*তাহাজ্জুদ এমন একটা ইবাদত, যেখানে আপনি নিজের মতো করে আল্লাহর সাথে কথা বলতে পারেন। নিখুঁত ভাষা দরকার নেই, দরকার শুধু একটা সত্যিকারের হৃদয়।*
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
#collected
@PathwayToNoor
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
কঠিন জামানায়#collected
@PathwayToNoor
😢14❤6💯4🥰1
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
কেউ যদি অভাব-অনটনে পড়ে তা মানুষের নিকট উপস্থাপন করে তাহলে তার অভাব-অনটন দূর হবে না। আর যে ব্যক্তি অভাব-অনটনে পড়ে তা আল্লাহ তা’আলার নিকট উপস্থাপন করে তবে অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা তাকে দ্রুত অথবা বিলম্বে রিযিক দান করেন।
@PathwayToNoor
❤19
শোনো মেয়েরা!
এই যে তোমার মন খারাপ হওয়া, কষ্ট পাওয়া, কান্না করা এগুলো আল্লাহর কাছে নরমাল কোনো বিষয় না। কিছু আয়াত দেখেছি যেখানে আল্লাহ নারীদের এই মনের কষ্ট থেকেই সান্ত্বনা দিতে সরাসরি আয়াত নাজিল করেছিলেন।
মুসা (আ:) এর মা যখন তাকে বক্সে ভরে নদীতে ছেড়ে দিয়েছিলেন তখন আল্লাহ তাকে সরাসরি সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, ভয় করোনা এবং দুঃখও করোনা। পরের আয়াতে আল্লাহ আবার তার ব্যাপারে বললেন, আমি তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যাতে তার চোখ জুড়ায় এবং সে যেন কোন দুশ্চিন্তা না করে। সূরা কাসাস)
সূরা মারিয়ামেও এক আয়াত আছে, যখন মারিয়াম (আঃ) একা প্রসব বেদনায় কষ্ট পাচ্ছিলেন, ওই মুহূর্তে কেউ ছিল না তাঁর পাশে। তখনও আল্লাহ সরাসরি তাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, ও মারিয়াম! দুঃখ করোনা।
আরেক নারী, যিনি বিখ্যাত কেউ ছিলেন না। বয়স হয়ে গিয়েছিলো তার। এই বুড়ো বয়সে এসে তার স্বামী তাকে মায়ের সাথে তুলনা করে ফেললেন। তখন এমন হলে নারীরা আর ওই স্বামীর সাথে সংসার করতে পারতেন না। রাসূল (সাঃ) এর কাছে এসে খুব হা-হুতাশ করছিলেন এই নারি। আল্লাহ সাথে সাথে তার ব্যাপারে আয়াত নাজিল করেছিলেন। কাফফারার মাধ্যমে বিষয়টার সমাধান দিয়েছিলেন।
এরপর সূরা লোকমানে আরেক আয়াত পড়লাম যেখানে আল্লাহ বলেছেন, আমিতো মানুষকে তার মাতাপিতার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। মা সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে গর্ভে ধারণ করে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার মাতাপিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। এখানেও শুধু মায়ের ব্যাপারটা আল্লাহ এত সুন্দর করে এক্সপ্লেইন করলেন।
অতএব, শোনো মেয়েরা!
যদি তোমার মন ভারী লাগে, রাতে চুপিচুপি চোখ ভিজে যায় তাহলে জেনে রাখো, তোমার কষ্ট আল্লাহ দেখছেন। তোমার চোখের পানি তাঁর কাছে অমূল্য। আল্লাহ তোমাকে ভুলে যাননি।
তিনি সব জানেন, সব শুনছেন শুধু একটু ধৈর্য ধরো। নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে।
___
collected
@PathwayToNoor
এই যে তোমার মন খারাপ হওয়া, কষ্ট পাওয়া, কান্না করা এগুলো আল্লাহর কাছে নরমাল কোনো বিষয় না। কিছু আয়াত দেখেছি যেখানে আল্লাহ নারীদের এই মনের কষ্ট থেকেই সান্ত্বনা দিতে সরাসরি আয়াত নাজিল করেছিলেন।
মুসা (আ:) এর মা যখন তাকে বক্সে ভরে নদীতে ছেড়ে দিয়েছিলেন তখন আল্লাহ তাকে সরাসরি সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, ভয় করোনা এবং দুঃখও করোনা। পরের আয়াতে আল্লাহ আবার তার ব্যাপারে বললেন, আমি তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যাতে তার চোখ জুড়ায় এবং সে যেন কোন দুশ্চিন্তা না করে। সূরা কাসাস)
সূরা মারিয়ামেও এক আয়াত আছে, যখন মারিয়াম (আঃ) একা প্রসব বেদনায় কষ্ট পাচ্ছিলেন, ওই মুহূর্তে কেউ ছিল না তাঁর পাশে। তখনও আল্লাহ সরাসরি তাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, ও মারিয়াম! দুঃখ করোনা।
আরেক নারী, যিনি বিখ্যাত কেউ ছিলেন না। বয়স হয়ে গিয়েছিলো তার। এই বুড়ো বয়সে এসে তার স্বামী তাকে মায়ের সাথে তুলনা করে ফেললেন। তখন এমন হলে নারীরা আর ওই স্বামীর সাথে সংসার করতে পারতেন না। রাসূল (সাঃ) এর কাছে এসে খুব হা-হুতাশ করছিলেন এই নারি। আল্লাহ সাথে সাথে তার ব্যাপারে আয়াত নাজিল করেছিলেন। কাফফারার মাধ্যমে বিষয়টার সমাধান দিয়েছিলেন।
এরপর সূরা লোকমানে আরেক আয়াত পড়লাম যেখানে আল্লাহ বলেছেন, আমিতো মানুষকে তার মাতাপিতার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। মা সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে গর্ভে ধারণ করে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার মাতাপিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। এখানেও শুধু মায়ের ব্যাপারটা আল্লাহ এত সুন্দর করে এক্সপ্লেইন করলেন।
অতএব, শোনো মেয়েরা!
যদি তোমার মন ভারী লাগে, রাতে চুপিচুপি চোখ ভিজে যায় তাহলে জেনে রাখো, তোমার কষ্ট আল্লাহ দেখছেন। তোমার চোখের পানি তাঁর কাছে অমূল্য। আল্লাহ তোমাকে ভুলে যাননি।
তিনি সব জানেন, সব শুনছেন শুধু একটু ধৈর্য ধরো। নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে।
___
কঠিন জামানায়collected
@PathwayToNoor
❤27❤🔥3
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ
তোমাদের কোন ব্যক্তিকে তার নেক ’আমল জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারবে না। লোকজন প্রশ্ন করলঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকেও নয়? তিনি বললেনঃ আমাকেও নয়, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাকে তাঁর করুণা ও দয়া দিয়ে আবৃত না করেন। কাজেই মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর এবং নৈকট্য লাভের চেষ্টা চালিয়ে যাও। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা, সে ভাল লোক হলে (বয়স দ্বারা) তার নেক ’আমল বৃদ্ধি হতে পারে। আর খারাপ লোক হলে সে তওবা করার সুযোগ পাবে।
@PathwayToNoor
❤13
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5🔥1
▌নারী ফিতনা থেকে সালাফরা যেভাবে নিজেদের আত্মরক্ষা করতেন :
১। মুহাম্মাদ বিন সীরীন (রহিমাহুল্লহ) বলেন,
আল্লহর কসম! আব্দুল্লহর আম্মু (তার স্ত্রী) ছাড়া আমি অন্য কোন মহিলার দিকে দৃষ্টি দেই নি। জাগ্রতাবস্থায়ও না আর ঘুমন্তাবস্থায়ও না। স্বপ্নে আমি কোন মহিলাকে দেখলে মনে করছি, এটাতো আমার জন্য হালাল না। অতঃপর তার থেকে আমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়েছি।
[সাহমু ইবলিস ওয়া কাওছিহ]
২। রবী বিন খায়ছাম (রহিমাহুল্লহ) তার দৃষ্টিকে অবনত রাখতেন। আর মহিলাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম কালে নিজের চোখকে একদম নীচে নামিয়ে রাখতেন, তখন মহিলারা মনে করতো তিনি অন্ধ। অতঃপর তারা আল্লহর কাছে অন্ধত্ব থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করত।
[যাম্মুল হাওয়া, ৮০]
৩। আতা (রহিমাহুল্লহ) বলেন, আমাকে যদি বাইতুল মালের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহলে আমি বিশ্বস্ত হতে পারব। তবে কুৎসিত বিকৃত দাসীর ক্ষেত্রেও আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করিনা।
ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সত্যই বলেছেন।
[সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৫/৮৭-৮৮]
৪। আহনাফ বিন ক্বাইস রাহিমাহুল্লাহ বলেন, তোমরা আমাদের বৈঠকগুলোতে খাবার ও নারী সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করা থেকে বিরত থাকবে। আমি ঐ ব্যক্তিকে ঘৃণা করি, যে নিজের লজ্জাস্থান ও পেটের বিবরণ দেয়।
[সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৪/৯৪]
৫। সাঈদ বিন মুসাইয়িব রহিমাহুল্লহুর বয়স ৮৪ বছর, তখন তার এক চোখ নষ্ট, আরেকটির দৃষ্টিশক্তিও একেবারে দুর্বল, এমতাবস্থায় তিনি বললেন, আমার কাছে নারীর চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর আর কিছু নেই।
[সিয়ারু আলামীন নুবালা, ৪/২৩৭]
অন্যত্র তিনি বলেন,
আমি নিজের উপর নারীকে ভয়ের মত অন্য কোন কিছুকে এত ভয় পাই না।
তারা বললেন, হে আবু মুহাম্মদ! আপনার মত বুড়ো মানুষ তো আর মহিলাদেরকে চাইবে না, আর না মহিলারা আপনাকে চাইবে। তিনি বললেন, সেটাই আমি তোমাদের বলছি। (কেউ কাউকে চাইবে না, তারপরও আমার এত ভয়) অথচ সে সময় তিনি ছিলেন ক্ষীণদৃষ্টি সম্পন্ন বৃদ্ধ এক লোক।
[সিয়ারু আলামীন নুবালা, ৪/২৩৭]
৬। আল -আলা বিন যিয়াদ (রহ) বলেন,
কোন মেয়ের উড়নার উপর যেন তোমার দৃষ্টি না পড়ে। কারণ এই দৃষ্টিই অন্তরে কামনা-বাসনা জাগিয়ে তুলে।
[আহমাদ, যুহুদ, ৩১১]
৭। আবু হাকীম রহিমাহুল্লহ বলেন, হাসসান বিন আবু সিনান একদিন ঈদগাহে গেলেন। অতঃপর ঈদগা থেকে ফিরলে তার স্ত্রী তাকে বললেন, আজ কতইনা সুন্দরী রমণীকে তুমি অবলোকন করেছ। বারবার একই কথা বলার পর তিনি বললেন, তোমার জন্য আফসোস! বাড়ি থেকে বের হয়ে ফিরে আসা পর্যন্ত আমি আমার বুড়ো আঙুলের দিকেই তাকিয়ে ছিলাম।
[ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৬]
৮। ওয়াক্বী রহিমাহুল্লহ বলেন, আমরা সুফিয়ান সাওরীর সাথে ঈদের দিন বের হলাম। তিনি বললেন, আজ আমাদের সর্বপ্রথম কাজ হলো, আমরা আমাদের দৃষ্টি অবনত রাখবো।
[ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৭২]
৯। আনাস (রাদিয়াল্লহু আনহু) বলেন, যখন তোমার পাশ দিয়ে কোন মহিলা অতিক্রম করবে তখন তোমার দু'চোখে নিচে নামিয়ে নিবে, যতক্ষণ না সে তোমাকে অতিক্রম করে চলে যায়।
[ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৭২]
১। মুহাম্মাদ বিন সীরীন (রহিমাহুল্লহ) বলেন,
আল্লহর কসম! আব্দুল্লহর আম্মু (তার স্ত্রী) ছাড়া আমি অন্য কোন মহিলার দিকে দৃষ্টি দেই নি। জাগ্রতাবস্থায়ও না আর ঘুমন্তাবস্থায়ও না। স্বপ্নে আমি কোন মহিলাকে দেখলে মনে করছি, এটাতো আমার জন্য হালাল না। অতঃপর তার থেকে আমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়েছি।
[সাহমু ইবলিস ওয়া কাওছিহ]
২। রবী বিন খায়ছাম (রহিমাহুল্লহ) তার দৃষ্টিকে অবনত রাখতেন। আর মহিলাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম কালে নিজের চোখকে একদম নীচে নামিয়ে রাখতেন, তখন মহিলারা মনে করতো তিনি অন্ধ। অতঃপর তারা আল্লহর কাছে অন্ধত্ব থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করত।
[যাম্মুল হাওয়া, ৮০]
৩। আতা (রহিমাহুল্লহ) বলেন, আমাকে যদি বাইতুল মালের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহলে আমি বিশ্বস্ত হতে পারব। তবে কুৎসিত বিকৃত দাসীর ক্ষেত্রেও আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করিনা।
ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সত্যই বলেছেন।
[সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৫/৮৭-৮৮]
৪। আহনাফ বিন ক্বাইস রাহিমাহুল্লাহ বলেন, তোমরা আমাদের বৈঠকগুলোতে খাবার ও নারী সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করা থেকে বিরত থাকবে। আমি ঐ ব্যক্তিকে ঘৃণা করি, যে নিজের লজ্জাস্থান ও পেটের বিবরণ দেয়।
[সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৪/৯৪]
৫। সাঈদ বিন মুসাইয়িব রহিমাহুল্লহুর বয়স ৮৪ বছর, তখন তার এক চোখ নষ্ট, আরেকটির দৃষ্টিশক্তিও একেবারে দুর্বল, এমতাবস্থায় তিনি বললেন, আমার কাছে নারীর চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর আর কিছু নেই।
[সিয়ারু আলামীন নুবালা, ৪/২৩৭]
অন্যত্র তিনি বলেন,
আমি নিজের উপর নারীকে ভয়ের মত অন্য কোন কিছুকে এত ভয় পাই না।
তারা বললেন, হে আবু মুহাম্মদ! আপনার মত বুড়ো মানুষ তো আর মহিলাদেরকে চাইবে না, আর না মহিলারা আপনাকে চাইবে। তিনি বললেন, সেটাই আমি তোমাদের বলছি। (কেউ কাউকে চাইবে না, তারপরও আমার এত ভয়) অথচ সে সময় তিনি ছিলেন ক্ষীণদৃষ্টি সম্পন্ন বৃদ্ধ এক লোক।
[সিয়ারু আলামীন নুবালা, ৪/২৩৭]
৬। আল -আলা বিন যিয়াদ (রহ) বলেন,
কোন মেয়ের উড়নার উপর যেন তোমার দৃষ্টি না পড়ে। কারণ এই দৃষ্টিই অন্তরে কামনা-বাসনা জাগিয়ে তুলে।
[আহমাদ, যুহুদ, ৩১১]
৭। আবু হাকীম রহিমাহুল্লহ বলেন, হাসসান বিন আবু সিনান একদিন ঈদগাহে গেলেন। অতঃপর ঈদগা থেকে ফিরলে তার স্ত্রী তাকে বললেন, আজ কতইনা সুন্দরী রমণীকে তুমি অবলোকন করেছ। বারবার একই কথা বলার পর তিনি বললেন, তোমার জন্য আফসোস! বাড়ি থেকে বের হয়ে ফিরে আসা পর্যন্ত আমি আমার বুড়ো আঙুলের দিকেই তাকিয়ে ছিলাম।
[ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৬]
৮। ওয়াক্বী রহিমাহুল্লহ বলেন, আমরা সুফিয়ান সাওরীর সাথে ঈদের দিন বের হলাম। তিনি বললেন, আজ আমাদের সর্বপ্রথম কাজ হলো, আমরা আমাদের দৃষ্টি অবনত রাখবো।
[ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৭২]
৯। আনাস (রাদিয়াল্লহু আনহু) বলেন, যখন তোমার পাশ দিয়ে কোন মহিলা অতিক্রম করবে তখন তোমার দু'চোখে নিচে নামিয়ে নিবে, যতক্ষণ না সে তোমাকে অতিক্রম করে চলে যায়।
[ইবনু আবী দুনইয়া, আল-ওরাআ, ৭২]
❤13
শুক্রবার এর সুন্নত সমূহ :-
১. গোসল করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৭৭)
২. উত্তম পোশাক পরা। (বায়হাকি : ৫৭৯২)
৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৮)
৪. মেসওয়াক করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮১)
৫. সূরা কাহাফ পড়া। (আবু দাউদ : ৩৪৩)
৬. তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮৭)
৭. দুয়া ও ইস্তিগফার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৮. দরুদ পড়া। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৯. দান সাদকা করা (সহীহ্ বুখারী : ১৪২৩)
১০. মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা। (আবু দাউদ : ৩৪৫)
১. গোসল করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৭৭)
২. উত্তম পোশাক পরা। (বায়হাকি : ৫৭৯২)
৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৮)
৪. মেসওয়াক করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮১)
৫. সূরা কাহাফ পড়া। (আবু দাউদ : ৩৪৩)
৬. তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮৭)
৭. দুয়া ও ইস্তিগফার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৮. দরুদ পড়া। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৯. দান সাদকা করা (সহীহ্ বুখারী : ১৪২৩)
১০. মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা। (আবু দাউদ : ৩৪৫)
@PathwayToNoor
❤9
*"ভাবুন তো, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আপনাকে ফোন করছে আর আপনি বারবার তা কেটে দিচ্ছেন। আযান হলো মহাবিশ্বের মালিকের পক্ষ থেকে আপনার জন্য একটি 'পার্সোনাল কল'। আপনি যখন আযান শুনেও নামাজে যান না, তখন আপনি সরাসরি আল্লাহকে ইগনোর করছেন। এই অবহেলার কারণেই আপনার জীবনের বরকত এবং মানসিক শান্তি চলে যায়।"*
উস্তাদ নোমান আলী খান
___
collected
@PathwayToNoor
উস্তাদ নোমান আলী খান
___
কঠিন জামানায়collected
@PathwayToNoor
❤14😢8
নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার জন্য আমল টার্গেট!
আগামী ১০ দিনের জন্য টানা চলবে ইনশাআল্লাহ।
☆ ☆ আগামীকালের আমল টার্গেট!
১) ফরয ইবাদত গুছিয়ে নেওয়া
নফল আমলের আগে ফরয আমলকে সুন্দর করা সবচেয়ে জরুরি। নিজের সালাত, পর্দা, হালাল-হারাম, দৃষ্টি, কথাবার্তা—এসব একটু যাচাই করুন।
নিজেকে প্রশ্ন করুন এবং নোট করে রাখুন উত্তরগুলো ---
১) আমার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময়মতো হচ্ছে কি না?
২) ভোরবেলা ফজর নামাজ ঠিকমতো পড়া হচ্ছে কি না?
৩) আমার কুরআন তিলাওয়াত একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে কি না?
৪) আমার আগের গুনাহের কোনো অভ্যাস বারবার ফিরে আসছে কি না?
দিনের টার্গেট: পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আযানের প্রথম ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে পড়ার চেষ্টা করা।
▪️নামাজে ছুটি থাকলে ১০০০ বার দরুদ + ১০০০ বার ইস্তিগফার করবেন।
চলবে ইন শা আল্লাহ ... ২৮ শাওয়াল ১৪৪৭
—শারিন সফি আদ্রিতা
©©©©©
@PathwayToNoor
আগামী ১০ দিনের জন্য টানা চলবে ইনশাআল্লাহ।
☆ ☆ আগামীকালের আমল টার্গেট!
১) ফরয ইবাদত গুছিয়ে নেওয়া
নফল আমলের আগে ফরয আমলকে সুন্দর করা সবচেয়ে জরুরি। নিজের সালাত, পর্দা, হালাল-হারাম, দৃষ্টি, কথাবার্তা—এসব একটু যাচাই করুন।
নিজেকে প্রশ্ন করুন এবং নোট করে রাখুন উত্তরগুলো ---
১) আমার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময়মতো হচ্ছে কি না?
২) ভোরবেলা ফজর নামাজ ঠিকমতো পড়া হচ্ছে কি না?
৩) আমার কুরআন তিলাওয়াত একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে কি না?
৪) আমার আগের গুনাহের কোনো অভ্যাস বারবার ফিরে আসছে কি না?
দিনের টার্গেট: পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আযানের প্রথম ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে পড়ার চেষ্টা করা।
▪️নামাজে ছুটি থাকলে ১০০০ বার দরুদ + ১০০০ বার ইস্তিগফার করবেন।
চলবে ইন শা আল্লাহ ... ২৮ শাওয়াল ১৪৪৭
—শারিন সফি আদ্রিতা
©©©©©
@PathwayToNoor
❤16
আমরা দৈনন্দিন জীবনে অনেক শব্দ ব্যবহার করি, যেগুলোর পেছনের আসল অর্থ সম্পর্কে আমরা সচেতন থাকি না। “বাল” এমনই একটি শব্দ, যা সাধারণভাবে গালি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
কিন্তু ভাষাগতভাবে দেখলে, প্রাচীন সেমিটিক ভাষায় “বাল” (Baal) বা “বাআল” অর্থ “প্রভু” বা “মালিক”।
এখন যদি কেউ বলে—“তুই আমার বাল”, তাহলে আক্ষরিক বা ভাষাগত অর্থ ধরলে এর মানে দাঁড়ায়—“তুই আমার প্রভু/মালিক”। এই দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে এটি শিরকের দিকে চলে যেতে পারে, কারণ ইসলামে একমাত্র আল্লাহই প্রকৃত প্রভু।
কুরআনেও এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে:
“তোমরা কি ‘বা’ল (বাল)’কে আহ্বান করছো এবং শ্রেষ্ঠ স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করছো?” (সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১২৫–১২৬)
এই আয়াতে “বাল” একটি মিথ্যা উপাস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাকে মানুষ আল্লাহর পরিবর্তে ডাকত।
তাই, সবকিছু বিবেচনায়—
যদিও আমরা অনেক সময় না বুঝেই এই শব্দ ব্যবহার করি, তবুও এর পেছনের অর্থ ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতা চিন্তা করে আমাদের উচিত এই ধরনের শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
কিন্তু ভাষাগতভাবে দেখলে, প্রাচীন সেমিটিক ভাষায় “বাল” (Baal) বা “বাআল” অর্থ “প্রভু” বা “মালিক”।
এখন যদি কেউ বলে—“তুই আমার বাল”, তাহলে আক্ষরিক বা ভাষাগত অর্থ ধরলে এর মানে দাঁড়ায়—“তুই আমার প্রভু/মালিক”। এই দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে এটি শিরকের দিকে চলে যেতে পারে, কারণ ইসলামে একমাত্র আল্লাহই প্রকৃত প্রভু।
কুরআনেও এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে:
“তোমরা কি ‘বা’ল (বাল)’কে আহ্বান করছো এবং শ্রেষ্ঠ স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করছো?” (সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১২৫–১২৬)
এই আয়াতে “বাল” একটি মিথ্যা উপাস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাকে মানুষ আল্লাহর পরিবর্তে ডাকত।
তাই, সবকিছু বিবেচনায়—
যদিও আমরা অনেক সময় না বুঝেই এই শব্দ ব্যবহার করি, তবুও এর পেছনের অর্থ ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতা চিন্তা করে আমাদের উচিত এই ধরনের শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
😢10❤5
🌻 উত্তম শশুরবাড়ির জন্য দুআ :
শশুরবাড়ি নিয়ে আপনাদের যতো ব্যক্তিগত চাওয়া আছে, সব নোট করে রাখবেন। সেসব তো চাইবেনই,সাথে আমি কিছু বিষয় শেয়ার করি ইনশাআল্লাহ।
⚫️ আল্লাহর কাছে চাইবেন,আপনার শশুরবাড়ি যেন সিহরমুক্ত হয়। আপনার শশুরবাড়ির কেউ যেন জাদু,জ্বিন,বানের পিছনে ছোটাছুটি না করে। একবার এদের কবলে পড়লে জীবন শেষ! তাই আল্লাহর কাছে এই ব্যাপারে বেশি বেশি দুআ করবেন।
⚫️ দ্বীন পালনে সাপোর্টিভ শশুরবাড়ি চাইবেন। একটা পরিবারে সবাই দ্বীনদার হবে না,স্বাভাবিক। কিন্তু দ্বীন পালনে বাধা যেন না দেয়, নন মাহরাম মেইনটেইন করতে যেন আপনার এতটুকু সমস্যা ফেইস করতে না হয়,সেটার জন্য বেশি বেশি দুআ করবেন। এই পয়েন্টটা তাদের জন্য, যারা কঠোরভাবে নন মাহরাম মেইনটেইন করেন। বাবার বাড়িতেও কাজিন,দুলাভাই এসবের সাথে কঠোর পর্দা করেন।
⚫️ আল্লাহর কাছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে পড়ার নসীব চাইবেন। কত বিবাহিতদের দেখেছি,রাঁধতে রাঁধতে আওয়াল ওয়াক্তের নামাজ ছুটে যায়। খুশু-খুযুর সাথে নামাজে দাঁড়াতে পারে না। আল্লাহর কাছে চাইবেন,এতো বেশি কাজের বোঝা যেন আল্লাহ না দেন,যার ফলে ইবাদাতে ঘাটতি আসবে।
⚫️ সুন্দর বাড়ির চেয়ে প্রশান্তিদায়ক বাড়ি বহুগুণ উত্তম। সুন্দর দেখতে শশুরবাড়িতে তো চাইবেনই,তবে তারচেয়ে বেশি প্রশান্তিদায়ক একটা বাড়ি চাইবেন। অনেক বোন শশুরবাড়িতে শান্তি পান না,তারাও এই দুআ করবেন। "ইয়া আল্লাহ, আমার ঘরকে প্রশস্ত করে দাও। প্রশান্তিময় করে দাও।'
⚫️শশুরবাড়ির লোক যেন অতিরিক্ত পেটুক বা একদমই কিপটে না হয়,এই বিষয়ে দুআ করবেন। অতিরিক্ত পেটুক হলে সারাক্ষণ আপনার রান্না করে করে দিন যাবে। আর কিপটে হলে ভালো-মন্দ খাবার জুটবে না৷ দুআ করবেন,তারা বা তাদের স্বভাব যেন আপনার জন্য সহনশীল হয়,প্রশান্তির হয়। অসহ্যকর যেন না লাগে।
⚫️"অন্যের হাঁড়িতে চোখ দেয়",এমন লোক,এমন শশুরবাড়ি থেকে পানাহ চাইবেন। এরা সারাক্ষণ অন্যের কাছে আশা করে। কে কি দেয় না,কি দেয়, এসব গুনতে থাকে। এমন লোকের খপ্পরে পড়লে, আপনার বাবার বাড়ি থেকে খাদ্যদ্রব্য,ফার্নিচার ভিক্ষা আনতে আনতে ক্লান্তি চলে আসবে,তবুও তারা তুষ্ট হবে না৷
⚫️" অতিরিক্ত পরিষ্কার এবং অতিরিক্ত নোংরা" শশুরবাড়ি থেকে পানাহ চাইবেন। নোংরা লোকজন হলে আপনার গলা দিয়ে খাবারটাও নামাতে পারবেন না। খেতে অস্বস্তি লাগবে। অপবিত্র লাগবে সবকিছু। অতিরিক্ত পরিষ্কার বা শুচিবাইগ্রস্ত হলে সারাদিন পরিষ্কার করতে থাকবেন,তবুও ওই লোকগুলো আপনার কাজে দোষ ধরবে।
⚫️পর্দা মেইনটেইন করেই যেন গায়ে রোদ লাগাতে পারেন,রুমে সুন্দর,কল্যাণকর রোদ আসে যেন, এই দুআ করবেন। আজীবন ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেয়ে থাকা সম্ভব না। আবার ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হলে কোমরব্যথা,মন খারাপসহ নানা রোগ শরীরে বাসা বাঁধবে। তখন দুনিয়াটাই ভালো লাগবে না।
⚫️আল্লাহর কাছে পড়ার পরিবেশ চাইবেন। ঘরে যেন পাঠাগার থাকে,সেটার দুআ করবেন। বাচ্চারা যখন ছোটবেলা থেকে বই দেখে দেখে বড় হবে, তারা এমনিতেই পড়ুয়া হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।
⚫️অনেক সংসারে যথেষ্ট খাবার থাকা সত্ত্বেও ঘরের বউকে ভালো খাবার খেতে দেওয়া হয় না। আল্লাহর কাছে বরকতময় রিজিক চাইবেন। উত্তম, ভালো খাবার খেয়ে, শক্তি অর্জন করে যেন ইবাদাত করতে পারেন,সে তওফিক চাইবেন। সংকুচিত রিজিক থেকে পানাহ চাইবেন।
⚫️ শশুরবাড়িতে যেন গান-বাজনার প্রসার না থাকে,এই দুআ করবেন। হারাম দিয়ে পূর্ণ ঘরে আল্লাহর রহমত,বরকত প্রবেশ করে না৷
⚫️ আল্লাহর কাছে খোঁটা থেকে আশ্রয় চাইবেন। অপমান থেকে আশ্রয় চাইবেন। সারাক্ষণ ভুল ধরে, এমন মানুষ থেকে আশ্রয় চাইবেন।
⚫️ সুন্দর, বরকতময় পারিবারিক বন্ধন আছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে চলে,এমন পরিবারে বিয়ের জন্য দুআ করবেন। এসব দেখেই পরবর্তী বংশধরেরা বড় হবে।
⚫️গীবতের আসর বসায়, হারাম আড্ডাবাজি চলে, এমন পরিবার থেকে পানাহ চাইবেন। গীবত ছাড়াও উত্তম কথা দিয়ে মজলিস জমানো যায়। এগুলোও নিয়ামাহ্। আল্লাহর কাছে চেয়ে নিবেন।
⚫️ তৃতীয় পক্ষ থেকে পানাহ চাইবেন, যারা আপনাদের হাসবেন্ড ওয়াইফের মধ্যে সমস্যা করতে চাইবে। আমি অনেক পরিবারে দেখেছি,হাসবেন্ড ওয়াইফ একসাথে রুমে অবস্থান করলে শাশুড়ি এসে বসে থাকেন। বা ননদ/ননাস এরা বিরক্ত করেন। হুটহাট ব্যক্তিগত জিনিসে হাত দেন,অনুমতি ছাড়া।
এসব টক্সিক মানুষজন থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবেন৷ স্বামী-স্ত্রীর প্রাইভেসির ব্যাপারে সচেতন, হায়াওয়ালা পরিবার চাইবেন।
আরো অনেক অনেক দুআ করা যায়, আপাতত মাথায় আসছে না। অন্যের জীবনের দিকে তাকাবেন। সমস্যাগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন। তারপর ওই সমস্যাগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবেন।
ব্যস,এভাবেই তো দুআ করতে হয়!
দুআ করলেই যে জীবনটা জান্নাত হবে, আর কোনো সমস্যা থাকবে না,ব্যাপারটা এমন নয়৷ মুসলিম-অমুসলিম সবাই সমস্যাতে জর্জরিত। এই দুনিয়াটাই পরীক্ষা। একটার পর একটা পরীক্ষা আসতে থাকবে, যতদিন না আমরা কবরে যাচ্ছি। আল্লাহর বান্দা হিসেবে আমাদের করণীয় হলো,আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করবো৷
*সংগৃহীত*©
শশুরবাড়ি নিয়ে আপনাদের যতো ব্যক্তিগত চাওয়া আছে, সব নোট করে রাখবেন। সেসব তো চাইবেনই,সাথে আমি কিছু বিষয় শেয়ার করি ইনশাআল্লাহ।
⚫️ আল্লাহর কাছে চাইবেন,আপনার শশুরবাড়ি যেন সিহরমুক্ত হয়। আপনার শশুরবাড়ির কেউ যেন জাদু,জ্বিন,বানের পিছনে ছোটাছুটি না করে। একবার এদের কবলে পড়লে জীবন শেষ! তাই আল্লাহর কাছে এই ব্যাপারে বেশি বেশি দুআ করবেন।
⚫️ দ্বীন পালনে সাপোর্টিভ শশুরবাড়ি চাইবেন। একটা পরিবারে সবাই দ্বীনদার হবে না,স্বাভাবিক। কিন্তু দ্বীন পালনে বাধা যেন না দেয়, নন মাহরাম মেইনটেইন করতে যেন আপনার এতটুকু সমস্যা ফেইস করতে না হয়,সেটার জন্য বেশি বেশি দুআ করবেন। এই পয়েন্টটা তাদের জন্য, যারা কঠোরভাবে নন মাহরাম মেইনটেইন করেন। বাবার বাড়িতেও কাজিন,দুলাভাই এসবের সাথে কঠোর পর্দা করেন।
⚫️ আল্লাহর কাছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে পড়ার নসীব চাইবেন। কত বিবাহিতদের দেখেছি,রাঁধতে রাঁধতে আওয়াল ওয়াক্তের নামাজ ছুটে যায়। খুশু-খুযুর সাথে নামাজে দাঁড়াতে পারে না। আল্লাহর কাছে চাইবেন,এতো বেশি কাজের বোঝা যেন আল্লাহ না দেন,যার ফলে ইবাদাতে ঘাটতি আসবে।
⚫️ সুন্দর বাড়ির চেয়ে প্রশান্তিদায়ক বাড়ি বহুগুণ উত্তম। সুন্দর দেখতে শশুরবাড়িতে তো চাইবেনই,তবে তারচেয়ে বেশি প্রশান্তিদায়ক একটা বাড়ি চাইবেন। অনেক বোন শশুরবাড়িতে শান্তি পান না,তারাও এই দুআ করবেন। "ইয়া আল্লাহ, আমার ঘরকে প্রশস্ত করে দাও। প্রশান্তিময় করে দাও।'
⚫️শশুরবাড়ির লোক যেন অতিরিক্ত পেটুক বা একদমই কিপটে না হয়,এই বিষয়ে দুআ করবেন। অতিরিক্ত পেটুক হলে সারাক্ষণ আপনার রান্না করে করে দিন যাবে। আর কিপটে হলে ভালো-মন্দ খাবার জুটবে না৷ দুআ করবেন,তারা বা তাদের স্বভাব যেন আপনার জন্য সহনশীল হয়,প্রশান্তির হয়। অসহ্যকর যেন না লাগে।
⚫️"অন্যের হাঁড়িতে চোখ দেয়",এমন লোক,এমন শশুরবাড়ি থেকে পানাহ চাইবেন। এরা সারাক্ষণ অন্যের কাছে আশা করে। কে কি দেয় না,কি দেয়, এসব গুনতে থাকে। এমন লোকের খপ্পরে পড়লে, আপনার বাবার বাড়ি থেকে খাদ্যদ্রব্য,ফার্নিচার ভিক্ষা আনতে আনতে ক্লান্তি চলে আসবে,তবুও তারা তুষ্ট হবে না৷
⚫️" অতিরিক্ত পরিষ্কার এবং অতিরিক্ত নোংরা" শশুরবাড়ি থেকে পানাহ চাইবেন। নোংরা লোকজন হলে আপনার গলা দিয়ে খাবারটাও নামাতে পারবেন না। খেতে অস্বস্তি লাগবে। অপবিত্র লাগবে সবকিছু। অতিরিক্ত পরিষ্কার বা শুচিবাইগ্রস্ত হলে সারাদিন পরিষ্কার করতে থাকবেন,তবুও ওই লোকগুলো আপনার কাজে দোষ ধরবে।
⚫️পর্দা মেইনটেইন করেই যেন গায়ে রোদ লাগাতে পারেন,রুমে সুন্দর,কল্যাণকর রোদ আসে যেন, এই দুআ করবেন। আজীবন ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেয়ে থাকা সম্ভব না। আবার ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হলে কোমরব্যথা,মন খারাপসহ নানা রোগ শরীরে বাসা বাঁধবে। তখন দুনিয়াটাই ভালো লাগবে না।
⚫️আল্লাহর কাছে পড়ার পরিবেশ চাইবেন। ঘরে যেন পাঠাগার থাকে,সেটার দুআ করবেন। বাচ্চারা যখন ছোটবেলা থেকে বই দেখে দেখে বড় হবে, তারা এমনিতেই পড়ুয়া হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।
⚫️অনেক সংসারে যথেষ্ট খাবার থাকা সত্ত্বেও ঘরের বউকে ভালো খাবার খেতে দেওয়া হয় না। আল্লাহর কাছে বরকতময় রিজিক চাইবেন। উত্তম, ভালো খাবার খেয়ে, শক্তি অর্জন করে যেন ইবাদাত করতে পারেন,সে তওফিক চাইবেন। সংকুচিত রিজিক থেকে পানাহ চাইবেন।
⚫️ শশুরবাড়িতে যেন গান-বাজনার প্রসার না থাকে,এই দুআ করবেন। হারাম দিয়ে পূর্ণ ঘরে আল্লাহর রহমত,বরকত প্রবেশ করে না৷
⚫️ আল্লাহর কাছে খোঁটা থেকে আশ্রয় চাইবেন। অপমান থেকে আশ্রয় চাইবেন। সারাক্ষণ ভুল ধরে, এমন মানুষ থেকে আশ্রয় চাইবেন।
⚫️ সুন্দর, বরকতময় পারিবারিক বন্ধন আছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে চলে,এমন পরিবারে বিয়ের জন্য দুআ করবেন। এসব দেখেই পরবর্তী বংশধরেরা বড় হবে।
⚫️গীবতের আসর বসায়, হারাম আড্ডাবাজি চলে, এমন পরিবার থেকে পানাহ চাইবেন। গীবত ছাড়াও উত্তম কথা দিয়ে মজলিস জমানো যায়। এগুলোও নিয়ামাহ্। আল্লাহর কাছে চেয়ে নিবেন।
⚫️ তৃতীয় পক্ষ থেকে পানাহ চাইবেন, যারা আপনাদের হাসবেন্ড ওয়াইফের মধ্যে সমস্যা করতে চাইবে। আমি অনেক পরিবারে দেখেছি,হাসবেন্ড ওয়াইফ একসাথে রুমে অবস্থান করলে শাশুড়ি এসে বসে থাকেন। বা ননদ/ননাস এরা বিরক্ত করেন। হুটহাট ব্যক্তিগত জিনিসে হাত দেন,অনুমতি ছাড়া।
এসব টক্সিক মানুষজন থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবেন৷ স্বামী-স্ত্রীর প্রাইভেসির ব্যাপারে সচেতন, হায়াওয়ালা পরিবার চাইবেন।
আরো অনেক অনেক দুআ করা যায়, আপাতত মাথায় আসছে না। অন্যের জীবনের দিকে তাকাবেন। সমস্যাগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন। তারপর ওই সমস্যাগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবেন।
ব্যস,এভাবেই তো দুআ করতে হয়!
দুআ করলেই যে জীবনটা জান্নাত হবে, আর কোনো সমস্যা থাকবে না,ব্যাপারটা এমন নয়৷ মুসলিম-অমুসলিম সবাই সমস্যাতে জর্জরিত। এই দুনিয়াটাই পরীক্ষা। একটার পর একটা পরীক্ষা আসতে থাকবে, যতদিন না আমরা কবরে যাচ্ছি। আল্লাহর বান্দা হিসেবে আমাদের করণীয় হলো,আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করবো৷
*সংগৃহীত*©
❤20
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤12
কল্যানময় বৃষ্টির জন্য সবাই দোয়া করুন
"হে আল্লাহ! আমাদের উপর রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করুন, আবহাওয়াকে শান্ত ও শীতল করুন, এবং আমাদের জন্য কল্যাণকর করুন।"
@PathwayToNoor
"হে আল্লাহ! আমাদের উপর রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করুন, আবহাওয়াকে শান্ত ও শীতল করুন, এবং আমাদের জন্য কল্যাণকর করুন।"
@PathwayToNoor
❤🔥20❤5
ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন-
"শয়তান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো—
★ দৃষ্টি সংযত রাখা,
★অতিরিক্ত কথা ও
★খাবার পরিহার করা এবং
★ মানুষের সাথে মাত্রাতিরিক্ত মেলামেশা বর্জন করা।
শয়তান আদমসন্তানের ওপর এই চারটি প্রবেশপথ দিয়েই আধিপত্য বিস্তার করে।”
(আল-ওয়াবিলুস সয়্যিব-৭৩)
collected
@PathwayToNoor
"শয়তান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো—
★ দৃষ্টি সংযত রাখা,
★অতিরিক্ত কথা ও
★খাবার পরিহার করা এবং
★ মানুষের সাথে মাত্রাতিরিক্ত মেলামেশা বর্জন করা।
শয়তান আদমসন্তানের ওপর এই চারটি প্রবেশপথ দিয়েই আধিপত্য বিস্তার করে।”
(আল-ওয়াবিলুস সয়্যিব-৭৩)
collected
@PathwayToNoor
❤12
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
• জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৭৪৭
• হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
collected
@PathwayToNoor
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহ তা’আলার দরবারে আমল পেশ করা হয়। সুতরাং আমার আমলসমূহ যেন রোযা পালনরত অবস্থায় পেশ করা হোক এটাই আমার পছন্দনীয়।
• জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৭৪৭
• হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
collected
@PathwayToNoor
❤12❤🔥1
*"কুরআন বলছে, 'আল্লাহর স্মরণে অন্তর প্রশান্ত হয়।' কিন্তু আমরা তসবিহ পড়ার পরও কেন ডিপ্রেশনে ভুগি? উস্তাদ নোমান বলেন—যিকর মানে কেবল ঠোঁট নাড়ানো নয়, বরং আল্লাহ যে আপনার প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস শুনছেন তা অনুভব করা। আপনি যখন বুঝতে পারবেন যে আপনি একা নন, আপনার সৃষ্টিকর্তা আপনার সাথেই আছেন, তখন পৃথিবীর কোনো শূন্যতা আপনাকে গ্রাস করতে পারবে না। নিজের জন্য প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় রাখুন যখন কোনো স্ক্রিন থাকবে না, থাকবে কেবল আপনি আর আপনার রব।"*
উস্তাদ নোমান আলী খান
___
collected
@PathwayToNoor
উস্তাদ নোমান আলী খান
___
কঠিন জামানায়collected
@PathwayToNoor
❤11
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤9
*🕌"নামাজে মনোযোগী হওয়ার ১৫ টি উপায়*
*১। ফরজের আগে সুন্নত পড়া, এটা নামাজের প্রস্তুতি*
*২। সুন্দরভাবে অজু করা, এতে মন শান্ত হয়*
*৩। জামাতে নামাজ পড়ার চেষ্টা করা*
*৪। নামাজের আগে ১০-১৫ মিনিট সব কাজ বন্ধ রাখা*
*৫। নামাজের আগে মোবাইল দূরে রাখা*
*৬। যে সূরা পড়া হয় তার অর্থ জানার চেষ্টা করা*
*৭। বেশি ক্ষুধা নিয়ে নামাজে না দাঁড়ানো*
*৮। সাদাসিধা জায়নামাজ ব্যবহার করা*
*৯। ভিন্ন ভিন্ন সূরা পড়ার অভ্যাস রাখা*
*১০। রুকু সিজদাহ ধীরে ধীরে করা*
*১১। মনে রাখা, আল্লাহর সাথে কথা বলা হচ্ছে*
*১২। চোখের হেফাজত করা*
*১৩। মনে করা, এটা জীবনের শেষ নামাজ*
*১৪। নামাজের আগে দোয়া করে মন ঠিক করা*
*১৫। নামাজের পর কিছুক্ষণ বসে জিকির করা*
>
collected
@PathwayToNoor
*১। ফরজের আগে সুন্নত পড়া, এটা নামাজের প্রস্তুতি*
*২। সুন্দরভাবে অজু করা, এতে মন শান্ত হয়*
*৩। জামাতে নামাজ পড়ার চেষ্টা করা*
*৪। নামাজের আগে ১০-১৫ মিনিট সব কাজ বন্ধ রাখা*
*৫। নামাজের আগে মোবাইল দূরে রাখা*
*৬। যে সূরা পড়া হয় তার অর্থ জানার চেষ্টা করা*
*৭। বেশি ক্ষুধা নিয়ে নামাজে না দাঁড়ানো*
*৮। সাদাসিধা জায়নামাজ ব্যবহার করা*
*৯। ভিন্ন ভিন্ন সূরা পড়ার অভ্যাস রাখা*
*১০। রুকু সিজদাহ ধীরে ধীরে করা*
*১১। মনে রাখা, আল্লাহর সাথে কথা বলা হচ্ছে*
*১২। চোখের হেফাজত করা*
*১৩। মনে করা, এটা জীবনের শেষ নামাজ*
*১৪। নামাজের আগে দোয়া করে মন ঠিক করা*
*১৫। নামাজের পর কিছুক্ষণ বসে জিকির করা*
>
collected
@PathwayToNoor
❤17🥰4