর্থাৎ, MgO, Al₂O₃, SiO₂, K₂O
৭) স্টিম অ্যালকেন রিফর্মিং পদ্ধতিতে H₂ সংশ্লেষণ
প্রভাবকঃ Ni
📌 প্রভাবক বিষ
- ধুলাবালি
- সালফার গুঁড়া
- আর্সেনিক অক্সাইড (আর্সেনিক মানেই বিষ। একে প্রাকৃতিক বিষের রাজা বলা হয়)
© SABAS
© ShaonVaiya
👌4❤2
🎓 রাবিতে বিগত ১০ বছরে যে যে টপিকগুলো থেকে প্রশ্ন এসেছে, সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর কন্টেন্ট দিচ্ছি ✅
কন্টেন্ট দেওয়া হবে এই চ্যানেলগুলোতে-
১) Biology BEE
২) Chemistry BEE
৩) Physics BEE
কন্টেন্ট দেওয়া হবে এই চ্যানেলগুলোতে-
১) Biology BEE
২) Chemistry BEE
৩) Physics BEE
Telegram
Chemistry BEE by SABAS
আমাদের সকল গ্রুপ ও চ্যানেলঃ
https://t.me/SABASAdmission/4966
মেন্টরঃ
👤 সারোয়ার জাহান শাওন
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ('২১)
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ('২০)
👤 গোলাম মহিউদ্দিন সিদ্দিকি
মাগুড়া মেডিকেল কলেজ
https://t.me/SABASAdmission/4966
মেন্টরঃ
👤 সারোয়ার জাহান শাওন
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ('২১)
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ('২০)
👤 গোলাম মহিউদ্দিন সিদ্দিকি
মাগুড়া মেডিকেল কলেজ
🔥5❤2👌1🕊1
Forwarded from Premium PDF House 2.0
দাগানো_বই_রক্ত_ও_সংবহন_আলিম_স্যার_1st_half.pdf
4.6 MB
দাগানো বই - রক্ত ও সংবহন [1st half]
🌻 আলিম স্যার
🌻 আলিম স্যার
❤11
Premium PDF House 2.0
দাগানো_বই_রক্ত_ও_সংবহন_আলিম_স্যার_1st_half.pdf
মেডিকেল এডমিশন ব্যাচে আলিম স্যারের জুলোজি দাগানো বই ও পাবা
এটা ডেমো দাগানো বই, দেখে নাও সবাই 😊
এটা ডেমো দাগানো বই, দেখে নাও সবাই 😊
❤11
ফেসবুকের বড় বড় গ্রুপে আলিম স্যারের দাগানো বই শুধুমাত্র পেইড ব্যাচে দেওয়া হয় (বোটানি + জুলোজি)
এমনকি, পেইড ব্যাচে আলিম স্যারের দাগানো বই দেওয়া হচ্ছে এটা দেখিয়ে মার্কেটিং ও করা হয়!
সাবাশ সেখানে আলিম স্যারের বোটানি দাগানো বই সম্পূর্ণ পাবলিক করে দিয়েছে। তবে, পেইড ব্যাচের জন্য কিছু তো অবশ্যই রাখতে হবে, নাহলে স্টুডেন্টরা ৪০০০/- দিয়ে কেন ভর্তি হবে/হলো, তাইনা?
এজন্য, জুলোজি আলিম স্যারের দাগানো বই শুধুমাত্র পেইড ব্যাচের জন্য সংরক্ষিত, এটা ফ্রি-তে চাইলেও দেওয়া সম্ভব না।
তোমরা এখানে যারা আছো ম্যাক্সিমাম ১৮/২০ হাজার টাকা দিয়ে কোচিংয়ে ভর্তি হবা, এটা আমিও জানি তোমরাও জানো। সেখানে আলিম স্যারের একটা পত্র দেয় কিনা দেইখো তো 😊 অথচ, আমার ব্যাচে বই তো আছেই, ক্লাস সহ আছে 😊
এমনকি, পেইড ব্যাচে আলিম স্যারের দাগানো বই দেওয়া হচ্ছে এটা দেখিয়ে মার্কেটিং ও করা হয়!
সাবাশ সেখানে আলিম স্যারের বোটানি দাগানো বই সম্পূর্ণ পাবলিক করে দিয়েছে। তবে, পেইড ব্যাচের জন্য কিছু তো অবশ্যই রাখতে হবে, নাহলে স্টুডেন্টরা ৪০০০/- দিয়ে কেন ভর্তি হবে/হলো, তাইনা?
এজন্য, জুলোজি আলিম স্যারের দাগানো বই শুধুমাত্র পেইড ব্যাচের জন্য সংরক্ষিত, এটা ফ্রি-তে চাইলেও দেওয়া সম্ভব না।
তোমরা এখানে যারা আছো ম্যাক্সিমাম ১৮/২০ হাজার টাকা দিয়ে কোচিংয়ে ভর্তি হবা, এটা আমিও জানি তোমরাও জানো। সেখানে আলিম স্যারের একটা পত্র দেয় কিনা দেইখো তো 😊 অথচ, আমার ব্যাচে বই তো আছেই, ক্লাস সহ আছে 😊
❤39❤🔥7🥰4🏆4🔥2🎉1🕊1
Forwarded from Biology BEE by SABAS (সারোয়ার জাহান শাওন)
ওরে পন্ডিত! মাত্র ১৫০ সীটে ৪ হাজার টাকায় ১৩০+ ক্লাস, ১০০+ এক্সাম, ডেইলি গাইডলাইন, হাজার হাজার ঘন্টা মেন্টরিং, প্রবলেম সল্ভিং বিজনেস মনে হয় রে!!!
তোমার জন্য ২০ হাজার টাকার ব্যাচই সেরা, ওইটা বিজনেস না, ওখানে যাও।
তোমার জন্য ২০ হাজার টাকার ব্যাচই সেরা, ওইটা বিজনেস না, ওখানে যাও।
😢50💯7🐳1
Forwarded from Chemistry BEE by SABAS (সারোয়ার জাহান শাওন)
Forwarded from Chemistry BEE by SABAS (সারোয়ার জাহান শাওন)
#SABAS_contents
#Chemistry
📝Content-28
টপিকঃ ডাইপোল মোমেন্ট
ডাইপোল এবং ডাইপোল মোমেন্ট
📌 প্রথমে বুঝতে হবে, তড়িৎ ঋণাত্মকতা কি?
- সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ একটা পরমাণুর শেয়ারকৃত ইলেকট্রনকে নিজের দিকে টানার ক্ষমতাই হল তড়িৎ ঋণাত্মকতা! অর্থাৎ, কোন একটা বন্ধন যদি ২ টা ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু দিয়ে তৈরি হয় তাহলে যেই পরমাণু বেশি তড়িৎ ঋণাত্মক শেয়ারকৃত ইলেকট্রনজোড়ের খেয়াল ওই পরমাণুর দিকে থাকবে।
মানে তখন অণুটা 100% পিউর সমযোজী থাকবে না, কিছুটা বিকৃতি ঘটবে।
আর যেই পরমাণু অধিক তড়িৎ ঋণাত্মক ওই পরমাণুর উপর আংশিক ঋণাত্মক চার্জ আর যেইটা কম তড়িৎ ঋণাত্মক (মানে বেশি তড়িৎ ধনাত্মক!) ওইটার উপর আংশিক ধনাত্মক চার্জ তৈরি হবে। অর্থাৎ, অণুটার অবস্থা দাঁড়াবে চিত্রের মত।
এই উদাহরণে H ও F পরমাণু সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ। F এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা H এর চেয়ে বেশি। তাই বন্ধনের শেয়ারকৃত ইলেকট্রন F এর দিকে বেশি ঝুঁকে থাকবে বিধায় F এর উপর আংশিক ঋণাত্মক (-δ), আর H এর উপর আংশিক ধনাত্মক (+δ) চার্জ সৃষ্টি হয়েছে।
কিন্তু এইযে ইলেকট্রনের uneven distribution, আর এই কারণে যেই অণুটা তৈরি (ঠিক ভাবে বললে যেই বন্ধনটা) হল এই অণুটা (বা বন্ধনটা) কেই বলা হয় ডাইপোল অনু (বা ডাইপোল বন্ধন!)।
📌 এইবার আসা যাক পরবর্তী ধাপে।
ডাইপোল বন্ধন আর ডাইপোল অণু। এই ২ টার মধ্যে আসলে পার্থক্য কোথায়? আর কখনই বা আমরা “ডাইপোল বন্ধন” আর “ডাইপোল অণু” শব্দগুলা use করব?
উত্তর খুব সোজা। যখন আমরা একটা বন্ধন নিয়ে চিন্তা করছি তখন আমরা বলব ডাইপোল বন্ধন আর যখন আমরা একটা সম্পূর্ণ অনুর কথা বলছি তখন আমরা বলব ডাইপোল অণু (যদি তার লদ্ধি ডাইপোল মোমেন্ট থেকে থাকে তাইলে, নতুবা তাকে ডাইপোল বলা যাবে না!)।
একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা ক্লিয়ার করার চেষ্টা করি। ধরো আমাদের কাছে একটা অণু আছে যেটা ২ টা পরমাণু নিয়ে গঠিত H আর F। F এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা H এর চেয়ে বেশি। তাহলে F এর উপর হবে আংশিক ঋণাত্মক (-δ) আর H এর উপর হবে আংশিক ধনাত্মক (+δ) চার্জ। তাহলে H-F বন্ধনটা হল একটা ডাইপোল বন্ধন। কিন্তু যেহেতু পুরা যৌগতে এই একটা বন্ধনই বিদ্যমান তাহলে এই যৌগের ডাইপোল বন্ধন আর পুরা অণুর ডাইপোল আসলে একই জিনিস!
কিন্তু ধরো আরেকটা অণু আছে CO2 । এইখানে ২ টা C=O বন্ধন আছে। আর ২ টা “বন্ধন”ই পোলার বা ডাইপোল বন্ধন। কিন্তু তারপরও CO2 অণুটা কিন্তু ডাইপোল অণু না!
কারণ এই ২ টা বন্ধনেরই একই মানের ডাইপোল বন্ধন (যেহেতু ২ টা বন্ধনই সেম C=O বন্ধন) বিপরীত দিকে কাজ করায় এরা একে অপরকে cancel করে দেয়। তাই সমগ্র অণুর কোন ডাইপোল (বা ডাইপোল মোমেন্ট) থাকে না।
অর্থাৎ CO2 এর প্রত্যেকটা বন্ধন ডাইপোল হলেও অণুটা ডাইপোল না!
📌 এইবার আরেকটু ভিতরের কথায় আসি। এইযে ডাইপোল, এইটাকে মাপা হয় কিভাবে? যেমন দৈর্ঘ্য মাপা হয় m এককে। ঠিক এরকমই ডাইপোলের তীব্রতা মাপা হয় যেই রাশি দিয়ে তার নাম হল ডাইপোল মোমেন্ট!
ডাইপোল মোমেন্ট একটা ভেক্টর রাশি আর এর দিক হল ডাইপোলের ধনাত্মক প্রান্ত থেকে ঋণাত্মক প্রান্তের দিকে। আমাদের HF অণুর ডাইপোল মোমেন্ট হল H থেকে F এর দিকে।
কেমিস্ট্রিতে অণুর ডাইপোল মোমেন্টের একক হল D (debyes)।
1D = 3.33 × 10⁻³⁰ C.m
© SABAS
© ShaonVaiya
#Chemistry
📝Content-28
টপিকঃ ডাইপোল মোমেন্ট
ডাইপোল এবং ডাইপোল মোমেন্ট
📌 প্রথমে বুঝতে হবে, তড়িৎ ঋণাত্মকতা কি?
- সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ একটা পরমাণুর শেয়ারকৃত ইলেকট্রনকে নিজের দিকে টানার ক্ষমতাই হল তড়িৎ ঋণাত্মকতা! অর্থাৎ, কোন একটা বন্ধন যদি ২ টা ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু দিয়ে তৈরি হয় তাহলে যেই পরমাণু বেশি তড়িৎ ঋণাত্মক শেয়ারকৃত ইলেকট্রনজোড়ের খেয়াল ওই পরমাণুর দিকে থাকবে।
মানে তখন অণুটা 100% পিউর সমযোজী থাকবে না, কিছুটা বিকৃতি ঘটবে।
আর যেই পরমাণু অধিক তড়িৎ ঋণাত্মক ওই পরমাণুর উপর আংশিক ঋণাত্মক চার্জ আর যেইটা কম তড়িৎ ঋণাত্মক (মানে বেশি তড়িৎ ধনাত্মক!) ওইটার উপর আংশিক ধনাত্মক চার্জ তৈরি হবে। অর্থাৎ, অণুটার অবস্থা দাঁড়াবে চিত্রের মত।
এই উদাহরণে H ও F পরমাণু সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ। F এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা H এর চেয়ে বেশি। তাই বন্ধনের শেয়ারকৃত ইলেকট্রন F এর দিকে বেশি ঝুঁকে থাকবে বিধায় F এর উপর আংশিক ঋণাত্মক (-δ), আর H এর উপর আংশিক ধনাত্মক (+δ) চার্জ সৃষ্টি হয়েছে।
কিন্তু এইযে ইলেকট্রনের uneven distribution, আর এই কারণে যেই অণুটা তৈরি (ঠিক ভাবে বললে যেই বন্ধনটা) হল এই অণুটা (বা বন্ধনটা) কেই বলা হয় ডাইপোল অনু (বা ডাইপোল বন্ধন!)।
📌 এইবার আসা যাক পরবর্তী ধাপে।
ডাইপোল বন্ধন আর ডাইপোল অণু। এই ২ টার মধ্যে আসলে পার্থক্য কোথায়? আর কখনই বা আমরা “ডাইপোল বন্ধন” আর “ডাইপোল অণু” শব্দগুলা use করব?
উত্তর খুব সোজা। যখন আমরা একটা বন্ধন নিয়ে চিন্তা করছি তখন আমরা বলব ডাইপোল বন্ধন আর যখন আমরা একটা সম্পূর্ণ অনুর কথা বলছি তখন আমরা বলব ডাইপোল অণু (যদি তার লদ্ধি ডাইপোল মোমেন্ট থেকে থাকে তাইলে, নতুবা তাকে ডাইপোল বলা যাবে না!)।
একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা ক্লিয়ার করার চেষ্টা করি। ধরো আমাদের কাছে একটা অণু আছে যেটা ২ টা পরমাণু নিয়ে গঠিত H আর F। F এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা H এর চেয়ে বেশি। তাহলে F এর উপর হবে আংশিক ঋণাত্মক (-δ) আর H এর উপর হবে আংশিক ধনাত্মক (+δ) চার্জ। তাহলে H-F বন্ধনটা হল একটা ডাইপোল বন্ধন। কিন্তু যেহেতু পুরা যৌগতে এই একটা বন্ধনই বিদ্যমান তাহলে এই যৌগের ডাইপোল বন্ধন আর পুরা অণুর ডাইপোল আসলে একই জিনিস!
কিন্তু ধরো আরেকটা অণু আছে CO2 । এইখানে ২ টা C=O বন্ধন আছে। আর ২ টা “বন্ধন”ই পোলার বা ডাইপোল বন্ধন। কিন্তু তারপরও CO2 অণুটা কিন্তু ডাইপোল অণু না!
কারণ এই ২ টা বন্ধনেরই একই মানের ডাইপোল বন্ধন (যেহেতু ২ টা বন্ধনই সেম C=O বন্ধন) বিপরীত দিকে কাজ করায় এরা একে অপরকে cancel করে দেয়। তাই সমগ্র অণুর কোন ডাইপোল (বা ডাইপোল মোমেন্ট) থাকে না।
অর্থাৎ CO2 এর প্রত্যেকটা বন্ধন ডাইপোল হলেও অণুটা ডাইপোল না!
📌 এইবার আরেকটু ভিতরের কথায় আসি। এইযে ডাইপোল, এইটাকে মাপা হয় কিভাবে? যেমন দৈর্ঘ্য মাপা হয় m এককে। ঠিক এরকমই ডাইপোলের তীব্রতা মাপা হয় যেই রাশি দিয়ে তার নাম হল ডাইপোল মোমেন্ট!
ডাইপোল মোমেন্ট একটা ভেক্টর রাশি আর এর দিক হল ডাইপোলের ধনাত্মক প্রান্ত থেকে ঋণাত্মক প্রান্তের দিকে। আমাদের HF অণুর ডাইপোল মোমেন্ট হল H থেকে F এর দিকে।
কেমিস্ট্রিতে অণুর ডাইপোল মোমেন্টের একক হল D (debyes)।
1D = 3.33 × 10⁻³⁰ C.m
© SABAS
© ShaonVaiya
🥰3❤1🔥1