নিজেকে মনে করিয়ে দিন --
১) আজ যে বিষয়টা আমাকে খুব কষ্ট দিচ্ছে, আল্লাহ চাইলে একদিন সেই বিষয়টাই আমার ঈমান, সবর আর শক্তির সবচেয়ে সুন্দর গল্প হবে, ইনশাআল্লাহ।
২) আমি হয়তো এখন পুরো পিকচারটা দেখতে পাচ্ছি না, কিন্তু আমার রব ঠিকই জানেন কোন ঘটনাপ্রবাহগুলো আমাকে শান্তি ও কল্যাণের দিকে নিয়ে যাবে।
৩) আমার অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে মনে হলেও, আল্লাহর কাছে কিছুই দেরি নয়; তিনি সঠিক সময়েই সবকিছু সুন্দরভাবে খুলে দেন।
৪) আমি ভেঙে পড়তে পারি, কিন্তু আমার ভয় নেই। কারণ আমাকে আবার তুলে দাঁড় করানোর জন্য আমার রব, আল্লাহই যথেষ্ট।
৫) মানুষের তৈরি দরজাগুলো বন্ধ হয়ে গেলেও আমি নিরাশ নই, কারণ আসমানের দরজা এখনো আমার জন্য খোলা আছে।
৬) আমি যা হারিয়েছি, তার জন্য কষ্ট পাই ঠিকই; কিন্তু আমি জানি, আল্লাহ চাইলে এই হারানোর ভেতরেও আরো উত্তম কিছু পাওয়ার পাওয়ার রহস্য লুকিয়ে রাখেন।
৭) আমার দুআগুলো কোনটাই হারিয়ে যায়নি; সেগুলো আরশের নিচে পৌঁছেছে, আর আমার রব সেগুলোর উত্তম জবাব ঠিকই নির্ধারণ করে রেখেছেন। আমি এগুলোর প্রকাশ দেখবো, যখন এটা দেখা আমার জন্য উত্তম, ইনশাআল্লাহ।
৮) আজ আমি হয়তো অনেক ক্লান্ত। আমার আল্লাহ ঠিকই আমার অব্যক্ত কষ্ট, অদেখা যুদ্ধ আর নীরব ধৈর্য— এগুলো কোনটাই তাঁর দৃষ্টির অগোচরে নয়।
৯) আমি হয়তো মানুষকে আমার ব্যথার গভীরতা বোঝাতে পারি না, কিন্তু এই গভীরে না পৌঁছালে হয়তো আজকে এতটা স্ট্রং হতে পারতাম না।
১০) আমার জীবনে যা কিছু আটকে আছে বলে মনে হচ্ছে, হয়তো তার ভেতরেই আল্লাহ আমাকে গুনাহ থেকে, ভুল সিদ্ধান্ত থেকে, কিংবা বড় ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে রাখছেন।
১১) আমি এখনো ভালো কিছুর অপেক্ষায় আছি, কারণ আমি এমন একজন রবের ওপর ভরসা করি, যিনি বান্দার আশা কখনোই বৃথা যেতে দেন না।
—শারিন সফি আদ্রিতা
collected
@PathwayToNoor
১) আজ যে বিষয়টা আমাকে খুব কষ্ট দিচ্ছে, আল্লাহ চাইলে একদিন সেই বিষয়টাই আমার ঈমান, সবর আর শক্তির সবচেয়ে সুন্দর গল্প হবে, ইনশাআল্লাহ।
২) আমি হয়তো এখন পুরো পিকচারটা দেখতে পাচ্ছি না, কিন্তু আমার রব ঠিকই জানেন কোন ঘটনাপ্রবাহগুলো আমাকে শান্তি ও কল্যাণের দিকে নিয়ে যাবে।
৩) আমার অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে মনে হলেও, আল্লাহর কাছে কিছুই দেরি নয়; তিনি সঠিক সময়েই সবকিছু সুন্দরভাবে খুলে দেন।
৪) আমি ভেঙে পড়তে পারি, কিন্তু আমার ভয় নেই। কারণ আমাকে আবার তুলে দাঁড় করানোর জন্য আমার রব, আল্লাহই যথেষ্ট।
৫) মানুষের তৈরি দরজাগুলো বন্ধ হয়ে গেলেও আমি নিরাশ নই, কারণ আসমানের দরজা এখনো আমার জন্য খোলা আছে।
৬) আমি যা হারিয়েছি, তার জন্য কষ্ট পাই ঠিকই; কিন্তু আমি জানি, আল্লাহ চাইলে এই হারানোর ভেতরেও আরো উত্তম কিছু পাওয়ার পাওয়ার রহস্য লুকিয়ে রাখেন।
৭) আমার দুআগুলো কোনটাই হারিয়ে যায়নি; সেগুলো আরশের নিচে পৌঁছেছে, আর আমার রব সেগুলোর উত্তম জবাব ঠিকই নির্ধারণ করে রেখেছেন। আমি এগুলোর প্রকাশ দেখবো, যখন এটা দেখা আমার জন্য উত্তম, ইনশাআল্লাহ।
৮) আজ আমি হয়তো অনেক ক্লান্ত। আমার আল্লাহ ঠিকই আমার অব্যক্ত কষ্ট, অদেখা যুদ্ধ আর নীরব ধৈর্য— এগুলো কোনটাই তাঁর দৃষ্টির অগোচরে নয়।
৯) আমি হয়তো মানুষকে আমার ব্যথার গভীরতা বোঝাতে পারি না, কিন্তু এই গভীরে না পৌঁছালে হয়তো আজকে এতটা স্ট্রং হতে পারতাম না।
১০) আমার জীবনে যা কিছু আটকে আছে বলে মনে হচ্ছে, হয়তো তার ভেতরেই আল্লাহ আমাকে গুনাহ থেকে, ভুল সিদ্ধান্ত থেকে, কিংবা বড় ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে রাখছেন।
১১) আমি এখনো ভালো কিছুর অপেক্ষায় আছি, কারণ আমি এমন একজন রবের ওপর ভরসা করি, যিনি বান্দার আশা কখনোই বৃথা যেতে দেন না।
—শারিন সফি আদ্রিতা
collected
@PathwayToNoor
❤18
আজকাল তৌবা, দোয়া এবং বিনয় একেবারে বিদায় হয়ে গেছে। দুনিয়াদারদের কথা কী বলবো, দীনদারদের মধ্যেও এই জিনিষ পাওয়া যায় না। কেমন যেন উদাসীনতা আর রুক্ষতা চেপে বসেছে। এই কারণেই কোন কাজে বরকত এবং মজা পাওয়া যায় না।
অথচ তৌবা এবং দোয়া এই দুইটি জিনিষ বিপদ এবং মুছিবতের মুকাবিলায় ঢাল এবং অস্ত্রের কাজ দেয়। বিপদে পড়লে তখন এসব মানুষের হুশ হয়। যেমন একটি লোক হাটে যাচ্ছিল গরু কিনতে।
রাস্তায় এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলো, "কোথায় যাচ্ছো?"
বললো:
গরু কিনতে।
লোকটি বললো: ভাল কাজে 'ইনশা আল্লাহ্' বলতে হয়।
সে বললো: এতে আবার ইনশা আল্লাহ্ বলার কী আছে? আমার পকেটে টাকা আছে, হাটে আছে গরু। যাবো আর কিনবো। এতে আবার ইন্শা আল্লাহ্ বলতে হবে কেন?
বেচারা লোকটি চুপ হয়ে গেল।
অতঃপর হাটে গিয়ে সে একটি গরু পছন্দ করলো। দাম-দর ঠিক করে টাকার জন্যে পকেটে হাত দিল। পকেটে হাত নীচের দিক দিয়ে বাহির হয়ে পড়লো। টাকা নাই। পকেট কেটে নিয়ে গেছে। হায়রে ইনশা আল্লাহ! একি হলো? পকেটে হাত ঝুলাতে ঝুলাতে লোকটি ফিরে যাচ্ছিল। রাস্তায় সেই লোকটির সাথে আবার দেখা। জিজ্ঞাসা করলো: কি ভাই, গরু কেনা হয়েছে?
বললো: কী আর বলবো, ইনশা আল্লাহ্!
: কেন? কি হয়েছে?
: হাটে গেলাম ইনশাআল্লাহ্।
: তারপর?
: গরু পছন্দ করলাম ইনশাআল্লাহ। দাম-দর ঠিক হলো ইনশাআল্লাহ্! টাকার জন্যে পকেটে হাত দিয়েছি ইনশাআল্লাহ্! কিন্তু পকেটমার কেটে নিয়েছে ইনশাআল্লাহ্! গরু কেনা হয়নি ইন্শাআল্লাহ্! বাড়ী ফিরে যাচ্ছি ইন্শাআল্লাহ্!
এইভাবে হাত দুলাতে দুলাতে এবং ইনশাআল্লাহ বলতে বলতে লোকটি বাড়ি ফিরে গেলো।কিন্তু এখন আর ইনশাআল্লাহ বলে কি হবে?আগেই বলা উচিৎ ছিল।
বই:মুসলমানের হাসি
পরকালের প্রস্তুতি
collected
@PathwayToNoor
অথচ তৌবা এবং দোয়া এই দুইটি জিনিষ বিপদ এবং মুছিবতের মুকাবিলায় ঢাল এবং অস্ত্রের কাজ দেয়। বিপদে পড়লে তখন এসব মানুষের হুশ হয়। যেমন একটি লোক হাটে যাচ্ছিল গরু কিনতে।
রাস্তায় এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলো, "কোথায় যাচ্ছো?"
বললো:
গরু কিনতে।
লোকটি বললো: ভাল কাজে 'ইনশা আল্লাহ্' বলতে হয়।
সে বললো: এতে আবার ইনশা আল্লাহ্ বলার কী আছে? আমার পকেটে টাকা আছে, হাটে আছে গরু। যাবো আর কিনবো। এতে আবার ইন্শা আল্লাহ্ বলতে হবে কেন?
বেচারা লোকটি চুপ হয়ে গেল।
অতঃপর হাটে গিয়ে সে একটি গরু পছন্দ করলো। দাম-দর ঠিক করে টাকার জন্যে পকেটে হাত দিল। পকেটে হাত নীচের দিক দিয়ে বাহির হয়ে পড়লো। টাকা নাই। পকেট কেটে নিয়ে গেছে। হায়রে ইনশা আল্লাহ! একি হলো? পকেটে হাত ঝুলাতে ঝুলাতে লোকটি ফিরে যাচ্ছিল। রাস্তায় সেই লোকটির সাথে আবার দেখা। জিজ্ঞাসা করলো: কি ভাই, গরু কেনা হয়েছে?
বললো: কী আর বলবো, ইনশা আল্লাহ্!
: কেন? কি হয়েছে?
: হাটে গেলাম ইনশাআল্লাহ্।
: তারপর?
: গরু পছন্দ করলাম ইনশাআল্লাহ। দাম-দর ঠিক হলো ইনশাআল্লাহ্! টাকার জন্যে পকেটে হাত দিয়েছি ইনশাআল্লাহ্! কিন্তু পকেটমার কেটে নিয়েছে ইনশাআল্লাহ্! গরু কেনা হয়নি ইন্শাআল্লাহ্! বাড়ী ফিরে যাচ্ছি ইন্শাআল্লাহ্!
এইভাবে হাত দুলাতে দুলাতে এবং ইনশাআল্লাহ বলতে বলতে লোকটি বাড়ি ফিরে গেলো।কিন্তু এখন আর ইনশাআল্লাহ বলে কি হবে?আগেই বলা উচিৎ ছিল।
বই:মুসলমানের হাসি
পরকালের প্রস্তুতি
collected
@PathwayToNoor
❤16
তুমি যত সতর্কতার সাথে তোমার মন্দ কাজ গুলো গোপন রাখার চেষ্টা করো, তার চেয়ে অধিক সচেতনতার সাথে তোমার নেক আমলগুলোকে গোপন রাখো।
-হিলয়াতুল আওলিয়া: ৩/২৪০©
@PathwayToNoor
-হিলয়াতুল আওলিয়া: ৩/২৪০©
@PathwayToNoor
❤29
প্রোফাইলে (নারীর) পর্দা, বেপর্দা ছবি কিংবা কার্টুন এর ছবি দিচ্ছেন।যতজন এই গুলো দেখবে আর গুনাহ অর্জন করবে। আপনিও ঠিক ততোটাই গোনাহগার ভাগিদ্বার হবেন আপনি।
একটু খানি প্রশংসার আশায় প্রোফাইল কভার অথবা ফেসবুকে আপলোড করা আজকের সুন্দর সুন্দর চোখ ধাঁধানো ছবি গুলো গুনাহের জারিয়া হিসেবে চলমান থাকবে।
এমনও হতে পারে কে*য়ামতের দিন কঠিন ময়দানে কারো কারো জা*হান্নামের যাওয়ার কারণ হবে শুধুমাত্র সেই ছবি গুলোর জন্য। আহ্ মুমিনা নারী কতই না বোকা তুমি।
লেখা : সংগৃহীত
@PathwayToNoor
একটু খানি প্রশংসার আশায় প্রোফাইল কভার অথবা ফেসবুকে আপলোড করা আজকের সুন্দর সুন্দর চোখ ধাঁধানো ছবি গুলো গুনাহের জারিয়া হিসেবে চলমান থাকবে।
এমনও হতে পারে কে*য়ামতের দিন কঠিন ময়দানে কারো কারো জা*হান্নামের যাওয়ার কারণ হবে শুধুমাত্র সেই ছবি গুলোর জন্য। আহ্ মুমিনা নারী কতই না বোকা তুমি।
লেখা : সংগৃহীত
@PathwayToNoor
💯10😢4
আমার হজ্ব সফরের সময়ের কথা। হজ্বে যাওয়ার আগে মেয়ের মা বেশ লম্বা একটা দুয়ার লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘দুয়া কবুলের জায়গা আর সময়গুলোতে এই লিস্ট ধরে ধরে দুয়া করতে হবে কিন্তু...।’
সেই দুয়াগুলোতে চোখ বুলাতে গিয়ে, একটা দুয়ার মাঝে আমার চোখ আটকে গেল। সেখানে লেখা—‘আমাদের যদি একটা পুত্র সন্তান হয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তাকে কা’বার ইমাম হওয়ার তাউফিক দেন।’
খুবই সুন্দর আর মন ভালো করে দেওয়ার মতোন দুয়া নিঃসন্দেহে। কিন্তু, সৌদি আরবের নিয়মকানুন তো জানি—কা’বার ইমাম হতে হলে সৌদি আরবের নাগরিক হওয়া বাধ্যতামূলক। মেয়ের মা হয়তো সেটা জানেন না।
আমি বললাম, ‘দুয়াটা তো বেশ সুন্দর! কিন্তু কথা হলো, হারামাইনের ইমাম হতে হলে সৌদির নাগরিক হতে হবে৷ এটা ওখানকার সরকারি আইন।’
তিনি বললেন, ‘তা আমিও জানি। এসব আইন করা হয়, আবার বাদও দেওয়া হয়। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পারেন না—এমনকিছু আবার আছে নাকি? তিনি ‘হও’ বললেই তো সবকিছু হয়ে যায়। আপনাকে দুয়া করতে বলেছি দুয়া করবেন।’
ব্যাপারটা আমার হৃদয়েও দাগ কেটে গেল৷ সত্যিই তো—আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পারেন না এমনকিছু তো অবশ্যই নাই। তিনি যদি চান যে, বাংলাদেশি কোনো অধমের সন্তানকে কা’বার ইমাম বানাবেন, তিনি তো মুহূর্তেই সৌদির আইনকানুনে রদবদল ঘটিয়ে ফেলতে পারেন। অথবা এমন উপলক্ষ তৈরি করতে পারেন যে—বিশেষ আইনবলে হলেও বাংলাদেশি এক গুনাহগারের সন্তানকে কা’বার মিম্বারে দাঁড় করিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি!
স্ত্রীর বিশ্বাসের দ্যোতনা আমাকেও স্পর্শ করে গিয়েছিল এবং হজ্বের সফরে যতোগুলো দুয়া কবুলের সময় আর জায়গা ছিল—তাওয়াফ, মিনার তাঁবু, আরাফাহর ময়দান, মুযদালিফা, জামারাহ—প্রত্যেকটা জায়গাতে আল্লাহর কাছে আমি ফরিয়াদটা করেছি। নিশ্চয় আমার রব দুয়া শ্রবণকারী 💚
হজ্বের সফর শেষ করে আসার ঠিক পরের ঘটনা৷ বাইতুল্লাহর নতুন ইমাম নিযুক্ত হলেন কয়েকজন৷ তাদের মধ্যে একজনের নাম ছিল—ড. আল ওয়ালিদ আশ-শামসান।
বাইতুল্লাহর ইমাম হিশেবে উনার নিযুক্তির পরে, ২০১৩ সালে করা উনার পিতা খালিদ আশ-শামসানের একটা টুইট বেশ ভাইরাল হয়ে পড়ে। উনার সন্তানের কা’বার ইমাম হিশেবে নিযুক্তির প্রায় এক যুগ আগে উনি লিখেছেন—
‘আল ওয়ালিদ আমাদের বড় সন্তান। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে প্রার্থনা করি, যেন শীঘ্রই তাঁকে মাসজিদ আন নববির ইমাম ও খতিব হিশেবে দেখতে পাই। আল্লাহ তাকে সফল করুন।’
এই টুইট প্রকাশের কিছুকাল পরেই তিনি দুনিয়ার পাঠ চুকিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে চলে যান। তবে, তার সেই বড় সন্তান, আল ওয়ালিদ আশ শামসান, যাকে তিনি দেখতে চেয়েছিলেন মাসজিদ আন নববির ইমাম ও খতিব হিশেবে, এগারো বছর পরে এসে তাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বাইতুল্লাহর ইমাম বানিয়ে নেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি! দোয়া কবুলের কী অসাধারণ নজির!!
খালিদ আশ শামসান রাহিমাহুল্লাহ সন্তানকে মাসজিদ আন নববির মিম্বরে দেখার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আল্লাহর কাছে দুয়াও করেছেন৷ সঠিক তারবিয়াহর মাধ্যমে সন্তানকে গড়ে তুলেছেন সেই স্বপ্নের উপযোগি করেও। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তার উপর রহম করুন।
খালিদ আশ শামসান শুয়ে আছেন কবরে। তার সন্তান ইমামতি করছেন বাইতুল্লাহর মিম্বরে দাঁড়িয়ে। লাখো কোটি মুসলমান তার পেছনে এখন সালাত আদায় করে। তার সন্তান ঠিক সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ইমামতি করছেন যেখানে দাঁড়িয়েছেন আল্লাহর অনেক অনেক নবি আর রাসুল। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি!
আমি ভাবছি—এই দৃশ্যটা দেখে যেতে পারলে কী অপার্থিব পুলক লাভ করত পিতার অন্তর! আমার ভারি ঈর্ষা হলো খালিদ আশ শামসানের প্রতি। আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন।
আল্লাহর কাছে চাওয়ার বেলায় কোনো সীমানা রাখবেন না৷ মনে রাখবেন—আপনি এমন একজনের দরবারে হাত তুলছেন যার ক্ষমতা অসীম। বিশ্বজাহানের কোথাও কিছু ঘটাতে হলে, কোনো রদবদল দরকার হলে তিনি কেবল বলেন—হও, আর তা হয়ে যায় 💛
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
সেই দুয়াগুলোতে চোখ বুলাতে গিয়ে, একটা দুয়ার মাঝে আমার চোখ আটকে গেল। সেখানে লেখা—‘আমাদের যদি একটা পুত্র সন্তান হয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তাকে কা’বার ইমাম হওয়ার তাউফিক দেন।’
খুবই সুন্দর আর মন ভালো করে দেওয়ার মতোন দুয়া নিঃসন্দেহে। কিন্তু, সৌদি আরবের নিয়মকানুন তো জানি—কা’বার ইমাম হতে হলে সৌদি আরবের নাগরিক হওয়া বাধ্যতামূলক। মেয়ের মা হয়তো সেটা জানেন না।
আমি বললাম, ‘দুয়াটা তো বেশ সুন্দর! কিন্তু কথা হলো, হারামাইনের ইমাম হতে হলে সৌদির নাগরিক হতে হবে৷ এটা ওখানকার সরকারি আইন।’
তিনি বললেন, ‘তা আমিও জানি। এসব আইন করা হয়, আবার বাদও দেওয়া হয়। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পারেন না—এমনকিছু আবার আছে নাকি? তিনি ‘হও’ বললেই তো সবকিছু হয়ে যায়। আপনাকে দুয়া করতে বলেছি দুয়া করবেন।’
ব্যাপারটা আমার হৃদয়েও দাগ কেটে গেল৷ সত্যিই তো—আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পারেন না এমনকিছু তো অবশ্যই নাই। তিনি যদি চান যে, বাংলাদেশি কোনো অধমের সন্তানকে কা’বার ইমাম বানাবেন, তিনি তো মুহূর্তেই সৌদির আইনকানুনে রদবদল ঘটিয়ে ফেলতে পারেন। অথবা এমন উপলক্ষ তৈরি করতে পারেন যে—বিশেষ আইনবলে হলেও বাংলাদেশি এক গুনাহগারের সন্তানকে কা’বার মিম্বারে দাঁড় করিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি!
স্ত্রীর বিশ্বাসের দ্যোতনা আমাকেও স্পর্শ করে গিয়েছিল এবং হজ্বের সফরে যতোগুলো দুয়া কবুলের সময় আর জায়গা ছিল—তাওয়াফ, মিনার তাঁবু, আরাফাহর ময়দান, মুযদালিফা, জামারাহ—প্রত্যেকটা জায়গাতে আল্লাহর কাছে আমি ফরিয়াদটা করেছি। নিশ্চয় আমার রব দুয়া শ্রবণকারী 💚
হজ্বের সফর শেষ করে আসার ঠিক পরের ঘটনা৷ বাইতুল্লাহর নতুন ইমাম নিযুক্ত হলেন কয়েকজন৷ তাদের মধ্যে একজনের নাম ছিল—ড. আল ওয়ালিদ আশ-শামসান।
বাইতুল্লাহর ইমাম হিশেবে উনার নিযুক্তির পরে, ২০১৩ সালে করা উনার পিতা খালিদ আশ-শামসানের একটা টুইট বেশ ভাইরাল হয়ে পড়ে। উনার সন্তানের কা’বার ইমাম হিশেবে নিযুক্তির প্রায় এক যুগ আগে উনি লিখেছেন—
‘আল ওয়ালিদ আমাদের বড় সন্তান। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে প্রার্থনা করি, যেন শীঘ্রই তাঁকে মাসজিদ আন নববির ইমাম ও খতিব হিশেবে দেখতে পাই। আল্লাহ তাকে সফল করুন।’
এই টুইট প্রকাশের কিছুকাল পরেই তিনি দুনিয়ার পাঠ চুকিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে চলে যান। তবে, তার সেই বড় সন্তান, আল ওয়ালিদ আশ শামসান, যাকে তিনি দেখতে চেয়েছিলেন মাসজিদ আন নববির ইমাম ও খতিব হিশেবে, এগারো বছর পরে এসে তাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বাইতুল্লাহর ইমাম বানিয়ে নেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি! দোয়া কবুলের কী অসাধারণ নজির!!
খালিদ আশ শামসান রাহিমাহুল্লাহ সন্তানকে মাসজিদ আন নববির মিম্বরে দেখার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আল্লাহর কাছে দুয়াও করেছেন৷ সঠিক তারবিয়াহর মাধ্যমে সন্তানকে গড়ে তুলেছেন সেই স্বপ্নের উপযোগি করেও। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তার উপর রহম করুন।
খালিদ আশ শামসান শুয়ে আছেন কবরে। তার সন্তান ইমামতি করছেন বাইতুল্লাহর মিম্বরে দাঁড়িয়ে। লাখো কোটি মুসলমান তার পেছনে এখন সালাত আদায় করে। তার সন্তান ঠিক সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ইমামতি করছেন যেখানে দাঁড়িয়েছেন আল্লাহর অনেক অনেক নবি আর রাসুল। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি!
আমি ভাবছি—এই দৃশ্যটা দেখে যেতে পারলে কী অপার্থিব পুলক লাভ করত পিতার অন্তর! আমার ভারি ঈর্ষা হলো খালিদ আশ শামসানের প্রতি। আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন।
আল্লাহর কাছে চাওয়ার বেলায় কোনো সীমানা রাখবেন না৷ মনে রাখবেন—আপনি এমন একজনের দরবারে হাত তুলছেন যার ক্ষমতা অসীম। বিশ্বজাহানের কোথাও কিছু ঘটাতে হলে, কোনো রদবদল দরকার হলে তিনি কেবল বলেন—হও, আর তা হয়ে যায় 💛
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
❤16🥰1
- সদাকা বিপদ দূর করে।
- তওবা ইস্তিগফার আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে রক্ষা করে।
- দরুদের আমল পেরেশানি দূর করে।
- দুয়া আসন্ন বিপদ থেকে হিফাজত করে।
চলমান বিপদসংকুল মুহূর্তে আর আসন্ন মুসিবত থেকে রক্ষা পেতে ফরজ ওয়াজিব আমলের পাশাপাশি উপরের আমলগুলো নিয়মিত করার চেষ্টা করি।
—ইশতিয়াক আহমেদ তুষার হাফি.
collected
@PathwayToNoor
- তওবা ইস্তিগফার আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে রক্ষা করে।
- দরুদের আমল পেরেশানি দূর করে।
- দুয়া আসন্ন বিপদ থেকে হিফাজত করে।
চলমান বিপদসংকুল মুহূর্তে আর আসন্ন মুসিবত থেকে রক্ষা পেতে ফরজ ওয়াজিব আমলের পাশাপাশি উপরের আমলগুলো নিয়মিত করার চেষ্টা করি।
—ইশতিয়াক আহমেদ তুষার হাফি.
collected
@PathwayToNoor
❤11❤🔥1
ইসলামে একটি সুন্দর ধারণা আছে—চেষ্টা করো, আর বাকি সব আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও।
এটা কুরআনে এসেছে:
وأن ليس للإنسان إلا ما سعى وأن سعيه سوف يرى
অর্থ: মানুষ কেবল তার চেষ্টারই অধিকারী, এবং তার সেই প্রচেষ্টার ফল সে অবশ্যই দেখতে পাবে।
তুমি এখন যেখানে আছো, সামনে কোথায় যাবে, তোমার জীবনে কী আসবে—এসব আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও। বাধা-বিপত্তিও তাঁর উপর ছেড়ে দাও। তুমি শুধু চেষ্টা করো, নিজের সর্বোচ্চটা দাও, এবং আল্লাহর উপর আশা রাখো।
ভুল হলে তাওবা করো, আবার চেষ্টা করো, বারবার চেষ্টা করো।
যদি কখনও নিজেকে আটকে মনে হয়—তাহলে সঠিক কাজটি করার চেষ্টা করো, আর আল্লাহকে বলো: “এখন বাকি সব আপনার উপর।” এই বিশ্বাস রাখো যে আল্লাহ তোমার ব্যাপারগুলো ঠিক করে দেবেন।
রাসূল (সা.) বলেছেন:
من كانت الآخرة نيته جمع الله له أمره وجعل غناه في قلبه
অর্থ: যার উদ্দেশ্য আখিরাত, আল্লাহ তার কাজগুলো সহজ করে দেন এবং তার অন্তরকে সম্পদশালী করে দেন।
আরেকটি হাদিসে আল্লাহ বলেন:
أنا عند ظن عبدي بي
অর্থ: “আমার বান্দা আমার সম্পর্কে যেমন ধারণা করে, আমি তার সাথে তেমনই আচরণ করি।”
তাই আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখো, তাঁর উপর ভরসা রাখো, এবং তাঁর অবাধ্যতাকে ভয় করো। চেষ্টা চালিয়ে যাও—ইনশাআল্লাহ তুমি ভালো থাকবে।
তুমি শুধু দাঁড় টেনে যাও, আল্লাহ তোমাকে ভাসিয়ে রাখবেন।
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
এটা কুরআনে এসেছে:
وأن ليس للإنسان إلا ما سعى وأن سعيه سوف يرى
অর্থ: মানুষ কেবল তার চেষ্টারই অধিকারী, এবং তার সেই প্রচেষ্টার ফল সে অবশ্যই দেখতে পাবে।
তুমি এখন যেখানে আছো, সামনে কোথায় যাবে, তোমার জীবনে কী আসবে—এসব আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও। বাধা-বিপত্তিও তাঁর উপর ছেড়ে দাও। তুমি শুধু চেষ্টা করো, নিজের সর্বোচ্চটা দাও, এবং আল্লাহর উপর আশা রাখো।
ভুল হলে তাওবা করো, আবার চেষ্টা করো, বারবার চেষ্টা করো।
যদি কখনও নিজেকে আটকে মনে হয়—তাহলে সঠিক কাজটি করার চেষ্টা করো, আর আল্লাহকে বলো: “এখন বাকি সব আপনার উপর।” এই বিশ্বাস রাখো যে আল্লাহ তোমার ব্যাপারগুলো ঠিক করে দেবেন।
রাসূল (সা.) বলেছেন:
من كانت الآخرة نيته جمع الله له أمره وجعل غناه في قلبه
অর্থ: যার উদ্দেশ্য আখিরাত, আল্লাহ তার কাজগুলো সহজ করে দেন এবং তার অন্তরকে সম্পদশালী করে দেন।
আরেকটি হাদিসে আল্লাহ বলেন:
أنا عند ظن عبدي بي
অর্থ: “আমার বান্দা আমার সম্পর্কে যেমন ধারণা করে, আমি তার সাথে তেমনই আচরণ করি।”
তাই আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখো, তাঁর উপর ভরসা রাখো, এবং তাঁর অবাধ্যতাকে ভয় করো। চেষ্টা চালিয়ে যাও—ইনশাআল্লাহ তুমি ভালো থাকবে।
তুমি শুধু দাঁড় টেনে যাও, আল্লাহ তোমাকে ভাসিয়ে রাখবেন।
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
❤12❤🔥2
ইস্তিগফারের বহু উপকারিতা রয়েছেঃ
1. এটি ক্ষমা প্রার্থনাকারীর জন্য প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করে এবং তাকে বাগান ও প্রবাহিত নদী দান করে।
2. এটি সম্পদ ও সন্তানের মধ্যে বরকতের কারণ হয়।
3. এটি ইবাদত সহজ করে, দোয়া বৃদ্ধি করে এবং রিজিক সহজ করে দেয়।
4. এটি বান্দা ও আল্লাহর মাঝে দূরত্ব দূর করে।
5. ইস্তিগফারকারী দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্ত হতে থাকে।
6. মানুষ ও জিনের শয়তান তার থেকে দূরে থাকে।
7. সে ঈমান ও ইবাদতের মিষ্টতা অনুভব করে।
8. সে আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন করে।
9. তার জ্ঞান ও ঈমান বৃদ্ধি পায়।
10. তার রিজিক সহজ হয় এবং দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও দুঃখ দূর হয়।
11. আল্লাহ তার দিকে ফিরে আসেন এবং তার তওবায় সন্তুষ্ট হন।
12. মৃত্যুর সময় ফেরেশতারা তাকে তার রবের পক্ষ থেকে সুসংবাদ দেয়।
13. কিয়ামতের দিন, যখন মানুষ গরম ও ঘামে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী আরশের ছায়ায় থাকবে।
14. হিসাবের ময়দান থেকে ফেরার সময়, সে ডান দিকের নেককারদের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং আল্লাহর নিকটবর্তী বান্দাদের সাথে থাকবে।
15. এটি ব্যক্তি ও সমাজকে খারাপ কাজ থেকে পবিত্র করে।
16. আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে।
© collected
@PathwayToNoor
1. এটি ক্ষমা প্রার্থনাকারীর জন্য প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করে এবং তাকে বাগান ও প্রবাহিত নদী দান করে।
2. এটি সম্পদ ও সন্তানের মধ্যে বরকতের কারণ হয়।
3. এটি ইবাদত সহজ করে, দোয়া বৃদ্ধি করে এবং রিজিক সহজ করে দেয়।
4. এটি বান্দা ও আল্লাহর মাঝে দূরত্ব দূর করে।
5. ইস্তিগফারকারী দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্ত হতে থাকে।
6. মানুষ ও জিনের শয়তান তার থেকে দূরে থাকে।
7. সে ঈমান ও ইবাদতের মিষ্টতা অনুভব করে।
8. সে আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন করে।
9. তার জ্ঞান ও ঈমান বৃদ্ধি পায়।
10. তার রিজিক সহজ হয় এবং দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও দুঃখ দূর হয়।
11. আল্লাহ তার দিকে ফিরে আসেন এবং তার তওবায় সন্তুষ্ট হন।
12. মৃত্যুর সময় ফেরেশতারা তাকে তার রবের পক্ষ থেকে সুসংবাদ দেয়।
13. কিয়ামতের দিন, যখন মানুষ গরম ও ঘামে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী আরশের ছায়ায় থাকবে।
14. হিসাবের ময়দান থেকে ফেরার সময়, সে ডান দিকের নেককারদের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং আল্লাহর নিকটবর্তী বান্দাদের সাথে থাকবে।
15. এটি ব্যক্তি ও সমাজকে খারাপ কাজ থেকে পবিত্র করে।
16. আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে।
© collected
@PathwayToNoor
❤13❤🔥2
সলাতুল হাজাত এর নগদ ফলাফল।
একজন অন্ধ লোক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার জন্য রাসুল ﷺ এর নিকট এসে দুয়া চাইলো। রাসুল ﷺ তাঁকে ধৈর্যের পরামর্শ দিলেন।
কিন্তু লোকটি বললো, "এটি আমার জন্য বিরাট কষ্টের"। রাসুল ﷺ তাঁকে বললেন, "তাহলে ওজু করে দুই রাকাত নামাজ পড়ো। অতঃপর বলো:
اللَّهمَّ إنِّي أسألُكَ وأتوجَّهُ إليكَ بنبيِّكَ محمدٍ نبيِّ الرحمةِ
হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি ও মনোনিবেশ করছি, রহমতের নবী, আপনার নবি মুহাম্মাদ এর মাধ্যমে।
يا محمدُ إنِّي أتوجَّهُ بكَ إلى ربِّي في حاجَتي هذه فتَقضى , وتُشفعُني فيه وتشفعُهُ فيَّ
হে মুহাম্মাদ! আমি আপনার মাধ্যমে আমার রবের কাছে আমার প্রয়োজন পেশ করছি।
হে আল্লাহ আমার ব্যাপারে তাঁর সুপারিশ কবুল করুন ও প্রয়োজন পূরণ করুন।
এই দোয়া কয়েকবার করার পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ওই লোকটির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেন।
(সহিহ ইবনু খুযাইমা: ২/২২৫, আত তারগীব: ১০১৮, তাহকীকে আলবানি রহ: সহিহ)
যেকোনো প্রয়োজন পূরণ করার জন্য এই নিয়তে দুই রাকাত নামাজ পড়ার নাম সলাতুল হাজাত।
এই নামাজ যে কোনো সূরা দিয়ে পড়া যায়।
নামাজ শেষে নিজ প্রয়োজনের কথা আল্লাহর কাছে বললে তিনি তা প্রদান করেন।
এই হাদিস থেকে অনেক উলামায়ে কেরাম রাসুল ﷺ এর ওসিলা নিয়ে দু'আ করাকে জায়েয বলেছেন। আল্লাহু আ'লাম।
নামাজ শেষে নিজ প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে, নিজ ভাষায় যেকোনো দু'আ করতে পারবেন। উপরের দু'আটি করা জরুরি নয়।
— আবদুল্লাহ আল মনসুর
#Sirah
একজন অন্ধ লোক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার জন্য রাসুল ﷺ এর নিকট এসে দুয়া চাইলো। রাসুল ﷺ তাঁকে ধৈর্যের পরামর্শ দিলেন।
কিন্তু লোকটি বললো, "এটি আমার জন্য বিরাট কষ্টের"। রাসুল ﷺ তাঁকে বললেন, "তাহলে ওজু করে দুই রাকাত নামাজ পড়ো। অতঃপর বলো:
اللَّهمَّ إنِّي أسألُكَ وأتوجَّهُ إليكَ بنبيِّكَ محمدٍ نبيِّ الرحمةِ
হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি ও মনোনিবেশ করছি, রহমতের নবী, আপনার নবি মুহাম্মাদ এর মাধ্যমে।
يا محمدُ إنِّي أتوجَّهُ بكَ إلى ربِّي في حاجَتي هذه فتَقضى , وتُشفعُني فيه وتشفعُهُ فيَّ
হে মুহাম্মাদ! আমি আপনার মাধ্যমে আমার রবের কাছে আমার প্রয়োজন পেশ করছি।
হে আল্লাহ আমার ব্যাপারে তাঁর সুপারিশ কবুল করুন ও প্রয়োজন পূরণ করুন।
এই দোয়া কয়েকবার করার পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ওই লোকটির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেন।
(সহিহ ইবনু খুযাইমা: ২/২২৫, আত তারগীব: ১০১৮, তাহকীকে আলবানি রহ: সহিহ)
যেকোনো প্রয়োজন পূরণ করার জন্য এই নিয়তে দুই রাকাত নামাজ পড়ার নাম সলাতুল হাজাত।
এই নামাজ যে কোনো সূরা দিয়ে পড়া যায়।
নামাজ শেষে নিজ প্রয়োজনের কথা আল্লাহর কাছে বললে তিনি তা প্রদান করেন।
এই হাদিস থেকে অনেক উলামায়ে কেরাম রাসুল ﷺ এর ওসিলা নিয়ে দু'আ করাকে জায়েয বলেছেন। আল্লাহু আ'লাম।
নামাজ শেষে নিজ প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে, নিজ ভাষায় যেকোনো দু'আ করতে পারবেন। উপরের দু'আটি করা জরুরি নয়।
— আবদুল্লাহ আল মনসুর
#Sirah
❤17
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤7
শুক্রবার এর সুন্নত সমূহ :-
১. গোসল করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৭৭)
২. উত্তম পোশাক পরা। (বায়হাকি : ৫৭৯২)
৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৮)
৪. মেসওয়াক করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮১)
৫. সূরা কাহাফ পড়া। (আবু দাউদ : ৩৪৩)
৬. তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮৭)
৭. দুয়া ও ইস্তিগফার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৮. দরুদ পড়া। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৯. দান সাদকা করা (সহীহ্ বুখারী : ১৪২৩)
১০. মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা। (আবু দাউদ : ৩৪৫)
@PathwayToNoor
১. গোসল করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৭৭)
২. উত্তম পোশাক পরা। (বায়হাকি : ৫৭৯২)
৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৮)
৪. মেসওয়াক করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮১)
৫. সূরা কাহাফ পড়া। (আবু দাউদ : ৩৪৩)
৬. তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮৭)
৭. দুয়া ও ইস্তিগফার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৮. দরুদ পড়া। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৯. দান সাদকা করা (সহীহ্ বুখারী : ১৪২৩)
১০. মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা। (আবু দাউদ : ৩৪৫)
@PathwayToNoor
❤8❤🔥3
বিয়েটা যদি এভাবে হত__!!
এক.
ছোট চাচ্চুর বয়স বাইশ বা তেইশ হবে। আগামিকাল ছোট চাচ্চুর বিয়ে। অথচ আমাদের ঘর দেখে বুঝার কোনো উপায় নেই, এই ঘরের কোনো ছেলের বিয়ে হচ্ছে। আমি যা দ্বীন পালন করি, সব ইলমশায়ার ছোট চাচ্চু থেকে। আত্মীয়স্বজন কেউ আসে নি। এমনকি ফুফু, আপুরাও না। অবশ্য তাদের দাওয়াত দেওয়াও হয় নি। এখন রাত দশটা বাজে। ছোট চাচ্চুর কিছু বন্ধু এসেছে। সবাই ছাদের উপর আছে। আমাকে নাশতা পরিবেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ছোট চাচ্চুর বন্ধুরা নাশিদ গাচ্ছে। কী সুন্দর বোকাম! এগারোটার দিকে তারা চলে গেলো। পরে সবাই ঘুমিয়ে গেলাম। আমার জীবনে এই প্রথম দেখলাম, বিয়ের রাতে আত্মীয়স্বজনদের ঘুমাতে। আমিও তো কখনো বিয়ের রাতে ঘুমাই নি। সারারাত হাই ভলিউমে আইটেম সং বাজতো। ঘুমানোর চিন্তা করাও কঠিন ছিল।
দুই.
মেয়ের বাড়ি থেকে কিছুই দেওয়া হয় নি। কিছু না বলতে, কিছুই না। ছোট চাচ্চু কাপড়ের ব্যবসা করেন। নিজের টাকা দিয়ে যা কিছু সংগ্রহ করা যায়, করেছেন। আমাদের জয়েন ফ্যামেলি। পর্দা করতে অসুবিধে হতে পারে বলে, ছোট চাচ্চু একটা বাসায় থাকবেন। বাড়ি থেকে বিশ টাকা ভাড়া ওখানে যেতে। আমি দুদিন আগে একবার ওখানে গিয়েছিলাম। অল্প কিছু জিনিস সংগ্রহ করেছেন। দুটি সাধারণ রুম, রান্নাঘর আর একটি বাথরুম।
তিন.
আমরা সবাই মিলে এগারো জন যাচ্ছি কনের বাড়িতে। এগারো জনও হয়তো যাওয়া হত না, কনের বাবার জোরাজুরিতে যাওয়া হচ্ছে। মেয়ের বাড়ি দেখে আরও অবাক হলাম। আজ বিয়ে, অথচ কোনো হৈ-হল্লো নেই, কোনো আয়োজন নেই। দুইদিন ধরে আমি শুধু অবাক হয়েই চলছি। মোহর পঞ্চাশ হাজার টাকা। আমি প্রথমে ভাবছি, ভুল শুনেছি। পরে শুনি, পঞ্চাশ হাজারই। নগদ। পঞ্চাশ হাজার শুনে, প্রথমে দুয়েকজন কথা তুললেও ছোট চাচ্চুর কথা শুনে সবাই নীরব হয়ে গেলো। ছোট চাচ্চু এরকম বললেন, "আমি বিয়ে তালাক দেওয়ার জন্য করছি না। আল্লাহ না করুন, যদি কখনো তালাকের প্রয়োজন হয়, তাহলে কি টাকার অভাবে আমি ছেড়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকব। আমি আজীবনের জন্য আপনাদের মেয়ে নিতে এসেছি, ক্রয় করতে না।" আমি খেয়াল করলাম, মেয়ের বাবার চোখে পানি চলে এসেছে। তিনি তো ছেলে যত দিবে, তাতেই সন্তুষ্ট ছিলেন। মসজিদে কবুল পড়ানো হল। পরে খেজুর ছিটিয়ে দেওয়া হল। আমরা সবাই চলে এলাম বাড়িতে। ছোট চাচ্চু আর চাচ্চি আলাদা গাড়ি দিয়ে আসলেন।
চার.
একটা নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে আমাদের গ্রামে। ছোট চাচ্চুর বিয়ের পর গ্রামে অনেক ছেলে এভাবে বিয়ে করছে। একেবারে সাধারণভাবে। আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম, ইসলামে বিয়েটা অনেক সহজ। আমরাই বিয়েকে কঠিন করে ফেলেছি। ফলে "জিনা" বাড়ছে। কারও ক্ষুধা লাগলে তাকে যদি হালাল খাবার দেওয়া না হয়, তাহলে সে হারামের দিকে অগ্রসর হবে—এটাই স্বাভাবিক।
~ সংগৃহীত
পরকালের প্রস্তুতি
@PathwayToNoor
এক.
ছোট চাচ্চুর বয়স বাইশ বা তেইশ হবে। আগামিকাল ছোট চাচ্চুর বিয়ে। অথচ আমাদের ঘর দেখে বুঝার কোনো উপায় নেই, এই ঘরের কোনো ছেলের বিয়ে হচ্ছে। আমি যা দ্বীন পালন করি, সব ইলমশায়ার ছোট চাচ্চু থেকে। আত্মীয়স্বজন কেউ আসে নি। এমনকি ফুফু, আপুরাও না। অবশ্য তাদের দাওয়াত দেওয়াও হয় নি। এখন রাত দশটা বাজে। ছোট চাচ্চুর কিছু বন্ধু এসেছে। সবাই ছাদের উপর আছে। আমাকে নাশতা পরিবেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ছোট চাচ্চুর বন্ধুরা নাশিদ গাচ্ছে। কী সুন্দর বোকাম! এগারোটার দিকে তারা চলে গেলো। পরে সবাই ঘুমিয়ে গেলাম। আমার জীবনে এই প্রথম দেখলাম, বিয়ের রাতে আত্মীয়স্বজনদের ঘুমাতে। আমিও তো কখনো বিয়ের রাতে ঘুমাই নি। সারারাত হাই ভলিউমে আইটেম সং বাজতো। ঘুমানোর চিন্তা করাও কঠিন ছিল।
দুই.
মেয়ের বাড়ি থেকে কিছুই দেওয়া হয় নি। কিছু না বলতে, কিছুই না। ছোট চাচ্চু কাপড়ের ব্যবসা করেন। নিজের টাকা দিয়ে যা কিছু সংগ্রহ করা যায়, করেছেন। আমাদের জয়েন ফ্যামেলি। পর্দা করতে অসুবিধে হতে পারে বলে, ছোট চাচ্চু একটা বাসায় থাকবেন। বাড়ি থেকে বিশ টাকা ভাড়া ওখানে যেতে। আমি দুদিন আগে একবার ওখানে গিয়েছিলাম। অল্প কিছু জিনিস সংগ্রহ করেছেন। দুটি সাধারণ রুম, রান্নাঘর আর একটি বাথরুম।
তিন.
আমরা সবাই মিলে এগারো জন যাচ্ছি কনের বাড়িতে। এগারো জনও হয়তো যাওয়া হত না, কনের বাবার জোরাজুরিতে যাওয়া হচ্ছে। মেয়ের বাড়ি দেখে আরও অবাক হলাম। আজ বিয়ে, অথচ কোনো হৈ-হল্লো নেই, কোনো আয়োজন নেই। দুইদিন ধরে আমি শুধু অবাক হয়েই চলছি। মোহর পঞ্চাশ হাজার টাকা। আমি প্রথমে ভাবছি, ভুল শুনেছি। পরে শুনি, পঞ্চাশ হাজারই। নগদ। পঞ্চাশ হাজার শুনে, প্রথমে দুয়েকজন কথা তুললেও ছোট চাচ্চুর কথা শুনে সবাই নীরব হয়ে গেলো। ছোট চাচ্চু এরকম বললেন, "আমি বিয়ে তালাক দেওয়ার জন্য করছি না। আল্লাহ না করুন, যদি কখনো তালাকের প্রয়োজন হয়, তাহলে কি টাকার অভাবে আমি ছেড়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকব। আমি আজীবনের জন্য আপনাদের মেয়ে নিতে এসেছি, ক্রয় করতে না।" আমি খেয়াল করলাম, মেয়ের বাবার চোখে পানি চলে এসেছে। তিনি তো ছেলে যত দিবে, তাতেই সন্তুষ্ট ছিলেন। মসজিদে কবুল পড়ানো হল। পরে খেজুর ছিটিয়ে দেওয়া হল। আমরা সবাই চলে এলাম বাড়িতে। ছোট চাচ্চু আর চাচ্চি আলাদা গাড়ি দিয়ে আসলেন।
চার.
একটা নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে আমাদের গ্রামে। ছোট চাচ্চুর বিয়ের পর গ্রামে অনেক ছেলে এভাবে বিয়ে করছে। একেবারে সাধারণভাবে। আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম, ইসলামে বিয়েটা অনেক সহজ। আমরাই বিয়েকে কঠিন করে ফেলেছি। ফলে "জিনা" বাড়ছে। কারও ক্ষুধা লাগলে তাকে যদি হালাল খাবার দেওয়া না হয়, তাহলে সে হারামের দিকে অগ্রসর হবে—এটাই স্বাভাবিক।
~ সংগৃহীত
পরকালের প্রস্তুতি
@PathwayToNoor
❤23🔥4🥰1😢1💯1
*💎 একজন নারীর প্রকৃত সৌন্দর্য।*
একজন নারীর প্রকৃত সৌন্দর্য তার চেহারায় নয়, বরং তার হৃদয়, ঈমান, তাকওয়া ও দ্বীনের প্রতি ভালোবাসায়। এই পৃথিবী নারীদের শেখায়— নিজের মূল্য আয়না, ফিল্টার ও বাহ্যিক সৌন্দর্যে মাপতে। কিন্তু সত্যটা অনেক গভীর। তার সৌন্দর্য হলো— আল্লাহকে স্মরণ করলে তার হৃদয়ের কোমলতা, পরীক্ষায় তার ঈমানের দৃঢ়তা, নজরদারি না থাকলেও তার তাকওয়া। সৌন্দর্য ফিকে হয়ে যায়, যৌবন চলে যায়, ট্রেন্ড বদলে যায়। কিন্তু আল্লাহর সাথে যুক্ত হৃদয়— সময় যত যায়, তত উজ্জ্বল হয়। নিজের হৃদয়কে গড়ো। আত্মাকে সুন্দর করো। লজ্জাশীলতা রক্ষা করো। কারণ মানুষের চোখে সৌন্দর্য প্রশংসা আনে, কিন্তু আল্লাহর কাছে সৌন্দর্য—ভালোবাসা আনে। আর সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসার চেয়ে বড় আর কী হতে পারে?
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
একজন নারীর প্রকৃত সৌন্দর্য তার চেহারায় নয়, বরং তার হৃদয়, ঈমান, তাকওয়া ও দ্বীনের প্রতি ভালোবাসায়। এই পৃথিবী নারীদের শেখায়— নিজের মূল্য আয়না, ফিল্টার ও বাহ্যিক সৌন্দর্যে মাপতে। কিন্তু সত্যটা অনেক গভীর। তার সৌন্দর্য হলো— আল্লাহকে স্মরণ করলে তার হৃদয়ের কোমলতা, পরীক্ষায় তার ঈমানের দৃঢ়তা, নজরদারি না থাকলেও তার তাকওয়া। সৌন্দর্য ফিকে হয়ে যায়, যৌবন চলে যায়, ট্রেন্ড বদলে যায়। কিন্তু আল্লাহর সাথে যুক্ত হৃদয়— সময় যত যায়, তত উজ্জ্বল হয়। নিজের হৃদয়কে গড়ো। আত্মাকে সুন্দর করো। লজ্জাশীলতা রক্ষা করো। কারণ মানুষের চোখে সৌন্দর্য প্রশংসা আনে, কিন্তু আল্লাহর কাছে সৌন্দর্য—ভালোবাসা আনে। আর সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসার চেয়ে বড় আর কী হতে পারে?
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
❤22
*পহেলা বৈশাখ: পালন করা যাবে কি?*
একজন সত্যিকারের মুমিনের পরিচয় কী?
সে তার সময়, তার দিন-তারিখ, তার জীবন—
সবকিছু হিসাব করে তার দ্বীনের আলোকে।
আমাদের জন্য বছরের হিসাব কিসে?
ইংরেজি ক্যালেন্ডার না, বাংলা ক্যালেন্ডার না—
বরং আরবি হিজরি মাস, যেটা ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত।
তাহলে প্রশ্ন আসে—
পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে যে উৎসব,
সেটা কি আমাদের দ্বীনের অংশ?
বাস্তবতা হলো—
আজকের সমাজে এই দিনটি ঘিরে
পান্তা-ইলিশ, গান-বাজনা, বেপর্দা,
অপ্রয়োজনীয় আনন্দ আর দুনিয়ামুখী ব্যস্ততা—
এসবই বেশি চোখে পড়ে।
একজন মুমিন কি এমন কোনো কাজে নিজেকে জড়াতে পারে,
যেখানে আল্লাহর স্মরণ নেই,
বরং গুনাহর পরিবেশ তৈরি হয়?
একজন মুমিনের জন্য প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ,
কিন্তু সে দিনকে বিশেষ বানায় ইবাদতের মাধ্যমে,
না যে সমাজ যা করছে, সেটার অনুসরণ করে।
আমরা ভুলে যাই—
এই দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী,
কিন্তু প্রতিটি কাজের হিসাব দিতে হবে আখিরাতে।
তাই আমাদের উচিত—
অন্ধভাবে কোনো সংস্কৃতিকে অনুসরণ না করে,
দেখা—এটা কি আমার দ্বীনের সাথে যায়?
যদি না যায়—
তাহলে সেটা ছেড়ে দেওয়াই একজন মুমিনের সৌন্দর্য।
হে আল্লাহ, আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন,
সত্যকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করার তাওফিক দিন,
এবং বাতিল থেকে দূরে থাকার শক্তি দিন।
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
@PathwayToNoor
একজন সত্যিকারের মুমিনের পরিচয় কী?
সে তার সময়, তার দিন-তারিখ, তার জীবন—
সবকিছু হিসাব করে তার দ্বীনের আলোকে।
আমাদের জন্য বছরের হিসাব কিসে?
ইংরেজি ক্যালেন্ডার না, বাংলা ক্যালেন্ডার না—
বরং আরবি হিজরি মাস, যেটা ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত।
তাহলে প্রশ্ন আসে—
পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে যে উৎসব,
সেটা কি আমাদের দ্বীনের অংশ?
বাস্তবতা হলো—
আজকের সমাজে এই দিনটি ঘিরে
পান্তা-ইলিশ, গান-বাজনা, বেপর্দা,
অপ্রয়োজনীয় আনন্দ আর দুনিয়ামুখী ব্যস্ততা—
এসবই বেশি চোখে পড়ে।
একজন মুমিন কি এমন কোনো কাজে নিজেকে জড়াতে পারে,
যেখানে আল্লাহর স্মরণ নেই,
বরং গুনাহর পরিবেশ তৈরি হয়?
একজন মুমিনের জন্য প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ,
কিন্তু সে দিনকে বিশেষ বানায় ইবাদতের মাধ্যমে,
না যে সমাজ যা করছে, সেটার অনুসরণ করে।
আমরা ভুলে যাই—
এই দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী,
কিন্তু প্রতিটি কাজের হিসাব দিতে হবে আখিরাতে।
তাই আমাদের উচিত—
অন্ধভাবে কোনো সংস্কৃতিকে অনুসরণ না করে,
দেখা—এটা কি আমার দ্বীনের সাথে যায়?
যদি না যায়—
তাহলে সেটা ছেড়ে দেওয়াই একজন মুমিনের সৌন্দর্য।
হে আল্লাহ, আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন,
সত্যকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করার তাওফিক দিন,
এবং বাতিল থেকে দূরে থাকার শক্তি দিন।
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
কঠিন জামানায়@PathwayToNoor
❤21
পহেলা বৈশাখ : ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি
১। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রযিয়াল্লাহু আনহুমা বলেছেন,
‘যে ব্যক্তি (অগ্নিপূজক) পারসিকদের দেশে গমন করে, অতঃপর তাদের নওরোজ (নববর্ষ) ও মেহেরজান (উৎসবের দিবস) পালন করে, আর তাদের সাদৃশ্য অবলম্বন করে এবং এ অবস্থাতেই মারা যায়, তাহলে ক্বিয়ামতের দিন তার হাশর তাদের সাথেই হবে’।[১]
২। আনাস রযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় পৌঁছে দেখতে পান যে, সেখানকার অধিবাসীরা দুইটি দিন (নওরোজ ও মেহেরজান) খেলাধুলা ও আনন্দ-উৎসব করে থাকে। তিনি জিজ্ঞেস করেন, এই দুটি দিন কীসের? তারা বলে, জাহেলী যুগে আমরা এই দুই দিন খেলাধুলা ও উৎসব করতাম। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে এই দুই দিনের পরিবর্তে অন্য দুটি উত্তম দিন দান করেছেন। আর তা হলো, ঈদুল আযহা (কুরবানীর ঈদ) এবং ঈদুল ফিত্বর (রামাযানের ঈদ)’।[২]
আল্লাহ তাআলা মুসলিমদেরকে দুটি দিবস নির্ধারণ করে দিয়েছেন, যে দুটি দিবসে তারা উৎসব পালন করবে। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো বলতে পারতেন যে, তোমাদের দুই দিন থাক। সাথে এই দুই দিনকে গ্রহণ করো। কিন্তু তিনি তা বলেননি। কারণ ইসলাম এসেছে জাহেলিয়াতকে অপসৃত করতে। ইসলাম চায় জাহেলিয়াতের অপনোদন। ইসলাম আর জাহেলিয়াত কখনো এক হতে পারে না। এই হাদীছ থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়ে গেল যে, মুসলিমদের জীবনে এই দুটি দিবস ছাড়া অন্য কোনো দিবস থাকতে পারে না। সুতরাং নববর্ষ পালন করা ইসলামী শরীআতের দৃষ্টিতে অবৈধ।[৩]
৩। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু ছালেহ আল-উছায়মীন রহিমাহুল্লাহ বলেছেন,
‘হিজরী নববর্ষের আগমন উপলক্ষ্যে উৎসব করা কিংবা নববর্ষের দিবস উপলক্ষ্যে পরস্পরকে সম্ভাষণ জানানোর রীতি চালু করা সুন্নাহবহির্ভূত কর্ম’।[৪]
৪। সঊদী আরবের ইলমী গবেষণা ও ফতওয়া প্রদানের স্থায়ী কমিটি (সঊদী ফতওয়া বোর্ড) প্রদত্ত ফতওয়ায় বলা হয়েছে,
‘হিজরী নববর্ষ উপলক্ষ্যে মুবারকবাদ জানানো জায়েয নয়। কেননা নববর্ষকে অভ্যর্থনা জানানো শরীআতসম্মত নয়’।[৫]
━━━━━━━━━━━━━━
[১] বায়হাক্বী, ৯/২৩৪, গৃহীত : ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম রহিমাহুল্লাহ, আহকামু আহলিয যিম্মাহ, পৃ. ১২৪৮; ইমাম ইবনু তায়মিয়্যা ও ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম রহিমাহুমাল্লাহ হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন।
[২] আবূ দাঊদ, হা/১১৩৪, সনদ ছহীহ।
[৩] ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু আলী ইবনু আদম আল-আসয়ূবী, শারহু সুনানিন নাসাঈ (যাখীরাতুল উক্ববা ফী শারহিল মুজতাবা), [দারু আলি বারূম, ১ম প্রকাশ, মক্কা কর্তৃক প্রকাশিত : ১৪২৩ হি./২০০৩ খ্রি.], ১৭/১৫৩-১৫৪।
[৪] আয-যিয়াউল লামি, পৃ. ৭০২, গৃহীত : sahab. net.
[৫] ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা, ফতওয়া নং ২০৭৯৫, গৃহীত : sahab. net.
❤7❤🔥5
উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
জাহান্নামীদের মধ্যে দু’টি এমন দল হবে যাদেরকে আমি দেখতে পাব না, কিন্তু তাদের একদল লোকের হাতে গরুর লেজের ন্যায় চাবুক থাকবে। যা দিয়ে তারা লোকেদেরকে অনৈতিকভাবে মারধর করবে। আর দ্বিতীয় দলটি হবে ঐ সমস্ত মহিলারা, যারা কাপড় পরবে অথচ উলঙ্গের ন্যায় দেখা যাবে এবং তারা সদিচ্ছায় পুরুষদের দিকে আকৃষ্ট হবে। তাদের মাথার চুলের খোঁপা বুখতী উটের হেলে পড়া কুঁজের ন্যায় হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। যদিও তার সুঘ্রাণ দূর-দূরান্ত হতে পাওয়া যাবে। (মুসলিম)[1]
টীকা/নোটঃ [1] সহীহ : মুসলিম ২১২৮, সহীহাহ্ ১৩২৬, সহীহ আল জামি‘ ৩৭৯৯, সহীহ আত্ তারগীব ২০৪৪।
ব্যাখ্যাঃ
ব্যাখ্যা: الكَاسِيَاتٌ ‘‘পরিধানকারিণী’’। এর কয়েকটি অর্থ রয়েছে। যথা-
(১) আল্লাহর নি‘আমাতকে ভোগকারী ও আল্লাহর নি‘আমাতের শুকরিয়া আদায় থেকে মুক্ত।
(২) বস্ত্র পরিধানকারিণী কিন্তু আনুগত্যের প্রতি যত্নবান, আখিরাতকে অগ্রাধিকার দান এবং সৎ ‘আমলশূন্য।
(৩) তার সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য শরীরের কিছু অংশ খোলা রাখা। একেই বলে বস্ত্রাবৃত ও বস্ত্রহীন।
(৪) পাতলা কাপড় পরিধান করে যাতে কাপড়ের নীচের শরীরের অংশ প্রকাশ পায়।
(مُمِيْلَاتٌ مَائِلَاتٌ) এর অর্থ হলো- আল্লাহর আনুগত্য এবং গুপ্তাঙ্গ ও প্রবৃত্তিকে হিফাযাত করা থেকে বিচ্যুত। আর مميلات-এর অর্থ হলো তারা অন্যদেরকে তাদের কর্মকা- শিক্ষা দেয়।
কেউ বলেন, এর অর্থ হলো গর্বভরে হেলেদুলে চলে এমন ব্যক্তি। مائلات এর অর্থ ঘাড় ঝুকানো মহিলা। কেউ কেউ বলেন- এর অর্থ পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট এবং তাদের প্রকাশিত সৌন্দর্য দ্বারা আকর্ষণকারিণী।
كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ-এর অর্থ তাদের মাথা পেচানো ওড়না ও পাগড়ী প্রভৃতি দ্বারা উন্নত। যেটাকে উন্নত ঘাড় বিশিষ্ট উটের ন্যায় পরিদৃষ্ট হয়।
মারুযী বলেনঃ এর অর্থ, তারা পুরুষদেরকে কামনা করে তাদের থেকে অবনমিত হয় না এবং মাথা নোয়াই না।
(لَا يَدْخُلْنَ الْجَنَّةَ) এর মর্মার্থ হচ্ছে, (১) যে হারামকে জেনে বুঝে হালাল মনে করে সে কাফির এবং জাহান্নামে স্থায়ীভাবে অবস্থান করবে। তারা কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
(২) তারা প্রথম থেকেই জান্নাতে প্রবেশ করবে না যেমন সফলকাম ব্যক্তিরা প্রথম থেকেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। (শারহে মুসলিম ১৭ খন্ড, হাঃ ২১২৮)
@PathwayToNoor
😢4❤2
*তাহাজ্জুদ এমন একটা ইবাদত, যেখানে আপনি নিজের মতো করে আল্লাহর সাথে কথা বলতে পারেন। নিখুঁত ভাষা দরকার নেই, দরকার শুধু একটা সত্যিকারের হৃদয়।*
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
#collected
@PathwayToNoor
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
কঠিন জামানায়#collected
@PathwayToNoor
😢14❤6💯4🥰1