Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤6
যদি আপনার এমন কোনো বন্ধু থাকে যে আপনাকে দ্বীনের পথে অটল থাকতে সাহায্য করে— তাহলে সেই বন্ধুটাকে কখনোই হাতছাড়া করবেন না।
— ইমাম আল শাফেয়ী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আল হিলইয়া, ভলিউম - ৪, পৃ. ১০১]
©
#PathwayToNoor
— ইমাম আল শাফেয়ী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আল হিলইয়া, ভলিউম - ৪, পৃ. ১০১]
©
#PathwayToNoor
❤22🔥4
বিষয়ঃ কাকে বিয়ে করবেন?
ইমাম গাযালী রহ লেখেন :
অভিজ্ঞজন বলেছেন, ধনী মেয়েকে বিয়ে করলে ৫ টি বিষয় অনিবার্য :
১ : মোহরানার উচ্চহার।
২ : বাসরঘরে গড়িমসি।
৩ : খেদমত না পাওয়া।
৪ : ব্যয়ভারের আধিক্য।
৫ : তালাকদানে অক্ষমতা।
(এখানে বিবি খাদিজা (রাঃ) বিবেচ্য নয়। কারন তার মত মেয়ে পাওয়া যায়নি কখনো, যাবেও না)
তিনি আরো বলেন,
৪ টি ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর নিচে (কম) থাকা চাই। নইলে বউয়ের অবজ্ঞার পাত্র হতে হবে।
১ : বয়স।
২ : উচ্চতা।
৩ : সম্পদ।
৪ : বংশমর্যাদা।
আর ৪ ক্ষেত্রে হতে হবে স্ত্রী- স্বামীর উপরে :
১ : সৌন্দর্য।
২ : শিষ্টাচার।
৩ : তাকওয়া-পরহেযগারি।
৪ : স্বভাব-চরিত্র।
সুত্রঃ ইহ্ইয়াউ উলূমিদ্দীন। খণ্ড : ৩, পৃষ্ঠা : ৯৩। ফাজায়েলে সাদাকাত।©
ইমাম গাযালী রহ লেখেন :
অভিজ্ঞজন বলেছেন, ধনী মেয়েকে বিয়ে করলে ৫ টি বিষয় অনিবার্য :
১ : মোহরানার উচ্চহার।
২ : বাসরঘরে গড়িমসি।
৩ : খেদমত না পাওয়া।
৪ : ব্যয়ভারের আধিক্য।
৫ : তালাকদানে অক্ষমতা।
(এখানে বিবি খাদিজা (রাঃ) বিবেচ্য নয়। কারন তার মত মেয়ে পাওয়া যায়নি কখনো, যাবেও না)
তিনি আরো বলেন,
৪ টি ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর নিচে (কম) থাকা চাই। নইলে বউয়ের অবজ্ঞার পাত্র হতে হবে।
১ : বয়স।
২ : উচ্চতা।
৩ : সম্পদ।
৪ : বংশমর্যাদা।
আর ৪ ক্ষেত্রে হতে হবে স্ত্রী- স্বামীর উপরে :
১ : সৌন্দর্য।
২ : শিষ্টাচার।
৩ : তাকওয়া-পরহেযগারি।
৪ : স্বভাব-চরিত্র।
সুত্রঃ ইহ্ইয়াউ উলূমিদ্দীন। খণ্ড : ৩, পৃষ্ঠা : ৯৩। ফাজায়েলে সাদাকাত।©
❤15
প্রশ্ন: যিলহজ্জ মাস কেন এত বরকতময়?যিলহজ্জ মাসে কয়টা রোজা রাখব ও কি কি আমল করতে পারি রেফারেন্স সহ জানাবেন ইনশাআল্লাহ!!!!!
উত্তর:
যিলহজ্জ মাস কেন এত বরকতময়?
যিলহজ্জ ইসলামের চারটি হারাম মাসের একটি।
এই মাসের প্রথম ১০ দিন দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
রেফারেন্স :
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
আল্লাহর নিকট যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই।
সাহাবীরা বললেন,জিহাদও না??
তিনি বললেন,জিহাদও না,তবে যে ব্যাক্তি জান- মাল নিয়ে আর ফিরে আসেনি।
(সহীহ বুখারি:৯৬৯)
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই মাস?
কারণ:
১. এই মাসে হজ্জ,কোরবানি,তাকবীর,রোজা সব একসাথে পাওয়া যায়।
২.আরাফার দিন এই মাসেই।যেদিন আল্লাহ সবচেয়ে বেশি জাহান্নামীদের মুক্তি দেন।
(সহীহ মুসলিম:১৩৪৮)
৩.আল্লাহ কোরআনে এই ১০ রাতের কসম করেছেন।" ( শপথ ফজরের,শপথ ১০ রাতের- সুরা আল ফাজর- আয়াত-১-২)
তাফসীরে ইবনে কাসীরে বলা হয়েছে, এটা যিলহজ্জের ১০ রাত।
তো,এই দশদিনে কি কি আমল করব?
জি,চলুন যেনে নিই তাহলে:
১.বেশি বেশি তাকবীর।( তাকবীর: আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ)
২.নফল রোজা।১-৯ তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা,বিশেষ করে ৯ তারিখ।
৩.কোরআন তেলাওয়াত : এই ১০ দিনে বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা।পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর ফজিলতের সুরাগুলো পড়া ও একটা খতমের টার্গেট করা।প্রতিদিন তিন পারা পড়তে পারলে ১০ দিনে এক খতম হবে ইনশাআল্লাহ।
৪.যিকির: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবর, আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাহহি,সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী- সুবহানাল্লাহিল আযীম, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ,সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ বেশি বেশি দরুদে ইব্রাহিম পাঠ করা।
৫. সদাকা: প্রতিদিন অন্তত ১০ টাকা হলেও সদাকা করা। মনে রাখবেন,আল্লাহর সবচেয়ে পছন্দের দিনগুলোতে আপনি আল্লাহর পছন্দের একটা আমল( সদাকা) করছেন।
৬.তাওবা - ইস্তিগফার: এই ১০ দিনে বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, অতীত গুনাহ থেকে ফেরার চেষ্টা করা,সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার টা বেশি পড়া।
৭. নফল সালাত : ফরজের পর সবচেয়ে বেশি উত্তম নফল সালাত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার চেষ্টা করা।এছাড়াও ইশরাক,চাশত,আউওয়্যাবিনের সালাত সাধ্যমত আদায় করা।
৮.হজ্জ ও উমরা: সাধ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা।
৯.কুরবানির নিয়ত থাকলে : যদি কুরবানির নিয়ত থাকে তাহলে এই ১০ দিন নখ,চুল কাটবেন না। সহিহ মুসলিম:১৯৭৭
১০.ঈদের সালাত ও কুরবানি: ১০ তারিখ পুরুষরা ঈদের সালাত আদায় করবেন ও কুরবানি করবেন।
কয়টা রোজা রাখব?
উত্তর: পারলে ৯ টা রোজা রাখুন।না পারলে অন্তত আরাফার দিন মানে ৯ই যিলহজ্জ রোখা রাখবেন।আর এই ১০ দিন মুখে তাকবীর জারি রাখুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো করার তৌফিক দান করুন আল্লহুম্মা আমীন।
এটা খুবই জরুরী পোস্ট।সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার বা কপি পোস্ট করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। কারণ,আপনার একটা শেয়ার/ কপি করার জন্য একজনও আমল করতে পারলে তার সাওয়াব আপনিও পাবেন ইনশাআল্লাহ।
©
@PathwayToNoor
উত্তর:
যিলহজ্জ মাস কেন এত বরকতময়?
যিলহজ্জ ইসলামের চারটি হারাম মাসের একটি।
এই মাসের প্রথম ১০ দিন দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
রেফারেন্স :
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
আল্লাহর নিকট যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই।
সাহাবীরা বললেন,জিহাদও না??
তিনি বললেন,জিহাদও না,তবে যে ব্যাক্তি জান- মাল নিয়ে আর ফিরে আসেনি।
(সহীহ বুখারি:৯৬৯)
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই মাস?
কারণ:
১. এই মাসে হজ্জ,কোরবানি,তাকবীর,রোজা সব একসাথে পাওয়া যায়।
২.আরাফার দিন এই মাসেই।যেদিন আল্লাহ সবচেয়ে বেশি জাহান্নামীদের মুক্তি দেন।
(সহীহ মুসলিম:১৩৪৮)
৩.আল্লাহ কোরআনে এই ১০ রাতের কসম করেছেন।" ( শপথ ফজরের,শপথ ১০ রাতের- সুরা আল ফাজর- আয়াত-১-২)
তাফসীরে ইবনে কাসীরে বলা হয়েছে, এটা যিলহজ্জের ১০ রাত।
তো,এই দশদিনে কি কি আমল করব?
জি,চলুন যেনে নিই তাহলে:
১.বেশি বেশি তাকবীর।( তাকবীর: আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ)
২.নফল রোজা।১-৯ তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা,বিশেষ করে ৯ তারিখ।
৩.কোরআন তেলাওয়াত : এই ১০ দিনে বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা।পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর ফজিলতের সুরাগুলো পড়া ও একটা খতমের টার্গেট করা।প্রতিদিন তিন পারা পড়তে পারলে ১০ দিনে এক খতম হবে ইনশাআল্লাহ।
৪.যিকির: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবর, আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাহহি,সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী- সুবহানাল্লাহিল আযীম, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ,সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ বেশি বেশি দরুদে ইব্রাহিম পাঠ করা।
৫. সদাকা: প্রতিদিন অন্তত ১০ টাকা হলেও সদাকা করা। মনে রাখবেন,আল্লাহর সবচেয়ে পছন্দের দিনগুলোতে আপনি আল্লাহর পছন্দের একটা আমল( সদাকা) করছেন।
৬.তাওবা - ইস্তিগফার: এই ১০ দিনে বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, অতীত গুনাহ থেকে ফেরার চেষ্টা করা,সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার টা বেশি পড়া।
৭. নফল সালাত : ফরজের পর সবচেয়ে বেশি উত্তম নফল সালাত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার চেষ্টা করা।এছাড়াও ইশরাক,চাশত,আউওয়্যাবিনের সালাত সাধ্যমত আদায় করা।
৮.হজ্জ ও উমরা: সাধ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা।
৯.কুরবানির নিয়ত থাকলে : যদি কুরবানির নিয়ত থাকে তাহলে এই ১০ দিন নখ,চুল কাটবেন না। সহিহ মুসলিম:১৯৭৭
১০.ঈদের সালাত ও কুরবানি: ১০ তারিখ পুরুষরা ঈদের সালাত আদায় করবেন ও কুরবানি করবেন।
কয়টা রোজা রাখব?
উত্তর: পারলে ৯ টা রোজা রাখুন।না পারলে অন্তত আরাফার দিন মানে ৯ই যিলহজ্জ রোখা রাখবেন।আর এই ১০ দিন মুখে তাকবীর জারি রাখুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো করার তৌফিক দান করুন আল্লহুম্মা আমীন।
এটা খুবই জরুরী পোস্ট।সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার বা কপি পোস্ট করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। কারণ,আপনার একটা শেয়ার/ কপি করার জন্য একজনও আমল করতে পারলে তার সাওয়াব আপনিও পাবেন ইনশাআল্লাহ।
©
@PathwayToNoor
❤12
নিয়ামত হারানোর শুরুটা হয় ছোট একটি মাত্র গুনাহ দিয়ে।
মানুষ যখন গুনাহ করে, তখন আল্লাহর কোনো না কোনো নিয়ামত তার জীবন থেকে সরে যায়। এরপর বান্দা যদি নিজের কৃতকর্মের প্রতি অনুতপ্ত হয়ে পুনরায় আল্লাহর দিকে ফিরে আসে এবং তাওবাহ করে তাহলে সেই নিয়ামত বা অনুরূপ কোনো বরকত আবার ফিরে আসে।
কিন্তু যদি সে গুনাহর উপর অটল থাকে, অনুতপ্ত না হয়, ফিরে না আসে—তাহলে সেই নিয়ামত আর ফিরে আসে না।
এভাবে একে একে গুনাহগুলো তার জীবনের নিয়ামতগুলো ছিনিয়ে নিতে থাকে। একসময় সে নিঃস্ব হয়ে পড়ে—বাহ্যিকভাবে হয়তো নয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণভাবে।
– ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
সূত্রঃ ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্ঠা ২৭১।
মানুষ যখন গুনাহ করে, তখন আল্লাহর কোনো না কোনো নিয়ামত তার জীবন থেকে সরে যায়। এরপর বান্দা যদি নিজের কৃতকর্মের প্রতি অনুতপ্ত হয়ে পুনরায় আল্লাহর দিকে ফিরে আসে এবং তাওবাহ করে তাহলে সেই নিয়ামত বা অনুরূপ কোনো বরকত আবার ফিরে আসে।
কিন্তু যদি সে গুনাহর উপর অটল থাকে, অনুতপ্ত না হয়, ফিরে না আসে—তাহলে সেই নিয়ামত আর ফিরে আসে না।
এভাবে একে একে গুনাহগুলো তার জীবনের নিয়ামতগুলো ছিনিয়ে নিতে থাকে। একসময় সে নিঃস্ব হয়ে পড়ে—বাহ্যিকভাবে হয়তো নয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণভাবে।
– ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
সূত্রঃ ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্ঠা ২৭১।
❤21
🌙 সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার...
যারা কুরবানি করার নিয়ত করেছেন, তারা জিলহজের চাঁদ দেখার আগেই (আজকেই) নখ, চুল ইত্যাদি কেটে নিবেন।
চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত এগুলো না কাটাই উত্তম।
হাদীসে এসেছে—
“যখন জিলহজের প্রথম দশক শুরু হবে এবং তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন তার চুল ও শরীরের কিছু না কাটে।”
— সহীহ মুসলিম, ১৯৭৭/৫০১৩
সবাই এই সুন্নত আমল করার চেষ্টা করবেন এবং অন্যদেরও জানিয়ে দিবেন।
জাযাকাল্লাহু খাইরান..🤍
🎗️ জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের ফজিলত ও করণীয় আমল
@PathwayToNoor
❤11
দুইশো বার সূরা ইখলাস পড়তে কতো ঘন্টা লাগে জানেন? মাত্র দশ মিনিট! সর্বোচ্চ পনেরো মিনিট।
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।
(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)
( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২)
©
@PathwayToNoor
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।
(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)
( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২)
©
@PathwayToNoor
❤🔥21❤5💯1
আগামীকাল জুমার দিন 🌙
আমার সবচেয়ে প্রিয় দিন। সপ্তাহের সেরা দিন। আল্লাহ নিজে এই দিনটিকে বিশেষ করে দিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"সূর্য যে দিনগুলোতে উদিত হয়, তার মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম।"
(সহিহ মুসলিম: ৮৫৪)
আর এই জুমা? এটা শুধু সাধারণ কোনো জুমা নয়। এটা জিলহজ্জের মাঝের জুমা। বছরের সেরা ১০ দিনের ভেতরে সেরা দিন। এই সুযোগ জীবনে বারবার আসে না। 🌸
🎀 আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ
"হে মুমিনগণ! জুমার দিন আজানের পর আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও।"
(সূরাতুল জুমুআ: ৯)
শুধু যেতে বলেননি। ছুটে যেতে বলেছেন। 🌸
🎀 কাল সূরাতুল কাহফ তিলাওয়াত করবো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরাতুল কাহফ পড়বেন, তাঁর জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূরে আলোকিত হয়ে যাবে।
(সহিহ আল-জামি: ৬৪৭০)
🎀 বেশি বেশি দরূদ পড়বো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, জুমার দিন আমার উপর বেশি দরূদ পড়ো, তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।
(সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৭)
🎀 আসর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়টুকু দোয়ায় কাটাবো। এই সময়টা দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এই সময় যা চাইবে আল্লাহ অবশ্যই দেবেন।
(সহিহ বুখারি: ৯৩৫)
হয়তো অনেক দিন ধরে একটা দোয়া করছেন। উত্তর আসছে না মনে হচ্ছে। কাল সেই দোয়া আবার করুন। পুরো মন দিয়ে করুন।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
اُدْعُوْنِيْ أَسْتَجِبْ لَكُمْ
"আমাকে ডাকো, আমি সাড়া দেবো।"
(সূরাতুল গাফির: ৬০)
তিনি ওয়াদা করেছেন। আর আল্লাহ কখনো ওয়াদা ভাঙেন না। 🌸
কাল জুমার দিনটা নিজের জন্য নিন। আল্লাহর জন্য নিন। এই বরকতময় দিনটা যেন গাফেল হয়ে না কাটে 🤍
আল্লাহ আমাদের সকলের কালকের জুমা কবুল করুন। আমিন।
nahlah
collected
#PathwayToNoor
আমার সবচেয়ে প্রিয় দিন। সপ্তাহের সেরা দিন। আল্লাহ নিজে এই দিনটিকে বিশেষ করে দিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"সূর্য যে দিনগুলোতে উদিত হয়, তার মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম।"
(সহিহ মুসলিম: ৮৫৪)
আর এই জুমা? এটা শুধু সাধারণ কোনো জুমা নয়। এটা জিলহজ্জের মাঝের জুমা। বছরের সেরা ১০ দিনের ভেতরে সেরা দিন। এই সুযোগ জীবনে বারবার আসে না। 🌸
🎀 আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ
"হে মুমিনগণ! জুমার দিন আজানের পর আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও।"
(সূরাতুল জুমুআ: ৯)
শুধু যেতে বলেননি। ছুটে যেতে বলেছেন। 🌸
🎀 কাল সূরাতুল কাহফ তিলাওয়াত করবো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরাতুল কাহফ পড়বেন, তাঁর জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূরে আলোকিত হয়ে যাবে।
(সহিহ আল-জামি: ৬৪৭০)
🎀 বেশি বেশি দরূদ পড়বো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, জুমার দিন আমার উপর বেশি দরূদ পড়ো, তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।
(সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৭)
🎀 আসর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়টুকু দোয়ায় কাটাবো। এই সময়টা দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এই সময় যা চাইবে আল্লাহ অবশ্যই দেবেন।
(সহিহ বুখারি: ৯৩৫)
হয়তো অনেক দিন ধরে একটা দোয়া করছেন। উত্তর আসছে না মনে হচ্ছে। কাল সেই দোয়া আবার করুন। পুরো মন দিয়ে করুন।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
اُدْعُوْنِيْ أَسْتَجِبْ لَكُمْ
"আমাকে ডাকো, আমি সাড়া দেবো।"
(সূরাতুল গাফির: ৬০)
তিনি ওয়াদা করেছেন। আর আল্লাহ কখনো ওয়াদা ভাঙেন না। 🌸
কাল জুমার দিনটা নিজের জন্য নিন। আল্লাহর জন্য নিন। এই বরকতময় দিনটা যেন গাফেল হয়ে না কাটে 🤍
আল্লাহ আমাদের সকলের কালকের জুমা কবুল করুন। আমিন।
nahlah
collected
#PathwayToNoor
❤12
মনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে। (সূরা আর-রা‘দ : আয়াত ২৮)
এর অর্থ হলো— যেসব হৃদয় আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল, তারা কখনো প্রকৃত শান্তি পায় না। কুফর ও গুনাহের কারণে তাদের অন্তরে মোহর পড়ে যায় এবং হৃদয় কঠিন হয়ে যায়। জিকির করুন আর অন্তর কে শান্তি করুন।
collected
#PathwayToNoor
এর অর্থ হলো— যেসব হৃদয় আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল, তারা কখনো প্রকৃত শান্তি পায় না। কুফর ও গুনাহের কারণে তাদের অন্তরে মোহর পড়ে যায় এবং হৃদয় কঠিন হয়ে যায়। জিকির করুন আর অন্তর কে শান্তি করুন।
collected
#PathwayToNoor
❤4❤🔥2
*💔 অবহেলার ঘুম এবং একটি নীরব সকাল*
একদিন এমন একটা সকাল আসবে, যেদিন আপনার চিরচেনা রুমটিতে আলো ফুটবে। পাখির ডাক শোনা যাবে। পরিবারের মানুষগুলো ঘুম থেকে উঠবে। কিন্তু শুধু *আপনার চোখ দুটো আর খুলবে না।*
আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি একপাশে পড়ে থাকবে, যেখানে হয়তো আর কোনোদিন কোনো মেসেজ আসবে না, কেউ আর কল করবে না। আলমারিতে ঝুলিয়ে রাখা আপনার প্রিয় পোশাকগুলো ওভাবেই ঝুলে থাকবে, কিন্তু সেগুলো পরিধান করার মতো দেহটি তখন নিঃপ্রাণ।
> "প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।"
> — (সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৮৫)
>
আমরা দুনিয়ার পেছনে এতটাই অন্ধ হয়ে ছুটে চলছি যে, ভুলেই গেছি আমাদের আসল ঠিকানা অন্য কোথাও।
* যে দেহের এত যত্ন নিচ্ছি, তা মিশে যাবে মাটিতে।
* যে সম্পদের জন্য দিনরাত এক করছি, তা পড়ে থাকবে এ বুকেই।
* শুধু সাথে যাবে—কয়েক টুকরো সাদা কাফন আর আমাদের *আমলনামা*।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
> "তোমরা দুনিয়াতে এমনভাবে থাকো, যেন তুমি একজন মুসাফির বা পথচারী।" (সহীহ বুখারী)
>
*ভেবে দেখুন তো:*
আজ যদি আমার বা আপনার জীবনের শেষ দিন হয়, তবে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর মতো কী আমল আমাদের কাছে আছে? আমরা কি প্রস্তুত সেই অন্ধকার কবরের জন্য, যেখানে আমাদের আপনজনেরা আমাদের একা রেখে চলে আসবে?
### 🤲 চলুন, একটু ফিরে আসি...
সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই, চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। জীবনের মোড় ঘুরিয়ে নেওয়ার জন্য এখনো যে নিঃশ্বাসটি আপনি নিতে পারছেন, সেটাই আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় সুযোগ।
*হে আল্লাহ! আমাদের হেদায়েত দান করুন, মৃত্যুর আগে খাঁটি তওবা করার তাওফিক দিন এবং ঈমানের সাথে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার ভাগ্য নসীব করুন। আমিন।*
collected
@PathwayToNoor
একদিন এমন একটা সকাল আসবে, যেদিন আপনার চিরচেনা রুমটিতে আলো ফুটবে। পাখির ডাক শোনা যাবে। পরিবারের মানুষগুলো ঘুম থেকে উঠবে। কিন্তু শুধু *আপনার চোখ দুটো আর খুলবে না।*
আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি একপাশে পড়ে থাকবে, যেখানে হয়তো আর কোনোদিন কোনো মেসেজ আসবে না, কেউ আর কল করবে না। আলমারিতে ঝুলিয়ে রাখা আপনার প্রিয় পোশাকগুলো ওভাবেই ঝুলে থাকবে, কিন্তু সেগুলো পরিধান করার মতো দেহটি তখন নিঃপ্রাণ।
> "প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।"
> — (সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৮৫)
>
আমরা দুনিয়ার পেছনে এতটাই অন্ধ হয়ে ছুটে চলছি যে, ভুলেই গেছি আমাদের আসল ঠিকানা অন্য কোথাও।
* যে দেহের এত যত্ন নিচ্ছি, তা মিশে যাবে মাটিতে।
* যে সম্পদের জন্য দিনরাত এক করছি, তা পড়ে থাকবে এ বুকেই।
* শুধু সাথে যাবে—কয়েক টুকরো সাদা কাফন আর আমাদের *আমলনামা*।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
> "তোমরা দুনিয়াতে এমনভাবে থাকো, যেন তুমি একজন মুসাফির বা পথচারী।" (সহীহ বুখারী)
>
*ভেবে দেখুন তো:*
আজ যদি আমার বা আপনার জীবনের শেষ দিন হয়, তবে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর মতো কী আমল আমাদের কাছে আছে? আমরা কি প্রস্তুত সেই অন্ধকার কবরের জন্য, যেখানে আমাদের আপনজনেরা আমাদের একা রেখে চলে আসবে?
### 🤲 চলুন, একটু ফিরে আসি...
সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই, চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। জীবনের মোড় ঘুরিয়ে নেওয়ার জন্য এখনো যে নিঃশ্বাসটি আপনি নিতে পারছেন, সেটাই আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় সুযোগ।
*হে আল্লাহ! আমাদের হেদায়েত দান করুন, মৃত্যুর আগে খাঁটি তওবা করার তাওফিক দিন এবং ঈমানের সাথে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার ভাগ্য নসীব করুন। আমিন।*
collected
@PathwayToNoor
❤14😢3💯1
আজকের দিনে যে দুয়াগুলো বেশি বেশি করা যেতে পারেঃ
☛ নিজের গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করবেন !
☛ গুনাহ থেকে বেঁছে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ আল্লাহর অনুগত বান্দা হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সুন্নাহ মেনে চলা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ অন্যের কাছে অপদস্থ না হওয়ার দোয়া করবেন !
☛ বদ নজর থাকে বাঁচার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বিপদ বালা মছিবত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নিজের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের উপর টিকে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ মুনাফিকি থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নিজের পরিবারবর্গের জন্য দোয়া করবেন !
☛ পিতামাতার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সন্তান সন্ততির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সন্তান সন্ততি স্বামী স্ত্রী-নিজের জন্য নয়ন তৃপ্তিকর হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সমস্ত মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করবেন !
☛ ছেলে মেয়েদের ইসলামী শিক্ষা দেওয়া সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ছেলে মেয়েরা যাতে ইসলামের উপর থাকে সেজন্য দোয়া করবেন !
☛ আত্মীয় স্বজনদের জন্য দোয়া করবেন !
☛ যারা আপনার কাছে দোয়া চেয়েছেন তাদের জন্য দোয়া করবেন !
☛ যে সমস্ত আত্মীয় স্বজন মারা গেছেন তাদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের পথে থাকা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলাম সম্প্রসারণের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের জন্য বুককে সম্প্রসারণ করার জন্য দোয়া করবেন !
☛ আপনার প্রয়োজন পূরণের জন্য দোয়া করবেন !
☛ রোগ মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
☛ হালাল রিজিক সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ হারাম কাজ থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সহজে ঋণ পরিশোধ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ কাফেরদের উতপীড়ন থেকে নিরাপদ থাকার দোয়া করবেন !
☛ অন্যের উপর বোঝা স্বরূপ না হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বিদাত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ শির্ক থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ লোক দেখানো ইবাদত থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ঈমান বৃদ্ধির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল অবস্থায় খাটি ঈমানদার হয়ে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বদ অভ্যাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ জান্নাতুল ফেরদৌস এর জন্য দোয়া করবেন !
☛ জাহান্নাম থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ কবরের আযাব থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল বিকাল জিকির করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ প্রতিদিন কুরআন তিলওয়াত করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নবীজির শাফায়াত নসীব হওয়ার জন্য দোয়া করবেন ।
☛ দাজ্জালের ফেতনা থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল রকম ফেতনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ মনে যাতে মুমিনদের প্রতি হিংসা উৎপাদন না হয় সে জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ আমাদেরকে কবুল করুন
[সংগৃহীত]
@PathwayToNoor
☛ নিজের গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করবেন !
☛ গুনাহ থেকে বেঁছে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ আল্লাহর অনুগত বান্দা হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সুন্নাহ মেনে চলা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ অন্যের কাছে অপদস্থ না হওয়ার দোয়া করবেন !
☛ বদ নজর থাকে বাঁচার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বিপদ বালা মছিবত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নিজের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের উপর টিকে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ মুনাফিকি থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নিজের পরিবারবর্গের জন্য দোয়া করবেন !
☛ পিতামাতার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সন্তান সন্ততির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সন্তান সন্ততি স্বামী স্ত্রী-নিজের জন্য নয়ন তৃপ্তিকর হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সমস্ত মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করবেন !
☛ ছেলে মেয়েদের ইসলামী শিক্ষা দেওয়া সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ছেলে মেয়েরা যাতে ইসলামের উপর থাকে সেজন্য দোয়া করবেন !
☛ আত্মীয় স্বজনদের জন্য দোয়া করবেন !
☛ যারা আপনার কাছে দোয়া চেয়েছেন তাদের জন্য দোয়া করবেন !
☛ যে সমস্ত আত্মীয় স্বজন মারা গেছেন তাদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের পথে থাকা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলাম সম্প্রসারণের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের জন্য বুককে সম্প্রসারণ করার জন্য দোয়া করবেন !
☛ আপনার প্রয়োজন পূরণের জন্য দোয়া করবেন !
☛ রোগ মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
☛ হালাল রিজিক সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ হারাম কাজ থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সহজে ঋণ পরিশোধ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ কাফেরদের উতপীড়ন থেকে নিরাপদ থাকার দোয়া করবেন !
☛ অন্যের উপর বোঝা স্বরূপ না হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বিদাত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ শির্ক থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ লোক দেখানো ইবাদত থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ঈমান বৃদ্ধির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল অবস্থায় খাটি ঈমানদার হয়ে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বদ অভ্যাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ জান্নাতুল ফেরদৌস এর জন্য দোয়া করবেন !
☛ জাহান্নাম থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ কবরের আযাব থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল বিকাল জিকির করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ প্রতিদিন কুরআন তিলওয়াত করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নবীজির শাফায়াত নসীব হওয়ার জন্য দোয়া করবেন ।
☛ দাজ্জালের ফেতনা থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল রকম ফেতনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ মনে যাতে মুমিনদের প্রতি হিংসা উৎপাদন না হয় সে জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ আমাদেরকে কবুল করুন
[সংগৃহীত]
@PathwayToNoor
❤13
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন আর মাত্র কয়েক দিনের জন্য আমাদের মাঝে রয়েছে, আর ‘আরাফাহর দিন খুবই নিকটে। এই বরকতময় দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহ অত্যন্ত ভালোবাসেন।
লাইলাতুল কদর গোপন রাখা হয়েছে, কিন্তু ‘আরাফাহর দিন নির্ধারিত ও জানা। যদি এমন কোনো দিন থাকে যা আপনার জীবন বদলে দিতে পারে, তবে সেটি হলো ‘আরাফাহর দিন—একটি দিন, যেদিন আল্লাহর রহমত নাযিল হয়। এই দিনে করা দোয়া কবুল হয় এবং আল্লাহ অতীত ও ভবিষ্যতের গুনাহ মাফ করে দেন।
তাই নিজেকে বেশি বেশি ইবাদতে ব্যস্ত রাখুন। এটি আপনার জন্য এক মহামূল্যবান সুযোগ—দোয়া কবুল হওয়ার এবং আল্লাহর ক্ষমা লাভের। আল্লাহ আপনার ইবাদতকে সম্মানিত করবেন এবং উত্তম প্রতিদান দেবেন। এই বরকতময় দিনগুলোতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকুন এবং সর্বদা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করুন।
—সংগৃহীত
@PathwayToNoor
লাইলাতুল কদর গোপন রাখা হয়েছে, কিন্তু ‘আরাফাহর দিন নির্ধারিত ও জানা। যদি এমন কোনো দিন থাকে যা আপনার জীবন বদলে দিতে পারে, তবে সেটি হলো ‘আরাফাহর দিন—একটি দিন, যেদিন আল্লাহর রহমত নাযিল হয়। এই দিনে করা দোয়া কবুল হয় এবং আল্লাহ অতীত ও ভবিষ্যতের গুনাহ মাফ করে দেন।
তাই নিজেকে বেশি বেশি ইবাদতে ব্যস্ত রাখুন। এটি আপনার জন্য এক মহামূল্যবান সুযোগ—দোয়া কবুল হওয়ার এবং আল্লাহর ক্ষমা লাভের। আল্লাহ আপনার ইবাদতকে সম্মানিত করবেন এবং উত্তম প্রতিদান দেবেন। এই বরকতময় দিনগুলোতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকুন এবং সর্বদা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করুন।
—সংগৃহীত
@PathwayToNoor
❤11
মাঝেমধ্যে কিছু শাইখদের এমন আলোচনা শুনি, পুরো জীবনটা এলোমেলো মনে হয়। ভাবি, করছিটা কী আসলে?
.
আজকের শোনা একটি ছোট্ট বয়ান ঠিক তেমনই । শাইখ মা - হমু- দ হাসানাত বলেন -
.
"জীবন আসলে বয়সের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হয় না, বরং পরিমাপ করা হয় আমাদের আমল বা কর্ম দিয়ে। এই যেমন সাহাবী হযরত সা'দ ইবনে মুয়ায (রা.)। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৩০ বছর বয়সে। আর খন্দকের যুদ্ধে যখন তিনি শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৬ বছর। অর্থাৎ, মুসলিম হিসেবে তাঁর জীবনকাল ছিল মাত্র ৬ বছরের!
.
অথচ এই ৬ বছরের আমল এতই ভারী ছিল যে, তাঁর চিরবিদায়ে আকাশ থেকে ৭০,০০০ ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন!
.
এমনকি জিবরাঈল (আ.) স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বলেছিলেন, 'হে মুহাম্মদ, আজ রাতে আপনার এমন এক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন, যাঁর মৃত্যুতে পরম করুণাময়ের আরশ কেঁপে উঠেছে!'
.
মাত্র ৬ বছরের একটি জীবন... আর তাতেই রহমানের আরশ কেঁপে ওঠে!
.
আর আমরা যারা ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর পার করে দিচ্ছি, আমরা এই দীর্ঘ জীবনে আল্লাহর জন্য আসলে কী করছি? কি আমল পাঠাচ্ছি ওপারে ?"
.
একটু নিজেকে নিয়ে ভাবা উচিত আমাদের। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে ঈমান ও আমলের সাথে কাটানোর তাওফিক দিন।
আস্তাগফিরুল্লাহ্- হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি!
collected
@PathwayToNoor
.
আজকের শোনা একটি ছোট্ট বয়ান ঠিক তেমনই । শাইখ মা - হমু- দ হাসানাত বলেন -
.
"জীবন আসলে বয়সের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হয় না, বরং পরিমাপ করা হয় আমাদের আমল বা কর্ম দিয়ে। এই যেমন সাহাবী হযরত সা'দ ইবনে মুয়ায (রা.)। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৩০ বছর বয়সে। আর খন্দকের যুদ্ধে যখন তিনি শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৬ বছর। অর্থাৎ, মুসলিম হিসেবে তাঁর জীবনকাল ছিল মাত্র ৬ বছরের!
.
অথচ এই ৬ বছরের আমল এতই ভারী ছিল যে, তাঁর চিরবিদায়ে আকাশ থেকে ৭০,০০০ ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন!
.
এমনকি জিবরাঈল (আ.) স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বলেছিলেন, 'হে মুহাম্মদ, আজ রাতে আপনার এমন এক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন, যাঁর মৃত্যুতে পরম করুণাময়ের আরশ কেঁপে উঠেছে!'
.
মাত্র ৬ বছরের একটি জীবন... আর তাতেই রহমানের আরশ কেঁপে ওঠে!
.
আর আমরা যারা ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর পার করে দিচ্ছি, আমরা এই দীর্ঘ জীবনে আল্লাহর জন্য আসলে কী করছি? কি আমল পাঠাচ্ছি ওপারে ?"
.
একটু নিজেকে নিয়ে ভাবা উচিত আমাদের। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে ঈমান ও আমলের সাথে কাটানোর তাওফিক দিন।
আস্তাগফিরুল্লাহ্- হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি!
collected
@PathwayToNoor
❤12
আরাফার দিনের রোজা
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা দিন। এই দিনের রোজা আমাদের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ গুনাহ মাফ করানোর..
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —
“আরাফার দিনের রোযার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি, এটি পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।”
- সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৭৩০
- সহীহ মুসলিম: ১১৬২
অনেকের মাঝে একটা কনফিউশন থাকে যে এই রোজা কবে রাখবো আমরা!! আমাদের দেশের হিসাবে জিলহজ্জ এর ৯ তারিখ পরে বুধবারে (ইংরেজি ২৭ মে), আবার সৌদি আরবে সবাই আরাফায় অবস্থান করবে আমাদের দেশের হিসাবে জিলহজ্জ এর ৮ তারিখ অর্থাৎ আগামিকাল মঙ্গলবারে (ইংরেজি ২৬ মে)।
তাহলে আমরা কোনদিন রোজা রাখবো??
এখানে দুইদিকেরই মত আছে সমানে সমান। কারো মতে আগেরদিন আর কারো মতে পরের দিন। আরাফার দিন বলতে এমনিতে ৯ জিলহজ্জ ধরা হয়..
কিন্তু আমরা সেইফ থাকতে এবং বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ৮ এবং ৯ জিলহজ্জ (২৬ এবং ২৭ তারিখ) দুইদিনই রোজা রাখা উত্তম..
জাযাকাল্লাহু খাইরান 🤍
© @PathwayToNoor
❤10🥰2
আমার Friend এর ছোট ভাই Blood Cancer এ আক্রান্ত।তার নাম ফুয়াদ। বয়স মাত্র ৭ বছর।... সে ICU তে লাইফ সাপোর্টে ছিল।....
সেই ছোট ফুয়াদ আর নেই , আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন,সবাই দোয়া করিয়েন
সেই ছোট ফুয়াদ আর নেই , আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন,সবাই দোয়া করিয়েন
😢21❤5
⚠️ রিমাইন্ডার...
আগামিকাল (বুধবার) ফজর থেকে শুরু করে রবিবার আসর পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর অবশ্যই তাকবীর দিবেন সবাই...
তাকবীরে তাশরিক্ব:
اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া'ল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।
৯ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত এই ২৩ ওয়াক্ত নামাজের ফরজের পর অন্তত একবার উচ্চস্বরে (নারীরা নিচুস্বরে) তাকবীরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব..
যদি নামাজ চলাকালীন ভুলে যান তাহলে পরবর্তীতে মনে আসলে সাথে সাথে পড়ে নিবেন!! আবার কোনো নামাজ কাজা হলে কাজা নামাজ পড়ার সময় পড়ে নিবেন অবশ্যই..
জাযাকাল্লাহু খাইরান..🤍
@PathwayToNoor
❤12
আরাফাতের দিনে আল্লাহ তাআলা দুইবার নাজিল হন; অন্যান্য রাতের মতোই রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নাজিল হন, এবং আরাফাতের দিনের 'আশিয়্যা' কালেও নাজিল হন।
.
প্রশ্ন আসতে পারে 'আশিয়্যা' কখন শুরু হয়?
.
'আশিয়্যা' শুরু হয় সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে (অর্থাৎ জোহরের আজানের পর থেকে) এবং তা সূর্যাস্ত পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আর এটিই হচ্ছে দোয়া কবুল হওয়ার এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার সর্বোত্তম সময়।
- আব্দুল্লাহ ইয়াসিন
-
- সংগৃহীত
@PathwayToNoor
.
প্রশ্ন আসতে পারে 'আশিয়্যা' কখন শুরু হয়?
.
'আশিয়্যা' শুরু হয় সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে (অর্থাৎ জোহরের আজানের পর থেকে) এবং তা সূর্যাস্ত পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আর এটিই হচ্ছে দোয়া কবুল হওয়ার এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার সর্বোত্তম সময়।
- আব্দুল্লাহ ইয়াসিন
-
- সংগৃহীত
@PathwayToNoor
❤12
আসসালামু আলাইকুম
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
[তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম]
অনুবাদ : আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
ঈদ মোবারাক 🌙❤️
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
[তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম]
অনুবাদ : আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
ঈদ মোবারাক 🌙❤️
❤16
*তওবা হলো অন্তরের গোসল, যা আত্মা থেকে গুনাহের সব ময়লা ধুয়ে ফেলে!*
*আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি*🎀✨
_কথা:সংগৃহীত
@PathwayToNoor
*আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি*🎀✨
_কথা:সংগৃহীত
@PathwayToNoor
❤🔥10❤2
শেষ বিচারের দিন আল্লাহর এক বান্দার সামনে পুরস্কারের বিশাল এক পাহাড় নিয়ে আসা হবে। বান্দা বলবে, 'ইয়া আল্লাহ! এগুলো কার?'
আল্লাহ বলবেন, 'এগুলো তোমার।'
বান্দা কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাইবে না এতগুলো পুরস্কার তার, কারণ সে জানে দুনিয়াতে থাকতে এগুলো পাওয়ার মতো আমল সে করেনি।
আল্লাহ বান্দাকে বলবেন, 'তোমার মনে আছে তুমি আমার কাছে অনেক দু'আ করতে দুনিয়াতে। সেই দু'আগুলোর কিছু জবাব আমি দিয়েছিলাম, কিছু দেইনি। জবাব না দেওয়া দু'আগুলোর বদলে আমি তোমাকে এই পুরস্কার দিচ্ছি।'
বান্দা আফসোস করে বলবে, 'ইয়া আল্লাহ! কেন আপনি দুনিয়াতে আমার কিছু দু'আ কবুল করেছিলেন! আপনি যদি একটা দু'আও কবুল না করতেন তাহলে আমি আজ কতগুলো পুরস্কার পেতাম!'
রেফারেন্স :
আল আদাব আল মুফরাদ লিল ইমামিল বুখারী : ৭১০, মুসনাদে ইমাম আহমাদ : ১১১৩৩, সহীহ আত-তারগীব : ১৬৩৩।
#Sirah©©
*আল্লাহ যে দরজা!*
খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা কেউ বন্ধ করতে পারবে না। বিশ্বাস রাখো, সঠিক সময়ে তুমি আল্লাহর দয়া পাবে, আরও একটু সবর করো। শীঘ্রই তুমি মহান রবের দয়া দেখতে পাবে।
ইন'শা'আল্লাহ্!
~সংগৃহীত
@PathwayToNoor
আল্লাহ বলবেন, 'এগুলো তোমার।'
বান্দা কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাইবে না এতগুলো পুরস্কার তার, কারণ সে জানে দুনিয়াতে থাকতে এগুলো পাওয়ার মতো আমল সে করেনি।
আল্লাহ বান্দাকে বলবেন, 'তোমার মনে আছে তুমি আমার কাছে অনেক দু'আ করতে দুনিয়াতে। সেই দু'আগুলোর কিছু জবাব আমি দিয়েছিলাম, কিছু দেইনি। জবাব না দেওয়া দু'আগুলোর বদলে আমি তোমাকে এই পুরস্কার দিচ্ছি।'
বান্দা আফসোস করে বলবে, 'ইয়া আল্লাহ! কেন আপনি দুনিয়াতে আমার কিছু দু'আ কবুল করেছিলেন! আপনি যদি একটা দু'আও কবুল না করতেন তাহলে আমি আজ কতগুলো পুরস্কার পেতাম!'
রেফারেন্স :
আল আদাব আল মুফরাদ লিল ইমামিল বুখারী : ৭১০, মুসনাদে ইমাম আহমাদ : ১১১৩৩, সহীহ আত-তারগীব : ১৬৩৩।
#Sirah©©
*আল্লাহ যে দরজা!*
খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা কেউ বন্ধ করতে পারবে না। বিশ্বাস রাখো, সঠিক সময়ে তুমি আল্লাহর দয়া পাবে, আরও একটু সবর করো। শীঘ্রই তুমি মহান রবের দয়া দেখতে পাবে।
ইন'শা'আল্লাহ্!
~সংগৃহীত
@PathwayToNoor
❤13