Pathway To Noor
3.4K subscribers
285 photos
54 videos
1 file
165 links
আস-সালামু 'আলাইকুম
ইসলাম প্রচার ও ইসলাম সম্বন্ধে সবাইকে অবগত করার জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ❤️

FB Page- https://www.facebook.com/PathwayToNoor

WP:
https://whatsapp.com/channel/0029VbBD7VA1SWssAQh17W2n
Download Telegram
কোনো এক বৃহস্পতিবার রাত ৩ টায়  ঘুম থেকে উঠে, ওযু করে, গায়ে খুশবু মেখে,চোখে সুরমা লাগিয়ে নিয়ে বসে পড়লেন আপনার সবচেয়ে প্রিয় কিতাব "সিরাহ"। এরপর দরুদ পড়ছেন আর সিরাহ পড়ছেন একসাথে। পড়তে পড়তে একেবারেই নেশায় ডুবে গেলেন আপনি। হঠাৎ করেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লেন। ঘুমের মাঝে দেখলেন কেও একজন আপনাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিচ্ছেন! সুসংবাদ দিয়েই তিনি এমন এক ধরনের পানি খাওয়াতে নিয়ে যাচ্ছেন,যা খাওয়ার পর আপনার আর কখনোই তৃষ্ণা লাগবেনা। যেই পানি দুধের চেয়েও সাদা,মধুর চেয়েও মিষ্টি [১]। তিনি আপনাকে দৌড়ে দৌড়ে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। জান্নাতের দরজার পাহারাদার রাও তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কারণ তিনিই জান্নাতের দরজা দিয়ে সবার আগে প্রবেশ করবেন।তিনি ব্যতীত আর কারোর জন্য সেই দরজা দিয়ে ঢুকার অনুমতি নেই[২]।আপনি চিনে ফেললেন যে তিনিই আমাদের পেয়ারা নাবিজীﷺ।এরপর তিনি আপনাকে নিয়ে ঢুকে গেলেন জান্নাতের বাগানে।সেখানে দেখলেন কি সুন্দর সুন্দর ফুল,ফল,এমন সুন্দর জিনিস যা আপনি দুনিয়াতে কোনোদিন কল্পনাও করেন নি! আবার দুনিয়াতে যেই জিনিসগুলো দুয়া করে না পেয়ে অস্থির হচ্ছিলেন,সেই জিনিসগুলোও সেখানে আছে! আল্লহ সারপ্রাইজ রেখেছেন আপনার জন্য![৩] আবার আছে সুন্দর এক প্রাসাদ! তিনি আপনাকে বলেও দিচ্ছেন যে,প্রাসাদ গুলো নাকি আবার আপনার ই! এমন এক প্রাসাদ যার ভেতর থেকে বাহিরে দেখা যায় আর বাহির থেকে ভেতরে দেখা যায়। আপনি কিয়ামুল লাইল করতেন তাই আপনার জন্য নাকি আল্লহ উপহার রেখেছেন![৪] এরপর আপনি ঘুরতে চলে গেলেন আপনার সেই রাজকীয় প্রাসাদে!

এরপর সেখান থেকে ঘুরে-ফিরে আপনি নাবিজীﷺ এর সামনে এসে সম্মান ও আদবের সাথে আবদার করলেন।আবদার করতে লজ্জা পাচ্ছেন।এরপরেও বললেন “ইয়া রসূলাল্লহﷺ। আমাকে আল্লহ এই প্রাসাদটা দিয়েছেন।আমি চাই এই প্রাসাদে আপনি আম্মাজান এবং সাহাবিদেরকে ( রদিয়াল্লহু আনহুমা) নিয়ে ঘুরতে আসুন। দুনিয়াতে তো আপনাকে আপ্যায়নের তীব্র ইচ্ছা পোষণ করে এসেছি। কত কেদেছি এই বিরহ বেদনায়! আপনি তো জানেন না ইয়া রসূলাল্লহﷺ কত কেদেছি আপনার জন্য।আপনাকে একবার দেখার জন্য, একবার ছোয়ার জন্য কত কেদেছিলাম। আজ সেই সুযোগ এসেছে।আপনাকে আমি মন ভরে আপ্যায়ন করতে চাই। ইয়া রসূলাল্লহﷺ,আমার হাতের গরুর মাংস রান্নাটা দুনিয়ায় পরিবারের সবাই খুব পছন্দ করতো। আপনি নাকি ছাগলের কাধের মাংস পছন্দ করতেন![৫] সেটাও রান্না করব।পোলাও,রোস্ট, গরুর মাংস সব রান্না করবো আপনাদের জন্য।আপনি তৃপ্তি ভরে খেয়ে যেই মুচকি হাসিটা দিবেন সেটা দেখার জন্য আমি দুনিয়ায় অনেক অপেক্ষা করেছি ইয়া রসূলাল্লহﷺ। আর আজ তো আম্মাজানদেরকে,সাহাবিদেরকে (রদিয়াল্লহু আনহুমা) সবাইকেই আপয়্যান করার সুযোগ পেলাম। আপনাদের সবাইকেই দাওয়াত রইলো। আপনারা এলে আমি খুব খুশি হবো ইয়া হাবিবুল্লাহ ﷺ।”

এরপর নাবিজীﷺ আপনার জন্য ঘি মিশ্রিত মিষ্টান্ন,তার জান্নাতি বকরির মিষ্টি দুধ,তার জান্নাতি গাছের খেজুর,আরও উত্তম উত্তম জান্নাতি খাবার আপনার জন্য হাদিয়া নিয়ে আসলেন। আপনি নাবিজী ﷺ এর হাত ধরে আপনার প্রাসাদ চিনিয়ে চিনিয়ে নিয়ে গেলেন।পথে অনেক গল্প করলেন প্রিয় নাবিজীﷺ এর সাথে। এরপর প্রাসাদে গিয়ে সব রকমের খাবার নাবিজীﷺ কে বেড়ে দিলেন,আম্মাজানদেরকে দিলেন,সাহাবিদেরকে দিলেন। সবাই আপনার রান্না খেয়ে এত্ত বেশি খুশি হলো! এত্ত তৃপ্তি ভরে খেলো,যা দেখার জন্য আপনি দুনিয়ায় ছটফট করেছিলেন। এবার নাবিজীﷺ খাওয়া শেষে মুচকি হাসলেন এবং আপনাকেও নাবিজীﷺ তার প্রাসাদে দাওয়াত করলেন।

খাওয়া দাওয়া শেষে নাবিজীﷺ আপনার স্বামী,সন্তানের সাথে গল্প করছেন। আপনাদের পিচ্চি পিচ্চি বাবুগুলোকে নিয়ে তিনি খেলছেন। আর আপনি দূর থেকে তা দেখে দেখে হাসছেন সুবহানাল্লহ! কি চমৎকার হবে সেই মুহুর্ত?

আর ভাবতে পারছেনা এই মস্তিষ্ক! আল্লহু আকবর! আল্লহু আকবর কাবি-র!

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ


লেখাঃ উম্মে আদন
collected
@PathwayToNoor
❤‍🔥127
*📌সম্পূর্ণ পড়বেন এবং আপনার পরিচিত যারা এই app ব্যবহার করেন, তাদের সাবধান করে দিবেন ইন শা আল্লাহ*
স্ন্যাপচ্যাট (Snapchat) অ্যাপ থেকে সাবধান!

প্রশ্ন: স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপের মাধ্যমে মানুষের ছবি পরিবর্তন করার বিধান কী? যা বর্তমানে যুবসমাজের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

শায়খ সালিহ আল-ফাওজান (হাফিজাহুল্লাহ)-এর উত্তর:
এটি হারাম (নিষিদ্ধ) এবং এটি শয়তানের একটি চক্রান্ত। আল্লাহ যখন শয়তানকে অভিশাপ দিয়ে বিতাড়িত করেছিলেন, তখন সে অঙ্গীকার করেছিল: 'এবং আমি অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দেব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করবে।' [সূরা আন-নিসা: ১১৯]

অতএব, মানুষ কাফিরদের সাথে বা নারীদের সাথে সাদৃশ্য রেখে অথবা নিজের চেহারার বৈশিষ্ট্য বিকৃত করে আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন আনে (যা গুনাহের কাজ)।

*আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি নসিহত:*
*আপনার ফোন থেকে স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপটি মুছে ফেলুন। কারণ এটি অনেক তরুণ-তরুণীর ব্ল্যাকমেইল বা হেনস্তার শিকার হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল্লাহই আমাদের সহায়, আর তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট ও উত্তম কর্মবিধায়ক।*

কথা-সংগৃহীত©
@PathwayToNoor
15
*"জয় শ্রী রাম" বলার শরঈ হুকুম*
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📖 *উত্তর*

*শব্দার্থ বিশ্লেষণ:*
▪️ *"জয়" =* জিন্দাবাদ, চিরজীবী হোন
▪️ *"শ্রী" =* সাহেব, জনাব (সম্মানসূচক)
▪️ *"রাম" =* হিন্দু ধর্মে তাদের উপাস্য ও ভগবান

সুতরাং *"জয় শ্রী রাম"* এর অর্থ দাঁড়ায় — *"রাম ভগবান চিরজীবী হোন"।*

এটি হিন্দুদের একটি ধর্মীয় স্লোগান ও ধর্মীয় শিআর (প্রতীক)। যেমন মুসলমানরা আল্লাহকে ডাকেন "ইয়া আল্লাহ" বলে, হিন্দুরা তাদের ভগবানকে ডাকে এই স্লোগান দিয়ে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⚖️ *হুকুম*

*১. ইচ্ছাকৃতভাবে বললে:*
যদি জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে এই কুফরি কালিমা মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়, তাহলে এটি কুফর। এ ক্ষেত্রে তাজদীদে ঈমান (ঈমান নবায়ন) এবং তাজদীদে নিকাহ (নিকাহ নবায়ন) উভয়ই জরুরি।

*২. ভুলবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে বললে:*
যদি ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কুফরি কালিমা মুখ থেকে বের হয়ে যায় — অর্থাৎ বলতে চাচ্ছিলেন অন্য কিছু কিন্তু মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে — তাহলে এতে কাফের হবেন না। সেক্ষেত্রে ঈমান ও নিকাহ নবায়ন আবশ্যক নয়। তবে সতর্কতাস্বরূপ ইস্তিগফার (তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা) করে নেওয়া উচিত।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📚 *ফিকহী দলিলসমূহ*

*ফাতাওয়া শামী — (বাবুল মুরতাদ, খণ্ড ৪,/ ২২৪, পৃষ্ঠা):*

*وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا مُخْطِئًا أَوْ مُكْرَهًا لَا يَكْفُرُ عِنْدَ الْكُلِّ*

অর্থ: যে ব্যক্তি ভুলক্রমে বা জোরপূর্বক কুফরি কথা বলে, সে সর্বসম্মতিক্রমে কাফের হয় না।



*وَشَرَائِطُ صِحَّتِهَا الْعَقْلُ وَالصَّحْوُ وَالطَّوْعُ فَلَا تَصِحُّ رِدَّةُ مَجْنُونٍ وَمَعْتُوهٍ وَمُوَسْوَسٍ وَصَبِيٍّ لَا يَعْقِلُ وَسَكْرَانَ وَمُكْرَهٍ عَلَيْهَا*

*অর্থ:* মুরতাদ হওয়ার শুদ্ধতার শর্ত হলো জ্ঞান থাকা, হুঁশে থাকা এবং স্বেচ্ছায় বলা। সুতরাং পাগল, বুদ্ধিহীন, ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত, অবুঝ শিশু, মাতাল ও জোরপূর্বক বলানো *ব্যক্তির মুরতাদ হওয়া শুদ্ধ হয় না*।



*ইবনে আবিদীন রহ. বলেন:*

*وَالْحَاصِلُ أَنَّ مَنْ تَكَلَّمَ بِكَلِمَةِ الْكُفْرِ هَازِلًا أَوْ لَاعِبًا كَفَرَ عِنْدَ الْكُلِّ وَلَا اعْتِبَارَ بِاعْتِقَادِهِ، وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا مُخْطِئًا أَوْ مُكْرَهًا لَا يَكْفُرُ عِنْدَ الْكُلِّ، وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا عَامِدًا عَالِمًا كَفَرَ عِنْدَ الْكُلِّ*

অর্থ: সারকথা হলো — যে ব্যক্তি ঠাট্টা বা খেলাচ্ছলে কুফরি কথা বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয়। যে ভুলক্রমে বা বাধ্য হয়ে বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয় না। আর যে জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয়।



*ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ( ১৯, ৫৫৩ পৃষ্ঠা ):*

অমুসলিমদের জাতীয় শিআর গ্রহণ করা কবিরা গুনাহ, আর ধর্মীয় শিআর গ্রহণ করা শরঈ প্রয়োজন ছাড়া কুফর।



*কিফায়াতুল মুফতি ( ৯, /১০৯, পৃষ্ঠা):*

"রাম রাম" বলা শরঈ সালামের পরিবর্তে গুনাহ, কারণ এটি কাফেরদের শিআর।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

*সারসংক্ষেপ*

▪️ ইচ্ছাকৃতভাবে বললে → কুফর, ঈমান ও নিকাহ নবায়ন জরুরি
▪️ ভুলক্রমে/অনিচ্ছাকৃতভাবে বললে → কাফের হবে না, তবে ইস্তিগফার করুন

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

*ফতোয়া নং: ১৪৪৩১০১০০২৩১*
*দারুল ইফতা: জামিয়া উলূম ইসলামিয়া আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরি টাউন*

*واللہ اعلم بالصواب*

সংগৃহীত
8👏1
ডিপ্রেশন (মন খারাপ/মানসিক চাপ) কাটিয়ে ওঠার উপায়:

• আল্লাহ ﷻ-এর দিকে ফিরে আসা
• পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করা
• নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া
• ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা
• কুরআন তিলাওয়াত বা শোনা
• মনে রাখা যে এটি আল্লাহর একটি পরীক্ষা
• ধৈর্য (সবর) ও কৃতজ্ঞতা (শুকর) বজায় রাখা
• বেশি বেশি দোয়া করা
• গান/মিউজিক থেকে দূরে থাকা
• হারাম বা খারাপ পরিবেশ এড়িয়ে চলা
• বেশি বেশি ইস্তিগফার করা (ক্ষমা প্রার্থনা করা)
•আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা (যিকির করা)

— সংগৃহিত©
27❤‍🔥1
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
6
যদি আপনার এমন কোনো বন্ধু থাকে যে আপনাকে দ্বীনের পথে অটল থাকতে সাহায্য করে— তাহলে সেই বন্ধুটাকে কখনোই হাতছাড়া করবেন না।

— ইমাম আল শাফেয়ী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আল হিলইয়া, ভলিউম - ৪, পৃ. ১০১]

©
#PathwayToNoor
22🔥4
বিষয়ঃ কাকে বিয়ে করবেন?

ইমাম গাযালী রহ লেখেন :

অভিজ্ঞজন বলেছেন, ধনী মেয়েকে বিয়ে করলে ৫ টি বিষয় অনিবার্য :
১ : মোহরানার উচ্চহার।
২ : বাসরঘরে গড়িমসি।
৩ : খেদম‌ত না পাওয়া।
৪ : ব্যয়ভারের আধিক্য।
৫ : তালাকদানে অক্ষমতা।
(এখানে বিবি খাদিজা (রাঃ) বিবেচ্য নয়। কারন তার মত মেয়ে পাওয়া যায়নি কখনো, যাবেও না)

তিনি আরো বলেন,

৪ টি ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর নিচে (কম) থাকা চাই। ন‌ইলে ব‌উয়ের অবজ্ঞার পাত্র হতে হবে।
১ : বয়স।
২ : উচ্চতা।
৩ : সম্পদ।
৪ : বংশমর্যাদা।

আর ৪ ক্ষেত্রে হতে হবে স্ত্রী- স্বামীর উপরে :
১ : সৌন্দর্য।
২ : শিষ্টাচার।
৩ : তাক‌ওয়া-পরহেযগারি।
৪ : স্বভাব-চরিত্র।

সুত্রঃ ইহ‌্ইয়াউ উলূমিদ্দীন। খণ্ড : ৩, পৃষ্ঠা : ৯৩। ফাজায়েলে সাদাকাত।©
15
প্রশ্ন: যিলহজ্জ মাস কেন এত বরকতময়?যিলহজ্জ মাসে কয়টা রোজা রাখব ও কি কি আমল করতে পারি রেফারেন্স সহ জানাবেন ইনশাআল্লাহ!!!!!

উত্তর:
যিলহজ্জ মাস কেন এত বরকতময়?
যিলহজ্জ ইসলামের চারটি হারাম মাসের একটি।
এই মাসের প্রথম ১০ দিন দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।

রেফারেন্স :
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
আল্লাহর নিকট যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই।
সাহাবীরা বললেন,জিহাদও না??
তিনি বললেন,জিহাদও না,তবে যে ব্যাক্তি জান- মাল নিয়ে আর ফিরে আসেনি।

(সহীহ বুখারি:৯৬৯)

কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই মাস?
কারণ:
১. এই মাসে হজ্জ,কোরবানি,তাকবীর,রোজা সব একসাথে পাওয়া যায়।
২.আরাফার দিন এই মাসেই।যেদিন আল্লাহ সবচেয়ে বেশি জাহান্নামীদের মুক্তি দেন।
(সহীহ মুসলিম:১৩৪৮)
৩.আল্লাহ কোরআনে এই ১০ রাতের কসম করেছেন।" ( শপথ ফজরের,শপথ ১০ রাতের- সুরা আল ফাজর- আয়াত-১-২)
তাফসীরে ইবনে কাসীরে বলা হয়েছে, এটা যিলহজ্জের ১০ রাত।

তো,এই দশদিনে কি কি আমল করব?

জি,চলুন যেনে নিই তাহলে:

১.বেশি বেশি তাকবীর।( তাকবীর: আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ)

২.নফল রোজা।১-৯ তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা,বিশেষ করে ৯ তারিখ।

৩.কোরআন তেলাওয়াত : এই ১০ দিনে বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা।পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর ফজিলতের সুরাগুলো পড়া ও একটা খতমের টার্গেট করা।প্রতিদিন তিন পারা পড়তে পারলে ১০ দিনে এক খতম হবে ইনশাআল্লাহ।

৪.যিকির: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবর, আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাহহি,সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী- সুবহানাল্লাহিল আযীম, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ,সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ বেশি বেশি দরুদে ইব্রাহিম পাঠ করা।

৫. সদাকা: প্রতিদিন অন্তত ১০ টাকা হলেও সদাকা করা। মনে রাখবেন,আল্লাহর সবচেয়ে পছন্দের দিনগুলোতে আপনি আল্লাহর পছন্দের একটা আমল( সদাকা) করছেন।

৬.তাওবা - ইস্তিগফার: এই ১০ দিনে বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, অতীত গুনাহ থেকে ফেরার চেষ্টা করা,সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার টা বেশি পড়া।

৭. নফল সালাত : ফরজের পর সবচেয়ে বেশি উত্তম নফল সালাত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার চেষ্টা করা।এছাড়াও ইশরাক,চাশত,আউওয়্যাবিনের সালাত সাধ্যমত আদায় করা।

৮.হজ্জ ও উমরা: সাধ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা।

৯.কুরবানির নিয়ত থাকলে : যদি কুরবানির নিয়ত থাকে তাহলে এই ১০ দিন নখ,চুল কাটবেন না। সহিহ মুসলিম:১৯৭৭

১০.ঈদের সালাত ও কুরবানি: ১০ তারিখ পুরুষরা ঈদের সালাত আদায় করবেন ও কুরবানি করবেন।

কয়টা রোজা রাখব?
উত্তর: পারলে ৯ টা রোজা রাখুন।না পারলে অন্তত আরাফার দিন মানে ৯ই যিলহজ্জ রোখা রাখবেন।আর এই ১০ দিন মুখে তাকবীর জারি রাখুন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো করার তৌফিক দান করুন আল্লহুম্মা আমীন।

এটা খুবই জরুরী পোস্ট।সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার বা কপি পোস্ট করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। কারণ,আপনার একটা শেয়ার/ কপি করার জন্য একজনও আমল করতে পারলে তার সাওয়াব আপনিও পাবেন ইনশাআল্লাহ।
©
@PathwayToNoor
12
8
নিয়ামত হারানোর শুরুটা হয় ছোট একটি মাত্র গুনাহ দিয়ে।
মানুষ যখন গুনাহ করে, তখন আল্লাহর কোনো না কোনো নিয়ামত তার জীবন থেকে সরে যায়। এরপর বান্দা যদি নিজের কৃতকর্মের প্রতি অনুতপ্ত হয়ে পুনরায় আল্লাহর দিকে ফিরে আসে এবং তাওবাহ করে তাহলে সেই নিয়ামত বা অনুরূপ কোনো বরকত আবার ফিরে আসে।

কিন্তু যদি সে গুনাহর উপর অটল থাকে, অনুতপ্ত না হয়, ফিরে না আসে—তাহলে সেই নিয়ামত আর ফিরে আসে না।

এভাবে একে একে গুনাহগুলো তার জীবনের নিয়ামতগুলো ছিনিয়ে নিতে থাকে। একসময় সে নিঃস্ব হয়ে পড়ে—বাহ্যিকভাবে হয়তো নয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণভাবে।

– ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
সূত্রঃ ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্ঠা ২৭১।
21
🌙 সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার...

যারা কুরবানি করার নিয়ত করেছেন, তারা জিলহজের চাঁদ দেখার আগেই (আজকেই) নখ, চুল ইত্যাদি কেটে নিবেন।
চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত এগুলো না কাটাই উত্তম।

হাদীসে এসেছে—
“যখন জিলহজের প্রথম দশক শুরু হবে এবং তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন তার চুল ও শরীরের কিছু না কাটে।”
— সহীহ মুসলিম, ১৯৭৭/৫০১৩

সবাই এই সুন্নত আমল করার চেষ্টা করবেন এবং অন্যদেরও জানিয়ে দিবেন।
জাযাকাল্লাহু খাইরান..🤍

🎗️ জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের ফজিলত ও করণীয় আমল

@PathwayToNoor
11
দুইশো বার সূরা ইখলাস পড়তে কতো ঘন্টা লাগে জানেন? মাত্র দশ মিনিট! সর্বোচ্চ পনেরো মিনিট।
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।

(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)

( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২)
©
@PathwayToNoor
❤‍🔥215💯1
আগামীকাল জুমার দিন 🌙

আমার সবচেয়ে প্রিয় দিন। সপ্তাহের সেরা দিন। আল্লাহ নিজে এই দিনটিকে বিশেষ করে দিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"সূর্য যে দিনগুলোতে উদিত হয়, তার মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম।"

(সহিহ মুসলিম: ৮৫৪)

আর এই জুমা? এটা শুধু সাধারণ কোনো জুমা নয়। এটা জিলহজ্জের মাঝের জুমা। বছরের সেরা ১০ দিনের ভেতরে সেরা দিন। এই সুযোগ জীবনে বারবার আসে না। 🌸

🎀 আল্লাহ তাআলা বলেছেন,

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ

"হে মুমিনগণ! জুমার দিন আজানের পর আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও।"

(সূরাতুল জুমুআ: ৯)

শুধু যেতে বলেননি। ছুটে যেতে বলেছেন। 🌸

🎀 কাল সূরাতুল কাহফ তিলাওয়াত করবো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরাতুল কাহফ পড়বেন, তাঁর জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূরে আলোকিত হয়ে যাবে।

(সহিহ আল-জামি: ৬৪৭০)

🎀 বেশি বেশি দরূদ পড়বো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, জুমার দিন আমার উপর বেশি দরূদ পড়ো, তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।

(সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৭)


🎀 আসর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়টুকু দোয়ায় কাটাবো। এই সময়টা দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এই সময় যা চাইবে আল্লাহ অবশ্যই দেবেন।

(সহিহ বুখারি: ৯৩৫)

হয়তো অনেক দিন ধরে একটা দোয়া করছেন। উত্তর আসছে না মনে হচ্ছে। কাল সেই দোয়া আবার করুন। পুরো মন দিয়ে করুন।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন,

اُدْعُوْنِيْ أَسْتَجِبْ لَكُمْ

"আমাকে ডাকো, আমি সাড়া দেবো।"

(সূরাতুল গাফির: ৬০)

তিনি ওয়াদা করেছেন। আর আল্লাহ কখনো ওয়াদা ভাঙেন না। 🌸

কাল জুমার দিনটা নিজের জন্য নিন। আল্লাহর জন্য নিন। এই বরকতময় দিনটা যেন গাফেল হয়ে না কাটে 🤍

আল্লাহ আমাদের সকলের কালকের জুমা কবুল করুন। আমিন।

nahlah
collected
#PathwayToNoor
12
মনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে। (সূরা আর-রা‘দ : আয়াত ২৮)

এর অর্থ হলো— যেসব হৃদয় আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল, তারা কখনো প্রকৃত শান্তি পায় না। কুফর ও গুনাহের কারণে তাদের অন্তরে মোহর পড়ে যায় এবং হৃদয় কঠিন হয়ে যায়। জিকির করুন আর অন্তর কে শান্তি করুন।

collected
#PathwayToNoor
4❤‍🔥2
*💔 অবহেলার ঘুম এবং একটি নীরব সকাল*

একদিন এমন একটা সকাল আসবে, যেদিন আপনার চিরচেনা রুমটিতে আলো ফুটবে। পাখির ডাক শোনা যাবে। পরিবারের মানুষগুলো ঘুম থেকে উঠবে। কিন্তু শুধু *আপনার চোখ দুটো আর খুলবে না।*
আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি একপাশে পড়ে থাকবে, যেখানে হয়তো আর কোনোদিন কোনো মেসেজ আসবে না, কেউ আর কল করবে না। আলমারিতে ঝুলিয়ে রাখা আপনার প্রিয় পোশাকগুলো ওভাবেই ঝুলে থাকবে, কিন্তু সেগুলো পরিধান করার মতো দেহটি তখন নিঃপ্রাণ।
> "প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।"
> — (সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৮৫)
>
আমরা দুনিয়ার পেছনে এতটাই অন্ধ হয়ে ছুটে চলছি যে, ভুলেই গেছি আমাদের আসল ঠিকানা অন্য কোথাও।
* যে দেহের এত যত্ন নিচ্ছি, তা মিশে যাবে মাটিতে।
* যে সম্পদের জন্য দিনরাত এক করছি, তা পড়ে থাকবে এ বুকেই।
* শুধু সাথে যাবে—কয়েক টুকরো সাদা কাফন আর আমাদের *আমলনামা*।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
> "তোমরা দুনিয়াতে এমনভাবে থাকো, যেন তুমি একজন মুসাফির বা পথচারী।" (সহীহ বুখারী)
>
*ভেবে দেখুন তো:*
আজ যদি আমার বা আপনার জীবনের শেষ দিন হয়, তবে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর মতো কী আমল আমাদের কাছে আছে? আমরা কি প্রস্তুত সেই অন্ধকার কবরের জন্য, যেখানে আমাদের আপনজনেরা আমাদের একা রেখে চলে আসবে?

### 🤲 চলুন, একটু ফিরে আসি...
সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই, চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। জীবনের মোড় ঘুরিয়ে নেওয়ার জন্য এখনো যে নিঃশ্বাসটি আপনি নিতে পারছেন, সেটাই আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় সুযোগ।

*হে আল্লাহ! আমাদের হেদায়েত দান করুন, মৃত্যুর আগে খাঁটি তওবা করার তাওফিক দিন এবং ঈমানের সাথে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার ভাগ্য নসীব করুন। আমিন।*

collected
@PathwayToNoor
14😢3💯1
আজকের দিনে যে দুয়াগুলো বেশি বেশি করা যেতে পারেঃ

☛ নিজের গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করবেন !
☛ গুনাহ থেকে বেঁছে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ আল্লাহর অনুগত বান্দা হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সুন্নাহ মেনে চলা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ অন্যের কাছে অপদস্থ না হওয়ার দোয়া করবেন !
☛ বদ নজর থাকে বাঁচার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বিপদ বালা মছিবত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নিজের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের উপর টিকে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ মুনাফিকি থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নিজের পরিবারবর্গের জন্য দোয়া করবেন !
☛ পিতামাতার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সন্তান সন্ততির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সন্তান সন্ততি স্বামী স্ত্রী-নিজের জন্য নয়ন তৃপ্তিকর হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সমস্ত মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করবেন !
☛ ছেলে মেয়েদের ইসলামী শিক্ষা দেওয়া সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ছেলে মেয়েরা যাতে ইসলামের উপর থাকে সেজন্য দোয়া করবেন !
☛ আত্মীয় স্বজনদের জন্য দোয়া করবেন !
☛ যারা আপনার কাছে দোয়া চেয়েছেন তাদের জন্য দোয়া করবেন !
☛ যে সমস্ত আত্মীয় স্বজন মারা গেছেন তাদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের পথে থাকা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলাম সম্প্রসারণের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের জন্য বুককে সম্প্রসারণ করার জন্য দোয়া করবেন !
☛ আপনার প্রয়োজন পূরণের জন্য দোয়া করবেন !
☛ রোগ মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
☛ হালাল রিজিক সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ হারাম কাজ থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সহজে ঋণ পরিশোধ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ কাফেরদের উতপীড়ন থেকে নিরাপদ থাকার দোয়া করবেন !
☛ অন্যের উপর বোঝা স্বরূপ না হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বিদাত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ শির্ক থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ লোক দেখানো ইবাদত থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ঈমান বৃদ্ধির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল অবস্থায় খাটি ঈমানদার হয়ে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বদ অভ্যাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ জান্নাতুল ফেরদৌস এর জন্য দোয়া করবেন !
☛ জাহান্নাম থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ কবরের আযাব থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল বিকাল জিকির করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ প্রতিদিন কুরআন তিলওয়াত করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নবীজির শাফায়াত নসীব হওয়ার জন্য দোয়া করবেন ।
☛ দাজ্জালের ফেতনা থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল রকম ফেতনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ মনে যাতে মুমিনদের প্রতি হিংসা উৎপাদন না হয় সে জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ আমাদেরকে কবুল করুন

[সংগৃহীত]
@PathwayToNoor
13
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন আর মাত্র কয়েক দিনের জন্য আমাদের মাঝে রয়েছে, আর ‘আরাফাহর দিন খুবই নিকটে। এই বরকতময় দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহ অত্যন্ত ভালোবাসেন।

লাইলাতুল কদর গোপন রাখা হয়েছে, কিন্তু ‘আরাফাহর দিন নির্ধারিত ও জানা। যদি এমন কোনো দিন থাকে যা আপনার জীবন বদলে দিতে পারে, তবে সেটি হলো ‘আরাফাহর দিন—একটি দিন, যেদিন আল্লাহর রহমত নাযিল হয়। এই দিনে করা দোয়া কবুল হয় এবং আল্লাহ অতীত ও ভবিষ্যতের গুনাহ মাফ করে দেন।

তাই নিজেকে বেশি বেশি ইবাদতে ব্যস্ত রাখুন। এটি আপনার জন্য এক মহামূল্যবান সুযোগ—দোয়া কবুল হওয়ার এবং আল্লাহর ক্ষমা লাভের। আল্লাহ আপনার ইবাদতকে সম্মানিত করবেন এবং উত্তম প্রতিদান দেবেন। এই বরকতময় দিনগুলোতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকুন এবং সর্বদা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করুন।

—সংগৃহীত
@PathwayToNoor
11
মাঝেমধ্যে কিছু শাইখদের এমন আলোচনা শুনি, পুরো জীবনটা এলোমেলো মনে হয়। ভাবি, করছিটা কী আসলে?
.
আজকের শোনা একটি ছোট্ট বয়ান ঠিক তেমনই । শাইখ মা - হমু- দ হাসানাত বলেন -
.
"জীবন আসলে বয়সের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হয় না, বরং পরিমাপ করা হয় আমাদের আমল বা কর্ম দিয়ে। এই যেমন সাহাবী হযরত সা'দ ইবনে মুয়ায (রা.)। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৩০ বছর বয়সে। আর খন্দকের যুদ্ধে যখন তিনি শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৬ বছর। অর্থাৎ, মুসলিম হিসেবে তাঁর জীবনকাল ছিল মাত্র ৬ বছরের!
.
অথচ এই ৬ বছরের আমল এতই ভারী ছিল যে, তাঁর চিরবিদায়ে আকাশ থেকে ৭০,০০০ ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন!
.
এমনকি জিবরাঈল (আ.) স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বলেছিলেন, 'হে মুহাম্মদ, আজ রাতে আপনার এমন এক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন, যাঁর মৃত্যুতে পরম করুণাময়ের আরশ কেঁপে উঠেছে!'
.
মাত্র ৬ বছরের একটি জীবন... আর তাতেই রহমানের আরশ কেঁপে ওঠে!
.
আর আমরা যারা ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর পার করে দিচ্ছি, আমরা এই দীর্ঘ জীবনে আল্লাহর জন্য আসলে কী করছি? কি আমল পাঠাচ্ছি ওপারে ?"
.
একটু নিজেকে নিয়ে ভাবা উচিত আমাদের। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে ঈমান ও আমলের সাথে কাটানোর তাওফিক দিন।

আস্তাগফিরুল্লাহ্- হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি!
collected
@PathwayToNoor
12
আরাফার দিনের রোজা

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা দিন। এই দিনের রোজা আমাদের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ গুনাহ মাফ করানোর..

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —

“আরাফার দিনের রোযার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি, এটি পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।”
- সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৭৩০
- সহীহ মুসলিম: ১১৬২

অনেকের মাঝে একটা কনফিউশন থাকে যে এই রোজা কবে রাখবো আমরা!! আমাদের দেশের হিসাবে জিলহজ্জ এর ৯ তারিখ পরে বুধবারে (ইংরেজি ২৭ মে), আবার সৌদি আরবে সবাই আরাফায় অবস্থান করবে আমাদের দেশের হিসাবে জিলহজ্জ এর ৮ তারিখ অর্থাৎ আগামিকাল মঙ্গলবারে (ইংরেজি ২৬ মে)

তাহলে আমরা কোনদিন রোজা রাখবো??

এখানে দুইদিকেরই মত আছে সমানে সমান। কারো মতে আগেরদিন আর কারো মতে পরের দিন। আরাফার দিন বলতে এমনিতে ৯ জিলহজ্জ ধরা হয়..
কিন্তু আমরা সেইফ থাকতে এবং বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ৮ এবং ৯ জিলহজ্জ (২৬ এবং ২৭ তারিখ) দুইদিনই রোজা রাখা উত্তম..

জাযাকাল্লাহু খাইরান 🤍
©
@PathwayToNoor
10🥰2
আমার Friend  এর ছোট ভাই   Blood Cancer  এ আক্রান্ত।তার নাম ফুয়াদ।  বয়স মাত্র ৭ বছর।... সে ICU তে লাইফ সাপোর্টে ছিল।....

সেই ছোট ফুয়াদ আর নেই , আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন,সবাই দোয়া করিয়েন
😢215
⚠️ রিমাইন্ডার...

আগামিকাল (বুধবার) ফজর থেকে শুরু করে রবিবার আসর পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর অবশ্যই তাকবীর দিবেন সবাই...

তাকবীরে তাশরিক্ব:

اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ

উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া'ল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ্‌

৯ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত এই ২৩ ওয়াক্ত নামাজের ফরজের পর অন্তত একবার উচ্চস্বরে (নারীরা নিচুস্বরে) তাকবীরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব..
যদি নামাজ চলাকালীন ভুলে যান তাহলে পরবর্তীতে মনে আসলে সাথে সাথে পড়ে নিবেন!! আবার কোনো নামাজ কাজা হলে কাজা নামাজ পড়ার সময় পড়ে নিবেন অবশ্যই..

জাযাকাল্লাহু খাইরান..🤍

@PathwayToNoor
12