1. বিশ্বের প্রথম পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট - স্টারশিপ।
2. সরকারি গেজেটে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মোট শহীদ – ৮৩৬জন।
3. ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য – আসবাবপত্র।
4. বিরল খনিজ মজুতে শীর্ষ দেশ - চীন।
5. সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে - রাশিয়া।
6. বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ ঋণদাতা দেশ- জার্মানি
7. কৃষক দিবস পালিত হয় - ৩০ জানুয়ারি।
৪. বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে যে প্রজেক্টটি চলমান - BIG-B.
9. Typhoon Block-4 হাইপারসনিক মিসাইল - তুরস্কের।
10.৭৮তম কান চলচ্চিত্র পুরস্কারে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করে- আলী।
11. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্ম -উন্নত মম শির।
12. বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য - জামদানি শাড়ি।
13. 'জি-জিরো' ফোরামের উদ্যোক্তা দেশ- ভুটান।
14. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ১২৫তম দেশ – ইউক্রেন।
15 'ওয়ান বিগ বিউটিফুল অ্যাক্ট' যে খাতের সাথে সম্পর্কিত-অর্থনীতি।
16. বর্তমান বিশ্বে 'নিউ সিল্ক রোড' এর প্রবক্তা দেশ চীন।
17. সম্প্রতি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে – সুইজারল্যান্ড।
18. দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু হয় - মালদ্বীপ
19. সম্প্রতি দাবা খেলা নিষিদ্ধ করে - আফগানিস্তান।
20. বিশ্বে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন সংখ্যা- ৮২টি।
21. পরবর্তী জি-২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে না - যুক্তরাষ্ট্র।
22. বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি- মোদারীপুর জেলায়।
23. পরবর্তী জীব বৈচিত্র্য সম্মেলনের আয়োজক আর্মেনিয়া।
2. সরকারি গেজেটে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মোট শহীদ – ৮৩৬জন।
3. ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য – আসবাবপত্র।
4. বিরল খনিজ মজুতে শীর্ষ দেশ - চীন।
5. সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে - রাশিয়া।
6. বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ ঋণদাতা দেশ- জার্মানি
7. কৃষক দিবস পালিত হয় - ৩০ জানুয়ারি।
৪. বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে যে প্রজেক্টটি চলমান - BIG-B.
9. Typhoon Block-4 হাইপারসনিক মিসাইল - তুরস্কের।
10.৭৮তম কান চলচ্চিত্র পুরস্কারে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করে- আলী।
11. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্ম -উন্নত মম শির।
12. বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য - জামদানি শাড়ি।
13. 'জি-জিরো' ফোরামের উদ্যোক্তা দেশ- ভুটান।
14. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ১২৫তম দেশ – ইউক্রেন।
15 'ওয়ান বিগ বিউটিফুল অ্যাক্ট' যে খাতের সাথে সম্পর্কিত-অর্থনীতি।
16. বর্তমান বিশ্বে 'নিউ সিল্ক রোড' এর প্রবক্তা দেশ চীন।
17. সম্প্রতি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে – সুইজারল্যান্ড।
18. দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু হয় - মালদ্বীপ
19. সম্প্রতি দাবা খেলা নিষিদ্ধ করে - আফগানিস্তান।
20. বিশ্বে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন সংখ্যা- ৮২টি।
21. পরবর্তী জি-২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে না - যুক্তরাষ্ট্র।
22. বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি- মোদারীপুর জেলায়।
23. পরবর্তী জীব বৈচিত্র্য সম্মেলনের আয়োজক আর্মেনিয়া।
প্রশ্ন: নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ‘এলসিটি–১০১’ নির্মাণ করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর: খুলনা শিপইয়ার্ড
উত্তর: খুলনা শিপইয়ার্ড
ট্রাম্পের ইরান আক্রমণে কেন বাধা দিচ্ছে সৌদি আরব।
ব্যাখ্যা করে দাও।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের পরিকল্পনায় সৌদি আরবের বাধা দেওয়ার বিষয়টি বর্তমান ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েক বছর আগেও সৌদি আরব এবং ইরান একে অপরের ঘোর শত্রু থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি বদলেছে।
২০২৬ সালের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব কেন এই আক্রমণ ঠেকাতে চাইছে তার প্রধান কারণগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পাল্টা হামলার ভয়
ইরান স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি তাদের ওপর কোনো হামলা হয়, তবে তারা সেই দেশগুলোর ওপরও পাল্টা আঘাত হানবে যারা যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করবে (যেমন: আকাশসীমা বা ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া)। সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও শহরগুলো ইরানের মিসাইল ও ড্রোন সীমানার খুব কাছে। ২০১৯ সালে সৌদি তেলের স্থাপনায় হামলার যে তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদের আছে, রিয়াদ তার পুনরাবৃত্তি চায় না।
২. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও 'ভিশন ২০৩০'
সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের মূল লক্ষ্য হলো ভিশন ২০৩০। এই উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক প্রকল্পের সাফল্যের জন্য অঞ্চলে স্থিতিশীলতা এবং শান্তি অত্যন্ত জরুরি। কোনো যুদ্ধ শুরু হলে বিদেশি বিনিয়োগ থমকে যাবে এবং তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে, যা সৌদি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর।
৩. চীনের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন
২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হয়েছে। এই 'শান্তি প্রক্রিয়া'র ফলে দেশ দুটির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ছে। সৌদি আরব এখন ইরানকে যুদ্ধের মাধ্যমে ধ্বংস করার চেয়ে আলোচনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখাকে বেশি লাভজনক মনে করছে।
৪. ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান আধিপত্য নিয়ে উদ্বেগ
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব এবং অন্যান্য আরব দেশগুলো এখন দেখছে যে ইরানে মার্কিন বা ইসরায়েলি হামলা আসলে এই অঞ্চলে ইসরায়েলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য (Hegemony) প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করে দেবে। গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের পর আরব নেতারা এখন আর ইসরায়েলের সম্প্রসারণবাদী নীতিকে সহজভাবে নিচ্ছেন না।
৫. মানবিক ও শরণার্থী সংকট
ইরানে বড় ধরনের সামরিক আক্রমণ চললে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে বা রাষ্ট্র ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কয়েক মিলিয়ন শরণার্থীর ঢল নামতে পারে, যা সামলানো প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য অসম্ভব হয়ে পড়বে।
ব্যাখ্যা করে দাও।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের পরিকল্পনায় সৌদি আরবের বাধা দেওয়ার বিষয়টি বর্তমান ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েক বছর আগেও সৌদি আরব এবং ইরান একে অপরের ঘোর শত্রু থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি বদলেছে।
২০২৬ সালের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব কেন এই আক্রমণ ঠেকাতে চাইছে তার প্রধান কারণগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পাল্টা হামলার ভয়
ইরান স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি তাদের ওপর কোনো হামলা হয়, তবে তারা সেই দেশগুলোর ওপরও পাল্টা আঘাত হানবে যারা যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করবে (যেমন: আকাশসীমা বা ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া)। সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও শহরগুলো ইরানের মিসাইল ও ড্রোন সীমানার খুব কাছে। ২০১৯ সালে সৌদি তেলের স্থাপনায় হামলার যে তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদের আছে, রিয়াদ তার পুনরাবৃত্তি চায় না।
২. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও 'ভিশন ২০৩০'
সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের মূল লক্ষ্য হলো ভিশন ২০৩০। এই উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক প্রকল্পের সাফল্যের জন্য অঞ্চলে স্থিতিশীলতা এবং শান্তি অত্যন্ত জরুরি। কোনো যুদ্ধ শুরু হলে বিদেশি বিনিয়োগ থমকে যাবে এবং তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে, যা সৌদি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর।
৩. চীনের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন
২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হয়েছে। এই 'শান্তি প্রক্রিয়া'র ফলে দেশ দুটির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ছে। সৌদি আরব এখন ইরানকে যুদ্ধের মাধ্যমে ধ্বংস করার চেয়ে আলোচনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখাকে বেশি লাভজনক মনে করছে।
৪. ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান আধিপত্য নিয়ে উদ্বেগ
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব এবং অন্যান্য আরব দেশগুলো এখন দেখছে যে ইরানে মার্কিন বা ইসরায়েলি হামলা আসলে এই অঞ্চলে ইসরায়েলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য (Hegemony) প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করে দেবে। গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের পর আরব নেতারা এখন আর ইসরায়েলের সম্প্রসারণবাদী নীতিকে সহজভাবে নিচ্ছেন না।
৫. মানবিক ও শরণার্থী সংকট
ইরানে বড় ধরনের সামরিক আক্রমণ চললে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে বা রাষ্ট্র ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কয়েক মিলিয়ন শরণার্থীর ঢল নামতে পারে, যা সামলানো প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য অসম্ভব হয়ে পড়বে।
❤2
#ডাক ও #টেলিযোগাযোগ এর
#অফিস #সহকারী পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান।
#BCS #jobsearch #exclusive #publication
#অফিস #সহকারী পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান।
#BCS #jobsearch #exclusive #publication
❤2
#ডিসেম্বর ও #জানুয়ারী মাসে অনুষ্ঠিত হওয়া সকল
#লিখিত_পরীক্ষার_প্রশ্ন_একসাথে দেওয়া হলো।
আসন্ন যেকোনো চাকরী পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
#লিখিত_পরীক্ষার_প্রশ্ন_একসাথে দেওয়া হলো।
আসন্ন যেকোনো চাকরী পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
Facebook
#ডিসেম্বর – Explore
explore #ডিসেম্বর at Facebook