Forwarded from Sifat Ahmed
ইয়ং এর দ্বীচির পরীক্ষা সমর্থন করে-
Anonymous Quiz
9%
আলোর কণা তত্ত্বকে
47%
আলোর কণা ও তরঙ্গ উভয় তত্ত্বকে
41%
আলোর তরঙ্গ তত্ত্বকে
3%
কোনটি নয়
🥰1
Forwarded from Sifat Ahmed
Forwarded from Sifat Ahmed
কোনে তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গের তড়িৎক্ষেত্রের সর্বোচ্চ মান 9×10^2 N/C. সর্বোচ্চ চৌম্বক ক্ষেত্রের মান কত?
Anonymous Quiz
18%
9.46×10^15 T
18%
9×10^2 T
60%
3×10^-6 T
4%
6×10^10 T
Forwarded from Sifat Ahmed
একটি তরঙ্গের দুটি বিন্দুর মধ্যে দশা পার্থক্য π/2 হলে পথপার্থক্য কত?
Anonymous Quiz
10%
λ/2
16%
λ
6%
λ/8
68%
λ/4
🤔3🥰2
Forwarded from Sifat Ahmed
ইয়ং এর দ্বী-চির পরীক্ষায় চিরগুলোর দূরত্ব অর্ধেক এবং পর্দার দূরত্ব দ্বিগুন জডা হলে ডোরার প্রস্থ কতগুন হবে?
Anonymous Quiz
14%
2 গুন
62%
4 গুন
8%
6 গুন
17%
1/4 গুন
Forwarded from Sifat Ahmed
Forwarded from Sifat Ahmed
মাংসপেশির টান বা ব্যাথা এর চিকিৎসায় কোন রশ্মি ববহার করা হয়?
Anonymous Quiz
13%
গামা রশ্মি
14%
এক্সরে রশ্মি
71%
IR রশ্মি
2%
দৃশ্যমান রশ্মি
❤1
Forwarded from Sifat Ahmed
🔥1
Forwarded from Sifat Ahmed
গঠনমূলক ব্যতিচারের ক্ষেত্রে পথ পার্থক্য -
Anonymous Quiz
20%
A. λ এর জোড় গুনিতক
55%
B. λ/২ এর জোড় গুনিতক
9%
C. λ এর n গুনিতক
16%
B&C
🤔3🔥2👏2❤1
আজকের রুটিন অনুযায়ী পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্রের ৭ম অধ্যায় থেকে 20 টি প্রশ্ন দেওয়া হলো। কোনো প্রবলেম হলে কমেন্টে জানিও।
1st poll 👇👇
https://t.me/PollMachine01/3135
1st poll 👇👇
https://t.me/PollMachine01/3135
Telegram
Poll Machine
দৃশ্যমান আলোর তড়ঙ্গ দৈর্ঘ্য -
4000-8000 A° / 3000-8000 A° / 1000-7000 A° / 3800-8500 A°
4000-8000 A° / 3000-8000 A° / 1000-7000 A° / 3800-8500 A°
Forwarded from Sifat Ahmed
Forwarded from 𝓽.ꫀꪑ ꪮꪀ
Results_JU D Standard Free Model Test .pdf
37.6 KB
গতকালের পরীক্ষার প্রশ্ন আর রেজাল্ট দিয়ে দিলাম। তোমার পজিশন দেখে নেও
❤16
🔥9
p- অরবিটালের আকৃতি কীরূপ?
Anonymous Quiz
3%
গোলাকৃতি
19%
ডাবল ডাম্বেল
77%
ডাম্বেলাকৃতি
0%
দ্বিমাত্রিক
🥰9❤2
❤4
🔥9
❤11
সিলেট-সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়া এবং দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, দেশে প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। সংক্রমের হার ১৫ শতাংশের ঘরে পৌঁছে গেছে। মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। এছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বন্যা পরিস্থিতির এখনও উন্নতি হয়নি। অনেকেরই বাড়ি-ঘর ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করতে হচ্ছে। এই অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া কোনো ভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।
শিক্ষার্থীদের দাবি, যেখানে বেঁচে থাকতে প্রতিদিন লড়াই করতে হচ্ছে সেখানে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে চিন্তা করার মতো অবকাশ তাদের নেই। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সেটি কেউ জানে না। বন্যার পানি নেমে গেলেও সবকিছু স্বাভাবিক হতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগবে। এই অবস্থায় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অন্তত এক মাস পেছানো দরকার।
শিক্ষার্থীদের এই দাবির বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগ করা হয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালেয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের সাথে।
তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পেছানো নিয়ে এখনো কোনো চিন্তাভাবনা করা হয়নি। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস গুচ্ছভুক্ত বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে কথা বলেছে। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পেছানো দরকার। তবে বিষয়টি নির্ভর করছে শাবিপ্রবি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর।
এই উপাচার্যরা মনে করেন, পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেপ্টেম্বরে ভর্তি পরীক্ষা হওয়াই ভালো ছিল। কেননা আমরা অনেকেই ধারণা করেছিলাম জুলাইয়ের শেষ দিকে এবং আগস্টের মাঝামাঝি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবে। তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাপের কারণে ভর্তি পরীক্ষা এক মাস এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
তারা আরও জানান, আমরা আশা করছি যারা গুচ্ছের দায়িত্ব পালন করছেন তারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা চাই না আমাদের সিদ্ধান্তের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হোক। করোনা এবং বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় ভর্তি পরীক্ষা পেছাবে বলেও প্রত্যাশা তাদের।
©The Daily Campus
শিক্ষার্থীরা বলছেন, দেশে প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। সংক্রমের হার ১৫ শতাংশের ঘরে পৌঁছে গেছে। মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। এছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বন্যা পরিস্থিতির এখনও উন্নতি হয়নি। অনেকেরই বাড়ি-ঘর ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করতে হচ্ছে। এই অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া কোনো ভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।
শিক্ষার্থীদের দাবি, যেখানে বেঁচে থাকতে প্রতিদিন লড়াই করতে হচ্ছে সেখানে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে চিন্তা করার মতো অবকাশ তাদের নেই। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সেটি কেউ জানে না। বন্যার পানি নেমে গেলেও সবকিছু স্বাভাবিক হতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগবে। এই অবস্থায় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অন্তত এক মাস পেছানো দরকার।
শিক্ষার্থীদের এই দাবির বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগ করা হয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালেয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের সাথে।
তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পেছানো নিয়ে এখনো কোনো চিন্তাভাবনা করা হয়নি। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস গুচ্ছভুক্ত বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে কথা বলেছে। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পেছানো দরকার। তবে বিষয়টি নির্ভর করছে শাবিপ্রবি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর।
এই উপাচার্যরা মনে করেন, পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেপ্টেম্বরে ভর্তি পরীক্ষা হওয়াই ভালো ছিল। কেননা আমরা অনেকেই ধারণা করেছিলাম জুলাইয়ের শেষ দিকে এবং আগস্টের মাঝামাঝি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবে। তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাপের কারণে ভর্তি পরীক্ষা এক মাস এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
তারা আরও জানান, আমরা আশা করছি যারা গুচ্ছের দায়িত্ব পালন করছেন তারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা চাই না আমাদের সিদ্ধান্তের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হোক। করোনা এবং বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় ভর্তি পরীক্ষা পেছাবে বলেও প্রত্যাশা তাদের।
©The Daily Campus
❤43👏2😁2
🥰2😁1