নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥3
🌙 রমজান সিরিজ — দিন ১৭
রমজান: সদকা ও উদারতার শিক্ষা
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধন-সম্পদ ব্যয় করার ব্যাপারে সকলের চেয়ে দানশীল ছিলেন। রমাযানে জিবরাঈল (আঃ) যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরো অধিক দান করতেন। রমাযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি রাতেই জিবরাঈল (আঃ) তাঁর সঙ্গে একবার সাক্ষাৎ করতেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কুরআন শুনাতেন। জিবরাঈল (আঃ) যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি রহমতসহ প্রেরিত বায়ুর চেয়ে অধিক ধন-সম্পদ দান করতেন।
— (সহিহ বুখারি-এর ১৯০২ )
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, রমজান শুধু রোজা ও ইবাদতের মাস নয়, এটি দয়া, সহমর্মিতা ও ভাগাভাগি করার মাস। আমরা আল্লাহর পথে যা কিছু দান করি, তা কখনো নষ্ট হয় না। বরং আল্লাহ তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেন এবং আমাদের জন্য আখিরাতে সঞ্চয় করে রাখেন। সদকা শুধু অর্থ দিয়েই হয় না। সদকা হতে পারে
• কোনো ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো
• কোনো অসহায় মানুষকে সাহায্য করা
• কারও কষ্ট লাঘব করা
• একটি হাসি উপহার দেওয়া
• ভালো কথা বলা
• অথবা কাউকে খুশি করা
মনে রাখবেন, সদকার সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো—এটি দাতার হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে এবং সমাজে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয়। রমজান আমাদের শেখায় যে নিয়ামত আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন, তা যেন আমরা অন্যদের সাথে ভাগ করে নিতে শিখি।
📍আজকের আমল:
1️⃣ কোনো অভাবী মানুষকে সাহায্য করুন।
2️⃣ সম্ভব হলে কাউকে ইফতার করান।
3️⃣ নেক কাজ করার সময় শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়ত করুন।
4️⃣ গোপনে সদকা করার চেষ্টা করুন—কারণ গোপন সদকা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
আল্লাহ আমাদের হৃদয়কে উদার করে দিন, আমাদেরকে মানুষের উপকার করার তাওফিক দিন এবং আমাদের সব সদকা কবুল করুন। আমিন।
— মুসলিমা ডায়েরি
@PathwayToNoor
রমজান: সদকা ও উদারতার শিক্ষা
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধন-সম্পদ ব্যয় করার ব্যাপারে সকলের চেয়ে দানশীল ছিলেন। রমাযানে জিবরাঈল (আঃ) যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরো অধিক দান করতেন। রমাযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি রাতেই জিবরাঈল (আঃ) তাঁর সঙ্গে একবার সাক্ষাৎ করতেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কুরআন শুনাতেন। জিবরাঈল (আঃ) যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি রহমতসহ প্রেরিত বায়ুর চেয়ে অধিক ধন-সম্পদ দান করতেন।
— (সহিহ বুখারি-এর ১৯০২ )
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, রমজান শুধু রোজা ও ইবাদতের মাস নয়, এটি দয়া, সহমর্মিতা ও ভাগাভাগি করার মাস। আমরা আল্লাহর পথে যা কিছু দান করি, তা কখনো নষ্ট হয় না। বরং আল্লাহ তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেন এবং আমাদের জন্য আখিরাতে সঞ্চয় করে রাখেন। সদকা শুধু অর্থ দিয়েই হয় না। সদকা হতে পারে
• কোনো ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো
• কোনো অসহায় মানুষকে সাহায্য করা
• কারও কষ্ট লাঘব করা
• একটি হাসি উপহার দেওয়া
• ভালো কথা বলা
• অথবা কাউকে খুশি করা
মনে রাখবেন, সদকার সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো—এটি দাতার হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে এবং সমাজে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয়। রমজান আমাদের শেখায় যে নিয়ামত আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন, তা যেন আমরা অন্যদের সাথে ভাগ করে নিতে শিখি।
📍আজকের আমল:
1️⃣ কোনো অভাবী মানুষকে সাহায্য করুন।
2️⃣ সম্ভব হলে কাউকে ইফতার করান।
3️⃣ নেক কাজ করার সময় শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়ত করুন।
4️⃣ গোপনে সদকা করার চেষ্টা করুন—কারণ গোপন সদকা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
আল্লাহ আমাদের হৃদয়কে উদার করে দিন, আমাদেরকে মানুষের উপকার করার তাওফিক দিন এবং আমাদের সব সদকা কবুল করুন। আমিন।
— মুসলিমা ডায়েরি
@PathwayToNoor
❤3
Pathway To Noor
Today is 17th Ramadan . The day of Badar which changed the destiny of Entire world . @PathwayToNoor
*আজ ১৭ রমজান…!*
ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল দিন।
এই দিনেই সংঘটিত হয়েছিল বদরের যুদ্ধ—
যেখানে সংখ্যায় কম, শক্তিতে দুর্বল হলেও ঈমান ও তাওয়াক্কুলে দৃঢ় একদল মুমিন আল্লাহর সাহায্যে বিজয় অর্জন করেছিলেন।
বদরের প্রান্তরে ছিল মাত্র ৩১৩ জন মুমিন, আর তাদের সামনে ছিল প্রায় এক হাজার সুসজ্জিত সৈন্য। বাহ্যিক দৃষ্টিতে বিজয় অসম্ভব মনে হলেও, মুমিনদের ভরসা ছিল একটাই— আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল।
এই যুদ্ধ আমাদের শেখায়—
সংখ্যা নয়, ঈমানই আসল শক্তি।
বাহ্যিক শক্তি নয়, আল্লাহর সাহায্যই চূড়ান্ত বিজয় এনে দেয়।
কঠিন পরিস্থিতিতেও মুমিন আশা হারায় না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
> “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে বদরে সাহায্য করেছিলেন, যখন তোমরা ছিলে দুর্বল।”
— Qur'an, Surah Al-Imran (৩:১২৩)
আজ যখন আমরা বিশ্বের নানা প্রান্তে মুসলমানদের নানা পরীক্ষা ও চ্যালেঞ্জ দেখি, তখন বদরের শিক্ষা আমাদের নতুন করে মনে করিয়ে দেয়—
*মুমিন কখনো নিরাশ হয় না।*
কারণ বদরের প্রান্তরে যেমন আল্লাহ সাহায্য করেছিলেন, তেমনি আজও তিনি তাঁর বান্দাদের দেখছেন, শুনছেন এবং সময়মতো সাহায্য করেন।
তাই আজকের এই দিনে আমরা বদরের শহীদদের স্মরণ করি, তাদের ঈমান, ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল থেকে শিক্ষা নিই।
*আল্লাহ আমাদের ঈমানকে মজবুত করুন, সত্যের পথে দৃঢ় রাখুন এবং আমাদেরকে বদরের মুমিনদের মতো তাওয়াক্কুল দান করুন।*
আমীন।
পরকালের প্রস্তুতি(©)
@PathwayToNoor
ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল দিন।
এই দিনেই সংঘটিত হয়েছিল বদরের যুদ্ধ—
যেখানে সংখ্যায় কম, শক্তিতে দুর্বল হলেও ঈমান ও তাওয়াক্কুলে দৃঢ় একদল মুমিন আল্লাহর সাহায্যে বিজয় অর্জন করেছিলেন।
বদরের প্রান্তরে ছিল মাত্র ৩১৩ জন মুমিন, আর তাদের সামনে ছিল প্রায় এক হাজার সুসজ্জিত সৈন্য। বাহ্যিক দৃষ্টিতে বিজয় অসম্ভব মনে হলেও, মুমিনদের ভরসা ছিল একটাই— আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল।
এই যুদ্ধ আমাদের শেখায়—
সংখ্যা নয়, ঈমানই আসল শক্তি।
বাহ্যিক শক্তি নয়, আল্লাহর সাহায্যই চূড়ান্ত বিজয় এনে দেয়।
কঠিন পরিস্থিতিতেও মুমিন আশা হারায় না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
> “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে বদরে সাহায্য করেছিলেন, যখন তোমরা ছিলে দুর্বল।”
— Qur'an, Surah Al-Imran (৩:১২৩)
আজ যখন আমরা বিশ্বের নানা প্রান্তে মুসলমানদের নানা পরীক্ষা ও চ্যালেঞ্জ দেখি, তখন বদরের শিক্ষা আমাদের নতুন করে মনে করিয়ে দেয়—
*মুমিন কখনো নিরাশ হয় না।*
কারণ বদরের প্রান্তরে যেমন আল্লাহ সাহায্য করেছিলেন, তেমনি আজও তিনি তাঁর বান্দাদের দেখছেন, শুনছেন এবং সময়মতো সাহায্য করেন।
তাই আজকের এই দিনে আমরা বদরের শহীদদের স্মরণ করি, তাদের ঈমান, ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল থেকে শিক্ষা নিই।
*আল্লাহ আমাদের ঈমানকে মজবুত করুন, সত্যের পথে দৃঢ় রাখুন এবং আমাদেরকে বদরের মুমিনদের মতো তাওয়াক্কুল দান করুন।*
আমীন।
পরকালের প্রস্তুতি(©)
@PathwayToNoor
❤16❤🔥1
কুরআন আমাদের যা বলতে চায় - পর্ব ৯
আজকালকার দুনিয়ায় অশ্লীলতা শব্দটা শুনলেই আমাদের ফার্স্ট রিঅ্যাকশন হয়— আরে ভাই, আমি তো ওসব করি না! কিন্তু একটু Deeply চিন্তা করে দেখো তো … আমরা এমন এক Digital Era-তে বাস করছি যেখানে Facebook বা Instagram এর newsfeed scroll করলেই হাজারো soft pornographic content, মিউজিক ভিডিও এর নামে অশালীনতা - সবকিছু একদম একদম হাতের নাগালে। জাস্ট একটা ক্লিকের দূরত্ব !
কুরআন এখানে শুধু বলেনি , অশ্লীলতা করো না, বরং বলেছে— "ধারে কাছেও যেও না" । কেন জানো ? কারণ শয়তান তোমাকে এক লাফে জাহান্নামে নিবে না; সে তোমার জন্য ছোট ছোট ট্র্যাপ ফেলাবে । এটাকে বলে Slow Poisoning .
"ধারে কাছে না যাওয়া" মানে আসলে কী?
ধরো, তুমি আগুনের খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছো। তুমি ভাবছো, "আমি তো আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছি না, জাস্ট পাশে দাঁড়িয়ে ভাইব নিচ্ছি!" কিন্তু সামান্য একটা দমকা হাওয়া বা এক মুহূর্তের অসতর্কতা তোমাকে আগুনের ভেতরে ফেলে দিতে পারে। আল্লাহ আমাদের সাইকোলজি জানেন। একবার বাউন্ডারি ক্রস করলে ফিরে আসা অনেক টাফ। তাই তিনি শুরুতেই রেড লাইন দিয়ে দিয়েছেন - Keep your distance!
আমরা কি আসলেই কাছাকাছি যাই না ?
জাস্ট ফান হিসেবে কোনো নোংরা মিম বা ভিডিওতে রিঅ্যাক্ট করা—এটাই সেই কাছাকাছি যাওয়া । আমরা তো "জাস্ট ফ্রেন্ড" বলে শুরু করা ফ্রেন্ডশিপ যখন লিমিট ক্রস করে, তখন শেষে শুধু রিগ্রেট আর আফসোস ছাড়া আর কিছুই থাকে না ।
একটা সিম্পল টেস্ট করো: তোমার ফোনের গ্যালারি বা সার্চ হিস্ট্রি যদি এমন হয় যা তুমি তোমার বাবা মা কাউকে দেখাতে লজ্জা পাচ্ছো, তবে বুঝে নিও তুমি অলরেডি ডেঞ্জার জোনে আছো
@PathwayToNoor
তোমরা অশ্লীল ও নোংরা কাজের ধারে কাছেও যেও না—তা প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে — সূরা আল-আন‘আম: ১৫১
আজকালকার দুনিয়ায় অশ্লীলতা শব্দটা শুনলেই আমাদের ফার্স্ট রিঅ্যাকশন হয়— আরে ভাই, আমি তো ওসব করি না! কিন্তু একটু Deeply চিন্তা করে দেখো তো … আমরা এমন এক Digital Era-তে বাস করছি যেখানে Facebook বা Instagram এর newsfeed scroll করলেই হাজারো soft pornographic content, মিউজিক ভিডিও এর নামে অশালীনতা - সবকিছু একদম একদম হাতের নাগালে। জাস্ট একটা ক্লিকের দূরত্ব !
কুরআন এখানে শুধু বলেনি , অশ্লীলতা করো না, বরং বলেছে— "ধারে কাছেও যেও না" । কেন জানো ? কারণ শয়তান তোমাকে এক লাফে জাহান্নামে নিবে না; সে তোমার জন্য ছোট ছোট ট্র্যাপ ফেলাবে । এটাকে বলে Slow Poisoning .
"ধারে কাছে না যাওয়া" মানে আসলে কী?
ধরো, তুমি আগুনের খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছো। তুমি ভাবছো, "আমি তো আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছি না, জাস্ট পাশে দাঁড়িয়ে ভাইব নিচ্ছি!" কিন্তু সামান্য একটা দমকা হাওয়া বা এক মুহূর্তের অসতর্কতা তোমাকে আগুনের ভেতরে ফেলে দিতে পারে। আল্লাহ আমাদের সাইকোলজি জানেন। একবার বাউন্ডারি ক্রস করলে ফিরে আসা অনেক টাফ। তাই তিনি শুরুতেই রেড লাইন দিয়ে দিয়েছেন - Keep your distance!
আমরা কি আসলেই কাছাকাছি যাই না ?
জাস্ট ফান হিসেবে কোনো নোংরা মিম বা ভিডিওতে রিঅ্যাক্ট করা—এটাই সেই কাছাকাছি যাওয়া । আমরা তো "জাস্ট ফ্রেন্ড" বলে শুরু করা ফ্রেন্ডশিপ যখন লিমিট ক্রস করে, তখন শেষে শুধু রিগ্রেট আর আফসোস ছাড়া আর কিছুই থাকে না ।
একটা সিম্পল টেস্ট করো: তোমার ফোনের গ্যালারি বা সার্চ হিস্ট্রি যদি এমন হয় যা তুমি তোমার বাবা মা কাউকে দেখাতে লজ্জা পাচ্ছো, তবে বুঝে নিও তুমি অলরেডি ডেঞ্জার জোনে আছো
@PathwayToNoor
❤10❤🔥1
লাইলাতুল কদরি খাইরুম মিন আলফি শাহর, অর্থাৎ এই রাত এক হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (সূরা কদর, আয়াত নং: ৩)
লাইলাতুল কদরে কী কী বাস্তবসম্মত আমল করবেন?
১) প্রতিদিন সামান্য হলেও সাদাকা দিন।
রামাদানের শেষ ১০ রাতে প্রতিদিন এক টাকা হলেও দান করুন। যদি তা কদরের রাতে পড়ে যায়-আপনার সাদাকার সওয়াব ১০০০ মাস ধরে সাদাকা করার শামিল হয়ে বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, ইনশাআল্লাহ।
২) রামাদানের শেষ ১০ রাতের প্রত্যেক রাতে অন্তত দুই রাকাআত নফল নামাজ পড়ুন।
যদি আপনার এই নামাজ কদরের রাতে পড়ে যায়, ইনশাআল্লাহ এটা ১০০০ মাস+ ধরে নফল ইবাদতের সওয়াবের মতো বিশাল হয়ে যেতে পারে!
৩) শেষ দশ রাত প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত।
এক পৃষ্ঠা হোক, ২০ মিনিট হোক, ১ ঘণ্টা হোক, আপনি শেষ ১০ রাতে কুরআনের সাথে বিচ্ছিন্ন থাকবেন না। ভাবুন, আপনার তিলাওয়াত যদি কদরের রাতে পড়ে যায়, ইনশাআল্লাহ সেটা ১০০০ মাস ধরে কুরআন পড়ার সওয়াবের শামিল হতে পারে! আপনি কি কখনো ১০০০+ মাস ধরে কুরআন এমনি এমনি পড়তে পারতেন? সুবহানাল্লাহ! এবার পারবেন যদি এই ১০টি রাতকে কাজে লাগান।
৪) কুরআন বুঝে পড়ার চেষ্টা করুন।
এক আয়াতের অর্থ, এক লাইনের তাফসির নোট-যতটুকু পারেন পড়ুন এই রাতে। কুরআন নাযিলের রাতে কুরআন বুঝে না পড়লে কীভাবে হবে? হতে পারে আপনার "বুঝে কুরআন পড়া" ১০০০ মাস ধরে চলা এক আমলের মতো ওজন পেতে পারে, ইনশাআল্লাহ।
৫) এ রাতে আল্লাহর সাথে কথা বলুন।
ভয়, কষ্ট, অপরাধবোধ, স্বপ্ন, আপনার মনের সব চাওয়া-পাওয়া-সবকিছুই এই রাতে আল্লাহকে বলুন। শেষ ১০ রাতজুড়ে প্রতিরাতেই আল্লাহর সাথে কথা বলুন। আপনার এই দুআ যদি কদরের রাতে উঠে যায়, ইনশাআল্লাহ তবে সেই দুআ, আল্লাহর অনুমতিতে, ১০০০ মাস ধরে দুআ করার মতো কবুলিয়াতের দরজাগুলো খুলে দিতে পারে।
৬) দুআর লিস্ট বানিয়ে নিন।
ঈমান, সুস্থতা, হালাল রিজিক, পরিবারে বরকত, সন্তানদের হিদায়াত, উম্মাহর শান্তি, মযলুমের কষ্টের অবস্থান-সব লিস্ট বানিয়ে চাইতে থাকুন। আপনি চাইতে চাইতে ক্লান্ত হলেও আল্লাহ দিতে দিতে ক্লান্ত হন না। আর যদি এই চাওয়া লাইলাতুল কদরে পড়ে যায়, ভাবুন কত চমৎকার ফায়সালা হতে পারে আপনার জন্য!
৭) লাইলাতুল কদরের মাসনূন দুআটি বেশি বেশি পড়ুন
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি (اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي)
-এ দুআটি শুদ্ধ উচ্চারণে বারবার পড়ুন প্রতি রামাদানের রাতেই। এই দুআ যদি লাইলাতুল কদরে উঠে যায়, ইনশাআল্লাহ আপনার জন্য ক্ষমার দরজা অবিশ্বাস্যভাবে খুলে যেতে পারে। (জামিউত তিরমিজি, হাদীস নং: ৩৫১৩)
৮) এ রাতে ছোট-বড় সব ভালো কাজের সুযোগ লুফে নিন।
রান্নায় সাহায্য, বাসন ধোয়া, আত্মীয়ের খোঁজ নেওয়া, রাগ ছেড়ে দেওয়া, গিবত বন্ধ করা-এসবই ইবাদত হতে পারে নিয়ত ঠিক থাকলে। আর যদি এই কাজটা লাইলাতুল কদরে পড়ে যায়, ইনশাআল্লাহ তার সওয়াব ১০০০ মাস+ ধরে চলা আমলের মতো বিশাল হতে পারে! সুবহানাল্লাহ! আসলেই আমরা আমাদের রবের কোন কোন নিয়ামত অস্বীকার করব?... যিনি আমাদের লাইলাতুল কদরের মতন একটি রাত উপহার দিয়েছেন।
📍একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
লাইলাতুল কদরের "রাত" শুরু হয় মাগরিবের পর থেকেই
আমাদের প্রচলিত অভ্যাসে অনেকেই রাতের আমল বলতে, রাত ১২টার পর থেকে আমল শুরু করাকে ধরেন। কিন্তু ইসলামী হিসেবে রাত শুরু হয় মাগরিবের পর থেকেই। অর্থাৎ ২০তম রোজার ইফতারের পর থেকেই ২১তম রাত শুরু হয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, হতে পারে এই বছর ২১শে রামাদানে লাইলাতুল কদর হবে, তাই আপনি মাগরিবের সময় থেকেই সচেতন হয়ে যাবেন লাইলাতুল কদর পালন করার জন্য। ইফতারের পর থেকে আপনার আমল-সাদাকা, সাহায্য, দুআ, ইবাদত-সবই কদরের রাতের আমল হিসেবে পড়ে যেতে পারে।
ঠিক একইভাবে, ইফতারের পর ঝগড়া-বিবাদ, গিবত, বাজে কথায় লিপ্ত হয়ে যেন আমরা নিজেদের হাতেই কদরের রাতের বরকতের দরজা বন্ধ না করে দিই। আল্লাহ আমাদের এমন হতভাগা হওয়া থেকে হেফাজত করুন। ধরুন রামাদানের শেষ ১০ রাত চলছে এবং ইফতারের পর আপনি কারও সাথে ঝগড়া শুরু করলেন। তাহলে আপনার একটি গুনাহ জমা পড়ে গেল কদরের রাতেই যদি ওই দিন লাইলাতুল কদর হয়ে থাকে। আল্লাহ মাফ করুন, এভাবে আপনি লাইলাতুল কদর থেকে নিজেকে বঞ্চিত করবেন না। তাই রামাদানের শেষ ১০ রাতে মাগরিবের পর থেকেই সতর্ক হয়ে যাবেন 'কদরের রাতের আমল' করার ব্যাপারে।
—একটি সফল রামাদান ডায়েরি
collected
@PathwayToNoor
লাইলাতুল কদরে কী কী বাস্তবসম্মত আমল করবেন?
১) প্রতিদিন সামান্য হলেও সাদাকা দিন।
রামাদানের শেষ ১০ রাতে প্রতিদিন এক টাকা হলেও দান করুন। যদি তা কদরের রাতে পড়ে যায়-আপনার সাদাকার সওয়াব ১০০০ মাস ধরে সাদাকা করার শামিল হয়ে বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, ইনশাআল্লাহ।
২) রামাদানের শেষ ১০ রাতের প্রত্যেক রাতে অন্তত দুই রাকাআত নফল নামাজ পড়ুন।
যদি আপনার এই নামাজ কদরের রাতে পড়ে যায়, ইনশাআল্লাহ এটা ১০০০ মাস+ ধরে নফল ইবাদতের সওয়াবের মতো বিশাল হয়ে যেতে পারে!
৩) শেষ দশ রাত প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত।
এক পৃষ্ঠা হোক, ২০ মিনিট হোক, ১ ঘণ্টা হোক, আপনি শেষ ১০ রাতে কুরআনের সাথে বিচ্ছিন্ন থাকবেন না। ভাবুন, আপনার তিলাওয়াত যদি কদরের রাতে পড়ে যায়, ইনশাআল্লাহ সেটা ১০০০ মাস ধরে কুরআন পড়ার সওয়াবের শামিল হতে পারে! আপনি কি কখনো ১০০০+ মাস ধরে কুরআন এমনি এমনি পড়তে পারতেন? সুবহানাল্লাহ! এবার পারবেন যদি এই ১০টি রাতকে কাজে লাগান।
৪) কুরআন বুঝে পড়ার চেষ্টা করুন।
এক আয়াতের অর্থ, এক লাইনের তাফসির নোট-যতটুকু পারেন পড়ুন এই রাতে। কুরআন নাযিলের রাতে কুরআন বুঝে না পড়লে কীভাবে হবে? হতে পারে আপনার "বুঝে কুরআন পড়া" ১০০০ মাস ধরে চলা এক আমলের মতো ওজন পেতে পারে, ইনশাআল্লাহ।
৫) এ রাতে আল্লাহর সাথে কথা বলুন।
ভয়, কষ্ট, অপরাধবোধ, স্বপ্ন, আপনার মনের সব চাওয়া-পাওয়া-সবকিছুই এই রাতে আল্লাহকে বলুন। শেষ ১০ রাতজুড়ে প্রতিরাতেই আল্লাহর সাথে কথা বলুন। আপনার এই দুআ যদি কদরের রাতে উঠে যায়, ইনশাআল্লাহ তবে সেই দুআ, আল্লাহর অনুমতিতে, ১০০০ মাস ধরে দুআ করার মতো কবুলিয়াতের দরজাগুলো খুলে দিতে পারে।
৬) দুআর লিস্ট বানিয়ে নিন।
ঈমান, সুস্থতা, হালাল রিজিক, পরিবারে বরকত, সন্তানদের হিদায়াত, উম্মাহর শান্তি, মযলুমের কষ্টের অবস্থান-সব লিস্ট বানিয়ে চাইতে থাকুন। আপনি চাইতে চাইতে ক্লান্ত হলেও আল্লাহ দিতে দিতে ক্লান্ত হন না। আর যদি এই চাওয়া লাইলাতুল কদরে পড়ে যায়, ভাবুন কত চমৎকার ফায়সালা হতে পারে আপনার জন্য!
৭) লাইলাতুল কদরের মাসনূন দুআটি বেশি বেশি পড়ুন
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি (اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي)
-এ দুআটি শুদ্ধ উচ্চারণে বারবার পড়ুন প্রতি রামাদানের রাতেই। এই দুআ যদি লাইলাতুল কদরে উঠে যায়, ইনশাআল্লাহ আপনার জন্য ক্ষমার দরজা অবিশ্বাস্যভাবে খুলে যেতে পারে। (জামিউত তিরমিজি, হাদীস নং: ৩৫১৩)
৮) এ রাতে ছোট-বড় সব ভালো কাজের সুযোগ লুফে নিন।
রান্নায় সাহায্য, বাসন ধোয়া, আত্মীয়ের খোঁজ নেওয়া, রাগ ছেড়ে দেওয়া, গিবত বন্ধ করা-এসবই ইবাদত হতে পারে নিয়ত ঠিক থাকলে। আর যদি এই কাজটা লাইলাতুল কদরে পড়ে যায়, ইনশাআল্লাহ তার সওয়াব ১০০০ মাস+ ধরে চলা আমলের মতো বিশাল হতে পারে! সুবহানাল্লাহ! আসলেই আমরা আমাদের রবের কোন কোন নিয়ামত অস্বীকার করব?... যিনি আমাদের লাইলাতুল কদরের মতন একটি রাত উপহার দিয়েছেন।
📍একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
লাইলাতুল কদরের "রাত" শুরু হয় মাগরিবের পর থেকেই
আমাদের প্রচলিত অভ্যাসে অনেকেই রাতের আমল বলতে, রাত ১২টার পর থেকে আমল শুরু করাকে ধরেন। কিন্তু ইসলামী হিসেবে রাত শুরু হয় মাগরিবের পর থেকেই। অর্থাৎ ২০তম রোজার ইফতারের পর থেকেই ২১তম রাত শুরু হয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, হতে পারে এই বছর ২১শে রামাদানে লাইলাতুল কদর হবে, তাই আপনি মাগরিবের সময় থেকেই সচেতন হয়ে যাবেন লাইলাতুল কদর পালন করার জন্য। ইফতারের পর থেকে আপনার আমল-সাদাকা, সাহায্য, দুআ, ইবাদত-সবই কদরের রাতের আমল হিসেবে পড়ে যেতে পারে।
ঠিক একইভাবে, ইফতারের পর ঝগড়া-বিবাদ, গিবত, বাজে কথায় লিপ্ত হয়ে যেন আমরা নিজেদের হাতেই কদরের রাতের বরকতের দরজা বন্ধ না করে দিই। আল্লাহ আমাদের এমন হতভাগা হওয়া থেকে হেফাজত করুন। ধরুন রামাদানের শেষ ১০ রাত চলছে এবং ইফতারের পর আপনি কারও সাথে ঝগড়া শুরু করলেন। তাহলে আপনার একটি গুনাহ জমা পড়ে গেল কদরের রাতেই যদি ওই দিন লাইলাতুল কদর হয়ে থাকে। আল্লাহ মাফ করুন, এভাবে আপনি লাইলাতুল কদর থেকে নিজেকে বঞ্চিত করবেন না। তাই রামাদানের শেষ ১০ রাতে মাগরিবের পর থেকেই সতর্ক হয়ে যাবেন 'কদরের রাতের আমল' করার ব্যাপারে।
—একটি সফল রামাদান ডায়েরি
collected
@PathwayToNoor
❤10❤🔥3
রমজান সিরিজ — দিন ১৯রমজান — ইবাদতে বৃদ্ধি
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত: যখন রমজানের শেষ দিনগুলো আসে, তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ ইবাদতে অত্যন্ত পরিশ্রম করতেন। (বুখারি, মুসলিম)
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, রমজান আমাদের জীবনের সবচেয়ে বরকতময় সময়। সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে, আর আমাদের অবশিষ্ট দিনগুলো বিশেষভাবে কাজে লাগানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনগুলো আমাদের স্মরণ করায় যে: এখন ইবাদতে আরও পরিশ্রম করার সময় এসেছে। যে কমতি আগে হয়েছে, এবার তা পূরণ করার সুযোগ। নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, দোয়া—এসবকে আপনার জীবনের অংশ করুন। সফল সেই ব্যক্তি, যিনি রমজানের শেষ দিনগুলোকে সবচেয়ে মূল্যবান মনে করে কাটান।
📍 আজকের আমল:
1️⃣ ইবাদতের সময় আগের চেয়ে বাড়ান।
2️⃣ কোরআন তেলাওয়াত বেশি করুন।
3️⃣ আল্লাহর কাছে আন্তরিক দোয়া করুন যেন রমজান কবুল হয়।
4️⃣ নিজের অন্তরের খোলা দিকগুলো খুঁজে বের করুন এবং তাওবা করুন।
5️⃣ দান-সদকা ও সাহায্যের মাধ্যমে অন্যকে উপকার করুন।
মনে রাখুন, ছোট ছোট ইবাদতও যদি সৎ নিয়ত দিয়ে করা হয়, তা অনেক বড় সওয়াব হিসেবে গণ্য হয়। রমজান আমাদের জন্য এক সুযোগ, নিজেকে পরিশোধিত করার, আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার এবং জীবনের মূল উদ্দেশ্য স্মরণ করার।
— মুসলিমা ডায়েরি
collected
@PathwayToNoor
❤9
শেষ ১০ দিন চলে এসেছে। আরও বেশি সিজদা, আরও সূরা এবং আরও বেশি ইস্তিগফারের সময় এসেছে।
যতটা সম্ভব দুনিয়া ছেড়ে দাও এবং পূর্ণ হৃদয় দিয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে যাও। দোয়া করতে শুরু করো যেন আল্লাহ তোমাকে লাইলাতুল কদরের সুফল ভোগকারীদের দলে অন্তর্ভুক্ত করেন। অনেকেই বলে, "আমাকে সেই রাতে পৌঁছাতে দাও" কিন্তু পৌঁছানো যথেষ্ট নয়, বরং এর পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা।
- সূরা ইখলাস ৩ বার পাঠ করো
- প্রতি রাতে তাহাজ্জুদ নামায পড়ো
- কুরআন পড়ো
- দান-খয়রাত করো
- প্রচুর যিকির করো
- ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং
- প্রচুর দুআ করো।
- সালাতুত হাজত নামাজ
যদি লাইলাতুল কদরে পড়ে তাহলে মনে হবে যেন তুমি ৮৩ বছর ধরে এটা করেছো।
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
যতটা সম্ভব দুনিয়া ছেড়ে দাও এবং পূর্ণ হৃদয় দিয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে যাও। দোয়া করতে শুরু করো যেন আল্লাহ তোমাকে লাইলাতুল কদরের সুফল ভোগকারীদের দলে অন্তর্ভুক্ত করেন। অনেকেই বলে, "আমাকে সেই রাতে পৌঁছাতে দাও" কিন্তু পৌঁছানো যথেষ্ট নয়, বরং এর পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা।
- সূরা ইখলাস ৩ বার পাঠ করো
- প্রতি রাতে তাহাজ্জুদ নামায পড়ো
- কুরআন পড়ো
- দান-খয়রাত করো
- প্রচুর যিকির করো
- ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং
- প্রচুর দুআ করো।
- সালাতুত হাজত নামাজ
যদি লাইলাতুল কদরে পড়ে তাহলে মনে হবে যেন তুমি ৮৩ বছর ধরে এটা করেছো।
— সংগৃহিত
@PathwayToNoor
❤8
কুরআন আমাদের যা বলতে চায় — পর্ব ১০
"সত্যকে মিথ্যার সাথে মেশানো" মানে কী?
ধরো, একটা একদম পরিষ্কার পানির গ্লাস আছে । তুমি যদি সেখানে এক ফোঁটা নোংরা পানি ফেলো, পুরো গ্লাসটাই কিন্তু নোংরা হয়ে যাবে । সত্যও ঠিক এমনই । একটু মিথ্যা ঢুকলেই পুরো সত্যটাই নষ্ট হয়ে যায়।
তাই আল্লাহ শুধু বলেননি — “মিথ্যা বলো না।” তিনি বলেছেন — "সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিও না ।" কারণ সত্যের ভেতরে সামান্য মিথ্যা ঢুকলেই মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যেতে পারে ।
আজকালকার দুনিয়ায় মিথ্যা বলাটা সবসময় ডাইরেক্ট মিথ্যা হয় না । বরং এটা হয় একটু স্মার্টলি হয় । Half Truth, Edited Truth , Screenshot এর শুধু অর্ধেক দেখানো, context কেটে দেওয়া এইসব এখন খুবই নরমাল । বাইরে থেকে দেখলে সত্য মনে হয় কিন্তু আসলে মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যায় ।
"জেনে শুনে সত্য গোপন করা" — আরও ভয়ংকর
ধরো তুমি জানো তোমার বন্ধু একটা ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে । তুমি জানো সেটা ভুল। কিন্তু তুমি চুপ করে আছো — কারণ সত্যটা বললে ঝামেলা হতে পারে । কিংবা কেউ কাউকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে,
আর তুমি বলছো —“আমি জানি সত্যটা, কিন্তু ভাই আমি এইসব ঝামেলার মধ্যে নাই।” কুরআনের ভাষায় — এটাও সত্য গোপন করা ।
প্রশ্নটা এখন আমাদের নিজেদের জন্য — আমি কি কখনো অর্ধেক সত্য বলসি ? আমি কি কখনো সত্য জানার পরও চুপ থাকসি ? আমি কি কখনো কাউকে misleading information দিসি ? সত্যকে বিকৃত করা আর চুপ থাকা আজকের দিনে নরমাল মনে হলেও মহান আল্লাহর কাছে সেটা গুরুতর ব্যাপার !
@PathwayToNoor
তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করো না — সূরা আল-বাকারা : আয়াত ৪২
"সত্যকে মিথ্যার সাথে মেশানো" মানে কী?
ধরো, একটা একদম পরিষ্কার পানির গ্লাস আছে । তুমি যদি সেখানে এক ফোঁটা নোংরা পানি ফেলো, পুরো গ্লাসটাই কিন্তু নোংরা হয়ে যাবে । সত্যও ঠিক এমনই । একটু মিথ্যা ঢুকলেই পুরো সত্যটাই নষ্ট হয়ে যায়।
তাই আল্লাহ শুধু বলেননি — “মিথ্যা বলো না।” তিনি বলেছেন — "সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিও না ।" কারণ সত্যের ভেতরে সামান্য মিথ্যা ঢুকলেই মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যেতে পারে ।
আজকালকার দুনিয়ায় মিথ্যা বলাটা সবসময় ডাইরেক্ট মিথ্যা হয় না । বরং এটা হয় একটু স্মার্টলি হয় । Half Truth, Edited Truth , Screenshot এর শুধু অর্ধেক দেখানো, context কেটে দেওয়া এইসব এখন খুবই নরমাল । বাইরে থেকে দেখলে সত্য মনে হয় কিন্তু আসলে মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যায় ।
"জেনে শুনে সত্য গোপন করা" — আরও ভয়ংকর
ধরো তুমি জানো তোমার বন্ধু একটা ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে । তুমি জানো সেটা ভুল। কিন্তু তুমি চুপ করে আছো — কারণ সত্যটা বললে ঝামেলা হতে পারে । কিংবা কেউ কাউকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে,
আর তুমি বলছো —“আমি জানি সত্যটা, কিন্তু ভাই আমি এইসব ঝামেলার মধ্যে নাই।” কুরআনের ভাষায় — এটাও সত্য গোপন করা ।
প্রশ্নটা এখন আমাদের নিজেদের জন্য — আমি কি কখনো অর্ধেক সত্য বলসি ? আমি কি কখনো সত্য জানার পরও চুপ থাকসি ? আমি কি কখনো কাউকে misleading information দিসি ? সত্যকে বিকৃত করা আর চুপ থাকা আজকের দিনে নরমাল মনে হলেও মহান আল্লাহর কাছে সেটা গুরুতর ব্যাপার !
@PathwayToNoor
❤12
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤6❤🔥3
আসসালামু আলাইকুম..
আজ মাগফেরাতের রোজা শেষ হতে যাচ্ছে আর শেষ দশকের রোজা বা তারাবী শুরু হবে ইনশাআল্লাহ..শেষ দশক মানেই লাইলাতুল কদর এর তালাশ করা আর লাইলাতুল ক্বদর কোন রাতে হবে এইটা মোটেও নির্দিষ্ট নয়!
রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের নির্দিষ্ট কোনো রাত বলেননি..বরং তিনি নির্দেশ দিয়ে গেছেন এই মহিমান্বিত রাতটি খুঁজে নিতে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
“তোমরা রমাদানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।”
— সহিহ বুখারি: ২০২০
আরেকটা হাদিসে এসেছে:
“তোমরা রমাদানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।”
— সহিহ বুখারি: ২০১৭
এছাড়া উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) বলেন:
“রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন রমাদানের শেষ দশক শুরু হতো, তখন তিনি রাত জেগে ইবাদত করতেন, পরিবারকে জাগাতেন এবং ইবাদতে আরও বেশি মনোযোগ দিতেন।”
— সহিহ বুখারি: ২০২৪, সহিহ মুসলিম: ১১৭৪
সবগুলোই একদম সহীহ হাদিস। আর দ্বিতীয় হাদিসের জন্য বুঝা যায় বিজোড় রাতেই আমাদের লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
তাই বুদ্ধিমান মুমিনের কাজ হলো শেষ দশকের প্রতিটি রাতই ইবাদতে কাটানোর চেষ্টা করা, বিশেষ করে বিজোড় রাতগুলোতে তো অবশ্যই অবশ্যই। কারণ আমরা কেউই জানি না কোনদিন আল্লাহ সেই মহিমান্বিত রাতটি রেখেছেন।
২১ তম রাত: মঙ্গলবার, মার্চ-১০ তারিখ (আজ)
২৩ তম রাত: বৃহস্পতিবার, মার্চ-১২ তারিখ
২৫ তম রাত: শনিবার, মার্চ-১৪ তারিখ
২৭ তম রাত: সোমবার, মার্চ-১৬ তারিখ
২৯ তম রাত: বুধবার, মার্চ-১৮ তারিখ
@PathwayToNoor
#PathwayToNoor #Ramadan2026
#LailatulQadar
আজ মাগফেরাতের রোজা শেষ হতে যাচ্ছে আর শেষ দশকের রোজা বা তারাবী শুরু হবে ইনশাআল্লাহ..শেষ দশক মানেই লাইলাতুল কদর এর তালাশ করা আর লাইলাতুল ক্বদর কোন রাতে হবে এইটা মোটেও নির্দিষ্ট নয়!
রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের নির্দিষ্ট কোনো রাত বলেননি..বরং তিনি নির্দেশ দিয়ে গেছেন এই মহিমান্বিত রাতটি খুঁজে নিতে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
“তোমরা রমাদানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।”
— সহিহ বুখারি: ২০২০
আরেকটা হাদিসে এসেছে:
“তোমরা রমাদানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।”
— সহিহ বুখারি: ২০১৭
এছাড়া উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) বলেন:
“রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন রমাদানের শেষ দশক শুরু হতো, তখন তিনি রাত জেগে ইবাদত করতেন, পরিবারকে জাগাতেন এবং ইবাদতে আরও বেশি মনোযোগ দিতেন।”
— সহিহ বুখারি: ২০২৪, সহিহ মুসলিম: ১১৭৪
সবগুলোই একদম সহীহ হাদিস। আর দ্বিতীয় হাদিসের জন্য বুঝা যায় বিজোড় রাতেই আমাদের লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
তাই বুদ্ধিমান মুমিনের কাজ হলো শেষ দশকের প্রতিটি রাতই ইবাদতে কাটানোর চেষ্টা করা, বিশেষ করে বিজোড় রাতগুলোতে তো অবশ্যই অবশ্যই। কারণ আমরা কেউই জানি না কোনদিন আল্লাহ সেই মহিমান্বিত রাতটি রেখেছেন।
বিজোড় রাতসমূহ:
২১ তম রাত: মঙ্গলবার, মার্চ-১০ তারিখ (আজ)
২৩ তম রাত: বৃহস্পতিবার, মার্চ-১২ তারিখ
২৫ তম রাত: শনিবার, মার্চ-১৪ তারিখ
২৭ তম রাত: সোমবার, মার্চ-১৬ তারিখ
২৯ তম রাত: বুধবার, মার্চ-১৮ তারিখ
আল্লাহ তায়ালা সবাইকে বেশি বেশি ইবাদত করার তৌফিক দান করুক..আমীন 🤍
@PathwayToNoor
#PathwayToNoor #Ramadan2026
#LailatulQadar
❤15❤🔥5
পিরিয়ডে (হায়েজ অবস্থায়) থাকা নারীরা লাইলাতুল কদরে যেসব আমল করতে পারেন
পড়তে টাইটেলে ক্লিক করুন।
@PathwayToNoor
Telegraph
পিরিয়ডে (হায়েজ অবস্থায়) থাকা নারীরা লাইলাতুল কদরে যেসব আমল করতে পারেন
পিরিয়ডে (হায়েজ অবস্থায়) থাকা নারীরা লাইলাতুল কদরে যেসব আমল করতে পারেন ▬▬▬▬▬▬▬❂ ▬▬▬▬▬▬▬ ❑ দু‘আ করা: . পিরিয়ডকালে দু‘আ করতে কোনো অসুবিধা নেই। সুতরাং, উত্তম হবে—অজু করে লাইলাতুল কদরের মহান রজনীতে আন্তরিকভাবে দু‘আয় মনোনিবেশ করা। এই রাতে দু‘আ কবুল হওয়ার ব্যাপক…
❤7
আসসালামু আলাইকুম!!
প্রায় ২০ রোজা শেষ। অনেকেরই হয়তো এতদিনে কয়েকবার আরবীতে কুরআন খতম করা শেষ, কিন্তু বাংলায় সঠিক অর্থ ও তাফসীরসহ একটিও সুরা গভীরভাবে পড়া হয়নি কোনোদিনও। ফলাফল? আমরা অনেকেই প্রকৃতপক্ষে মহান আল্লাহ তায়ালার বার্তা বুঝেই উঠতে পারিনি। কুরআনের মর্মার্থ থেকে বঞ্চিত থাকার এই ফাঁক পূরণ করার জন্যই শুরু করছি এই সিরিজ —
১০ টি পর্বে কুরআনের কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা, আধুনিক জীবনের সাথে রিলেটেবল উদাহরণ এবং প্র্যাকটিকাল লাইফ টিপস নিয়ে আলোচনা করা হইছে। আশা করি, রমজান শেষের আগে এই সিরিজ সবাই পুরো মন দিয়ে পড়বেন এবং সত্যিকার অর্থে বোঝার চেষ্টা করবেন।
পর্ব - ১ : https://t.me/PathwayToNoor/752
পর্ব - ২ : https://t.me/PathwayToNoor/753
পর্ব - ৩ : https://t.me/PathwayToNoor/768
পর্ব - ৪ : https://t.me/PathwayToNoor/775
পর্ব - ৫ : https://t.me/PathwayToNoor/782
পর্ব - ৬ : https://t.me/PathwayToNoor/789
পর্ব - ৭ : https://t.me/PathwayToNoor/798
পর্ব - ৮ : https://t.me/PathwayToNoor/817
পর্ব - ৯ : https://t.me/PathwayToNoor/824
পর্ব - ১০ : https://t.me/PathwayToNoor/830
প্রায় ২০ রোজা শেষ। অনেকেরই হয়তো এতদিনে কয়েকবার আরবীতে কুরআন খতম করা শেষ, কিন্তু বাংলায় সঠিক অর্থ ও তাফসীরসহ একটিও সুরা গভীরভাবে পড়া হয়নি কোনোদিনও। ফলাফল? আমরা অনেকেই প্রকৃতপক্ষে মহান আল্লাহ তায়ালার বার্তা বুঝেই উঠতে পারিনি। কুরআনের মর্মার্থ থেকে বঞ্চিত থাকার এই ফাঁক পূরণ করার জন্যই শুরু করছি এই সিরিজ —
কুরআন আমাদের যা বলতে চায়।
১০ টি পর্বে কুরআনের কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা, আধুনিক জীবনের সাথে রিলেটেবল উদাহরণ এবং প্র্যাকটিকাল লাইফ টিপস নিয়ে আলোচনা করা হইছে। আশা করি, রমজান শেষের আগে এই সিরিজ সবাই পুরো মন দিয়ে পড়বেন এবং সত্যিকার অর্থে বোঝার চেষ্টা করবেন।
পর্ব - ১ : https://t.me/PathwayToNoor/752
পর্ব - ২ : https://t.me/PathwayToNoor/753
পর্ব - ৩ : https://t.me/PathwayToNoor/768
পর্ব - ৪ : https://t.me/PathwayToNoor/775
পর্ব - ৫ : https://t.me/PathwayToNoor/782
পর্ব - ৬ : https://t.me/PathwayToNoor/789
পর্ব - ৭ : https://t.me/PathwayToNoor/798
পর্ব - ৮ : https://t.me/PathwayToNoor/817
পর্ব - ৯ : https://t.me/PathwayToNoor/824
পর্ব - ১০ : https://t.me/PathwayToNoor/830
❤11
বেজোড় রাতগুলো শুরু হওয়ার পর থেকে আমি নিজেকে একটি প্রশ্ন করছিলাম—কেন নবী ﷺ শবে কদরের জন্য বিশেষভাবে এই দোয়াটিই শিখিয়েছেন:
‘اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني’
"হে আল্লাহ, আপনি তো ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন, তাই আমাকেও ক্ষমা করুন।"
এরপর আমি ইবনুল কাইয়্যিমের একটি খুব সুন্দর উত্তর পেলাম। তিনি বলেন: ‘যদি আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করে দেন, তবে তোমার প্রয়োজনগুলো তুমি চাইবার আগেই পূরণ হয়ে যাবে।’
এই কথার ভেতরে একটি গভীর অর্থ আছে—মানুষের অনেক দোয়া থাকে, অনেক চাওয়া থাকে। কিন্তু যদি আল্লাহ সত্যিই ক্ষমা করে দেন, তবে তাঁর রহমত এমনভাবে নেমে আসে যে—মানুষের অনেক প্রয়োজন দোয়া করার আগেই পূরণ হয়ে যায়।
~ মাহমুদ বিন নূর
‘اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني’
"হে আল্লাহ, আপনি তো ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন, তাই আমাকেও ক্ষমা করুন।"
এরপর আমি ইবনুল কাইয়্যিমের একটি খুব সুন্দর উত্তর পেলাম। তিনি বলেন: ‘যদি আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করে দেন, তবে তোমার প্রয়োজনগুলো তুমি চাইবার আগেই পূরণ হয়ে যাবে।’
এই কথার ভেতরে একটি গভীর অর্থ আছে—মানুষের অনেক দোয়া থাকে, অনেক চাওয়া থাকে। কিন্তু যদি আল্লাহ সত্যিই ক্ষমা করে দেন, তবে তাঁর রহমত এমনভাবে নেমে আসে যে—মানুষের অনেক প্রয়োজন দোয়া করার আগেই পূরণ হয়ে যায়।
~ মাহমুদ বিন নূর
❤32❤🔥7
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤7
আশা করি এতদিন আপনাদের কুরআন যা বলতে চায় সিরিজ অনেক ভালো লাগছে । এখন আমি চাচ্ছি কুরআন হাদিসের আলোকে কথা বলার নির্দেশনা এর আলোকে Speak with Deen সিরিজ শুরু করতে । আপনাদের রেসপন্স পাওয়া যাবে তো ?
❤🔥27❤3
*লাইলাতুল কদর: এক মহামূল্যবান রাত*
রমাদানের শেষ দশকে এমন একটি রাত লুকিয়ে আছে, যার মূল্য মানুষের পুরো জীবনের চেয়েও বড় হতে পারে। সেই রাতের নাম লাইলাতুল কদর।
অনেকেই এই নামটি শুনে, কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করে না—কেন এই রাত এত গুরুত্বপূর্ণ?
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন:
“লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” (সূরা আল-কদর)
একটু চিন্তা করে দেখুন—হাজার মাস মানে প্রায় ৮৩ বছরেরও বেশি সময়। অর্থাৎ একজন মানুষ যদি এই এক রাতে আন্তরিকভাবে ইবাদত করে, আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, চোখের পানি ফেলে দোয়া করে—তাহলে সে এমন সওয়াব পেতে পারে, যা প্রায় একটি পুরো জীবনের ইবাদতের সমান।
এটাই লাইলাতুল কদরের এক বড় রহস্য।
আল্লাহ আমাদের জন্য এমন একটি সুযোগ রেখেছেন, যেখানে অল্প সময়ে মানুষ অসীম পুরস্কার পেতে পারে। কারণ মানুষের জীবন ছোট, শক্তি সীমিত—কিন্তু আল্লাহর দয়া অসীম।
লাইলাতুল কদরের আরেকটি বড় মর্যাদা হলো—এই রাতেই পবিত্র কুরআন নাযিলের সূচনা হয়েছিল।
এই কুরআনই মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে এসেছে।
এটি হতাশ মানুষকে আশা দেয়, পাপী মানুষকে তওবার দরজা দেখায় এবং মানুষের জীবনকে সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করে।
কুরআনে বলা হয়েছে—এই রাতে অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীতে নেমে আসে, তাদের সাথে থাকেন ফেরেশতাদের নেতা জিবরাইল (আ.)।
তারা আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে নেমে আসে এবং পৃথিবী ভরে যায় রহমত, শান্তি ও বরকতে।
আল্লাহ বলেন—এই রাত ফজর পর্যন্ত সম্পূর্ণ শান্তিময়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।”
— (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
ভাবুন—একজন মানুষ অনেক ভুল করেছে, গুনাহ করেছে। কিন্তু আল্লাহ তাকে একটি রাত দিচ্ছেন, যেখানে সে যদি সত্যিকারভাবে তওবা করে, চোখের পানি ফেলে দোয়া করে—তাহলে তার অতীতের গুনাহ মাফ হয়ে যেতে পারে।
এটা আল্লাহর অসীম দয়ার এক অপূর্ব নিদর্শন।
লাইলাতুল কদর আসলে শুধু একটি রাত নয়—
এটি নতুন করে শুরু করার একটি সুযোগ।
এই রাত একজন পাপী মানুষকে ভালো মানুষ হওয়ার সুযোগ দেয়,
একজন হতাশ মানুষকে নতুন আশার আলো দেখায়।
এই কারণেই সাহাবিরা রমাদানের শেষ দশকে রাতগুলো ইবাদতে ভরে দিতেন। কারণ তারা জানতেন—এই রাতগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই মহামূল্যবান রাত।
হয়তো এই রাতটি আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
হয়তো এই রাতেই আল্লাহ আপনার ভাগ্য নতুন করে লিখে দিতে পারেন।
হয়তো এই রাতেই কবুল হয়ে যাবে আপনার সেই দোয়াটি, যা আপনি বহুদিন ধরে আল্লাহর কাছে চাইছেন।
তাই রমাদানের শেষ দশকের প্রতিটি রাতে একজন মুমিনের হৃদয়ে একটি আশা জেগে ওঠে—
“হয়তো আজকের রাতটাই লাইলাতুল কদর…”
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
collected
#PathwayToNoor
রমাদানের শেষ দশকে এমন একটি রাত লুকিয়ে আছে, যার মূল্য মানুষের পুরো জীবনের চেয়েও বড় হতে পারে। সেই রাতের নাম লাইলাতুল কদর।
অনেকেই এই নামটি শুনে, কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করে না—কেন এই রাত এত গুরুত্বপূর্ণ?
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন:
“লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” (সূরা আল-কদর)
একটু চিন্তা করে দেখুন—হাজার মাস মানে প্রায় ৮৩ বছরেরও বেশি সময়। অর্থাৎ একজন মানুষ যদি এই এক রাতে আন্তরিকভাবে ইবাদত করে, আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, চোখের পানি ফেলে দোয়া করে—তাহলে সে এমন সওয়াব পেতে পারে, যা প্রায় একটি পুরো জীবনের ইবাদতের সমান।
এটাই লাইলাতুল কদরের এক বড় রহস্য।
আল্লাহ আমাদের জন্য এমন একটি সুযোগ রেখেছেন, যেখানে অল্প সময়ে মানুষ অসীম পুরস্কার পেতে পারে। কারণ মানুষের জীবন ছোট, শক্তি সীমিত—কিন্তু আল্লাহর দয়া অসীম।
লাইলাতুল কদরের আরেকটি বড় মর্যাদা হলো—এই রাতেই পবিত্র কুরআন নাযিলের সূচনা হয়েছিল।
এই কুরআনই মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে এসেছে।
এটি হতাশ মানুষকে আশা দেয়, পাপী মানুষকে তওবার দরজা দেখায় এবং মানুষের জীবনকে সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করে।
কুরআনে বলা হয়েছে—এই রাতে অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীতে নেমে আসে, তাদের সাথে থাকেন ফেরেশতাদের নেতা জিবরাইল (আ.)।
তারা আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে নেমে আসে এবং পৃথিবী ভরে যায় রহমত, শান্তি ও বরকতে।
আল্লাহ বলেন—এই রাত ফজর পর্যন্ত সম্পূর্ণ শান্তিময়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।”
— (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
ভাবুন—একজন মানুষ অনেক ভুল করেছে, গুনাহ করেছে। কিন্তু আল্লাহ তাকে একটি রাত দিচ্ছেন, যেখানে সে যদি সত্যিকারভাবে তওবা করে, চোখের পানি ফেলে দোয়া করে—তাহলে তার অতীতের গুনাহ মাফ হয়ে যেতে পারে।
এটা আল্লাহর অসীম দয়ার এক অপূর্ব নিদর্শন।
লাইলাতুল কদর আসলে শুধু একটি রাত নয়—
এটি নতুন করে শুরু করার একটি সুযোগ।
এই রাত একজন পাপী মানুষকে ভালো মানুষ হওয়ার সুযোগ দেয়,
একজন হতাশ মানুষকে নতুন আশার আলো দেখায়।
এই কারণেই সাহাবিরা রমাদানের শেষ দশকে রাতগুলো ইবাদতে ভরে দিতেন। কারণ তারা জানতেন—এই রাতগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই মহামূল্যবান রাত।
হয়তো এই রাতটি আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
হয়তো এই রাতেই আল্লাহ আপনার ভাগ্য নতুন করে লিখে দিতে পারেন।
হয়তো এই রাতেই কবুল হয়ে যাবে আপনার সেই দোয়াটি, যা আপনি বহুদিন ধরে আল্লাহর কাছে চাইছেন।
তাই রমাদানের শেষ দশকের প্রতিটি রাতে একজন মুমিনের হৃদয়ে একটি আশা জেগে ওঠে—
“হয়তো আজকের রাতটাই লাইলাতুল কদর…”
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
কঠিন জামানায়collected
#PathwayToNoor
❤13
আয়িশাহ (র.) বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি যদি ক্বদরের রাত পেয়ে যাই তাহলে আমি কোন দু'আটি পাঠ করবো.? তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি পাঠ করবে-
« اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي »
উচ্চারণঃ- “আল্ল-হুম্মা ইন্নাকা 'আফু'উন কারীম, তুহি্ব্বুল 'আফওয়া ফা'ফু 'আন্নী”
অর্থঃ- “হে আল্লাহ, আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন।”
[তিরমিযী- ৩৬১৩, ইবনে মাজাহ- ৩৮৫০]
অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি দোয়া, দোয়াটি ক্বদরের রাত ব্যতীত অন্য যেকোনো সময়ও ইস্তিগফার হিসেবে পাঠ করা যাবে। তাই আমাদের যাদের দোয়াটি মুখস্থ নেই, তারা এখুনি দোয়াটি মুখস্থ করে নিবো ইন শা আল্লাহ...
collected
@PathwayToNoor
« اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي »
উচ্চারণঃ- “আল্ল-হুম্মা ইন্নাকা 'আফু'উন কারীম, তুহি্ব্বুল 'আফওয়া ফা'ফু 'আন্নী”
অর্থঃ- “হে আল্লাহ, আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন।”
[তিরমিযী- ৩৬১৩, ইবনে মাজাহ- ৩৮৫০]
অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি দোয়া, দোয়াটি ক্বদরের রাত ব্যতীত অন্য যেকোনো সময়ও ইস্তিগফার হিসেবে পাঠ করা যাবে। তাই আমাদের যাদের দোয়াটি মুখস্থ নেই, তারা এখুনি দোয়াটি মুখস্থ করে নিবো ইন শা আল্লাহ...
collected
@PathwayToNoor
❤7