🔴 সকাল বেলার জিকিরমালা 🔴
এক. একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنوبَ إِلاَّ أَنْتَ.
আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা ইলাহা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূ’উ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূ’উ বিযাম্বী। ফাগফিরলী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আমার সাধ্যমতো আপনার (সাথে কৃত তাওহিদের) অঙ্গিকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির ওপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাইছি। আপনি আমাকে আপনার যে নেয়ামত দিয়েছেন, তা আমি স্বীকার করছি। আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ। আপনি আমায় ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ পাপরাশি ক্ষমা করে না। [১]
·
দুই. একবার বলবেন—
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغيثُ أَصْلِحْ لِي شَأْنِيَ كُلَّهُ وَلاَ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ.
ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যূমু বিরহমাতিকা আস্তাগীস, আসলিহ্ লী শা’নী কুল্লাহু, ওয়ালা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বরফাতা ‘আইন।
অর্থ: হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, আপনার রহমতের অসিলায় আমি আপনার কাছে সংকটমোচনের ফরিয়াদ করি, আপনি আমার সার্বিক অবস্থা সংশোধন করে দিন। আর আমাকে আমার নিজের কাছে আপনি এক পলকের জন্যও সোপর্দ করিয়েন না। [২]
·
তিন. একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي، وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَينِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي.
আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আফিয়াতা ফী দ্বীনী ওয়াদুনইয়াইয়া, ওয়া আহলী ওয়া মালী, আল্লাহুম্মাসতুর ‘আওরাতী ওয়া আমিন রাও‘আতি। আল্লাহুম্মাহফাযনী মিম্বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফী, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী, ওয়া ‘আন শিমালী, ওয়া মিন ফাওকী। ওয়া আ‘ঊযু বি‘আযামাতিকা আন উগতালা মিন তাহতী।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখেরাতে নিরাপত্তা কামনা করছি। হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাইছি আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও ধন-সম্পদের। হে আল্লাহ, আপনি আমার গোপন ত্রুটিগুলো ঢেকে রাখুন। আমার শঙ্কা ও ভীতিতে আমায় দান করুন নিরাপত্তা। হে আল্লাহ, আপনি আমাকে (ফেতনা ও বিপদ হতে) হেফাজত করুন আমার সামনের দিক থেকে, আমার পিছনের দিক থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে এবং আমার ওপরের দিক থেকে। আর আপনার মর্যাদার অসিলায় আশ্রয় চাইছি আমার নীচ থেকে অকস্মাৎ বিপদাপন্ন হওয়া থেকে। [৩]
·
চার. একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ عَالِمَ الغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَشَرِّ الشَّيْطانِ وَشَرَكِهِ.
আল্লাহুম্মা ‘আলিমাল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি ফাত্বিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি, রব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহ, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা। আ‘উযু বিকা মিন শার্রি নাফসী, ওয়া শাররিশ শাইত্বানি ওয়া শারাকিহী (কিংবা বলবেন: ওয়া শির্কিহী)।
অর্থ: হে আল্লাহ, হে অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী, হে আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, হে সকল কিছুর রব্ব ও মালিক, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি আমার আত্মার অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্টতা থেকে এবং তার যাবতীয় ফাঁদ থেকে (কিংবা তার কুমন্ত্রণায় পড়ে শির্ক করা থেকে)। [৪]
·
পাঁচ. তিনবার বলবেন—
رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبَّاً، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيناً، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيّاً.
রদ্বীতু বিল্লাহি রব্বাও, ওয়াবিল ইসলামি দ্বীনাও, ওয়াবি মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যা।
অর্থ: আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নবি হিসেবে গ্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট। [৫]
·
ছয়. তিনবার বলবেন—
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ.
বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আসমিহী শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা ফিস সামা’ই, ওয়াহুয়াস সামী‘উল ‘আলীম।
এক. একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنوبَ إِلاَّ أَنْتَ.
আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা ইলাহা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূ’উ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূ’উ বিযাম্বী। ফাগফিরলী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আমার সাধ্যমতো আপনার (সাথে কৃত তাওহিদের) অঙ্গিকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির ওপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাইছি। আপনি আমাকে আপনার যে নেয়ামত দিয়েছেন, তা আমি স্বীকার করছি। আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ। আপনি আমায় ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ পাপরাশি ক্ষমা করে না। [১]
·
দুই. একবার বলবেন—
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغيثُ أَصْلِحْ لِي شَأْنِيَ كُلَّهُ وَلاَ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ.
ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যূমু বিরহমাতিকা আস্তাগীস, আসলিহ্ লী শা’নী কুল্লাহু, ওয়ালা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বরফাতা ‘আইন।
অর্থ: হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, আপনার রহমতের অসিলায় আমি আপনার কাছে সংকটমোচনের ফরিয়াদ করি, আপনি আমার সার্বিক অবস্থা সংশোধন করে দিন। আর আমাকে আমার নিজের কাছে আপনি এক পলকের জন্যও সোপর্দ করিয়েন না। [২]
·
তিন. একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي، وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَينِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي.
আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আফিয়াতা ফী দ্বীনী ওয়াদুনইয়াইয়া, ওয়া আহলী ওয়া মালী, আল্লাহুম্মাসতুর ‘আওরাতী ওয়া আমিন রাও‘আতি। আল্লাহুম্মাহফাযনী মিম্বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফী, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী, ওয়া ‘আন শিমালী, ওয়া মিন ফাওকী। ওয়া আ‘ঊযু বি‘আযামাতিকা আন উগতালা মিন তাহতী।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখেরাতে নিরাপত্তা কামনা করছি। হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাইছি আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও ধন-সম্পদের। হে আল্লাহ, আপনি আমার গোপন ত্রুটিগুলো ঢেকে রাখুন। আমার শঙ্কা ও ভীতিতে আমায় দান করুন নিরাপত্তা। হে আল্লাহ, আপনি আমাকে (ফেতনা ও বিপদ হতে) হেফাজত করুন আমার সামনের দিক থেকে, আমার পিছনের দিক থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে এবং আমার ওপরের দিক থেকে। আর আপনার মর্যাদার অসিলায় আশ্রয় চাইছি আমার নীচ থেকে অকস্মাৎ বিপদাপন্ন হওয়া থেকে। [৩]
·
চার. একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ عَالِمَ الغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَشَرِّ الشَّيْطانِ وَشَرَكِهِ.
আল্লাহুম্মা ‘আলিমাল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি ফাত্বিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি, রব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহ, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা। আ‘উযু বিকা মিন শার্রি নাফসী, ওয়া শাররিশ শাইত্বানি ওয়া শারাকিহী (কিংবা বলবেন: ওয়া শির্কিহী)।
অর্থ: হে আল্লাহ, হে অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী, হে আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, হে সকল কিছুর রব্ব ও মালিক, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি আমার আত্মার অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্টতা থেকে এবং তার যাবতীয় ফাঁদ থেকে (কিংবা তার কুমন্ত্রণায় পড়ে শির্ক করা থেকে)। [৪]
·
পাঁচ. তিনবার বলবেন—
رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبَّاً، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيناً، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيّاً.
রদ্বীতু বিল্লাহি রব্বাও, ওয়াবিল ইসলামি দ্বীনাও, ওয়াবি মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যা।
অর্থ: আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নবি হিসেবে গ্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট। [৫]
·
ছয়. তিনবার বলবেন—
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ.
বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আসমিহী শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা ফিস সামা’ই, ওয়াহুয়াস সামী‘উল ‘আলীম।
❤6
অর্থ: আল্লাহর নামে (আমি আশ্রয় চাইছি এবং সুরক্ষিত হচ্ছি)। যাঁর নামের সহিত (আশ্রয় চাইলে) আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। বস্তুত তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী। [৬]
·
সাত. দশবার বলবেন—
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই, একচ্ছত্র রাজত্বের একমাত্র হকদার তিনিই, যাবতীয় প্রশংসার হকদারও কেবল তিনিই। আর তিনি সকল কিছু করার ক্ষমতাসম্পন্ন মহাশক্তিধর। [৭]
·
আট. একশবার বলবেন, চাইলে শরিয়তের অনুমতি থাকায় এরচেয়ে বেশিও বলতে পারেন—
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ.
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী।
অর্থ: আমি আল্লাহর স্বপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি। [৮]
·
নয়. শুধু সকালে একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ وَإِلَيْكَ النُّشُورُ.
আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা, ওয়াবিকা আমসাইনা, ওয়াবিকা নাহইয়া, ওয়াবিকা নামূতু, ওয়া ইলাইকান নুশূর।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমরা আপনার অনুগ্রহে সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনারই অনুগ্রহে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি। আর আপনার সাহায্যেই আমরা বেঁচে থাকি, আপনার দ্বারাই আমাদের মৃত্যু হয়; আর আপনার দিকেই হবে (আমাদের) উত্থান। [৯]
·
দশ. শুধু সকালে একবার বলবেন—
أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ.
আসবাহনা ওয়া আসবাহাল মুলকু লিল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। রব্বি আসআলুকা খাইরা মা ফী হাযাল ইয়াওমি ওয়া খাইরা মা বা‘দাহু, ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রি মা ফী হাযাল ইয়াওমি ওয়া শার্রি মা বা‘দাহ। রব্বি আঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূ’ইল কিবারি (কিংবা বলবেন: ওয়া সূ’ইল কিবরি) রবিব আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযাবিন ফিন্নারি ওয়া আযাবিন ফিল ক্ববর।
অর্থ: আমরা সকালে উপনীত হয়েছি, অনুরূপ সমুদয় রাজত্বও সকালে উপনীত হয়েছে, যার মালিক কেবল আল্লাহ। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই, একচ্ছত্র রাজত্বের একমাত্র হকদার তিনিই, যাবতীয় প্রশংসার হকদারও কেবল তিনিই। আর তিনি সকল কিছু করার ক্ষমতাসম্পন্ন মহাশক্তিধর।
হে প্রভু, এই দিনের মাঝে এবং এর পরে যত কল্যাণ আছে আমি আপনার কাছে তা প্রার্থনা করছি। আর এই দিনের মাঝে এবং এর পরে যত অকল্যাণ আছে, তা থেকে আমি আপনার আশ্রয় চাইছি। হে প্রভু, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি অলসতা ও খারাপ বার্ধক্য থেকে (কিংবা নিকৃষ্ট অহমিকা থেকে)। হে প্রভু, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি জাহান্নামের আজাব থেকে এবং (আশ্রয় চাইছি) কবরের আজাব থেকে। [১০]
·
এগারো. শুধু সকালে একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ مَا أَصْبَحَ بِي مِنْ نِعْمَةٍ أَوْ بِأَحَدٍ مِنْ خَلْقِكَ فَمِنْكَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، فَلَكَ الْحَمْدُ وَلَكَ الشُّكْرُ.
আল্লাহুম্মা মা আসবাহা বী মিন নি‘মাতিন আউ বিআহাদিন মিন খালক্বিকা ফামিনকা ওয়াহদাকা লা শারীকা লাক, ফালাকাল হামদু ওয়ালাকাশ শুকর।
অর্থ: হে আল্লাহ, যে নেয়ামত আমার সাথে সকালে উপনীত হয়েছে, অথবা আপনার সৃষ্টির অন্য কারও সাথে; এসব নেয়ামত কেবল আপনার নিকট থেকেই (এসেছে), আপনার কোনো শরিক নেই। সুতরাং সকল প্রশংসা আপনারই জন্য নিবেদিত। আর সকল কৃতজ্ঞতাও আপনারই প্রাপ্য। [১১]
[অনুবাদকের টীকা: নয়, দশ ও এগারোতম জিকির সন্ধ্যাতেও পাঠ করতে হয়। কিন্তু সামান্য কিছু শব্দের হেরফের থাকে, সন্ধ্যার জিকিরে সেগুলো উল্লেখ করা হবে, ইনশাআল্লাহ। টীকা সমাপ্ত]
·
বারো. শুধু সকালে একবার বলবেন—
أَصْبَحْنا عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلاَمِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلاَصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ، حَنِيفاً مُسْلِماً وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشرِكِينَ.
আসবাহনা ‘আলা ফিতরাতিল ইসলামি ওয়া ‘আলা কালিমাতিল ইখলাসি ওয়া ‘আলা দ্বীনি নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ওয়া আলা মিল্লাতি আবীনা ইবরাহীমা হানীফাম মুসলিমাও ওয়ামা কানা মিনাল মুশরিকীন।
·
সাত. দশবার বলবেন—
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই, একচ্ছত্র রাজত্বের একমাত্র হকদার তিনিই, যাবতীয় প্রশংসার হকদারও কেবল তিনিই। আর তিনি সকল কিছু করার ক্ষমতাসম্পন্ন মহাশক্তিধর। [৭]
·
আট. একশবার বলবেন, চাইলে শরিয়তের অনুমতি থাকায় এরচেয়ে বেশিও বলতে পারেন—
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ.
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী।
অর্থ: আমি আল্লাহর স্বপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি। [৮]
·
নয়. শুধু সকালে একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ وَإِلَيْكَ النُّشُورُ.
আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা, ওয়াবিকা আমসাইনা, ওয়াবিকা নাহইয়া, ওয়াবিকা নামূতু, ওয়া ইলাইকান নুশূর।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমরা আপনার অনুগ্রহে সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনারই অনুগ্রহে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি। আর আপনার সাহায্যেই আমরা বেঁচে থাকি, আপনার দ্বারাই আমাদের মৃত্যু হয়; আর আপনার দিকেই হবে (আমাদের) উত্থান। [৯]
·
দশ. শুধু সকালে একবার বলবেন—
أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ.
আসবাহনা ওয়া আসবাহাল মুলকু লিল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। রব্বি আসআলুকা খাইরা মা ফী হাযাল ইয়াওমি ওয়া খাইরা মা বা‘দাহু, ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রি মা ফী হাযাল ইয়াওমি ওয়া শার্রি মা বা‘দাহ। রব্বি আঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূ’ইল কিবারি (কিংবা বলবেন: ওয়া সূ’ইল কিবরি) রবিব আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযাবিন ফিন্নারি ওয়া আযাবিন ফিল ক্ববর।
অর্থ: আমরা সকালে উপনীত হয়েছি, অনুরূপ সমুদয় রাজত্বও সকালে উপনীত হয়েছে, যার মালিক কেবল আল্লাহ। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই, একচ্ছত্র রাজত্বের একমাত্র হকদার তিনিই, যাবতীয় প্রশংসার হকদারও কেবল তিনিই। আর তিনি সকল কিছু করার ক্ষমতাসম্পন্ন মহাশক্তিধর।
হে প্রভু, এই দিনের মাঝে এবং এর পরে যত কল্যাণ আছে আমি আপনার কাছে তা প্রার্থনা করছি। আর এই দিনের মাঝে এবং এর পরে যত অকল্যাণ আছে, তা থেকে আমি আপনার আশ্রয় চাইছি। হে প্রভু, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি অলসতা ও খারাপ বার্ধক্য থেকে (কিংবা নিকৃষ্ট অহমিকা থেকে)। হে প্রভু, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি জাহান্নামের আজাব থেকে এবং (আশ্রয় চাইছি) কবরের আজাব থেকে। [১০]
·
এগারো. শুধু সকালে একবার বলবেন—
اللَّهُمَّ مَا أَصْبَحَ بِي مِنْ نِعْمَةٍ أَوْ بِأَحَدٍ مِنْ خَلْقِكَ فَمِنْكَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، فَلَكَ الْحَمْدُ وَلَكَ الشُّكْرُ.
আল্লাহুম্মা মা আসবাহা বী মিন নি‘মাতিন আউ বিআহাদিন মিন খালক্বিকা ফামিনকা ওয়াহদাকা লা শারীকা লাক, ফালাকাল হামদু ওয়ালাকাশ শুকর।
অর্থ: হে আল্লাহ, যে নেয়ামত আমার সাথে সকালে উপনীত হয়েছে, অথবা আপনার সৃষ্টির অন্য কারও সাথে; এসব নেয়ামত কেবল আপনার নিকট থেকেই (এসেছে), আপনার কোনো শরিক নেই। সুতরাং সকল প্রশংসা আপনারই জন্য নিবেদিত। আর সকল কৃতজ্ঞতাও আপনারই প্রাপ্য। [১১]
[অনুবাদকের টীকা: নয়, দশ ও এগারোতম জিকির সন্ধ্যাতেও পাঠ করতে হয়। কিন্তু সামান্য কিছু শব্দের হেরফের থাকে, সন্ধ্যার জিকিরে সেগুলো উল্লেখ করা হবে, ইনশাআল্লাহ। টীকা সমাপ্ত]
·
বারো. শুধু সকালে একবার বলবেন—
أَصْبَحْنا عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلاَمِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلاَصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ، حَنِيفاً مُسْلِماً وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشرِكِينَ.
আসবাহনা ‘আলা ফিতরাতিল ইসলামি ওয়া ‘আলা কালিমাতিল ইখলাসি ওয়া ‘আলা দ্বীনি নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ওয়া আলা মিল্লাতি আবীনা ইবরাহীমা হানীফাম মুসলিমাও ওয়ামা কানা মিনাল মুশরিকীন।
❤3
অর্থ: আমরা সকালে উপনীত হয়েছি ইসলামের ফিতরাতের (দ্বীনের) ওপর, একনিষ্ঠ বাণীর (তাওহিদি কালিমার) ওপর, আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দ্বীনের ওপর, আর আমাদের পিতা ইবরাহীম ‘আলাইহিস সালামের আদর্শের ওপর, যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ (তাওহিদবাদি) মুসলিম এবং যিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। [১২]
·
তেরো. শুধু সকালে একবার, বা দুইবার, অথবা তিনবার, কিংবা চারবার বলবেন—
اللَّهُمَّ إِنَّا أَصْبَحْنَا نُشْهِدُكَ، وَنُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلاَئِكَتَكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ.
আল্লাহুম্মা ইন্না আসবাহনা নুশহিদুকা ওয়া নুশহিদু হামালাতা ‘আরশিকা ওয়া মালা’ইকাতাকা ওয়া জামী‘আ খালক্বিকা, আন্নাকা আনতাল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা আনতা, ওয়াহদাকা লা শারীকা লাক, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুকা ওয়া রাসূলুক।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমরা সকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমরা সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে এবং আপনার সকল সৃষ্টিকে; (আমাদের এ স্বীকৃতির ব্যাপারে যে,) নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, কেবল আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, আপনার কোনো শরিক নেই, আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রসুল। [১৩]
·
পাদটীকা:
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
[১]. সহিহ বুখারি, হা/৬৩০৬।
[২]. নাসাঈ কৃত সুনানুল কুবরা, হা/১০৪০৫; বুখারি কৃত আদাবুল মুফরাদ, হা/৭০১; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৩]. আবু দাউদ, হা/৫০৭৪; ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৭১; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৪]. আবু দাউদ, হা/৫০৬৭; ইবনু মাজাহ, হা/৩৫২৯; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৫]. আহমাদ, হা/১৮৯৬৭; সনদ: হাসান (তাহকিক: ইবনু বায)। পঞ্চম জিকিরে ‘ওয়া বিমুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যা’র স্থলে কিছু বর্ণনায় ‘ওয়া বিমুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা রসূলা’ এসেছে। শাইখ উসাইমীর মতে এসব বর্ণনা সঠিক নয়, বিধায় এর ওপর আমল করা যাবে না।
[৬]. আবু দাউদ, হা/৫০৮৮; তিরমিজি, হা/৩৩৮৮; ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৬৯; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৭]. নাসাঈ কৃত সুনানুল কুবরা, হা/৯৮৪৬; আহমাদ, হা/৮৭১৯; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৮]. সহিহ মুসলিম, হা/২৬৯২।
[৯]. আবু দাউদ, হা/৫০৬৮; তিরমিজি, হা/৩৩৯১; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[১০]. সহিহ মুসলিম, হা/২৭২৩; তাবারানি কৃত আদ-দুআ, হা/৯০৮।
[১১]. আবু দাউদ, হা/৫০৭৫; নাসাঈ কৃত আস-সুনানুল কুবরা, হা/৯৮৩৫; সনদ: হাসান (তাহকিক: ইবনু বায)।
[১২]. আহমাদ, হা/১৫৩৬০; নাসাঈ কৃত আস-সুনানুল কুবরা, হা/৯৮২৯; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)। শাইখ উসাইমী হাফিযাহুল্লাহর মতে এই জিকির সন্ধ্যায় পড়া যাবে না। কারণ এ সম্পর্কিত বর্ণনা দুর্বল, আবার মর্মার্থের দিক থেকেও তা সঠিক নয়।
[১৩]. বুখারি কৃত আদাবুল মুফরাদ, হা/১২০১; সনদ: হাসান (তাহকিক: ইবনু বায)।
[১৪]. কিছু উলামার মতে সন্ধ্যার জিকির করার সময়সীমা আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিবের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত। শাইখ উসাইমী হাফিযাহুল্লাহর মতে উক্ত মতটি সঠিক নয়। সন্ধ্যার জিকির কখনোই সূর্যাস্তের আগে পড়া যাবে না। এর স্বপক্ষে শাইখ বেশকিছু দলিল উল্লেখ করেছেন, ওয়ালিল্লাহিল হামদ (তিরমিজি, হা/৩৩৮৮; ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৬৯; সনদ: সহিহ; সহিহ বুখারি, হা/৬৩০৬)।
[১৫]. সহিহ মুসলিম, হা/২৭০৯; শাইখ উসাইমীর মতে ‘আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি...’ শীর্ষক জিকিরটি শুধু সন্ধ্যায় করতে হবে। সকালে করার যে বর্ণনা আছে, তা দুর্বল। আর জিকিরটি শুধু একবারই বলতে হবে। তিনবার বলার বর্ণনাও শাইখের মতে দুর্বল, যে বর্ণনাটি তিরমিযীতে এসেছে।
লেখা: মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ মৃধা হাফি.
সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে
Collected
@PathwayToNoor
·
তেরো. শুধু সকালে একবার, বা দুইবার, অথবা তিনবার, কিংবা চারবার বলবেন—
اللَّهُمَّ إِنَّا أَصْبَحْنَا نُشْهِدُكَ، وَنُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلاَئِكَتَكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ.
আল্লাহুম্মা ইন্না আসবাহনা নুশহিদুকা ওয়া নুশহিদু হামালাতা ‘আরশিকা ওয়া মালা’ইকাতাকা ওয়া জামী‘আ খালক্বিকা, আন্নাকা আনতাল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা আনতা, ওয়াহদাকা লা শারীকা লাক, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুকা ওয়া রাসূলুক।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমরা সকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমরা সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে এবং আপনার সকল সৃষ্টিকে; (আমাদের এ স্বীকৃতির ব্যাপারে যে,) নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, কেবল আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, আপনার কোনো শরিক নেই, আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রসুল। [১৩]
·
পাদটীকা:
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
[১]. সহিহ বুখারি, হা/৬৩০৬।
[২]. নাসাঈ কৃত সুনানুল কুবরা, হা/১০৪০৫; বুখারি কৃত আদাবুল মুফরাদ, হা/৭০১; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৩]. আবু দাউদ, হা/৫০৭৪; ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৭১; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৪]. আবু দাউদ, হা/৫০৬৭; ইবনু মাজাহ, হা/৩৫২৯; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৫]. আহমাদ, হা/১৮৯৬৭; সনদ: হাসান (তাহকিক: ইবনু বায)। পঞ্চম জিকিরে ‘ওয়া বিমুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যা’র স্থলে কিছু বর্ণনায় ‘ওয়া বিমুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা রসূলা’ এসেছে। শাইখ উসাইমীর মতে এসব বর্ণনা সঠিক নয়, বিধায় এর ওপর আমল করা যাবে না।
[৬]. আবু দাউদ, হা/৫০৮৮; তিরমিজি, হা/৩৩৮৮; ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৬৯; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৭]. নাসাঈ কৃত সুনানুল কুবরা, হা/৯৮৪৬; আহমাদ, হা/৮৭১৯; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[৮]. সহিহ মুসলিম, হা/২৬৯২।
[৯]. আবু দাউদ, হা/৫০৬৮; তিরমিজি, হা/৩৩৯১; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)।
[১০]. সহিহ মুসলিম, হা/২৭২৩; তাবারানি কৃত আদ-দুআ, হা/৯০৮।
[১১]. আবু দাউদ, হা/৫০৭৫; নাসাঈ কৃত আস-সুনানুল কুবরা, হা/৯৮৩৫; সনদ: হাসান (তাহকিক: ইবনু বায)।
[১২]. আহমাদ, হা/১৫৩৬০; নাসাঈ কৃত আস-সুনানুল কুবরা, হা/৯৮২৯; সনদ: সহিহ (তাহকিক: আলবানি)। শাইখ উসাইমী হাফিযাহুল্লাহর মতে এই জিকির সন্ধ্যায় পড়া যাবে না। কারণ এ সম্পর্কিত বর্ণনা দুর্বল, আবার মর্মার্থের দিক থেকেও তা সঠিক নয়।
[১৩]. বুখারি কৃত আদাবুল মুফরাদ, হা/১২০১; সনদ: হাসান (তাহকিক: ইবনু বায)।
[১৪]. কিছু উলামার মতে সন্ধ্যার জিকির করার সময়সীমা আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিবের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত। শাইখ উসাইমী হাফিযাহুল্লাহর মতে উক্ত মতটি সঠিক নয়। সন্ধ্যার জিকির কখনোই সূর্যাস্তের আগে পড়া যাবে না। এর স্বপক্ষে শাইখ বেশকিছু দলিল উল্লেখ করেছেন, ওয়ালিল্লাহিল হামদ (তিরমিজি, হা/৩৩৮৮; ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৬৯; সনদ: সহিহ; সহিহ বুখারি, হা/৬৩০৬)।
[১৫]. সহিহ মুসলিম, হা/২৭০৯; শাইখ উসাইমীর মতে ‘আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি...’ শীর্ষক জিকিরটি শুধু সন্ধ্যায় করতে হবে। সকালে করার যে বর্ণনা আছে, তা দুর্বল। আর জিকিরটি শুধু একবারই বলতে হবে। তিনবার বলার বর্ণনাও শাইখের মতে দুর্বল, যে বর্ণনাটি তিরমিযীতে এসেছে।
লেখা: মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ মৃধা হাফি.
সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে
Collected
@PathwayToNoor
❤5
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤4
*কারো লাগলে কপি করে রাখতে পারেন, কিংবা যদি কারো ভুল হয় এখান থেকে শিখে নিবেন ইনশাআল্লাহ।*
দোয়া কুনুত — আরবী
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ
وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ
وَنُثْنِي عَلَيْكَ الْخَيْرَ
وَنَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ
وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ
اللَّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ
وَلَكَ نُصَلِّي وَنَسْجُدُ
وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ
وَنَرْجُو رَحْمَتَكَ
وَنَخْشَى عَذَابَكَ
إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
🗣️ বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতা‘ঈনুকা ওয়া নাস্তাগফিরুকা,
ওয়া নু’মিনু বিকা ওয়া নাতাওয়াক্কালু ‘আলাইকা,
ওয়া নুছনী ‘আলাইকাল খাইর,
ওয়া নাশকুরুকা ওয়া লা নাকফুরুকা,
ওয়া নাখলাউ ওয়া নাত্রুকু মান ইয়াফজুরুক।
আল্লাহুম্মা ইইয়্যাকা না’বুদু,
ওয়া লাকা নুসাল্লী ওয়া নাসজুদ,
ওয়া ইলাইকা নাস‘আ ওয়া নাহফিদ,
ওয়া নারজু রহমাতাকা,
ওয়া নাখশা ‘আজাবাকা,
ইন্না ‘আজাবাকা বিল কুফফারি মুলহিক।
📜 অর্থ (বাংলা)
হে আল্লাহ! আমরা তোমার সাহায্য চাই, তোমার কাছে ক্ষমা চাই।
আমরা তোমার উপর ঈমান আনি এবং তোমার উপর ভরসা করি।
আমরা তোমার প্রশংসা করি, তোমার কৃতজ্ঞতা আদায় করি, অকৃতজ্ঞ হই না।
এবং যারা তোমার অবাধ্য হয়, তাদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করি।
হে আল্লাহ! আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি,
তোমারই জন্য নামাজ পড়ি ও সিজদা করি।
আমরা তোমার দিকেই ধাবিত হই ও চেষ্টা করি।
আমরা তোমার রহমত আশা করি,
তোমার শাস্তিকে ভয় করি।
নিশ্চয়ই তোমার শাস্তি কাফেরদের জন্য অবধারিত।
collected
#PathwayToNoor
দোয়া কুনুত — আরবী
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ
وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ
وَنُثْنِي عَلَيْكَ الْخَيْرَ
وَنَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ
وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ
اللَّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ
وَلَكَ نُصَلِّي وَنَسْجُدُ
وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ
وَنَرْجُو رَحْمَتَكَ
وَنَخْشَى عَذَابَكَ
إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
🗣️ বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতা‘ঈনুকা ওয়া নাস্তাগফিরুকা,
ওয়া নু’মিনু বিকা ওয়া নাতাওয়াক্কালু ‘আলাইকা,
ওয়া নুছনী ‘আলাইকাল খাইর,
ওয়া নাশকুরুকা ওয়া লা নাকফুরুকা,
ওয়া নাখলাউ ওয়া নাত্রুকু মান ইয়াফজুরুক।
আল্লাহুম্মা ইইয়্যাকা না’বুদু,
ওয়া লাকা নুসাল্লী ওয়া নাসজুদ,
ওয়া ইলাইকা নাস‘আ ওয়া নাহফিদ,
ওয়া নারজু রহমাতাকা,
ওয়া নাখশা ‘আজাবাকা,
ইন্না ‘আজাবাকা বিল কুফফারি মুলহিক।
📜 অর্থ (বাংলা)
হে আল্লাহ! আমরা তোমার সাহায্য চাই, তোমার কাছে ক্ষমা চাই।
আমরা তোমার উপর ঈমান আনি এবং তোমার উপর ভরসা করি।
আমরা তোমার প্রশংসা করি, তোমার কৃতজ্ঞতা আদায় করি, অকৃতজ্ঞ হই না।
এবং যারা তোমার অবাধ্য হয়, তাদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করি।
হে আল্লাহ! আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি,
তোমারই জন্য নামাজ পড়ি ও সিজদা করি।
আমরা তোমার দিকেই ধাবিত হই ও চেষ্টা করি।
আমরা তোমার রহমত আশা করি,
তোমার শাস্তিকে ভয় করি।
নিশ্চয়ই তোমার শাস্তি কাফেরদের জন্য অবধারিত।
collected
#PathwayToNoor
❤4
আমার তো মনে হয় প্রত্যেকেই আমরা জীবনে এমন কোনো না কোনো ভুল করেছি যা যদি কখনো প্রকাশ পেয়ে যায় লজ্জায় আর কাউকে মুখ দেখাতে পারবো না।
প্রায়ই ভাবি ইশ! যদি সেই ভুল গুলো জীবন থেকে একেবারে "শিফট ডিলিট" করে দিতে পারতাম!কতই না ভালো হত! এই ইশ এর জবাবেই সম্ভবত আল্লাহর রাসূল দুআটি শিখিয়ে ছিলেন "اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি মহানুভব ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে পছন্দ করেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।’!"
ক্ষমা দুই ধরনের মাগফিরাহ مغفرة আর আ'ফু عفو তবে দুটোর মধ্যে আছে বিস্তর ফারাক মাগফিরাহ তে আল্লাহ আমাদের ভুলটি ক্ষমা করবেন ঠিকই তবে তা স্টিল আমাদের আমল নামায় লিখা থাকবে অর্থাৎ পিসির রিসাইকেল বিনে পরে থাকার মত ফেরেস্তারাও সেটা জানবে হাশরের ময়দানে সেগুলোর কোনো কন্সিকুয়েন্স হয়তো থাকবে না তবে পসিবিলিটি থাকবে যে তিনি আমাদেরকে সেই ভুল গুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।
তবে আ'ফুর বিষয়টা পুরোপুরি অন্য লেভেলর আ'ফু শুধু ক্ষমাই না ভুল গুলো তিনি আমল নামা থেকে এমন ভাবে মুছে দিবেন যেন তা কখনো ছিলই না এমনিকি ফেরেশতাদের মেমোরি থেকেও মুছে দেয়া হবে এ যেন এক কমপ্লিট "শিফট ডিলিট"!!! অর্থাৎ রিসাইকেল বিন থেকেও গায়েব!
তাইতো মা আয়েশা রা. যখন জিজ্ঞেস করেছিলেন হে আল্লাহর রাসূল! কদর পেয়ে গেলে আমি কি চাইবো? উত্তরে তিনি মাগফিরাহ শিখাননি শিখিছিলেন আ'ফুন!রমজানের শেষ দশক শুরু নিজেকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্যই তাই লিখা"
হে আল্লাহ! আপনি শুধু ক্ষমাই করতে পারেন না তা শিফট ডিলিটও করতে পারেন আসলে আপনি তো তা শিফট ডিলিট করতেই ভালোবাসেন তাই আবদার হে আল্লাহ!আমার ভুল গুলো প্লিজ প্লিজ তা চিরতরে গায়েব করে দিন এবং
আমায় ক্ষমা করে দিন!!!
collected
@PathwayToNoor
প্রায়ই ভাবি ইশ! যদি সেই ভুল গুলো জীবন থেকে একেবারে "শিফট ডিলিট" করে দিতে পারতাম!কতই না ভালো হত! এই ইশ এর জবাবেই সম্ভবত আল্লাহর রাসূল দুআটি শিখিয়ে ছিলেন "اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি মহানুভব ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে পছন্দ করেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।’!"
ক্ষমা দুই ধরনের মাগফিরাহ مغفرة আর আ'ফু عفو তবে দুটোর মধ্যে আছে বিস্তর ফারাক মাগফিরাহ তে আল্লাহ আমাদের ভুলটি ক্ষমা করবেন ঠিকই তবে তা স্টিল আমাদের আমল নামায় লিখা থাকবে অর্থাৎ পিসির রিসাইকেল বিনে পরে থাকার মত ফেরেস্তারাও সেটা জানবে হাশরের ময়দানে সেগুলোর কোনো কন্সিকুয়েন্স হয়তো থাকবে না তবে পসিবিলিটি থাকবে যে তিনি আমাদেরকে সেই ভুল গুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।
তবে আ'ফুর বিষয়টা পুরোপুরি অন্য লেভেলর আ'ফু শুধু ক্ষমাই না ভুল গুলো তিনি আমল নামা থেকে এমন ভাবে মুছে দিবেন যেন তা কখনো ছিলই না এমনিকি ফেরেশতাদের মেমোরি থেকেও মুছে দেয়া হবে এ যেন এক কমপ্লিট "শিফট ডিলিট"!!! অর্থাৎ রিসাইকেল বিন থেকেও গায়েব!
তাইতো মা আয়েশা রা. যখন জিজ্ঞেস করেছিলেন হে আল্লাহর রাসূল! কদর পেয়ে গেলে আমি কি চাইবো? উত্তরে তিনি মাগফিরাহ শিখাননি শিখিছিলেন আ'ফুন!রমজানের শেষ দশক শুরু নিজেকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্যই তাই লিখা"
হে আল্লাহ! আপনি শুধু ক্ষমাই করতে পারেন না তা শিফট ডিলিটও করতে পারেন আসলে আপনি তো তা শিফট ডিলিট করতেই ভালোবাসেন তাই আবদার হে আল্লাহ!আমার ভুল গুলো প্লিজ প্লিজ তা চিরতরে গায়েব করে দিন এবং
আমায় ক্ষমা করে দিন!!!
collected
@PathwayToNoor
❤9❤🔥4
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
রমাদান আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছে!😭
এখন থেকেই শুধু ঈদের আনন্দে মেতে ওঠার পরিবর্তে—এই মহামান্য অতিথির বিদায়ে কিছুটা আফসোস ও বেদনা অনুভব করি। রমাদান আমাদের ছেড়ে যাচ্ছে! একজন সুন্দর সঙ্গী আমাদের থেকে বিদায় নিচ্ছে। রমাদানে জীবন কতটা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে যায়! কতটা বদলে যায় আমাদের জীবনধারা— অবাধ্যতা থেকে আনুগত্যের দিকে, সময় অপচয় থেকে সময়ের মূল্য বোঝার দিকে। এ মাস আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের প্রকৃত সামর্থ্য এবং আমাদের অবহেলা। এখন এই মহিমান্বিত মাসের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই এটিকে শক্তভাবে শেষ করি। আন্তরিকভাবে তাওবা করি।
আমাদের সব আমল কবুল হওয়ার জন্য দোয়া করি। আর দোয়া করি যেন সারা বছর এই ভালো পরিবর্তনগুলো ধরে রাখতে পারি, ইনশাআল্লাহ।
▪️*رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ*
উচ্চারণ : রব্বানা- ইন্নানা- আ-মান্না- ফাগফিরলানা- যুনূবানা- ওয়াক্বিনা- ‘আযা-বান্ন-র।
অর্থ : ‘হে আমাদের রব্! নিশ্চয় আমরা ঈমান এনেছি। অতএব আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের ‘আযাব হ’তে রক্ষা করুন’।
▪️*رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ*
উচ্চারণঃ রাব্বানা-তাকাব্বাল মিন্না-ইন্নাকা আনতাছ ছামী‘উল ‘আলীম।
অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পক্ষ হতে (এ সেবা) কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি এবং কেবল আপনিই সব কিছু শােনেন ও সবকিছু জানেন।
আমিন, হে সমগ্র জগতের রব!
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
এখন থেকেই শুধু ঈদের আনন্দে মেতে ওঠার পরিবর্তে—এই মহামান্য অতিথির বিদায়ে কিছুটা আফসোস ও বেদনা অনুভব করি। রমাদান আমাদের ছেড়ে যাচ্ছে! একজন সুন্দর সঙ্গী আমাদের থেকে বিদায় নিচ্ছে। রমাদানে জীবন কতটা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে যায়! কতটা বদলে যায় আমাদের জীবনধারা— অবাধ্যতা থেকে আনুগত্যের দিকে, সময় অপচয় থেকে সময়ের মূল্য বোঝার দিকে। এ মাস আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের প্রকৃত সামর্থ্য এবং আমাদের অবহেলা। এখন এই মহিমান্বিত মাসের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই এটিকে শক্তভাবে শেষ করি। আন্তরিকভাবে তাওবা করি।
আমাদের সব আমল কবুল হওয়ার জন্য দোয়া করি। আর দোয়া করি যেন সারা বছর এই ভালো পরিবর্তনগুলো ধরে রাখতে পারি, ইনশাআল্লাহ।
▪️*رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ*
উচ্চারণ : রব্বানা- ইন্নানা- আ-মান্না- ফাগফিরলানা- যুনূবানা- ওয়াক্বিনা- ‘আযা-বান্ন-র।
অর্থ : ‘হে আমাদের রব্! নিশ্চয় আমরা ঈমান এনেছি। অতএব আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের ‘আযাব হ’তে রক্ষা করুন’।
▪️*رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ*
উচ্চারণঃ রাব্বানা-তাকাব্বাল মিন্না-ইন্নাকা আনতাছ ছামী‘উল ‘আলীম।
অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পক্ষ হতে (এ সেবা) কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি এবং কেবল আপনিই সব কিছু শােনেন ও সবকিছু জানেন।
আমিন, হে সমগ্র জগতের রব!
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
❤13
*اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي*
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।
Collected
@PathwayToNoor
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।
Collected
@PathwayToNoor
❤10
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
এমন দৃশ্য আমি কখনো দেখিনি। অনেক শাইখ-শাইখাকে শুনিয়েছি, তারাও জীবনে এমন অলৌকিক কিছু দেখেননি।
দিনটি ছিল আর পাঁচটা দিনের মতোই। কর্মস্থল থেকে ফোন এলো, ‘উম্মু ফিরাস! একটি লাশ এসেছে...একজন বয়স্ক মহিলার, আপনি কি এখন আসতে পারবেন?’
আমি মৃত-নারীদের গোসল করাই। আমাদের সৌদি আরবে সরকারিভাবে লাশ গোসল করানোর জায়গা আছে। ফ্রিতেই গোসল করানো, কাফন-দাফন করানো যায়। আবার কেউ চাইলে ফোন করে কোনো কর্মীকে বাসায় ডাকতে পারেন লাশ গোসল করানোর জন্য।
তো, গোসলখানায় গিয়ে দেখলাম বেশ কয়েকজন নারী কান্নাকাটি করছেন। কাঁদতে কাঁদতে যেন জীবনই ছেড়ে দিবেন। দেখে খারাপ লাগল, আবার ভালোও লাগল। ভালো লাগার কারণ, আমাদের এখানে যে লাশগুলো আনা হয়, সেগুলোর সাথে সচারচর এত মানুষ থাকে না। অনেক সময় দরকারেও লাশের আত্মীয়স্বজনকে কাছে পাওয়া যায় না। বেশিভাগ সময় লাশ রেখে চলে যায়, গোসল করানোর পর এসে নিয়ে যায়। থাকলে থাকে এক-দুজন। গোসল করানো, কাফন পরানো—সব আমরাই, গোসলখানার কর্মীরাই করি। কখনো কখনো তো দাফনের দায়িত্বও গোসলখানার লোকদের ঘাড়ে দিয়ে দেয় আত্মীয়রা।
কিন্তু এই লাশের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেখলাম কয়েকজন বয়স্ক মহিলা ‘মা, মা’ বলে কাঁদছেন। মানে যিনি মারা গেছেন, তিনি উনাদের 'মা' হন। ভাবছি, এই মহিলাদের বয়সই তো ষাট-সত্তরের কম হবে না, তাহলে মৃতার বয়স কত!
আমি উনাদেরকে সান্ত্বনা দিলাম। ‘আল্লাহ আপনাদের মায়ের ওপর রহম করুন। তাকে জান্নাতবাসী করুন। একটু শান্ত হোন। কারোরই মা-বাবা চিরদিন বাঁচে না। আমাদের সবাইকেই এক দিন না এক দিন মরতে হবে।’
কিন্তু উনারা এমন ব্যাকুলভাবে কাঁদছিলেন, কখন যে আমার নিজের চোখে পানি চলে এসেছে, বুঝতেও পারিনি।
কিন্তু এঁদের সাথে বসে কান্নাকাটি করলে চলবে না। লাশ গোসল করাতে হবে। আমি যখন গোসলখানার দিকে যাচ্ছি, তখন মহিলাদের আরেক আহাজারি। ‘আমাকে সাথে নিবেন, আপা?’ ‘আমিও গোসল করানোর সময় থাকতে চাই!’ ‘আমি কি আপনার কোনো হেল্প করতে পারি?’ ‘আমাকেও সাথে নিন, প্লিজ!’ ‘শেষবারের মতো মায়ের খেদমত করতে চাই, আমাকে নিন না!’
গোসল করানোর সময় সবাই সাথে থাকতে চাচ্ছেন!
সাধারণত আমি এক-দুজনকে সাথে নিই। কিন্তু উনাদের সবার আবেদনই এত আকুল, কাউকে ফেলতে পারলাম না। এরপর একেকজনকে একেক দায়িত্ব দিলাম। ‘আপনি পানি এগিয়ে দিবেন’, ‘আপনি আতর’, ‘আপনি গোলাপজল’...এভাবে সবাইকে একটা করে কাজ দিতে হলো।
গোসল করাতে গিয়ে দেখি মৃতা প্রায় শতবর্ষী এক বৃদ্ধা। ঠিক কাঠের পুতুলের মতো, গায়ে গোশতের বালাই নেই! কুঁচকানো চামড়ায় জড়ানো হাড় জিরেজিরে এক শরীর। গায়ের রং পাণ্ডুর। চুলগুলো সব পেকে সাদা হয়ে গেছে। বয়সের ভারে পা দুটোও শীর্ণ, কুঁকড়ে এসেছে। নিজে নিজে চলতে পারত নাকি কে জানে! হাতেও হাড় আর চামড়া ছাড়া কিছু নেই। পুরো শরীরটাই ভীষণ নাজুক। ওজনই নেই বলতে গেলে।
যাহোক, গোসল করাতে করাতে টের পেলাম ক্ষীণ কায়ার এই নারী দুনিয়ার জীবনে নিশ্চয় নেককার ছিলেন। কীভাবে বুঝলাম? লাশ গোসল করানোর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বুঝি এসব। কারণ নেককার বান্দাদের গোসলটা সহজ হয়, আর যারা ভালো আমল করেনি তাদেরটা হয় কঠিন। ভালো ব্যক্তিদের গোসল করানোর সময় মনে হয়, লাশটাও যেন গোসলে সাহায্য করছে। সবকিছু ইজিলি হয়ে যায়। বিরাট শরীরের লাশকে গোসল করাতেও হ্যাসেল পোহাতে হয় না।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, হালকা-পাতলা শরীরের লাশও গোসল করানোর সময় অনেক ভারি লাগে। দু-তিনজন মিলে তার হাত-পা উঠানো যায় না! মনে হয়, সে হয়তো চাচ্ছে না তাকে গোসল করানো হোক, কবরে নিয়ে যাওয়া হোক।
সহিহ বুখারিতে এসেছে—
“যখন জানাযা (লাশ) বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন যদি মৃত ব্যক্তি নেককার হয়, সে বলে: ‘আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চলো, আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চলো।’
আর যদি সে নেককার না হয়, তখন সে বলে: ‘হায় আফসোস! তোমরা তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?’
এই মহিলাও যেন তাড়াতাড়ি কবরে যেতে চাচ্ছেন। শান্তি লাগছিল আমারও। উনার মেয়েরা তখনো কেঁদে আকুল। কেউ উনার জন্য দুয়া করছেন। কেউ গায়ে আতর ছুঁয়ে দিতে দিতে চোখের পানি ফেলছেন। উনাদেরকে রেখে আমি পাশের রুমে গেলাম।
কাফনসহ কিছু জিনিস আনতে পাশের ঘরে গিয়েছি। প্রায় এক মিনিটের মাথায় গোসলঘরের ভেতর থেকে চিল্লাচিল্লি কানে এলো।
‘ও অমুক! দেখে যা!’ ‘এই মেয়েরা, আসো, দেখে যাও কী হয়েছে!’ সেই সাথে কান্না আর আহাজারি।
ভয়ে আমার কলিজা শুকিয়ে গেল। হাতের জিনিসপত্র ফেলে দিয়েই গোসল ঘরে ছুটে এলাম। এরপর যা দেখলাম...সুবহানআল্লাহ! এরকম অলৌকিক দৃশ্য আমার জীবনে কখনো দেখিনি।
গিয়ে দেখি—যেই লাশের সবগুলো চুল পেকে পাটের আঁশের মতো হয়ে গিয়েছিল, তার সবগুলো চুল কালো হয়ে গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, তার মুখের কুঁচকানো চামড়া আর নেই। সব টানটান হয়ে গিয়েছে। কাফন সরিয়ে তার হাত-পাগুলোও দেখলাম আমি। আগের মতো শীর্ণকায় নেই, টান-টান শক্তিসমর্থ দেখাচ্ছে। তার বয়স যেন একশ বছর নয়, তার বয়স ত্রিশ বছর!
এই দৃশ্য দেখেই সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। বৃদ্ধার মেয়েরা বলতে শুরু করে, ‘ও আমার মা রে! আমার মা জান্নাতবাসী হয়ে গেছে রে!’ ‘আল্লাহু আকবার!’
দিনটি ছিল আর পাঁচটা দিনের মতোই। কর্মস্থল থেকে ফোন এলো, ‘উম্মু ফিরাস! একটি লাশ এসেছে...একজন বয়স্ক মহিলার, আপনি কি এখন আসতে পারবেন?’
আমি মৃত-নারীদের গোসল করাই। আমাদের সৌদি আরবে সরকারিভাবে লাশ গোসল করানোর জায়গা আছে। ফ্রিতেই গোসল করানো, কাফন-দাফন করানো যায়। আবার কেউ চাইলে ফোন করে কোনো কর্মীকে বাসায় ডাকতে পারেন লাশ গোসল করানোর জন্য।
তো, গোসলখানায় গিয়ে দেখলাম বেশ কয়েকজন নারী কান্নাকাটি করছেন। কাঁদতে কাঁদতে যেন জীবনই ছেড়ে দিবেন। দেখে খারাপ লাগল, আবার ভালোও লাগল। ভালো লাগার কারণ, আমাদের এখানে যে লাশগুলো আনা হয়, সেগুলোর সাথে সচারচর এত মানুষ থাকে না। অনেক সময় দরকারেও লাশের আত্মীয়স্বজনকে কাছে পাওয়া যায় না। বেশিভাগ সময় লাশ রেখে চলে যায়, গোসল করানোর পর এসে নিয়ে যায়। থাকলে থাকে এক-দুজন। গোসল করানো, কাফন পরানো—সব আমরাই, গোসলখানার কর্মীরাই করি। কখনো কখনো তো দাফনের দায়িত্বও গোসলখানার লোকদের ঘাড়ে দিয়ে দেয় আত্মীয়রা।
কিন্তু এই লাশের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেখলাম কয়েকজন বয়স্ক মহিলা ‘মা, মা’ বলে কাঁদছেন। মানে যিনি মারা গেছেন, তিনি উনাদের 'মা' হন। ভাবছি, এই মহিলাদের বয়সই তো ষাট-সত্তরের কম হবে না, তাহলে মৃতার বয়স কত!
আমি উনাদেরকে সান্ত্বনা দিলাম। ‘আল্লাহ আপনাদের মায়ের ওপর রহম করুন। তাকে জান্নাতবাসী করুন। একটু শান্ত হোন। কারোরই মা-বাবা চিরদিন বাঁচে না। আমাদের সবাইকেই এক দিন না এক দিন মরতে হবে।’
কিন্তু উনারা এমন ব্যাকুলভাবে কাঁদছিলেন, কখন যে আমার নিজের চোখে পানি চলে এসেছে, বুঝতেও পারিনি।
কিন্তু এঁদের সাথে বসে কান্নাকাটি করলে চলবে না। লাশ গোসল করাতে হবে। আমি যখন গোসলখানার দিকে যাচ্ছি, তখন মহিলাদের আরেক আহাজারি। ‘আমাকে সাথে নিবেন, আপা?’ ‘আমিও গোসল করানোর সময় থাকতে চাই!’ ‘আমি কি আপনার কোনো হেল্প করতে পারি?’ ‘আমাকেও সাথে নিন, প্লিজ!’ ‘শেষবারের মতো মায়ের খেদমত করতে চাই, আমাকে নিন না!’
গোসল করানোর সময় সবাই সাথে থাকতে চাচ্ছেন!
সাধারণত আমি এক-দুজনকে সাথে নিই। কিন্তু উনাদের সবার আবেদনই এত আকুল, কাউকে ফেলতে পারলাম না। এরপর একেকজনকে একেক দায়িত্ব দিলাম। ‘আপনি পানি এগিয়ে দিবেন’, ‘আপনি আতর’, ‘আপনি গোলাপজল’...এভাবে সবাইকে একটা করে কাজ দিতে হলো।
গোসল করাতে গিয়ে দেখি মৃতা প্রায় শতবর্ষী এক বৃদ্ধা। ঠিক কাঠের পুতুলের মতো, গায়ে গোশতের বালাই নেই! কুঁচকানো চামড়ায় জড়ানো হাড় জিরেজিরে এক শরীর। গায়ের রং পাণ্ডুর। চুলগুলো সব পেকে সাদা হয়ে গেছে। বয়সের ভারে পা দুটোও শীর্ণ, কুঁকড়ে এসেছে। নিজে নিজে চলতে পারত নাকি কে জানে! হাতেও হাড় আর চামড়া ছাড়া কিছু নেই। পুরো শরীরটাই ভীষণ নাজুক। ওজনই নেই বলতে গেলে।
যাহোক, গোসল করাতে করাতে টের পেলাম ক্ষীণ কায়ার এই নারী দুনিয়ার জীবনে নিশ্চয় নেককার ছিলেন। কীভাবে বুঝলাম? লাশ গোসল করানোর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বুঝি এসব। কারণ নেককার বান্দাদের গোসলটা সহজ হয়, আর যারা ভালো আমল করেনি তাদেরটা হয় কঠিন। ভালো ব্যক্তিদের গোসল করানোর সময় মনে হয়, লাশটাও যেন গোসলে সাহায্য করছে। সবকিছু ইজিলি হয়ে যায়। বিরাট শরীরের লাশকে গোসল করাতেও হ্যাসেল পোহাতে হয় না।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, হালকা-পাতলা শরীরের লাশও গোসল করানোর সময় অনেক ভারি লাগে। দু-তিনজন মিলে তার হাত-পা উঠানো যায় না! মনে হয়, সে হয়তো চাচ্ছে না তাকে গোসল করানো হোক, কবরে নিয়ে যাওয়া হোক।
সহিহ বুখারিতে এসেছে—
“যখন জানাযা (লাশ) বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন যদি মৃত ব্যক্তি নেককার হয়, সে বলে: ‘আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চলো, আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে চলো।’
আর যদি সে নেককার না হয়, তখন সে বলে: ‘হায় আফসোস! তোমরা তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?’
এই মহিলাও যেন তাড়াতাড়ি কবরে যেতে চাচ্ছেন। শান্তি লাগছিল আমারও। উনার মেয়েরা তখনো কেঁদে আকুল। কেউ উনার জন্য দুয়া করছেন। কেউ গায়ে আতর ছুঁয়ে দিতে দিতে চোখের পানি ফেলছেন। উনাদেরকে রেখে আমি পাশের রুমে গেলাম।
কাফনসহ কিছু জিনিস আনতে পাশের ঘরে গিয়েছি। প্রায় এক মিনিটের মাথায় গোসলঘরের ভেতর থেকে চিল্লাচিল্লি কানে এলো।
‘ও অমুক! দেখে যা!’ ‘এই মেয়েরা, আসো, দেখে যাও কী হয়েছে!’ সেই সাথে কান্না আর আহাজারি।
ভয়ে আমার কলিজা শুকিয়ে গেল। হাতের জিনিসপত্র ফেলে দিয়েই গোসল ঘরে ছুটে এলাম। এরপর যা দেখলাম...সুবহানআল্লাহ! এরকম অলৌকিক দৃশ্য আমার জীবনে কখনো দেখিনি।
গিয়ে দেখি—যেই লাশের সবগুলো চুল পেকে পাটের আঁশের মতো হয়ে গিয়েছিল, তার সবগুলো চুল কালো হয়ে গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, তার মুখের কুঁচকানো চামড়া আর নেই। সব টানটান হয়ে গিয়েছে। কাফন সরিয়ে তার হাত-পাগুলোও দেখলাম আমি। আগের মতো শীর্ণকায় নেই, টান-টান শক্তিসমর্থ দেখাচ্ছে। তার বয়স যেন একশ বছর নয়, তার বয়স ত্রিশ বছর!
এই দৃশ্য দেখেই সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। বৃদ্ধার মেয়েরা বলতে শুরু করে, ‘ও আমার মা রে! আমার মা জান্নাতবাসী হয়ে গেছে রে!’ ‘আল্লাহু আকবার!’
❤4🔥1
আমার তো হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে, ভয়ে, আতঙ্কে আবার আনন্দেও। অনবরত বলছি ‘সুবহানআল্লাহ!’ ‘মাশাআল্লাহ!’ ‘আল্লাহু আকবার!’
একটু পর সংবিৎ ফিরে পেয়ে বললাম, ‘আল্লাহর দোহায় লাগে, আপনারা একটু শান্ত হোন। আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন ইনশাআল্লাহ, কিন্তু আমাদের কাজ তো আমাদেরকে করতে হবে। কাফন পরানো শেষ করতে দিন।’
মৃতার কন্যাদেরকে সরিয়ে রেখে কাফন পরানো শেষ করলাম। যখন চেহারা ঢাকতে যাব, তখন আরেকটি ব্যাপার ঘটল। লাশের চেহারায় এত নুর...সুবহানআল্লাহ...আমি তাকাতে পর্যন্ত পারছিলাম না। নুরে চোখ ঝলসে যাওয়ার অবস্থা। তাও সাদা কাপড়ে চেহারা ঢেকে গিঁট দিয়ে কাফন সম্পন্ন করতে হলো।
কাজ শেষ হওয়ার পর, উনার মেয়েরা যখন একটু শান্ত হয়ে এসেছে, উনাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আল্লাহর দোহায়, আমাকে একটু বলুন আপনাদের মা কোন কোন নেক আমল করতেন?’
আমাকে বলা হলো, ‘কোন নেক আমল করতেন না, তাই বলুন! আমরা উনাকে সব রকমের নেক আমল করতে দেখেছি, কিন্তু তারচেয়েও বেশি আমল উনি করতেন গোপনে। ইয়াতিমদের দায়িত্ব নেওয়া, বিধবাদের খরচ দেয়া, বিভিন্ন মানুষকে-বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাদাকা করা—কিছুই বাদ দিতেন না। আর এগুলোর কোনোটাই উনি আমাদেরকে জানাতেন না যে—‘অমুক ব্যক্তিকে আমি টাকা দিই, অমুক জায়গায় সাদাকা করি’। কোনোভাবে সামনে আসলে তখন আমরা জানতে পারতাম। উনার গোপন আমলের পরিমাণই বেশি। সেগুলোর কথা কেবল মা আর আল্লাহ জানেন।’
তাদের উত্তর শুনে আমি বুঝতে পারলাম, কেন শেষ বিদায়ের সময় আল্লাহ এই নারীকে সম্মানিত করলেন। দুনিয়ার জীবনে তিনি কাজ করেছেন আল্লাহর জন্য, তাই আল্লাহ তাঁর মেহমানকে গ্রহণ করেছেন উত্তম মেহমানদারিতার সাথে।
Nur islam
[সৌদি আরবের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে]
সংগৃহীত
Amatullah TaniYa
#PathwayToNoor
একটু পর সংবিৎ ফিরে পেয়ে বললাম, ‘আল্লাহর দোহায় লাগে, আপনারা একটু শান্ত হোন। আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন ইনশাআল্লাহ, কিন্তু আমাদের কাজ তো আমাদেরকে করতে হবে। কাফন পরানো শেষ করতে দিন।’
মৃতার কন্যাদেরকে সরিয়ে রেখে কাফন পরানো শেষ করলাম। যখন চেহারা ঢাকতে যাব, তখন আরেকটি ব্যাপার ঘটল। লাশের চেহারায় এত নুর...সুবহানআল্লাহ...আমি তাকাতে পর্যন্ত পারছিলাম না। নুরে চোখ ঝলসে যাওয়ার অবস্থা। তাও সাদা কাপড়ে চেহারা ঢেকে গিঁট দিয়ে কাফন সম্পন্ন করতে হলো।
কাজ শেষ হওয়ার পর, উনার মেয়েরা যখন একটু শান্ত হয়ে এসেছে, উনাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আল্লাহর দোহায়, আমাকে একটু বলুন আপনাদের মা কোন কোন নেক আমল করতেন?’
আমাকে বলা হলো, ‘কোন নেক আমল করতেন না, তাই বলুন! আমরা উনাকে সব রকমের নেক আমল করতে দেখেছি, কিন্তু তারচেয়েও বেশি আমল উনি করতেন গোপনে। ইয়াতিমদের দায়িত্ব নেওয়া, বিধবাদের খরচ দেয়া, বিভিন্ন মানুষকে-বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাদাকা করা—কিছুই বাদ দিতেন না। আর এগুলোর কোনোটাই উনি আমাদেরকে জানাতেন না যে—‘অমুক ব্যক্তিকে আমি টাকা দিই, অমুক জায়গায় সাদাকা করি’। কোনোভাবে সামনে আসলে তখন আমরা জানতে পারতাম। উনার গোপন আমলের পরিমাণই বেশি। সেগুলোর কথা কেবল মা আর আল্লাহ জানেন।’
তাদের উত্তর শুনে আমি বুঝতে পারলাম, কেন শেষ বিদায়ের সময় আল্লাহ এই নারীকে সম্মানিত করলেন। দুনিয়ার জীবনে তিনি কাজ করেছেন আল্লাহর জন্য, তাই আল্লাহ তাঁর মেহমানকে গ্রহণ করেছেন উত্তম মেহমানদারিতার সাথে।
Nur islam
[সৌদি আরবের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে]
সংগৃহীত
Amatullah TaniYa
#PathwayToNoor
❤20
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤3
রামাযানের শেষ, পবিত্র জুম্মাহ!
আহ হৃদয়ে কেমন যেন এক একাকিত্ব অনুভব হচ্ছে তাইনা??
রামাযান আমাদের একা করে ফেলে চলে যাবে,আজই সেই শেষ রাত🥀
এই শেষ জুম্মাবার যেন হয় সুন্দর
সকাল গোসল করা
সূরা কাহাফ আসরের আগেই শেষ করে নিবেন
দুরুদ পাঠ করবেন
ওমা তৌফিকি ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিউল আজিম
collected
@PathwayToNoor
আহ হৃদয়ে কেমন যেন এক একাকিত্ব অনুভব হচ্ছে তাইনা??
রামাযান আমাদের একা করে ফেলে চলে যাবে,আজই সেই শেষ রাত🥀
এই শেষ জুম্মাবার যেন হয় সুন্দর
সকাল গোসল করা
সূরা কাহাফ আসরের আগেই শেষ করে নিবেন
দুরুদ পাঠ করবেন
ওমা তৌফিকি ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিউল আজিম
collected
@PathwayToNoor
❤12🔥1
বাজারে প্রবেশের সময় এই দুআটি পড়লে ১০ লাখ নেকি পাওয়া যায়, ১০ লাখ গুনাহ মাফ হয় এবং ১০ লাখ মর্যাদা বৃদ্ধি পায় [১, ৮]:
দোআ:
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইউহয়ি ওয়া ইউমিতু, ওয়াহুয়া হাইয়্যুল লা ইয়ামুতু, বিয়াদিহিল খাইরু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির [১, ৩, ৫]।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দেন। তিনি চিরঞ্জীব, তাঁর মৃত্যু নেই। সমস্ত কল্যাণ তাঁরই হাতে এবং তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান [৫, ৮]।
@PathwayToNoor
দোআ:
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইউহয়ি ওয়া ইউমিতু, ওয়াহুয়া হাইয়্যুল লা ইয়ামুতু, বিয়াদিহিল খাইরু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির [১, ৩, ৫]।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দেন। তিনি চিরঞ্জীব, তাঁর মৃত্যু নেই। সমস্ত কল্যাণ তাঁরই হাতে এবং তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান [৫, ৮]।
@PathwayToNoor
❤🔥7
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের রাত বা চাঁদ রাত মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত বরকতময় একটি সময়। ইসলামিক পরিভাষায় পবিত্র শাওয়াল মাসের সূচনার এই রাতটিকে বলা হয় 'লাইলাতুল জাইজা' বা পুরস্কার পাওয়ার রাত। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা ও ইবাদতের পর মহান আল্লাহ এই রাতে তাঁর নেককার বান্দাদের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন।
এই রাতটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই রাতে মন থেকে করা কোনো দোয়াই ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ এমন পাঁচটি বিশেষ রাতের কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলোতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর বা শাওয়াল মাসের প্রথম রাতটি সেই পাঁচটি বরকতময় রাতের একটি।
বিশেষ নফল নামাজ ও আমল:
চাঁদ রাত বা ঈদের দিনে বিশেষ কিছু নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। একটি বিশেষ আমলের কথা এখানে তুলে ধরা হলো, যা নিয়ম মেনে পালন করলে ইনশাআল্লাহ জীবনের সব জায়েজ বা বৈধ চাওয়া পূরণ হবে।
নামাজের নিয়মাবলী:
সময়: ঈদের আগের রাত (চাঁদ রাত) অথবা ঈদের দিন।
রাকাত সংখ্যা: মোট ৮ রাকাত নফল নামাজ।
পড়ার নিয়ম: প্রতিটি রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ২৫ বার সূরা ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়তে হবে।
নামাজ শেষের আমল: ৮ রাকাত নামাজ শেষ করার পর জায়নামাজে বসেই ৭০ বার তৃতীয় কালিমা বা কালিমা তামজীদ পড়তে হবে। কালিমাটি হলো: "সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম"।
ইস্তিগফার: তৃতীয় কালিমা পড়ার পর নিজের যাবতীয় ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করতে হবে।
যাঁরা বিশুদ্ধ নিয়্যতে এই ৮ রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, মহান আল্লাহ তাঁদের সব সৎ উদ্দেশ্য ও মনের নেক আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করবেন। এই বরকতময় রাতে ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা সম্ভব।
সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে
aloreshara
@PathwayToNoor
এই রাতটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই রাতে মন থেকে করা কোনো দোয়াই ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ এমন পাঁচটি বিশেষ রাতের কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলোতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর বা শাওয়াল মাসের প্রথম রাতটি সেই পাঁচটি বরকতময় রাতের একটি।
বিশেষ নফল নামাজ ও আমল:
চাঁদ রাত বা ঈদের দিনে বিশেষ কিছু নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। একটি বিশেষ আমলের কথা এখানে তুলে ধরা হলো, যা নিয়ম মেনে পালন করলে ইনশাআল্লাহ জীবনের সব জায়েজ বা বৈধ চাওয়া পূরণ হবে।
নামাজের নিয়মাবলী:
সময়: ঈদের আগের রাত (চাঁদ রাত) অথবা ঈদের দিন।
রাকাত সংখ্যা: মোট ৮ রাকাত নফল নামাজ।
পড়ার নিয়ম: প্রতিটি রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ২৫ বার সূরা ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়তে হবে।
নামাজ শেষের আমল: ৮ রাকাত নামাজ শেষ করার পর জায়নামাজে বসেই ৭০ বার তৃতীয় কালিমা বা কালিমা তামজীদ পড়তে হবে। কালিমাটি হলো: "সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম"।
ইস্তিগফার: তৃতীয় কালিমা পড়ার পর নিজের যাবতীয় ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করতে হবে।
যাঁরা বিশুদ্ধ নিয়্যতে এই ৮ রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, মহান আল্লাহ তাঁদের সব সৎ উদ্দেশ্য ও মনের নেক আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করবেন। এই বরকতময় রাতে ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা সম্ভব।
সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে
aloreshara
@PathwayToNoor
❤2
ঈদ মোবারক 🌙
দীর্ঘ ৩০ দিনের সাওম ও ধৈর্যের পর আমাদের মাঝে এলো পবিত্র ঈদুল ফিতর..
আল্লাহ আমাদের সব ইবাদত কবুল করুক এবং ঈদ সুন্দরভাবে উপভোগ করার তাওফীক দান করুক।
সামনের দিনগুলোও রহমত, শান্তি ও বরকতময় হোক সবার, আমীন।
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম...🤍✨
@PathwayToNoor
❤15
*রমাদানের পর কীভাবে জীবন কাটাবো?*
রমাদান শেষ হওয়া মানে ইবাদত শেষ নয়, বরং এটি ছিল একটি ট্রেনিং—যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছাকাছি হওয়া শিখেছি। এখন আসল পরীক্ষা—এই আমলগুলো সারা বছর ধরে রাখা।
রমাদানের পর আমাদের জীবন এমন হওয়া উচিত, যেখানে নামাজ আর কেবল একটি দায়িত্ব না, বরং জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যায়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে, যেন কোনো অবস্থাতেই তা ছুটে না যায়।
কুরআনের সাথে সম্পর্ক শুধু রমাদানের জন্য নয়। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় কুরআন তিলাওয়াত করা, অর্থ বুঝে পড়া এবং জীবনে তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা—এটাই হওয়া উচিত একজন মুমিনের পরিচয়।
রমাদানে আমরা গুনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেছি। এখন রমাদানের পরেও সেই অভ্যাস ধরে রাখা জরুরি। চোখ, কান, জিহ্বা—সবকিছু গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রাখা—এটাই আসল সফলতা।
তাহাজ্জুদ, দোয়া, ইস্তিগফার—এসব শুধু রমাদানের জন্য নয়। প্রতিদিন না পারলেও মাঝে মাঝে হলেও রাতে উঠে আল্লাহর কাছে কান্না করা, নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া—এগুলো আমাদের জীবনের অংশ হওয়া উচিত।
মানুষের সাথে আচরণেও পরিবর্তন আনা দরকার। রাগ কমানো, ক্ষমা করা, ভালো ব্যবহার করা—এসবই একজন প্রকৃত মুসলিমের গুণ। রমাদান আমাদেরকে এই শিক্ষা দিয়েছে।
দান-সদকা শুধু যাকাত বা ফিতরার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, সারা বছর সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—নিজেকে সবসময় মনে করিয়ে দেওয়া,
রমাদান চলে গেছে, কিন্তু আল্লাহ তো আছেন সবসময়।
যদি রমাদানের পরেও আপনার আমলগুলো কিছুটা হলেও ধরে রাখতে পারেন, তাহলে বুঝবেন—আপনার রমাদান সফল হয়েছে।
*আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমাদানের শিক্ষা সারা জীবন ধরে রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।*
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
collected
@PathwayToNoor
রমাদান শেষ হওয়া মানে ইবাদত শেষ নয়, বরং এটি ছিল একটি ট্রেনিং—যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছাকাছি হওয়া শিখেছি। এখন আসল পরীক্ষা—এই আমলগুলো সারা বছর ধরে রাখা।
রমাদানের পর আমাদের জীবন এমন হওয়া উচিত, যেখানে নামাজ আর কেবল একটি দায়িত্ব না, বরং জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যায়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে, যেন কোনো অবস্থাতেই তা ছুটে না যায়।
কুরআনের সাথে সম্পর্ক শুধু রমাদানের জন্য নয়। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় কুরআন তিলাওয়াত করা, অর্থ বুঝে পড়া এবং জীবনে তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা—এটাই হওয়া উচিত একজন মুমিনের পরিচয়।
রমাদানে আমরা গুনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেছি। এখন রমাদানের পরেও সেই অভ্যাস ধরে রাখা জরুরি। চোখ, কান, জিহ্বা—সবকিছু গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রাখা—এটাই আসল সফলতা।
তাহাজ্জুদ, দোয়া, ইস্তিগফার—এসব শুধু রমাদানের জন্য নয়। প্রতিদিন না পারলেও মাঝে মাঝে হলেও রাতে উঠে আল্লাহর কাছে কান্না করা, নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া—এগুলো আমাদের জীবনের অংশ হওয়া উচিত।
মানুষের সাথে আচরণেও পরিবর্তন আনা দরকার। রাগ কমানো, ক্ষমা করা, ভালো ব্যবহার করা—এসবই একজন প্রকৃত মুসলিমের গুণ। রমাদান আমাদেরকে এই শিক্ষা দিয়েছে।
দান-সদকা শুধু যাকাত বা ফিতরার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, সারা বছর সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—নিজেকে সবসময় মনে করিয়ে দেওয়া,
রমাদান চলে গেছে, কিন্তু আল্লাহ তো আছেন সবসময়।
যদি রমাদানের পরেও আপনার আমলগুলো কিছুটা হলেও ধরে রাখতে পারেন, তাহলে বুঝবেন—আপনার রমাদান সফল হয়েছে।
*আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমাদানের শিক্ষা সারা জীবন ধরে রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।*
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
কঠিন জামানায়collected
@PathwayToNoor
❤15
✍️
অধিক জিকিরকারী এমন নূরের দৌলত পায় যা দ্বারা তার অন্তর সুক্ষ্ম হেকমত উপলব্ধি করে এবং এমন সত্য তার সামনে উন্মোচিত হয় যা সাধারণ আকলে বোঝা যায়না।
আর অধিক পরিমাণে যেকোনো মিডিয়া/ভার্চুয়াল জগতে বিচরণকারী তার স্বাভাবিক বোধশক্তি, বিবেক-বুদ্ধিও হারিয়ে ফেলে। ফলে সর্বসাধারণও সহজে যা অনুধাবন করতে পারে সে তা পারেনা।
اللَّهُمَّ احْفَظْنَا مِنْ لَغْوِ الدُّنْيَا وَفِتْنَةِ الْوَسَائِلِ، وَثَبِّتْ لَنَا عُقُولَنَا وَبَصَائِرَنَا وَحِكْمَتَنَا، حَتَّى نَعْرِفَ الْحَقَّ حَقًّا فَنَتَّبِعَهُ، وَالْبَاطِلَ بَاطِلًا فَنَجْتَنِبَهُ، وَوَفِّقْنَا لِاسْتِغْلَالِ أَوْقَاتِنَا فِي مَا يُرْضِيكَ، وَاجْعَلْهَا مُبَارَكَةً يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ.
collected
@PathwayToNoor
অধিক জিকিরকারী এমন নূরের দৌলত পায় যা দ্বারা তার অন্তর সুক্ষ্ম হেকমত উপলব্ধি করে এবং এমন সত্য তার সামনে উন্মোচিত হয় যা সাধারণ আকলে বোঝা যায়না।
আর অধিক পরিমাণে যেকোনো মিডিয়া/ভার্চুয়াল জগতে বিচরণকারী তার স্বাভাবিক বোধশক্তি, বিবেক-বুদ্ধিও হারিয়ে ফেলে। ফলে সর্বসাধারণও সহজে যা অনুধাবন করতে পারে সে তা পারেনা।
اللَّهُمَّ احْفَظْنَا مِنْ لَغْوِ الدُّنْيَا وَفِتْنَةِ الْوَسَائِلِ، وَثَبِّتْ لَنَا عُقُولَنَا وَبَصَائِرَنَا وَحِكْمَتَنَا، حَتَّى نَعْرِفَ الْحَقَّ حَقًّا فَنَتَّبِعَهُ، وَالْبَاطِلَ بَاطِلًا فَنَجْتَنِبَهُ، وَوَفِّقْنَا لِاسْتِغْلَالِ أَوْقَاتِنَا فِي مَا يُرْضِيكَ، وَاجْعَلْهَا مُبَارَكَةً يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ.
collected
@PathwayToNoor
❤🔥8❤7