দুরুদের বরকতে বিবাহের ব্যবস্থা!
এক আপুর বিয়ের কথা বার বার ভেঙে যাচ্ছিল। কেউ পছন্দ করে, পরিবার করে না। অবশেষে এক বোন তাকে বলল “প্রতিদিন ১,০০০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করো – ৩০ দিন।” ২০ দিনেই একটি ভালো পাত্র এলো, সব কিছু ঠিকঠাক – ৩০ দিনেই বিয়ে ফাইনাল!
আলহামদুলিল্লাহ। দরূদ আল্লাহর কাছে ভালোবাসা পৌঁছে দেয়, আর রাসূল (সা.) সুপারিশ করেন।
নোট : এটি একটি দোয়া কবুলের গল্প ১০০০বারই পড়তে হবে বা ৩০দিনই পড়তে হবে এমন কোথাও উল্লেখ নেই, যত বেশি পড়বেন তত বেশি লাভবান হবেন ইন শা আল্লাহ, তবে প্রতিদিনই দুরুদ পড়া উচিত।
যেকোনো দুরুদ পড়তে পারবেন তবে দুরুদে ইব্রাহিম উত্তম দুরুদ....
সংগৃহীত—
@PathwayToNoor
এক আপুর বিয়ের কথা বার বার ভেঙে যাচ্ছিল। কেউ পছন্দ করে, পরিবার করে না। অবশেষে এক বোন তাকে বলল “প্রতিদিন ১,০০০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করো – ৩০ দিন।” ২০ দিনেই একটি ভালো পাত্র এলো, সব কিছু ঠিকঠাক – ৩০ দিনেই বিয়ে ফাইনাল!
আলহামদুলিল্লাহ। দরূদ আল্লাহর কাছে ভালোবাসা পৌঁছে দেয়, আর রাসূল (সা.) সুপারিশ করেন।
নোট : এটি একটি দোয়া কবুলের গল্প ১০০০বারই পড়তে হবে বা ৩০দিনই পড়তে হবে এমন কোথাও উল্লেখ নেই, যত বেশি পড়বেন তত বেশি লাভবান হবেন ইন শা আল্লাহ, তবে প্রতিদিনই দুরুদ পড়া উচিত।
যেকোনো দুরুদ পড়তে পারবেন তবে দুরুদে ইব্রাহিম উত্তম দুরুদ....
সংগৃহীত—
@PathwayToNoor
❤14❤🔥2
▪️যদি কোন পুরুষ কোন নারীকে তার ধর্মের (দ্বীনদারিতা) জন্য বিয়ে করে, তাহলে আল্লাহ তাকে তার কাছ থেকে যা চাইবে তাই দেবেন। কিন্তু যদি সে (দ্বীনদারিতা প্রাধান্য না দিয়ে) তার সৌন্দর্য বা সম্পদের জন্য তাকে বিয়ে করে, তাহলে আল্লাহ তাকে সেই অবস্থায় ছেড়ে দেবেন।
— ইমাম ফুযাইল ইবনে ইয়ায (রহি.)
[সূত্র : শারহুস সুন্নাহ, ৯/১৬১]
▪️আবূ হুরাইরাহ (রা.) হতে বর্ণিত। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদেরকে বিয়ে করা হয়— তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী। সুতরাং তুমি দ্বীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
— সহীহ্ বুখারী : ৫০৯০
collected
@PathwayToNoor
— ইমাম ফুযাইল ইবনে ইয়ায (রহি.)
[সূত্র : শারহুস সুন্নাহ, ৯/১৬১]
▪️আবূ হুরাইরাহ (রা.) হতে বর্ণিত। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদেরকে বিয়ে করা হয়— তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী। সুতরাং তুমি দ্বীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
— সহীহ্ বুখারী : ৫০৯০
collected
@PathwayToNoor
❤17
কুরআন থেকে জীবন পরিবর্তনকারী ১০০ উপদেশ:
১. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো না (কোরআন ২:৪২)
২। মানুষকে সৎকাজের আদেশ দাও শুধুমাত্র নিজে অনুশীলন করার পরেই (কোরআন ২:৪৪)
৩। তোমরা পৃথিবীতে অত্যাচার করো না (কুরআন ২:৬০)
৪. মানুষকে মসজিদ থেকে বিরত রেখো না (কুরআন ২:১১৪)
৫। অন্ধভাবে কাউকে অনুসরণ করো না (কোরআন ২:১৭০)
৬. ওয়াদা ভঙ্গ করো না (কোরআন ২:১৭৭)
৭. ঘুষে লিপ্ত হয়ো না (কুরআন ২:১৮৮)
৮. শুধুমাত্র তাদের সাথেই যুদ্ধ কর যারা তোমার সাথে যুদ্ধ করে (কুরআন ২:১৯০)
৯। যুদ্ধের শিষ্টাচার বজায় রাখুন (কোরআন ২:১৯১)
১০। এতিমদের রক্ষা করো (কুরআন ২:২২০)
১১। মাসিক চলাকালীন সহবাস করবেন না (কোরআন ২:২২২)
১২. আপনার সন্তানকে সম্পূর্ণ দুই বছর স্তন্যপান করান (কোরআন ২:২৩৩)
১৩। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী শাসক নির্বাচন করুন (কুরআন ২:২৪৭)
১৪। ধর্মে কোন জবরদস্তি নেই (কুরআন ২:২৫৬)
১৫। অনুস্মারক দিয়ে দানকে অবৈধ করো না (কুরআন ২:২৬৪)
১৬। অভাবগ্রস্তদের সন্ধান দিয়ে সাহায্য করুন (কোরআন ২:২৭৩)
১৭। সুদ সেবন করো না (কুরআন ২:২৭৫)
১৮। যদি ঋণদাতা কঠিন সময়ে থাকে তবে শোধ করার জন্য আরো সময় দাও (কোরআন ২:২৮০)
১৯। ঋণ লিখে রাখ (কুরআন ২:২৮২)
২০। আস্থা রাখুন (কোরআন ২:২৮৩)
২১। গুপ্তচরবৃত্তি করো না এবং গীবত করো না (কুরআন ২:২৮৩)
২২। সকল নবীদের উপর বিশ্বাস রাখো (কুরআন ২:২৮৫)
২৩। কোন ব্যক্তিকে তার ক্ষমতার বাইরে বোঝা দিও না (কোরআন ২:২৮৬)
২৪। বিভক্ত হয়ো না (কুরআন ৩:১০৩)
২৫। ক্রোধ সংযত কর (কোরআন ৩:১৩৪)
২৬। কথার ব্যাপারে অভদ্র হয়ো না (কুরআন ৩:১৫৯)
২৭। এই মহাবিশ্বের বিস্ময় এবং সৃষ্টির ব্যাপারে গভীরভাবে চিন্তা করুন (কুরআন ৩:১৯১)
২৮. পুরুষ ও নারীদের তাদের কাজের জন্য সমান পুরস্কার রয়েছে (কোরআন ৩:১৯৫)
২৯. মৃত ব্যক্তির সম্পদ তার পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা উচিত (কুরআন ৪:৭)
৩০। মহিলাদেরও উত্তরাধিকারের অধিকার আছে (কুরআন ৪:৭)
৩১। এতিমের সম্পদ গ্রাস করো না (কুরআন ৪:১০)
৩২। যাদের রক্তের সম্পর্ক আছে তাদের বিয়ে করো না (কোরআন ৪:২৩)
৩৩। অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ গ্রাস করো না (কোরআন ৪:২৯)
৩৪। পরিবারকে পুরুষদের দ্বারা পরিচালিত করা উচিত (কোরআন ৪:৩৪)
৩৫। অন্যদের প্রতি ভালো আচরণ কর (কোরআন ৪:৩৬)
৩৬। কৃপন হয়ো না (কোরআন ৪:৩৭)
৩৭। হিংসা করো না (কোরআন ৪:৫৪)
৩৮। মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচারের সঙ্গে বিচারক (কোরআন ৪:৫৮)
৩৯। তোমরা একে অপরকে হত্যা করো না (কোরআন ৪:৯২)
৪০। ধোঁকাবাজের উকিল হয়ো না (কুরআন ৪:১০৫)
৪১। ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকো (কুরআন ৪:১৩৫)
৪২। ন্যায়পরায়ণতার সাথে সহযোগিতা কর (কুরআন ৫:২)
৪৩। পাপ ও আগ্রাসনে সহযোগিতা করো না (কুরআন ৫:২)
৪৪। মৃত প্রাণী, রক্ত এবং শুকরের মাংস নিষিদ্ধ (কুরআন ৫:৩)
৪৫। ন্যায়নিষ্ঠ হও (কোরআন ৫:৮)
৪৬। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা কর (কোরআন ৫:৩৮)
৪৭। পাপী ও অবৈধদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কর (কুরআন ৫:৬৩)
৪৮। মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (কুরআন ৫:৯০)
৪৯। জুয়া খেলো না (কুরআন ৫:৯০)
৫০। অন্য দেবতাদের অপমান করো না (কোরআন ৬:১০৮)
৫১। ' সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা' সত্যের মানদণ্ড নয় (কুরআন ৬:১১৬)
৫২। মানুষকে প্রতারিত করার জন্য ওজন কমাও না অথবা পরিমাপ করো না (কুরআন ৬:১৫২)
৫৩। অহংকার করো না (কুরআন ৭:১৩)
৫৪। খাও এবং পান কর, কিন্তু অত্যধিক হয়ো না (কুরআন ৭:৩১)
৫৫। নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান কর (কুরআন ৭:৩১)
৫৬। অন্যদের ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (কোরআন ৭:১৯৯)
৫৭। যুদ্ধে পেছনে ফিরে যেও না (কোরআন ৮:১৫)
58। যারা নিরাপত্তা চায় তাদের রক্ষা ও সাহায্য কর (কুরআন ৯:৬)
৫৯। শুদ্ধতা বজায় রাখুন (কুরআন ৯:১০৮)
৬০। কখনো আল্লাহর রহমতের আশা ছেড়ো না (কুরআন ১২:৮৭)
61. যারা অজ্ঞতার কারণে অন্যায় করেছে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন (কুরআন ১৬:১১৯)
৬২। আল্লাহর দাওয়াত জ্ঞান ও ভাল নির্দেশনার সাথে হওয়া উচিত (কোরআন ১৬:১২৫)
৬৩। কেউ অন্যের পাপ বহন করবে না (কোরআন ১৭:১৫)
৬৪। পিতা-মাতার প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও (কোরআন ১৭:২৩)
৬৫। মাতাপিতার প্রতি অসম্মানজনক একটি শব্দও বল না (কুরআন ১৭:২৩)
৬৬। অর্থ ব্যয় করো না (কুরআন ১৭:২৯)
৬৭। দরিদ্রতার ভয়ে তোমার সন্তানদের হত্যা করো না (কুরআন ১৭:৩১)
৬৮। অবৈধ যৌন মিলনের দিকে যেও না (কোরআন ১৭:৩২)
৬৯। যে ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার পেছনে ঘুরে যেও না (কোরআন ১৭:৩৬)
৭০। মানুষের সাথে হালকাভাবে কথা বল (কুরআন ২০:৪৪)
71. যা অনর্থক তা থেকে দূরে থাকো (কুরআন ২৩:৩)
৭২। অনুমতি ছাড়া অন্যের ঘরে প্রবেশ করো না (কোরআন ২৪:২৭)
৮৫। ভাল দ্বারা মন্দকে দূর কর (কুরআন ৪১:৩৪)
৮৬। পরামর্শের মাধ্যমে বিষয় নির্ধারণ করো (কোরআন ৪২:৩৮)
১. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো না (কোরআন ২:৪২)
২। মানুষকে সৎকাজের আদেশ দাও শুধুমাত্র নিজে অনুশীলন করার পরেই (কোরআন ২:৪৪)
৩। তোমরা পৃথিবীতে অত্যাচার করো না (কুরআন ২:৬০)
৪. মানুষকে মসজিদ থেকে বিরত রেখো না (কুরআন ২:১১৪)
৫। অন্ধভাবে কাউকে অনুসরণ করো না (কোরআন ২:১৭০)
৬. ওয়াদা ভঙ্গ করো না (কোরআন ২:১৭৭)
৭. ঘুষে লিপ্ত হয়ো না (কুরআন ২:১৮৮)
৮. শুধুমাত্র তাদের সাথেই যুদ্ধ কর যারা তোমার সাথে যুদ্ধ করে (কুরআন ২:১৯০)
৯। যুদ্ধের শিষ্টাচার বজায় রাখুন (কোরআন ২:১৯১)
১০। এতিমদের রক্ষা করো (কুরআন ২:২২০)
১১। মাসিক চলাকালীন সহবাস করবেন না (কোরআন ২:২২২)
১২. আপনার সন্তানকে সম্পূর্ণ দুই বছর স্তন্যপান করান (কোরআন ২:২৩৩)
১৩। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী শাসক নির্বাচন করুন (কুরআন ২:২৪৭)
১৪। ধর্মে কোন জবরদস্তি নেই (কুরআন ২:২৫৬)
১৫। অনুস্মারক দিয়ে দানকে অবৈধ করো না (কুরআন ২:২৬৪)
১৬। অভাবগ্রস্তদের সন্ধান দিয়ে সাহায্য করুন (কোরআন ২:২৭৩)
১৭। সুদ সেবন করো না (কুরআন ২:২৭৫)
১৮। যদি ঋণদাতা কঠিন সময়ে থাকে তবে শোধ করার জন্য আরো সময় দাও (কোরআন ২:২৮০)
১৯। ঋণ লিখে রাখ (কুরআন ২:২৮২)
২০। আস্থা রাখুন (কোরআন ২:২৮৩)
২১। গুপ্তচরবৃত্তি করো না এবং গীবত করো না (কুরআন ২:২৮৩)
২২। সকল নবীদের উপর বিশ্বাস রাখো (কুরআন ২:২৮৫)
২৩। কোন ব্যক্তিকে তার ক্ষমতার বাইরে বোঝা দিও না (কোরআন ২:২৮৬)
২৪। বিভক্ত হয়ো না (কুরআন ৩:১০৩)
২৫। ক্রোধ সংযত কর (কোরআন ৩:১৩৪)
২৬। কথার ব্যাপারে অভদ্র হয়ো না (কুরআন ৩:১৫৯)
২৭। এই মহাবিশ্বের বিস্ময় এবং সৃষ্টির ব্যাপারে গভীরভাবে চিন্তা করুন (কুরআন ৩:১৯১)
২৮. পুরুষ ও নারীদের তাদের কাজের জন্য সমান পুরস্কার রয়েছে (কোরআন ৩:১৯৫)
২৯. মৃত ব্যক্তির সম্পদ তার পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা উচিত (কুরআন ৪:৭)
৩০। মহিলাদেরও উত্তরাধিকারের অধিকার আছে (কুরআন ৪:৭)
৩১। এতিমের সম্পদ গ্রাস করো না (কুরআন ৪:১০)
৩২। যাদের রক্তের সম্পর্ক আছে তাদের বিয়ে করো না (কোরআন ৪:২৩)
৩৩। অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ গ্রাস করো না (কোরআন ৪:২৯)
৩৪। পরিবারকে পুরুষদের দ্বারা পরিচালিত করা উচিত (কোরআন ৪:৩৪)
৩৫। অন্যদের প্রতি ভালো আচরণ কর (কোরআন ৪:৩৬)
৩৬। কৃপন হয়ো না (কোরআন ৪:৩৭)
৩৭। হিংসা করো না (কোরআন ৪:৫৪)
৩৮। মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচারের সঙ্গে বিচারক (কোরআন ৪:৫৮)
৩৯। তোমরা একে অপরকে হত্যা করো না (কোরআন ৪:৯২)
৪০। ধোঁকাবাজের উকিল হয়ো না (কুরআন ৪:১০৫)
৪১। ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকো (কুরআন ৪:১৩৫)
৪২। ন্যায়পরায়ণতার সাথে সহযোগিতা কর (কুরআন ৫:২)
৪৩। পাপ ও আগ্রাসনে সহযোগিতা করো না (কুরআন ৫:২)
৪৪। মৃত প্রাণী, রক্ত এবং শুকরের মাংস নিষিদ্ধ (কুরআন ৫:৩)
৪৫। ন্যায়নিষ্ঠ হও (কোরআন ৫:৮)
৪৬। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা কর (কোরআন ৫:৩৮)
৪৭। পাপী ও অবৈধদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কর (কুরআন ৫:৬৩)
৪৮। মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (কুরআন ৫:৯০)
৪৯। জুয়া খেলো না (কুরআন ৫:৯০)
৫০। অন্য দেবতাদের অপমান করো না (কোরআন ৬:১০৮)
৫১। ' সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা' সত্যের মানদণ্ড নয় (কুরআন ৬:১১৬)
৫২। মানুষকে প্রতারিত করার জন্য ওজন কমাও না অথবা পরিমাপ করো না (কুরআন ৬:১৫২)
৫৩। অহংকার করো না (কুরআন ৭:১৩)
৫৪। খাও এবং পান কর, কিন্তু অত্যধিক হয়ো না (কুরআন ৭:৩১)
৫৫। নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান কর (কুরআন ৭:৩১)
৫৬। অন্যদের ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (কোরআন ৭:১৯৯)
৫৭। যুদ্ধে পেছনে ফিরে যেও না (কোরআন ৮:১৫)
58। যারা নিরাপত্তা চায় তাদের রক্ষা ও সাহায্য কর (কুরআন ৯:৬)
৫৯। শুদ্ধতা বজায় রাখুন (কুরআন ৯:১০৮)
৬০। কখনো আল্লাহর রহমতের আশা ছেড়ো না (কুরআন ১২:৮৭)
61. যারা অজ্ঞতার কারণে অন্যায় করেছে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন (কুরআন ১৬:১১৯)
৬২। আল্লাহর দাওয়াত জ্ঞান ও ভাল নির্দেশনার সাথে হওয়া উচিত (কোরআন ১৬:১২৫)
৬৩। কেউ অন্যের পাপ বহন করবে না (কোরআন ১৭:১৫)
৬৪। পিতা-মাতার প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও (কোরআন ১৭:২৩)
৬৫। মাতাপিতার প্রতি অসম্মানজনক একটি শব্দও বল না (কুরআন ১৭:২৩)
৬৬। অর্থ ব্যয় করো না (কুরআন ১৭:২৯)
৬৭। দরিদ্রতার ভয়ে তোমার সন্তানদের হত্যা করো না (কুরআন ১৭:৩১)
৬৮। অবৈধ যৌন মিলনের দিকে যেও না (কোরআন ১৭:৩২)
৬৯। যে ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার পেছনে ঘুরে যেও না (কোরআন ১৭:৩৬)
৭০। মানুষের সাথে হালকাভাবে কথা বল (কুরআন ২০:৪৪)
71. যা অনর্থক তা থেকে দূরে থাকো (কুরআন ২৩:৩)
৭২। অনুমতি ছাড়া অন্যের ঘরে প্রবেশ করো না (কোরআন ২৪:২৭)
৮৫। ভাল দ্বারা মন্দকে দূর কর (কুরআন ৪১:৩৪)
৮৬। পরামর্শের মাধ্যমে বিষয় নির্ধারণ করো (কোরআন ৪২:৩৮)
❤10
৮৭। মানুষের মধ্যে সমঝোতা করার চেষ্টা কর (কুরআন ৪৯:৯)
৮৮। অন্যকে উপহাস করো না (কোরআন ৪৯:১১)
৮৯। সন্দেহ এড়িয়ে চলুন (কুরআন ৪৯:১২)
৯০। গুপ্তচরবৃত্তি করো না বা নিন্দা করো না (কুরআন ৪৯:১২)
৯১। তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মহৎ ব্যক্তিই সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ (কোরআন ৪৯:১৩)
৯২। সম্মানিত অতিথিরা (কোরআন ৫১:২৬)
৯৩। দান-সদকায় সম্পদ ব্যয় কর (কুরআন ৫৭:৭)
94. No monasticism in religion (Qur’aan 57:27)
৯৫। যারা জ্ঞান রাখে তাদেরকে আল্লাহ উচ্চতর ডিগ্রী প্রদান করবেন (কোরআন ৫৮:১১)
৯৬। অমুসলিমদের সাথে সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ কর (কুরআন ৬০:৮)
৯৭। লোভ থেকে নিজেকে রক্ষা করো (কুরআন ৬৪:১৬)
৯৮। আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু (কোরআন ৭৩:২০)
৯৯। যে জিজ্ঞাসা করে তাকে তিরস্কার করো না (কোরআন ৯৩:১০)
১০০. দরিদ্রকে খাওয়াতে উৎসাহিত করুন (কোরআন ১০৭:৩)
৮৮। অন্যকে উপহাস করো না (কোরআন ৪৯:১১)
৮৯। সন্দেহ এড়িয়ে চলুন (কুরআন ৪৯:১২)
৯০। গুপ্তচরবৃত্তি করো না বা নিন্দা করো না (কুরআন ৪৯:১২)
৯১। তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মহৎ ব্যক্তিই সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ (কোরআন ৪৯:১৩)
৯২। সম্মানিত অতিথিরা (কোরআন ৫১:২৬)
৯৩। দান-সদকায় সম্পদ ব্যয় কর (কুরআন ৫৭:৭)
94. No monasticism in religion (Qur’aan 57:27)
৯৫। যারা জ্ঞান রাখে তাদেরকে আল্লাহ উচ্চতর ডিগ্রী প্রদান করবেন (কোরআন ৫৮:১১)
৯৬। অমুসলিমদের সাথে সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ কর (কুরআন ৬০:৮)
৯৭। লোভ থেকে নিজেকে রক্ষা করো (কুরআন ৬৪:১৬)
৯৮। আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু (কোরআন ৭৩:২০)
৯৯। যে জিজ্ঞাসা করে তাকে তিরস্কার করো না (কোরআন ৯৩:১০)
১০০. দরিদ্রকে খাওয়াতে উৎসাহিত করুন (কোরআন ১০৭:৩)
❤15
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
পিরিয়ড সময়—যেসব আমল করা যাবে! ✅
আর যেসব আমল করা যাবে না!❌
পিরিয়ডের সময় ইসলামে কিছু নির্দিষ্ট ইবাদত নিষিদ্ধ করা হয়েছে, আবার অনেক ইবাদত বা আমল এই সময়েও করা যায়। তার একটা লিষ্ট নিম্নরূপ দেয়া হলো!
❌ পিরিয়ডে যে আমলগুলো করা যাবে না:
১. নামাজ পড়া – একেবারে নিষেধ।
২. রোজা রাখা – রাখা যাবে না, তবে পরে ক্বাযা করতে হবে।
৩. কুরআন তেলাওয়াত করা – মুখস্থ হলে দু'আ বা যিকির বুঝায় এমন অংশ পড়া যায়, তবে কুরআনের কপি স্পর্শ না করা বযাবে না।
৪. তাওয়াফ (হজ/উমরার সময় কাবা শরীফের চারপাশে ঘোরা) – বৈধ নয়।
✅ পিরিয়ডে যে আমলগুলো করা যাবে:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. যিকির করা – সুবহানআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইত্যাদি বলা যাবে।
২. দু'আ পড়া – সাধারণ সব দু'আ পড়া যাবে।
যেমন: ঘুমানোর দু'আ, খাওয়ার আগে/পরে ইত্যাদি।
৩. দূরুদ পড়া – “দূরুদ শরীফ” পিরিয়ডের সময় পড়া যাবে।
৪. ইসলামী জ্ঞান অর্জন করা – কিতাব পড়া, লেকচার শোনা, হাদীস ও তাফসীর জানা—এসব সব করা যাবে।
৫. তাওবা ও ইস্তেগফার – বেশি বেশি “আস্তাগফিরুল্লাহ” বলা যায়।
৬. দু'আ চাওয়া ও মন খুলে আল্লাহর সাথে কথা বলা – দু'আ করার কোনো সময় বা অবস্থায় বাঁধা নেই।
পিরিয়ডের সময় কাটানোর সুন্দর কিছু আমল:
১. “লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ্ জালিমীন” বেশি করে পড়বেন।
২. “আস্তাগফিরুল্লাহ” বেশি বেশি পড়বেন।
৩. “রাব্বানা আতিনা ফিদ্ দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ” — দু'আটি পড়বেন নিয়মিত।
📌 পিরিয়ড অবস্থায় ঘুমের আগে
আয়াতুল কুরসি এবং ৪ কুল পড়া যাবে কি?
পিরিয়ডে এমন সব আয়াত পড়া যাবে যেসব দু'আর অর্থ প্রকাশ করে। অথবা আল্লাহর জিকির, প্রশংসা, বড়ত্ব বুঝায়। এ অবস্থায় এমন কোন আয়াত পড়া
যাবে না যা দ্বারা আল্লাহর নির্দেশ এবং নিষেধাজ্ঞা, পূর্বের অথবা ভবিষ্যতের কোন ঘটনা অথবা ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য বুঝায়।
মোটকথা, এ অবস্থায় সাধারণ তেলাওয়াতের উদ্দেশ্যে কোরআন পড়া যাবে না।
উল্লেখিত মূলনীতি অনুসারে, আপনি যদি চান,
জিন এবং, শ/য়/তা/নের, ক্ষ/তি থেকে সুরক্ষার জন্য/নিয়তে পিরিয়ডের সময় ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি বা সুরায়ে নাস ও ফালাক ইত্যাদি পড়তে, তাহলে সেটা জায়েজ আছে।
তবে সুরা ইয়াসিন, সুরা মুলক ইত্যাদি সুরা পড়তে পারবেন না।
[দারুল উলুম দেওবন্দ (ফাতওয়া: ২১২/২২৭/N=১৪৩৩) (ফাতহুল কাদির : ১/১৬৮, রদ্দুল মুহতার : ১/১৭২, আহসানুল
আর যেসব আমল করা যাবে না!❌
পিরিয়ডের সময় ইসলামে কিছু নির্দিষ্ট ইবাদত নিষিদ্ধ করা হয়েছে, আবার অনেক ইবাদত বা আমল এই সময়েও করা যায়। তার একটা লিষ্ট নিম্নরূপ দেয়া হলো!
❌ পিরিয়ডে যে আমলগুলো করা যাবে না:
১. নামাজ পড়া – একেবারে নিষেধ।
২. রোজা রাখা – রাখা যাবে না, তবে পরে ক্বাযা করতে হবে।
৩. কুরআন তেলাওয়াত করা – মুখস্থ হলে দু'আ বা যিকির বুঝায় এমন অংশ পড়া যায়, তবে কুরআনের কপি স্পর্শ না করা বযাবে না।
৪. তাওয়াফ (হজ/উমরার সময় কাবা শরীফের চারপাশে ঘোরা) – বৈধ নয়।
✅ পিরিয়ডে যে আমলগুলো করা যাবে:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. যিকির করা – সুবহানআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইত্যাদি বলা যাবে।
২. দু'আ পড়া – সাধারণ সব দু'আ পড়া যাবে।
যেমন: ঘুমানোর দু'আ, খাওয়ার আগে/পরে ইত্যাদি।
৩. দূরুদ পড়া – “দূরুদ শরীফ” পিরিয়ডের সময় পড়া যাবে।
৪. ইসলামী জ্ঞান অর্জন করা – কিতাব পড়া, লেকচার শোনা, হাদীস ও তাফসীর জানা—এসব সব করা যাবে।
৫. তাওবা ও ইস্তেগফার – বেশি বেশি “আস্তাগফিরুল্লাহ” বলা যায়।
৬. দু'আ চাওয়া ও মন খুলে আল্লাহর সাথে কথা বলা – দু'আ করার কোনো সময় বা অবস্থায় বাঁধা নেই।
পিরিয়ডের সময় কাটানোর সুন্দর কিছু আমল:
১. “লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ্ জালিমীন” বেশি করে পড়বেন।
২. “আস্তাগফিরুল্লাহ” বেশি বেশি পড়বেন।
৩. “রাব্বানা আতিনা ফিদ্ দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ” — দু'আটি পড়বেন নিয়মিত।
📌 পিরিয়ড অবস্থায় ঘুমের আগে
আয়াতুল কুরসি এবং ৪ কুল পড়া যাবে কি?
পিরিয়ডে এমন সব আয়াত পড়া যাবে যেসব দু'আর অর্থ প্রকাশ করে। অথবা আল্লাহর জিকির, প্রশংসা, বড়ত্ব বুঝায়। এ অবস্থায় এমন কোন আয়াত পড়া
যাবে না যা দ্বারা আল্লাহর নির্দেশ এবং নিষেধাজ্ঞা, পূর্বের অথবা ভবিষ্যতের কোন ঘটনা অথবা ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য বুঝায়।
মোটকথা, এ অবস্থায় সাধারণ তেলাওয়াতের উদ্দেশ্যে কোরআন পড়া যাবে না।
উল্লেখিত মূলনীতি অনুসারে, আপনি যদি চান,
জিন এবং, শ/য়/তা/নের, ক্ষ/তি থেকে সুরক্ষার জন্য/নিয়তে পিরিয়ডের সময় ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি বা সুরায়ে নাস ও ফালাক ইত্যাদি পড়তে, তাহলে সেটা জায়েজ আছে।
তবে সুরা ইয়াসিন, সুরা মুলক ইত্যাদি সুরা পড়তে পারবেন না।
[দারুল উলুম দেওবন্দ (ফাতওয়া: ২১২/২২৭/N=১৪৩৩) (ফাতহুল কাদির : ১/১৬৮, রদ্দুল মুহতার : ১/১৭২, আহসানুল
❤15
কোনো এক বৃহস্পতিবার রাত ৩ টায় ঘুম থেকে উঠে, ওযু করে, গায়ে খুশবু মেখে,চোখে সুরমা লাগিয়ে নিয়ে বসে পড়লেন আপনার সবচেয়ে প্রিয় কিতাব "সিরাহ"। এরপর দরুদ পড়ছেন আর সিরাহ পড়ছেন একসাথে। পড়তে পড়তে একেবারেই নেশায় ডুবে গেলেন আপনি। হঠাৎ করেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লেন। ঘুমের মাঝে দেখলেন কেও একজন আপনাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিচ্ছেন! সুসংবাদ দিয়েই তিনি এমন এক ধরনের পানি খাওয়াতে নিয়ে যাচ্ছেন,যা খাওয়ার পর আপনার আর কখনোই তৃষ্ণা লাগবেনা। যেই পানি দুধের চেয়েও সাদা,মধুর চেয়েও মিষ্টি [১]। তিনি আপনাকে দৌড়ে দৌড়ে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। জান্নাতের দরজার পাহারাদার রাও তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কারণ তিনিই জান্নাতের দরজা দিয়ে সবার আগে প্রবেশ করবেন।তিনি ব্যতীত আর কারোর জন্য সেই দরজা দিয়ে ঢুকার অনুমতি নেই[২]।আপনি চিনে ফেললেন যে তিনিই আমাদের পেয়ারা নাবিজীﷺ।এরপর তিনি আপনাকে নিয়ে ঢুকে গেলেন জান্নাতের বাগানে।সেখানে দেখলেন কি সুন্দর সুন্দর ফুল,ফল,এমন সুন্দর জিনিস যা আপনি দুনিয়াতে কোনোদিন কল্পনাও করেন নি! আবার দুনিয়াতে যেই জিনিসগুলো দুয়া করে না পেয়ে অস্থির হচ্ছিলেন,সেই জিনিসগুলোও সেখানে আছে! আল্লহ সারপ্রাইজ রেখেছেন আপনার জন্য![৩] আবার আছে সুন্দর এক প্রাসাদ! তিনি আপনাকে বলেও দিচ্ছেন যে,প্রাসাদ গুলো নাকি আবার আপনার ই! এমন এক প্রাসাদ যার ভেতর থেকে বাহিরে দেখা যায় আর বাহির থেকে ভেতরে দেখা যায়। আপনি কিয়ামুল লাইল করতেন তাই আপনার জন্য নাকি আল্লহ উপহার রেখেছেন![৪] এরপর আপনি ঘুরতে চলে গেলেন আপনার সেই রাজকীয় প্রাসাদে!
এরপর সেখান থেকে ঘুরে-ফিরে আপনি নাবিজীﷺ এর সামনে এসে সম্মান ও আদবের সাথে আবদার করলেন।আবদার করতে লজ্জা পাচ্ছেন।এরপরেও বললেন “ইয়া রসূলাল্লহﷺ। আমাকে আল্লহ এই প্রাসাদটা দিয়েছেন।আমি চাই এই প্রাসাদে আপনি আম্মাজান এবং সাহাবিদেরকে ( রদিয়াল্লহু আনহুমা) নিয়ে ঘুরতে আসুন। দুনিয়াতে তো আপনাকে আপ্যায়নের তীব্র ইচ্ছা পোষণ করে এসেছি। কত কেদেছি এই বিরহ বেদনায়! আপনি তো জানেন না ইয়া রসূলাল্লহﷺ কত কেদেছি আপনার জন্য।আপনাকে একবার দেখার জন্য, একবার ছোয়ার জন্য কত কেদেছিলাম। আজ সেই সুযোগ এসেছে।আপনাকে আমি মন ভরে আপ্যায়ন করতে চাই। ইয়া রসূলাল্লহﷺ,আমার হাতের গরুর মাংস রান্নাটা দুনিয়ায় পরিবারের সবাই খুব পছন্দ করতো। আপনি নাকি ছাগলের কাধের মাংস পছন্দ করতেন![৫] সেটাও রান্না করব।পোলাও,রোস্ট, গরুর মাংস সব রান্না করবো আপনাদের জন্য।আপনি তৃপ্তি ভরে খেয়ে যেই মুচকি হাসিটা দিবেন সেটা দেখার জন্য আমি দুনিয়ায় অনেক অপেক্ষা করেছি ইয়া রসূলাল্লহﷺ। আর আজ তো আম্মাজানদেরকে,সাহাবিদেরকে (রদিয়াল্লহু আনহুমা) সবাইকেই আপয়্যান করার সুযোগ পেলাম। আপনাদের সবাইকেই দাওয়াত রইলো। আপনারা এলে আমি খুব খুশি হবো ইয়া হাবিবুল্লাহ ﷺ।”
এরপর নাবিজীﷺ আপনার জন্য ঘি মিশ্রিত মিষ্টান্ন,তার জান্নাতি বকরির মিষ্টি দুধ,তার জান্নাতি গাছের খেজুর,আরও উত্তম উত্তম জান্নাতি খাবার আপনার জন্য হাদিয়া নিয়ে আসলেন। আপনি নাবিজী ﷺ এর হাত ধরে আপনার প্রাসাদ চিনিয়ে চিনিয়ে নিয়ে গেলেন।পথে অনেক গল্প করলেন প্রিয় নাবিজীﷺ এর সাথে। এরপর প্রাসাদে গিয়ে সব রকমের খাবার নাবিজীﷺ কে বেড়ে দিলেন,আম্মাজানদেরকে দিলেন,সাহাবিদেরকে দিলেন। সবাই আপনার রান্না খেয়ে এত্ত বেশি খুশি হলো! এত্ত তৃপ্তি ভরে খেলো,যা দেখার জন্য আপনি দুনিয়ায় ছটফট করেছিলেন। এবার নাবিজীﷺ খাওয়া শেষে মুচকি হাসলেন এবং আপনাকেও নাবিজীﷺ তার প্রাসাদে দাওয়াত করলেন।
খাওয়া দাওয়া শেষে নাবিজীﷺ আপনার স্বামী,সন্তানের সাথে গল্প করছেন। আপনাদের পিচ্চি পিচ্চি বাবুগুলোকে নিয়ে তিনি খেলছেন। আর আপনি দূর থেকে তা দেখে দেখে হাসছেন সুবহানাল্লহ! কি চমৎকার হবে সেই মুহুর্ত?
আর ভাবতে পারছেনা এই মস্তিষ্ক! আল্লহু আকবর! আল্লহু আকবর কাবি-র!
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
লেখাঃ উম্মে আদন
collected
@PathwayToNoor
এরপর সেখান থেকে ঘুরে-ফিরে আপনি নাবিজীﷺ এর সামনে এসে সম্মান ও আদবের সাথে আবদার করলেন।আবদার করতে লজ্জা পাচ্ছেন।এরপরেও বললেন “ইয়া রসূলাল্লহﷺ। আমাকে আল্লহ এই প্রাসাদটা দিয়েছেন।আমি চাই এই প্রাসাদে আপনি আম্মাজান এবং সাহাবিদেরকে ( রদিয়াল্লহু আনহুমা) নিয়ে ঘুরতে আসুন। দুনিয়াতে তো আপনাকে আপ্যায়নের তীব্র ইচ্ছা পোষণ করে এসেছি। কত কেদেছি এই বিরহ বেদনায়! আপনি তো জানেন না ইয়া রসূলাল্লহﷺ কত কেদেছি আপনার জন্য।আপনাকে একবার দেখার জন্য, একবার ছোয়ার জন্য কত কেদেছিলাম। আজ সেই সুযোগ এসেছে।আপনাকে আমি মন ভরে আপ্যায়ন করতে চাই। ইয়া রসূলাল্লহﷺ,আমার হাতের গরুর মাংস রান্নাটা দুনিয়ায় পরিবারের সবাই খুব পছন্দ করতো। আপনি নাকি ছাগলের কাধের মাংস পছন্দ করতেন![৫] সেটাও রান্না করব।পোলাও,রোস্ট, গরুর মাংস সব রান্না করবো আপনাদের জন্য।আপনি তৃপ্তি ভরে খেয়ে যেই মুচকি হাসিটা দিবেন সেটা দেখার জন্য আমি দুনিয়ায় অনেক অপেক্ষা করেছি ইয়া রসূলাল্লহﷺ। আর আজ তো আম্মাজানদেরকে,সাহাবিদেরকে (রদিয়াল্লহু আনহুমা) সবাইকেই আপয়্যান করার সুযোগ পেলাম। আপনাদের সবাইকেই দাওয়াত রইলো। আপনারা এলে আমি খুব খুশি হবো ইয়া হাবিবুল্লাহ ﷺ।”
এরপর নাবিজীﷺ আপনার জন্য ঘি মিশ্রিত মিষ্টান্ন,তার জান্নাতি বকরির মিষ্টি দুধ,তার জান্নাতি গাছের খেজুর,আরও উত্তম উত্তম জান্নাতি খাবার আপনার জন্য হাদিয়া নিয়ে আসলেন। আপনি নাবিজী ﷺ এর হাত ধরে আপনার প্রাসাদ চিনিয়ে চিনিয়ে নিয়ে গেলেন।পথে অনেক গল্প করলেন প্রিয় নাবিজীﷺ এর সাথে। এরপর প্রাসাদে গিয়ে সব রকমের খাবার নাবিজীﷺ কে বেড়ে দিলেন,আম্মাজানদেরকে দিলেন,সাহাবিদেরকে দিলেন। সবাই আপনার রান্না খেয়ে এত্ত বেশি খুশি হলো! এত্ত তৃপ্তি ভরে খেলো,যা দেখার জন্য আপনি দুনিয়ায় ছটফট করেছিলেন। এবার নাবিজীﷺ খাওয়া শেষে মুচকি হাসলেন এবং আপনাকেও নাবিজীﷺ তার প্রাসাদে দাওয়াত করলেন।
খাওয়া দাওয়া শেষে নাবিজীﷺ আপনার স্বামী,সন্তানের সাথে গল্প করছেন। আপনাদের পিচ্চি পিচ্চি বাবুগুলোকে নিয়ে তিনি খেলছেন। আর আপনি দূর থেকে তা দেখে দেখে হাসছেন সুবহানাল্লহ! কি চমৎকার হবে সেই মুহুর্ত?
আর ভাবতে পারছেনা এই মস্তিষ্ক! আল্লহু আকবর! আল্লহু আকবর কাবি-র!
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
লেখাঃ উম্মে আদন
collected
@PathwayToNoor
❤🔥12❤7
*📌সম্পূর্ণ পড়বেন এবং আপনার পরিচিত যারা এই app ব্যবহার করেন, তাদের সাবধান করে দিবেন ইন শা আল্লাহ*
স্ন্যাপচ্যাট (Snapchat) অ্যাপ থেকে সাবধান!
প্রশ্ন: স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপের মাধ্যমে মানুষের ছবি পরিবর্তন করার বিধান কী? যা বর্তমানে যুবসমাজের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
শায়খ সালিহ আল-ফাওজান (হাফিজাহুল্লাহ)-এর উত্তর:
এটি হারাম (নিষিদ্ধ) এবং এটি শয়তানের একটি চক্রান্ত। আল্লাহ যখন শয়তানকে অভিশাপ দিয়ে বিতাড়িত করেছিলেন, তখন সে অঙ্গীকার করেছিল: 'এবং আমি অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দেব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করবে।' [সূরা আন-নিসা: ১১৯]
অতএব, মানুষ কাফিরদের সাথে বা নারীদের সাথে সাদৃশ্য রেখে অথবা নিজের চেহারার বৈশিষ্ট্য বিকৃত করে আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন আনে (যা গুনাহের কাজ)।
*আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি নসিহত:*
*আপনার ফোন থেকে স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপটি মুছে ফেলুন। কারণ এটি অনেক তরুণ-তরুণীর ব্ল্যাকমেইল বা হেনস্তার শিকার হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল্লাহই আমাদের সহায়, আর তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট ও উত্তম কর্মবিধায়ক।*
কথা-সংগৃহীত©
@PathwayToNoor
স্ন্যাপচ্যাট (Snapchat) অ্যাপ থেকে সাবধান!
প্রশ্ন: স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপের মাধ্যমে মানুষের ছবি পরিবর্তন করার বিধান কী? যা বর্তমানে যুবসমাজের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
শায়খ সালিহ আল-ফাওজান (হাফিজাহুল্লাহ)-এর উত্তর:
এটি হারাম (নিষিদ্ধ) এবং এটি শয়তানের একটি চক্রান্ত। আল্লাহ যখন শয়তানকে অভিশাপ দিয়ে বিতাড়িত করেছিলেন, তখন সে অঙ্গীকার করেছিল: 'এবং আমি অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দেব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করবে।' [সূরা আন-নিসা: ১১৯]
অতএব, মানুষ কাফিরদের সাথে বা নারীদের সাথে সাদৃশ্য রেখে অথবা নিজের চেহারার বৈশিষ্ট্য বিকৃত করে আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন আনে (যা গুনাহের কাজ)।
*আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি নসিহত:*
*আপনার ফোন থেকে স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপটি মুছে ফেলুন। কারণ এটি অনেক তরুণ-তরুণীর ব্ল্যাকমেইল বা হেনস্তার শিকার হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল্লাহই আমাদের সহায়, আর তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট ও উত্তম কর্মবিধায়ক।*
কথা-সংগৃহীত©
@PathwayToNoor
❤15
*"জয় শ্রী রাম" বলার শরঈ হুকুম*
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📖 *উত্তর*
*শব্দার্থ বিশ্লেষণ:*
▪️ *"জয়" =* জিন্দাবাদ, চিরজীবী হোন
▪️ *"শ্রী" =* সাহেব, জনাব (সম্মানসূচক)
▪️ *"রাম" =* হিন্দু ধর্মে তাদের উপাস্য ও ভগবান
সুতরাং *"জয় শ্রী রাম"* এর অর্থ দাঁড়ায় — *"রাম ভগবান চিরজীবী হোন"।*
এটি হিন্দুদের একটি ধর্মীয় স্লোগান ও ধর্মীয় শিআর (প্রতীক)। যেমন মুসলমানরা আল্লাহকে ডাকেন "ইয়া আল্লাহ" বলে, হিন্দুরা তাদের ভগবানকে ডাকে এই স্লোগান দিয়ে।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
⚖️ *হুকুম*
*১. ইচ্ছাকৃতভাবে বললে:*
যদি জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে এই কুফরি কালিমা মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়, তাহলে এটি কুফর। এ ক্ষেত্রে তাজদীদে ঈমান (ঈমান নবায়ন) এবং তাজদীদে নিকাহ (নিকাহ নবায়ন) উভয়ই জরুরি।
*২. ভুলবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে বললে:*
যদি ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কুফরি কালিমা মুখ থেকে বের হয়ে যায় — অর্থাৎ বলতে চাচ্ছিলেন অন্য কিছু কিন্তু মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে — তাহলে এতে কাফের হবেন না। সেক্ষেত্রে ঈমান ও নিকাহ নবায়ন আবশ্যক নয়। তবে সতর্কতাস্বরূপ ইস্তিগফার (তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা) করে নেওয়া উচিত।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📚 *ফিকহী দলিলসমূহ*
*ফাতাওয়া শামী — (বাবুল মুরতাদ, খণ্ড ৪,/ ২২৪, পৃষ্ঠা):*
*وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا مُخْطِئًا أَوْ مُكْرَهًا لَا يَكْفُرُ عِنْدَ الْكُلِّ*
অর্থ: যে ব্যক্তি ভুলক্রমে বা জোরপূর্বক কুফরি কথা বলে, সে সর্বসম্মতিক্রমে কাফের হয় না।
—
*وَشَرَائِطُ صِحَّتِهَا الْعَقْلُ وَالصَّحْوُ وَالطَّوْعُ فَلَا تَصِحُّ رِدَّةُ مَجْنُونٍ وَمَعْتُوهٍ وَمُوَسْوَسٍ وَصَبِيٍّ لَا يَعْقِلُ وَسَكْرَانَ وَمُكْرَهٍ عَلَيْهَا*
*অর্থ:* মুরতাদ হওয়ার শুদ্ধতার শর্ত হলো জ্ঞান থাকা, হুঁশে থাকা এবং স্বেচ্ছায় বলা। সুতরাং পাগল, বুদ্ধিহীন, ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত, অবুঝ শিশু, মাতাল ও জোরপূর্বক বলানো *ব্যক্তির মুরতাদ হওয়া শুদ্ধ হয় না*।
—
*ইবনে আবিদীন রহ. বলেন:*
*وَالْحَاصِلُ أَنَّ مَنْ تَكَلَّمَ بِكَلِمَةِ الْكُفْرِ هَازِلًا أَوْ لَاعِبًا كَفَرَ عِنْدَ الْكُلِّ وَلَا اعْتِبَارَ بِاعْتِقَادِهِ، وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا مُخْطِئًا أَوْ مُكْرَهًا لَا يَكْفُرُ عِنْدَ الْكُلِّ، وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا عَامِدًا عَالِمًا كَفَرَ عِنْدَ الْكُلِّ*
অর্থ: সারকথা হলো — যে ব্যক্তি ঠাট্টা বা খেলাচ্ছলে কুফরি কথা বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয়। যে ভুলক্রমে বা বাধ্য হয়ে বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয় না। আর যে জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয়।
—
*ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ( ১৯, ৫৫৩ পৃষ্ঠা ):*
অমুসলিমদের জাতীয় শিআর গ্রহণ করা কবিরা গুনাহ, আর ধর্মীয় শিআর গ্রহণ করা শরঈ প্রয়োজন ছাড়া কুফর।
—
*কিফায়াতুল মুফতি ( ৯, /১০৯, পৃষ্ঠা):*
"রাম রাম" বলা শরঈ সালামের পরিবর্তে গুনাহ, কারণ এটি কাফেরদের শিআর।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
✅ *সারসংক্ষেপ*
▪️ ইচ্ছাকৃতভাবে বললে → কুফর, ঈমান ও নিকাহ নবায়ন জরুরি
▪️ ভুলক্রমে/অনিচ্ছাকৃতভাবে বললে → কাফের হবে না, তবে ইস্তিগফার করুন
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
*ফতোয়া নং: ১৪৪৩১০১০০২৩১*
*দারুল ইফতা: জামিয়া উলূম ইসলামিয়া আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরি টাউন*
*واللہ اعلم بالصواب*
সংগৃহীত
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📖 *উত্তর*
*শব্দার্থ বিশ্লেষণ:*
▪️ *"জয়" =* জিন্দাবাদ, চিরজীবী হোন
▪️ *"শ্রী" =* সাহেব, জনাব (সম্মানসূচক)
▪️ *"রাম" =* হিন্দু ধর্মে তাদের উপাস্য ও ভগবান
সুতরাং *"জয় শ্রী রাম"* এর অর্থ দাঁড়ায় — *"রাম ভগবান চিরজীবী হোন"।*
এটি হিন্দুদের একটি ধর্মীয় স্লোগান ও ধর্মীয় শিআর (প্রতীক)। যেমন মুসলমানরা আল্লাহকে ডাকেন "ইয়া আল্লাহ" বলে, হিন্দুরা তাদের ভগবানকে ডাকে এই স্লোগান দিয়ে।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
⚖️ *হুকুম*
*১. ইচ্ছাকৃতভাবে বললে:*
যদি জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে এই কুফরি কালিমা মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়, তাহলে এটি কুফর। এ ক্ষেত্রে তাজদীদে ঈমান (ঈমান নবায়ন) এবং তাজদীদে নিকাহ (নিকাহ নবায়ন) উভয়ই জরুরি।
*২. ভুলবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে বললে:*
যদি ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কুফরি কালিমা মুখ থেকে বের হয়ে যায় — অর্থাৎ বলতে চাচ্ছিলেন অন্য কিছু কিন্তু মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে — তাহলে এতে কাফের হবেন না। সেক্ষেত্রে ঈমান ও নিকাহ নবায়ন আবশ্যক নয়। তবে সতর্কতাস্বরূপ ইস্তিগফার (তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা) করে নেওয়া উচিত।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📚 *ফিকহী দলিলসমূহ*
*ফাতাওয়া শামী — (বাবুল মুরতাদ, খণ্ড ৪,/ ২২৪, পৃষ্ঠা):*
*وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا مُخْطِئًا أَوْ مُكْرَهًا لَا يَكْفُرُ عِنْدَ الْكُلِّ*
অর্থ: যে ব্যক্তি ভুলক্রমে বা জোরপূর্বক কুফরি কথা বলে, সে সর্বসম্মতিক্রমে কাফের হয় না।
—
*وَشَرَائِطُ صِحَّتِهَا الْعَقْلُ وَالصَّحْوُ وَالطَّوْعُ فَلَا تَصِحُّ رِدَّةُ مَجْنُونٍ وَمَعْتُوهٍ وَمُوَسْوَسٍ وَصَبِيٍّ لَا يَعْقِلُ وَسَكْرَانَ وَمُكْرَهٍ عَلَيْهَا*
*অর্থ:* মুরতাদ হওয়ার শুদ্ধতার শর্ত হলো জ্ঞান থাকা, হুঁশে থাকা এবং স্বেচ্ছায় বলা। সুতরাং পাগল, বুদ্ধিহীন, ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত, অবুঝ শিশু, মাতাল ও জোরপূর্বক বলানো *ব্যক্তির মুরতাদ হওয়া শুদ্ধ হয় না*।
—
*ইবনে আবিদীন রহ. বলেন:*
*وَالْحَاصِلُ أَنَّ مَنْ تَكَلَّمَ بِكَلِمَةِ الْكُفْرِ هَازِلًا أَوْ لَاعِبًا كَفَرَ عِنْدَ الْكُلِّ وَلَا اعْتِبَارَ بِاعْتِقَادِهِ، وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا مُخْطِئًا أَوْ مُكْرَهًا لَا يَكْفُرُ عِنْدَ الْكُلِّ، وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا عَامِدًا عَالِمًا كَفَرَ عِنْدَ الْكُلِّ*
অর্থ: সারকথা হলো — যে ব্যক্তি ঠাট্টা বা খেলাচ্ছলে কুফরি কথা বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয়। যে ভুলক্রমে বা বাধ্য হয়ে বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয় না। আর যে জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয়।
—
*ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ( ১৯, ৫৫৩ পৃষ্ঠা ):*
অমুসলিমদের জাতীয় শিআর গ্রহণ করা কবিরা গুনাহ, আর ধর্মীয় শিআর গ্রহণ করা শরঈ প্রয়োজন ছাড়া কুফর।
—
*কিফায়াতুল মুফতি ( ৯, /১০৯, পৃষ্ঠা):*
"রাম রাম" বলা শরঈ সালামের পরিবর্তে গুনাহ, কারণ এটি কাফেরদের শিআর।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
✅ *সারসংক্ষেপ*
▪️ ইচ্ছাকৃতভাবে বললে → কুফর, ঈমান ও নিকাহ নবায়ন জরুরি
▪️ ভুলক্রমে/অনিচ্ছাকৃতভাবে বললে → কাফের হবে না, তবে ইস্তিগফার করুন
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
*ফতোয়া নং: ১৪৪৩১০১০০২৩১*
*দারুল ইফতা: জামিয়া উলূম ইসলামিয়া আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরি টাউন*
*واللہ اعلم بالصواب*
সংগৃহীত
❤8👏1
ডিপ্রেশন (মন খারাপ/মানসিক চাপ) কাটিয়ে ওঠার উপায়:
• আল্লাহ ﷻ-এর দিকে ফিরে আসা
• পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করা
• নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া
• ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা
• কুরআন তিলাওয়াত বা শোনা
• মনে রাখা যে এটি আল্লাহর একটি পরীক্ষা
• ধৈর্য (সবর) ও কৃতজ্ঞতা (শুকর) বজায় রাখা
• বেশি বেশি দোয়া করা
• গান/মিউজিক থেকে দূরে থাকা
• হারাম বা খারাপ পরিবেশ এড়িয়ে চলা
• বেশি বেশি ইস্তিগফার করা (ক্ষমা প্রার্থনা করা)
•আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা (যিকির করা)
— সংগৃহিত©
• আল্লাহ ﷻ-এর দিকে ফিরে আসা
• পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করা
• নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া
• ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা
• কুরআন তিলাওয়াত বা শোনা
• মনে রাখা যে এটি আল্লাহর একটি পরীক্ষা
• ধৈর্য (সবর) ও কৃতজ্ঞতা (শুকর) বজায় রাখা
• বেশি বেশি দোয়া করা
• গান/মিউজিক থেকে দূরে থাকা
• হারাম বা খারাপ পরিবেশ এড়িয়ে চলা
• বেশি বেশি ইস্তিগফার করা (ক্ষমা প্রার্থনা করা)
•আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা (যিকির করা)
— সংগৃহিত©
❤27❤🔥1
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤6
যদি আপনার এমন কোনো বন্ধু থাকে যে আপনাকে দ্বীনের পথে অটল থাকতে সাহায্য করে— তাহলে সেই বন্ধুটাকে কখনোই হাতছাড়া করবেন না।
— ইমাম আল শাফেয়ী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আল হিলইয়া, ভলিউম - ৪, পৃ. ১০১]
©
#PathwayToNoor
— ইমাম আল শাফেয়ী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আল হিলইয়া, ভলিউম - ৪, পৃ. ১০১]
©
#PathwayToNoor
❤22🔥4
বিষয়ঃ কাকে বিয়ে করবেন?
ইমাম গাযালী রহ লেখেন :
অভিজ্ঞজন বলেছেন, ধনী মেয়েকে বিয়ে করলে ৫ টি বিষয় অনিবার্য :
১ : মোহরানার উচ্চহার।
২ : বাসরঘরে গড়িমসি।
৩ : খেদমত না পাওয়া।
৪ : ব্যয়ভারের আধিক্য।
৫ : তালাকদানে অক্ষমতা।
(এখানে বিবি খাদিজা (রাঃ) বিবেচ্য নয়। কারন তার মত মেয়ে পাওয়া যায়নি কখনো, যাবেও না)
তিনি আরো বলেন,
৪ টি ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর নিচে (কম) থাকা চাই। নইলে বউয়ের অবজ্ঞার পাত্র হতে হবে।
১ : বয়স।
২ : উচ্চতা।
৩ : সম্পদ।
৪ : বংশমর্যাদা।
আর ৪ ক্ষেত্রে হতে হবে স্ত্রী- স্বামীর উপরে :
১ : সৌন্দর্য।
২ : শিষ্টাচার।
৩ : তাকওয়া-পরহেযগারি।
৪ : স্বভাব-চরিত্র।
সুত্রঃ ইহ্ইয়াউ উলূমিদ্দীন। খণ্ড : ৩, পৃষ্ঠা : ৯৩। ফাজায়েলে সাদাকাত।©
ইমাম গাযালী রহ লেখেন :
অভিজ্ঞজন বলেছেন, ধনী মেয়েকে বিয়ে করলে ৫ টি বিষয় অনিবার্য :
১ : মোহরানার উচ্চহার।
২ : বাসরঘরে গড়িমসি।
৩ : খেদমত না পাওয়া।
৪ : ব্যয়ভারের আধিক্য।
৫ : তালাকদানে অক্ষমতা।
(এখানে বিবি খাদিজা (রাঃ) বিবেচ্য নয়। কারন তার মত মেয়ে পাওয়া যায়নি কখনো, যাবেও না)
তিনি আরো বলেন,
৪ টি ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর নিচে (কম) থাকা চাই। নইলে বউয়ের অবজ্ঞার পাত্র হতে হবে।
১ : বয়স।
২ : উচ্চতা।
৩ : সম্পদ।
৪ : বংশমর্যাদা।
আর ৪ ক্ষেত্রে হতে হবে স্ত্রী- স্বামীর উপরে :
১ : সৌন্দর্য।
২ : শিষ্টাচার।
৩ : তাকওয়া-পরহেযগারি।
৪ : স্বভাব-চরিত্র।
সুত্রঃ ইহ্ইয়াউ উলূমিদ্দীন। খণ্ড : ৩, পৃষ্ঠা : ৯৩। ফাজায়েলে সাদাকাত।©
❤15
প্রশ্ন: যিলহজ্জ মাস কেন এত বরকতময়?যিলহজ্জ মাসে কয়টা রোজা রাখব ও কি কি আমল করতে পারি রেফারেন্স সহ জানাবেন ইনশাআল্লাহ!!!!!
উত্তর:
যিলহজ্জ মাস কেন এত বরকতময়?
যিলহজ্জ ইসলামের চারটি হারাম মাসের একটি।
এই মাসের প্রথম ১০ দিন দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
রেফারেন্স :
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
আল্লাহর নিকট যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই।
সাহাবীরা বললেন,জিহাদও না??
তিনি বললেন,জিহাদও না,তবে যে ব্যাক্তি জান- মাল নিয়ে আর ফিরে আসেনি।
(সহীহ বুখারি:৯৬৯)
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই মাস?
কারণ:
১. এই মাসে হজ্জ,কোরবানি,তাকবীর,রোজা সব একসাথে পাওয়া যায়।
২.আরাফার দিন এই মাসেই।যেদিন আল্লাহ সবচেয়ে বেশি জাহান্নামীদের মুক্তি দেন।
(সহীহ মুসলিম:১৩৪৮)
৩.আল্লাহ কোরআনে এই ১০ রাতের কসম করেছেন।" ( শপথ ফজরের,শপথ ১০ রাতের- সুরা আল ফাজর- আয়াত-১-২)
তাফসীরে ইবনে কাসীরে বলা হয়েছে, এটা যিলহজ্জের ১০ রাত।
তো,এই দশদিনে কি কি আমল করব?
জি,চলুন যেনে নিই তাহলে:
১.বেশি বেশি তাকবীর।( তাকবীর: আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ)
২.নফল রোজা।১-৯ তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা,বিশেষ করে ৯ তারিখ।
৩.কোরআন তেলাওয়াত : এই ১০ দিনে বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা।পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর ফজিলতের সুরাগুলো পড়া ও একটা খতমের টার্গেট করা।প্রতিদিন তিন পারা পড়তে পারলে ১০ দিনে এক খতম হবে ইনশাআল্লাহ।
৪.যিকির: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবর, আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাহহি,সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী- সুবহানাল্লাহিল আযীম, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ,সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ বেশি বেশি দরুদে ইব্রাহিম পাঠ করা।
৫. সদাকা: প্রতিদিন অন্তত ১০ টাকা হলেও সদাকা করা। মনে রাখবেন,আল্লাহর সবচেয়ে পছন্দের দিনগুলোতে আপনি আল্লাহর পছন্দের একটা আমল( সদাকা) করছেন।
৬.তাওবা - ইস্তিগফার: এই ১০ দিনে বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, অতীত গুনাহ থেকে ফেরার চেষ্টা করা,সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার টা বেশি পড়া।
৭. নফল সালাত : ফরজের পর সবচেয়ে বেশি উত্তম নফল সালাত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার চেষ্টা করা।এছাড়াও ইশরাক,চাশত,আউওয়্যাবিনের সালাত সাধ্যমত আদায় করা।
৮.হজ্জ ও উমরা: সাধ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা।
৯.কুরবানির নিয়ত থাকলে : যদি কুরবানির নিয়ত থাকে তাহলে এই ১০ দিন নখ,চুল কাটবেন না। সহিহ মুসলিম:১৯৭৭
১০.ঈদের সালাত ও কুরবানি: ১০ তারিখ পুরুষরা ঈদের সালাত আদায় করবেন ও কুরবানি করবেন।
কয়টা রোজা রাখব?
উত্তর: পারলে ৯ টা রোজা রাখুন।না পারলে অন্তত আরাফার দিন মানে ৯ই যিলহজ্জ রোখা রাখবেন।আর এই ১০ দিন মুখে তাকবীর জারি রাখুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো করার তৌফিক দান করুন আল্লহুম্মা আমীন।
এটা খুবই জরুরী পোস্ট।সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার বা কপি পোস্ট করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। কারণ,আপনার একটা শেয়ার/ কপি করার জন্য একজনও আমল করতে পারলে তার সাওয়াব আপনিও পাবেন ইনশাআল্লাহ।
©
@PathwayToNoor
উত্তর:
যিলহজ্জ মাস কেন এত বরকতময়?
যিলহজ্জ ইসলামের চারটি হারাম মাসের একটি।
এই মাসের প্রথম ১০ দিন দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
রেফারেন্স :
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
আল্লাহর নিকট যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই।
সাহাবীরা বললেন,জিহাদও না??
তিনি বললেন,জিহাদও না,তবে যে ব্যাক্তি জান- মাল নিয়ে আর ফিরে আসেনি।
(সহীহ বুখারি:৯৬৯)
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই মাস?
কারণ:
১. এই মাসে হজ্জ,কোরবানি,তাকবীর,রোজা সব একসাথে পাওয়া যায়।
২.আরাফার দিন এই মাসেই।যেদিন আল্লাহ সবচেয়ে বেশি জাহান্নামীদের মুক্তি দেন।
(সহীহ মুসলিম:১৩৪৮)
৩.আল্লাহ কোরআনে এই ১০ রাতের কসম করেছেন।" ( শপথ ফজরের,শপথ ১০ রাতের- সুরা আল ফাজর- আয়াত-১-২)
তাফসীরে ইবনে কাসীরে বলা হয়েছে, এটা যিলহজ্জের ১০ রাত।
তো,এই দশদিনে কি কি আমল করব?
জি,চলুন যেনে নিই তাহলে:
১.বেশি বেশি তাকবীর।( তাকবীর: আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ)
২.নফল রোজা।১-৯ তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা,বিশেষ করে ৯ তারিখ।
৩.কোরআন তেলাওয়াত : এই ১০ দিনে বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা।পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর ফজিলতের সুরাগুলো পড়া ও একটা খতমের টার্গেট করা।প্রতিদিন তিন পারা পড়তে পারলে ১০ দিনে এক খতম হবে ইনশাআল্লাহ।
৪.যিকির: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবর, আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাহহি,সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী- সুবহানাল্লাহিল আযীম, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ,সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ বেশি বেশি দরুদে ইব্রাহিম পাঠ করা।
৫. সদাকা: প্রতিদিন অন্তত ১০ টাকা হলেও সদাকা করা। মনে রাখবেন,আল্লাহর সবচেয়ে পছন্দের দিনগুলোতে আপনি আল্লাহর পছন্দের একটা আমল( সদাকা) করছেন।
৬.তাওবা - ইস্তিগফার: এই ১০ দিনে বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, অতীত গুনাহ থেকে ফেরার চেষ্টা করা,সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার টা বেশি পড়া।
৭. নফল সালাত : ফরজের পর সবচেয়ে বেশি উত্তম নফল সালাত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার চেষ্টা করা।এছাড়াও ইশরাক,চাশত,আউওয়্যাবিনের সালাত সাধ্যমত আদায় করা।
৮.হজ্জ ও উমরা: সাধ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা।
৯.কুরবানির নিয়ত থাকলে : যদি কুরবানির নিয়ত থাকে তাহলে এই ১০ দিন নখ,চুল কাটবেন না। সহিহ মুসলিম:১৯৭৭
১০.ঈদের সালাত ও কুরবানি: ১০ তারিখ পুরুষরা ঈদের সালাত আদায় করবেন ও কুরবানি করবেন।
কয়টা রোজা রাখব?
উত্তর: পারলে ৯ টা রোজা রাখুন।না পারলে অন্তত আরাফার দিন মানে ৯ই যিলহজ্জ রোখা রাখবেন।আর এই ১০ দিন মুখে তাকবীর জারি রাখুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো করার তৌফিক দান করুন আল্লহুম্মা আমীন।
এটা খুবই জরুরী পোস্ট।সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার বা কপি পোস্ট করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। কারণ,আপনার একটা শেয়ার/ কপি করার জন্য একজনও আমল করতে পারলে তার সাওয়াব আপনিও পাবেন ইনশাআল্লাহ।
©
@PathwayToNoor
❤12
নিয়ামত হারানোর শুরুটা হয় ছোট একটি মাত্র গুনাহ দিয়ে।
মানুষ যখন গুনাহ করে, তখন আল্লাহর কোনো না কোনো নিয়ামত তার জীবন থেকে সরে যায়। এরপর বান্দা যদি নিজের কৃতকর্মের প্রতি অনুতপ্ত হয়ে পুনরায় আল্লাহর দিকে ফিরে আসে এবং তাওবাহ করে তাহলে সেই নিয়ামত বা অনুরূপ কোনো বরকত আবার ফিরে আসে।
কিন্তু যদি সে গুনাহর উপর অটল থাকে, অনুতপ্ত না হয়, ফিরে না আসে—তাহলে সেই নিয়ামত আর ফিরে আসে না।
এভাবে একে একে গুনাহগুলো তার জীবনের নিয়ামতগুলো ছিনিয়ে নিতে থাকে। একসময় সে নিঃস্ব হয়ে পড়ে—বাহ্যিকভাবে হয়তো নয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণভাবে।
– ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
সূত্রঃ ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্ঠা ২৭১।
মানুষ যখন গুনাহ করে, তখন আল্লাহর কোনো না কোনো নিয়ামত তার জীবন থেকে সরে যায়। এরপর বান্দা যদি নিজের কৃতকর্মের প্রতি অনুতপ্ত হয়ে পুনরায় আল্লাহর দিকে ফিরে আসে এবং তাওবাহ করে তাহলে সেই নিয়ামত বা অনুরূপ কোনো বরকত আবার ফিরে আসে।
কিন্তু যদি সে গুনাহর উপর অটল থাকে, অনুতপ্ত না হয়, ফিরে না আসে—তাহলে সেই নিয়ামত আর ফিরে আসে না।
এভাবে একে একে গুনাহগুলো তার জীবনের নিয়ামতগুলো ছিনিয়ে নিতে থাকে। একসময় সে নিঃস্ব হয়ে পড়ে—বাহ্যিকভাবে হয়তো নয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণভাবে।
– ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
সূত্রঃ ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃষ্ঠা ২৭১।
❤21
🌙 সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার...
যারা কুরবানি করার নিয়ত করেছেন, তারা জিলহজের চাঁদ দেখার আগেই (আজকেই) নখ, চুল ইত্যাদি কেটে নিবেন।
চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত এগুলো না কাটাই উত্তম।
হাদীসে এসেছে—
“যখন জিলহজের প্রথম দশক শুরু হবে এবং তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন তার চুল ও শরীরের কিছু না কাটে।”
— সহীহ মুসলিম, ১৯৭৭/৫০১৩
সবাই এই সুন্নত আমল করার চেষ্টা করবেন এবং অন্যদেরও জানিয়ে দিবেন।
জাযাকাল্লাহু খাইরান..🤍
🎗️ জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের ফজিলত ও করণীয় আমল
@PathwayToNoor
❤11
দুইশো বার সূরা ইখলাস পড়তে কতো ঘন্টা লাগে জানেন? মাত্র দশ মিনিট! সর্বোচ্চ পনেরো মিনিট।
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।
(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)
( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২)
©
@PathwayToNoor
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।
(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)
( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২)
©
@PathwayToNoor
❤🔥21❤5💯1
আগামীকাল জুমার দিন 🌙
আমার সবচেয়ে প্রিয় দিন। সপ্তাহের সেরা দিন। আল্লাহ নিজে এই দিনটিকে বিশেষ করে দিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"সূর্য যে দিনগুলোতে উদিত হয়, তার মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম।"
(সহিহ মুসলিম: ৮৫৪)
আর এই জুমা? এটা শুধু সাধারণ কোনো জুমা নয়। এটা জিলহজ্জের মাঝের জুমা। বছরের সেরা ১০ দিনের ভেতরে সেরা দিন। এই সুযোগ জীবনে বারবার আসে না। 🌸
🎀 আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ
"হে মুমিনগণ! জুমার দিন আজানের পর আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও।"
(সূরাতুল জুমুআ: ৯)
শুধু যেতে বলেননি। ছুটে যেতে বলেছেন। 🌸
🎀 কাল সূরাতুল কাহফ তিলাওয়াত করবো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরাতুল কাহফ পড়বেন, তাঁর জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূরে আলোকিত হয়ে যাবে।
(সহিহ আল-জামি: ৬৪৭০)
🎀 বেশি বেশি দরূদ পড়বো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, জুমার দিন আমার উপর বেশি দরূদ পড়ো, তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।
(সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৭)
🎀 আসর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়টুকু দোয়ায় কাটাবো। এই সময়টা দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এই সময় যা চাইবে আল্লাহ অবশ্যই দেবেন।
(সহিহ বুখারি: ৯৩৫)
হয়তো অনেক দিন ধরে একটা দোয়া করছেন। উত্তর আসছে না মনে হচ্ছে। কাল সেই দোয়া আবার করুন। পুরো মন দিয়ে করুন।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
اُدْعُوْنِيْ أَسْتَجِبْ لَكُمْ
"আমাকে ডাকো, আমি সাড়া দেবো।"
(সূরাতুল গাফির: ৬০)
তিনি ওয়াদা করেছেন। আর আল্লাহ কখনো ওয়াদা ভাঙেন না। 🌸
কাল জুমার দিনটা নিজের জন্য নিন। আল্লাহর জন্য নিন। এই বরকতময় দিনটা যেন গাফেল হয়ে না কাটে 🤍
আল্লাহ আমাদের সকলের কালকের জুমা কবুল করুন। আমিন।
nahlah
collected
#PathwayToNoor
আমার সবচেয়ে প্রিয় দিন। সপ্তাহের সেরা দিন। আল্লাহ নিজে এই দিনটিকে বিশেষ করে দিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
"সূর্য যে দিনগুলোতে উদিত হয়, তার মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম।"
(সহিহ মুসলিম: ৮৫৪)
আর এই জুমা? এটা শুধু সাধারণ কোনো জুমা নয়। এটা জিলহজ্জের মাঝের জুমা। বছরের সেরা ১০ দিনের ভেতরে সেরা দিন। এই সুযোগ জীবনে বারবার আসে না। 🌸
🎀 আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ
"হে মুমিনগণ! জুমার দিন আজানের পর আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও।"
(সূরাতুল জুমুআ: ৯)
শুধু যেতে বলেননি। ছুটে যেতে বলেছেন। 🌸
🎀 কাল সূরাতুল কাহফ তিলাওয়াত করবো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরাতুল কাহফ পড়বেন, তাঁর জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূরে আলোকিত হয়ে যাবে।
(সহিহ আল-জামি: ৬৪৭০)
🎀 বেশি বেশি দরূদ পড়বো। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, জুমার দিন আমার উপর বেশি দরূদ পড়ো, তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।
(সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৭)
🎀 আসর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়টুকু দোয়ায় কাটাবো। এই সময়টা দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এই সময় যা চাইবে আল্লাহ অবশ্যই দেবেন।
(সহিহ বুখারি: ৯৩৫)
হয়তো অনেক দিন ধরে একটা দোয়া করছেন। উত্তর আসছে না মনে হচ্ছে। কাল সেই দোয়া আবার করুন। পুরো মন দিয়ে করুন।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
اُدْعُوْنِيْ أَسْتَجِبْ لَكُمْ
"আমাকে ডাকো, আমি সাড়া দেবো।"
(সূরাতুল গাফির: ৬০)
তিনি ওয়াদা করেছেন। আর আল্লাহ কখনো ওয়াদা ভাঙেন না। 🌸
কাল জুমার দিনটা নিজের জন্য নিন। আল্লাহর জন্য নিন। এই বরকতময় দিনটা যেন গাফেল হয়ে না কাটে 🤍
আল্লাহ আমাদের সকলের কালকের জুমা কবুল করুন। আমিন।
nahlah
collected
#PathwayToNoor
❤12