Pathway To Noor
3.4K subscribers
287 photos
54 videos
1 file
165 links
আস-সালামু 'আলাইকুম
ইসলাম প্রচার ও ইসলাম সম্বন্ধে সবাইকে অবগত করার জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ❤️

FB Page- https://www.facebook.com/PathwayToNoor

WP:
https://whatsapp.com/channel/0029VbBD7VA1SWssAQh17W2n
Download Telegram
collected
@PathwayToNoor
😢196😱1
ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন-

"শয়তান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো—
★ দৃষ্টি সংযত রাখা,
★অতিরিক্ত কথা ও
★খাবার পরিহার করা এবং
★ মানুষের সাথে মাত্রাতিরিক্ত মেলামেশা বর্জন করা।

শয়তান আদমসন্তানের ওপর এই চারটি প্রবেশপথ দিয়েই আধিপত্য বিস্তার করে।”

(আল-ওয়াবিলুস সয়্যিব-৭৩)

collected
@PathwayToNoor
12
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহ তা’আলার দরবারে আমল পেশ করা হয়। সুতরাং আমার আমলসমূহ যেন রোযা পালনরত অবস্থায় পেশ করা হোক এটাই আমার পছন্দনীয়।

• জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৭৪৭
• হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

collected
@PathwayToNoor
12❤‍🔥1
*"কুরআন বলছে, 'আল্লাহর স্মরণে অন্তর প্রশান্ত হয়।' কিন্তু আমরা তসবিহ পড়ার পরও কেন ডিপ্রেশনে ভুগি? উস্তাদ নোমান বলেন—যিকর মানে কেবল ঠোঁট নাড়ানো নয়, বরং আল্লাহ যে আপনার প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস শুনছেন তা অনুভব করা। আপনি যখন বুঝতে পারবেন যে আপনি একা নন, আপনার সৃষ্টিকর্তা আপনার সাথেই আছেন, তখন পৃথিবীর কোনো শূন্যতা আপনাকে গ্রাস করতে পারবে না। নিজের জন্য প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় রাখুন যখন কোনো স্ক্রিন থাকবে না, থাকবে কেবল আপনি আর আপনার রব।"*

উস্তাদ নোমান আলী খান
___কঠিন জামানায়

collected
@PathwayToNoor
11
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
9
*🕌"নামাজে মনোযোগী হওয়ার ১৫ টি উপায়*

*১। ফরজের আগে সুন্নত পড়া, এটা নামাজের প্রস্তুতি*

*২। সুন্দরভাবে অজু করা, এতে মন শান্ত হয়*

*৩। জামাতে নামাজ পড়ার চেষ্টা করা*

*৪। নামাজের আগে ১০-১৫ মিনিট সব কাজ বন্ধ রাখা*

*৫। নামাজের আগে মোবাইল দূরে রাখা*
*৬। যে সূরা পড়া হয় তার অর্থ জানার চেষ্টা করা*

*৭। বেশি ক্ষুধা নিয়ে নামাজে না দাঁড়ানো*

*৮। সাদাসিধা জায়নামাজ ব্যবহার করা*

*৯। ভিন্ন ভিন্ন সূরা পড়ার অভ্যাস রাখা*

*১০। রুকু সিজদাহ ধীরে ধীরে করা*

*১১। মনে রাখা, আল্লাহর সাথে কথা বলা হচ্ছে*

*১২। চোখের হেফাজত করা*

*১৩। মনে করা, এটা জীবনের শেষ নামাজ*
*১৪। নামাজের আগে দোয়া করে মন ঠিক করা*

*১৫। নামাজের পর কিছুক্ষণ বসে জিকির করা*
>
collected
@PathwayToNoor
17🥰4
*(বয়ফ্রেন্ড হলো ছদ্মবেশী ধর্ষক)*

*আর গালফ্রেন্ড হলো ছদ্মবেশী পতিতা!*

সংগৃহীত


_বিয়ের আগে প্রেম করা আর বিয়ের পর সংসার করা-দুটো ভিন্ন জিনিস। বিবাহপূর্ব প্রেম একটা ফ্যান্টাসি। এখানে ছেলে-মেয়ে উভয়েই নিজেকে সর্বোচ্চ উৎকৃষ্টরূপে উপস্থাপন করতে চায়। কদিন পরপর দেখা বা সপ্তাহে একদিন ডেটিং- ছেলেটি নিজের সামর্থ্যের সেরা উপস্থাপনটিই নিয়ে আসতে চায়, মেয়েটিও চায় তার প্রেমিক তাকে পরম সুন্দরী হিসেবেই দেখুক। তাই প্রেমের দিনগুলোতে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের নেতিবাচক ব্যাপারগুলো পরস্পরের কাছে প্রকাশ পায় না, দুজনেই তা যথাসম্ভব লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে।_

সংসার জীবন আলাদা ব্যাপার। এখানে নিত্যদিনের অভ্যাস প্রকাশ পাবে, কৃত্রিম ভালোমানুষির পর্দা উন্মোচিত হবে। চব্বিশ ঘণ্টা একটা মানুষের সাথে থাকলে তাকে বোঝা যায়, চেনা যায়, সত্যিকারভাবেই চেনা যায়। প্রেমের সময়ের মত ক্ষণিকের দেখা আর ভাব বিনিময়ের মধ্যে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সহজাত আকর্ষণের চাপল্যভরা মোহনীয় সময়টা তাই সংসারজীবনে থাকে না। সংসারজীবনে আবেগের চেয়ে বাস্তবতার ভূমিকা বেশি। ভার্সিটির গেট থেকে বেরোলে যে মুখটি দেখার জন্য আকুলতা থাকত, জীবনযুদ্ধের সংগ্রামরত দিন রাতের সংস্পর্শ সেই আকর্ষণটা আর রাখে না। নির্জনে বসে প্রেয়সীর হাত ধরে যে রোমান্টিসজমে বুঁদ হওয়া সহজ, বিবাহিত জীবনে সারাদিন অফিস করে বাড়ি ফিরে কানের কাছে বাচ্চা ছেলের ঘ্যানঘ্যান আর বউয়ের অভিযোগের ফিরিস্তি শোনার মুহূর্তে সেই রোমান্টিসিজম থাকে না। মনে ঘোরে একই কথা-"তোমাকে তো বিয়ের আগে এমন মনে হয়নি!"

প্রেমের সম্পর্কগুলো ক্ষণিকের ভালো লাগা থেকে গড়ে ওঠা। ওটা আর একটা মানুষের সাথে জীবন কাটিয়ে দেওয়া এক ব্যাপার না। এজন্য যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ধৈর্য আর ত্যাগের দরকার সেটা তথাকথিত প্রেমের সম্পর্কে কখনোই গড়ে ওঠা সম্ভব না। দাম্পত্য জীবনের সমস্যাগুলো একে অন্যের সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে সমাধান হয়ে যায় না। মনোমালিন্যের সময়টাতে পার্কে বসে ফুল বিনিময়ের স্মৃতিচারণে খেদ দূর হয় না, আরো বাড়ে।

_সেক্যুলাররা প্রায়ই অ্যারেনজড ম্যারেজের দুর্নাম করতে গিয়ে বলে-'ছোটবেলা থেকে আমরা শিখি অচেনা মানুষের দেওয়া খাবার না খেতে, অথচ অ্যারেনজড ম্যারেজের মাধ্যমে একজন অচেনা মানুষের সাথে বিছানায় শুতে বাধ্য করা হয়!' অচেনা মানুষই বটে। যেমন জাফর ইকবাল বলেছিল বিয়ের আগে অন্তত তিনবছর প্রেম করে পরস্পরকে 'চিনে' নেওয়া দরকার। মারহাবা। এই 'চিনে নেওয়া' কতটা সম্ভব সেটা প্রেম করে বিয়ে করা দম্পতিদের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। সাময়িক ভালো লাগা আর মা-বাবার পকেট ফাঁকা করা ফুর্তির দিনের উপলক্ষই যদি 'চিনে নেওয়া' হত তাহলে আর বিয়ের পর প্রিয় মানুষটির 'অন্যরূপ' দেখে কেউ হতাশ হত না।_


~সংগৃহীত

পরকালের প্রস্তুতি
@PathwayToNoor
18🔥2🥰2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ইমানের পরীক্ষা......

collected
@PathwayToNoor
9
দুরুদের বরকতে বিবাহের ব্যবস্থা!

এক আপুর বিয়ের কথা বার বার ভেঙে যাচ্ছিল। কেউ পছন্দ করে, পরিবার করে না। অবশেষে এক বোন তাকে বলল “প্রতিদিন ১,০০০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করো – ৩০ দিন।” ২০ দিনেই একটি ভালো পাত্র এলো, সব কিছু ঠিকঠাক – ৩০ দিনেই বিয়ে ফাইনাল!

আলহামদুলিল্লাহ। দরূদ আল্লাহর কাছে ভালোবাসা পৌঁছে দেয়, আর রাসূল (সা.) সুপারিশ করেন।

নোট : এটি একটি দোয়া কবুলের গল্প ১০০০বারই পড়তে হবে বা ৩০দিনই পড়তে হবে এমন কোথাও উল্লেখ নেই, যত বেশি পড়বেন তত বেশি লাভবান হবেন ইন শা আল্লাহ, তবে প্রতিদিনই দুরুদ পড়া উচিত।
যেকোনো দুরুদ পড়তে পারবেন তবে দুরুদে ইব্রাহিম উত্তম দুরুদ....

সংগৃহীত—
@PathwayToNoor
14❤‍🔥2
▪️যদি কোন পুরুষ কোন নারীকে তার ধর্মের (দ্বীনদারিতা) জন্য বিয়ে করে, তাহলে আল্লাহ তাকে তার কাছ থেকে যা চাইবে তাই দেবেন। কিন্তু যদি সে (দ্বীনদারিতা প্রাধান্য না দিয়ে) তার সৌন্দর্য বা সম্পদের জন্য তাকে বিয়ে করে, তাহলে আল্লাহ তাকে সেই অবস্থায় ছেড়ে দেবেন।

— ইমাম ফুযাইল ইবনে ইয়ায (রহি.)
[সূত্র : শারহুস সুন্নাহ, ৯/১৬১]

▪️আবূ হুরাইরাহ (রা.) হতে বর্ণিত। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদেরকে বিয়ে করা হয়— তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী। সুতরাং তুমি দ্বীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

— সহীহ্ বুখারী : ৫০৯০
collected
@PathwayToNoor
17
কুরআন থেকে জীবন পরিবর্তনকারী ১০০ উপদেশ:

১. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো না (কোরআন ২:৪২)
২। মানুষকে সৎকাজের আদেশ দাও শুধুমাত্র নিজে অনুশীলন করার পরেই (কোরআন ২:৪৪)
৩। তোমরা পৃথিবীতে অত্যাচার করো না (কুরআন ২:৬০)
৪. মানুষকে মসজিদ থেকে বিরত রেখো না (কুরআন ২:১১৪)
৫। অন্ধভাবে কাউকে অনুসরণ করো না (কোরআন ২:১৭০)
৬. ওয়াদা ভঙ্গ করো না (কোরআন ২:১৭৭)
৭. ঘুষে লিপ্ত হয়ো না (কুরআন ২:১৮৮)
৮. শুধুমাত্র তাদের সাথেই যুদ্ধ কর যারা তোমার সাথে যুদ্ধ করে (কুরআন ২:১৯০)
৯। যুদ্ধের শিষ্টাচার বজায় রাখুন (কোরআন ২:১৯১)
১০। এতিমদের রক্ষা করো (কুরআন ২:২২০)
১১। মাসিক চলাকালীন সহবাস করবেন না (কোরআন ২:২২২)
১২. আপনার সন্তানকে সম্পূর্ণ দুই বছর স্তন্যপান করান (কোরআন ২:২৩৩)
১৩। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী শাসক নির্বাচন করুন (কুরআন ২:২৪৭)
১৪। ধর্মে কোন জবরদস্তি নেই (কুরআন ২:২৫৬)
১৫। অনুস্মারক দিয়ে দানকে অবৈধ করো না (কুরআন ২:২৬৪)
১৬। অভাবগ্রস্তদের সন্ধান দিয়ে সাহায্য করুন (কোরআন ২:২৭৩)
১৭। সুদ সেবন করো না (কুরআন ২:২৭৫)
১৮। যদি ঋণদাতা কঠিন সময়ে থাকে তবে শোধ করার জন্য আরো সময় দাও (কোরআন ২:২৮০)
১৯। ঋণ লিখে রাখ (কুরআন ২:২৮২)
২০। আস্থা রাখুন (কোরআন ২:২৮৩)
২১। গুপ্তচরবৃত্তি করো না এবং গীবত করো না (কুরআন ২:২৮৩)
২২। সকল নবীদের উপর বিশ্বাস রাখো (কুরআন ২:২৮৫)
২৩। কোন ব্যক্তিকে তার ক্ষমতার বাইরে বোঝা দিও না (কোরআন ২:২৮৬)
২৪। বিভক্ত হয়ো না (কুরআন ৩:১০৩)
২৫। ক্রোধ সংযত কর (কোরআন ৩:১৩৪)
২৬। কথার ব্যাপারে অভদ্র হয়ো না (কুরআন ৩:১৫৯)
২৭। এই মহাবিশ্বের বিস্ময় এবং সৃষ্টির ব্যাপারে গভীরভাবে চিন্তা করুন (কুরআন ৩:১৯১)
২৮. পুরুষ ও নারীদের তাদের কাজের জন্য সমান পুরস্কার রয়েছে (কোরআন ৩:১৯৫)
২৯. মৃত ব্যক্তির সম্পদ তার পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা উচিত (কুরআন ৪:৭)
৩০। মহিলাদেরও উত্তরাধিকারের অধিকার আছে (কুরআন ৪:৭)
৩১। এতিমের সম্পদ গ্রাস করো না (কুরআন ৪:১০)
৩২। যাদের রক্তের সম্পর্ক আছে তাদের বিয়ে করো না (কোরআন ৪:২৩)
৩৩। অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ গ্রাস করো না (কোরআন ৪:২৯)
৩৪। পরিবারকে পুরুষদের দ্বারা পরিচালিত করা উচিত (কোরআন ৪:৩৪)
৩৫। অন্যদের প্রতি ভালো আচরণ কর (কোরআন ৪:৩৬)
৩৬। কৃপন হয়ো না (কোরআন ৪:৩৭)
৩৭। হিংসা করো না (কোরআন ৪:৫৪)
৩৮। মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচারের সঙ্গে বিচারক (কোরআন ৪:৫৮)
৩৯। তোমরা একে অপরকে হত্যা করো না (কোরআন ৪:৯২)
৪০। ধোঁকাবাজের উকিল হয়ো না (কুরআন ৪:১০৫)
৪১। ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকো (কুরআন ৪:১৩৫)
৪২। ন্যায়পরায়ণতার সাথে সহযোগিতা কর (কুরআন ৫:২)
৪৩। পাপ ও আগ্রাসনে সহযোগিতা করো না (কুরআন ৫:২)
৪৪। মৃত প্রাণী, রক্ত এবং শুকরের মাংস নিষিদ্ধ (কুরআন ৫:৩)
৪৫। ন্যায়নিষ্ঠ হও (কোরআন ৫:৮)
৪৬। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা কর (কোরআন ৫:৩৮)
৪৭। পাপী ও অবৈধদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কর (কুরআন ৫:৬৩)
৪৮। মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (কুরআন ৫:৯০)
৪৯। জুয়া খেলো না (কুরআন ৫:৯০)
৫০। অন্য দেবতাদের অপমান করো না (কোরআন ৬:১০৮)
৫১। ' সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা' সত্যের মানদণ্ড নয় (কুরআন ৬:১১৬)
৫২। মানুষকে প্রতারিত করার জন্য ওজন কমাও না অথবা পরিমাপ করো না (কুরআন ৬:১৫২)
৫৩। অহংকার করো না (কুরআন ৭:১৩)
৫৪। খাও এবং পান কর, কিন্তু অত্যধিক হয়ো না (কুরআন ৭:৩১)
৫৫। নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান কর (কুরআন ৭:৩১)
৫৬। অন্যদের ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (কোরআন ৭:১৯৯)
৫৭। যুদ্ধে পেছনে ফিরে যেও না (কোরআন ৮:১৫)
58। যারা নিরাপত্তা চায় তাদের রক্ষা ও সাহায্য কর (কুরআন ৯:৬)
৫৯। শুদ্ধতা বজায় রাখুন (কুরআন ৯:১০৮)
৬০। কখনো আল্লাহর রহমতের আশা ছেড়ো না (কুরআন ১২:৮৭)
61. যারা অজ্ঞতার কারণে অন্যায় করেছে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন (কুরআন ১৬:১১৯)
৬২। আল্লাহর দাওয়াত জ্ঞান ও ভাল নির্দেশনার সাথে হওয়া উচিত (কোরআন ১৬:১২৫)
৬৩। কেউ অন্যের পাপ বহন করবে না (কোরআন ১৭:১৫)
৬৪। পিতা-মাতার প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও (কোরআন ১৭:২৩)
৬৫। মাতাপিতার প্রতি অসম্মানজনক একটি শব্দও বল না (কুরআন ১৭:২৩)
৬৬। অর্থ ব্যয় করো না (কুরআন ১৭:২৯)
৬৭। দরিদ্রতার ভয়ে তোমার সন্তানদের হত্যা করো না (কুরআন ১৭:৩১)
৬৮। অবৈধ যৌন মিলনের দিকে যেও না (কোরআন ১৭:৩২)
৬৯। যে ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার পেছনে ঘুরে যেও না (কোরআন ১৭:৩৬)
৭০। মানুষের সাথে হালকাভাবে কথা বল (কুরআন ২০:৪৪)
71. যা অনর্থক তা থেকে দূরে থাকো (কুরআন ২৩:৩)
৭২। অনুমতি ছাড়া অন্যের ঘরে প্রবেশ করো না (কোরআন ২৪:২৭)
৮৫। ভাল দ্বারা মন্দকে দূর কর (কুরআন ৪১:৩৪)
৮৬। পরামর্শের মাধ্যমে বিষয় নির্ধারণ করো (কোরআন ৪২:৩৮)
10
৮৭। মানুষের মধ্যে সমঝোতা করার চেষ্টা কর (কুরআন ৪৯:৯)
৮৮। অন্যকে উপহাস করো না (কোরআন ৪৯:১১)
৮৯। সন্দেহ এড়িয়ে চলুন (কুরআন ৪৯:১২)
৯০। গুপ্তচরবৃত্তি করো না বা নিন্দা করো না (কুরআন ৪৯:১২)
৯১। তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মহৎ ব্যক্তিই সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ (কোরআন ৪৯:১৩)
৯২। সম্মানিত অতিথিরা (কোরআন ৫১:২৬)
৯৩। দান-সদকায় সম্পদ ব্যয় কর (কুরআন ৫৭:৭)
94. No monasticism in religion (Qur’aan 57:27)
৯৫। যারা জ্ঞান রাখে তাদেরকে আল্লাহ উচ্চতর ডিগ্রী প্রদান করবেন (কোরআন ৫৮:১১)
৯৬। অমুসলিমদের সাথে সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ কর (কুরআন ৬০:৮)
৯৭। লোভ থেকে নিজেকে রক্ষা করো (কুরআন ৬৪:১৬)
৯৮। আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু (কোরআন ৭৩:২০)
৯৯। যে জিজ্ঞাসা করে তাকে তিরস্কার করো না (কোরআন ৯৩:১০)
১০০. দরিদ্রকে খাওয়াতে উৎসাহিত করুন (কোরআন ১০৭:৩)
15
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
5
collected
@PathwayToNoor
10🥰1
পিরিয়ড সময়—যেসব আমল করা যাবে!
আর যেসব আমল করা যাবে না!

পিরিয়ডের সময় ইসলামে কিছু নির্দিষ্ট ইবাদত নিষিদ্ধ করা হয়েছে, আবার অনেক ইবাদত বা আমল এই সময়েও করা যায়। তার একটা লিষ্ট নিম্নরূপ দেয়া হলো!

পিরিয়ডে যে আমলগুলো করা যাবে না:

১. নামাজ পড়া – একেবারে নিষেধ।
২. রোজা রাখা – রাখা যাবে না, তবে পরে ক্বাযা করতে হবে।
৩. কুরআন তেলাওয়াত করা – মুখস্থ হলে দু'আ বা যিকির বুঝায় এমন অংশ পড়া যায়, তবে কুরআনের কপি স্পর্শ না করা বযাবে না।
৪. তাওয়াফ (হজ/উমরার সময় কাবা শরীফের চারপাশে ঘোরা) – বৈধ নয়।

পিরিয়ডে যে আমলগুলো করা যাবে:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. যিকির করা – সুবহান‌আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইত্যাদি বলা যাবে।
২. দু'আ পড়া – সাধারণ সব দু'আ পড়া যাবে।
যেমন: ঘুমানোর দু'আ, খাওয়ার আগে/পরে ইত্যাদি।
৩. দূরুদ পড়া – “দূরুদ শরীফ” পিরিয়ডের সময় পড়া যাবে।
৪. ইসলামী জ্ঞান অর্জন করা – কিতাব পড়া, লেকচার শোনা, হাদীস ও তাফসীর জানা—এসব সব করা যাবে।
৫. তাওবা ও ইস্তেগফার – বেশি বেশি “আস্তাগফিরুল্লাহ” বলা যায়।
৬. দু'আ চাওয়া ও মন খুলে আল্লাহর সাথে কথা বলা – দু'আ করার কোনো সময় বা অবস্থায় বাঁধা নেই।

পিরিয়ডের সময় কাটানোর সুন্দর কিছু আমল:

১. “লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ্ জালিমীন” বেশি করে পড়বেন।
২. “আস্তাগফিরুল্লাহ” বেশি বেশি পড়বেন।
৩. “রাব্বানা আতিনা ফিদ্ দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ” — দু'আটি পড়বেন নিয়মিত।

📌 পিরিয়ড অবস্থায় ঘুমের আগে
আয়াতুল কুরসি এবং ৪ কুল পড়া যাবে কি?

পিরিয়ডে এমন সব আয়াত পড়া যাবে যেসব দু'আর অর্থ প্রকাশ করে। অথবা আল্লাহর জিকির, প্রশংসা, বড়ত্ব বুঝায়। এ অবস্থায় এমন কোন আয়াত পড়া
যাবে না যা দ্বারা আল্লাহর নির্দেশ এবং নিষেধাজ্ঞা, পূর্বের অথবা ভবিষ্যতের কোন ঘটনা অথবা ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য বুঝায়।
মোটকথা, এ অবস্থায় সাধারণ তেলাওয়াতের উদ্দেশ্যে কোরআন পড়া যাবে না।

উল্লেখিত মূলনীতি অনুসারে, আপনি যদি চান,
জিন এবং, শ/য়/তা/নের, ক্ষ/তি থেকে সুরক্ষার জন্য/নিয়তে পিরিয়ডের সময় ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি বা সুরায়ে নাস ও ফালাক ইত্যাদি পড়তে, তাহলে সেটা জায়েজ আছে।
তবে সুরা ইয়াসিন, সুরা মুলক ইত্যাদি সুরা পড়তে পারবেন না।

[দারুল উলুম দেওবন্দ (ফাতওয়া: ২১২/২২৭/N=১৪৩৩) (ফাতহুল কাদির : ১/১৬৮, রদ্দুল মুহতার : ১/১৭২, আহসানুল
15
কোনো এক বৃহস্পতিবার রাত ৩ টায়  ঘুম থেকে উঠে, ওযু করে, গায়ে খুশবু মেখে,চোখে সুরমা লাগিয়ে নিয়ে বসে পড়লেন আপনার সবচেয়ে প্রিয় কিতাব "সিরাহ"। এরপর দরুদ পড়ছেন আর সিরাহ পড়ছেন একসাথে। পড়তে পড়তে একেবারেই নেশায় ডুবে গেলেন আপনি। হঠাৎ করেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লেন। ঘুমের মাঝে দেখলেন কেও একজন আপনাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিচ্ছেন! সুসংবাদ দিয়েই তিনি এমন এক ধরনের পানি খাওয়াতে নিয়ে যাচ্ছেন,যা খাওয়ার পর আপনার আর কখনোই তৃষ্ণা লাগবেনা। যেই পানি দুধের চেয়েও সাদা,মধুর চেয়েও মিষ্টি [১]। তিনি আপনাকে দৌড়ে দৌড়ে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। জান্নাতের দরজার পাহারাদার রাও তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কারণ তিনিই জান্নাতের দরজা দিয়ে সবার আগে প্রবেশ করবেন।তিনি ব্যতীত আর কারোর জন্য সেই দরজা দিয়ে ঢুকার অনুমতি নেই[২]।আপনি চিনে ফেললেন যে তিনিই আমাদের পেয়ারা নাবিজীﷺ।এরপর তিনি আপনাকে নিয়ে ঢুকে গেলেন জান্নাতের বাগানে।সেখানে দেখলেন কি সুন্দর সুন্দর ফুল,ফল,এমন সুন্দর জিনিস যা আপনি দুনিয়াতে কোনোদিন কল্পনাও করেন নি! আবার দুনিয়াতে যেই জিনিসগুলো দুয়া করে না পেয়ে অস্থির হচ্ছিলেন,সেই জিনিসগুলোও সেখানে আছে! আল্লহ সারপ্রাইজ রেখেছেন আপনার জন্য![৩] আবার আছে সুন্দর এক প্রাসাদ! তিনি আপনাকে বলেও দিচ্ছেন যে,প্রাসাদ গুলো নাকি আবার আপনার ই! এমন এক প্রাসাদ যার ভেতর থেকে বাহিরে দেখা যায় আর বাহির থেকে ভেতরে দেখা যায়। আপনি কিয়ামুল লাইল করতেন তাই আপনার জন্য নাকি আল্লহ উপহার রেখেছেন![৪] এরপর আপনি ঘুরতে চলে গেলেন আপনার সেই রাজকীয় প্রাসাদে!

এরপর সেখান থেকে ঘুরে-ফিরে আপনি নাবিজীﷺ এর সামনে এসে সম্মান ও আদবের সাথে আবদার করলেন।আবদার করতে লজ্জা পাচ্ছেন।এরপরেও বললেন “ইয়া রসূলাল্লহﷺ। আমাকে আল্লহ এই প্রাসাদটা দিয়েছেন।আমি চাই এই প্রাসাদে আপনি আম্মাজান এবং সাহাবিদেরকে ( রদিয়াল্লহু আনহুমা) নিয়ে ঘুরতে আসুন। দুনিয়াতে তো আপনাকে আপ্যায়নের তীব্র ইচ্ছা পোষণ করে এসেছি। কত কেদেছি এই বিরহ বেদনায়! আপনি তো জানেন না ইয়া রসূলাল্লহﷺ কত কেদেছি আপনার জন্য।আপনাকে একবার দেখার জন্য, একবার ছোয়ার জন্য কত কেদেছিলাম। আজ সেই সুযোগ এসেছে।আপনাকে আমি মন ভরে আপ্যায়ন করতে চাই। ইয়া রসূলাল্লহﷺ,আমার হাতের গরুর মাংস রান্নাটা দুনিয়ায় পরিবারের সবাই খুব পছন্দ করতো। আপনি নাকি ছাগলের কাধের মাংস পছন্দ করতেন![৫] সেটাও রান্না করব।পোলাও,রোস্ট, গরুর মাংস সব রান্না করবো আপনাদের জন্য।আপনি তৃপ্তি ভরে খেয়ে যেই মুচকি হাসিটা দিবেন সেটা দেখার জন্য আমি দুনিয়ায় অনেক অপেক্ষা করেছি ইয়া রসূলাল্লহﷺ। আর আজ তো আম্মাজানদেরকে,সাহাবিদেরকে (রদিয়াল্লহু আনহুমা) সবাইকেই আপয়্যান করার সুযোগ পেলাম। আপনাদের সবাইকেই দাওয়াত রইলো। আপনারা এলে আমি খুব খুশি হবো ইয়া হাবিবুল্লাহ ﷺ।”

এরপর নাবিজীﷺ আপনার জন্য ঘি মিশ্রিত মিষ্টান্ন,তার জান্নাতি বকরির মিষ্টি দুধ,তার জান্নাতি গাছের খেজুর,আরও উত্তম উত্তম জান্নাতি খাবার আপনার জন্য হাদিয়া নিয়ে আসলেন। আপনি নাবিজী ﷺ এর হাত ধরে আপনার প্রাসাদ চিনিয়ে চিনিয়ে নিয়ে গেলেন।পথে অনেক গল্প করলেন প্রিয় নাবিজীﷺ এর সাথে। এরপর প্রাসাদে গিয়ে সব রকমের খাবার নাবিজীﷺ কে বেড়ে দিলেন,আম্মাজানদেরকে দিলেন,সাহাবিদেরকে দিলেন। সবাই আপনার রান্না খেয়ে এত্ত বেশি খুশি হলো! এত্ত তৃপ্তি ভরে খেলো,যা দেখার জন্য আপনি দুনিয়ায় ছটফট করেছিলেন। এবার নাবিজীﷺ খাওয়া শেষে মুচকি হাসলেন এবং আপনাকেও নাবিজীﷺ তার প্রাসাদে দাওয়াত করলেন।

খাওয়া দাওয়া শেষে নাবিজীﷺ আপনার স্বামী,সন্তানের সাথে গল্প করছেন। আপনাদের পিচ্চি পিচ্চি বাবুগুলোকে নিয়ে তিনি খেলছেন। আর আপনি দূর থেকে তা দেখে দেখে হাসছেন সুবহানাল্লহ! কি চমৎকার হবে সেই মুহুর্ত?

আর ভাবতে পারছেনা এই মস্তিষ্ক! আল্লহু আকবর! আল্লহু আকবর কাবি-র!

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ


লেখাঃ উম্মে আদন
collected
@PathwayToNoor
❤‍🔥127
*📌সম্পূর্ণ পড়বেন এবং আপনার পরিচিত যারা এই app ব্যবহার করেন, তাদের সাবধান করে দিবেন ইন শা আল্লাহ*
স্ন্যাপচ্যাট (Snapchat) অ্যাপ থেকে সাবধান!

প্রশ্ন: স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপের মাধ্যমে মানুষের ছবি পরিবর্তন করার বিধান কী? যা বর্তমানে যুবসমাজের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

শায়খ সালিহ আল-ফাওজান (হাফিজাহুল্লাহ)-এর উত্তর:
এটি হারাম (নিষিদ্ধ) এবং এটি শয়তানের একটি চক্রান্ত। আল্লাহ যখন শয়তানকে অভিশাপ দিয়ে বিতাড়িত করেছিলেন, তখন সে অঙ্গীকার করেছিল: 'এবং আমি অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দেব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করবে।' [সূরা আন-নিসা: ১১৯]

অতএব, মানুষ কাফিরদের সাথে বা নারীদের সাথে সাদৃশ্য রেখে অথবা নিজের চেহারার বৈশিষ্ট্য বিকৃত করে আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন আনে (যা গুনাহের কাজ)।

*আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি নসিহত:*
*আপনার ফোন থেকে স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপটি মুছে ফেলুন। কারণ এটি অনেক তরুণ-তরুণীর ব্ল্যাকমেইল বা হেনস্তার শিকার হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল্লাহই আমাদের সহায়, আর তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট ও উত্তম কর্মবিধায়ক।*

কথা-সংগৃহীত©
@PathwayToNoor
15
*"জয় শ্রী রাম" বলার শরঈ হুকুম*
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📖 *উত্তর*

*শব্দার্থ বিশ্লেষণ:*
▪️ *"জয়" =* জিন্দাবাদ, চিরজীবী হোন
▪️ *"শ্রী" =* সাহেব, জনাব (সম্মানসূচক)
▪️ *"রাম" =* হিন্দু ধর্মে তাদের উপাস্য ও ভগবান

সুতরাং *"জয় শ্রী রাম"* এর অর্থ দাঁড়ায় — *"রাম ভগবান চিরজীবী হোন"।*

এটি হিন্দুদের একটি ধর্মীয় স্লোগান ও ধর্মীয় শিআর (প্রতীক)। যেমন মুসলমানরা আল্লাহকে ডাকেন "ইয়া আল্লাহ" বলে, হিন্দুরা তাদের ভগবানকে ডাকে এই স্লোগান দিয়ে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⚖️ *হুকুম*

*১. ইচ্ছাকৃতভাবে বললে:*
যদি জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে এই কুফরি কালিমা মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়, তাহলে এটি কুফর। এ ক্ষেত্রে তাজদীদে ঈমান (ঈমান নবায়ন) এবং তাজদীদে নিকাহ (নিকাহ নবায়ন) উভয়ই জরুরি।

*২. ভুলবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে বললে:*
যদি ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কুফরি কালিমা মুখ থেকে বের হয়ে যায় — অর্থাৎ বলতে চাচ্ছিলেন অন্য কিছু কিন্তু মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে — তাহলে এতে কাফের হবেন না। সেক্ষেত্রে ঈমান ও নিকাহ নবায়ন আবশ্যক নয়। তবে সতর্কতাস্বরূপ ইস্তিগফার (তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা) করে নেওয়া উচিত।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📚 *ফিকহী দলিলসমূহ*

*ফাতাওয়া শামী — (বাবুল মুরতাদ, খণ্ড ৪,/ ২২৪, পৃষ্ঠা):*

*وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا مُخْطِئًا أَوْ مُكْرَهًا لَا يَكْفُرُ عِنْدَ الْكُلِّ*

অর্থ: যে ব্যক্তি ভুলক্রমে বা জোরপূর্বক কুফরি কথা বলে, সে সর্বসম্মতিক্রমে কাফের হয় না।



*وَشَرَائِطُ صِحَّتِهَا الْعَقْلُ وَالصَّحْوُ وَالطَّوْعُ فَلَا تَصِحُّ رِدَّةُ مَجْنُونٍ وَمَعْتُوهٍ وَمُوَسْوَسٍ وَصَبِيٍّ لَا يَعْقِلُ وَسَكْرَانَ وَمُكْرَهٍ عَلَيْهَا*

*অর্থ:* মুরতাদ হওয়ার শুদ্ধতার শর্ত হলো জ্ঞান থাকা, হুঁশে থাকা এবং স্বেচ্ছায় বলা। সুতরাং পাগল, বুদ্ধিহীন, ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত, অবুঝ শিশু, মাতাল ও জোরপূর্বক বলানো *ব্যক্তির মুরতাদ হওয়া শুদ্ধ হয় না*।



*ইবনে আবিদীন রহ. বলেন:*

*وَالْحَاصِلُ أَنَّ مَنْ تَكَلَّمَ بِكَلِمَةِ الْكُفْرِ هَازِلًا أَوْ لَاعِبًا كَفَرَ عِنْدَ الْكُلِّ وَلَا اعْتِبَارَ بِاعْتِقَادِهِ، وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا مُخْطِئًا أَوْ مُكْرَهًا لَا يَكْفُرُ عِنْدَ الْكُلِّ، وَمَنْ تَكَلَّمَ بِهَا عَامِدًا عَالِمًا كَفَرَ عِنْدَ الْكُلِّ*

অর্থ: সারকথা হলো — যে ব্যক্তি ঠাট্টা বা খেলাচ্ছলে কুফরি কথা বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয়। যে ভুলক্রমে বা বাধ্য হয়ে বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয় না। আর যে জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে বলে সে সর্বসম্মতে কাফের হয়।



*ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ( ১৯, ৫৫৩ পৃষ্ঠা ):*

অমুসলিমদের জাতীয় শিআর গ্রহণ করা কবিরা গুনাহ, আর ধর্মীয় শিআর গ্রহণ করা শরঈ প্রয়োজন ছাড়া কুফর।



*কিফায়াতুল মুফতি ( ৯, /১০৯, পৃষ্ঠা):*

"রাম রাম" বলা শরঈ সালামের পরিবর্তে গুনাহ, কারণ এটি কাফেরদের শিআর।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

*সারসংক্ষেপ*

▪️ ইচ্ছাকৃতভাবে বললে → কুফর, ঈমান ও নিকাহ নবায়ন জরুরি
▪️ ভুলক্রমে/অনিচ্ছাকৃতভাবে বললে → কাফের হবে না, তবে ইস্তিগফার করুন

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

*ফতোয়া নং: ১৪৪৩১০১০০২৩১*
*দারুল ইফতা: জামিয়া উলূম ইসলামিয়া আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরি টাউন*

*واللہ اعلم بالصواب*

সংগৃহীত
8👏1
ডিপ্রেশন (মন খারাপ/মানসিক চাপ) কাটিয়ে ওঠার উপায়:

• আল্লাহ ﷻ-এর দিকে ফিরে আসা
• পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করা
• নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া
• ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা
• কুরআন তিলাওয়াত বা শোনা
• মনে রাখা যে এটি আল্লাহর একটি পরীক্ষা
• ধৈর্য (সবর) ও কৃতজ্ঞতা (শুকর) বজায় রাখা
• বেশি বেশি দোয়া করা
• গান/মিউজিক থেকে দূরে থাকা
• হারাম বা খারাপ পরিবেশ এড়িয়ে চলা
• বেশি বেশি ইস্তিগফার করা (ক্ষমা প্রার্থনা করা)
•আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা (যিকির করা)

— সংগৃহিত©
27❤‍🔥1
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
6
যদি আপনার এমন কোনো বন্ধু থাকে যে আপনাকে দ্বীনের পথে অটল থাকতে সাহায্য করে— তাহলে সেই বন্ধুটাকে কখনোই হাতছাড়া করবেন না।

— ইমাম আল শাফেয়ী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আল হিলইয়া, ভলিউম - ৪, পৃ. ১০১]

©
#PathwayToNoor
22🔥4