মানুষের লাল-সবুজ বর্ণান্ধতার জিনটি হলো-
Anonymous Quiz
11%
লিথাল
12%
এপিস্ট্যাটিক
76%
সেক্স লিংকড
1%
সহ-প্রকট
❤4
Assalamualaikum dear students!!
আমাদের Medical Exam Batch এ এখনো যারা ভর্তি হতে চাচ্ছো, ভর্তি হতে পারো এখনই। সবার সুবিধার্থে Exam Fee কম রাখা হয়েছে।
✅Fee-50tk only
Batch details 👇🏻
https://t.me/PracticeChannelOfficial/8277
আমাদের Medical Exam Batch এ এখনো যারা ভর্তি হতে চাচ্ছো, ভর্তি হতে পারো এখনই। সবার সুবিধার্থে Exam Fee কম রাখা হয়েছে।
✅Fee-50tk only
Batch details 👇🏻
https://t.me/PracticeChannelOfficial/8277
❤5
কিভাবে আপনার ১ দিনেই ২ দিনের সমান কাজ করবেন? আসেন একটু ট্রিকস শিখাই।
শুরুটা করতে হবে রাত ১০ টার দিকে ঘুমানোর মাধ্যমে। ১০ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত ঘুমাবেন। ভোর ৪ টা থেকে আপনার দিন শুরু করবেন। এইবার হবে আসল খেলা. ভোর ৪ টা থেকে শুরু করে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এই ৮ ঘন্টা আপনার দিনের সেরা সময়টা কাটাবেন কাজের মধ্যে। ১২ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত সময়টায় ১০-১৫ মিনিটের জন্য ভাতঘুম দেয়া সুন্নত। অফিসে বা বাসায় যেখানেই থাকেন ১০-১৫ মিনিট ঘুমিয়ে নিবেন। আবার আপনি ফ্রেশ হয়ে উঠবেন একেবারে ভোরের মতই। এরপর দুপুর ১ টা থেকে সেকেন্ড ফেজ শুরু করবেন। রাত ১০ টা পর্যন্ত এই ফেজ চলবে।
তাহলে যদি দেখি,
ভোর ৪ টা - দুপুর ১২ টা = ৮ ঘন্টা
দুপুর ১ টা - রাত ১০ = ৮/৯ ঘন্টা
তারমানে টোটাল ১৬ ঘন্টা আপনি সময় দিয়েছেন। একজন মানুষের ২৪ ঘন্টায় ওয়ার্কিং টাইম দেয় দিনে ৮ ঘন্টা। সেখানে আপনি দিচ্ছেন ১৬ ঘন্টা।
২ দিনের কাজ = ১ দিন
আশা করি এই ট্রিকস টা কাজে লাগবে। ~Aktaruzzaman Joti
শুরুটা করতে হবে রাত ১০ টার দিকে ঘুমানোর মাধ্যমে। ১০ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত ঘুমাবেন। ভোর ৪ টা থেকে আপনার দিন শুরু করবেন। এইবার হবে আসল খেলা. ভোর ৪ টা থেকে শুরু করে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এই ৮ ঘন্টা আপনার দিনের সেরা সময়টা কাটাবেন কাজের মধ্যে। ১২ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত সময়টায় ১০-১৫ মিনিটের জন্য ভাতঘুম দেয়া সুন্নত। অফিসে বা বাসায় যেখানেই থাকেন ১০-১৫ মিনিট ঘুমিয়ে নিবেন। আবার আপনি ফ্রেশ হয়ে উঠবেন একেবারে ভোরের মতই। এরপর দুপুর ১ টা থেকে সেকেন্ড ফেজ শুরু করবেন। রাত ১০ টা পর্যন্ত এই ফেজ চলবে।
তাহলে যদি দেখি,
ভোর ৪ টা - দুপুর ১২ টা = ৮ ঘন্টা
দুপুর ১ টা - রাত ১০ = ৮/৯ ঘন্টা
তারমানে টোটাল ১৬ ঘন্টা আপনি সময় দিয়েছেন। একজন মানুষের ২৪ ঘন্টায় ওয়ার্কিং টাইম দেয় দিনে ৮ ঘন্টা। সেখানে আপনি দিচ্ছেন ১৬ ঘন্টা।
২ দিনের কাজ = ১ দিন
আশা করি এই ট্রিকস টা কাজে লাগবে। ~Aktaruzzaman Joti
❤16
✍🏻পড়াশোনার বিষয়বস্তু মনে রাখার জন্য কি করা প্রয়োজন?
✓বারবার পড়া
✓রাতে পর্যাপ্ত ঘুম
✓বেশি করে পানি খাওয়া ও পরিমিত খাবার
✓বারবার পড়া
✓রাতে পর্যাপ্ত ঘুম
✓বেশি করে পানি খাওয়া ও পরিমিত খাবার
😢5❤3
কনসিস্টেন্সি আপনার জীবন পাল্টে দিতে পারে। কিন্তু মুশকিল হলো, বেশিরভাগ মানুষ এটা ধরে রাখতে পারে না। কনসিস্টেন্ট থাকার পয়েন্টগুলো:
১. ছোট কাজ, বড় ফলাফল
অনেকেই ভাবে বড় কিছু করতে হলে একবারে বিশাল কিছু করতে হবে। ভুল। আসল হলো ছোট ছোট কাজ। আপনি যদি প্রতিদিন ১% ভালো করেন, এক বছর পর সেটা হবে ৩৭ গুণ ইমপ্রুভমেন্ট। ধরুন, প্রতিদিন ২০ মিনিট বই পড়লেন—এক বছর পর আপনি ১৫-২০টা বই পড়ে ফেলবেন।
২. মোটিভেশন ফেইক, ডিসিপ্লিন রিয়াল
মোটিভেশন আসে আর যায়। আপনি যদি ভাবেন প্রতিদিন মোটিভেটেড ফিল করবেন, ভুল ভাবছেন। আসল কাজ হলো ডিসিপ্লিন। মোটিভেশন আপনার শুরুর জন্য দরকার, কিন্তু ডিসিপ্লিন ছাড়া শেষ করতে পারবেন না।
৩. টাইম ইজ এভরিথিং
কনসিস্টেন্সির আসল ম্যাজিক হলো সময়। একদিনে কিছুই হবে না। এক মাসেও হয়তো ফলাফল পাবেন না। কিন্তু ৬ মাস, এক বছর পর যখন পেছনে তাকাবেন, দেখবেন কতটা বদলেছেন। তাই ধৈর্য ধরুন।
৪. স্পিড না, স্ট্যাবিলিটি ইম্পরট্যান্ট
অনেকে শুরুতেই সব দিয়ে দেয়। এক সপ্তাহে পুরো এনার্জি শেষ। তারপর আর কিছু করতে পারে না। আপনি যদি কচ্ছপের মতোও এগোন, কিন্তু কনসিস্টেন্ট থাকেন, আপনি রেস জিতবেন।
৫. নিজের জন্য ইজি করুন
কনসিস্টেন্ট থাকতে হলে কাজটা নিজের জন্য সহজ করতে হবে। ধরুন, আপনি পড়তে চান। প্রতিদিন ১০০ পৃষ্ঠা পড়া শুরু করবেন না। বরং ১০ পৃষ্ঠা পড়ুন, কিন্তু প্রতিদিন। এই ছোট ছোট চেঞ্জগুলোই আসল।
১. ছোট কাজ, বড় ফলাফল
অনেকেই ভাবে বড় কিছু করতে হলে একবারে বিশাল কিছু করতে হবে। ভুল। আসল হলো ছোট ছোট কাজ। আপনি যদি প্রতিদিন ১% ভালো করেন, এক বছর পর সেটা হবে ৩৭ গুণ ইমপ্রুভমেন্ট। ধরুন, প্রতিদিন ২০ মিনিট বই পড়লেন—এক বছর পর আপনি ১৫-২০টা বই পড়ে ফেলবেন।
২. মোটিভেশন ফেইক, ডিসিপ্লিন রিয়াল
মোটিভেশন আসে আর যায়। আপনি যদি ভাবেন প্রতিদিন মোটিভেটেড ফিল করবেন, ভুল ভাবছেন। আসল কাজ হলো ডিসিপ্লিন। মোটিভেশন আপনার শুরুর জন্য দরকার, কিন্তু ডিসিপ্লিন ছাড়া শেষ করতে পারবেন না।
৩. টাইম ইজ এভরিথিং
কনসিস্টেন্সির আসল ম্যাজিক হলো সময়। একদিনে কিছুই হবে না। এক মাসেও হয়তো ফলাফল পাবেন না। কিন্তু ৬ মাস, এক বছর পর যখন পেছনে তাকাবেন, দেখবেন কতটা বদলেছেন। তাই ধৈর্য ধরুন।
৪. স্পিড না, স্ট্যাবিলিটি ইম্পরট্যান্ট
অনেকে শুরুতেই সব দিয়ে দেয়। এক সপ্তাহে পুরো এনার্জি শেষ। তারপর আর কিছু করতে পারে না। আপনি যদি কচ্ছপের মতোও এগোন, কিন্তু কনসিস্টেন্ট থাকেন, আপনি রেস জিতবেন।
৫. নিজের জন্য ইজি করুন
কনসিস্টেন্ট থাকতে হলে কাজটা নিজের জন্য সহজ করতে হবে। ধরুন, আপনি পড়তে চান। প্রতিদিন ১০০ পৃষ্ঠা পড়া শুরু করবেন না। বরং ১০ পৃষ্ঠা পড়ুন, কিন্তু প্রতিদিন। এই ছোট ছোট চেঞ্জগুলোই আসল।
🔥6