তুমি কি জানো, ঠিক কখন থেকে তুমি পিছিয়ে পড়তে শুরু করো?
যখন একটা ক্লাস জমে যায়, সামনে এক্সাম থাকে—কিন্তু তবুও তুমি এক্সামটা দিতে চাও না।
মনে হয়,
“আগের ক্লাসটা আগে শেষ করি।”
“বইটা পুরোটা পড়ে নিই, তারপর এক্সাম দেব।”
“ক্লাসটা 3x-এ দেখে নিলেই তো পড়া হয়ে যাবে।”
শুনতে যুক্তিসঙ্গত মনে হলেও, এখানেই শুরু হয় আসল সমস্যা।
একটা ক্লাস জমে → এক্সাম পিছিয়ে যায় → আগের পড়া শেষ করার চাপ বাড়ে → নতুন ক্লাসও জমে → আবার এক্সাম পিছিয়ে যায়।
এভাবে একসময় পড়ার চেয়ে জমে থাকা পড়ার চাপটাই বড় হয়ে যায়।
তাহলে সমাধান কী?
সবকিছু শেষ করে তারপর এক্সাম দেওয়ার অপেক্ষা করো না।
ক্লাস অসম্পূর্ণ থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে এক্সাম দাও।
যতটুকু পড়েছো, ততটুকু দিয়েই দাও। ভুল হবে, কম নম্বর আসবে—সমস্যা নেই।
কারণ এক্সামের উদ্দেশ্য শুধু নম্বর পাওয়া নয়;
তুমি কোথায় দাঁড়িয়ে আছো, কী ভুলে গেছো এবং কোথায় আরও কাজ করতে হবে—সেটা বুঝে নেওয়াও এক্সামের অংশ।
মনে রেখো—
Perfect preparation-এর অপেক্ষা করতে করতে যেন preparation-টাই থেমে না যায়।
পড়ো → এক্সাম দাও → ভুল ধরো → আবার পড়ো।
এই চক্রটাই তোমাকে এগিয়ে রাখবে।
যখন একটা ক্লাস জমে যায়, সামনে এক্সাম থাকে—কিন্তু তবুও তুমি এক্সামটা দিতে চাও না।
মনে হয়,
“আগের ক্লাসটা আগে শেষ করি।”
“বইটা পুরোটা পড়ে নিই, তারপর এক্সাম দেব।”
“ক্লাসটা 3x-এ দেখে নিলেই তো পড়া হয়ে যাবে।”
শুনতে যুক্তিসঙ্গত মনে হলেও, এখানেই শুরু হয় আসল সমস্যা।
একটা ক্লাস জমে → এক্সাম পিছিয়ে যায় → আগের পড়া শেষ করার চাপ বাড়ে → নতুন ক্লাসও জমে → আবার এক্সাম পিছিয়ে যায়।
এভাবে একসময় পড়ার চেয়ে জমে থাকা পড়ার চাপটাই বড় হয়ে যায়।
তাহলে সমাধান কী?
সবকিছু শেষ করে তারপর এক্সাম দেওয়ার অপেক্ষা করো না।
ক্লাস অসম্পূর্ণ থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে এক্সাম দাও।
যতটুকু পড়েছো, ততটুকু দিয়েই দাও। ভুল হবে, কম নম্বর আসবে—সমস্যা নেই।
কারণ এক্সামের উদ্দেশ্য শুধু নম্বর পাওয়া নয়;
তুমি কোথায় দাঁড়িয়ে আছো, কী ভুলে গেছো এবং কোথায় আরও কাজ করতে হবে—সেটা বুঝে নেওয়াও এক্সামের অংশ।
মনে রেখো—
Perfect preparation-এর অপেক্ষা করতে করতে যেন preparation-টাই থেমে না যায়।
পড়ো → এক্সাম দাও → ভুল ধরো → আবার পড়ো।
এই চক্রটাই তোমাকে এগিয়ে রাখবে।
🥰6❤2
