ইমাম ইব্রাহীম আন-নাখাই (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, সালাফগণ বলতেন,
তথ্যসূত্র: মুসান্নাফ ইবন আবি শাইবাহ, ৫/২৮৩
@PathwayToNoor
"যদি কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে 'গাধা', 'কুত্তা' অথবা 'শুয়োর' বলে ডাকে, তাহলে হাশরের মাঠে আল্লাহ তায়ালা তাকে জিগ্যেস করবেন, 'তোমার কি এই বিশ্বাস যে আমি ওমুক ওমুক ব্যক্তিকে কুকুর, গাধা বা শুয়োর করে বানিয়েছি?'
তথ্যসূত্র: মুসান্নাফ ইবন আবি শাইবাহ, ৫/২৮৩
@PathwayToNoor
😢7❤1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤6
কুরআন আমাদের যা বলতে চায় - পর্ব ৬
তুমি কি কখনও ভেবেছ - ভালো মানুষ হয়ে লাভ কী? চারপাশে দেখি shortcut নেয়া লোকেরা এগিয়ে যাচ্ছে, আর তুমি halal পথে থেকে struggle করছো । মনে হয়, clean থাকতে গিয়ে যেন পিছিয়ে যাচ্ছি । কিন্তু এই আয়াত একদম clear promise দিচ্ছে -
সৎকর্ম + ঈমান = পবিত্র জীবন ( Hayatan Tayyibah )
এটা শুধু পরকালের রিওয়ার্ড না । এটা দুনিয়ায় থাকতেই আল্লাহর দেয়া একটা পুরস্কার ।
• হায়াতান তাইয়্যিবাহ (পবিত্র জীবন) মানে কী?
পবিত্র জীবন মানে এই না যে তোমার লাইফে কোনো problem থাকবে না। বরং ঝড়ের মধ্যেও ভেতরে একটা শান্ত মন থাকবে । টাকার কমতি থাকতে পারে, কিন্তু হারাম ইনকামের guilt থাকবে না , ক্যারিয়ারে struggle থাকতে পারে, কিন্তু রাতে ঘুম আসবে tension ছাড়া।
• সৎকর্ম আসলে কি ?
সৎকর্ম মানে শুধু মসজিদে লম্বা নামাজ পড়া বা বড় দান করা নয়; বরং যখন তুমি একা থাকলে হারাম কন্টেন্ট দেখার সুযোগ পেয়েও ফোন বন্ধ করে দাও, টাকা বাঁচানোর জন্য ছোট মিথ্যা বলার চান্স থাকলেও সত্যিটাই বলে দাও—এগুলোও সৎকর্ম । এগুলির জন্য কোনো লাইক আসে না, কেউ “মাশাআল্লাহ” বলে না, কোনো স্টোরি-পোস্ট হয় না। কিন্তু আল্লাহ দেখছেন । আর তিনি বলেছেন - যে এগুলো করে ঈমানের সাথে, তাকে অবশ্যই পবিত্র জীবন দেবেন
তাই, যখন মনে হবে "হালাল থেকে কী লাভ?" তখন মনে করো, তুমি আল্লাহর দেয়া হায়াতান তাইয়্যিবাহ-এর অপেক্ষায় আছো
@PathwayToNoor
যে সৎকর্ম করবে , পুরুষ হোক বা নারী এবং সে ঈমানদার হয়, আমি তাকে অবশ্যই পবিত্র জীবন দান করবে - সূরা আন-নাহল (১৬:৯৭) 📖
তুমি কি কখনও ভেবেছ - ভালো মানুষ হয়ে লাভ কী? চারপাশে দেখি shortcut নেয়া লোকেরা এগিয়ে যাচ্ছে, আর তুমি halal পথে থেকে struggle করছো । মনে হয়, clean থাকতে গিয়ে যেন পিছিয়ে যাচ্ছি । কিন্তু এই আয়াত একদম clear promise দিচ্ছে -
সৎকর্ম + ঈমান = পবিত্র জীবন ( Hayatan Tayyibah )
এটা শুধু পরকালের রিওয়ার্ড না । এটা দুনিয়ায় থাকতেই আল্লাহর দেয়া একটা পুরস্কার ।
• হায়াতান তাইয়্যিবাহ (পবিত্র জীবন) মানে কী?
পবিত্র জীবন মানে এই না যে তোমার লাইফে কোনো problem থাকবে না। বরং ঝড়ের মধ্যেও ভেতরে একটা শান্ত মন থাকবে । টাকার কমতি থাকতে পারে, কিন্তু হারাম ইনকামের guilt থাকবে না , ক্যারিয়ারে struggle থাকতে পারে, কিন্তু রাতে ঘুম আসবে tension ছাড়া।
• সৎকর্ম আসলে কি ?
সৎকর্ম মানে শুধু মসজিদে লম্বা নামাজ পড়া বা বড় দান করা নয়; বরং যখন তুমি একা থাকলে হারাম কন্টেন্ট দেখার সুযোগ পেয়েও ফোন বন্ধ করে দাও, টাকা বাঁচানোর জন্য ছোট মিথ্যা বলার চান্স থাকলেও সত্যিটাই বলে দাও—এগুলোও সৎকর্ম । এগুলির জন্য কোনো লাইক আসে না, কেউ “মাশাআল্লাহ” বলে না, কোনো স্টোরি-পোস্ট হয় না। কিন্তু আল্লাহ দেখছেন । আর তিনি বলেছেন - যে এগুলো করে ঈমানের সাথে, তাকে অবশ্যই পবিত্র জীবন দেবেন
তাই, যখন মনে হবে "হালাল থেকে কী লাভ?" তখন মনে করো, তুমি আল্লাহর দেয়া হায়াতান তাইয়্যিবাহ-এর অপেক্ষায় আছো
@PathwayToNoor
❤11
রমজান সিরিজ — দিন ৮রমজান — হালাল রিজিক ও সততা
▪️রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র, এবং তিনি কেবল পবিত্র জিনিসই গ্রহণ করেন। (সহীহ মুসলিম)
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধির মাস। আমরা রোজা রাখি, নামাজ আদায় করি, কুরআন তিলাওয়াত করি, দোয়া করি। কিন্তু যদি আমাদের উপার্জন হালাল না হয়, তাহলে ইবাদতের সেই নূর ও প্রভাব কমে যায়।
হালাল রিজিক শুধু অর্থ উপার্জনের বিষয় নয়— এটি আমাদের ঈমান, তাকওয়া এবং আল্লাহভীতির পরিচয়। সততা, সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়পরায়ণতা— এসব গুণ আমাদের উপার্জনে বরকত এনে দেয়। হারাম সম্পদ হয়তো সাময়িক স্বাচ্ছন্দ্য দিতে পারে, কিন্তু তা হৃদয়ে অশান্তি সৃষ্টি করে এবং দোয়া কবুলের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
পক্ষান্তরে, হালাল উপার্জন অল্প হলেও তাতে তৃপ্তি থাকে, শান্তি থাকে, বরকত থাকে। যে ঘরে হালাল রিজিক প্রবেশ করে, সে ঘরে রহমত নেমে আসে।
🌸 রমজানের শিক্ষাঃ আত্মসমালোচনা ও শুদ্ধতা রমজান আমাদের শেখায়— নিজেকে যাচাই করতে, ভুল থেকে ফিরে আসতে, এবং জীবনকে পরিশুদ্ধ করতে। এ মাস হোক আমাদের উপার্জন, লেনদেন ও দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তনের সূচনা। আমরা যেন কারও হক নষ্ট না করি, প্রতারণা না করি, ঘুষ বা সুদের মতো হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকি।
📍 আজকের আমল
1️⃣ নিজের উপার্জনের উৎস পর্যালোচনা করুন—কোথাও সন্দেহজনক বা হারাম কিছু আছে কি না ভেবে দেখুন।
2️⃣ প্রতিটি লেনদেনে সততা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখুন।
3️⃣ কারও প্রাপ্য অধিকার বাকি থাকলে তা দ্রুত পরিশোধ করুন।
4️⃣ আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাকে হালাল, পর্যাপ্ত ও বরকতময় রিজিক দান করেন।
হে আল্লাহ আমাদের উপার্জনকে হালাল ও পবিত্র করুন। আমাদের রিজিকে বরকত দিন। হারাম থেকে আমাদের দূরে রাখুন। আমাদের ইবাদতসমূহ কবুল করুন এবং আমাদের অন্তরে প্রশান্তি দান করুন। আমিন, ইয়া রব্বুল আলামীন।
— মুসলিমা ডায়েরি
@PathwayToNoor
❤🔥7
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!!
সবাই দোয়া রাখবেন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤6
আলহামদুলিল্লাহ, জুমার বরকতময় দিন শুরু হয়ে গিয়েছে। জুমার এই পবিত্র সময়টি মুমিনের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত। এখন থেকে প্রতিটি মুহূর্ত হোক দরূদ শরীফ, ইস্তিগফার ও যিকিরে পরিপূর্ণ। প্রিয় নবী ﷺ-এর উপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ আমাদের হৃদয়কে প্রশান্ত করে, গুনাহ মাফের উসিলা হয়।
collected
@PathwayToNoor
collected
@PathwayToNoor
❤10
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
সূরা মূলক👇تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ۚ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْغَفُورُ
الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا ۖ مَا تَرَىٰ فِي خَلْقِ الرَّحْمَٰنِ مِن تَفَاوُتٍ ۖ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِن فُطُورٍ
ثُمَّ ارْجِعِ الْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ الْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ
وَلَقَدْ زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَجَعَلْنَاهَا رُجُومًا لِلشَّيَاطِينِ ۖ وَأَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابَ السَّعِيرِ
وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ ۖ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ
إِذَا أُلْقُوا فِيهَا سَمِعُوا لَهَا شَهِيقًا وَهِيَ تَفُورُ
تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ الْغَيْظِ ۖ كُلَّمَا أُلْقِيَ فِيهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَا أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ
قَالُوا بَلَىٰ قَدْ جَاءَنَا نَذِيرٌ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ اللَّهُ مِن شَيْءٍ ۖ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِي ضَلَالٍ كَبِيرٍ
وَقَالُوا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِي أَصْحَابِ السَّعِيرِ
فَاعْتَرَفُوا بِذَنبِهِمْ فَسُحْقًا لِّأَصْحَابِ السَّعِيرِ
إِنَّ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِالْغَيْبِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ
وَأَسِرُّوا قَوْلَكُمْ أَوِ اجْهَرُوا بِهِ ۖ إِنَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ
أَلَا يَعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ
هُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ ذَلُولًا فَامْشُوا فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا مِن رِّزْقِهِ ۖ وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ فَإِذَا هِيَ تَمُورُ
أَمْ أَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا ۖ فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ
وَلَقَدْ كَذَّبَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ
أَوَلَمْ يَرَوْا إِلَى الطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صَافَّاتٍ وَيَقْبِضْنَ ۚ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا الرَّحْمَٰنُ ۚ إِنَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ بَصِيرٌ
أَمَّنْ هَٰذَا الَّذِي هُوَ جُندٌ لَّكُمْ يَنصُرُكُم مِّن دُونِ الرَّحْمَٰنِ ۚ إِنِ الْكَافِرُونَ إِلَّا فِي غُرُورٍ
أَمَّنْ هَٰذَا الَّذِي يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُ ۚ بَل لَّجُّوا فِي عُتُوٍّ وَنُفُورٍ
أَفَمَن يَمْشِي مُكِبًّا عَلَىٰ وَجْهِهِ أَهْدَىٰ أَمَّن يَمْشِي سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
قُلْ هُوَ الَّذِي أَنشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ ۚ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ
قُلْ هُوَ الَّذِي ذَرَأَكُمْ فِي الْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ
وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا الْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
قُلْ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِندَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُّبِينٌ
فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيئَتْ وُجُوهُ الَّذِينَ كَفَرُوا وَقِيلَ هَٰذَا الَّذِي كُنتُم بِهِ تَدَّعُونَ
قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِيَ اللَّهُ وَمَن مَّعِيَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ الْكَافِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ
قُلْ هُوَ الرَّحْمَٰنُ آمَنَّا بِهِ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا ۚ فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَاؤُكُمْ غَوْرًا فَمَن يَأْتِيكُم بِمَاءٍ مَّعِينٍ
*বাংলা উচ্চারণ (আয়াত ১–৩০):
১) তাবা-রাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর।
২) আল্লাযী খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়াতা লিয়াবলুয়াকুম আইয়্যুকুম আহসানু ‘আমালা; ওয়া হুয়াল ‘আজীজুল গফূর।
৩) আল্লাযী খালাকা সাব‘আ সামাওয়াতিন তিবাকা; মা তারো ফী খালকির রাহমানি মিন তাফাউত; ফারজিইল বাসারা হাল তারো মিন ফুটূর।
৪) ছুম্মারজিইল বাসারা কাররাতাইনি ইয়ানকালিব ইলাইকাল বাসারু খাসিইয়াঁও ওয়া হুয়া হাসীর।
৫) ওয়া লাকদ যায়্যান্নাস সামাআদ দুনইয়া বিমাসাবীহা ওয়া জা‘আলনাহা রুজূমাল লিশশায়াতীন; ওয়া আ‘তাদনা লাহুম ‘আযাবাস সাঈর।
৬) ওয়া লিল্লাযীনা কাফারু বিরাব্বিহিম ‘আযাবু জাহান্নাম; ওয়া বি’সাল মাসীর।
৭) ইযা উলকূ ফীহা সামি‘উ লাহা শাহীকাঁও ওয়া হিয়া তাফূর।
৮) তাকাদু তামাইয়্যাযু মিনাল গাইয; কুল্লামা উলকিয়া ফীহা ফাওজুন সা’আলাহুম খাযানাতুহা আলাম ইয়াতিকুম নাযীর।
৯) কালূ বালা কদ যায়ানা নাযীরুন ফাকাযযাবনা ওয়া কুলনা মা নাযযালাল্লাহু মিন শাই’; ইন আন্তুম ইল্লা ফী দালালিন কাবীর।
১০) ওয়া কালূ লাও কুন্না নাসমা‘উ আও না‘কিলু মা কুন্না ফী আসহাবিস সাঈর।
১১) ফা‘তারাফূ বিযাম্বিহিম; ফাসুহকান লিআসহাবিস সাঈর।
@PathwayToNoor
❤7
১২) ইন্নাল্লাযীনা ইয়াখশাওনা রাব্বাহুম বিল গাইবি লাহুম মাগফিরাতুও ওয়া আজরুন কাবীর।
১৩) ওয়া আসিররূ কাওলাকুম আওিজহারূ বিহ; ইন্নাহু ‘আলীমুম বিজাতিস সুদূর।
১৪) আলা ইয়ালামু মান খালাক; ওয়া হুয়াল লতীফুল খাবীর।
১৫) হুয়াল্লাযী জা‘আলা লাকুমুল আরদা যালূলান ফামশূ ফী মানাকিবিহা ওয়া কুলূ মির রিযকিহ; ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
১৬) আ-আমিনতুম মান ফিস সামাঈ আন ইয়াখসিফা বিকুমুল আরদা ফাইযা হিয়া তামূর।
১৭) আম আমিনতুম মান ফিস সামাঈ আন ইউরসিলা ‘আলাইকম হাসিবা; ফাসাতা‘লামূনা কাইফা নাযীর।
১৮) ওয়া লাকদ কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফাকাইফা কানা নাকীর।
১৯) আওয়ালাম ইয়ারাও ইলাত তাইরি ফাওকাহুম সফ্ফাতিওঁ ওয়া ইয়াকবিয্ন; মা ইউমসিকুহুন্না ইল্লার রাহমান; ইন্নাহু বিকুল্লি শাই’ইন বাসীর।
২০) আম্মান হাজাল্লাযী হুয়া জুনদুল্লাকুম ইয়ানসুরুকুম মিন দুনির রাহমান; ইনিল কাফিরূনা ইল্লা ফী গুরূর।
২১) আম্মান হাজাল্লাযী ইয়ারযুকুকুম ইন আমসাকা রিযকাহ; বাল লজ্জূ ফী ‘উতুwwইঁ ওয়া নুফূর।
২২) আফামাইয়্যামশী মুকিব্বান ‘আলা ওয়াজহিহি আহদা আম্মাইয়্যামশী সাওয়িয়্যাঁ ‘আলা সিরাতিম মুস্তাকীম।
২৩) কুল হুয়াল্লাযী আনশা’আকুম ওয়া জা‘আলা লাকুমুস সাম‘আ ওয়াল আবসারা ওয়াল আফ’ইদাহ; কলীলাম মা তাশকুরূন।
২৪) কুল হুয়াল্লাযী যারাআকুম ফিল আরদি ওয়া ইলাইহি তুহশারূন।
২৫) ওয়া ইয়াকুলূনা মাতা হাজাল ওয়াদু ইন কুন্তুম সাদিকীন।
২৬) কুল ইন্নামাল ‘ইলমু ‘ইন্দাল্লাহ; ওয়া ইন্নামা আনা নাযীরুম মুবীন।
২৭) ফালাম্মা রা’আউহু জুলফাতান সিইয়াত উজূহুল্লাযীনা কাফারূ; ওয়া কিলা হাজাল্লাযী কুন্তুম বিহি তাদ্দা‘উন।
২৮) কুল আরাআইতুম ইন আহলাকানিয়াল্লাহু ওয়া মান মাঈয়া আও রহিমানাঃ ফামাইয়্যুজীরুল কাফিরীনা মিন ‘আযাবিন আলীম।
২৯) কুল হুয়্যার রাহমানু আমান্না বিহি ওয়া ‘আলাইহি তাওয়াক্কালনা; ফাসাতা‘লামূনা মান হুয়া ফী দালালিম মুবীন।
৩০) কুল আরাআইতুম ইন আসবাহা মা’উকুম গাওরান ফামাইয়্যাতিকুম বিমা’ইন মাঈন*
آمَنَ ٱلرَّسُولُ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِۦ وَٱلْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَمَلَـٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِۦ ۚ وَقَالُوا۟ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ ٱلْمَصِيرُ
আমা নার রাসূলু বিমা উনযিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মু’মিনূন। কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি; লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহি। ওয়া ক্বালূ সামি‘না ওয়া আত‘না; গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসীর।
لَا يُكَلِّفُ ٱللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا ٱكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَآ إِن نَّسِينَآ أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَآ إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِۦ ۖ وَٱعْفُ عَنَّا وَٱغْفِرْ لَنَا وَٱرْحَمْنَآ ۚ أَنتَ مَوْلَىٰنَا فَٱنصُرْنَا عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْكَـٰفِرِينَ
লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উস‘আহা। লাহা মা কাসাবাত ওয়া ‘আলাইহা মাকতাসাবাত। রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসিনা আও আখতা’না। রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল ‘আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু ‘আলাল্লাযিনা মিন কাবলিনা। রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাকাতা লানা বিহি। ওয়াফু ‘আন্না ওয়াগফির লানা ওয়ারহামনা। আন্তা মাওলানা ফানসুরনা ‘আলাল কওমিল কাফিরীন।
ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুন ওয়া লা নাওম। লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহ। ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম। ওয়া লা ইউহিতূনা বিশাই’ইম মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা’। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা। ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যুল ‘আযীম।
قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ
কুল হুয়াল্লাহু আহাদ।
ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ
আল্লাহুস সামাদ।
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ।
وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌ
ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
@PathwayToNoor
১৩) ওয়া আসিররূ কাওলাকুম আওিজহারূ বিহ; ইন্নাহু ‘আলীমুম বিজাতিস সুদূর।
১৪) আলা ইয়ালামু মান খালাক; ওয়া হুয়াল লতীফুল খাবীর।
১৫) হুয়াল্লাযী জা‘আলা লাকুমুল আরদা যালূলান ফামশূ ফী মানাকিবিহা ওয়া কুলূ মির রিযকিহ; ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
১৬) আ-আমিনতুম মান ফিস সামাঈ আন ইয়াখসিফা বিকুমুল আরদা ফাইযা হিয়া তামূর।
১৭) আম আমিনতুম মান ফিস সামাঈ আন ইউরসিলা ‘আলাইকম হাসিবা; ফাসাতা‘লামূনা কাইফা নাযীর।
১৮) ওয়া লাকদ কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফাকাইফা কানা নাকীর।
১৯) আওয়ালাম ইয়ারাও ইলাত তাইরি ফাওকাহুম সফ্ফাতিওঁ ওয়া ইয়াকবিয্ন; মা ইউমসিকুহুন্না ইল্লার রাহমান; ইন্নাহু বিকুল্লি শাই’ইন বাসীর।
২০) আম্মান হাজাল্লাযী হুয়া জুনদুল্লাকুম ইয়ানসুরুকুম মিন দুনির রাহমান; ইনিল কাফিরূনা ইল্লা ফী গুরূর।
২১) আম্মান হাজাল্লাযী ইয়ারযুকুকুম ইন আমসাকা রিযকাহ; বাল লজ্জূ ফী ‘উতুwwইঁ ওয়া নুফূর।
২২) আফামাইয়্যামশী মুকিব্বান ‘আলা ওয়াজহিহি আহদা আম্মাইয়্যামশী সাওয়িয়্যাঁ ‘আলা সিরাতিম মুস্তাকীম।
২৩) কুল হুয়াল্লাযী আনশা’আকুম ওয়া জা‘আলা লাকুমুস সাম‘আ ওয়াল আবসারা ওয়াল আফ’ইদাহ; কলীলাম মা তাশকুরূন।
২৪) কুল হুয়াল্লাযী যারাআকুম ফিল আরদি ওয়া ইলাইহি তুহশারূন।
২৫) ওয়া ইয়াকুলূনা মাতা হাজাল ওয়াদু ইন কুন্তুম সাদিকীন।
২৬) কুল ইন্নামাল ‘ইলমু ‘ইন্দাল্লাহ; ওয়া ইন্নামা আনা নাযীরুম মুবীন।
২৭) ফালাম্মা রা’আউহু জুলফাতান সিইয়াত উজূহুল্লাযীনা কাফারূ; ওয়া কিলা হাজাল্লাযী কুন্তুম বিহি তাদ্দা‘উন।
২৮) কুল আরাআইতুম ইন আহলাকানিয়াল্লাহু ওয়া মান মাঈয়া আও রহিমানাঃ ফামাইয়্যুজীরুল কাফিরীনা মিন ‘আযাবিন আলীম।
২৯) কুল হুয়্যার রাহমানু আমান্না বিহি ওয়া ‘আলাইহি তাওয়াক্কালনা; ফাসাতা‘লামূনা মান হুয়া ফী দালালিম মুবীন।
৩০) কুল আরাআইতুম ইন আসবাহা মা’উকুম গাওরান ফামাইয়্যাতিকুম বিমা’ইন মাঈন*
সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত👇آمَنَ ٱلرَّسُولُ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِۦ وَٱلْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَمَلَـٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِۦ ۚ وَقَالُوا۟ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ ٱلْمَصِيرُ
আমা নার রাসূলু বিমা উনযিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মু’মিনূন। কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি; লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহি। ওয়া ক্বালূ সামি‘না ওয়া আত‘না; গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসীর।
لَا يُكَلِّفُ ٱللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا ٱكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَآ إِن نَّسِينَآ أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَآ إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِۦ ۖ وَٱعْفُ عَنَّا وَٱغْفِرْ لَنَا وَٱرْحَمْنَآ ۚ أَنتَ مَوْلَىٰنَا فَٱنصُرْنَا عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْكَـٰفِرِينَ
লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উস‘আহা। লাহা মা কাসাবাত ওয়া ‘আলাইহা মাকতাসাবাত। রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসিনা আও আখতা’না। রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল ‘আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু ‘আলাল্লাযিনা মিন কাবলিনা। রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাকাতা লানা বিহি। ওয়াফু ‘আন্না ওয়াগফির লানা ওয়ারহামনা। আন্তা মাওলানা ফানসুরনা ‘আলাল কওমিল কাফিরীন।
আয়াতুল কুরসি👇ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুন ওয়া লা নাওম। লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহ। ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম। ওয়া লা ইউহিতূনা বিশাই’ইম মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা’। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা। ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যুল ‘আযীম।
সূরা ইখলাস👇 ~৩বার~قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ
কুল হুয়াল্লাহু আহাদ।
ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ
আল্লাহুস সামাদ।
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ।
وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌ
ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
@PathwayToNoor
❤5
সূরা নাস👇~৩বার~قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন নাস।
مَلِكِ ٱلنَّاسِ
মালিকিন নাস।
إِلَـٰهِ ٱلنَّاسِ
ইলাহিন নাস।
مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ
মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস।
ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ
আল্লাযী ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন নাস।
مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ
মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।
সূরা ফালাক👇 ~৩বার~قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক।
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
মিন শাররি মা খালাক।
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইযা ওয়াকাব।
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّـٰثَـٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ
ওয়া মিন শাররিন নাফ্ফাছাতি ফিল ‘উকাদ।
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।
সূরা কাফিরুন👇 ~১বার~قُلْ يَـٰٓأَيُّهَا ٱلْكَـٰفِرُونَ
কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরূন।
لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ
লা আ‘বুদু মা তা‘বুদূন।
وَلَآ أَنتُمْ عَـٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
ওয়া লা আন্তুম ‘আবিদূনা মা আ‘বুদ।
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ
ওয়া লা আনা ‘আবিদুম মা ‘আবাদতুম।
وَلَآ أَنتُمْ عَـٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
ওয়া লা আন্তুম ‘আবিদূনা মা আ‘বুদ।
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ
লাকুম দীনুকুম ওয়া লিয়া দীন।
سُبْحَانَ ٱللَّهِ ৩৩বার
ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ৩৩বার
ٱللَّهُ أَكْبَرُ ৩৪ বার
সাইয়্যিদুল ইস্তেগফা👇اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَىٰ عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
আল্লাহুম্মা আন্তা রাব্বী, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা। খালাকতানী ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাত্বা‘তু। আ‘ঊযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী। ফাগফির লী, ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা।
দুরুদ ইব্রাহিম👇*❁اللَّهُمَّ صَــّلِ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ ❁ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيْمَ ❁ إنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ ❁*
*❁ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ ❁ كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيْمَ ❁ إنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ ❁*
দরুদে ইবরাহিমের বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা মুহাম্মাদিউ ওয়া আ'লা আলি মুহাম্মাদ, কামা সল্লাইতা আ'লা ইবরাহিমা ওয়া আ'লা আলি ইবরাহিম, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আ'লা মুহাম্মাদিউ ওয়া আ'লা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা আ'লা ইবরাহিমা ওয়া আ'লা আলি ইবরাহিম, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।
👇
لَا إِلَـٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ ٱللَّه*'
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।*
ঘুমানোর আগে দোয়া👇اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا
আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমূতু ওয়া আহইয়া।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার নামেই আমি মৃত্যু বরণ করি এবং জীবিত হই।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে শান্তিতে ঘুম ও নিরাপত্তা দান করুন। আমীন 🤲
প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে অযু করে ঘুমাবেন ইনশাআল্লাহ।*ডান দিক ফিরে ঘুমাবেন।*
©©©©
@PathwayToNoor
❤4🔥1
কুরআন আমাদের যা বলতে চায় – পর্ব ৭
কখনো মনে হয়েছে তোমার ভালো কাজ কেউই দেখে না ? কেউ দেখলো না যে, তুমি লেনদেনে honesty রাখলে, ছোট মিথ্যা এড়ালে, কাউকে হেল্প করলে । মনে হয় যেন তোমার কোনো প্রভাবই পড়ছে না ।
যখন মনে হয় – আমার কোনো impact নেই, আমি তো কিছুই করছি না – তখন মনে রেখো: তোমার ছোট্ট kindness , তোমার ছোট্ট sabr , তোমার ছোট্ট taqwa সবই রেকর্ড হচ্ছে। কিয়ামতের দিন, যখন পৃথিবী কাঁপবে, সব expose হবে – তোমার এই ভালো কাজ গুলোও আলো হয়ে দেখা যাবে
একটা থিওরি মনে রেখো – Butterfly Effect : ধরো, একজন time traveler dinosaur যুগে গিয়ে শুধু একটা butterfly মেরে ফেলে । পরে বর্তমানে ফিরে দেখলো – পুরো world changed ! Eco system, Animal kingdom সব বদলে গেছে। শুধু একটা ছোট্ট butterfly-এর মৃত্যু থেকেই ইতিহাসের ধারা হঠাৎ ভেঙে পড়লো । অর্থাৎ অতীতে খুব ছোট্ট একটা চেঞ্জ বা অ্যাকশনও chain reaction তৈরি করে পুরো future-কে একদম বদলে দিতে পারে ।
তাই ভেবো না – "এটা তো ছোট, কোনো লাভ নেই " Start doing more tiny good things, consistently. তোমার ছোট্ট একটা ভালো কাজও Butterfly Effect এর মাধ্যমে বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে – একদিন সেটা ছড়িয়ে পড়বে অনেকের জীবনে, সমাজে, এমনকি পৃথিবীর পথে
@PathwayToNoor
যে অণু পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে – সূরা আয-যিলযাল ( ৯৯:৭ )
কখনো মনে হয়েছে তোমার ভালো কাজ কেউই দেখে না ? কেউ দেখলো না যে, তুমি লেনদেনে honesty রাখলে, ছোট মিথ্যা এড়ালে, কাউকে হেল্প করলে । মনে হয় যেন তোমার কোনো প্রভাবই পড়ছে না ।
যখন মনে হয় – আমার কোনো impact নেই, আমি তো কিছুই করছি না – তখন মনে রেখো: তোমার ছোট্ট kindness , তোমার ছোট্ট sabr , তোমার ছোট্ট taqwa সবই রেকর্ড হচ্ছে। কিয়ামতের দিন, যখন পৃথিবী কাঁপবে, সব expose হবে – তোমার এই ভালো কাজ গুলোও আলো হয়ে দেখা যাবে
একটা থিওরি মনে রেখো – Butterfly Effect : ধরো, একজন time traveler dinosaur যুগে গিয়ে শুধু একটা butterfly মেরে ফেলে । পরে বর্তমানে ফিরে দেখলো – পুরো world changed ! Eco system, Animal kingdom সব বদলে গেছে। শুধু একটা ছোট্ট butterfly-এর মৃত্যু থেকেই ইতিহাসের ধারা হঠাৎ ভেঙে পড়লো । অর্থাৎ অতীতে খুব ছোট্ট একটা চেঞ্জ বা অ্যাকশনও chain reaction তৈরি করে পুরো future-কে একদম বদলে দিতে পারে ।
তাই ভেবো না – "এটা তো ছোট, কোনো লাভ নেই " Start doing more tiny good things, consistently. তোমার ছোট্ট একটা ভালো কাজও Butterfly Effect এর মাধ্যমে বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে – একদিন সেটা ছড়িয়ে পড়বে অনেকের জীবনে, সমাজে, এমনকি পৃথিবীর পথে
@PathwayToNoor
❤14
রমাদান আসে আমাদের অন্তরকে শুদ্ধ করতে, আমাদের গুনাহ থেকে বিরত রাখতে এবং ক্ষমা করতে। অথচ আফসোস, আমরা এই মহান উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে বরকতময় এই মাসটিকে অবহেলা ও বিলাসিতায় পার করছি। যদি আমরা সত্যিই রমাদানের প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করতে পারতাম; তবে রমাদানের প্রতিটি মুহূর্তকে ইবাদত, দু'আ, তাওবা ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে রাঙিয়ে তুলতাম। কারণ এই মহিমান্বিত মাস আমাদের নিকট বছরে তো মাত্র একবারই আসে।
আর তাছাড়া— এই রমাদানই যে আমার-আপনার জীবনের শেষ রমাদান নয়, তার নিশ্চয়তা কোথায়!
©
@PathwayToNoor
আর তাছাড়া— এই রমাদানই যে আমার-আপনার জীবনের শেষ রমাদান নয়, তার নিশ্চয়তা কোথায়!
©
@PathwayToNoor
❤🔥9❤1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
রমজান সিরিজ — দিন ১০রমজান — হৃদয়ের পরিচ্ছন্নতা
নবী ﷺ বলেছেন: সাবধান! দেহের একটি অংশ আছে, যদি তা সঠিক থাকে, তবে পুরো দেহ সঠিক থাকে, আর যদি তা খারাপ হয়, তবে পুরো দেহ খারাপ হয়। সেই অংশ হলো হৃদয়। (বুখারী, মুসলিম)
প্রিয় ভাই ও বোনেরা! রমজান শুধু বাহ্যিক ইবাদতের মাস নয়। এটি আমাদের হৃদয়কে পরিচ্ছন্ন করার মাস। হিংসা, ইর্ষা, অভিমান এবং ঘৃণা— এইসব নেগেটিভ অনুভূতি হৃদয়কে অসুস্থ করে দেয়। অন্তরের পরিচ্ছন্নতা না থাকলে, ইবাদত করলেও শান্তি মেলে না। আজকের রমজানে আমাদের লক্ষ্য: অন্তরের দুশ্চিন্তা, ক্ষোভ এবং অভিমান দূর করা। কাউকে আন্তরিকভাবে ক্ষমা করা। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা যে, তিনি আমাদের হৃদয়কে পবিত্র করুন।
📍 আজকের আমল:
1️⃣ হৃদয়ের ভিতরে লুকানো ক্ষোভ ও কষ্ট দূর করুন।
2️⃣ কারো সঙ্গে পুরোনো বিবাদ বা ক্ষোভ মুছে ফেলুন।
3️⃣ আল্লাহর দরবারে বিনীত দোয়া করুন: হে আল্লাহ, আমাদের হৃদয়কে পরিচ্ছন্ন, কোমল ও আলোকিত করুন। আমাদের অন্তরে কোনো হিংসা, ঘৃণা, অহংকার করা থেকে রক্ষা করুন। আমাদের ইবাদতকে গ্রহণযোগ্য করুন এবং আমাদের অন্তরকে আপনার প্রেমে পূর্ণ করুন। যখন হৃদয় আলোকিত হয়, তখন দেহ, মন ও জীবন—সবই আলোকিত হয়। আজকের ছোট উদ্দেশ্য: একটি হৃদয়মুক্ত রমজান উদযাপন করুন—কেবল খাওয়া-দাওয়া নয়, মন ও অন্তরকেও রোজার আলো দিয়ে পূর্ণ করুন।
—মুসলিমা
@PathwayToNoor
❤9
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤8
১১ রমাযানের দিবাগত রাতে দ্রুত বিয়ের জন্য একটি পরীক্ষিত আমল
এটি একটি পরীক্ষিত আমল। বহু বছর থেকে এ আমলটি জামেয়া দারুল উলূম কারচি'র সাবেক শাইখুল হাদীস ও সদর মুফতী রফী উসমানী রহিমাহুল্লহ'র পক্ষ হতে প্রচারিত। আরও অনেক বুযুর্গদের এটি মুজাররাব। অগণিত মানুষ এর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন। যেসব অভিভাবক অবিবাহিত ছেলে মেয়েদের বিবাহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন, তারা আমলটি করতে পারেন। বিবাহ উপযুক্ত ছেলে মেয়েরাও নিজেদের জন্য এটি করতে পারেন। শরীয়তের বিধান তথা ফরজ ওয়াজিব সুন্নাত মনে না করে স্রেফ বুুযুর্গদের মুজাররাব আমল হিসাবে করতে কোনো অসুবিধা নেই। ইনশাআল্লাহ, দ্রুত সুফল লাভ করবেন।
এ আমলটি ১১ রমযান দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ তারিখের রাতে তারাবীহের পরে অথবা শেষরাতে তাহাজ্জুদের সময় করতে হবে ইন শা আল্লহ।
আমলের নিয়ম
১। প্রথমে ১০১ বার দরূদ শরীফ পড়বে।
২। এরপর ১২ রাকাআত নফল নামায পড়বে, দুই দুই রাকাআত করে। প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহার পর ১২ বার সুরা ফীল পড়বে।
৩। নামায শেষে পুনরায় ১০১ বার দরূদে ইবরাহীমী পড়বে।
৪। এরপর নবীজি ﷺ এর প্রতি আমলটির ঈসালে সওয়াব করবে।
৫। বিয়ের জন্য কিছুক্ষণ দুআ করার পর কোনো কথাবার্তা না বলে ঘুমিয়ে পড়বে।
নোট
দারুল উলূম করাচির দারুত তাসনীফের সদস্য মাওলানা মাহমূদ হাসান হাফিযাহুল্লহ'র মাধ্যমে আমলটির সনদ নিশ্চিত করা হয়েছে।
─ মুফতি মুহাম্মাদ সাইফুদ্দীন গাজী
১০ রমাযান, ১৪৪৪ হিজরী
(নির্ভরযোগ্য, যাদের জরুরত আছে করতে পারেন ইনশাআল্লাহ)
> সংগৃহীত
পরকালের প্রস্তুতি
@PathwayToNoor
এটি একটি পরীক্ষিত আমল। বহু বছর থেকে এ আমলটি জামেয়া দারুল উলূম কারচি'র সাবেক শাইখুল হাদীস ও সদর মুফতী রফী উসমানী রহিমাহুল্লহ'র পক্ষ হতে প্রচারিত। আরও অনেক বুযুর্গদের এটি মুজাররাব। অগণিত মানুষ এর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন। যেসব অভিভাবক অবিবাহিত ছেলে মেয়েদের বিবাহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন, তারা আমলটি করতে পারেন। বিবাহ উপযুক্ত ছেলে মেয়েরাও নিজেদের জন্য এটি করতে পারেন। শরীয়তের বিধান তথা ফরজ ওয়াজিব সুন্নাত মনে না করে স্রেফ বুুযুর্গদের মুজাররাব আমল হিসাবে করতে কোনো অসুবিধা নেই। ইনশাআল্লাহ, দ্রুত সুফল লাভ করবেন।
এ আমলটি ১১ রমযান দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ তারিখের রাতে তারাবীহের পরে অথবা শেষরাতে তাহাজ্জুদের সময় করতে হবে ইন শা আল্লহ।
আমলের নিয়ম
১। প্রথমে ১০১ বার দরূদ শরীফ পড়বে।
২। এরপর ১২ রাকাআত নফল নামায পড়বে, দুই দুই রাকাআত করে। প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহার পর ১২ বার সুরা ফীল পড়বে।
৩। নামায শেষে পুনরায় ১০১ বার দরূদে ইবরাহীমী পড়বে।
৪। এরপর নবীজি ﷺ এর প্রতি আমলটির ঈসালে সওয়াব করবে।
৫। বিয়ের জন্য কিছুক্ষণ দুআ করার পর কোনো কথাবার্তা না বলে ঘুমিয়ে পড়বে।
নোট
দারুল উলূম করাচির দারুত তাসনীফের সদস্য মাওলানা মাহমূদ হাসান হাফিযাহুল্লহ'র মাধ্যমে আমলটির সনদ নিশ্চিত করা হয়েছে।
─ মুফতি মুহাম্মাদ সাইফুদ্দীন গাজী
১০ রমাযান, ১৪৪৪ হিজরী
(নির্ভরযোগ্য, যাদের জরুরত আছে করতে পারেন ইনশাআল্লাহ)
> সংগৃহীত
পরকালের প্রস্তুতি
@PathwayToNoor
❤15
রমজান সিরিজ — দিন ১২রমজান — সরলতা ও অপচয় থেকে বাঁচা
আল্লাহ তাআলা বলেন: তোমরা খাও ও পান করো, কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না। (সূরা আল-আ‘রাফ: ৩১)
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাস আমাদের শিখায় সংযম, ধৈর্য এবং সরলতা। কিন্তু আফসোস! কখনো কখনো আমরা রমজানকে ইফতারের বাহারি আয়োজনের প্রতিযোগিতায় পরিণত করি।
যেখানে থাকার কথা ছিল তাকওয়া, সেখানে চলে আসে প্রদর্শন। রোজা আমাদের অনুভব করায়— জীবন খুব অল্প দিয়েও সুন্দরভাবে চলতে পারে। ক্ষুধা আমাদের শেখায় কৃতজ্ঞতা, এবং অভাব আমাদের মনে জাগায় সহানুভূতি। মনে রাখবেন আসল উদ্দেশ্য শুধু পেট ভরানো নয়, বরং হৃদয়কে কোমল করা। অতিরিক্ত খাওয়া ইবাদতে অলসতা আনে। অপচয় বরকত কমিয়ে দেয়। সরলতার মধ্যে আছে প্রশান্তি। সংযমের মধ্যে আছে বরকত। রমজান আমাদের শিখায়— কম খেয়ে, কম খরচ করে, বেশি দান করে আমরা আল্লাহর আরও কাছে যেতে পারি।
📍 আজকের আমল:
1️⃣ ইফতারে সরলতা অবলম্বন করুন।
2️⃣ খাবার একদম নষ্ট করবেন না।
3️⃣ অতিরিক্ত খাবার কোনো অভাবী বা প্রতিবেশীর মাঝে বিতরণ করুন।
4️⃣ ইফতারের আগে এক মুহূর্ত ভাবুন—এই খাবারের জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছি তো?
হে আল্লাহ! আমাদেরকে অপচয় থেকে হেফাজত করুন, আমাদের অন্তরকে সরল ও বিনয়ী বানিয়ে দিন, এবং আমাদের রিজিকে অগণিত বরকত দান করুন। আমীন।
— মুসলিমা ডায়েরি
@PathwayToNoor
❤6
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
কেউ যদি এসে বলতো…
*“আপনাকে আর কষ্ট করে পর্দা করতে হবে না, আমি আপনাকে ফাতেমা (রাঃ)–এর মতো পর্দা করার পরিবেশ করে দেবো।”*
কেউ যদি এসে বলতো…
*“আপনাকে আর রবকে হারানোর ভয় করতে হবে না, আমরা দু’জন একসাথে সেজদায় পড়ে রবকে ডাকবো।”*
কেউ যদি এসে বলতো…
*“প্রিয়, আর আপনাকে একা কাঁদতে হবে না, আমি আপনাকে দ্বীন শেখার পথে হাত ধরে এগিয়ে নেবো।”*
কেউ যদি এসে বলতো…
*“প্রিয়, আপনাকে আর নন-মাহরামের কষ্ট সহ্য করতে হবে না, আমি আপনাকে হালাল ভালোবাসার নিরাপদ ছায়ায় রাখবো।”*
_*এটাই হাজারো পর্দাশীল, দ্বীনদার বোনের নীরব চাওয়া…*_🌸
যে ভালোবাসা দুনিয়ার জন্য নয়,
*যে ভালোবাসা একসাথে জান্নাত পর্যন্ত যাওয়ার স্বপ্ন দেখে…* 🤍
আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক বোনের এই পবিত্র চাওয়া পূরণ করুন।
তাদের জীবনে এমন একজন জীবনসঙ্গী দান করুন,
*যে দুনিয়ায় শান্তি আর আখিরাতে জান্নাতের সাথী হবে।*
_আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন…_
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
collected
@PathwayToNoor
*“আপনাকে আর কষ্ট করে পর্দা করতে হবে না, আমি আপনাকে ফাতেমা (রাঃ)–এর মতো পর্দা করার পরিবেশ করে দেবো।”*
কেউ যদি এসে বলতো…
*“আপনাকে আর রবকে হারানোর ভয় করতে হবে না, আমরা দু’জন একসাথে সেজদায় পড়ে রবকে ডাকবো।”*
কেউ যদি এসে বলতো…
*“প্রিয়, আর আপনাকে একা কাঁদতে হবে না, আমি আপনাকে দ্বীন শেখার পথে হাত ধরে এগিয়ে নেবো।”*
কেউ যদি এসে বলতো…
*“প্রিয়, আপনাকে আর নন-মাহরামের কষ্ট সহ্য করতে হবে না, আমি আপনাকে হালাল ভালোবাসার নিরাপদ ছায়ায় রাখবো।”*
_*এটাই হাজারো পর্দাশীল, দ্বীনদার বোনের নীরব চাওয়া…*_🌸
যে ভালোবাসা দুনিয়ার জন্য নয়,
*যে ভালোবাসা একসাথে জান্নাত পর্যন্ত যাওয়ার স্বপ্ন দেখে…* 🤍
আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক বোনের এই পবিত্র চাওয়া পূরণ করুন।
তাদের জীবনে এমন একজন জীবনসঙ্গী দান করুন,
*যে দুনিয়ায় শান্তি আর আখিরাতে জান্নাতের সাথী হবে।*
_আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন…_
ᴊᴜʙᴀʏᴇʀ ᴍᴀʜᴍᴏᴏᴅ
___
কঠিন জামানায়collected
@PathwayToNoor
❤🔥19❤7
রমজান সিরিজ — দিন ১৩রমজান — উত্তম চরিত্র
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: তোমাদের মধ্যে যার স্বভাব-চরিত্র উত্তম, সেই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। — (সহিহ বুখারি ৬০৩৫)
প্রিয় ভাই ও বোনেরা! রমজান শুধু বেশি বেশি ইবাদত করার মাসের পাশাপাশি ও এটি নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার মাস,
নিজের চরিত্রকে সুন্দর করার মাস। আমরা নামাজ পড়ি, রোজা রাখি, কুরআন তিলাওয়াত করি— কিন্তু যদি আমাদের আচরণ কঠোর হয়, কথার ভঙ্গি তিক্ত হয়,
চোখে-চোখে রাগ আর মনে অহংকার থাকে— তবে ইবাদতের আসল সৌন্দর্য প্রকাশ পায় না। রমজান আমাদের শেখায় ধৈর্য, সহনশীলতা, ক্ষমা ও নম্রতা। রোজা শুধু ক্ষুধা ও পিপাসা সহ্য করা নয়, বরং রাগ নিয়ন্ত্রণ করা,
খারাপ কথা থেকে বিরত থাকা, এবং মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করা। মনে রাখবেন ভালো চরিত্র নিজেই একটি বড় ইবাদত। একটি হাসি সদকার সমান, একটি নরম কথা হৃদয় জয় করে, আর কারও মন ভালো করা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় আমল।
যদি কেউ কটু কথা বলে— ধৈর্য ধরুন। যদি কেউ কষ্ট দেয়—
ক্ষমা করুন। কারণ উত্তম চরিত্রই মুমিনের প্রকৃত পরিচয়।
📍 আজকের আমল:
1️⃣ সবার সাথে কোমল ও সুন্দর ভাষায় কথা বলুন।
2️⃣ অকারণে তর্ক বা ঝগড়া থেকে দূরে থাকুন।
3️⃣ অন্তত একজন মানুষের মন খুশি করার চেষ্টা করুন।
4️⃣ কারও ভুল হলে তাকে ক্ষমা করে দিন।
5️⃣ নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করার অনুশীলন করুন।
🤲 আল্লাহ আমাদের উত্তম চরিত্রের অধিকারী বানান, আমাদের অন্তরকে নরম করুন, এবং আমাদের রোজা ও সকল ইবাদত কবুল করুন। আমীন।
— মুসলিমা ডায়েরি
@PathwayToNoor
❤🔥6
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤3