Pathway To Noor
3.39K subscribers
288 photos
54 videos
1 file
165 links
আস-সালামু 'আলাইকুম
ইসলাম প্রচার ও ইসলাম সম্বন্ধে সবাইকে অবগত করার জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ❤️

FB Page- https://www.facebook.com/PathwayToNoor

WP:
https://whatsapp.com/channel/0029VbBD7VA1SWssAQh17W2n
Download Telegram
যিনা মানে শুধু ফিজিক্যাল রিলেশন নয়। যিনা মানে রাতের বেলা জেগে কথা বলাও। অনলাইনে চ্যাটিং করাও। আপনার বিপরীত লিঙ্গ বন্ধু/বান্ধবীর সঙ্গে কপি খাওয়াও। এ সবকিছুই যিন|র অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ বলেছেন–“তোমরা যিন|র ধারে কাছেও যেও না।” আর আমরা যিন|র আষ্টে-পৃষ্টে জড়িয়ে আছি।

বিয়ে ছাড়া ছেলে-মেয়ের সকল সম্পর্ক হারাম। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন– “যেনা
|কার ও যেনাকারীনি,এরা কেয়ামত পর্যন্ত উলঙ্গ অবস্থায় জ্বলতে থাকবে।
[বুখারী - ১৩৮৬]

নাউজুবিল্লাহ।

আল্লাহ সবাইকে ক্ষমা করুক এবং এসব হারাম/যিনা থেকে দূরে থাকার তৌফিক দান করুক! (আমিন)

collected
@PathwayToNoor
41😢2🥰1
🚫 এপ্রিল ফুল নয় 🚫

ইসলাম আমাদের সত্যবাদিতা ও আমানতদারির শিক্ষা দেয়। মজা হোক বা গুরুত্ব সহকারে—মিথ্যা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয়। আসুন আমরা অঙ্গীকার করি
🤍 সত্য বলব
🤍 কাউকে প্রতারণা করব না
🤍 অন্যের হৃদয় ভাঙা থেকে বিরত থাকব

সত্যই হলো প্রকৃত সৌন্দর্য


#NoAprilFool #TruthOnly
©
@PathwayToNoor
26❤‍🔥4
20
শুক্রবার এর সুন্নত সমূহ :-

১. গোসল করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৭৭)
২. উত্তম পোশাক পরা। (বায়হাকি : ৫৭৯২)
৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৮)
৪. মেসওয়াক করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮১)
৫. সূরা কাহাফ পড়া। (আবু দাউদ : ৩৪৩)
৬. তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮৭)
৭. দুয়া ও ইস্তিগফার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৮. দরুদ পড়া। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৯. দান সাদকা করা (সহীহ্ বুখারী : ১৪২৩)
১০. মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা। (আবু দাউদ : ৩৪৫)

@PathwayToNoor
11❤‍🔥2
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
8
গ্রন্থঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন
অধ্যায়ঃ ৪/ পোষাক-পরিচছদ (كتــــاب اللباس)
হাদিস নম্বরঃ ৮১১
بَابُ تَحْرِيْمِ لِبَاسِ الْحَرِيْرِ عَلَى الرِّجَالِ وَتَحْرِيْمِ جُلُوْسِهِمْ عَلَيْهِ وَاسْتِنَادِهِمْ إِلَيْهِ وَجَوَازِ لُبْسِهِ لِلنِّسَاءِ وَعَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه، قَالَ: رَأَيتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أخَذَ حَرِيراً، فَجَعَلَهُ فِي يَمِينهِ، وَذَهَبَاً فَجَعَلَهُ فِي شِمَالِهِ، ثُمَّ قَالَ: إنَّ هَذَيْنِ حَرَامٌ عَلَى ذُكُورِ أُمَّتِي . رواه أَبُو داود بإسنادٍ صحيحٍ

১২২: রেশমের কাপড় পরা, তার উপরে বসা বা হেলান দেওয়া পুরুষদের জন্য অবৈধ, মহিলাদের জন্য বৈধ

৪/৮১১। আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি ডান হাতে রেশম ধরলেন এবং বাম হাতে সোনা, অতঃপর বললেন, ‘‘আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য এ দু’টি বস্তু হারাম।’’ (আবূ দাঊদ, সহীহ সনদে) [1]

811.  'Ali (May Allah be pleased with him) reported: I saw Messenger of Allah (ﷺ) holding a piece of gold in his left hand and a silk (cloth) in his right hand. Then he said, "These two are forbidden for the males of my Ummah." [Abu Dawud].

[1] আবূ দাউদ ৪০৫৭, নাসায়ী ৫১৪৪, ইবনু মাজাহ ৩৫৯৫

collected
@PathwayToNoor
8❤‍🔥5
16
নিজেকে মনে করিয়ে দিন --

১) আজ যে বিষয়টা আমাকে খুব কষ্ট দিচ্ছে, আল্লাহ চাইলে একদিন সেই বিষয়টাই আমার ঈমান, সবর আর শক্তির সবচেয়ে সুন্দর গল্প হবে, ইনশাআল্লাহ।

২) আমি হয়তো এখন পুরো পিকচারটা দেখতে পাচ্ছি না, কিন্তু আমার রব ঠিকই জানেন কোন ঘটনাপ্রবাহগুলো আমাকে শান্তি ও কল্যাণের দিকে নিয়ে যাবে।

৩) আমার অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে মনে হলেও, আল্লাহর কাছে কিছুই দেরি নয়; তিনি সঠিক সময়েই সবকিছু সুন্দরভাবে খুলে দেন।

৪) আমি ভেঙে পড়তে পারি, কিন্তু আমার ভয় নেই। কারণ আমাকে আবার তুলে দাঁড় করানোর জন্য আমার রব, আল্লাহই যথেষ্ট।

৫) মানুষের তৈরি দরজাগুলো বন্ধ হয়ে গেলেও আমি নিরাশ নই, কারণ আসমানের দরজা এখনো আমার জন্য খোলা আছে।

৬) আমি যা হারিয়েছি, তার জন্য কষ্ট পাই ঠিকই; কিন্তু আমি জানি, আল্লাহ চাইলে এই হারানোর ভেতরেও আরো উত্তম কিছু পাওয়ার পাওয়ার রহস্য লুকিয়ে রাখেন।

৭) আমার দুআগুলো কোনটাই হারিয়ে যায়নি; সেগুলো আরশের নিচে পৌঁছেছে, আর আমার রব সেগুলোর উত্তম জবাব ঠিকই নির্ধারণ করে রেখেছেন। আমি এগুলোর প্রকাশ দেখবো, যখন এটা দেখা আমার জন্য উত্তম, ইনশাআল্লাহ।

৮) আজ আমি হয়তো অনেক ক্লান্ত। আমার আল্লাহ ঠিকই আমার অব্যক্ত কষ্ট, অদেখা যুদ্ধ আর নীরব ধৈর্য— এগুলো কোনটাই তাঁর দৃষ্টির অগোচরে নয়।

৯) আমি হয়তো মানুষকে আমার ব্যথার গভীরতা বোঝাতে পারি না, কিন্তু এই গভীরে না পৌঁছালে হয়তো আজকে এতটা স্ট্রং হতে পারতাম না।

১০) আমার জীবনে যা কিছু আটকে আছে বলে মনে হচ্ছে, হয়তো তার ভেতরেই আল্লাহ আমাকে গুনাহ থেকে, ভুল সিদ্ধান্ত থেকে, কিংবা বড় ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে রাখছেন।

১১) আমি এখনো ভালো কিছুর অপেক্ষায় আছি, কারণ আমি এমন একজন রবের ওপর ভরসা করি, যিনি বান্দার আশা কখনোই বৃথা যেতে দেন না।

—শারিন সফি আদ্রিতা

collected
@PathwayToNoor
18
আজকাল তৌবা, দোয়া এবং বিনয় একেবারে বিদায় হয়ে গেছে। দুনিয়াদারদের কথা কী বলবো, দীনদারদের মধ্যেও এই জিনিষ পাওয়া যায় না। কেমন যেন উদাসীনতা আর রুক্ষতা চেপে বসেছে। এই কারণেই কোন কাজে বরকত এবং মজা পাওয়া যায় না।

অথচ তৌবা এবং দোয়া এই দুইটি জিনিষ বিপদ এবং মুছিবতের মুকাবিলায় ঢাল এবং অস্ত্রের কাজ দেয়। বিপদে পড়লে তখন এসব মানুষের হুশ হয়। যেমন একটি লোক হাটে যাচ্ছিল গরু কিনতে।

রাস্তায় এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলো, "কোথায় যাচ্ছো?"

বললো:

গরু কিনতে।

লোকটি বললো: ভাল কাজে 'ইনশা আল্লাহ্' বলতে হয়।

সে বললো: এতে আবার ইনশা আল্লাহ্ বলার কী আছে? আমার পকেটে টাকা আছে, হাটে আছে গরু। যাবো আর কিনবো। এতে আবার ইন্‌শা আল্লাহ্ বলতে হবে কেন?

বেচারা লোকটি চুপ হয়ে গেল।

অতঃপর হাটে গিয়ে সে একটি গরু পছন্দ করলো। দাম-দর ঠিক করে টাকার জন্যে পকেটে হাত দিল। পকেটে হাত নীচের দিক দিয়ে বাহির হয়ে পড়লো। টাকা নাই। পকেট কেটে নিয়ে গেছে। হায়রে ইনশা আল্লাহ! একি হলো? পকেটে হাত ঝুলাতে ঝুলাতে লোকটি ফিরে যাচ্ছিল। রাস্তায় সেই লোকটির সাথে আবার দেখা। জিজ্ঞাসা করলো: কি ভাই, গরু কেনা হয়েছে?

বললো: কী আর বলবো, ইনশা আল্লাহ্!

: কেন? কি হয়েছে?

: হাটে গেলাম ইনশাআল্লাহ্।

: তারপর?

: গরু পছন্দ করলাম ইনশাআল্লাহ। দাম-দর ঠিক হলো ইনশাআল্লাহ্! টাকার জন্যে পকেটে হাত দিয়েছি ইনশাআল্লাহ্! কিন্তু পকেটমার কেটে নিয়েছে ইনশাআল্লাহ্! গরু কেনা হয়নি ইন্‌শাআল্লাহ্! বাড়ী ফিরে যাচ্ছি ইন্‌শাআল্লাহ্!

এইভাবে হাত দুলাতে দুলাতে এবং ইনশাআল্লাহ বলতে বলতে লোকটি বাড়ি ফিরে গেলো।কিন্তু এখন আর ইনশাআল্লাহ বলে কি হবে?আগেই বলা উচিৎ ছিল।

বই:মুসলমানের হাসি
পরকালের প্রস্তুতি
collected
@PathwayToNoor
16
❤‍🔥14
তুমি যত সতর্কতার সাথে তোমার মন্দ কাজ গুলো গোপন রাখার চেষ্টা করো, তার চেয়ে অধিক সচেতনতার সাথে তোমার নেক আমলগুলোকে গোপন রাখো।

-হিলয়াতুল আওলিয়া: ৩/২৪০©
@PathwayToNoor
29
প্রোফাইলে (নারীর) পর্দা, বেপর্দা ছবি কিংবা কার্টুন এর ছবি দিচ্ছেন।যতজন এই গুলো দেখবে আর গুনাহ অর্জন করবে। আপনিও ঠিক ততোটাই গোনাহগার ভাগিদ্বার হবেন আপনি।

একটু খানি প্রশংসার আশায় প্রোফাইল কভার অথবা ফেসবুকে আপলোড করা আজকের সুন্দর সুন্দর চোখ ধাঁধানো ছবি গুলো গুনাহের জারিয়া হিসেবে চলমান থাকবে।

এমনও হতে পারে কে*য়ামতের দিন কঠিন ময়দানে কারো কারো জা*হান্নামের যাওয়ার কারণ হবে শুধুমাত্র সেই ছবি গুলোর জন্য। আহ্ মুমিনা নারী কতই না বোকা তুমি।

লেখা : সংগৃহীত
@PathwayToNoor
💯10😢4
আমার হজ্ব সফরের সময়ের কথা। হজ্বে যাওয়ার আগে মেয়ের মা বেশ লম্বা একটা দুয়ার লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘দুয়া কবুলের জায়গা আর সময়গুলোতে এই লিস্ট ধরে ধরে দুয়া করতে হবে কিন্তু...।’

সেই দুয়াগুলোতে চোখ বুলাতে গিয়ে, একটা দুয়ার মাঝে আমার চোখ আটকে গেল। সেখানে লেখা—‘আমাদের যদি একটা পুত্র সন্তান হয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তাকে কা’বার ইমাম হওয়ার তাউফিক দেন।’

খুবই সুন্দর আর মন ভালো করে দেওয়ার মতোন দুয়া নিঃসন্দেহে। কিন্তু, সৌদি আরবের নিয়মকানুন তো জানি—কা’বার ইমাম হতে হলে সৌদি আরবের নাগরিক হওয়া বাধ্যতামূলক। মেয়ের মা হয়তো সেটা জানেন না।

আমি বললাম, ‘দুয়াটা তো বেশ সুন্দর! কিন্তু কথা হলো, হারামাইনের ইমাম হতে হলে সৌদির নাগরিক হতে হবে৷ এটা ওখানকার সরকারি আইন।’

তিনি বললেন, ‘তা আমিও জানি। এসব আইন করা হয়, আবার বাদও দেওয়া হয়। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পারেন না—এমনকিছু আবার আছে নাকি? তিনি ‘হও’ বললেই তো সবকিছু হয়ে যায়। আপনাকে দুয়া করতে বলেছি দুয়া করবেন।’

ব্যাপারটা আমার হৃদয়েও দাগ কেটে গেল৷ সত্যিই তো—আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পারেন না এমনকিছু তো অবশ্যই নাই। তিনি যদি চান যে, বাংলাদেশি কোনো অধমের সন্তানকে কা’বার ইমাম বানাবেন, তিনি তো মুহূর্তেই সৌদির আইনকানুনে রদবদল ঘটিয়ে ফেলতে পারেন। অথবা এমন উপলক্ষ তৈরি করতে পারেন যে—বিশেষ আইনবলে হলেও বাংলাদেশি এক গুনাহগারের সন্তানকে কা’বার মিম্বারে দাঁড় করিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি!

স্ত্রীর বিশ্বাসের দ্যোতনা আমাকেও স্পর্শ করে গিয়েছিল এবং হজ্বের সফরে যতোগুলো দুয়া কবুলের সময় আর জায়গা ছিল—তাওয়াফ, মিনার তাঁবু, আরাফাহর ময়দান, মুযদালিফা, জামারাহ—প্রত্যেকটা জায়গাতে আল্লাহর কাছে আমি ফরিয়াদটা করেছি। নিশ্চয় আমার রব দুয়া শ্রবণকারী 💚

হজ্বের সফর শেষ করে আসার ঠিক পরের ঘটনা৷ বাইতুল্লাহর নতুন ইমাম নিযুক্ত হলেন কয়েকজন৷ তাদের মধ্যে একজনের নাম ছিল—ড. আল ওয়ালিদ আশ-শামসান।

বাইতুল্লাহর ইমাম হিশেবে উনার নিযুক্তির পরে, ২০১৩ সালে করা উনার পিতা খালিদ আশ-শামসানের একটা টুইট বেশ ভাইরাল হয়ে পড়ে। উনার সন্তানের কা’বার ইমাম হিশেবে নিযুক্তির প্রায় এক যুগ আগে উনি লিখেছেন—

‘আল ওয়ালিদ আমাদের বড় সন্তান। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে প্রার্থনা করি, যেন শীঘ্রই তাঁকে মাসজিদ আন নববির ইমাম ও খতিব হিশেবে দেখতে পাই। আল্লাহ তাকে সফল করুন।’

এই টুইট প্রকাশের কিছুকাল পরেই তিনি দুনিয়ার পাঠ চুকিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে চলে যান। তবে, তার সেই বড় সন্তান, আল ওয়ালিদ আশ শামসান, যাকে তিনি দেখতে চেয়েছিলেন মাসজিদ আন নববির ইমাম ও খতিব হিশেবে, এগারো বছর পরে এসে তাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বাইতুল্লাহর ইমাম বানিয়ে নেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি! দোয়া কবুলের কী অসাধারণ নজির!!

খালিদ আশ শামসান রাহিমাহুল্লাহ সন্তানকে মাসজিদ আন নববির মিম্বরে দেখার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আল্লাহর কাছে দুয়াও করেছেন৷ সঠিক তারবিয়াহর মাধ্যমে সন্তানকে গড়ে তুলেছেন সেই স্বপ্নের উপযোগি করেও। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তার উপর রহম করুন।

খালিদ আশ শামসান শুয়ে আছেন কবরে। তার সন্তান ইমামতি করছেন বাইতুল্লাহর মিম্বরে দাঁড়িয়ে। লাখো কোটি মুসলমান তার পেছনে এখন সালাত আদায় করে। তার সন্তান ঠিক সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ইমামতি করছেন যেখানে দাঁড়িয়েছেন আল্লাহর অনেক অনেক নবি আর রাসুল। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি!

আমি ভাবছি—এই দৃশ্যটা দেখে যেতে পারলে কী অপার্থিব পুলক লাভ করত পিতার অন্তর! আমার ভারি ঈর্ষা হলো খালিদ আশ শামসানের প্রতি। আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন।

আল্লাহর কাছে চাওয়ার বেলায় কোনো সীমানা রাখবেন না৷ মনে রাখবেন—আপনি এমন একজনের দরবারে হাত তুলছেন যার ক্ষমতা অসীম। বিশ্বজাহানের কোথাও কিছু ঘটাতে হলে, কোনো রদবদল দরকার হলে তিনি কেবল বলেন—হও, আর তা হয়ে যায় 💛

— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
16🥰1
- সদাকা বিপদ দূর করে।
- তওবা ইস্তিগফার আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে রক্ষা করে।
- দরুদের আমল পেরেশানি দূর করে।
- দুয়া আসন্ন বিপদ থেকে হিফাজত করে।

চলমান বিপদসংকুল মুহূর্তে আর আসন্ন মুসিবত থেকে রক্ষা পেতে ফরজ ওয়াজিব আমলের পাশাপাশি উপরের আমলগুলো নিয়মিত করার চেষ্টা করি।

—ইশতিয়াক আহমেদ তুষার হাফি.
collected
@PathwayToNoor
11❤‍🔥1
ইসলামে একটি সুন্দর ধারণা আছে—চেষ্টা করো, আর বাকি সব আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও।

এটা কুরআনে এসেছে:
وأن ليس للإنسان إلا ما سعى وأن سعيه سوف يرى
অর্থ: মানুষ কেবল তার চেষ্টারই অধিকারী, এবং তার সেই প্রচেষ্টার ফল সে অবশ্যই দেখতে পাবে।

তুমি এখন যেখানে আছো, সামনে কোথায় যাবে, তোমার জীবনে কী আসবে—এসব আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও। বাধা-বিপত্তিও তাঁর উপর ছেড়ে দাও। তুমি শুধু চেষ্টা করো, নিজের সর্বোচ্চটা দাও, এবং আল্লাহর উপর আশা রাখো।

ভুল হলে তাওবা করো, আবার চেষ্টা করো, বারবার চেষ্টা করো।

যদি কখনও নিজেকে আটকে মনে হয়—তাহলে সঠিক কাজটি করার চেষ্টা করো, আর আল্লাহকে বলো: “এখন বাকি সব আপনার উপর।” এই বিশ্বাস রাখো যে আল্লাহ তোমার ব্যাপারগুলো ঠিক করে দেবেন।

রাসূল (সা.) বলেছেন:
من كانت الآخرة نيته جمع الله له أمره وجعل غناه في قلبه
অর্থ: যার উদ্দেশ্য আখিরাত, আল্লাহ তার কাজগুলো সহজ করে দেন এবং তার অন্তরকে সম্পদশালী করে দেন।

আরেকটি হাদিসে আল্লাহ বলেন:
أنا عند ظن عبدي بي
অর্থ: “আমার বান্দা আমার সম্পর্কে যেমন ধারণা করে, আমি তার সাথে তেমনই আচরণ করি।”

তাই আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখো, তাঁর উপর ভরসা রাখো, এবং তাঁর অবাধ্যতাকে ভয় করো। চেষ্টা চালিয়ে যাও—ইনশাআল্লাহ তুমি ভালো থাকবে।
তুমি শুধু দাঁড় টেনে যাও, আল্লাহ তোমাকে ভাসিয়ে রাখবেন।

— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
12❤‍🔥2
ইস্তিগফারের বহু উপকারিতা রয়েছেঃ
1. এটি ক্ষমা প্রার্থনাকারীর জন্য প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করে এবং তাকে বাগান ও প্রবাহিত নদী দান করে।
2. এটি সম্পদ ও সন্তানের মধ্যে বরকতের কারণ হয়।
3. এটি ইবাদত সহজ করে, দোয়া বৃদ্ধি করে এবং রিজিক সহজ করে দেয়।
4. এটি বান্দা ও আল্লাহর মাঝে দূরত্ব দূর করে।
5. ইস্তিগফারকারী দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্ত হতে থাকে।
6. মানুষ ও জিনের শয়তান তার থেকে দূরে থাকে।
7. সে ঈমান ও ইবাদতের মিষ্টতা অনুভব করে।
8. সে আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন করে।
9. তার জ্ঞান ও ঈমান বৃদ্ধি পায়।
10. তার রিজিক সহজ হয় এবং দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও দুঃখ দূর হয়।
11. আল্লাহ তার দিকে ফিরে আসেন এবং তার তওবায় সন্তুষ্ট হন।
12. মৃত্যুর সময় ফেরেশতারা তাকে তার রবের পক্ষ থেকে সুসংবাদ দেয়।
13. কিয়ামতের দিন, যখন মানুষ গরম ও ঘামে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী আরশের ছায়ায় থাকবে।
14. হিসাবের ময়দান থেকে ফেরার সময়, সে ডান দিকের নেককারদের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং আল্লাহর নিকটবর্তী বান্দাদের সাথে থাকবে।
15. এটি ব্যক্তি ও সমাজকে খারাপ কাজ থেকে পবিত্র করে।
16. আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে।

© collected
@PathwayToNoor
13❤‍🔥2
10
সলাতুল হাজাত এর নগদ ফলাফল।

একজন অন্ধ লোক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার জন্য রাসুল ﷺ এর নিকট এসে দুয়া চাইলো। রাসুল ﷺ তাঁকে ধৈর্যের পরামর্শ দিলেন।

কিন্তু লোকটি বললো, "এটি আমার জন্য বিরাট কষ্টের"। রাসুল ﷺ তাঁকে বললেন, "তাহলে ওজু করে দুই রাকাত নামাজ পড়ো। অতঃপর বলো:

اللَّهمَّ إنِّي أسألُكَ وأتوجَّهُ إليكَ بنبيِّكَ محمدٍ نبيِّ الرحمةِ
হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি ও মনোনিবেশ করছি, রহমতের নবী, আপনার নবি মুহাম্মাদ এর মাধ্যমে।

يا محمدُ إنِّي أتوجَّهُ بكَ إلى ربِّي في حاجَتي هذه فتَقضى , وتُشفعُني فيه وتشفعُهُ فيَّ
হে মুহাম্মাদ! আমি আপনার মাধ্যমে আমার রবের কাছে আমার প্রয়োজন পেশ করছি।
হে আল্লাহ আমার ব্যাপারে তাঁর সুপারিশ কবুল করুন ও প্রয়োজন পূরণ করুন।

এই দোয়া কয়েকবার করার পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ওই লোকটির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেন।

(সহিহ ইবনু খুযাইমা: ২/২২৫, আত তারগীব: ১০১৮, তাহকীকে আলবানি রহ: সহিহ)

যেকোনো প্রয়োজন পূরণ করার জন্য এই নিয়তে দুই রাকাত নামাজ পড়ার নাম সলাতুল হাজাত।
এই নামাজ যে কোনো সূরা দিয়ে পড়া যায়।
নামাজ শেষে নিজ প্রয়োজনের কথা আল্লাহর কাছে বললে তিনি তা প্রদান করেন।

এই হাদিস থেকে অনেক উলামায়ে কেরাম রাসুল ﷺ এর ওসিলা নিয়ে দু'আ করাকে জায়েয বলেছেন। আল্লাহু আ'লাম।

নামাজ শেষে নিজ প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে, নিজ ভাষায় যেকোনো দু'আ করতে পারবেন। উপরের দু'আটি করা জরুরি নয়।

— আবদুল্লাহ আল মনসুর

#Sirah
17
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ


সূরা আল-কাহফ পাঠ করা
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
🤍

অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]

বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]

আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা

অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।

আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।


সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন

🌝 @PathwayToNoor
‌‌
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
7
শুক্রবার এর সুন্নত সমূহ :-

১. গোসল করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৭৭)
২. উত্তম পোশাক পরা। (বায়হাকি : ৫৭৯২)
৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৮)
৪. মেসওয়াক করা। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮১)
৫. সূরা কাহাফ পড়া। (আবু দাউদ : ৩৪৩)
৬. তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া। (সহীহ্ বুখারী : ৮৮৭)
৭. দুয়া ও ইস্তিগফার করা। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৮. দরুদ পড়া। (আবু দাউদ : ১০৪৭)
৯. দান সাদকা করা (সহীহ্ বুখারী : ১৪২৩)
১০. মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা। (আবু দাউদ : ৩৪৫)

@PathwayToNoor
8❤‍🔥3
বিয়ে নিয়ে যতটা ফ্যান্টাসিতে আছি, মৃত্যু নিয়ে কি ঠিক ততটা চিন্তিত?

collected
@PathwayToNoor
22