Fe2+ VS Fe3+
NH4OH +Fe2+= সবুজ বর্ণ (খেয়াল করে দেখুন ফেরাস(Fe2+) বানানের শেষেও 'স' আছে
এভাবে মনে রাখবেন
Fe3+NH4OH=বাদামী
©
➡️Click here for more
https://t.me/chemistrysolving
NH4OH +Fe2+= সবুজ বর্ণ (খেয়াল করে দেখুন ফেরাস(Fe2+) বানানের শেষেও 'স' আছে
এভাবে মনে রাখবেন
Fe3+NH4OH=বাদামী
©
➡️Click here for more
https://t.me/chemistrysolving
❤4
প্রাণিবিজ্ঞান ১ম অধ্যায় (শর্টকাট টেকনিক এবং টপিক বিশ্লেষণ)
➡️Click here for more
https://t.me/zoologypractice
➡️Click here for more
https://t.me/zoologypractice
❤7
Botany
Chapter-4
📌ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ:
✪AIDS ➳ HIV
✪ডেঙ্গু ➳ ফ্লাভি ভাইরাস
✪মাইক্রোসেফালি ➳ জিকা ভাইরাস
✪চিকুনগুনিয়া ➳ চিকুনগুনিয়া ভাইরাস
✪বার্ড ফ্লু ➳ H5N1
✪সোয়াইন ফ্লু ➳ H1N1
✪পোলিওমাইলাইটিস ➳ পোলিও ভাইরাস
✪SARS ➳ নিপা ভাইরাস
✪জলাতাঙ্ক ➳ র্যাবিস ভাইরাস
✪গুটি বসন্ত ➳ ভেরিওলা ভাইরাস
✪জলবসন্ত ➳ Varicella zoster virus
✪কোষ লাইসিস ➳ ইবোলা ভাইরাস
✪হাম ➳ রুবেলা ভাইরাস
✪ভাইরাল হেপাটাইটিস ➳ হেপাটাইটিস-সি ভাইরাস
এই কয়েকটা মনে রাখলেই হবে। এইগুলোর বাইরে আসে না।
📌ম্যালেরিয়া পরজীবী:
Plasmodium গণের প্রায় ৬০টি প্রজাতি ম্যালেরিয়া পরজীবী নামে পরিচিত। ৬০টি প্রজাতির মধ্যে ৪টি প্রজাতি মানবদেহে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। যেমন-
✪Plasmodium vivax ➳ বিনাইন টার্সিয়ান ম্যালেরিয়া
✪Plasmodium falciparum ➳ ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া
✪Plasmodium ovale ➳ মাইল্ড(মৃদু) টার্সিয়ান ম্যালেরিয়া
✪Plasmodium malariae ➳ কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া
📌ম্যালেরিয়া টিকা:
✪বিশ্বের প্রথম ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক টিকা "Mosquirix" যা RTSS নামেও পরিচিত।
✪৪টি ডোজের এই টিকা Plasmodium falciparum জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সক্ষম।
📌জনুক্রম:
কোন জীবের জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশার পর্যায়ক্রমে আবর্তনকে জনুক্রম বলে। ম্যালেরিয়াতে সুস্পষ্ট জনুক্রম দেখা যায়।
হ্যাপ্লয়েড দশা:
✪স্পোরোজয়েট
✪ক্রিপ্টোজয়েট
✪ট্রফোজয়েট
✪সাইজন্ট
✪মাইক্রো মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট
✪ম্যাক্রো মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট
✪মাইক্রো গ্যামিটোসাইট(পুং গ্যামিট)
✪ম্যাক্রো গ্যামিটোসাইট(স্ত্রী গ্যামিট)
ডিপ্লয়েড দশা:
মনে রাখার Tricks : "জাউ"
✪জা ➳ জাইগোট
✪উ ➳ উকিনেট
✪উ ➳ উওসিস্ট
Confusing Area:
✪নিমোনিক দিয়ে শুধু ডিপ্লয়েড দশা মনে রাখলেই হবে। হ্যাপ্লয়েড দশা অপশন থেকে Eliminate করে বের করতে পারবে।
📌ম্যালেরিয়া পরজীবী:
Plasmodium গণের প্রায় ৬০টি প্রজাতি ম্যালেরিয়া পরজীবী নামে পরিচিত। ৬০টি প্রজাতির মধ্যে ৪টি প্রজাতি মানবদেহে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। এদের সুপ্তাবস্তা-
✪Plasmodium vivax(বিনাইন টার্সিয়ান ম্যালেরিয়া) ➳ ১২-২০ দিন
✪Plasmodium falciparum(ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া) ➳ ৮-১৫ দিন
✪Plasmodium ovale(মাইল্ড বা মৃদু টার্সিয়ান ম্যালেরিয়া) ➳ ১১-১৬ দিন
✪Plasmodium malariae(কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া) ➳ ১৮-৪০ দিন
📌ভাইরাসঘটিত রোগ:
মনে রাখার Tricks- "হায় বসন্ত মাস এলো ভাইকে ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেঙ্গু জ্বরে পেল"
✪হায় ➳ হাম, হার্পিস, হেপাটাইসিস-বি
✪বসন্ত ➳ বসন্ত
✪মাস ➳ মাম্পস
✪এলো ➳ এইডস
✪ভাইকে ➳ ভাইরাল
✪ইনফ্লুয়েঞ্জা ➳ ইনফ্লুয়েঞ্জা
✪ডেঙ্গু ➳ ডেঙ্গু
✪জ্বরে ➳ জলাতঙ্ক
✪পেল ➳ পোলিও, পীতজ্বর(Yellow fever)
নিমোনিক দিয়ে ভাইরাসঘটিত অথবা ব্যাকটেরিয়াঘটিত যেকোন একটির রোগগুলো মনে রেখো। তাহলেই সব পারবে। অপশন থেকে eliminate করে।
📌কোষের আকৃতির ভিত্তিতে ব্যাকটেরিয়ার প্রকারভেদ:
✪সর্পিলাকার/স্পাইরিলাম ➳ Spirillum minus
✪কমাকৃতির/ভিব্রিও ➳ Vibrio cholerae
✪বহুরূপী ➳ Rhizobium sp.
✪তারকাকার/স্টিলেট ➳ Stella sp.
✪সূত্রাকার/ফিলামেন্টাস ➳ Candidatus savagella
✪বর্গাকৃতির ➳ Haloquadratum walsbyi
📌প্রকৃতির ঝাড়ুদার:
✪উদ্ভিদ ও প্রাণীর যাবতীয় মৃতদেহ, বর্জ্য পদার্থ ও অন্যান্য জঞ্জাল পচন প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পরিবেশের সুরক্ষায় গুরুত্বের জন্য ব্যাকটেরিয়াকে "প্রকৃতির ঝাড়ুদার" বলে।
📌ডিনাইট্রিফিকেশন/নাইট্রোজেন সংবন্ধন: সরাসরি বায়ু হতে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে নাইট্রোজেন যৌগ পদার্থ হিসেবে মাটিতে স্থাপন করা। যেসব ব্যাকটেরিয়া ডিনাইট্রিফিকেশনে ভূমিকা রাখে তাদের ডিনাইট্রিফাইং বলে। যেমন-
✪Azotobacter
✪Pseudomonas
✪Clostridium
✪Rhizobium
বিশেষ তথ্য:
✪Rhizobium ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে থাকে।
📌গোলাকার/Spherical ভাইরাস:
✪TIV
✪পোলিও ভাইরাস
✪HIV
✪ডেঙ্গু ভাইরাস
মনে রাখার Tricks: "Tipu PHD করেছে"
✪Tipu ➳ TIV
✪P ➳ পোলিও ভাইরাস
✪H ➳ HIV
✪D ➳ ডেঙ্গু ভাইরাস
📌নাইট্রিফিকেশন: অ্যামোনিয়াকে নাইট্রেট-এ পরিণত করা। আর যেসব ব্যাকটেরিয়া নাইট্রিফিকেশনে ভূমিকা রাখে তাদেরকে নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া বলে। যেমন-
✪Nitrosomonas
✪Nitrococcus
✪Nitrobacter
মনে রাখার Tricks: সকল নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়ার নামের প্রথমে "Nitro" আছে।
©
✅Click here for more
https://t.me/botanypractice
Chapter-4
📌ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ:
✪AIDS ➳ HIV
✪ডেঙ্গু ➳ ফ্লাভি ভাইরাস
✪মাইক্রোসেফালি ➳ জিকা ভাইরাস
✪চিকুনগুনিয়া ➳ চিকুনগুনিয়া ভাইরাস
✪বার্ড ফ্লু ➳ H5N1
✪সোয়াইন ফ্লু ➳ H1N1
✪পোলিওমাইলাইটিস ➳ পোলিও ভাইরাস
✪SARS ➳ নিপা ভাইরাস
✪জলাতাঙ্ক ➳ র্যাবিস ভাইরাস
✪গুটি বসন্ত ➳ ভেরিওলা ভাইরাস
✪জলবসন্ত ➳ Varicella zoster virus
✪কোষ লাইসিস ➳ ইবোলা ভাইরাস
✪হাম ➳ রুবেলা ভাইরাস
✪ভাইরাল হেপাটাইটিস ➳ হেপাটাইটিস-সি ভাইরাস
এই কয়েকটা মনে রাখলেই হবে। এইগুলোর বাইরে আসে না।
📌ম্যালেরিয়া পরজীবী:
Plasmodium গণের প্রায় ৬০টি প্রজাতি ম্যালেরিয়া পরজীবী নামে পরিচিত। ৬০টি প্রজাতির মধ্যে ৪টি প্রজাতি মানবদেহে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। যেমন-
✪Plasmodium vivax ➳ বিনাইন টার্সিয়ান ম্যালেরিয়া
✪Plasmodium falciparum ➳ ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া
✪Plasmodium ovale ➳ মাইল্ড(মৃদু) টার্সিয়ান ম্যালেরিয়া
✪Plasmodium malariae ➳ কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া
📌ম্যালেরিয়া টিকা:
✪বিশ্বের প্রথম ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক টিকা "Mosquirix" যা RTSS নামেও পরিচিত।
✪৪টি ডোজের এই টিকা Plasmodium falciparum জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সক্ষম।
📌জনুক্রম:
কোন জীবের জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশার পর্যায়ক্রমে আবর্তনকে জনুক্রম বলে। ম্যালেরিয়াতে সুস্পষ্ট জনুক্রম দেখা যায়।
হ্যাপ্লয়েড দশা:
✪স্পোরোজয়েট
✪ক্রিপ্টোজয়েট
✪ট্রফোজয়েট
✪সাইজন্ট
✪মাইক্রো মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট
✪ম্যাক্রো মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট
✪মাইক্রো গ্যামিটোসাইট(পুং গ্যামিট)
✪ম্যাক্রো গ্যামিটোসাইট(স্ত্রী গ্যামিট)
ডিপ্লয়েড দশা:
মনে রাখার Tricks : "জাউ"
✪জা ➳ জাইগোট
✪উ ➳ উকিনেট
✪উ ➳ উওসিস্ট
Confusing Area:
✪নিমোনিক দিয়ে শুধু ডিপ্লয়েড দশা মনে রাখলেই হবে। হ্যাপ্লয়েড দশা অপশন থেকে Eliminate করে বের করতে পারবে।
📌ম্যালেরিয়া পরজীবী:
Plasmodium গণের প্রায় ৬০টি প্রজাতি ম্যালেরিয়া পরজীবী নামে পরিচিত। ৬০টি প্রজাতির মধ্যে ৪টি প্রজাতি মানবদেহে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। এদের সুপ্তাবস্তা-
✪Plasmodium vivax(বিনাইন টার্সিয়ান ম্যালেরিয়া) ➳ ১২-২০ দিন
✪Plasmodium falciparum(ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া) ➳ ৮-১৫ দিন
✪Plasmodium ovale(মাইল্ড বা মৃদু টার্সিয়ান ম্যালেরিয়া) ➳ ১১-১৬ দিন
✪Plasmodium malariae(কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া) ➳ ১৮-৪০ দিন
📌ভাইরাসঘটিত রোগ:
মনে রাখার Tricks- "হায় বসন্ত মাস এলো ভাইকে ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেঙ্গু জ্বরে পেল"
✪হায় ➳ হাম, হার্পিস, হেপাটাইসিস-বি
✪বসন্ত ➳ বসন্ত
✪মাস ➳ মাম্পস
✪এলো ➳ এইডস
✪ভাইকে ➳ ভাইরাল
✪ইনফ্লুয়েঞ্জা ➳ ইনফ্লুয়েঞ্জা
✪ডেঙ্গু ➳ ডেঙ্গু
✪জ্বরে ➳ জলাতঙ্ক
✪পেল ➳ পোলিও, পীতজ্বর(Yellow fever)
নিমোনিক দিয়ে ভাইরাসঘটিত অথবা ব্যাকটেরিয়াঘটিত যেকোন একটির রোগগুলো মনে রেখো। তাহলেই সব পারবে। অপশন থেকে eliminate করে।
📌কোষের আকৃতির ভিত্তিতে ব্যাকটেরিয়ার প্রকারভেদ:
✪সর্পিলাকার/স্পাইরিলাম ➳ Spirillum minus
✪কমাকৃতির/ভিব্রিও ➳ Vibrio cholerae
✪বহুরূপী ➳ Rhizobium sp.
✪তারকাকার/স্টিলেট ➳ Stella sp.
✪সূত্রাকার/ফিলামেন্টাস ➳ Candidatus savagella
✪বর্গাকৃতির ➳ Haloquadratum walsbyi
📌প্রকৃতির ঝাড়ুদার:
✪উদ্ভিদ ও প্রাণীর যাবতীয় মৃতদেহ, বর্জ্য পদার্থ ও অন্যান্য জঞ্জাল পচন প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পরিবেশের সুরক্ষায় গুরুত্বের জন্য ব্যাকটেরিয়াকে "প্রকৃতির ঝাড়ুদার" বলে।
📌ডিনাইট্রিফিকেশন/নাইট্রোজেন সংবন্ধন: সরাসরি বায়ু হতে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে নাইট্রোজেন যৌগ পদার্থ হিসেবে মাটিতে স্থাপন করা। যেসব ব্যাকটেরিয়া ডিনাইট্রিফিকেশনে ভূমিকা রাখে তাদের ডিনাইট্রিফাইং বলে। যেমন-
✪Azotobacter
✪Pseudomonas
✪Clostridium
✪Rhizobium
বিশেষ তথ্য:
✪Rhizobium ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে থাকে।
📌গোলাকার/Spherical ভাইরাস:
✪TIV
✪পোলিও ভাইরাস
✪HIV
✪ডেঙ্গু ভাইরাস
মনে রাখার Tricks: "Tipu PHD করেছে"
✪Tipu ➳ TIV
✪P ➳ পোলিও ভাইরাস
✪H ➳ HIV
✪D ➳ ডেঙ্গু ভাইরাস
📌নাইট্রিফিকেশন: অ্যামোনিয়াকে নাইট্রেট-এ পরিণত করা। আর যেসব ব্যাকটেরিয়া নাইট্রিফিকেশনে ভূমিকা রাখে তাদেরকে নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া বলে। যেমন-
✪Nitrosomonas
✪Nitrococcus
✪Nitrobacter
মনে রাখার Tricks: সকল নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়ার নামের প্রথমে "Nitro" আছে।
©
✅Click here for more
https://t.me/botanypractice
❤1
Forwarded from Physics practice
🔰টিকোনাল VS ফিকোনাল VS ভিকালয়
🔘Most Important Chart-Physics
1.টিকোনাল স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহূত হয়
Trick:শক্তিশালী জিনিস বেশি টিকে থাকে অর্থাৎ (স্থায়ী) হয় !!(টিকে-টিকোনাল)
2.ফিকোনাল লাউড স্পিকার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়
Trick:কিছু ছোট বাচ্চা থাকে যারা First এ ফুপে ফুপে কান্না করে এটাকে আমাদের এলাকায় বলে ফিক লেগে কান্না করা ..Then ফিক লেগে
কান্না করার এত উচ্চস্বরে কান্না করে যে যেকোন লাউড স্পিকার Sound Slow মনে হবে
So ফুপে <ফিক<ফিকোনাল<লাউড স্পীকার
3.ভিকালয় টেপ রেকর্ডিংয়ে ব্যবহৃত হয়
Trick:Just Veet It (আশা করি এই Ad টা দেখতে দেখতে তোমার কান পঁচে গেছে গেছে )
সারাদিন দেয় রে ভাই টিভিতে এই ad..বিরক্তিকর☹️
এটা এভাবে মনে রাখতে পারো ভিট<ভি-ট<ভিকালয়-টেপ রেকর্ডিং<ভ তে ভিকালয় ট তে টেপ রেকর্ডিং
©
➡️Click here for more
https://t.me/physicspracticed
🔘Most Important Chart-Physics
1.টিকোনাল স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহূত হয়
Trick:শক্তিশালী জিনিস বেশি টিকে থাকে অর্থাৎ (স্থায়ী) হয় !!(টিকে-টিকোনাল)
2.ফিকোনাল লাউড স্পিকার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়
Trick:কিছু ছোট বাচ্চা থাকে যারা First এ ফুপে ফুপে কান্না করে এটাকে আমাদের এলাকায় বলে ফিক লেগে কান্না করা ..Then ফিক লেগে
কান্না করার এত উচ্চস্বরে কান্না করে যে যেকোন লাউড স্পিকার Sound Slow মনে হবে
So ফুপে <ফিক<ফিকোনাল<লাউড স্পীকার
3.ভিকালয় টেপ রেকর্ডিংয়ে ব্যবহৃত হয়
Trick:Just Veet It (আশা করি এই Ad টা দেখতে দেখতে তোমার কান পঁচে গেছে গেছে )
সারাদিন দেয় রে ভাই টিভিতে এই ad..বিরক্তিকর☹️
এটা এভাবে মনে রাখতে পারো ভিট<ভি-ট<ভিকালয়-টেপ রেকর্ডিং<ভ তে ভিকালয় ট তে টেপ রেকর্ডিং
©
➡️Click here for more
https://t.me/physicspracticed
❤9🔥2
https://drive.google.com/file/d/15mVGycMbdgzCoP4F2sk0ANX6RQSbYpYc/view
©Razib
➡️Click here for more
https://t.me/recentGK
©Razib
➡️Click here for more
https://t.me/recentGK
❤6
মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার অনুরূপ এক্সাম ব্যাচ –
“Battle of Stetho”
📖 Exam System:
(১)রুটিন ভিত্তিক পরীক্ষার পাশাপাশি প্রতিদিন এক্সট্রা পরীক্ষা হবে, পরীক্ষাগুলো যেকোনো সময়ে দেয়া যাবে ।
(২)সকল বিষয়ের অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন আগেই দিয়ে দেয়া হবে । পরীক্ষাগুলো নিজে নিজে ওএমআর শিটে দেয়ার চেষ্টা করবে । ফলে ওএমআর শিটে পরীক্ষা দেয়ার অভিজ্ঞতা তৈরি হবে ।
(৩)পাশাপাশি নির্ধারিত প্রাইভেট টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রাকটিসের জন্য প্রতিনিয়ত পোল আকারে প্রশ্ন দেয়া হবে । পোল এক্সামের মাধ্যমে মেডিকেল ও ডেন্টাল প্রশ্নব্যাংক, একাধিক লেখকের অনুশীলনীর MCQ, AFMC, কৃষি প্রশ্নব্যাংক, বোর্ড প্রশ্ন ইত্যাদি প্রাকটিস করতে পারবে।
(৪)ডেইলি এক্সামগুলোর পূর্ণমান থাকবে ৩০ এবং সময় ১২ মিনিট; রিভিউ এক্সামগুলোর পূর্ণমান ৫০ এবং সময় ২০ মিনিট; পেপার ফাইনাল, সাবজেক্ট ফাইনাল ও পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্টগুলোর পূর্ণমান ১০০ এবং সময় ৪৫ মিনিট ।
➡️For registration messege here
@PracticeChannel_Officialbot
➡️Routine
https://t.me/DemoExam/108?single
“Battle of Stetho”
📖 Exam System:
(১)রুটিন ভিত্তিক পরীক্ষার পাশাপাশি প্রতিদিন এক্সট্রা পরীক্ষা হবে, পরীক্ষাগুলো যেকোনো সময়ে দেয়া যাবে ।
(২)সকল বিষয়ের অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন আগেই দিয়ে দেয়া হবে । পরীক্ষাগুলো নিজে নিজে ওএমআর শিটে দেয়ার চেষ্টা করবে । ফলে ওএমআর শিটে পরীক্ষা দেয়ার অভিজ্ঞতা তৈরি হবে ।
(৩)পাশাপাশি নির্ধারিত প্রাইভেট টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রাকটিসের জন্য প্রতিনিয়ত পোল আকারে প্রশ্ন দেয়া হবে । পোল এক্সামের মাধ্যমে মেডিকেল ও ডেন্টাল প্রশ্নব্যাংক, একাধিক লেখকের অনুশীলনীর MCQ, AFMC, কৃষি প্রশ্নব্যাংক, বোর্ড প্রশ্ন ইত্যাদি প্রাকটিস করতে পারবে।
(৪)ডেইলি এক্সামগুলোর পূর্ণমান থাকবে ৩০ এবং সময় ১২ মিনিট; রিভিউ এক্সামগুলোর পূর্ণমান ৫০ এবং সময় ২০ মিনিট; পেপার ফাইনাল, সাবজেক্ট ফাইনাল ও পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্টগুলোর পূর্ণমান ১০০ এবং সময় ৪৫ মিনিট ।
➡️For registration messege here
@PracticeChannel_Officialbot
➡️Routine
https://t.me/DemoExam/108?single
Telegram
Exam System[Practice Channel]
❤4
🔰ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় A-Z 🔰
🎓 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সকল তথ্য, নতুন মানবন্টন কেমন হবে, আবেদন করতে কত পয়েন্ট লাগবে, রেজাল্ট, কত মার্কস যোগ হবে ও কিভাবে প্রিপারেশন নিলে চান্স পাবা তার বিস্তারিতঃ-
🔰 আসনসংখ্যাঃ-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসনসংখ্যা ৬১৫৫ টি।
⛔ক ইউনিটে ( বিজ্ঞান বিভাগে) আছে 1851 সিট
⛔গ ইউনিটে আছে 930 সিট
⛔চ ইউনিটে আছে 130 সিট।
⛔আইবিএ তে আছে 120 সিট।
⛔খ ইউনিটে - মানবিক বিভাগের - আছে ১৭৮৮ সিট
.
⛔B ইউনিটে আবার আরো ১৩৩৬ টা সিট আছে বিভাগ পরিবর্তন এর। ৩ ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়।
⛔বিজ্ঞান বিভাগের স্টুডেন্টসদের জন্য ৯০৫ টা।
⛔মানবিক বিভাগের স্টুডেন্টসদের জন্য মাত্র ২৫ টা।
⛔ব্যবসা শিক্ষা বিভাগের স্টুডেন্টসদের জন্য ২৬৫ টা সিট।
★ কোটায় সিট ১৪১ টি৷
🤔 বিজ্ঞান বিভাগের স্টুডেন্টস যদি B ইউনিটে চান্স পায় তাহলে তারা কমার্সের ও আর্টসের সবগুলো সাবজেক্ট পাবে। ৯০৫ টা সিট। মানবিক বিভাগের স্টুডেন্টস যদি বিভাগ পরিবর্তন করে চান্স পায় তাহলে তারা কমার্সের সবগুলো সাবজেক্ট এবং সাইন্সের - পরিসংখ্যান সাবজেক্ট পাবে। ২৫ টা সিট।
🤔 ব্যবসা শিক্ষা বিভাগের স্টুডেন্টস যদি B ইউনিটে চান্স পায় তাহলে তারা আর্টসের সবগুলো সাবজেক্ট ও সাইন্সের - মনোবিজ্ঞান ও ভূগোল সাবজেক্ট পাবে। ২৬৫ টা তাদের সিট।
🎓 আবেদন যোগ্যতাঃ-
🟠 ক ইউনিটঃ দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান অথবা কৃষিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৮.০০ (৪র্থ বিষয়সহ)। আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.৫ করে।
🟠 গ ইউনিটঃ দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৭.৫০ (৪র্থ বিষয়সহ)। আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.০ করে।
🟠 খ ইউনিটঃ দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান অথবা কৃষিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৮.০০ (৪র্থ বিষয়সহ)। আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.৫ করে।
🎓 দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মানবিক বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৭.৫০ (৪র্থ বিষয়সহ)। আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.০ করে।
🎓 দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৭.৫০ (৪র্থ বিষয়/অপশনাল সহ)
আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.০ করে।
🎓 চ ইউনিটঃ দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে যেকোন বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৬.৫০ (৪র্থ বিষয়/অপশনাল সহ)। আলাদাভাবে SSC,HSC তে কমপক্ষে ৩.০০ করে থাকতে হবে ।
🎓 আবেদনের নিয়মাবলীঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ওয়েবসাইট থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ''লগইন'' বাটনে ক্লিক করে আবেদন করতে হবে।
🔴 অনুষদ ও বিভাগ সমূহঃ
🔰 ক ইউনিটঃ-
বিজ্ঞান অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, আর্থ এন্ড এনভারমেন্টাল সায়েন্সস অনুষদ, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ, ফার্মেসি অনুষদ, পরিসংখ্যান অনুষদ, পুষ্ট ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, তথ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট এর অধীনে নিম্মোক্ত বিভাগ সমূহ-
⛔ জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি
⛔ ফার্মেসী
⛔পরিসংখ্যান, ও তথ্য পরিসংখ্যান
⛔ফলিত গনিত
⛔ মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ
⛔উদ্ভিদ বিজ্ঞান
⛔ প্রাণি বিজ্ঞান
⛔প্রাণ রসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান
⛔মনোবিজ্ঞান
⛔ অনুজীব বিজ্ঞান
⛔ মৎস্যবিজ্ঞান
⛔ পদার্থ
⛔ গনিত
⛔ ভূগোল ও পরিবেশ
⛔ভূতত্ত্
⛔দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা
⛔ ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ ফলিত রসায়ন
⛔ কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল
⛔ ফলিত পরিসংখ্যান
⛔পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান
⛔ রসায়ন
⛔ লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔লেদার প্রোডাক্টস ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ সমুদ্র বিজ্ঞান
⛔ মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ
⛔ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ফুডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারি
⛔রোবটিক্স এন্ড ম্যাকট্রুনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং
🔰 খ ইউনিটঃ
কলা অনুষদ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, আইন অনুষদ, সমাজকল্যান ও গবেষণা ও ইনস্টিটিউট, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (বি.এড), আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনেরাবিলিটি স্টাডিজ এর অধীনে-
⛔বাংলা
⛔ইংরেজী
⛔আরবি
⛔ ফারসি ভাষা ও সাহিত্য
⛔ উর্দু
⛔ সংস্কৃত
⛔পালি এন্ড বুদ্ধিষ্ট স্টাডিজ
⛔ ইতিহাস
⛔দর্শন
⛔ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
⛔ ইসলামি স্টাডিজ
⛔ তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা
⛔ ভাষাবিজ্ঞান
🎓 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সকল তথ্য, নতুন মানবন্টন কেমন হবে, আবেদন করতে কত পয়েন্ট লাগবে, রেজাল্ট, কত মার্কস যোগ হবে ও কিভাবে প্রিপারেশন নিলে চান্স পাবা তার বিস্তারিতঃ-
🔰 আসনসংখ্যাঃ-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসনসংখ্যা ৬১৫৫ টি।
⛔ক ইউনিটে ( বিজ্ঞান বিভাগে) আছে 1851 সিট
⛔গ ইউনিটে আছে 930 সিট
⛔চ ইউনিটে আছে 130 সিট।
⛔আইবিএ তে আছে 120 সিট।
⛔খ ইউনিটে - মানবিক বিভাগের - আছে ১৭৮৮ সিট
.
⛔B ইউনিটে আবার আরো ১৩৩৬ টা সিট আছে বিভাগ পরিবর্তন এর। ৩ ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়।
⛔বিজ্ঞান বিভাগের স্টুডেন্টসদের জন্য ৯০৫ টা।
⛔মানবিক বিভাগের স্টুডেন্টসদের জন্য মাত্র ২৫ টা।
⛔ব্যবসা শিক্ষা বিভাগের স্টুডেন্টসদের জন্য ২৬৫ টা সিট।
★ কোটায় সিট ১৪১ টি৷
🤔 বিজ্ঞান বিভাগের স্টুডেন্টস যদি B ইউনিটে চান্স পায় তাহলে তারা কমার্সের ও আর্টসের সবগুলো সাবজেক্ট পাবে। ৯০৫ টা সিট। মানবিক বিভাগের স্টুডেন্টস যদি বিভাগ পরিবর্তন করে চান্স পায় তাহলে তারা কমার্সের সবগুলো সাবজেক্ট এবং সাইন্সের - পরিসংখ্যান সাবজেক্ট পাবে। ২৫ টা সিট।
🤔 ব্যবসা শিক্ষা বিভাগের স্টুডেন্টস যদি B ইউনিটে চান্স পায় তাহলে তারা আর্টসের সবগুলো সাবজেক্ট ও সাইন্সের - মনোবিজ্ঞান ও ভূগোল সাবজেক্ট পাবে। ২৬৫ টা তাদের সিট।
🎓 আবেদন যোগ্যতাঃ-
🟠 ক ইউনিটঃ দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান অথবা কৃষিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৮.০০ (৪র্থ বিষয়সহ)। আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.৫ করে।
🟠 গ ইউনিটঃ দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৭.৫০ (৪র্থ বিষয়সহ)। আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.০ করে।
🟠 খ ইউনিটঃ দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান অথবা কৃষিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৮.০০ (৪র্থ বিষয়সহ)। আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.৫ করে।
🎓 দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মানবিক বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৭.৫০ (৪র্থ বিষয়সহ)। আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.০ করে।
🎓 দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৭.৫০ (৪র্থ বিষয়/অপশনাল সহ)
আলাদাভাবে SSC, HSC তে ৩.০ করে।
🎓 চ ইউনিটঃ দেশের যেকোন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে যেকোন বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ৬.৫০ (৪র্থ বিষয়/অপশনাল সহ)। আলাদাভাবে SSC,HSC তে কমপক্ষে ৩.০০ করে থাকতে হবে ।
🎓 আবেদনের নিয়মাবলীঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ওয়েবসাইট থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ''লগইন'' বাটনে ক্লিক করে আবেদন করতে হবে।
🔴 অনুষদ ও বিভাগ সমূহঃ
🔰 ক ইউনিটঃ-
বিজ্ঞান অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, আর্থ এন্ড এনভারমেন্টাল সায়েন্সস অনুষদ, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ, ফার্মেসি অনুষদ, পরিসংখ্যান অনুষদ, পুষ্ট ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, তথ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট এর অধীনে নিম্মোক্ত বিভাগ সমূহ-
⛔ জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি
⛔ ফার্মেসী
⛔পরিসংখ্যান, ও তথ্য পরিসংখ্যান
⛔ফলিত গনিত
⛔ মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ
⛔উদ্ভিদ বিজ্ঞান
⛔ প্রাণি বিজ্ঞান
⛔প্রাণ রসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান
⛔মনোবিজ্ঞান
⛔ অনুজীব বিজ্ঞান
⛔ মৎস্যবিজ্ঞান
⛔ পদার্থ
⛔ গনিত
⛔ ভূগোল ও পরিবেশ
⛔ভূতত্ত্
⛔দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা
⛔ ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ ফলিত রসায়ন
⛔ কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল
⛔ ফলিত পরিসংখ্যান
⛔পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান
⛔ রসায়ন
⛔ লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔লেদার প্রোডাক্টস ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ সমুদ্র বিজ্ঞান
⛔ মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ
⛔ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
⛔ফুডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারি
⛔রোবটিক্স এন্ড ম্যাকট্রুনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং
🔰 খ ইউনিটঃ
কলা অনুষদ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, আইন অনুষদ, সমাজকল্যান ও গবেষণা ও ইনস্টিটিউট, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (বি.এড), আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনেরাবিলিটি স্টাডিজ এর অধীনে-
⛔বাংলা
⛔ইংরেজী
⛔আরবি
⛔ ফারসি ভাষা ও সাহিত্য
⛔ উর্দু
⛔ সংস্কৃত
⛔পালি এন্ড বুদ্ধিষ্ট স্টাডিজ
⛔ ইতিহাস
⛔দর্শন
⛔ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
⛔ ইসলামি স্টাডিজ
⛔ তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা
⛔ ভাষাবিজ্ঞান
⛔ নাট্য কলা ও সংগীত
⛔ বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব
⛔ অর্থনীতি
⛔ রাষ্ট্রবিজ্ঞান
⛔নৃবিজ্ঞান
⛔ গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকত
⛔সমাজবিজ্ঞান
⛔ লোক-প্রশাসন
⛔ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
⛔ শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন
⛔ উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ
⛔ উন্নয়ন অধয়ন
⛔ আইন
⛔ ভূগোল ও পরিবেশ
⛔মনোবিজ্ঞান
⛔সমাজকল্যান
⛔শিক্ষা (বি.এড)
⛔ স্বাস্থ্য অর্থনীতি
⛔ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট
⛔টেলিভিশন এন্ড চলচ্চিত্র
⛔ভাষাবিজ্ঞান
⛔প্রশাসন
⛔ ক্রিমিনোলজি
⛔যোগাযোগ বৈকল্
⛔English for Speakers of Other Languages (ESOL)
⛔ French as a Foreign Language (FFL)
🔰 গ ইউনিটঃ
বিজনেস স্টাডিজ (BBA) অনুষদের অধীনে-
⛔ ব্যাবস্থাপনা
⛔ একাউনটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম
⛔মার্কেটিং
⛔ ফিন্যান্স
⛔ ব্যাংকিং এন্ড ইনসিওরেন্স
⛔ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম
⛔ ট্যুরিজ্ম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট
⛔ ইন্টারন্যাশনাল বিজনে
⛔অর্গানাইজেশন স্ট্রেটেজি এন্ড লিডারশীপ
🔰 চ ইউনিটঃ
চারুকলা অনুষদের অধীনে-
⛔ অংকণ ও চিত্রায়ন
⛔গ্রাফিক্স ও ডিজাইন
⛔ প্রিন্ট মেকিং
⛔প্রাচ্যকলা
⛔মৃৎশিল্প
⛔ভাস্কর্য
⛔ কারুশিল্প
⛔ শিল্পকলার ইতিহাস
.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের মানবন্টন :
.
ঢাবি ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন : -
ক ইউনিটঃ
🎓 ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে।
🎓 কোন কোন বিষয় থেকে প্রশ্ন আসেঃ-
.
MCQ অংশ
.
পদার্থ - ১৫
রসায়ন - ১৫
জীববিজ্ঞান - ১৫
গণিত -১৫
রিটেন ( লিখিত) অংশ
পদার্থ - ১০
রসায়ন - ১০
জীববিজ্ঞান - ১০
গণিত -১০
প্রতি বিষয় হতে ২-৫ মার্কের করে কয়েকটি প্রশ্ন থাকবে ।
অর্থাৎ রিটেন প্রশ্নগুলোর কোনোটার মার্কস হবে ২, কোনোটার ৩, আবার কোনোটার ৪/৫।
🎓 বাংলা/ইংরেজী- (ঐচ্ছিক)
[৪র্থ বিষয় (জীববিজ্ঞান/গণিত) এর পরিবর্তে "বাংলা/ইংরেজী" অংশ উত্তর করা যাবে। মোট ৪ টি অংশের উত্তর করতে হবে।]
.
প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কাটা যাবে।
.
ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবেনা।
.
জিপিএ তে ২০ নাম্বার থাকছে।
.
মোট ১২০ নাম্বারে রেজাল্ট তৈরি করা হবে।
আবেদনের যোগ্যতা - ৮.০
পাশ মার্কঃ ৪০
(MCQ থেকে কমপক্ষে ২৪ এবং Written থেকে কমপক্ষে ১২ পেতে হবে)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ ইউনিট বিস্তারিত -
গ ইউনিটঃ ( বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ)
আবেদনের যোগ্যতাঃSSC আর HSC থেকে ৩.০০ সহ যোগফল ৭.৫০ হতে হবে
মানবন্টনঃ
MCQ:বাংলা,ইংরেজী,হিসাববিজ্ঞান,ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ থেকে ১২ টি করে প্রশ্ন থাকবে সবগুলোর উত্তর করতে হবে এবং মার্কেটিং/ফিনান্স ও ব্যংকিং থেকে ১২ টি করে প্রশ্ন থাকবে।যেকোন একটির উত্তর করতে হবে।প্রতিটি প্রশ্নের মান ১, প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কাটা যাবে।
গ ইউনিট-
MCQ
বাংলা-(১২*১)= ১২
ইংরেজী-(১২*১)= ১২
হিসাববিজ্ঞান-(১২*১)= ১২
ব্যাবসায় ব্যবস্থাপনা -(১২*১)= ১২
মার্কেটিং বা ফিন্যান্স-(১২*১)= ১২
মোট - ৬০
লিখিত-
অনুবাদ বাংলা টু ইংরেজী-৫
অনুবাদ ইংরেজী টু বাংলা-৫
ভুল সংশোধনী ( বাংলা) - ৫
ভুল সংশোধনী ( ইংরেজি ) - ৫
হিসাববিজ্ঞান = ৭
ব্যাবসায় ব্যবস্থাপনা = ৭
মার্কেটিং বা ফিন্যান্স = ৬
মোট - ৪০
জিপিএ - ২০
টোটাল - ১২০
পাশ মার্কঃ৪০.
(MCQ থেকে কমপক্ষে ২৪ এবং Written থেকে কমপক্ষে ১১ পেতে হবে)
ইংরেজী mcq থেকে কমপক্ষে ০৫ পেতে হবে..
সিট - ৯৩০
পরীক্ষার মোট সময় - ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট।
এখনো অনেক সময় আছে , ভালোভাবে প্রিপারেশন নেও, সঠিক বই পড়। সঠিক বই না পড়ে প্রিপারেশন নিলে সেই প্রিপারেশনকে বলে " পণ্ডশ্রম "! অর্থাৎ গাধার মত খাটতেই পারবা। বিশ্ববিদ্যালয়ে আর চান্স পাওয়া হবেনা।
খ ইউনিটঃ ( মানবিক বিভাগ ও বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের B ইউনিটের মানবন্টন , পাশ- ফেল ও বিস্তারিত তথ্য -
B ইউনিটঃ
মানবিকঃ SSC এবং HSC GPA এর যোগফল ৭.৫০ হতে হবে.
ব্যবসায় শিক্ষাঃ SSC এবং HSC থেকে ৩.০ সহ যোগফল ৭.৫০ হতে হবে
.
বিজ্ঞানঃ SSC এবং HSC GPA যোগফল ৮.০০ হতে হবে
মানবন্টনঃ
MCQ: ৬০ নাম্বার
বাংলা ও ইংরেজী থেকে ১৫ টি করে এবং ( সাধারন জ্ঞান+ ICT) থেকে ৩০ টি প্রশ্ন আসবে।প্রতিটি প্রশ্নের মান ১
MCQ
বাংলা- ১৫*১= ১৫
ইংরেজী-১৫*১= ১৫
সাধারণ জ্ঞান + ICT - ৩০*১=৩০
লিখিত-
বাংলা-১৫
ইংরেজী-১৫
সাধারণ জ্ঞান (বিশ্লেষনধর্মী)-১০
জয়কলি/মিহির'স GK " বইটি। এটাতে MCQ পূর্নাঙ্গভাবে আছে।
আর লিখিত ইংরেজি এর জন্য Leader বইটি অবশ্যই পড়বে। ".
পাশ মার্কঃ৪০( Written থেকে ১২ পেতে হবে, MCQ থেকে কমপক্ষে ২৪)
MCQ আলাদা আলাদা পাশ মার্ক আছে
বাংলাঃ ৬
ইংরেজিঃ ৬
সাধারন জ্ঞানঃ ১২
রিটেনেও আলাদা পাশ মার্কস আছে -
বাংলা - ৫
ইংরেজি - ৫
জিপিএ - ২০
মোট ১২০ নাম্বারে রেজাল্ট হবে।
( যেহেতু আগের D UNIT কে এবার B এর সাথে একত্রিত করা হয়েছে তাই B UNIT এর সাথে আগের D UNIT এর তথ্য সমন্বয় করা হয়েছে)
চ ইউনিট : ( চারুকলা অনুষদ)
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই চতুর্থ বিষয় সহ এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে ৩.০ এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ৩.০ এবং দুটায় মিলিয়ে কমপক্ষে ৬.৫০ পেতে হবে।
⛔ বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব
⛔ অর্থনীতি
⛔ রাষ্ট্রবিজ্ঞান
⛔নৃবিজ্ঞান
⛔ গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকত
⛔সমাজবিজ্ঞান
⛔ লোক-প্রশাসন
⛔ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
⛔ শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন
⛔ উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ
⛔ উন্নয়ন অধয়ন
⛔ আইন
⛔ ভূগোল ও পরিবেশ
⛔মনোবিজ্ঞান
⛔সমাজকল্যান
⛔শিক্ষা (বি.এড)
⛔ স্বাস্থ্য অর্থনীতি
⛔ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট
⛔টেলিভিশন এন্ড চলচ্চিত্র
⛔ভাষাবিজ্ঞান
⛔প্রশাসন
⛔ ক্রিমিনোলজি
⛔যোগাযোগ বৈকল্
⛔English for Speakers of Other Languages (ESOL)
⛔ French as a Foreign Language (FFL)
🔰 গ ইউনিটঃ
বিজনেস স্টাডিজ (BBA) অনুষদের অধীনে-
⛔ ব্যাবস্থাপনা
⛔ একাউনটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম
⛔মার্কেটিং
⛔ ফিন্যান্স
⛔ ব্যাংকিং এন্ড ইনসিওরেন্স
⛔ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম
⛔ ট্যুরিজ্ম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট
⛔ ইন্টারন্যাশনাল বিজনে
⛔অর্গানাইজেশন স্ট্রেটেজি এন্ড লিডারশীপ
🔰 চ ইউনিটঃ
চারুকলা অনুষদের অধীনে-
⛔ অংকণ ও চিত্রায়ন
⛔গ্রাফিক্স ও ডিজাইন
⛔ প্রিন্ট মেকিং
⛔প্রাচ্যকলা
⛔মৃৎশিল্প
⛔ভাস্কর্য
⛔ কারুশিল্প
⛔ শিল্পকলার ইতিহাস
.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের মানবন্টন :
.
ঢাবি ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন : -
ক ইউনিটঃ
🎓 ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে।
🎓 কোন কোন বিষয় থেকে প্রশ্ন আসেঃ-
.
MCQ অংশ
.
পদার্থ - ১৫
রসায়ন - ১৫
জীববিজ্ঞান - ১৫
গণিত -১৫
রিটেন ( লিখিত) অংশ
পদার্থ - ১০
রসায়ন - ১০
জীববিজ্ঞান - ১০
গণিত -১০
প্রতি বিষয় হতে ২-৫ মার্কের করে কয়েকটি প্রশ্ন থাকবে ।
অর্থাৎ রিটেন প্রশ্নগুলোর কোনোটার মার্কস হবে ২, কোনোটার ৩, আবার কোনোটার ৪/৫।
🎓 বাংলা/ইংরেজী- (ঐচ্ছিক)
[৪র্থ বিষয় (জীববিজ্ঞান/গণিত) এর পরিবর্তে "বাংলা/ইংরেজী" অংশ উত্তর করা যাবে। মোট ৪ টি অংশের উত্তর করতে হবে।]
.
প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কাটা যাবে।
.
ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবেনা।
.
জিপিএ তে ২০ নাম্বার থাকছে।
.
মোট ১২০ নাম্বারে রেজাল্ট তৈরি করা হবে।
আবেদনের যোগ্যতা - ৮.০
পাশ মার্কঃ ৪০
(MCQ থেকে কমপক্ষে ২৪ এবং Written থেকে কমপক্ষে ১২ পেতে হবে)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ ইউনিট বিস্তারিত -
গ ইউনিটঃ ( বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ)
আবেদনের যোগ্যতাঃSSC আর HSC থেকে ৩.০০ সহ যোগফল ৭.৫০ হতে হবে
মানবন্টনঃ
MCQ:বাংলা,ইংরেজী,হিসাববিজ্ঞান,ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ থেকে ১২ টি করে প্রশ্ন থাকবে সবগুলোর উত্তর করতে হবে এবং মার্কেটিং/ফিনান্স ও ব্যংকিং থেকে ১২ টি করে প্রশ্ন থাকবে।যেকোন একটির উত্তর করতে হবে।প্রতিটি প্রশ্নের মান ১, প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কাটা যাবে।
গ ইউনিট-
MCQ
বাংলা-(১২*১)= ১২
ইংরেজী-(১২*১)= ১২
হিসাববিজ্ঞান-(১২*১)= ১২
ব্যাবসায় ব্যবস্থাপনা -(১২*১)= ১২
মার্কেটিং বা ফিন্যান্স-(১২*১)= ১২
মোট - ৬০
লিখিত-
অনুবাদ বাংলা টু ইংরেজী-৫
অনুবাদ ইংরেজী টু বাংলা-৫
ভুল সংশোধনী ( বাংলা) - ৫
ভুল সংশোধনী ( ইংরেজি ) - ৫
হিসাববিজ্ঞান = ৭
ব্যাবসায় ব্যবস্থাপনা = ৭
মার্কেটিং বা ফিন্যান্স = ৬
মোট - ৪০
জিপিএ - ২০
টোটাল - ১২০
পাশ মার্কঃ৪০.
(MCQ থেকে কমপক্ষে ২৪ এবং Written থেকে কমপক্ষে ১১ পেতে হবে)
ইংরেজী mcq থেকে কমপক্ষে ০৫ পেতে হবে..
সিট - ৯৩০
পরীক্ষার মোট সময় - ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট।
এখনো অনেক সময় আছে , ভালোভাবে প্রিপারেশন নেও, সঠিক বই পড়। সঠিক বই না পড়ে প্রিপারেশন নিলে সেই প্রিপারেশনকে বলে " পণ্ডশ্রম "! অর্থাৎ গাধার মত খাটতেই পারবা। বিশ্ববিদ্যালয়ে আর চান্স পাওয়া হবেনা।
খ ইউনিটঃ ( মানবিক বিভাগ ও বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের B ইউনিটের মানবন্টন , পাশ- ফেল ও বিস্তারিত তথ্য -
B ইউনিটঃ
মানবিকঃ SSC এবং HSC GPA এর যোগফল ৭.৫০ হতে হবে.
ব্যবসায় শিক্ষাঃ SSC এবং HSC থেকে ৩.০ সহ যোগফল ৭.৫০ হতে হবে
.
বিজ্ঞানঃ SSC এবং HSC GPA যোগফল ৮.০০ হতে হবে
মানবন্টনঃ
MCQ: ৬০ নাম্বার
বাংলা ও ইংরেজী থেকে ১৫ টি করে এবং ( সাধারন জ্ঞান+ ICT) থেকে ৩০ টি প্রশ্ন আসবে।প্রতিটি প্রশ্নের মান ১
MCQ
বাংলা- ১৫*১= ১৫
ইংরেজী-১৫*১= ১৫
সাধারণ জ্ঞান + ICT - ৩০*১=৩০
লিখিত-
বাংলা-১৫
ইংরেজী-১৫
সাধারণ জ্ঞান (বিশ্লেষনধর্মী)-১০
জয়কলি/মিহির'স GK " বইটি। এটাতে MCQ পূর্নাঙ্গভাবে আছে।
আর লিখিত ইংরেজি এর জন্য Leader বইটি অবশ্যই পড়বে। ".
পাশ মার্কঃ৪০( Written থেকে ১২ পেতে হবে, MCQ থেকে কমপক্ষে ২৪)
MCQ আলাদা আলাদা পাশ মার্ক আছে
বাংলাঃ ৬
ইংরেজিঃ ৬
সাধারন জ্ঞানঃ ১২
রিটেনেও আলাদা পাশ মার্কস আছে -
বাংলা - ৫
ইংরেজি - ৫
জিপিএ - ২০
মোট ১২০ নাম্বারে রেজাল্ট হবে।
( যেহেতু আগের D UNIT কে এবার B এর সাথে একত্রিত করা হয়েছে তাই B UNIT এর সাথে আগের D UNIT এর তথ্য সমন্বয় করা হয়েছে)
চ ইউনিট : ( চারুকলা অনুষদ)
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই চতুর্থ বিষয় সহ এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে ৩.০ এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ৩.০ এবং দুটায় মিলিয়ে কমপক্ষে ৬.৫০ পেতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষার বিষয় সমূহঃ
ভর্তি পরীক্ষা দুইটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে
১। সাধারণ জ্ঞান ৪০ নম্বর
২। অঙ্কন (ফিগার ড্র্যয়িং) ৬০ নম্বর
মানবন্টনঃ
ভর্তি পরীক্ষা - ১০০ মার্ক। এই ইউনিটে/ 'চ' ইউনিটে জিপিএ এর উপর ২০ মার্কস থাকবে। মোট ১২০। ভর্তি পরীক্ষা দুইটি অংশে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম অংশ ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ টি MCQ প্রশ্ন থাকবে। যার প্রতিটির মান ১ । অর্থাৎ ৪০ মার্কের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং মোট সময় ৩০ মিনিট । প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কাটা যায়।
প্রথমাংশের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম ১৫০০ জনকে অঙ্কন পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ দেয়া হবে। এই পরীক্ষার নম্বর ৬০ অর্থাৎ অঙ্কন (ফিগার ড্র্যয়িং) ৬০ নম্বর। এবং সময় মাত্র ১ ঘন্টা
*মোট ১০০ মার্ক হতে ৪০ পেলেই কেবল মাত্র পরীক্ষার্থী পাশ করেছে বলে গন্য করা হবে।
★***★
সকল ইউনিটের জন্য কমন কিছু তথ্য :
.
SSC 2017/18/19/20 সালে পাশকৃত এবং HSC 2022 সালে পাশকৃত শিক্ষার্থীরাই কেবল আবেদন করতে পারবে।
.
ঢাবিতে এপ্লাই এর জন্য সাব্জেক্ট ভিত্তিক কোন শর্ত নেই।
.
ঢাবিতে MCQ - ৬০ নাম্বার, রিটেন ৪০ নাম্বার। মোট ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
.
MCQ - ৬০ টি। ৬০ নাম্বার৷ প্রতি প্রশ্নের মান ১। প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কাটা যাবে৷ সময় - ৪৫ মিনিট।
.
রিটেন - ৪০ নাম্বার। সময় - ৪৫ মিনিট।
.
অর্থাৎ পরীক্ষার মোট সময় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট।
.
ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ফুটবলের মত মোট সময় - ৯০ মিনিট! তবে পার্থক্য একটাই - ফুটবলে এক্সট্রা টাইম, ইন্জুরি টাইম, টাইব্রেকার আছে যা ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় নেই 🤭
তোমাকে যা খেলার ঐ ৯০ মিনিটেই খেলতে হবে 😎
.
মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ থেকে ২০ যোগ করে সর্বমোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ জিপিএতে থাকবে ২০ নাম্বার৷ এসএসসি রেজাল্ট কে গুণ করবে ২ দিয়ে। HSC রেজাল্ট কে গুণ করবে ২ দিয়ে।
.
কোন সিলেকশন হবেনা। যারা আবেদন করবে তারা সবাই পরীক্ষা দিতে পারবে।
.
ভর্তি পরীক্ষা হবে ৮ টি বিভাগীয় শহরগুলোতে। যেকোনো বিভাগ চয়েজ দেয়া যাবে। নিজের বিভাগ ই চয়েজ দিতে হবে এমনটা না।
.
.
ভর্তি পরীক্ষার আবেদন এর টাকা বিকাশেও পেমেন্ট করা যাবে।
.
.
বিদ্র : ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল, ক্যালকুলেটর সহ সকল ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন নিষিদ্ধ!
©
https://t.me/PracticeChannelOfficial/5684
ভর্তি পরীক্ষা দুইটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে
১। সাধারণ জ্ঞান ৪০ নম্বর
২। অঙ্কন (ফিগার ড্র্যয়িং) ৬০ নম্বর
মানবন্টনঃ
ভর্তি পরীক্ষা - ১০০ মার্ক। এই ইউনিটে/ 'চ' ইউনিটে জিপিএ এর উপর ২০ মার্কস থাকবে। মোট ১২০। ভর্তি পরীক্ষা দুইটি অংশে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম অংশ ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ টি MCQ প্রশ্ন থাকবে। যার প্রতিটির মান ১ । অর্থাৎ ৪০ মার্কের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং মোট সময় ৩০ মিনিট । প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কাটা যায়।
প্রথমাংশের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম ১৫০০ জনকে অঙ্কন পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ দেয়া হবে। এই পরীক্ষার নম্বর ৬০ অর্থাৎ অঙ্কন (ফিগার ড্র্যয়িং) ৬০ নম্বর। এবং সময় মাত্র ১ ঘন্টা
*মোট ১০০ মার্ক হতে ৪০ পেলেই কেবল মাত্র পরীক্ষার্থী পাশ করেছে বলে গন্য করা হবে।
★***★
সকল ইউনিটের জন্য কমন কিছু তথ্য :
.
SSC 2017/18/19/20 সালে পাশকৃত এবং HSC 2022 সালে পাশকৃত শিক্ষার্থীরাই কেবল আবেদন করতে পারবে।
.
ঢাবিতে এপ্লাই এর জন্য সাব্জেক্ট ভিত্তিক কোন শর্ত নেই।
.
ঢাবিতে MCQ - ৬০ নাম্বার, রিটেন ৪০ নাম্বার। মোট ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
.
MCQ - ৬০ টি। ৬০ নাম্বার৷ প্রতি প্রশ্নের মান ১। প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কাটা যাবে৷ সময় - ৪৫ মিনিট।
.
রিটেন - ৪০ নাম্বার। সময় - ৪৫ মিনিট।
.
অর্থাৎ পরীক্ষার মোট সময় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট।
.
ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ফুটবলের মত মোট সময় - ৯০ মিনিট! তবে পার্থক্য একটাই - ফুটবলে এক্সট্রা টাইম, ইন্জুরি টাইম, টাইব্রেকার আছে যা ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় নেই 🤭
তোমাকে যা খেলার ঐ ৯০ মিনিটেই খেলতে হবে 😎
.
মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ থেকে ২০ যোগ করে সর্বমোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ জিপিএতে থাকবে ২০ নাম্বার৷ এসএসসি রেজাল্ট কে গুণ করবে ২ দিয়ে। HSC রেজাল্ট কে গুণ করবে ২ দিয়ে।
.
কোন সিলেকশন হবেনা। যারা আবেদন করবে তারা সবাই পরীক্ষা দিতে পারবে।
.
ভর্তি পরীক্ষা হবে ৮ টি বিভাগীয় শহরগুলোতে। যেকোনো বিভাগ চয়েজ দেয়া যাবে। নিজের বিভাগ ই চয়েজ দিতে হবে এমনটা না।
.
.
ভর্তি পরীক্ষার আবেদন এর টাকা বিকাশেও পেমেন্ট করা যাবে।
.
.
বিদ্র : ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল, ক্যালকুলেটর সহ সকল ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন নিষিদ্ধ!
©
https://t.me/PracticeChannelOfficial/5684
Telegram
Admission group[ MAT, DAT,GST]
💫OUR ALL CHANNEL LIST
For Admission Candidate
✅Main Channel💥https://t.me/PracticeChannelOfficial
♦️Physics practice 👇
https://t.me/+wQB6szy8mYozMDJl
♦️Chemistry practice
https://t.me/chemistrysolving
🔺Zoology chapter wise practice 👇
https://t.me/zoologypractice…
For Admission Candidate
✅Main Channel💥https://t.me/PracticeChannelOfficial
♦️Physics practice 👇
https://t.me/+wQB6szy8mYozMDJl
♦️Chemistry practice
https://t.me/chemistrysolving
🔺Zoology chapter wise practice 👇
https://t.me/zoologypractice…
❤2
Forwarded from Pdf library📖
Extra Information-2023.pdf
3.3 MB
✅Extra Info 2023-All Subject
📔PDF Credits :AAP Patshala
➡️Click here for more
https://t.me/pdfXDlibrary
📔PDF Credits :AAP Patshala
➡️Click here for more
https://t.me/pdfXDlibrary
Forwarded from English confusing topic
🔰Appropriate Preposition গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট
On time -- সঠিক সময়
in time --- সঠিক সময় এর আগে।
🟢Example: I entered the exam hall ( in ) time and the exam was started ( on ) time.
আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন।
©Akhiruzzaman
➡️Click here for more
https://t.me/EnglishConfusingTopic
On time -- সঠিক সময়
in time --- সঠিক সময় এর আগে।
🟢Example: I entered the exam hall ( in ) time and the exam was started ( on ) time.
আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন।
©Akhiruzzaman
➡️Click here for more
https://t.me/EnglishConfusingTopic
❤11🔥1
Forwarded from Chemistry practice
◆গ্লুকোজের অনুতে:
▪️অপ্রতিসম কার্বন বা কাইরাল কেন্দ্র আছে 4টি
▪️অপ্রতিসম কার্বন বা কাইরাল কেন্দ্রগুলো হলো C2, C3, C4 ও C5
▪️তাই 2⁴=16টি স্টেরিও সমাণু সম্ভব
©
▪️অপ্রতিসম কার্বন বা কাইরাল কেন্দ্র আছে 4টি
▪️অপ্রতিসম কার্বন বা কাইরাল কেন্দ্রগুলো হলো C2, C3, C4 ও C5
▪️তাই 2⁴=16টি স্টেরিও সমাণু সম্ভব
©
❤6
Forwarded from Chemistry practice
◆অ্যালকোহল ও ইথারের সমাণু সংখ্যা:
▪️C2H6O ➡️ 2
▪️C3H8O ➡️ 3
▪️C4H10O ➡️ 7
◆অ্যালকিনের সমানু সংখ্যা:
▪️C3H6 ➡️ 2
▪️C4H8 ➡️ 3
▪️C5H10 ➡️ 6
◆অ্যালকাইনের সমানু সংখ্যা:
▪️C4H6 ➡️ 2
▪️C5H8 ➡️ 3
◆অ্যালডিহাইড, কিটোন ও অ্যালকিনের অ্যালকোহলের সমাণু সংখ্যা:
▪️C2H4O ➡️ 2
▪️C3H6O ➡️ 4
▪️C4H8O ➡️ 8
▪️C5H10O ➡️ 11
Note: বেশি প্যারা লাগলে শুধু অ্যালকোহল ও ইথার, অ্যালডিহাইড, কিটোন ও অ্যালকিনের অ্যালকোহলের সমাণুগুলো দেখে নাও। এগুলো থেকেই বেশি আসে।
©
➡️Click here for more
https://t.me/chemistrysolving
▪️C2H6O ➡️ 2
▪️C3H8O ➡️ 3
▪️C4H10O ➡️ 7
◆অ্যালকিনের সমানু সংখ্যা:
▪️C3H6 ➡️ 2
▪️C4H8 ➡️ 3
▪️C5H10 ➡️ 6
◆অ্যালকাইনের সমানু সংখ্যা:
▪️C4H6 ➡️ 2
▪️C5H8 ➡️ 3
◆অ্যালডিহাইড, কিটোন ও অ্যালকিনের অ্যালকোহলের সমাণু সংখ্যা:
▪️C2H4O ➡️ 2
▪️C3H6O ➡️ 4
▪️C4H8O ➡️ 8
▪️C5H10O ➡️ 11
Note: বেশি প্যারা লাগলে শুধু অ্যালকোহল ও ইথার, অ্যালডিহাইড, কিটোন ও অ্যালকিনের অ্যালকোহলের সমাণুগুলো দেখে নাও। এগুলো থেকেই বেশি আসে।
©
➡️Click here for more
https://t.me/chemistrysolving
❤7
HSC-22: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন শুরু ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। চলবে ২০ মার্চ পর্যন্ত।
প্রতি ইউনিট আবেদন ফি ১,০০০ টাকা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন শুরু ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। চলবে ২০ মার্চ পর্যন্ত।
প্রতি ইউনিট আবেদন ফি ১,০০০ টাকা।
❤3
Forwarded from Chemistry practice
৪টা সূত্র মনে রাখ , তাহলে
এসিড ও
ক্ষারক সহজেই চিনতে পারবে ।
___
সূত্র ০১: ধাতুর সাথে H/O/OH-
থাকলে সেগুলো ক্ষারক হবে ।
___
সূত্র ০২: অধাতুর সাথে H/O/OH-
থাকলে সেগুলো এসিড হবে ।
___
সূত্র ০৩: ধনাত্নক যৌগমূলক + OH- =
ক্ষারক ।
___
সূত্র ০৪: ঋণাত্মক যৌগমূলক H+ =
এসিড ।
___
সূত্রগুলোর ব্যাখ্যা নিচে
দেওয়া হল ।
ব্যাখ্যা ০১: ধাতুর সাথে
হাইড্রোজেন
থাকলে সেটি ক্ষারক ।
যেমনঃ NaH, MgH2, KH, CaH2
___
ব্যাখ্যা ০২ : ধাতুর সাথে
অক্সিজেন
থাকলেও সেটি ক্ষারক ।
যেমনঃ Na2O, MgO, K2O, CaO
___
ব্যাখ্যা ০৩: ধাতুর
সাথে হাইড্রোক্সাইড থাকলেও
সেটি ক্ষারক ।
যেমনঃ NaOH, Mg(OH)2, KOH, Ca(OH)2
___
ব্যাখা ০৪: অধাতুর সাথে
হাইড্রোজেন
থাকলে সেটি এসিড ।
যেমনঃ HBr, HCl, HF
___
ব্যাখা ০৫: অধাতুর সাথে
অক্সিজেন
থাকলে সেটি এসিড ।
যেমনঃ CO2
___
ব্যাখা ০৬: অধাতুর
সাথে হাইড্রোক্সাইড
থাকলে সেটি এসিড ।
যেমনঃ HClO, HBrO, HIO
___
ব্যাখা ০৭: ঋণাত্মক যৌগমূলকের
সাথে H
+ যুক্ত হলে এসিড হয় ।
যেমনঃ HNO3, HNO2
___
ব্যাখা ০৮: ধনাত্নক যৌগমূলকের
সাথে OH- যুক্ত হলে ক্ষারক হয় ।
যেমনঃ NH4OH.
©
➡️Click here for more
https://t.me/chemistrysolving
এসিড ও
ক্ষারক সহজেই চিনতে পারবে ।
___
সূত্র ০১: ধাতুর সাথে H/O/OH-
থাকলে সেগুলো ক্ষারক হবে ।
___
সূত্র ০২: অধাতুর সাথে H/O/OH-
থাকলে সেগুলো এসিড হবে ।
___
সূত্র ০৩: ধনাত্নক যৌগমূলক + OH- =
ক্ষারক ।
___
সূত্র ০৪: ঋণাত্মক যৌগমূলক H+ =
এসিড ।
___
সূত্রগুলোর ব্যাখ্যা নিচে
দেওয়া হল ।
ব্যাখ্যা ০১: ধাতুর সাথে
হাইড্রোজেন
থাকলে সেটি ক্ষারক ।
যেমনঃ NaH, MgH2, KH, CaH2
___
ব্যাখ্যা ০২ : ধাতুর সাথে
অক্সিজেন
থাকলেও সেটি ক্ষারক ।
যেমনঃ Na2O, MgO, K2O, CaO
___
ব্যাখ্যা ০৩: ধাতুর
সাথে হাইড্রোক্সাইড থাকলেও
সেটি ক্ষারক ।
যেমনঃ NaOH, Mg(OH)2, KOH, Ca(OH)2
___
ব্যাখা ০৪: অধাতুর সাথে
হাইড্রোজেন
থাকলে সেটি এসিড ।
যেমনঃ HBr, HCl, HF
___
ব্যাখা ০৫: অধাতুর সাথে
অক্সিজেন
থাকলে সেটি এসিড ।
যেমনঃ CO2
___
ব্যাখা ০৬: অধাতুর
সাথে হাইড্রোক্সাইড
থাকলে সেটি এসিড ।
যেমনঃ HClO, HBrO, HIO
___
ব্যাখা ০৭: ঋণাত্মক যৌগমূলকের
সাথে H
+ যুক্ত হলে এসিড হয় ।
যেমনঃ HNO3, HNO2
___
ব্যাখা ০৮: ধনাত্নক যৌগমূলকের
সাথে OH- যুক্ত হলে ক্ষারক হয় ।
যেমনঃ NH4OH.
©
➡️Click here for more
https://t.me/chemistrysolving
❤4
ইংরেজিতে এমন অনেক ছোট ছোট শব্দ থাকে যা পড়ার সময় আমাদের খুব ভালো ভাবে মনে থাকলেও প্রয়োজনের সময় সেই শব্দগুলোকে গুলিয়ে ফেলি আমরা। আজকে তেমনি ৪টি শব্দের উপর আলোকপাত করতে যাচ্ছি।
☝️Sometime - কোনো এক সময়( Past / Future) ✌🏻Some time - কিছু সময়
🤟 Sometimes - মাঝে মাঝে
👊🏻 Some times - কয়েকবার / কয়েকগুন
➡️Click here for more
https://t.me/EnglishConfusingTopic
❤6