Pathway To Noor
3.4K subscribers
286 photos
54 videos
1 file
165 links
আস-সালামু 'আলাইকুম
ইসলাম প্রচার ও ইসলাম সম্বন্ধে সবাইকে অবগত করার জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ❤️

FB Page- https://www.facebook.com/PathwayToNoor

WP:
https://whatsapp.com/channel/0029VbBD7VA1SWssAQh17W2n
Download Telegram
❤‍🔥125
নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার জন্য আমল টার্গেট!

আগামী ১০ দিনের জন্য টানা চলবে ইনশাআল্লাহ।

☆ ☆ আগামীকালের আমল টার্গেট!

১) ফরয ইবাদত গুছিয়ে নেওয়া
নফল আমলের আগে ফরয আমলকে সুন্দর করা সবচেয়ে জরুরি। নিজের সালাত, পর্দা, হালাল-হারাম, দৃষ্টি, কথাবার্তা—এসব একটু যাচাই করুন।

নিজেকে প্রশ্ন করুন এবং নোট করে রাখুন উত্তরগুলো ---
১) আমার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময়মতো হচ্ছে কি না?
২) ভোরবেলা ফজর নামাজ ঠিকমতো পড়া হচ্ছে কি না?
৩) আমার কুরআন তিলাওয়াত একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে কি না?
৪) আমার আগের গুনাহের কোনো অভ্যাস বারবার ফিরে আসছে কি না?

দিনের টার্গেট: পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আযানের প্রথম ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে পড়ার চেষ্টা করা।
▪️নামাজে ছুটি থাকলে ১০০০ বার দরুদ + ১০০০ বার ইস্তিগফার করবেন।

চলবে ইন শা আল্লাহ ... ২৮ শাওয়াল ১৪৪৭ 
—শারিন সফি আদ্রিতা
©©©©©
@PathwayToNoor
16
আমরা দৈনন্দিন জীবনে অনেক শব্দ ব্যবহার করি, যেগুলোর পেছনের আসল অর্থ সম্পর্কে আমরা সচেতন থাকি না। “বাল” এমনই একটি শব্দ, যা সাধারণভাবে গালি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

কিন্তু ভাষাগতভাবে দেখলে, প্রাচীন সেমিটিক ভাষায় “বাল” (Baal) বা “বাআল” অর্থ “প্রভু” বা “মালিক”।

এখন যদি কেউ বলে—“তুই আমার বাল”, তাহলে আক্ষরিক বা ভাষাগত অর্থ ধরলে এর মানে দাঁড়ায়—“তুই আমার প্রভু/মালিক”। এই দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে এটি শিরকের দিকে চলে যেতে পারে, কারণ ইসলামে একমাত্র আল্লাহই প্রকৃত প্রভু।

কুরআনেও এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে:
“তোমরা কি ‘বা’ল (বাল)’কে আহ্বান করছো এবং শ্রেষ্ঠ স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করছো?” (সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১২৫–১২৬)

এই আয়াতে “বাল” একটি মিথ্যা উপাস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাকে মানুষ আল্লাহর পরিবর্তে ডাকত।

তাই, সবকিছু বিবেচনায়—
যদিও আমরা অনেক সময় না বুঝেই এই শব্দ ব্যবহার করি, তবুও এর পেছনের অর্থ ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতা চিন্তা করে আমাদের উচিত এই ধরনের শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
😢105
🌻 উত্তম শশুরবাড়ির জন্য দুআ :

শশুরবাড়ি নিয়ে আপনাদের যতো ব্যক্তিগত চাওয়া আছে, সব নোট করে রাখবেন। সেসব তো চাইবেনই,সাথে আমি কিছু বিষয় শেয়ার করি ইনশাআল্লাহ।

⚫️ আল্লাহর কাছে চাইবেন,আপনার শশুরবাড়ি যেন সিহরমুক্ত হয়। আপনার শশুরবাড়ির কেউ যেন জাদু,জ্বিন,বানের পিছনে ছোটাছুটি না করে। একবার এদের কবলে পড়লে জীবন শেষ! তাই আল্লাহর কাছে এই ব্যাপারে বেশি বেশি দুআ করবেন।

⚫️ দ্বীন পালনে সাপোর্টিভ শশুরবাড়ি চাইবেন। একটা পরিবারে সবাই দ্বীনদার হবে না,স্বাভাবিক। কিন্তু দ্বীন পালনে বাধা যেন না দেয়, নন মাহরাম মেইনটেইন করতে যেন আপনার এতটুকু সমস্যা ফেইস করতে না হয়,সেটার জন্য বেশি বেশি দুআ করবেন। এই পয়েন্টটা তাদের জন্য, যারা কঠোরভাবে নন মাহরাম মেইনটেইন করেন। বাবার বাড়িতেও কাজিন,দুলাভাই এসবের সাথে কঠোর পর্দা করেন।

⚫️ আল্লাহর কাছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে পড়ার নসীব চাইবেন। কত বিবাহিতদের দেখেছি,রাঁধতে রাঁধতে আওয়াল ওয়াক্তের নামাজ ছুটে যায়। খুশু-খুযুর সাথে নামাজে দাঁড়াতে পারে না। আল্লাহর কাছে চাইবেন,এতো বেশি কাজের বোঝা যেন আল্লাহ না দেন,যার ফলে ইবাদাতে ঘাটতি আসবে।

⚫️ সুন্দর বাড়ির চেয়ে প্রশান্তিদায়ক বাড়ি বহুগুণ উত্তম। সুন্দর দেখতে শশুরবাড়িতে তো চাইবেনই,তবে তারচেয়ে বেশি প্রশান্তিদায়ক একটা বাড়ি চাইবেন। অনেক বোন শশুরবাড়িতে শান্তি পান না,তারাও এই দুআ করবেন। "ইয়া আল্লাহ, আমার ঘরকে প্রশস্ত করে দাও। প্রশান্তিময় করে দাও।'

⚫️শশুরবাড়ির লোক যেন অতিরিক্ত পেটুক বা একদমই কিপটে না হয়,এই বিষয়ে দুআ করবেন। অতিরিক্ত পেটুক হলে সারাক্ষণ আপনার রান্না করে করে দিন যাবে। আর কিপটে হলে ভালো-মন্দ খাবার জুটবে না৷ দুআ করবেন,তারা বা তাদের স্বভাব যেন আপনার জন্য সহনশীল হয়,প্রশান্তির হয়। অসহ্যকর যেন না লাগে।

⚫️"অন্যের হাঁড়িতে চোখ দেয়",এমন লোক,এমন শশুরবাড়ি থেকে পানাহ চাইবেন। এরা সারাক্ষণ অন্যের কাছে আশা করে। কে কি দেয় না,কি দেয়, এসব গুনতে থাকে। এমন লোকের খপ্পরে পড়লে, আপনার বাবার বাড়ি থেকে খাদ্যদ্রব্য,ফার্নিচার ভিক্ষা আনতে আনতে ক্লান্তি চলে আসবে,তবুও তারা তুষ্ট হবে না৷

⚫️" অতিরিক্ত পরিষ্কার এবং অতিরিক্ত নোংরা" শশুরবাড়ি থেকে পানাহ চাইবেন। নোংরা লোকজন হলে আপনার গলা দিয়ে খাবারটাও নামাতে পারবেন না। খেতে অস্বস্তি লাগবে। অপবিত্র লাগবে সবকিছু। অতিরিক্ত পরিষ্কার বা শুচিবাইগ্রস্ত হলে সারাদিন পরিষ্কার করতে থাকবেন,তবুও ওই লোকগুলো আপনার কাজে দোষ ধরবে।

⚫️পর্দা মেইনটেইন করেই যেন গায়ে রোদ লাগাতে পারেন,রুমে সুন্দর,কল্যাণকর রোদ আসে যেন, এই দুআ করবেন। আজীবন ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেয়ে থাকা সম্ভব না। আবার ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হলে কোমরব্যথা,মন খারাপসহ নানা রোগ শরীরে বাসা বাঁধবে। তখন দুনিয়াটাই ভালো লাগবে না।

⚫️আল্লাহর কাছে পড়ার পরিবেশ চাইবেন। ঘরে যেন পাঠাগার থাকে,সেটার দুআ করবেন। বাচ্চারা যখন ছোটবেলা থেকে বই দেখে দেখে বড় হবে, তারা এমনিতেই পড়ুয়া হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।

⚫️অনেক সংসারে যথেষ্ট খাবার থাকা সত্ত্বেও ঘরের বউকে ভালো খাবার খেতে দেওয়া হয় না। আল্লাহর কাছে বরকতময় রিজিক চাইবেন। উত্তম, ভালো খাবার খেয়ে, শক্তি অর্জন করে যেন ইবাদাত করতে পারেন,সে তওফিক চাইবেন। সংকুচিত রিজিক থেকে পানাহ চাইবেন।

⚫️ শশুরবাড়িতে যেন গান-বাজনার প্রসার না থাকে,এই দুআ করবেন। হারাম দিয়ে পূর্ণ ঘরে আল্লাহর রহমত,বরকত প্রবেশ করে না৷

⚫️ আল্লাহর কাছে খোঁটা থেকে আশ্রয় চাইবেন। অপমান থেকে আশ্রয় চাইবেন। সারাক্ষণ ভুল ধরে, এমন মানুষ থেকে আশ্রয় চাইবেন।

⚫️ সুন্দর, বরকতময় পারিবারিক বন্ধন আছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে চলে,এমন পরিবারে বিয়ের জন্য দুআ করবেন। এসব দেখেই পরবর্তী বংশধরেরা বড় হবে।

⚫️গীবতের আসর বসায়, হারাম আড্ডাবাজি চলে, এমন পরিবার থেকে পানাহ চাইবেন। গীবত ছাড়াও উত্তম কথা দিয়ে মজলিস জমানো যায়। এগুলোও নিয়ামাহ্। আল্লাহর কাছে চেয়ে নিবেন।

⚫️ তৃতীয় পক্ষ থেকে পানাহ চাইবেন, যারা আপনাদের হাসবেন্ড ওয়াইফের মধ্যে সমস্যা করতে চাইবে। আমি অনেক পরিবারে দেখেছি,হাসবেন্ড ওয়াইফ একসাথে রুমে অবস্থান করলে শাশুড়ি এসে বসে থাকেন। বা ননদ/ননাস এরা বিরক্ত করেন। হুটহাট ব্যক্তিগত জিনিসে হাত দেন,অনুমতি ছাড়া।
এসব টক্সিক মানুষজন থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবেন৷ স্বামী-স্ত্রীর প্রাইভেসির ব্যাপারে সচেতন, হায়াওয়ালা পরিবার চাইবেন।


আরো অনেক অনেক দুআ করা যায়, আপাতত মাথায় আসছে না। অন্যের জীবনের দিকে তাকাবেন। সমস্যাগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন। তারপর ওই সমস্যাগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবেন।

ব্যস,এভাবেই তো দুআ করতে হয়!
দুআ করলেই যে জীবনটা জান্নাত হবে, আর কোনো সমস্যা থাকবে না,ব্যাপারটা এমন নয়৷ মুসলিম-অমুসলিম সবাই সমস্যাতে জর্জরিত। এই দুনিয়াটাই পরীক্ষা। একটার পর একটা পরীক্ষা আসতে থাকবে, যতদিন না আমরা কবরে যাচ্ছি। আল্লাহর বান্দা হিসেবে আমাদের করণীয় হলো,আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করবো৷

*সংগৃহীত*©
20
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
12
কল্যানময় বৃষ্টির জন্য সবাই দোয়া করুন

"হে আল্লাহ! আমাদের উপর রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করুন, আবহাওয়াকে শান্ত ও শীতল করুন, এবং আমাদের জন্য কল্যাণকর করুন।"

@PathwayToNoor
❤‍🔥205
11❤‍🔥2
collected
@PathwayToNoor
😢196😱1
ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন-

"শয়তান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো—
★ দৃষ্টি সংযত রাখা,
★অতিরিক্ত কথা ও
★খাবার পরিহার করা এবং
★ মানুষের সাথে মাত্রাতিরিক্ত মেলামেশা বর্জন করা।

শয়তান আদমসন্তানের ওপর এই চারটি প্রবেশপথ দিয়েই আধিপত্য বিস্তার করে।”

(আল-ওয়াবিলুস সয়্যিব-৭৩)

collected
@PathwayToNoor
12
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহ তা’আলার দরবারে আমল পেশ করা হয়। সুতরাং আমার আমলসমূহ যেন রোযা পালনরত অবস্থায় পেশ করা হোক এটাই আমার পছন্দনীয়।

• জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৭৪৭
• হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

collected
@PathwayToNoor
12❤‍🔥1
*"কুরআন বলছে, 'আল্লাহর স্মরণে অন্তর প্রশান্ত হয়।' কিন্তু আমরা তসবিহ পড়ার পরও কেন ডিপ্রেশনে ভুগি? উস্তাদ নোমান বলেন—যিকর মানে কেবল ঠোঁট নাড়ানো নয়, বরং আল্লাহ যে আপনার প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস শুনছেন তা অনুভব করা। আপনি যখন বুঝতে পারবেন যে আপনি একা নন, আপনার সৃষ্টিকর্তা আপনার সাথেই আছেন, তখন পৃথিবীর কোনো শূন্যতা আপনাকে গ্রাস করতে পারবে না। নিজের জন্য প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় রাখুন যখন কোনো স্ক্রিন থাকবে না, থাকবে কেবল আপনি আর আপনার রব।"*

উস্তাদ নোমান আলী খান
___কঠিন জামানায়

collected
@PathwayToNoor
11
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
9
*🕌"নামাজে মনোযোগী হওয়ার ১৫ টি উপায়*

*১। ফরজের আগে সুন্নত পড়া, এটা নামাজের প্রস্তুতি*

*২। সুন্দরভাবে অজু করা, এতে মন শান্ত হয়*

*৩। জামাতে নামাজ পড়ার চেষ্টা করা*

*৪। নামাজের আগে ১০-১৫ মিনিট সব কাজ বন্ধ রাখা*

*৫। নামাজের আগে মোবাইল দূরে রাখা*
*৬। যে সূরা পড়া হয় তার অর্থ জানার চেষ্টা করা*

*৭। বেশি ক্ষুধা নিয়ে নামাজে না দাঁড়ানো*

*৮। সাদাসিধা জায়নামাজ ব্যবহার করা*

*৯। ভিন্ন ভিন্ন সূরা পড়ার অভ্যাস রাখা*

*১০। রুকু সিজদাহ ধীরে ধীরে করা*

*১১। মনে রাখা, আল্লাহর সাথে কথা বলা হচ্ছে*

*১২। চোখের হেফাজত করা*

*১৩। মনে করা, এটা জীবনের শেষ নামাজ*
*১৪। নামাজের আগে দোয়া করে মন ঠিক করা*

*১৫। নামাজের পর কিছুক্ষণ বসে জিকির করা*
>
collected
@PathwayToNoor
17🥰4
*(বয়ফ্রেন্ড হলো ছদ্মবেশী ধর্ষক)*

*আর গালফ্রেন্ড হলো ছদ্মবেশী পতিতা!*

সংগৃহীত


_বিয়ের আগে প্রেম করা আর বিয়ের পর সংসার করা-দুটো ভিন্ন জিনিস। বিবাহপূর্ব প্রেম একটা ফ্যান্টাসি। এখানে ছেলে-মেয়ে উভয়েই নিজেকে সর্বোচ্চ উৎকৃষ্টরূপে উপস্থাপন করতে চায়। কদিন পরপর দেখা বা সপ্তাহে একদিন ডেটিং- ছেলেটি নিজের সামর্থ্যের সেরা উপস্থাপনটিই নিয়ে আসতে চায়, মেয়েটিও চায় তার প্রেমিক তাকে পরম সুন্দরী হিসেবেই দেখুক। তাই প্রেমের দিনগুলোতে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের নেতিবাচক ব্যাপারগুলো পরস্পরের কাছে প্রকাশ পায় না, দুজনেই তা যথাসম্ভব লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে।_

সংসার জীবন আলাদা ব্যাপার। এখানে নিত্যদিনের অভ্যাস প্রকাশ পাবে, কৃত্রিম ভালোমানুষির পর্দা উন্মোচিত হবে। চব্বিশ ঘণ্টা একটা মানুষের সাথে থাকলে তাকে বোঝা যায়, চেনা যায়, সত্যিকারভাবেই চেনা যায়। প্রেমের সময়ের মত ক্ষণিকের দেখা আর ভাব বিনিময়ের মধ্যে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সহজাত আকর্ষণের চাপল্যভরা মোহনীয় সময়টা তাই সংসারজীবনে থাকে না। সংসারজীবনে আবেগের চেয়ে বাস্তবতার ভূমিকা বেশি। ভার্সিটির গেট থেকে বেরোলে যে মুখটি দেখার জন্য আকুলতা থাকত, জীবনযুদ্ধের সংগ্রামরত দিন রাতের সংস্পর্শ সেই আকর্ষণটা আর রাখে না। নির্জনে বসে প্রেয়সীর হাত ধরে যে রোমান্টিসজমে বুঁদ হওয়া সহজ, বিবাহিত জীবনে সারাদিন অফিস করে বাড়ি ফিরে কানের কাছে বাচ্চা ছেলের ঘ্যানঘ্যান আর বউয়ের অভিযোগের ফিরিস্তি শোনার মুহূর্তে সেই রোমান্টিসিজম থাকে না। মনে ঘোরে একই কথা-"তোমাকে তো বিয়ের আগে এমন মনে হয়নি!"

প্রেমের সম্পর্কগুলো ক্ষণিকের ভালো লাগা থেকে গড়ে ওঠা। ওটা আর একটা মানুষের সাথে জীবন কাটিয়ে দেওয়া এক ব্যাপার না। এজন্য যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ধৈর্য আর ত্যাগের দরকার সেটা তথাকথিত প্রেমের সম্পর্কে কখনোই গড়ে ওঠা সম্ভব না। দাম্পত্য জীবনের সমস্যাগুলো একে অন্যের সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে সমাধান হয়ে যায় না। মনোমালিন্যের সময়টাতে পার্কে বসে ফুল বিনিময়ের স্মৃতিচারণে খেদ দূর হয় না, আরো বাড়ে।

_সেক্যুলাররা প্রায়ই অ্যারেনজড ম্যারেজের দুর্নাম করতে গিয়ে বলে-'ছোটবেলা থেকে আমরা শিখি অচেনা মানুষের দেওয়া খাবার না খেতে, অথচ অ্যারেনজড ম্যারেজের মাধ্যমে একজন অচেনা মানুষের সাথে বিছানায় শুতে বাধ্য করা হয়!' অচেনা মানুষই বটে। যেমন জাফর ইকবাল বলেছিল বিয়ের আগে অন্তত তিনবছর প্রেম করে পরস্পরকে 'চিনে' নেওয়া দরকার। মারহাবা। এই 'চিনে নেওয়া' কতটা সম্ভব সেটা প্রেম করে বিয়ে করা দম্পতিদের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। সাময়িক ভালো লাগা আর মা-বাবার পকেট ফাঁকা করা ফুর্তির দিনের উপলক্ষই যদি 'চিনে নেওয়া' হত তাহলে আর বিয়ের পর প্রিয় মানুষটির 'অন্যরূপ' দেখে কেউ হতাশ হত না।_


~সংগৃহীত

পরকালের প্রস্তুতি
@PathwayToNoor
18🔥2🥰2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ইমানের পরীক্ষা......

collected
@PathwayToNoor
9
দুরুদের বরকতে বিবাহের ব্যবস্থা!

এক আপুর বিয়ের কথা বার বার ভেঙে যাচ্ছিল। কেউ পছন্দ করে, পরিবার করে না। অবশেষে এক বোন তাকে বলল “প্রতিদিন ১,০০০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করো – ৩০ দিন।” ২০ দিনেই একটি ভালো পাত্র এলো, সব কিছু ঠিকঠাক – ৩০ দিনেই বিয়ে ফাইনাল!

আলহামদুলিল্লাহ। দরূদ আল্লাহর কাছে ভালোবাসা পৌঁছে দেয়, আর রাসূল (সা.) সুপারিশ করেন।

নোট : এটি একটি দোয়া কবুলের গল্প ১০০০বারই পড়তে হবে বা ৩০দিনই পড়তে হবে এমন কোথাও উল্লেখ নেই, যত বেশি পড়বেন তত বেশি লাভবান হবেন ইন শা আল্লাহ, তবে প্রতিদিনই দুরুদ পড়া উচিত।
যেকোনো দুরুদ পড়তে পারবেন তবে দুরুদে ইব্রাহিম উত্তম দুরুদ....

সংগৃহীত—
@PathwayToNoor
14❤‍🔥2
▪️যদি কোন পুরুষ কোন নারীকে তার ধর্মের (দ্বীনদারিতা) জন্য বিয়ে করে, তাহলে আল্লাহ তাকে তার কাছ থেকে যা চাইবে তাই দেবেন। কিন্তু যদি সে (দ্বীনদারিতা প্রাধান্য না দিয়ে) তার সৌন্দর্য বা সম্পদের জন্য তাকে বিয়ে করে, তাহলে আল্লাহ তাকে সেই অবস্থায় ছেড়ে দেবেন।

— ইমাম ফুযাইল ইবনে ইয়ায (রহি.)
[সূত্র : শারহুস সুন্নাহ, ৯/১৬১]

▪️আবূ হুরাইরাহ (রা.) হতে বর্ণিত। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদেরকে বিয়ে করা হয়— তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী। সুতরাং তুমি দ্বীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

— সহীহ্ বুখারী : ৫০৯০
collected
@PathwayToNoor
17
কুরআন থেকে জীবন পরিবর্তনকারী ১০০ উপদেশ:

১. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো না (কোরআন ২:৪২)
২। মানুষকে সৎকাজের আদেশ দাও শুধুমাত্র নিজে অনুশীলন করার পরেই (কোরআন ২:৪৪)
৩। তোমরা পৃথিবীতে অত্যাচার করো না (কুরআন ২:৬০)
৪. মানুষকে মসজিদ থেকে বিরত রেখো না (কুরআন ২:১১৪)
৫। অন্ধভাবে কাউকে অনুসরণ করো না (কোরআন ২:১৭০)
৬. ওয়াদা ভঙ্গ করো না (কোরআন ২:১৭৭)
৭. ঘুষে লিপ্ত হয়ো না (কুরআন ২:১৮৮)
৮. শুধুমাত্র তাদের সাথেই যুদ্ধ কর যারা তোমার সাথে যুদ্ধ করে (কুরআন ২:১৯০)
৯। যুদ্ধের শিষ্টাচার বজায় রাখুন (কোরআন ২:১৯১)
১০। এতিমদের রক্ষা করো (কুরআন ২:২২০)
১১। মাসিক চলাকালীন সহবাস করবেন না (কোরআন ২:২২২)
১২. আপনার সন্তানকে সম্পূর্ণ দুই বছর স্তন্যপান করান (কোরআন ২:২৩৩)
১৩। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী শাসক নির্বাচন করুন (কুরআন ২:২৪৭)
১৪। ধর্মে কোন জবরদস্তি নেই (কুরআন ২:২৫৬)
১৫। অনুস্মারক দিয়ে দানকে অবৈধ করো না (কুরআন ২:২৬৪)
১৬। অভাবগ্রস্তদের সন্ধান দিয়ে সাহায্য করুন (কোরআন ২:২৭৩)
১৭। সুদ সেবন করো না (কুরআন ২:২৭৫)
১৮। যদি ঋণদাতা কঠিন সময়ে থাকে তবে শোধ করার জন্য আরো সময় দাও (কোরআন ২:২৮০)
১৯। ঋণ লিখে রাখ (কুরআন ২:২৮২)
২০। আস্থা রাখুন (কোরআন ২:২৮৩)
২১। গুপ্তচরবৃত্তি করো না এবং গীবত করো না (কুরআন ২:২৮৩)
২২। সকল নবীদের উপর বিশ্বাস রাখো (কুরআন ২:২৮৫)
২৩। কোন ব্যক্তিকে তার ক্ষমতার বাইরে বোঝা দিও না (কোরআন ২:২৮৬)
২৪। বিভক্ত হয়ো না (কুরআন ৩:১০৩)
২৫। ক্রোধ সংযত কর (কোরআন ৩:১৩৪)
২৬। কথার ব্যাপারে অভদ্র হয়ো না (কুরআন ৩:১৫৯)
২৭। এই মহাবিশ্বের বিস্ময় এবং সৃষ্টির ব্যাপারে গভীরভাবে চিন্তা করুন (কুরআন ৩:১৯১)
২৮. পুরুষ ও নারীদের তাদের কাজের জন্য সমান পুরস্কার রয়েছে (কোরআন ৩:১৯৫)
২৯. মৃত ব্যক্তির সম্পদ তার পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা উচিত (কুরআন ৪:৭)
৩০। মহিলাদেরও উত্তরাধিকারের অধিকার আছে (কুরআন ৪:৭)
৩১। এতিমের সম্পদ গ্রাস করো না (কুরআন ৪:১০)
৩২। যাদের রক্তের সম্পর্ক আছে তাদের বিয়ে করো না (কোরআন ৪:২৩)
৩৩। অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ গ্রাস করো না (কোরআন ৪:২৯)
৩৪। পরিবারকে পুরুষদের দ্বারা পরিচালিত করা উচিত (কোরআন ৪:৩৪)
৩৫। অন্যদের প্রতি ভালো আচরণ কর (কোরআন ৪:৩৬)
৩৬। কৃপন হয়ো না (কোরআন ৪:৩৭)
৩৭। হিংসা করো না (কোরআন ৪:৫৪)
৩৮। মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচারের সঙ্গে বিচারক (কোরআন ৪:৫৮)
৩৯। তোমরা একে অপরকে হত্যা করো না (কোরআন ৪:৯২)
৪০। ধোঁকাবাজের উকিল হয়ো না (কুরআন ৪:১০৫)
৪১। ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকো (কুরআন ৪:১৩৫)
৪২। ন্যায়পরায়ণতার সাথে সহযোগিতা কর (কুরআন ৫:২)
৪৩। পাপ ও আগ্রাসনে সহযোগিতা করো না (কুরআন ৫:২)
৪৪। মৃত প্রাণী, রক্ত এবং শুকরের মাংস নিষিদ্ধ (কুরআন ৫:৩)
৪৫। ন্যায়নিষ্ঠ হও (কোরআন ৫:৮)
৪৬। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা কর (কোরআন ৫:৩৮)
৪৭। পাপী ও অবৈধদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কর (কুরআন ৫:৬৩)
৪৮। মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (কুরআন ৫:৯০)
৪৯। জুয়া খেলো না (কুরআন ৫:৯০)
৫০। অন্য দেবতাদের অপমান করো না (কোরআন ৬:১০৮)
৫১। ' সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা' সত্যের মানদণ্ড নয় (কুরআন ৬:১১৬)
৫২। মানুষকে প্রতারিত করার জন্য ওজন কমাও না অথবা পরিমাপ করো না (কুরআন ৬:১৫২)
৫৩। অহংকার করো না (কুরআন ৭:১৩)
৫৪। খাও এবং পান কর, কিন্তু অত্যধিক হয়ো না (কুরআন ৭:৩১)
৫৫। নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান কর (কুরআন ৭:৩১)
৫৬। অন্যদের ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (কোরআন ৭:১৯৯)
৫৭। যুদ্ধে পেছনে ফিরে যেও না (কোরআন ৮:১৫)
58। যারা নিরাপত্তা চায় তাদের রক্ষা ও সাহায্য কর (কুরআন ৯:৬)
৫৯। শুদ্ধতা বজায় রাখুন (কুরআন ৯:১০৮)
৬০। কখনো আল্লাহর রহমতের আশা ছেড়ো না (কুরআন ১২:৮৭)
61. যারা অজ্ঞতার কারণে অন্যায় করেছে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন (কুরআন ১৬:১১৯)
৬২। আল্লাহর দাওয়াত জ্ঞান ও ভাল নির্দেশনার সাথে হওয়া উচিত (কোরআন ১৬:১২৫)
৬৩। কেউ অন্যের পাপ বহন করবে না (কোরআন ১৭:১৫)
৬৪। পিতা-মাতার প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও (কোরআন ১৭:২৩)
৬৫। মাতাপিতার প্রতি অসম্মানজনক একটি শব্দও বল না (কুরআন ১৭:২৩)
৬৬। অর্থ ব্যয় করো না (কুরআন ১৭:২৯)
৬৭। দরিদ্রতার ভয়ে তোমার সন্তানদের হত্যা করো না (কুরআন ১৭:৩১)
৬৮। অবৈধ যৌন মিলনের দিকে যেও না (কোরআন ১৭:৩২)
৬৯। যে ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার পেছনে ঘুরে যেও না (কোরআন ১৭:৩৬)
৭০। মানুষের সাথে হালকাভাবে কথা বল (কুরআন ২০:৪৪)
71. যা অনর্থক তা থেকে দূরে থাকো (কুরআন ২৩:৩)
৭২। অনুমতি ছাড়া অন্যের ঘরে প্রবেশ করো না (কোরআন ২৪:২৭)
৮৫। ভাল দ্বারা মন্দকে দূর কর (কুরআন ৪১:৩৪)
৮৬। পরামর্শের মাধ্যমে বিষয় নির্ধারণ করো (কোরআন ৪২:৩৮)
10
৮৭। মানুষের মধ্যে সমঝোতা করার চেষ্টা কর (কুরআন ৪৯:৯)
৮৮। অন্যকে উপহাস করো না (কোরআন ৪৯:১১)
৮৯। সন্দেহ এড়িয়ে চলুন (কুরআন ৪৯:১২)
৯০। গুপ্তচরবৃত্তি করো না বা নিন্দা করো না (কুরআন ৪৯:১২)
৯১। তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মহৎ ব্যক্তিই সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ (কোরআন ৪৯:১৩)
৯২। সম্মানিত অতিথিরা (কোরআন ৫১:২৬)
৯৩। দান-সদকায় সম্পদ ব্যয় কর (কুরআন ৫৭:৭)
94. No monasticism in religion (Qur’aan 57:27)
৯৫। যারা জ্ঞান রাখে তাদেরকে আল্লাহ উচ্চতর ডিগ্রী প্রদান করবেন (কোরআন ৫৮:১১)
৯৬। অমুসলিমদের সাথে সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ কর (কুরআন ৬০:৮)
৯৭। লোভ থেকে নিজেকে রক্ষা করো (কুরআন ৬৪:১৬)
৯৮। আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু (কোরআন ৭৩:২০)
৯৯। যে জিজ্ঞাসা করে তাকে তিরস্কার করো না (কোরআন ৯৩:১০)
১০০. দরিদ্রকে খাওয়াতে উৎসাহিত করুন (কোরআন ১০৭:৩)
15
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
5
collected
@PathwayToNoor
10🥰1