আমার তো মনে হয় প্রত্যেকেই আমরা জীবনে এমন কোনো না কোনো ভুল করেছি যা যদি কখনো প্রকাশ পেয়ে যায় লজ্জায় আর কাউকে মুখ দেখাতে পারবো না।
প্রায়ই ভাবি ইশ! যদি সেই ভুল গুলো জীবন থেকে একেবারে "শিফট ডিলিট" করে দিতে পারতাম!কতই না ভালো হত! এই ইশ এর জবাবেই সম্ভবত আল্লাহর রাসূল দুআটি শিখিয়ে ছিলেন "اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি মহানুভব ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে পছন্দ করেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।’!"
ক্ষমা দুই ধরনের মাগফিরাহ مغفرة আর আ'ফু عفو তবে দুটোর মধ্যে আছে বিস্তর ফারাক মাগফিরাহ তে আল্লাহ আমাদের ভুলটি ক্ষমা করবেন ঠিকই তবে তা স্টিল আমাদের আমল নামায় লিখা থাকবে অর্থাৎ পিসির রিসাইকেল বিনে পরে থাকার মত ফেরেস্তারাও সেটা জানবে হাশরের ময়দানে সেগুলোর কোনো কন্সিকুয়েন্স হয়তো থাকবে না তবে পসিবিলিটি থাকবে যে তিনি আমাদেরকে সেই ভুল গুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।
তবে আ'ফুর বিষয়টা পুরোপুরি অন্য লেভেলর আ'ফু শুধু ক্ষমাই না ভুল গুলো তিনি আমল নামা থেকে এমন ভাবে মুছে দিবেন যেন তা কখনো ছিলই না এমনিকি ফেরেশতাদের মেমোরি থেকেও মুছে দেয়া হবে এ যেন এক কমপ্লিট "শিফট ডিলিট"!!! অর্থাৎ রিসাইকেল বিন থেকেও গায়েব!
তাইতো মা আয়েশা রা. যখন জিজ্ঞেস করেছিলেন হে আল্লাহর রাসূল! কদর পেয়ে গেলে আমি কি চাইবো? উত্তরে তিনি মাগফিরাহ শিখাননি শিখিছিলেন আ'ফুন!রমজানের শেষ দশক শুরু নিজেকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্যই তাই লিখা"
হে আল্লাহ! আপনি শুধু ক্ষমাই করতে পারেন না তা শিফট ডিলিটও করতে পারেন আসলে আপনি তো তা শিফট ডিলিট করতেই ভালোবাসেন তাই আবদার হে আল্লাহ!আমার ভুল গুলো প্লিজ প্লিজ তা চিরতরে গায়েব করে দিন এবং
আমায় ক্ষমা করে দিন!!!
collected
@PathwayToNoor
প্রায়ই ভাবি ইশ! যদি সেই ভুল গুলো জীবন থেকে একেবারে "শিফট ডিলিট" করে দিতে পারতাম!কতই না ভালো হত! এই ইশ এর জবাবেই সম্ভবত আল্লাহর রাসূল দুআটি শিখিয়ে ছিলেন "اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি মহানুভব ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে পছন্দ করেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।’!"
ক্ষমা দুই ধরনের মাগফিরাহ مغفرة আর আ'ফু عفو তবে দুটোর মধ্যে আছে বিস্তর ফারাক মাগফিরাহ তে আল্লাহ আমাদের ভুলটি ক্ষমা করবেন ঠিকই তবে তা স্টিল আমাদের আমল নামায় লিখা থাকবে অর্থাৎ পিসির রিসাইকেল বিনে পরে থাকার মত ফেরেস্তারাও সেটা জানবে হাশরের ময়দানে সেগুলোর কোনো কন্সিকুয়েন্স হয়তো থাকবে না তবে পসিবিলিটি থাকবে যে তিনি আমাদেরকে সেই ভুল গুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।
তবে আ'ফুর বিষয়টা পুরোপুরি অন্য লেভেলর আ'ফু শুধু ক্ষমাই না ভুল গুলো তিনি আমল নামা থেকে এমন ভাবে মুছে দিবেন যেন তা কখনো ছিলই না এমনিকি ফেরেশতাদের মেমোরি থেকেও মুছে দেয়া হবে এ যেন এক কমপ্লিট "শিফট ডিলিট"!!! অর্থাৎ রিসাইকেল বিন থেকেও গায়েব!
তাইতো মা আয়েশা রা. যখন জিজ্ঞেস করেছিলেন হে আল্লাহর রাসূল! কদর পেয়ে গেলে আমি কি চাইবো? উত্তরে তিনি মাগফিরাহ শিখাননি শিখিছিলেন আ'ফুন!রমজানের শেষ দশক শুরু নিজেকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্যই তাই লিখা"
হে আল্লাহ! আপনি শুধু ক্ষমাই করতে পারেন না তা শিফট ডিলিটও করতে পারেন আসলে আপনি তো তা শিফট ডিলিট করতেই ভালোবাসেন তাই আবদার হে আল্লাহ!আমার ভুল গুলো প্লিজ প্লিজ তা চিরতরে গায়েব করে দিন এবং
আমায় ক্ষমা করে দিন!!!
collected
@PathwayToNoor
❤9❤🔥4
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
রমাদান আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছে!😭
এখন থেকেই শুধু ঈদের আনন্দে মেতে ওঠার পরিবর্তে—এই মহামান্য অতিথির বিদায়ে কিছুটা আফসোস ও বেদনা অনুভব করি। রমাদান আমাদের ছেড়ে যাচ্ছে! একজন সুন্দর সঙ্গী আমাদের থেকে বিদায় নিচ্ছে। রমাদানে জীবন কতটা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে যায়! কতটা বদলে যায় আমাদের জীবনধারা— অবাধ্যতা থেকে আনুগত্যের দিকে, সময় অপচয় থেকে সময়ের মূল্য বোঝার দিকে। এ মাস আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের প্রকৃত সামর্থ্য এবং আমাদের অবহেলা। এখন এই মহিমান্বিত মাসের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই এটিকে শক্তভাবে শেষ করি। আন্তরিকভাবে তাওবা করি।
আমাদের সব আমল কবুল হওয়ার জন্য দোয়া করি। আর দোয়া করি যেন সারা বছর এই ভালো পরিবর্তনগুলো ধরে রাখতে পারি, ইনশাআল্লাহ।
▪️*رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ*
উচ্চারণ : রব্বানা- ইন্নানা- আ-মান্না- ফাগফিরলানা- যুনূবানা- ওয়াক্বিনা- ‘আযা-বান্ন-র।
অর্থ : ‘হে আমাদের রব্! নিশ্চয় আমরা ঈমান এনেছি। অতএব আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের ‘আযাব হ’তে রক্ষা করুন’।
▪️*رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ*
উচ্চারণঃ রাব্বানা-তাকাব্বাল মিন্না-ইন্নাকা আনতাছ ছামী‘উল ‘আলীম।
অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পক্ষ হতে (এ সেবা) কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি এবং কেবল আপনিই সব কিছু শােনেন ও সবকিছু জানেন।
আমিন, হে সমগ্র জগতের রব!
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
এখন থেকেই শুধু ঈদের আনন্দে মেতে ওঠার পরিবর্তে—এই মহামান্য অতিথির বিদায়ে কিছুটা আফসোস ও বেদনা অনুভব করি। রমাদান আমাদের ছেড়ে যাচ্ছে! একজন সুন্দর সঙ্গী আমাদের থেকে বিদায় নিচ্ছে। রমাদানে জীবন কতটা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে যায়! কতটা বদলে যায় আমাদের জীবনধারা— অবাধ্যতা থেকে আনুগত্যের দিকে, সময় অপচয় থেকে সময়ের মূল্য বোঝার দিকে। এ মাস আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের প্রকৃত সামর্থ্য এবং আমাদের অবহেলা। এখন এই মহিমান্বিত মাসের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই এটিকে শক্তভাবে শেষ করি। আন্তরিকভাবে তাওবা করি।
আমাদের সব আমল কবুল হওয়ার জন্য দোয়া করি। আর দোয়া করি যেন সারা বছর এই ভালো পরিবর্তনগুলো ধরে রাখতে পারি, ইনশাআল্লাহ।
▪️*رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ*
উচ্চারণ : রব্বানা- ইন্নানা- আ-মান্না- ফাগফিরলানা- যুনূবানা- ওয়াক্বিনা- ‘আযা-বান্ন-র।
অর্থ : ‘হে আমাদের রব্! নিশ্চয় আমরা ঈমান এনেছি। অতএব আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের ‘আযাব হ’তে রক্ষা করুন’।
▪️*رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ*
উচ্চারণঃ রাব্বানা-তাকাব্বাল মিন্না-ইন্নাকা আনতাছ ছামী‘উল ‘আলীম।
অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পক্ষ হতে (এ সেবা) কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি এবং কেবল আপনিই সব কিছু শােনেন ও সবকিছু জানেন।
আমিন, হে সমগ্র জগতের রব!
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
❤13
*اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي*
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।
Collected
@PathwayToNoor
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।
Collected
@PathwayToNoor
❤10
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
এমন দৃশ্য আমি কখনো দেখিনি। অনেক শাইখ-শাইখাকে শুনিয়েছি, তারাও জীবনে এমন অলৌকিক কিছু দেখেননি।
দিনটি ছিল আর পাঁচটা দিনের মতোই। কর্মস্থল থেকে ফোন এলো, ‘উম্মু ফিরাস! একটি লাশ এসেছে...একজন বয়স্ক মহিলার, আপনি কি এখন আসতে পারবেন?’
আমি মৃত-নারীদের গোসল করাই। আমাদের সৌদি আরবে সরকারিভাবে লাশ গোসল করানোর জায়গা আছে। ফ্রিতেই গোসল করানো, কাফন-দাফন করানো যায়। আবার কেউ চাইলে ফোন করে কোনো কর্মীকে বাসায় ডাকতে পারেন লাশ গোসল করানোর জন্য।
তো, গোসলখানায় গিয়ে দেখলাম বেশ কয়েকজন নারী কান্নাকাটি করছেন। কাঁদতে কাঁদতে যেন জীবনই ছেড়ে দিবেন। দেখে খারাপ লাগল, আবার ভালোও লাগল। ভালো লাগার কারণ, আমাদের এখানে যে লাশগুলো আনা হয়, সেগুলোর সাথে সচারচর এত মানুষ থাকে না। অনেক সময় দরকারেও লাশের আত্মীয়স্বজনকে কাছে পাওয়া যায় না। বেশিভাগ সময় লাশ রেখে চলে যায়, গোসল করানোর পর এসে নিয়ে যায়। থাকলে থাকে এক-দুজন। গোসল করানো, কাফন পরানো—সব আমরাই, গোসলখানার কর্মীরাই করি। কখনো কখনো তো দাফনের দায়িত্বও গোসলখানার লোকদের ঘাড়ে দিয়ে দেয় আত্মীয়রা।
কিন্তু এই লাশের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেখলাম কয়েকজন বয়স্ক মহিলা ‘মা, মা’ বলে কাঁদছেন। মানে যিনি মারা গেছেন, তিনি উনাদের 'মা' হন। ভাবছি, এই মহিলাদের বয়সই তো ষাট-সত্তরের কম হবে না, তাহলে মৃতার বয়স কত!
আমি উনাদেরকে সান্ত্বনা দিলাম। ‘আল্লাহ আপনাদের মায়ের ওপর রহম করুন। তাকে জান্নাতবাসী করুন। একটু শান্ত হোন। কারোরই মা-বাবা চিরদিন বাঁচে না। আমাদের সবাইকেই এক দিন না এক দিন মরতে হবে।’
কিন্তু উনারা এমন ব্যাকুলভাবে কাঁদছিলেন, কখন যে আমার নিজের চোখে পানি চলে এসেছে, বুঝতেও পারিনি।
কিন্তু এঁদের সাথে বসে কান্নাকাটি করলে চলবে না। লাশ গোসল করাতে হবে। আমি যখন গোসলখানার দিকে যাচ্ছি, তখন মহিলাদের আরেক আহাজারি। ‘আমাকে সাথে নিবেন, আপা?’ ‘আমিও গোসল করানোর সময় থাকতে চাই!’ ‘আমি কি আপনার কোনো হেল্প করতে পারি?’ ‘আমাকেও সাথে নিন, প্লিজ!’ ‘শেষবারের মতো মায়ের খেদমত করতে চাই, আমাকে নিন না!’
গোসল করানোর সময় সবাই সাথে থাকতে চাচ্ছেন!
সাধারণত আমি এক-দুজনকে সাথে নিই। কিন্তু উনাদের সবার আবেদনই এত আকুল, কাউকে ফেলতে পারলাম না। এরপর একেকজনকে একেক দায়িত্ব দিলাম। ‘আপনি পানি এগিয়ে দিবেন’, ‘আপনি আতর’, ‘আপনি গোলাপজল’...এভাবে সবাইকে একটা করে কাজ দিতে হলো।
গোসল করাতে গিয়ে দেখি মৃতা প্রায় শতবর্ষী এক বৃদ্ধা। ঠিক কাঠের পুতুলের মতো, গায়ে গোশতের বালাই নেই! কুঁচকানো চামড়ায় জড়ানো হাড় জিরেজিরে এক শরীর। গায়ের রং পাণ্ডুর। চুলগুলো সব পেকে সাদা হয়ে গেছে। বয়সের ভারে পা দুটোও শীর্ণ, কুঁকড়ে এসেছে। নিজে নিজে চলতে পারত নাকি কে জানে! হাতেও হাড় আর চামড়া ছাড়া কিছু নেই। পুরো শরীরটাই ভীষণ নাজুক। ওজনই নেই বলতে গেলে।
যাহোক, গোসল করাতে করাতে টের পেলাম ক্ষীণ কায়ার এই নারী দুনিয়ার জীবনে নিশ্চয় নেককার ছিলেন। কীভাবে বুঝলাম? লাশ গোসল করানোর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বুঝি এসব। কারণ নেককার বান্দাদের গোসলটা সহজ হয়, আর যারা ভালো আমল করেনি তাদেরটা হয় কঠিন। ভালো ব্যক্তিদের গোসল করানোর সময় মনে হয়, লাশটাও যেন গোসলে সাহায্য করছে। সবকিছু ইজিলি হয়ে যায়। বিরাট শরীরের লাশকে গোসল করাতেও হ্যাসেল পোহাতে হয় না।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, হালকা-পাতলা শরীরের লাশও গোসল করানোর সময় অনেক ভারি লাগে। দু-তিনজন মিলে তার হাত-পা উঠানো যায় না! মনে হয়, সে হয়তো চাচ্ছে না তাকে গোসল করানো হোক, কবরে নিয়ে যাওয়া হোক।
সহিহ বুখারিতে এসেছে—
“যখন জানাযা (লাশ) বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন যদি মৃত ব্যক্তি নেককার হয়, সে বলে: ‘আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চলো, আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চলো।’
আর যদি সে নেককার না হয়, তখন সে বলে: ‘হায় আফসোস! তোমরা তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?’
এই মহিলাও যেন তাড়াতাড়ি কবরে যেতে চাচ্ছেন। শান্তি লাগছিল আমারও। উনার মেয়েরা তখনো কেঁদে আকুল। কেউ উনার জন্য দুয়া করছেন। কেউ গায়ে আতর ছুঁয়ে দিতে দিতে চোখের পানি ফেলছেন। উনাদেরকে রেখে আমি পাশের রুমে গেলাম।
কাফনসহ কিছু জিনিস আনতে পাশের ঘরে গিয়েছি। প্রায় এক মিনিটের মাথায় গোসলঘরের ভেতর থেকে চিল্লাচিল্লি কানে এলো।
‘ও অমুক! দেখে যা!’ ‘এই মেয়েরা, আসো, দেখে যাও কী হয়েছে!’ সেই সাথে কান্না আর আহাজারি।
ভয়ে আমার কলিজা শুকিয়ে গেল। হাতের জিনিসপত্র ফেলে দিয়েই গোসল ঘরে ছুটে এলাম। এরপর যা দেখলাম...সুবহানআল্লাহ! এরকম অলৌকিক দৃশ্য আমার জীবনে কখনো দেখিনি।
গিয়ে দেখি—যেই লাশের সবগুলো চুল পেকে পাটের আঁশের মতো হয়ে গিয়েছিল, তার সবগুলো চুল কালো হয়ে গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, তার মুখের কুঁচকানো চামড়া আর নেই। সব টানটান হয়ে গিয়েছে। কাফন সরিয়ে তার হাত-পাগুলোও দেখলাম আমি। আগের মতো শীর্ণকায় নেই, টান-টান শক্তিসমর্থ দেখাচ্ছে। তার বয়স যেন একশ বছর নয়, তার বয়স ত্রিশ বছর!
এই দৃশ্য দেখেই সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। বৃদ্ধার মেয়েরা বলতে শুরু করে, ‘ও আমার মা রে! আমার মা জান্নাতবাসী হয়ে গেছে রে!’ ‘আল্লাহু আকবার!’
দিনটি ছিল আর পাঁচটা দিনের মতোই। কর্মস্থল থেকে ফোন এলো, ‘উম্মু ফিরাস! একটি লাশ এসেছে...একজন বয়স্ক মহিলার, আপনি কি এখন আসতে পারবেন?’
আমি মৃত-নারীদের গোসল করাই। আমাদের সৌদি আরবে সরকারিভাবে লাশ গোসল করানোর জায়গা আছে। ফ্রিতেই গোসল করানো, কাফন-দাফন করানো যায়। আবার কেউ চাইলে ফোন করে কোনো কর্মীকে বাসায় ডাকতে পারেন লাশ গোসল করানোর জন্য।
তো, গোসলখানায় গিয়ে দেখলাম বেশ কয়েকজন নারী কান্নাকাটি করছেন। কাঁদতে কাঁদতে যেন জীবনই ছেড়ে দিবেন। দেখে খারাপ লাগল, আবার ভালোও লাগল। ভালো লাগার কারণ, আমাদের এখানে যে লাশগুলো আনা হয়, সেগুলোর সাথে সচারচর এত মানুষ থাকে না। অনেক সময় দরকারেও লাশের আত্মীয়স্বজনকে কাছে পাওয়া যায় না। বেশিভাগ সময় লাশ রেখে চলে যায়, গোসল করানোর পর এসে নিয়ে যায়। থাকলে থাকে এক-দুজন। গোসল করানো, কাফন পরানো—সব আমরাই, গোসলখানার কর্মীরাই করি। কখনো কখনো তো দাফনের দায়িত্বও গোসলখানার লোকদের ঘাড়ে দিয়ে দেয় আত্মীয়রা।
কিন্তু এই লাশের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেখলাম কয়েকজন বয়স্ক মহিলা ‘মা, মা’ বলে কাঁদছেন। মানে যিনি মারা গেছেন, তিনি উনাদের 'মা' হন। ভাবছি, এই মহিলাদের বয়সই তো ষাট-সত্তরের কম হবে না, তাহলে মৃতার বয়স কত!
আমি উনাদেরকে সান্ত্বনা দিলাম। ‘আল্লাহ আপনাদের মায়ের ওপর রহম করুন। তাকে জান্নাতবাসী করুন। একটু শান্ত হোন। কারোরই মা-বাবা চিরদিন বাঁচে না। আমাদের সবাইকেই এক দিন না এক দিন মরতে হবে।’
কিন্তু উনারা এমন ব্যাকুলভাবে কাঁদছিলেন, কখন যে আমার নিজের চোখে পানি চলে এসেছে, বুঝতেও পারিনি।
কিন্তু এঁদের সাথে বসে কান্নাকাটি করলে চলবে না। লাশ গোসল করাতে হবে। আমি যখন গোসলখানার দিকে যাচ্ছি, তখন মহিলাদের আরেক আহাজারি। ‘আমাকে সাথে নিবেন, আপা?’ ‘আমিও গোসল করানোর সময় থাকতে চাই!’ ‘আমি কি আপনার কোনো হেল্প করতে পারি?’ ‘আমাকেও সাথে নিন, প্লিজ!’ ‘শেষবারের মতো মায়ের খেদমত করতে চাই, আমাকে নিন না!’
গোসল করানোর সময় সবাই সাথে থাকতে চাচ্ছেন!
সাধারণত আমি এক-দুজনকে সাথে নিই। কিন্তু উনাদের সবার আবেদনই এত আকুল, কাউকে ফেলতে পারলাম না। এরপর একেকজনকে একেক দায়িত্ব দিলাম। ‘আপনি পানি এগিয়ে দিবেন’, ‘আপনি আতর’, ‘আপনি গোলাপজল’...এভাবে সবাইকে একটা করে কাজ দিতে হলো।
গোসল করাতে গিয়ে দেখি মৃতা প্রায় শতবর্ষী এক বৃদ্ধা। ঠিক কাঠের পুতুলের মতো, গায়ে গোশতের বালাই নেই! কুঁচকানো চামড়ায় জড়ানো হাড় জিরেজিরে এক শরীর। গায়ের রং পাণ্ডুর। চুলগুলো সব পেকে সাদা হয়ে গেছে। বয়সের ভারে পা দুটোও শীর্ণ, কুঁকড়ে এসেছে। নিজে নিজে চলতে পারত নাকি কে জানে! হাতেও হাড় আর চামড়া ছাড়া কিছু নেই। পুরো শরীরটাই ভীষণ নাজুক। ওজনই নেই বলতে গেলে।
যাহোক, গোসল করাতে করাতে টের পেলাম ক্ষীণ কায়ার এই নারী দুনিয়ার জীবনে নিশ্চয় নেককার ছিলেন। কীভাবে বুঝলাম? লাশ গোসল করানোর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বুঝি এসব। কারণ নেককার বান্দাদের গোসলটা সহজ হয়, আর যারা ভালো আমল করেনি তাদেরটা হয় কঠিন। ভালো ব্যক্তিদের গোসল করানোর সময় মনে হয়, লাশটাও যেন গোসলে সাহায্য করছে। সবকিছু ইজিলি হয়ে যায়। বিরাট শরীরের লাশকে গোসল করাতেও হ্যাসেল পোহাতে হয় না।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, হালকা-পাতলা শরীরের লাশও গোসল করানোর সময় অনেক ভারি লাগে। দু-তিনজন মিলে তার হাত-পা উঠানো যায় না! মনে হয়, সে হয়তো চাচ্ছে না তাকে গোসল করানো হোক, কবরে নিয়ে যাওয়া হোক।
সহিহ বুখারিতে এসেছে—
“যখন জানাযা (লাশ) বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন যদি মৃত ব্যক্তি নেককার হয়, সে বলে: ‘আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চলো, আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চলো।’
আর যদি সে নেককার না হয়, তখন সে বলে: ‘হায় আফসোস! তোমরা তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?’
এই মহিলাও যেন তাড়াতাড়ি কবরে যেতে চাচ্ছেন। শান্তি লাগছিল আমারও। উনার মেয়েরা তখনো কেঁদে আকুল। কেউ উনার জন্য দুয়া করছেন। কেউ গায়ে আতর ছুঁয়ে দিতে দিতে চোখের পানি ফেলছেন। উনাদেরকে রেখে আমি পাশের রুমে গেলাম।
কাফনসহ কিছু জিনিস আনতে পাশের ঘরে গিয়েছি। প্রায় এক মিনিটের মাথায় গোসলঘরের ভেতর থেকে চিল্লাচিল্লি কানে এলো।
‘ও অমুক! দেখে যা!’ ‘এই মেয়েরা, আসো, দেখে যাও কী হয়েছে!’ সেই সাথে কান্না আর আহাজারি।
ভয়ে আমার কলিজা শুকিয়ে গেল। হাতের জিনিসপত্র ফেলে দিয়েই গোসল ঘরে ছুটে এলাম। এরপর যা দেখলাম...সুবহানআল্লাহ! এরকম অলৌকিক দৃশ্য আমার জীবনে কখনো দেখিনি।
গিয়ে দেখি—যেই লাশের সবগুলো চুল পেকে পাটের আঁশের মতো হয়ে গিয়েছিল, তার সবগুলো চুল কালো হয়ে গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, তার মুখের কুঁচকানো চামড়া আর নেই। সব টানটান হয়ে গিয়েছে। কাফন সরিয়ে তার হাত-পাগুলোও দেখলাম আমি। আগের মতো শীর্ণকায় নেই, টান-টান শক্তিসমর্থ দেখাচ্ছে। তার বয়স যেন একশ বছর নয়, তার বয়স ত্রিশ বছর!
এই দৃশ্য দেখেই সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। বৃদ্ধার মেয়েরা বলতে শুরু করে, ‘ও আমার মা রে! আমার মা জান্নাতবাসী হয়ে গেছে রে!’ ‘আল্লাহু আকবার!’
❤4🔥1
আমার তো হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে, ভয়ে, আতঙ্কে আবার আনন্দেও। অনবরত বলছি ‘সুবহানআল্লাহ!’ ‘মাশাআল্লাহ!’ ‘আল্লাহু আকবার!’
একটু পর সংবিৎ ফিরে পেয়ে বললাম, ‘আল্লাহর দোহায় লাগে, আপনারা একটু শান্ত হোন। আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন ইনশাআল্লাহ, কিন্তু আমাদের কাজ তো আমাদেরকে করতে হবে। কাফন পরানো শেষ করতে দিন।’
মৃতার কন্যাদেরকে সরিয়ে রেখে কাফন পরানো শেষ করলাম। যখন চেহারা ঢাকতে যাব, তখন আরেকটি ব্যাপার ঘটল। লাশের চেহারায় এত নুর...সুবহানআল্লাহ...আমি তাকাতে পর্যন্ত পারছিলাম না। নুরে চোখ ঝলসে যাওয়ার অবস্থা। তাও সাদা কাপড়ে চেহারা ঢেকে গিঁট দিয়ে কাফন সম্পন্ন করতে হলো।
কাজ শেষ হওয়ার পর, উনার মেয়েরা যখন একটু শান্ত হয়ে এসেছে, উনাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আল্লাহর দোহায়, আমাকে একটু বলুন আপনাদের মা কোন কোন নেক আমল করতেন?’
আমাকে বলা হলো, ‘কোন নেক আমল করতেন না, তাই বলুন! আমরা উনাকে সব রকমের নেক আমল করতে দেখেছি, কিন্তু তারচেয়েও বেশি আমল উনি করতেন গোপনে। ইয়াতিমদের দায়িত্ব নেওয়া, বিধবাদের খরচ দেয়া, বিভিন্ন মানুষকে-বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাদাকা করা—কিছুই বাদ দিতেন না। আর এগুলোর কোনোটাই উনি আমাদেরকে জানাতেন না যে—‘অমুক ব্যক্তিকে আমি টাকা দিই, অমুক জায়গায় সাদাকা করি’। কোনোভাবে সামনে আসলে তখন আমরা জানতে পারতাম। উনার গোপন আমলের পরিমাণই বেশি। সেগুলোর কথা কেবল মা আর আল্লাহ জানেন।’
তাদের উত্তর শুনে আমি বুঝতে পারলাম, কেন শেষ বিদায়ের সময় আল্লাহ এই নারীকে সম্মানিত করলেন। দুনিয়ার জীবনে তিনি কাজ করেছেন আল্লাহর জন্য, তাই আল্লাহ তাঁর মেহমানকে গ্রহণ করেছেন উত্তম মেহমানদারিতার সাথে।
Nur islam
[সৌদি আরবের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে]
সংগৃহীত
Amatullah TaniYa
#PathwayToNoor
একটু পর সংবিৎ ফিরে পেয়ে বললাম, ‘আল্লাহর দোহায় লাগে, আপনারা একটু শান্ত হোন। আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন ইনশাআল্লাহ, কিন্তু আমাদের কাজ তো আমাদেরকে করতে হবে। কাফন পরানো শেষ করতে দিন।’
মৃতার কন্যাদেরকে সরিয়ে রেখে কাফন পরানো শেষ করলাম। যখন চেহারা ঢাকতে যাব, তখন আরেকটি ব্যাপার ঘটল। লাশের চেহারায় এত নুর...সুবহানআল্লাহ...আমি তাকাতে পর্যন্ত পারছিলাম না। নুরে চোখ ঝলসে যাওয়ার অবস্থা। তাও সাদা কাপড়ে চেহারা ঢেকে গিঁট দিয়ে কাফন সম্পন্ন করতে হলো।
কাজ শেষ হওয়ার পর, উনার মেয়েরা যখন একটু শান্ত হয়ে এসেছে, উনাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আল্লাহর দোহায়, আমাকে একটু বলুন আপনাদের মা কোন কোন নেক আমল করতেন?’
আমাকে বলা হলো, ‘কোন নেক আমল করতেন না, তাই বলুন! আমরা উনাকে সব রকমের নেক আমল করতে দেখেছি, কিন্তু তারচেয়েও বেশি আমল উনি করতেন গোপনে। ইয়াতিমদের দায়িত্ব নেওয়া, বিধবাদের খরচ দেয়া, বিভিন্ন মানুষকে-বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাদাকা করা—কিছুই বাদ দিতেন না। আর এগুলোর কোনোটাই উনি আমাদেরকে জানাতেন না যে—‘অমুক ব্যক্তিকে আমি টাকা দিই, অমুক জায়গায় সাদাকা করি’। কোনোভাবে সামনে আসলে তখন আমরা জানতে পারতাম। উনার গোপন আমলের পরিমাণই বেশি। সেগুলোর কথা কেবল মা আর আল্লাহ জানেন।’
তাদের উত্তর শুনে আমি বুঝতে পারলাম, কেন শেষ বিদায়ের সময় আল্লাহ এই নারীকে সম্মানিত করলেন। দুনিয়ার জীবনে তিনি কাজ করেছেন আল্লাহর জন্য, তাই আল্লাহ তাঁর মেহমানকে গ্রহণ করেছেন উত্তম মেহমানদারিতার সাথে।
Nur islam
[সৌদি আরবের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে]
সংগৃহীত
Amatullah TaniYa
#PathwayToNoor
❤20
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤3
রামাযানের শেষ, পবিত্র জুম্মাহ!
আহ হৃদয়ে কেমন যেন এক একাকিত্ব অনুভব হচ্ছে তাইনা??
রামাযান আমাদের একা করে ফেলে চলে যাবে,আজই সেই শেষ রাত🥀
এই শেষ জুম্মাবার যেন হয় সুন্দর
সকাল গোসল করা
সূরা কাহাফ আসরের আগেই শেষ করে নিবেন
দুরুদ পাঠ করবেন
ওমা তৌফিকি ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিউল আজিম
collected
@PathwayToNoor
আহ হৃদয়ে কেমন যেন এক একাকিত্ব অনুভব হচ্ছে তাইনা??
রামাযান আমাদের একা করে ফেলে চলে যাবে,আজই সেই শেষ রাত🥀
এই শেষ জুম্মাবার যেন হয় সুন্দর
সকাল গোসল করা
সূরা কাহাফ আসরের আগেই শেষ করে নিবেন
দুরুদ পাঠ করবেন
ওমা তৌফিকি ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিউল আজিম
collected
@PathwayToNoor
❤12🔥1
বাজারে প্রবেশের সময় এই দুআটি পড়লে ১০ লাখ নেকি পাওয়া যায়, ১০ লাখ গুনাহ মাফ হয় এবং ১০ লাখ মর্যাদা বৃদ্ধি পায় [১, ৮]:
দোআ:
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইউহয়ি ওয়া ইউমিতু, ওয়াহুয়া হাইয়্যুল লা ইয়ামুতু, বিয়াদিহিল খাইরু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির [১, ৩, ৫]।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দেন। তিনি চিরঞ্জীব, তাঁর মৃত্যু নেই। সমস্ত কল্যাণ তাঁরই হাতে এবং তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান [৫, ৮]।
@PathwayToNoor
দোআ:
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইউহয়ি ওয়া ইউমিতু, ওয়াহুয়া হাইয়্যুল লা ইয়ামুতু, বিয়াদিহিল খাইরু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির [১, ৩, ৫]।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দেন। তিনি চিরঞ্জীব, তাঁর মৃত্যু নেই। সমস্ত কল্যাণ তাঁরই হাতে এবং তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান [৫, ৮]।
@PathwayToNoor
❤🔥7
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের রাত বা চাঁদ রাত মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত বরকতময় একটি সময়। ইসলামিক পরিভাষায় পবিত্র শাওয়াল মাসের সূচনার এই রাতটিকে বলা হয় 'লাইলাতুল জাইজা' বা পুরস্কার পাওয়ার রাত। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা ও ইবাদতের পর মহান আল্লাহ এই রাতে তাঁর নেককার বান্দাদের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন।
এই রাতটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই রাতে মন থেকে করা কোনো দোয়াই ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ এমন পাঁচটি বিশেষ রাতের কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলোতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর বা শাওয়াল মাসের প্রথম রাতটি সেই পাঁচটি বরকতময় রাতের একটি।
বিশেষ নফল নামাজ ও আমল:
চাঁদ রাত বা ঈদের দিনে বিশেষ কিছু নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। একটি বিশেষ আমলের কথা এখানে তুলে ধরা হলো, যা নিয়ম মেনে পালন করলে ইনশাআল্লাহ জীবনের সব জায়েজ বা বৈধ চাওয়া পূরণ হবে।
নামাজের নিয়মাবলী:
সময়: ঈদের আগের রাত (চাঁদ রাত) অথবা ঈদের দিন।
রাকাত সংখ্যা: মোট ৮ রাকাত নফল নামাজ।
পড়ার নিয়ম: প্রতিটি রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ২৫ বার সূরা ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়তে হবে।
নামাজ শেষের আমল: ৮ রাকাত নামাজ শেষ করার পর জায়নামাজে বসেই ৭০ বার তৃতীয় কালিমা বা কালিমা তামজীদ পড়তে হবে। কালিমাটি হলো: "সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম"।
ইস্তিগফার: তৃতীয় কালিমা পড়ার পর নিজের যাবতীয় ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করতে হবে।
যাঁরা বিশুদ্ধ নিয়্যতে এই ৮ রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, মহান আল্লাহ তাঁদের সব সৎ উদ্দেশ্য ও মনের নেক আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করবেন। এই বরকতময় রাতে ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা সম্ভব।
সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে
aloreshara
@PathwayToNoor
এই রাতটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই রাতে মন থেকে করা কোনো দোয়াই ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ এমন পাঁচটি বিশেষ রাতের কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলোতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর বা শাওয়াল মাসের প্রথম রাতটি সেই পাঁচটি বরকতময় রাতের একটি।
বিশেষ নফল নামাজ ও আমল:
চাঁদ রাত বা ঈদের দিনে বিশেষ কিছু নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। একটি বিশেষ আমলের কথা এখানে তুলে ধরা হলো, যা নিয়ম মেনে পালন করলে ইনশাআল্লাহ জীবনের সব জায়েজ বা বৈধ চাওয়া পূরণ হবে।
নামাজের নিয়মাবলী:
সময়: ঈদের আগের রাত (চাঁদ রাত) অথবা ঈদের দিন।
রাকাত সংখ্যা: মোট ৮ রাকাত নফল নামাজ।
পড়ার নিয়ম: প্রতিটি রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ২৫ বার সূরা ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়তে হবে।
নামাজ শেষের আমল: ৮ রাকাত নামাজ শেষ করার পর জায়নামাজে বসেই ৭০ বার তৃতীয় কালিমা বা কালিমা তামজীদ পড়তে হবে। কালিমাটি হলো: "সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম"।
ইস্তিগফার: তৃতীয় কালিমা পড়ার পর নিজের যাবতীয় ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করতে হবে।
যাঁরা বিশুদ্ধ নিয়্যতে এই ৮ রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, মহান আল্লাহ তাঁদের সব সৎ উদ্দেশ্য ও মনের নেক আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করবেন। এই বরকতময় রাতে ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা সম্ভব।
সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে
aloreshara
@PathwayToNoor
❤2
ঈদ মোবারক 🌙
দীর্ঘ ৩০ দিনের সাওম ও ধৈর্যের পর আমাদের মাঝে এলো পবিত্র ঈদুল ফিতর..
আল্লাহ আমাদের সব ইবাদত কবুল করুক এবং ঈদ সুন্দরভাবে উপভোগ করার তাওফীক দান করুক।
সামনের দিনগুলোও রহমত, শান্তি ও বরকতময় হোক সবার, আমীন।
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম...🤍✨
@PathwayToNoor
❤15
*রমাদানের পর কীভাবে জীবন কাটাবো?*
রমাদান শেষ হওয়া মানে ইবাদত শেষ নয়, বরং এটি ছিল একটি ট্রেনিং—যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছাকাছি হওয়া শিখেছি। এখন আসল পরীক্ষা—এই আমলগুলো সারা বছর ধরে রাখা।
রমাদানের পর আমাদের জীবন এমন হওয়া উচিত, যেখানে নামাজ আর কেবল একটি দায়িত্ব না, বরং জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যায়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে, যেন কোনো অবস্থাতেই তা ছুটে না যায়।
কুরআনের সাথে সম্পর্ক শুধু রমাদানের জন্য নয়। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় কুরআন তিলাওয়াত করা, অর্থ বুঝে পড়া এবং জীবনে তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা—এটাই হওয়া উচিত একজন মুমিনের পরিচয়।
রমাদানে আমরা গুনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেছি। এখন রমাদানের পরেও সেই অভ্যাস ধরে রাখা জরুরি। চোখ, কান, জিহ্বা—সবকিছু গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রাখা—এটাই আসল সফলতা।
তাহাজ্জুদ, দোয়া, ইস্তিগফার—এসব শুধু রমাদানের জন্য নয়। প্রতিদিন না পারলেও মাঝে মাঝে হলেও রাতে উঠে আল্লাহর কাছে কান্না করা, নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া—এগুলো আমাদের জীবনের অংশ হওয়া উচিত।
মানুষের সাথে আচরণেও পরিবর্তন আনা দরকার। রাগ কমানো, ক্ষমা করা, ভালো ব্যবহার করা—এসবই একজন প্রকৃত মুসলিমের গুণ। রমাদান আমাদেরকে এই শিক্ষা দিয়েছে।
দান-সদকা শুধু যাকাত বা ফিতরার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, সারা বছর সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—নিজেকে সবসময় মনে করিয়ে দেওয়া,
রমাদান চলে গেছে, কিন্তু আল্লাহ তো আছেন সবসময়।
যদি রমাদানের পরেও আপনার আমলগুলো কিছুটা হলেও ধরে রাখতে পারেন, তাহলে বুঝবেন—আপনার রমাদান সফল হয়েছে।
*আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমাদানের শিক্ষা সারা জীবন ধরে রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।*
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
collected
@PathwayToNoor
রমাদান শেষ হওয়া মানে ইবাদত শেষ নয়, বরং এটি ছিল একটি ট্রেনিং—যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছাকাছি হওয়া শিখেছি। এখন আসল পরীক্ষা—এই আমলগুলো সারা বছর ধরে রাখা।
রমাদানের পর আমাদের জীবন এমন হওয়া উচিত, যেখানে নামাজ আর কেবল একটি দায়িত্ব না, বরং জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যায়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে, যেন কোনো অবস্থাতেই তা ছুটে না যায়।
কুরআনের সাথে সম্পর্ক শুধু রমাদানের জন্য নয়। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় কুরআন তিলাওয়াত করা, অর্থ বুঝে পড়া এবং জীবনে তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা—এটাই হওয়া উচিত একজন মুমিনের পরিচয়।
রমাদানে আমরা গুনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেছি। এখন রমাদানের পরেও সেই অভ্যাস ধরে রাখা জরুরি। চোখ, কান, জিহ্বা—সবকিছু গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রাখা—এটাই আসল সফলতা।
তাহাজ্জুদ, দোয়া, ইস্তিগফার—এসব শুধু রমাদানের জন্য নয়। প্রতিদিন না পারলেও মাঝে মাঝে হলেও রাতে উঠে আল্লাহর কাছে কান্না করা, নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া—এগুলো আমাদের জীবনের অংশ হওয়া উচিত।
মানুষের সাথে আচরণেও পরিবর্তন আনা দরকার। রাগ কমানো, ক্ষমা করা, ভালো ব্যবহার করা—এসবই একজন প্রকৃত মুসলিমের গুণ। রমাদান আমাদেরকে এই শিক্ষা দিয়েছে।
দান-সদকা শুধু যাকাত বা ফিতরার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, সারা বছর সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—নিজেকে সবসময় মনে করিয়ে দেওয়া,
রমাদান চলে গেছে, কিন্তু আল্লাহ তো আছেন সবসময়।
যদি রমাদানের পরেও আপনার আমলগুলো কিছুটা হলেও ধরে রাখতে পারেন, তাহলে বুঝবেন—আপনার রমাদান সফল হয়েছে।
*আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমাদানের শিক্ষা সারা জীবন ধরে রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।*
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
কঠিন জামানায়collected
@PathwayToNoor
❤15
✍️
অধিক জিকিরকারী এমন নূরের দৌলত পায় যা দ্বারা তার অন্তর সুক্ষ্ম হেকমত উপলব্ধি করে এবং এমন সত্য তার সামনে উন্মোচিত হয় যা সাধারণ আকলে বোঝা যায়না।
আর অধিক পরিমাণে যেকোনো মিডিয়া/ভার্চুয়াল জগতে বিচরণকারী তার স্বাভাবিক বোধশক্তি, বিবেক-বুদ্ধিও হারিয়ে ফেলে। ফলে সর্বসাধারণও সহজে যা অনুধাবন করতে পারে সে তা পারেনা।
اللَّهُمَّ احْفَظْنَا مِنْ لَغْوِ الدُّنْيَا وَفِتْنَةِ الْوَسَائِلِ، وَثَبِّتْ لَنَا عُقُولَنَا وَبَصَائِرَنَا وَحِكْمَتَنَا، حَتَّى نَعْرِفَ الْحَقَّ حَقًّا فَنَتَّبِعَهُ، وَالْبَاطِلَ بَاطِلًا فَنَجْتَنِبَهُ، وَوَفِّقْنَا لِاسْتِغْلَالِ أَوْقَاتِنَا فِي مَا يُرْضِيكَ، وَاجْعَلْهَا مُبَارَكَةً يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ.
collected
@PathwayToNoor
অধিক জিকিরকারী এমন নূরের দৌলত পায় যা দ্বারা তার অন্তর সুক্ষ্ম হেকমত উপলব্ধি করে এবং এমন সত্য তার সামনে উন্মোচিত হয় যা সাধারণ আকলে বোঝা যায়না।
আর অধিক পরিমাণে যেকোনো মিডিয়া/ভার্চুয়াল জগতে বিচরণকারী তার স্বাভাবিক বোধশক্তি, বিবেক-বুদ্ধিও হারিয়ে ফেলে। ফলে সর্বসাধারণও সহজে যা অনুধাবন করতে পারে সে তা পারেনা।
اللَّهُمَّ احْفَظْنَا مِنْ لَغْوِ الدُّنْيَا وَفِتْنَةِ الْوَسَائِلِ، وَثَبِّتْ لَنَا عُقُولَنَا وَبَصَائِرَنَا وَحِكْمَتَنَا، حَتَّى نَعْرِفَ الْحَقَّ حَقًّا فَنَتَّبِعَهُ، وَالْبَاطِلَ بَاطِلًا فَنَجْتَنِبَهُ، وَوَفِّقْنَا لِاسْتِغْلَالِ أَوْقَاتِنَا فِي مَا يُرْضِيكَ، وَاجْعَلْهَا مُبَارَكَةً يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ.
collected
@PathwayToNoor
❤🔥8❤7
১) মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজা সুন্নাহ।
- সহীহ মুসলিম, হাদিস: ৮৯৮
২)রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা।
বুখারী || ৫২১১
৩)বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।
বুখারী || ১০৩২
৪)স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা। খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।
মুসলিম || ২০৬৪
৫)কোন কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে আমি জানিনা
বায়হাকী || ১৭৫৯৫
৬) মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা। আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।
মুসলিম- ২৫৩১
৭) খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া।
মুখতাসার যাদুল ম' আদ || ১/২৭
৮) ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া।
বায়হাকি || ৪২৮
৯) নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া।
বুখারী || ৭৩১
১০) বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
মুসনাদে বামযার || ৮৫৬৭
১১) দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতা না পরা। বিশেষ করে শু জুতা (স্যান্ডেল না)।
আবু দাউদ || ৪১৩৫
১২) ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বস তসবি পড়া। অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
আরশিফ মুলতাকা || ৪৫৬৯
১৩) যতই ভালো খাবার হাক ভরা পেটে না খাওয়া।
তিরমিযী || ২৪৭৮
১৪) দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা।
মুসনাদে আহমাদ || ২১৬১৮
১৫) বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাত-পা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া।
তাবরানী || ৬১৩৯
১৬) মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া।
মুসনাদে আহমাদ || ২৭৫০৮
১৭) রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো।
ফাতহুল বারি || ১১/১১০
১৮) মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা।
আবু দাউদ || ৪১৬০
১৯)হেলান লাগানো অবস্থায় কোনো কিছু ভক্ষণ না করা।
বুখারি || ৫১৯০
[সংগৃহীত: আখিরুল আর্ট ওয়ার্ক]
siraat_Institute
ST12
collected
@PathwayToNoor
- সহীহ মুসলিম, হাদিস: ৮৯৮
২)রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা।
বুখারী || ৫২১১
৩)বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।
বুখারী || ১০৩২
৪)স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা। খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।
মুসলিম || ২০৬৪
৫)কোন কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে আমি জানিনা
বায়হাকী || ১৭৫৯৫
৬) মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা। আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।
মুসলিম- ২৫৩১
৭) খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া।
মুখতাসার যাদুল ম' আদ || ১/২৭
৮) ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া।
বায়হাকি || ৪২৮
৯) নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া।
বুখারী || ৭৩১
১০) বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
মুসনাদে বামযার || ৮৫৬৭
১১) দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতা না পরা। বিশেষ করে শু জুতা (স্যান্ডেল না)।
আবু দাউদ || ৪১৩৫
১২) ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বস তসবি পড়া। অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
আরশিফ মুলতাকা || ৪৫৬৯
১৩) যতই ভালো খাবার হাক ভরা পেটে না খাওয়া।
তিরমিযী || ২৪৭৮
১৪) দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা।
মুসনাদে আহমাদ || ২১৬১৮
১৫) বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাত-পা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া।
তাবরানী || ৬১৩৯
১৬) মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া।
মুসনাদে আহমাদ || ২৭৫০৮
১৭) রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো।
ফাতহুল বারি || ১১/১১০
১৮) মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা।
আবু দাউদ || ৪১৬০
১৯)হেলান লাগানো অবস্থায় কোনো কিছু ভক্ষণ না করা।
বুখারি || ৫১৯০
[সংগৃহীত: আখিরুল আর্ট ওয়ার্ক]
siraat_Institute
ST12
collected
@PathwayToNoor
❤18😢2
ইস্তিগফারের অলৌকিকতা
২০২৫ সালের ১১ই মে থেকে আমি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি—আমি প্রতিদিন ৩,০০০ বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করব। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। এর পাশাপাশি আমি নিয়মিত দরূদ শরীফ পড়তাম; ৫০০ বার, কখনো ১০০ বার। আমি নামাজ পড়তাম এবং আমার মাকেও দ্বীন সম্পর্কে শেখানোর চেষ্টা করতাম।
আমার মা খুবই সরল ও মনোযোগী। আমি যখন তাকে ইস্তিগফারের ফজিলত বললাম, তখন তিনিও শুরু করলেন—প্রতিদিন ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে। আমরা মা-মেয়ে শুধু গোনাহ মাফের জন্যই ইস্তিগফার করি। আর এই কয়েকদিনেই আমাদের জীবনে এমন কিছু পরিবর্তন এসেছে যা আমাদের চোখে অশ্রু এনে দিয়েছে।
আমার বাবা একজন সাংবাদিক। গত ৭–৮ মাস ধরে তিনি কোনো বিজ্ঞাপন পাচ্ছিলেন না, আমাদের পরিবার কষ্টে ছিল। কিন্তু ইস্তিগফার শুরু করার কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি ৪–৫টা বিজ্ঞাপন পেলেন। প্রতিটি বিজ্ঞাপনই ছিল ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকার, আলহামদুলিল্লাহ!
আমার একমাত্র ভাই স্কুলে যায়নি, আমরা চিন্তিত ছিলাম। এখন সে কাজ শুরু করেছে এবং বিদেশ যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। সবই আল্লাহর রহমতে সম্ভব হয়েছে। যারা এই লেখা পড়ছেন, আপনাদেরও অনুরোধ করছি ইস্তিগফার আর দরূদ পড়া শুরু করতে। দেখবেন—সমস্যার সমাধান হবে, রিজিকের দরজা খুলে যাবে এবং আল্লাহ আপনাদের ভালোবাসবেন।
ঘটনা: সাদিয়া আনাম মাইশার জীবন থেকে নেয়া।
way_of_islam808
Collected
@PathwayToNoor
২০২৫ সালের ১১ই মে থেকে আমি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি—আমি প্রতিদিন ৩,০০০ বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করব। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। এর পাশাপাশি আমি নিয়মিত দরূদ শরীফ পড়তাম; ৫০০ বার, কখনো ১০০ বার। আমি নামাজ পড়তাম এবং আমার মাকেও দ্বীন সম্পর্কে শেখানোর চেষ্টা করতাম।
আমার মা খুবই সরল ও মনোযোগী। আমি যখন তাকে ইস্তিগফারের ফজিলত বললাম, তখন তিনিও শুরু করলেন—প্রতিদিন ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে। আমরা মা-মেয়ে শুধু গোনাহ মাফের জন্যই ইস্তিগফার করি। আর এই কয়েকদিনেই আমাদের জীবনে এমন কিছু পরিবর্তন এসেছে যা আমাদের চোখে অশ্রু এনে দিয়েছে।
আমার বাবা একজন সাংবাদিক। গত ৭–৮ মাস ধরে তিনি কোনো বিজ্ঞাপন পাচ্ছিলেন না, আমাদের পরিবার কষ্টে ছিল। কিন্তু ইস্তিগফার শুরু করার কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি ৪–৫টা বিজ্ঞাপন পেলেন। প্রতিটি বিজ্ঞাপনই ছিল ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকার, আলহামদুলিল্লাহ!
আমার একমাত্র ভাই স্কুলে যায়নি, আমরা চিন্তিত ছিলাম। এখন সে কাজ শুরু করেছে এবং বিদেশ যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। সবই আল্লাহর রহমতে সম্ভব হয়েছে। যারা এই লেখা পড়ছেন, আপনাদেরও অনুরোধ করছি ইস্তিগফার আর দরূদ পড়া শুরু করতে। দেখবেন—সমস্যার সমাধান হবে, রিজিকের দরজা খুলে যাবে এবং আল্লাহ আপনাদের ভালোবাসবেন।
ঘটনা: সাদিয়া আনাম মাইশার জীবন থেকে নেয়া।
way_of_islam808
Collected
@PathwayToNoor
❤29🔥1
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤10
দ্রুত বিয়ে এবং বিয়ের জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার কিছু আমল!
১/ বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করা
২/ তাহাজ্জুদ ও সালাতুল হাজতের নামাজ পড়বেন।( রেগুলার)
৩/ বেশি বেশি এস্তেগফার পড়া । ( استغفر الله) উচ্চারণ আস্তাগফিরুল্লাহ
.৪/ বেশি বেশি এই আয়াত টি পড়বেন
সূরা আল-কাসাস আয়াত ২৪
.
َ رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
.
রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
.
এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।
৪/ এই আয়াত টি বেশি বেশি পড়বেন।
সূরা আল-ফুরকান আয়াত ৭৪
.
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
.
রাব্বানা-হাবলানা-মিন আঝওয়া-জিনা-ওয়া যুররিইইয়া-তিনা কুররাতা আ‘ইউনিওঁ ওয়াজ‘আলনা-লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা-।
৫/. প্রতিদিন ফজরের নামাযে পর يافتاح (ইয়া ফাত্তাহু) বাম হাতের উপর ডাম হাত রেখে আল্লাহর এই নামটি ৪০ বার পড়বেন। এভাবে ৪০ দিন পড়লে ইনশাআল্লাহ ফল পাওয়া যাবে। (পিরিয়ড থাকলেও এই আমল করবেন ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে )
৬/. বেশি বেশি তিলাওয়াতের অভ্যাস করুন।
৭/. আইয়ামে বীযসহ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সিয়াম পালন করুন।
৮/. এই দুয়াটা বেশি বেশি পড়ুন-
اللَّهمَّ اكْفِني بحلالِكَ عَن حَرَامِكَ، وَاغْنِني بِفَضلِكَ عَمَّن سِوَاكَ
আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।
ইনশা আল্লাহ দ্রুত আল্লাহ
উত্তম সঙ্গী মিলিয়ে দিবেন।
এমনকি বিবাহিত বোনেরাও এই দোয়া/আমল গুলো করতে পারেন। দাম্পত্য জীবন হবে আরও প্রশান্তির হবে ইন শা আল্লাহ।
.
পড়ার সুবিধার জন্য ডায়রীতে দোয়াটা লিখে রাখতে পারেন।
.
মনে রাখবেন, যেকোন দোয়া কবুলের শর্ত হল খুব আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর কাছে চাওয়া, আল্লাহর প্রশংসা করা, দুরুদ পাঠ করা এবং একজন নিঃস্ব-অসহায় হিসেবে আল্লাহর সামনে নিজেকে উপস্থাপন করা।
.
নিজের প্রয়োজনীয় ব্যাপার গুলো চাওয়ার পর দুরুদ ও আল্লাহর প্রশংসা দ্বারা দোয়া শেষ করা। দোয়া করার পর ধৈর্য্য ও বিশ্বাসের সাথে দোয়া কবুলের জন্য অপেক্ষা করা।
.
পাশাপাশি সকল হারাম ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
.
আরেকটি দোয়া
.
"হে আমার প্রতিপালক ,
নিশ্চয়ই তুমি অসীম দয়ালু , পরম করুনাময়।
মহান রব সবাইকে উওম জীবনসঙ্গী দান করুক।
collected
@PathwayToNoor
১/ বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করা
২/ তাহাজ্জুদ ও সালাতুল হাজতের নামাজ পড়বেন।( রেগুলার)
৩/ বেশি বেশি এস্তেগফার পড়া । ( استغفر الله) উচ্চারণ আস্তাগফিরুল্লাহ
.৪/ বেশি বেশি এই আয়াত টি পড়বেন
সূরা আল-কাসাস আয়াত ২৪
.
َ رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
.
রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
.
এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।
৪/ এই আয়াত টি বেশি বেশি পড়বেন।
সূরা আল-ফুরকান আয়াত ৭৪
.
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
.
রাব্বানা-হাবলানা-মিন আঝওয়া-জিনা-ওয়া যুররিইইয়া-তিনা কুররাতা আ‘ইউনিওঁ ওয়াজ‘আলনা-লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা-।
৫/. প্রতিদিন ফজরের নামাযে পর يافتاح (ইয়া ফাত্তাহু) বাম হাতের উপর ডাম হাত রেখে আল্লাহর এই নামটি ৪০ বার পড়বেন। এভাবে ৪০ দিন পড়লে ইনশাআল্লাহ ফল পাওয়া যাবে। (পিরিয়ড থাকলেও এই আমল করবেন ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে )
৬/. বেশি বেশি তিলাওয়াতের অভ্যাস করুন।
৭/. আইয়ামে বীযসহ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সিয়াম পালন করুন।
৮/. এই দুয়াটা বেশি বেশি পড়ুন-
اللَّهمَّ اكْفِني بحلالِكَ عَن حَرَامِكَ، وَاغْنِني بِفَضلِكَ عَمَّن سِوَاكَ
আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।
ইনশা আল্লাহ দ্রুত আল্লাহ
উত্তম সঙ্গী মিলিয়ে দিবেন।
এমনকি বিবাহিত বোনেরাও এই দোয়া/আমল গুলো করতে পারেন। দাম্পত্য জীবন হবে আরও প্রশান্তির হবে ইন শা আল্লাহ।
.
পড়ার সুবিধার জন্য ডায়রীতে দোয়াটা লিখে রাখতে পারেন।
.
মনে রাখবেন, যেকোন দোয়া কবুলের শর্ত হল খুব আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর কাছে চাওয়া, আল্লাহর প্রশংসা করা, দুরুদ পাঠ করা এবং একজন নিঃস্ব-অসহায় হিসেবে আল্লাহর সামনে নিজেকে উপস্থাপন করা।
.
নিজের প্রয়োজনীয় ব্যাপার গুলো চাওয়ার পর দুরুদ ও আল্লাহর প্রশংসা দ্বারা দোয়া শেষ করা। দোয়া করার পর ধৈর্য্য ও বিশ্বাসের সাথে দোয়া কবুলের জন্য অপেক্ষা করা।
.
পাশাপাশি সকল হারাম ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
.
আরেকটি দোয়া
.
"হে আমার প্রতিপালক ,
নিশ্চয়ই তুমি অসীম দয়ালু , পরম করুনাময়।
মহান রব সবাইকে উওম জীবনসঙ্গী দান করুক।
collected
@PathwayToNoor
❤15❤🔥2
"বর্তমানে একটি ট্রেন্ড চালু হয়েছে, মানুষ স্পষ্ট হারাম কাজে জড়িয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে ও সাহায্য কামনা করে! "(নাউযূবিল্লাহ্)
যেমন কিছু উদাহরণ যদি দেওয়া যায়:
১.ফেসবুক, ইস্টাগ্রামে মেয়েরা নিজেদের হিজাব ওয়ালা/হিজাব বিহীন ছবি দিয়ে সাথে কুরআনের আয়াতও পোস্ট করে "আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট/ তিনি তাকওয়াপূর্ণ ব্যক্তিদের পছন্দ করেন।"
(নাউযূবিল্লাহ্)
২.মাশাআল্লাহ আন্টি আপনার মেয়ে তো দারুন নাচতে পারে।
(নাউযূবিল্লাহ্)
৩. হ্যা "আলহামদুলিল্লাহ" স্কুলের ড্যান্স প্রতিযোগিতায় সে প্রথম হয়েছে। (নাউযূবিল্লাহ্)
৪৷ পরপুরুষ তার কলিগের স্ত্রীকে ইঙ্গিত করে ভাবি,
আর বইলেন না আপনি যা সুন্দর "মাশাআল্লাহ। (নাউযূবিল্লাহ্)
৫. ইনশাআল্লাহ এবার যদি আর্জেন্টিনা ওয়ার্ল্ড কাপ জিতে, তাহলে আমি নামায শুরু করবো। (নাউযূবিল্লাহ্)
৬. মাশাআল্লাহ আপনার ছেলের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান দারুন হয়েছিলো। যা ড্যান্স করেছে জোয়ান বুড়ো সবাই।
হ্যাঁ "দোআ" করবেন দ্বিতীয় ছেলেটার বিয়েও যেনো এমনভাবে পালন করতে পারি। (নাউযূবিল্লাহ্)
৭.ছেলে মেয়ে মিক্স ফ্রেন্ড সার্কেল'কে উদ্দেশ্য করে, আলহামদুলিল্লাহ আমরা ফ্রেন্ডসরা খুব হেল্পফুল। (নাউযূবিল্লাহ্)
৮. মাশাআল্লাহ তোমাকে তো এমনেই সুন্দর দেখায়, দাড়ি রাখবে কেনো। (নাউযূবিল্লাহ্)
৯. মাশাআল্লাহ আমার মেয়ে এতটাই সুন্দরী যে,
সব মানুষ ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। (নাউযূবিল্লাহ্)
১০৷ আমাদের রিলেশনের ৬ বছর কেটে গেলো আলহামদুলিল্লাহ। দোআ করবেন যেনো আমরা বফ/গফ এভাবেই সবসময় পাশে থাকি। (নাউযূবিল্লাহ্)
১১. এক আঙ্কেল এসে বললো, শুনছো অমুক ভাইয়ের ছেলের তো আল্লাহর রহমতে খ্রিষ্টা'ন মিশনা*রিতে চাকরি হয়ে গেছে। গাড়ি এসে তাকে নিয়ে যায়। (নাউযূবিল্লাহ্)
আরো হাজারো উদাহরণ এমন আছে!
আল্লাহ আমাদের'কে দ্বীনের সহীহ্ বুঝ দান করুন!
-সংগৃহিত
@PathwayToNoor
যেমন কিছু উদাহরণ যদি দেওয়া যায়:
১.ফেসবুক, ইস্টাগ্রামে মেয়েরা নিজেদের হিজাব ওয়ালা/হিজাব বিহীন ছবি দিয়ে সাথে কুরআনের আয়াতও পোস্ট করে "আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট/ তিনি তাকওয়াপূর্ণ ব্যক্তিদের পছন্দ করেন।"
(নাউযূবিল্লাহ্)
২.মাশাআল্লাহ আন্টি আপনার মেয়ে তো দারুন নাচতে পারে।
(নাউযূবিল্লাহ্)
৩. হ্যা "আলহামদুলিল্লাহ" স্কুলের ড্যান্স প্রতিযোগিতায় সে প্রথম হয়েছে। (নাউযূবিল্লাহ্)
৪৷ পরপুরুষ তার কলিগের স্ত্রীকে ইঙ্গিত করে ভাবি,
আর বইলেন না আপনি যা সুন্দর "মাশাআল্লাহ। (নাউযূবিল্লাহ্)
৫. ইনশাআল্লাহ এবার যদি আর্জেন্টিনা ওয়ার্ল্ড কাপ জিতে, তাহলে আমি নামায শুরু করবো। (নাউযূবিল্লাহ্)
৬. মাশাআল্লাহ আপনার ছেলের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান দারুন হয়েছিলো। যা ড্যান্স করেছে জোয়ান বুড়ো সবাই।
হ্যাঁ "দোআ" করবেন দ্বিতীয় ছেলেটার বিয়েও যেনো এমনভাবে পালন করতে পারি। (নাউযূবিল্লাহ্)
৭.ছেলে মেয়ে মিক্স ফ্রেন্ড সার্কেল'কে উদ্দেশ্য করে, আলহামদুলিল্লাহ আমরা ফ্রেন্ডসরা খুব হেল্পফুল। (নাউযূবিল্লাহ্)
৮. মাশাআল্লাহ তোমাকে তো এমনেই সুন্দর দেখায়, দাড়ি রাখবে কেনো। (নাউযূবিল্লাহ্)
৯. মাশাআল্লাহ আমার মেয়ে এতটাই সুন্দরী যে,
সব মানুষ ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। (নাউযূবিল্লাহ্)
১০৷ আমাদের রিলেশনের ৬ বছর কেটে গেলো আলহামদুলিল্লাহ। দোআ করবেন যেনো আমরা বফ/গফ এভাবেই সবসময় পাশে থাকি। (নাউযূবিল্লাহ্)
১১. এক আঙ্কেল এসে বললো, শুনছো অমুক ভাইয়ের ছেলের তো আল্লাহর রহমতে খ্রিষ্টা'ন মিশনা*রিতে চাকরি হয়ে গেছে। গাড়ি এসে তাকে নিয়ে যায়। (নাউযূবিল্লাহ্)
আরো হাজারো উদাহরণ এমন আছে!
আল্লাহ আমাদের'কে দ্বীনের সহীহ্ বুঝ দান করুন!
-সংগৃহিত
@PathwayToNoor
😢19❤15❤🔥2💯1