Redwan Rawaha
850 subscribers
471 photos
157 videos
8 files
455 links
লেখালেখি কলমের যতো আয়োজন
তা দিয়ে হই যেনো প্রভুর প্রিয়জন
Download Telegram
পার্থ গতকাল বলেছে জিয়া পরিবার নাকি গনতন্ত্রের ধারক ও বাহক অথচ ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে যখন গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছিলো, তখন সবার আগে গনতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে বিএনপি এবং বেগম জিয়া।

মাগুরার উপইলেকশনে বেগম জিয়া দেখিয়ে দিয়েছিলেন গনতন্ত্রকে কিভাবে ম্যানিপুলেট করতে হয়। জনগণের টাকা খরচ করে ৯৬এ একক নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিলো জিয়া পরিবার। সেটা সফল হয়নি বিরোধীদলের তীব্র আন্দোলনের কারণে।

এক সালে ক্ষমতায় এসেও বিচারপতির বয়স বৃদ্ধি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ম্যানিপুলেট করতে চেয়েছিলো এই জিয়া পরিবার।

জিয়া পরিবারকে আমরা ততটুকু সম্মান দিতে চাই যতটুকু সম্মান উনারা প্রাপ্য। শুধু শুধু অতিরঞ্জিত করে নিজেদের বার কমানোর মানে হয়না।

~মাহির আলম
🔥6
কৃতজ্ঞতার কৃপণতা

মানুষকে আমরা মাঝে মাঝে খুব অকৃতজ্ঞ মনে করি। তখন মনে হয়— এই মানুষটার জন্য এত কিছু করলাম, সে একটিবার “ধন্যবাদ” পর্যন্ত বলল না!

কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, সব মানুষ আসলে অকৃতজ্ঞ না। অনেক সময় আমাদের মনটাই একটু বেশি সংবেদনশীল হয়ে যায় আরকি!

তবে এটাও ঠিক, কারণ ছাড়া কোনো কিছু হঠাৎ করেই মনে হয় না, কিংবা সব সময় কিন্তু অযথাই আমাদের কোনো অনুভূতির জন্ম হয় না।

আমরা যখন কাউকে সময় দিই, শ্রম দিই, মেধা খাটাই; তখন অজান্তেই মনের ভেতর একটা ছোট্ট আশা তৈরি হয়। খুব বড়সড় কিছু না— শুধু ছোট্ট একটা স্বীকৃতি।

এই ছোট্ট জিনিসটা না পেলে মন খারাপ হয়। সত্যিই অনেক খারাপ হয়। মনে হয়— আমাদের এই কাজটির কোনো মূল্যই বুঝি নেই! সবটাই বুঝি বাতাসে মিলিয়ে গেল!

আসলে মানুষ ভীষণ অদ্ভুত। কেউ কেউ সহযোগিতাটাকে খুবই স্বাভাবিকভাবে নেয়। যেন এটা পাওয়াটাই তার অধিকার ছিল।

আবার কেউ কেউ এতটাই ব্যস্ত থাকে যে, ধন্যবাদ দেওয়ার কথাটাই মাথায় আসে না তাদের। কেউ কেউ হয়তো জানেই না— এই ছোট্ট শব্দটার কত্ত বড় মানে আছে।

তারপরও সত্যিটা তো খুবই সহজ— একটু কৃতজ্ঞতা, ছোট্ট একটি স্বীকৃতি মানুষকে ভীষণ খুশি করে। সম্পর্ককে দৃঢ় করে। পারস্পরিক দূরত্ব কমায়।

আপনি যদি কারো কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা নেন— সেটা ছোট হোক কিংবা বড়— তবে তাকে মন খুলে বলে ফেলুন, “ধন্যবাদ”। খুব কঠিন কিছু না তো।

আর যদি সেই সহযোগিতার বদৌলতে দৃশ্যমান কোনো ফল পান, ভালো কিছু ঘটে, তাহলে তাকে জানিয়ে দিন। মানুষ তার কাজের ফল দেখতে ভালোবাসে। এতে তার ভেতরে এক ধরনের শান্তি আসে।

কিছু জিনিস দেখানো যায়, কিছু যায় না। যেগুলো দেখানো যায়, সেগুলো দেখান। আর যেগুলো যায় না, সেগুলোর জন্য অন্তত দুটো কথা বলুন। যেগুলো প্রকাশযোগ্য, সেখানে আপনার পাশাপাশি তার ছোট্ট অবদানটির স্বীকৃতিও দিয়ে রাখুন।

সকল মানুষ আসলে সব সময় খুব বেশি কিছু চায় না। শুধু চায়— সে যে ছিল, সে যে কাজটি করেছে, সেটা কেউ মনে রাখুক। সেটা কেউ স্বীকৃতি দিক। তার কৃত সুন্দর কাজটি অন্যরাও জানুক।

নিজের সুন্দর এবং ভালো কাজ দেখতে কার না ভালো লাগে? ছোট্ট একটি স্বীকৃতি কার অন্তরে প্রফুল্লতার অনুরণন তুলবে না?

তাই স্বীকৃতি প্রদানে সংকীর্ণ হবেন না। কৃতজ্ঞতায় কৃপণ হবেন না। কারণ, এই ছোট্ট ব্যাপারটাই অনেক সময় আমাদের পারস্পরিক সামাজিক, পারিবারিক ও মানবিক সম্পর্কগুলো বাঁচিয়ে রাখে।

শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কই বাঁচিয়ে রাখে, তা না। বরং স্বীকৃতির সুষমায় সুশোভিত হলে পরে এক সময় মানুষ আপনার জন্য অনবরত অগণন কাজের ফাঁকে ডুবে থাকতেও ভুলবে না।

~রেদওয়ান রাওয়াহা
5
কাউকে যদি ঘৃণা করেন, কাউকে যদি আপনি অপছন্দ করেন, কাউকে যদি আপনার ভালো না লাগে, তখন দেখবেন— তার ভালো কথাও আপনার ভালো লাগবে না।

তার উপদেশ-অনুরোধ সবকিছুই বিষ বিষ মনে হবে। তার ভালো কাজও আপনার বিরক্ত লাগবে। তাকে হেয় করার, তাকে ছোটো করার, তাকে অপমান করার জন্য সব সময়ই আপনি উন্মুখ থাকবেন।

সে যা-কিছুই করবে, সবকিছুতেই আপনি দোষ খুঁজে বের করবেন। সে যা-কিছুই বলবে, সবকিছুতেই আপনি ভুল খুঁজে বেড়াবেন।

তাকে কেউ অপমান করলে, তাকে কেউ গালি দিলে, তাকে নিয়ে কেউ ট্রল-বিদ্রূপ করলে আপনি খুব এঞ্জয় করবেন। বিপুল আনন্দের তাড়নায় আপনি আলোড়িত হবেন।

তাকে হেরে যেতে দেখলে, তার ক্ষতি হতে দেখলে, তাকে অপমানিত হতে দেখলে, তাকে কেউ কটুকথা বলতে দেখলে; আপনার হৃদয়টা শীতল হয়ে যাবে। আপনার কলিজায় এত আনন্দ জাগবে, আপনার মনে এত প্রশান্তি আসবে— মনে হবে আসমানি সুকুনে আপনার কলিজটা পরিতৃপ্ত হচ্ছে!

অন্যদের যে কথাকে আপনি, "দারুণ ভাই"। এক্সিলেন্ট ভাই। সেই ভাই। সহমত ভাই ইত্যাদি বলে সাথে থাকতেন, এখানে কিন্তু আপনি সাথে তো থাকবেনই না; বরং উল্টো এখানে আপনি গালাগালি, নোংরামি, তুচ্ছতাচ্ছিল্যের জোয়ার বইয়ে দেবেন।

আবার অন্যদিকে, কাউকে যদি আপনি ভালোবাসেন, তখন দেখবেন তার প্রত্যেকটা কথা আপনার কাছে ভালো লাগবে। তার প্রত্যেকটা আচরণ আপনার কাছে অনন্য মনে হবে। তার প্রত্যেকটা ভুলের মধ্যেও আপনি ফুল খুঁজে নেবেন। তার সব-কটি কথা আপনার কাছে অমৃত মনে হবে।

এমনকি তার দোষে তাকে কেউ কটুকথা বললেও, আপনি তাকে মহৎ মানব হিসেবে উপস্থাপন করার মহা আয়োজন করবেন। তাকে যুগশ্রেষ্ঠ মানুষ, সমকালীন সমাজের আইকন হিসেবে ট্রিট করবেন।

তাকে কেউ ছোটো করতে দেখলে আপনি তাকে মারতেও যাবেন হয়তো। না মারলেও ঠিকই মন চাবে। তাকে কেউ গালি দিতে দেখলে তার জিভটা ছিড়ে ফেলতে ইচ্ছে হবে। তার প্রতি বিরূপ বক্তব্য দেওয়া ব্যক্তিদের দেখলে রাগে-ক্রোধে আপনার দাঁত কিলবিল করবে।

মূলত আমাদের সবার সবকিছুর মধ্যেই একটা ব্যক্তিগত-আদর্শিক এবং দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিও থাকে। আমরা মানুষকে সেই দৃষ্টিভঙ্গির আলোকেই বাচ-বিছার করে থাকি। সেই আলোকেই ভালোবাসি কিংবা ঘৃণা করি।

বিশ্বাস করেন আর নাই-বা করেন, আমরা আসলে কেউই এ থেকে মুক্ত নই। কেউ নই। হয়তো আপনি অস্বীকার করতে পারেন, কিন্তু আপনার এই অস্বীকার করার প্রবণতার কারণে বাস্তবতা মোটেও বদলাবে না।

~রেদওয়ান রাওয়াহা
#উপলব্ধি
🔥61
মানুষকে কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখিয়ে যদি আমরা ক্ষমতায় যাই, তাহলে কল্যাণ করতে না পারলে তারা আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে। আমাদেরকে টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেবে।

কিন্তু আমরা যেই আদর্শের প্রতি প্রতিশ্রুতিশীল, আমরা যদি মানুষকে স্রেফ ডাল-তেল, চাল-আলু না দিয়ে আমাদের আদর্শের আলোকে তৈরি করতে পারি, ঘরে ঘরে আলু-তেল পৌঁছে দেওয়ার জন্য যেই উদ্যোম, যেই চেষ্টা আমরা করি, সেটা যদি মানুষকে আমাদের আদর্শে দীক্ষিত করার জন্য করি, তাহলে এই মানুষগুলোই বিপদের সময় আমাদের জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।


আমরা সস্তা জনপ্রিয়তা চাই, কিন্তু আমরা দীর্ঘ মেয়াদি ফলাফল চাই না।

আমরা সাময়িক জনপ্রিয়তাকে সাফল্য মনে করি, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের অন্তর ও রুচি পরিবর্তন করার জন্য নিরন্তর সংগ্রামের পথ বেচে নেওয়াকে সম্ভবত ব্যর্থতা মনে করি।

আমরা মানুষকে দুইবেলা পেট ভরে ভাত খাওয়াবার ওয়াদা করি, কিন্তু দিনের পর দিন পেটে পাথর বেধে দ্বীনের বিধান জিন্দা রাখার জন্য জিহাদ করার মানসিকতা তৈরি করছি না।

ইসলামি হুকুমতের কথা বলে নিজেরা এই আন্দোলনে এলেও, মানুষকে ইসলামি হুকুমতের গুরুত্ব নিয়ে কোনো সভা-সেমিনার কিচ্ছু করছি না।

মানুষকে কেবল পেট ভরে ভাত খাওয়াবার ওয়াদা করে একটা আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা যায় না। একটা সভ্যতার ভিত নির্মাণ করা যায় না।

অথচ এই কাজগুলো ইরান, আফ গান এবং ফি লি স্তি নি নেতারা করতে পেরেছেন।

যার ফলে আফ গানের মানুষ দশকের পর দশক পরাশক্তিগুলোর সাথে খালি পেটে, অভাব অনটন নিয়েও জিহাদ করে যেতে পারে।

ইরান দশকের পর দশক অবরোধে আবদ্ধ থাকার পরেও শাসকদের পক্ষে মানবঢাল তৈরি করে রাজপথে দাঁড়িয়ে যায় যুবক-বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে।

অন্যদিকে ফিলি+স+তিনিরা তো দুনিয়ার সবচেয়ে বড়ো কারাগারে ভুখা-নাঙা থেকেও জায়োনবাদীদের সাথে জিহাদ থামিয়ে দিচ্ছে না।

যাই হোক, আমি এমন কিছু দাবি করছি না যে, জনগণকে আলু-ডাল, চাল-তেল কিংবা কল দিতে হবে না। কিংবা দেওয়া যাবে না।

এগুলো সবই দেওয়া যাবে, দেওয়া উচিতও। তবে আমাদের প্রায়োরিটি কিংবা দোড় শুধু এসব পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। মহৎ একটা উদ্দেশ্য না থাকলে এসব দিয়ে কস্মিনকালেও কোনো আদর্শকেই বাস্তবায়ন করা যাবে না।

জনগণকে যদি কেবল এটা বুঝানো হয়— আমরা ক্ষমতায় গেলে, তোমরা কেবল পেট ভরে ভাত খেতে পারবে। তাহলে ভাতের শর্ট পড়লে এই জনগণই আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে।

জনগণকে কীভাবে তৈরি করতে হয়, সেটার দৃষ্টান্ত আমাদের সামনে আজকের দুনিয়ায়ও আছে। আগেও কিছু বলেছি।

এখানেও একটা উদাহরণ দিই। যেমন, ইরানের শিয়া বিপ্লবের পর বিপ্লবের নেতা, আয়াতুল্লাহ খোমেনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, শহীদরা কেবল দুনিয়াবি স্বাচ্ছন্দ্য বা ভোগবিলাসের জন্য জীবন দেননি; তাদের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল (শিয়া) ইসলামকে বিজয়ী। একই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায় তালেবান নেতৃত্বের কাছ থেকেও। তারা দুইবার ক্ষমতায় এসেছে। ক্ষমতায় এসে তারা জানিয়েছে, "আমাদের প্রতিশ্রুতি মূলত শরিয়াহ বাস্তবায়ন করা, আমরা সেটা বাস্তবায়ন করতে পারব। কিন্তু সব ধরনের অর্থনৈতিক চাহিদা পূরণের নিশ্চয়তা দিতে পারব না।"

বাস্তবেই তো তা সম্ভব না। তাই, জনগণকে বাস্তবতা না বুঝিয়ে কেবল কল্যাণ রাষ্ট্রের আশ্বাস দিয়ে ক্ষমতায় এলে পরে জটিলতা তৈরি হবেই। কারণ, যখনই শরিয়তের কোনো নীতিমালা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে, তখন সামান্য অর্থনৈতিক সংকট বা বাইরের চাপ এলেই মানুষ অসন্তুষ্ট হয়ে উঠবে। হুকুমতের প্রতি বিদ্রোহ করবে। তাই মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটিকে প্রধান লক্ষ্য না ধরে, তাদেরকে একটি আদর্শভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তুত ও উদ্বুদ্ধ করাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

প্রশ্ন হলো, লিবারেল ডেমোক্রেসি করতে করতে আমরা কি সেটাকে যথেষ্ট পরিমাণ গুরুত্ব দিচ্ছি?


~রেদওয়ান রাওয়াহা
🔥4👍21
কী ভয়ংকর!

২/৩ মাসের প্রেগনেন্সি গোপন করেই বিয়ে বসেছিলো বাচ্চার মা।

পরবর্তীতে বাচ্চা হওয়ার পর মা এবং মায়ের নতুন স্বামী (বাচ্চার বাবা নয়) দুজনে মিলে গলায় ব্লেড দিয়ে জবাই করে পাশের পুকুরে ফেলে দেয় বাচ্চাটিকে।

পুলিশ দুজনকেই গ্রেফতার করছে।
😢6
প্রথম বিয়েই সবার ওপর সমভাবে বাধ্যতামূলক নয়। শারীরিক, আর্থিক ও মানসিক সুস্থতা বিবেচনায় ব্যক্তিভেদে হুকুম পরিবর্তন হয়।

আঞ্চলিক ভিন্নতা, লাইফস্টাইল এবং জনপদের প্রচলিত খাদ্যাভ্যাস পুরুষ-মহিলার শারীরিক গঠন, জৈবিক চাহিদা ও মনস্তত্ত্বে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। সেকারণে মধ্যপ্রাচ্যের পুরুষের সক্ষমতা গাজীপুর-ময়মনসিংহে বসবাসরত পুরুষের অর্জন করা অত্যন্ত টাফ।

মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে প্রচলিত ধারার সাথে এরা ধীরেধীরে খাপেখাপে মিলে যায়। এই মিলনের পর যখন ব্যতিক্রম দেখতে পায় তখন তারা শকড হয়। উত্তেজিত হয়ে তা ভেঙে পুরনো বন্ধনে ফিরতে হয় উদগ্রীব। এক্ষেত্রে শরীয়াহ নমনীয় অবস্থান বজায় রাখে। শরীয়াহর নীতি হল, যদি সমাজে প্রচলিত কোনো অভ্যাস বা চর্চিত বিষয় ইসলামী ধারার সাথে সাংঘর্ষিক না হয় তাহলে সেগুলো এক অভিযানে ভেঙে না ফেলে কৌশলগত পরিকল্পনা ও বুদ্ধিবৃত্তিক দাওয়াতের মাধ্যমে অল্প অল্প পরিবর্তন করা। উরুফ ভেঙে ফেললে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই হয় বেশি।

শরীয়াহর নীতি অনুযায়ী পুরুষদের জন্য বিশেষ শর্তসাপেক্ষে চারটি বিয়ে পর্যন্ত বৈধ। কুরআন স্পষ্টভাবে সমতা বা আদল বজায় রাখার শর্ত দিয়েছে। তবে ইসলামে দ্বিতীয় বিবাহকে একটি 'অনুমতি' হিসেবে রাখা হয়েছে। এটিকে এমন কোনো 'আবশ্যকীয় সুন্নাহ' বা 'ওয়াজিব' করা হয়নি যা সমাজে গণহারে প্রচার বা ক্যাম্পেইন করতে হবে। শরীয়াহর মেজাজ হলো, এটি প্রয়োজনের ভিত্তিতে ব্যবহৃত হবে, শখের বশবর্তী হয়ে বা অন্যের অধিকার নষ্ট করে নয়।

এবার সামাজিক উরুফের দিকে একটু তাকান। আপনি যে মহিলাকে বিয়ে করলেন তার পারিবারিক দূর অতীতের ইতিহাসেও কেউ দ্বিতীয় বিবাহ করে নি। তার মা, খালা, ফুফু, বোন কারোরই এই অভিজ্ঞতা নেই। সে জেনেই এসেছে যে, জামাই তার একার। জামাইয়ের পাশে অন্যকোনো নারীকে সতীন হিসেবে দেখার কল্পনাও তাকে বিমর্ষ করে তোলে। তীব্র শীতের দিনেও সে ঘেমে যায় মানসিক অস্থিরতায়।

এমন প্রেক্ষাপটে যেখানে একটি বিয়ের পর দ্বিতীয় বিয়ে করলে প্রথম স্ত্রীর ওপর বড় ধরনের মানসিক ও সামাজিক বিপর্যয় নেমে আসে, সেখানে একে ঢালাওভাবে প্রচার করা কতটুকু কল্যাণকর তা ভাববার বিষয়। ফিকহ শাস্ত্রের একটি মূলনীতি হলো—"ক্ষতি দূর করা উপকার অর্জনের চেয়ে অগ্রাধিকার পায়" (دَرْءُ الْمَفَاسِدِ مُقَدَّمٌ عَلَى جَلْبِ الْمَصَالِحِ)

যদি ক্যাম্পেইনের ফলে পরিবারে অশান্তি, বিবাহবিচ্ছেদ এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, তবে এমন ক্যাম্পেইন শরীয়াহর 'মাকাসিদ' বা উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না। কারণ এরদ্বারা শর'ঈর সীমার ভেতর مصالح العباد অর্জিত হয় না।

মহিলারা সাধারণত জামাইয়ের ভাগ কাউকে দিতে চায় না। এটা তাদের মৌলিক ফিতরাত। এতে তেমন সমস্যা নেই। শরীয়াহতে ছাড় আছে। কিন্তু তাদের এই সাধারণ ফিতরাতই পুরুষের অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের কারণে কুফরিতে রূপান্তরিত হতে পারে। বৈধ বিধানের প্রতি তাদের এমন বিদ্বেষ বা শব্দচয়ন হতে পারে যা তাদেরকে প্রকারান্তরে ঈমান থেকেই ছিটকে ফেলে দেবে। অথচ আপনার দ্বিতীয় বিয়ের চেয়ে প্রথম স্ত্রীর আধ্যাত্মিকতা ঠিক রাখার চেষ্টা এবং আল্লাহর বিধিবিধানের ওপর শতভাগ আস্থা অর্জনে কৌশলী হওয়া অতীব জরুরি।

উপর্যুক্ত সামগ্রিক দিক বিবেচনায় এই দেশে মাসনার "পাখি ভাই বা IMB"-এর মতো ব্রোকার প্রতিষ্ঠানের দরকার পড়ে না। একেবারেই শরীয়াহর মেজাজের বাইরে গিয়ে নিজস্ব সীমাবদ্ধ বোঝ থেকে দাঁড়ানো এসব প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের ফাঁকফোকর ভেদ করে এমনকিছু মহিলা মাওলানাদের ঘরে ঢুকে যাচ্ছে যাদের অতীত-বর্তমান মারাত্মক প্রশ্নবিদ্ধ। বিস্তারিত আলাপ আপাতত করছি না। তবে এগুলো বন্ধ না হলে বড় ধরনের একটা বিপর্যয় অত্যাসন্ন।

কোনো রাখঢাক এবং জড়তা ছাড়াই বলছি, IMB-এর নীতিনির্ধারকরা সমাজ বিপ্লবে এক রত্তি উপকার করতে না পারলেও ব্যাপক ক্ষতি করবে। বৃহৎ জনগোষ্ঠীর মনস্তত্ত্বকে ঠেলে দেবে এমন একটা বিদ্বেষের জায়গায়, যেখানে কুফর আছে, ঈমান নেই।

আমি এসব প্রতিষ্ঠানের ওপেন-ডোর এক্টিভিজম বন্ধের জোরালো দাবি জানাচ্ছি। তাদের গায়রতহীন প্রচারণা ইসলামের গাম্ভীর্য নষ্ট করছে প্রতিনিয়ত। বিয়ের প্রয়োজন হলে বান্দার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট হবেন। উছিলা হবে চারপাশের মানুষ এবং প্রতিবেশীরা। IMB-এর হাতে এই দায়িত্ব দিলে সংসার একটা হয়ত গড়বে, কিন্তু পুরনোটা ভেঙে খানখান হয়ে যাবে। শুরু হবে সামাজিক অবক্ষয়।
6
Redwan Rawaha
Photo
[১]
পুরুষ জাতি সৃষ্টির মাথা, নারী জাস্ট পুরুষের কোম্পানি (সঙ্গদাতা)। দুনিয়াতে নারীদের অপিনিয়ন সফট টাইমে চলে, হার্ড টাইমে ওম্যান ভয়েস কোনো ভ্যালু ক্রিয়েট করে না। হ্যাঁ তারা মতামত দিতে পারে কিন্তু ডিসিশন মেকার পুরুষই।

[২]
সফট টাইমে ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে, সমঅধিকার আর নারীবাদী তত্ত্বের অপিনিয়নের বাজার জমে ভালো। কিন্তু যখন অস্তিত্বের সংকট দেখা দেয়, তখন সমস্ত তত্ত্ব মাঠে মারা যায়।

[৩]
ইউক্রেন-রাশিয়ায় যুদ্ধের শুরুতে আমরা ইউক্রেনীয় ফেমিনিস্টদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড দেখেছি। তারা যুদ্ধের আগে নারী-পুরুষ সমান অধিকার চাইলেও, যুদ্ধ শুরু হতেই তারা আবার অবলা ঘরবন্দী নারী হয়ে গিয়েছিলো। অথচ ১৮-৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিলো।

[৪]
দিনশেষে প্রকৃতির নিয়ম এটাই,নারী-পুরুষের সমানাধিকারের বড় বড় লেকচার এসি রুমে বসে দেওয়া যায়, কিন্তু তপ্ত রণাঙ্গনে বুক চিতিয়ে লড়াইটা পুরুষকেই করতে হয়। অস্তিত্ব আর জীবন-মরণের সংকটে ইকুয়ালিটির থিওরি খাটে না ভাই। সো নারীবাদী, ফেমিনিস্ট যাই দেখেন না কেন, এগুলা জাস্ট সফট টাইমের আলাপ। হার্ড টাইমে পুরুষই নিয়ন্ত্রক।

[৫]
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র খুব বাজেভাবে ফেঁসে গেছে, ইউরোপ-ন্যাটো কেউ পাশে নাই। চীনকে মেনেজ করতে পারলে ইরানকে মোটামুটি বাগে আনা যাবে। আবার এইদেকে ইরানকে দিয়ে মেরিকাকে আরেকটু বেকায়দায় ফালাতে পারলে চীনের সুপার পাওয়ার হওনের স্বপ্ন লাফিয়ে কয়েক ধাপ আগায়া যাবে। সো এই বৈঠক পৃথিবীর দুটা সুপার-পাওয়ার জাতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আর বলতে হইবো না। আর এ জন্যই দেখেন এখানে কোনো নারী নাই।

- সুমন আহমাদ
2🔥1
আমরা এমন এক সময় এসে দাঁড়িয়েছি, যখন মৃত্যুর পরেই মূলত মানুষ আমাদের চোখে “মানুষ” হয়ে ওঠে।

জীবিত অবস্থায় যেই মানুষটিকে নিয়ে আমাদের তেমন কোনো ভাবনাই থাকে না, দেখা যাচ্ছে সেই মানুষটি মারা যাওয়ার পরপরই আমরা তার প্রতি অফুরন্ত সহানুভূতি দেখাতে শুরু করি।

যেই মানুষটি বেঁচে থাকতে আমাদের পক্ষ থেকে এক কাপ চায়ের নিমন্ত্রণ পর্যন্ত পায়নি, যার খোঁজ নেওয়ার সামান্যতম গরজও আমরা বোধ করিনি, তার মৃত্যুর পরেই আমরা হয়ে উঠি অতিশয় দরদী, অতিশয় প্রতিবাদী।

সারাক্ষণ অনলাইনে উবু হয়ে থাকলেও যেখানে “কেমন আছো” বলে একটা টেক্সট দেওয়ার সময় হয়নি আমাদের, অথচ সেই মানুষটা চলে যাওয়ার পরই যেন আমরা সবাই হঠাৎ মায়ার বহর নিয়ে জেগে উঠি। তাকে ঘিরে আমাদের ভেতরে জমে থাকা মমতার বহর যেন উথলে ওঠে। ফেসবুক ভরিয়ে ফেলি তার স্মৃতিচারণে, তাকে নিয়ে স্ট্যাটাসে, আর মেকি কান্নায় ভারী করে তুলি ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ার আকাশ।

জীবিত মানুষটির খোঁজ না নিলেও মৃত মানুষটির জন্য আমরা শুরু করি সিম্প্যাথি প্রদর্শন, তার সাথে থাকা মায়াময় সম্পর্কের প্রদর্শনী— যেন এখন এগুলো করে তার ভীষণ উপকার করছি, তার পাশে দাঁড়াচ্ছি।

অথচ তখনই এগুলো সবচেয়ে বেশি দরকার ছিল, যখন মানুষটি জীবিত ছিল, জীবিত থেকে মানসিক যন্ত্রণায় ছটফট করেছিল।

হয়তো তখন সে সারাক্ষণ একটা সাধারণ খোঁজের জন্য হাহাকার করে সময় কাটাতো!

কিন্তু আমরা তো সেই দুঃসহ ক্ষণগুলোতে তার পাশে দাঁড়াবার প্রয়োজনটাও বোধ করিনি!

কেন? Where were our well-wishers then?

মৃত্যুর পর এত প্রতিবাদ, এত শোক, এত উপস্থিতি— এই অনুভূতিগুলো কি আমরা মানুষকে কয়েকটা মুহূর্ত আগেও দিতে পারি না?

আমরা ভুলে যাই— আমাদের ছোট্ট একটা ম্যাসেজ “কেমন আছো” কখনও কখনও একজন ক্লান্ত মানুষের জন্য পুরো পৃথিবীর সমান আনন্দের উপলক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে। নিমিষেই তার নিবিড় নিঃসঙ্গতাটা হাওয়ায় মিলিয়ে দিতে পারে।

কিন্তু আমরা কি তা বুঝি? আমরা তো সেটা তখন বুঝি, যখন মানুষটা আর আমাদের মাঝে আর থাকে না।

বেঁচে থাকা মানুষটার পাশে যদি আমরা একটুখানি দাঁড়াতে শিখি, হয়তো মৃত্যুর পর এই ভণ্ডামিপূর্ণ সান্ত্বনাগুলোর প্রয়োজনই হয় না।


~রেদওয়ান রাওয়াহা
#উপলব্ধি
😢31
শিশু রামিসাকে একটা রিকশা ম্যাকানিক পার্ভাট রেইপ করে। এরপর মাথা দ্বিখণ্ডিত করে হত্যা করে।

এই কাজে তাকে যে সহযোগিতা করে, সে হলো আরেকজন নারী— তার স্ত্রী।

চিন্তা করেন, আমাদের মধ্যে মূল্যবোধ, মমত্ববোধ, এসব কই গেছে?

আমরা শুধু আইয়ামে জাহেলিয়াতের গল্প বলি, কিন্তু এই সময়টা কি আইয়ামে জাহেলিয়াত থেকে খুব বেশি কম কিছু?

আইয়্যামে জাহিলিয়াত কন্যাশিশুকে শুধু হত্যা করত। রেইপ করে স্ত্রীর সহযোগিতায় বা স্বামী-স্ত্রী মিলেমিশে হত্যা করতো?

সাইয়েদ কুতুব কি অযথাই এই সভ্যতাকে আধুনিক জাহিলিয়াত বলে আখ্যা দিয়েছেন?

১৫০০ বছরের আগের জাহিলিয়াতে কন্যা শিশুকে খুন করা হলেও আজকের জাহিলিয়াত কন্যাশিশুকে আগে ধর্ষণ করে, এরপর হত্যা করে।

আইয়ামে জাহিলিয়াত থেকে থেকে মানুষ আল্লাহপ্রদত্ত, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনীত বিধান দ্বারাই মুক্তি পেয়েছিল।

তাহলে এখন, আজকের এই জাহিলিয়াত থেকে মুক্তি পেতে আমাদের বাচার উপায় কী? অবশ্যই আল্লাহর দ্বীন— আল-ইসলাম।

কিন্তু, আমরা কি সেই সমাধান নেব? কিংবা নিতে চাই?
😢5
অযোগ্য মানুষ যখন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তখন সে আপনাকে লজ্জিত করার চেষ্টা করে।

কারণ, যোগ্যতার সামনে তার একমাত্র অস্ত্র অপমান, কুৎসা আর হীনমন্যতার প্রকাশ।

কিন্তু মনে রাখতে হবে— অন্যের অপচেষ্টা কখনও আপনার মূল্য কমিয়ে দিতে পারে না; বরং সেটাই প্রমাণ করে, আপনার অবস্থান তার নাগালের বাইরে।

যারা নিজের যোগ্যতায় এগোতে পারে না, তারা প্রায়ই অন্যকে ছোট করে নিজেকে বড় প্রমাণ করতে চায়।
2👌2👍1
Redwan Rawaha
Photo
কতিপয় নারী কতোটা ভয়ানক হতে পারে, এ হলো সেটার উত্তম নমুনা।

এই মহিলা কুমিল্লা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মচারী।

গতকাল ফেসবুকে এই অসভ্য নারীটির কান্নাকাটি ভাইরাল হয়, যেখানে এই ইতরটি করুণ কান্নাজড়িত কন্ঠে অভিযোগ করে— তাঁর অফিস প্রধান তার ওপর কঠিন যৌন নির্যাতন চালায়।

মূহুর্তেই তার কান্নাকাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কান্নাকাটি দেখে অনেক সাধারণ মানুষও কাঁদলো।

ওই মহিলা পুলিশকে অভিযোগ করে, তাঁর স্বামীসহ বাসার প্রত্যেকেটা মানুষকে অফিসে হাজির করে।

এদিকে পুলিশও এই নারী কর্মচারীর কথায়, অফিস প্রধানের অনুমতি ব্যাতীতই অফিসে হাজির হয়— যেটা সরকারি আইনের পরিপন্থী। আর পুলিশের দোষ দিয়েও বা কী হবে— ওই মূহুর্তে পুলিশ না গেলে পুলিশেরই আবার দোষ হতো।

কিন্তু এরা যতোই চালাক হোক, দিনশেষে একটা সীমাবদ্ধতা তো আল্লাহই তাদের দিয়েছেন।

যাই হোক, এই মহিলা রাগের ঠেলায় ভুলেই গিয়েছিল— অফিস প্রধানের রুম থেকে শুরু করে আশেপাশের রুমেও সিসি ক্যামেরা অ্যাক্টিভ ছিল।

সেই ক্যামেরায় দেখা যায়, নারী নির্যাতন তো দূরে থাক, উল্টো ওই নারী রীতিমতো পুরুষ নির্যাতন চালিয়েছে। বদলি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অফিস প্রধানকে জঘন্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। পুরো অফিস তছনছ করেছে।

একবার চিন্তা করেন, যদি সিসি ক্যামেরা না থাকতো, তাহলে বেচারা অফিস প্রধানের অবস্থাটা কী হতো? পুরো দেশে তার মান-ইজ্জত শেষ হতো, চাকরি চলে যেতো, স্ত্রী-সন্তানের কাছে আমৃত্যু অপদস্ত হয়ে বেঁচে থাকতে হতো।

যেইসব শুকরের ছানারা মাহিলা মানুষের কথা ওহির মতো ট্রিট করে, তাদের চোখে জলে দেখলেই "মব জাস্টিস" পর্যন্ত করতে চায়— সেই সকল শুকরের ছানাদের মুখে এক-দলা থুথু!

মূল তথ্য এবং ভিডিও: কালবেলা অনলাইন।
😢3
ধরুন, নাহিদ ইসলাম এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছে-
“জামাতে ইসলামী একটি ইসলামী রাজনৈতিক দল। একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা তার ভিশন। ফলে তার এ আদর্শের সাথে এনসিপির আদর্শতো মিলবে না। এনসিপি মধ্যমপন্থি উদারপন্থি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ফলে এখানে আদর্শিকভাবে জোট হওয়ার কোন সুযোগ নেই।”

নাহিদ ইসলামের এ ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে না চাওয়াটা কী? শরীয়তের বিচারে তার বিধান কী?

বাহ্যিকভাবে একটি ইসলামী দলের আদর্শতো ইসলাম। নাহিদ ইসলাম সে আদর্শের পরিপন্থি আদর্শ লালন করে এবং তাই রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

জামাতে ইসলাম কোন ইসলাম চায় এবং কতটুকু ইসলাম চায় সে প্রসঙ্গে আমি এখন যেতে চাচ্ছি না, কিন্তু নাহিদ রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম চায় না, এতটুকুতে সে কোন প্রকার অস্পষ্টতা রাখেনি। যারা রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম চায় না, তারা মুসলিম? নাকি অমুসলিম?

আপনি যদি একটু ঘাটাঘাটি করেন, তাহলে দেখতে পাবেন, এ দেশের অনৈসলামিক প্রতিটি রাজনৈতিক দলের এ বক্তব্য স্পষ্ট। শব্দের কিছুটা ব্যবধান থাকতে পারে। কিন্তু মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ে তাদের বক্তব্যগুলো এক ও অভিন্ন।

আরো দুঃখজন বাস্তবতা হচ্ছে, জামাতে ইসলামীকে যদি নাহিদের বক্তব্য সম্পর্কে মন্তব্য করতে বলা হয় এবং এ বিষয়ে তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়, তাহলে তারা নিজেদের অবস্থান এমনভাবেই তুলে ধরবে যা দেখে আপনি নাহিদের বক্তব্য ও জামাতে ইসলামীর অবস্থানের মাঝে বড় ধরনের কোন ব্যবধান খুঁজে পাবেন না।

এমনিভাবে অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোকে যদি এ বিষয়ে তাদের নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলেন, তাহলে তারাও তাদের নিজেদের অবস্থানগুলোকে নাহিদের বক্তব্যের কাছাকাছি নিয়ে আসার চেষ্টা করবে। আপনি তখন হয়ত দুয়ের মাঝে অনেক বেশি দূরত্ব খুঁজে পাবেন না।

তবে আমরা এতটুকু বিশ্বাস করি, ইসলাম শিরনামের রাজনৈতিক দলগুলো মুখে যাই বলুক, তাদের মনে ইসলামপ্রীতি ও ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন স্বীকৃত।

এমতাবস্থায় নাহিদ ইসলামের মত অনৈসলামিক রাজনীতির সকল নীতিনির্ধারকদের বিষয়ে মুসলিমরা কেমন ধারণা পোষণ করবে? তাদের সঙ্গদান, তাদের আনুগত্য ও সম্প্রীতির মাপকাঠি কী হবে? এমন সুস্পষ্ট বক্তব্যপ্রদানকারীদের কাছ থেকে ইসলাম ও মুসলিমরা কী কী আশা করবে?
😢2
ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকেই মাওলানা মওদূদীর কণ্ঠে এক ধরনের হতাশার সুর শোনা যেত। তিনি দেখছিলেন, যেই জামায়াতকে তিনি একসময় “আদর্শিক সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলন” হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন, সেটি আস্তে আস্তে রাজনীতির কঠিন খেলায় জড়িয়ে যাচ্ছে।

সংগঠনের ভেতর থেকে সহিংস ঘটনার খবর আসছিল, ছাত্রসংগঠনের হাতে রক্ত লেগেছিল। মাওদূদী তখন একটাই কথা বারবার জোর দিয়ে বলতেন—“শৃঙ্খলা, শৃঙ্খলা, শৃঙ্খলা।” কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, রাজনৈতিক বাস্তববাদ তার দলকে আদর্শ থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে জামায়াতের ভরাডুবির পর তার মন ভেঙে যায়।

সারা জীবন তারা আদর্শের নামে ত্যাগ করেছে, অনেক জায়গায় নীতি থেকে আপস করেছে—কিন্তু নির্বাচনে সেই ত্যাগের কোনো মূল্যই মিললো না। বরং দল ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়ে পড়লো। তখন থেকেই তিনি আবার ফিরতে চাইছিলেন নিজের পুরোনো স্বপ্নে—“একটি পবিত্র আদর্শিক উম্মাহ গড়ে তোলা,” রাজনীতির ক্ষমতার খেলায় না জড়িয়ে।

কিন্তু তখন তার সহকর্মীরা আর সেই পথে হাঁটতে রাজি ছিলেন না।

মাওলানা মাওদূদী একসময় নিজ দলের ভেতরেই একাকী হয়ে পড়লেন। ১৯৭২ সালে আমীরের পদ ছেড়ে দেওয়ার পর তার প্রভাব চোখে পড়ার মতোভাবে কমতে থাকে। তিনি তখন তার স্ত্রীকে কষ্টের সঙ্গে বলেছিলেন—“এই দল আর আমার মানদণ্ডে নেই। যদি আমার শরীরে শক্তি থাকতো, আমি আবার নতুন করে শুরু করতাম।”

এক বন্ধুকে তিনি আরও পরিষ্কার করে বলেছিলেন—“আমি আশা করি এমনটা হবে না, কিন্তু যখন ইতিহাস লেখা হবে, তখন মানুষ বলবে—এটা ছিলো আরেকটি তাজদীদ আন্দোলন, যার উত্থান হয়েছিলো, অতঃপর পতন।”

অবশেষে, ১৯৭৫ সালে শুরার বৈঠকে তিনি শেষবারের মতো আবেদন রাখলেন—“আমরা রাজনীতির পথ থেকে সরে আসি, আমরা আবার পবিত্র আদর্শিক সমাজ গড়ার পথে ফিরি।” তিনি স্পষ্ট করে জানালেন, নির্বাচন শুধু অচল গন্তব্যই নয়, বরং এটা জামায়াতকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
১৯৭৫ সালের সেই শুরার বৈঠকে মাওলানা মওদূদী স্পষ্ট করে বলেছিলেন—জামায়াতকে রাজনীতির পথ থেকে সরতে হবে, নির্বাচন শুধু ক্ষতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শুরা তখন তার কথায় কান দেয়নি।

সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ওয়াসি মাজহার নাদবী। তিনি ফিরে এসে মাওলানাকে একটি চিঠি লিখলেন। তার মনে প্রশ্ন ছিল—“আমি কি ঠিক বুঝেছি? আপনি কি সত্যিই নির্বাচন থেকে সরে আসার কথা বলেছেন?”
মাওদূদী জবাবে আবারও স্পষ্ট করলেন—হ্যাঁ, তিনি নির্বাচনের পথকে ঘৃণার চোখে দেখেন, তিনি চান জামায়াত আবার পবিত্র আদর্শিক সমাজের পথে ফিরে যাক।

কিন্তু এই চিঠি পরে বাইরে ফাঁস হয়ে গেলো। জামায়াতের ভেতরের অনেকেই রেগে গেলেন। তারা মনে করলেন, এটা দলের গোপন আলাপ ফাঁস করা হয়েছে। আর তখনই ওয়াসি মাজহার নাদবীকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার করা হলো।

তথ্যসূত্র: The Vanguard of the Islamic Revolution: The Jama'at-i Islami of Pakistan by Vali Nasr
🤔3😢2
হজ উমরাহতে এসে যারা টুকটাক ছবি ভিডিও করে, তাদের সবাইকে এক কাতারে ফেলেন না। সে লোক দেখানো ইবাদত করছে, তার ভেতর ইখলাস নাই, তার হজ কবুল হবে না — এতটা কড়া কথাও বইলেন না, প্লিজ।

একটা ছবি তুলে সেটা শেয়ার করতে মিনিট খানেক সময়ও লাগে না। এমনটি হওয়া খুবই স্বাভাবিক যে, দীর্ঘক্ষণ আমল শেষে হয়তো কয়েক মিনিটের জন্যই সে মোবাইলটি হাতে নিয়েছিল। হয়তো তার ইচ্ছে হয়েছিল, এই সুন্দর দৃশ্যটা আপনজনদের সাথে শেয়ার করি। ব্যাস, এতটুকুই। এখানে তার ভেতর এ চিন্তা সামান্য সময়ের জন্যও হয়তো আসে নাই যে, ছবি পোস্ট করে মানুষকে জানাই আমি হজ বা উমরাহ করতে এসেছি, লোকে দেখুক আমার আমলের তালিকা কত লম্বা।

মানুষের অন্তরের খবর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন। কেউ হয়তো সত্যিই রিয়ার জন্য করছে, আবার কেউ হয়তো নিছক স্মৃতি ধরে রাখতে, পরিবারের মানুষদের খুশি করতে বা প্রিয়জনদের সাথে অনুভূতিটা ভাগাভাগি করতেই একটা ছবি তুলেছে।

হা অবশ‍্যই, কোন সন্দেহ নেই, সেই হজই সর্বোত্তম যেখানে অপ্রয়োজনীয় ফটোগ্রাফি নেই, যেখানে মানুষ পুরোটা সময় ইবাদতে ডুবে থাকে।

তাই নসিহত অবশ্যই করুন। মানুষকে আমলের দিকে অবশ‍্যই ডাকুন। শেখান সর্বোত্তম হজ কোনটা। কিন্তু এমনভাবে না, যাতে একজন ইবাদতের আনন্দটাই হারিয়ে ফেলে কিংবা নিজেকে অপরাধী ভাবতে শুরু করে।…
😢6
আমি এখন পর্যন্ত যত লিবারেল-সেকুলারকে অবজার্ভ করেছি এদের প্রত্যেকের মাঝে দুইটা বিষয় কমন পেয়েছি।

১. এরা বিভিন্ন মাত্রায় মোরালি করাপ্টেড, সাবজেক্টিভ মোরালিটি ও হার্ম প্রিন্সিপালে বিশ্বাসী।

২. এরা প্রত্যেকেই এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির উৎকৃষ্ট মানের কনজিউমার।

১মটা হলো ফলাফল আর ২য়টা হলো কারণ। পৃথিবীতে একটাও লিবারেল খুঁজে পাওয়া যাবেনা যে এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিজেকে দূরে রেখেছে। কারণ ভালো-মন্দের মাপকাঠি তারা শেখে এখান থেকেই।

একেকটা মুভি, ওয়েব সিরিজ শুধু একেকটা গল্প বলেনা। কিছু নির্দিষ্ট আইডিওলজি আর মোরাল ফ্রেমওয়ার্ক ফেরি করে। ফর এক্সাম্পল- একটা সময় সমাজে দুইজন অবিবাহিত নারী-পুরুষের হাত ধরে হাঁটাকে খারাপ চোখে দেখা হতো। এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির (অ)কল্যাণে এখন এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আবার, জন্মদিনে কেক কাটা কখনো এইদেশের মানুষের সংস্কৃতি ছিলনা। কিন্তু সিনেমা-নাটকে কেক কাটা দেখে বাঙালি এটাকে অ্যাডপ্ট করে ফেলেছে। এমন অসংখ্য উদাহরণ দেখানো যাবে।

পর্দার পেছনে এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির কারিগরদের বাস্তব জীবন প্রচন্ড অস্থিতিশীল, ভঙ্গুর ও বিভৎস। বডি কাউন্ট, ডিভোর্স রেট, লিভ টুগেদার, সুইসাইড রেট সবকিছুতে এরা সবসময় সাধারণ মানুষদেরকে ছাপিয়ে আলাদা উচ্চতায় অবস্থান করে, হোক সেটা হলিউড, বলিউড অথবা ঢালিউড। আমেরিকান ম্যারেজ ফাউন্ডেশনের এক জরিপ মতে, সেলিব্রেটি দম্পতিদের মাঝে ১০ বছরের মধ্যে বিচ্ছেদের হার ৪০% এর ওপরে, যেখানে সাধারণ দম্পতিদের মাঝে এই হার ২০% এরও কম।

বিনোদন নতুন কিছু না। সিনেমা আসার আগেও মানুষ যাত্রাপালা দেখতো, ন[]র্তকী-বাইজিরা ছিল মানুষকে বিনোদন দেয়ার জন্য। কিন্তু তখন বাইজিরা কাউকে আদর্শ শেখাতে পারতোনা। ন[]র্তকীদেরকে সমাজের নির্লজ্জ আর বেহায়া জনগোষ্ঠী হিসেবেই দেখা হতো এবং সেভাবেই ট্রিট করা হতো। কিন্তু আধুনিক বিনোদন জগতের ন[]র্তকী-বাইজিরা মানুষকে ভালো-মন্দ শেখানোর সুযোগ পায়। সমাজের সেরা বেহায়াদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও মানুষ এদেরকে ফলো করে, এদেরকে আদর্শ মানে।

শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট জেলায় একটা নির্দিষ্ট সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কেন সেকুলাঙ্গাররা পাগলা কুকুরের মতো আচরণ করছে, এবার হয়তো বুঝতে পারছেন। এগুলো তাদের লিবারেল দাওয়াতি মিশনারির অংশ। একটি জেলাতেও তাদের দাওয়াত বাধাগ্রস্ত হওয়াকে তারা তাদের লিবারেল ধর্মীয় রিচুয়ালের ওপরে আঘাত হিসেবে দেখে।

ইন্‌ শা আল্লাহ, যদি এইদেশের অন্যান্য মুসলিমরাও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের মতো সজাগ হয়ে উঠতে শুরু করে তাহলে এই লিবারেল মিশনারির সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আমরা অনেকটাই মোকাবিলা করে উঠতে পারবো।
5
মাওলানা মওদূদী বলছিলেন— যাদের জীবনাচরণে, যাদের কর্মসূচিতে এমনকি যাদের মধ্যে ইসলামের ছিটেফোঁটাও নেই, তারা কীভাবে ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করবে!

এদিকে আজকে দেখলাম একজন জামায়াত কর্মী প্রকাশ্যে এনটিভির ক্যামেরায় বলল— ‘যার নিজের বডির মধ্যে ইসলাম নাই, তার ইসলামী ব্যাংক পরিচালনার যোগ্যতা নাই’।

অথচ এই কথাগুলোই দীর্ঘদিন ধরে দেওবন্দি, সালাফি ও চরমোনাই লোকেরা বলে আসছিল জামায়াতকে! আর এগুলো বলায় জামায়াতের লোকজন বেজায় নাখোশও ছিল /আছে তাদের ওপর!

কিন্তু নিজেরা ঠিকই প্রয়োজনমতো অন্যদেরকে এই কথাগুলো বলে।😊
👌5🥰2🤔1
‘ভাই, এটা তো সামাজিক মুভি!’ এই বাক্যটা এখন এমনভাবে বলা হয়, মনে হয় সামাজিক শব্দটা শুনলেই সবকিছু হালাল হয়ে যায়।

মুভিতে নাচ নাই। দুই মিনিট পরপর চুমাচুমি নাই। খোলামেলা অশ্লীল দৃশ্যও নাই। ব্যস! এবার সেটাকে ইসলামের সাংস্কৃতিক সম্পদ ঘোষণা করে ফেলা দরকার।

এরপর কিছু সাহিত্যিক ভাই আসবেন। বিশেষ করে মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের cultured ভাইরা। তারা চশমা একটু ঠিক করে গম্ভীর মুখে বলবেন, ‘হুজুররা আসলে আর্ট বোঝে না। এটা লাইফ ফিলোসফি। এটা হিউম্যান সাফারিং-এর রিফ্লেকশন। এটা এক্সিস্টেনশিয়াল ক্রাইসিসের সিনেম্যাটিক রিপ্রেজেন্টেশন... ব্লা ব্লা!’

মানে আগে মানুষ কুরআনের আয়াত দিয়ে হৃদয় নরম করত, এখন করবে মুভির স্যাডনেস দিয়ে।

তাদের কথা শুনলে মনে হয়, ইমাম গাযালী রহিমাহুল্লাহ যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তাহলে হয়তো তাহাজ্জুদের বদলে বনলতা এক্সপ্রেসের রিভিউ লিখতেন।

আসল সমস্যা মুভিতে শুধু অশ্লীলতা আছে কি না, সেটা না।
সমস্যা হলো, আপনার হৃদয়কে কে শেপ করছে? আপনি জীবনের দর্শন কোথা থেকে নিচ্ছেন? ওহি থেকে, নাকি স্ক্রিনপ্লে থেকে?

আজকাল কিছু মুসলিম ইন্টেলেকচু্য়ালের অবস্থা এমন,
হারামকে হারাম বলতে লজ্জা লাগে। তারা এমনভাবে মুভি এনালাইজ করে, মনে হয় পুরো উম্মাহর রিভাইভাল বুঝি বনলতা এক্সপ্রেসের বগিতেই লুকানো।

কেউ কেউ বলছে, ভাই, এতে তো মানুষের কষ্ট দেখানো হয়েছে। আচ্ছা, মানুষের কষ্ট দেখালেই জিনিস বৈধ হয়ে যায়?

এভাবেই শয়তান কখনো কখনো সরাসরি অশ্লীলতা দিয়ে শুরু করে না। সে শুরু করে সেনসিভিটি, কালচার, স্যোশাল মেসেজ দিয়ে।

সমস্যা হলো, এখন কিছু মানুষের কাছে দ্বীনের চেয়ে এস্থেটিক ইমোশোন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। শয়তান সবসময় মানুষকে সরাসরি নাস্তিক বানায় না। কখনো কখনো সে শুধু এতটুকুই করে, মানুষের হৃদয়ে ওহির জায়গাটা ধীরে ধীরে কালচার দিয়ে রিপ্লেস করে দেয়। তারপর একদিন মানুষ বুঝতেই পারে না, কখন কুরআন তার বুকশেলফে উঠে গেছে, আর নেটফ্লিক্স তার মূল দর্শন হয়ে গেছে।

লিখেছেন: মাওলানা তানজিল আরেফিন আদনান
😢4👍1
একপাশে ৪–৫ জন মেয়ে, আর অন্যপাশে একজন ছেলে, মেয়েগুলো নিজেদের মধ্যে হাসাহাসি করছে, মজা করছে এ পর্যন্ত সব ঠিকই আছে।

কিন্তু একজন মানুষের অনুমতি ছাড়া তাকে ভিডিও করা, তারপর সবাই মিলে তাকে উদ্দেশ্য করে “রাগ করলা!? কিংবা এ ধরনের মন্তব্য ছুড়ে দেওয়া।

চিৎকার চেঁ চা মে চি করে তাকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলে দেওয়া এসব ঠিক কোন দিক থেকে মজার?

একবার শুধু পরিস্থিতিটা উল্টো করে ভাবুন, যদি একজন মেয়েকে ঘিরে ৪–৫ জন ছেলে একই কাজ করত, তাহলে কি আমরা এটাকে একইভাবে দেখতাম?💔
😢6